বুয়েটে পারমাণবিক শক্তি প্রযুক্তি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত  

    নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
    প্রকাশিত: নভেম্বর ১৭, ২০১৮ শনিবার ০৪:৪৪ পিএম BdST     ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার

রাশিয়ার ন্যাশনাল রিসার্চ নিউক্লিয়ার ইউনিভার্সিটি মেফি এবং বাংলাদেশ প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এর ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং (আইএনপিই) এর যৌথ উদ্যোগে গত থেকে নভেম্বর বুয়েটে পারমাণবিক শক্তি প্রযুক্তি বিষয়ক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়

বুয়েটের বিভিন্ন অনুষদের ৭০ জন শিক্ষার্থী কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। ভিভিইআর-১০০০ এবং ভিভিইআর-১২০০ ভিত্তিক পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম, পারমাণবিক জ্বালানী চক্র, পারমাণবিক চুল্লির কোরের থার্মোহাইড্রোলিক প্রোফাইলিংসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কর্মশালায় অন্তর্ভূক্ত ছিল।

মেফির তিন জন অধ্যাপক ড. দিমিত্রি সামোখিন, ড. ভি.ফিদোসিয়েভ এবং ড. অলগা মামোত এটি পরিচালনা করেন। সমাপনী দিনে ৯ নভেম্বর অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানে আইএনপিই-এর পরিচালক ড. শেখ আনোয়ারুল ফাত্তাহ এবং প্রাক্তন পরিচালক ড. এম এ রশিদ সরকার, ঢাকাস্থ রুশ বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি কেন্দ্রের পরিচালক এ.পি. ডেমিন, রুশ রাস্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন রোসাটমের বাংলাদেশ প্রতিনিধি মিখাইল এস ব্রননিকভসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মেফির পারমাণবিক পদার্থ বিদ্যা এবং প্রকৌশল বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. দিমিত্রি সামোখিন অনুষ্ঠানে বলেন, “আমি অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহ লক্ষ্য করেছি। আমার বিশ্বাস ভবিষ্যতে বাংলাদেশের পারমাণবিক শক্তি কর্মসূচি বাস্তবায়নের  চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তারা যথেষ্ট সক্ষমতার পরিচয় দিবেন। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য আমরা এই জাতীয় আরো কোর্স আয়োজন করতে ইচ্ছুক।” 

রুশ প্রযুক্তি ও আর্থিক সহায়তায় পাবনা জেলার রূপপুরে বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে। কেন্দ্রটিতে সর্বাধুনিক ৩+ প্রজন্মের ভিভিইআর-১২০০ রি-অ্যাক্টর ভিত্তিক ২টি বিদ্যুৎ ইউনিট থাকবে। প্রতিটি ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা হবে ১২০০ মেগাওয়াট। ভিভিইআর-১২০০ রি-অ্যাক্টর আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি এজেন্সি (আইএইএ) নির্ধারিত সকল নিরাপত্তা চাহিদা পূরণে সক্ষম।

একটি আন্তঃসরকারী চুক্তির আওতায় রূপপুর প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় লোকবল প্রশিক্ষণে সহায়তা প্রদান করছে রাশিয়া। বর্তমানে শতাধিক বাংলাদেশী রুশ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পরমাণু বিজ্ঞান বিষয়ে উচ্চ শিক্ষা লাভ করছেন। রূপপুর প্রকল্পের এমপ্লয়িদের জন্য নিয়মিতভাবে প্রয়োজনীয় তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক কোর্সেরও আয়োজন করছে রোসাটম।

সম্পাদক: আমিনূর রহমান
@ সর্বস্বত্ব এনার্জিনিউজবিডি ডটকম ২০১৫-২০১৯