ঢাকা, মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৩, ২০১৮, কার্তিক ২৯, ১৪২৫ ১০:৪৮ এএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
শীর্ষ খবর
অন্য শীর্ষ খবর
    সব খবর
সাক্ষাৎকার
    সব সাক্ষাৎকার
টেন্ডার নোটিশ চাকরি ও বিজ্ঞাপন
    এনার্জি বিডি
বিদ্যুৎ
বিদ্যুতের গ্রাহকদের উন্নত সেবা দিতে দেশেই বছরে পাঁচ লাখ স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটার উৎপাদনের লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ স্মার্ট ইলেকট্রিক্যাল কোম্পানী লিমিটেড। রোববার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড ও চায়নার হেক্সিং ইলেকট্রিক্যাল কোম্পানী লিমিটেড একটি জয়েন্ট ভেঞ্চার চুক্তি সইয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্মার্ট ইলেকট্রিক্যাল কোম্পানী লিমিটেড গঠন করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রথম স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানী। ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে নতুন এই কোম্পানী মিটার উৎপাদন শুরু করবে। সরকার আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে দুই কোটির মতো প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে। ওয়েস্ট জোন কোম্পানীর সচিব আব্দুল মোতালেব এবং হেক্সিং ইলেকট্রিক্যাল কোম্পানীর চেয়ারম্যান ঝু লিয়াং ঝাং ওই চুক্তিতে সই করেন। চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন ওয়েস্ট জোন কোম্পানী ও হেক্সিং ইলেকট্রিক্যাল কোম্পানীর যৌথ উদ্যোগে গঠিত নতুন কোম্পানীর অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ২৮ দশমিক ছয় কোটি টাকা। নবগঠিত কোম্পানীতে ওয়েস্ট জোনের ৫১ শতাংশ এবং চীনের কোম্পানীর ৪৯ শতাংশ মালিকানা থাকবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, গুনগতমান সম্পন্ন সেবা দিতে বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থাগুলোর আরো আধুনিকায়ন হতে হবে। তিনি বলেন, ওয়েস্ট জোন কোম্পানী প্রি-পেমেন্ট মিটার তৈরিতে এগিয়ে এসেছে অন্য বিতরণ কোম্পানীরও এগিয়ে আসা উচিত। যেহেতু সরকারীভাবে কোম্পানী গঠন করা হয়েছে তাই শেয়ার বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করা কোন সমস্যা হবে না। তিনি আরো বলেন, বিদ্যুৎ খাতে গ্রাহক সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার প্রতিটি গ্রাহককে প্রি-পেমেন্ট মিটারের আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ফলে প্রচুর স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটারের চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশে নিজস্ব প্রি-পেমেন্ট মিটার উৎপাদনের ব্যবস্থা না থাকায় এখন পর্যন্ত  প্রি-পেমেন্ট  মিটার  আমদানি  করা  হচ্ছে। এই   চাহিদা  মেটাতে  বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে  খুলনায় প্রি-পেমেন্ট মিটার ম্যানুফ্যাকচারিং প্লান্ট নির্মাণ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানীর চেয়ারম্যান ও বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোসাঃ মাকসুদা খাতুন বলেন, বর্তমানে বাজারে যে দামে মিটার বিক্রি হচ্ছে তার চেয়ে কম দামে স্মার্ট প্রি-পেইড মিটার সরবরাহ করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, বাজারে এখন একটি সিঙ্গেল ফেজ প্রি-পেমেন্ট মিটারের দাম ৪৫০০ টাকার মতো সেখানে নতুন কোম্পানীর উৎপাদিত মিটারের দাম পড়বে ৩৭০০ টাকা। ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ শফিক উদ্দিন বলেন, বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধ পরিকর। সেই লক্ষ্যে বিদ্যুৎ খাতে গ্রাহক সেবার মান উন্নয়নের জন্য এটি একটি বিশেষ উদ্যোগ। তিনি আরো বলেন, নতুন গঠিত এই কোম্পানীর তৈরি মিটার দেশের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি প্রতিবেশি দেশসহ অন্যান্য দেশে রপ্তানী করা হবে। উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে প্রতিনিয়ত মিটারের মান উন্নয়ন এবং নিজ দেশে উৎপাদনের মাধ্যমে অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে গ্রাহককে সরবরাহ করা হবে। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ  কায়কাউস, হেক্সিং ইলেকট্রিক্যাল কোম্পানীর চেয়ারম্যান ঝু লিয়াং ঝাং এবং বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ বক্তব্য দেন।    
