ঢাকা, শনিবার, আগস্ট ২৪, ২০১৯, ভাদ্র ৯, ১৪২৬ ০৯:০৮ এএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
গ্রীণ এনার্জি
চাঁদপুরে ১০০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করবে জুলস পাওয়ার
চাঁদপুর অর্থনৈতিক অঞ্চলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে ১৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের লক্ষ্যে জুলস পাওয়ার লিমিটেড (জেপিএল) এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এর আওতায় ওই অর্থনৈতিক অঞ্চলটিতে ১০০ মেগাওয়াটের সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করবে জেপিএল। এজন্য জেপিএল চাঁদপুর অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৫০০ একর জমি চেয়েছে। গত ২৪ ডিসেম্বর ঢাকায় বেজা কার্যালয়ে ওই চুক্তি সই হয়। এতে বেজার পক্ষে চুক্তিতে সই করেন এর নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী। আর জেপিএলর সই করেন এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূহের লতিফ খান। এসময় উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ নিয়ে বেজা চাঁদপুর অর্থনৈতিক অঞ্চলে তিনটি বড় বিনিয়োগ প্রস্তাব পেল। সব কটিই সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্প। প্রায় চার হাজার একর আয়তনের চাঁদপুর অর্থনৈতিক অঞ্চলটি বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্যই প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। এটি হবে চাঁদপুরের উত্তর মতলবে। এ ব্যাপারে নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী বলেন, এটা প্রাথমিক সমঝোতা। চূড়ান্তভাবে জমি দেওয়ার বিষয়টি নির্ভর করবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এর ওপর। তারা যদি এ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়, তাহলেই কেবল বেজা জমি বরাদ্দের বিষয়টি বিবেচনা করবে। চাঁদপুরে দুটি অর্থনৈতিক অঞ্চল হবে। একটি হবে উত্তর মতলবে। অন্যটি হবে হাইমচরে। উত্তর মতলবেই বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য অনুন্নত জমি দেবে বেজা, যা বিনিয়োগকারীদের ভরাট করে নিতে হবে। বেজা একই অর্থনৈতিক অঞ্চলে গত বছর জুন মাসে এক হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য জমি দিতে পাওয়ার চায়না নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারকে সই করে। এরপর গত ফেব্রুয়ারিতে নরওয়ের স্ক্যাটেক সোলার এএসএ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একই ধরনের আরেকটি সমঝোতা স্মারকে সই করা হয়। স্ক্যাটেক চাঁদপুরে ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব দেয়। বাংলাদেশে স্ক্যাটেকের বিনিয়োগ প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগী হিসেবে কাজ করবে এস কে খান অ্যান্ড কোম্পানি। স্ক্যাটেক বাংলাদেশে ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করার পরিকল্পনা করেছে।  জেপিএল এর কর্মকর্তারা জানান, তারা সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের পাশাপাশি চাঁদপুর অর্থনৈতিক অঞ্চলে একটি মাল্টিপারপাস জেটি ও ৩৭ কিলোমিটার বিস্তৃত ১৩২ কেভির একটি সঞ্চালন বা ট্রান্সমিশন লাইন স্থাপন করবে। তারা আরো জানায়, তাদের বিনিয়োগে কক্সবাজারের টেকনাফে ২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র গত সেপ্টেম্বরে চালু হয়েছে। এটি বাংলাদেশের একমাত্র সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প, যা বর্তমানে মানুষের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিচ্ছে। নূহের লতিফ খান বলেন, বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি খাত। সরকারের বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি বা পাওয়ার পারচেজ অ্যাগ্রিমেন্টস (পিপিএ) ও বাস্তবায়ন চুক্তি বা ইমপ্লিমেন্টেশন অ্যাগ্রিমেন্ট (আইএ) থাকার কারণে এ খাতে বিনিয়োগের বিপরীতে অধিক মুনাফা পাওয়া যায়। ফলে বিদ্যুৎ খাতে নতুন নতুন বিনিয়োগে উদ্যোক্তারা আগ্রহী হচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, তাঁদের প্রস্তাবিত প্রকল্পে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ ফার্নেস অয়েলভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর এখনকার খরচের চেয়ে বেশি হবে না। পাশাপাশি তেলের দামের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচে যে ওঠানামা হয়, সৌরবিদ্যুতে সেটা হবে না। তিনি আরও বলেন, চাঁদপুরে নতুন প্রকল্পের জমির জন্য সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর এখন বিপিডিবির কাছে অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হবে। সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রে জমি বেশি লাগে। তাই জমির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা আগে দরকার।  
‘বেসরকারী খাতে আরো ৬ সৌর ও বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে অনুমোদন’
ডিসেম্বর ২৬, ২০১৮ বুধবার ০৩:৪৫ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বেসরকারী খাতে মোট ২৫৭ মেগাওয়াটের আরো ৫টি সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ একটি বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। গত সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সরকারী ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত ছয়টি ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়। কমিটির সভাপতি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এতে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোসাম্মৎ নাসিমা বেগম সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলায় ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। দুই হাজার ৮৬৫ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়নে যৌথভাবে কাজ পেয়েছে সিআইআরই এবং বিপিডিবি-আরপিসিএল পাওয়ারজেন লিমিটেড। এ বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে সরকার প্রতি কিলোওয়াট পার আওয়ার ৮ টাকা ৮৪ পয়সা হারে ২০ বছর মেয়াদে বিদ্যুৎ ক্রয় করবে। তিনি আরো বলেন, পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলাধীন অমরখানা ও শালডাঙ্গা মৌজায় ৪৭ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনেরও ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। ১ হাজার ৩৭১ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে যৌথভাবে কাজ পেয়েছে জার্মানির প্রতিষ্ঠান কনসোর্টিয়াম অব আইবি ভক্ট, মিলার জিএমবিএইচ, এবং বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠান ফা-ওয়াং বইলিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড। এ প্রকল্প থেকে সরকার প্রতি কিলোওয়াট পার আওয়ার ৯ টাকা ২০ বছর মেয়াদে বিদ্যুৎ ক্রয় করবে। পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলায় ২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার আরও একটি সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। ৫৫৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কাজ পেয়েছে রহিম আফরোজ-শানফিং কনসোর্টিয়াম। এ প্রকল্প থেকে সরকার প্রতি কিলোওয়াট পার আওয়ার ৮ টাকা ৬০ পয়সা হারে ২০ বছর মেয়াদে বিদ্যুত ক্রয় করবে। নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলায় ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। ১ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কাজ পেয়েছে নরওয়ে ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান স্কেটিক সোলার আশা। এ প্রকল্প থেকে সরকার প্রতি কিলোওয়াট পার আওয়ার ৮ টাকা ৯৬ পয়সা হারে ২০ বছর মেয়াদে বিদ্যুৎ ক্রয় করবে। মৌলভীবাজার জেলার সদর উপজেলার মহুরী বাধ এলাকায় ১০ মেগাওয়াট ক্ষমতার আরও একটি সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। ২৮৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কাজ পেয়েছে সিমবায়র সোলার সিয়াম এ্যান্ড হ্ল্যোন্ড কনসোর্টিয়াম। এ প্রকল্প থেকে সরকার প্রতি কিলোওয়াট পার আওয়ার ৮ টাকা ৮০ পয়সা হারে ২০ বছর মেয়াদে বিদ্যুৎ ক্রয় করবে। নাসিমা বেগম বলেন, ফেনী জেলাধীন সোনাগাজী উপজেলার মহুরী বাধ এলাকায় ৩০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। ৯৩৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে যৌথভাবে কাজ পেয়েছে ভারতের প্রতিষ্ঠান কনসোর্টিয়াম অব বাংওয়াটি প্রোডাক্ট লিমিডেট, রিজেন পাওয়ারটেক এবং সিদ্ধাত উইন্ড এনার্জি লিমিটেড। এ প্রকল্প থেকে সরকার প্রতি কিলোওয়াট পার আওয়ার ৮ টাকা ৮৮ পয়সা হারে ২০ বছর মেয়াদে বিদ্যুৎ ক্রয় করবে।  
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
‘রাজশাহী সিটি করপোরেশনে বর্জ্য থেকে ডিজেল ও বায়োগ্যাস তৈরি হবে’
ডিসেম্বর ০৮, ২০১৮ শনিবার ০৬:৩৩ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বর্জ্য থেকে ডিজেল, জৈব সার ও বায়োগ্যাসউৎপাদনে রাজশাহী সিটি করপোরেশন ও যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেকনোলজি এলএলসি কোম্পানির মধ্যে এক সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। গত ৫ ডিসেম্বর নগরভবনে এ সমঝোতা স্মারকে সই করেন সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও ওয়েস্ট টেকনোলজি এলএলসি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ড. মঈন উদ্দিন সরকার। পাইলট প্রকল্পটির মেয়াদ ধরা হয়েছে আড়াই বছর। চুক্তি অনুযায়ী, সিটি কপোরেশন ভূমি সুবিধা প্রদান ও বর্জ্য-আবর্জনা সরবরাহ করবে। আর এলএলসি সব ধরনের আর্থিক ব্যয়ভার বহন করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। এলএলসির চেয়ারম্যান মঈন উদ্দিন সরকার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান নাগরিক। অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ‘প্রস্তাবটি পাওয়ার পর বিশ্বাস করাটা কঠিন ছিল যে বর্জ্য থেকে কিভাবে ডিজেল তৈরি হবে। তবে আলাপ-আলোচনায় বিস্তারিত জানার পর আশা করছি ড. মঈন উদ্দিনের প্রজেক্টেটি সফল হলে এটি শুধু রাজশাহী নয়, পৃথিবীর মধ্যে একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন হবে।’ খায়রুজ্জামান আরো বলেন, ‘পলিথিন পরিবেশের ভারসাম্যের জন্য ক্ষতিকর। প্রজেক্টটি সফল হলে একদিকে বর্জ্য-আবর্জনা মুক্ত নগরী হবে, অন্যদিকে বিভিন্ন প্রোডাক্ট পাবো। প্রজেক্টটি সফল করতে আমার পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা কোম্পানিকে করবো।’ ড. মঈন উদ্দিন সরকার বলেন, ‘এই প্রজেক্টটি শুধু বাংলাদেশ বা এশিয়ার মধ্যে নয়, পৃথিবীর মধ্যে পাইওনিয়ার হবে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে এটি দেখতে মানুষ আসবে।’ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র-১, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়েস্ট টেকনোলজি লিমিটেড কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. আঞ্জুমান শেলী, সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ্ মোমিন প্রমুখ।
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
‘ফারইস্ট স্পিনিং ইন্ডাস্ট্রিজের ছাদে ১ মেগাওয়াটের সোলার প্লান্ট চালু’
নভেম্বর ২৭, ২০১৮ মঙ্গলবার ০৯:৩৮ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
হবিগঞ্জের মাধবপুরে ফারইস্ট স্পিনিং ইন্ডাস্ট্রিজের ছাদে এক দশমিক এক মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন  সোলার প্রকল্প সোমবার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী । ২০২০ সালের মধ্যে দেশে মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের ২০ শতাংশ আসবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে তারই অংশ হিসেবে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ প্রকল্পের ফলে স্পিনিং মিলটিতে গ্রিডভিত্তিক বিদ্যুৎ কম খরচ করার মাধ্যমে আর্থিক খরচও কম হবে। উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ নেট-মিটারিংয়ের মাধ্যমে সরকারের কাছে বিক্রি করা যাবে। আট কোটি ৯০ লাখ টাকার এ প্রকল্প ব্যয়ের ৮০ শতাংশ অর্থায়ন করেছে ইডকল। এছাড়া প্রকল্প ব্যয়ের বাকি ২০ শতাংশ অর্থ ১০ বছরে ছয় শতাংশ সুদে ফারইস্ট স্পিনিং ইন্ডাস্ট্রিজের পরিশোধ করতে হবে। মূলত ছাদভিত্তিক সৌর বিদ্যুতের দাম গ্রিডভিত্তিক বিদ্যুতের চেয়ে কম। ভবিষ্যতে এ বিদ্যুতের দাম আরও সাশ্রয়ী হবে। এ ধরনের প্রকল্পে অর্থায়নে নবায়নযোগ্য জ্বালানির মাধ্যমে দেশ লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাবে। ইডকলের প্রধান নির্বাহী ও নির্বাহী পরিচালক মাহমুদ মালিক বলেন, ২০২০ সাল নাগাদ বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির মাধ্যমে দুই হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। ছাদভিত্তিক সামাজিক জ্বালানির (সোশ্যাল এনার্জি) মাধ্যমে বাংলাদেশের চার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা রয়েছে। দেশে চার হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। ২০২১ সাল নাগাদ ইডকল ৩০০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুতে অর্থায়নের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে। অনুষ্ঠানে টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব মো. হেলালউদ্দিন, ফারইস্ট স্পিনিং ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান আসিফ মঈন, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক শাহরিয়ার আহমেদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।    
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
‘সৌর ও বায়ু বিদ্যুৎ উৎপাদনে পার্টনার খুঁজছে ইজিসিবি’
নভেম্বর ১১, ২০১৮ রবিবার ০৬:০১ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে ১০০ মেগাওয়াটের সৌর এবং ১০ মেগাওয়াটের বায়ুভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে যৌথ অংশীদারিত্ব চুক্তি করতে কোম্পানী খুঁজছে ইলেকট্রিসিটি জেনারেশন কোম্পানী অব বাংলাদেশ (ইজিসিবি)। ফেনীর সোনাগাজীতে নির্মিতব্য পৃথক সৌর ও বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য কোম্পানীটি ইতোমধ্যে দেশি-বিদেশী কোম্পানীর কাছ থেকে এক্সপ্রেশন অব ইন্টারেস্ট বা আগ্রহপত্র চেয়েছে বলে একজন কর্মকর্তা জানান। চলতি বছরের ১৯ ডিসেম্বরের মধ্যে আগ্রহপত্র জমা দেওয়া যাবে। আগ্রহী কোম্পানী নির্বাচিত হওয়ার পর ওই কোম্পানীর সাথে পৃথক দুই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে সমঝোতা স্মারক এবং জয়েন্ট ভেঞ্চার এগ্রিমেন্ট সই করা হবে। বর্তমানে ইজিসিবির নারায়নগঞ্জে ২১০ মেগাওয়াট, ৩৩৫ মেগাওয়াট এবং ৪১২ মেগাওয়াটের গ্যাসভিত্তিক তিন বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে।
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে এশিয়ায় সর্বনিম্নে বাংলাদেশ
নভেম্বর ০৫, ২০১৮ সোমবার ১১:৩৩ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। খরস্রোতা নদীর পানির শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ২০১৭ সাল থেকেই বাংলাদেশ এই অবস্থানে। ইন্টারন্যাশনাল হাইড্রোপাওয়ার অ্যাসোসিয়েশনের ২০১৮ সালের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে বাংলাদেশ ২৩০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করে। আর তালিকার শেষদিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পাশ্ববর্তী দেশ নেপাল। হিমালয়ের এই দেশটি উৎপাদন করে ৯৬৮ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ। এতে আরো বলা হয়, জলবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে প্রতিবেশী দেশগুলোকে সঙ্গে নিয়ে এরই মধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ। জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে এশিয়ায় শীর্ষস্থান চীনের। এর পরই রয়েছে জাপান ও ভারত। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের মধ্যে পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি।
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
সিলেটের গোয়াইনঘাটে ৫ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে
আগস্ট ০২, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ০৮:৩৩ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বেসরকারী খাতে সিলেটের গোয়াইনঘাটে নির্মিতব্য পাঁচ মেগাওয়াটের একটি সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কিনতে জাপান ও বাংলাদেশভিত্তিক জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানীর সাথে চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। বৃহস্পতিবার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে বিপিডিবি সচিব মিনা মাসুদ উজ্জামান এবং জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানী ইকি সোজি কোম্পানি জাপান ও সান সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট লিমিটেড বাংলাদেশ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলাউদ্দিন মৃধা ওই বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিতে সই করেন। একই সাথে ওই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইমপ্লিমেন্টেশন এগ্রিমেন্টে (আইএ) বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষে যুগ্ম সচিব (উন্নয়ন) শেখ ফয়েজুল আমীন এবং জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানীর পক্ষে মো. আলাউদ্দিন মৃধা সই করেন। উক্ত জয়েন্ট ভেঞ্চারে ইকি সোজি কোম্পানি জাপান এর শেয়ার হলো ৯৫ দশমিক এক শতাংশ  এবং সান সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট লিমিটেড বাংলাদেশ শেয়ার চার দশমিক নয় শতাংশ। বিপিডিবি আগামী ২০ বছর পর্যন্ত নো ইলেকট্রিসিটি, নো পেমেন্ট ভিত্তিতে ১৩.৯০ সেন্ট দরে প্রতি ইউনিট  বিদ্যুৎ ক্রয় করবে। আগামী ১২ মাসের মধ্যে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। নির্মাণ শেষে কেন্দ্র থেকে চার কিলোমিটার দূরে সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর ৩৩/১১ কেভি সাব-স্টেশনে ৩৩ কেভি ভোল্টেজে বিদ্যুৎ সঞ্চালন করা হবে। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, বিপিডিবি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ, ইকি সোজি কোম্পানি জাপান এর প্রেসিডেন্ট ইয়াসুশি ফুজি উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারকে উৎসাহিত করতে নেট মিটারিং নির্দেশিকা উদ্বোধন
জুলাই ২৮, ২০১৮ শনিবার ০৮:২৯ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারকে উৎসাহিত করতে নেট মিটারিং নির্দেশিকা ২০১৮ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে এ নির্দেশিকার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ডঃ তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ডঃ আহমদ কায়কাউস, বাংলাদেশ পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ইনিস্টিটিউট এর রেক্টর মোঃ মাহবুব-উল-আলম ও পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন। নেট মিটারিং এর আওতায় বিদ্যুৎ গ্রাহক নিজ স্থাপনায় স্থাপিত নবায়নযোগ্য জ্বালানি ভিত্তিক সিস্টেমে উৎপাদিত বিদ্যুৎ নিজে ব্যবহার করে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রীডে সরবরাহ করতে পারবেন। এভাবে সরবরাহকৃত বিদ্যুতের জন্য সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল পরবর্তী মাসের সাথে সমন্বয় করা হবে। ফলে গ্রাহকের বিদ্যুৎ খরচের সাশ্রয় হয়। ভারত, শ্রীলংকাসহ বিশ্বের পঞ্চাশটিরও অধিক দেশে নেট মিটারিং প্রদ্ধতি প্রচলন রয়েছে। নেট মিটারিং নির্দেশিকা ২০১৮ গ্রাহকবান্ধব করে তৈরি করা হয়েছে। এটি জনপ্রিয় করতে সংশ্লিষ্টদের কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।    
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
‘এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের চেয়ে দরকার এক মেগাওয়াট সাশ্রয়’
মে ২৮, ২০১৮ সোমবার ১০:০৬ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের চেয়ে এক মেগাওয়াট সাশ্রয় করতে পারলে ব্যয়বহুল বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ কমে আসবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা  ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। সোমবার ঢাকায় এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় দিন দিন বাড়ছে। ব্যয় সঙ্কোচন কিভাবে করা যায় সে চেষ্টা করতে হবে। ব্যয়বহুল পণ্যের অযথা অপচয় কখনই কাম্য নয়।” সরকারি সংস্থা টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) এর চতুর্থ বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আইইবি ভবনে অনুষ্ঠিত ওই সেমিনারে তৌফিক ইলাহী বলেন,“জনগণকে এ বিষয়ে সচেতন করতে বিশেষ ক্যাম্পেইনের উদ্যোগ নিতে পারে স্রেডা। বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি এর ব্যবহারে হতে হবে সচেতন। ” তিনি বলেন, ঘনবসতি এই দেশে যে কোনো ধরনের জমি খুবই মূল্যবান। তাই জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার যতটা সম্ভব নিশ্চিত করতে হবে। ভবিষ্যতে জমির প্রয়োজনীয়তা ও মূল্য আরও বাড়বে। অনেক জমি নিয়ে সোলার পার্ক করার মতো অবস্থা বাংলাদেশের নেই। সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে বাসাবাড়ি, অফিস ও বৃহৎ স্থাপনার ছাদকে কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন  প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। তিনি আরো বলেন,“জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক থেকে পৃথিবীতে স্বতন্ত্র অবস্থানে আছে বাংলাদেশ। একই রকম  ঘনত্বে যুক্তরাষ্ট্রে মানুষ বসবাস করতে দিলে সারা পৃথিবীর মানুষ বসবাসের পরও আরও জায়গা থাকবে।” সনাতনী দৃষ্টিভঙ্গি বদলে সৃজনশীল কাজে মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “সরকারের টার্গেট হলো সব এলাকায় বিদ্যুৎ  পৌঁছে দেওয়া। যেসব এলাকায় গ্রিডের বিদ্যুৎ যাবে না সেখানে সোলার বিদ্যুতের পরিকল্পনাও ঠিক নয়। গ্রিডের বিদ্যুত কিছু এলাকায় কেন যাবে না? গ্রিডের বিদ্যুতের পাশাপাশি বিকল্প হিসাবে কিভাবে সৌর বিদ্যুৎকে কাজে লাগানো যায় সেই চিন্তা করতে হবে।” তিনি বলেন, “স্বল্প খরচে গ্রাম ও শহরের রাস্তায় সামান্য বিদ্যুৎ ব্যবহার করে ব্যাটারি চালিত রিকশা চলাচল শুরু হলে অনেকে এটিকে নেতিবাচকভাবে দেখে। এরপর আমরা সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যাটারি চালিত রিকশার জন্য পৃথক চার্জিং স্টেশন স্থাপন করেছি।” দাতা সংস্থার দিকে না তাকিয়ে সরকারের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে নানা ধরনের পাইলটিং প্রকল্প নিতে স্রেডাকে পরামর্শ দেন তিনি। অনুষ্ঠানে স্রেডার বিগত দুই বছরের  অর্জন তুলে ধরে সংস্থার সদস্য (জ্বালানি দক্ষতা ও সংরক্ষণ) সিদ্দিক জোবায়ের বলেন, এই সময়ের মধ্যে এনার্জি এফিশিয়েন্সি অ্যান্ড কনজার্ভেশন বিধিমালা ও এনার্জি অডিট রেগুলেশন প্রণয়ন করা হয়েছে। নেট মিটারিং গাইডলাইনসহ বেশ কিছু নীতিমালা প্রণয়নে তারা সহযোগিতা করেছেন। আর পারিবেশ বান্ধব উপকরণ ব্যবহার করে শিল্প কারখানা গড়ে তুলতে ৭টি কোম্পানিকে ৪০০ কোটি টাকা অর্থায়নে অনাপত্তি দেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পের অর্ধেক কাজ এখন বাস্তবায়নাধীন। সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিপণনের জন্য প্যানেল ও অন্যান্য যন্ত্রাংশের সঠিক মান নিশ্চিত করার জন্য বিএসটিআই এর মাধ্যমে মান নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কুষ্টিয়া পৌরসভার সাথে একটি সমঝোতা স্মারক সই করা হয়েছে বলে জানান তিনি। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে জোবায়ের বলেন, “গ্রিডের সাথে সোলার ইরিগেশন পাম্পের সমন্বয়, গ্রীণ বিল্ডিং রেটিং সিস্টেম প্রণয়ন ও কাপ্তাই হ্রদে ভাসমান সৌর প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। ইতোমধ্যে সৌর শক্তি থেকে ৫১৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে। ২০২০ সালের মধ্যে তা ১৯৭১ মেগাওয়াটে উন্নীত করা হবে। তিনি আরো বলেন, “২০২১ সালের মধ্যে এনার্জি ইনটেনসিটি পার জিডিপি ১৫ শতাংশ কমে আসবে। কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন ২০১৩-১৪ অর্থবছরে পার জিডিপিতে এনার্জি ইনটেনসিটি ছিলো ৩ দশমিক ৭২ কেটিওই (কিলো-টনস অফ অয়েল ইকুভেলেন্ট) যা ২০১৬-১৭ অর্থবছরে কমে দাঁড়িয়েছে  ৩ দশমিক ৫৬ কেটিওই। স্রেডার অপর সদস্য সালিমা জাহান বলেন, “বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে এর মধ্যে জমির স্বল্পতা ও উচ্চ মূল্য, বিদ্যুৎ সঞ্চালনের জন্য লাইন নির্মাণ এবং সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সাথে সমন্বয়ের অভাব।” স্রেডার চেয়ারম্যান মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, স্রেডার কাছে মানুষের অনেক আশা। স্রেডা’র কাজের পরিধি বাড়াতে বিভাগীয় পর্যায়ের অফিস চালু করা হবে। এজন্য জনবল কাঠামোতে পরিবর্তন আনা হবে। বাংলাদেশে এক সময় জ্বালানির শতভাগ চাহিদা নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পূরণ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
বিদ্যুৎ সাশ্রয় অভ্যাস পরিবার থেকেই শুরু করা উচিত: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
এপ্রিল ১০, ২০১৮ মঙ্গলবার ০৮:৩২ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় অভ্যাস পরিবার থেকেই শুরু করা উচিত বলে মনে করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। মঙ্গলবার ঢাকায় আজিমপুর গভর্নমেন্ট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ এ শেখ হাসিনার উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ ব্র্যান্ডিং কর্মসূচি ও বিদ্যুৎ খাতে উদ্ভাবনী উদ্যোগ কার্যক্রম নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয় শুধু আর্থিক সাশ্রয়ই না, এটা কার্বন নিঃসরণ হ্রাস করে পরিবেশ বান্ধব দেশ গড়তেও সহায়তা করে। সচেতনতাই পারে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় কার্যক্রম ফলপ্রসু করতে এবং এ কার্যক্রমের সাথে ছাত্র-ছাত্রী, তরুণ সামজ ও সংশ্লিষ্ট জন প্রতিনিধিদেরকে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। তিনি আরো বলেন, আমাদের উন্নয়ন আমাদেরকেই করতে হবে। যার যার অবস্থান থেকে ইতিবাচক নেতৃত্ব দিতে পারলে এই উন্নয়ন আরো দ্রুত হবে। ২০০৯ সালে ২৭টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে যাত্রা করে বর্তমানে হয়েছে ১১২ টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মাধ্যমে  বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা হয়েছে ১৬০৪৬ মেগাওয়াট। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ সুবিধাপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠী ৯০% এবং মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদন ৪৩৩ কিলোওয়াট-ঘন্টা। একক জ্বালানি থেকে স্থানান্তর হয়ে মিশ্র জ্বালানির মাধ্যমে ২০৪১ সালে ৬০,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা সময়ের সাথে সাথে এগুচ্ছে। এ বিশাল কর্মযজ্ঞে প্রয়োজন দক্ষ জনসংখ্যা ও নিবেদিতপ্রাণ কর্মকর্তা-কর্মচারি। আমাদের তরুণদেরকেও লক্ষ্য স্থির করে নিজের এবং দেশের উন্নয়নে কাজ করতে হবে। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্যালেন্ডার ও রুটিন কার্ড বিতরণ করা হয়।  ঢাকার জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে স্রেডা’র সদস্য সিদ্দিক জোবায়ের ও বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মাকসুদা বেগম বক্তব্য দেন।
ক্যাটাগরি: দক্ষতা ও সংরক্ষণ
নারায়নগঞ্জ সিটি করপোরেশনের বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সমঝোতা স্মারক সই
মার্চ ২২, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ০৭:০৩ এএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন  বোর্ড ও নারায়নগঞ্জ সিটি করপোরেশন একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে। বুধবার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে ওই সমঝোতা স্মারকে সই করেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সচিব মীনা মাসুদ উদ-জামান ও নারায়নগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এএফএম এহতেশামুল হক। সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, ৩ থেকে ৫ মেগাওয়াটের আইপিপি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এজন্য নারায়নগঞ্জ সিটি করপোরেশন দৈনিক ৩০০ থেকে ৫০০ টন বর্জ্য সরবরাহ করবে। কেন্দ্রটি নির্মাণে ১০ থেকে ১২ একর জমির প্রয়োজন হবে। স্মারক সইয়ের আগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, পরিচ্ছন্ন নগরীর জন্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অপরিহার্য। শহরের আকার দিনে দিনে বড় হচ্ছে, যত্রতত্র ময়লা ফেলার সুযোগ নেই। ডাম্পিং স্টেশন প্রয়োজন। বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এতে একদিকে যেমন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সঠিক হবে অন্যদিকে শক্তি উৎপাদন সম্ভব হবে। তিনি বলেন, পরিবেশ বান্ধব দুষণমুক্ত ও স্মার্ট সিটি বিনির্মাণে বর্জ্যের সুষ্ঠু ব্যবহার করতে হবে। ঢাকা শহরে প্রতিদিন প্রায় ৯০০০ টন বর্জ্য হয়। ৮০-১০০ টন বর্জ্য হতে ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। সে হিসেবে ৯০ মেগাওয়াট এর বেশি বিদ্যুৎ ঢাকা সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকা হতে উৎপাদন সম্ভব। এতে শহর পরিস্কার হওয়ার পাশাপাশি ময়লা ডাম্পিং এর সুনির্দিষ্ট স্থান হবে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে নারায়নগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা রহমান আইভি, বিদ্যুৎ বিভাগের  সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস,বিপিডিবি’র চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ বক্তব্য রাখেন।
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
‘গাজীপুরে ৭২৩ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌর প্যানেল স্থাপন করবে প্যারাগন’
ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৮ সোমবার ০৮:১৫ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
গাজীপুরে ভবনের ছাদে ৭২৩ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌর প্যানেল স্থাপনের জন্য একটি প্রকল্প নিয়েছে প্যারাগন পোলট্রি লিমিটেড। ঢাকায় সোনারগাঁও হোটেলে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সৌর শক্তি প্যানেল স্থাপনের ওই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, প্যারাগন এর এই সোলার রুপটপ করতে মোট ৫৮ মিলিয়ন টাকা খরচ হবে। যার ৮০ ভাগ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (ইডকল) ছয় শতাংশ সুদে প্রদান করছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চালাতে হবে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয় এবং দক্ষ ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ছে। নেট মিটারিং পদ্ধতি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে। এটি কার্যকর হলে সোলার রুপটপ বা সৌর বিদ্যুৎ আরো জনপ্রিয় হবে। তিনি বলেন, প্যারাগনের মতো অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠানকে ছাদ ব্যবহার করে সোলার রুপটপ থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যেতে পারে। গ্রীণ বিল্ডিং তৈরিতে উৎসাহিত করতে প্রণোদনার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস, ইডকল এর নির্বাহী প্রধান মাহমুদ মালিক, প্যারাগন পোলট্রি লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান ও জার্মানীর উন্নয়ন সংস্থা কেএফডাব্লিও এর আঞ্চলিক পরিচালক রেজিনা মারিয়া শ্চনেইডার বক্তব্য দেন।  
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
‘উৎপাদন ও বিতরণ কোম্পানীগুলোকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী পণ্য ব্যবহারের আহ্বান’
ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৮ রবিবার ০৯:৪৫ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিদ্যুতের গ্রাহকদের পাশাপাশি উৎপাদন ও বিতরণ কোম্পানীগুলোকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী পণ্য ব্যবহারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। রোববার ঢাকায় সিরডাপ মিলনায়তনে রেসপন্সসিবল ইউজ অব ইলেক্ট্রিসিটি শীর্ষক প্রচারণা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী । বাংলাদেশ সোলার অ্যান্ড রিনিউএবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশন এবং ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী পণ্য ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন হওয়া প্রয়োজন। বিদ্যুৎ সাশ্রয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে প্রয়োজন দক্ষ যোগাযোগ কৌশল। নির্দিষ্ট গ্রুপের জন্য নির্ধারিত যোগাযোগ পদ্ধতি রপ্ত করা দরকার। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী প্রচারণা একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ। তিনি আরো বলেন, বিল্ডিং কোড অনুসরণ করে বিদ্যুৎ বিতরণ করলে সাশ্রয় এমনিতেই হবে। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের আরো দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী মনোভাব তৈরির জন্য সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। এজন্য আমাদের মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে হবে। আশা করছি, এ ধরনের প্রচারের মাধ্যমে তা সফলভাবে করা সম্ভব হবে। বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস বলেন, সাশ্রয়ী চিন্তাভাবনা জাতিগতভাবে আমাদের রয়েছে। এই বিষয়টি সবার কাছে ঠিকমতো পৌঁছে দিতে পারলেই বিদ্যুতের অপচয়রোধ করা সম্ভব হবে। উন্নত বিশ্বে মাথাপিছু বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় ছয় থেকে সাত হাজার কিলোওয়াট ঘন্টা। সাশ্রয়ী ব্যবহার করে তা দুই হাজার কিলোওয়াট ঘন্টায় আনতে পারলেই আমরা সফল হবো। বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল  মঈনউদ্দিন বলেন, এনার্জি সেভিংস বাতি-সিএফএল ব্যবহার করে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পথ দেখিয়ে ছিলো পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।তা এখন সফলভাবে ব্যবহার হচ্ছে।আরো সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য এলইডি ব্যবহার শুরু করতে হবে। এছাড়া কৃষিখাতে সৌরশক্তিচালিত সেচ পাম্প ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রিডের বিদ্যুতের উপর চাপ কমাতে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান তিনি। পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সরকার নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণকারী সংস্থা ও কোম্পানীগুলোকে এজন্য সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শক্তি ইন্সটিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. সাইফুল হক বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী পণ্য ব্যবহারের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন-স্রেডার চেয়ারম্যান মো. হেলাল, বিপিডিবি’র চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ, বাংলাদেশ সোলার অ্যান্ড রিনিউএবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি দীপাল সি বড়ুয়া এবং ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ এর প্রেসিডেন্ট অরুণ কর্মকার।    
ক্যাটাগরি: দক্ষতা ও সংরক্ষণ
১৮তম নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্মেলন ও গ্রিন এক্সপো শুরু হচ্ছে ১৩ ফেব্রুয়ারি
ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৮ শনিবার ০৭:২৬ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শক্তি ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশ সৌরশক্তি সমিতির যৌথ উদ্যোগে আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে ১৮তম নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্মেলন ও গ্রিন এক্সপো-২০১৮ শীর্ষক তিন দিনব্যাপি জাতীয় সেমিনার ও নবায়নযোগ্য শক্তি প্রযুক্তির সরঞ্জমাদির প্রদর্শনী। বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিতব্য ওই সেমিনার ও প্রদর্শনী চলবে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত । সেমিনারের প্রধান বিবেচ্য বিষয় টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থাপনা । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শক্তি ইনস্টিটিউটে রোববার অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. সাইফুল হক এ তথ্য জানান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন  প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী এবং সভাপতিত্ব করবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের  উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আখতারুজ্জামান। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিন ১৪ ফেব্রুয়ারি  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান এবং তৃতীয় দিন ১৫ ফেব্রুয়ারি  সকালের অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর প্রাইভেট সেক্টর ডেভেলপমেন্ট অ্যাফেয়ারস্ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও বিকালে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ । এই সম্মেলন ও মেলার ব্যবস্থাপনা সহযোগী হিসেবে থাকছে মিডিয়া মিক্স কমিউনিকেশনস, প্লাটিনাম স্পন্সর হিসেবে বেক্সিমকো গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান তিস্তা সোলার লিমিটেড ও সিলভার স্পন্সর হিসেবে আছে সামিট পাওয়ার লিমিটেড।
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ক প্রযুক্তি মেলা চলছে
নভেম্বর ২০, ২০১৭ সোমবার ১১:২২ এএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করে উদ্ভাবিত বিভিন্ন প্রযুক্তি এবং প্রকল্প প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ঢাকায় শুরু হয়েছে তিন দিনের নবায়নযোগ্য শক্তি প্রযুক্তি মেলা ও কর্মশালা। রোববার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে শুরু হওয়া এ মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। মেলা শেষ হবে মঙ্গলবার। প্রতিদিন সকাল ৯:৩০ থেকে রাত ৮:৩০ পর্যন্ত সবার জন্য উম্মুক্ত এই মেলা। মূল আয়োজক ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কম্পানি লিমিটেড (ইডকল)। সহযোগিতায় জার্মান ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন কেএফডাব্লিউ এবং সহ-আয়োজক হিসেবে রয়েছে অল্টারনেটিভ এনার্জি প্রমোশন সেন্টার (এইপিসি), নেপাল। তিন দিনের কর্মশালায় এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নবায়নযোগ্য শক্তি প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক, অর্থায়নকারী, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করবে। বিভিন্ন দেশের নবায়নযোগ্য শক্তি খাতে কর্মরত ব্যক্তিদের নিয়ে এ প্ল্যাটফর্ম করা হয়েছে। যার উদ্দেশ্য হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তি প্রযুক্তির প্রসার, এর বাজার সৃষ্টি, অর্থায়ন, নীতি-নির্ধারণ ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে অংশগ্রহণমূলক আলোচনা করা। এর মাধ্যমে জ্ঞান ও চিন্তাভাবনার আদান-প্রদান এবং নবায়নযোগ্য শক্তি কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করা। ১৫টি দেশের প্রায় ৫০ জন বিদেশি এবং ৮০ জন স্থানীয় অংশগ্রহণকারী এ কর্মশালায় যোগ দেবেন। তিন দিনের এ কর্মশালার বিভিন্ন কার্যক্রমে নবায়নযোগ্য শক্তিসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে। যেখানে নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করে উদ্ভাবিত বিভিন্ন প্রযুক্তি এবং প্রকল্প দেশি-বিদেশি প্রায় ৩৫টি স্টলের মাধ্যমে মানুষের সামনে প্রদর্শন করা হয়।
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
২০০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ কিনতে তিস্তা সোলার লিমিটেডের সাথে বিপিডিবি’র চুক্তি সই
অক্টোবর ২৬, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ১০:২৮ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বেক্সিমকো পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড এবং চীনের টিবিইএ জিনজিয়াং সানওয়েসিস কোম্পানী লিমিটেড এর যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান তিস্তা সোলার লিমিটেডের সাথে বিদ্যুৎ ক্রয়ের চুক্তি করছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। বৃহস্পতিবার রাজধানীর আব্দুল গণি রোডের বিদ্যুৎ ভবনে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এছাড়া বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি) এর সাথে একটি বাস্তবায়ন চুক্তি করেছে তিস্তা সোলার। তিস্তা সোলারের পক্ষে উভয় চুক্তিতে সই করেন কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম রফিকুল ইসলাম। অন্যদিকে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন বিপিডিবি’র সচিব মিনা মাসুদ উজ্জামান, সরকারের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব শেখ ফায়েজুল আমিন এবং পিজিসিবি’র পক্ষে সই করেন কোম্পানি সচিব মোঃ আশরাফ হোসেন। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান এ এস এফ রহমান এবং ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ২০০ মেগাওয়াটের একটি সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণ করতে যাচ্ছে তিস্তা সোলার। চুক্তি অনুসারে আগামী ২০ বছর এই প্ল্যান্ট থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ প্রতি কিলোওয়াট ১৫ সেন্ট দরে ক্রয় করবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। জৈব জ্বালানী থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বর্তমান সময়ে একটি চিন্তার বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। একারনে নবায়নযোগ্য জ্বালানী শক্তি ভবিষ্যতের সমাধান। এটা মাথায় রেখেই বাংলাদেশ সরকার ২০২১ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের শতকরা ১০ ভাগ নবায়নযোগ্য জ্বালানী থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য ঠিক করেছে, যার বেশিরভাগ আসবে সৌরশক্তি থেকে। এই চুক্তি স্বাক্ষর সম্পর্কে তিস্তা সোলারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম রফিকুল ইসলাম বলেন, “এটা দেশের সবচেয়ে বড় সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট এবং সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানী শক্তি হতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের যে লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে তা পূরণে এই প্ল্যান্টটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।”
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
বর্জ্য থেকে ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন আগামী ৩০ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে
অক্টোবর ১৫, ২০১৭ রবিবার ০৭:২৭ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বর্জ্য থেকে ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তা আগামী ৩০ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। গত ১৩ অক্টোবর ঢাকার কেরাণীগঞ্জে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর উদ্যোগে আয়োজিত ঝিলমিল -১, ৩৩/১১ কেভি ২০ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ প্রকল্পের সাফল্যের আলোকে কেরাণীগঞ্জের মতো অন্যান্য উপজেলায়ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নেয়া হবে। তিনি বলেন, উন্নতর নাগরিক সুবিধা সমৃদ্ধ শহরতলী গড়ে তোলা হবে। সম্বনিত উন্নয়নের জন্য কেরানীগঞ্জের উপর মাস্টার প্ল্যান করা হচ্ছে। ঢাকার আশেপাশের অন্যান্য উপজেলা বা বিভাগীয় শহরগুলোর সম্বনিত উন্নয়ের মাস্টার প্ল্যান দ্রুত করে বাস্তবায়ন  করতে পারলে ঢাকা বা মূল শহরের শহরের উপর চাপ আর থাকবে না। তিনি আরো বলেন, প্রিপেইড মিটার বিদ্যুৎ ও অর্থ উভয়ই সাশ্রয় করবে। বিল ও সংযোগে অনলাইন সিস্টেম আমাদের নাগরিক জীবন সহজতর করেছে। এগুলোর প্রসার আমাদের শ্রমঘন্টা সাশ্রয় করবে। এ সময় তিনি  পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর বহুতল বিশিষ্ট অফিস ও আবাসিক ভবন, ঝিলমিল -২, ৩৩/১১ কেভি ২০ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র, কোনাখোলা ৩৩/১১ কেভি ২০ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র, চরগলগলিয়া ৩৩/১১ কেভি ২০ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র, ওয়াসপুর ৩৩/১১ কেভি ২০ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র-এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। প্রতিটি উপকেন্দ্র স্থাপন বাবদ ব্যয় হবে ১১.৫০ কোটি টাকা। ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন ও কেরাণীগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ বক্তব্য দেন।
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
    সাম্প্রতিক গ্রীণ এনার্জি এর খবর
২০০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ কিনতে তিস্তা সোলার লিমিটেডের সাথে বিপিডিবি’র চুক্তি সই
বর্জ্য থেকে ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন আগামী ৩০ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে
৩০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ কিনতে বিপিডিবি ও ইন্ট্রাকো’র চুক্তি সই
বিশ্বে প্রথম পূর্ণাঙ্গ ভাসমান বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি হচ্ছে স্কটল্যান্ডে
‘কাপ্তাইতে ৭.৪ মেগাওয়াটের সোলার পাওয়ার প্লান্ট নির্মাণ হচ্ছে’
নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করবে বাংলাদেশ
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সমৃদ্ধির চাবিকাঠি এইচইএলই কয়লা প্রযুক্তি
‘দরপত্র ছাড়া সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব আর নেওয়া হবে না’
‘নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে গ্রিন ব্যাংকিং কার্যক্রম আরো বাড়ানো প্রয়োজন’
‘সৌর শক্তি থেকে ২৬ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষম’
‘কীটপতঙ্গ দমনে সৌরশক্তি চালিত নতুন আলোক ফাঁদ উদ্ভাবন’
‘তরুণ শিক্ষার্থীদের নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত করতে হবে’
বায়োগ্যাসের আলোয় আলোকিত রংপুরের পুটিমারীর ৭৫ পরিবার
‘শেটল্যান্ড ইউরোপে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে পরাক্রমশালী’
কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় ১ মেগাওয়াট বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধন
উইন্ড পাওয়ার সেক্টরে প্রবেশ করছে রোসাটম
‘নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক ১৬টি বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি’
‘২০২০ সালের মধ্যে জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা ১৫%’
২০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কিনতে সাউদার্ণ সোলার সাথে বিপিডিবি’র চুক্তি সই
‘কয়লার চেয়ে সৌর ও বায়ু বিদ্যুতের দাম সস্তা হচ্ছে’
বিশ্বের প্রথম সৌর সড়কের উদ্বোধন করলো ফ্রান্স
১৮৬টি সৌর সেচ পাম্প স্থাপনে গাজী রিনিউবেল এনার্জিকে ঋণ দিচ্ছে ইডকল
চীনের ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে ঋণ দিয়েছে ব্রিকস ব্যাংক
দেশের আরো চারটি স্থানে ইজিবাইক সোলার চার্জিং স্টেশন স্থাপন হচ্ছে
‘ঢাকা শহরের বর্জ্য থেকে দৈনিক ৭৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব’
নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা কয়লাকে ছাড়িয়েছে
নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ কমাতে আরো গবেষণা প্রয়োজন
জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি ও সংরক্ষণ নিয়ে স্রেডার সাথে ইইএসএল এর সমঝোতা সই
সৌদিতে বায়ুচালিত টারবাইন স্থাপন করবে সৌদি আরামকো ও জেনারেল ইলেকট্রিক
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy