ঢাকা, সোমবার, ডিসেম্বর ১১, ২০১৭, অগ্রহায়ণ ২৭, ১৪২৪ ০৩:১৭ পিএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
অন্য শীর্ষ খবর
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম কংক্রিট ঢালাই উপলক্ষে ফ্ল্যাশমব
দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের রি-অ্যাক্টর বিল্ডিংয়ের ফাউন্ডেশনে প্রথম কংক্রিট ঢালাই আগামী ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এর মাধ্যমে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মূল নির্মাণ কাজের সূচনা ঘটবে। এই ঐতিহাসিক ঘটনা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রূপপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের তিন শতাধিক শিক্ষার্থী একটি বর্ণাঢ্য ‘ফ্ল্যাশমব’প্রদর্শনীর আয়োজন করে। শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার সবুজ ও লাল রংয়ের টি-শার্ট ও টুপি পরে স্কুল মাঠে ‘আই লাভ রূপপুর’ শীর্ষক একটি ফিগার তৈরি করে। ফ্ল্যাশমবটি ড্রোন ক্যামেরার সাহায্যে ধারণ করা হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথম কংক্রিট ঢালাই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। প্রকল্পটির ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন-রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচোভ সহ অন্যান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
এলপিজি আমদানি করতে জাহাজ কিনেছে বেক্সিমকো
নভেম্বর ২৬, ২০১৭ রবিবার ১১:৩৮ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এলপিজি আমদানির জন্য জাহাজ কিনেছে বেক্সিমকো পেট্রোলিয়াম লিমিটেড। জাহাজটির নাম বেক্সপেট্রো-১। ২৭০০ মেট্রিক টন এলপিজি ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন এ জাহাজে পণ্য আমদানির কারণে খরচ কমবে এবং আরো কার্যকর একটি সরবরাহ চ্যানেল তৈরি করা সম্ভব হবে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। ডিসেম্বর মাসের শুরুর দিকে বেক্সপেট্রো-১ এবং এর ক্যাপ্টেন আলেক্সান্ডার ফাজারদো প্রথম এলপিজি’র চালানটি নিয়ে বাংলাদেশে আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে। বেক্সিমকো পেট্রোলিয়াম ইতিমধ্যে ইনডেক্স পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি’র (একটি বেক্সিমকো কোম্পানি) সহযোগিতায় মংলায় ৩০০০ মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন সর্বাধুনিক প্রযুক্তির একটি এলপিজি প্ল্যান্ট স্থাপন করেছে। পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জে ৫০০০ মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন আরো একটি এলপিজি প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হচ্ছে।  
Category: এলপিজি
এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে ১০০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি সই করেছে সামিট
নভেম্বর ২৬, ২০১৭ রবিবার ১১:৩২ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
সম্প্রতি সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সামিট এলএনজি টার্মিনাল মেরিন ঠিকাদারি কনসর্টিয়াম প্রতিষ্ঠান জিওসান এসএএস এবং ম্যাকগ্রেগরের সাথে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের টার্নকি চুক্তি সই করেছে। ওই চুক্তির আওতায় প্রতিষ্ঠান দুটি কক্সবাজারের মহেশখালিতে  সামিট এলএনজি টার্মিনালের ভাসমান এলএনজি স্টোরেজ  এবং পুনরায় গ্যাসে রুপান্তরকরণ টার্মিনালের ডিজাইন, ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রকিউরমেন্ট, ফেব্রিকেশন, ইনস্টলেশন এবং স্থায়ী অবকাঠামোর টেস্টিং এর কাজ করবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। প্রকল্পটির বাস্তবায়নের সময়সীমা ধরা হয়েছে চুক্তির পর থেকে পরবর্তী ১৬ মাস। এই স্থায়ী অবকাঠামোতে থাকবে অ্যাংকরসহ এফএসআরইউ এর জন্য ডিসকানেক্টবল টারেট মুরিং প্লাগ, নোঙরে ভাসমান বন্ধনীসহ ফ্রেক্সিবল রাইজার, কনট্রোল অ্যান্ড হাইড্রলিক আমবিলিকাল, পিএলইএম, এফএসআরইউ এর স্টার্ন মুরিং সিস্টেম, অফশোর পাইপলাইন এবং তীরের প্রয়োজনীয় কাজ। সামিট এলএনজি টার্মিনাল এ বছরের আগস্ট মাসে এক্সিলারেট এনার্জির সাথে এফএসআরইউ টার্মিনাল নির্মাণে টাইম চার্টার পার্টি সই করেছিল।
Category: গ্যাস
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সেক্টর লিডারস কর্মশালা শুরু
নভেম্বর ২৪, ২০১৭ শুক্রবার ০৯:৩১ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সমস্যা, সম্ভাবনা, প্রযুক্তির সাশ্রয়ী ব্যবহার ও অর্থায়ন নিয়ে দুই দিনব্যাপি সেক্টর লিডারস কর্মশালা শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে। ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে বিদ্যুৎ বিভাগের আয়োজনে এই কর্মশালা শেষ হবে শনিবার। কর্মশালায় চারটি কারিগরী সেশনে আটটি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হবে। এতে ২৫টি মন্ত্রণালয় থেকে ২০০ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করছেন। কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সমস্যা ও সম্ভাবনার পাশাপাশি অর্থায়ন নিয়ে কর্মশালা থেকে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ পাওয়া যেতে পারে। যা ভবিষ্যতের জন্য কাজে লাগবে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার রিসার্চ কাউন্সিলকে আরো তৎপর হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মূখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, অতিরিক্ত সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব নাজিমউদ্দিন চৌধুরী।
Category: বিদ্যুৎ
সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালে নতুন তিন ইন্ডিপেনডেন্ট ডিরেক্টর
নভেম্বর ২০, ২০১৭ সোমবার ১২:৩০ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল তাদের পরিচালনা পরিষদকে আরো শক্তিশালী ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তিন জন ইন্ডিপেনডেন্ট ডিরেক্টর নিয়োগ দিয়েছে। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির কৌশলগত নেতৃত্ব এবং কর্পোরেট গভর্নেন্স আরো শক্তিশালী হলো। নতুন তিনজন ডিরেক্টরসহ সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের মোট ডিরেক্টর সংখ্যা এখন দাঁড়ালো আটজন। এর মধ্যে রয়েছে তিনজন ইন্ডিপেনডেন্ট ডিরেক্টর রয়েছে বলে সামিট গ্রুপের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের পরিচালনা পরিষদে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- আবদুল্লাহ তারমুগী, লিম হুই হুয়া এবং ট্যাং কিন ফেই। সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল সিংগাপুরে নিবন্ধিত একটি আন্তর্জাতিক কোম্পানী। এর মধ্যে আবদুল্লাহ তারমুগী নমিনেটিং ও রিমুইনারেশন কমিটির চেয়ারম্যান এবং লিম হুই হুয়া অডিট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যদিকে ট্যাং কিন ফেই স্ট্র্যাটেজি এন্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। আবদুল্লাহ তারমুগী সিংগাপুর সরকারের প্রেসিডেন্টাল কাউন্সিল ফর মাইনরিটি রাইটস এর সদস্য। এর আগে তিনি সিংগাপুর পার্লামেন্টের স্পিকার এর দায়িত্ব পালন করেছেন। লিম হুই হুয়া সিংগাপুরের টেমবুসু পার্টনারস প্রাইভেট লিমিটেডের ডিরেক্টর। এর আগে তিনি সিংগাপুর পার্লামেন্টের নির্বাচিত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ট্যাং কিন ফেই বর্তমানে এসআইএ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানীর ডিরেক্টর এবং ডেপুটি চেয়ারম্যান। এর আগে তিনি সেম্বকর্প ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের গ্রুপপ্রেসিডেন্ট ও চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার এর দায়িত্ব পালন করেছেন। সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল এবং সামিট গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান বলেন, “সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের পরিচালনা পরিষদে যোগদানের জন্য বোর্ড এবং ব্যবস্থাপনা কমিটির পক্ষ থেকে আমি আবদুল্লাহ তারমুগী, লিম হুই  হুয়া এবং ট্যাং কিন ফেই-কে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। কর্পোরেট গভর্নেন্সে উচ্চমান বজায় রাখতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আশা করি তাদের যোগদানের মাধ্যমে আমাদের পরিচালনা পরিষদ এবং ব্যবস্থাপনা কমিটি অধিক দক্ষ এবং অভিজ্ঞতাসম্পন্ন হয়ে উঠবে। আমরা প্রত্যাশা করি তাদের কৌশলগত অন্তর্দৃষ্টি এবং বুদ্ধিবৃত্তিক দিক নির্দেশনায় সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত হওয়ার পাশাপাশি উদীয়মান এশিয়ায় প্রধান জ্বালানী সরবারহকারি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।”                সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল সামিট গ্রুপের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান যেটি মূলত বাংলাদেশে অবকাঠামো খাতে অন্যতম বৃহৎ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যুৎ, জ্বালানি, বন্দর, শিপিং, হসপিটালিটি ও ইনফরমেশন টেকনোলজি খাতে ৭,০০০ হাজারেও বেশী কর্মী কাজ করে।
Category: বিদ্যুৎ
১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনতে ভারতীয় কোম্পানী আদানির সাথে চুক্তি করেছে বিপিডিবি
নভেম্বর ২০, ২০১৭ সোমবার ১১:৫০ এএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ভারতীয় প্রতিষ্ঠান আদানি পাওয়ারের কাছ থেকে বিদ্যুৎ কিনতে চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। সম্প্রতি ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে সই হওয়া ওই চুক্তির আওতায় ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনবে বাংলাদেশ। বিপিডিবি চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ জানান, এর আগে গত এপ্রিলে ভারতীয় এই প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে বিদ্যুৎ কেনার জন্য সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি অনুমোদন দেয়। পরে উভয় পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এই চুক্তি সই হয়। ২৫ বছর মেয়াদি চুক্তির আওতায় এ বিদ্যুৎ কিনতে বাংলাদেশের ব্যয় হবে ১ লাখ ৯০ হাজার ৯৭৫ কোটি টাকা। এতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ দশমিক ৬১ সেন্ট, যা বাংলাদেশী মুদ্রায় ৬ টাকা ৮৯ পয়সা। আদানি ভারতের ঝাড়খণ্ডে নির্মিতব্য ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াটের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে এ বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে। ঝাড়খণ্ডের গড্ডায় পৃথকভাবে ৮০০ মেগাওয়াটের দুই ইউনিটবিশিষ্ট ওই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে প্রতিষ্ঠানটি। আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তিতে এসব কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। ভারত সরকার প্রস্তাবিত বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে শর্তসাপেক্ষে বিদ্যুৎ সরবরাহে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় ঝাড়খণ্ড থেকে বাংলাদেশের সীমানা পর্যন্ত ৯০ কিলোমিটার ও বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বগুড়া পর্যন্ত ১৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ ৪০০ কেভি ডাবল সার্কিট সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হবে।  