বিস্তারিত   
কয়লা
প্রায় তিন মাস বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে আবার পরীক্ষামূলকভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়েছে। খনির ১৩১৪ নম্বর ফেইস এ শুক্রবার রাত থেকে পরীক্ষামূলকভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু হয় বলে জানিয়েছেন বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানী লিমিটেডের এক কর্মকর্তা। তিনি বলেন, আপাতত দৈনিক এক হাজার থেকে দেড় হাজার টন উত্তোলন করা সম্ভব হবে। তবে এটি  পর্যায়ক্রমে বাড়তে থাকবে। আশাকরছি আগামী ১০ দিনের মধ্যে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হবে। গত ১৬ জুন খনির ১২১০ নম্বর ফেইসে কয়লার মজুদ শেষ হওয়ায় উত্তোলন বন্ধ হয়ে যায়। উত্তোলিত কয়লার মজুদও শেষ হওয়ায় বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার তিনটি ইউনিটে ২২ জুলাই থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এদিকে, কয়লার অভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিট দ্রুত চালু করতে কয়লা সরবরাহের জন্য জোর তৎপরতা চলছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা। উত্তোলিত কয়লার মজুদ শেষ হলেও উৎপাদন শুরু না হওয়ায় গোপনে কয়লা বিক্রির অভিযোগও ওঠে। পরে ঘটনা তদন্তে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন।
বিস্তারিত   
নিউক্লিয়ার
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের মূল এবং সহযোগী স্থাপনাগুলোর ফিজিক্যাল সুরক্ষা ব্যবস্থার নকশা তৈরি ও বাস্তবায়নে রাশিয়ার বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানগুলোকে যুক্ত করতে পারবে বাংলাদেশ। গত ১৭ সেপ্টেম্বর ভিয়েনায় এ সংক্রান্ত একটি প্রোটোকল সই হয়। বাংলাদেশে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণে বাংলাদেশ ও রুশ সরকারের মধ্যে ২০১১ সালের ২ নভেম্বর স্বাক্ষরিত অংশীদারিত্ব চুক্তিটিতে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হচ্ছে এই প্রোটোকলটির মাধ্যমে। বাংলাদেশ সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান এবং রাশিয়ার রোসাটম রাস্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশনের মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচোভ ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি এজেন্সির (আইএইএ) ৬২তম সাধারণ সম্মেলন চলাকালীন প্রোটোকলটিতে সই করেন বলে রোসাটমের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। আইএইএ এর চাহিদা ও গাইডলাইন অনুসরণ করে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণ সাইটের প্রয়োজনীয় ফিজিক্যাল সুরক্ষা ব্যবস্থার নকশা প্রনয়ন ও বাস্তবায়নের কথাও উল্লেখ রয়েছে প্রোটোকলটিতে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে প্রতিটি ১,২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুইটি ইউনিট থাকবে। আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বায়েরা) কঠোর মনিটরিং প্রক্রিয়ায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে রোসাটমের প্রকৌশল শাখা এটমস্ট্রয়এক্সপোর্ট (এএসই)।
বিস্তারিত   
গ্যাস
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির ক্ষেত্রে সব ধরণের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করে নিয়েছে সরকার। গত ৩০ সেপ্টেম্বর অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে এই প্রজ্ঞাপন কার্যকর হয়েছে। এই প্রজ্ঞাপন জারির ফলে এলএনজি আমদানির ব্যয় কমে আসবে বলে পেট্রোবাংলার একজন কর্মকর্তা জানান। এছাড়া সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহারের ব্যাপারে আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে আরেকটি প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। তবে আপাতত ভ্যাট এবং অগ্রিম আয়কর (এআইটি) প্রত্যাহার হচ্ছে না। ওই প্রজ্ঞাপনটি জারি হলেই বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশন (বিইআরসি) চলতি সপ্তাহেই গ্যাসের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিতে পারে। উচ্চ মূল্যে এলএনজি আমদানির জন্য গৃহস্থালি ও বাণিজ্যিক বাদে অন্যান্য খাতে এবার গ্যাসের দাম বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বিইআরসির একজন সদস্য।          
বিস্তারিত   
পেট্রোলিয়াম
ডিজেল আমদানির জন্য ভারতের শিলিগুড়ি থেকে বাংলাদেশের  পার্বতীপুর পর্যন্ত ১৩০ কিলোমিটার বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার বিকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকায় গণভবন থেকে এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দিল্লী থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন বলে সংবাদ সংস্থা বাসস জানায়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ পাইপলাইন নির্মাণ উভয় দেশের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার ইতিহাসে আরেকটি মাইলফলক। তিনি বলেন, এটি হবে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রথম পাইপলাইন যা দিয়ে ভারতের শিলিগুড়িতে অবস্থিত নুমালীগড় তেল শোধনাগার হতে বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর ডিপোতে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হবে। শেখ হাসিনা বলেন, প্রাথমিকভাবে বছরে আড়াই লাখ মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহ করা হবে এবং তা পর্যায়ক্রমে ৪ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হবে। এই পাইপলাইনের ১২৫ কিলোমিটার পড়েছে বাংলাদেশে, আর ভারতের অংশে পড়েছে বাকি ৫ কিলোমিটার। ২২ ইঞ্চি ব্যাসের এই পাইপলাইন দিয়ে বছরে ১০ লাখ মেট্রিক টন তেল সরবরাহ করা যাবে। ৫২০ কোটি টাকার এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ভারতের গ্রান্ড এইড প্রোগ্রামের আওতায় পাওয়া যাবে ৩০৩ কোটি রুপি। আর বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ১৫০ কোটি টাকার যোগান দেবে। ২০১৬ সালের মার্চ মাসে ভারত থেকে রেল ওয়াগনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি শুরু করেছিল বাংলাদেশ। পাইপ লাইন হয়ে গেলে তেল আমদানিতে পরিবহন খরচ ও সময় দুটোই বাঁচবে। বিপিসি কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে বিদেশ থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিতে প্রতি ব্যারেলে পরিবহন খরচ হয় ৩ ডলারের মত। সেই তেল চট্টগ্রামে শোধন করে সড়কপথে পাঠানো হয় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। চট্টগ্রাম থেকে সড়ক পথে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় তেল পরিবহনে খরচ হয় ব্যারেলপ্রতি ৪ থেকে ৫ ডলার। ফলে পরিবহন ব্যয় দাঁড়ায় সব মিলিয়ে ৭ থেকে ৮ ডলার।  আর ভারত থেকে পাইপলাইনে পরিশোধিত তেল এনে দেশের উত্তরাঞ্চলে সরবরাহ করতে পরিবহন ব্যয় হবে সাড়ে ৫ ডলারের মত।  ২০১৫ সালে দুই দেশের মধ্যে এই পাইপলাইন নির্মাণের আলোচনা শুরুর পর একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। গত বছরের অগাস্টে দুই দেশের সরকার প্রকল্পটি অনুমোদন করলে নির্মাণ কাজ শুরুর প্রস্তুতি শুরু হয়। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী সুষমা স্বরাজ, বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক, ভারতের পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাস বিষয়ক মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, ঢাকায় ভারতের হাই কমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন।
বিস্তারিত   
এলপিজি
যানবাহনের জ্বালানি হিসেবে এলপিজির ব্যবহার বাড়াতে আরো একটি এলপিজি অটোগ্যাস ফিলিং স্টেশন চালু হয়েছে। রোববার ঢাকার মতিঝিলে ডিএস-এলপিজি অটোগ্যাস ফিলিং স্টেশনের উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও ডিএস বিজনেস পয়েন্ট যৌথভাবে অটোবিলিং সিষ্টেমসহ এ স্টেশনটি নির্মাণ করেছে। বর্তমানে ঢাকায় ৪টি অটোগ্যাস ফিলিং স্টেশন রয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী দিনে চলাচলের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হবে ইলেকট্রনিক যানবাহন। ইলেকট্রনিক চার্জিং স্টেশন করার উদ্যোগ অব্যাহত হয়েছে। ইলেকট্রনিক যানবাহন দিনে দিনে জনপ্রিয়ও হবে। তবে সিএনজি, পেট্রোল ও অকটেনের পাশাপাশি অটোগ্যাস (এলপিজি) জ্বালানি হিসেবে থাকবে বলে জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, সরকারি উদ্যোগে ও জনগণের সচেতনতায় জ্বালানি তেলে ভেজাল রোধ করা হয়েছে। প্রতিটি ফিলিং ষ্টেশনে আধুনিক অথচ ছোট শপিং সেন্টার ও টয়লেট ব্যবস্থা থাকা উচিত। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মীর সাইফুল্লাহ-আল- খালেদ, মেঘনা কোম্পানীর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ইস্তাক আহমেদ শিমুল বক্তব্য দেন।  
বিস্তারিত   
    এনার্জি বিডি এর সব খবর
    গ্রীণ এনার্জি
নবায়নযোগ্য
বেসরকারী খাতে সিলেটের গোয়াইনঘাটে নির্মিতব্য পাঁচ মেগাওয়াটের একটি সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কিনতে জাপান ও বাংলাদেশভিত্তিক জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানীর সাথে চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। বৃহস্পতিবার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে বিপিডিবি সচিব মিনা মাসুদ উজ্জামান এবং জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানী ইকি সোজি কোম্পানি জাপান ও সান সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট লিমিটেড বাংলাদেশ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলাউদ্দিন মৃধা ওই বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিতে সই করেন। একই সাথে ওই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইমপ্লিমেন্টেশন এগ্রিমেন্টে (আইএ) বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষে যুগ্ম সচিব (উন্নয়ন) শেখ ফয়েজুল আমীন এবং জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানীর পক্ষে মো. আলাউদ্দিন মৃধা সই করেন। উক্ত জয়েন্ট ভেঞ্চারে ইকি সোজি কোম্পানি জাপান এর শেয়ার হলো ৯৫ দশমিক এক শতাংশ  এবং সান সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট লিমিটেড বাংলাদেশ শেয়ার চার দশমিক নয় শতাংশ। বিপিডিবি আগামী ২০ বছর পর্যন্ত নো ইলেকট্রিসিটি, নো পেমেন্ট ভিত্তিতে ১৩.৯০ সেন্ট দরে প্রতি ইউনিট  বিদ্যুৎ ক্রয় করবে। আগামী ১২ মাসের মধ্যে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। নির্মাণ শেষে কেন্দ্র থেকে চার কিলোমিটার দূরে সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর ৩৩/১১ কেভি সাব-স্টেশনে ৩৩ কেভি ভোল্টেজে বিদ্যুৎ সঞ্চালন করা হবে। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, বিপিডিবি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ, ইকি সোজি কোম্পানি জাপান এর প্রেসিডেন্ট ইয়াসুশি ফুজি উপস্থিত ছিলেন।
বিস্তারিত   
দক্ষতা ও সংরক্ষণ
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় অভ্যাস পরিবার থেকেই শুরু করা উচিত বলে মনে করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। মঙ্গলবার ঢাকায় আজিমপুর গভর্নমেন্ট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ এ শেখ হাসিনার উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ ব্র্যান্ডিং কর্মসূচি ও বিদ্যুৎ খাতে উদ্ভাবনী উদ্যোগ কার্যক্রম নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয় শুধু আর্থিক সাশ্রয়ই না, এটা কার্বন নিঃসরণ হ্রাস করে পরিবেশ বান্ধব দেশ গড়তেও সহায়তা করে। সচেতনতাই পারে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় কার্যক্রম ফলপ্রসু করতে এবং এ কার্যক্রমের সাথে ছাত্র-ছাত্রী, তরুণ সামজ ও সংশ্লিষ্ট জন প্রতিনিধিদেরকে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। তিনি আরো বলেন, আমাদের উন্নয়ন আমাদেরকেই করতে হবে। যার যার অবস্থান থেকে ইতিবাচক নেতৃত্ব দিতে পারলে এই উন্নয়ন আরো দ্রুত হবে। ২০০৯ সালে ২৭টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে যাত্রা করে বর্তমানে হয়েছে ১১২ টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মাধ্যমে  বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা হয়েছে ১৬০৪৬ মেগাওয়াট। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ সুবিধাপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠী ৯০% এবং মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদন ৪৩৩ কিলোওয়াট-ঘন্টা। একক জ্বালানি থেকে স্থানান্তর হয়ে মিশ্র জ্বালানির মাধ্যমে ২০৪১ সালে ৬০,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা সময়ের সাথে সাথে এগুচ্ছে। এ বিশাল কর্মযজ্ঞে প্রয়োজন দক্ষ জনসংখ্যা ও নিবেদিতপ্রাণ কর্মকর্তা-কর্মচারি। আমাদের তরুণদেরকেও লক্ষ্য স্থির করে নিজের এবং দেশের উন্নয়নে কাজ করতে হবে। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্যালেন্ডার ও রুটিন কার্ড বিতরণ করা হয়।  ঢাকার জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে স্রেডা’র সদস্য সিদ্দিক জোবায়ের ও বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মাকসুদা বেগম বক্তব্য দেন।
বিস্তারিত   
প্রযুক্তি
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আগামীর অর্থনৈতিক উন্নতি এবং জলবায়ু নীতি গ্রহণ ও বাস্তবায়নে উচ্চ দক্ষতার এবং কম কার্বন ডাইঅক্সাইড নি:সরণ ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রযুক্তি (এইচইএলই) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এইচইএলই কয়লা প্রযুক্তি এই অঞ্চলের ৬০ কোটি মানুষের কাছে নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী মূল্যের বিদ্যুৎ পৌঁছে দেবে এবং অবিশ্বাস্যভাবে কার্বন নি:সরণও কমবে। আসিয়ান সেন্টার ফর এনার্জি এবং ওয়ার্ল্ড কোল অ্যাসোসিয়েশনের (ডব্লিউসিএ) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। আসিয়ান দেশগুলোর জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানি, টেকসই উন্নয়নের খরচ ও লাভের বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩৫ সাল নাগাদ আসিয়ান দেশগুলো তাদের কয়লাভিত্তিক উৎপাদন সক্ষমতাকে আধুনিকায়ন করবে। এর মাধ্যমে এ অঞ্চলে সামগ্রিকভাবে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন টন কার্বন নি:সরণ কমবে। এটি যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্বন দূষনের সমপরিমান। অক্সফোর্ড ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি স্টাডিজ’র এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, ২০২৫ সাল নাগাদ দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার কয়লা ব্যবহার সক্ষমতা ১৪৮ গিগাওয়াটে দাঁড়াবে। এটি ২০১৫ সালের চেয়ে ১৩৯ শতাংশ বেশী। ২০২৫ সালের মধ্যে গ্যাসের বদলে কয়লা এই অঞ্চলের এক নম্বর উৎস হিসেবে জ্বালানির স্থান দখল করবে। বিশ্বে অন্যতম দ্রুতবর্ধনশীল অর্থনীতির অঞ্চল আসিয়ান। প্রতিবছর ৬ শতাংশের বেশী অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পূর্বাভাস এ অঞ্চলের। গত ২০ বছরে কোটি মানুষের দারিদ্র্য দূর হয়েছে এবং বিদ্যুৎহীন জনসংখ্যার পরিমাণ অর্ধেকে দাঁড়িয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি ভবিষ্যদ্বানী, ২০৪০ সাল নাগাদ আসিয়ান অঞ্চলের জ্বালানি চাহিদা ৮০ শতাংশ বাড়বে। এক্ষেত্রে কম কার্বন নি:সরণের কয়লা বেশি পছন্দ। এ সময়ে বিদ্যুতের ৫০ শতাংশ উৎপাদিত হবে কয়লা থেকে। ২০২০ থেকে ২০৩৫ পর্যন্ত সব ধরণের কয়লাই আসিয়ান দেশগুলোর জন্য সবচেয়ে কম খরচের বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপায়। এমনকি আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লা উৎপাদনও সব ধরণের নবায়নযোগ্য এবং গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের চেয়ে সাশ্রয়ী। কার্বন নি:সরণ কমানো, অর্থনৈতিক প্রাধিকার বাস্তবায়ন, সাশ্রয়ী এবং নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনে এইচইএলই আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে। সূত্র: ওয়ার্ল্ড কোল ডটকম
বিস্তারিত   
    গ্রীণ এনার্জি এর সব খবর
    এনার্জি ওয়ার্ল্ড
আঞ্চলিক
বিশ্ব বাজার থেকে কম মূল্যে জ্বালানি তেল কিনতে এশিয়ার চারটি দেশ নিয়ে একটি ক্রেতা জোট গঠন করতে আগ্রহী ভারত সরকার। এই জোট গঠিত হলে বিশ্ব বাজার থেকে দরকষাকষি করে কম দামে তেল কিনতে পারবে চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভারত। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। গত বৃহস্পতিবার ভারতের কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, এশিয়ার এই চার বৃহৎ তেল ক্রেতা দেশ যদি ক্রেতা জোট গঠন করতে পারে, তবে কম দামে তেল কিনতে পারবে। মন্ত্রী বলেন, তেল উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারক দেশগুলো যদি ওপেক (অর্গানাইজেশন অব দ্য পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজ) গঠন করতে পারে তবে কেন ক্রেতা জোট হবে না। বিশ্বে এখন চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পর ভারত তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক দেশ। এরপর রয়েছে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। উল্লেখ্য, ওপেকভুক্ত দেশগুলো এশিয়ার দেশগুলোকে তেল বিক্রি করে এশিয়ান প্রিমিয়াম হিসেবে অতিরিক্ত অর্থ নেয়। ফলে এশিয়ান প্রিমিয়াম খাতে বছরে অতিরিক্ত ৫০০ থেকে ১০০০ কোটি ডলার খরচ করতে হয়। এই চার দেশ বিশ্বের মোট তেল বিক্রির এক-তৃতীয়াংশ কিনে থাকে। এর আগে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএর সরকারের আমলে তেলমন্ত্রী বীরাপ্পা মইলিও একই ধরনের উদ্যোগ নিলেও তা সফল হয়নি। সম্প্রতি নয়াদিল্লীতে ১৬তম ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি ফোরামের মন্ত্রী পর্যায়ের যে বৈঠক হয়, সেই বৈঠকের ফাঁকে ভারতের তেল মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং চীনা প্রতিনিধিরা পশ্চিম এশিয়ার অপরিশোধিত তেল উৎপাদনকারীদের কাছ থেকে তেল কেনার ব্যাপারে দুই দেশের ক্রয়ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে দর কষাকষির আলোচনাও করেন।
বিস্তারিত   
অন্যান্য দেশ
যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলন দৈনিক গড়ে ছয় লাখ ব্যারেল বেড়েছে। এ খাতে ২০১৭ সালজুড়ে প্রবৃদ্ধি ছিলো যা চলতি বছরের শুরুতেও অব্যাহত আছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশটিতে জ্বালানি পণ্যটির দৈনিক গড় উত্তোলন আগের মাসের তুলনায় ছয় লাখ ব্যারেল বেড়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ইআইএ) প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে ১৯৭০ সালে দেশটিতে জ্বালানি তেলের দৈনিক গড় উত্তোলন রেকর্ড ছুঁয়েছিল। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় কূপগুলো থেকে প্রতিদিন গড়ে ৯৬ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলন হয়েছিল। সে হিসাবে, পাথুরে ভূমি থেকে উত্তোলন করা শেল খাতের ওপর ভর করে ২০১৭ সালে দেশটিতে জ্বালানি পণ্যটির উত্তোলন ১৯৭০ সালের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছে ইআইএ। সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দৈনিক গড় উত্তোলনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৯ লাখ ৬৪ হাজার ব্যারেলে। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে দেশটিতে প্রতিদিন গড়ে ৯৯ লাখ ৫৮ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলন হয়েছিল। সে হিসাবে, এক মাসের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় কূপগুলো থেকে জ্বালানি পণ্যটির দৈনিক গড় উত্তোলন বেড়েছে ছয় লাখ ব্যারেল। গত বছরের নভেম্বরে দেশটিতে প্রতিদিন গড়ে ৯৩ লাখ ১৮ হাজার ব্যারেল জ্বালানি তেল উত্তোলন হয়েছিল। অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলনকারী দেশগুলোর তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান বিশ্বে তৃতীয়। গত জানুয়ারিতে প্রকাশিত ইআইএর শর্ট-টার্ম এনার্জি আউটলুকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে দেশটিতে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলনের দৈনিক গড় পরিমাণ ১ কোটি ব্যারেলের সামান্য নিচে ছিল। চলতি বছর এর পরিমাণ বেড়ে ১ কোটি ২ লাখ ২৭ হাজার ব্যারেলে দাঁড়াতে পারে। প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের গড় উত্তোলন ১ কোটি ৮ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল ছাড়িয়ে যেতে পারে। সূত্র:  রয়টার্স।  
বিস্তারিত   
    এনার্জি ওয়ার্ল্ড এর সব খবর
    পরিবেশ
 
