ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে সরকারের সাথে চুক্তি করলো সামিট গ্রুপ  

    নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
    প্রকাশিত: এপ্রিল ২১, ২০১৭ শুক্রবার ০৯:২৩ পিএম BdST     ক্যাটাগরি: গ্যাস

ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল নির্মাণ এবং এর ব্যবহারে সামিট গ্রুপের সাথে পৃথকভাবে দুটি চুক্তিতে সই করেছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং পেট্রোবাংলা 

বৃহস্পতিবার ঢাকায় পেট্রোসেন্টারে দেশীয় কোম্পানী সামিট গ্রুপ,  জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং পেট্রোবাংলা’র মধ্যে ওই চুক্তি সই হয় বলে সামিট গ্রুপের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সামিট গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান সামিট এলএনজি টার্মিনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এএনএম তারিকুর রশীদ, প্রকল্পের ইক্যুয়িটি অংশীদার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান জেনারেল ইলেকট্রিক-জিই এর পরিচালক (গ্লোবাল গ্যাস টু পাওয়ার ইনফ্রাস্ট্রাকচার) পিটার ম্যাক এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের উপ-সচিব জনেন্দ্র নাথ সরকার ও পেট্রোবাংলার সচিব সৈয়দ আশফাকুজ্জামান চুক্তিতে সই করেন।

চুক্তি অনুযায়ী, দেশে গ্যাসের বর্ধিত চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে দেড় বছরের মধ্যে কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভাসমান এ টার্মিনাল নির্মাণের কথা রয়েছে। চুক্তির আওতায় সামিট- সমুদ্রের তলদেশে নয় কিলোমিটার গ্যাস পাইপলাইনসহ   দেশের দ্বিতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল এর নির্মাণ, স্বত্ত্ব, পরিচালনা ও হস্তান্তর করবে।

সামিট এলএনজি টার্মিনাল নামের ৫০ কোটি ডলারের এ প্রকল্পের জন্য এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান জেনারেল ইলেকট্রিকের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে একটি সাবসিডিয়ারি কোম্পানি গঠন করেছে সামিট গ্রুপ।

প্রকল্পে আমদানিকৃত এলএনজি ভাসমান সংরক্ষণাগারে সংরক্ষণ ও পুনরায় গ্যাসে রূপান্তর করে তা গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের (জিটিসিএল) কাছে সরবরাহ করবে সামিট।

নির্মাণ শেষে আমদানিকৃত এলএনজি থেকে প্রতিদিন ৫০ কোটি ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করা হবে। পেট্রোবাংলা প্রতি মিলিয়ন বিটিইউ গ্যাসের বিনিময়ে ৪৫ সেন্ট (যা বাংলাদেশী মুদ্রায় ৩৭ টাকার মতো) সামিটকে পরিশোধ করবে। চুক্তি অনুসারে ১৫ বছর পর পেট্রোবাংলার কাছে টার্মিনালটি হস্তান্তর করবে সামিট।

প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৫০ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল ইলেকট্রিক ও সামিট এলএনজি টার্মিনাল কোম্পানি লিমিটেড যৌথভাবে এতে মূলধন বিনিয়োগ করবে। এর মধ্যে জেনারেল ইলেকট্রিকের কাছে ২০ ও সামিটের কাছে ৮০ শতাংশ মালিকানা থাকবে।

এর আগে মহেশখালীতে দেশের প্রথম ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের বিষয়ে ২০১৬ সালের ১৮ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে চুক্তি করে পেট্রোবাংলা। ২০১৮ সালের শুরুতে এ টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্যাস সঞ্চালন লাইনে দৈনিক ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাস যোগ হওয়ার কথা রয়েছে।

সম্পাদক: আমিনূর রহমান
@ সর্বস্বত্ব এনার্জিনিউজবিডি ডটকম ২০১৫-২০১৯