গ্যাসের দাম না বাড়াতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে ডিসিসিআই  

    নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
    প্রকাশিত: জুলাই ২১, ২০১৬ বৃহস্পতিবার ১১:৩২ পিএম BdST     ক্যাটাগরি: বিজনেস

ব্যবসায়ীদের সংগঠন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) গ্যাসের দাম না বাড়াতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বজায় রাখার স্বার্থে এ দাবি জানান তারা।

বিবৃতিতে ডিসিসিআই স্বল্প সময়ের ব্যবধানে আবারও গ্যাসের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে। তারা দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনারও আহ্বান জানিয়েছে।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে গ্যাসের দাম গড়ে ২৬ দশমিক ২৯ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, গ্যাসের দাম বাড়ানোর বিকল্প হিসেবে ডিসিসিআই মনে করে, সরকার বিশ্ববাজারে তেলের হ্রাসকৃত মূল্যের সুযোগ গ্রহণ করে তেল আমদানির মাধ্যমে জ্বালানির অতিরিক্ত চাহিদা মেটাতে পারে।

সম্প্রতি গ্যাস খাতের কোম্পানিগুলো গ্যাসের মূল্য গড়ে ৮৮ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব রয়েছে গৃহস্থালি​র কাজে ব্যবহৃত গ্যাসের। এতে ১৪০ শতাংশ দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৩০ শতাংশ দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে ক্যাপটিভ বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত গ্যাসের।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, শিল্পে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম ৬২ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব রয়েছে। এ খাতে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম বিদ্যমান ৬ টাকা ৭৪ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা ৯৫ পয়সা প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ ছাড়া সার উৎপাদনে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম ২ টাকা ৫৮ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৪১ পয়সা প্রস্তাব করা হয়েছে। এ হিসেবে সার উৎপাদনে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব এসেছে ৭১ শতাংশ। যার ফলে কৃষি খাতের পণ্য উৎপাদনে ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে বলে ডিসিসিআইয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির এ সিদ্ধান্ত ব্যবসা-বাণিজ্যে নানামুখী নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এর ফলে ব্যবসায় ব্যয় বাড়বে এবং রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হবে। এতে মূল্যস্ফীতি দুই ডিজিটে উন্নীত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য মারাত্মক হুমকির কারণ হতে পারে।

এ ছাড়া গ্যাসের মূল্য আবারও বাড়ানো হলে তৈরি পোশাক খাত এবং অন্যান্য আমদানি করা পণ্য এবং রপ্তানিনির্ভর শিল্পপণ্যের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় তাদের প্রতিযোগী সক্ষমতাও হ্রাস পাবে। আর সেটা হলে আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকার সম্ভাবনাও কমে আসবে

সম্পাদক: আমিনূর রহমান
@ সর্বস্বত্ব এনার্জিনিউজবিডি ডটকম ২০১৫-২০২০