ঢাকা, সোমবার, আগস্ট ২০, ২০১৮, ভাদ্র ৫, ১৪২৫ ১০:৩৫ এএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
অন্য শীর্ষ খবর
জাপানের মিত্সুবিশি সামিট এলএনজি টার্মিনালের ২৫% মালিকানা কিনছে
কক্সবাজারের মহেশখালীতে সামিট করপোরেশনের নির্মাণাধীন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনালের ২৫ শতাংশ মালিকানা কিনে নিচ্ছে জাপানভিত্তিক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান মিত্সুবিশি করপোরেশন। সামিট গ্রুপের সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তির আলোকেই সম্প্রতি মালিকানার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় উভয় প্রতিষ্ঠান। সামিট গ্রুপের কর্মকর্তারা জানান, এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের আগেই সামিট এলএনজি টার্মিনাল লিমিটেড নামে একটি সাবসিডিয়ারি কোম্পানি গঠন করা হয়েছে। কারিগরি সহায়তাসহ টার্মিনাল স্থাপনে মিত্সুবিশির সঙ্গে একটি চুক্তিও স্বাক্ষর করেছে সামিট। প্রায় ৩০০ কোটি ডলারের প্রকল্পে শেয়ারের মালিকানা নিয়ে সম্প্রতি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে উভয় প্রতিষ্ঠান। প্রায় ৩০০ কোটি ডলারের এ প্রকল্পে গ্যাস রিসিভিং এবং ফ্লোটিং স্টোরেজ রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবে মিত্সুবিশি। এ প্রকল্পের পাশাপাশি সামিট এবং মিত্সুবিশি বাংলাদেশে এলএনজি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনেও কাজ করবে বলে জানা গেছে। এফএসআরইউ ব্যবহার করার কারণে প্রচলিত অনশোর টার্মিনাল থেকে অপেক্ষাকৃত কম খরচে ও দ্রুত সময়ে এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন করা যায়। এ কারণে উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলো এলএনজি গ্রহণ সক্ষমতা বাড়াতে এলএনজি টার্মিনালের দিকে (এফএসআরইউ ব্যবহার করে) ঝুঁকছে। সামিট ও মিত্সুবিশির এ প্রকল্পের অধীনে সামিট এলএনজি কক্সবাজার জেলার মহেশখালী দ্বীপের উপকূল থেকে ছয় কিলোমিটার দূরে সমুদ্রে একটি এফএসআরইউ স্থাপন করবে, যা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলার সরবরাহকৃত এলএনজি রিগ্যাসিফিকেশন করবে। সামিটের এলএনজি টার্মিনালটির নির্মাণকাজ ২০১৭ সালের শেষদিকে শুরু হয়েছে। ২০১৯ সালের মার্চে এটি বাণিজ্যিক কার্যক্রমে যাবে। টার্মিনালের পরিকল্পিত এলএনজি রিগ্যাসিফিকেশনের বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ দশমিক ৫ মিলিয়ন টন (এমপিটিএ)। এভাবে ১৫ বছর চলার পর পেট্রোবাংলার কাছে টার্মিনালটি হস্তান্তর করবে সামিট গ্রুপ। এর আগে মহেশখালীতে আরো একটি টার্মিনাল নির্মাণে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সঙ্গে গত বছরের ২০ এপ্রিল চুক্তি স্বাক্ষর করে সামিট। সামিটের ওই এলএনজি টার্মিনাল প্রকল্পটি নির্মাণের জন্য প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪০-৫০ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল ইলেকট্রিক ও সামিট এলএনজি টার্মিনাল কোম্পানি লিমিটেড যৌথভাবে এতে ইকুইটি অর্থায়ন করছে। এর মধ্যে জেনারেল ইলেকট্রিকের কাছে ২০ শতাংশ ও সামিটের কাছে ৮০ শতাংশ মালিকানা রয়েছে। এ প্রকল্প নির্মাণ শেষে আমদানিকৃত এলএনজি থেকে প্রতিদিন ৫০ কোটি ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করা হবে। পেট্রোবাংলা সামিটের কাছ থেকে প্রতি হাজার ঘনফুট গ্যাসের বিনিময়ে দশমিক ৪৫ ডলার পরিশোধ করবে। চুক্তি অনুসারে ১৫ বছর পর পেট্রোবাংলার কাছে টার্মিনালটি হস্তান্তর করবে সামিট।  
রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তায় বসানো হচ্ছে সর্বাধুনিক কোর ক্যাচার
আগস্ট ১৭, ২০১৮ শুক্রবার ১২:২৯ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যৎ কেন্দ্রের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে রাশিয়ার নব উদ্ভাবিত ও উন্নত কোর ক্যাচার (যেখানে ইউরেনিয়াম রড বসানো হয়) শনিবার বসানো হচ্ছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটের রিঅ্যাক্টরের ভেতর কোর ক্যাচার স্থাপনের সব প্রস্তুতিমূলক কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক পরমাণু বিজ্ঞানী ড. শৌকত আকবর। এ উপলক্ষ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, মন্ত্রণালয়ের  সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ পরমাণু  শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যান ড. নঈম চৌধুরী, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক প্রকল্প এলাকায় উপস্থিত থেকে কোর ক্যাচার বসানোর কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করবেন। তবে কোর ক্যাচার বসানোর পুরো কাজ শেষ হতে আনুমানিক দেড় মাস লাগতে পারে বলে জানান প্রকল্প পরিচালক। শৌকত আকবর বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনার ক্ষেত্রে তিন বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত যেকোনো পরিস্থিতিতে রিঅ্যাক্টরের কাঠামো কনফাইন্ড বা আবরণে ঢাকা থাকতে হবে; দ্বিতীয়ত ফিউশন রিঅ্যাকশন কন্ট্রোল তথা পারমাণবিক তেজস্ক্রিয়তা যাতে বাইরে ছড়িয়ে না পড়ে এবং তৃতীয়ত উন্নতমানের কুলিং সিস্টেম। এই তিনটি বিষয়ে কখনো ব্যর্থ হওয়া যাবে না। “ইতোমধ্যে রিঅ্যাক্টর বিল্ডিং এর কাজ শুরু হয়েছে। ওই রিঅ্যাক্টরের মধ্যে রাশিয়ার তৈরি কোর ক্যাচার বসানো হবে যা সম্ভাব্য সর্বোচ্চ মাত্রার ভূমিকম্প সহনশীল এবং বন্যা, ঘূর্ণিঝড় কিংবা জলোচ্ছ্বাসেও এটি সুরক্ষিত থাকবে। এমনকি এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উপর বিমান ধ্বংস হলে বা কেউ অপচেষ্টা চালিয়েও এর ক্ষতি সাধন করতে পারবে না।” বলেন তিনি। রিঅ্যাক্টর তথা পারমাণবিক বিদ্যুৎ চুল্লির সর্বোচ্চ নিরাপত্তার লক্ষ্যে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন-রোসাটম এর একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীরাই সর্বপ্রথম উন্নত ধরনের এই কোর ক্যাচার উদ্ভাবন করেছে। প্রকল্প পরিচালক আরো বলেন, এটি পারমাণবিক চুল্লির ভেতরে স্থাপিত একটি বিশেষ ধরনের কন্টেইনারের মতো। যে কোন জরুরি অবস্থায় চুল্লির তরল ও কঠিন অংশগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে এর ভেতরে এসে জমা হয় এবং সুরক্ষিত থাকে। ফলে চুল্লির কন্টেইনমেন্ট কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে না এবং তেজস্ক্রিয়তাও বাইরে ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ নেই।   সর্বোচ্চ নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করেই রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এই সর্বাধুনিক কোর ক্যাচার ব্যবহৃত হচ্ছে বলে জানান তিনি।  যদি কখনো বিদ্যুৎ কেন্দ্র মারাত্মক দুর্ঘটনায় পড়ে নিউক্লিয়ার মেল্টডাউন হয়ে পারমাণবিক চুল্লির মূল অংশ বা রিঅ্যাক্টর এর কোর গলে যায় সেই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে কোর ক্যাচার যুক্ত করা হচ্ছে। কারণ কোর গলে গেলে কোর ক্যাচার তা আটকে ফেলবে। ফলে বাইরে রেডিয়েশন বা তেজস্ক্রিয়তা লিকেজ হবে না বলে মনে করেন তিনি। ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে দুই ইউনিটের ২,৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন। পরে ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর বহুল প্রতীক্ষিত দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের পারমাণবিক চুল্লি বসানোর কাজ তথা ফাস্ট কংক্রিট পোরিং এর উদ্বোধন করা হয়। আর চলতি বছরের ১৪ জুলাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের ফাস্ট কংক্রিট পোরিং এর উদ্বোধন হয়েছে। রাশিয়ার রোসাটম এর  আর্থিক, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।      
Category: নিউক্লিয়ার
পারমাণবিক বিদ্যুৎ নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করবে
আগস্ট ১৬, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ০৭:৩০ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে পারমাণবিক বিদ্যুৎ গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। বৃহস্পতিবার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল (ইপিআরসি) এর উদ্যোগে ‘পারমাণবিক শক্তি ও উদ্ভাবনী রিঅ্যাক্টরের উন্নয়ন’ শীর্ষক এক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের নিরবচ্ছিন্ন  বিদ্যুৎ প্রয়োজন। পারমানবিক বিদ্যুৎ কতটা আর্থিকভাবে সাশ্রয়ী, সঞ্চালন গ্রীডের কম্পাংকের সাথে কিভাবে  সিঙ্ক্রনাইজ করা যাবে তা নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ কাজ করছে। শান্তিপূর্ণভাবে পারমাণবিক বিদ্যুৎ ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের অগ্রগতি ত্বরান্বিত হবে বলে মনে করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, ছোট মডুলার রিঅ্যাক্টর ব্যবহার করে ছোট ছোট বিদ্যুৎ কেন্দ্র করা যায় কি না তা নিয়ে গবেষণা করা যেতে পারে। এ ব্যাপারে খতিয়ে দেখার জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করেন তিনি। এ সংক্রান্ত কোন গবেষণার প্রয়োজন হলে তা বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল সহায়তা করতে পারে বলে জানান তিনি। বিদ্যুৎ ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, সব ধরণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই রূপপুর পারমানবিক  বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে। সব পারমাণবিক বর্জ্য রাশিয়া নিয়ে যাবে। বাংলাদেশ পরমানু শক্তি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আলী জুলকারনাইন ও বুয়েটের সাবেক অধ্যাপক ড. এমএ রশিদ সরকার যৌথভাবে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। নিউক্লিয়ার শক্তির প্রয়োজনীয়তা, নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রিঅ্যাক্টর ও এর বিভিন্ন জেনারেশন, পারমাণবিক নিরাপত্তা, রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও এর নিরাপত্তা, ছোট মডুলার রিঅ্যাক্টরের উন্নয়ন এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জি এজেন্সি (আইএইএ) এর নির্দেশনা সেমিনারে উপস্থাপন করেন তারা। সেমিনারে আরো বক্তব্য দেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোঃ রহমাতুল মুনিম, বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরী, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ ও পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন।
Category: নিউক্লিয়ার
‘পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তাদেরকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের নির্দেশ’
আগস্ট ১২, ২০১৮ রবিবার ০৩:৫০ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা ও কর্মচারিদেরকে ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে মাঠ পর্যায়ে গ্রাহক বান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের(বিআরইবি) চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন। শনিবার ঢাকায় সদর দপ্তরে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের আওতাধীন ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তিন শতাধিক ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) এবং বিআরইবি এর মাঠ পর্যায়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও নির্বাহী প্রকৌশলীদের সম্মেলনে এ নির্দেশ প্রদান করেন তিনি। চেয়ারম্যান বলেন, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) শতভাগ বাস্তবায়ন করায় বিআরইবি বিদ্যুৎ বিভাগের মধ্যে সেরা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি লাভ করেছে। এ অর্জন আমাদের সকলকে ধরে রাখতে হবে। বিচ্ছিন্ন ঘটনার কারণে বিআরইবি বিগত দিনের অর্জিত সফলতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে দেওয়া যাবে না। মাঠ পর্যায়ের নির্বাহী প্রকৌশলী ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীগণকে ডিজিএমগণকে সহায়তার জন্য আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, সততার জন্য ইতোমধ্যে বিআরইবি অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে পুরস্কৃত করেছে। সরকার বিআরইবিকে বিপুল পরিমাণ অর্থ দেওয়ার কারণে মালামালের কোন ঘাটতি নেই। যেসব জায়গায় লাইন নির্মান করা হয়েছে সেখানে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার জন্য ডিজিএমগণকে নির্দেশনা প্রদান করেন। বেশ কয়েকটি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে সিস্টেম লস বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সিস্টেম লস সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনতে হবে। তিনি আরো বলেন, সিস্টেম আপগ্রেডেশনের জন্য সবাইকে নিষ্ঠা ও সততার সাথে একযোগে কাজ করতে হবে। শিল্প প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক পেন্ডিং আবেদনের বিপরীতে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে হবে।  চেয়ারম্যান বলেন, সামনে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা। এ কারণে গ্রাহককে দ্রুত সংযোগ এবং নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দিতে হবে। এ জন্য লাইনম্যান এবং ওয়্যারিং ইন্সপেক্টরদের সচেতন করে তুলতে হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট অভিযোগ কেন্দ্র সার্বক্ষণিক সচল রাখা এবং বিদ্যুৎ বিলের এসএমএস সংক্রান্ত সমস্যা দ্রুত নিষ্পত্তি করে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে নির্দেশ দেন তিনি।  সম্মেলনে বিইআরবি সদস্য (অর্থ) মোঃ জয়নাল আবেদীন, সদস্য (ডিএন্ডডি) মোঃ মোস্তফা কামাল, সদস্য (পিএন্ডডি) মুঃ আবদুস সালাম এবং সদস্য (সমিতি ব্যবস্থাপনা) মোঃ মাহবুবুল বাশারসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা  দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।    
Category: বিদ্যুৎ
‘সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে শিগগিরই বিডিং রাউন্ড ঘোষণা হচ্ছে’
আগস্ট ০৯, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ০৬:৩৫ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য শিগগিরই নতুন প্রডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাক্ট বা পিএসসি করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। বৃহস্পতিবার পেট্রোবাংলার ড. হাবিবুর রহমান অডিটরিয়াম এ জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস-২০১৮ উপলক্ষে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। উপদেষ্টা বলেন, ইতোমধ্যে নতুন বিডিং রাউন্ড ঘোষণার জন্য খসড়া পিএসসি প্রণয়ন করা হয়েছে। এর আলোকেই অগভীর ও গভীর সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য চুক্তি করা হবে। তবে এবারের বিডিং রাউন্ডে স্থলভাগে তথা অনশোরে কোনো পিএসসি হবে না।   তিনি বলেন, মূল্যবান গ্যাসসহ অন্যান্য জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে অপচয় রোধ করে যথাযথ ব্যবহার ও উদ্ভাবনী ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে জ্বালানি সাশ্রয়ের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মো: রহমাতুল মুনিম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে আরো বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এর চেয়ারম্যান মো: আকরাম আল হোসেন, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মোঃ ফয়েজউল্লাহ। সেমিনারের শুরুতে ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের নিহত সদস্যদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সেমিনারে ‘অয়েল অ্যান্ড গ্যাস এক্সপ্লোরেশন অপরচুনিটিস ইন দি অফশোর এরিয়াস অব বাংলাদেশ আন্ডার প্রডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাক্ট (পিএসসি)’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পেট্রোবাংলার মহাব্যবস্থাপক (কন্ট্রাক্ট) শাহনেওয়াজ পারভেজ এবং ‘পেট্রোলিয়াম পাইপলাইন নেটওয়ার্ক ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পদ্মা অয়েল কোম্পানী লিমিটেড এর মহাব্যবস্থাপক (প্রকল্প) মো: আমিনুল হক। সেমিনারে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, পেট্রোবাংলা ও এর অধীনস্থ কোম্পানিসমূহের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  প্রসঙ্গত, স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পর জাতীয় অগ্রগতির লক্ষ্যে যে সকল দূরদর্শী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন তন্মধ্যে জাতীয় জ্বালানির নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিতকরণ ছিল অন্যতম। দেশের অর্থনীতির ভিতকে মজবুত করে সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ৯ আগস্ট তৎকালীন ব্রিটিশ তেল কোম্পানি শেল অয়েল এর নিকট থেকে তিতাস, হবিগঞ্জ, রশিদপুর, কৈলাশটিলা ও বাখরাবাদ-এ ৫টি গ্যাসক্ষেত্র নামমাত্র ৪.৫ মিলিয়ন পাউন্ড স্টার্লিং মূল্যে ক্রয় করে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। এ গ্যাস ক্ষেত্রসমূহকে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় নেয়ার পর থেকে অদ্যাবধি দেশের অর্থনৈতিক বিকাশে এবং জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অতুলনীয় ভূমিকা রেখে চলছে। জাতির পিতার উন্নয়ন ভাবনার পথ অনুরসরণ করে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার ২০১০ সাল থেকে এ দিবসটিকে ‘জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস’ হিসেবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এ দিবসটি উদযাপনের মাধ্যমে জ্বালানি নিরাপত্তায় বঙ্গবন্ধুর অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের পাশাপাশি দেশের উন্নয়নে জ্বালানি খাতের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সংক্রান্ত কার্যক্রমের প্রচারণা এবং জ্বালানির সাশ্রয়ী ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা সম্ভব হচ্ছে।    
Category: গ্যাস
চীনে কয়লা খনি বিস্ফোরণে ৪ জন নিহত
আগস্ট ০৭, ২০১৮ মঙ্গলবার ০১:০১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পার্বত্য প্রদেশ গুইঝুতে একটি কয়লা খনির বিস্ফোরণে চার শ্রমিক নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত নয় জন। সোমবার রাতে প্রদেশের পানঝু শহরের জিমুজিয়া কয়লা খনিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্টদের বরাত দিয়ে সংবাদটি প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া। বিস্ফোরণের কারণ সম্পর্কে তেমন কিছু জানা যায়নি। উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। পানান কোল ইনভেসমেন্ট করপোরেশন নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানচালিত খনিটিতে থেকে বছরে প্রায় তিন লাখ টন কয়লা উৎপাদন হয়। প্রতিষ্ঠানটি দুর্ঘটনার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। এর আগে, গত এপ্রিলে খনিটিতে নিরাপত্তা বিষয়টি নিয়ে পরিদর্শন হয়। এরপর কয়লা খনি কর্তৃপক্ষকে তাদের নিরাপত্তা বিষয়ে বেশকিছু সংশোধনীর জন্য বলা হয়। সূত্র: রয়টার্স
Category: অন্যান্য দেশ
হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র থেকে আরো ১৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু
আগস্ট ০৭, ২০১৮ মঙ্গলবার ১২:১৪ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশের জাতীয় গ্যাস গ্রিডে হবিগঞ্জের একটি কূপ থেকে দৈনিক ১৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানী লিমিটেডের(বিজিএফসিএল)এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, সোমবার থেকে দৈনিক ১৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস অতিরিক্ত উৎপাদন শুরু হয়েছে। বিজিএফসিএল এর আওতাধীন হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রের ১ নম্বর কূপ ওয়ার্কওভার করে দৈনিক এই গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়েছে। বর্তমানে হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রের সাতটি কূপ থেকে দৈনিক ২২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে। দেশে দৈনিক ৩৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা থাকলেও এর বিপরীতে ২৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সরবরাহ করা হয়।
Category: গ্যাস
দেশের প্রতি ঘরে ঘরে আলো জ্বলবে : প্রধানমন্ত্রী
আগস্ট ০৬, ২০১৮ সোমবার ১০:৫৬ এএম - বাসস
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নবনির্মিত আটটি বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করেছেন। এ সময়ে তিনি দেশের প্রত্যেক ঘরে আলো জ্বালাতে তার সরকারের লক্ষ্যের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। রোববার বিকেলে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নতুন আটটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ফলক উন্মোচনককালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য দেশের প্রত্যেক ঘরে ঘরে আলো জ্বালানো। এই লক্ষ্য পূরণে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’ এছাড়া শেখ হাসিনা দুইটি গ্রিড সাবস্টেশন এবং দেশের আরো ২১টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়নের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাধারণ জনগণের মুখে হাসি ফোটানোর মাধ্যমে সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ দেশ স্বাধীন করেছিলেন। তিনি বলেন, দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়তে এবং রোগে ভুগে কেউ যেন মারা না যায় ও অন্ধকারে না থাকে সে লক্ষ্যে সরকার পরিকল্পিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই প্রত্যেকে শিক্ষিত হোক। প্রত্যেক ঘরে আলো জ্বলুক। বিদ্যুৎ ব্যবহারে জনগণকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করে শেখ হাসিনা বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়। এ কথা আপনাদের মনে রাখতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ খাতে সরকার প্রচুর পরিমাণে ভর্তুকি দিচ্ছে। উৎপাদন ব্যয়ের চেয়েও আমরা বেশি পরিমাণে ভুর্তকি দিচ্ছি। আর এর মাধ্যমে আমরা জনগণের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে নিজহাতে সুইচ বন্ধ করতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমরা চাই না বিদ্যুতের অপচয় হোক। দেশের প্রত্যেক এলাকা শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় আসবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদন ৩২০০ থেকে ১৮ হাজার ৯শ’ মেগাওয়াটে উন্নীত করেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা ১২২টি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করেছি এবং ১৪ হাজার ১৩৪ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২৬টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ চলছে। এছাড়াও আমরা ভারত থেকে ছয়শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করেছি এবং এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির প্রক্রিয়া চলছে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, নেপাল ও ভুটান থেকে হাইড্রো ইলেক্ট্রিসিটি ক্রয়ের ব্যাপারে কথাবার্তা চলছে। তিনি বলেন, দেশে ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে সরকার পারমাণবিক বিদ্যুতের মত বহুমুখী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। জনগণ এ থেকে উপকৃত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নতুন যেসব বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করেন সেগুলো হলো : ঘোড়াশালের কোড্ডায় ঘোড়াশাল ৩৬৫ মেগাওয়াট সমন্বিত বিদ্যুৎকেন্দ্র, গাজীপুর ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র, দাউদকান্দি ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র, ফেঞ্চুগঞ্জ ২০০ মেগাওয়াট সমন্বিত বিদ্যুৎকেন্দ্র, নোয়াপাড়া ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র, মুন্সিগঞ্জের কমলাঘাটে মুন্সিগঞ্জ ৫৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সিদ্দিরগঞ্জে ৩৩৫ মেগাওয়াট সমন্বিত বিদ্যুৎকেন্দ্র (গ্যাস টারবাইন) ও সিদ্দিরগঞ্জ ২২৫ সমন্বিত বিদ্যুৎকেন্দ্র (দ্বিতীয় ইউনিট)। শতভাগ বিদ্যুৎ সংযোগের আওতায় এসেছে এমন ২১টি উপজেলা হচ্ছে : মৌলভীবাজার সদর, গাইবান্ধার সাখাটা, কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম, নরসিংদীর মনোহরদী, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ, জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল ও কালাই, নওগাঁর পোরশা, রাজশাহীর মোহনপুর ও দূর্গাপুর, পঞ্চগড়ের আটোয়ারী, নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ, ফেনীর ফুলগাজী, পরশুরাম, ছাগলনাইয়া ও সোনাগাজী, চট্টগ্রামের পটিয়া ও হাটাহাজারী, সিলেটের দক্ষিণ সুরমা এবং হবিগঞ্জ সদর উপজেলা। দুইটি গ্রিড সাবস্টেশন হলো নারায়ণগঞ্জের ভুলতায় ৪০০/২০০ কেভি গ্রিড সাবস্টেশন ও খাগড়াছড়ি ১৩২/৩৩ কেডি গ্রিড সাবস্টেশন। প্রধানমন্ত্রী পরে কিশোরগঞ্জ, কুমিল্লা, মৌলভীবাজার ও খাগড়াছড়ির উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহি এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন অর্জন ও পদক্ষেপ তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম এবং রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
Category: বিদ্যুৎ
শতভাগ এডিপি বাস্তবায়ন করায় স্বীকৃতি পেল বিদ্যুৎ বিভাগের তিন প্রতিষ্ঠান
জুলাই ৩১, ২০১৮ মঙ্গলবার ০৭:৪৮ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) শতভাগ বাস্তবায়ন করায় বিদ্যুৎ বিভাগের অধীনস্থ দুইটি সংস্থা ও একটি কোম্পানী সেরা বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। একই সাথে সেরা প্রকল্প পরিচালক হিসেবে তিনজন কর্মকর্তা স্বীকৃতি পেয়েছেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রথম হয়েছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি)। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও ঢাকা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো)। আর সেরা প্রকল্প পরিচালক হিসেবে প্রথম হয়েছেন পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড এর পল্লী বিদ্যুৎ বিতরণ সিস্টেম আপগ্রেডেশন (ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট ডিভিশন) প্রকল্পের মো. মোস্তফা কামাল। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় হয়েছেন যথাক্রমে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এর শাহজীবাজার ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের মো. আবুল কালাম আজাদ এবং ঘোড়াশাল ৩৬৫ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের মো. তোফাজ্জল হোসেন। ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনের বিজয় হলে গত ৩০ জুলাই এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ স্বীকৃতিলাভকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও প্রকল্প পরিচালকদের হাতে স্বীকৃতি স্মারক তুলে দেন। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এর চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ, বিআরইবি’র চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন ও ডেসকো’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল  মো. শাহিদ সারওয়ার স্বীকৃতি স্মারক গ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার খাত। সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার সমন্বিত উন্নয়নের লক্ষ্যে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ-মেয়াদি নানাবিধ উন্নয়ন কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করছে। সরকার কর্তৃক প্রণীত পাওয়ার সেক্টর মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী ২০২১ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ২৪ হাজার মেগাওয়াট। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন বাজেটের আকার ২০০৯ সালের তুলনায় ২০১৮ সালে নয় গুণের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সাথে বিগত নয় বছরে বিদ্যুৎ খাতের বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতাও দৃশ্যমানভাবে বৃদ্ধি হয়েছে। ২০০৯ সালের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ ২,৬৭৭ কোটি টাকার তুলনায় ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বরাদ্দ ২৬,২৯২ কোটি টাকায় উন্নীত হলেও অর্থবছর শেষ হওয়ার আগেই সংশোধিত এডিপি’র শতভাগ বাস্তবায়ন সম্পন্ন হয়েছে। চলতি বছরের জুন পর্যন্ত জাতীয় অগ্রগতির তুলনায় বিদ্যুৎ বিভাগের অগ্রগতি প্রায় ৭ শতাংশ বেশি ছিলো।
Category: বিদ্যুৎ
বাংলাদেশ পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ইনিস্টিটিউট দক্ষ মানব সম্পদ গড়তে কার্যকরী অবদান রাখবে
জুলাই ২৮, ২০১৮ শনিবার ০৮:৫৫ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
আগামী দিনের চাহিদা মেটাতে প্রয়োজন ভিত্তিক প্রশিক্ষণের উপর গুরুত্ব দিতে হবে বলে মনে করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। শনিবার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে বাংলাদেশ পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ইনিস্টিটিউট আয়োজিত ‘বিদ্যুৎ খাতের প্রশিক্ষণ নীতিমালা’ শীর্ষক কর্মশালায় বক্তব্যকালে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করার সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিতে হবে প্রথম থেকেই। প্রশিক্ষণ শুধু কাজের সাথে পরিচয়ই করিয়ে দিবে না বরং কাজটি দ্রুত বাস্তবায়ন করতে সহায়তা করবে। তিনি আরো বলেন, আগামী ৫ বছরে দেশে বিপুল বিনিয়োগ আসবে। অনেক কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে । তাই প্রয়োজন আন্তর্জাতিক মানের একটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ইনিস্টিটিউট আগামী দিনের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে নতুন নতুন প্রশিক্ষণ কোর্স প্রচলন করে দক্ষ মানব সম্পদ গড়তে কার্যকরী অবদান রাখবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ডঃ তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, নতুন নতুন সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। প্রয়োজনের তাগিদেই বাংলাদেশের মানুষ ইজিবাইক নামক যানবাহন খুঁজে বের করেছে। এটি পরিবেশবান্ধব ও বিদ্যুৎশক্তি নির্ভর। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মোঃ আবুল কালাম আজাদ, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ডঃ আহমদ কায়কাউস ও বাংলাদেশ পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ইনিস্টিটিউট এর রেক্টর মোঃ মাহবুব-উল-আলম বক্তব্য রাখেন।      
Category: অন্যান্য
নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারকে উৎসাহিত করতে নেট মিটারিং নির্দেশিকা উদ্বোধন
জুলাই ২৮, ২০১৮ শনিবার ০৮:২৯ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারকে উৎসাহিত করতে নেট মিটারিং নির্দেশিকা ২০১৮ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে এ নির্দেশিকার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ডঃ তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ডঃ আহমদ কায়কাউস, বাংলাদেশ পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ইনিস্টিটিউট এর রেক্টর মোঃ মাহবুব-উল-আলম ও পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন। নেট মিটারিং এর আওতায় বিদ্যুৎ গ্রাহক নিজ স্থাপনায় স্থাপিত নবায়নযোগ্য জ্বালানি ভিত্তিক সিস্টেমে উৎপাদিত বিদ্যুৎ নিজে ব্যবহার করে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রীডে সরবরাহ করতে পারবেন। এভাবে সরবরাহকৃত বিদ্যুতের জন্য সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল পরবর্তী মাসের সাথে সমন্বয় করা হবে। ফলে গ্রাহকের বিদ্যুৎ খরচের সাশ্রয় হয়। ভারত, শ্রীলংকাসহ বিশ্বের পঞ্চাশটিরও অধিক দেশে নেট মিটারিং প্রদ্ধতি প্রচলন রয়েছে। নেট মিটারিং নির্দেশিকা ২০১৮ গ্রাহকবান্ধব করে তৈরি করা হয়েছে। এটি জনপ্রিয় করতে সংশ্লিষ্টদের কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।    
Category: নবায়নযোগ্য
‘বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করার চেষ্টা চলছে’
জুলাই ২৭, ২০১৮ শুক্রবার ১১:০০ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র বিকল্প উপায়ে চালু করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। শুক্রবার দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং কয়লা খনি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। খবর বাসসের। দেশে বিদ্যুতের যে চাহিদা রয়েছে তা পূরণ করার মতো উৎপাদন সক্ষমতা বর্তমান বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর রয়েছে বলেও জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, রংপুর অঞ্চলের আটটি জেলায় ১০০ থেকে ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি রয়েছে। তাই এক থেকে দেড় ঘণ্টা করে লোডশেডিং দেয়া হচ্ছে। আর সিরাজগঞ্জের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ বাড়িয়ে লোডশেডিং এর মাত্রা কমানো হয়েছে। এ সময় তার সাথে ছিলেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ ও বিপিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ। বড়পুকুরিয়া খনিতে কয়লার ঘাটতির অভাবে বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় উচ্চ পর্যায়ের ওই  চার কর্মকর্তা পরিদর্শনে আসেন। পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ বলেন, যারা এই ঘটনায় জড়িত তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কয়লার ঘাটতি দেখিয়ে যারা কষ্টের সম্মুখীন করেছেন তাদের বিষয়টি কোনোভাবেই হালকা করে দেখার উপায় নেই। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বলেন, খনিতে কয়লা ঘাটতির ব্যাপারে কর্মকর্তাদের বক্তব্য এবং বাস্তবে কয়লার বিষয়টি দেখার পাশাপাশি তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চাহিদা মোতাবেক কবে কয়লা সরবরাহ দেওয়া সম্ভব এবং কয়লা খনির উৎপাদন কবে শুরু করা যাবে  সেজন্য এই পরিদর্শন। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। দুদক বিষয়টি তদন্ত করছে। তদন্তে কয়লা ঘাটতি হলে তার দায়-দায়িত্ব কর্মকর্তাদের নিতে হবে এবং তাদেরকে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানান তিনি।
Category: বিদ্যুৎ
‘চেয়ারম্যান এর নির্দেশে ৪৩ পরিবারে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ’
জুলাই ২৬, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ০৪:২৬ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
লালমনিরহাটের আদিতমারি উপজেলার প্রত্যন্ত মহিশাসুর গ্রামের ৪৩টি পরিবারে পাঁচদিনের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছে কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন এর বিশেষ নির্দেশনায় ওই সংযোগ দেওয়া হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় ওই ৪৩টি পরিবার অবর্ণনীয় অন্ধকারাচ্ছন্ন অবস্থায় দিনাতিপাত করছিলো। বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, অসহায় পরিবারগুলো চার-পাঁচ বছর আগে কর্তৃপক্ষের কাছে বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন করলেও তারা বিদ্যুৎ পায়নি। বিদ্যুৎ না পাওয়ায় এলাকাবাসীর মাঝে ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়। সম্প্রতি অনলাইন গণমাধ্যমসহ জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিষয়টি প্রকাশিত হলে বিদ্যুৎ বিভাগ ও বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান জেনারেল মঈন উদ্দিন এর নজরে আসে। এরপর চেয়ারম্যান সাত দিনের মধ্যে লাইন নির্মাণ করে ৪৩টি পরিবারে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে নির্দেশ দেন। সমিতি কর্তৃপক্ষ মাত্র পাঁচদিনের মধ্যে তিন কিলোমিটার লাইন নির্মাণ করে উক্ত ৪৩টি পরিবারে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়।
Category: বিদ্যুৎ
‘বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে ব্রিটিশ কোম্পানিগুলো কাজ করতে চায়’
জুলাই ২২, ২০১৮ রবিবার ০৯:৪৯ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে ব্রিটিশ কোম্পানিগুলো কাজ করতে চায় বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ এমপি রুশনারা আলি। রোববার ঢাকায় সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এর সাথে রুশনারা আলি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ অভিমত ব্যক্ত করেন। এ সময় তারা পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন বলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত রুশনারা  বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও বিট্রিশ প্রীতি উল্লেখ করে বাংলাদেশে সাম্প্রতিক উন্নয়নে সরকারের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে ব্রিটিশ কোম্পানিগুলো কাজ করতে চায়। ব্রিটিশ পেট্রোলিয়ামও (বিপি) বাংলাদেশে কাজ করতে চাচ্ছে। সম্মিলিতভাবে এগুলে উভয় দেশ উপকৃত হবে। উল্লেখ্য, তিনি বাংলাদেশের জন্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বাণিজ্যিক দূত  হিসেবে উভয় দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্পর্ক জোরদার করতে বাংলাদেশ সফরে এসেছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সম্ভাবনা ও অগ্রগতি তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ব্রিটিশ কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণ কম। ভূগর্ভস্থ তার বা উপকেন্দ্র স্থাপনে বা সামগ্রিক পরিকল্পনায় ব্রিটিশ অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পরামর্শক দিয়ে ব্রিটেন সহযোগিতা করতে পারে। বাংলাদেশ পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট এর আধুনিকায়নেও আমরা সহযোগিতা পেতে পারি, বলেন প্রতিমন্ত্রী। থাইল্যান্ডের এশিয়ান ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজিতে বঙ্গবন্ধু চেয়ার স্থাপন করা হয়েছে। এখান থেকে জ্বালানি এবং বিদ্যুৎ বিষয়ে পড়ালেখা ও গবেষণার জন্য বৃত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে। ব্রিটেনের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’ স্থাপনে তার সহযোগিতা কামনা করেন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকান্ডের বিভিন্ন হাবে (পায়রা হাব, মাতারবাড়ি হাব ইত্যাদি) পার্টনার প্রয়োজন। ব্রিটেনের ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান এ ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে পারে। সম্ভাবনাময় সকল বিনিয়োগকে আমরা স্বাগত জানাবো। আলোচনাকালে অন্যান্যের মাঝে ব্রিটিশ হাইকমিশনার মিজ এ্যালিশন ব্ল্যাক  এবং ব্রিটিশ হাইকমিশনের ব্যবসা ও বিনিয়োগ বিভাগের প্রধান বেনজামিন কাটমোর উপস্থিত ছিলেন।
Category: বিজনেস
সামিট পাওয়ার ইনটিগ্রেটেড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সনদ পেয়েছে
জুলাই ২২, ২০১৮ রবিবার ০৯:২১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত দেশের বৃহত্তম স্বতন্ত্র বিদ্যুৎ উৎপাদনকারি প্রতিষ্ঠান সামিট পাওয়ারের দুই সহযোগি প্রতিষ্ঠান সামিট বরিশাল পাওয়ার লিমিটেড এবং সামিট নারায়নগঞ্জ পাওয়ার ইউনিট-২ লিমিটেড ইনটিগ্রেটেড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইএমএস) সনদ লাভ করেছে। আইএমএস সনদে রয়েছে পরিবেশ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি আইএসও ১৪০০১:২০১৫,গুণগত ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি আইএসও  ৯০০১:২০১৫ এবং পেশাগত স্বাস্থ্য ও উত্তম নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি ওএইচএসএএস  ১৮০০১:২০০৭ । এই সনদ অর্জন সামিটের অব্যহত ব্যবসায়িক কার্যদক্ষতা এবং সর্বোত্তম ব্যবসায়িক অবস্থা ধরে রাখার প্রতিশ্রুতির একটি প্রমাণ। ব্যুরো ভেরিটাস বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সার্টিফিকেশন সেবা সরবরাহকারি প্রতিষ্ঠান যা এখন পর্যন্ত সামিট পাওয়ারের সকল বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোকে পরিদর্শন করেছে এবং সনদ প্রদান করেছে। রোববার রাজধানীর স্পেক্ট্রা কনভেনশন সেন্টারে এই সনদ প্রদান  অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সামিট পাওয়ার লিমিটেডের ফাইন্যান্সিয়াল কন্ট্রোলার ও কোম্পানী সেক্রেটারি স্বপন কুমার পাল, ব্যুরো ভেরিটাস (বাংলাদেশ) প্রাইভেট লিমিটেডের হেড অফ বিজনেস ডেভেলপমেন্ট মুকুট কে বড়ুয়া, হেড অফ সার্টিফিকেশন মো. তৌফিকুল আরিফ প্রমুখ। সামিট পাওয়ার লিমিটেড দেশের বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে শীর্ষস্থানীয় এবং পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত একটি প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে সামিট গ্রুপ  মোট ১,৯৪১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে সরবরাহ করছে।  সম্প্রতি সামিট পাওয়ার গাজীপুরের কড্ডায় মোট ৪৪৯ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন দুটি পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন করেছে  এবং যা ইতিমধ্যে বিদ্যুৎসরবরাহ করছে। উন্নতমানের বিদ্যুৎ উৎপাদনের স্বীকৃতি স্বরূপ সামিট গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০১৩ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে সেরা খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পের স্বীকৃতি পেয়ে আসছে এবং ২০১৭ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি কর্তৃক ট্রিপল ‘এ’রেটিং অর্জন করে আসছে।
Category: অন্যান্য
পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডকে গ্রাহকদের হয়রানিমুক্ত বিদ্যুৎ দিতে আহ্বান
জুলাই ২১, ২০১৮ শনিবার ০৬:১৩ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
গ্রাহকদের হয়রানিমুক্ত বিদ্যুৎ দিতে আরো আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। শনিবার বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বাপবিবো ) এর সম্মেলন কক্ষে জেনারেল ম্যানেজার সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, উৎপাদন, বিতরণ ও সঞ্চালন সংস্থাগুলোর মাঝে সমন্বয় বাড়াতে নিজেদের উদ্যোগ নিতে হবে। উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন যেন চাহিদা মাফিক হয়। গ্রাহক তথা জনগণের সন্তুষ্টিই আমাদের মূল লক্ষ্য। তাদের কোন অবস্থায়ই হয়রানি করা যাবে না, হাসি মুখে কথা বলতে হবে। আগামী তিন মাসের মধ্যে বিদ্যমান সমস্যার সমাধান করতে হবে। সরকার প্রয়োজনীয় সকল সহযোগিতা দেবে বলে জানান তিনি। ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের জন্য দুই দিনব্যাপি ওই জেনারেল ম্যানেজার সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে শতভাগ উপজেলা বিদ্যুতায়নের টার্গেট এবং তার জন্য মাঠ পর্যায়ে সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়।  পাশাপাশি কারিগরী সীমাবদ্ধতা ও বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিরসন, ট্রান্সফরমার নষ্টের সম্ভাব্য কারণ ও প্রতিকার, বৈদ্যুতিক দূর্ঘটনা হ্রাসকল্পে করণীয় ও প্রতিকার, লাইন রক্ষণাবেক্ষণ, প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপন ও পরিচালন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয় বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।  এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ‘হয়রানিমুক্ত বিদ্যুতের অঙ্গীকার’। ১৯৭৮ থেকে ২০০৮ সাল নাগাদ ৩০ বছরে বাপবিবো এর গ্রাহক ছিল ৭৪ লাখ, যা বিগত নয় বছরে বেড়ে হয়েছে দুই কোটি ৪১ লাখ। ইতোমধ্যে ২৪০টি উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন হয়েছে, বাকীগুলো নির্ধারিত সময়েই হয়ে যাবে। সম্মেলনে ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার, জেনারেল ম্যানেজার, বিদ্যুতায়ন বোর্ডের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে বাপবিবোর্ডের সেরা কর্মকর্তা সদস্য (বিতরণ ও পরিচালন) মোঃ মোস্তফা কামাল, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা ময়মনসিংহ পল্লী সমিতি-২ এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার জহিরুল ইসলাম এবং বাপবিবোর্ডের সেরা কর্মচারী সামছুল হুদা চৌধুরী এর হাতে প্রতিমন্ত্রী শুদ্ধাচার সম্মাননাপত্র তুলে দেন। সম্মেলনে অন্যান্যের মাঝে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ডঃ আহমদ কায়কাউস, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন ও পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন বক্তব্য রাখেন। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন বাপবিবোর সদস্য (প্রশাসন) ও সরকারের অতিরিক্ত সচিব মোঃ ইয়াকুব আলী পাটওয়ারী,  পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মাসুম আল-বেরুনী, ওজোপাডিকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক  মোঃ শফিক উদ্দিন।  
Category: বিদ্যুৎ
পিজিসিবি’র অপটিক্যাল ফাইবার লীজ নিয়েছে গ্রামীণফোন
জুলাই ১৭, ২০১৮ মঙ্গলবার ০৪:২০ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিদ্যুতের জাতীয় গ্রীড লাইনের উপর স্থাপিত অপটিক্যাল ফাইবারের একাংশ গ্রামীণফোনকে লীজ দিয়েছে পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি)। এ লীজের আওতায় চট্টগ্রামের হাটহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ১৪৯ কিলোমিটার দীর্ঘ অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করবে গ্রামীণফোন। গত ১৬ জুলাই পিজিসিবি’র প্রধান কার্যালয়ে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে এ লীজ দেওয়া হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। দেশজুড়ে বিস্তৃত পিজিসিবি’র অপটিক্যাল ফাইবার ওভারহেড লাইনের ওপরে থাকায় স্থানীয় প্রেক্ষাপটে অধিকতর নির্ভরযোগ্য ও নিরাপদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মাটি খোঁড়াখুঁড়িসহ অন্যান্য কারণে এ লাইন কাটা পড়ার বিড়ম্বনা নেই। ফলে ডিজিটাল যোগাযোগের ক্ষেত্রে অন্যান্য অপটিক্যাল সংযোগের তুলনায় অপেক্ষাকৃত নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিতে পারে পিজিসিবি’র অপটিক্যাল ফাইবার। এ কার্যক্রম পরিচালনায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এর কাছ থেকে এনটিটিএন লাইসেন্স নিয়েছে পিজিসিবি। গ্রামীণফোনের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তিতে বলা হয়েছে, গ্রামীণফোন হাটহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ১৪৯ কিলোমিটার এক জোড়া অপটিক্যাল ফাইবারের ব্যবহারের ভাড়া বাবদ পিজিসিবিকে বাৎসরিক এক কোটি সাত লাখ টাকা পরিশোধ করবে। পিজিসিবি’র পক্ষে কোম্পানী সচিব মোঃ আশরাফ হোসেন এবং গ্রামীণফোনের পক্ষে চীফ প্রকিউরমেন্ট অফিসার আবুল কাশেম মহিউদ্দিন আল-আমীন চুক্তিপত্রে সই করেন। অনুষ্ঠানে কর্মকর্তারা জানান, উভয়পক্ষের এ চুক্তির ফলে ইন্টারনেটে ডাটা বিনিময়, ভিডিও কনফারেন্সিং, ভয়েস কমিউনিকেশন সহ সব ধরণের ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেক বেশি স্থিতিশীল হবে। প্রসঙ্গতঃ বিগত ২০০৮ সালে পিজিসিবি গ্রামীণফোনকে প্রথমবার অপটিক্যাল ফাইবার ভাড়া দিয়েছিল যা ২০১৬ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। বর্তমানে লীজের রেট পরিবর্তন হয়ে যাওয়ায় প্রতিযোগিতামুলক মূল্যে চুক্তি করা হয়েছে যা ২০১৬ সালের মে মাস থেকে কার্যকর হয়েছে। চুক্তি স্বাক্ষরপর্বে পিজিসিবি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম-আলবেরুনী, নির্বাহী পরিচালক মোঃ এমদাদুল ইসলাম, মোঃ শাফায়েত হোসেন ও খোন্দকার মোঃ আব্দুল হাই, পরিচালক (ওপিজিডব্লিও) মোঃ আশরাফ হোসেন, গ্রামীণফোনের মহাব্যবস্থাপক হীরক কুমার পালসহ উভয়পক্ষে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
Category: অন্যান্য
    সাম্প্রতিক খবর   সর্বাধিক পঠিত
জাপানের মিত্সুবিশি সামিট এলএনজি টার্মিনালের ২৫% মালিকানা কিনছে
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কোর ক্যাচার স্থাপনের কাজ শুরু
রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তায় বসানো হচ্ছে সর্বাধুনিক কোর ক্যাচার
পারমাণবিক বিদ্যুৎ নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করবে
‘পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তাদেরকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের নির্দেশ’
নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে সমঝোতা স্মারক সই
‘সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে শিগগিরই বিডিং রাউন্ড ঘোষণা হচ্ছে’
চীনে কয়লা খনি বিস্ফোরণে ৪ জন নিহত
হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র থেকে আরো ১৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু
দেশের প্রতি ঘরে ঘরে আলো জ্বলবে : প্রধানমন্ত্রী
ডিপিডিসি’র নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হলেন প্রকৌশলী বিকাশ দেওয়ান
পেট্রোবাংলার নতুন চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ
‘পিডিবি’র বড় অর্জন দেশের ৭৬ শতাংশ এলাকা এখন বিদ্যুতের আওতায়’
পুরনো তিন বিদ্যুৎকেন্দ্র আলাদাভাবে পাওয়ার হাবে রূপান্তর হচ্ছে
বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানীর নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাবিব উদ্দিন
পিডিবি’র নিয়ন্ত্রণাধীন বিতরণ এলাকা নিয়ে কোম্পানি গঠনের বিরুদ্ধে আবারও আন্দোলন
প্রসঙ্গঃ রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র-পরিবেশ ও প্রতিবেশের উপর প্রভাব
‘এলপি গ্যাস অপারেশনাল লাইসেন্সিং নীতিমালা প্রণয়ন করেছে সরকার’
বিপিডিবিকে হোল্ডিং কোম্পানীতে রূপান্তর করতে চায় সরকার
‘রমজানে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে’
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy