ঢাকা, সোমবার, আগস্ট ২০, ২০১৮, ভাদ্র ৫, ১৪২৫ ১০:৩৫ এএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
এনার্জি বিডি
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কোর ক্যাচার স্থাপনের কাজ শুরু
নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে শনিবার কোর ক্যাচার (যেখানে ইউরেনিয়াম রড বসানো হয়) স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। রিঅ্যাক্টর তথা পারমাণবিক বিদ্যুৎ চুল্লির তলদেশে স্থাপিত এই ডিভাইসটি আধুনিক পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিষ্ক্রিয় নিরাপত্তা ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে জানিয়েছেন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের পরিচালক পরমাণু বিজ্ঞানী ড. মোঃ শৌকত আকবর। দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ স্থাপনায় কোচ ক্যাচার স্থাপন উপলক্ষ্যে প্রকল্প এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যান ড. নঈম চৌধুরী, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক, প্রকল্প পরিচালক ড. মোঃ শৌকত আকবর এবং রূপপুর প্রকল্পের রাশিয়ার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এটমস্ট্রয়এক্সপোর্ট এর সিনিয়র-ভাইস প্রেসিডেন্ট (ওভারসীজ প্রজেক্টস)আলেস্কান্দার খাজিনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  শৌকত আকবর বলেন, সর্বোচ্চ নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করেই রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এই সর্বাধুনিক কোর ক্যাচার বা মেল্ট ট্র্যাপ ব্যবহৃত হচ্ছে। আলেস্কান্দার খাজিন বলেন, “রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তায় এটি একটি অনন্য ব্যবস্থা এবং প্রায় ২০০ টন ওজনের এমন একটি বড় আকারের ডিভাইস আমরা প্রথমবারের মতো প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের রিঅ্যাক্টর ভবনে স্থাপন করছি।” তিনি আরো বলেন, প্রথম ইউনিট এর নির্মাণ কাজ নির্ধারিত সিডিউল অনুযায়ী এগিয়ে চলছে। বর্তমানে প্রকল্পটিতে প্রায় চার হাজার লোক কর্মরত রয়েছে এবং প্রতিদিন পাঁচ হাজার টনের অধিক সিমেন্ট নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। কোর ক্যাচার সর্বপ্রথম স্থাপিত হয় রুশ নকশায় নির্মিত চীনের তিয়ানওয়ান পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে। কোর ক্যাচার আধুনিক পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের নিষ্ক্রিয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার একটি অংশ। রূপপুরে স্থাপিত হবে আধুনিক থ্রি প্লাস প্রজন্মের পারমাণবিক রিঅ্যাক্টর ভিভিইআর-১২০০। রিঅ্যাক্টরটিতে রয়েছে সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার অনন্য সমন্বয়, যার ফলে এটি যেকোন অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বিপর্যয় থেকে সর্বোচ্চ সুরক্ষিত। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রতিটি ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টর স্থাপন করা হবে। ২০১৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির অধীনে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন-রোসাটম এর প্রকৌশল শাখা এটমস্ট্রয়এক্সপোর্ট প্রকল্পের জেনারেল কন্ট্রাক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। রূপপুর প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপ কঠোরভাবে মনিটরিং করছে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা)। ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর প্রথম কংক্রিট ঢালাইয়ের মাধ্যমে রূপপুর প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের মূল পর্বের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। চলতি বছরের ১৪ জুলাই দ্বিতীয় ইউনিটের প্রথম কংক্রিট ঢালাই অনুষ্ঠিত হয়।  
রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তায় বসানো হচ্ছে সর্বাধুনিক কোর ক্যাচার
আগস্ট ১৭, ২০১৮ শুক্রবার ১২:২৯ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যৎ কেন্দ্রের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে রাশিয়ার নব উদ্ভাবিত ও উন্নত কোর ক্যাচার (যেখানে ইউরেনিয়াম রড বসানো হয়) শনিবার বসানো হচ্ছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটের রিঅ্যাক্টরের ভেতর কোর ক্যাচার স্থাপনের সব প্রস্তুতিমূলক কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক পরমাণু বিজ্ঞানী ড. শৌকত আকবর। এ উপলক্ষ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, মন্ত্রণালয়ের  সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ পরমাণু  শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যান ড. নঈম চৌধুরী, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক প্রকল্প এলাকায় উপস্থিত থেকে কোর ক্যাচার বসানোর কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করবেন। তবে কোর ক্যাচার বসানোর পুরো কাজ শেষ হতে আনুমানিক দেড় মাস লাগতে পারে বলে জানান প্রকল্প পরিচালক। শৌকত আকবর বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনার ক্ষেত্রে তিন বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত যেকোনো পরিস্থিতিতে রিঅ্যাক্টরের কাঠামো কনফাইন্ড বা আবরণে ঢাকা থাকতে হবে; দ্বিতীয়ত ফিউশন রিঅ্যাকশন কন্ট্রোল তথা পারমাণবিক তেজস্ক্রিয়তা যাতে বাইরে ছড়িয়ে না পড়ে এবং তৃতীয়ত উন্নতমানের কুলিং সিস্টেম। এই তিনটি বিষয়ে কখনো ব্যর্থ হওয়া যাবে না। “ইতোমধ্যে রিঅ্যাক্টর বিল্ডিং এর কাজ শুরু হয়েছে। ওই রিঅ্যাক্টরের মধ্যে রাশিয়ার তৈরি কোর ক্যাচার বসানো হবে যা সম্ভাব্য সর্বোচ্চ মাত্রার ভূমিকম্প সহনশীল এবং বন্যা, ঘূর্ণিঝড় কিংবা জলোচ্ছ্বাসেও এটি সুরক্ষিত থাকবে। এমনকি এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উপর বিমান ধ্বংস হলে বা কেউ অপচেষ্টা চালিয়েও এর ক্ষতি সাধন করতে পারবে না।” বলেন তিনি। রিঅ্যাক্টর তথা পারমাণবিক বিদ্যুৎ চুল্লির সর্বোচ্চ নিরাপত্তার লক্ষ্যে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন-রোসাটম এর একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীরাই সর্বপ্রথম উন্নত ধরনের এই কোর ক্যাচার উদ্ভাবন করেছে। প্রকল্প পরিচালক আরো বলেন, এটি পারমাণবিক চুল্লির ভেতরে স্থাপিত একটি বিশেষ ধরনের কন্টেইনারের মতো। যে কোন জরুরি অবস্থায় চুল্লির তরল ও কঠিন অংশগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে এর ভেতরে এসে জমা হয় এবং সুরক্ষিত থাকে। ফলে চুল্লির কন্টেইনমেন্ট কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে না এবং তেজস্ক্রিয়তাও বাইরে ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ নেই।   সর্বোচ্চ নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করেই রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এই সর্বাধুনিক কোর ক্যাচার ব্যবহৃত হচ্ছে বলে জানান তিনি।  যদি কখনো বিদ্যুৎ কেন্দ্র মারাত্মক দুর্ঘটনায় পড়ে নিউক্লিয়ার মেল্টডাউন হয়ে পারমাণবিক চুল্লির মূল অংশ বা রিঅ্যাক্টর এর কোর গলে যায় সেই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে কোর ক্যাচার যুক্ত করা হচ্ছে। কারণ কোর গলে গেলে কোর ক্যাচার তা আটকে ফেলবে। ফলে বাইরে রেডিয়েশন বা তেজস্ক্রিয়তা লিকেজ হবে না বলে মনে করেন তিনি। ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে দুই ইউনিটের ২,৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন। পরে ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর বহুল প্রতীক্ষিত দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের পারমাণবিক চুল্লি বসানোর কাজ তথা ফাস্ট কংক্রিট পোরিং এর উদ্বোধন করা হয়। আর চলতি বছরের ১৪ জুলাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের ফাস্ট কংক্রিট পোরিং এর উদ্বোধন হয়েছে। রাশিয়ার রোসাটম এর  আর্থিক, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।      
ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার
পারমাণবিক বিদ্যুৎ নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করবে
আগস্ট ১৬, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ০৭:৩০ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে পারমাণবিক বিদ্যুৎ গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। বৃহস্পতিবার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল (ইপিআরসি) এর উদ্যোগে ‘পারমাণবিক শক্তি ও উদ্ভাবনী রিঅ্যাক্টরের উন্নয়ন’ শীর্ষক এক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের নিরবচ্ছিন্ন  বিদ্যুৎ প্রয়োজন। পারমানবিক বিদ্যুৎ কতটা আর্থিকভাবে সাশ্রয়ী, সঞ্চালন গ্রীডের কম্পাংকের সাথে কিভাবে  সিঙ্ক্রনাইজ করা যাবে তা নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ কাজ করছে। শান্তিপূর্ণভাবে পারমাণবিক বিদ্যুৎ ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের অগ্রগতি ত্বরান্বিত হবে বলে মনে করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, ছোট মডুলার রিঅ্যাক্টর ব্যবহার করে ছোট ছোট বিদ্যুৎ কেন্দ্র করা যায় কি না তা নিয়ে গবেষণা করা যেতে পারে। এ ব্যাপারে খতিয়ে দেখার জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করেন তিনি। এ সংক্রান্ত কোন গবেষণার প্রয়োজন হলে তা বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল সহায়তা করতে পারে বলে জানান তিনি। বিদ্যুৎ ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, সব ধরণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই রূপপুর পারমানবিক  বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে। সব পারমাণবিক বর্জ্য রাশিয়া নিয়ে যাবে। বাংলাদেশ পরমানু শক্তি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আলী জুলকারনাইন ও বুয়েটের সাবেক অধ্যাপক ড. এমএ রশিদ সরকার যৌথভাবে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। নিউক্লিয়ার শক্তির প্রয়োজনীয়তা, নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রিঅ্যাক্টর ও এর বিভিন্ন জেনারেশন, পারমাণবিক নিরাপত্তা, রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও এর নিরাপত্তা, ছোট মডুলার রিঅ্যাক্টরের উন্নয়ন এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জি এজেন্সি (আইএইএ) এর নির্দেশনা সেমিনারে উপস্থাপন করেন তারা। সেমিনারে আরো বক্তব্য দেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোঃ রহমাতুল মুনিম, বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরী, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ ও পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন।
ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার
‘পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তাদেরকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের নির্দেশ’
আগস্ট ১২, ২০১৮ রবিবার ০৩:৫০ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা ও কর্মচারিদেরকে ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে মাঠ পর্যায়ে গ্রাহক বান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের(বিআরইবি) চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন। শনিবার ঢাকায় সদর দপ্তরে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের আওতাধীন ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তিন শতাধিক ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) এবং বিআরইবি এর মাঠ পর্যায়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও নির্বাহী প্রকৌশলীদের সম্মেলনে এ নির্দেশ প্রদান করেন তিনি। চেয়ারম্যান বলেন, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) শতভাগ বাস্তবায়ন করায় বিআরইবি বিদ্যুৎ বিভাগের মধ্যে সেরা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি লাভ করেছে। এ অর্জন আমাদের সকলকে ধরে রাখতে হবে। বিচ্ছিন্ন ঘটনার কারণে বিআরইবি বিগত দিনের অর্জিত সফলতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে দেওয়া যাবে না। মাঠ পর্যায়ের নির্বাহী প্রকৌশলী ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীগণকে ডিজিএমগণকে সহায়তার জন্য আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, সততার জন্য ইতোমধ্যে বিআরইবি অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে পুরস্কৃত করেছে। সরকার বিআরইবিকে বিপুল পরিমাণ অর্থ দেওয়ার কারণে মালামালের কোন ঘাটতি নেই। যেসব জায়গায় লাইন নির্মান করা হয়েছে সেখানে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার জন্য ডিজিএমগণকে নির্দেশনা প্রদান করেন। বেশ কয়েকটি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে সিস্টেম লস বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সিস্টেম লস সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনতে হবে। তিনি আরো বলেন, সিস্টেম আপগ্রেডেশনের জন্য সবাইকে নিষ্ঠা ও সততার সাথে একযোগে কাজ করতে হবে। শিল্প প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক পেন্ডিং আবেদনের বিপরীতে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে হবে।  চেয়ারম্যান বলেন, সামনে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা। এ কারণে গ্রাহককে দ্রুত সংযোগ এবং নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দিতে হবে। এ জন্য লাইনম্যান এবং ওয়্যারিং ইন্সপেক্টরদের সচেতন করে তুলতে হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট অভিযোগ কেন্দ্র সার্বক্ষণিক সচল রাখা এবং বিদ্যুৎ বিলের এসএমএস সংক্রান্ত সমস্যা দ্রুত নিষ্পত্তি করে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে নির্দেশ দেন তিনি।  সম্মেলনে বিইআরবি সদস্য (অর্থ) মোঃ জয়নাল আবেদীন, সদস্য (ডিএন্ডডি) মোঃ মোস্তফা কামাল, সদস্য (পিএন্ডডি) মুঃ আবদুস সালাম এবং সদস্য (সমিতি ব্যবস্থাপনা) মোঃ মাহবুবুল বাশারসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা  দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।    
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে সমঝোতা স্মারক সই
আগস্ট ১০, ২০১৮ শুক্রবার ০৮:৩২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করার জন্য সমঝোতা স্মারক সই করেছে বাংলাদেশ। শুক্রবার নেপালের রাজধানী কাঠমুন্ডুতে বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা নিয়ে বাংলাদেশ-নেপাল ওই সমঝোতা স্মারক সই করেছে বলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এবং নেপালের জ্বালানি, পানি সম্পদ ও সেচ বিষয়ক মন্ত্রী বর্ষমন পণ অনন্ত সমঝোতা স্মারকে সই করেন। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ২০৪০ সাল নাগাদ বাংলাদেশ ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে নয় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হবে। অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সুদৃঢ় করে আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়েছে। এ সমঝোতার মূল লক্ষ্য বিনিয়োগ ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন প্রকল্পের উন্নয়নসহ বিদ্যুৎ খাতে উভয়পক্ষের সহযোগিতা বাড়ানো। অনুষ্ঠানে নেপাল থেকে বাংলাদেশে জলবিদ্যুৎ আমদানি, যৌথ বিনিয়োগে নেপালে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন ও বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আমদানি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিশেষ করে সোলার হোম সিস্টেম প্রসারে নেপালকে বাংলাদেশের সহযোগিতা, নেপালের আপার কারনালি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে ৫০০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ আমদানির বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়। ভারত থেকে ইতোমধ্যে ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হচ্ছে এবং আরো ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত। নেপালে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে আঞ্চলিক সহযোগিতার আওতায় বাংলাদেশ নেপাল থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি করতে চায়। এতে উভয় দেশ উপকৃত হবে। এক্ষেত্রে ভারতের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন ব্যবহার করে নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে করা হবে। প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ আরো বলেন, জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে বাংলাদেশ নেপালে বিনিয়োগ করতে ইচ্ছুক। এ বিনিয়োগে উভয় দেশ উপকৃত হবে। এ বছরের ৬ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সপ্তাহ-২০১৮ এ নেপালের জ্বালানি, পানি সম্পদ ও সেচ বিষয়ক মন্ত্রীসহ একটি প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই চুক্তি বিদ্যুৎ খাতের জন্য একটি প্লাটফর্ম বা কাঠামো তৈরি করবে যা বিদ্যুৎ বিনিময়, বিদ্যুৎ বাণিজ্য, গ্রীড সংযোগ, জলবিদ্যুৎ উন্নয়ন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে। সহযোগিতাটি উভয় দেশকে লাভবান করবে এবং বিদ্যুৎ খাত সম্পর্কে উভয় দেশের জনগণ ও বেসরকারি সংস্থাকে উৎসাহিত করবে। নেপালে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা এলপিজি ব্যবসায় আগ্রহী। এছাড়া বাংলাদেশের জয়েন্ট ভেঞ্চার প্রকল্প, সোলার হোম সিস্টেম, নেট মিটারিং, এলপিজি ও এলএনজি ব্যবসা সম্পর্কে অবহিত করেন প্রতিমন্ত্রী। নেপালের জ্বালানি, পানি সম্পদ ও সেচ বিষয়ক মন্ত্রী বর্ষমন পণ অনন্ত বলেন, বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে নেপাল বাংলাদেশকে মডেল হিসেবে নিয়েছে। বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা নেপালের প্রয়োজন। এ সময় অন্যান্যের মাঝে নেপালের জ্বালানি, পানি সম্পদ ও সেচ বিষয়ক সচিব অনুপ কুমার উপাধ্যায়, নেপালের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বিভাগের মহাপরিচালক নবিন রাজ সিং ও নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কুলমান ঘিসিং, বাংলাদেশের নেপালে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মাশফী বিনতে শামস, বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম-সচিব (উন্নয়ন) শেখ ফয়েজুল আমীন এবং বিপিডিবি’র প্রধান প্রকৌশলী (প্রাইভেট জেনারেশন) মোঃ মাহবুবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।    
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে শিগগিরই বিডিং রাউন্ড ঘোষণা হচ্ছে’
আগস্ট ০৯, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ০৬:৩৫ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য শিগগিরই নতুন প্রডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাক্ট বা পিএসসি করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। বৃহস্পতিবার পেট্রোবাংলার ড. হাবিবুর রহমান অডিটরিয়াম এ জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস-২০১৮ উপলক্ষে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। উপদেষ্টা বলেন, ইতোমধ্যে নতুন বিডিং রাউন্ড ঘোষণার জন্য খসড়া পিএসসি প্রণয়ন করা হয়েছে। এর আলোকেই অগভীর ও গভীর সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য চুক্তি করা হবে। তবে এবারের বিডিং রাউন্ডে স্থলভাগে তথা অনশোরে কোনো পিএসসি হবে না।   তিনি বলেন, মূল্যবান গ্যাসসহ অন্যান্য জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে অপচয় রোধ করে যথাযথ ব্যবহার ও উদ্ভাবনী ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে জ্বালানি সাশ্রয়ের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মো: রহমাতুল মুনিম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে আরো বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এর চেয়ারম্যান মো: আকরাম আল হোসেন, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মোঃ ফয়েজউল্লাহ। সেমিনারের শুরুতে ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের নিহত সদস্যদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সেমিনারে ‘অয়েল অ্যান্ড গ্যাস এক্সপ্লোরেশন অপরচুনিটিস ইন দি অফশোর এরিয়াস অব বাংলাদেশ আন্ডার প্রডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাক্ট (পিএসসি)’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পেট্রোবাংলার মহাব্যবস্থাপক (কন্ট্রাক্ট) শাহনেওয়াজ পারভেজ এবং ‘পেট্রোলিয়াম পাইপলাইন নেটওয়ার্ক ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পদ্মা অয়েল কোম্পানী লিমিটেড এর মহাব্যবস্থাপক (প্রকল্প) মো: আমিনুল হক। সেমিনারে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, পেট্রোবাংলা ও এর অধীনস্থ কোম্পানিসমূহের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  প্রসঙ্গত, স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পর জাতীয় অগ্রগতির লক্ষ্যে যে সকল দূরদর্শী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন তন্মধ্যে জাতীয় জ্বালানির নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিতকরণ ছিল অন্যতম। দেশের অর্থনীতির ভিতকে মজবুত করে সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ৯ আগস্ট তৎকালীন ব্রিটিশ তেল কোম্পানি শেল অয়েল এর নিকট থেকে তিতাস, হবিগঞ্জ, রশিদপুর, কৈলাশটিলা ও বাখরাবাদ-এ ৫টি গ্যাসক্ষেত্র নামমাত্র ৪.৫ মিলিয়ন পাউন্ড স্টার্লিং মূল্যে ক্রয় করে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। এ গ্যাস ক্ষেত্রসমূহকে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় নেয়ার পর থেকে অদ্যাবধি দেশের অর্থনৈতিক বিকাশে এবং জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অতুলনীয় ভূমিকা রেখে চলছে। জাতির পিতার উন্নয়ন ভাবনার পথ অনুরসরণ করে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার ২০১০ সাল থেকে এ দিবসটিকে ‘জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস’ হিসেবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এ দিবসটি উদযাপনের মাধ্যমে জ্বালানি নিরাপত্তায় বঙ্গবন্ধুর অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের পাশাপাশি দেশের উন্নয়নে জ্বালানি খাতের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সংক্রান্ত কার্যক্রমের প্রচারণা এবং জ্বালানির সাশ্রয়ী ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা সম্ভব হচ্ছে।    
ক্যাটাগরি: গ্যাস
হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র থেকে আরো ১৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু
আগস্ট ০৭, ২০১৮ মঙ্গলবার ১২:১৪ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশের জাতীয় গ্যাস গ্রিডে হবিগঞ্জের একটি কূপ থেকে দৈনিক ১৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানী লিমিটেডের(বিজিএফসিএল)এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, সোমবার থেকে দৈনিক ১৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস অতিরিক্ত উৎপাদন শুরু হয়েছে। বিজিএফসিএল এর আওতাধীন হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রের ১ নম্বর কূপ ওয়ার্কওভার করে দৈনিক এই গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়েছে। বর্তমানে হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রের সাতটি কূপ থেকে দৈনিক ২২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে। দেশে দৈনিক ৩৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা থাকলেও এর বিপরীতে ২৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সরবরাহ করা হয়।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
দেশের প্রতি ঘরে ঘরে আলো জ্বলবে : প্রধানমন্ত্রী
আগস্ট ০৬, ২০১৮ সোমবার ১০:৫৬ এএম - বাসস
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নবনির্মিত আটটি বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করেছেন। এ সময়ে তিনি দেশের প্রত্যেক ঘরে আলো জ্বালাতে তার সরকারের লক্ষ্যের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। রোববার বিকেলে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নতুন আটটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ফলক উন্মোচনককালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য দেশের প্রত্যেক ঘরে ঘরে আলো জ্বালানো। এই লক্ষ্য পূরণে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’ এছাড়া শেখ হাসিনা দুইটি গ্রিড সাবস্টেশন এবং দেশের আরো ২১টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়নের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাধারণ জনগণের মুখে হাসি ফোটানোর মাধ্যমে সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ দেশ স্বাধীন করেছিলেন। তিনি বলেন, দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়তে এবং রোগে ভুগে কেউ যেন মারা না যায় ও অন্ধকারে না থাকে সে লক্ষ্যে সরকার পরিকল্পিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই প্রত্যেকে শিক্ষিত হোক। প্রত্যেক ঘরে আলো জ্বলুক। বিদ্যুৎ ব্যবহারে জনগণকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করে শেখ হাসিনা বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়। এ কথা আপনাদের মনে রাখতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ খাতে সরকার প্রচুর পরিমাণে ভর্তুকি দিচ্ছে। উৎপাদন ব্যয়ের চেয়েও আমরা বেশি পরিমাণে ভুর্তকি দিচ্ছি। আর এর মাধ্যমে আমরা জনগণের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে নিজহাতে সুইচ বন্ধ করতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমরা চাই না বিদ্যুতের অপচয় হোক। দেশের প্রত্যেক এলাকা শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় আসবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদন ৩২০০ থেকে ১৮ হাজার ৯শ’ মেগাওয়াটে উন্নীত করেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা ১২২টি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করেছি এবং ১৪ হাজার ১৩৪ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২৬টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ চলছে। এছাড়াও আমরা ভারত থেকে ছয়শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করেছি এবং এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির প্রক্রিয়া চলছে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, নেপাল ও ভুটান থেকে হাইড্রো ইলেক্ট্রিসিটি ক্রয়ের ব্যাপারে কথাবার্তা চলছে। তিনি বলেন, দেশে ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে সরকার পারমাণবিক বিদ্যুতের মত বহুমুখী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। জনগণ এ থেকে উপকৃত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নতুন যেসব বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করেন সেগুলো হলো : ঘোড়াশালের কোড্ডায় ঘোড়াশাল ৩৬৫ মেগাওয়াট সমন্বিত বিদ্যুৎকেন্দ্র, গাজীপুর ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র, দাউদকান্দি ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র, ফেঞ্চুগঞ্জ ২০০ মেগাওয়াট সমন্বিত বিদ্যুৎকেন্দ্র, নোয়াপাড়া ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র, মুন্সিগঞ্জের কমলাঘাটে মুন্সিগঞ্জ ৫৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সিদ্দিরগঞ্জে ৩৩৫ মেগাওয়াট সমন্বিত বিদ্যুৎকেন্দ্র (গ্যাস টারবাইন) ও সিদ্দিরগঞ্জ ২২৫ সমন্বিত বিদ্যুৎকেন্দ্র (দ্বিতীয় ইউনিট)। শতভাগ বিদ্যুৎ সংযোগের আওতায় এসেছে এমন ২১টি উপজেলা হচ্ছে : মৌলভীবাজার সদর, গাইবান্ধার সাখাটা, কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম, নরসিংদীর মনোহরদী, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ, জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল ও কালাই, নওগাঁর পোরশা, রাজশাহীর মোহনপুর ও দূর্গাপুর, পঞ্চগড়ের আটোয়ারী, নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ, ফেনীর ফুলগাজী, পরশুরাম, ছাগলনাইয়া ও সোনাগাজী, চট্টগ্রামের পটিয়া ও হাটাহাজারী, সিলেটের দক্ষিণ সুরমা এবং হবিগঞ্জ সদর উপজেলা। দুইটি গ্রিড সাবস্টেশন হলো নারায়ণগঞ্জের ভুলতায় ৪০০/২০০ কেভি গ্রিড সাবস্টেশন ও খাগড়াছড়ি ১৩২/৩৩ কেডি গ্রিড সাবস্টেশন। প্রধানমন্ত্রী পরে কিশোরগঞ্জ, কুমিল্লা, মৌলভীবাজার ও খাগড়াছড়ির উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহি এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন অর্জন ও পদক্ষেপ তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম এবং রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
শতভাগ এডিপি বাস্তবায়ন করায় স্বীকৃতি পেল বিদ্যুৎ বিভাগের তিন প্রতিষ্ঠান
জুলাই ৩১, ২০১৮ মঙ্গলবার ০৭:৪৮ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) শতভাগ বাস্তবায়ন করায় বিদ্যুৎ বিভাগের অধীনস্থ দুইটি সংস্থা ও একটি কোম্পানী সেরা বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। একই সাথে সেরা প্রকল্প পরিচালক হিসেবে তিনজন কর্মকর্তা স্বীকৃতি পেয়েছেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রথম হয়েছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি)। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও ঢাকা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো)। আর সেরা প্রকল্প পরিচালক হিসেবে প্রথম হয়েছেন পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড এর পল্লী বিদ্যুৎ বিতরণ সিস্টেম আপগ্রেডেশন (ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট ডিভিশন) প্রকল্পের মো. মোস্তফা কামাল। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় হয়েছেন যথাক্রমে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এর শাহজীবাজার ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের মো. আবুল কালাম আজাদ এবং ঘোড়াশাল ৩৬৫ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের মো. তোফাজ্জল হোসেন। ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনের বিজয় হলে গত ৩০ জুলাই এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ স্বীকৃতিলাভকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও প্রকল্প পরিচালকদের হাতে স্বীকৃতি স্মারক তুলে দেন। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এর চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ, বিআরইবি’র চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন ও ডেসকো’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল  মো. শাহিদ সারওয়ার স্বীকৃতি স্মারক গ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার খাত। সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার সমন্বিত উন্নয়নের লক্ষ্যে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ-মেয়াদি নানাবিধ উন্নয়ন কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করছে। সরকার কর্তৃক প্রণীত পাওয়ার সেক্টর মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী ২০২১ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ২৪ হাজার মেগাওয়াট। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন বাজেটের আকার ২০০৯ সালের তুলনায় ২০১৮ সালে নয় গুণের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সাথে বিগত নয় বছরে বিদ্যুৎ খাতের বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতাও দৃশ্যমানভাবে বৃদ্ধি হয়েছে। ২০০৯ সালের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ ২,৬৭৭ কোটি টাকার তুলনায় ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বরাদ্দ ২৬,২৯২ কোটি টাকায় উন্নীত হলেও অর্থবছর শেষ হওয়ার আগেই সংশোধিত এডিপি’র শতভাগ বাস্তবায়ন সম্পন্ন হয়েছে। চলতি বছরের জুন পর্যন্ত জাতীয় অগ্রগতির তুলনায় বিদ্যুৎ বিভাগের অগ্রগতি প্রায় ৭ শতাংশ বেশি ছিলো।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
রূপসা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে ৫০১.৫ মিলিয়ন ডলার দেবে এডিবি
জুলাই ২৯, ২০১৮ রবিবার ১১:৫৭ এএম - বাসস
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) রূপসা ৮০০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে বাংলাদেশকে ৫০১.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা দিচ্ছে। মোট ঋণ সহায়তার মধ্যে ম্যানিলা ভিত্তিক এই ঋণ সংস্থা দেবে অর্ডিনারি ক্যাপিটাল রির্সোস হিসাবে ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং বাকি অর্থ পাওয়া যাবে মঞ্জুরী সহায়তা হিসাবে। রাজধানীর শেরে-বাংলানগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে আগামী ২ আগস্ট সরকার ও এডিবি’র মধ্যে এ বিষয়ে একটি ঋণ ও মঞ্জুরী চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে বলে এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব কাজী শফিকুল আজম এবং এডিবি কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ নিজ নিজ পক্ষে ঋণ ও মঞ্জুরি চুক্তিতে সই করবেন। পাশাপাশি এডিবি কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ এবং রূপসা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মানকারী প্রতিষ্ঠান নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেডের সিইও ইঞ্জিনিয়ার এএম খোরশেদুল আলমের মধ্যে একটি প্রকল্প চুক্তি সই হবে। বাংলাদেশে ২০১৭ সালে পিক আওয়ারে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১০,৪০০ মেগাওয়াট। এ সময়ে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে ৯,৪৭৯ মেগাওয়াট। ২০২০ সালের মধ্যে বিদ্যুতের মোট চাহিদা ১৩,৩০০ মেগাওয়াট এবং ২০২৫ সালের মধ্যে ১৯,৯০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রূপসা বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে সর্বশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার হবে। তরল বর্জ্য পরিশোধন এবং রিসাইক্লিং করতে সর্বাধুনিক ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্রক্রিয়া ব্যবহার হবে বলে কর্মকর্তারা জানান।    
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
এলএনজি সরবরাহে ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে চায় ভারতের পেট্রোনেট
জুলাই ২৯, ২০১৮ রবিবার ১১:৩১ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি ও সরবরাহে টার্মিনাল নির্মাণে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চায় এ খাতে ভারতের বৃহত্তম প্রতিষ্ঠান পেট্রোনেট। এ জন্য ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। অনুমোদন পাওয়ার পর ৪২ মাসের মধ্যে স্থলভাগে এলএনজি সরবরাহের কাজ শেষ করতে চায় তারা। কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় ২৬ কিলোমিটার পাইপলাইনে বছরে ৭৫ কোটি টন আমদানি করা এলএনজি গ্রহণ এবং সরবরাহ লাইনে ছাড়ার পরিকল্পনায় গত বছর পেট্রোবাংলার সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ) হয় পেট্রোনেটের। এখন প্রকল্পের বিস্তারিত উল্লেখ করে অনুমোদনের জন্য বাংলাদেশ সরকারের কাছে আবেদন করা হয়েছে। পেট্রোনেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী প্রভাত সিং পিটিআইকে জানান, সরকার তাদের প্রস্তাব গ্রহণ করলে পেট্রোবাংলা এবং পেট্রোনেটের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি হবে। কুতুবদিয়ার এ স্থানটিকে এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের জন্য আদর্শ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। বিওও অর্থাৎ নির্মাণ, মালিকানা ও পরিচালনার ভিত্তিতে নির্মাণ করা হবে প্রকল্পটি। সূত্র: পিটিআই  
ক্যাটাগরি: গ্যাস
‘বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করার চেষ্টা চলছে’
জুলাই ২৭, ২০১৮ শুক্রবার ১১:০০ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র বিকল্প উপায়ে চালু করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। শুক্রবার দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং কয়লা খনি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। খবর বাসসের। দেশে বিদ্যুতের যে চাহিদা রয়েছে তা পূরণ করার মতো উৎপাদন সক্ষমতা বর্তমান বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর রয়েছে বলেও জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, রংপুর অঞ্চলের আটটি জেলায় ১০০ থেকে ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি রয়েছে। তাই এক থেকে দেড় ঘণ্টা করে লোডশেডিং দেয়া হচ্ছে। আর সিরাজগঞ্জের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ বাড়িয়ে লোডশেডিং এর মাত্রা কমানো হয়েছে। এ সময় তার সাথে ছিলেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ ও বিপিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ। বড়পুকুরিয়া খনিতে কয়লার ঘাটতির অভাবে বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় উচ্চ পর্যায়ের ওই  চার কর্মকর্তা পরিদর্শনে আসেন। পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ বলেন, যারা এই ঘটনায় জড়িত তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কয়লার ঘাটতি দেখিয়ে যারা কষ্টের সম্মুখীন করেছেন তাদের বিষয়টি কোনোভাবেই হালকা করে দেখার উপায় নেই। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বলেন, খনিতে কয়লা ঘাটতির ব্যাপারে কর্মকর্তাদের বক্তব্য এবং বাস্তবে কয়লার বিষয়টি দেখার পাশাপাশি তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চাহিদা মোতাবেক কবে কয়লা সরবরাহ দেওয়া সম্ভব এবং কয়লা খনির উৎপাদন কবে শুরু করা যাবে  সেজন্য এই পরিদর্শন। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। দুদক বিষয়টি তদন্ত করছে। তদন্তে কয়লা ঘাটতি হলে তার দায়-দায়িত্ব কর্মকর্তাদের নিতে হবে এবং তাদেরকে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানান তিনি।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘চেয়ারম্যান এর নির্দেশে ৪৩ পরিবারে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ’
জুলাই ২৬, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ০৪:২৬ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
লালমনিরহাটের আদিতমারি উপজেলার প্রত্যন্ত মহিশাসুর গ্রামের ৪৩টি পরিবারে পাঁচদিনের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছে কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন এর বিশেষ নির্দেশনায় ওই সংযোগ দেওয়া হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় ওই ৪৩টি পরিবার অবর্ণনীয় অন্ধকারাচ্ছন্ন অবস্থায় দিনাতিপাত করছিলো। বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, অসহায় পরিবারগুলো চার-পাঁচ বছর আগে কর্তৃপক্ষের কাছে বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন করলেও তারা বিদ্যুৎ পায়নি। বিদ্যুৎ না পাওয়ায় এলাকাবাসীর মাঝে ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়। সম্প্রতি অনলাইন গণমাধ্যমসহ জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিষয়টি প্রকাশিত হলে বিদ্যুৎ বিভাগ ও বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান জেনারেল মঈন উদ্দিন এর নজরে আসে। এরপর চেয়ারম্যান সাত দিনের মধ্যে লাইন নির্মাণ করে ৪৩টি পরিবারে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে নির্দেশ দেন। সমিতি কর্তৃপক্ষ মাত্র পাঁচদিনের মধ্যে তিন কিলোমিটার লাইন নির্মাণ করে উক্ত ৪৩টি পরিবারে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডকে গ্রাহকদের হয়রানিমুক্ত বিদ্যুৎ দিতে আহ্বান
জুলাই ২১, ২০১৮ শনিবার ০৬:১৩ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
গ্রাহকদের হয়রানিমুক্ত বিদ্যুৎ দিতে আরো আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। শনিবার বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বাপবিবো ) এর সম্মেলন কক্ষে জেনারেল ম্যানেজার সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, উৎপাদন, বিতরণ ও সঞ্চালন সংস্থাগুলোর মাঝে সমন্বয় বাড়াতে নিজেদের উদ্যোগ নিতে হবে। উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন যেন চাহিদা মাফিক হয়। গ্রাহক তথা জনগণের সন্তুষ্টিই আমাদের মূল লক্ষ্য। তাদের কোন অবস্থায়ই হয়রানি করা যাবে না, হাসি মুখে কথা বলতে হবে। আগামী তিন মাসের মধ্যে বিদ্যমান সমস্যার সমাধান করতে হবে। সরকার প্রয়োজনীয় সকল সহযোগিতা দেবে বলে জানান তিনি। ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের জন্য দুই দিনব্যাপি ওই জেনারেল ম্যানেজার সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে শতভাগ উপজেলা বিদ্যুতায়নের টার্গেট এবং তার জন্য মাঠ পর্যায়ে সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়।  পাশাপাশি কারিগরী সীমাবদ্ধতা ও বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিরসন, ট্রান্সফরমার নষ্টের সম্ভাব্য কারণ ও প্রতিকার, বৈদ্যুতিক দূর্ঘটনা হ্রাসকল্পে করণীয় ও প্রতিকার, লাইন রক্ষণাবেক্ষণ, প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপন ও পরিচালন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয় বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।  এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ‘হয়রানিমুক্ত বিদ্যুতের অঙ্গীকার’। ১৯৭৮ থেকে ২০০৮ সাল নাগাদ ৩০ বছরে বাপবিবো এর গ্রাহক ছিল ৭৪ লাখ, যা বিগত নয় বছরে বেড়ে হয়েছে দুই কোটি ৪১ লাখ। ইতোমধ্যে ২৪০টি উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন হয়েছে, বাকীগুলো নির্ধারিত সময়েই হয়ে যাবে। সম্মেলনে ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার, জেনারেল ম্যানেজার, বিদ্যুতায়ন বোর্ডের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে বাপবিবোর্ডের সেরা কর্মকর্তা সদস্য (বিতরণ ও পরিচালন) মোঃ মোস্তফা কামাল, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা ময়মনসিংহ পল্লী সমিতি-২ এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার জহিরুল ইসলাম এবং বাপবিবোর্ডের সেরা কর্মচারী সামছুল হুদা চৌধুরী এর হাতে প্রতিমন্ত্রী শুদ্ধাচার সম্মাননাপত্র তুলে দেন। সম্মেলনে অন্যান্যের মাঝে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ডঃ আহমদ কায়কাউস, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন ও পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন বক্তব্য রাখেন। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন বাপবিবোর সদস্য (প্রশাসন) ও সরকারের অতিরিক্ত সচিব মোঃ ইয়াকুব আলী পাটওয়ারী,  পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মাসুম আল-বেরুনী, ওজোপাডিকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক  মোঃ শফিক উদ্দিন।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডে দুই দিনব্যাপি জেনারেল ম্যানেজার সম্মেলন’
জুলাই ১৯, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ০৭:১২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বাপবিবো) প্রতি বছরের মতো এবারও জেনারেল ম্যানেজার সম্মেলনের আয়োজন করেছে। দুই দিনব্যাপি ওই সম্মেলন শুক্রবার বাপবিবোর্ড সদর দপ্তরের ব্রিগেডিয়ার সবিহ্ উদ্দিন আহমেদ হলে অনুষ্ঠিত হবে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এবারের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ‘হয়রানিমুক্ত বিদ্যুতের অঙ্গীকার’। ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের জেনারেল ম্যানেজার সম্মেলন উপলক্ষে শনিবার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। এছাড়াও বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব, বিপিডিবির চেয়ারম্যান, পাওয়ার সেল এর  মহাপরিচালক, পিজিসিবি, ওজোপাডিকো এবং নেসকো এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন। বাপবিবোর্ডের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন সম্মেলনে যাবতীয় কার্যক্রমের উপর আর্থিক, কারিগরী ও ব্যবস্থাপনাগত বিষয়ে পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপন করবেন। দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার অথবা জেনারেল ম্যানেজার ও বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন। সম্মেলনে ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরের নতুন এপিএ টার্গেট এবং বিগত বছরের এপিএ অর্জন বিষয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হবে। অনুষ্ঠানে শতভাগ উপজেলা বিদ্যুতায়নের টার্গেট এবং মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হবে। ১৯৭৮ থেকে ২০০৮ সাল নাগাদ ৩০ বছরে বাপবিবোর্ডের গ্রাহক সংখ্যা ছিল ৭৪ লাখ। বর্তমান সরকারের নয় বছরে আরও ১ কোটি ৫৭ লাখ নতুন সংযোগ দেওয়া হয়েছে। এখন বাপবিবোর্ডের গ্রাহক সংখ্যা ২ কোটি ৩১ লক্ষ। আর বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন ৩ লক্ষ ৯৭ হাজার কিলোমিটার, বিদ্যুৎ সুবিধাভোগী গ্রাহক ৮৬ শতাংশ, ৮৩৭টি ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রের মোট ক্ষমতা ৯,৭৭৫ এমভিএ, সিষ্টেম লস শতাংশ। ইতোমধ্যে ২৪০টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট ২২০টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে বাপবিবোর্ড ৫৫ হাজার কিলোমিটার লাইন নির্মাণ ও ১,৮০০ এমভিএ ক্ষমতা সম্পন্ন  উপকেন্দ্র স্থাপন করে ৩৯ লাখ গ্রাহককে নতুন সংযোগ প্রদান করেছে। উক্ত অর্থ বছরে বাপবিবোর্ডের সিষ্টেম লস ১১শতাংশ। এছাড়া বিগত অর্থ বছরে বাপবিবো দেশের বিভিন্ন স্থানে ০৫টি সোলার চার্জিং স্টেশন স্থাপন করেছে। এদিকে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে বাপবিবোর্ড ৫০ হাজার কিলোমিটার বৈদ্যুতিক লাইন নির্মাণ ও ২,১৭৭ এমভিএ ক্ষমতাসম্পন্ন উপকেন্দ্র নির্মাণ করে ২৫ লাখ নতুন সংযোগ প্রদান করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘সামিট গ্রুপের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১,৯৪১ মেগাওয়াট’
জুলাই ১৫, ২০১৮ রবিবার ০৫:১৮ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
গাজীপুরের কড্ডায় সম্প্রতি ১৪৯ মেগাওয়াটের নতুন একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালুর পর সামিট গ্রুপের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়িয়েছে ১,৯৪১ মেগাওয়াট। সামিট গাজীপুর-১ পাওয়ার লিমিটেড ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল সরকার ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সাথে যথাক্রমে ১৫ বছর মেয়াদী ১৪৯ মেগাওয়াটের ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাস্তবায়ন চুক্তি এবং বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি সই করে বলে সামিট গ্রুপের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বেসরকারি খাতের বৃহৎ বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সামিট গ্রুপ গত ৯ মে সামিট গাজীপুর-২ পাওয়ার লিমিটেড নামে আরেকটি ৩০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করে। ঢাকা শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে কড্ডায় দুইটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রই পাশাপাশি অবস্থিত। সামিট গাজীপুর-১ পাওয়ার লিমিটেড ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ এ তালিকাভুক্ত সামিট পাওয়ার লিমিটেড (শেয়ার ৬৪ শতাংশ) এবং সামিট করপোরশেন লিমিটেড (৩৬ শতাংশ) এর মালিকাধীন একটি জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানী।    
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
সম্পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী
জুলাই ১৫, ২০১৮ রবিবার ০৪:২৭ পিএম - বাসস
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সম্পূর্ণ নিরাপত্তা পদ্ধতি অবলম্বন করে এমনভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে যাতে এখানে প্রাকৃতিক বা মনুষ্য সৃষ্ট কোন দুর্ঘটনা ঘটতে না পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জনগণের জন্যে কোন ঝুঁকি যাতে সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অলম্বন করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাশিয়া এই প্লান্টের বর্জ্য নিতে রাজী হয়েছে এবং এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তিও স্বাক্ষর হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা নিরাপত্তার দিকটায় বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছি। যে কোন দুর্যোগে আমাদের এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে দিকটি বিবেচনায় নিয়েই এই প্ল্যান্টের ডিজাইন করা হয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার পাবনার রূপপুরে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ‘রিঅ্যাক্টর বিল্ডিং (উৎপাদন কেন্দ্র)’ নির্মাণ কাজের দ্বিতীয় পর্যায়ের ঢালাইয়ের কাজ উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটি নির্মাণে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার গাইডলাইন এবং আন্তর্জাতিক মান অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হচ্ছে। রাশিয়ার সর্বশেষ জেনারেশন থ্রি প্লাস প্রযুক্তির রিঅ্যাক্টর দিয়ে তৈরি হচ্ছে এই কেন্দ্র। পারমাণবিক নিরাপত্তা ও বিকিরণ নিয়ন্ত্রণের সর্বাধুনিক ব্যবস্থা আছে এ রিঅ্যাক্টরে।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণের যাত্রায় এই পারমাণবিক কিদ্যুৎ কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। প্রধানমন্ত্রী এ সময় বিদ্যুৎকে একটি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের অন্যতম চাবিকাঠি উল্লেখ করে বলেন, পর্যাপ্ত এবং ধারাবাহিক বিদ্যুৎ সরবরাহ দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করারও পূর্বশর্ত। সরকার দেশের প্রত্যেকটি মানুষের ঘরে ঘরে বিদ্যুতের আলো পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ানোর মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন- ২০২৩-২৪ সাল নাগাদ এ কেন্দ্রের দু’টি ইউনিট থেকে মোট ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে । রাশিয়ান ফেডারেশনের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইউরি ইভানোভিচ বরিসভ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। রোসাটম-এর প্রথম মহাপরিচালক ল্যাক্সিন আলেকজান্দার, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি কমিশন (আইএই)-র পরিচালক দহি হ্যান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। মন্ত্রী পরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাবৃন্দ, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সদস্যবৃন্দ এবং এনার্জি রেগুলেটরী কতৃর্পক্ষের সদস্যবৃন্দ, ভারত থেকে আগত জ্যেষ্ঠ পরমাণু বিষয়ক কর্মকর্তাবৃন্দ, তিন বাহিনী প্রধানগণ এবং পদস্থ সামরিক এবং বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী এ প্রকল্পে সহযোগিতার জন্য এ সময় রুশ সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর প্রথম ইউনিটের প্রথম কংক্রিট ঢালাইয়ের পর বিগত সাত মাসে প্রথম ইউনিটের নির্মাণ কাজ অনেক দূর এগিয়েছে। আজকে কংক্রিট ঢালাইয়ের মাধ্যমে শুরু হলো দ্বিতীয় ইউনিটের নির্মাণ কাজ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমরা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে সমর্থ হব এবং বাংলাদেশ পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর ৩৩তম সদস্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। তিনি বলেন, এ ভূখন্ডে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের স্বপ্ন শুরু হয়েছিল ১৯৬১ সালে তৎকালীন পূর্ব বাংলায়। কিন্তু তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের বিমাতাসুলভ আচরণে তা আর আলোর মুখ দেখেনি। পরে পশ্চিম পাকিস্তানে সেটি সরিয়ে নেয়া হলে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেন। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকদের হাতে বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার পর অনেক কর্মসূচির মত এই প্রকল্পের কাজও বন্ধ হয়ে যায়। সরকার প্রধান বলেন, ১৯৯৬ সালে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নেয়ার পর আমরা জ্বালানি নীতিতে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করি এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা ‘আইএইএ’ এর সহযোগতিা চাই। তাদের সহায়তায় আমরা একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনাও গ্রহণ করি। বিভিন্ন জটিল আইন-কানুন তৈরি করতে আমাদের ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। এরপর ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় এসেই আমাদের নেয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাতিল করে দেয়। এর মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পটিও ছিল। রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প ছিল জাতির পিতার স্বপ্নের প্রকল্প উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৯ সালে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে আমরা আবার প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করি। বন্ধুরাষ্ট্র রাশিয়া এটি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনেও রাশিয়া এবং সে দেশের জনগণ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আমি কৃতজ্ঞচিত্তে তাঁদের অবদানের কথা স্মরণ করছি। প্রধানমন্ত্রী দেশে এক সময় দেশে ভয়াবহ লোড শেডিং থাকার কথা স্মরণ করে বলেন, ২০০৯ সালে সরকার গঠনের সময় আমরা বিদ্যুৎ পেয়েছিলাম মাত্র ৩২০০ মেগাওয়াট। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় তখন ভয়াবহ লোড-শেডিং হতো। তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর পরই আমরা বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর জন্য স্বল্প, মধ্যম এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করি। তার ফলেই আজ বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ১৮ হাজার ৩৫৩ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। সুবিধার আওতায় এসেছেন ৯০ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ। টেকসই বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য তাঁর সরকার জ্বালানি নীতিতে জীবাষ্ম জ্বালানির পাশাপাশি বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারের উপর জোর দিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তেল, গ্যাস বা কয়লার পাশাপাশি পারমাণবিক, সৌর এবং বায়ু-চালিত বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপর গুরুত্বারোপ করেছি। দেশের আর্থ-সমাজিক উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী এ সময় মহাকাশে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট সফলভাবে উৎক্ষেপণের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল তৈরির জন্য তাঁর সরকার কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বলেও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে জনবল নিয়োগ দেয়া হয়েছে এবং তাদের ভারত ও রাশান ফেডারেশনে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। শুধু পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নয়, স্যাটেলাইট পরিচালনার জন্যও আমরা নিজস্ব জনবল তৈরি করছি।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং ২০২১ আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালিত হবে। আমরা এই দুই শুভক্ষণকে সামনে রেখে দেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতিকে আরও বেগবান করতে চাই।’ শেখ হাসিনা এসময় তাঁর রাজনৈতিক অঙ্গীকারের পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, আমাদের লক্ষ্য ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত, প্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞানভিত্তিক মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করা।
ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার
    সাম্প্রতিক এনার্জি বিডি এর খবর
‘সামিট গ্রুপের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১,৯৪১ মেগাওয়াট’
সম্পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশে ৩৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করবে জিই
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য রেলপথ নির্মাণে চুক্তি সই
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২য় ইউনিট নির্মাণের লাইসেন্স হস্তান্তর
চার বছরে বিপিসি ২৬ হাজার কোটি টাকা লাভ করেছে
শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় আসছে ভোলা সদর উপজেলা
খুলনায় ৮০০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র হচ্ছে
‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের উদ্বোধন ১৪ জুলাই’
৪ জুলাই থেকে স্বল্প পরিসরে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সঞ্চালন শুরু হচ্ছে
‘৪০০ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণে পদ্মা নদী ক্রসিং এর কাজ শুরু হচ্ছে’
‘আগামী ৮ দিনের মধ্যে এলএনজি জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে’
‘এলএনজি সরবরাহে প্রতি ঘনমিটারে ১৮ পয়সা সঞ্চালন চার্জ বৃদ্ধি চায় জিটিসিএল’
‘স্থলভাগে ১০৮টি গ্যাস কূপ খনন করা হবে’
খুলনায় ৮শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রকল্প একনেক সভায় উপস্থাপনের অপেক্ষায়
‘এলপিজি ব্যবহারকারীরা বীমার আওতায় আসছে’
‘গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবে ১১ জুন থেকে গণশুনানী শুরু’
‘সামিট গাজীপুরে ৩০০ মেগাওয়াটের আরও একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করেছে’
এলএনজি আমদানি করতে ওমান ট্রেডিং এর সঙ্গে চুক্তি সই
‘মহেশখালীতে ১,৩২০ মেগাওয়াটের আরেকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে’
এলএনজি’র ব্যবহারে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ প্রতিমন্ত্রীর
‘রমজানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে গ্রীডে ১,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হচ্ছে’
বাংলা ট্র্যাক গ্রুপ আরো ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছে
‘শিল্পের পর এবার আবাসিকেও গ্যাস সংযোগ দেওয়া হচ্ছে’
‘বাজারে এসেছে পেট্রোম্যাক্স এলপিজি’
শিগগিরই গ্রাহক পর্যায়ে এলপিজি’র মূল্য নির্ধারণ করা হবে
‘এলএনজি আমদানির জন্য ২০ বছর মেয়াদী জ্বালানি নিরাপত্তা তহবিল গঠন’
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তা বিষয়ক ওয়ার্কশপের উদ্বোধন
জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রীডে যুক্ত হলো আরো ১০০ মেগাওয়াট
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy