ঢাকা, মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৭, ২০১৭, কার্তিক ২, ১৪২৪ ০৩:৩০ পিএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
অন্য শীর্ষ খবর
বর্জ্য থেকে ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন আগামী ৩০ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে
বর্জ্য থেকে ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তা আগামী ৩০ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। গত ১৩ অক্টোবর ঢাকার কেরাণীগঞ্জে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর উদ্যোগে আয়োজিত ঝিলমিল -১, ৩৩/১১ কেভি ২০ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ প্রকল্পের সাফল্যের আলোকে কেরাণীগঞ্জের মতো অন্যান্য উপজেলায়ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নেয়া হবে। তিনি বলেন, উন্নতর নাগরিক সুবিধা সমৃদ্ধ শহরতলী গড়ে তোলা হবে। সম্বনিত উন্নয়নের জন্য কেরানীগঞ্জের উপর মাস্টার প্ল্যান করা হচ্ছে। ঢাকার আশেপাশের অন্যান্য উপজেলা বা বিভাগীয় শহরগুলোর সম্বনিত উন্নয়ের মাস্টার প্ল্যান দ্রুত করে বাস্তবায়ন  করতে পারলে ঢাকা বা মূল শহরের শহরের উপর চাপ আর থাকবে না। তিনি আরো বলেন, প্রিপেইড মিটার বিদ্যুৎ ও অর্থ উভয়ই সাশ্রয় করবে। বিল ও সংযোগে অনলাইন সিস্টেম আমাদের নাগরিক জীবন সহজতর করেছে। এগুলোর প্রসার আমাদের শ্রমঘন্টা সাশ্রয় করবে। এ সময় তিনি  পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর বহুতল বিশিষ্ট অফিস ও আবাসিক ভবন, ঝিলমিল -২, ৩৩/১১ কেভি ২০ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র, কোনাখোলা ৩৩/১১ কেভি ২০ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র, চরগলগলিয়া ৩৩/১১ কেভি ২০ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র, ওয়াসপুর ৩৩/১১ কেভি ২০ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র-এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। প্রতিটি উপকেন্দ্র স্থাপন বাবদ ব্যয় হবে ১১.৫০ কোটি টাকা। ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন ও কেরাণীগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ বক্তব্য দেন।
নেসকো প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৫ দশমিক ৩০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে
অক্টোবর ০৪, ২০১৭ বুধবার ০৯:৪৬ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
নবগঠিত নর্দান ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানির (নেসকো) প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৫ দশমিক ৩০ শতাংশ বাড়িয়ে ৬ টাকা ৭৩ পয়সা থেকে ৭ টাকা ৭৬ পয়সা পুননির্ধারণের প্রস্তাব করেছে। বুধবার রাজধানীর টিসিবি মিলনায়তনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশনের (বিইআরসি)আয়োজনে বিদ্যুতের মূল্যহার পরিবর্তনের উপর গণশুনানীকালে ওই প্রস্তাব করেন কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাকিউল ইসলাম। বিইআরসি চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলামের সভাপতিত্বে কমিশনের সদস্য মিজানুর রহমান, রহমান মুরশেদ, আব্দুল আজিজ খান ও মাহমুদ উল হক ভূইঁয়া শুনানি গ্রহণ করেন। তবে শুনানীকালে বিইআরসি’র কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি ইউনিট প্রতি ৮৯ পয়সা হারে দাম বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছে। শুনানিতে অংশ নিয়ে ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম বলেন, বিপিডিবি ভেঙে গঠিত এই কোম্পানিটি এখন পঙ্গু। এই পঙ্গু কোম্পানির যারা জন্ম দিয়েছেন তারা এর দায় নেবেন, ভোক্তারা নয়। তিনি বলেন, বিপিডিবিকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের যে দাম দেয়া হয় নেসকোসহ অন্য কোম্পানিগুলোকে তার বেশী দিতে রাজি নয় গ্রাহকরা। এদিকে, বিদ্যুতের দামের সঙ্গে ডিমান্ড ও সার্ভিস চার্জ বৃদ্ধির প্রস্তাবও দিয়েছে নেসকো। গত বছরের ১ অক্টোবর থেকে বিতরণ কার্যক্রম শুরু করে নেসকো। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬টি জেলায় জেলা শহর ও সংলগ্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বিতরণ করছে কোম্পানীটি। নতুন এই কোম্পানীটির মোট গ্রাহক সংখ্যা ১২ লাখ ৭৪ হাজার ৮৮৩ । এর মধ্যে আবাসিক গ্রাহক ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৯০৪, যা মোট গ্রহাকের ৮৪ শতাংশ। এই কোম্পানীর মোট বিদ্যুৎ চাহিদা ৭৪৫ মেগাওয়াট।
Category: বিদ্যুৎ
‘বিআরইবি প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে’
সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৭ বুধবার ১০:১৩ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের কাছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি) প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে। বুধবার ঢাকায় কারওয়ানবাজারে টিসিবি মিলনায়তনে বিআরইবি’র আওতাধীন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলোর (পবিস) বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের উপর গণশুনানীকালে এ প্রস্তাব করেন বিআরইবির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মঈনউদ্দিন। ওই প্রস্তাবের বিপরীতে কমিশনের কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুতের গড় খুচরা দাম ৭ দশমিক ১৯ শতাংশ বা ৪৪ পয়সা বাড়িয়ে ৬ টাকা ৫৬ পয়সা পুননির্ধারণের সুপারিশ করেছে। বর্তমানে এ বিদ্যুতের দাম ৬ টাকা ১২ পয়সা। গণশুনানিতে সভাপতিত্ব করেন বিইআরসি’র চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য রহমান মুরশেদ, মাহমুদউল হক ভুইয়া, আব্দুল আজিজ খান ও মিজানুর রহমান। শুনানিতে অংশ নিয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ সংগঠন কনজ্যুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম বলেন, গ্রামে মান সম্মত বিদ্যুৎ পাওয়া যায় না। প্রতিদিন আট থেকে দশ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। মাসিক বিল, মিটার সংযোগ নিতে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে সাধারণ গ্রাহকদের।বারবার শুধু দাম বৃদ্ধি হবে আর গ্রাহকরা ঠিকমতো সেবা পাবে না এটা মেনে নেওয়া কষ্টকর।  দাম বৃদ্ধির যুক্তি তুলে ধরে বিআরইবি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মঈনউদ্দিন বলেন, অবকাঠামোগত ও জনবল খরচ,  অবচয় বৃদ্ধি, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেড়েছে। চেয়ারম্যান বলেন, ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে নিট খুচরা সরবরাহ ব্যয় ইউনিট প্রতি ছয় টাকা ৭০ পয়সা। বিদ্যমান খুচরা ট্যারিফ ইউনিট প্রতি ছয় টাকা ৫০ পয়সা। অর্থাৎ ইউনিট প্রতি ঘাটতি ৬৫ পয়সা। গত অর্থবছরে বিআরইবি’র ৮০০ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে।। ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মধ্যে মাত্র ১১টি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল। অস্বচ্ছল সমিতিগুলো তাদের ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে পারছে না। ঋণ ও সুদের কিস্তি বকেয়া পড়েছে ৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এদিকে বিআরইবি এর প্রস্তাবে আবাসিকে ন্যূনতম বিল ৬৫ থেকে ২০ টাকা বাড়িয়ে ৮৫ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে। সার্ভিস চার্জ ১০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ টাকা করার আবেদন করেছে। আবাসিকে সর্বনিম্ন এক দশমিক ৫৬ শতাংশ থেকে ১২ দশমিক ৪৩ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিট ব্যবহারকারী গ্রাহকদের জন্য সবচেয়ে বেশী মূল্যহার বৃদ্ধি করার কথা বলেছে। এই ধাপে বর্তমানে ইউনিট প্রতি দাম ৫ টাকা ৬৩ পয়সা। বিআরইবি প্রস্তাব করেছে ছয় টাকা ৩৩ পয়সা। অন্যান্য শ্রেণীর গ্রাহকদের ক্ষেত্রেও সার্ভিস চার্জ বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে। বিআরইবির সারাদেশে দুই কোটি এক লাখ গ্রাহক রয়েছে। এর মধ্যে ৭৫ শতাংশ গ্রাহকই আবাসিক। গত সোম ও মঙ্গলবার বিপিডিবির পাইকারি ও খুচরা মূল্যহার প্রস্তাবের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।  বৃহস্পতিবার ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) গণশুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।  
Category: বিদ্যুৎ
‘বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য বৃদ্ধির পক্ষে বিইআরসি’র কারিগরী মূল্যায়ন কমিটি’
সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৭ সোমবার ১১:০৯ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কারিগরী মূল্যায়ন কমিটি বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) প্রস্তাবের পক্ষে মত দিয়েছে। তবে বিপিডিবি প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের পাইকারি দাম গড়ে ৭২ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব করলেও তা ৫৪ পয়সা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছে ওই কমিটি। অর্থাৎ এ মতামত গৃহীত হলে বিদ্যুতের গড় পাইকারি মূল্যহার ১১ দশমিক ৭৮ শতাংশ বেড়ে ৪ টাকা ৮৭ পয়সা থেকে ৫ টাকা ৪১ পয়সায় দাড়াবে। সোমবার ঢাকায় টিসিবি মিলনায়তনে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধিতে বিপিডিবি’র প্রস্তাবের ওপর গণশুনানিতে এ তথ্য উঠে আসে। দেশে বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা-কোম্পানিগুলো বিপিডিবি থেকে বিদ্যুৎ নিয়ে গ্রাহক পর্যায়ে সরবরাহ করে। তাই পাইকারি মূল্য বাড়লে খুচরা অর্থাৎ প্রান্তিক পর্যায়েও এ মূল্য বাড়বে। এদিকে বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা দাম বাড়াতে সরকারি সংস্থা ও কোম্পানিগুলোর প্রস্তাবের বিপরীতে দাম কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। শুনানিতে অংশ নিয়ে ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, বিপিডিবির পাইকারি দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব অযৌক্তিক। সংস্থাটির উন্নয়নে ও গ্রাহক স্বার্থ সংরক্ষণে পরামর্শ দেন তিনি। তিনি আরো বলেন, ফার্নেস তেলের ও ডিজেলের দাম কমালে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রয়োজন হবে না।কারণ তেল ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ এখন ৩০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। বিপিডিবির প্রস্তাবে বলা হয়, ফার্নেস তেল ও ডিজেলের ব্যবহার বৃদ্ধি, বেসরকারি খাত থেকে বিদ্যুৎ কেনা এবং জ্বালানি ব্যয়ের অংশ বৃদ্ধির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। মূল্যহারের ঘাটতি পূরণে সরকার থেকে ভর্তুকির পরিবর্তে দেয়া ঋণের সুদ পরিশোধ করতে হচ্ছে। তুলনামূলক কম মূল্যহারে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলোতে বেশী বিদ্যুৎ সরবরাহের আনুপাতিক হার বেড়ে যাওয়ায় গড় পাইকারি মূল্যহার কমে গেছে। সব মিলিয়ে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে পাইকারি মূল্যহার ঘাটতির পরিমাণ প্রতি ইউনিটে (কিলোওয়াট) ৭২ পয়সায় দাড়ায়। ঘাটতি দূর ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বার্থে দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে পিডিবি।  এদিকে, টিসিবি ভবনের বাইরে দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবের বিরোধীতা করে প্রতিবাদ মিছিল, সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচী পালন করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)সহ কয়েকটি বাম সংগঠন। গত ২০ ফেব্রুয়ারি বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবনা বিইআরসিতে দাখিল করে পিডিবি। গণশুনানিতে সভাপতিত্ব করেন বিইআরসির চেয়ারম্যান ও সাবেক বিদ্যুৎ সচিব মনোয়ার ইসলাম। শুনানিতে আরও উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য রহমান মুরশেদ, আব্দুল আজিজ খান, মিজানুর রহমান ও মাহমুদউল হক ভুইয়া। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের  বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার পরিবর্তনের আবেদনের ওপর  মঙ্গলবার শুনানি হবে। মূল্যহার পরিবর্তনে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের প্রস্তাবের ওপর  বুধবার এবং ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) প্রস্তাবের ওপর বৃহস্পতিবার শুনানি গ্রহণ করা হবে। এছাড়া আগামী ২, ৩ ও ৪ অক্টোবর যথাক্রমে ঢাকা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি  (ডেসকো), ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো) এবং নবগঠিত নর্থ ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (নওজোপাডিকো) প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে। বিইআরসি আইন অনুযায়ী, শুনানির পর ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে বিইআরসিকে দাম পুননির্ধারণ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে হবে। সব মিলিয়ে প্রথম দিনের শুনানিতেই বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়েছে।
Category: বিদ্যুৎ
ইউনাইটেডের ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা কমিটি
সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ১১:২০ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ময়মনসিংহে বেসরকারি খাতে ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন আইপিপি  বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। বুধবার সচিবালয়ে কমিটির সভায় বিদ্যুৎ বিভাগের এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সভাপতিত্ব  করেন। ১৫ বছর মেয়াদী এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি স্থাপন করবে বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড কোম্পানি। বৈঠক শেষে অনুমোদিত ক্রয় প্রস্তাবের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,  ফার্নেস ওয়েলভিত্তিক  বিদ্যুকেন্দ্রটি থেকে  ১৫ বছর মেয়াদে বিদ্যুৎ কিনবে সরকার। প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুতের দাম পড়বে ৮ দশমিক ৪১৬৬ টাকা। এ হিসেবে ১৫ বছর মেয়াদে বিদ্যুৎ ক্রয়ে সরকারের ব্যয় হবে ১৭ হাজার ৬৪০ কোটি টাকা। এছাড়া বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ডের ‘পল্লী বিদ্যুতায়ন সম্প্রসারণের মাধ্যমে ১৫ লাখ গ্রাহক সংযোগ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ২৩ হাজার ২১১ টি ডিস্ট্রিবিউশন ট্রান্সফরমার ক্রয়ের একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ জন্য ব্যয় হবে ১৭০ কোটি ২৪ লাখ টাকা। ক্রয় কমিটির বৈঠকের আগে অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের একটি প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দেয়। প্রস্তাবটি হচ্ছে চট্টগ্রাম ইউরিয়া সারকারখানা (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী সারকারখানার (কাফকো) অব্যবহৃত জমি ও জেটি ব্যবহার এবং বঙ্গোপসাগরে সাঙ্গু প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ক্ষুদ্র আকারে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি।        
Category: বিদ্যুৎ
ভোলায় ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে কারিগরি সহায়তা দেবে জিই
সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৭ রবিবার ১০:১২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
যুক্তরাষ্ট্রের জিই পাওয়ারকে বাংলাদেশের ভোলায় ২২০ মেগাওয়াট ডুয়েল-ফুয়েল কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রযুক্তি উপকরণ সরবরাহ করতে নির্বাচিত করেছে শাপুরজি পাল্লোনজি (এসপি) গ্রুপ। এটি ভোলায় জিইর একই উৎপাদন ক্ষমতার দ্বিতীয় বিদ্যুৎকেন্দ্র। প্রথমটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ২০১৫ সালে। জিই দক্ষিণ এশিয়ায় পাওয়ার জেনারেশন গ্রাহকদের উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও অত্যাধুনিক উপকরণসমূহ সরবরাহ করা অব্যাহত রেখেছে এবং এটি ভারত, বাংলাদেশ এবং শ্রীলংকায় জিই-এর ইনস্টল্ড বেজকে শক্তিশালী করছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। শাপুরজি পাল্লোনজি গ্রুপের পাওয়ার বিজনেসের প্রধান মিতেশ সনি বলেন, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতে ভোলা পাওয়ার প্লান্ট শাপুরজি পাল্লোনজি গ্রুপের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। কনফিগারেশন সিলেকশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জিইর প্রযুক্তিগত এবং স্থানীয় বাজার দক্ষতা তাদের দলের জন্য ব্যাপক সুবিধা দিয়েছে। ভোলার এই প্রকল্প একটি ইনডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার (আইপিপি) হিসেবে এসপি গ্রুপ নির্মাণ করছে। এসপি গ্রুপ পিডিবির সঙ্গে ২২ বছরের চুক্তি করেছে। এই কেন্দ্র প্রাথমিক জ্বালানি হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে ডুয়েল-ফুয়েল প্রযুক্তিতে পরিচালিত হবে এবং ব্যাক-আপ ফুয়েল হিসেবে থাকবে ডিজেল। আশা করা হচ্ছে, কেন্দ্রটি ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে চালু হবে। প্রকল্পটি বাংলাদেশের দুই লাখ বাড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে সক্ষম হবে। জিই দক্ষিণ এশিয়ার গ্যাস পাওয়ার সিস্টেমের সিইও দীপেশ নন্দা বলেন, `দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো বিদ্যুৎ নিরাপত্তার অর্জনের জন্য এগিয়ে যাচ্ছে, ফলে এই খাতে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। জিইর প্রযুক্তি সুবিধা এবং দক্ষিণ এশিয়ায় জিইর উপস্থিতি আঞ্চলিক গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হচ্ছে।`
Category: বিদ্যুৎ
সামিট পাওয়ার লিমিটেডের নতুন উপদেষ্টা হলেন মোস্তফা কামাল
সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৭ শনিবার ১২:৪১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশের বেসরকারি খাতের সবচেয়ে বড় স্বতন্ত্র বিদ্যুৎ উৎপাদনকারি প্রতিষ্ঠান সামিট পাওয়ার লিমিটেডের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. মোস্তফা কামাল। যোগদান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সামিট পাওয়ারের একজন সদস্য হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের প্রকৌশলীদের উচ্চতর দক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করছে পাশাপাশি বিদ্যুৎ উন্নয়ন খাতে প্রযুক্তি স্থানান্তরের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের দিকে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।” সামিট পাওয়ারে যোগদানের আগে তিনি ইলেকট্রিসিটি জেনারেশন কোম্পানী অব বাংলাদেশ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের পরিচালক (আইপিপি সেল), প্রধান প্রকৌশলী (উৎপাদন) ও সদস্য (ডিস্ট্রিবিউশন অ্যান্ড জেনারেশন) এবং পাওয়ার সেলের ডিরেক্টর জেনারেল হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে স্নাতক সম্পন্ন করেন।            
Category: অন্যান্য
পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক সংখ্যা ১ কোটি ৯৮ লাখ ছাড়িয়েছে
সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ০৮:২১ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের অধীনস্ত ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাধ্যমে পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রমের আওতাধীন এলাকায় ১ কোটি ৯৮ লাখ ১৭ হাজার ৭৮৬ জন গ্রাহককে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের জনসংযোগ অফিসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, গত আগস্ট মাস পর্যন্ত এ সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। শুধু আগস্ট মাসে ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩৯১ জন গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয়। যা পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিসমূহের একটি বিশাল অর্জন এবং যুগান্তকারী পদক্ষেপ। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ভিশন-২০২১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০১৮ সালের মধ্যে দেশের বিদ্যুৎ সংযোগ প্রত্যাশী ৯০ শতাংশ পরিবারের মাঝে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের আলোকিত বাংলাদেশ গড়তে ‘শেখ হাসিনার উদ্যোগ-ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ’ এই স্লোগান ধারণ করে আলোর পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আর সেই লক্ষ্যে সোনার বাংলা গড়তে প্রতি মাসে নতুন লাইন নির্মাণ এবং বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম সারাদেশে ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হচ্ছে। বোর্ডের  চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন এর গতিশীল নেতৃত্ব, বলিষ্ঠ পদক্ষেপ, নিষ্ঠা, আন্তরিকতা, সততা এবং ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এই বিপুল সংখ্যক গ্রাহককে বিদ্যুৎ সুবিধা প্রদান করা সম্ভব হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।  
Category: বিদ্যুৎ
ভারতীয় কোম্পানির ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কিনতে চুক্তি সই করেছে বিপিডিবি
আগস্ট ২৮, ২০১৭ সোমবার ০৯:৪৫ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ভারতীয় একটি বেসরকারি কোম্পানির অর্থায়নে নির্মিতব্য ২২০ মেগাওয়াটের দ্বৈত জ্বালানির বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কিনতে চুক্তি সই করেছে। ভারতের শাপুরজি পালোনজি গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান নতুন বিদ্যুৎ (বাংলাদেশ) লিমিটেড ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার হিসেবে ভোলার বোরহানউদ্দিনে প্রায় ১৯ একর জমিতে ওই বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করবে। সোমবার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে বিপিডিবি এর সচিব মিনা মাসুদ উজ-জামান ও নতুন বিদ্যুৎ লিমিটেডের পরিচালক জে সিনহা মহাপাত্র বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিতে সই করেন। ২২ বছর মেয়াদি ওই চুক্তির আওতায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে। বিপিডিবি গ্যাসে উৎপাদিত বিদ্যুৎ কিনবে প্রতি ইউনিট ৩ দশমিক ৯৮৩০ সেন্টে আর ডিজেল থেকে উৎপাদিত প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ কিনবে ১৬ দশমিক ৯৬২১ সেন্টে। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, নিরাপদ ও উপযোগী পরিবেশের জন্য বিশ্বের বড় বড় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে বিনিয়োগের আগ্রহ দেখাচ্ছে। জার্মানী, সুইডেনসহ ইউরোপীয়ান দেশ সমূহও বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ করতে ইচ্ছুক। তিনি আরো বলেন, ভারতের শতভাগ বেসরকারি  বিনিয়োগে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি তৈরী হচ্ছে। বিদ্যুতের চাহিদা কাঙ্খিত হারের চেয়েও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এজন্য বছরে প্রায় ২,০০০ মেগাওয়াট অতিরিক্ত বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে। এ চাহিদা পূরণে বিদ্যুৎ খাতের সাথে সংশ্লিষ্টদের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত রাখা হবে।   দ্বৈত জ্বালানিনির্ভর ওই কেন্দ্রে  জ্বালানি হিসেবে গ্যাস ব্যবহার হলে ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে আর এইচএসডি বা ডিজেল জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করলে উৎপাদিত হবে ২১২ মেগাওয়াট। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে দেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস, পেট্রোবাংলার চেযারম্যান আবুল মনসুর মোহাম্মদ ফয়জুল্লাহ এবং শাপুরজি পালোনজি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুকুন্দন শ্রী নিবাসন।  
Category: বিদ্যুৎ
রূপপুর প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনে রাশিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা
আগস্ট ২১, ২০১৭ সোমবার ১১:০১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
রাশিয়া পরমাণু বিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যয়নরত ৩৪ জন শিক্ষার্থীর একটি প্রতিনিধিদল গত ২০ আগস্ট নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছে। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন আয়োজিত দিনব্যাপী কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের প্রকল্প এলাকার বিভিন্ন অংশে চলমান কর্মকাণ্ড ঘুরে দেখানো ও ব্যাখ্যা করা হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এতে বলা হয়, বাৎসরিক গ্রীষ্মের ছুটিতে এ সব শিক্ষার্থী বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। পরমাণু শক্তি কমিশন ও প্রকল্প কর্মকর্তারা তাদের দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বাস্তবায়ন সম্পর্কে বিশদভাবে অবহিত করেন। ভবিষ্যতের পরমাণু বিশেষজ্ঞদের নির্মাণাধীন প্রকল্প সম্পর্কে ব্যবহারিক জ্ঞান প্রদান করাই ছিল এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।  রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক ড. শৌকত আকবর জানান, দেশে একটি উন্নত ও টেকসই পারমাণবিক অবকাঠামো নির্মাণে প্রয়োজন দক্ষ জনশক্তি। বাংলাদেশ সরকার সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, রাশিয়ায় বর্তমানে পরমাণু বিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা তাদের যোগ্যতার বলে দেশের প্রথম পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে কাজ করার এবং অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগ পাবেন। প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন শেষে রাশিয়ার মেফির (মস্কো ইঞ্জিনিয়ারিং ফিজিক্স ইনস্টিটিউট) নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রথমবর্ষের ছাত্রী জাইমা হক তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, ‘দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে কাজ করার সুযোগ পেলে নিজেকে গর্বিত মনে করব। আমি আমার জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও মেধা দিয়ে দেশের পরমাণু শিল্পের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখতে চাই।’ একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর কোর্সে অধ্যয়নরত মাসুদুর রহমান বলেন, ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প আমাদের সবার জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। এর মাধ্যমে আমরা বিশ্বের নিউক্লিয়ার এলিট ক্লাবে প্রবেশ করতে যাচ্ছি। প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি অত্যন্ত সন্তোষজনক এবং আশা করছি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এ কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে। এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হতে পারলে দেশের স্বার্থে আমি নিজেকে পুরোপুরিভাবে বিলিয়ে দেব।’ পরমাণু শিল্পে মানবসম্পদ তৈরির অংশ হিসেবে এবং একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় বর্তমানে রাশিয়ার বিখ্যাত ন্যাশনাল রিসার্চ নিউক্লিয়ার ইউনিভার্সিটি- মেফি’তে বর্তমানে ৪৩ জন বাংলাদেশি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষা লাভ করছেন। চুক্তি মোতাবেক প্রতি বছর পরমাণু বিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যয়নের জন্য রুশ সরকার মেধাবী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন রসাটমের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান এএসই গ্রুপ অব কোম্পানিজ পাবনা জেলার রূপপুরে বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে। প্রকল্পে সর্বাধুনিক ৩+ প্রজন্মের দুটি বিদ্যুৎ ইউনিট থাকবে, যার প্রতিটির উৎপাদন ক্ষমতা হবে ১২,০০ মেগাওয়াট। খুব শিগগিরই মূল প্রকল্পের নির্মাণ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
Category: নিউক্লিয়ার
‘জ্বালানির মূল্য নির্ধারণে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের ভুর্তকি দেওয়ার পরামর্শ’
আগস্ট ১৯, ২০১৭ শনিবার ১১:৩৪ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাজার মূল্যের ভিত্তিতে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণের পরও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সরকার ভুর্তকি অব্যাহতি রাখবে বলে এক সেমিনারে মত দিয়েছেন বক্তারা। তারা বলেন, তরল গ্যাস আমদানির পর পুরো জ্বালানির দাম বেড়ে যাবে। আগামী ১০ বছরে এই দাম তিনগুণ বাড়াতে হবে। তবে দক্ষতা বাড়িয়ে তা কমিয়ে রাখা সম্ভব। বাজার মূল্যে জ্বালানির দাম ঠিক করলেও দরিদ্র মানুষের জন্য ভর্তূকি দিতে হবে। সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে দাম না রাখলে পুরো অর্থনীতিতে তার বিরূপ প্রভাব পড়বে। শনিবার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স, বাংলাদেশ (এফইআরবি) আয়োজিত ‘জ্বালানি’র মূল্য এবং জাতীয় অর্থনীতি’ শীর্ষক ওই সেমিনারে বক্তারা একথা বলেন। সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ২০১৮ সালের মধ্যে শতভাগ মানুষের কাছে বিদ্যুৎ দেয়া হবে। তবে মান সম্মত বিদ্যুৎ দিতে আরো সময় লাগবে। জ্বালানি চাহিদা মেটাতে ভর্তূকি থাকবে। তিনি বলেন, তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করা হচ্ছে। এলএনজিতে ভ্যাট মওকুফ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনতে হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমে যাচ্ছে। এলএনজি’র দামও কমে যাচ্ছে। ফলে সেদিকে নজর দিতে হবে। বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করতে হবে। এতে নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে।  মূল প্রবন্ধে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পেট্রোলিয়াম বিভাগের অধ্যাপক ড. ম তামিম বলেন, বাংলাদেশে ভবিষ্যতে জ্বালানির দাম নির্ধারণ কঠিন হবে। অনেক বিষয় জ্বালানির দাম নির্ধারণে প্রভাব ফেলবে। আন্তর্জাতিক বাজার, সরকারের ভর্তূকি, জ্বালানির ব্যবহার, কোন জ্বালানি কতটা ব্যবহার হচ্ছে, দক্ষতার উন্নয়ন ইত্যাদি। ভবিষ্যতে কেমন দাম হবে বা কোন নিয়মে দাম ঠিক করা হবে তা এখনই ঠিক করতে হবে। বিশেষ করে শিল্পখাতের জন্য। ভবিষ্যতে জ্বালানির দাম কেমন হবে তা জানা থাকলে বিনিয়োগে সুবিধা হবে বলে মনে করেন তিনি। ম তামিম বলেন, যে ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাস আমদানির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে তা ব্যবহার শুরু হলে আড়াই গুণ গ্যাসের দাম বাড়াতে হবে। আর আগামী ১০ বছরে গ্যাসের দাম তিনগুণ বাড়াতে হবে। তবে ব্যবহার ও সরবরাহ দক্ষতা বাড়িয়ে এই দাম বাড়ানো নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। পদ্ধতিগত লোকসান কমাতে হবে। সঞ্চালনে লোকসান কমানো সম্ভব। পল্লী বিদ্যুতে লোকসান সবচেয়ে বেশি। জ্বালানি তেলের চাহিদা কমাতে পরিবহনে পরিবর্তন আনতে হবে। পুরানো পরিবহন পরিবর্তন করতে হবে।  তিনি বলেন, বাজারমূল্যে জ্বালানি সরবরাহ করতে হবে। তবে বাজারমূল্যে দিতে গিয়ে যেন জনগণ সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এমনভাবে জ্বালানির মূল্য ঠিক করতে হবে যেন বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারে কেউ বঞ্চিত না হয়। বাজার এমন হতে হবে যেন, যার কাছে যেটা সহজ মনে হবে সে সেটা ব্যবহার করতে পারে। পাইপ লাইনের গ্যাসের সাথে এলপিজি’র দাম সমন্বয় করতে হবে। যার যেটা পছন্দ হবে সে সেটা ব্যবহার করবে। তিনি বলেন, কোন অবস্থাতেই জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের প্রভাব বিস্তার করা উচিত নয়। সব বাজার মূল্যে রাখা উচিত। কোন বিশেষ জ্বালানিকে উৎসাহিত করা উচিত নয়। এক জ্বালানির সাথে অন্য জ্বালানির দাম সমন্বয় করতে হবে। সব জ্বালানির দাম তেলের সাথে সমন্বয় করলে ভাল বলে তিনি তিনি আরো বলেন, দেশের অর্থনীতি, পরিবেশ আর জ্বালানি নিরাপত্তা এই তিনটি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে জ্বালানির দাম ঠিক করতে হবে। ভিন্ন ভিন্ন উৎস থেকে জ্বালানি এমনভাবে ব্যবহার করতে হবে যেন বিদ্যুৎ উৎপাদন সব সময় কম খরচে হয়। কারণ বিদ্যুতের দাম সময় সময় প্রাথমিক জ্বালানির দামের উপর নির্ভর করে। অনুমান করা যায়, আগামী কয়েকবছর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়বে না। সেদিকে খেয়াল রেখে জ্বালানি ব্যবহার করতে হবে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, প্রাথমিক জ্বালানির দাম পরিবর্তন হলে বিদ্যুতের দামও পরিবর্তন হবে। তবে জ্বালানির দাম সব সময় সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখতে হবে। এজন্য কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং আমদানির উপর জোর দিতে হবে। এইখাতে কর মওকুফ করে সুবিধা দেয়া যেতে পারে। শিল্পে ভর্তূকি কমিয়ে দরিদ্র জনগোষ্ঠির জন্য দেয়া যেতে পারে। পর্যায়ক্রমে ভর্তুকি তুলে দিতে হবে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এর চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে দক্ষতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পুরোনো বিদ্যুৎ কেন্দ্র পর্যায়ক্রমে বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন বলেন, সকল মানুষের জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এর দাম নির্ধারণে সরকারের নিয়ন্ত্রণ থাকা দরকার। সরকারের নিয়ন্ত্রণ না থাকলে অনেক মানুষেরই ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাবে। তখন বিশৃংখলা তৈরি হবে। এজন্য ক্ষেত্র বিশেষে জ্বালানির দাম নির্ধারণে সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) এর উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, স্বচ্ছভাবে পরিকল্পনা ও নীতি ঠিক করতে হবে। সব সমস্যার সমাধান শুধু দাম বাড়িয়ে করলে হবে না। বিদ্যুতের দাম পাঁচভাগ বাড়লে জীবনযাত্রার অন্য খরচ আরো ২০ ভাগ বেড়ে যায়।   সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিবি) গবেষণা পরিচালক ড. গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় দক্ষতার ঘাটতি আছে। সরকারি প্রকল্পে না দিয়ে অনেক সুবিধা বেসরকারি উদ্যোক্তাদের দেয়া হচ্ছে। বেসরকারি উদ্যোক্তাদের মত সরকারি কেন্দ্রে সুবিধা দিলে উৎপাদন খরচ কমে যেত। বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদন মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ইমরান করিম বলেন, গ্যাস ব্যবহার না করেও বিল দিতে হচ্ছে। এজন্য শিল্পে যথাযথ মিটার দিতে হবে। দামের সাথে উন্নত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।
Category: অন্যান্য
‘বাংলাদেশের সাথে মায়ানমারের বিদ্যুতের আন্তঃগ্রীড সংযোগ হলে উভয় দেশ উপকৃত হবে’
আগস্ট ১৬, ২০১৭ বুধবার ১২:১৩ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে এক দ্বি-পাক্ষিক সভা গত ১৪ আগস্ট মায়ানমারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের পক্ষে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বলে মন্ত্রনালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।  অন্যদিকে মিয়ানমারের পক্ষে সাত সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন মায়ানমারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইউ উইং খাইং।  আলোচনাকালে প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ  বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানো গেলে উভয় দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি আরো মজবুত হবে। সমুদ্র সীমানার শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য মায়ানমারকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও মায়ানমার দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সেতু-বন্ধন হতে পারে। বিদ্যুৎ শেয়ারিং প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো দৃঢ় করবে। প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে যে উন্নয়ন চলছে তা অব্যাহত রাখতে অনেক বিদ্যুৎ প্রয়োজন। মায়ানমার বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ও গ্যাস রপ্তানি করতে পারে। বাংলাদেশের সাথে মায়ানমারের বিদ্যুতের আন্তঃগ্রীড সংযোগ করা গেলে উভয় দেশ উপকৃত হবে। বাংলাদেশ চীন থেকে বিদ্যুৎ নিতে পারবে আর অন্যদিকে মায়ানমারের সাথে চীন ও অন্যান্য আসিয়ান দেশের সাথে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবসা বৃদ্ধি পাবে। যা প্রকারান্তে বিমসটেক ও বিসিআইএম এর মতো সংস্থাকে গতিশীল করবে।  বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী এ সময় মায়ানমারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ও উপমন্ত্রীকে বাংলাদেশে সফরের জানিয়ে বলেন, সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো সুনির্দিষ্ট করতে প্রতিনিধি দল পাঠানো যেতে পারে। মায়ানমারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইউ উইং খাইং একসাথে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণ করতে হবে ।  বিদ্যুৎ শেয়ারিং ও গভীর সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধানে কারিগরী সহযোগিতা প্রদানে আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, ভারতের সাথে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ শেয়ারিং এর অভিজ্ঞতা আমাদের কাজে লাগতে পারে। তিনি বিদ্যুৎ শেয়ারিং এর কার্যবলি  এগিয়ে নিতে জয়েন্ট  ওয়ার্কিং কমিটি গঠনের প্রস্তাব করেছেন। মায়ানমারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপমন্ত্রী ডঃ তুন লাইং এ সময় উপস্থিত ছিলেন।  বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন মায়ানমারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ শফিউর রহমান, পিডিবি’র সদস্য (কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স) মোস্তাফিজুর রহমান, পিজিসিবি’র নির্বাহী পরিচালক চৌধুরী আলমগীর হোসেন ও বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্মসচিব মোঃ আলাউদ্দিন।    
Category: বিদ্যুৎ
অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম আরো কমেছে
আগস্ট ১৬, ২০১৭ বুধবার ১১:৪৮ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দরপতন অব্যাহত রয়েছে। চীনে পণ্যটির চাহিদা বাড়ার পাশাপাশি পরিশোধনের পরিমাণ বৃদ্ধির খবরে গত দুইদিন ধরে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম আগের তুলনায় আরো কমেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে পাথুরে ভূমি থেকে আহরিত জ্বালানি তেল (শেল) উত্তোলনের পরিমাণ বৃদ্ধির সম্ভাবনার খবর পণ্যটির দাম কমাতে ভূমিকা রেখেছে। ভবিষ্যতে সরবরাহের চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডবিস্নউটিআই) বিক্রি হয় প্রতি ব্যারেল ৪৮ ডলার ৭৮ সেন্টে, যা আগের  তুলনায় ৪ সেন্ট বা দশমিক ১ শতাংশ কম। এদিন ভবিষ্যতে সরবরাহের চুক্তিতে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড বিক্রি হয় ৫২ ডলারে, যা আগের  তুলনায় ১০ সেন্ট বা দশমিক ২ শতাংশ কম। নিউইয়র্ক মার্কেন্টাইল এক্সচেঞ্জে (নিমেক্স) জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহটি ছিল অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে বছরের সেরা সপ্তাহ। চীনের ন্যাশনাল ব্যুরো অব স্ট্যাটিসটিকসের সামপ্রতিক এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, চলতি বছরের জুলাইয়ে দেশটির পরিশোধন কেন্দ্রগুলোয় অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধনের পরিমাণ বেড়েছে। এ সময় এ সব কেন্দ্রে মোট ৪ কোটি ৫৫ লাখ টন জ্বালানি তেল পরিশোধন হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। গত জুলাইয়ে চীনে জ্বালানি তেল পরিশোধনের দৈনিক গড় পরিমাণ ১ কোটি ৭১ হাজার ব্যারেল। তবে রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীনে গত জুলাইয়ে জ্বালানি তেল পরিশোধনের দৈনিক গড় হার ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরের পর সর্বনিম্ন। পরিশোধনের পরিমাণ বাড়ার খবরের পাশাপাশি চীনে চলতি বছর জ্বালানি তেলের চাহিদা বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ)। সংস্থাটির সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চীনে ২০১৭ সালে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ব্যবহারের দৈনিক গড় পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ১৫ লাখ টনে। এর আগে দেশটিতে পণ্যটির দৈনিক গড় ব্যবহারের পরিমাণ ১৪ লাখ টন হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিল আইইএ। সেই হিসাবে দেশটিতে চলতি বছর অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দৈনিক গড় ব্যবহার ১ লাখ টন বাড়তে পারে বলে নতুন পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে চীনের পেট্রোলিয়াম পরিশোধন প্রতিষ্ঠান সিনোপিক গ্রুপের ভাইস-প্রেসিডেন্ট জিয়াং হাইচাও জানান, চীনে বর্তমানে জ্বালানি তেলের চাহিদা দৈনিক প্রায় চার লাখ ব্যারেল। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) চীন ২১ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল জ্বালানি তেল আমদানি করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৪ শতাংশ বেশি। পণ্যটি আমদানির এ হার বজায় থাকলে অচিরেই চীন প্রথমবারের মতো অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিকারক দেশগুলোর তালিকায় শীর্ষে চলে যাবে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে শেল উত্তোলনে চাঙ্গাভাবের খবর মিলেছে। মার্কিন এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ইআইএ) পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছরের ডিসেম্বর নাগাদ দেশটির খনিগুলো থেকে শেল উত্তোলনের সম্মিলিত পরিমাণ বাড়তে পারে দৈনিক তিন লাখ ব্যারেল। টেক্সাসের পশ্চিমাঞ্চল ও নিউ মেক্সিকোর খনিগুলো থেকে পণ্যটির উত্তোলন সবচেয়ে বেশি হবে। মেলবোর্নভিত্তিক অস্ট্রেলিয়া অ্যান্ড নিউজিল্যান্ড ব্যাংকের এক নোটে বলা হয়, একই সময়ে চীনে জ্বালানি তেলের পরিশোধন বৃদ্ধি ও যুক্তরাষ্ট্রে শেল উত্তোলনে চাঙ্গাভাবের সম্ভাবনার খবরের জের ধরে গতকাল আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম আগের  তুলনায় কমেছে। সূত্র: রয়টার্স ও অন্যান্য সংবাদ সংস্থা
Category: অন্যান্য দেশ
‘সরকার গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি করে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে’
আগস্ট ১০, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ১২:২৬ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে সরকার তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির পাশাপাশি গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছেবলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। বুধবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে পেট্রো সেন্টারে আয়োজিত এক সেমিনারে একথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, ‘এলএনজি আমদানির পাশাপাশি সারা দেশে গ্যাস আহরণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’ জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস-২০১৭ উপলক্ষে বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এই সেমিনারের আয়োজন করে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব নাজিম উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ ও বিপিসি চেয়ারম্যান আবু হেনা রহমাতুল মুনিম বক্তব্য রাখেন। সেমিনারে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের ম্যানেজার কাজী মো. আনোয়ারুল আজিম ‘এলএনজি এজ প্রাইমারী এনার্জি: বাংলাদেশ প্রসপেক্টিভ’ এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের উপ-সচিব ড. মনিরুজ্জামান ‘অয়েল পাইপলাইন : টু এনশিওর আনইন্টারাপটেড অয়েল সাপ্লাই ফর এনার্জি সিকিউরিটি শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। উপদেষ্টা বলেন, সরকার সাগরের মধ্যেও গ্যাস আহরণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। স্বাধীনতার পর ১৯৭৫ সালের ৯ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ৫টি গ্যাসক্ষেত্র চিহ্নিত করাকে মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে নাজিমউদ্দিন চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। এর আগে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের নিহত অধিকাংশ সদস্যের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
Category: গ্যাস
জ্বালানি খাতে সুষম উন্নয়ন করা হবে: নসরুল
আগস্ট ০৭, ২০১৭ সোমবার ১১:৩১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
প্রাকৃতিক গ্যাস ক্রম হ্রাসমান হলেও বিকল্প জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিত করে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছেবলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। সোমবার সোনারগাঁও হোটেলে গ্যাস সেক্টর মাস্টার প্ল্যানের খসড়া উপস্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, পরিকল্পনা মাফিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার করে সুষম উন্নয়ন করা হবে। গভীর-অগভীর সমুদ্রে এবং স্থলভাগে গ্যাস অনুসন্ধানের কাজ জোরদার করা হয়েছে। তিনি বলেন, পাওয়ার সিস্টেম মাস্টার প্ল্যান করা হয়েছে। এতে চাহিদা, সরবরাহ এবং সম্ভাব্য প্রাপ্তির উৎস, অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, ক্লিন এনার্জি বা বৈশ্বিক অবস্থা নিয়ে বিস্তারিত বলা আছে। এটিকে ম্যাগনাকার্টা উল্লেখ করে তিনি বলেন, খাতভিত্তিক গ্যাসের চাহিদা নিরূপণ করে গ্যাস সরবরাহের উদ্যোগ নেয়া হবে। ইকিউএমএস কনসাল্টিং লিমিটেডের সহায়তায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ডেনমার্কের র‌্যাম্বর কোম্পানি, ডেনমার্কের ভূতত্ব জরিপ অধিদপ্তর এ মাস্টার প্ল্যান করছে। এখানে চাহিদা ও সরবরাহ বিশ্লেষণ, সাশ্রয়ী মূল্যে গ্যাস সরবরাহের উপায়, সঞ্চালন অবকাঠামো নির্মাণ পরিকল্পনা ও আইনগত রীতি-নীতি বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ডেনমার্কের রাষ্ট্র্রদূত মিকায়েল উইন্থার, পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ ও র‌্যাম্বল কোম্পানির পরিচালক সোরেন লভস্ট্যাড ক্রিসটেনসেন বক্তব্য রাখেন।
Category: গ্যাস
‘বিদ্যুৎ উৎপাদনে এক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে সামিট পাওয়ারসহ দুই বিদেশি কোম্পানী’
আগস্ট ০৪, ২০১৭ শুক্রবার ১০:৩৩ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
সিঙ্গাপুর ভিত্তিক নব গঠিত কোম্পানী সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল (এসপিআই) এবং যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান জেনারেল ইলেকট্রিক (জিই) শুক্রবার যৌথভাবে বাংলাদেশে গ্যাসভিত্তিক কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্ল্যান্ট ও একটি ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল উন্নয়ন কার্যক্রমের ঘোষণা দিয়েছে। উন্নয়ন কার্যক্রমের জন্য এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করা হবে বলে সামিট পাওয়ার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে। বিশ্ব ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (আইএফসি) বাংলাদেশে সামিটের মেঘনাঘাট-২ প্রাকৃতিক গ্যাসভিত্তিক কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্ল্যান্ট উন্নয়ন কার্যক্রমের অর্থায়নে প্রধান সংগঠকের ভূমিকা পালন করেছে। এর মধ্য দিয়ে সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল মোট ৩,০০০ মেগাওয়াটের অধিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করবে। বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে  সফলতার হাত ধরে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ক্রমবর্ধমান বাজারে নিজেদের চলার পথকে সম্প্রসারিত করতে চায় সামিট। টেকসই ও দূষণমুক্ত বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে সামিট তরলকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সংরক্ষণ ও গ্যাস রুপান্তরের জন্য এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের (এফএসআরইউ) সহায়তা নেবে। যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ডিজিটাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল কোম্পানী জেনারেল ইলেকট্রিক এর আর্থিক অঙ্গপ্রতিষ্ঠান জিই ক্যাপিটালস এনার্জি ফিনানসিয়াল সার্ভিসেস সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের সাথে ইক্যুয়টি ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের এই সমঝোতা চুক্তি করে। বাংলাদেশের বিদ্যুৎখাতের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য মূলত প্রতিষ্ঠান দুটি চুক্তিবদ্ধ হয়। উল্লেখ্য যে, জিই আগামী ৩৬ মাস সামিট এর গ্যাসভিত্তিক পাওয়ার প্ল্যান্ট প্রকল্পগুলোতে উন্নত প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি সরবরাহ করতে পারবে। অন্যদিকে ভাসমান টার্মিনালে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহের জন্য সামিট এলএনজি টার্মিনাল কোম্পানীর সাথে মার্কিন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান এক্সিলারেট এনার্জির ১৫ বছর মেয়াদী একটি চুক্তি সই হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী এক্সিলারেট এনার্জি তাদের বিদ্যমান অন্যতম একটি  ফ্লোটিং স্টোরেজ রি-গ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) থেকে এই গ্যাস সরবরাহ করবে। সিঙ্গাপুরের দি ফুলারটোন হোটেলে আয়োজিত এই চুক্তি সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন বোর্ডের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী আমিনুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি’র মূখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। আরো উপস্থিত ছিলেন সিঙ্গাপুরের সাবেক মন্ত্রী লিম উইউয়া, ইন্টারন্যাশনাল এন্টারপ্রাইজ  সিঙ্গাপুরের অ্যাসিসটেন্ট সিইও সাতভিন্দরসিং এবং সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান। সামিট ও জেনারেল ইলেকট্রিক (জিই) এর মধ্যকার সমঝোতা চুক্তিটিতে সই করেন সামিট কর্পোরেশনের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফয়সাল খান এবং জিই এর পক্ষে সই করেন দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট এন্ড সিইও বানমালী আগারওয়াল। অন্যদিকে, সামিট ও এক্সিলারেট এনার্জির মধ্যকার চুক্তিটিতে সই করেন সামিট এলএনজি টার্মিনাল কোম্পানী (এসএলটিসি) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এন এম তারিকুর রশিদ ও এক্সিলারেট এনার্জি এশিয়ার জেনারেল ম্যানেজার কার্লমান থাম। সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান বলেন, ‘এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোর উন্নয়নের জন্য আগামী ৩ বছর মেয়াদী ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ চুক্তি হওয়ায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়ে দেশের মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।  গত ২০ বছর ধরে সামিট এর সাথে জিই ও আইএফসি’র দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক রয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, এই বিনিয়োগ চুক্তি তার অন্যতম উদাহরণ। সামিট এখন অধিক নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।  দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন খাতে সামিটের নাম বিশেষভাবে জড়িয়ে আছে। এলএনজি টার্মিনাল উন্নয়নে এক্সিলারেট এনার্জির  সাথে প্রথমবারের মতো চুক্তিবদ্ধ হতে পেরে আমরা অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত। তিনি বলেন, এই অঞ্চলে বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের জন্য আমরা অন্যতম পছন্দ সই প্রতিষ্ঠান হতে চাই। এশীয় অঞ্চলে অন্যতম শক্তি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়ার জন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত এবং এক্ষেত্রে আমরা আমাদের ব্যবসায়িক অংশীদারদের সাথে দীর্ঘমেয়াদী সুসম্পর্ক গড়তে চাই। জিই দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট এন্ড সিইও বানমালী আগারওয়াল বলেন, কৌশলগত এই সমঝোতা চুক্তির মাধ্যমে এই অঞ্চলে সামিটের সাথে আমাদের সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেল। বাংলাদেশে  বিদ্যুৎখাতের উন্নয়নে সামিটের সাথে জিই প্রযুক্তি, বিভিন্ন ধরণের সেবাও অর্থ সহায়তা দিয়ে পাশে থাকতে চায়। ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (আইএফসি) এর এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের হেড অব নিউ বিজনেস ইনফ্রাস্ট্রাকচার এন্ড ন্যাচারাল রিসোর্সেস লুবোমিরভারবানোভ বলেন, ‘সামিটের সাথে আমাদের সম্পর্ককে আমরা বিশেষভাবে মূল্যায়ন করি এবং বাংলাদেশে টেকসই বিদ্যুৎ উৎপাদনে সামিটের প্রধান উদ্দেশ্যকেও আমরা ভীষণভাবে সমর্থন করি। তিনি আরো বলেন, এর আগে ১৯৯৭ সালে আইএফসি সামিটের খুলনা পাওয়ার কোম্পানী প্রতিষ্ঠার জন্য অর্থায়ন করেছে এবং পরবর্তীতে ২০১৫ সালে বিবিয়ানাতেও আইএফসি অর্থায়ন করেছে। এছাড়া সম্প্রতি ২০১৬ অর্থবছরেই আইএফসি, আইএফসি এমার্জিংএশিয়াফান্ড ও ইএমএপাওয়ারের সহায়তায় সামিটে অর্থায়ন সুবিধা দেওয়া হয়। বাংলাদেশে বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দিয়ে জনগোষ্ঠীর উন্নতির জন্য সামিট এর মতো প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দিতে আইএফসি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানান তিনি। এক্সিলারেট এনার্জির জেনারেল ম্যানেজার কার্লমান থাম বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্পের উন্নয়নে সামিটের অংশীদার হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমরা নিশ্চিত যে এফএসআরইউ তে আমাদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা আগামী দিনে বাংলাদেশের জন্য কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য প্রকল্প নিশ্চিত করবে।’  
Category: বিজনেস
কঠোর শাস্তির বিধান রেখে মন্ত্রিসভায় বিদ্যুৎ আইন অনুমোদন
জুলাই ৩১, ২০১৭ সোমবার ০৯:৫৭ পিএম - বাসস
মন্ত্রিসভা বিদ্যুৎ আইন-২০১৭ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। এতে নাশকতা, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অবকাঠামো ধ্বংস ও বিদ্যুৎ চুরিসহ বিভিন্ন অবৈধ কর্মকান্ডের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। খসড়ায় কোন বিদ্যুৎ স্থাপনায় যেকোন ধরনের নাশকতা বা ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ড বা বিদ্যুৎ কেন্দ্র, উপকেন্দ্র, বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন, খুঁটি বা যন্ত্রপাতির ক্ষতিসাধনের জন্য সর্বনিম্ন ৭ বছর ও সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদন্ড ও সর্বোচ্চ ১০ কোটি টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডের বিধান রয়েছে। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব এম শফিউল আলম ব্রিফকালে সাংবাদিকদের একথা বলেন। তিনি বলেন, দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সমন্বিত ব্যবস্থায় পরিচালনা ও দক্ষ লোড ম্যানেজমেন্টের জন্য স্বাধীন সিস্টেম অপারেটর চালুর প্রস্তাব রয়েছে এই নতুন আইনে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, নতুন বিদ্যুৎ আইন ১৯১০ সালে প্রণীত বিদ্যমান আইনের স্থলাভিষিক্ত হবে। এতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে পিডিবি, ডেসকো ও ডেসার আওতায় কোন নতুন লাইন স্থাপন বা গণপূর্ত কাজ করা যাবে না। প্রস্তাবিত আইনে বিদ্যুৎ খাতের কোন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর অবৈধ সংযোগ দেয়া বা যে কোন ধরনের ত্রুটিপূর্ণ কাজ বা অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকান্ডের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। এসব অপরাধে সাধারণভাবে ৬ মাস কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ড হতে পারে।
Category: বিদ্যুৎ
    সাম্প্রতিক খবর   সর্বাধিক পঠিত
বর্জ্য থেকে ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন আগামী ৩০ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে
নেসকো প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৫ দশমিক ৩০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে
প্রথমবারের মতো বিদ্যুতের দাম কমানোর প্রস্তাবের ওপর গণশুনানী হবে বৃহস্পতিবার
‘বিআরইবি প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে’
‘বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য বৃদ্ধির পক্ষে বিইআরসি’র কারিগরী মূল্যায়ন কমিটি’
বিদ্যুতের মূলহার পরিবর্তনের জন্য গণশুনানী শুরু হচ্ছে ২৫ সেপ্টেম্বর
ইউনাইটেডের ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা কমিটি
‘লাফস গ্যাসের এলপিজি সিলিন্ডার গুনগতমান ও নিরাপত্তায় বাজারে অপ্রতিদ্বন্দ্বী’
এলএনজি আমদানির জন্য সিঙ্গাপুরের গানভর প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে পেট্রোবাংলা
ভোলায় ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে কারিগরি সহায়তা দেবে জিই
ডিপিডিসি’র নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হলেন প্রকৌশলী বিকাশ দেওয়ান
পেট্রোবাংলার নতুন চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ
‘পিডিবি’র বড় অর্জন দেশের ৭৬ শতাংশ এলাকা এখন বিদ্যুতের আওতায়’
পুরনো তিন বিদ্যুৎকেন্দ্র আলাদাভাবে পাওয়ার হাবে রূপান্তর হচ্ছে
বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানীর নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাবিব উদ্দিন
পিডিবি’র নিয়ন্ত্রণাধীন বিতরণ এলাকা নিয়ে কোম্পানি গঠনের বিরুদ্ধে আবারও আন্দোলন
বিপিডিবিকে হোল্ডিং কোম্পানীতে রূপান্তর করতে চায় সরকার
‘রমজানে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে’
প্রসঙ্গঃ রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র-পরিবেশ ও প্রতিবেশের উপর প্রভাব
নতুন কোম্পানী গঠনকে কেন্দ্র করে আন্দোলনে অচল পিডিবি
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy

   Editor & Publisher: Aminur Rahman
   Copyright @ 2015-2017 energynewsbd.com
   All Rights Reserved | Developed By: Jadukor IT