ঢাকা, সোমবার, ডিসেম্বর ১১, ২০১৭, অগ্রহায়ণ ২৭, ১৪২৪ ০৩:২৪ পিএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
গ্রীণ এনার্জি
নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ক প্রযুক্তি মেলা চলছে
নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করে উদ্ভাবিত বিভিন্ন প্রযুক্তি এবং প্রকল্প প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ঢাকায় শুরু হয়েছে তিন দিনের নবায়নযোগ্য শক্তি প্রযুক্তি মেলা ও কর্মশালা। রোববার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে শুরু হওয়া এ মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। মেলা শেষ হবে মঙ্গলবার। প্রতিদিন সকাল ৯:৩০ থেকে রাত ৮:৩০ পর্যন্ত সবার জন্য উম্মুক্ত এই মেলা। মূল আয়োজক ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কম্পানি লিমিটেড (ইডকল)। সহযোগিতায় জার্মান ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন কেএফডাব্লিউ এবং সহ-আয়োজক হিসেবে রয়েছে অল্টারনেটিভ এনার্জি প্রমোশন সেন্টার (এইপিসি), নেপাল। তিন দিনের কর্মশালায় এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নবায়নযোগ্য শক্তি প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক, অর্থায়নকারী, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করবে। বিভিন্ন দেশের নবায়নযোগ্য শক্তি খাতে কর্মরত ব্যক্তিদের নিয়ে এ প্ল্যাটফর্ম করা হয়েছে। যার উদ্দেশ্য হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তি প্রযুক্তির প্রসার, এর বাজার সৃষ্টি, অর্থায়ন, নীতি-নির্ধারণ ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে অংশগ্রহণমূলক আলোচনা করা। এর মাধ্যমে জ্ঞান ও চিন্তাভাবনার আদান-প্রদান এবং নবায়নযোগ্য শক্তি কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করা। ১৫টি দেশের প্রায় ৫০ জন বিদেশি এবং ৮০ জন স্থানীয় অংশগ্রহণকারী এ কর্মশালায় যোগ দেবেন। তিন দিনের এ কর্মশালার বিভিন্ন কার্যক্রমে নবায়নযোগ্য শক্তিসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে। যেখানে নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করে উদ্ভাবিত বিভিন্ন প্রযুক্তি এবং প্রকল্প দেশি-বিদেশি প্রায় ৩৫টি স্টলের মাধ্যমে মানুষের সামনে প্রদর্শন করা হয়।
২০০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ কিনতে তিস্তা সোলার লিমিটেডের সাথে বিপিডিবি’র চুক্তি সই
অক্টোবর ২৬, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ১০:২৮ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বেক্সিমকো পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড এবং চীনের টিবিইএ জিনজিয়াং সানওয়েসিস কোম্পানী লিমিটেড এর যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান তিস্তা সোলার লিমিটেডের সাথে বিদ্যুৎ ক্রয়ের চুক্তি করছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। বৃহস্পতিবার রাজধানীর আব্দুল গণি রোডের বিদ্যুৎ ভবনে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এছাড়া বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি) এর সাথে একটি বাস্তবায়ন চুক্তি করেছে তিস্তা সোলার। তিস্তা সোলারের পক্ষে উভয় চুক্তিতে সই করেন কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম রফিকুল ইসলাম। অন্যদিকে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন বিপিডিবি’র সচিব মিনা মাসুদ উজ্জামান, সরকারের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব শেখ ফায়েজুল আমিন এবং পিজিসিবি’র পক্ষে সই করেন কোম্পানি সচিব মোঃ আশরাফ হোসেন। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান এ এস এফ রহমান এবং ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ২০০ মেগাওয়াটের একটি সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণ করতে যাচ্ছে তিস্তা সোলার। চুক্তি অনুসারে আগামী ২০ বছর এই প্ল্যান্ট থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ প্রতি কিলোওয়াট ১৫ সেন্ট দরে ক্রয় করবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। জৈব জ্বালানী থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বর্তমান সময়ে একটি চিন্তার বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। একারনে নবায়নযোগ্য জ্বালানী শক্তি ভবিষ্যতের সমাধান। এটা মাথায় রেখেই বাংলাদেশ সরকার ২০২১ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের শতকরা ১০ ভাগ নবায়নযোগ্য জ্বালানী থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য ঠিক করেছে, যার বেশিরভাগ আসবে সৌরশক্তি থেকে। এই চুক্তি স্বাক্ষর সম্পর্কে তিস্তা সোলারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম রফিকুল ইসলাম বলেন, “এটা দেশের সবচেয়ে বড় সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট এবং সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানী শক্তি হতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের যে লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে তা পূরণে এই প্ল্যান্টটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।”
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
বর্জ্য থেকে ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন আগামী ৩০ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে
অক্টোবর ১৫, ২০১৭ রবিবার ০৭:২৭ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বর্জ্য থেকে ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তা আগামী ৩০ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। গত ১৩ অক্টোবর ঢাকার কেরাণীগঞ্জে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর উদ্যোগে আয়োজিত ঝিলমিল -১, ৩৩/১১ কেভি ২০ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ প্রকল্পের সাফল্যের আলোকে কেরাণীগঞ্জের মতো অন্যান্য উপজেলায়ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নেয়া হবে। তিনি বলেন, উন্নতর নাগরিক সুবিধা সমৃদ্ধ শহরতলী গড়ে তোলা হবে। সম্বনিত উন্নয়নের জন্য কেরানীগঞ্জের উপর মাস্টার প্ল্যান করা হচ্ছে। ঢাকার আশেপাশের অন্যান্য উপজেলা বা বিভাগীয় শহরগুলোর সম্বনিত উন্নয়ের মাস্টার প্ল্যান দ্রুত করে বাস্তবায়ন  করতে পারলে ঢাকা বা মূল শহরের শহরের উপর চাপ আর থাকবে না। তিনি আরো বলেন, প্রিপেইড মিটার বিদ্যুৎ ও অর্থ উভয়ই সাশ্রয় করবে। বিল ও সংযোগে অনলাইন সিস্টেম আমাদের নাগরিক জীবন সহজতর করেছে। এগুলোর প্রসার আমাদের শ্রমঘন্টা সাশ্রয় করবে। এ সময় তিনি  পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর বহুতল বিশিষ্ট অফিস ও আবাসিক ভবন, ঝিলমিল -২, ৩৩/১১ কেভি ২০ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র, কোনাখোলা ৩৩/১১ কেভি ২০ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র, চরগলগলিয়া ৩৩/১১ কেভি ২০ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র, ওয়াসপুর ৩৩/১১ কেভি ২০ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র-এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। প্রতিটি উপকেন্দ্র স্থাপন বাবদ ব্যয় হবে ১১.৫০ কোটি টাকা। ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন ও কেরাণীগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ বক্তব্য দেন।
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
৩০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ কিনতে বিপিডিবি ও ইন্ট্রাকো’র চুক্তি সই
আগস্ট ২৭, ২০১৭ রবিবার ১১:১৩ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
রংপুর গঙ্গাচড়া ৩০ মেগাওয়াট (এসি) গ্রীড টাইড সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ কিনতে স্থানীয় বেসরকারি কোম্পানী ইন্ট্রাকো সোলার পাওয়ার লিমিটেড সাথে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি সই করেছে। একই সাথে বিদ্যুৎ বিভাগের সাথে উক্ত কোম্পানী প্রকল্প বাস্তবায়ন চুক্তিও সই করেছে। রোববার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিতে সই করেন বিপিডিবি এর সচিব মিনা মাসুদ উজ্জামান এবং ইন্ট্রাকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রিয়াদ আলী। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে সরকারী প্রণোদনা অব্যাহত থাকবে। সরকার তুলনামূলক বেশি দাম দিয়েও গ্রীন ও ক্লিন এনার্জির উৎপাদন ও ব্যবহার বৃদ্ধির চেষ্টা করছে। ইডকলসহ দেশিয় লিজিং কোম্পানির সোলার পাওয়ার বা নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে অর্থায়নকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, যথাযথ অর্থায়ন বিদ্যুৎ খাতের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করবে। বিদ্যুৎ খাতে বেসরকারি বিনিয়োগকে সরকার সব সময় উৎসাহিত করে এবং করবে।   রংপুর শহর থেকে প্রায় ১৭ কিঃমিঃ দূরে ইন্ট্রাকো ওই পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণ করবে। চুক্তি সইয়ের দিন থেকে পরবর্তী ১৩ মাসের মধ্যে জাতীয় গ্রীডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে। ইতোমধ্যে জমি ক্রয়, প্রযুক্তি এবং পরিবেশ বিষয়ক পরামর্শক নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়েছে। এই সোলার পাওয়ার প্ল্যান্টে অর্থায়ন করবে ইডকলসহ দেশিয় লিজিং কোম্পানি। বিপিডিবি আগামী ২০ বছর পর্যন্ত ১৬ সেন্ট দরে প্রতি ইউনিট  বিদ্যুৎ ক্রয় করবে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ এর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মাঝে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস ও ইন্ট্রাকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রিয়াদ আলী।
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
বিশ্বে প্রথম পূর্ণাঙ্গ ভাসমান বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি হচ্ছে স্কটল্যান্ডে
জুলাই ২৬, ২০১৭ বুধবার ১০:৫৫ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
স্কটল্যান্ডের উত্তর-পূর্ব উপকূলে বিশ্বের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ভাসমান বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্রটি একটি আকার পেতে শুরু করেছে। পরিবেশবান্ধব এ বৈপ্লবিক প্রযুক্তিটি প্রচলিত বটম-স্ট্যান্ডিং টারবাইনের তুলনায় গভীর সমুদ্রের বাতাসকে কাজে লাগিয়ে বায়ু বিদ্যুৎ উৎপাদনে সহায়তা করবে। হাইউইন্ড নামে পরিচিত বায়ুকেন্দ্রটি পরীক্ষামূলকভাবে ২০ হাজার বাড়ির বিদ্যুৎ জোগান দেবে। কেন্দ্রটির নির্মাতা স্টেটঅয়েল জানিয়েছে, এ কেন্দ্রের টারবাইন থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বর্তমান কেন্দ্রগুলোর সমান বা ছাড়িয়ে যাবে। এ প্রযুক্তির বিস্তার থেকে লাভবান হওয়ার আশা করছে স্টেটঅয়েল। বিশেষ করে জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূলে, যেখানে গভীর সমুদ্র রয়েছে। হাইউইন্ড প্রকল্পের পরিচালক লেইফ ডেল্প বলেন, খোলা সমুদ্রে কেন্দ্রের কার্যক্ষমতা নিশ্চিত করতে প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়েছে। এটি ভাসমান বায়ু বিদ্যুতে আমূল পরিবর্তন আনছে। আমরা নিশ্চিত এর ফলে ব্যয় কমে আসবে। এ মুহূর্তে এ ধরনের টারবাইন নির্মাণের ব্যয় অনেক বেশি হলেও ভবিষ্যতে এর দাম নাটকীয়ভাবে কমে আসবে বলে আশা করছে স্টেটঅয়েল। যেভাবে প্রচলিত সামুদ্রিক টারবাইনের নির্মাণ ব্যয় কমে এসেছে। এখন পর্যন্ত নির্মাণস্থলে একটি বিশালাকার টারবাইন নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। আরো চারটি নরওয়ের সামুদ্রিক খাঁড়িতে প্রস্তুতির অপেক্ষায় রয়েছে। চলতি মাসের শেষ নাগাদ সব টারবাইন পিটারহেডের ২৫ কিলোমিটার দূরে বয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। যেখানে বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে দৈত্যাকার টারবাইনগুলো মাছধরা নৌকার মতো ভাসতে থাকবে। ব্লেডসহ বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্রের টাওয়ার ১৭৫ মিটার (৫৭৫ ফুট) প্রসারিত, যা বিগবেনকেও হার মানায়। প্রতিটি টাওয়ারের ওজন সাড়ে ১১ হাজার টন। টারবাইনগুলো সমুদ্রের ১ কিলোমিটার গভীর পর্যন্ত কাজ করতে সক্ষম। বটম-স্ট্যান্ডিং সামুদ্রিক বায়ুকেন্দ্রগুলো থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের দাম ২০১২ সালের পর ৩২ শতাংশ কমেছে, যা ধারণার চেয়েও দ্রুত। বিদ্যুতের দাম এখন সরকারের প্রত্যাশিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে চার বছর এগিয়ে রয়েছে। ফলে আরেকটি বড় দরপতনের আশা করা হচ্ছে। এর ফলে নতুন পারমাণবিক বিদ্যুতের তুলনায় সামুদ্রিক বায়ু বিদ্যুতের দাম অনেক নিচে নেমে যাবে। সূত্র: বিবিসি নিউজ
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
‘কাপ্তাইতে ৭.৪ মেগাওয়াটের সোলার পাওয়ার প্লান্ট নির্মাণ হচ্ছে’
জুলাই ০৯, ২০১৭ রবিবার ১০:৩৭ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, ক্লিন এনার্জির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগকে উৎসাহিত করা হবে। তিনি বলেন, কয়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় কার্বন বা সালফার বা নাইট্রোজেন বা নাইট্রোজেনের যৌগ নিয়ন্ত্রিতভাবে নিঃসরণের বিষয়ে সরকার সজাগ। উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আরো সতর্ক থাকতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আমদানিকৃত বিদ্যুৎও ক্লিন এনার্জি হিসেবে পরিগণিত হয়। প্রতিমন্ত্রী রোববার বিদ্যুৎ ভবনে কাপ্তাইতে ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট সোলার পাওয়ার প্লান্ট নির্মাণের লক্ষ্যে ইপিসি চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, সোলার পার্ক করা হচ্ছে, সেখান থেকে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। এ সময় তিনি সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাকে নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎপাদন, ব্যবহার ও প্রসারে কাজ করার আহ্বান জানান। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সচিব মীনা মাসুদ উজ জামান এবং জেডটিই করপোরেশনের বাস্তবায়ন পরিচালক লি উই এ চুক্তি সই করেন। গ্রিডে সংযোজিতব্য এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইপিসি কন্ট্রাক্টের মোট প্রায় ৯ দশমিক ৩৪ মিলিয়ন ডলার এবং প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের উৎপাদন মূল্য ৫.৪৮ টাকা। এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক এর আর্থিক সহায়তায় এ প্রকল্পটি করা হচ্ছে এবং জুলাই ২০১৮ সালের মধ্যে এটি বাস্তবায়িত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, বিপিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ ও জেডটিই করপোরেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ঝাং ইয়ানমেং বক্তব্য রাখেন।
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করবে বাংলাদেশ
জুলাই ০৭, ২০১৭ শুক্রবার ০৬:৩০ পিএম - দি কাঠমান্ডু পোস্ট
ভারতের জিএমআর আপার কর্নালি হাইড্রোপাওয়ারের সাথে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি (পিপিএ) করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ৯০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার নেপালের আপার কর্নালি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ বলেছে, ভারতের ওপর দিয়ে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি করার ব্যাপারে চুক্তির বিষয়টি চূড়ান্ত করতে এ দেশের সরকারের একটি প্রতিনিধিদল শিগগিরই নেপালের পশ্চিমাঞ্চলে প্রকল্প এলাকা সফর করে আলোচনা শুরু করবে। জিএমআর এনার্জির মূখ্য কার্যনির্বাহী কর্মকর্তা হরবিন্দর মানোচা বলেন, ‘আমরা নেপাল থেকে ভারত হয়ে ৩০০ থেকে ৫০০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ রপ্তানির পরিকল্পনা করছি।      
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সমৃদ্ধির চাবিকাঠি এইচইএলই কয়লা প্রযুক্তি
মে ২১, ২০১৭ রবিবার ১০:৪৫ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আগামীর অর্থনৈতিক উন্নতি এবং জলবায়ু নীতি গ্রহণ ও বাস্তবায়নে উচ্চ দক্ষতার এবং কম কার্বন ডাইঅক্সাইড নি:সরণ ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রযুক্তি (এইচইএলই) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এইচইএলই কয়লা প্রযুক্তি এই অঞ্চলের ৬০ কোটি মানুষের কাছে নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী মূল্যের বিদ্যুৎ পৌঁছে দেবে এবং অবিশ্বাস্যভাবে কার্বন নি:সরণও কমবে। আসিয়ান সেন্টার ফর এনার্জি এবং ওয়ার্ল্ড কোল অ্যাসোসিয়েশনের (ডব্লিউসিএ) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। আসিয়ান দেশগুলোর জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানি, টেকসই উন্নয়নের খরচ ও লাভের বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩৫ সাল নাগাদ আসিয়ান দেশগুলো তাদের কয়লাভিত্তিক উৎপাদন সক্ষমতাকে আধুনিকায়ন করবে। এর মাধ্যমে এ অঞ্চলে সামগ্রিকভাবে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন টন কার্বন নি:সরণ কমবে। এটি যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্বন দূষনের সমপরিমান। অক্সফোর্ড ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি স্টাডিজ’র এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, ২০২৫ সাল নাগাদ দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার কয়লা ব্যবহার সক্ষমতা ১৪৮ গিগাওয়াটে দাঁড়াবে। এটি ২০১৫ সালের চেয়ে ১৩৯ শতাংশ বেশী। ২০২৫ সালের মধ্যে গ্যাসের বদলে কয়লা এই অঞ্চলের এক নম্বর উৎস হিসেবে জ্বালানির স্থান দখল করবে। বিশ্বে অন্যতম দ্রুতবর্ধনশীল অর্থনীতির অঞ্চল আসিয়ান। প্রতিবছর ৬ শতাংশের বেশী অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পূর্বাভাস এ অঞ্চলের। গত ২০ বছরে কোটি মানুষের দারিদ্র্য দূর হয়েছে এবং বিদ্যুৎহীন জনসংখ্যার পরিমাণ অর্ধেকে দাঁড়িয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি ভবিষ্যদ্বানী, ২০৪০ সাল নাগাদ আসিয়ান অঞ্চলের জ্বালানি চাহিদা ৮০ শতাংশ বাড়বে। এক্ষেত্রে কম কার্বন নি:সরণের কয়লা বেশি পছন্দ। এ সময়ে বিদ্যুতের ৫০ শতাংশ উৎপাদিত হবে কয়লা থেকে। ২০২০ থেকে ২০৩৫ পর্যন্ত সব ধরণের কয়লাই আসিয়ান দেশগুলোর জন্য সবচেয়ে কম খরচের বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপায়। এমনকি আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লা উৎপাদনও সব ধরণের নবায়নযোগ্য এবং গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের চেয়ে সাশ্রয়ী। কার্বন নি:সরণ কমানো, অর্থনৈতিক প্রাধিকার বাস্তবায়ন, সাশ্রয়ী এবং নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনে এইচইএলই আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে। সূত্র: ওয়ার্ল্ড কোল ডটকম
ক্যাটাগরি: প্রযুক্তি
‘দরপত্র ছাড়া সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব আর নেওয়া হবে না’
মে ১৫, ২০১৭ সোমবার ০৯:৫৪ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে বেসরকারি খাতের ইন্ডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রোডিউসারদের (আইপিপি) কাছ থেকে বিনা দরপত্রে আর নতুন কোনো প্রস্তাব না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য অনেক বেসরকারি উদ্যোক্তাদের অনুমতি দেয়ার পরও সন্তোষজনক অগ্রগতি না হওয়ায় গত ১৩ এপ্রিল অযাচিত(বিনা দরপত্রে) প্রকল্প প্রস্তাব প্রক্রিয়াকরণ বিষয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওই সভায় সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, এখন পর্যন্ত সোলার বিদ্যুৎ সংক্রান্ত আইপিপি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়। অথচ প্রতিনিয়ত অযাচিত প্রস্তাব দাখিল করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ খাতের নীতি নির্ধারণী সংস্থা পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন বলেন, আগামী ২০২০ সালের মধ্যে দেশে উৎপাদিত বিদ্যুতের ১০ শতাংশ অর্থাৎ দুই হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মূলত সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকেই এই বিদ্যুতের বড় অংশ উৎপাদিত হবে। এই বিদ্যুৎ উৎপাদনে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করা ও প্রণোদনা দেয়ার সিদ্ধান্তও গ্রহণ করা হয়। এরই অংশ হিসেবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন ২০১০ এর আওতায় বিদ্যুৎ বিভাগ নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক অযাচিত প্রকল্প প্রস্তাব গ্রহণ করে। সাধারণত আগ্রহী উদ্যোক্তরা সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগে আবেদন করার পর বিদ্যুৎ সচিবের নেতৃত্বে গঠিত প্রকল্প প্রস্তাব প্রক্রিয়াকরণ কমিটি নতুন প্রকল্প গ্রহণ করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যুৎ বিভাগের  এক কর্মকর্তা জানান, এখন পর্যন্ত ৬৯টি প্রকল্প প্রস্তাব বিদ্যুৎ বিভাগে জমা পড়েছে। এর মধ্যে গত এপ্রিল পর্যন্ত ১৮টি প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর নীতিগত সম্মতি লাভ করে। এই ১৮টি প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এক হাজার ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে। এগুলোর মধ্যে চারটি প্রকল্পের স্পন্সরের সাথে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এর বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি (পিপিএ) স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মোট ক্ষমতা ৩০২ মেগাওয়াট। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো প্রকল্পেই আশানুরুপ অগ্রগতি নেই। একটি সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রও বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করতে পারেনি। অথচ চুক্তি সইয়ের পর সাধারণত ১০০ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎ সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে এক বছরের মতো সময় প্রয়োজন হয়। আর মোট ৫২৮ মেগাওয়াট ক্ষমতার নয়টি প্রকল্পের স্পন্সরের অনুকূলে বিভিন্ন সময় ইচ্ছাপত্র (লেটার অব ইনটেন্ট) ইস্যু করা হলেও তারা সাড়া দিচ্ছে না। অবশিষ্ট পাঁচটি প্রকল্প প্রস্তাব প্রক্রিয়াকরণ কমিটির বিবেচনাধীন রয়েছে। এছাড়া স্থাপিতব্য দুই হাজার ১৪৭ মেগাওয়াট ক্ষমতার ১৭টি কেন্দ্রের প্রস্তাব বিশেষ আইনে বিবেচনার জন্য ভূমি পরিদর্শন কমিটির বিবেচনাধীন রয়েছে। বাকি ৩৪টি প্রস্তাব আর বিবেচনায় নেওয়া হবে না বলে জানা গেছে। সভায় আরো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়,স্পন্সরকে আবশ্যিকভাবে ইচ্ছাপত্র (এলওআই) ইস্যুর পর দুই মাসের মধ্যে বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি সই করতে হবে। ছয় মাসের মধ্যে আর্থিক সংস্থান সম্পন্ন করতে হবে। তা না হলে এলওআই বাতিল করা হবে। এছাড়া যেসব প্রকল্প বিশেষ বিধানের আওতায় অগ্রসর হয়ে ইতোমধ্যে কারিগরি কমিটি ও ভূমি পরিদর্শন কমিটিতে  বিবেচনাধীন রয়েছে সেসব প্রকল্প প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন করা হবে। সরকার প্রয়োজনে বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীর কাছ থেকে দরপত্র আহ্বান করে স্পন্সর নিয়োগ করবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে।  
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
‘নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে গ্রিন ব্যাংকিং কার্যক্রম আরো বাড়ানো প্রয়োজন’
এপ্রিল ১৬, ২০১৭ রবিবার ০৫:০২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(স্রেডা) বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার, উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা এবং জ্বালানির দক্ষতা অর্জনে কাজ করছে। রোববার সিলেটে ‘টেকসই জ্বালানি প্রসারে গ্রিন ব্যাংকিং এর ভুমিকা’ শীর্ষক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এ কথা বলেন। জার্মান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (জিআইজেড), টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) যৌথভাবে ওই কর্মশালার আয়োজন করে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি বিস্তার করার জন্য পরিবেশবান্ধব অর্থায়ন বা গ্রিন ব্যাংকিং কার্যক্রম আরো বাড়ানো প্রয়োজন। বাংলাদেশ ব্যাংকের এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেয়া দরকার। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে প্রয়োজন নিয়মিত অর্থযোগান। নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যয়বহুল বিধায় প্রাথমিকভাবে স্বল্প সুদে বা বিনা সুদে অর্থায়ন প্রয়োজন। পরিবেশ বান্ধব জ্বালানি ব্যবহার বাড়াতে পারলে এসডিজি অর্জন সহজতর হবে বলে মনে করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব অর্থায়ন সহায়ক অবকাঠামো তৈরি শুধু টেকসই জ্বালানি উন্নয়নের জন্যই নয়, বরং সামগ্রিকভাবে পরিবেশ উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব ও টেকসই অর্থনীতির  দিকে দেশের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাংক এবং আর্থিক সংস্থার প্রতিনিধিদের  প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। সিলেটে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে টেকসই জ্বালানি উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের সচেতনতা তৈরি ও তথ্য প্রদান এবং পরিবেশবান্ধব অর্থায়নের ক্ষেত্রে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির উপর জোর দেয়া হয়েছে। সরকারের গৃহীত গ্রিন ব্যাংকিং নীতিমালা ও বিভিন্ন কার্যক্রমের সাফল্য নিশ্চিত করা এবং দেশে পরিবেশবান্ধব অর্থায়নের উপযোগী অবকাঠামো তৈরির জন্য এ ধরনের প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে অংশগ্রহণকারীরা মতামত প্রদান করেন। বিআইবিএম এর মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে স্রেডার চেয়ারম্যান মোঃ হেলাল উদ্দিন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্ণর এস কে সুর চৌধুরী, সিলেটের জেলা প্রশাসক মোঃ রাহাত আনোয়ার এবং বাংলাদেশে জার্মান দুতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন মাইকেল শুলখেই বক্তব্য দেন।  
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
‘সৌর শক্তি থেকে ২৬ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষম’
মার্চ ২২, ২০১৭ বুধবার ০২:৫১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
সূর্যের আলোর অন্তত চার ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ ২৬  শতাংশের মতো শক্তিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর করতে পারে এমন সৌর প্যানেল বানিয়েছে বিজ্ঞানীরা। এত বেশি সামর্থ্য আগে কোনো সৌর প্যানেল দেখাতে পারেনি। তাই জাপানের একদল গবেষকের এটা বড় সাফল্য। নেচার এনার্জি সাময়িকী জানায়, ওই গবেষকেরা সিলিকনের সৌর প্যানেল বানিয়েছেন। এটি অন্য যেকোনো প্যানেলের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর অর্থাৎ সূর্য থেকে সংগৃহীত ২৬ দশমিক ৩ শতাংশ শক্তিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর করতে পারে। এখন বড় পরিসরে সিলিকন সৌরকোষ তৈরির জন্য উপযুক্ত প্রক্রিয়া ব্যবহার করলে ২৬ শতাংশ পর্যন্ত কার্যকারিতা মিলেছে। অবশ্য এসব নতুন প্যানেল এখনো বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির উপযোগী হয়নি। গবেষণায় এটির কার্যকারিতা প্রমাণিত হলেও বাণিজ্যিকভাবে বাজারজাত করার আগে আরও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। গাছের পাতাকে প্রাকৃতিক সৌর প্যানেল বলা যায়। সেটার সালোকসংশ্লেষণ সক্রিয়তা ৩ থেকে ৬ শতাংশের মতো হয়ে থাকে। জাপানে ওই গবেষণায় যুক্ত বিজ্ঞানীরা বলছেন, নতুন প্যানেলটির সক্রিয়তা তাঁরা আরও বাড়ানোর উপায় খুঁজে পেয়েছেন। তাহলে এটি ২৯ দশমিক ১ শতাংশ পর্যন্ত সূর্যালোককে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে পরিণত করতে পারবে। ওসাকার কানেকা করপোরেশনের ওই গবেষক দলের বক্তব্য হচ্ছে- সিলিকন সৌর কোষের কার্যকারিতা বৃদ্ধির ব্যাপারটা আরও বেশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করবে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, যেমন আজীবন ব্যবহার্য এবং দৃষ্টি-সম্পর্কিত জিনিসপত্রেরও আধুনিকায়ন দরকার। এতে সেগুলো বারবার পরিবর্তনের প্রয়োজন ফুরাবে। সূত্র: ইন্ডিপেনডেন্ট      
ক্যাটাগরি: দক্ষতা ও সংরক্ষণ
‘কীটপতঙ্গ দমনে সৌরশক্তি চালিত নতুন আলোক ফাঁদ উদ্ভাবন’
মার্চ ২০, ২০১৭ সোমবার ০৯:১৬ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ফসলের মাঠে কীটপতঙ্গ দমনের জন্য সৌরশক্তি চালিত নতুন আলোক ফাঁদ উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের এক গবেষক। এই ফাঁদ দেশের ফসলের মাঠে কীটপতঙ্গ শনাক্তকরণ, পর্যবেক্ষণ ও দমনে সহায়ক হবে। নতুন এই আলোক ফাঁদ মাঠে একবার স্থাপন করলে সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সূর্যের আলোর অনুপস্থিতিতে জ্বলে উঠবে এবং সূর্যের আলোর উপস্থিতিতে আবার নিভে যাবে। বাংলাদেশে ফসলের মাঠে পোকা দমনের জন্য মূলত রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, যা মারাত্মক ক্ষতিকর। এই রাসায়নিক ব্যবহার থেকে মুক্তি পেতে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা এক ধরনের আলোক ফাঁদ উদ্ভাবন করেছেন। বিজ্ঞানীরা বলছেন নতুন এ উদ্ভাবন, ক্ষতিকর কীটনাশকের ব্যবহার কমানোর পাশাপাশি পরিবেশ নির্মল থাকবে। ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উর্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বিধান চন্দ্র নাথ বলেন, আলোকে আকর্ষণ করে পোকাগুলো আলোর কাছে আসবে এবং ফাঁদে পড়ে মারা যাবে। সূর্য অস্ত যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আলোক ফাঁদ অটোমেটিক জ্বলে উঠবে এবং দেড় বিঘা জমিতে একটি আলোক ফাঁদ রাখলেই কাজ হবে। কিভাবে এটি স্থাপন করা হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একটা আলোক ফাঁদের জন্য স্বচ্ছ ২০ ওয়াটের একটি সৌর প্যানেল লাগবে। আলোক ফাঁদের নিচে একটি পাত্রে পানি ও কেরোসিন তেল থাকবে। পোকাগুলো কাছে এসে সেখানে পড়বে। বিজ্ঞানী বিধান বলেন, ১০০ মিটার পর্যন্ত দূর থেকে পোকা আসে। আর এটি নিয়মিত পরিষ্কার করা দরকার হয়না। ৭/৮ দিন পর গিয়ে পানি পরিবর্তন করে মৃত পোকাগুলোকে ফেলে দিলেই হবে। তিনি বলেন, এটি তৈরিতে খরচ অনেক কম। আর ব্যবহার করা যাবে দীর্ঘদিন ধরে।
ক্যাটাগরি: প্রযুক্তি
‘তরুণ শিক্ষার্থীদের নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত করতে হবে’
মার্চ ১৫, ২০১৭ বুধবার ১১:০৬ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
সবুজ প্রযুক্তি ব্যবহারে তরুণ প্রজন্মকে উৎসাহিত করতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নবায়নযোগ্য শক্তি বিষয়ক এক সম্মেলনের উদ্বোধনীপর্বের প্রধান অতিথি তৌফিক বলেন, সাধারণ শক্তির উৎস সীমিত হওয়ায় আমাদের বিকল্প শক্তির উৎস তথা নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারে নজর দিতে হবে। অভিভাবক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণ ও তরুণ শিক্ষার্থীদের নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত করে আরো সবুজতর বাংলাদেশ গঠনে অবদান রাখতে পারেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শক্তি ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশ সৌরশক্তি সমিতি (বিএসইএস) যৌথভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে চার দিনব্যাপি জাতীয় নবায়নযোগ্য শক্তি ও সবুজ প্রদর্শনী-২০১৭ এর আয়োজন করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী পর্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-স্রেডা’র চেয়ারম্যান মো. হেলাল উদ্দিন, বাংলাদেশের প্রকৌশলীদের সংগঠন আইইবির সভাপতি কবির আহমেদ ভুঁইয়া, গ্রিনটেক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের সভাপতি মুহাম্মদ আব্দুল মজিদ, জার্মানির এনার্জি রিভলিউশনের প্রতিষ্ঠাতা ম্যাথিয়াস গেলবার। বিশ্ববিদ্যালয়ের শক্তি ইনস্টটিউটের পরিচালক অধাপক সাইফুল হক বলেন, এ বছরের সম্মেলনে বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদী নবায়নযোগ্য শক্তি পরিকল্পনা উন্নয়ন বিষয়ক আলোচনা প্রাধান্য পাবে। বিএসইএস সভাপতি মুহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারে বিশ্বের সর্বশেষ প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন উপস্থাপনের পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে তরুণ শিক্ষার্থীদেরকে সবুজ আন্দোলনে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্মেলনের প্রথম দিনে বিকেলে দুটি ভিন্ন অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন বানিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এবং ঢাকা মহানগরের (দক্ষিন) মেয়র সাঈদ খোকন। জ্বালানি ক্ষেত্রে সরকারের অর্জন নিয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ সরকার গত আট বছরে অনেক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করেছে। যা বাংলাদেশের বিভাগীয় শহরগুলোর ৬৮ শতাংশ মানুষকে গ্রীড বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এনেছে। প্রধানমন্ত্রী ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সবাইকে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা দিতে চান। বিকেলে অন্য অধিবেশনের প্রধান অতিথি মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, সরকারের একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে যে একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরী করা হবে যেটির জ্বালানির একমাত্র উৎসই থাকবে শহরের আবর্জনা। সরকারি হিসাব মতে, গার্মেন্টস এবং শহরাঞ্চল থেকে প্রায় দুইশ মেট্রিক টন বর্জ্য উৎপন্ন হচ্ছে। বর্তমান সরকার কেরানীগঞ্জে একটি সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করার জন্য একটি পাইলট প্রকল্প হাতে নিয়েছে। বর্তমানে এটির সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। 
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
বায়োগ্যাসের আলোয় আলোকিত রংপুরের পুটিমারীর ৭৫ পরিবার
ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ০১:৪৪ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
রংপুরের সদর উপজেলার চন্দনপাট ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে নির্মিত পরিবেশবান্ধব বায়োগ্যাস প্লান্টে উৎপাদিত বায়োগ্যাস দ্বারা উৎপাদিত বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হয়েছে পুটিমারী গ্রামের ৭৫টি পরিবার। প্রত্যন্ত ওই এলাকায় এখন পর্যন্ত বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি।রাত হলেই ঘোর অন্ধকারে কুপির মিটিমিটি আলোয় চলতো গৃহস্থালীর কাজ। ছেলেমেয়েরা কুপির স্বল্প আলোতে কোনমতে পড়ালেখার কাজ চালাতো। একে তো স্বল্প আয়ের মানুষের বসবাস সেখানে আবার কেরোসিনের দাম বৃদ্ধিতে ছেলেমেয়েদের জন্য কুপির আলো বরাদ্দ থাকতো কম। ফলে পড়ালেখায় অনুৎসাহিত হয়ে পড়তো ছেলেমেয়েরা। ছেলেমেয়েদের পড়ালেখায় উৎসাহ এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সরকারের নেয়া উদ্যোগে শুরু হয় স্থানীয়ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজ। গত ২২ ফেব্রুয়ারি চন্দনপাট ইউনিয়নের পুটিমারী শ্যামপুর রেলবস্তিতে নির্মিত স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ গভর্ন্যান্স প্রজেক্ট (ইউপিজিপি) এবং দ্বিতীয় লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট (এলজিএসপি-২) এর যৌথ অর্থায়নে চার লাখ টাকা ব্যয়ে ওই বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট উদ্বোধন করা হয়। রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কাজী হাসান আহমেদ এর উদ্বোধন করেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার রংপুরের উপ-পরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীন, রংপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান নাছিমা জামান ববি, সদরের নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, ৩ নং চন্দনপাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান, স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল মালেক হিটলার, ইউপি সচিব মোকছেদুর রহমান প্রমুখ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার কাজী হাসান আহমেদ বলেন, চন্দনপাট ইউনিয়নের প্রত্যন্ত একটি এলাকা শ্যামপুর রেলবস্তি। এখানকার হতদরিদ্র মানুষদের বৈদ্যুতিক সংযোগ স্থাপনের কোন সামর্থ্য নেই। সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে ইউপিজিপি প্রজেক্টের আওতায় বস্তির ৭৫টি পরিবারে বায়োগ্যাস প্ল্যান্টের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ হলে তাদের জীবনযাত্রার মান অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে। তিনি পর্যায়ক্রমে প্রত্যন্ত এলাকার প্রতিটি বাড়িতে আলো পৌঁছে দেয়ার আশ্বাস প্রদান করেন এবং উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের আহ্বান জানান। শ্যামপুর রেলবস্তির হতদরিদ্র জনগোষ্ঠির কর্মসংস্থান ও বিদ্যুৎবিহীন এলাকা হওয়ায় শিক্ষার মান বৃদ্ধি কল্পে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও পরিবেশ দূষনরোধে হতদরিদ্র পরিবারকে একটি করে গরু প্রদান পূর্বক কমিউনিটি ভিত্তিক বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট প্রকল্প এর আওতায় বস্তি এলাকার ৭৫টি পরিবার এ সুবিধা ভোগ করছেন। প্রজেক্টের আওতায় ইউপিজিপি’র দেওয়া ২ লাখ ৬৪ হাজার এবং (এলজিএসপি-২) এর ২ লাখ ৩৪ হাজার টাকা ব্যয়ে এবং বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট প্রকল্প থেকে দেয়া গরু এবং সুবিধাভোগিদের গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগির গোবর-বিষ্ঠাসহ অন্যান্য পচনশীল বর্জ পদার্থ দিয়ে বায়োগ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে। একইসাথে উৎপাদিত হচ্ছে বায়োস্লারি। যা জৈব সার হিসেবে জমিতে ব্যবহারের জন্য সুবিধাভোগীদের মাঝেই বন্টন করা হচ্ছে। সূত্র: বাসস
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
‘শেটল্যান্ড ইউরোপে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে পরাক্রমশালী’
ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৭ সোমবার ১১:৩৮ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাতাসের প্রচন্ড গতি এবং স্রোতের তীব্রতার কারণে উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের শেটল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ ইউরোপে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে পরাক্রমশালী হয়ে উঠেছে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করায় বর্তমানে বিপাকে পড়তে হচ্ছে ওই দ্বীপপুঞ্জকে। শেটল্যান্ডের ব্লুমুল সাউন্ডে তিনটি ১০০ কিলোওয়াটের টারবাইন স্থাপন করেছে নোভা ইনোভেশন। নোভা ইনোভেশনের শেটল্যান্ড উন্নয়ন কর্মকর্তা পাট্রিক রস-স্মিথ জানান, স্কটল্যান্ডের মধ্যে জোয়ারের শক্তির দিক থেকে সবচেয়ে ভাগ্যবান শেটল্যান্ড। খরস্রোতা জোয়ারের কারণে গোটা ইউরোপের সম্ভাব্য সামুদ্রিক জ্বালানির প্রায় ২৪ শতাংশই রয়েছে স্কটল্যান্ডে। তিনি বলেন, স্কটল্যান্ডের প্রভাব শেটল্যান্ডের ওপরও পড়ছে, যা সত্যিই ইতিবাচক একটি বিষয়। তবে টারবাইনের সাফল্য দ্বীপপুঞ্জটিকে বেকায়দা অবস্থায় ফেলেছে। শেটল্যান্ড গ্রিড নিজেই এখন সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে বলে জানান নোভার কর্মকর্তা। আর কোনো নবায়নযোগ্য শক্তি ধারণের ক্ষমতা নেই গ্রিডটির। বায়ু ও সমুদ্রস্রোত ব্যবহার করে দ্বীপপুঞ্জটির মোট চাহিদার মাত্র ১০ শতাংশ নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদনের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এ কারণে সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও এত অল্প পরিমাণ নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদন করতে সক্ষম হচ্ছে শেটল্যান্ড। এছাড়া শেটল্যান্ড ও ব্রিটেনের মূল ভূখণ্ডের মধ্যে কোনো সংযোগ না থাকায় অতিরিক্ত জ্বালানি উৎপাদন করলেও তা আদতে কোনো কাজে আসবে না। এ কারণে প্রায়ই টারবাইনগুলো বন্ধ রাখতে হয়। শেটল্যান্ড ও মূল ভূখণ্ডের মধ্যে ২০০ মাইলের একটি সংযোগ লাইন স্থাপনের প্রস্তাবনা পেশ করা হলেও তার বাস্তবায়ন এখনো অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। উল্লেখ্য, গত শতাব্দীর সত্তরের দশকে শেটল্যান্ডে তেল শিল্পের উত্থান হয়। দ্বীপপুঞ্জটির ‘ব্রেন্ট ক্রুড’ বিশ্বের তেল বেচাকেনায় বেঞ্চমার্কে পরিণত হয়। শেল, টোটালের মতো বড় তেল কোম্পানিগুলো শেটল্যান্ড থেকে তেল উত্তোলন করে থাকে। তবে ১৯৯৩ সালে এমভি ব্রেয়ার তেল ট্যাংকারে দুর্ঘটনা ঘটলে সাগরে ৮৪ হাজার ৭০০ টন তেল ছড়িয়ে পড়ে। এতে মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয় শেটল্যান্ডের জীববৈচিত্র্য। এ ঘটনার পর তেল নির্ভরশীলতার পরিবর্তে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে আগ্রহী হয়ে ওঠে দ্বীপপুঞ্জটি। কয়েক দশক ধরে উত্তর সাগরের উপকূলীয় জ্বালানি শিল্পের ওপর নির্ভরশীল শেটল্যান্ড। গত মাসে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পটির সর্বশেষ সংযোজনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সর্বশেষ সংযোজনে সমুদ্রগর্ভে লাগানো টারবাইন জোয়ারকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ করবে। দ্বীপপুঞ্জটির বাসিন্দারা পর্যন্ত বর্তমানে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকে পড়ছেন। নিজেদের বাড়ির বাগানে ছোট ছোট উইন্ড টারবাইন লাগানোর পাশাপাশি ছাদে তারা সোলার প্যানেল লাগাচ্ছেন। প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ উৎপাদনে এখনো শতভাগ স্বয়ংসম্পন্ন না হলেও চাহিদা মেটাতে অনেকটা সক্ষমতা অর্জন করেছেন তারা। সূত্র: এএফপি
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় ১ মেগাওয়াট বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধন
ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৭ শুক্রবার ০৭:০২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের বাইরে কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় শুক্রবার এক মেগাওয়াট বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, বর্তমানে ৪৩৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপন্ন হচ্ছে। কয়েক মাস আগে চালু হওয়া ওই কেন্দ্র থেকে ৫৫০ জন গ্রাহক বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়েছে। যারা গ্রিড এলাকার দামেই বিদ্যুতের সরবরাহ পাচ্ছে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে প্রায় ২৪ কোটি টাকা ব্যয়ে এ কেন্দ্রটি নির্মাণ করেছে। কুতুবদিয়ায় নবনির্মিত এই বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বায়ু হতে উৎপন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মধ্যে তৃতীয় । ৫০ ওয়াট ক্ষমতার মোট ২০টি টারবাইনের মাধ্যমে এ কেন্দ্রে দৈনিক প্রায় এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। বাকি দুইটি বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মধ্যে ফেনীর মহুরীরচরে একটি, অন্যটি কক্সবাজারের কুতুবদিয়াতেই। এই দুইটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদনক্ষমতাও এক মেগাওয়াট করে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নসরুল হামিদ বলেন, নবায়নযোগ্য উৎস হতে উৎপন্ন বিদ্যুৎ ব্যয়বহুল হলেও পরিবেশবান্ধব। পরিবেশের সুরক্ষা করেই উন্নয়ন কার্যক্রম চালানো হবে। তিনি আরো বলেন, সুষম ও টেকসই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখা হবে। আর উন্নয়নের নিয়ামক হলো বিদ্যুৎ । অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য আশিক উল্লাহ রফিক, বিদ্যুৎ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব ডঃ আহমদ কায়কাউস ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
উইন্ড পাওয়ার সেক্টরে প্রবেশ করছে রোসাটম
ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০১৭ শনিবার ১০:৪২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
রুশ রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন- রোসাটমের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ‘ওটেক’ এবং উইন্ড পাওয়ার সেক্টরে বিশ্বের অন্যতম ডাচ প্রতিষ্ঠান ‘ল্যাগারওয়ে সিস্টেম্স্’এর মধ্যে একটি অংশীদারিত্তের চুক্তি অনুমোদন করেছে রাশিয়া। এই পার্টনারশিপ চুক্তির আওতায় রাশিয়ায় যৌথ উদ্যোগে উইন্ড টার্বাইন নির্মিত হবে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে রোসাটমের প্রথম উপ-মহাপরিচলাক কিরিল কামারভ জানান, “আমরা শুধু বায়ুকলই তৈরি করবো না। উইন্ড পাওয়ার সেক্টরের জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যাবস্থার উন্নয়ন, মানব সম্পদ প্রশিক্ষণ, পণ্যের লোকালাইজেশন, সার্টিফিকেশন, গবেষণা ও উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয় আমাদের কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করবো।” “তার মতে ভবিষ্যৎ এনার্জি ব্যালেন্স পারমাণবিক ও নবায়নযোগ্য জ্বালানী প্রযুক্তি নির্ভর হবে। লো-কার্বন এনার্জি প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আমাদের পোর্টফোলিওতে বৈচিত্র্য আনয়নের লক্ষ্যে আমরা এই সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছি।” রাশিয়ায় ২০২৪ সাল নাগাদ ৩.৬ গিগাওয়াট ঘণ্টা উইন্ড পাওয়ার উৎপন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে রাশিয়ায় বর্তমানে ৬.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের উইন্ড পাওয়ার মার্কেট বিদ্যমান। ২০১৮-২০২০ সালের মধ্যে রোসাটম ৬১০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন বায়ুকল নির্মাণ করবে। এক্ষেত্রে পণ্যের লোকালাইজেশনের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এর হিসাব অনুযায়ী বর্তমান বিশ্বে ‘গ্রীন’এনার্জির ৩৮ শতাংশ আসে পারমাণবিক প্রযুক্তির ব্যাবহারের মাধ্যমে। বিশেষজ্ঞদের মতে পারমাণবিক ও রিনিউয়েবল প্রযুক্তি একে-অপরের পরিপূরক। পারমাণবিক প্রযুক্তি দিন-রাত ২৪ ঘন্টা ‘বেজ লোড’ নিশ্চিত করে এবং আবহাওয়ার ওপর নির্ভরশীল নয়। অন্যদিকে, নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রযুক্তিকে মূলত আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করতে হয়।
ক্যাটাগরি: প্রযুক্তি
    সাম্প্রতিক গ্রীণ এনার্জি এর খবর
কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় ১ মেগাওয়াট বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধন
উইন্ড পাওয়ার সেক্টরে প্রবেশ করছে রোসাটম
‘নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক ১৬টি বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি’
‘২০২০ সালের মধ্যে জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা ১৫%’
২০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কিনতে সাউদার্ণ সোলার সাথে বিপিডিবি’র চুক্তি সই
‘কয়লার চেয়ে সৌর ও বায়ু বিদ্যুতের দাম সস্তা হচ্ছে’
বিশ্বের প্রথম সৌর সড়কের উদ্বোধন করলো ফ্রান্স
১৮৬টি সৌর সেচ পাম্প স্থাপনে গাজী রিনিউবেল এনার্জিকে ঋণ দিচ্ছে ইডকল
চীনের ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে ঋণ দিয়েছে ব্রিকস ব্যাংক
দেশের আরো চারটি স্থানে ইজিবাইক সোলার চার্জিং স্টেশন স্থাপন হচ্ছে
‘ঢাকা শহরের বর্জ্য থেকে দৈনিক ৭৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব’
নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা কয়লাকে ছাড়িয়েছে
নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ কমাতে আরো গবেষণা প্রয়োজন
জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি ও সংরক্ষণ নিয়ে স্রেডার সাথে ইইএসএল এর সমঝোতা সই
সৌদিতে বায়ুচালিত টারবাইন স্থাপন করবে সৌদি আরামকো ও জেনারেল ইলেকট্রিক
জ্বালানি সাশ্রয়ে দক্ষ যন্ত্রাংশ ব্যবহারে নিরীক্ষা বাধ্যতামূলক হচ্ছে
নবায়নযোগ্য জ্বালানি দিয়ে পুরো দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করলো পর্তুগাল
নওগাঁয় বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এবং দুর্ঘটনামুক্ত পানি গরম করার যন্ত্র উদ্ভাবন
সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনে জার্মানির সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ
বাংলাদেশে বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে আগ্রহী সিঙ্গাপুর
বিশ্বের প্রথম সৌরশক্তি চালিত পার্লামেন্ট চালু পাকিস্তানে
৩২ মেগাওয়াটের সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র হচ্ছে সুনামগঞ্জে
বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি উৎপাদনে আগ্রহী সুইডেন
মরক্কোতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন
নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে মাস্টার প্ল্যান হচ্ছে
নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ক তিন দিনব্যাপি প্রদর্শনী শুরু ২৭ জানুয়ারি
সৌরবিদ্যুৎ থেকে ইজিবাইকের ব্যাটারী চার্জিং ষ্টেশনের যাত্রা শুরু
দেশে প্রথম ইজিবাইকের সোলার চার্জিং স্টেশন উদ্বোধন হবে শুক্রবার
আন্তর্জাতিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি সংস্থার ৬ষ্ঠ সম্মেলন বাংলাদেশের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy

   Editor & Publisher: Aminur Rahman
   Copyright @ 2015-2017 energynewsbd.com
   All Rights Reserved | Developed By: Jadukor IT