ঢাকা, সোমবার, জুন ১৮, ২০১৮, আষাঢ় ৪, ১৪২৫ ১১:৩০ পিএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
বিজনেস
‘২০১৮-১৯ অর্থবছরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ২৪ হাজার ৯২১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব’
আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ২৪ হাজার ৯২১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে; যা মোট বাজেটের প্রায় ৬ শতাংশ। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ বরাদ্দ প্রস্তাব করেন। তিনি মোট ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট পেশ করেন সংসদে। প্রস্তাবিত বাজেটের মধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগে ২২ হাজার ৯৩৬ কোটি টাকা এবং  জ্বালানি বিভাগে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা। ২০০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ২১ হাজার ১১৯ কোটি টাকা। যা সংশোধনীতে গিয়ে দাঁড়ায় ২৪ হাজার ২৬১ কোটি টাকা। এ হিসাবে গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় এবার বরাদ্দ বেড়েছে মাত্র ৬৬০ কোটি টাকা। বিদ্যুৎ বিভাগে ৪৩ কোটি এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে ১৬৫ কোটি টাকা পরিচালন এবং বাকিটা উন্নয়ন ব্যয় হিসেবে বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার খাত। গত নয় বছরে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংখ্যা ২৭টি থেকে ১১৮টিতে উন্নীত হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা তিনগুণ বেড়ে বর্তমানে ১৮ হাজার ৩৫৩ মেগাওয়াটে দাঁড়িয়েছে। উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে বর্তমানে ১৫ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতার ৫৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণাধীন রয়েছে। বিদ্যুৎ খাতের এসব প্রকল্প প্রস্তাবিত বাজেটে বিবেচনায় নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের ৯২ শতাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছে এবং ৯০ শতাংশ পরিবার বিদ্যুৎ পাচ্ছে। বক্তৃতায়  তিনি ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রত্যাশার কথা জানান। তিনি আরো বলেন, এ লক্ষ্যে ১৫ হাজার ২০৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৫৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে, ৪ হাজার ৪৪০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ২৩টি বিদ্যুৎকেন্দ্রে নির্মাণের প্রক্রিয়া চলছে এবং ২২ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতার আরও ২০টি বিদ্যুৎকেন্দ্রে স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগের বরাদ্দের মধ্যে সিংহভাগ বরাদ্দ রাখা হয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগের জন্য। বাজেট বক্তৃতায় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়াকে পরিবেশবান্ধব (প্রকৃতপক্ষে দূষণ হ্রাস) করার লক্ষ্যে বনায়নসহ ঠান্ডা পানি সরবরাহ ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের দূষণীয় বর্জ্য নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতায় বিদ্যুৎ আমদানির বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশি দেশ ভারত থেকে বর্তমানে ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করছি। এছাড়া নেপাল, মায়ানমার ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি এবং ভুটানে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রাকৃতিক গ্যাসের সংকট উত্তরণে মহেশখালী তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) টার্মিনাল নির্মাণ এবং পটুয়াখালিতে আরও একটি এলএনজি টার্মিনাল নির্মানের পরিকল্পনার রয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাতের এসব বৃহৎ প্রকল্পের ব্যয়ের বিপরীতে এই বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।      
২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ গড়তে বিদ্যুৎ খাতে প্রয়োজন ৮২ বিলিয়ন ডলার
মে ১৪, ২০১৮ সোমবার ১২:২৮ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বিশাল কর্মযজ্ঞ চলছে তার জন্য বিদ্যুৎ খাতে ৮২.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। গত ১২ মে যুক্তরাষ্ট্রের কেমব্রিজের হার্ভার্ড লয়েব হাউজে ফ্লোরিডার ইন্টারন্যাশনাল সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট (আইএসডিআই), হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলের সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এবং হার্ভার্ড লক্ষ্মী মিত্তাল সাউথ এশিয়া ইনস্টিটিউটের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত “বাংলাদেশ রাইজিং” শীর্ষক সম্মেলনের ‘পাওয়ার ফর হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট’ সেশনে বক্তব্যকালে এ কথা বলেন তিনি। ইতোমধ্যে ২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এই খাতে বিনিয়োগ হয়েছে বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং একাগ্র প্রচেষ্টা বাংলাদেশের উন্নয়নের অন্যতম নিয়ামক। নেতৃত্ব ও সময়োচিত সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের ইতিবাচক অবস্থান সৃষ্টি করেছে বলেও মনে করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা আরো জনবান্ধব করতে অর্থায়ন, প্রযুক্তি গ্রহণ, বিচক্ষণ পরিকল্পনা ও কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধির মতো চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এগুলো যথাযথভাবে মোকাবেলা করতে হচ্ছে। পাওয়ার সিষ্টেম মাস্টার প্ল্যান-২০১৮ তে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ফুয়েল মিক্স হিসেবে গ্যাস ৩৫%, কয়লা ৩৫%, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং আমদানি ১০%, নিউক্লিয়ার ও অন্যান্য ২০% ধরা হয়েছে।  উন্নত বাংলাদেশ গঠনের জন্য চাহিদা হবে ৬০,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। একই সাথে বিতরণ ও সঞ্চালন ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রযুক্তি ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে। দপ্তরসমূহ অটোমেশন করার কাজ এগিয়ে চলছে। ইআরপি ও স্ক্যাডা সিস্টেম প্রচলন করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বেসরকারি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৫০% বিদ্যুৎ বেসরকারি খাত হতে উৎপাদিত হচ্ছে এবং সঞ্চালন ব্যবস্থার কিছু অংশ বেসরকারি খাতে দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পরবর্তী দশকে বিতরণ ব্যবস্থাও বেসরকারি খাতে যাবে। স্মার্ট গ্রীড ও ক্যাশলেস পেমেন্ট বিষয়ক প্রযুক্তি প্রয়োগ এখন সময়ের দাবি। সম্মেলনের অধিবেশনগুলোতে সামষ্টিক অর্থনীতির প্রতিশ্রুতি ও সংস্কার, সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর সম্ভাবনা, বিদ্যুৎ উৎপাদনে গতিশীলতা আনা, বাণিজ্যে নারীর নেতৃত্ব, তথ্য প্রযুক্তির প্রসার নিয়ে আলোচনা করা হয়। সম্মেলনে অন্যান্যের মাঝে বিষয়ভিত্তিক ইস্যু নিয়ে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড.মসিউর রহমান, এসডিজি বিষয়ক মূখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী আমিনুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক জামালুদ্দিন আহমেদ।
ক্যাটাগরি: বিজনেস
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে জার্মানীর বিনিয়োগ আহ্বান