Category: বিদ্যুৎ
নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ক প্রযুক্তি মেলা চলছে
নভেম্বর ২০, ২০১৭ সোমবার ১১:২২ এএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করে উদ্ভাবিত বিভিন্ন প্রযুক্তি এবং প্রকল্প প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ঢাকায় শুরু হয়েছে তিন দিনের নবায়নযোগ্য শক্তি প্রযুক্তি মেলা ও কর্মশালা। রোববার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে শুরু হওয়া এ মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। মেলা শেষ হবে মঙ্গলবার। প্রতিদিন সকাল ৯:৩০ থেকে রাত ৮:৩০ পর্যন্ত সবার জন্য উম্মুক্ত এই মেলা। মূল আয়োজক ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কম্পানি লিমিটেড (ইডকল)। সহযোগিতায় জার্মান ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন কেএফডাব্লিউ এবং সহ-আয়োজক হিসেবে রয়েছে অল্টারনেটিভ এনার্জি প্রমোশন সেন্টার (এইপিসি), নেপাল। তিন দিনের কর্মশালায় এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নবায়নযোগ্য শক্তি প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক, অর্থায়নকারী, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করবে। বিভিন্ন দেশের নবায়নযোগ্য শক্তি খাতে কর্মরত ব্যক্তিদের নিয়ে এ প্ল্যাটফর্ম করা হয়েছে। যার উদ্দেশ্য হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তি প্রযুক্তির প্রসার, এর বাজার সৃষ্টি, অর্থায়ন, নীতি-নির্ধারণ ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে অংশগ্রহণমূলক আলোচনা করা। এর মাধ্যমে জ্ঞান ও চিন্তাভাবনার আদান-প্রদান এবং নবায়নযোগ্য শক্তি কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করা। ১৫টি দেশের প্রায় ৫০ জন বিদেশি এবং ৮০ জন স্থানীয় অংশগ্রহণকারী এ কর্মশালায় যোগ দেবেন। তিন দিনের এ কর্মশালার বিভিন্ন কার্যক্রমে নবায়নযোগ্য শক্তিসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে। যেখানে নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করে উদ্ভাবিত বিভিন্ন প্রযুক্তি এবং প্রকল্প দেশি-বিদেশি প্রায় ৩৫টি স্টলের মাধ্যমে মানুষের সামনে প্রদর্শন করা হয়।
Category: নবায়নযোগ্য
যৌথ মালিকানায় মাতারবাড়িতে ৬০০ মেগাওয়াটের এলএনজি ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে
নভেম্বর ১২, ২০১৭ রবিবার ১২:৫৬ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড ও জাপানের মিৎসুই অ্যান্ড কোং লিমিটেড এর মধ্যে মাতারবাড়িতে ৫০০-৬০০ মেগাওয়াটের এলএনজি ভিত্তিক একটি কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। গত ৮ নভেম্বর ঢাকায় কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির সম্মেলন কক্ষে স্বাক্ষরিত ওই স্মারকে সই করেন কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড এর কোম্পানির সচিব মোঃ মিজানুর রহমান এবং জাপানের মিৎসুই অ্যান্ড কোং লিমিটেড (এশিয়া প্যাসেফিক) এর প্রকল্প অবকাঠামো বিভাগের মহাব্যবস্থাপক ইউজি উয়েদা। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানি হবে আমদানিকৃত এলএনজি।  ৫০% -৫০% অংশিদারিত্বে গঠিতব্য যৌথ কোম্পানির মাধ্যমে এ প্রকল্প বাস্তবান করা হবে এবং ডিসেম্বর২০২১ সাল নাগাদ উৎপাদনে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। চুক্তি শেষে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এর সাথে কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আবুল কাশেম এবং মিৎসুই অ্যান্ড কোং লিমিটেডের প্রতিনিধিরা এক সৌজন্য সাক্ষাত করেন এবং  প্রকল্প বাস্তবায়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে জানান। এ সময় অন্যান্যের মাঝে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস ও পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।  
Category: বিদ্যুৎ
দুই বছর পূর্তি উদযাপন করলো লাফস গ্যাস বাংলাদেশ লিমিটেড
অক্টোবর ৩০, ২০১৭ সোমবার ০১:০৬ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
শ্রীলংকান বহুজাতিক ব্যবসায়িক জোট লাফস হোল্ডিংসের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান লাফস গ্যাস বাংলাদেশ লিমিটেড সম্প্রতি বাংলাদেশে তাদের ব্যবসা পরিচালনার দুই বছর পূর্তি উৎসব উদযাপন করেছে। ঢাকায় একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতা এবং সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এছাড়া লাফ্‌স হোল্ডিংস গ্রুপ চেয়ারম্যান ডাব্লিউ কে এইচ ওয়েগাপিটিয়া, পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাঈদুল ইসলাম, প্রধান পরিচালনা কর্মকর্তা রাঞ্জিথ জায়াওয়ারদেনা, জেনারেল ম্যানেজার (সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং) নাজির লাতিফ, জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশন) ড. মায়ুরা নেত্থিকুমারেগে, জেনারেল ম্যানেজার (ফাইন্যান্স) সুজিওয়া ভিদানাপাথিরানা অনু্ষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ এলপিজি বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান লাফস গ্যাস ২০১৫ সালে পেট্রিডেক এলপিজি লিমিটেড কোম্পানিকে অধিগ্রহণের মাধ্যমে এদেশে যাত্রা শুরু করে। দ্রুত বর্ধনশীল ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমেএটি বছরে ৫০,০০০ মেট্রিক টনের উপর এলপিজি আমদানি এবং বাজারজাত করে আসছে।                 
Category: এলপিজি
‘দীঘিপাড়ার কয়লা উত্তোলনে সম্ভাব্যতা জরিপ কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী’
অক্টোবর ২৭, ২০১৭ শুক্রবার ০৬:৫১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দিনাজপুরের দীঘিপাড়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলনে সম্ভাব্যতা জরিপ পরিচালনার অগ্রগতি কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী  নসরুল হামিদ। শুক্রবার প্রতিমন্ত্রী সরেজমিনে প্রকল্প এলাকায় গিয়ে জরিপ পরিচালনার বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন বলে এনার্জিনিউজবিডি ডটকমকে জানান বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী হাবিব উদ্দিন আহম্মদ। হাবিব উদ্দিন বলেন, বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড এর নিজস্ব অর্থায়নে ‘ফিজিবিলিটি স্টাডি ফর ডেভেলপমেন্ট অব দীঘিপাড়া কোল ফিল্ড’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হচ্ছে। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বছরে তিন মিলিয়ন টন  কয়লা উত্তোলন করা যাবে। তিনি আরো বলেন, পরিদর্শনকালে প্রকল্পের বর্তমান কাজের অগ্রগতি প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়।  প্রকল্পের ভৌত কার্যবলী পরিদর্শনকালে কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী। দীঘিপাড়ার ছয় বর্গ কিলোমিটার এলাকায় জুড়ে একটি খনি নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য জরিপ কাজ চলছে। এই খনিটি নির্মাণ হলে বছরে তিন মিলিয়ন টন কয়লা উৎপাদন সম্ভব হবে যার মাধ্যমে ১২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। প্রতিমন্ত্রীকে দীঘিপাড়া থেকে যমুনা নদী পর্যন্ত রেল যোগাযোগের অবস্থা সম্পর্কেও অবহিত করা হয়। প্রকল্পের সার্বিক  কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে এখানে শুধু জরিপ কাজ চালানো হচ্ছে। জরিপের ফলাফল, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং এলাকাবাসীর চাহিদার ভিত্তিতে এখানে ভবিষ্যতে খনি নির্মাণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য মোঃ শিবলী সাদিক, পিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ, বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানী লিমিটেড ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী হাবিব উদ্দিন আহাম্মদ, কোম্পানি সচিব মো. আবুল কাসেম প্রাধানীয়া ও প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী খান মোঃ জাফর সাদিক উপস্থিত ছিলেন। গত ৩০ মে ২০১৭ সম্ভাব্যতা জরিপ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জার্মানী ও অস্ট্রেলিয়ার যৌথ একটি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি সই করে বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড। চুক্তি অনুযায়ী ১ জুন ২০১৭ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত অর্থাৎ ২৭ মাস ধরে সমীক্ষা চলবে।
Category: কয়লা
২০০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ কিনতে তিস্তা সোলার লিমিটেডের সাথে বিপিডিবি’র চুক্তি সই
অক্টোবর ২৬, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ১০:২৮ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বেক্সিমকো পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড এবং চীনের টিবিইএ জিনজিয়াং সানওয়েসিস কোম্পানী লিমিটেড এর যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান তিস্তা সোলার লিমিটেডের সাথে বিদ্যুৎ ক্রয়ের চুক্তি করছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। বৃহস্পতিবার রাজধানীর আব্দুল গণি রোডের বিদ্যুৎ ভবনে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এছাড়া বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি) এর সাথে একটি বাস্তবায়ন চুক্তি করেছে তিস্তা সোলার। তিস্তা সোলারের পক্ষে উভয় চুক্তিতে সই করেন কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম রফিকুল ইসলাম। অন্যদিকে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন বিপিডিবি’র সচিব মিনা মাসুদ উজ্জামান, সরকারের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব শেখ ফায়েজুল আমিন এবং পিজিসিবি’র পক্ষে সই করেন কোম্পানি সচিব মোঃ আশরাফ হোসেন। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান এ এস এফ রহমান এবং ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ২০০ মেগাওয়াটের একটি সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণ করতে যাচ্ছে তিস্তা সোলার। চুক্তি অনুসারে আগামী ২০ বছর এই প্ল্যান্ট থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ প্রতি কিলোওয়াট ১৫ সেন্ট দরে ক্রয় করবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। জৈব জ্বালানী থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বর্তমান সময়ে একটি চিন্তার বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। একারনে নবায়নযোগ্য জ্বালানী শক্তি ভবিষ্যতের সমাধান। এটা মাথায় রেখেই বাংলাদেশ সরকার ২০২১ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের শতকরা ১০ ভাগ নবায়নযোগ্য জ্বালানী থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য ঠিক করেছে, যার বেশিরভাগ আসবে সৌরশক্তি থেকে। এই চুক্তি স্বাক্ষর সম্পর্কে তিস্তা সোলারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম রফিকুল ইসলাম বলেন, “এটা দেশের সবচেয়ে বড় সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট এবং সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানী শক্তি হতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের যে লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে তা পূরণে এই প্ল্যান্টটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।”
Category: নবায়নযোগ্য
বর্জ্য থেকে ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন আগামী ৩০ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে
অক্টোবর ১৫, ২০১৭ রবিবার ০৭:২৭ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বর্জ্য থেকে ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তা আগামী ৩০ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। গত ১৩ অক্টোবর ঢাকার কেরাণীগঞ্জে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর উদ্যোগে আয়োজিত ঝিলমিল -১, ৩৩/১১ কেভি ২০ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ প্রকল্পের সাফল্যের আলোকে কেরাণীগঞ্জের মতো অন্যান্য উপজেলায়ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নেয়া হবে। তিনি বলেন, উন্নতর নাগরিক সুবিধা সমৃদ্ধ শহরতলী গড়ে তোলা হবে। সম্বনিত উন্নয়নের জন্য কেরানীগঞ্জের উপর মাস্টার প্ল্যান করা হচ্ছে। ঢাকার আশেপাশের অন্যান্য উপজেলা বা বিভাগীয় শহরগুলোর সম্বনিত উন্নয়ের মাস্টার প্ল্যান দ্রুত করে বাস্তবায়ন  করতে পারলে ঢাকা বা মূল শহরের শহরের উপর চাপ আর থাকবে না। তিনি আরো বলেন, প্রিপেইড মিটার বিদ্যুৎ ও অর্থ উভয়ই সাশ্রয় করবে। বিল ও সংযোগে অনলাইন সিস্টেম আমাদের নাগরিক জীবন সহজতর করেছে। এগুলোর প্রসার আমাদের শ্রমঘন্টা সাশ্রয় করবে। এ সময় তিনি  পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর বহুতল বিশিষ্ট অফিস ও আবাসিক ভবন, ঝিলমিল -২, ৩৩/১১ কেভি ২০ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র, কোনাখোলা ৩৩/১১ কেভি ২০ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র, চরগলগলিয়া ৩৩/১১ কেভি ২০ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র, ওয়াসপুর ৩৩/১১ কেভি ২০ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র-এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। প্রতিটি উপকেন্দ্র স্থাপন বাবদ ব্যয় হবে ১১.৫০ কোটি টাকা। ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন ও কেরাণীগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ বক্তব্য দেন।
Category: নবায়নযোগ্য
নেসকো প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৫ দশমিক ৩০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে
অক্টোবর ০৪, ২০১৭ বুধবার ০৯:৪৬ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
নবগঠিত নর্দান ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানির (নেসকো) প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৫ দশমিক ৩০ শতাংশ বাড়িয়ে ৬ টাকা ৭৩ পয়সা থেকে ৭ টাকা ৭৬ পয়সা পুননির্ধারণের প্রস্তাব করেছে। বুধবার রাজধানীর টিসিবি মিলনায়তনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশনের (বিইআরসি)আয়োজনে বিদ্যুতের মূল্যহার পরিবর্তনের উপর গণশুনানীকালে ওই প্রস্তাব করেন কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাকিউল ইসলাম। বিইআরসি চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলামের সভাপতিত্বে কমিশনের সদস্য মিজানুর রহমান, রহমান মুরশেদ, আব্দুল আজিজ খান ও মাহমুদ উল হক ভূইঁয়া শুনানি গ্রহণ করেন। তবে শুনানীকালে বিইআরসি’র কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি ইউনিট প্রতি ৮৯ পয়সা হারে দাম বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছে। শুনানিতে অংশ নিয়ে ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম বলেন, বিপিডিবি ভেঙে গঠিত এই কোম্পানিটি এখন পঙ্গু। এই পঙ্গু কোম্পানির যারা জন্ম দিয়েছেন তারা এর দায় নেবেন, ভোক্তারা নয়। তিনি বলেন, বিপিডিবিকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের যে দাম দেয়া হয় নেসকোসহ অন্য কোম্পানিগুলোকে তার বেশী দিতে রাজি নয় গ্রাহকরা। এদিকে, বিদ্যুতের দামের সঙ্গে ডিমান্ড ও সার্ভিস চার্জ বৃদ্ধির প্রস্তাবও দিয়েছে নেসকো। গত বছরের ১ অক্টোবর থেকে বিতরণ কার্যক্রম শুরু করে নেসকো। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬টি জেলায় জেলা শহর ও সংলগ্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বিতরণ করছে কোম্পানীটি। নতুন এই কোম্পানীটির মোট গ্রাহক সংখ্যা ১২ লাখ ৭৪ হাজার ৮৮৩ । এর মধ্যে আবাসিক গ্রাহক ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৯০৪, যা মোট গ্রহাকের ৮৪ শতাংশ। এই কোম্পানীর মোট বিদ্যুৎ চাহিদা ৭৪৫ মেগাওয়াট।
Category: বিদ্যুৎ
‘বিআরইবি প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে’
সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৭ বুধবার ১০:১৩ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের কাছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি) প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে। বুধবার ঢাকায় কারওয়ানবাজারে টিসিবি মিলনায়তনে বিআরইবি’র আওতাধীন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলোর (পবিস) বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের উপর গণশুনানীকালে এ প্রস্তাব করেন বিআরইবির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মঈনউদ্দিন। ওই প্রস্তাবের বিপরীতে কমিশনের কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুতের গড় খুচরা দাম ৭ দশমিক ১৯ শতাংশ বা ৪৪ পয়সা বাড়িয়ে ৬ টাকা ৫৬ পয়সা পুননির্ধারণের সুপারিশ করেছে। বর্তমানে এ বিদ্যুতের দাম ৬ টাকা ১২ পয়সা। গণশুনানিতে সভাপতিত্ব করেন বিইআরসি’র চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য রহমান মুরশেদ, মাহমুদউল হক ভুইয়া, আব্দুল আজিজ খান ও মিজানুর রহমান। শুনানিতে অংশ নিয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ সংগঠন কনজ্যুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম বলেন, গ্রামে মান সম্মত বিদ্যুৎ পাওয়া যায় না। প্রতিদিন আট থেকে দশ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। মাসিক বিল, মিটার সংযোগ নিতে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে সাধারণ গ্রাহকদের।বারবার শুধু দাম বৃদ্ধি হবে আর গ্রাহকরা ঠিকমতো সেবা পাবে না এটা মেনে নেওয়া কষ্টকর।  দাম বৃদ্ধির যুক্তি তুলে ধরে বিআরইবি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মঈনউদ্দিন বলেন, অবকাঠামোগত ও জনবল খরচ,  অবচয় বৃদ্ধি, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেড়েছে। চেয়ারম্যান বলেন, ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে নিট খুচরা সরবরাহ ব্যয় ইউনিট প্রতি ছয় টাকা ৭০ পয়সা। বিদ্যমান খুচরা ট্যারিফ ইউনিট প্রতি ছয় টাকা ৫০ পয়সা। অর্থাৎ ইউনিট প্রতি ঘাটতি ৬৫ পয়সা। গত অর্থবছরে বিআরইবি’র ৮০০ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে।। ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মধ্যে মাত্র ১১টি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল। অস্বচ্ছল সমিতিগুলো তাদের ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে পারছে না। ঋণ ও সুদের কিস্তি বকেয়া পড়েছে ৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এদিকে বিআরইবি এর প্রস্তাবে আবাসিকে ন্যূনতম বিল ৬৫ থেকে ২০ টাকা বাড়িয়ে ৮৫ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে। সার্ভিস চার্জ ১০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ টাকা করার আবেদন করেছে। আবাসিকে সর্বনিম্ন এক দশমিক ৫৬ শতাংশ থেকে ১২ দশমিক ৪৩ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিট ব্যবহারকারী গ্রাহকদের জন্য সবচেয়ে বেশী মূল্যহার বৃদ্ধি করার কথা বলেছে। এই ধাপে বর্তমানে ইউনিট প্রতি দাম ৫ টাকা ৬৩ পয়সা। বিআরইবি প্রস্তাব করেছে ছয় টাকা ৩৩ পয়সা। অন্যান্য শ্রেণীর গ্রাহকদের ক্ষেত্রেও সার্ভিস চার্জ বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে। বিআরইবির সারাদেশে দুই কোটি এক লাখ গ্রাহক রয়েছে। এর মধ্যে ৭৫ শতাংশ গ্রাহকই আবাসিক। গত সোম ও মঙ্গলবার বিপিডিবির পাইকারি ও খুচরা মূল্যহার প্রস্তাবের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।  বৃহস্পতিবার ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) গণশুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।  
Category: বিদ্যুৎ
‘বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য বৃদ্ধির পক্ষে বিইআরসি’র কারিগরী মূল্যায়ন কমিটি’
সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৭ সোমবার ১১:০৯ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কারিগরী মূল্যায়ন কমিটি বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) প্রস্তাবের পক্ষে মত দিয়েছে। তবে বিপিডিবি প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের পাইকারি দাম গড়ে ৭২ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব করলেও তা ৫৪ পয়সা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছে ওই কমিটি। অর্থাৎ এ মতামত গৃহীত হলে বিদ্যুতের গড় পাইকারি মূল্যহার ১১ দশমিক ৭৮ শতাংশ বেড়ে ৪ টাকা ৮৭ পয়সা থেকে ৫ টাকা ৪১ পয়সায় দাড়াবে। সোমবার ঢাকায় টিসিবি মিলনায়তনে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধিতে বিপিডিবি’র প্রস্তাবের ওপর গণশুনানিতে এ তথ্য উঠে আসে। দেশে বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা-কোম্পানিগুলো বিপিডিবি থেকে বিদ্যুৎ নিয়ে গ্রাহক পর্যায়ে সরবরাহ করে। তাই পাইকারি মূল্য বাড়লে খুচরা অর্থাৎ প্রান্তিক পর্যায়েও এ মূল্য বাড়বে। এদিকে বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা দাম বাড়াতে সরকারি সংস্থা ও কোম্পানিগুলোর প্রস্তাবের বিপরীতে দাম কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। শুনানিতে অংশ নিয়ে ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, বিপিডিবির পাইকারি দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব অযৌক্তিক। সংস্থাটির উন্নয়নে ও গ্রাহক স্বার্থ সংরক্ষণে পরামর্শ দেন তিনি। তিনি আরো বলেন, ফার্নেস তেলের ও ডিজেলের দাম কমালে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রয়োজন হবে না।কারণ তেল ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ এখন ৩০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। বিপিডিবির প্রস্তাবে বলা হয়, ফার্নেস তেল ও ডিজেলের ব্যবহার বৃদ্ধি, বেসরকারি খাত থেকে বিদ্যুৎ কেনা এবং জ্বালানি ব্যয়ের অংশ বৃদ্ধির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। মূল্যহারের ঘাটতি পূরণে সরকার থেকে ভর্তুকির পরিবর্তে দেয়া ঋণের সুদ পরিশোধ করতে হচ্ছে। তুলনামূলক কম মূল্যহারে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলোতে বেশী বিদ্যুৎ সরবরাহের আনুপাতিক হার বেড়ে যাওয়ায় গড় পাইকারি মূল্যহার কমে গেছে। সব মিলিয়ে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে পাইকারি মূল্যহার ঘাটতির পরিমাণ প্রতি ইউনিটে (কিলোওয়াট) ৭২ পয়সায় দাড়ায়। ঘাটতি দূর ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বার্থে দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে পিডিবি।  এদিকে, টিসিবি ভবনের বাইরে দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবের বিরোধীতা করে প্রতিবাদ মিছিল, সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচী পালন করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)সহ কয়েকটি বাম সংগঠন। গত ২০ ফেব্রুয়ারি বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবনা বিইআরসিতে দাখিল করে পিডিবি। গণশুনানিতে সভাপতিত্ব করেন বিইআরসির চেয়ারম্যান ও সাবেক বিদ্যুৎ সচিব মনোয়ার ইসলাম। শুনানিতে আরও উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য রহমান মুরশেদ, আব্দুল আজিজ খান, মিজানুর রহমান ও মাহমুদউল হক ভুইয়া। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের  বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার পরিবর্তনের আবেদনের ওপর  মঙ্গলবার শুনানি হবে। মূল্যহার পরিবর্তনে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের প্রস্তাবের ওপর  বুধবার এবং ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) প্রস্তাবের ওপর বৃহস্পতিবার শুনানি গ্রহণ করা হবে। এছাড়া আগামী ২, ৩ ও ৪ অক্টোবর যথাক্রমে ঢাকা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি  (ডেসকো), ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো) এবং নবগঠিত নর্থ ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (নওজোপাডিকো) প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে। বিইআরসি আইন অনুযায়ী, শুনানির পর ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে বিইআরসিকে দাম পুননির্ধারণ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে হবে। সব মিলিয়ে প্রথম দিনের শুনানিতেই বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়েছে।
Category: বিদ্যুৎ
ইউনাইটেডের ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা কমিটি
সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ১১:২০ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ময়মনসিংহে বেসরকারি খাতে ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন আইপিপি  বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। বুধবার সচিবালয়ে কমিটির সভায় বিদ্যুৎ বিভাগের এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সভাপতিত্ব  করেন। ১৫ বছর মেয়াদী এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি স্থাপন করবে বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড কোম্পানি। বৈঠক শেষে অনুমোদিত ক্রয় প্রস্তাবের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,  ফার্নেস ওয়েলভিত্তিক  বিদ্যুকেন্দ্রটি থেকে  ১৫ বছর মেয়াদে বিদ্যুৎ কিনবে সরকার। প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুতের দাম পড়বে ৮ দশমিক ৪১৬৬ টাকা। এ হিসেবে ১৫ বছর মেয়াদে বিদ্যুৎ ক্রয়ে সরকারের ব্যয় হবে ১৭ হাজার ৬৪০ কোটি টাকা। এছাড়া বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ডের ‘পল্লী বিদ্যুতায়ন সম্প্রসারণের মাধ্যমে ১৫ লাখ গ্রাহক সংযোগ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ২৩ হাজার ২১১ টি ডিস্ট্রিবিউশন ট্রান্সফরমার ক্রয়ের একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ জন্য ব্যয় হবে ১৭০ কোটি ২৪ লাখ টাকা। ক্রয় কমিটির বৈঠকের আগে অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের একটি প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দেয়। প্রস্তাবটি হচ্ছে চট্টগ্রাম ইউরিয়া সারকারখানা (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী সারকারখানার (কাফকো) অব্যবহৃত জমি ও জেটি ব্যবহার এবং বঙ্গোপসাগরে সাঙ্গু প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ক্ষুদ্র আকারে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি।        
Category: বিদ্যুৎ
ভোলায় ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে কারিগরি সহায়তা দেবে জিই
সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৭ রবিবার ১০:১২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
যুক্তরাষ্ট্রের জিই পাওয়ারকে বাংলাদেশের ভোলায় ২২০ মেগাওয়াট ডুয়েল-ফুয়েল কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রযুক্তি উপকরণ সরবরাহ করতে নির্বাচিত করেছে শাপুরজি পাল্লোনজি (এসপি) গ্রুপ। এটি ভোলায় জিইর একই উৎপাদন ক্ষমতার দ্বিতীয় বিদ্যুৎকেন্দ্র। প্রথমটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ২০১৫ সালে। জিই দক্ষিণ এশিয়ায় পাওয়ার জেনারেশন গ্রাহকদের উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও অত্যাধুনিক উপকরণসমূহ সরবরাহ করা অব্যাহত রেখেছে এবং এটি ভারত, বাংলাদেশ এবং শ্রীলংকায় জিই-এর ইনস্টল্ড বেজকে শক্তিশালী করছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। শাপুরজি পাল্লোনজি গ্রুপের পাওয়ার বিজনেসের প্রধান মিতেশ সনি বলেন, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতে ভোলা পাওয়ার প্লান্ট শাপুরজি পাল্লোনজি গ্রুপের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। কনফিগারেশন সিলেকশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জিইর প্রযুক্তিগত এবং স্থানীয় বাজার দক্ষতা তাদের দলের জন্য ব্যাপক সুবিধা দিয়েছে। ভোলার এই প্রকল্প একটি ইনডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার (আইপিপি) হিসেবে এসপি গ্রুপ নির্মাণ করছে। এসপি গ্রুপ পিডিবির সঙ্গে ২২ বছরের চুক্তি করেছে। এই কেন্দ্র প্রাথমিক জ্বালানি হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে ডুয়েল-ফুয়েল প্রযুক্তিতে পরিচালিত হবে এবং ব্যাক-আপ ফুয়েল হিসেবে থাকবে ডিজেল। আশা করা হচ্ছে, কেন্দ্রটি ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে চালু হবে। প্রকল্পটি বাংলাদেশের দুই লাখ বাড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে সক্ষম হবে। জিই দক্ষিণ এশিয়ার গ্যাস পাওয়ার সিস্টেমের সিইও দীপেশ নন্দা বলেন, `দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো বিদ্যুৎ নিরাপত্তার অর্জনের জন্য এগিয়ে যাচ্ছে, ফলে এই খাতে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। জিইর প্রযুক্তি সুবিধা এবং দক্ষিণ এশিয়ায় জিইর উপস্থিতি আঞ্চলিক গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হচ্ছে।`
Category: বিদ্যুৎ
    সাম্প্রতিক খবর   সর্বাধিক পঠিত
সামিট গাজীপুর-২ পাওয়ার লিমিটেড থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনবে সরকার
‘নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর ও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র’
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের মূল কাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম কংক্রিট ঢালাই উপলক্ষে ফ্ল্যাশমব
এলপিজি আমদানি করতে জাহাজ কিনেছে বেক্সিমকো
এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে ১০০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি সই করেছে সামিট
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সেক্টর লিডারস কর্মশালা শুরু
খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ৫.৩% বাড়লো
সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালে নতুন তিন ইন্ডিপেনডেন্ট ডিরেক্টর
১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনতে ভারতীয় কোম্পানী আদানির সাথে চুক্তি করেছে বিপিডিবি
ডিপিডিসি’র নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হলেন প্রকৌশলী বিকাশ দেওয়ান
পেট্রোবাংলার নতুন চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ
‘পিডিবি’র বড় অর্জন দেশের ৭৬ শতাংশ এলাকা এখন বিদ্যুতের আওতায়’
পুরনো তিন বিদ্যুৎকেন্দ্র আলাদাভাবে পাওয়ার হাবে রূপান্তর হচ্ছে
বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানীর নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাবিব উদ্দিন
পিডিবি’র নিয়ন্ত্রণাধীন বিতরণ এলাকা নিয়ে কোম্পানি গঠনের বিরুদ্ধে আবারও আন্দোলন
বিপিডিবিকে হোল্ডিং কোম্পানীতে রূপান্তর করতে চায় সরকার
‘রমজানে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে’
প্রসঙ্গঃ রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র-পরিবেশ ও প্রতিবেশের উপর প্রভাব
‘এলপি গ্যাস অপারেশনাল লাইসেন্সিং নীতিমালা প্রণয়ন করেছে সরকার’
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy

   Editor & Publisher: Aminur Rahman
   Copyright @ 2015-2017 energynewsbd.com
   All Rights Reserved | Developed By: Jadukor IT