ঢাকা, সোমবার, আগস্ট ২০, ২০১৮, ভাদ্র ৫, ১৪২৫ ১০:৩৫ এএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
শীর্ষ খবর
অন্য শীর্ষ খবর
    সব খবর
সাক্ষাৎকার
    সব সাক্ষাৎকার
টেন্ডার নোটিশ চাকরি ও বিজ্ঞাপন
    এনার্জি বিডি
বিদ্যুৎ
গাজীপুরের কড্ডায় সম্প্রতি ১৪৯ মেগাওয়াটের নতুন একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালুর পর সামিট গ্রুপের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়িয়েছে ১,৯৪১ মেগাওয়াট। সামিট গাজীপুর-১ পাওয়ার লিমিটেড ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল সরকার ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সাথে যথাক্রমে ১৫ বছর মেয়াদী ১৪৯ মেগাওয়াটের ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাস্তবায়ন চুক্তি এবং বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি সই করে বলে সামিট গ্রুপের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বেসরকারি খাতের বৃহৎ বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সামিট গ্রুপ গত ৯ মে সামিট গাজীপুর-২ পাওয়ার লিমিটেড নামে আরেকটি ৩০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করে। ঢাকা শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে কড্ডায় দুইটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রই পাশাপাশি অবস্থিত। সামিট গাজীপুর-১ পাওয়ার লিমিটেড ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ এ তালিকাভুক্ত সামিট পাওয়ার লিমিটেড (শেয়ার ৬৪ শতাংশ) এবং সামিট করপোরশেন লিমিটেড (৩৬ শতাংশ) এর মালিকাধীন একটি জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানী।    
বিস্তারিত   
কয়লা
দিনাজপুরের দীঘিপাড়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলনে সম্ভাব্যতা জরিপ পরিচালনার অগ্রগতি কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী  নসরুল হামিদ। শুক্রবার প্রতিমন্ত্রী সরেজমিনে প্রকল্প এলাকায় গিয়ে জরিপ পরিচালনার বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন বলে এনার্জিনিউজবিডি ডটকমকে জানান বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী হাবিব উদ্দিন আহম্মদ। হাবিব উদ্দিন বলেন, বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড এর নিজস্ব অর্থায়নে ‘ফিজিবিলিটি স্টাডি ফর ডেভেলপমেন্ট অব দীঘিপাড়া কোল ফিল্ড’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হচ্ছে। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বছরে তিন মিলিয়ন টন  কয়লা উত্তোলন করা যাবে। তিনি আরো বলেন, পরিদর্শনকালে প্রকল্পের বর্তমান কাজের অগ্রগতি প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়।  প্রকল্পের ভৌত কার্যবলী পরিদর্শনকালে কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী। দীঘিপাড়ার ছয় বর্গ কিলোমিটার এলাকায় জুড়ে একটি খনি নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য জরিপ কাজ চলছে। এই খনিটি নির্মাণ হলে বছরে তিন মিলিয়ন টন কয়লা উৎপাদন সম্ভব হবে যার মাধ্যমে ১২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। প্রতিমন্ত্রীকে দীঘিপাড়া থেকে যমুনা নদী পর্যন্ত রেল যোগাযোগের অবস্থা সম্পর্কেও অবহিত করা হয়। প্রকল্পের সার্বিক  কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে এখানে শুধু জরিপ কাজ চালানো হচ্ছে। জরিপের ফলাফল, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং এলাকাবাসীর চাহিদার ভিত্তিতে এখানে ভবিষ্যতে খনি নির্মাণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য মোঃ শিবলী সাদিক, পিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ, বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানী লিমিটেড ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী হাবিব উদ্দিন আহাম্মদ, কোম্পানি সচিব মো. আবুল কাসেম প্রাধানীয়া ও প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী খান মোঃ জাফর সাদিক উপস্থিত ছিলেন। গত ৩০ মে ২০১৭ সম্ভাব্যতা জরিপ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জার্মানী ও অস্ট্রেলিয়ার যৌথ একটি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি সই করে বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড। চুক্তি অনুযায়ী ১ জুন ২০১৭ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত অর্থাৎ ২৭ মাস ধরে সমীক্ষা চলবে।
বিস্তারিত   
নিউক্লিয়ার