এপ্রিল ২১, ২০১৮ শনিবার ০৯:৪১ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে জার্মানীর কাছে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। গত বুধবার জার্মানীর বার্লিনে তৃতীয় জার্মান-এশিয়া বিজনেস ডায়ালগ এ কথা বলেন তিনি। মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশ জার্মানীসহ ইউরোপের বিপণন হাব হতে পারে। সেভেন সিষ্টারসহ ভারত ও মায়ানমারে এই বিশাল বাজারের হাব হবে বাংলাদেশ। অধিকন্তু সস্তা শ্রম এবং রাজনৈতিক কমিটমেন্ট এই বাজার সম্প্রসারণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।   তিনি মুক্ত বাণিজ্য ও লিবারেল ওয়াল্ড অর্ডার এর  ব্যবসায় আইনের অবদান নিয়ে বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে আলোচনা করেন। এসময় বাংলাদেশের সাথে  জার্মানের ব্যবসার বর্তমান ও সম্ভাবনা তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আগামীতে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করা যাবে। উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ সকল শাখায় উন্নত প্রযুক্তির ব্যাপক চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে। এই ডায়লগ থেকে ফলপ্রসুভাবে এ চাহিদা পূরণ করা যেতে পারে। তিনি আরো বলেন, এখান থেকে একটি প্লাটফরম তৈরী হবে। যা জার্মান ও এশিয়ার কোম্পানিগুলোর মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্ক জোরদার করবে এবং সংসদ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা ও কুটনৈতিক ব্যক্তিদের সাথে সমন্বয় সহজতর করবে।   এর আগে প্রতিমন্ত্রী, জার্মান এমপি মার্ক হফম্যানের এর সাথে দ্বি-পাক্ষিক সভায় বিনিয়োগ, আগামীর জ্বালানি ও টেকসই উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন। তারা উভয় দেশের পারস্পারিক স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য যোগযোগ বাড়ানো উপর গুরুত্ব দেন। এ সময় জার্মানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্টদূত ইমতিয়াজ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।   তৃতীয় জার্মান-এশিয়া বিজনেস ডায়ালগ এ অন্যান্যের মাঝে জার্মানীতে নিযুক্ত সিংগাপুরের রাষ্ট্রদুত লাউরেন্স বে, জার্মানীতে নিযুক্ত তাইওয়ানের প্রতিনিধি প্রফেসর ড. ঝি-উই-সিচ  এবং ডিআইএইচকে এর উপ-প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. ভোলকার ট্রেয়ার বক্তব্য দেন। 
ক্যাটাগরি: বিজনেস
ডরিন পাওয়ারের রেভিনিউ বেড়েছে ৩৫%
এপ্রিল ১৭, ২০১৮ মঙ্গলবার ০৭:১৭ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
চলতি ২০১৭-১৮ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৩৫ শতাংশ রেভিনিউ প্রবৃদ্ধি হয়েছে বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানি ডরিন পাওয়ার জেনারেশন্স অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেড।   পাশাপাশি আগের বছরের তুলনায় এবার পরিচালন ব্যয়ও কমেছে তাদের। ফলে হিসাব বছরের প্রথম নয় মাসে কোম্পানিটির নিট মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৬ শতাংশের বেশি বেড়েছে। ২০১৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধে কোম্পানীটির দুটি সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়। এর মধ্যে ১৭ জুন ঢাকা সাউদার্ন পাওয়ারের আর ১৭ আগস্ট ঢাকা নর্দান পাওয়ারের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়। ফলে ২০১৬-১৭ হিসাব বছরে সাবসিডিয়ারি কোম্পানির উৎপাদন সক্ষমতা পুরোপুরি ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি। তবে চলতি ২০১৭-১৮ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে সাবসিডিয়ারির উৎপাদন সক্ষমতার পুরোটাই সদ্ব্যবহার করা সম্ভব হয়েছে। ফলে আগের বছরের তুলনায় চলতি বছরে কোম্পানি রেভিনিউ ও নিট মুনাফা দুটোই বেড়েছে। এ বছর পরিচালন এবং আর্থিক ব্যয়ও কমেছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সভায় চলতি ২০১৭-১৮ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করে ডরিন পাওয়ারের পর্ষদ। আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে ৪৭৭ কোটি ৬০ লাখ টাকার রেভিনিউ অর্জন করেছে কোম্পানিটি, যেখানে গত বছরের একই সময়ে রেভিনিউ ছিল ৩৫৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে রেভিনিউ প্রবৃদ্ধি ৩৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ।  বর্তমানে ডরিন পাওয়ারের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা, পরিশোধিত মূলধন ১০৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা, রিজার্ভ ২০৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ারের ৭৫ শতাংশই এর উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে, প্রতিষ্ঠান ৯ দশমিক ৬৪ ও বাকি ১৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে। এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে পরিচালন ব্যয় আগের বছরের তুলনায় ৩০ দশমিক ৬১ শতাংশ কমাতে সক্ষম হয়েছে ডরিন পাওয়ার। ফলে প্রথম তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির গ্রস পরিচালন মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ৬০ শতাংশ বেড়ে ১০১ কোটি ৩৭ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। আর্থিক ব্যয়ও কিছুটা কমায় জুলাই-মার্চ সময়ে কোম্পানির নিট পরিচালন মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৫ দশমিক ১২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৬৪ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। পরিচালন-বহির্ভূত আয় যোগ হওয়ায় তিন প্রান্তিকে ডরিন পাওয়ারের নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৬৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৫৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে নিট মুনাফা বেড়েছে ১৬ দশমিক ৬০ শতাংশ। চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬ টাকা ৯ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৫ টাকা ৬৯ পয়সা। ৩১ মার্চ কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ২৫ পয়সায়। উল্লেখ্য, ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৭ হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ডরিন পাওয়ার। তবে উদ্যোক্তা-পরিচালকরা নগদ লভ্যাংশ নেননি। সে হিসাব বছরে প্রতিষ্ঠানটির ইপিএস হয় ৭ টাকা ৫৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬৪ পয়সা। এর আগে ২০১৬ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে ১০ শতাংশ নগদ ও ২০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয় ডরিন পাওয়ার।    
ক্যাটাগরি: বিজনেস
রূপপুর থেকে বিদ্যুৎ সঞ্চালনে ১০,৯৮২ কোটি টাকার প্রকল্পের অনুমোদন
এপ্রিল ১০, ২০১৮ মঙ্গলবার ০৯:০১ পিএম - বাসস
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের জন্য অবকাঠামোর উন্নয়নে ১০ হাজার ৯৮২ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে। মঙ্গলবার একনেক চেয়ারপার্সন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ঢাকায় শেরেবাংলানগরে এনইসি’র চলতি অর্থবছরর ২২তম সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এএইচএম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের ব্রিফকালে বলেন, বৈঠকে ১৫,৬৮৩ দশমিক ২৪ কোটি টাকার মোট ১৬টি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। মোট প্রকল্প ব্যয়ের ৫,৭০৭ দশমিক ৯৭ কোটি সরকারি তহবিল, ১,২৩৫ দশমিক শূন্য ৭ কোটি টাকা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব তহবিল এবং অবশিষ্ট অর্থ প্রকল্প সহায়তা খাত থেকে জোগান দেয়া হবে। পরিকল্পনমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগের পাওয়ার গ্রিড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি) ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ১০,৯৮১ দশমিক ৭৫ কোটি টাকার প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। ২০১৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে বাংলাদেশের পরমাণু শক্তি কমিশন এবং রাশিয়ার রোসাটম এর মধ্যে ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চুক্তি হয়। এ কেন্দ্রের দুই ইউনিটের মধ্যে ১২শ’ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রথম ইউনিটের উৎপাদন ২০২২ সালের অক্টোবর এবং অপর ১২শ’ মেগাওয়াটের ইউনিটের উৎপাদন ২০২৩ সালের মধ্যে শুরু হবে। এই প্রকল্পে সরকর ১,৫২৭ দশমিক ৬৪ কোটি, পিজিসিবি ১,২৩৫ দশমিক ৭৫ কোটি এবং ভারত থেকে ঋণ হিসেবে ৪,২১৯ দশমিক শূন্য ৪ কোটি টাকা দেয়া হবে। বিদ্যুৎ বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, এই বিদ্যুৎ সঞ্চালন অবকাঠামো প্রকল্প তিনটি বিভাগের ১৩ জেলার ৩৭ উপজেলায় বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পে ৬০৯ কিলোমিটার ৪০০ কেভি ডাবল সার্কিট ট্রান্সমিশন লাইন, রূপপুর-বাঘাবাড়ী ডাবল সার্কিট ট্রান্সমিশন লাইন ও প্রায় ১২টি বে-এক্সটেনশন নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ শেষ হলে দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ উৎপাদন সাশ্রয় হবে। এই কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কোনো জটিলতা হবে না। কারণ, রাশিয়া এ দেশ থেকে পারমাণবিক বর্জ্য ফেরত নেবে। বৈঠকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য সিগন্যালিং সিস্টেমসহ রেল লাইন নির্মাণ ও সংস্কারে ৩৩৫ কোটি ৯৭ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় সাপেক্ষে আরেকটি প্রকল্পও অনুমোদন দেওয়া হয়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ২০২০ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্পটি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সার্বিক পরিবহন ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করবে। এ প্রকল্পের আওতায় ঈশ্বরদী বাইপাস থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পর্যন্ত প্রায় ২৬. ৫২ কিলোমিটার রেল যোগাযোগ স্থাপন করা হবে। এতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে নিরাপদ ও দ্রুত মালবাহী রেল সেবা চালু হবে এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের আয় বাড়বে।
ক্যাটাগরি: বিজনেস
‘জাপানের কাছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আরো বিনিয়োগের আহ্বান’
ডিসেম্বর ১৮, ২০১৭ সোমবার ১০:৫৩ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ  প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এর সাথে জাপানের রাষ্ট্রদূত হিরোয়াসু ইঝোমি  রোববার সচিবালয়ে তাঁর অফিস কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় তারা পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ে আলোচনা করেন এবং পাশাপাশি  বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আরো বিনিয়োগের আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়। প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে জাইকা’র অর্থায়নে ৫টি প্রকল্প এবং বিদ্যুৎ বিভাগে ১১টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন। এসব প্রকল্প নির্ধারিত সময়েই সম্পন্ন করার জন্য তাঁর সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি এ খাতের উন্নয়নে আরো বিনিয়োগের অনুরোধ করেন । রাষ্ট্রদূত বলেন, বন্ধুত্বপূর্ণ  দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে দৃশ্যমান কাজ গুলো এগিয়ে নিতে হবে। জাপানীজ কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশীপে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করছে। আগামী বছর থেকেই বাস্তবিক প্রয়োগ দেখা যাবে। এ সময় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত, নতুন বিনিয়োগ, কাফকো, ইত্যাদি বিষয় আলোচনা করা হয়।  আলোচনাকালে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব নাজিমউদ্দিন চৌধুরী ও জাপানী দূতাবাসের কাউন্সিলর ইয়াসুহারু শিনতু উপস্থিত ছিলেন।   
ক্যাটাগরি: বিজনেস
‘বিদ্যুৎ উৎপাদনে এক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে সামিট পাওয়ারসহ দুই বিদেশি কোম্পানী’
আগস্ট ০৪, ২০১৭ শুক্রবার ১০:৩৩ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
সিঙ্গাপুর ভিত্তিক নব গঠিত কোম্পানী সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল (এসপিআই) এবং যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান জেনারেল ইলেকট্রিক (জিই) শুক্রবার যৌথভাবে বাংলাদেশে গ্যাসভিত্তিক কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্ল্যান্ট ও একটি ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল উন্নয়ন কার্যক্রমের ঘোষণা দিয়েছে। উন্নয়ন কার্যক্রমের জন্য এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করা হবে বলে সামিট পাওয়ার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে। বিশ্ব ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (আইএফসি) বাংলাদেশে সামিটের মেঘনাঘাট-২ প্রাকৃতিক গ্যাসভিত্তিক কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্ল্যান্ট উন্নয়ন কার্যক্রমের অর্থায়নে প্রধান সংগঠকের ভূমিকা পালন করেছে। এর মধ্য দিয়ে সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল মোট ৩,০০০ মেগাওয়াটের অধিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করবে। বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে  সফলতার হাত ধরে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ক্রমবর্ধমান বাজারে নিজেদের চলার পথকে সম্প্রসারিত করতে চায় সামিট। টেকসই ও দূষণমুক্ত বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে সামিট তরলকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সংরক্ষণ ও গ্যাস রুপান্তরের জন্য এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের (এফএসআরইউ) সহায়তা নেবে। যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ডিজিটাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল কোম্পানী জেনারেল ইলেকট্রিক এর আর্থিক অঙ্গপ্রতিষ্ঠান জিই ক্যাপিটালস এনার্জি ফিনানসিয়াল সার্ভিসেস সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের সাথে ইক্যুয়টি ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের এই সমঝোতা চুক্তি করে। বাংলাদেশের বিদ্যুৎখাতের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য মূলত প্রতিষ্ঠান দুটি চুক্তিবদ্ধ হয়। উল্লেখ্য যে, জিই আগামী ৩৬ মাস সামিট এর গ্যাসভিত্তিক পাওয়ার প্ল্যান্ট প্রকল্পগুলোতে উন্নত প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি সরবরাহ করতে পারবে। অন্যদিকে ভাসমান টার্মিনালে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহের জন্য সামিট এলএনজি টার্মিনাল কোম্পানীর সাথে মার্কিন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান এক্সিলারেট এনার্জির ১৫ বছর মেয়াদী একটি চুক্তি সই হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী এক্সিলারেট এনার্জি তাদের বিদ্যমান অন্যতম একটি  ফ্লোটিং স্টোরেজ রি-গ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) থেকে এই গ্যাস সরবরাহ করবে। সিঙ্গাপুরের দি ফুলারটোন হোটেলে আয়োজিত এই চুক্তি সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন বোর্ডের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী আমিনুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি’র মূখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। আরো উপস্থিত ছিলেন সিঙ্গাপুরের সাবেক মন্ত্রী লিম উইউয়া, ইন্টারন্যাশনাল এন্টারপ্রাইজ  সিঙ্গাপুরের অ্যাসিসটেন্ট সিইও সাতভিন্দরসিং এবং সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান। সামিট ও জেনারেল ইলেকট্রিক (জিই) এর মধ্যকার সমঝোতা চুক্তিটিতে সই করেন সামিট কর্পোরেশনের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফয়সাল খান এবং জিই এর পক্ষে সই করেন দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট এন্ড সিইও বানমালী আগারওয়াল। অন্যদিকে, সামিট ও এক্সিলারেট এনার্জির মধ্যকার চুক্তিটিতে সই করেন সামিট এলএনজি টার্মিনাল কোম্পানী (এসএলটিসি) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এন এম তারিকুর রশিদ ও এক্সিলারেট এনার্জি এশিয়ার জেনারেল ম্যানেজার কার্লমান থাম। সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান বলেন, ‘এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোর উন্নয়নের জন্য আগামী ৩ বছর মেয়াদী ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ চুক্তি হওয়ায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়ে দেশের মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।  গত ২০ বছর ধরে সামিট এর সাথে জিই ও আইএফসি’র দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক রয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, এই বিনিয়োগ চুক্তি তার অন্যতম উদাহরণ। সামিট এখন অধিক নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।  দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন খাতে সামিটের নাম বিশেষভাবে জড়িয়ে আছে। এলএনজি টার্মিনাল উন্নয়নে এক্সিলারেট এনার্জির  সাথে প্রথমবারের মতো চুক্তিবদ্ধ হতে পেরে আমরা অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত। তিনি বলেন, এই অঞ্চলে বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের জন্য আমরা অন্যতম পছন্দ সই প্রতিষ্ঠান হতে চাই। এশীয় অঞ্চলে অন্যতম শক্তি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়ার জন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত এবং এক্ষেত্রে আমরা আমাদের ব্যবসায়িক অংশীদারদের সাথে দীর্ঘমেয়াদী সুসম্পর্ক গড়তে চাই। জিই দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট এন্ড সিইও বানমালী আগারওয়াল বলেন, কৌশলগত এই সমঝোতা চুক্তির মাধ্যমে এই অঞ্চলে সামিটের সাথে আমাদের সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেল। বাংলাদেশে  বিদ্যুৎখাতের উন্নয়নে সামিটের সাথে জিই প্রযুক্তি, বিভিন্ন ধরণের সেবাও অর্থ সহায়তা দিয়ে পাশে থাকতে চায়। ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (আইএফসি) এর এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের হেড অব নিউ বিজনেস ইনফ্রাস্ট্রাকচার এন্ড ন্যাচারাল রিসোর্সেস লুবোমিরভারবানোভ বলেন, ‘সামিটের সাথে আমাদের সম্পর্ককে আমরা বিশেষভাবে মূল্যায়ন করি এবং বাংলাদেশে টেকসই বিদ্যুৎ উৎপাদনে সামিটের প্রধান উদ্দেশ্যকেও আমরা ভীষণভাবে সমর্থন করি। তিনি আরো বলেন, এর আগে ১৯৯৭ সালে আইএফসি সামিটের খুলনা পাওয়ার কোম্পানী প্রতিষ্ঠার জন্য অর্থায়ন করেছে এবং পরবর্তীতে ২০১৫ সালে বিবিয়ানাতেও আইএফসি অর্থায়ন করেছে। এছাড়া সম্প্রতি ২০১৬ অর্থবছরেই আইএফসি, আইএফসি এমার্জিংএশিয়াফান্ড ও ইএমএপাওয়ারের সহায়তায় সামিটে অর্থায়ন সুবিধা দেওয়া হয়। বাংলাদেশে বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দিয়ে জনগোষ্ঠীর উন্নতির জন্য সামিট এর মতো প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দিতে আইএফসি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানান তিনি। এক্সিলারেট এনার্জির জেনারেল ম্যানেজার কার্লমান থাম বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্পের উন্নয়নে সামিটের অংশীদার হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমরা নিশ্চিত যে এফএসআরইউ তে আমাদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা আগামী দিনে বাংলাদেশের জন্য কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য প্রকল্প নিশ্চিত করবে।’  
ক্যাটাগরি: বিজনেস
‘বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়ছে’
জুলাই ১২, ২০১৭ বুধবার ১১:২৮ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত দিনে দিনে বড় হচ্ছে এবং বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। বুধবার ঢাকায় সোনারগাঁও হোটেলে ‘বাংলাদেশ পাওয়ার সামিট ২০১৭’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে  কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। সামিটে ২০টি দেশের প্রায় ২০০ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করে। তিনি বলেন, নতুন নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে সামিটগুলো গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করে। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণে ৮৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। প্রি-পেমেন্ট মিটার ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতেও লাভজনক বিনিয়োগ করার অবকাঠামো তৈরি হয়েছে বলে জানান তিনি। সামিটে সরকারি নীতিমালা ও ভিশন ২০৩০, বিদ্যুৎ উৎপাদনের  বহুমূখিতা ও নতুনত্ব, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও পল্লী বিদ্যুৎ, বিনিয়োগ ফ্রেমওয়ার্ক জ্বালানি দক্ষতা ও ডিজিটাল ব্যবহার, স্মার্ট গ্রীড, সঞ্চালন ও বিতরণ, ইঞ্জিনিয়ারিং ও অপারেশন এবং মেইনটেন্যান্স কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়।  বিদ্যুৎ ও জ্বালানির অ্যাপলাইনসগুলোর দক্ষতা বৃদ্ধি ও দক্ষ ব্যবহারের উপরে গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালের ভিতর ডিজিপির ৩৮% বৈদেশিক বিনিয়োগ হতে আসা প্রয়োজন। তিনি আরো বলেন, বিনিয়োগকে উৎসাহিত করতে ১৫ বৎসর পর্যন্ত ট্যাক্স হলিডে, বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও যন্ত্রপাতি আমদানিতে কাস্টমস, ভ্যাট ও অন্যান্য কর মওকুফ, ডাবল ট্যাক্সেশন বাদ, আয় সরাসরি দেশে প্রেরণ ইত্যাদি সুবিধাসহ ক্যাপাসিটি চার্ট ও এনার্জি চার্ট, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও প্রণোদনা প্রদান করা হয়। তিনি সংশ্লিষ্টদের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আরো বিনিয়োগ করতে আহ্বান জানিয়ে  বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে শিল্প কল-কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রদানের জন্য আরো ৩,৫০০ এমএমসিএফডি গ্যাস লাগবে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন এবং স্রেডার সদস্য সিদ্দিক জোবায়ের বক্তব্য দেন।  
ক্যাটাগরি: বিজনেস
‘বিদ্যুৎ সংযোগ পাবে আরো ২৭ লাখ নতুন গ্রাহক’
জুন ২৩, ২০১৭ শুক্রবার ১২:১০ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের উদ্যোগ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গত ২০ জুন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের দুইটি নতুন প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। প্রকল্প দুইটি হলো-শতভাগ বিদ্যুতায়নের জন্য বিতরণ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ (ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ) প্রকল্প এবং শতভাগ বিদ্যুতায়নের জন্য বিতরণ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ (রাজশাহী, রংপুর, খুলনা ও বরিশাল বিভাগ) প্রকল্প। সাত হাজার ১৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রথম প্রকল্পটির আওতায় ৩৯ হাজার ১০০ কিলোমিটার এবং ছয় হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা ব্যয়ে দ্বিতীয় প্রকল্পটির আওতায় ৩৮ হাজার ১০ কিলোমিটার নতুন বিতরণ লাইন নির্মাণ করা হবে। নতুন বিতরণ লাইন নির্মাণের পাশাপাশি নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ নিশ্চিত করতে ২৫৯০ এমভিএ ক্ষমতা সম্পন্ন ২৬২টি সাব-স্টেশন, ১০১ সেট রিভার ক্রসিং টাওয়ার, ২৮টি অফিস ভবন এবং ৭৯টি ডি/ই/এফ কোয়ার্টার নির্মাণ করা হবে। সবমিলিয়ে প্রকল্প দুইটি বাস্তবায়নে মোট খরচ হবে ১৩০৯.২২ কোটি টাকা ব্যয় হবে। বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্প দুইটি বাস্তবায়ন করবে। এ দুইটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে আরো ২৭ লাখ গ্রাহক বিদ্যুৎ সংযোগের  আওতায় আসবে। সেই সাথে ২০২১ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ সুবিধা পোঁছে দেওয়ার বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অনেক দূর এগিয়ে যাবে।
ক্যাটাগরি: বিজনেস
‘বিদ্যুৎ উৎপাদনে আরো কিছু ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্প নিচ্ছে সরকার’
জুন ২২, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ১২:২০ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে আরো কিছু ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্প আগামী এক মাসের মধ্যে নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। বুধবার বিদ্যুৎ ভবনে বিদ্যুৎ খাতে অর্থায়ন সংক্রান্ত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, ব্যাংক ও অর্থলগ্নীকারী প্রতিষ্ঠান সমূহের ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্পে আরো বিনিয়োগ করা প্রয়োজন। সরকার বিনিয়োগের পরিবেশ সৃজন করেছে। আপনাদের বিনিয়োগ নিরাপদ এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা প্রদান করা হবে। তিনি আরো বলেন, বড় ধরনের সুযোগ তৈরী হচ্ছে। এসব প্রকল্পে আর্থিক প্রতিষ্ঠান সমূহের বিনিয়োগ করা উচিত। বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে ইনোভেশন ল্যাব স্থাপনের গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা ছাত্র-ছাত্রীদের ইন্টার্নশীপের ব্যবস্থা করেছি, যা খুবই ফলপ্রুস। আগামীতে এর সংখ্যা আরো বাড়ানো হবে। এসব প্রকল্পের আওতায় অর্থলগ্নীকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনিয়োগ করতে পারে বলে মত দেন তিনি। সভায় জানানো হয়, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি বার্ষিক ১০ দশমিক ২০ ভাগ। গত  সাত বছরে আট বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ হয়েছে। বর্তমানে চলমান ১১৬টি প্রকল্পে ২৪ দশমিক ৭৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মধ্যে প্রকল্প সাহায্য ১৩ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এছাড়া অননুমোদিত ১৪টি প্রকল্পে প্রকল্প সাহায্য হিসেবে এক দশমিক ৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন হবে। আরো ৫৬টি প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে পিডিপিপি প্রেরণ করা হয়েছে। যার জন্য ৩২ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন এবং প্রকল্প সাহায্য লাগবে ২৫ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিনিয়োগের জন্য ২০৪১ সাল নাগাদ ৮৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন হবে। এ বিশাল অর্থ সরকারের পাশাপাশি জি টু জি, ইসিএ, ডেফার্ড পেমেন্ট ও স্থানীয় ব্যাংক হতে নিতে হবে। স্থানীয় ব্যাংকগুলো বিদ্যুৎ খাতে বিশাল ব্যবসা পাবে। আমরা তাদের বিনিয়োগে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা প্রদান করবো বলেন প্রতিমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মূখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন, বিতরণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রি-পেমেন্ট মিটার এই পাঁচটি খাতে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। এছাড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহেরর আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের শিক্ষায় বিনিয়োগ করলে ভবিষ্যতে দেশ লাভবান হবে। তিনি ব্যাংকসমূহকে নিজস্ব অর্থ আরো সুষমভাবে ব্যবহারের অনুরোধ জানান। ব্যাংকিং বিভাগের সচিব মোঃ ইউনুসুর রহমান বলেন, সরকারের স্কীমগুলো আকর্ষনীয় কিন্তু বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ করতে হয় দীর্ঘ মেয়াদী এবং বিপুল পরিমাণ যা ব্যাংকগুলো করতে অনিহা প্রকাশ করে। তবে ব্যাংকিং বিভাগ হতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা  করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর বলেন, বিনিয়োগ বন্ড বা কর্পোরেট বন্ড ইস্যু করে বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত আইনের ভিতরে থেকে দ্রুত সহযোগিতা করবে। বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস বিদ্যুৎ খাতে দ্রুত বিনিয়োগের জন্য বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন। এসময় দেশের প্রায় সকল ব্যাংকের নির্বাহী প্রধানগণ ইআরডি’র প্রতিনিধি, অর্থ বিভাগের প্রতিনিধি, ব্যাংকিং ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। সভায় সকল বিভাগের সাথে সমন্বয় করার জন্য অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোঃ জালাল উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে একটি সমন্বয় কমিটি করার সিদ্ধান্ত হয়।
ক্যাটাগরি: বিজনেস
‘২০১৭-১৮ অর্থ বছরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ২১ হাজার ১১৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব’
জুন ০১, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ০৯:০৮ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
আগামী ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জন্য উন্নয়ন ও অনুন্নয়নসহ মোট ২১ হাজার ১১৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। যা চলতি ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ৬ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা বেশি। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে আগামী অর্থবছরের মোট ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকার বাজেট পেশকালে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের জন্য ওই বরাদ্দের কথা জানান তিনি। সে হিসেবে প্রস্তাবিত মোট বাজেটের পাঁচ দশমিক ২৮ শতাংশ বরাদ্দ পাচ্ছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত। ‘উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশ: সময় এখন আমাদের’ শ্লোগান সম্বলিত বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, “২০২১ সালের মধ্যে সকল জনগণকে বিদ্যুৎসেবার আওতায় আনার পাশাপাশি ২০৩০ সাল নাগাদ ৪০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।”  অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাবিত বাজেটে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিপরীতে ২১ হাজার ১১৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগের জন্য ১৮ হাজার ৮৯৪ কোটি এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের জন্য বরাদ্দ ২ হাজার ২২৪ কোটি টাকা। গত বছর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়কে ১৫ হাজার ৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। সংশোধিত বাজেটে ১৪ হাজার ৫৬১ টাকা বরাদ্দ আছে। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে বিদ্যুৎ বিভাগের প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি সন্তোষজনক না হওয়ায় ২০১৬-১৭ সালে বরাদ্দ কমানো হয়েছিল। মুহিত বলেন, ইতোমধ্যে দেশের ৮০ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে। অবশিষ্ট ২০ শতাংশ আগামী ২০২১ সালের আগেই বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আসবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে আশা করছি। নির্মাণাধীন ১১ হাজার ২১৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৩৩টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অতিরিক্ত ১১ হাজার ১২৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৪২টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও বাজেট বক্তৃতায় জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। রামপাল, মাতারবাড়ি, পটুয়াখালীর পায়রায় এবং বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান মুহিত। উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি বিদ্যুতের নতুন সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন স্থাপনের উপরও জোর দেন তিনি। অর্থমন্ত্রী বলেন, “প্রায় ১০ হাজার কিলোমিটার নতুন সঞ্চালন লাইন এবং প্রায় এক লাখ ৫০ হাজার কিলোমিটার নতুন বিতরণ লাইন নির্মাণের পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।” সিস্টেম লস কমানো, লোড ম্যানেজমেন্ট এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ২০২১ সালের মধ্যে আরও ২ কোটি প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। মহেশখালীতে এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ কাজের অগ্রগতির কথা জানিয়ে ২০১৮ সালের শেষ নাগাদ সব শিল্প প্রতিষ্ঠানে গ্যাস সরবরাহের আশাও দেখিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। গ্যাসভিত্তিক পুরনো বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো সংরক্ষণ ও মেরামতের পাশাপাশি উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতার আওতায় নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনার কথাও বলেছেন মুহিত। চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর পারিকল্পনা জানিয়ে তিনি বলেন, “বাপেক্স এর সমাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে মোট ১০৮টি কূপ খননের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। পরিকল্পনা মোতাবেক কূপ খনন ও এসব কূপ হতে গ্যাস উৎপাদন শুরু হলে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব হবে।” এছাড়া মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও সিঙ্গাপুরের আর্থিক সহায়তায় মহেশখালীতে চারটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেন অর্থমন্ত্রী।
ক্যাটাগরি: বিজনেস
‘জ্বালানি সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ক্রয়ে ৩৭৯ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে সরকার’
মে ২৪, ২০১৭ বুধবার ১১:২০ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
জ্বালানি সাশ্রয়ী ও দক্ষ যন্ত্রপাতি কিনতে বেসরকারি খাতের চারটি প্রতিষ্ঠানকে ৩৭৯ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে সরকার। বুধবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে জ্বালানি দক্ষতা ও সংরক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণে অর্থায়ন প্রকল্পের আওতায় ওই ঋণ দিতে অনাপত্তি পত্র প্রদান করেছে টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা)। জ্বালানি দক্ষ যন্ত্রপাতি ক্রয়ে ৪% সুদে মেঘনা সিমেন্ট মিলস লিমিটেডকে ১২৭ কোটি টাকা, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি লিমিটেডকে ১১০ কোটি টাকা, প্রিটি ইকো এ্যাপারেলস ভিলেজ লিমিটেডকে ৮৪.৪ কোটি টাকা এবং তিথি টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডকে ৫৭.৭৬ কোটি টাকা ওই ঋণ পাচ্ছে। স্রেডার কনভেনশন হলের ওই অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, শিল্প কারখানাতে জ্বালানি সাশ্রয়ী ও দক্ষ যন্ত্রপাতি ব্যবহারে শিল্পমালিক ও জনগণকে সচেতন করতে হবে। তিনি বলেন, এনার্জি ইফিসিয়েন্সি অ্যান্ড কনভারসর্শন মাস্টারপ্লান আপ টু ২০৩০ যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশে শিল্পখাতে ৩১ শতাংশ এবং আবাসিক খাতে ৩৫.৯ শতাংশ জ্বালানি সাশ্রয় করা সম্ভব। স্রেডার সদস্য সিদ্দিক যুবায়ের এনার্জিনিউজবিডি ডটকমকে বলেন, এনার্জি ইফিসিয়েন্সি অ্যান্ড কনভারসর্শন প্রমোশন ফাইনান্সিং প্রোগ্রাম এর আওতায় দাতাসংস্থা জাইকা বাংলাদেশকে ৮০০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে। ওই ঋণ শুধু জ্বালানি দক্ষ যন্ত্রপাতি ক্রয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হচ্ছে। এজন্য কোনো প্রতিষ্ঠান আগ্রহী হলে তাদেরকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইডকল অথবা বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেডের (বিআইএফএফএল)এর মাধ্যমে আবেদন করতে হবে বলে জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, আবেদন পাওয়ার পর তা যাচাই-বাছাই করে ওই প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিতে অনাপত্তি পত্র প্রদান করে স্রেডা। এই ঋণ সুবিধা গ্রহণের মাধ্যমে জ্বালানি দক্ষ যন্ত্রপাতি ব্যবহারের ফলে পণ্য উৎপাদনে জ্বালানির ব্যবহার হ্রাস পাবে ও উৎপাদন ব্যয় কমবে বলে মনে করেন স্রেডার সদস্য যুবায়ের। আরো ছয়টি প্রতিষ্ঠান এ ধরণের ঋণ পেতে আবেদন করেছে বলেও জানান তিনি। স্রেডার চেয়ারম্যান মোঃ হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে বাংলাদেশ ক্লাইমেট পার্লামেন্টের সভাপতি সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এবং বিআইএফএফএল এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফরমানুল ইসলাম বক্তব্য দেন।    
ক্যাটাগরি: বিজনেস
‘বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৫০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের সুযোগ’
মে ১২, ২০১৭ শুক্রবার ০৭:৩৫ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৫০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা কাজে লাগাতে সুইডেনসহ ইউরোপীয় দেশসমূহের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। শুক্রবার সুইডেনের স্টকহোমে ওয়াল্ড ট্রেড সেন্টারে, সুইডেন-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল আয়োজিত ‘সুইডিশ এনার্জি সিস্টেম এন্ড সাস্টেইনেবল সলিউশন’ শীর্ষক বিজনেস সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।  সেমিনারে পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সম্ভাবনা এবং স্রেডার সদস্য সিদ্দিক যোবায়ের নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন ও বক্তব্য দেন বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।  এসময় বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত যোহান ফ্রিসেল, সুইডিশ এনার্জি এজেন্সির পরিচালক যুসেফিন বার জাংডেল উপস্থিত ছিলেন।  প্রতিমন্ত্রী বলেন, ব্যবসা বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারণের নিরাপদ ও লাভজনক স্থান বাংলাদেশ। ১৬০ মিলিয়ন জনসংখ্যার বিশাল এই বাজার কৌশলগত কারণে ভারত ও মিয়ানমারের ৮০০ মিলিয়ন জনসংখ্যার বাজারে পরিণত হতে পারে। অর্থ লগ্নীকারি প্রতিষ্ঠান, ম্যানুফেকচারার বা সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান সহজেই এ বাজারে প্রবেশ করতে পারবে। তিনি আরো বলেন, আইএমএফ ২০১৬ সালে বাংলাদেশকে দ্রুত বর্ধনশীল অন্যতম অর্থনীতির দেশসমূহের মাঝে দ্বিতীয় বলে ঘোষণা করেছে এবং এইচএসবিসি পূর্বাভাস দিয়েছে যে, ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ২৩তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে। এখানে বিনিয়োগকে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা দেয়া হয়, কর পদ্ধতি সহজ ও কম খরচে কর্মী পাওয়া যায়।  উল্লেখ্য, সুইডেন সরকারের আমন্ত্রণে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী তিন দিনের সরকারি সফরে গত ৯ মে সুইডেন গমন করেন।  সফরের অংশ হিসেবে সুইডিশ ট্রেড ও ইনভেস্ট কাউন্সিলের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে গত ১১ মে শিল্পক্ষেত্রে অটোমেশন ও ডিজিটালাইজেশন প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিষ্ঠান এবিবি এর অফিস পরিদর্শন করেন।  এসময় নসরুল হামিদ বলেন, ডিজিটাল সিস্টেম ও অটোমেশন গ্রাহক সেবা বৃদ্ধি করবে। মানুষ এখন হাতের কাছেই সেবা পেতে চায়। বিতরণ সংস্থাগুলোকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সেবা নিয়ে মানুষের দোর গোড়ায় পৌঁছাতে হবে।  বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ, আন্ডারগ্রাউন্ড সাবস্টেশন ও সঞ্চালন ব্যবস্থায় এবিবি কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।    
ক্যাটাগরি: বিজনেস
‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান’
এপ্রিল ১৭, ২০১৭ সোমবার ০৭:১১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ খুবই কম। বিপুল সম্ভাবনাময় এ খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। সোমবার ঢাকায় সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা এস বার্নিক্যাট এর সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী। এ সময় অন্যান্যের মাঝে পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন। তারা পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বর্তমান, ভবিষ্যৎ ও সম্ভাবনা রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী, চেম্বার অব কমার্সের প্রতিনিধিরা অথবা সংশ্লিষ্ট কোম্পানিসমূহকে নিয়ে রোড-শো অথবা সেমিনার করা যেতে পারে। প্রাথমিক জ্বালানি, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চালন বিনিয়োগের উৎকৃষ্ট খাত। এ সব খাতে আমেরিকান বিনিয়োগকে স্বাগত জানানো হবে বলে আশ্বাস দেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে ভারত থেকে বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। নেপাল ও ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির বিষয়টি ইতিবাচকভাবে এগুচ্ছে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় অর্থাৎ জি-টু-জি ভিত্তিতে ব্যবসা বাণিজ্যকে আমরা উৎসাহিত করি। রাষ্ট্রদূত বার্নিক্যাট জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ও বেসরকারি খাতের কোম্পানি সমূহ বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত সম্পর্কে আগ্রহ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এক্সিলারেট, সানএডিসন, জিইসহ কয়েকটি কোম্পানি জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে কাজ করতে চাচ্ছে। বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে যুক্তরাষ্ট্রের কাজ করার আগ্রহ আছে। এ সময় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বিভিন্ন ইস্যুতে ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে আলোচনা করা হয় বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
ক্যাটাগরি: বিজনেস
‘গ্যাসের দাম বাড়ানোর কারণে বাংলাদেশকে বিশ্ববাজারে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য বাধাগ্রস্ত হতে পারে’
মার্চ ০৮, ২০১৭ বুধবার ১১:৪৬ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির কারণে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে বিশ্ববাজারে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে মনে করছে ব্যবসায়ীদের সংগঠন মেট্রোপলিটান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই)। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি গ্যাসের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশন। তিন মাসে দুই দফায় (মার্চ ও জুন ২০১৭) মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত হয়। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে দ্বিতীয় দফায়, অর্থাৎ জুন থেকে মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। এ অবস্থায় মার্চ থেকে গ্যাসের নতুন মূল্য কার্যকর হয়েছে। মঙ্গলবার এমসিসিআই এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত দেশের তৈরি পোশাকশিল্পসহ অনেক খাতের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানকে ব্যাহত করবে। রূপকল্প-২০২১ সামনে রেখে সরকার যে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, গ্যাসের এই মূল্যবৃদ্ধি তার বাস্তবায়নে ব্যাঘাত ঘটাবে। এই মূল্যবৃদ্ধি কার্যকর হলে পরিবহন খরচ, বাণিজ্যক্ষেত্রে উৎপাদন ও আনুষঙ্গিক সব খরচ বেড়ে যাবে। এ ছাড়া বিদ্যুৎ, সারসহ সব উৎপাদন খরচ, কৃষিপণ্য এবং সর্বোপরি নিত্যপণ্যের খরচ বেড়ে যাবে, যা মুদ্রাস্ফীতির হার বাড়িয়ে দেবে। সংগঠনটি বলছে, এমনিতেই দেশে গ্যাস খাত নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত। চাপস্বল্পতার কারণে প্রকৃত ব্যবহার মিটার মতে ব্যবহারের চেয়ে কম হয়ে থাকে। কিন্তু হিসাব করার সময় মিটারের রিডিংকেই ধরা হয়, যে কারণে গ্যাসের ব্যবহার কাগজে-কলমে অনেক বেশি দেখায়। এমসিসিআই বলছে, ব্রেক্সিটের পরবর্তী এমন এক সময়ে গ্যাসের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত এল, যখন বিশ্ববাজারে পোশাকশিল্পসহ ভোগ্যপণ্য সামগ্রীর চাহিদা কম। গত ২ মাসে বাংলাদেশে তুলা এবং সুতার দাম ২০-২৫ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে। এরপরও দেশি পোশাকের দাম বাড়েনি। এই শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত পাওয়ার প্ল্যান্টগুলোয় গ্যাসের ব্যবহার দেশের মোট গ্যাসের ৪ শতাংশ, আর সেখানেই দাম বাড়ানোর নির্দেশ স্বভাবতই দেশের পোশাক, চামড়া, পাদুকাসহ অন্যান্য শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানকে ব্যাহত করবে। বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, সাধারণ জনগণ পণ্যসহ যাবতীয় মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে হাঁসফাঁস করছে। এরই মধ্যে গ্যাসের দাম আবার বাড়ানো এবং তারপর আবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত স্বভাবতই আমজনতার মধ্যে কোনো সুখবর হিসেবে আসছে না। পরিবহন খাতে গ্যাসের ব্যবহার মোট সরবরাহের ৬ শতাংশ। আগে যখন ডিজেলের দাম কমানো হয়েছিল, তখনো জনগণের পরিবহন ব্যয় হ্রাস হয়নি। বরং সিএনজির মূল্যবৃদ্ধির কারণে পরিবহন খরচ বেড়েছে। এখন আবার সিএনজির দাম বাড়ালে পরিবহন খরচ বেড়ে যাবে, তা বলাই বাহুল্য।  এই চেম্বার মনে করছে, গণপরিবহনে ব্যবহৃত সিএনজির দাম যেন এই মূল্যবৃদ্ধির আওতার বাইরে রাখা হয়। মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাবে সম্পূরক শুল্ক এবং ভ্যাট যুক্ত করে রাজস্ব ঘাটতি দেখানো হয়েছে, অথচ এসআরও-২২৭ অনুযায়ী আইওসি গ্যাস সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাটমুক্ত। আইওসি গ্যাসে সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট যুক্ত করে মূল্য নির্ধারণ করা সঠিক হয়নি। এমিসিসিআই মনে করছে, চলমান মূল্যনীতি সংস্কার না করে ঘাটতি মোকাবিলার অজুহাতে কেবল মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত রাখলে জ্বালানি খাতে বিপর্যয় নেমে আসবে এবং অর্থনীতিতে ঝুঁকি বাড়বে। এ মূল্যবৃদ্ধি গ্রাহক ও ভোক্তাদের জন্য সহনীয় নয়। তা ছাড়া বিদ্যমান পরিস্থিতিতে গ্যাসের দাম বাড়ানো দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও প্রগতির ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির এই প্রস্তাব বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) মাধ্যমে পুনর্বিবেচনা করার জন্য এই চেম্বার সরকারকে অনুরোধ করছে।  
ক্যাটাগরি: বিজনেস
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগ চেয়েছে এফবিসিসিআই
ডিসেম্বর ২১, ২০১৬ বুধবার ১২:২৬ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ বিষয়ক বাণিজ্য দূত রুশনারা আলী এমপি এর সাথে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমাদ এর নেতৃত্বে এফবিসিসিআইয়ের একটি বাণিজ্য প্রতিনিধিদল মঙ্গলবার স্থানীয় এক হোটেলে সভা করেছে। বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার মান্যবর এ্যালিসন ব্লেক, এফবিসিসিআই প্রথম সহ-সভাপতি মো. শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, সহ-সভাপতি মাহবুবুল আলম এবং পরিচালকরা সভায় অংশ নেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে এফবিসিসিআই। দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগ আহ্বান জানান এফবিসিসিআই সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমাদ। তিনি বলেন, বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যে ঔষধ রপ্তানি করতে আগ্রহী। এছাড়াও এফবিসিসিআই সভাপতি বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের প্রযুক্তি হস্তান্তরের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি আরো বলেন, এফবিসিসিআই থেকে একটি বাণিজ্য প্রতিনিধিদল শীঘ্রই যুক্তরাজ্য সফর করবে। বাংলাদেশের ছাত্ররা যাতে আরও বেশি সংখ্যায় যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়ালেখার জন্য যেতে পারে সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্যও তিনি ব্রিটিশ এমপিকে অনুরোধ জানান। এফবিসিসিআই প্রথম সহ-সভাপতি  মো. শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশ শিল্প কারখানায় শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং শিশুশ্রম ইতিমধ্যেই দুরীভুত হয়েছে। তিনি ঢাকায় একটি ক্যাটালগ শো আয়োজনের জন্য যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারকে অনুরোধ জানান। এর ফলে দুই দেশের ব্যবসায়ীরা বাণিজ্য বিষয়ে পারস্পরিক মতবিনিময় করতে সক্ষম হবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ বিষয়ক বাণিজ্য দূত রুশনারা আলী বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ এবং য়ুক্তরাজ্যের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অনেক দৃঢ় হয়েছে। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে তিনি অভিভুত বলে জানান। ব্রেক্সিট এর ফলে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। এছাড়াও তিনি জলবায়ু বিষয়ক ইস্যুতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।  উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে যুক্তরাজ্যে ৩.৮১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করে এবং যুক্তরাজ্যে থেকে ০.২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি করে।
ক্যাটাগরি: বিজনেস
গ্যাসের দাম ফের বাড়লে দেশের বস্ত্র খাত প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হারাবে
জুলাই ৩১, ২০১৬ রবিবার ০৮:৩১ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ক্যাপটিভ জেনারেটরে ব্যবহৃত প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম বর্তমানের চেয়ে ১৩০ শতাংশ বৃদ্ধি করার প্রস্তাব জমা পড়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি)। এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে গ্যাসচালিত ক্যাপটিভ জেনারেটরের উৎপাদিত বিদ্যুৎ দিয়ে এক কেজি সুতা উৎপাদনে ১৭ টাকার মতো খরচ বাড়বে। বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ীরা বলছেন, গ্যাসের দাম আবার বাড়ানো হলে দেশের বস্ত্র খাত প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হারাবে। বিশেষ করে স্পিনিং বা সুতা তৈরির মিলগুলো অস্তিত্বের সংকটে পড়বে। কারণ, সুতা উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল তুলার দাম গত এক মাসে ১৫ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্যে আবার গ্যাসের দাম বাড়লে মিলগুলোর সুতা উৎপাদনের খরচ আরও বাড়বে। আর এমনটি হলে সুতা দাম বাড়বে। তখন কিন্তু দেশের বস্ত্রকলগুলো মুখ ফিরিয়ে নেবে। তখন ভারত থেকে শুল্কমুক্ত সুবিধায় সুতা আমদানিতে উৎসাহিত হবেন বস্ত্রকলের মালিকেরা। তাহলে দেশের ৪৩০টি স্পিনিং মিল ক্ষতির মুখে পড়বে। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) জানায়, তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি গত ২৯ মার্চ বিইআরসিতে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করার প্রস্তাব দিয়েছে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ক্যাপটিভ জেনারেটরে ব্যবহৃত প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ৮ টাকা ৩৬ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৯ টাকা ২৬ পয়সা এবং প্রতি ঘনমিটার ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্যাসের দাম ৬ টাকা ৭৪ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা ৯৫ পয়সা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। আগামী ৮ আগস্ট বিইআরসিতে এ বিষয়ে গণশুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। বিটিএমএ তথ্য-উপাত্ত দিয়ে বলছে, গত বছরের আগস্টে ক্যাপটিভ জেনারেটরে ব্যবহৃত প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ছিল ৪ টাকা ১৮ পয়সা। ওই বছরের সেপ্টেম্বরে তা বাড়িয়ে ৮ টাকা ৩৬ পয়সা করা হয়। এখন তিতাসের প্রস্তাব কার্যকর করা হলে গত এক বছরের ব্যবধানে ক্যাপটিভে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম ৪৬০ শতাংশ বেড়ে যাবে। তাতে প্রতি কেজি সুতা উৎপাদনে গ্যাসের খরচ ১৩ টাকা ১৭ পয়সা থেকে বেড়ে ৩০ টাকা ৩৩ পয়সায় দাঁড়াবে। বর্তমানে মানভেদে প্রতি কেজি সুতার গড় বিক্রয়মূল্য ২ দশমিক ৮০ মার্কিন ডলার বা ২২৪ টাকা। অধিকাংশ বস্ত্রকলে ব্যবহৃত হয় ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্যাসলাইন। নতুন করে গ্যাসের দাম বাড়ানো হলে এক কেজি কাপড় উৎপাদনের খরচ ২২ টাকার মতো বেড়ে যাবে। এ বিষয়ে বিটিএমএর সাবেক সভাপতি ও মালেক স্পিনিং মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ মতিন চৌধুরী গত বৃহস্পতিবার বলেন, আমদানি করা সুতা এবং দেশে উৎপাদিত সুতা প্রায় একই মূল্যের। বস্ত্রকলের মালিকেরা দেশি স্পিনিং মিলের সুতা কেনেন, কারণ ক্রয়াদেশ দেওয়ার দু-তিন দিনের মধ্যেই তা পেয়ে যান। সুতার উৎপাদন খরচ ও খুচরা মূল্য বাড়লে এই সুবিধা আর পাওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। মতিন চৌধুরী বলেন, ভারত থেকে শুল্কমুক্ত সুবিধায় সুতা আমদানি করা যায়। তা ছাড়া বেনাপোল ও পেট্রাপোল সীমান্তে সম্প্রতি ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট সুবিধা হচ্ছে। তখন ভারত থেকে কম সময়েই সুতা আসবে দেশে। এ বিষয়ে বিটিএমএর সভাপতি ও স্কয়ার টেক্সটাইলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী বলেন, ‘সরকার বলছে, গ্যাস শেষ হয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি আমরাও বুঝতে পারছি। তবে ব্যবসায়ীরা চায়, গ্যাসের দাম ধাপে ধাপে বাড়ানো হোক। এ ক্ষেত্রে ৫-১০ বছরের একটি পরিকল্পনা থাকলে ভালো। এক বছরের ব্যবধানে ক্যাপটিভে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম ৪৬০ শতাংশ বৃদ্ধি করলে কোনো শিল্প কারখানাই টিকিয়ে রাখা যাবে না।’ তিনি আরও বলেন, সরকারই একসময় ব্যবসায়ীদের ক্যাপটিভ নিতে উৎসাহিত করেছে। এখন আবার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। ভারত তিন বছরের মধ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশকে ছাড়িয়ে যাওয়ার একটি পরিকল্পনা নিয়েছে। সে জন্য চলতি মাসে দেশটির সরকার ছয় হাজার কোটি রুপির বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। তা ছাড়া ভারতে প্রচুর পরিমাণে তুলা উৎপাদিত হয়, তাদের বস্ত্র খাত শক্তিশালী। বাংলাদেশের তুলার চাহিদার বড় অংশই বর্তমানে ভারত থেকে আমদানি হয়ে আসে। এসব তথ্য গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মতিন চৌধুরী বলেন, ‘গ্যাসের মূল্য বাড়ালে আমাদের স্পিনিং মিলের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা শেষ হয়ে যাবে। এই সুযোগে ভারতের ব্যবসায়ীরা হয়তো এখন কম দামেই সুতা দেবে। তবে পাঁচ বছর পর তারা সুতার দাম বাড়িয়ে দিলে আমাদের বস্ত্র ও পোশাক—দুটো গুরুত্বপূর্ণ খাতই ধ্বংস হয়ে যাবে।’ দেশের সর্বোচ্চ পণ্য রপ্তানি আয়ের উৎস পোশাকশিল্পকে টিকিয়ে রাখার জন্য হলেও পশ্চাৎমুখী সংযোগশিল্পকে শক্তিশালী রাখা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি। বিটিএমএর সভাপতি তপন চৌধুরী বলেন, ‘এটি সত্য যে, সরকার দীর্ঘদিন আমাদের ভর্তুকি মূল্যে গ্যাস দিয়েছে। এ জন্য প্রতিযোগী সক্ষমতা অর্জন করা গেছে। তবে বর্তমানে গ্যাসের দাম আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ীই আছে। তা ছাড়া ব্যবসার খরচ বৃদ্ধি, তুলার দাম বেড়ে যাওয়া, বিশ্ববাজারে পোশাকের মূল্য কমার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া উচিত।’ সূত্র: প্রথম আলো
ক্যাটাগরি: বিজনেস
    সাম্প্রতিক বিজনেস এর খবর
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগ চেয়েছে এফবিসিসিআই
গ্যাসের দাম ফের বাড়লে দেশের বস্ত্র খাত প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হারাবে
গ্যাসের দাম না বাড়াতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে ডিসিসিআই
প্রকল্প বাস্তবায়নের ধীরগতিতে কমেছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বরাদ্দ
থাই ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান
পিডিবি’র জন্য বিদেশী বন্ড মার্কেটে পাওয়ার বন্ড ছাড়ার উদ্যোগ
আগামী বাজেটেও বিদ্যুৎ খাত অগ্রাধিকার পাচ্ছে
পুঁজিবাজারে আসছে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি
বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে শিল্প-কারখানা স্থাপনে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান
জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ কমতে পারে এ বছর
বিদ্যুৎ খাতের অর্থায়নে সিঙ্গাপুরে বন্ড ইস্যু করবে বাংলাদেশ
জ্বালানি তেলের দাম কমলেও এর প্রভাব নেই জিডিপি ও মূল্যস্ফীতিতে
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ ২,২৯২ কোটি টাকার ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন
নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগে নেতৃত্ব দিচ্ছে চীন
বিদ্যুৎ উৎপাদনে চীন থেকে ১৩শ’ কোটি ডলার ঋণ নেয়া হচ্ছে
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy

   Editor & Publisher: Aminur Rahman
   Copyright @ 2015-2018 energynewsbd.com
   All Rights Reserved | Developed By: Jadukor IT