‘গ্যাসের মূল্য পুনর্নির্ধারণ হবে যৌক্তিকভাবে’  

    নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
    প্রকাশিত: মার্চ ১৫, ২০১৯ শুক্রবার ১১:৪১ এএম BdST     ক্যাটাগরি: গ্যাস

গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলোকে ভবিষ্যতে দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব আরও বাস্তব সম্মত উপায়েদেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম।

গ্যাসের মূল্যহার পুনর্নির্ধারণ নিয়ে ঢাকায় টিসিবি অডিটরিয়ামে চার দিনের গণশুনানির শেষদিন বৃহস্পতিবার এ কথা বলেন তিনি।

এ সময় কমিশনের সদস্য রহমান মুর্শেদ, সদস্য মাহমুদউল হক ভুইয়া, সদস্য আব্দুল আজিজ খান ও সদস্য মিজানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম বলেন, গ্যাসের বাড়তি দাম নিয়ে ভোক্তাদের আতঙ্কিত  হওয়ার কিছু নেই। কোম্পানীগুলোর প্রস্তাব অনুযায়ী দাম পুনর্নির্ধারণ হবে না। কমিশন যথাযথ বিচার বিবেচনা করে যক্তিযুক্তভাবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে।

আমদানি করা এলএনজির উচ্চ মূল্য সমন্বয়ে গ্যাসের দাম গড়ে ১০২ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাবের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হলেও বাস্তবতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতেই নতুন মূল্য ঠিক করা হবে বলে ভোক্তাদের আশ্বস্ত করেন তিনি।

চট্টগ্রাম অঞ্চলের কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির প্রস্তাবের ওপর এদিন সকালের সেশনে এবং পশ্চিমাঞ্চল গ্যাসের প্রস্তাবের ওপর বিকালের সেশনে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

রাজনৈতিক কর্মী, ভোক্তা, গ্রাহক স্বার্থ সংরক্ষণে বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা শুনানির বিভিন্ন ধাপে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন।

তিতাস, বাখরাবাদ, জালালাবাদ গ্যাস কোম্পানির মতো কর্ণফুলি ও পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানিও ভারিত গড় মূল্যহার ৭ টাকা ৩৫ পয়সা থেকে ১৪ টাকা ৯১ পয়সা করার প্রস্তাব করেছে। অর্থাৎ ১০২ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে তারা।

কর্ণফুলী ও পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস বিতরণ কোম্পানি তাদের প্রস্তাবে আবাসিকে এক চুলার বর্তমান দর ৭৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে এক হাজার ৩৫০ টাকা, দুই চুলা ৮০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে এক হাজার ৪৪০ টাকা এবং প্রি-পেইড মিটারে ৯ দশমিক ১০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬ দশমিক ৪১ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে।

অন্যদিকে, বিদ্যুতে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম তিন দশমিক ১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯ দশমিক ৭৪ টাকা, সিএনজিতে ৩২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৮ দশমিক ১০ টাকা, সার উৎপাদনে প্রতি ঘনমিটার দুই দশমিক ৭১ টাকা থেকে বাড়িয়ে আট দশমিক ৪৪ টাকা, ক্যাপটিভ পাওয়ারে ৯ দশমিক ৬২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৮ দশমিক শূন্য ৪ টাকা, শিল্পে সাত দশমিক ৭৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৪ দশমিক শূন্য পাঁচ টাকা এবং বাণিজ্যিকে ১৭ দশমিক শূন্য চার টাকার পরিবর্তে ২৪ দশমিক শূন্য পাঁচ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। একইসঙ্গে তারা বিতরণ চার্জ নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছে।

 

সম্পাদক: আমিনূর রহমান
@ সর্বস্বত্ব এনার্জিনিউজবিডি ডটকম ২০১৫-২০১৯