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সম্পূর্ণ নিরাপত্তা পদ্ধতি অবলম্বন করে এমনভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে যাতে এখানে প্রাকৃতিক বা মনুষ্য সৃষ্ট কোন দুর্ঘটনা ঘটতে না পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জনগণের জন্যে কোন ঝুঁকি যাতে সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অলম্বন করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাশিয়া এই প্লান্টের বর্জ্য নিতে রাজী হয়েছে এবং এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তিও স্বাক্ষর হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা নিরাপত্তার দিকটায় বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছি। যে কোন দুর্যোগে আমাদের এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে দিকটি বিবেচনায় নিয়েই এই প্ল্যান্টের ডিজাইন করা হয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার পাবনার রূপপুরে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ‘রিঅ্যাক্টর বিল্ডিং (উৎপাদন কেন্দ্র)’ নির্মাণ কাজের দ্বিতীয় পর্যায়ের ঢালাইয়ের কাজ উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটি নির্মাণে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার গাইডলাইন এবং আন্তর্জাতিক মান অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হচ্ছে। রাশিয়ার সর্বশেষ জেনারেশন থ্রি প্লাস প্রযুক্তির রিঅ্যাক্টর দিয়ে তৈরি হচ্ছে এই কেন্দ্র। পারমাণবিক নিরাপত্তা ও বিকিরণ নিয়ন্ত্রণের সর্বাধুনিক ব্যবস্থা আছে এ রিঅ্যাক্টরে।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণের যাত্রায় এই পারমাণবিক কিদ্যুৎ কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। প্রধানমন্ত্রী এ সময় বিদ্যুৎকে একটি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের অন্যতম চাবিকাঠি উল্লেখ করে বলেন, পর্যাপ্ত এবং ধারাবাহিক বিদ্যুৎ সরবরাহ দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করারও পূর্বশর্ত। সরকার দেশের প্রত্যেকটি মানুষের ঘরে ঘরে বিদ্যুতের আলো পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ানোর মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন- ২০২৩-২৪ সাল নাগাদ এ কেন্দ্রের দু’টি ইউনিট থেকে মোট ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে । রাশিয়ান ফেডারেশনের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইউরি ইভানোভিচ বরিসভ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। রোসাটম-এর প্রথম মহাপরিচালক ল্যাক্সিন আলেকজান্দার, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি কমিশন (আইএই)-র পরিচালক দহি হ্যান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। মন্ত্রী পরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাবৃন্দ, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সদস্যবৃন্দ এবং এনার্জি রেগুলেটরী কতৃর্পক্ষের সদস্যবৃন্দ, ভারত থেকে আগত জ্যেষ্ঠ পরমাণু বিষয়ক কর্মকর্তাবৃন্দ, তিন বাহিনী প্রধানগণ এবং পদস্থ সামরিক এবং বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী এ প্রকল্পে সহযোগিতার জন্য এ সময় রুশ সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর প্রথম ইউনিটের প্রথম কংক্রিট ঢালাইয়ের পর বিগত সাত মাসে প্রথম ইউনিটের নির্মাণ কাজ অনেক দূর এগিয়েছে। আজকে কংক্রিট ঢালাইয়ের মাধ্যমে শুরু হলো দ্বিতীয় ইউনিটের নির্মাণ কাজ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমরা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে সমর্থ হব এবং বাংলাদেশ পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর ৩৩তম সদস্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। তিনি বলেন, এ ভূখন্ডে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের স্বপ্ন শুরু হয়েছিল ১৯৬১ সালে তৎকালীন পূর্ব বাংলায়। কিন্তু তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের বিমাতাসুলভ আচরণে তা আর আলোর মুখ দেখেনি। পরে পশ্চিম পাকিস্তানে সেটি সরিয়ে নেয়া হলে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেন। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকদের হাতে বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার পর অনেক কর্মসূচির মত এই প্রকল্পের কাজও বন্ধ হয়ে যায়। সরকার প্রধান বলেন, ১৯৯৬ সালে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নেয়ার পর আমরা জ্বালানি নীতিতে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করি এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা ‘আইএইএ’ এর সহযোগতিা চাই। তাদের সহায়তায় আমরা একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনাও গ্রহণ করি। বিভিন্ন জটিল আইন-কানুন তৈরি করতে আমাদের ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। এরপর ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় এসেই আমাদের নেয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাতিল করে দেয়। এর মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পটিও ছিল। রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প ছিল জাতির পিতার স্বপ্নের প্রকল্প উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৯ সালে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে আমরা আবার প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করি। বন্ধুরাষ্ট্র রাশিয়া এটি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনেও রাশিয়া এবং সে দেশের জনগণ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আমি কৃতজ্ঞচিত্তে তাঁদের অবদানের কথা স্মরণ করছি। প্রধানমন্ত্রী দেশে এক সময় দেশে ভয়াবহ লোড শেডিং থাকার কথা স্মরণ করে বলেন, ২০০৯ সালে সরকার গঠনের সময় আমরা বিদ্যুৎ পেয়েছিলাম মাত্র ৩২০০ মেগাওয়াট। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় তখন ভয়াবহ লোড-শেডিং হতো। তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর পরই আমরা বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর জন্য স্বল্প, মধ্যম এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করি। তার ফলেই আজ বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ১৮ হাজার ৩৫৩ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। সুবিধার আওতায় এসেছেন ৯০ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ। টেকসই বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য তাঁর সরকার জ্বালানি নীতিতে জীবাষ্ম জ্বালানির পাশাপাশি বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারের উপর জোর দিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তেল, গ্যাস বা কয়লার পাশাপাশি পারমাণবিক, সৌর এবং বায়ু-চালিত বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপর গুরুত্বারোপ করেছি। দেশের আর্থ-সমাজিক উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী এ সময় মহাকাশে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট সফলভাবে উৎক্ষেপণের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল তৈরির জন্য তাঁর সরকার কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বলেও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে জনবল নিয়োগ দেয়া হয়েছে এবং তাদের ভারত ও রাশান ফেডারেশনে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। শুধু পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নয়, স্যাটেলাইট পরিচালনার জন্যও আমরা নিজস্ব জনবল তৈরি করছি।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং ২০২১ আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালিত হবে। আমরা এই দুই শুভক্ষণকে সামনে রেখে দেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতিকে আরও বেগবান করতে চাই।’ শেখ হাসিনা এসময় তাঁর রাজনৈতিক অঙ্গীকারের পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, আমাদের লক্ষ্য ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত, প্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞানভিত্তিক মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করা।
বিস্তারিত   
গ্যাস
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি ও সরবরাহে টার্মিনাল নির্মাণে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চায় এ খাতে ভারতের বৃহত্তম প্রতিষ্ঠান পেট্রোনেট। এ জন্য ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। অনুমোদন পাওয়ার পর ৪২ মাসের মধ্যে স্থলভাগে এলএনজি সরবরাহের কাজ শেষ করতে চায় তারা। কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় ২৬ কিলোমিটার পাইপলাইনে বছরে ৭৫ কোটি টন আমদানি করা এলএনজি গ্রহণ এবং সরবরাহ লাইনে ছাড়ার পরিকল্পনায় গত বছর পেট্রোবাংলার সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ) হয় পেট্রোনেটের। এখন প্রকল্পের বিস্তারিত উল্লেখ করে অনুমোদনের জন্য বাংলাদেশ সরকারের কাছে আবেদন করা হয়েছে। পেট্রোনেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী প্রভাত সিং পিটিআইকে জানান, সরকার তাদের প্রস্তাব গ্রহণ করলে পেট্রোবাংলা এবং পেট্রোনেটের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি হবে। কুতুবদিয়ার এ স্থানটিকে এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের জন্য আদর্শ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। বিওও অর্থাৎ নির্মাণ, মালিকানা ও পরিচালনার ভিত্তিতে নির্মাণ করা হবে প্রকল্পটি। সূত্র: পিটিআই  
বিস্তারিত   
পেট্রোলিয়াম
ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনে ফ্রান্সের সহযোগিতা চেয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। গত ৮ এপ্রিল সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রীর অফিস কক্ষে তার সাথে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মারি আনিক বুর্দিন  সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ সহযোগিতা চান। এ সময় তারা পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ে আলোচনা করেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের পারস্পারিক সহযোগিতার উপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, আমাদের সম্পর্ক সুদৃঢ় করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। এ সময় ফ্রান্সের কোম্পানি টেকনিপ এর মাধ্যমে ইষ্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয়  ইউনিট স্থাপন, লাফার্জ সিমেন্ট, ক্লীন এনার্জি, আধুনিক প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়, এলএনজি  ইত্যাদি বিষয়ে নিয়ে আলোচনা হয়। ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফ্রান্স বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী দেশ। উন্নত কারিগরি সহযোগিতা, প্রশিক্ষণ ইত্যাদি বিষয়ে ফ্রান্স আরো আবদান রাখতে পারে। তিনি আরো বলেন, আলোচনার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করলে উভয় দেশ উপকৃত হবে।
বিস্তারিত   
এলপিজি
দেশে এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) ব্যবহারকারীদের বীমার আওতায় আনার পরিকল্পনা করেছে সরকার। এ গ্যাসের ব্যবহার কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় বিপণন বিশৃঙ্খলায়  দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, শিগগিরই এ সংক্রান্ত রূপরেখা তৈরি করা হবে। সম্প্রতি জ্বালানি বিভাগে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এলপিজির ব্যবহার এবং এর ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ওই সভায় এলপিজি ব্যবহারকারীদের বীমার আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়। ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, গত কয়েক বছরে এলপিজির ব্যবহার পাঁচ থেকে ছয় গুণ বেড়েছে। আগামীতে আবাসিক খাতে প্রায় শতভাগ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হবে এলপিজি। কিন্তু বিপণন ব্যবস্থায় নিরাপত্তা বিষয়ে এখনও টেকসই আচরণ নিশ্চিত করা যায়নি। তাই এ খাতের গ্রাহকদের বীমা সেবার আওতায় আনা জরুরি। এ বিষয়ে এলপিজি বিপণনকারীদের সঙ্গে মন্ত্রণালয় পৃথক বৈঠক করবে। কোম্পানিগুলোকেই তাদের ভোক্তাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিতে হবে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা। বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের উপসচিব (অপারেশন-২) আকরামুজ্জামান উপস্থাপিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রত্যেকটি কোম্পানি তাদের ভোক্তাদের নিবন্ধন করে একটি ডাটাবেজ তৈরি করবে। এরপর নিবন্ধনকৃত ভোক্তাদের সংশ্লিষ্ট কোম্পানি বীমা সুবিধার আওতায় আনতে পারে। যেন গ্রাহক কোনও দুর্ঘটনার শিকার হলে তিনি ক্ষতিপূরণ পান। এছাড়া এলপিজি ব্যবহারকারীদের সতর্ক হওয়াও জরুরি। সিলিন্ডারের গায়ে খোদাই করে লেখা মেয়াদ দেখে কেনার পাশাপাশি নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। দুর্ঘটনার কারণ ও প্রতিকারের উপায় সম্পর্কে বলা হয়, ব্যবহারকারীদের সচেতন করে তুলতে হবে। এলপিজি বোতল নির্দিষ্ট সময় পরপর পরীক্ষা করার পরামর্শ ছাড়াও আধুনিক সেফটি রেগুলেটর ব্যবহার করতে হবে। পাশপাশি তিন বছর পরপর রেগুলেটর ও প্রতিবছর একবার হোস পাইপ পরিবর্তন করতে হবে। এ ব্যাপারে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, মানুষ রান্নার কাজে বিপুল পরিমাণ এলপিজি ব্যবহার করছে। ব্যবহার বাড়লেও নিরাপত্তার সঠিক সূচক সবাই অনুসরণ করা হচ্ছে না। বিপণন পর্যায়ে যেমন কিছু ত্রুটি রয়েছে তেমনি গ্রাহক পর্যায়েও সচেতনতার অভাব রয়েছে। এলপিজি’র টেকসই ও নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
বিস্তারিত   
    এনার্জি বিডি এর সব খবর
    গ্রীণ এনার্জি
নবায়নযোগ্য
বেসরকারী খাতে সিলেটের গোয়াইনঘাটে নির্মিতব্য পাঁচ মেগাওয়াটের একটি সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কিনতে জাপান ও বাংলাদেশভিত্তিক জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানীর সাথে চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। বৃহস্পতিবার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে বিপিডিবি সচিব মিনা মাসুদ উজ্জামান এবং জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানী ইকি সোজি কোম্পানি জাপান ও সান সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট লিমিটেড বাংলাদেশ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলাউদ্দিন মৃধা ওই বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিতে সই করেন। একই সাথে ওই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইমপ্লিমেন্টেশন এগ্রিমেন্টে (আইএ) বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষে যুগ্ম সচিব (উন্নয়ন) শেখ ফয়েজুল আমীন এবং জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানীর পক্ষে মো. আলাউদ্দিন মৃধা সই করেন। উক্ত জয়েন্ট ভেঞ্চারে ইকি সোজি কোম্পানি জাপান এর শেয়ার হলো ৯৫ দশমিক এক শতাংশ  এবং সান সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট লিমিটেড বাংলাদেশ শেয়ার চার দশমিক নয় শতাংশ। বিপিডিবি আগামী ২০ বছর পর্যন্ত নো ইলেকট্রিসিটি, নো পেমেন্ট ভিত্তিতে ১৩.৯০ সেন্ট দরে প্রতি ইউনিট  বিদ্যুৎ ক্রয় করবে। আগামী ১২ মাসের মধ্যে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। নির্মাণ শেষে কেন্দ্র থেকে চার কিলোমিটার দূরে সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর ৩৩/১১ কেভি সাব-স্টেশনে ৩৩ কেভি ভোল্টেজে বিদ্যুৎ সঞ্চালন করা হবে। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, বিপিডিবি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ, ইকি সোজি কোম্পানি জাপান এর প্রেসিডেন্ট ইয়াসুশি ফুজি উপস্থিত ছিলেন।
বিস্তারিত   
দক্ষতা ও সংরক্ষণ
সূর্যের আলোর অন্তত চার ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ ২৬  শতাংশের মতো শক্তিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর করতে পারে এমন সৌর প্যানেল বানিয়েছে বিজ্ঞানীরা। এত বেশি সামর্থ্য আগে কোনো সৌর প্যানেল দেখাতে পারেনি। তাই জাপানের একদল গবেষকের এটা বড় সাফল্য। নেচার এনার্জি সাময়িকী জানায়, ওই গবেষকেরা সিলিকনের সৌর প্যানেল বানিয়েছেন। এটি অন্য যেকোনো প্যানেলের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর অর্থাৎ সূর্য থেকে সংগৃহীত ২৬ দশমিক ৩ শতাংশ শক্তিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর করতে পারে। এখন বড় পরিসরে সিলিকন সৌরকোষ তৈরির জন্য উপযুক্ত প্রক্রিয়া ব্যবহার করলে ২৬ শতাংশ পর্যন্ত কার্যকারিতা মিলেছে। অবশ্য এসব নতুন প্যানেল এখনো বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির উপযোগী হয়নি। গবেষণায় এটির কার্যকারিতা প্রমাণিত হলেও বাণিজ্যিকভাবে বাজারজাত করার আগে আরও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। গাছের পাতাকে প্রাকৃতিক সৌর প্যানেল বলা যায়। সেটার সালোকসংশ্লেষণ সক্রিয়তা ৩ থেকে ৬ শতাংশের মতো হয়ে থাকে। জাপানে ওই গবেষণায় যুক্ত বিজ্ঞানীরা বলছেন, নতুন প্যানেলটির সক্রিয়তা তাঁরা আরও বাড়ানোর উপায় খুঁজে পেয়েছেন। তাহলে এটি ২৯ দশমিক ১ শতাংশ পর্যন্ত সূর্যালোককে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে পরিণত করতে পারবে। ওসাকার কানেকা করপোরেশনের ওই গবেষক দলের বক্তব্য হচ্ছে- সিলিকন সৌর কোষের কার্যকারিতা বৃদ্ধির ব্যাপারটা আরও বেশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করবে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, যেমন আজীবন ব্যবহার্য এবং দৃষ্টি-সম্পর্কিত জিনিসপত্রেরও আধুনিকায়ন দরকার। এতে সেগুলো বারবার পরিবর্তনের প্রয়োজন ফুরাবে। সূত্র: ইন্ডিপেনডেন্ট      
বিস্তারিত   
প্রযুক্তি
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আগামীর অর্থনৈতিক উন্নতি এবং জলবায়ু নীতি গ্রহণ ও বাস্তবায়নে উচ্চ দক্ষতার এবং কম কার্বন ডাইঅক্সাইড নি:সরণ ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রযুক্তি (এইচইএলই) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এইচইএলই কয়লা প্রযুক্তি এই অঞ্চলের ৬০ কোটি মানুষের কাছে নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী মূল্যের বিদ্যুৎ পৌঁছে দেবে এবং অবিশ্বাস্যভাবে কার্বন নি:সরণও কমবে। আসিয়ান সেন্টার ফর এনার্জি এবং ওয়ার্ল্ড কোল অ্যাসোসিয়েশনের (ডব্লিউসিএ) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। আসিয়ান দেশগুলোর জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানি, টেকসই উন্নয়নের খরচ ও লাভের বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩৫ সাল নাগাদ আসিয়ান দেশগুলো তাদের কয়লাভিত্তিক উৎপাদন সক্ষমতাকে আধুনিকায়ন করবে। এর মাধ্যমে এ অঞ্চলে সামগ্রিকভাবে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন টন কার্বন নি:সরণ কমবে। এটি যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্বন দূষনের সমপরিমান। অক্সফোর্ড ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি স্টাডিজ’র এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, ২০২৫ সাল নাগাদ দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার কয়লা ব্যবহার সক্ষমতা ১৪৮ গিগাওয়াটে দাঁড়াবে। এটি ২০১৫ সালের চেয়ে ১৩৯ শতাংশ বেশী। ২০২৫ সালের মধ্যে গ্যাসের বদলে কয়লা এই অঞ্চলের এক নম্বর উৎস হিসেবে জ্বালানির স্থান দখল করবে। বিশ্বে অন্যতম দ্রুতবর্ধনশীল অর্থনীতির অঞ্চল আসিয়ান। প্রতিবছর ৬ শতাংশের বেশী অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পূর্বাভাস এ অঞ্চলের। গত ২০ বছরে কোটি মানুষের দারিদ্র্য দূর হয়েছে এবং বিদ্যুৎহীন জনসংখ্যার পরিমাণ অর্ধেকে দাঁড়িয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি ভবিষ্যদ্বানী, ২০৪০ সাল নাগাদ আসিয়ান অঞ্চলের জ্বালানি চাহিদা ৮০ শতাংশ বাড়বে। এক্ষেত্রে কম কার্বন নি:সরণের কয়লা বেশি পছন্দ। এ সময়ে বিদ্যুতের ৫০ শতাংশ উৎপাদিত হবে কয়লা থেকে। ২০২০ থেকে ২০৩৫ পর্যন্ত সব ধরণের কয়লাই আসিয়ান দেশগুলোর জন্য সবচেয়ে কম খরচের বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপায়। এমনকি আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লা উৎপাদনও সব ধরণের নবায়নযোগ্য এবং গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের চেয়ে সাশ্রয়ী। কার্বন নি:সরণ কমানো, অর্থনৈতিক প্রাধিকার বাস্তবায়ন, সাশ্রয়ী এবং নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনে এইচইএলই আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে। সূত্র: ওয়ার্ল্ড কোল ডটকম
বিস্তারিত   
    গ্রীণ এনার্জি এর সব খবর
    এনার্জি ওয়ার্ল্ড
আঞ্চলিক
বিশ্ব বাজার থেকে কম মূল্যে জ্বালানি তেল কিনতে এশিয়ার চারটি দেশ নিয়ে একটি ক্রেতা জোট গঠন করতে আগ্রহী ভারত সরকার। এই জোট গঠিত হলে বিশ্ব বাজার থেকে দরকষাকষি করে কম দামে তেল কিনতে পারবে চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভারত। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। গত বৃহস্পতিবার ভারতের কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, এশিয়ার এই চার বৃহৎ তেল ক্রেতা দেশ যদি ক্রেতা জোট গঠন করতে পারে, তবে কম দামে তেল কিনতে পারবে। মন্ত্রী বলেন, তেল উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারক দেশগুলো যদি ওপেক (অর্গানাইজেশন অব দ্য পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজ) গঠন করতে পারে তবে কেন ক্রেতা জোট হবে না। বিশ্বে এখন চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পর ভারত তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক দেশ। এরপর রয়েছে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। উল্লেখ্য, ওপেকভুক্ত দেশগুলো এশিয়ার দেশগুলোকে তেল বিক্রি করে এশিয়ান প্রিমিয়াম হিসেবে অতিরিক্ত অর্থ নেয়। ফলে এশিয়ান প্রিমিয়াম খাতে বছরে অতিরিক্ত ৫০০ থেকে ১০০০ কোটি ডলার খরচ করতে হয়। এই চার দেশ বিশ্বের মোট তেল বিক্রির এক-তৃতীয়াংশ কিনে থাকে। এর আগে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএর সরকারের আমলে তেলমন্ত্রী বীরাপ্পা মইলিও একই ধরনের উদ্যোগ নিলেও তা সফল হয়নি। সম্প্রতি নয়াদিল্লীতে ১৬তম ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি ফোরামের মন্ত্রী পর্যায়ের যে বৈঠক হয়, সেই বৈঠকের ফাঁকে ভারতের তেল মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং চীনা প্রতিনিধিরা পশ্চিম এশিয়ার অপরিশোধিত তেল উৎপাদনকারীদের কাছ থেকে তেল কেনার ব্যাপারে দুই দেশের ক্রয়ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে দর কষাকষির আলোচনাও করেন।
বিস্তারিত   
অন্যান্য দেশ
যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলন দৈনিক গড়ে ছয় লাখ ব্যারেল বেড়েছে। এ খাতে ২০১৭ সালজুড়ে প্রবৃদ্ধি ছিলো যা চলতি বছরের শুরুতেও অব্যাহত আছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশটিতে জ্বালানি পণ্যটির দৈনিক গড় উত্তোলন আগের মাসের তুলনায় ছয় লাখ ব্যারেল বেড়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ইআইএ) প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে ১৯৭০ সালে দেশটিতে জ্বালানি তেলের দৈনিক গড় উত্তোলন রেকর্ড ছুঁয়েছিল। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় কূপগুলো থেকে প্রতিদিন গড়ে ৯৬ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলন হয়েছিল। সে হিসাবে, পাথুরে ভূমি থেকে উত্তোলন করা শেল খাতের ওপর ভর করে ২০১৭ সালে দেশটিতে জ্বালানি পণ্যটির উত্তোলন ১৯৭০ সালের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছে ইআইএ। সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দৈনিক গড় উত্তোলনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৯ লাখ ৬৪ হাজার ব্যারেলে। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে দেশটিতে প্রতিদিন গড়ে ৯৯ লাখ ৫৮ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলন হয়েছিল। সে হিসাবে, এক মাসের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় কূপগুলো থেকে জ্বালানি পণ্যটির দৈনিক গড় উত্তোলন বেড়েছে ছয় লাখ ব্যারেল। গত বছরের নভেম্বরে দেশটিতে প্রতিদিন গড়ে ৯৩ লাখ ১৮ হাজার ব্যারেল জ্বালানি তেল উত্তোলন হয়েছিল। অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলনকারী দেশগুলোর তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান বিশ্বে তৃতীয়। গত জানুয়ারিতে প্রকাশিত ইআইএর শর্ট-টার্ম এনার্জি আউটলুকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে দেশটিতে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলনের দৈনিক গড় পরিমাণ ১ কোটি ব্যারেলের সামান্য নিচে ছিল। চলতি বছর এর পরিমাণ বেড়ে ১ কোটি ২ লাখ ২৭ হাজার ব্যারেলে দাঁড়াতে পারে। প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের গড় উত্তোলন ১ কোটি ৮ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল ছাড়িয়ে যেতে পারে। সূত্র:  রয়টার্স।  
বিস্তারিত   
    এনার্জি ওয়ার্ল্ড এর সব খবর
    পরিবেশ
 
যদি দক্ষিণ-পূর্বএশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান এবং তাইওয়ানে ২০৩০ সাল পর্যন্ত নতুন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ না করা হয় তবে বছরে প্রায় ৫০ হাজার প্রাণ বেঁচে যাবে। সম্প্রতি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক ও গ্রিনপিস ইন্টারন্যাশনালের এক গবেষণায় এ তথ্য জানা গেছে। গত শুক্রবার এক বিবৃতিতে সারসংক্ষেপ আকারে তা তুলে ধরেছে গ্রিনপিস। বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমানে পরিকল্পনাধীন অথবা নির্মাণাধীন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো যদি কার্যক্রম শুরু করে, তবে প্রতিবছর কয়লা থেকে সৃষ্ট দূষণে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করবে। যেখানে বর্তমানে এ কারণে বার্ষিক মৃত্যুর সংখ্যা ২০ হাজার। আর মৃতদের সিংহভাগই হবেন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাসিন্দা। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাটমসফেরিক সায়েন্সেস মডেলিং গ্রুপের একদল গবেষক, হার্ভার্ড স্কুল অব পাবলিক হেলথ ও গ্রিনপিস এ অঞ্চলের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বর্তমানে নির্গত কার্বন মাত্রার বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে। সংগৃহীত তথ্য যাচাই-বাছাই করে পরিচালিত হয় গবেষণা কার্যক্রম। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও তাইওয়ানে কয়লা নির্গমনে সৃষ্ট দূষণের মাত্রা নির্ণয়ে একটি বায়ুমণ্ডলীয় মডেল ব্যবহৃত হয়েছে বলে জানায় গ্রিনপিস। বর্তমানে এই অঞ্চলের বিদ্যুৎ চাহিদার অধিকাংশই জীবাশ্ম জ্বালানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। ২০৩৫ সালে এ অঞ্চলের বিদ্যুৎ চাহিদা ২০১১ সালের তুলনায় ৮৩ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে, যা বৈশ্বিক গড় চাহিদার দ্বিগুণের বেশি। গ্রিনপিসের পূর্ব এশিয়া শাখার সিনিয়র গ্লোবাল কোল ক্যাম্পেইনার লরি মুল্লুভিরতা জানান, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় বিদ্যুত্ উৎপাদনকেন্দ্রে কার্বন নির্গমনের মান অত্যন্ত নিম্নমানের। এ কারণেই এ অঞ্চলে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রের সম্প্রসারণ পরিকল্পনা উদ্বেগের সৃষ্টি করছে। তিনি বলেন, এখনো জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি নীতি পরিবর্তনের মাধ্যমে কয়েক হাজার নাগরিকের জীবন রক্ষার সুযোগ রয়েছে এসব দেশের সরকারগুলোর হাতে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিদ্যুৎ চাহিদা বৃদ্ধির ফলে কয়লানির্ভরতার সহজাত ঝুঁকি বৃদ্ধির  বিষয়ে গবেষণায়ও আলোকপাত করা হয়েছে। এছাড়া পরিকল্পিত কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, কোরিয়া ও জাপানের কার্বন নির্গমনের মাত্রা তিন গুণ বৃদ্ধি পাবে। গ্রিনপিসের জানায়, যা যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামের মিলিত দূষণকেও ছাড়িয়ে যাবে। সূত্র: ব্লুমবার্গ।
বিস্তারিত   
    পরিবেশ এর সব খবর
    জরিপ
    গুরুত্বপূর্ণ নথি
Electricity Act-2018.pdf
   আরও নথি
মতামত
    সব মতামত
বিজনেস
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ  প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এর সাথে জাপানের রাষ্ট্রদূত হিরোয়াসু ইঝোমি  রোববার সচিবালয়ে তাঁর অফিস কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় তারা পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ে আলোচনা করেন এবং পাশাপাশি  বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আরো বিনিয়োগের আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়। প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে জাইকা’র অর্থায়নে ৫টি প্রকল্প এবং বিদ্যুৎ বিভাগে ১১টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন। এসব প্রকল্প নির্ধারিত সময়েই সম্পন্ন করার জন্য তাঁর সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি এ খাতের উন্নয়নে আরো বিনিয়োগের অনুরোধ করেন । রাষ্ট্রদূত বলেন, বন্ধুত্বপূর্ণ  দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে দৃশ্যমান কাজ গুলো এগিয়ে নিতে হবে। জাপানীজ কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশীপে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করছে। আগামী বছর থেকেই বাস্তবিক প্রয়োগ দেখা যাবে। এ সময় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত, নতুন বিনিয়োগ, কাফকো, ইত্যাদি বিষয় আলোচনা করা হয়।  আলোচনাকালে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব নাজিমউদ্দিন চৌধুরী ও জাপানী দূতাবাসের কাউন্সিলর ইয়াসুহারু শিনতু উপস্থিত ছিলেন।   
বিস্তারিত   
    বিজনেস এর সব খবর
অন্যান্য
কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী বাংলাদেশ লিমিটেড (সিপিজিসিবিএল) এর নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া সম্প্রতি যোগদান করেছেন। এর আগে তিনি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী (প্রাইভেট জেনারেশন)হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পূর্ববর্তী ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আবুল কাশেম এর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ওই পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেয় সরকার। সিপিজিসিবিএল  সরকারের একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী, যা কোম্পানী আইন এর অধীনে ২০১১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর  নিবন্ধনভূক্ত হয়। কোম্পানীর প্রধান উদ্দেশ্য হল কয়লাকে প্রধান জ্বালানী হিসাবে ব্যববহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা।    
বিস্তারিত   
    অন্যান্য সব খবর
    সম্পর্কীয় প্রতিষ্ঠানের লিংক
Ministry of Science and Technology
Ministry of Power, Energy and Mineral Resources (Energy Division)
Ministry of Power, Energy and Mineral Resources (Power Division)
Bangladesh Energy Regulatory Commission (BERC)
   আরও সম্পর্কীয় প্রতিষ্ঠান
    অন্য গুরুত্বপূর্ণ লিংক
International Renewable Energy Agency
International Energy Agency
Daily Gas Production Report
Daily Electricity Generation Report
   আরও লিংক
    FOLLOW US ON FACEBOOK
ফটো গ্যালারি
    সব ফটো
ভিডিও
    সব ভিডিও
    সাম্প্রতিক খবর   সর্বাধিক পঠিত
   সম্পাদক এর নির্বাচিত

Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy