ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট নির্মাণে পরামর্শক ভারতের ইআইএল  

    স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
    প্রকাশিত: এপ্রিল ১৫, ২০১৬ শুক্রবার ১০:০৬ পিএম BdST     ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম

ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) এর দ্বিতীয় ইউনিট নির্মাণে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্ডিয়া লিমিটেডকে (ইআইএল) পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে

এ জন্য ১১০ কোটি ৬১ লাখ টাকা পাবে ইআইএল। দরপত্র ছাড়া বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) (সংশোধন) আইন ২০১৫ এর মাধ্যমে এ নিয়োগ দিচ্ছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

আগামী ১৯ এপ্রিল ইআইএল’র সাথে সমঝোতা স্মারক সই করবে বিপিসি। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পেট্রোলিয়াম ও ন্যাচারাল গ্যাস বিষয়ক মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

ইতিমধ্যে প্রথম ইআরএল’র নির্মাতা ফরাসি কোম্পানি টেকনিপ ইআরএল দ্বিতীয় ইউনিট নির্মাণ প্রকল্পে ইপিসি (প্রকৌশল, আহরণ ও নির্মাণ) ঠিকাদার হিসেবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

২০১৫ সালের নভেম্বরে টেকনিপ’র সাথে বিপিসি ও ইস্টার্ন রিফাইনারি কোম্পানি লিমিটেডের একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। তাদের সাথে দরকষাকষি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, এখন টেননিপ’র সাথে কারিগরি ও আর্থিক বিষয়ে বিভিন্ন শর্তগুলো নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা চলছে।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্রে জানা গেছে, চীনের উহুয়ান ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড প্রকল্পটিতে অর্থায়নসহ ইপিসি ঠিকাদার হিসেবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে প্রস্তাব দিয়েছে। এ জন্য তারা নিজেদের সরকারের সম্মতিও নিয়েছে।  জ্বালানি মন্ত্রণালয় এবং বিপিসিতে এই প্রস্তাবটি পাঠানো হয়েছে।

তবে বিপিসির উর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, ইআরএল-২ নির্মাণে টেকনিপ’র সাথে ইপিসি চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তাই এ মূহুর্তে অন্য কোনো বিষয়কে আর বিবেচনা করা হচ্ছে না। এটি নির্মিত হলে দেশে তেল পরিশোধনের ক্ষমতা তিন গুণ বেড়ে বার্ষিক ৪৫ লাখ টনে দাঁড়াবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ১৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে প্রতি বছর দেড় হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করতে পারবে বাংলাদেশ।

ইআরএল দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনের পর বিপিসি বছরে মাত্র ১০ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করবে। গত বছর প্রতিষ্ঠানটি ৫৩ লাখ ৯৩ হাজার টন পরিশোধিত ও ক্রুড তেল আমদানি করে। এতে খরচ হয় ২৬ হাজার ৯৪০ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।

সম্পাদক: আমিনূর রহমান
@ সর্বস্বত্ব এনার্জিনিউজবিডি ডটকম ২০১৫-২০২০