যদি দক্ষিণ-পূর্বএশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান এবং তাইওয়ানে ২০৩০ সাল পর্যন্ত নতুন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ না করা হয় তবে বছরে প্রায় ৫০ হাজার প্রাণ বেঁচে যাবে। সম্প্রতি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক ও গ্রিনপিস ইন্টারন্যাশনালের এক গবেষণায় এ তথ্য জানা গেছে। গত শুক্রবার এক বিবৃতিতে সারসংক্ষেপ আকারে তা তুলে ধরেছে গ্রিনপিস। বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমানে পরিকল্পনাধীন অথবা নির্মাণাধীন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো যদি কার্যক্রম শুরু করে, তবে প্রতিবছর কয়লা থেকে সৃষ্ট দূষণে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করবে। যেখানে বর্তমানে এ কারণে বার্ষিক মৃত্যুর সংখ্যা ২০ হাজার। আর মৃতদের সিংহভাগই হবেন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাসিন্দা। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাটমসফেরিক সায়েন্সেস মডেলিং গ্রুপের একদল গবেষক, হার্ভার্ড স্কুল অব পাবলিক হেলথ ও গ্রিনপিস এ অঞ্চলের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বর্তমানে নির্গত কার্বন মাত্রার বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে। সংগৃহীত তথ্য যাচাই-বাছাই করে পরিচালিত হয় গবেষণা কার্যক্রম। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও তাইওয়ানে কয়লা নির্গমনে সৃষ্ট দূষণের মাত্রা নির্ণয়ে একটি বায়ুমণ্ডলীয় মডেল ব্যবহৃত হয়েছে বলে জানায় গ্রিনপিস। বর্তমানে এই অঞ্চলের বিদ্যুৎ চাহিদার অধিকাংশই জীবাশ্ম জ্বালানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। ২০৩৫ সালে এ অঞ্চলের বিদ্যুৎ চাহিদা ২০১১ সালের তুলনায় ৮৩ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে, যা বৈশ্বিক গড় চাহিদার দ্বিগুণের বেশি। গ্রিনপিসের পূর্ব এশিয়া শাখার সিনিয়র গ্লোবাল কোল ক্যাম্পেইনার লরি মুল্লুভিরতা জানান, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় বিদ্যুত্ উৎপাদনকেন্দ্রে কার্বন নির্গমনের মান অত্যন্ত নিম্নমানের। এ কারণেই এ অঞ্চলে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রের সম্প্রসারণ পরিকল্পনা উদ্বেগের সৃষ্টি করছে। তিনি বলেন, এখনো জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি নীতি পরিবর্তনের মাধ্যমে কয়েক হাজার নাগরিকের জীবন রক্ষার সুযোগ রয়েছে এসব দেশের সরকারগুলোর হাতে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিদ্যুৎ চাহিদা বৃদ্ধির ফলে কয়লানির্ভরতার সহজাত ঝুঁকি বৃদ্ধির  বিষয়ে গবেষণায়ও আলোকপাত করা হয়েছে। এছাড়া পরিকল্পিত কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, কোরিয়া ও জাপানের কার্বন নির্গমনের মাত্রা তিন গুণ বৃদ্ধি পাবে। গ্রিনপিসের জানায়, যা যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামের মিলিত দূষণকেও ছাড়িয়ে যাবে। সূত্র: ব্লুমবার্গ।
বিস্তারিত   
    পরিবেশ এর সব খবর
    জরিপ
    গুরুত্বপূর্ণ নথি
Electricity Act-2018.pdf
   আরও নথি
মতামত
    সব মতামত
বিজনেস
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস এর নেতৃত্বে একটি কনসোর্টিয়াম নারায়নগঞ্জের মেঘনাঘাটে গ্যাস অথবা এলএনজি ভিত্তিক ৬০০ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করবে। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য ইউনিক মেঘনাঘাট পাওয়ার প্লান্ট লিমিটেডকে ২৭২ কোটি টাকা দিতে ইউনিক হোটেলের পরিচালনা পর্ষদ সম্মত হয়েছে বলে রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এর ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ইউনিক হোটেল এ্যান্ড রিসোর্টস, গুয়ামা পিআর হোল্ডিংস বিভি এবং স্ট্র্যাটেজিক ফাইন্যান্স লিমিটেড যৌথভাবে ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণের জন্য গত ২৭ জুন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) থেকে অনুমতি পেয়েছে। বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের তারিখ থেকে ২২ বছর পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারবে বলে বিপিডিবির এক কর্মকর্তা জানান। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে ইউনিক হোটেলের ৬৫.০১ শতাংশ, গুয়ামা পিআর হোল্ডিংস বিভির ৩০ শতাংশ এবং স্ট্র্যাটেজিক ফাইন্যান্সের ৪.৯৯ শতাংশ মালিকানা রয়েছে।
বিস্তারিত   
    বিজনেস এর সব খবর
অন্যান্য
জ্বালানি খাতের উন্নয়নে এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশীপ উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বৃহস্পতিবার ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে রাষ্ট্রীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিআইএফএফএল আয়োজিত তিন দিনব্যাপী গ্রিন পিপিপি কনভেনশন অ্যান্ড এক্সপো-২০১৮ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী মুহিত বলেন, “দেশে এখনো এক কোটি অতি দরিদ্র মানুষ আছে। ধীরে ধীরে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা হ্রাস করেছি। তবে আমি মনে করি, বৈষম্য এখনো কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় কমে আসেনি। ভবিষ্যতে তা কমিয়ে আনার চেষ্টা করবো।” অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৩০ হাজার মেগাওয়াট হবে। বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২০ হাজারেরও বেশি। তিনি আরো বলেন, “২০০৯ সালে বর্তমান সরকার ক্ষমতাগ্রহণের পর প্রথম তিন বছর বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে ক্র্যাশ প্রোগ্রাম নিয়েছিল। আমার ধারণা, সেই ক্র্যাশ প্রোগ্রামই ১০ বছর ধরে সরকারের প্রবৃদ্ধির অর্জনের পথ করে দিয়েছে। বর্তমানে চাহিদার চেয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন বেশি হচ্ছে। এটি আমাদের জন্য অনেক স্বস্তির। একই সঙ্গে দেশের অর্থনীতির জন্যও খুবই স্বস্তির বিষয়।” দেশের জ্বালানি ও অবকাঠামো উন্নয়নে বিআইএফএফএল যেসব প্রকল্প নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে তা সত্যি অনেক প্রশংসার দাবি রাখে বলে জানান তিনি। অনুষ্ঠানে  উপস্থিত ছিলেন  অর্থবিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার, বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব রহমত উল্লাহ মো. দস্তগীর, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এখলাছুর রহমান, বিআইএফএফএলের নির্বাহী পরিচালক এস এম ফরমানুল ইসলাম, জাপানের আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থা জাইকার প্রধান প্রতিনিধি হিতোশি হিরাতা ও বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ফিন্যান্সিয়াল সেক্টর স্পেশালিস্ট এ কে এম আবদুল্লাহ। এ প্রদর্শনীতে জ্বালানী দক্ষ ও জ্বালানী সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব শিল্প-প্রযুক্তি সরবরাহকারীগণ তাদের কাঙ্খিত গ্রাহকদের নব-উদ্ভাবিত প্রযুক্তি বিষয়ে তথ্য উপস্থাপন ও উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক সমাধান প্রদর্শন করার সুযোগ পাবেন। সেই সাথে দেশের জ্বালানী ও প্রযুক্তিখাত বিশেষজ্ঞগণ, উন্নয়ন অংশীদার, ব্যাংকার, নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের সমন্বয়ে তিন দিনব্যাপী তিনটি জাতীয় সেমিনারের মাধ্যমে পিপিপি, জ্বালানী দক্ষ ও জ্বালানী সাশ্রয়ী শিল্প-প্রযুক্তি এবং পরিবেশবান্ধব নির্মাণ সামগ্রী উৎপাদন প্রযুক্তি বিষয়ক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গত বছরের বিআইএফএফএলের মুনাফার ৬৪ কোটি টাকার চেক অর্থমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন এস এম ফরমানুল ইসলাম। তৃতীয়বারের মতো এই আয়োজন ঢাকা চলবে ৪ থেকে ৬ অক্টোবর এবং চট্টগ্রামে ৫ থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত। সবার জন্য উম্মুক্ত এই প্রদর্শনী প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।  
বিস্তারিত   
    অন্যান্য সব খবর
    সম্পর্কীয় প্রতিষ্ঠানের লিংক
Ministry of Science and Technology
Ministry of Power, Energy and Mineral Resources (Energy Division)
Ministry of Power, Energy and Mineral Resources (Power Division)
Bangladesh Energy Regulatory Commission (BERC)
   আরও সম্পর্কীয় প্রতিষ্ঠান
    অন্য গুরুত্বপূর্ণ লিংক
International Renewable Energy Agency
International Energy Agency
Daily Gas Production Report
Daily Electricity Generation Report
   আরও লিংক
    FOLLOW US ON FACEBOOK
ফটো গ্যালারি
    সব ফটো
ভিডিও
    সব ভিডিও
    সাম্প্রতিক খবর   সর্বাধিক পঠিত
   সম্পাদক এর নির্বাচিত

Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy