ঢাকা, শনিবার, আগস্ট ২৪, ২০১৯, ভাদ্র ৯, ১৪২৬ ০৮:২৭ এএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
এনার্জি বিডি
মদুনাঘাট ৪০০/২৩০ কেভি গ্রীড সাবস্টেশন নির্মাণে চুক্তি
চট্টগ্রামের মদুনাঘাটে ৪০০ কেভি ক্ষমতাসম্পন্ন দেশের প্রথম জিআইএস গ্রীড সাবস্টেশন নির্মাণ করছে পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিঃ (পিজিসিবি)। কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে নির্মাণাধীন কয়লাভিত্তিক ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ মদুনাঘাট হয়ে ঢাকার দিকে সঞ্চালনের লক্ষ্যে এ গ্রীড সাবস্টেশন নির্মাণ করা হচ্ছে। পুরো সাবস্টেশনটি জাপানী প্রযুক্তিতে তৈরি করা হবে। কাজটি সম্পন্ন করতে রোববার পিজিসিবির প্রধান কার্যালয়ে জাপানের হিটাচি করপোরেশন ও চীনের ইটার্ন এর সমন্বয়ে গঠিত যৌথ উদ্যোগ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সই করা হয় েবলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। দেশে বর্তমানে ৪০০ কেভি ক্ষমতাসম্পন্ন চারটি গ্রীড সাবস্টেশন চালু থাকলেও সেগুলো এয়ার ইনস্যুলেটেড সুইচগিয়ার (এআইএস) প্রযুক্তির। এই সাবস্টেশন নির্মাণ ও পরিচালনায় বেশি ভূমির প্রয়োজন হয়। অন্যদিকে সর্বাধুনিক গ্যাস ইনস্যুলেটেড সুইচগিয়ার (জিআইএস) প্রযুক্তির সাবস্টেশন নির্মাণে ভূমি কম লাগে; দক্ষতা (এফিসিয়েন্সি) তুলনামুলক বেশি। জিআইএস প্রযুক্তির সাবস্টেশন দেশে নতুন নয়। তবে সেগুলো ২৩০ কেভি অথবা ১৩২ কেভি ক্ষমতার জিআইএস সাবস্টেশন। মদুনাঘাটে জিআইএস প্রযুক্তিতে প্রথম ৪০০ কেভি ক্ষমতার গ্রীড সাবস্টেশন নির্মাণ করা হচ্ছে। স্বাক্ষরিত চুক্তি মোতাবেক আগামী ৩৪ মাসের (দুই বছর ১০ মাস) মধ্যে যৌথ উদ্যোগ প্রতিষ্ঠান টার্নকি পদ্ধতিতে মদুনাঘাট ৪০০/২৩০ কেভি ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রীড সাবস্টেশন নির্মাণ করে পিজিসিবির কাছে হস্তান্তর করবে। এ কাজে ব্যয় হবে প্রায় ৫৩১ কোটি টাকা। উন্নয়ন সহযোগি সংস্থা ‘জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)’ এবং পিজিসিবি এ কাজে অর্থায়ন করছে। অনুষ্ঠানে পিজিসিবির পক্ষে কোম্পানী সচিব মোঃ আশরাফ হোসেন এবং এবং ইটার্ন-হিটাচি যৌথ উদ্যোগ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে কান্ট্রি ডিরেক্টর ডি কে এম ফজলুল হক চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। গ্রীড সাবস্টেশনটিতে জাপানের হিটাচি করপোরেশনের ৫০০/৭৫০ এমভিএ ক্ষমতার তিনটি ট্রান্সফরমার বসানো হবে। এছাড়াও ৪০০ কেভি ক্ষমতার ছয়টি বে, দুইটি বাস কাপলার, দুইটি সেকশন এবং দুইটি বাস বিটি স্থাপন করা হচ্ছে। ২৩০ কেভি অংশেও একই সংখ্যক যন্ত্রাংশ থাকবে। পিজিসিবির গৃহীত ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম মেইন পাওয়ার গ্রীড স্ট্রেংথদেনিং প্রজেক্ট’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই সাবস্টেশন নির্মাণ করা হচ্ছে। চুক্তি স্বাক্ষরপর্বে পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম-আলবেরুনী, নির্বাহী পরিচালক মোঃ ইয়াকুব ইলাহী চৌধুরী, মোহাম্মদ সাফায়েত হোসেন ও খোন্দকার মোঃ আবদুল হাই, প্রকল্প পরিচালক বজলুল মুনীর এবং যৌথ উদ্যোগ প্রতিষ্ঠানের প্রজেক্ট ম্যানেজার ইমতিয়াজ আহমেদ সহ উভয়পক্ষে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটে ‘কোর ক্যাচার’ স্থাপনের কাজ শুরু
এপ্রিল ২৯, ২০১৯ সোমবার ০৭:০৬ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটে অন্যতম স্বংক্রিয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ‘কোর ক্যাচার’ স্থাপনের কাজ শুরু করেছে প্রকল্পের জেনারেল কন্ট্রাক্টর- এটমস্ত্রয়এক্সপোর্ট (এএসই)। নির্ধারিত সময়ের এক মাস পূর্বেই গত ২৫ এপ্রিল কোর ক্যাচার স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। প্রথম ইউনিটে কোর ক্যাচার স্থাপনের কাজ শুরু হয় গত বছরের ১৮ আগস্ট। এএসইর ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প পরিচালক সের্গেই লাসতোচকিন জানান, “এটি স্বয়ংক্রিয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার অন্যতম মূল অংশ যা প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিট ভবনে স্থাপন করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত এটিই হচ্ছে প্রকল্পে স্থাপিত সর্ববৃহৎ ডিভাইস। আমাদের প্রকৌশলীদের সম্বনিত প্রচেষ্টার ফলেই নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই কাজটি শুরু করা সম্ভব হয়েছে। এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে  যে প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিটের নির্মাণ কাজ নির্ধারিত সিডিউল অনুযায়ীই এগিয়ে চলছে।” রুশ বিশেষজ্ঞদের ডিজাইনকৃত কোর ক্যাচার একটি অন্যন্য কোণাকৃতির ডিভাইস যা রিয়্যাক্টর কোরের নিচে স্থাপন করা হয়ে থাকে। কোর ক্যাচারটিতে থাকে বিশেষ পদার্থ। প্রয়োজনকালে ডিভাইসটি সকল গলিত কোর বস্তু ধারন করে সমপূর্ণভাবে আবদ্ধ করে ফেলবে। এর ফলে রেডিয়েশনের বাইরে আসার পথ রুদ্ধ হয়ে যাবে। স্বয়ংক্রিয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ বিধায় এটির কার্যক্রম, মানুষের ওপর নির্ভর করবে না। প্রাকৃতিক নিয়ম অনুসরণ করেই এটি কাজ করবে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প সাইটের বৈশিষ্টসমূহ বিবেচনা করেই কোর ক্যাচারটি ডিজাইন করা হয়েছে। উন্নত হাইড্রো-ডাইনামিক ও শক প্রতিরোধ গুণাবলিসম্পন্ন হওয়ায় এটি অধিকমাত্রায় ভূমিকম্প সহিষ্ণু। কোর ক্যাচারটিতে বন্যা প্রতিরোধ ব্যবস্থাও যুক্ত করা হয়েছে। রুশ আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় নির্মীয়মান রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে  প্রতিটি ১২০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট থাকবে। সর্বাধুনিক ৩+ প্রজন্মের ভিভিইআর- ১২০০ রিয়্যাক্টর স্থাপন করা হচ্ছে ইউনিটগুলোতে।
ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার
‘গ্যাসের মূল্য পুনর্নির্ধারণ হবে যৌক্তিকভাবে’
মার্চ ১৫, ২০১৯ শুক্রবার ১১:৪১ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলোকে ভবিষ্যতে দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব আরও বাস্তব সম্মত উপায়েদেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম। গ্যাসের মূল্যহার পুনর্নির্ধারণ নিয়ে ঢাকায় টিসিবি অডিটরিয়ামে চার দিনের গণশুনানির শেষদিন বৃহস্পতিবার এ কথা বলেন তিনি। এ সময় কমিশনের সদস্য রহমান মুর্শেদ, সদস্য মাহমুদউল হক ভুইয়া, সদস্য আব্দুল আজিজ খান ও সদস্য মিজানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম বলেন, গ্যাসের বাড়তি দাম নিয়ে ভোক্তাদের আতঙ্কিত  হওয়ার কিছু নেই। কোম্পানীগুলোর প্রস্তাব অনুযায়ী দাম পুনর্নির্ধারণ হবে না। কমিশন যথাযথ বিচার বিবেচনা করে যক্তিযুক্তভাবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে। আমদানি করা এলএনজির উচ্চ মূল্য সমন্বয়ে গ্যাসের দাম গড়ে ১০২ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাবের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হলেও বাস্তবতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতেই নতুন মূল্য ঠিক করা হবে বলে ভোক্তাদের আশ্বস্ত করেন তিনি। চট্টগ্রাম অঞ্চলের কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির প্রস্তাবের ওপর এদিন সকালের সেশনে এবং পশ্চিমাঞ্চল গ্যাসের প্রস্তাবের ওপর বিকালের সেশনে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। রাজনৈতিক কর্মী, ভোক্তা, গ্রাহক স্বার্থ সংরক্ষণে বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা শুনানির বিভিন্ন ধাপে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন। তিতাস, বাখরাবাদ, জালালাবাদ গ্যাস কোম্পানির মতো কর্ণফুলি ও পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানিও ভারিত গড় মূল্যহার ৭ টাকা ৩৫ পয়সা থেকে ১৪ টাকা ৯১ পয়সা করার প্রস্তাব করেছে। অর্থাৎ ১০২ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে তারা। কর্ণফুলী ও পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস বিতরণ কোম্পানি তাদের প্রস্তাবে আবাসিকে এক চুলার বর্তমান দর ৭৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে এক হাজার ৩৫০ টাকা, দুই চুলা ৮০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে এক হাজার ৪৪০ টাকা এবং প্রি-পেইড মিটারে ৯ দশমিক ১০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬ দশমিক ৪১ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে। অন্যদিকে, বিদ্যুতে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম তিন দশমিক ১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯ দশমিক ৭৪ টাকা, সিএনজিতে ৩২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৮ দশমিক ১০ টাকা, সার উৎপাদনে প্রতি ঘনমিটার দুই দশমিক ৭১ টাকা থেকে বাড়িয়ে আট দশমিক ৪৪ টাকা, ক্যাপটিভ পাওয়ারে ৯ দশমিক ৬২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৮ দশমিক শূন্য ৪ টাকা, শিল্পে সাত দশমিক ৭৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৪ দশমিক শূন্য পাঁচ টাকা এবং বাণিজ্যিকে ১৭ দশমিক শূন্য চার টাকার পরিবর্তে ২৪ দশমিক শূন্য পাঁচ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। একইসঙ্গে তারা বিতরণ চার্জ নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছে।  
ক্যাটাগরি: গ্যাস
ঢাবি’র ভূতত্ত্ব বিভাগ ও পেট্রোবাংলার মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই
মার্চ ১৫, ২০১৯ শুক্রবার ১১:১০ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সংক্রান্ত কাজে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার জন্য ভূতত্ত্ব বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে পেট্রোবাংলা এবং এর অধীনস্ত কোম্পানীসমূহের মধ্যে গত ১৩ মার্চ পেট্রোবাংলার বোর্ড রুমে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মোঃ রুহুল আমীন এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোঃ রহমাতুল মুনিম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এছাড়াও, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদ, সুপারনিউমেরারী অধ্যাপক ড. বদরুল ইমাম, অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন ভূইয়া জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং পেট্রোবাংলার পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন। সমঝোতা স্মারকটি পেট্রোবাংলার পক্ষে সংস্থার সচিব সৈয়দ আশফাকুজ্জামান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের পক্ষে বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদ স্ই করেন ।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
সাশ্রয়ী মূল্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ অন্যতম চ্যালেঞ্জ
মার্চ ১০, ২০১৯ রবিবার ১০:১৪ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
সাশ্রয়ী মূল্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ অন্যতম চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। রোববার ঢাকায় একটি হোটেলে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি সেক্টর: ইমিডিয়েট ইস্যু অ্যান্ড চ্যালেঞ্জ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। তিনি বলেন,  সবাই কম মূল্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি চায় অথচ কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ নিয়ে সমালোচনা করে। নেপাল থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। যথাযথ ফুয়েল মিক্সের মাধ্যমে সাশ্রয়িভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে মানুষের ক্রয়সীমার মধ্যে মূল্যে রাখা হবে। তিনি আরো বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা সময়ের দাবী। বিদ্যুৎ খাতে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ২০৪০ সালের মধ্যে ৭১.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বহিবিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হচ্ছে। ২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশ গঠনে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে চ্যালেঞ্জগুলোর অন্যতম অর্থায়ন, পরিকল্পনা, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও যথাযথ প্রযুক্তির ব্যবহার। এ সকল চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগ অব্যাহত রাখা হয়েছে। সিপিডি’র সম্মানিত ফেলো প্রফেসর মোস্তাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডি’র পরিচালক (গবেষণা) ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। এ প্রবন্ধে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সাফল্য-ব্যর্থতা, সম্ভাবনা ও করণীয় উঠে আসে।  এ সময় সরকারি-বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মধ্যে সমতা,  বিদ্যুৎ খাত ও অন্যান্য খাতে এলএনজি ব্যবহারের ভারসাম্য, একক প্রতিষ্ঠানের উপর নির্ভরতা হ্রাস, প্রতিবেশি দেশ সমূহ হতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি আমদানির ভারসাম্য ইত্যাদি বিষয় আলোচনায় স্থান পায়। সিপিডি’র চেয়ারম্যান প্রফেসর রেহমান সোবহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির প্রো-ভিসি ড. এম তামিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বদরুল ইমাম, ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ডীন প্রফেসর ড. এম শামসুল আলম, অষ্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার জুলিয়া নিবলেট ও নরওয়ের রাষ্ট্রদূত সিডসেল ব্লেকেন বক্তব্য রাখেন।    
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
রুশ-বাংলাদেশ যৌথ সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
মার্চ ০৯, ২০১৯ শনিবার ০৫:৫৭ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প সংক্রান্ত রুশ-বাংলাদেশ যৌথ সমন্বয় কমিটির চতুর্থ সভা গত ৬ মার্চ ২০১৯ রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। সভার মূল আলোচ্য বিষয় ছিল রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণের বর্তমান অবস্থা এবং নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ। উভয় পক্ষ প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। রুশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন রুশ রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন রসাটমের প্রথম উপ- মহাপরিচালক, অপারেশনাল ম্যানেজমেন্ট এবং রূপপুর প্রকল্পের জেনারেল কন্ট্রাক্টর এএসই গ্রুপ অব কোম্পানীজের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্দা লোসকিন। অন্যদিকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে নেতৃত্বে ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান। বাংলাদেশে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্দার ইগনাতভসহ উভয় দেশের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা সভায় অংশগ্রহণ করেন। জনশক্তি প্রশিক্ষণ এবং বিভিন্ন সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতির ডেলিভারী সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়েও সভায় বিস্তারিত আলোচনা করে উভয় পক্ষ। যৌথ সমন্বয় কমিটির সিদ্ধান্তগুলো অনুমোদিত চুড়ান্ত প্রটোকলে নথিভূক্ত করা হয়। রুশ আর্থিক ও কারিগরী সহায়তায় নির্মীয়মান রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে ৩+ প্রজন্মের ভিভিইআর ১২০০ রিয়্যাক্টর ভিত্তিক দুটি ইউনিট স্থাপন করা হচ্ছে, প্রতিটির উৎপাদন ক্ষমতা ১২০০ মেগাওয়াট। প্রথম কংক্রিট ঢালাইয়ের মাধ্যমে উভয় ইউনিট নির্মাণের সক্রিয় অধ্যায় ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। উভয় ইউনিটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিষ্ক্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা- কোর ক্যাচার স্থাপনের কাজও এগিয়ে চলছে। বর্তমানে উভয় বিদ্যুৎ ইউনিটের মূল ভবন ও কাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে যে আগামী ২০২৩ সাল নাগাদ প্রথম ইউনিট এবং ২০২৪ সালে দ্বিতীয় ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাবে।  
ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার
বড়পুকুরিয়া-কালিয়াকৈর ৪০০ কেভি লাইন স্থাপন প্রকল্প অনুমোদন
ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১৯ বৃহস্পতিবার ১২:৩১ পিএম - বাসস
ভারত, নেপাল ও ভূটান থেকে বিদ্যুৎ আমদানির লক্ষ্যে দেশের উত্তরাঞ্চলে উচ্চ ভোল্টেজের সঞ্চালন অবকাঠামো সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ৩ হাজার ৩২২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে বড়পুকুরিয়া-বগুড়া-কালিয়াকৈর ৪০০ কেভি লাইন স্থাপন প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলানগর এনইসি সম্মেলনকক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এই প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। একনেক বৈঠকশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান প্রকল্পের বিষয়ে সাংবাদিকদের বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন,একনেকে ১৩টি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে ১২ হাজার ৪৫৯ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৯ হাজার ৪৮১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা, বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ১৫৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে পাওয়া যাবে ২ হাজার ৮২৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। ১৩ প্রকল্পের মধ্যে ১০টি নতুন প্রকল্প এবং ৩টি সংশোধিত প্রকল্প রয়েছে বলে তিনি জানান। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সঞ্চালন লাইন স্থাপন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে ভারতের ঝাড়খন্ড প্রদেশে আদানী গ্রুপের প্রস্তাবিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ১৬’শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সহজে আমদানি করা যাবে। আমদানি করা এই বিদ্যুৎ পরবর্তীতে সিলেট,চট্টগ্রামহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলে সরবরাহ করা হবে। বিদ্যুৎ বিভাগের আওতায় পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি) চলতি সময় থেকে ২০২২ সালের জুন মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো আগামী ২০২২-২৩ সালের মধ্যে ভারতের ঝাড়খন্ডে আদানি গ্রুপের প্রস্তাবিত ১৬’শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে নিয়ে আসা। পাশাপাশি ভবিষ্যতে নেপাল ও ভূটান থেকে সহজে বিদ্যুৎ আমদানি করা। প্রকল্পের আওতায় বগুড়া-কালিয়াকৈর পর্যন্ত ১৪০ কিলোমিটার ৪০০ কেভি ডাবল সার্কিট সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে ৯ কিলোমিটার যমুনা রিভার ক্রসিং লাইন রয়েছে। কালিয়াকৈরে দু’টি ৪০০ কেভি উপকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এছাড়াও পার্বতীপুরে দু’টি ২৩০ কেভি উপকেন্দ্র নির্মিত হবে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাসের মূল্যহার পুনর্নির্ধারণে গণশুনানী শুরু ১১ মার্চ
ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৯ শুক্রবার ১১:৫৪ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
গ্যাসের সঞ্চালন ও সরবরাহ চার্জ এবং ভোক্তা পর্যায়ে মূল্যহার পুনর্নির্ধারণে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আগামী ১১ মার্চ থেকে গণশুনানির দিন নির্ধারণ করে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি জারি করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণশুনানির প্রথম দিন ১১ মার্চ পেট্রোবাংলার উপস্থাপনার পর গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড (জিটিসিএল) এর সঞ্চালন মাসুল বৃদ্ধির প্রস্তাবের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। শুনানি চলবে ১৪ মার্চ পর্যন্ত। পর্যায়ক্রমে ১২ মার্চ তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড ও সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড, ১৩ মার্চ বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড ও জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড এবং ১৪ মার্চ কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড ও পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানী লিমিটেডের গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
ইউরেনিয়াম আমদানির লক্ষ্যে রুশ কোম্পানি ইভিইএল-এর সঙ্গে চুক্তি
ফেব্রুয়ারি ০১, ২০১৯ শুক্রবার ১১:১০ এএম - বাসস
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানি ইউরেনিয়াম আমদানির লক্ষ্যে রাশিয়ান কোম্পানী ইভিইএল-এর সঙ্গে প্রাথমিক পর্যায়ের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমানের উপস্থিতিতে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়। বাংলাদেশের পক্ষে পরমাণু শক্তি কমিশনের সদস্য পরিকল্পনা ও উন্নয়ন ডঃ ইমতিয়াজ কামাল এবং রাশিয়ার পক্ষে রোসাটমের ওভাসেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট নিকিতার মাজেইন জ্বালানি ইউরেনিয়াম আমদানির লক্ষ্যে প্রাথমিক পর্যায়ের চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এসময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন, রাশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ডঃ এস, এম, সাইফুল হকসহ মন্ত্রণালয় ও রাশিয়ান ফেডারেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। এসময় মন্ত্রী রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়াম জ্বালানি আনার যে কার্যক্রম তা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার
বিদ্যুৎ বিতরণ সম্প্রসারণে একনেকে দুটি প্রকল্পের অনুমোদন
জানুয়ারি ৩০, ২০১৯ বুধবার ০৩:৩৬ পিএম - বাসস
রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন সম্প্রসারণের লক্ষে একই ধরনের দুটি প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এই দুটি প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট খরচ ধরা হয়েছে ২ হাজার ২১৫ কোটি ১৭ লাখ টাকা। এর মাধ্যমে ৪ লাখ ১৫ হাজার নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হবে। মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এনইসি সম্মেলনকক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেক সভায় এই দুই প্রকল্পসহ মোট ৯টি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। একনেক সভাশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সংবাদ সম্মেলনে প্রকল্পের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। পরিকল্পনামন্ত্রী দেশব্যাপী বিদ্যুৎ সংযোগ সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) কার্যক্রমে ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ বিতরণ সম্প্রসারণের লক্ষে গৃহীত দুই প্রকল্প ২০২২ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন সম্পন্ন হলে প্রকল্প এলাকায় শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় চলে আসবে। আগামী ২০৩০ সাল নাগাদ দেশের প্রতিটি মানুষ নিরবিচ্ছন বিদ্যুৎপরিসেবা পাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। রংপুর বিভাগ বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন ও উপকেন্দ্র সম্প্রসারণ এবং পুনর্বাসন প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১ হাজার ১২৩ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। জানুয়ারি ২০১৯ থেকে জুন ২০২২ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে রংপুর উপকেন্দ্রের বিদ্যুৎ সঞ্চালন সক্ষমতা ২২০ মেগাওয়াট বৃদ্ধি পাবে এবং রংপুর বিভাগে ১ লাখ ৮০ হাজার নতুন সংযোগ দেয়া হবে। এছাড়া বিদ্যুৎ বিতরণের লক্ষে অনুমোদিত অপর প্রকল্প ‘রাজশাহী বিভাগ বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন ও উপকেন্দ্র সম্প্রসারণ এবং পুনর্বাসন’ জানুয়ারি ২০১৯ থেকে জুন ২০২২ মেয়াদে বাস্তবায়ন হবে। এতে খরচ হবে ১ হাজার ৯১ কোটি ৩২ লাখ টাকা। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে রাজশাহী উপকেন্দ্রের ৪৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সঞ্চালন সক্ষমতা বাড়বে। পাশাপাশি রংপুর বিভাগে ২ লাখ ৩৫ হাজার নতুন সংযোগ দেয়া হবে।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
নীলফামারীর সৈয়দপুরে ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে
জানুয়ারি ২৩, ২০১৯ বুধবার ১০:৫০ এএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
নীলফামারীর সৈয়দপুরে ১৫০ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষমতার ডিজেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে চীনের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ইপিসি ঠিকাদার নিয়োগ চুক্তি করেছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। মঙ্গলবার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে বিপিডিবির সচিব মীনা মাসুদুজ্জামান এবং চীনের ডংফ্যাং ইলেকট্রিক ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন এর ডেপুটি ম্যানেজার উয়ু ইয়ানজিয়াং ওই চুক্তিতে সই করেন। বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণে গত বছরের ২৯ অগাস্ট সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে ইপিসি ঠিকাদার নিয়োগ সংক্রান্ত প্রস্তাব পাস হয়েছিল। মোট ১৮ একর জমির ওপর স্থাপিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্র ২০২১ সালের জুনে উৎপাদনে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে সর্বনিম্ন দরদাতা চীনের ডংফ্যাং ইলেকট্রিক ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশনকে কাজ দেওয়া হয়। এ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১০০০.৯৯৫৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার ৩০২ কোটি এবং বিপিডিবি ২১৫ কোটি টাকা দেবে। বাকি ৪৮৩ কোটি টাকা আন্তর্জাতিকভাবে প্রকল্প ঋণ হিসেবে নেওয়া হবে। তেলভিত্তিক সিম্পল সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে ব্যবহার করা হবে জার্মানির সিমেন্স কোম্পানির গ্যাস টার্বাইন। ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারি থেকে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ডিজেল সরবরাহ করা হবে। এজন্য বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এবং ভারতের পেট্রোলিয়াম করপোরেশন যৌথভাবে ১৩০ কিলোমিটার ক্রসবর্ডার পাইপলাইন নির্মাণ করছে। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে আঞ্চলিক ভারসাম্য রক্ষার উদ্যোগ অব্যাহত রাখা হবে। সাশ্রয়ী মূল্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে সরকার অঞ্চল ভিত্তিক জ্বালানি হাব সৃষ্টি করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিদ্যুৎ সবার কাছে পৌঁছে দেয়ার পাশাপাশি মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।  নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্মাণ কাজ শেষ করার আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, উত্তরাঞ্চলের বিদ্যুৎ সরবরাহ ও স্থায়ীত্বের জন্য এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এ সময় তিনি  বিদ্যুৎ খাতের অগ্রগতির জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ  কায়কাউস, ও বিপিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
সৌদি আরবের আরামকো বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী
জানুয়ারি ২২, ২০১৯ মঙ্গলবার ০৮:০৮ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
সৌদি আরবের  জাতীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস ভিত্তিক কোম্পানি বাংলাদেশে জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়ালিদ কে ঘেমলাছ  বাংলাদেশে তেল শোধনাগার স্থাপনে আগ্রহী বলে সোমবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এতে আরো বলা হয়, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়ালিদ বলেছেন বাংলাদেশে ১৫ মিলিয়ন মেট্রিকটন ক্ষমতার তেল শোধনাগার করা গেলে লাভজনক হবে। আর এভাবেই দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা আরো বৃদ্ধি পাবে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশে পেট্রোকেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের ভবিষ্যৎ খুবই উজ্জ্বল। সৌদি আরবের বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের বিশাল সুযোগ রয়েছে। তাদের বাজার নিয়ে গবেষণার আহ্বান জানান এবং বিপিসিকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করার নির্দেশ দেন। মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎকালে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়ালিদ ছাড়াও আরামকো ইন্ডিয়া অফিসের প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুঘিরা এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোঃ রহমাতুল মুনিম  উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
বেসরকারি পর্যায়ে এলএনজি আমদানির নীতিমালা হচ্ছে
জানুয়ারি ২০, ২০১৯ রবিবার ১২:১৫ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা পূরণে বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানির সুযোগ করে দিতে এলএনজি আমদানি নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। ইতোমধ্যে বেসরকারি পর্যায়ে এলএনজি আমদানি নীতিমালার খসড়া তৈরি করা হয়েছে বলে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, দেশীয় প্রাকৃতিক গ্যাসের বিকল্প অন্যতম উৎস হিসেবে জ্বালানির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে আমদানিকৃত এলএনজি তা পূরণে সহায়ক হবে। সব স্টেকহোল্ডারদের মতামত নিয়ে খসড়া নীতিমালাটি শিগগিরই চূড়ান্ত করা হবে। ওই নীতিমালায় বলা হয়েছে, দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার কারখানা, শিল্প প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, সিএনজি এবং গৃহস্থালী খাতে প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবেশ দূষণ রোধসহ কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ভবিষ্যতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কারণে প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে পার্থক্য আরও বৃদ্ধি পাবে। এ পেক্ষাপটে, দেশীয় প্রাকৃতিক গ্যাসের বিকল্প অন্যতম উৎস হিসেবে আমদানিকৃত এলএনজিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এলএনজি আমদানির জন্য বেসরকারি আমদানিকারকগণের এলএনজি আমদানি, মজুদ, রি-গ্যাসিফিকেশন ও সরবরাহের নিমিত্তে অবকাঠামো নির্মাণের অর্থায়নের ক্ষেত্রে সময়ে সময়ে আদেশ দ্বারা নির্ধারিত প্রমাণিত আর্থিক সামর্থ্য থাকতে হবে। আমদানিকারকের বিদ্যুৎ, জ্বালানি অথবা ভারীশিল্প খাতে কোনো প্রকল্প নির্মাণ বা পরিচালনার বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে অথবা আমদানিকারক কোনো তৃতীয়পক্ষের সাথে কনসোর্টিয়াম গঠন করে থাকলে উক্ত তৃতীয় পক্ষের এলএনজি খাতে কোনো প্রকল্প নির্মাণ বা পরিচালনার বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। আমদানিকারকগণ এ নীতিমালার বিধানাবলী সাপেক্ষে রিগ্যাসিফাইড এলএনজি নিজস্ব বিদ্যুৎ কেন্দ্র, শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহার এবং অন্যান্য বিদ্যুৎ কেন্দ্র, শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে বাণিজ্যিকভিত্তিতে বিক্রয়ের জন্য এলএনজি আমদানি করতে পারবেন। পেট্রোবাংলার পূর্বানুমতি নিয়ে বেসরকারি উদ্যোক্তাগণ পেট্রোবাংলার কোম্পানীসমূহের সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন ব্যবহার করে গ্যাস সরবরাহ করতে পারবেন। তবে এজন্য হুইলিং চার্জ পরিশোধ করতে হবে। আমদানিকারকগণ তাদের নিজস্ব গ্রাহকের নিকট সরবরাহতব্য রিগ্যাসিফাইড এলএনজি’র মূল্য উভয়পক্ষ (ক্রেতা ও বিক্রেতা) আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করতে পারবেন এবং এ বিষয়ে বৃহৎ ক্রেতাগণের সাথে স্বাধীনভাবে চুক্তি করতে পারবেন। আমদানিকারকগণ কর্তৃক নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে ব্যবহার ও তাদের গ্রাহকদের প্রতিষ্ঠানে সরবরাহের পর রিগ্যাসিফাইড এলএনজি’র উদ্বৃতাংশ (যদি থাকে) পেট্রোবাংলার চাহিদা ও প্রয়োজন থাকলে পেট্রোবাংলার স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট মেয়াদে পেট্রোবাংলার নিকট বিক্রয় করতে পারবে। পেট্রোবাংলার স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী এলএনজি আমদানি এবং আন্তর্জাতিক মানদন্ড অনুযায়ী আনলোডিং, স্টোরেজ, রিগ্যাসিফিকেশন ও সরবরাহ না করলে অথবা পরিদর্শনের সময় ত্রুটি পাওয়া গেলে অথবা সরকার/পরিদর্শকগণের বিভিন্ন সময়ে প্রদত্ত সুপারিশ বাস্তবায়ন না করলে এলএনজি আমদানির অনুমতি বা অনাপত্তিপত্র সাময়িক বা স্থায়ীভাবে বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করবে সরকার। এ নীতিমালায় প্রযোজ্য সকল ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কোডস, স্ট্যান্ডার্স, আইনসমূহ এবং বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট আইন ও অন্যান্য নিয়মনীতি অনুসরণ করতে হবে।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ৫ মিনিটেই মিলছে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ
জানুয়ারি ১৮, ২০১৯ শুক্রবার ০৭:২৮ পিএম - বাসস
টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ীতে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম নিয়ে ভ্যান যোগে বাড়িতে বাড়িতে যাচ্ছেন বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। মাইকিং করে ফেরি করছেন নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ। গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী সাথে সাথেই দেয়া হচ্ছে পল্লী বিদ্যুতের মিটারসহ নতুন সংযোগ। যা এর আগে কেউ কখনও ভাবতেই পারেননি। আর প্রশংসানীয় এ কাজটি করছেন ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ধনবাড়ী সাব-জোনাল অফিস। ব্যতিক্রমধর্মী এ উদ্যোগের নাম দেয়া হয়েছে ‘আলোর ফেরিওয়ালা, পল্লী বিদ্যুৎ দুয়ার মিটারিং’। জানা যায়, বিদ্যুৎ বিভাগের ‘আলোর ফেরিওয়ালা’ ভ্যান গাড়িতে মিটার, বিদ্যুতের তার ও অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে দুই-তিনজন লাইনম্যান, একজন ওয়ারিং পরিদর্শক প্রতিদিন সকাল থেকে গ্রামে-গ্রামে ঘুরছেন আর মাইকিং করছেন। এ সময় কোন গ্রাহক বিদ্যুৎ নিতে চাইলে মাত্র ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যেই পেয়ে যাচ্ছেন নতুন সংযোগ। নেই কোন হয়রানি, দিতে হবে না বাড়তি কোন অর্থ। এ প্রকল্পের উদ্যোক্তা ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুত সমিতি-১ এর ধনবাড়ী সাব-জোনাল অফিসের এজিএম শাহিনুর রহমান জানান, গত ৭ জানুয়ারী থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রম উপজেলার সব বাড়ীতে বিদ্যুৎ সংযোগ না পৌঁছানো পর্যন্ত চলবে। শুরুর পর ‘আলোর ফেরিওয়ালা’ এ পর্যন্ত প্রায় ৫০টিরও বেশি নতুন সংযোগ দিয়েছে। এজিএম শাহিনুর রহমান আরো জানান, দেশে এখনো বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে গিয়ে গ্রাহকরা নানাভাবে হয়রানির শিকার হন। একটা সংযোগের জন্য ঘুরতে হয় দিনের পর দিন। খরচ করতে হয় বাড়তি অর্থ। যা মোটেও কাম্য নয়। কাজেই তিনি কৃষি মন্ত্রী ড. আব্দর রাজ্জাক স্যারের নির্দেশে গ্রাহক হয়রানি কমাতে বিকল্প এ উদ্যোগ নিয়েছেন। এটাকে তিনি ‘আলোর ফেরিওয়ালা, পল্লী বিদ্যুৎ দুয়ার মিটারিং’ কার্যক্রম নাম দিয়েছেন। বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ভ্যানে মিটার-তার থেকে শুরু করে সব ধরনের সরঞ্জাম নিয়ে লাইনম্যান ও ওয়ারিং পরিদর্শক গ্রামে-গ্রামে ঘুরছেন। গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী তাৎক্ষণিক আবেদন নিয়ে সাথে সাথে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে দিচ্ছেন। আর এজন্য গ্রাহকদের মিটার প্রতি দিতে হচ্ছে সদস্য ফি বাবদ ভ্যাটসহ ১১৫ টাকা, জামানত বাবদ ৪০০ টাকা এবং বাণিজ্যিক হলে ৮০০ টাকা। এছাড়া পল্লী বিদ্যুতের লোকজন গ্রামে-গ্রামে ঘুরে বেড়ানোর কারণে পুরোনো বিদ্যুৎ গ্রাহকদেরও কোন সমস্যা থাকলে সেটাও সমাধানের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। বাড়িতে বসে নতুন সংযোগ পাওয়া উপজেলার মুশুদ্দি গ্রামের মঞ্জুরুল ইসলাম, পাইস্কা গ্রামের আব্দুল হাকিম ও পৌর শহরের মিয়াপাড়া গ্রামের কামরুল ইসলামসহ অন্যান্য গ্রাহকরা জানান, পল্লী বিদ্যুতের এ কার্যক্রম তাদের অনেক সুবিধা এনে দিয়েছে। সংযোগ নেয়ার জন্য অফিসে গিয়ে ধরনা দিতে হচ্ছে না। টাকা জমা দেয়ার জন্য লাইনে দাঁড়াতে হয় না। দিনের পর দিন ঘুরতে হচ্ছে না। সাথে সাথে সংযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এটা কখনো ভাবতেও পারেননি তারা। পল্লী বিদ্যুতের এ কার্যক্রম দেখে মনে হচ্ছে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে জনগণ প্রকৃত সেবা পাচ্ছেন।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
যমুনা অয়েল কোম্পানির এজিএম ২ ফেব্রুয়ারি
জানুয়ারি ১৪, ২০১৯ সোমবার ১১:৪৯ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
জ্বালানি খাতের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ২ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় চট্টগ্রামের ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে এর এজিএম অনুষ্ঠিত হবে বলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৮ হিসাব বছরের জন্য ১৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে কোম্পানিটি। সমাপ্ত হিসাব বছরে এর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৫ টাকা ৪৫ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ১৭০ টাকা ৩৪ পয়সা। অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ২৯ পয়সা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৫ টাকা ২২ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭৬ টাকা ১৫ পয়সা। ২০১৭ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ১১০ শতাংশ নগদ দেয় যমুনা অয়েল। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির  ইপিএস  হয়  ২০ টাকা ৩১ পয়সা। ৩০ জুন ২০১৭ কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৬৬ টাকা ৯৮ পয়সায়।  
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
মেঘনাঘাট-মদুনাঘাট ৪০০ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণে চুক্তি
জানুয়ারি ১০, ২০১৯ বৃহস্পতিবার ০৬:২১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ঢাকা-চট্টগ্রাম প্রধান বিদ্যুৎ গ্রীড শক্তিশালী করতে এ যাবতকালের বৃহত্তম সঞ্চালন লাইনের বাস্তবায়ন কাজ শুরু করেছে পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি)। মেঘনাঘাট হতে চট্টগ্রামের মদুনাঘাট পর্যন্ত ২১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ৪০০ কেভি ডবল সার্কিট সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হবে। এ কাজের জন্য বৃহস্পতিবার  পিজিসিবির প্রধান কার্যালয়ে এক  চুক্তি মাধ্যমে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান কেইসি-কে টার্নকি ঠিকাদার নিযুক্ত করা হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। লাইনটি চালু হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম বিদ্যুতের প্রধান সঞ্চালন লাইন ৪০০ কেভি ভোল্টেজে চলবে। এতে সিস্টেম লস কমানো ও কারিগরি জটিলতার আশংকা হ্রাস পাবে। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ সঞ্চালন করা সহজতর হবে। বর্তমানে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে ২৩০ কেভি এবং ১৩২ কেভি লাইনে বিদ্যুৎ সঞ্চালন করা হচ্ছে। মাতারবাড়িতে নির্মাণাধীন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিতব্য বিদ্যুৎ মদুনাঘাট হয়ে ঢাকার দিকে সঞ্চালনে এ লাইন ব্যবহৃত হবে। লাইনের দৈর্ঘ্য ও আর্থিক মূল্য বিবেচনায় মেঘনাঘাট-মদুনাঘাট ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইনটি এখন পর্যন্ত পিজিসিবি কর্তৃক একক দরপত্রে সম্পাদিত বৃহত্তম সঞ্চালন লাইনের কাজ। যার আর্থিক মূল্য  প্রায় ১,৭৩৪ কোটি টাকা । উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকা, বাংলাদেশে সরকার ও পিজিসিবি সম্মিলিতভাবে এ কাজে অর্থায়ন করছে। উম্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে সর্বনিম্ম দর দাখিল করে কাজটি পেয়েছে কেইসি। পিজিসিবির পক্ষে কোম্পানী সচিব মোঃ আশরাফ হোসেন এবং কেইসির পক্ষে কান্ট্রি হেড কুলদ্বীপ কুমার সিনহা চুক্তিপত্রে সই করেন। চুক্তিতে বলা হয়, আগামী ৩৪ মাসের মধ্যে লাইনের কাজ শেষ পিজিসিবির কাছে হস্তান্তর করবে কেইসি। পিজিসিবি গৃহীত ঢাকা-চট্টগ্রাম মেইন পাওয়ার গ্রীড স্ট্রেংথদেনিং প্রজেক্টের আওতায় সঞ্চালন লাইনটি নির্মাণ করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম-আলবেরুনী বলেন, কেইসি এ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি সঞ্চালন লাইনের কাজ করেছে। মেঘনাঘাট-মদুনাঘাট সঞ্চালন লাইনটিও যথাসময়ে কাজের উচ্চমান বজায় রেখে শেষ করতে হবে। কেইসির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পংকজকে ট্যান্ডন বলেন, অতীতের কাজের সুনাম বজায় রেখে এ সঞ্চালন লাইনের কাজ সম্পন্ন করতে কেইসি বদ্ধপরিকর। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে পিজিসিবির নির্বাহী পরিচালক মোঃ এমদাদুল ইসলাম, মোহাম্মদ সাফায়েত হোসেন ও খোন্দকার মোঃ আবদুল হাই, প্রকল্প পরিচালক ও প্রধান প্রকৌশলী মোঃ ইয়াকুব এলাহী চৌধুরী, কেইসির চীফ ম্যানেজার কিশোর তালেকার ও দীপক যাদবসহ উভয়পক্ষে উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে যুক্ত হচ্ছে জিএসবি
জানুয়ারি ১০, ২০১৯ বৃহস্পতিবার ০৫:১৬ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশের স্থলভাগে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান ও জরিপ কাজে জিওলজিক্যাল সার্ভে অব বাংলাদেশকে (জিএসবি) যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম। বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের আয়োজনে ওই বিভাগে অনুষ্ঠিত ‘চ্যালেঞ্জস অ্যান্ড অপরচুনিটিস ইন হাইড্রোকার্বন এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি। সচিব বলেন, “তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম চললেও এ বিষয়ে নিবিড়ভাবে গবেষণার কাজ সেভাবে হচ্ছে না। স্থলভাগে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড(বাপেক্স)কাজ করলেও জিএসবি এর সাথে সম্পৃক্ত নেই। জিএসবিকে আরো সক্রিয় করে তুলতে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের পাশাপাশি দ্বিমাত্রিক ও ত্রিমাত্রিক ভূ-কম্পন জরিপ কাজেও সম্পৃক্ত করা হবে।” দেশের স্থলভাগ ছাড়া সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান আরো গতিশীল করা হবে বলে জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, “জ্বালানি খাতের কার্যক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকসহ বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ত করা হবে। শিগগিরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ব বিভাগের সাথে বাপেক্স এবং পেট্রোবাংলা সমঝোতা স্মারক সই করবে। ওই সমঝোতার আলোকে যৌথ পরিকল্পনার মাধ্যমে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নে সহযোগিতা নেওয়া হবে।” সেমিনারে মোট তিনটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে ‘ইজ বাংলাদেশ রানিং আউট অফ হাইড্রোকার্বন রিসোর্সেস’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব বিভাগের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক বদরুল ইমাম। বাপেক্সের সাবেক কনসালটেন্ট এক্সপ্লোরেশন জিওলোজিস্ট এম মনোয়ার আহমেদ ‘প্রসেপেক্ট জেনারেশন অ্যান্ড ইভালুয়েশন প্রসেস’ শীর্ষক এবং বিজিএফসিএল এর সাবেক কনসালটেন্ট জিওলোজিস্ট আবিদ লোদি ও পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ার পুলক খিসা যৌথভাবে ‘রোল অফ থ্রিডি রিজার্ভার মডেলিং ইন ফিল্ড ম্যানেজমেন্ট’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। বদরুল ইমাম তার প্রবন্ধে বলেন, “১৯৬০ সালের দিকে যেভাবে গ্যাস আবিস্কারের সফলতা ছিলো তার ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে সেভাবে ততটা আগ্রহ নিয়ে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান করা হয়নি। এখনো পর্যন্ত অনেক স্ট্রাকচার রয়েছে যেখানে তেল-গ্যাস পাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।” কিন্তু সেসব জায়গায় খনন কাজ করা হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, “কানাডাতে ভার্টিক্যালি কূপ খনন না করে হরাইজেনটালি করা হয়। অথচ বাংলাদেশ শুধু ভার্টিক্যালি কূপ খনন করা হচ্ছে। যদি হরাইজেনটালি কূপ খনন করা হয় তবে সাকসেস রেট হয়তো আরো বাড়বে।” সেমিনার পরিচালনা করেন ভূ-তত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদ। সেমিনারে হাইড্রোকার্বন ইউনিটের মহাপরিচালক মো. হারুন-অর-রশীদ খান, বাপেক্স এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মীর মো. আব্দুল হান্নানসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানীর প্রতিনিধি ও শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহণ করেন।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
    সাম্প্রতিক এনার্জি বিডি এর খবর
মেঘনাঘাট-মদুনাঘাট ৪০০ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণে চুক্তি
তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে যুক্ত হচ্ছে জিএসবি
সামিটের এলএনজি টার্মিনাল চালু হচ্ছে মার্চে
বিদ্যুতের দ্রুত প্রসার গ্রামকে শহরে পরিণত করতে সহায়তা করবে
এলপিজি সিলিন্ডারের গায়ে দাম লেখার ব্যবস্থা চালু হচ্ছে
নিরবচ্ছিন্ন সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ হবে আগামীর চ্যালেঞ্জ
‘সংশোধিত ভারতীয় নীতির আওতায় নেপাল ও ভুটানের বিদ্যুৎ সরাসরি আমদানি করবে বাংলাদেশ’
‘সাত প্রতিষ্ঠানের সাথে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন ৩৮৫ কোটি টাকার চুক্তি করেছে’
‘পরিবেশ দূষণ রোধে বরগুনার তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সর্বাধুনিক ব্যবস্থা নিশ্চিত’
গত ১০ বছরে এলপিজির ব্যবহার বেড়েছে ২১ গুণ
‘ভূ-গর্ভস্থ বিদ্যুৎ লাইন স্থাপনে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে চুক্তি সই’
বাখরাবাদ গ্যাস কোম্পানীর ২১৭ কোটি টাকা মুনাফা
‘গ্রিড বিদ্যুতের আওতায় আসলো সন্দ্বীপবাসী’
বুয়েটে পারমাণবিক শক্তি প্রযুক্তি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
সাউথ এশিয়া এলপিজি সামিট শুরু ৩ মার্চ
‘গ্যাস সংকট কাটতে আরো এক সপ্তাহ লাগবে’
প্রধানমন্ত্রী সাতটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধন করবেন বৃহস্পতিবার
পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র পুনর্বাসন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
‘স্বপ্নের ঠিকানা বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্য রোল মডেল’
উত্তরায় ডেসকোর আরেকটি গ্রিড উপকেন্দ্র উদ্বোধন
‘বাংলাদেশ স্মার্ট ইলেকট্রিক্যাল কোম্পানী বছরে পাঁচ লাখ প্রি-পেমেন্ট মিটার উৎপাদন করবে’
‘প্রথম বৈদ্যুতিক প্রি-পেমেন্ট মিটার তৈরির কারখানা স্থাপনে রোববার চুক্তি সই’
‘গ্যাসের দাম বাড়ছে না, ভর্তুকি দেবে সরকার’
বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণে প্রথম দেশীয় প্রতিষ্ঠান এনএন বিল্ডার্স ও কনফিডেন্স স্টীল
গ্রীড শক্তিশালী করতে সুপারভিশন কনসালটেন্ট নিয়োগ করেছে পিজিসিবি
আরপিসিএল-নরিনকো কলাপাড়ায় নির্মাণ করছে ১,৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র
চতুর্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলায় আরইবির সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জন
এলএনজি আমদানিতে সব ধরণের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার
ঢাকা শহরে প্রথম ভূগর্ভস্থ সাব-স্টেশন নির্মাণ করছে ডিপিডিসি
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy