ঢাকা, মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৭, ২০১৭, কার্তিক ২, ১৪২৪ ০৩:১৮ পিএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম আরো কমেছে
আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দরপতন অব্যাহত রয়েছে। চীনে পণ্যটির চাহিদা বাড়ার পাশাপাশি পরিশোধনের পরিমাণ বৃদ্ধির খবরে গত দুইদিন ধরে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম আগের তুলনায় আরো কমেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে পাথুরে ভূমি থেকে আহরিত জ্বালানি তেল (শেল) উত্তোলনের পরিমাণ বৃদ্ধির সম্ভাবনার খবর পণ্যটির দাম কমাতে ভূমিকা রেখেছে। ভবিষ্যতে সরবরাহের চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডবিস্নউটিআই) বিক্রি হয় প্রতি ব্যারেল ৪৮ ডলার ৭৮ সেন্টে, যা আগের  তুলনায় ৪ সেন্ট বা দশমিক ১ শতাংশ কম। এদিন ভবিষ্যতে সরবরাহের চুক্তিতে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড বিক্রি হয় ৫২ ডলারে, যা আগের  তুলনায় ১০ সেন্ট বা দশমিক ২ শতাংশ কম। নিউইয়র্ক মার্কেন্টাইল এক্সচেঞ্জে (নিমেক্স) জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহটি ছিল অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে বছরের সেরা সপ্তাহ। চীনের ন্যাশনাল ব্যুরো অব স্ট্যাটিসটিকসের সামপ্রতিক এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, চলতি বছরের জুলাইয়ে দেশটির পরিশোধন কেন্দ্রগুলোয় অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধনের পরিমাণ বেড়েছে। এ সময় এ সব কেন্দ্রে মোট ৪ কোটি ৫৫ লাখ টন জ্বালানি তেল পরিশোধন হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। গত জুলাইয়ে চীনে জ্বালানি তেল পরিশোধনের দৈনিক গড় পরিমাণ ১ কোটি ৭১ হাজার ব্যারেল। তবে রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীনে গত জুলাইয়ে জ্বালানি তেল পরিশোধনের দৈনিক গড় হার ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরের পর সর্বনিম্ন। পরিশোধনের পরিমাণ বাড়ার খবরের পাশাপাশি চীনে চলতি বছর জ্বালানি তেলের চাহিদা বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ)। সংস্থাটির সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চীনে ২০১৭ সালে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ব্যবহারের দৈনিক গড় পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ১৫ লাখ টনে। এর আগে দেশটিতে পণ্যটির দৈনিক গড় ব্যবহারের পরিমাণ ১৪ লাখ টন হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিল আইইএ। সেই হিসাবে দেশটিতে চলতি বছর অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দৈনিক গড় ব্যবহার ১ লাখ টন বাড়তে পারে বলে নতুন পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে চীনের পেট্রোলিয়াম পরিশোধন প্রতিষ্ঠান সিনোপিক গ্রুপের ভাইস-প্রেসিডেন্ট জিয়াং হাইচাও জানান, চীনে বর্তমানে জ্বালানি তেলের চাহিদা দৈনিক প্রায় চার লাখ ব্যারেল। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) চীন ২১ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল জ্বালানি তেল আমদানি করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৪ শতাংশ বেশি। পণ্যটি আমদানির এ হার বজায় থাকলে অচিরেই চীন প্রথমবারের মতো অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিকারক দেশগুলোর তালিকায় শীর্ষে চলে যাবে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে শেল উত্তোলনে চাঙ্গাভাবের খবর মিলেছে। মার্কিন এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ইআইএ) পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছরের ডিসেম্বর নাগাদ দেশটির খনিগুলো থেকে শেল উত্তোলনের সম্মিলিত পরিমাণ বাড়তে পারে দৈনিক তিন লাখ ব্যারেল। টেক্সাসের পশ্চিমাঞ্চল ও নিউ মেক্সিকোর খনিগুলো থেকে পণ্যটির উত্তোলন সবচেয়ে বেশি হবে। মেলবোর্নভিত্তিক অস্ট্রেলিয়া অ্যান্ড নিউজিল্যান্ড ব্যাংকের এক নোটে বলা হয়, একই সময়ে চীনে জ্বালানি তেলের পরিশোধন বৃদ্ধি ও যুক্তরাষ্ট্রে শেল উত্তোলনে চাঙ্গাভাবের সম্ভাবনার খবরের জের ধরে গতকাল আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম আগের  তুলনায় কমেছে। সূত্র: রয়টার্স ও অন্যান্য সংবাদ সংস্থা
২০৪০ সাল থেকে যুক্তরাজ্যে পেট্রল ও ডিজেলচালিত গাড়ি বিক্রি হবে না
জুলাই ২৮, ২০১৭ শুক্রবার ১০:৫১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে ২০৪০ সাল থেকে পেট্রল ও ডিজেলচালিত গাড়ি নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্যে। ওই সময় থেকে নতুন করে আর কোনো পেট্রল ও ডিজেলচালিত গাড়ি বিক্রি হবে না। দেশটির পরিবেশ-বিষয়ক মন্ত্রী সম্প্রতি এক ঘোষণায় এ কথা জানান।খুব শিগগিরই এ সংক্রান্ত একটি ঘোষণা দেবে ব্রিটেনের সরকার। এই ঘোষণার সাথে সাথে বায়ু দূষণ কমাতে তিন বিলিয়ন পাউন্ডের একটি তহবিল ঘোষণা করবেন মন্ত্রীরা যেখানে ডিজেল চালিত গাড়ির দূষণ ঠেকানোর জন্য ২২৫ মিলিয়ন পাউন্ড বরাদ্দ থাকবে। এছাড়া পরবর্তীতে বায়ু দূষণ ঠেকাতে কী কৌশল গ্রহণ করবে সেই পরিকল্পনার বিস্তারিতও ঘোষণা দেবে ব্রিটিশ সরকার। ওই ঘোষণায় বিশুদ্ধ বায়ু সংক্রান্ত কৌশল ও বৈদ্যুতিক গাড়ির বিষয়ে যে সরকারের উৎসাহ রয়েছে সেটিও উঠে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে ব্রিটেনের আদালত দেশটিতে দূষণকারী গাড়ির বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং বায়ুদূষণ ঠেকাতে কী পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে তা জানাতে সরকারকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। আদালতের ওই বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যেই সরকার তাদের নতুন নীতির ঘোষণা দেবে বলে জানা যাচ্ছে। বায়ু দূষণ ঠেকানোর লক্ষ্যে এর আগে ব্রিটেন সরকার যে পরিকল্পনা নিয়েছিল, বিচারকরা সেটিকে অপর্যাপ্ত বলে মন্তব্য করেছিলেন। বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের বহুল প্রত্যাশিত ৩৯০ কোটি ডলারের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। সূত্র: বিবিসি বাংলা এবং দি নিউইয়র্ক টাইমস
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
রাশিয়ার সর্বাধুনিক পারমাণবিক প্রযুক্তি পরিদর্শনে আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদল
জুলাই ২০, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ০৭:০২ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় কর্মরত আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থাসহ (আইএইএ) বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত ৪২ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সম্প্রতি রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ সফর করেন। এ সময় তারা রাশিয়ার সর্বাধুনিক পারমাণবিক শক্তি প্রযুক্তি সংবলিত বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। প্রতিনিধিদল যেসব প্রকল্প ঘুরে দেখে তার মধ্যে রয়েছে-লেনিনগ্রাদ পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপে নির্মীয়মাণ ৩+ প্রজন্মের প্রযুক্তি (ভিভিইআর-১২০০) নির্ভর একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইউনিট। এখানে উল্লেখ্য, বিশ্বে এটিই হচ্ছে ৩+ প্রজন্মের দ্বিতীয় পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইউনিট। ইতোপূর্বে প্রথম বিদ্যুৎ ইউনিটটি রাশিয়ার নভোভারোনেঝে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করেছে। এই প্রজন্মের বিদ্যুৎ ইউনিটগুলো সর্বাধিক নিরাপদ বলে বিবেচিত। বাংলাদেশে পাবনা জেলার রূপপুরে অনুরূপ দুটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইউনিট নির্মাণ করছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি সংস্থা-রোসাটম। প্রতিনিধিবৃন্দকে বাল্টিক জাহাজ নির্মাণ কারখানা, ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র- একাডেমিক লামানোসভ এবং পারমাণবিক শক্তিচালিত নতুন প্রজন্মের আইস্ ব্রেকার ঘুরে দেখানো হয়। অস্ট্রিয়া, ব্রাজিল, চীন, জর্ডান, হাঙ্গেরি, পানমা, পেরু, দক্ষিণ আফ্রিকা, সুদান, সিঙ্গাপুর, সুইজারল্যান্ড, থাইল্যান্ডসহ অন্যান্য দেশের কূটনীতিক এবং পরমাণু বিশেষজ্ঞরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন প্রতিনিধিদলে। ভিয়েনায় কর্মরত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার রুশ প্রতিনিধি ভ্লাদিমির ভারোনকভের মতে, এ সফরের মূল বিষয় ছিল পরমাণু শক্তি ও পরিবেশ। লেনিনগ্রাদ পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্রটি প্রমাণ করে যে, পরমাণু শক্তি প্রকৃত অর্থেই ‘গ্রিন’। প্রতিনিধিরা সফরকালে তাদের মনে উদিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেয়েছেন এবং এ ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছেন যে, রুশ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে নিরাপদ। আইএইএর বোর্ড অব গভর্নরের চেয়ারম্যান টেবোগো সিওকোলো কার্যক্রমে রাশিয়ার ভূমিকার কথার উল্লেখ করে বলেন, ‘আমাদের জন্য দেখা এবং শেখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কিভাবে রাশিয়া আইএইএর কিছু গাইড লাইন বাস্তবায়ন করছে, অব্যাহতভাবে নতুন নতুন আবিষ্কার করে যাচ্ছে এবং  পারমাণবিক প্রযুক্তি, নিরাপত্তা, সুরক্ষা, পরমাণু সংস্কৃতির ক্ষেত্রে যেসব উন্নয়ন সাধন করছে।’ রাশিয়া আইএইএর শীর্ষস্থানীয় এবং এর বোর্ড অব গভর্নরসের অন্যতম সদস্য।
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
রাশিয়ার সহযোগিতায় ভারতে আরো দুইটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইউনিট তৈরি হচ্ছে
জুন ০৩, ২০১৭ শনিবার ০৯:৪১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন রোসাটমের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এএসই গ্রুপ অব কোম্পানীজ এবং নিউক্লিয়ার পাওয়ার কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া ভারতের তামিলনাডুর কুদানকুলাম পারমাণবিক প্রকল্পের তৃতীয় ধাপ বাস্তবায়নে একটি ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি সই করেছে। সম্প্রতি রাশিয়ার সেন্ট-পিটারসবার্গে অনুষ্ঠিত ১৮তম ভারত-রাশিয়া বার্ষিক সামিট চলাকালে চুক্তিতে সই করেন এএসই গ্রুপ অব কোম্পানীজের প্রেসিডেন্ট ভ্যালেরি লিমারেঙ্কা এবং নিউক্লিয়ার পাওয়ার কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ও ব্যাবস্থাপনা পরিচালক সতীশ কুমার শর্মা। রোসাটমের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার জানানো হয়, কুদানকুলাম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প সাইটে আরো দুইটি (৫ এবং ৬ নম্বর) রাশিয়ার ডিজাইনকৃত বিদ্যুৎ ইউনিট স্থাপিত হবে। কুদানকুলাম সাইটে রাশিয়ার সহযোগিতায় প্রথম ধাপে ইতোমধ্যে ইউনিট-১ ও ২ এর নির্মাণ এবং কমিশনিং এর কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং ২য় ধাপে ইউনিট-৩ ও ৪ নির্মাণাধীন রয়েছে। চলতি মাসেই ইউনিট গুলোর  ফার্স্ট কংক্রিট স্থাপন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কুদানকুলাম প্রকল্পে সকল ইউনিট গুলো রুশ ভিভিইআর-১০০০ প্রযুক্তি নির্ভর। এ প্রযুক্তি রাশিয়া এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এর সকল রেগুলেটরি এবং টেকনিক্যাল চাহিদা মেটানো ছাড়াও ইউরোপীয়ান ইউটিলি রিকোইয়্যারমেন্টস (ইইউআর) এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। ইতোপূর্বে ২০০৮ সালের ৫ ডিসেম্বর ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে একটি আন্তঃসরকারি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির মূল বিষয় ছিল কুদানকুলাম পারমাণবিক বিদ্যূৎ প্রকল্পে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ইউনিট স্থাপনসহ ভারতের অন্যান্য স্থানে রাশিয়ার ডিজাইনকৃত পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইউনিট নির্মাণ।
ক্যাটাগরি: আঞ্চলিক
তেল উৎপাদন কমাতে চুক্তির মেয়াদ নয় মাস বাড়ালো ওপেক
মে ২৯, ২০১৭ সোমবার ১১:৩৬ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত এই নয় মাস প্রতিদিন এক দশমিক আট মিলিয়ন ব্যারেল তেল উৎপাদন হ্রাস করবেজ্বালানি তেল রফতানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেক। এ পরিমাণ তেল উৎপাদন কমলে অপরিশোধিত তেলের দাম এক শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৫৪ দশমিক ৫০ ডলার হবে বলে আশা করছেন ওপেক নেতারা। অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ওপেকের বৈঠকে তেলের উৎপাদন কমানো সংক্রান্ত চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর এক সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে তেলের উৎপাদন হ্রাস করা হবে। এর আগে তেল উৎপাদন হ্রাসের মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানোর দাবি ওঠে সদস্য দেশগুলোর পক্ষ থেকে। ওই বৈঠকে ওপেকভুক্ত তেল রফতানিকারক দেশ ছাড়াও ওপেকবহির্ভূত তেল উৎপাদনকারী দেশ রাশিয়াও উপস্থিত ছিল। সবার সম্মতিতে ওই সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে বৈঠক সূত্রে জানানো হয়।২০১৪ সাল থেকে গত তিন বছর বিশ্ববাজারে তেলের দাম কম হওয়ায় রাজস্ব হ্রাস পায়। ফলে তেল রফতানিকারক দেশগুলো রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য এক ধরনের লড়াই করছিল।রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন অ-ওপেকভুক্ত ডজনখানেক তেল উৎপাদনকারী দেশ উৎপাদন কমানোর জন্য জানুয়ারিতে ওপেককে অনুরোধ জানিয়েছিলো। এজন্য সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে ওইসব দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন ওপেক নেতারা। সূত্র:  রয়টার্স।  
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিরূপণে অক্সিডেন্টাল এর শেয়ারহোল্ডারদের প্রস্তাব পাস
মে ১৪, ২০১৭ রবিবার ০৯:৩৭ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
যুক্তরাষ্ট্রের তেল-গ্যাস খাতের কোম্পানী অক্সিডেন্টাল পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের শেয়ারহোল্ডাররা কোম্পানির ব্যবসায় জলবায়ু পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিরূপণের প্রস্তাব দিয়েছেন। অক্সিডেন্টাল কর্তৃপক্ষ শেয়ারহোল্ডারদের প্রস্তাবের বিরোধিতা করলেও শুক্রবার অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব পাস হয়েছে। শেয়ারহোল্ডাররা ২০১৮ সাল থেকে অক্সিডেন্টালের বার্ষিক প্রতিবেদনে পরিবেশ-সংক্রান্ত দৃশ্যপট সংযোজনের প্রস্তাব দিয়েছেন। এতে বৈশ্বিক উষ্ণতা সীমিত রাখতে গৃহীত প্রয়াসগুলো অক্সিডেন্টালের ব্যবসায় যে সম্ভাব্য ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে, তা নিরূপণ করতে হবে। নতুন প্রস্তাবের পক্ষে কত শতাংশ শেয়ারহোল্ডার ভোট দিয়েছেন, অক্সিডেন্টাল এখনো সে তথ্য জানায়নি। তবে এ প্রস্তাবের পক্ষে ব্যাপক সমর্থনের কথা কোম্পানি স্বীকার করেছে। অক্সিডেন্টাল বলেছে, চার কার্যদিবসের মধ্যে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) শেয়ারহোল্ডারদের সমর্থন সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবে। অক্সিডেন্টালের চেয়ারম্যান ইউজিন এল. ব্যাচহেল্ডার বলেছেন, ‘আমরা এ ইস্যুতে শেয়ারহোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময় অব্যাহত রাখব। জলবায়ু-সংক্রান্ত ঝুঁকি ও সুযোগের বিষয়ে কোম্পানির ভাবনা ও পরিকল্পনার আরো তথ্য প্রকাশ করা হবে।’ শেয়ারহোল্ডারদের পাসকৃত প্রস্তাবটি অক্সিডেন্টাল মানতে বাধ্য নয়। ব্যবসায়িক পরিকল্পনা ও পূর্বাভাসে জলবায়ু পরিবর্তন ও অন্যান্য পরিবেশগত ঝুঁকি উল্লেখ করতে যুক্তরাষ্ট্রের তেল ও গ্যাস উত্পাদক কোম্পানিগুলোর ওপর শেয়ারহোল্ডারদের চাপ ক্রমে বাড়ছে। যে কোম্পানিগুলোকে সবচেয়ে বেশি চাপের মুখোমুখি হতে হচ্ছে, অক্সিডেন্টাল তার একটি। ওয়েস্ট টেক্সাস ও নিউ মেক্সিকোর পারমিয়ান অববাহিকায় তেল উত্তোলন করছে অক্সিডেন্টাল। যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে কলম্বিয়া, ওমান ও কাতারসহ কয়েকটি দেশে খননকাজ করছে কোম্পানিটি। অক্সিডেন্টাল শেয়ারহোল্ডারদের পক্ষে নতুন প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছিল নাথান কামিংস ফাউন্ডেশন ও ওয়েজপাথ ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট। নাথান কামিংস ফাউন্ডেশন বলেছে, শুক্রবারের ভোট তেল-গ্যাস কোম্পানিগুলোকে জানিয়ে দিয়েছে যে, বিনিয়োগকারীরা জলবায়ু ইস্যুগুলোকে বেশ গভীরভাবে দেখছে। নাথান কামিংস ফাউন্ডেশনের পরিচালক (করপোরেট অ্যান্ড পলিটিক্যাল অ্যাকাউন্ট্যাবিলিটি) লরা ক্যাম্পোস অক্সিডেন্টাল শেয়ারহোল্ডারদের ভোটাভুটিকে ‘ভীষণ তাত্পর্যপূর্ণ’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি আরো বলেন, ‘এটা প্রথম ভোট। কিন্তু এটাই শেষ হচ্ছে না।’ অক্সিডেন্টাল পরোক্ষভাবে এ ভোটের বিপক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিল। প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিতে শেয়ারহোল্ডারদের প্রতি আহ্বান জানায় কোম্পানিটি। প্রচারণায় বলা হয়, অক্সিডেন্টাল এরই মধ্যে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় জলবায়ু-সংক্রান্ত ইস্যুগুলোর আপেক্ষিকতা সম্পর্কে আগের চেয়ে বেশি পরিমাণ তথ্য প্রকাশের এবং জলবায়ু-সংক্রান্ত ঝুঁকি ও সুযোগকে কোম্পানির দৃশ্যপট-পরিকল্পনা প্রণয়নে খোলাখুলিভাবে সংযোজনের বিষয়ে কাজ শুরু করেছে। বিশ্বের বৃহত্তম সম্পদ ব্যবস্থাপক ব্ল্যাকরক ইনকরপোরেশন জলবায়ু-সংক্রান্ত প্রস্তাবটি সমর্থন করেছে। এতে আভাস মিলছে, আর্থিক ব্যবস্থাপনা কোম্পানিগুলো জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের বিষয়ে নতুন করে ভাবছে। কারণ এবারই প্রথমবারের মতো ব্ল্যাকরক জলবায়ু ইস্যুতে শেয়ারহোল্ডারদের এমন প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে, যেখানে কোম্পানির ম্যানেজমেন্ট প্রস্তাবের বিরুদ্ধাচরণ করেছে। সেরেসের কার্বন অ্যাসেট রিস্ক বিভাগের পরিচালক শানা ক্লিভল্যান্ড অক্সিডেন্টাল শেয়ারহোল্ডারদের প্রস্তাব পাসের ঘটনাকে ‘বড় ধরনের জয়’ বলে অভিহিত করেছেন। বোস্টনভিত্তিক অলাভজনক সংগঠন সেরেস টেকসই ব্যবসা সংস্কৃতির পক্ষে কাজ করছে। সেরেস বিভিন্ন কোম্পানিতে শেয়ারহোল্ডারদের পক্ষে দেয়া প্রস্তাবের একটি ডাটাবেজ সংকলন করেছে। প্রথম দিকে শেয়ারহোল্ডারদের এ ধরনের প্রস্তাব খুব বেশি সমর্থন পায়নি। ২০১১ সালে অক্সিডেন্টাল শেয়ারহোল্ডাররা কোম্পানির পর্ষদে একজন স্বতন্ত্র পরিবেশ বিশেষজ্ঞকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেন। মাত্র ৫ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট পেয়েছিল ওই প্রস্তাব। গত বছর শেয়ারহোল্ডারদের পক্ষ থেকে জীবাশ্ম সম্পদের ঝুঁকি সম্পর্কে প্রতিবেদন প্রকাশের একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। সামান্য ব্যবধানে হেরে গেলেও প্রস্তাবটি ৪৯ শতাংশ শেয়ারহোল্ডারের সমর্থন পেয়েছিল। শানা ক্লিভল্যান্ড বলেন, অক্সিডেন্টালের ভোটে যে বার্তা মিলছে তা হলো, রাজনৈতিক পালাবদলের পাশাপাশি বাজারসংশ্লিষ্ট শক্তিগুলোও জ্বালানি রূপান্তরের পথে হাঁটছে। এক্সন মবিল, রয়্যাল ডাচ শেলসহ বড় কয়েকটি তেল কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের সামনে জলবায়ু-সংক্রান্ত ঝুঁকি গবেষণার তথ্য তুলে ধরছে। অবশ্য এসব কোম্পানি গবেষণার সব তথ্য প্রকাশ করছে না। কিছু ক্ষেত্রে পরিবেশকর্মীরা এসব করপোরেট গবেষণার উপসংহার নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। কোনো কোনো গবেষণায় এমনও বলা হয়েছে যে, ভবিষ্যতে কার্বন নিঃসরণ নাটকীয়ভাবে হ্রাসের উদ্যোগ নিলেও কোম্পানিগুলোর ব্যবসা তেমন ঝুঁকিতে পড়বে না। জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে শেয়ারহোল্ডারদের অব্যাহত চাপের মুখে রয়েছে এক্সনসহ কয়েকটি কোম্পানি। চলতি মাসের শেষ দিকে এক্সন ও শেভরনের বার্ষিক সভায় শেয়ারহোল্ডাররা কয়েকটি প্রস্তাবে ভোট দেবেন। একটি প্রস্তাবে এক্সনকে নতুন প্রযুক্তি ও জলবায়ু পরিবর্তন-বিষয়ক আইন কোম্পানির সম্পদে কী প্রভাব ফেলবে, সে বিষয়ে আরো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে বলা হয়েছে। শেভরন শেয়ারহোল্ডারদের একটি প্রস্তাবে কোম্পানিকে লো-কার্বন ইকোনমিতে রূপান্তরের কৌশল প্রণয়নের কাজ শুরু করতে বলা হয়েছে। অক্সিডেন্টালের মতো এক্সন এবং শেভরনও শেয়ারহোল্ডারদের প্রতি প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে। দুই কোম্পানি দাবি করেছে, তারা সতর্কভাবে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা প্রণয়ন করছে এবং এরই মধ্যে এ বিষয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তথ্য প্রকাশ করেছে। সূত্র: দি ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।  
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
কয়লার ব্যবহার একদিন বন্ধ রেখেই বিদ্যুৎ উৎপাদন করলো যুক্তরাজ্য
এপ্রিল ২২, ২০১৭ শনিবার ০৮:৩১ পিএম - বিবিসি নিউজ
বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কয়লা পোড়ানো প্রথমবারের মতো পুরো একদিন বন্ধ রাখলো যুক্তরাজ্য। শিল্প বিপ্লব শুরুর ১৩৫ বছর পর কয়লা ছাড়াই অন্যান্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে দেশটি। দেশটির বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল গ্রিড এ তথ্য জানিয়ে বলেছে, কয়লা ব্যবহার না করে ব্রিটেনে বিদ্যুৎ উৎপাদনের এক ‘সন্ধিক্ষণ’ ছিলো শুক্রবারের দিনটি। অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টা জাতীয় গ্রিডে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়নি। এর আগে গত মে মাসে প্রায় ১৯ ঘন্টা কয়লা বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে বিরত ছিল দেশটি। একইভাবে গত বৃহস্পতিবারও ১৯ ঘণ্টা কয়ালামুক্ত ছিল ব্রিটেনের বিদ্যুৎ সরবরাহ। আর এর পরদিন শুক্রবার ২৪ ঘণ্টা কয়লামুক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সক্ষম হয় দেশটির ন্যাশনাল গ্রিড। কার্বন নিঃসরণ কমাতে ২০২৫ সালের মধ্যে সব কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করার পরিকল্পনা করেছে ব্রিটিশ সরকার। অন্যান্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১৮৮২ সালে লন্ডনের হোলবর্ন ভায়াডাক্ট এলাকায় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়। এরপর থেকে এই প্রথমবারের মতো  বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকলো দেশটি। দেশটির ন্যাশনাল গ্রিডের কর্মকর্তা কোর্ডি ও’ হারা বলেন, “শিল্প বিপ্লব শুরুর পর প্রথমবারের মতো কয়লামুক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ থাকাটা ছিল এক সন্ধিক্ষণ। এভাবেই আমাদের বিদ্যুৎ খাত পরিবর্তিত হচ্ছে।” গ্রিড ওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার ন্যাশনাল গ্রিডের অর্ধেক বিদ্যুৎ এসেছিলো গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে, এক-চতুর্থাংশ আসে পারমাণবিক কেন্দ্র থেকে। আর বাকিটা এসেছে জৈব, পানি, বায়ু ও সৌরবিদ্যুৎ থেকে।    
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বাজার ফের ঊর্ধ্বমুখি
মার্চ ৩১, ২০১৭ শুক্রবার ১০:৫২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজার গত বুধবার থেকে ঊর্ধ্বমুখি হয়েছে। নিউইয়র্কে ২ দশমিক ৪ ও লন্ডনে ২ দশমিক ১ শতাংশ দাম বেড়েছে জ্বালানি তেলের। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, সর্বশেষ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যাশামাফিক জ্বালানি তেলের সরবরাহ না বাড়ায় এবং গ্যাসোলিনের সরবরাহ কমে আসায় বাড়তে শুরু করেছে জ্বালানি তেলের দাম। নিউইয়র্ক মার্কেন্টাইল এক্সচেঞ্জে (নিমেক্স) ব্যারেলে ১ ডলার ১৪ সেন্ট দাম বেড়েছে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই)। আগামী মে মাসে সরবরাহ চুক্তিতে বুধবার এখানে ২ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ডব্লিউটিআই বিক্রি হয়েছে ৪৯ ডলার ৫১ সেন্টে। ফ্যাক্টসেটের তথ্যমতে, গত ৯ মার্চের পর নিমেক্সে এটিই ডব্লিউটিআইয়ের সর্বোচ্চ দর। অন্যদিকে লন্ডন ইন্টারকন্টিনেন্টাল এক্সচেঞ্জে (আইসিই) ব্যারেলে ১ ডলার ৯ সেন্ট দাম বেড়েছে ব্রেন্টের। মে মাসে সরবরাহ চুক্তিতে ২ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট বিক্রি হয়েছে ৫২ ডলার ৪২ সেন্টে। যুক্তরাষ্ট্রের এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ইআইএ) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৪ মার্চ শেষ হওয়া সপ্তাহে দেশটিতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বেড়েছে নয় লাখ ব্যারেল। ওই সপ্তাহে দেশটিতে ৫৩ কোটি ৪০ লাখ ব্যারেল জ্বালানি তেল সরবরাহ ছিল। তবে আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউট (এপিআই) জানিয়েছিল, ওই সপ্তাহে দেশটিতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ১৯ লাখ ব্যারেল বাড়তে পারে। ইআইএর প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ২৪ মার্চ শেষ হওয়া সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসোলিনের সরবরাহ ৩৭ লাখ ব্যারেল কমেছে। আর মজুদ কমেছে ২৫ লাখ ব্যারেল। জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে গ্যাসোলিনের এই সরবরাহ ও মজুদ ঘাটতিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। সূত্র: মার্কেটওয়াচ।  
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
‘পরিবেশ দূষণ রোধে বেইজিংয়ের সর্বশেষ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটিও বন্ধ হলো’
মার্চ ২৪, ২০১৭ শুক্রবার ০৯:০৯ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
অবশেষে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের বৃহৎ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির উৎপাদনও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ওই শহরের বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি হিসেবে এখন পুরোপরি প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার হচ্ছে। কংগ্রেসের সর্বশেষ বার্ষিক সভার ভাষণে পরিবেশ দূষণ রোধে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং বলেন, ‘আবার আমাদের আকাশ নীল করব’। এরপরই বেইজিংয়ের হুয়াংনেং কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদন বন্ধের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত আসে। ২০১৩ সালে নেওয়া পাঁচ বছরের বায়ু দূষণ প্রকল্পের আওতায় বেইজিংই এখন চীনের প্রথম শহর, যেখানে সবগুলো বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হচ্ছে। ওই বছরই বেইজিংয়ে ২২ মিলিয়ন টন কয়লা ব্যবহার করা হয়েছিল। ব্যবহার কমিয়ে দেওয়ায় চলতি বছর ১০ মিলিয়নের নিচে পৌঁছাবে। ইতোমধ্যে প্রধান কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে দিয়েছে চীন। আর ২০১৩ সালের পর হুয়াংনেং চতুর্থ কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র, যার কার্যক্রম বন্ধও করা হলো। এর আগে গত বছর ১০০টি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধের নির্দেশ দেয় চীনের এনার্জি রেগুলেটর। দেশটির ১১টি প্রদেশে প্রায় ১০০ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে ওই বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারকে জোরদার করতেই দেশটির সরকার এমন পদক্ষেপ নিয়েছে। এটাকে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বন্ধের এ যাবৎ কালের সবচেয়ে বড় উদ্যোগ হিসেবে মনে করা হচ্ছে। চীনের জাতীয় জ্বালানি কর্তৃপক্ষ (এনইএ) জানায়, বন্ধ করার নির্দেশ পাওয়া ওই ১০০ বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে বেশ কিছু নির্মাণাধীন প্রকল্পও রয়েছে। প্রতিবেদন মতে, নির্মাণাধীন ওই প্রকল্পগুলোর মোট মূল্য প্রায় ৬ হাজার ২০০ কোটি ডলার। এ প্রকল্পগুলোর বেশিরভাগই জিয়াংজিং, ইনার মঙ্গোলিয়া, শানঝি, গানসু, ওইনগাইসহ উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রাজ্যগুলোতে অবস্থিত। এই উদ্যোগ সম্পর্কে সরকারের তরফ থেকে বলা হয়েছে, সূর্য ও বাতাসের মতো উৎসগুলো থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়িয়ে কয়লার ব্যবহার কমানোর জন্যই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেলে দেশের নাগরিকদের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহের তেমন কোনো ব্যাঘাত ঘটবে না বলেও সরকারের তরফে বলা হয়েছে। এছাড়া বায়ু দূষণ রোধে চলতি বছর আরো ৩০ শতাংশ কয়লা ব্যবহার কমাবে চীনের রাজধানী বেইজিং। যানজট ও কয়লার অধিক ব্যবহারের ফলে বায়ু দূষণ প্রতিরোধে চলতি বছর বেইজিং প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। সূত্র: এএফপি  
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
কয়লা প্রকল্পে অর্থায়ন বন্ধের ঘোষণা করলো জার্মান ব্যাংকিং জায়ান্ট ডয়েচে ব্যাংক
ফেব্রুয়ারি ০২, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ০৮:৩৩ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বৈশ্বিক উষ্ণতা মোকাবেলায় অঙ্গীকার করে প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে সই করা জার্মান ব্যাংকিং জায়ান্ট ডয়েচে ব্যাংক কয়লা প্রকল্পে অর্থায়ন বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। মঙ্গলবার তাদের নতুন এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে এক বিবৃতিতে বলেছে, ডয়েচে ব্যাংক ও এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো কয়লা খনিতে নতুন করে অর্থায়নে অনুমোদন দেবে না এবং বর্তমানে যেসব কয়লাভিত্তিক প্রকল্পে ডয়েচে ব্যাংক বিনিয়োগ করেছে, ধীরে ধীরে তা কমিয়ে আনা হবে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি নতুন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণেও অর্থায়ন করবে না। এ সিদ্ধান্ত গত বছরের প্যারিস জলবায়ু সম্মেলনের অঙ্গীকারের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বলে মনে ঋণদাতা এই প্রতিষ্ঠানটি। এটি বিশ্বের প্রথম সর্বজনীন জলবায়ু চুক্তি। ১৯২টি দেশ প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে সই করেছে। সূত্র: এএফপি।  
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
গত ৭ বছরের মধ্যে ২০১৬ সালে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে সবচেয়ে বেশি
জানুয়ারি ০১, ২০১৭ রবিবার ১০:২৪ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
২০০৯ সালের পর এ বছরই সবচেয়ে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। বছরের শেষ দিনে এসে আন্তর্জাতিক বাজারে কমেছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। এদিন জ্বালানি তেলের বাজারটি নিম্নমুখী থাকলেও, এ বছর জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে ৪৫ শতাংশের কাছাকাছি। শুক্রবার নিউইয়র্ক মার্কেন্টাইল এক্সচেঞ্জে (নিমেক্স) আগামী ফেব্রুয়ারিতে সরবরাহ চুক্তিতে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ব্যারেলে ৫ সেন্ট কমেছে। এদিন দশমিক ১ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ডব্লিউটিআই বিক্রি হয়েছে ৫৩ দশমিক ৭২ ডলারে। তবে ২০১৬ সালে ডব্লিউটিআইয়ের দাম সব মিলিয়ে বেড়েছে প্রায় ৪৫ শতাংশ। এর মধ্যে গত ডিসেম্বরেই পণ্যটির দাম বেড়েছে ৮ শতাংশের বেশি। অন্যদিকে মার্চে সরবরাহ চুক্তিতে লন্ডনের ইন্টারকন্টিনেন্টাল এক্সচেঞ্জে (আইসিই) ব্যারেলে ২২ সেন্ট কমেছে ব্রেন্ট অয়েলের দাম। এদিন দশমিক ৪ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ডব্লিউটিআই বিক্রি হয়েছে ৫৬ দশমিক ৬৩ ডলারে। চলতি বছর সব মিলিয়ে ব্রেন্ট অয়েলের দাম বেড়েছে প্রায় ৫২ শতাংশ। বার্ষিক হিসাবে ২০০৯ সালের পর এ বছরই সর্বোচ্চ দরবৃদ্ধি ঘটেছে পণ্যটির। শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম কমে যাওয়ার জন্য নববর্ষের ছুটি উপলক্ষে বাজার বন্ধ থাকাকে দায়ী করছেন বিশ্লেষকরা। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেল শোধনাগার বৃদ্ধির খবরও এদিন বাজারকে নিম্নমুখী অবস্থানে রাখতে কাজ করেছে। বাকের হিউজেসের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে তেল শোধনাগারের সংখ্যা বেড়েছে দুটি। সব মিলিয়ে দেশটিতে বর্তমানে ৫২৫টি তেল শোধনাগার সক্রিয় রয়েছে। ২০১৬ সালটি জ্বালানি তেলের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ২০১৪ সালের মাঝামাঝি সময়ের পর থেকে অব্যাহত দরপতনের মুখে প্রায় ৬০ শতাংশ দাম পড়ে গিয়েছিল পণ্যটির। এমন অবস্থায় শীর্ষ তেল রফতানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেক পণ্যটির উত্তোলন কমিয়ে দাম বাড়ানোর চেষ্টায় ছিল। একই চেষ্টা করেছে রাশিয়াসহ ওপেকবহির্ভূত আরো কয়েকটি শীর্ষ উত্তোলক দেশ। চলতি বছরের শুরুতে ওপেক পণ্যটিতে উত্তোলনসীমা আরোপের কাছাকাছি চলে গিয়েছিল। শেষ মুহূর্তে দুই শীর্ষ উত্তোলক দেশ ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে সমঝোতার অভাবে সেবার জ্বালানি তেলের উত্তোলন কমানো সম্ভব হয়নি। বছরের শুরুতে উত্তোলন কমানোর উদ্যোগ ভেস্তে গেলেও এতে দমে যায়নি ওপেক। তারা বছরজুড়েই শীর্ষ উত্তোলক দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে গেছে। এরই ফলে গত ৩০ নভেম্বর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় ওপেকের বৈঠকে সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে একটি চুক্তি করে সংগঠনটি। চুক্তি অনুযায়ী, ওপেকভুক্ত দেশগুলো সম্মিলিতভাবে দৈনিক ৩ কোটি ২৫ লাখ ব্যারেল জ্বালানি তেল উত্তোলন করবে। আজ থেকে এ চুক্তি কার্যকর হওয়ার কথা। ওপেকের পাশাপাশি রাশিয়াসহ আরো ১১টি জ্বালানি তেল উত্তোলক দেশ পণ্যটির উত্তোলন কমিয়ে আনতে একটি চুক্তি করেছে। চুক্তিগুলো বাস্তবায়ন হলে শীর্ষ উত্তোলক দেশগুলো দৈনিক ১৮ লাখ ব্যারেল জ্বালানি তেল কম উত্তোলন করবে। মূলত এ দুই চুক্তির প্রভাবেই ধসে যাওয়া তেলের বাজারটির চাঙ্গা হয়ে উঠছে। যদি চুক্তিগুলো পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা হয়, তবে ২০১৭ সালের মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৬০ ডলারে উঠে যাবে। ২০১৮ সাল নাগাদ প্রতি ব্যারেল তেলের দাম গিয়ে দাঁড়াবে ৭০ ডলারে। সূত্র: মার্কেটওয়াচ  
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
আন্তর্জাতিক বাজারে ফের জ্বালানি তেলের দাম কমেছে
ডিসেম্বর ৩১, ২০১৬ শনিবার ১১:৪১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
টানা চারদিনের ঊর্ধ্বমুখিতা শেষে আন্তর্জাতিক বাজারে ফের দাম কমেছে জ্বালানি তেলের। যুক্তরাষ্ট্রে সাপ্তাহিক মজুদ বৃদ্ধির প্রতিবেদন প্রকাশের পর বৃহস্পতিবার পণ্যটির সব ধরনের বাজার আদর্শের মূল্য হ্রাস পায়। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৃহত্ উত্তোলক দেশগুলোর সরবরাহ হ্রাসের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু হলে এর সুযোগ নিতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের শেল (পাথরের খাঁজে জমে থাকা তেল) উত্তোলন খাত, যা বাজারকে আবারো নিম্নমুখী করে তুলতে পারে। নিউইয়র্ক মার্কেন্টাইল এক্সচেঞ্জে (নিমেক্স) বৃহস্পতিবার ফেব্রুয়ারিতে সরবরাহের চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার আদর্শ ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম কমেছে ব্যারেলে ২৯ সেন্ট। এদিন এখানে পণ্যটির সর্বশেষ বিক্রয়মূল্য নেমে আসে প্রতি ব্যারেল ৫৩ ডলার ৭৭ সেন্টে। সারা দিনের লেনদেনে পণ্যটির দরবৃদ্ধির হার দশমিক ৬ শতাংশ। যদিও এদিন পণ্যটির বাজার শুরু হয়েছিল ঊর্ধ্বমুখিতায়। দিনব্যাপী লেনদেনের একপর্যায়ে এখানে উল্লিখিত চুক্তির আওতায় পণ্যটির দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছিল প্রতি ব্যারেল ৫৪ ডলার ২১ সেন্টে। যুক্তরাষ্ট্রের এনার্জি ইনফরমেশন এজেন্সির (ইআইএ) এক প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পণ্যটির দাম আবার কমতে শুরু করে। ইআইএর বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৩ ডিসেম্বর শেষ হওয়া সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মজুদ বেড়েছে ছয় লাখ ব্যারেল। এর আগে আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউটের (এপিআই) এক প্রাক্কলিত প্রতিবেদনে দেশটিতে এ সময় পণ্যটির মজুদ বৃদ্ধির সম্ভাবনা জানানো হয়েছিল ৪২ লাখ ব্যারেল। যদিও ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল পরিচালিত এক বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদনে এ সময় দেশটিতে পণ্যটির মজুদ ১৪ লাখ ব্যারেল কমার সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছিল। গতকালের লেনদেন শুরুর আগ পর্যন্ত চলতি মাসে ডব্লিউটিআইয়ের দাম বেড়েছে ৮ দশমিক ৮ শতাংশ। অন্যদিকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের চলতি বছরের লেনদেন শেষ হতে যাচ্ছে ৪৫ শতাংশের সামান্য বেশি দরবৃদ্ধিতে। গতকালই পণ্যটির সাপ্তাহিক ও চলতি বছরের বাজার শেষ হওয়ার কথা। বৃহস্পতিবার প্রভাব ফেললেও আগামী বছরের সার্বিক বাজার পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের মজুদ তথ্যের প্রভাব সামান্যই থাকবে বলে মনে করছেন ইউএস ব্যাংকের প্রাইভেট ক্লায়েন্ট গ্রুপের বিশ্লেষক মার্ক ওয়াটকিনস। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন বছরে বাজারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে যাচ্ছে অর্গানাইজেশন অব পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজভুক্ত (ওপেক) ও বহির্ভূত বৃহত্ উত্তোলক দেশগুলোর সরবরাহ হ্রাসের প্রতিশ্রুতি। দেশগুলো এ প্রতিশ্রুতি কীভাবে বাস্তবায়ন করছে, মূলত সেটিই হয়ে উঠতে যাচ্ছে পণ্যটির বাজারগতি নির্দেশক। অন্যদিকে লন্ডনের ইন্টার কন্টিনেন্টাল এক্সচেঞ্জে (আইসিই) এদিন ফেব্রুয়ারিতে সরবরাহের চুক্তিতে আন্তর্জাতিক বাজার আদর্শ ব্রেন্ট তেলের দাম কমেছে ব্যারেলে ৮ সেন্ট। বৃহস্পতিবার এখানে পণ্যটির বাজার স্থির হয় প্রতি ব্যারেল ৫৬ ডলার ১৪ সেন্টে। দিন শেষে পণ্যটির মোট দরপতনের হার দাঁড়িয়েছে দশমিক ১ শতাংশে। ওপেকের বাজার সুরক্ষায় সবচেয়ে বড় হুমকি হয়ে উঠতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের অপ্রচলিত পন্থায় জ্বালানি তেল উত্তোলন। মোট বৈশ্বিক চাহিদার এক-তৃতীয়াংশ সরবরাহ করে জ্বালানি তেল রফতানিকারকদের জোটটি। দুই বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের বর্ধিত উত্তোলনকে মোকাবেলা করতে গিয়ে সরবরাহ বৃদ্ধির মাধ্যমে অংশীদারিত্ব দখলের কৌশল নেয় ওপেক, যার ফলে বিপদে পড়ে যায় যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি খরচে শেল উত্তোলন শিল্প। এর পরও ওপেকের কৌশল খুব একটা কার্যকর হয়নি বলে মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা। ওপেকের এ কৌশলের পরিপ্রেক্ষিতে পণ্যটির বৈশ্বিক সরবরাহ দ্রুত চাহিদা বৃদ্ধির গতিকে অতিক্রম করে যায়। চলতি বছরের শুরুর দিকে জ্বালানি তেলের মূল্য নেমে আসে প্রতি ব্যারেল ২৬ ডলারের কাছাকাছি। দরপতনের ধারাবাহিকতায় জ্বালানি তেল খাত থেকে ওপেকভুক্ত কয়েকটি দেশের আয় কমে যায়। জ্বালানি তেল-নির্ভরতার কারণে প্রায় ধসের মুখে পড়ে যায় কয়েকটি দেশের অর্থনীতি। এর বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের শেল উত্তোলন খাতে ধস নামলেও, তা ছিল বিস্ময়কর রকমের ধীর। শেষ পর্যন্ত সরবরাহ বৃদ্ধির কৌশল পরিত্যাগে বাধ্য হয় ওপেক। একই সঙ্গে বাজারদর পুনরুদ্ধারের জন্য পণ্যটির উত্তোলন হ্রাসে সম্মতি জানায় উত্তোলক জোটটি, যার পরিপ্রেক্ষিতে আবার ঊর্ধ্বমুখী হয়ে ওঠে জ্বালানি তেলের বাজার। একই সঙ্গে ৫০ ডলারের স্তর অতিক্রম করে পণ্যটির ব্যারেলপ্রতি মূল্য। সূত্র: মার্কেটওয়াচ।  
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
ভারতের ঝাড়খণ্ডের কয়লা খনিতে ধস, নিহত ১০
ডিসেম্বর ৩০, ২০১৬ শুক্রবার ১০:৪৮ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ঝাড়খণ্ডের একটি কয়লাখনিতে ধসের ঘটনায় অন্তত ১০ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন।  গত ২৯ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, রাজ্যের গোদা জেলার ইস্টার্ন কোল ফিল্ডস লিমিটেডের (ইসিএল) লালমাটিয়া কয়লা খনির প্রবেশপথ কাদামাটিতে ঢেকে যায়। এর ফলে খনিতে আটকা পড়েন বেশ কয়েকজন শ্রমিক ও ৪০টি ট্রাক। ঘন কুয়াশার কারণে রাতে উদ্ধার অভিযান শুরু করা সম্ভব হয়নি। শুক্রবার সকালে উদ্ধার অভিযান শুরু হলে, এখন পর্যন্ত ৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ সুপার হরিলাল চৌহান জানান, খনিতে প্রবেশপথের ঠিক উপরে, মাটির ঢিবিতে একটি ফাটল ছিল। সেটি ধসে পড়ে প্রবেশপথটি বন্ধ হয়ে গেছে। ভূমি থেকে ২০০ ফুট গভীরে খনি থেকে কয়লা উত্তোলনের কাজ চলছিল। পুলিশ কর্মকর্তা এস কে সিং জানান, এখন পর্যন্ত ২৩ জন শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন বলে খবর মিলেছে। তবে খনি কর্তৃপক্ষ এ সংখ্যা ১০ জন বলে জানিয়েছে। অভিযান এখনো চলছে। দেশটির ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্সের (এনডিআরএফ) উদ্ধারকারী দল অভিযানে অংশ নিয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি
ক্যাটাগরি: আঞ্চলিক
ইরানে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের উত্তোলন বেড়েছে প্রায় ১৯ শতাংশ
ডিসেম্বর ২৬, ২০১৬ সোমবার ১০:৫৩ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
শীর্ষ জ্বালানি তেল উত্তোলক দেশগুলোর সংগঠন ওপেক ও ওপেকবহির্ভূত কয়েকটি দেশ পণ্যটির উত্তোলন কমানোর চেষ্টা অব্যাহত রাখলেও ইরানে অপরিশোধিত তেলের উত্তোলন বেড়েছে প্রায় ১৯ শতাংশ। বিভিন্ন দেশের জ্বালানিপণ্য নিয়ে কাজ করা যুক্তরাষ্ট্রের এনার্জি ইনফরমেশন এজেন্সি (ইআইএ) সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওপেকভুক্ত ইরানে জ্বালানি তেলের উত্তোলন বেড়েছে ১৮ দশমিক ৮ শতাংশ। গত শুক্রবার ইআইএ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর সময়ে ইরান দৈনিক ৩৯ লাখ ২০ হাজার ব্যারেল জ্বালানি তেল উত্তোলন করেছে। এর মধ্যে গত সেপ্টেম্বরে কনডেনসেট গ্যাসসহ তেলজাতীয় পণ্য দৈনিক ৪১ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেল হারে উত্তোলন করেছে দেশটি, যা চলতি বছরের নভেম্বরের চেয়ে ২০ হাজার ব্যারেল বেশি। অন্যদিকে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরের তুলনায় চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে দৈনিক ৮ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেল জ্বালানি তেল বেশি উত্তোলন করেছে ইরান। ইআইএর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৮০ সালের পর সর্বশেষ সেপ্টেম্বরে সবচেয়ে বেশি অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলন করেছে ইরান। এদিকে ওপেক ও ইআইএর প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে দৈনিক ৩৬ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল হারে জ্বালানি তেল উত্তোলন করেছে ইরান। তবে এর মধ্যে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ও কনডেনসেট গ্যাস পৃথকভাবে নাকি একসঙ্গে উত্তোলন করা হয়েছে, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, এ সময়ে তারা দৈনিক ৫ লাখ ৬০ হাজার ব্যারেল হারে পরিশ্রুত গ্যাস উত্তোলন করেছে। গত জানুয়ারিতে তেল রফতানির আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা থেকে ফিরেছে ইরান। দীর্ঘদিন নিষেধাজ্ঞা থাকায় তেলনির্ভর এ দেশটির অর্থনীতি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্বভাবতই নিষেধাজ্ঞা থেকে ফেরার পর পণ্যটি বাড়তি উত্তোলনের দিকে নজর দিয়েছে ইরান। তবে জ্বালানি তেলের উত্তোলন কমিয়ে আনতে ওপেক যে চুক্তি করেছে, তাতে বলা আছে, ২০১৭ সালের প্রধমার্ধ পর্যন্ত দেশটি দৈনিক সর্বোচ্চ ৩৮ লাখ ব্যারেল জ্বালানি তেল উত্তোলন করতে পারবে। পণ্যটি রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আগে ইরান দৈনিক ৪০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলন করত। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ২০১৪ সালের মাঝামাঝি কমতে শুরু করে। তখন থেকে এ পর্যন্ত পণ্যটির দাম কমেছে ৬০ শতাংশের কাছাকাছি।
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
চীনের সহায়তায় দু্ই বছরে মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৬০% বাড়াতে চায় পাকিস্তান
ডিসেম্বর ২১, ২০১৬ বুধবার ০১:০৮ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
আগামী দুই বছরের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ৬০ শতাংশ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে পাকিস্তান। এর অংশ হিসেবে চলতি মাসে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হতে পারে। আগামী মাসে উদ্বোধন করা হবে বিস্তৃত গ্যাস সঞ্চালন নেটওয়ার্ক। শক্তি-সক্ষমতা বৃদ্ধির ১০টি প্রকল্পে পাকিস্তানকে ২ হাজার ১০০ কোটি ডলার অর্থ সহায়তা দিচ্ছে চীন। পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে অন্তত ১০টি বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ চলছে। এসব প্রকল্পে কর্মরত রয়েছেন ১০ হাজারের বেশি চীনা শ্রমিক। চীন সরকার এ প্রকল্পগুলোয় আংশিক অর্থ সহায়তা দিচ্ছে। পাকিস্তানের পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (জ্বালানি) সৈয়দ আখতার আলি বলেন, পাকিস্তানের ইতিহাসে কখনো এত বেশি বিদ্যুৎ কেন্দ্র পাইপলাইনে ছিল না। বর্তমানে পাকিস্তান দৈনিক ১৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। দীর্ঘমেয়াদে এ সক্ষমতা দ্বিগুণে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে দেশটি। বিদ্যুৎ সক্ষমতা উৎপাদনে চীনের ওপর বড় ধরনের নির্ভরতা রাখছে ইসলামাবাদ। কৌশলগত অর্থনৈতিক সহযোগিতা হিসেবে চীন সরকার পাকিস্তানের অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থায়ন করছে। চায়না-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর রূপায়ণের ধারাবাহিকতায় এ সহযোগিতা দীর্ঘমেয়াদে ইউরেশিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত করার লক্ষ্য রয়েছে চীনের। বাণিজ্যিকভাবেই পাকিস্তানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র বিনিয়োগ করছে চীন। তবে নির্বাচনের আগে দ্রুত বিদ্যুৎ চিত্রের উন্নতি দেখাতে পাকিস্তান সরকার নিজস্ব তহবিল থেকেও কয়েকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করছে। এরই অংশ হিসেবে নওয়াজ শরিফের প্রদেশ পাঞ্জাবে গ্যাসভিত্তিক তিনটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ চলছে। ২০১৮ সালের সূচনালগ্ন নাগাদ চীনা সহায়তাপুষ্ট নতুন কেন্দ্রগুলো থেকে অতিরিক্ত ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে চায় পাকিস্তান। এর মধ্যে কয়লা, গ্যাস ও জলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। চীন যেভাবে পাকিস্তানের বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে সহায়তা করছে, সে তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ অপ্রতুল। ওয়াশিংটনের দেয়া বেসামরিক সাহায্য কর্মসূচির আওতায় পাকিস্তান সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বিদ্যমান কয়েকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সক্ষমতা বাড়িয়েছে। তবে এতে উৎপাদনে যোগ হয়েছে সাকুল্যে ১ হাজার মেগাওয়াট। চীনা অর্থায়নের বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো পাকিস্তানে রাজনৈতিক ইস্যুতে রূপ নিতে পারে। এসব প্রকল্প ইসলামাবাদ থেকে উদার প্রতিদান পেয়ে থাকে। কম জনসংখ্যা অধ্যুষিত প্রদেশগুলোর প্রতিনিধিরা অভিযোগ করেছেন, পাঞ্জাব প্রদেশ এসব প্রকল্পের অন্যায্য ও অতিরিক্ত সুবিধা ভোগ করছে। ২০১৩ সালে পাকিস্তানে তীব্র বিদ্যুৎ সংকট ছিল। কোথায় কোথাও দিনে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হতো। এ অবস্থায় বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনে জিতেন নওয়াজ শরীফ। বিদ্যুৎ পরিস্থিতির এখন বেশ উন্নতি হয়েছে। বিদ্যুতে ভরসা করেই আরেক দফা নির্বাচনী বৈতরণী পাড়ি দিতে চান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। পাকিস্তানের জ্বালানিমন্ত্রী শহীদ খাকান আব্বাসী বলেন, নির্বাচনে বড় অনুঘটক হতে চলেছে বিদ্যুৎ। আমরা যদি বিদ্যুৎ দিতে ব্যর্থ হই, তাহলে বলা হবে কিছুই দিতে পারিনি। সূত্র: দ্যা ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
ক্যাটাগরি: আঞ্চলিক
তেলক্ষেত্র উন্নয়নে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করেছে ইরান
ডিসেম্বর ১৫, ২০১৬ বৃহস্পতিবার ১১:০৩ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
জ্বালানিসহ অন্যান্য খাতে উপসাগরীয় দেশ ইরানে কয়েক শত কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে রাশিয়া। এর অংশ হিসেবে গ্যাজপ্রমসহ রাশিয়ার কয়েকটি কোম্পানি ইরানের সঙ্গে এক গুচ্ছ প্রাথমিক চুক্তি সই করেছে, যার মূল্য কয়েক শত কোটি ডলার হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পারস্য উপসাগরীয় দেশটির অন্যতম বিনিয়োগকারীতে পরিণত হওয়ার পরিকল্পনাও করেছেন রুশ জ্বালানিমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক বলে সংবাদ মাধ্যমে খবর বেরিয়েছে। সম্প্রতি তেহরানে রাশিয়ার একটি প্রতিনিধি দল ক্ষুদ্র শিল্প থেকে বিদ্যুত্ ও রেলওয়ে বিষয়ে নয়টি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। গ্যাজপ্রম ইরানের রাষ্ট্রীয় প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানির সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। এর সম্পূরক কোম্পানি গ্যাজপ্রম নেফট চেসমেহ-খোশ ও চ্যাংগুলেহ তেলক্ষেত্র-সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। রাষ্ট্র পরিচালিত কোম্পানি গ্যাজপ্রম রাশিয়ার তৃতীয় বিদ্যুত্ কোম্পানি যেটি ইরানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। অন্য দুটি কোম্পানি হলো লুকঅয়েল ও জারুবেজনেফট। মঙ্গলবার চুক্তি স্বাক্ষরের অনুষ্ঠানে নোভাক বলেন, ইরানের বড় প্রকল্পগুলোর উন্নয়নকে আমরা অগ্রাধিকার দেব। তিনি আরো বলেন, এ চুক্তিগুলোর আমাদের দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব রয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইরানের ওপর আরোপিত আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়। এরপর থেকে তেহরানে সফররত বিদেশি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েছে। নিষেধাজ্ঞা শিথিলের মধ্য দিয়ে বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদের কাছে দেশটির ৪০ হাজার কোটি ডলারের অর্থনীতির দুয়ার খুলে গেছে। ইরানে বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে পশ্চিম ইউরোপীয় প্রতিযোগীদের চেয়ে দ্রুততার সঙ্গে এগোতে পারবে রাশিয়া। এর অন্যতম কারণ দেশটির ওপর যে অবশিষ্ট মার্কিন নিষেধাজ্ঞা রয়েছে তা মানতে ততটা বাধ্য নয় রুশ ব্যাংকগুলো। এ বিষয়ে ইরানে যুক্তরাজ্যের সাবেক রাষ্ট্রদূত রিচার্ড ডাল্টন বলেন, ইরানে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানির চেয়ে রাশিয়া অবশ্যই সবচেয়ে ভালো স্থানে রয়েছে। পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নিষেধাজ্ঞা শিথিল হওয়ার পর ওপেকভুক্ত দেশটি ব্যাপকহারে অপরিশোধিত তেল বিক্রি শুরু করেছে। মূল্যবৃদ্ধির জন্য গত মাসে সামষ্টিক তেল উত্পাদন হ্রাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওপেক। তবে এক্ষেত্রে ইরানকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। ফলে দেশটির সামনে উত্পাদন বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। সূত্র: ব্লুমবার্গ।
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
ওপেক-বহির্ভূত ১১টি দেশ অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের উত্তোলন কমাবে
ডিসেম্বর ১২, ২০১৬ সোমবার ১২:৪৯ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ফের বাড়াতে এবার উত্তোলন কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওপেক জোটভুক্ত নয় এমন ১১টি দেশ। গেল ১৫ বছরের মধ্যে এবারই প্রথম তেল উত্তোলন কমানোর বিষয়ে সর্বসম্মতিক্রমে একটি বৈশ্বিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।এর আগে গত মাসে দাম বাড়ানোর লক্ষ্যে তেল উত্তোলন কমাতে ঐকমত্যে পৌঁছে ওপেক। যেসব দেশ ওপেকের সদস্য নয় তারাও উৎপাদন কমানোর ঘোষণা দিক, এমনটা চাইছিলেন সংস্থাটির নেতারা। শনিবার অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন অর্গানাইজেশন অব পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজের (ওপেক) প্রধান কার্যালয়ে এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে ওপেকবহির্ভূত দেশ রাশিয়া, আজারবাইজান, ওমান, মেক্সিকো, মালয়েশিয়া, সুদান, সাউথ সুদান, বাহরাইনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বৈঠকে প্রতিদিন ৫ লাখ ৫৮ হাজার ব্যারেল তেল উত্তোলন কমাতে সম্মত হয়েছে রাশিয়া। আগামী জানুয়ারি থেকে প্রতিদিন ১২ লাখ ব্যারেল তেল উত্তোলন কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওপেক। গত ৮ বছরের মধ্যে এটা হচ্ছে ওপেকের তেল উত্তোলন কমানোর প্রথম সিদ্ধান্ত। ওপেকভুক্ত দেশের মধ্যে রয়েছে আলজিরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, ইকুয়েডর, গ্যাবন, ইরান, ইরাক, কুয়েত, লিবিয়া, নাইজিরিয়া, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভেনিজুয়েলা। চাহিদার চেয়ে উৎপাদন বেশি থাকায় গত দুই বছরে এ বাজার ছিল টানা প্রায় নিম্নমুখী। ব্যারেলপ্রতি ১০৭ ডলার তেলের দর নামে ৩০ ডলারেরও নিচে। এ খাতের কোম্পানিগুলো তাদের বিনিয়োগ কমানোসহ শ্রমিক ছাঁটাই শুরু করতে থাকে। কিছু কোম্পানি মার্জ হওয়ার পরিকল্পনাও করে। এ পরিস্থিতিতে তেল রফতানিকারক দেশগুলোর অর্থনীতিতে কালো মেঘ নেমে আসে। তারপরও দেশগুলো এখনও উৎপাদনের সাথে চাহিদার ভারসাম্য আনতে পারেনি। সূত্র: বিবিসি ও রয়টার্স
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
    সাম্প্রতিক এনার্জি ওয়ার্ল্ড এর খবর
তেলক্ষেত্র উন্নয়নে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করেছে ইরান
ওপেক-বহির্ভূত ১১টি দেশ অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের উত্তোলন কমাবে
পাকিস্তানে প্রবাহিত তিনটি নদীর জলবিদ্যুৎ প্রকল্প দ্রুত শেষ করতে চায় ভারত
আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে
ক্যান্সার চিকিৎসায় রোসাটমের সাফল্য
ভারতের জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হল কুদানকুলাম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট
পশ্চিমবঙ্গে সিলিন্ডার গ্যাসের বটলিং প্লান্টের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ছে
রুশ গ্রিডে যুক্ত হলো বিশ্বের প্রথম ৩+ প্রজন্মের পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইউনিট
কেনিয়ার গ্রামে সৌর বিদ্যুতে চলছে টেলিভিশন
ভারতে ফের কমলো জ্বালানি তেলের দাম
চীনের জ্বালানী খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় সৌদি আরব
চীনের কয়লা খনিতে বন্যায় ৫ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ২
ইরানে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানির প্রধান পদে রদবদল
ইরানের অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পুনরায় কিনছে শেল
ভারতে ছয়টি পরমাণু চুল্লি নির্মাণে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র
পারমাণবিক শক্তির শন্তিপূর্ণ ব্যবহারে রাশিয়া-কেনিয়া সমঝোতা
ভারতে ৪৬টি ছোট তেল-গ্যাস খনি নিলামের জন্য দরপত্র আহ্বান
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দর ৫০ ডলার ছাড়িয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রে কয়লা উত্তোলন ও রপ্তানি কমছে
এপ্রিলে রেকর্ড অপরিশোধিত জ্বালানি তেল রপ্তানি করেছে ইরাক
ভেনিজুয়েলায় বিদ্যুৎ সংকটের কারণে সপ্তাহে দুই দিন কাজ করার নির্দেশ
জ্বালানি বাঁচাতে উদ্যোগ কেন্দ্রের
চীন থেকে জ্বালানিও পাচ্ছে নেপাল
চীনে কয়লা খনিতে দুর্ঘটনায় ১৯ জনের মৃত্যু
কানাডায় পেট্রোনাসের এলএনজি প্রকল্পের অনুমোদন আবারো বিলম্বিত
নাইজেরিয়ার রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানির ১৬০০ কোটি ডলার রাজস্ব ফাঁকি
স্বাভাবিক হচ্ছে জ্বালানি তেলের দাম
চীনে কয়লা খনি দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত
রাশিয়ায় কয়লা খনি দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৬
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy

   Editor & Publisher: Aminur Rahman
   Copyright @ 2015-2017 energynewsbd.com
   All Rights Reserved | Developed By: Jadukor IT