এলপিজি সিলিন্ডারের গায়ে দাম লেখার ব্যবস্থা চালু হচ্ছে  

    নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
    প্রকাশিত: জানুয়ারি ০৩, ২০১৯ বৃহস্পতিবার ০৫:১৯ পিএম BdST     ক্যাটাগরি: এলপিজি

গৃহস্থালিসহ হোটেল ও রেস্তোরায় ব্যবহৃত তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) এর দাম নিয়ন্ত্রণে সিলিন্ডারের গায়ে মূল্য লিখে দেয়ার পরিকল্পনা করছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

প্রাকৃতিক গ্যাসের স্বল্পতার কারণে ভোক্তারা যাতে সহজে বিকল্প জ্বালানি হিসেবে এলপিজি ব্যবহার করতে পারে, সে লক্ষ্যে বেসরকারী খাতে এলপি গ্যাসের বাজার উন্মুক্ত থাকায় দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত দাম রাখার অভিযোগ করে আসছে গ্রাহকরা।

কারণ হিসেবে তারা বলছে, কোন এলপিজি সিলিন্ডারের  গায়ে দাম লেখা থাকে না। এর ফলে খুচরা বাজারে ব্যবসায়ীরা ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার থেকে কোম্পানি নির্ধারিত দামের তুলনায় অনেক বেশি নিয়ে থাকেন। ভোক্তারা এলপিজির অতিরিক্ত দামের কারণে অসন্তোষ জানালেও কোম্পানিগুলো এর প্রতিকার করে না।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, ভোক্তা সাধারণের ক্রয় ক্ষমতা বিবেচনা করে এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারণের জন্য একটি প্রাইজিং ফর্মুলা থাকা উচিত।

তিনি জানান, এলপিজির দাম নিয়ে অসন্তোষের কারণে আমরা গ্রাহকের বিষয়টি বিবেচনা করছি। এজন্য এলপিজি সরবরাহকারী কোম্পানিগুলোকে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনাও দিয়েছি। সিলিন্ডারের গায়ে দাম লেখা থাকলে বাজার অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আসবে।

তবে অপারেটরা বলছে, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম ওঠা-নামার কারণে বাজারে অতিরিক্ত দাম নেওয়া থেকে খুচরা ব্যবসায়ীদের বিরত রাখা যায় না।

সম্প্রতি জ্বালানি বিভাগে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, ১২ কেজি এলপিজির দাম ৯৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু ভোক্তাপর্যায়ে কোথাও কোথাও এই দাম ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত নেয়া হচ্ছে। যা অ্যাসোসিয়েশনের নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

সভায় তারা আরো জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপি গ্যাসের দাম মাঝে মাঝেই ওঠানামা করে। এখন দাম কমলেও পরবর্তী মাসে আবার বাড়তে পারে। এছাড়া এলপি গ্যাসের পরিবহন ব্যয় এবং অন্যান্য ব্যয় বাড়ার কারণে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কমানো কঠিন হয়ে পড়ে।

 

সম্পাদক: আমিনূর রহমান
@ সর্বস্বত্ব এনার্জিনিউজবিডি ডটকম ২০১৫-২০১৯