ঢাকা, সোমবার, ডিসেম্বর ১১, ২০১৭, অগ্রহায়ণ ২৭, ১৪২৪ ০৩:২০ পিএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
দক্ষতা ও সংরক্ষণ
‘সৌর শক্তি থেকে ২৬ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষম’
সূর্যের আলোর অন্তত চার ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ ২৬  শতাংশের মতো শক্তিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর করতে পারে এমন সৌর প্যানেল বানিয়েছে বিজ্ঞানীরা। এত বেশি সামর্থ্য আগে কোনো সৌর প্যানেল দেখাতে পারেনি। তাই জাপানের একদল গবেষকের এটা বড় সাফল্য। নেচার এনার্জি সাময়িকী জানায়, ওই গবেষকেরা সিলিকনের সৌর প্যানেল বানিয়েছেন। এটি অন্য যেকোনো প্যানেলের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর অর্থাৎ সূর্য থেকে সংগৃহীত ২৬ দশমিক ৩ শতাংশ শক্তিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর করতে পারে। এখন বড় পরিসরে সিলিকন সৌরকোষ তৈরির জন্য উপযুক্ত প্রক্রিয়া ব্যবহার করলে ২৬ শতাংশ পর্যন্ত কার্যকারিতা মিলেছে। অবশ্য এসব নতুন প্যানেল এখনো বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির উপযোগী হয়নি। গবেষণায় এটির কার্যকারিতা প্রমাণিত হলেও বাণিজ্যিকভাবে বাজারজাত করার আগে আরও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। গাছের পাতাকে প্রাকৃতিক সৌর প্যানেল বলা যায়। সেটার সালোকসংশ্লেষণ সক্রিয়তা ৩ থেকে ৬ শতাংশের মতো হয়ে থাকে। জাপানে ওই গবেষণায় যুক্ত বিজ্ঞানীরা বলছেন, নতুন প্যানেলটির সক্রিয়তা তাঁরা আরও বাড়ানোর উপায় খুঁজে পেয়েছেন। তাহলে এটি ২৯ দশমিক ১ শতাংশ পর্যন্ত সূর্যালোককে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে পরিণত করতে পারবে। ওসাকার কানেকা করপোরেশনের ওই গবেষক দলের বক্তব্য হচ্ছে- সিলিকন সৌর কোষের কার্যকারিতা বৃদ্ধির ব্যাপারটা আরও বেশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করবে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, যেমন আজীবন ব্যবহার্য এবং দৃষ্টি-সম্পর্কিত জিনিসপত্রেরও আধুনিকায়ন দরকার। এতে সেগুলো বারবার পরিবর্তনের প্রয়োজন ফুরাবে। সূত্র: ইন্ডিপেনডেন্ট      
‘২০২০ সালের মধ্যে জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা ১৫%’
জানুয়ারি ১৮, ২০১৭ বুধবার ০৯:১৫ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় ২০২০ সালের মধ্যে ১৫% ও ২০৩০ সালে ২০% জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। বুধবার রাজধানীর টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) এর সম্মেলন কক্ষে স্টেকহোল্ডারস ভেলিডেশন ওর্য়াকশপ অন ন্যাশনাল এনার্জি অডিট রেগুলেশন শীর্ষক কর্মশালায় বক্তব্যকালে এ কথা বলেন তিনি। তিনি আরো বলেন, প্রাথমিকভাবে জ্বালানি সাশ্রয়ি যন্ত্রপাতির মূল্য একটু বেশি হলেও চূড়ন্তভাবে মূল্য সাশ্রয়ি। জ্বালানির সাশ্রয় বাড়াতে জ্বালানি নিরাপত্তার অধিক্ষেত্র বাড়ানো হবে। মহাপরিকল্পনায়ই শুধু না রেখে দক্ষ জ্বালানি ব্যবস্থা বাস্তবায়নের জন্য সময়োপযোগি কর্ম পরিকল্পনা নিয়ে এগুতে হবে। তিনি বলেন, আর্কিটেকচার, রাজউক, চেম্বার বডি বা বিজিএমইএ কে জ্বালানির সাশ্রয় ও দক্ষ ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন করার উদ্যোগ স্রেডাকেই নিতে হবে। টেকসই উন্নয়নের জন্য জ্বালানি সাশ্রয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে তিনি বলেন, জ্বালানি সাশ্রয় করতে পারলে উৎপাদন খরচও কম হবে। ২০২০ সালের মধ্যে ১৫% জ্বালানি সাশ্রয় করা সম্ভব হলে প্রায় ৭,৪৮২ গিগাওয়াট-আওয়ার বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে যা ২,০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি পাওয়ার প্ল্যান্টে প্রায় এক বছর উৎপাদিত বিদ্যুতের সময়। স্রেডার সদস্য সিদ্দিক জোবায়ের তার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে বলেন, শিল্পখাতে ৫৪% জ্বালানি ব্যবহৃত হয়। সচেতনভাবে জ্বালানি ব্যবহার করলে এখান থেকে ৩১ ভাগ সাশ্রয় করা সম্ভব হবে। বিদ্যুৎ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. আহমদ  কায়কাউস বলেন, জ্বালানি নিরীক্ষা করার জন্য বিধিমালা থাকা প্রয়োজন। কর্মশালা থেকে গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ প্রদান করে নীতিমালাটিকে বাস্তবায়নযোগ্য ও সময়োপযোগি করার আহ্বান জানান। এ সময় অন্যান্যের মাঝে জাতীয় সংসদের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোঃ তাজুল ইসলাম বক্তব্য দেন।
ক্যাটাগরি: দক্ষতা ও সংরক্ষণ
বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে মেট্রো ভবনের ছাদে সৌর প্যানেল বসাবে ভারত
নভেম্বর ৩০, ২০১৫ সোমবার ০৮:২৬ এএম - আনন্দবাজার পত্রিকা
একেই নুন আনতে পান্তা ফুরোয়। তার উপরে বছরে বিদ্যুতের খরচ ১১ কোটি ইউনিট। বছরে বিল বাবদ মেট্রোকে এখন দিতে হচ্ছে ৮০ কোটি টাকা। আর এর জেরেই অনেকটা বাড়ছে লোকসানের বহর। অঙ্কের হিসাবে (অপারেটিং রেশিও) মেট্রোর একশো টাকা করতে এখন খরচ করতে হচ্ছে প্রায় ৩০০ টাকা। মেট্রো সূত্রের খবর, যে খাতে এখন সব চেয়ে বেশি খরচ হচ্ছে, সেটা হল বিদ্যুৎ। বিদ্যুৎ বাবদ ওই বিরাট অঙ্কের টাকা কিছুটা সাশ্রয় করতে মেট্রো এখন কারশেড ও মেট্রো ভবনের ছাদে সৌর বিদ্যুৎ প্যানেল বসানো পরিকল্পনা নিয়েছে। পাশাপাশি, মেট্রো ভবনেও সৌর প্যানেল বসানো হচ্ছে যাতে  বিদ্যুতের ব্যবহার কমানো যায়। সৌর বিদ্যুৎ তৈরির পরিকল্পনায় ইতিমধ্যেই যেটুকু কাজ হয়েছে তাতে মেট্রোর গ্রিডে এখন দৈনিক ৮০ ইউনিট বিদ্যুৎ তৈরি হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় সৌর প্যানেল বসিয়ে ওই বিদ্যুতের পরিমাণ আগামী কয়েক বছরে আরও অনেকটাই বাড়ানো সম্ভব হবে বলে মনে করছেন মেট্রো কর্তারা। কেন এই বিদ্যুৎ তৈরি, কেনই বা বিদ্যুতের ব্যবহার কমানোর উপরে এতটা জোর দেওয়া হচ্ছে? রেল সূত্রের খবর, রেলের মতো বৃহৎ পরিকাঠামোর সরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুৎ লাগে। রেল থেকে পরিবেশ দূষণের বহরও অনেক বেশি। দূষণের জেরে বিশ্ব উষ্ণায়ণ এবং জলবায়ু বদলের মতো পরিস্থিতিতে রেলের মতো বড় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে পরিবেশবান্ধব ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কথা ভাবা হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরেই রেলের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রক ও কেন্দ্রীয় অপ্রচলিত বিদ্যুৎ মন্ত্রকের সঙ্গে মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। কী ভাবে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা যায় সে ব্যাপারে ব্যুরো অব এনার্জি এফিসিয়েন্সির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে রেল। বিদ্যুৎ তৈরির পাশাপাশি নিয়মিত বিদ্যুতের ব্যবহার কমাতে অন্য কী কী ব্যবস্থা নিচ্ছে মেট্রো? পুরনো রেকগুলিতে এখন যে ধরনের মোটর রয়েছে সেগুলির প্রযুক্তিগত পরিবর্তন। স্টেশনের আলো পরিবর্তন করে এলইডি লাইট লাগানো, সুড়ঙ্গের বাতানুকূল যন্ত্রেরও প্রযুক্তিগত পরিবর্তন  করা। মেট্রো কর্তারা জানিয়েছেন, পুরনো সাধারণ রেকগুলিতে যে মোটর রয়েছে তার প্রযুক্তি পাল্টে এমন করা হচ্ছে, যাতে মোটরের বিদ্যুৎ দেওয়ার পরে তা থেকে যেমন তৈরি হবে যান্ত্রিক শক্তি পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ফের ফিরে যাবে তৃতীয় লাইনে। একই পরিবর্তন করা হচ্ছে বাতানুকূল যন্ত্রের মোটরও।  পরিবেশবিদেরা বলছেন, দেশে এখনও সব থেকে বেশি বিদ্যুৎ তৈরি হয় তাপবিদ্যুৎ থেকে। কয়লা পুড়িয়ে তাপবিদ্যুৎ তৈরি করা নিয়ে পরিবেশবিদদের অনেকেরই আপত্তি রয়েছে। এর ফলে দেশে দূষণের পরিমাণও বাড়ে। রেলের মতো বিদ্যুতের অন্যতম বড় গ্রাহক যদি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পথে হাঁটে তা হলে পরিবেশ দূষণে কিছুটা লাগাম টানা যেতে পারে বলে মনে করছেন পরিবেশবিদদের একাংশ। পরিবেশবিদদের অনেকে বলছেন, ডিসেম্বরে প্যারিসে জলবায়ু বদল ও পরিবেশ দূষণ নিয়ে আন্তর্জাতিক আলোচনাচক্র বসছে। তাতে সামিল হচ্ছে ভারতও। এই পরিস্থিতিতে রেলের মতো দেশের বৃহত্তম সরকারি প্রতিষ্ঠানে দূষণে লাগাম টানার কোনও উদ্যোগ যদি দেখানো না যায়, তা হলে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে মুখ পুড়বে ভারতের। এই কথা ভেবেই চলতি বছরের গোড়া থেকে রেলে পরিবেশ সংক্রান্ত একটি ডিরেক্টরেট গড়া হয়েছে। রেলের সব ক’টি ক্ষেত্রে কী ভাবে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি কাজে লাগানো যায়, তা নিয়ে নিয়মিত বৈঠকও হচ্ছে। এই পরিকল্পনাও তারই অঙ্গ বলে দাবি করছে রেলের একাধিক সূত্র।    
ক্যাটাগরি: দক্ষতা ও সংরক্ষণ
ক্যাপটিভে জ্বালানি দক্ষতা ৬০ শতাংশ না হলে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ
নভেম্বর ২৩, ২০১৫ সোমবার ০১:১১ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
জ্বালানি দক্ষতা ৬০ শতাংশে উন্নীত করতে না পারলে ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোয় গ্যাস সরবরাহ বন্ধের হুশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা ড.  তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী। একইসঙ্গে টেকসই ও সাশ্রয়ী জ্বালানি উৎপাদন এবং ব্যবহারে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে উদ্ভাবনী শক্তি প্রয়োগেরও আহ্বান জানান তিনি। সম্প্রতি রাজধানীতে এ সংক্রান্ত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ হুশিয়ারি দেন। দক্ষিণ এশিয়া প্লাস-এ জ্বালানি নিরাপত্তা : জাপানের অভিজ্ঞতার প্রাসঙ্গিকতা শীর্ষক দুই দিনব্যাপী সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্রাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। জাপান ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় বিআইআইএসএস এ সম্মেলনের আয়োজন করে। তৌফিক এলাহী  আরও বলেন, যে সংকট এবং বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে দেশে ক্যাপটিভ চালু করা হয়েছিল, এখন সেই সংকট নেই। এ কারণে সময় আমাদের ক্যাপটিভ থেকে টেকসই জ্বালানির পথে হাঁটার। তবে টেকসই জ্বালানি নিশ্চিত করতে হলে সবার আগে দরকার ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর বিদ্যমান জ্বালানি দক্ষতা বাড়ানো। এর মানদণ্ড অবশ্যই ৬০ ভাগে উন্নীত করতে হবে। নতুবা ক্যাপটিভে গ্যাসের অপচয় রোধ করা যাবে না। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, দেশের ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর জ্বালানি দক্ষতা ২০ থেকে ৩০ শতাংশ। অনেক ক্ষেত্রে তা ২০ শতাংশেরও কম। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থায় সনাতনী পদ্ধতি দূর করা এখন সময়ের ব্যাপার। এর লক্ষ্যে স্মার্ট গ্রিড বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। এটি বাস্তবায়ন হলে সিস্টেম লসও কমবে। দেশে এখন সবচেয়ে বেশি সোলার হোম সিস্টেম ব্যবহার হচ্ছে। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি টেকসই জ্বালানি নিশ্চিত করতে আমাদের এগিয়ে নিয়ে যাবে।
ক্যাটাগরি: দক্ষতা ও সংরক্ষণ
    সাম্প্রতিক দক্ষতা ও সংরক্ষণ এর খবর
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy

   Editor & Publisher: Aminur Rahman
   Copyright @ 2015-2017 energynewsbd.com
   All Rights Reserved | Developed By: Jadukor IT