ঢাকা, মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৭, ২০১৭, কার্তিক ২, ১৪২৪ ০৩:২২ পিএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
প্রযুক্তি
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সমৃদ্ধির চাবিকাঠি এইচইএলই কয়লা প্রযুক্তি
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আগামীর অর্থনৈতিক উন্নতি এবং জলবায়ু নীতি গ্রহণ ও বাস্তবায়নে উচ্চ দক্ষতার এবং কম কার্বন ডাইঅক্সাইড নি:সরণ ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রযুক্তি (এইচইএলই) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এইচইএলই কয়লা প্রযুক্তি এই অঞ্চলের ৬০ কোটি মানুষের কাছে নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী মূল্যের বিদ্যুৎ পৌঁছে দেবে এবং অবিশ্বাস্যভাবে কার্বন নি:সরণও কমবে। আসিয়ান সেন্টার ফর এনার্জি এবং ওয়ার্ল্ড কোল অ্যাসোসিয়েশনের (ডব্লিউসিএ) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। আসিয়ান দেশগুলোর জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানি, টেকসই উন্নয়নের খরচ ও লাভের বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩৫ সাল নাগাদ আসিয়ান দেশগুলো তাদের কয়লাভিত্তিক উৎপাদন সক্ষমতাকে আধুনিকায়ন করবে। এর মাধ্যমে এ অঞ্চলে সামগ্রিকভাবে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন টন কার্বন নি:সরণ কমবে। এটি যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্বন দূষনের সমপরিমান। অক্সফোর্ড ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি স্টাডিজ’র এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, ২০২৫ সাল নাগাদ দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার কয়লা ব্যবহার সক্ষমতা ১৪৮ গিগাওয়াটে দাঁড়াবে। এটি ২০১৫ সালের চেয়ে ১৩৯ শতাংশ বেশী। ২০২৫ সালের মধ্যে গ্যাসের বদলে কয়লা এই অঞ্চলের এক নম্বর উৎস হিসেবে জ্বালানির স্থান দখল করবে। বিশ্বে অন্যতম দ্রুতবর্ধনশীল অর্থনীতির অঞ্চল আসিয়ান। প্রতিবছর ৬ শতাংশের বেশী অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পূর্বাভাস এ অঞ্চলের। গত ২০ বছরে কোটি মানুষের দারিদ্র্য দূর হয়েছে এবং বিদ্যুৎহীন জনসংখ্যার পরিমাণ অর্ধেকে দাঁড়িয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি ভবিষ্যদ্বানী, ২০৪০ সাল নাগাদ আসিয়ান অঞ্চলের জ্বালানি চাহিদা ৮০ শতাংশ বাড়বে। এক্ষেত্রে কম কার্বন নি:সরণের কয়লা বেশি পছন্দ। এ সময়ে বিদ্যুতের ৫০ শতাংশ উৎপাদিত হবে কয়লা থেকে। ২০২০ থেকে ২০৩৫ পর্যন্ত সব ধরণের কয়লাই আসিয়ান দেশগুলোর জন্য সবচেয়ে কম খরচের বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপায়। এমনকি আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লা উৎপাদনও সব ধরণের নবায়নযোগ্য এবং গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের চেয়ে সাশ্রয়ী। কার্বন নি:সরণ কমানো, অর্থনৈতিক প্রাধিকার বাস্তবায়ন, সাশ্রয়ী এবং নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনে এইচইএলই আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে। সূত্র: ওয়ার্ল্ড কোল ডটকম
‘কীটপতঙ্গ দমনে সৌরশক্তি চালিত নতুন আলোক ফাঁদ উদ্ভাবন’
মার্চ ২০, ২০১৭ সোমবার ০৯:১৬ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ফসলের মাঠে কীটপতঙ্গ দমনের জন্য সৌরশক্তি চালিত নতুন আলোক ফাঁদ উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের এক গবেষক। এই ফাঁদ দেশের ফসলের মাঠে কীটপতঙ্গ শনাক্তকরণ, পর্যবেক্ষণ ও দমনে সহায়ক হবে। নতুন এই আলোক ফাঁদ মাঠে একবার স্থাপন করলে সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সূর্যের আলোর অনুপস্থিতিতে জ্বলে উঠবে এবং সূর্যের আলোর উপস্থিতিতে আবার নিভে যাবে। বাংলাদেশে ফসলের মাঠে পোকা দমনের জন্য মূলত রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, যা মারাত্মক ক্ষতিকর। এই রাসায়নিক ব্যবহার থেকে মুক্তি পেতে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা এক ধরনের আলোক ফাঁদ উদ্ভাবন করেছেন। বিজ্ঞানীরা বলছেন নতুন এ উদ্ভাবন, ক্ষতিকর কীটনাশকের ব্যবহার কমানোর পাশাপাশি পরিবেশ নির্মল থাকবে। ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উর্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বিধান চন্দ্র নাথ বলেন, আলোকে আকর্ষণ করে পোকাগুলো আলোর কাছে আসবে এবং ফাঁদে পড়ে মারা যাবে। সূর্য অস্ত যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আলোক ফাঁদ অটোমেটিক জ্বলে উঠবে এবং দেড় বিঘা জমিতে একটি আলোক ফাঁদ রাখলেই কাজ হবে। কিভাবে এটি স্থাপন করা হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একটা আলোক ফাঁদের জন্য স্বচ্ছ ২০ ওয়াটের একটি সৌর প্যানেল লাগবে। আলোক ফাঁদের নিচে একটি পাত্রে পানি ও কেরোসিন তেল থাকবে। পোকাগুলো কাছে এসে সেখানে পড়বে। বিজ্ঞানী বিধান বলেন, ১০০ মিটার পর্যন্ত দূর থেকে পোকা আসে। আর এটি নিয়মিত পরিষ্কার করা দরকার হয়না। ৭/৮ দিন পর গিয়ে পানি পরিবর্তন করে মৃত পোকাগুলোকে ফেলে দিলেই হবে। তিনি বলেন, এটি তৈরিতে খরচ অনেক কম। আর ব্যবহার করা যাবে দীর্ঘদিন ধরে।
ক্যাটাগরি: প্রযুক্তি
উইন্ড পাওয়ার সেক্টরে প্রবেশ করছে রোসাটম
ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০১৭ শনিবার ১০:৪২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
রুশ রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন- রোসাটমের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ‘ওটেক’ এবং উইন্ড পাওয়ার সেক্টরে বিশ্বের অন্যতম ডাচ প্রতিষ্ঠান ‘ল্যাগারওয়ে সিস্টেম্স্’এর মধ্যে একটি অংশীদারিত্তের চুক্তি অনুমোদন করেছে রাশিয়া। এই পার্টনারশিপ চুক্তির আওতায় রাশিয়ায় যৌথ উদ্যোগে উইন্ড টার্বাইন নির্মিত হবে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে রোসাটমের প্রথম উপ-মহাপরিচলাক কিরিল কামারভ জানান, “আমরা শুধু বায়ুকলই তৈরি করবো না। উইন্ড পাওয়ার সেক্টরের জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যাবস্থার উন্নয়ন, মানব সম্পদ প্রশিক্ষণ, পণ্যের লোকালাইজেশন, সার্টিফিকেশন, গবেষণা ও উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয় আমাদের কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করবো।” “তার মতে ভবিষ্যৎ এনার্জি ব্যালেন্স পারমাণবিক ও নবায়নযোগ্য জ্বালানী প্রযুক্তি নির্ভর হবে। লো-কার্বন এনার্জি প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আমাদের পোর্টফোলিওতে বৈচিত্র্য আনয়নের লক্ষ্যে আমরা এই সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছি।” রাশিয়ায় ২০২৪ সাল নাগাদ ৩.৬ গিগাওয়াট ঘণ্টা উইন্ড পাওয়ার উৎপন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে রাশিয়ায় বর্তমানে ৬.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের উইন্ড পাওয়ার মার্কেট বিদ্যমান। ২০১৮-২০২০ সালের মধ্যে রোসাটম ৬১০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন বায়ুকল নির্মাণ করবে। এক্ষেত্রে পণ্যের লোকালাইজেশনের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এর হিসাব অনুযায়ী বর্তমান বিশ্বে ‘গ্রীন’এনার্জির ৩৮ শতাংশ আসে পারমাণবিক প্রযুক্তির ব্যাবহারের মাধ্যমে। বিশেষজ্ঞদের মতে পারমাণবিক ও রিনিউয়েবল প্রযুক্তি একে-অপরের পরিপূরক। পারমাণবিক প্রযুক্তি দিন-রাত ২৪ ঘন্টা ‘বেজ লোড’ নিশ্চিত করে এবং আবহাওয়ার ওপর নির্ভরশীল নয়। অন্যদিকে, নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রযুক্তিকে মূলত আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করতে হয়।
ক্যাটাগরি: প্রযুক্তি
বিশ্বের প্রথম সৌর সড়কের উদ্বোধন করলো ফ্রান্স
ডিসেম্বর ২৫, ২০১৬ রবিবার ০১:৫৯ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিশ্বের প্রথম সৌর সড়ক নির্মাণ করেছে ফ্রান্স। সড়কটি সৌর প্যানেল দিয়ে বাঁধানো যা দেশটির ছোট শহর নরম্যান্ডির সড়কের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করবে। সড়কের সঙ্গে থাকা সোলার প্যানেল বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে, যা সড়কের আলোর চাহিদাও পূরণ করবে। ফ্রান্সের ইকোলজি মন্ত্রী সেগোলিন রয়েল সম্প্রতি উত্তর ফ্রান্সের নরম্যান্ডির তৌরৌভরে-অ-পার্চ গ্রামে এই সৌর সড়কের উদ্বোধন করেন। এক কিলোমিটার দীর্ঘ এই সৌর সড়কে দুই হাজার ৮০০ মিটার (৩০ হাজার বর্গফুট) প্যানেল দিয়ে গঠিত। এ সড়কের কোন সংস্কারের প্রয়োজন হবে না। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সৌর শক্তির এই নতুন ব্যবহারে ইতোমধ্যে সড়ক অবকাঠামোর অনেক সুবিধা হয়েছে যার ফলে রিয়েল এস্টেটের কাছ থেকে নতুন করে আর বিদ্যুত নেয়ার প্রয়োজন পড়বে না। মন্ত্রী আরও বলেন, ওয়েস্টার্ন ব্রিটানি ও সাউদার্ন মার্শেইল্লির সঙ্গে চার বছর মেয়াদী সৌর মহাসড়কের একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। সৌরশক্তি উৎপাদন সক্ষম সড়ক তৈরির ব্যয় তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। স্বাভাবিকভাবে সৌর প্যানেল তৈরি করতে যে পরিমাণ ব্যয় হয়, সড়কের সঙ্গে সৌর প্যানেল তৈরিতে খরচ ও সময় লাগে তার চেয়ে অনেক বেশি। তবে ব্যয় ও সময় কমিয়ে আরো কার্যকরী সৌর সড়ক তৈরিতে কাজ করছে নির্মাণ প্রতিষ্ঠান কোলাস। সড়কটি নির্মাণে পাঁচ বছর লেগেছে। ব্যয় হয়েছে ৫২ লাখ ডলার। সড়কে ৩০ হাজার বর্গফুট সোলার প্যানেল বসানো হয়েছে। সড়কটি স্বচ্ছ সিলিকন রেজিন দিয়ে ঢাকা হয়েছে। এর ওপর দিয়ে গাড়ি চলাচল করলে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে, যা সোলার প্যানেলের মাধ্যমে সঞ্চিত হবে। সোলার প্যানেলগুলো খাড়াভাবে না থেকে সমতলে থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কম হবে। সূর্যের শক্তি কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সাধারণত প্যানেলগুলো খাড়াভাবে বসানো হয়। প্রতিদিন গড়ে দুই হাজার কার রাস্তায় চলাচল করতে পারবে। সৌর প্যানেলের মাধ্যমে রাস্তাটি মুড়ে দেয়া হয়েছে। আর এই প্যানেলগুলো তৈরি হয়েছে পলিক্রিস্টালিন সিলিকন ফিল্ম থেকে। পুরুত্ব ও অন্যান্য আস্তরণের ফলে রাস্তা স্থাপন হলেও এই প্যানেলগুলো পিচ্ছিল হয় না। বিদ্যুৎ উৎপাদন কম হলেও পরিবেশবান্ধব এ সড়ক সম্প্রসারিত করতে চায় ফ্রান্স সরকার। শিগগিরই তারা এক হাজার কিলোমিটার সৌর সড়ক তৈরি করবে। সূত্র: ইন্ডিপেডেন্ট.কো.ইউকে        
ক্যাটাগরি: প্রযুক্তি
সৌদিতে বায়ুচালিত টারবাইন স্থাপন করবে সৌদি আরামকো ও জেনারেল ইলেকট্রিক
জুন ১২, ২০১৬ রবিবার ১২:২৪ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
সৌদিআরবে প্রথম বায়ুচালিত টারবাইন স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে সৌদি আরামকো ও জেনারেল ইলেকট্রিক (জিই)। যৌথ অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে উপসাগরীয় দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের তুরাইফ বাল্ক প্লান্টে এসব টারবাইন বসানো হবে। সম্প্রতি কোম্পানি দুটির পক্ষ থেকে এমনটি জানানো হয়েছে। নয় দশমিক পাঁচ গিগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে সম্প্রতি ‘সৌদি ভিশন ২০৩০’ শীর্ষক একটি প্রাথমিক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সৌদিআরব। এরই অংশ হিসেবে এ অঞ্চলে প্রথমবারের মতো আমেরিকান প্রতিষ্ঠান জেনারেল ইলেকট্রিক নির্মিত ২.৭৫-১২০ বায়ুচালিত টারবাইনগুলো বসানো হবে। দেশটির জলবায়ুর সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই বিশেষভাবে এগুলো তৈরি করা হয়েছে। সৌদিআরবে, বিশেষ করে দেশটির উত্তরাঞ্চলে বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদনের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগে বেশ কয়েকটি গবেষণা প্রতিবেদনে বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরা হয়। রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যাটলাস জানায়, সৌদিআরবের উত্তর-পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলে সেকেন্ডে প্রায় ৮ মিটার বা তার বেশি গতিবগে বাতাস প্রবাহিত হয়। এছাড়া পশ্চিমাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকাতেও বাতাসের একই গতিবেগ লক্ষ্য করা যায়। টারবাইন স্থাপন ছাড়াও সৌদি আরামকোর মতো কৌশলগত অংশীদারদের সঙ্গে মিলে জিই আরো ১০টি প্রকল্পে কাজ শুরু করতে যাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে অর্থনৈতিক বহুমুখীকরণ, স্থানীয় উত্পাদন ও মানব সম্পদ উন্নয়ন। আরো রয়েছে জ্বালানি, আকাশসেবা, স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রযুক্তিখাতের উৎপাদনশীলতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি। এগুলো সবই  ‘সৌদি ভিশন ২০৩০’ লক্ষ্যমাত্রার অংশ। সূত্র: অ্যারাবিয়ান বিজনেস  
ক্যাটাগরি: প্রযুক্তি
নওগাঁয় বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এবং দুর্ঘটনামুক্ত পানি গরম করার যন্ত্র উদ্ভাবন
মার্চ ০৪, ২০১৬ শুক্রবার ০৭:২৮ পিএম - বাসস
নওগাঁ জেলায় বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ও বিদ্যুৎ নিরোধক উপায়ে পানি গরম করার যন্ত্র উদ্ভাবন করেছেন এস এম ইব্রাহীম হোসেন রাজু। সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে নওগাঁর এই তরুণ উদ্ভাবক যন্ত্রটি আবিষ্কার করেছেন। এই যন্ত্রে প্রয়োজনীয় পানি গরম হবে অথচ পানি বিদ্যুতায়িত হয়ে কোন দুর্ঘটনা ঘটাবে না। উদ্ভাবক এস এম ইব্রাহীম হোসেন রাজু তার মায়ের নামানুসারে যন্ত্রটির নাম দিয়েছেন “নুরজাহান বালতি”। তিনি তার নিজস্ব প্রতিষ্ঠান শহরের হাট-নওগাঁ রোডে আলহাজ ইদ্রীস আলী ইলেক্ট্রিক এন্ড ওয়ার্কসে এই যন্ত্রটি উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছেন। উদ্ভাবক রাজু জানান, বিদ্যুতের মাধ্যমে পানি গরম করতে গিয়ে অসাবধানতার কারণে পানি বিদ্যুতায়িত হয়ে দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। এমন কি প্রাণহানিরও ঘটনা ঘটে। তিনি জানান, বর্তমানে বাজারে ট্যাংকসহ ও ট্যাংকবিহীন এই দুই ধরনের ওয়াটার হিটার পাওয়া যায়। এই হিটারগুলো গ্যাস এবং বিদ্যুৎ ব্যবহার করে কার্যকর করা যায়। শীত মৌসুমে ঠান্ডা পানি ব্যবহারের কষ্ট থেকে রক্ষা পেতে পানি গরম করার আরেকটি যন্ত্রের নাম হচ্ছে গিজার। পানি গরম করার আধুনিক মেশিন গিজার বা ওয়াটার হিটার ট্যাংকের দাম বেশি হওয়ায় সবার পক্ষে তা কিনে ব্যবহার করা সম্ভব নয়। বিদ্যুৎ খরচও বেশি হয়। এর দামও সাধারণ মানুষের হাতের নাগালের বাইরে। আবার এসব যন্ত্রে পানি বিদ্যুতায়িত হয়ে মানুষের প্রাণহানিসহ ঘটতে পারে নানা দুর্ঘটনা। এসব চিন্তা থেকেই মাত্র এক মাসের প্রচেষ্টায় অতি সম্প্রতি তিনি এই যন্ত্রটি উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছেন বলে জানান তিনি। তিনি তার এই যন্ত্রটিতে ইন্ট্রিগেটর, ফিউজ, হিটার/কয়েল ব্যবহার করেছেন। এতে প্রায় ৭শ’ ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন হিটার ব্যবহার করে প্রতি ঘন্টায় ৮০ থেকে ১শ’ লিটার পানি গরম করতে মাত্র পৌনে এক ( ০ দশমিক ৭৫ ) ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হবে। পক্ষান্তরে বাজারে যেসব হিটার পাওয়া যায় সেগুলো সর্বনিম্ম এক হাজার ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন। এগুলোতে ঘন্টায় মাত্র ৫০ থেকে ৬০ লিটার পানি গরম করতে বিদ্যুৎ খরচ হয় এক ইউনিটের বেশী। বাজারের এসব হিটারগুলো কোন কারণে নষ্ট হয়ে গেলে তার যন্ত্রাংশ আর পরিবর্তন করা সম্ভব হয় না। কিন্তু রাজুর উদ্ভাবিত এই যন্ত্রের যন্ত্রাংশ পরিবর্তনযোগ্য বলেও জানান তিনি। জানা গেছে, প্রচলিত ওয়াটার হিটারের বর্তমান বাজার মূল্য ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা। কিন্তু রাজুর উদ্ভাবিত ২০ লিটারের একটি ওয়াটার হিটার তৈরী করতে মোট খরচ হয় মাত্র ১৬০ টাকা থেকে ১৮০ টাকা। কাজেই ব্যক্তি পর্যায়ে এই হিটার সাড়ে ৩শ’ টাকায় ক্রয় করা যায়। নওগাঁ শহরের হাট নওগাঁ মহল্লার শিক্ষক আবু সুবাইব, মানিক হোসেন, মুরাদ হোসেনসহ বেশ কয়েকজন তাদের বাসায় এই হিটার ব্যবহার করছেন। তারা জানিয়েছেন, পানি গরম করার ক্ষেত্রে বাজারে প্রচলিত ওয়াটার হিটারের থেকে এই ওয়াটার হিটার কোন অংশেই কম নয়। পানি ফুটানোর সময় হিটারে বিদ্যুৎ সংযোগ থাকাকালীন সময়ে পানিতে হাত দিলেও কোন দুর্ঘটনা ঘটে না। এতে শিশুসহ পরিবারের সদস্যরা নিশ্চিন্ত নিরাপদ থাকেন। তারা বলেছেন, এই যন্ত্রটি যথাযথ অনুমোদিত হয়ে বাজারজাত করা গেলে এ ক্ষেত্রে দেশের বিদ্যুৎ অনেকটাই সাশ্রয় হবে, অন্যদিকে মূল্য কম হওয়ার কারণে অনেক সাধারণ মানুষ এটি কিনে বাড়িতে ব্যবহার করতে পারবেন। এই হিটারটি বাসাবাড়ি ছাড়াও বিভিন্ন কলকারখানা, গার্মেন্টস-এর বড় বড় ট্যাংকিতে ব্যবহার করা যাবে। উদ্ভাবক আরও জানান, একশ’টি পরিবারের জন্য ১ ঘন্টা ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাজারে প্রচলিত বর্তমান হিটারে ব্যবহৃত বিদ্যুতের চেয়ে এতে প্রায় ২৫ ইউনিট কম খরচ হবে। অন্যদিকে পানিও বেশী গরম পাওয়া যাবে। একইভাবে কলকারখানা ও গার্মেন্টস-এর ক্ষেত্রে সেই প্রয়োজনীয় ক্ষমতাসম্পন্ন হিটার তৈরী করে ব্যবহার করলে দেশের হাজার হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ কমে যাবে।
ক্যাটাগরি: প্রযুক্তি
অফুরন্ত জ্বালানির ব্যবস্থা হচ্ছে! যা পাল্টে দেবে দুনিয়া!
নভেম্বর ২৩, ২০১৫ সোমবার ১২:৫১ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
সবার জন্য এবং সব সময়ের জন্য অফুরন্ত জ্বালানির ব্যবস্থা হচ্ছে! যা পাল্টে দেবে দুনিয়া! আপাতদৃষ্টিতে বিষয়টি অসম্ভব বলে শোনা গেলেও এমনই এক অবিশ্বাস্য ঘটনা নিকট ভবিষ্যতে ঘটতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে খ্যাতনামা টাইম ম্যাগাজিন। সম্প্রতি এই ম্যাগাজিনের একটি সংখ্যায়, এক অখ্যাত কোম্পানি বিশ্বের জন্য অফুরন্ত জ্বালানির ব্যবস্থা করছে জানিয়ে কাভার স্টোরি প্রকাশ করেছে। গত শতাব্দীর আবিষ্কৃত সব প্রযুক্তিকে এই নয়া উদ্ভাবন ছাপিয়ে যাবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। যে মেশিনে এই অসাধারণ কাজটি সম্ভব হচ্ছে, সেই মেশিনটি দেখতে একদমই সাধারণ। প্রতিবেদক যন্ত্রটির বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেছেন, এটা দেখতে এতই সাধারণ যে, একটি রুমের সমান বিশালকায় মেশিন হবার পরও অনুল্লেখযোগ্য হওয়ায় প্রবেশের পর তা দৃষ্টিগোচরই হয়নি। মেশিনের দঙ্গল। এটাই সেই! শোনার পর আবার কয়েক পা ফিরে আসতে হয়েছিল দেখার জন্য। টাওয়ারের মতো নাইট্রোজেন ব্যবহারের জন্য বড় আধার। মেশিনে বড় বড় কতগুলো পাখা আছে। সেগুলো ঘুরে ঘুরে শক্তি সঞ্চয় করে। লোহার শক্তিশালী চুম্বক আকর্ষণ থাকায়, মেশিনটি যে ভবনে রাখা হয়েছে সেখানে লোহার পরিবর্তে স্টেইনলেস স্টিল ব্যবহার করা হয়েছে। মেশিনটি (ফিউশন রিএ্যাক্টর) পারমাণবিক চুল্লিগুলোরই সমন্বিত আদিরূপ। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ফুটহিল রেঞ্জ এলাকায় ট্রাই আলফা এনার্জি নামে একটি ছোট কোম্পানি পরীক্ষামূলকভাবে এটি তৈরি করেছে। মেশিনটি সর্ম্পূণভাবে চালু হলে অর্থাৎ কার্যকর হলে বিশ্বে গত শতাব্দীতে আসা সব প্রযুক্তিকে ছাপিয়ে যাবে। আর এটা খুব শীঘ্রই ঘটতে যাচ্ছে। এর জ্বালানি উৎস এতোই সস্তা ও স্বচ্ছ এবং পর্যাপ্ত যে এটা মানব ইতিহাসে অসাধারণ হয়ে দাঁড়াবে। এটা সেকেলে জ্বালানির সমাপ্তি ঘটাবে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বিরূপ প্রভাব থেকে রক্ষা করে এই জ্বালানি হয়ে উঠবে বিশ্ব রক্ষার অন্যতম উপাদান। ফিউশন রিএ্যাক্টর উদ্ভাবন নতুন কিছু না হলেও অন্যান্যের সঙ্গে এর তফাত রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এতে বলা হয়েছে, কয়েক ডজন ফিউশন রিএ্যাক্টর তৈরি হয়েছে বা তৈরি হওয়ার পথে। যেগুলোর প্রায় সবই করা হয়েছে জাতীয় পর্যায়ে বড় উদ্যোক্তা বা বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড়টি দি ইন্টারন্যাশনাল থার্মোনিউক্লিয়ার এক্সপেরিমেন্টাল রিএ্যাক্টর তৈরি হচ্ছে দক্ষিণ ফ্রান্সে বিশাল আকারের আন্তর্জাতিক উদ্যোগে। ২০ বিলিয়ন ডলারের এই প্রকল্পটি শেষ হবে ২০২৭ সালে। এই বাস্তবতায় বিনিয়োগ ঝুঁকি নিয়ে ট্রাই আলফা কোম্পানি যাদের নাম পর্যন্ত কেউ কখনও শোনেনি তারা এই রিএ্যাক্টর তৈরি করতে যাচ্ছে। তাদের কোন বড় পুঁজিদাতাও নেই। কয়েক মাস আগে পর্যন্ত তাদের কোন ওয়েবসাইট ছিল না। কোম্পানির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং মুখ্য প্রযুক্তি কর্মকর্তা হচ্ছেন পদার্থবিদ্যায় পিএইচডি ডিগ্রীধারী বাইন্ডারবাওয়ার। তিনি বলেন, ট্রাই আলফা সম্ভবত সবচেয়ে বেশি প্রাইভেট ফিউশন কোম্পানির অর্থায়ন পেয়েছে। বর্তমানে এটি শত মিলিয়ন-এ দাঁড়িয়েছে। অর্থের অঙ্কে এটি বড় হিসাব। তবে সরকারী পর্যায়ে যেসব ফিউশন রিএ্যাক্টর তৈরি হচ্ছে তার তুলনায় একটি ভগ্নাংশ মাত্র। প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ধরনের গলন বা একীভবন বা ফিউশন বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো- মানুষ এ নিয়ে যত বেশি কথা বলে কাজের ক্ষেত্রে কিন্তু বিশেষ এগুতে পারে না। ফিউশন নিয়ে আরও ৫০ বছর আগেই বলা হতো এটা পৃথিবীকে বাঁচাতে পারে। ফিউশন জ্বালানি নিয়ে প্রথম চিন্তাভাবনা শুরু হয় ১৯২০ সালে। এরপর ১৯৪০ সালে ফিউশন এনার্জি তৈরির জন্য কাজ শুরু হয়। এতে জানানো হয়, পারমাণবিক বিভাজন বা নিউক্লিয়ার ফিশন পরমাণুকে ভাগ করে ফেলে। পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন কেন্দ্রের এই ঝুঁকি এড়ানো যেত যদি নিউক্লিয়ার ফিউশন প্রক্রিয়ার প্রযুক্তি সহজপ্রাপ্য হতো। বর্তমানে শক্তিকেন্দ্রগুলোতে নিউক্লিয়ার ফিশন প্রক্রিয়ায় শক্তি উৎপাদন করা হয়।  এতে অত্যন্ত ভারি কোন পরমাণু ভেঙ্গে গিয়ে অপেক্ষাকৃত ছোট একাধিক নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়। বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয়। যেমন ইউরেনিয়াম-২৩৫ কে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পরমাণুতে ভাগ করে ফেলে। এটা অনেক বেশি জ্বালানি ক্ষয় করে ফেলে। এর অপূর্ণতাও রয়েছে। ইউরেনিয়াম একটি দুর্লভ পদার্থ এবং এর উৎসও সীমিত। এ কারণে পরমাণবিক কেন্দ্রগুলো একইসঙ্গে ব্যয়বহুল ও বিপজ্জনক। মাইল আইল্যান্ড, চেরোনবিল এবং ফুকুশিমা পরমাণবিক কেন্দ্রে প্রচুর পরিমাণে টক্সিক বর্জ্য হিসাবে বের হতো এবং তার তেজস্ক্রিয় বিক্রিয়া এই শতাব্দীকে কতটা বিপদের মধ্যে ঠেলে দিয়েছিল তা সবারই জানা। কারণ পারমাণবিক বিপর্যয়ের একটি বড় সমস্যা হলো এটি বিপর্যয় ঘটার পরে দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে থাকে। আর এই পারমাণবিক ফিশনের ঠিক উল্টোটাই হচ্ছে পারমাণবিক ফিউশন। এতে বিভাজনের পরিবর্তে পরমাণুগুলোর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশগুলোকে একত্রিত করে একটি বড় অংশে পরিণত করে। অর্থাৎ দুটি হালকা নিউক্লিয়াস একত্রে যুক্ত হয়ে একটি ভারি নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়। এটি চেইন বিক্রিয়া দেয় না তাই বিস্ফোরণের আশঙ্কা নেই। অপরদিকে এর কাঁচামাল হলো হাইড্রোজেন ও ডিউটেরিয়ামের মতো অত্যন্ত হালকা আইসোটোপ। এই আইসোটোপগুলো নিজেরা তেজস্ক্রিয় বিকিরণও দেয় না তাই দীর্ঘদিন সঞ্চয় করে রাখলেও কোন সমস্যা নেই।  উৎপন্ন বর্জ্যের তেজস্ক্রিয়তা, ফিশনের ফলে উৎপন্ন বর্জ্যের চেয়ে দ্রুত নিষ্ক্রিয় হয়। ফলে ঝুঁকিও কম। আর ইউরেনিয়ামের মতো এই জ্বালানির উৎস কখনও নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে ফিশনের তুলনায় অনেক বেশি সুবিধা থাকলেও নিউক্লিয়ার ফিউশন প্রযুক্তি এখনও আলোর মুখ দেখেনি। কারণ ফিউশন চালু করার জন্য মিলিয়ন ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যায়ের তাপমাত্রা সৃষ্টি করতে হয়। এ ধরনের উচ্চ তাপমাত্রা ধারণ করতে পারে এমন মেশিন তৈরির জন্যই গবেষকরা বিভিন্ন পদ্ধতি প্রয়োগ করছেন। প্রতিবেদনে ট্রাই আলফা মেশিনের কাজের পদ্ধতি তুলে ধরে জানানো হয়, এই ধরনের ফিউশন রিএ্যাক্টরের ক্ষেত্রে মূল সমস্যা হলো উত্তপ্ত প্লাজমাকে (আয়নিত গ্যাস যেখানে মুক্ত ইলেকট্রন ও ধনাত্মক আয়নের সংখ্যা প্রায় সমান) সংঘবদ্ধ রাখা। কঠিন, তরল ও বায়বীয় পদার্থের এই তিন অবস্থার পর প্লাজমাকে বলা হয় চতুর্থ অবস্থা। বৈদ্যুতিকভাবে প্রশম থাকা সত্ত্বেও প্লাজমা সহজেই বিদ্যুত পরিবহন করে। এদের থাকে অতুচ্চ তাপমাত্রা। ট্রাই আলফা জানিয়েছে, তাদের মেশিনে তারা গত জুন মাসে অতি উচ্চ তাপমাত্রা প্রয়োগ করে ৫ মিলিসেকেন্ড পর্যন্ত প্লাজমাকে সংঘবদ্ধ ও স্থিতু করতে পেরেছে। ট্রাই আলফা বলছে, এটা তুলনামূলক কম সময় হলেও ধীরে ধীরে তারা এই সময়টাকে আরও একটু বাড়ানোর ক্ষেত্রে সফলতা পেতে যাচ্ছেন। সেক্ষেত্রে বলা যায়, ফিউশন রিএ্যাক্টরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ প্লাজমা বশে আনা গেছে। এছাড়া আরেকটি বিষয় হচ্ছে মেশিনে প্রবেশ করানো প্লাজমা মেঘ নিজেই একটি চৌম্বকীয় ক্ষেত্র তৈরি করছে। সেখানে বাইরে থেকে কোন চৌম্বকীয় ক্ষেত্র প্রয়োগের কোন প্রয়োজন হচ্ছে না। প্রতিবেদনে বলা হয়, বাণিজ্যিকভাবে এভাবে জ্বালানি শক্তি পাওয়া খুব শীঘ্রই হয়তো সম্ভব হবে না। চাঁদে অবতরণ করার মতো বিশাল অর্জন রয়েছে মানব ইতিহাসে। সেক্ষেত্রে এখনই এটাকে সেরকম অর্জন বলা যাবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না কেউ ফিউশন রিএ্যাক্টরের মাধ্যমে এ কাজ সম্পন্ন করতে পারছে। আধুনিক ও চৌকস অনেক মানুষ এই খাতে তাদের অর্থ বিনিয়োগ করে বাজি ধরেছেন এবং সেটাকেই তাদের পেশা হিসেবে নিতে চাইছেন। আর বাকি যারা আছেন তারা এ নিয়ে সফলতার প্রত্যাশায় পৃথিবীর সঙ্গেই বাজি রেখেছেন। সূত্র: দৈনিক জনকন্ঠ
ক্যাটাগরি: প্রযুক্তি
    সাম্প্রতিক প্রযুক্তি এর খবর
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy

   Editor & Publisher: Aminur Rahman
   Copyright @ 2015-2017 energynewsbd.com
   All Rights Reserved | Developed By: Jadukor IT