ঢাকা, মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৯, ফাল্গুন ৭, ১৪২৫ ০৮:৫৪ পিএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
এনার্জি বিডি
ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাসের মূল্যহার পুনর্নির্ধারণে গণশুনানী শুরু ১১ মার্চ
গ্যাসের সঞ্চালন ও সরবরাহ চার্জ এবং ভোক্তা পর্যায়ে মূল্যহার পুনর্নির্ধারণে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আগামী ১১ মার্চ থেকে গণশুনানির দিন নির্ধারণ করে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি জারি করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণশুনানির প্রথম দিন ১১ মার্চ পেট্রোবাংলার উপস্থাপনার পর গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড (জিটিসিএল) এর সঞ্চালন মাসুল বৃদ্ধির প্রস্তাবের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। শুনানি চলবে ১৪ মার্চ পর্যন্ত। পর্যায়ক্রমে ১২ মার্চ তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড ও সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড, ১৩ মার্চ বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড ও জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড এবং ১৪ মার্চ কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড ও পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানী লিমিটেডের গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
ইউরেনিয়াম আমদানির লক্ষ্যে রুশ কোম্পানি ইভিইএল-এর সঙ্গে চুক্তি
ফেব্রুয়ারি ০১, ২০১৯ শুক্রবার ১১:১০ এএম - বাসস
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানি ইউরেনিয়াম আমদানির লক্ষ্যে রাশিয়ান কোম্পানী ইভিইএল-এর সঙ্গে প্রাথমিক পর্যায়ের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমানের উপস্থিতিতে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়। বাংলাদেশের পক্ষে পরমাণু শক্তি কমিশনের সদস্য পরিকল্পনা ও উন্নয়ন ডঃ ইমতিয়াজ কামাল এবং রাশিয়ার পক্ষে রোসাটমের ওভাসেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট নিকিতার মাজেইন জ্বালানি ইউরেনিয়াম আমদানির লক্ষ্যে প্রাথমিক পর্যায়ের চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এসময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন, রাশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ডঃ এস, এম, সাইফুল হকসহ মন্ত্রণালয় ও রাশিয়ান ফেডারেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। এসময় মন্ত্রী রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়াম জ্বালানি আনার যে কার্যক্রম তা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার
বিদ্যুৎ বিতরণ সম্প্রসারণে একনেকে দুটি প্রকল্পের অনুমোদন
জানুয়ারি ৩০, ২০১৯ বুধবার ০৩:৩৬ পিএম - বাসস
রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন সম্প্রসারণের লক্ষে একই ধরনের দুটি প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এই দুটি প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট খরচ ধরা হয়েছে ২ হাজার ২১৫ কোটি ১৭ লাখ টাকা। এর মাধ্যমে ৪ লাখ ১৫ হাজার নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হবে। মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এনইসি সম্মেলনকক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেক সভায় এই দুই প্রকল্পসহ মোট ৯টি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। একনেক সভাশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সংবাদ সম্মেলনে প্রকল্পের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। পরিকল্পনামন্ত্রী দেশব্যাপী বিদ্যুৎ সংযোগ সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) কার্যক্রমে ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ বিতরণ সম্প্রসারণের লক্ষে গৃহীত দুই প্রকল্প ২০২২ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন সম্পন্ন হলে প্রকল্প এলাকায় শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় চলে আসবে। আগামী ২০৩০ সাল নাগাদ দেশের প্রতিটি মানুষ নিরবিচ্ছন বিদ্যুৎপরিসেবা পাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। রংপুর বিভাগ বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন ও উপকেন্দ্র সম্প্রসারণ এবং পুনর্বাসন প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১ হাজার ১২৩ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। জানুয়ারি ২০১৯ থেকে জুন ২০২২ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে রংপুর উপকেন্দ্রের বিদ্যুৎ সঞ্চালন সক্ষমতা ২২০ মেগাওয়াট বৃদ্ধি পাবে এবং রংপুর বিভাগে ১ লাখ ৮০ হাজার নতুন সংযোগ দেয়া হবে। এছাড়া বিদ্যুৎ বিতরণের লক্ষে অনুমোদিত অপর প্রকল্প ‘রাজশাহী বিভাগ বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন ও উপকেন্দ্র সম্প্রসারণ এবং পুনর্বাসন’ জানুয়ারি ২০১৯ থেকে জুন ২০২২ মেয়াদে বাস্তবায়ন হবে। এতে খরচ হবে ১ হাজার ৯১ কোটি ৩২ লাখ টাকা। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে রাজশাহী উপকেন্দ্রের ৪৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সঞ্চালন সক্ষমতা বাড়বে। পাশাপাশি রংপুর বিভাগে ২ লাখ ৩৫ হাজার নতুন সংযোগ দেয়া হবে।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
নীলফামারীর সৈয়দপুরে ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে
জানুয়ারি ২৩, ২০১৯ বুধবার ১০:৫০ এএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
নীলফামারীর সৈয়দপুরে ১৫০ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষমতার ডিজেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে চীনের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ইপিসি ঠিকাদার নিয়োগ চুক্তি করেছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। মঙ্গলবার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে বিপিডিবির সচিব মীনা মাসুদুজ্জামান এবং চীনের ডংফ্যাং ইলেকট্রিক ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন এর ডেপুটি ম্যানেজার উয়ু ইয়ানজিয়াং ওই চুক্তিতে সই করেন। বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণে গত বছরের ২৯ অগাস্ট সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে ইপিসি ঠিকাদার নিয়োগ সংক্রান্ত প্রস্তাব পাস হয়েছিল। মোট ১৮ একর জমির ওপর স্থাপিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্র ২০২১ সালের জুনে উৎপাদনে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে সর্বনিম্ন দরদাতা চীনের ডংফ্যাং ইলেকট্রিক ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশনকে কাজ দেওয়া হয়। এ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১০০০.৯৯৫৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার ৩০২ কোটি এবং বিপিডিবি ২১৫ কোটি টাকা দেবে। বাকি ৪৮৩ কোটি টাকা আন্তর্জাতিকভাবে প্রকল্প ঋণ হিসেবে নেওয়া হবে। তেলভিত্তিক সিম্পল সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে ব্যবহার করা হবে জার্মানির সিমেন্স কোম্পানির গ্যাস টার্বাইন। ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারি থেকে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ডিজেল সরবরাহ করা হবে। এজন্য বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এবং ভারতের পেট্রোলিয়াম করপোরেশন যৌথভাবে ১৩০ কিলোমিটার ক্রসবর্ডার পাইপলাইন নির্মাণ করছে। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে আঞ্চলিক ভারসাম্য রক্ষার উদ্যোগ অব্যাহত রাখা হবে। সাশ্রয়ী মূল্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে সরকার অঞ্চল ভিত্তিক জ্বালানি হাব সৃষ্টি করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিদ্যুৎ সবার কাছে পৌঁছে দেয়ার পাশাপাশি মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।  নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্মাণ কাজ শেষ করার আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, উত্তরাঞ্চলের বিদ্যুৎ সরবরাহ ও স্থায়ীত্বের জন্য এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এ সময় তিনি  বিদ্যুৎ খাতের অগ্রগতির জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ  কায়কাউস, ও বিপিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
সৌদি আরবের আরামকো বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী
জানুয়ারি ২২, ২০১৯ মঙ্গলবার ০৮:০৮ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
সৌদি আরবের  জাতীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস ভিত্তিক কোম্পানি বাংলাদেশে জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়ালিদ কে ঘেমলাছ  বাংলাদেশে তেল শোধনাগার স্থাপনে আগ্রহী বলে সোমবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এতে আরো বলা হয়, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়ালিদ বলেছেন বাংলাদেশে ১৫ মিলিয়ন মেট্রিকটন ক্ষমতার তেল শোধনাগার করা গেলে লাভজনক হবে। আর এভাবেই দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা আরো বৃদ্ধি পাবে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশে পেট্রোকেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের ভবিষ্যৎ খুবই উজ্জ্বল। সৌদি আরবের বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের বিশাল সুযোগ রয়েছে। তাদের বাজার নিয়ে গবেষণার আহ্বান জানান এবং বিপিসিকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করার নির্দেশ দেন। মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎকালে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়ালিদ ছাড়াও আরামকো ইন্ডিয়া অফিসের প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুঘিরা এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোঃ রহমাতুল মুনিম  উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
বেসরকারি পর্যায়ে এলএনজি আমদানির নীতিমালা হচ্ছে
জানুয়ারি ২০, ২০১৯ রবিবার ১২:১৫ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা পূরণে বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানির সুযোগ করে দিতে এলএনজি আমদানি নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। ইতোমধ্যে বেসরকারি পর্যায়ে এলএনজি আমদানি নীতিমালার খসড়া তৈরি করা হয়েছে বলে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, দেশীয় প্রাকৃতিক গ্যাসের বিকল্প অন্যতম উৎস হিসেবে জ্বালানির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে আমদানিকৃত এলএনজি তা পূরণে সহায়ক হবে। সব স্টেকহোল্ডারদের মতামত নিয়ে খসড়া নীতিমালাটি শিগগিরই চূড়ান্ত করা হবে। ওই নীতিমালায় বলা হয়েছে, দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার কারখানা, শিল্প প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, সিএনজি এবং গৃহস্থালী খাতে প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবেশ দূষণ রোধসহ কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ভবিষ্যতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কারণে প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে পার্থক্য আরও বৃদ্ধি পাবে। এ পেক্ষাপটে, দেশীয় প্রাকৃতিক গ্যাসের বিকল্প অন্যতম উৎস হিসেবে আমদানিকৃত এলএনজিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এলএনজি আমদানির জন্য বেসরকারি আমদানিকারকগণের এলএনজি আমদানি, মজুদ, রি-গ্যাসিফিকেশন ও সরবরাহের নিমিত্তে অবকাঠামো নির্মাণের অর্থায়নের ক্ষেত্রে সময়ে সময়ে আদেশ দ্বারা নির্ধারিত প্রমাণিত আর্থিক সামর্থ্য থাকতে হবে। আমদানিকারকের বিদ্যুৎ, জ্বালানি অথবা ভারীশিল্প খাতে কোনো প্রকল্প নির্মাণ বা পরিচালনার বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে অথবা আমদানিকারক কোনো তৃতীয়পক্ষের সাথে কনসোর্টিয়াম গঠন করে থাকলে উক্ত তৃতীয় পক্ষের এলএনজি খাতে কোনো প্রকল্প নির্মাণ বা পরিচালনার বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। আমদানিকারকগণ এ নীতিমালার বিধানাবলী সাপেক্ষে রিগ্যাসিফাইড এলএনজি নিজস্ব বিদ্যুৎ কেন্দ্র, শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহার এবং অন্যান্য বিদ্যুৎ কেন্দ্র, শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে বাণিজ্যিকভিত্তিতে বিক্রয়ের জন্য এলএনজি আমদানি করতে পারবেন। পেট্রোবাংলার পূর্বানুমতি নিয়ে বেসরকারি উদ্যোক্তাগণ পেট্রোবাংলার কোম্পানীসমূহের সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন ব্যবহার করে গ্যাস সরবরাহ করতে পারবেন। তবে এজন্য হুইলিং চার্জ পরিশোধ করতে হবে। আমদানিকারকগণ তাদের নিজস্ব গ্রাহকের নিকট সরবরাহতব্য রিগ্যাসিফাইড এলএনজি’র মূল্য উভয়পক্ষ (ক্রেতা ও বিক্রেতা) আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করতে পারবেন এবং এ বিষয়ে বৃহৎ ক্রেতাগণের সাথে স্বাধীনভাবে চুক্তি করতে পারবেন। আমদানিকারকগণ কর্তৃক নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে ব্যবহার ও তাদের গ্রাহকদের প্রতিষ্ঠানে সরবরাহের পর রিগ্যাসিফাইড এলএনজি’র উদ্বৃতাংশ (যদি থাকে) পেট্রোবাংলার চাহিদা ও প্রয়োজন থাকলে পেট্রোবাংলার স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট মেয়াদে পেট্রোবাংলার নিকট বিক্রয় করতে পারবে। পেট্রোবাংলার স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী এলএনজি আমদানি এবং আন্তর্জাতিক মানদন্ড অনুযায়ী আনলোডিং, স্টোরেজ, রিগ্যাসিফিকেশন ও সরবরাহ না করলে অথবা পরিদর্শনের সময় ত্রুটি পাওয়া গেলে অথবা সরকার/পরিদর্শকগণের বিভিন্ন সময়ে প্রদত্ত সুপারিশ বাস্তবায়ন না করলে এলএনজি আমদানির অনুমতি বা অনাপত্তিপত্র সাময়িক বা স্থায়ীভাবে বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করবে সরকার। এ নীতিমালায় প্রযোজ্য সকল ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কোডস, স্ট্যান্ডার্স, আইনসমূহ এবং বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট আইন ও অন্যান্য নিয়মনীতি অনুসরণ করতে হবে।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ৫ মিনিটেই মিলছে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ
জানুয়ারি ১৮, ২০১৯ শুক্রবার ০৭:২৮ পিএম - বাসস
টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ীতে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম নিয়ে ভ্যান যোগে বাড়িতে বাড়িতে যাচ্ছেন বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। মাইকিং করে ফেরি করছেন নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ। গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী সাথে সাথেই দেয়া হচ্ছে পল্লী বিদ্যুতের মিটারসহ নতুন সংযোগ। যা এর আগে কেউ কখনও ভাবতেই পারেননি। আর প্রশংসানীয় এ কাজটি করছেন ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ধনবাড়ী সাব-জোনাল অফিস। ব্যতিক্রমধর্মী এ উদ্যোগের নাম দেয়া হয়েছে ‘আলোর ফেরিওয়ালা, পল্লী বিদ্যুৎ দুয়ার মিটারিং’। জানা যায়, বিদ্যুৎ বিভাগের ‘আলোর ফেরিওয়ালা’ ভ্যান গাড়িতে মিটার, বিদ্যুতের তার ও অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে দুই-তিনজন লাইনম্যান, একজন ওয়ারিং পরিদর্শক প্রতিদিন সকাল থেকে গ্রামে-গ্রামে ঘুরছেন আর মাইকিং করছেন। এ সময় কোন গ্রাহক বিদ্যুৎ নিতে চাইলে মাত্র ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যেই পেয়ে যাচ্ছেন নতুন সংযোগ। নেই কোন হয়রানি, দিতে হবে না বাড়তি কোন অর্থ। এ প্রকল্পের উদ্যোক্তা ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুত সমিতি-১ এর ধনবাড়ী সাব-জোনাল অফিসের এজিএম শাহিনুর রহমান জানান, গত ৭ জানুয়ারী থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রম উপজেলার সব বাড়ীতে বিদ্যুৎ সংযোগ না পৌঁছানো পর্যন্ত চলবে। শুরুর পর ‘আলোর ফেরিওয়ালা’ এ পর্যন্ত প্রায় ৫০টিরও বেশি নতুন সংযোগ দিয়েছে। এজিএম শাহিনুর রহমান আরো জানান, দেশে এখনো বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে গিয়ে গ্রাহকরা নানাভাবে হয়রানির শিকার হন। একটা সংযোগের জন্য ঘুরতে হয় দিনের পর দিন। খরচ করতে হয় বাড়তি অর্থ। যা মোটেও কাম্য নয়। কাজেই তিনি কৃষি মন্ত্রী ড. আব্দর রাজ্জাক স্যারের নির্দেশে গ্রাহক হয়রানি কমাতে বিকল্প এ উদ্যোগ নিয়েছেন। এটাকে তিনি ‘আলোর ফেরিওয়ালা, পল্লী বিদ্যুৎ দুয়ার মিটারিং’ কার্যক্রম নাম দিয়েছেন। বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ভ্যানে মিটার-তার থেকে শুরু করে সব ধরনের সরঞ্জাম নিয়ে লাইনম্যান ও ওয়ারিং পরিদর্শক গ্রামে-গ্রামে ঘুরছেন। গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী তাৎক্ষণিক আবেদন নিয়ে সাথে সাথে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে দিচ্ছেন। আর এজন্য গ্রাহকদের মিটার প্রতি দিতে হচ্ছে সদস্য ফি বাবদ ভ্যাটসহ ১১৫ টাকা, জামানত বাবদ ৪০০ টাকা এবং বাণিজ্যিক হলে ৮০০ টাকা। এছাড়া পল্লী বিদ্যুতের লোকজন গ্রামে-গ্রামে ঘুরে বেড়ানোর কারণে পুরোনো বিদ্যুৎ গ্রাহকদেরও কোন সমস্যা থাকলে সেটাও সমাধানের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। বাড়িতে বসে নতুন সংযোগ পাওয়া উপজেলার মুশুদ্দি গ্রামের মঞ্জুরুল ইসলাম, পাইস্কা গ্রামের আব্দুল হাকিম ও পৌর শহরের মিয়াপাড়া গ্রামের কামরুল ইসলামসহ অন্যান্য গ্রাহকরা জানান, পল্লী বিদ্যুতের এ কার্যক্রম তাদের অনেক সুবিধা এনে দিয়েছে। সংযোগ নেয়ার জন্য অফিসে গিয়ে ধরনা দিতে হচ্ছে না। টাকা জমা দেয়ার জন্য লাইনে দাঁড়াতে হয় না। দিনের পর দিন ঘুরতে হচ্ছে না। সাথে সাথে সংযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এটা কখনো ভাবতেও পারেননি তারা। পল্লী বিদ্যুতের এ কার্যক্রম দেখে মনে হচ্ছে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে জনগণ প্রকৃত সেবা পাচ্ছেন।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
যমুনা অয়েল কোম্পানির এজিএম ২ ফেব্রুয়ারি
জানুয়ারি ১৪, ২০১৯ সোমবার ১১:৪৯ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
জ্বালানি খাতের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ২ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় চট্টগ্রামের ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে এর এজিএম অনুষ্ঠিত হবে বলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৮ হিসাব বছরের জন্য ১৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে কোম্পানিটি। সমাপ্ত হিসাব বছরে এর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৫ টাকা ৪৫ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ১৭০ টাকা ৩৪ পয়সা। অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ২৯ পয়সা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৫ টাকা ২২ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭৬ টাকা ১৫ পয়সা। ২০১৭ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ১১০ শতাংশ নগদ দেয় যমুনা অয়েল। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির  ইপিএস  হয়  ২০ টাকা ৩১ পয়সা। ৩০ জুন ২০১৭ কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৬৬ টাকা ৯৮ পয়সায়।  
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
মেঘনাঘাট-মদুনাঘাট ৪০০ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণে চুক্তি
জানুয়ারি ১০, ২০১৯ বৃহস্পতিবার ০৬:২১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ঢাকা-চট্টগ্রাম প্রধান বিদ্যুৎ গ্রীড শক্তিশালী করতে এ যাবতকালের বৃহত্তম সঞ্চালন লাইনের বাস্তবায়ন কাজ শুরু করেছে পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি)। মেঘনাঘাট হতে চট্টগ্রামের মদুনাঘাট পর্যন্ত ২১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ৪০০ কেভি ডবল সার্কিট সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হবে। এ কাজের জন্য বৃহস্পতিবার  পিজিসিবির প্রধান কার্যালয়ে এক  চুক্তি মাধ্যমে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান কেইসি-কে টার্নকি ঠিকাদার নিযুক্ত করা হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। লাইনটি চালু হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম বিদ্যুতের প্রধান সঞ্চালন লাইন ৪০০ কেভি ভোল্টেজে চলবে। এতে সিস্টেম লস কমানো ও কারিগরি জটিলতার আশংকা হ্রাস পাবে। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ সঞ্চালন করা সহজতর হবে। বর্তমানে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে ২৩০ কেভি এবং ১৩২ কেভি লাইনে বিদ্যুৎ সঞ্চালন করা হচ্ছে। মাতারবাড়িতে নির্মাণাধীন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিতব্য বিদ্যুৎ মদুনাঘাট হয়ে ঢাকার দিকে সঞ্চালনে এ লাইন ব্যবহৃত হবে। লাইনের দৈর্ঘ্য ও আর্থিক মূল্য বিবেচনায় মেঘনাঘাট-মদুনাঘাট ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইনটি এখন পর্যন্ত পিজিসিবি কর্তৃক একক দরপত্রে সম্পাদিত বৃহত্তম সঞ্চালন লাইনের কাজ। যার আর্থিক মূল্য  প্রায় ১,৭৩৪ কোটি টাকা । উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকা, বাংলাদেশে সরকার ও পিজিসিবি সম্মিলিতভাবে এ কাজে অর্থায়ন করছে। উম্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে সর্বনিম্ম দর দাখিল করে কাজটি পেয়েছে কেইসি। পিজিসিবির পক্ষে কোম্পানী সচিব মোঃ আশরাফ হোসেন এবং কেইসির পক্ষে কান্ট্রি হেড কুলদ্বীপ কুমার সিনহা চুক্তিপত্রে সই করেন। চুক্তিতে বলা হয়, আগামী ৩৪ মাসের মধ্যে লাইনের কাজ শেষ পিজিসিবির কাছে হস্তান্তর করবে কেইসি। পিজিসিবি গৃহীত ঢাকা-চট্টগ্রাম মেইন পাওয়ার গ্রীড স্ট্রেংথদেনিং প্রজেক্টের আওতায় সঞ্চালন লাইনটি নির্মাণ করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম-আলবেরুনী বলেন, কেইসি এ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি সঞ্চালন লাইনের কাজ করেছে। মেঘনাঘাট-মদুনাঘাট সঞ্চালন লাইনটিও যথাসময়ে কাজের উচ্চমান বজায় রেখে শেষ করতে হবে। কেইসির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পংকজকে ট্যান্ডন বলেন, অতীতের কাজের সুনাম বজায় রেখে এ সঞ্চালন লাইনের কাজ সম্পন্ন করতে কেইসি বদ্ধপরিকর। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে পিজিসিবির নির্বাহী পরিচালক মোঃ এমদাদুল ইসলাম, মোহাম্মদ সাফায়েত হোসেন ও খোন্দকার মোঃ আবদুল হাই, প্রকল্প পরিচালক ও প্রধান প্রকৌশলী মোঃ ইয়াকুব এলাহী চৌধুরী, কেইসির চীফ ম্যানেজার কিশোর তালেকার ও দীপক যাদবসহ উভয়পক্ষে উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে যুক্ত হচ্ছে জিএসবি
জানুয়ারি ১০, ২০১৯ বৃহস্পতিবার ০৫:১৬ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশের স্থলভাগে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান ও জরিপ কাজে জিওলজিক্যাল সার্ভে অব বাংলাদেশকে (জিএসবি) যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম। বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের আয়োজনে ওই বিভাগে অনুষ্ঠিত ‘চ্যালেঞ্জস অ্যান্ড অপরচুনিটিস ইন হাইড্রোকার্বন এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি। সচিব বলেন, “তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম চললেও এ বিষয়ে নিবিড়ভাবে গবেষণার কাজ সেভাবে হচ্ছে না। স্থলভাগে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড(বাপেক্স)কাজ করলেও জিএসবি এর সাথে সম্পৃক্ত নেই। জিএসবিকে আরো সক্রিয় করে তুলতে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের পাশাপাশি দ্বিমাত্রিক ও ত্রিমাত্রিক ভূ-কম্পন জরিপ কাজেও সম্পৃক্ত করা হবে।” দেশের স্থলভাগ ছাড়া সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান আরো গতিশীল করা হবে বলে জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, “জ্বালানি খাতের কার্যক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকসহ বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ত করা হবে। শিগগিরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ব বিভাগের সাথে বাপেক্স এবং পেট্রোবাংলা সমঝোতা স্মারক সই করবে। ওই সমঝোতার আলোকে যৌথ পরিকল্পনার মাধ্যমে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নে সহযোগিতা নেওয়া হবে।” সেমিনারে মোট তিনটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে ‘ইজ বাংলাদেশ রানিং আউট অফ হাইড্রোকার্বন রিসোর্সেস’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব বিভাগের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক বদরুল ইমাম। বাপেক্সের সাবেক কনসালটেন্ট এক্সপ্লোরেশন জিওলোজিস্ট এম মনোয়ার আহমেদ ‘প্রসেপেক্ট জেনারেশন অ্যান্ড ইভালুয়েশন প্রসেস’ শীর্ষক এবং বিজিএফসিএল এর সাবেক কনসালটেন্ট জিওলোজিস্ট আবিদ লোদি ও পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ার পুলক খিসা যৌথভাবে ‘রোল অফ থ্রিডি রিজার্ভার মডেলিং ইন ফিল্ড ম্যানেজমেন্ট’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। বদরুল ইমাম তার প্রবন্ধে বলেন, “১৯৬০ সালের দিকে যেভাবে গ্যাস আবিস্কারের সফলতা ছিলো তার ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে সেভাবে ততটা আগ্রহ নিয়ে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান করা হয়নি। এখনো পর্যন্ত অনেক স্ট্রাকচার রয়েছে যেখানে তেল-গ্যাস পাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।” কিন্তু সেসব জায়গায় খনন কাজ করা হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, “কানাডাতে ভার্টিক্যালি কূপ খনন না করে হরাইজেনটালি করা হয়। অথচ বাংলাদেশ শুধু ভার্টিক্যালি কূপ খনন করা হচ্ছে। যদি হরাইজেনটালি কূপ খনন করা হয় তবে সাকসেস রেট হয়তো আরো বাড়বে।” সেমিনার পরিচালনা করেন ভূ-তত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদ। সেমিনারে হাইড্রোকার্বন ইউনিটের মহাপরিচালক মো. হারুন-অর-রশীদ খান, বাপেক্স এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মীর মো. আব্দুল হান্নানসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানীর প্রতিনিধি ও শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহণ করেন।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
সামিটের এলএনজি টার্মিনাল চালু হচ্ছে মার্চে
জানুয়ারি ০৯, ২০১৯ বুধবার ০৭:১২ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশে প্রথমবারের মতো বেসরকারি খাতে ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল বাণিজ্যিকভাবে আগামী মার্চে চালু হচ্ছে। দৈনিক ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা থাকলেও সঞ্চালন পাইপলাইনের অভাবে এই টার্মিনাল থেকে প্রথম দফায় ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুটের মতো গ্যাস সরবরাহ করা যাবে বলে জানিয়েছেন পেট্রোবাংলার একজন কর্মকর্তা। দেশে গ্যাসের বর্ধিত চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভাসমান এ টার্মিনাল নির্মাণ করছে সামিট গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান সামিট এলএনজি টার্মিনাল কোম্পানী (প্রাইভেট) লিমিটেড। প্রথম এলএনজি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রীডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হওয়ার ৬ মাস পর সামিটের টার্মিনালটি চালু হতে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে সামিট এলএনজি টার্মিনাল কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এন এম তারীকুর রশীদ এনার্জিনিউজবিডি ডটকমকে বলেন, “অফসোর তথা সাগরে কাজ সবসময় বুঁকিপূর্ণ, সম্পূর্ণরূপে শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত হয়ে কিছু বলা যায় না, তদুপরি আশা করছি আগামী মার্চে বাণিজ্যিকভাবে কার্যক্রম শুরু করতে পারবো।” ২০১৭ সালের ২০ এপ্রিল এই টার্মিনাল নির্মাণ এবং এর ব্যবহারে সামিট গ্রুপের সাথে পৃথকভাবে দুটি চুক্তিতে সই করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং পেট্রোবাংলা । চুক্তির আওতায় সামিট- সমুদ্রের তলদেশে নয় কিলোমিটার গ্যাস পাইপলাইনসহ দেশের দ্বিতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল এর নির্মাণ, মালিকানা, পরিচালনা ও হস্তান্তর করবে। টার্মিনালটি ১৫ বছর ধরে পরিচালনার পর পেট্রোবাংলার কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবে সামিট। প্রকল্পে আমদানিকৃত এলএনজি ভাসমান সংরক্ষণাগারে সংরক্ষণ ও পুনরায় গ্যাসে রূপান্তর করে তা পেট্রোবাংলার অঙ্গপ্রতিষ্ঠান গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের (জিটিসিএল) কাছে সরবরাহ করবে সামিট। এজন্য পেট্রোবাংলাকে প্রতি মিলিয়ন বিটিইউ গ্যাসের বিনিময়ে ৪৫ সেন্ট (যা বাংলাদেশী মুদ্রায় ৩৭ টাকার মতো) সামিটকে পরিশোধ করতে হবে। আর ওই গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করবে জিটিসিএল। টার্মিনালে এলএনজি রিগ্যাসিফিকেশনের বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ দশমিক ৫ মিলিয়ন টন(এমপিটিএ)। প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৫০ কোটি ডলার। নির্মাণাধীন এই টার্মিনালের ২৫ শতাংশ মালিকানা ইতোমধ্যে কিনে নিয়েছে জাপানভিত্তিক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান মিত্সুবিশি করপোরেশন। ২০১৭ সালের শেষদিকে টার্মিনালটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। এর আগে টার্মিনালটি নির্মাণের জন্য মেরিন ঠিকাদারি কনসর্টিয়াম প্রতিষ্ঠান জিওসান এসএএস এবং ম্যাকগ্রেগরের সাথে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের টার্নকি চুক্তি সই করে সামিট। ওই চুক্তির আওতায় প্রতিষ্ঠান দুটি কক্সবাজারের মহেশখালিতে সামিট এলএনজি টার্মিনালের ভাসমান এলএনজি স্টোরেজ  এবং পুনরায় গ্যাসে রুপান্তরকরণ টার্মিনালের ডিজাইন, ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রকিউরমেন্ট, ফেব্রিকেশন, ইনস্টলেশন এবং স্থায়ী অবকাঠামোর টেস্টিং এর কাজ করছে।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
বিদ্যুতের দ্রুত প্রসার গ্রামকে শহরে পরিণত করতে সহায়তা করবে
জানুয়ারি ০৮, ২০১৯ মঙ্গলবার ০৬:৩৬ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিদ্যুতের দ্রুত প্রসার গ্রামকে শহরে পরিণত করতে সহায়তা করবেবলে জানিয়েছেন নবনিযুক্ত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। মঙ্গলবার বিদ্যুৎ ভবনে বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, ব্লু-ইকোনমি তথা সমুদ্র সম্পদ উন্নয়ন, প্রতিটি গ্রামে আধুনিক নগর সুবিধা সম্প্রসারণ, তরুণ-যুব সমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর ও কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। এসব উন্নয়নের মূলে থাকবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি। তিনি আরো বলেন, সিদ্ধান্তহীনতায় না ভুগে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিন। প্রকল্প বাস্তাবায়নে অতীতের ন্যায় ভবিষ্যতেও এক নম্বর হতে হবে। কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সাশ্রয়ী ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ ও সমন্বিতভাবে কাজ করুন, জনগণ উপকৃত হবে। সেবা নিয়ে জনগণের কাছে যান। সাশ্রয়ী ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহই আগামীদিনের চ্যালেঞ্জ। এছাড়া জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সচিবসহ জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ তাকে ফুলেল সংবর্ধনা দেন।    বিদ্যুৎ ভবনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, পিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ, পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইনসহ মন্ত্রণালয়াধীন দপ্তর-অধিদপ্তরের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
এলপিজি সিলিন্ডারের গায়ে দাম লেখার ব্যবস্থা চালু হচ্ছে
জানুয়ারি ০৩, ২০১৯ বৃহস্পতিবার ০৫:১৯ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
গৃহস্থালিসহ হোটেল ও রেস্তোরায় ব্যবহৃত তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) এর দাম নিয়ন্ত্রণে সিলিন্ডারের গায়ে মূল্য লিখে দেয়ার পরিকল্পনা করছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। প্রাকৃতিক গ্যাসের স্বল্পতার কারণে ভোক্তারা যাতে সহজে বিকল্প জ্বালানি হিসেবে এলপিজি ব্যবহার করতে পারে, সে লক্ষ্যে বেসরকারী খাতে এলপি গ্যাসের বাজার উন্মুক্ত থাকায় দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত দাম রাখার অভিযোগ করে আসছে গ্রাহকরা। কারণ হিসেবে তারা বলছে, কোন এলপিজি সিলিন্ডারের  গায়ে দাম লেখা থাকে না। এর ফলে খুচরা বাজারে ব্যবসায়ীরা ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার থেকে কোম্পানি নির্ধারিত দামের তুলনায় অনেক বেশি নিয়ে থাকেন। ভোক্তারা এলপিজির অতিরিক্ত দামের কারণে অসন্তোষ জানালেও কোম্পানিগুলো এর প্রতিকার করে না। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, ভোক্তা সাধারণের ক্রয় ক্ষমতা বিবেচনা করে এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারণের জন্য একটি প্রাইজিং ফর্মুলা থাকা উচিত। তিনি জানান, এলপিজির দাম নিয়ে অসন্তোষের কারণে আমরা গ্রাহকের বিষয়টি বিবেচনা করছি। এজন্য এলপিজি সরবরাহকারী কোম্পানিগুলোকে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনাও দিয়েছি। সিলিন্ডারের গায়ে দাম লেখা থাকলে বাজার অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আসবে। তবে অপারেটরা বলছে, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম ওঠা-নামার কারণে বাজারে অতিরিক্ত দাম নেওয়া থেকে খুচরা ব্যবসায়ীদের বিরত রাখা যায় না। সম্প্রতি জ্বালানি বিভাগে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, ১২ কেজি এলপিজির দাম ৯৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু ভোক্তাপর্যায়ে কোথাও কোথাও এই দাম ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত নেয়া হচ্ছে। যা অ্যাসোসিয়েশনের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। সভায় তারা আরো জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপি গ্যাসের দাম মাঝে মাঝেই ওঠানামা করে। এখন দাম কমলেও পরবর্তী মাসে আবার বাড়তে পারে। এছাড়া এলপি গ্যাসের পরিবহন ব্যয় এবং অন্যান্য ব্যয় বাড়ার কারণে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কমানো কঠিন হয়ে পড়ে।  
ক্যাটাগরি: এলপিজি
নিরবচ্ছিন্ন সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ হবে আগামীর চ্যালেঞ্জ
জানুয়ারি ০১, ২০১৯ মঙ্গলবার ০৯:০০ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
নিরবচ্ছিন্ন সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ আগামীর দিনের চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। মঙ্গলবার ঢাকায় সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সাথে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এ কথা বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, “ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দেয়ার কর্মসূচি প্রায় সাফল্যের সাথে সম্পন্ন হয়েছে। ৯৪ ভাগ এলাকা বিদ্যুৎ সরবরাহের নেটওয়ার্কে এসে পড়েছে। ২০১৯ সালের জুনের মধ্যে সবাই বিদ্যুৎ পাবে।” তিনি আরো বলেন, এ মন্ত্রণালয়ের ভালো-খারাপ সব সময়ে সাংবাদিকরা পাশে ছিল। আগামী দিনেও পাশে থাকবে বলে আশাকরি। সম্মিলিতভাবে কাজ করা গেলে সাফল্য আসবেই। প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিরবচ্ছিন্নভাবে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য এখাতে প্রচুর বিনিয়োগ প্রয়োজন । প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতির ব্যবহার বাড়াতে উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে। এই মুহুর্তে ৪০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা গেলে আশানুরূপ ফল পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি। এ সময় অন্যান্যের মাঝে পিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ ও পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।      
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘সংশোধিত ভারতীয় নীতির আওতায় নেপাল ও ভুটানের বিদ্যুৎ সরাসরি আমদানি করবে বাংলাদেশ’
ডিসেম্বর ২৫, ২০১৮ মঙ্গলবার ০৬:৫০ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ভারতের বিদ্যুৎ আমদানি অথবা রপ্তানী (ক্রস বর্ডার) নির্দেশিকা-২০১৮ সংশোধন হওয়ায় বাংলাদেশ ভারত হয়ে প্রতিবেশী দেশ থেকে সরাসরি বিদ্যুৎ আমদানি করতে পারবে। গত ১৮ ডিসেম্বর ভারত তাদের এ নীতিমালা সংশোধন করেছে বলে মঙ্গলবার বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, “২০১৬ সালের ৫ ডিসেম্বরে জারিকৃত ভারতের ক্রস বর্ডার ট্রেড অব ইলেক্ট্রিসিটি  নির্দেশিকার ৩.১ ধারায় বলা ছিল, ভারত ও প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে যে কোন ক্রস বর্ডার লেনদেন ভারতীয় সত্তা  অথবা সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট দেশের কোন সত্তা অথবা সংস্থার সাথে  দ্বি-পাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে অনুমোদিত হবে যা দেশগুলোর মধ্যে সামগ্রিক কাঠামোর অধীনে চুক্তি দ্বারা স্বাক্ষরিত । কিন্তু সম্প্রতি সংশোধন করে প্রকাশিত নির্দেশিকায় বলা হয়েছে দুটি আলাদা দেশ নিজেদের মধ্যেও বিদ্যুৎ কেনাবেচা করতে পারবে যেখানে  ভারত ত্রিপাক্ষিক চুক্তি দ্বারা তাতে অংশগ্রহণ বা অনুমোদন করবে।” “আঞ্চলিক সহযোগিতার কাঠামোর মধ্যে বিদ্যুৎ খাতে পারষ্পরিক সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গঠিত জয়েন্ট স্টিয়ারিং কমিটির সভায় নেপাল ও ভূটান (বা প্রতিবেশী দেশ) থেকে ভারত হয়ে বিদ্যুৎ আমদানির বিষয় বারবার আলোচনা করা হয়।” আলোচনার প্রেক্ষিতে প্রণীত ভারতের নতুন এ নির্দেশিকা পাশ্ববর্তী দেশ হতে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আমদানি পথ প্রশস্থ করবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। ইতোমধ্যে নেপালের সাথে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ আমদানি সংক্রান্ত সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। চলতি বছরের ৩ থেকে ৪ ডিসেম্বর প্রথম জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ ও জয়েন্ট স্টিয়ারিং কমিটির সভা কাঠমুন্ডুতে অনুষ্ঠিত হয়। সংশোধিত এ নীতিমালার আওতায় ভারত হয়ে নেপাল থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। তবে এ বিদ্যুৎ আমদানির জন্য ভারতকে সঞ্চালন চার্জ দিতে হবে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘সাত প্রতিষ্ঠানের সাথে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন ৩৮৫ কোটি টাকার চুক্তি করেছে’
ডিসেম্বর ২৩, ২০১৮ রবিবার ০৭:১৫ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
চলমান ও ভবিষ্যৎ বিদ্যুৎ প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য সাতটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে ৩৮৫ কোটি টাকার অর্থছাড় চুক্তি (সাবস্ক্রিপশন এগ্রিমেন্ট) সই করেছে রাষ্ট্রায়াত্ত আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানী লিমিটেড (এপিএসসিএল)। রোববার ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল এ আয়োজিত বিদ্যুৎ খাতে প্রথমবারের মতো বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে উত্তোলিত ওই অর্থছাড় অনুষ্ঠানে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর উধ্বর্তন কর্মকর্তারা এবং এপিএসসিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক এএমএম সাজ্জাদুর রহমান চুক্তিতে সই করেন। বন্ড হচ্ছে এক ধরণের ঋণপত্র। এই ঋণপত্র ছেড়ে ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠান ব্যক্তি অথবা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে। চুক্তি অনুযায়ী, আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানী লিমিটেডকে বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেড (বিআইএফএফএল) ১০০ কোটি, অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড ১০০ কোটি, রূপালী ব্যাংক লিমিটেড ৭৫ কোটি, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ৫০ কোটি, উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড ২০ কোটি, সাধারণ বীমা করপোরেশন ২০ কোটি, আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড ২০ কোটি টাকা দেবে। বাজার থেকে উত্তোলিত এ টাকায় আশুগঞ্জ কোম্পানী চলমান ও নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। এতে আরো বলা হয়, নন-কনভার্টেবল এবং সম্পূর্ণ রিমেডেবল কুপন বিয়ারিং এই বন্ড এর মেয়াদ হচ্ছে সাত বছর। যেখানে কুপন মার্জিন ৪ শতাংশ এবং রেঞ্জ অফ কুপন রেট ৮ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ১০ দশমিক ৫ শতাংশ। বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে যে বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হয় তা সরকারের পাশাপাশি ইসিএ, সাপ্লাইয়ার্স ক্রেডিট, বিডার ক্রেডিট, জিটুজি, জয়েন্ট ভেঞ্চার, আইপিসি ইত্যাদি বিকল্প অর্থায়নে করা হয়ে থাকে। রোববার বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে আরো একটি বিকল্প উৎস হতে অর্থায়ন শুরু হলো। এপিএসসিএল প্রাথমিক পর্যায়ে বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে ৬০০ কোটি টাকা সংগ্রহের প্রস্তাব গ্রহণ করে। যার মধ্যে ৫০০ কোটি টাকা প্রাইভেট প্লেসমেন্ট এবং ১০০ কোটি টাকা পাবলিক প্লেসমেন্ট এর মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি হলো কাজ করার পুঁজি । এটা নানাভাবে বৃদ্ধি করা যায়। এই বৃদ্ধির কাজটি বিদ্যুৎ করে। তিনি আরো বলেন, বন্ডের মাধ্যমে আমাদের ক্যাপিটাল মার্কেট আরও গতিশীল হবে। বিদ্যুৎ হলো মানুষের কর্ম ক্ষমতা। এজন্য বিদ্যুতের প্রসার বাড়াতে হবে। তাই বেসরকারি খাতের উদ্যোগক্তাদের এ ব্যাপারে উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে।  প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিয়ষক মুখ্য সসন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিদ্যুৎখাতের উন্নয়ন নিয়ে এখন গর্ব করা যায়। এই কোম্পানী বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ইসিএ (এক্সপোর্ট ক্রেডিট এজেন্সি) ব্যাকড ফাইনান্সিং এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এবার প্রথমবারের মতো বন্ড ইস্যু করলো। প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, বন্ডের মাধ্যমে ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউটের সাথে সম্পর্ক গভীর হবে এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে অর্থায়ন সহজতর হবে। তিনি আরো বলেন, আসন্ন গ্যাস বিতরণ নীতিমালায় গ্যাসের প্রাপ্যতা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের আশাব্যাঞ্জক করে তুলবে।  বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, বিদ্যুৎ খাতে বিকল্প উৎস হতে অর্থায়নের লক্ষ্যে বন্ড ইস্যু করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত দিনে দিনে বৃহৎ হচ্ছে। বিদেশেও শেয়ার অফলোড করা যেতে পারে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার নিরীখে কাজ করলে এ কাজ সহজ হবে। উন্নয়নের চলমান গতি অব্যাহত রাখতে হলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগঃ অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি মনোমুগ্ধকর পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদন, অর্থায়ন ও ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ এবং বছর ভিত্তিক কত বিনিয়োগ লাগবে তা উল্লেখ করা হয়। আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এম সাজ্জাদুর রহমান বলেন, বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানী সমূহকে সরকারের উপর নির্ভরশীলতা কমাতে এ উদ্যোগ। ২০২৫ সালের মধ্যে ২৮ হাজার ২৩১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে প্রায় ৪৭ বিলিয়ন ডলার অর্থের প্রয়োজন হবে। তিনি বলেন, এপিএসসিএল আশুগঞ্জ ৪০০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল (ইস্ট), কলাপাড়া ১,৩২০ মেগাওয়াটসহ পরিকল্পিত প্রকল্পে ৫ থেকে ৬ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন পড়বে। তাই অভ্যন্তরীণ পুঁজিবাজার থেকে এপিএসসিএল এর নিজস্ব অর্থায়নের অংশটুকু সংগ্রহের নিমিত্তে ৬০০ কোটি টাকার বন্ড ইস্যুর পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে ৫০০ কোটি টাকা প্রাইভেট প্লেসমেন্ট শেয়ার ও ১০০ কোটি টাকা পাবলিক প্লেসমেন্ট শেয়ার। উল্লেখ্য, গত ১২ এপ্রিল বাংলাদেশ সিকিউরিটি স্টক এক্সচেঞ্জ (বিএসইসি) প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ৫০০ কোটি টাকার বন্ড উত্তোলনের জন্য আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানী লিমিটেডকে অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে ৩৮৫ কোটি টাকা ছাড়ের চুক্তি হয়েছে রোববার। বাকি ১১৫ কোটি টাকা আগামী বছরের মার্চ মাসের মধ্যে উত্তোলন করা হবে। এছাড়া পাবলিক প্লেসমেন্টের ১০০ কোটি টাকার বন্ড ইস্যুর বিষয়টি বিএসইসিতে অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন। আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানী লিমিটেড এর চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘পরিবেশ দূষণ রোধে বরগুনার তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সর্বাধুনিক ব্যবস্থা নিশ্চিত’
ডিসেম্বর ১৫, ২০১৮ শনিবার ০৭:০৮ পিএম - বাসস
দেশের বিদ্যুৎ খাতকে পূর্ণতা দিতে বরগুনার তালতলী উপজেলায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে চীনের পাওয়ার চায়না রিসোর্স লিমিটেডের সঙ্গে যৌথভাবে দেশীয় সংস্থা আইসোটেক নির্মাণ করছে ৩০৭ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষম কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণের জন্য উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান আইসোটেক গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান আইসোটেক ইলেকট্রিফিকেশন কোম্পানির সঙ্গে ২০১৮ সালের ১২ এপ্রিল বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) চুক্তি স্বাক্ষর করে। সরকারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকারভিত্তিক এ প্রকল্প থেকে ২০২২ সাল নাগাদ খুব অল্প মূল্যে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে এখানকার উৎপাদিত বিদ্যুৎ। ২৫ বছর এ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে পাওয়ার চায়না রিসোর্স লিমিটেড বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান। কোম্পানিটি অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়াসহ বিশ্বের বেশ কিছু দেশে দক্ষতার সঙ্গে কয়লা দিয়ে ৩০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। চুক্তি অনুযায়ী আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে পরিবেশের ক্ষতি না করে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালিত হবে বলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সমূহ নিশ্চিত করেছে। বরগুনার তালতলী উপজেলার ছোট নিশানবাড়িয়া গ্রামে নির্মিত হচ্ছে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি। বর্তমানে এ প্রকল্পের ভূমি উন্নয়নের কাজ শেষ পর্যায়ে। নিশানবাড়ীয়া এলাকার বঙ্গোপসাগর ও পায়রা নদীর মোহনা থেকে বিশেষজ্ঞ পরামর্শে বিশেষ মানসম্মত বালু উত্তোলন করে প্রকল্পের জমি ভরাটের কাজ চলছে। আইসোটেক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মঈনুল আলম জানিয়েছেন, “বরগুনার জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড, দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ি কাছাকাছি সৈকতের ১ দশমিক ২ কিলোমিটার দূরবর্তী এলাকা থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। বালি উত্তোলনের ক্ষেত্রে পরিবেশের নিরাপত্তা জনিত বিধিনিষেধ ন্যূনতম এক কিলোমিটারের মধ্যে ধরা হয়ে থাকে। ফলে সৈকতের ক্ষতি হবার কোনো আশংকা বা সুযোগ নেই। বরগুনার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মশিউর রহমান জানান, বিদ্যুৎ কেন্দ্র এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের যে জমি আছে কিছু আইসোটেক ইলেট্রিফিকেশন কোম্পানি লিমিটেডকে লিজ দেয়া হয়েছে আর প্রকল্পের মধ্যে যে জমি পড়েছে তাও লিজ দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। প্রকল্প এলাকায় যারা অবৈধভাবে পাউবোর জমি দখল করে আছে তাদের জমি ছেড়ে দেয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। সরকারী বরাদ্দ ও অনুমোদন সাপেক্ষে পানি উন্নয়ন বোর্ড-পাউবোর যে জায়গায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হচ্ছে সেখানকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী পুনর্বাসন কর্মসূচী প্রকল্পের পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত রয়েছে বলে আইসোটেকের মিডিয়া অ্যাডভাইজার ফিরোজ চৌধুরী জানিয়েছেন। প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক প্রকৌশলী মো. শরীফ হোসাইন জানিয়েছেন, কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রধানত সালফার ডাই অক্সাইড, নাইট্রোজেনের অক্সাইড সমূহের বাতাসে নিস্মরণ নিয়ন্ত্রণ, অভ্যন্তরীন সড়কের ক্ষতিকারক ধুলিকণা বাতাসে ছড়ানো নিয়ন্ত্রণ, কয়লা ব্যবস্থাপনা এলাকা ও ছাইয়ের পুকুর এলাকা ইত্যাদির সঠিকমাত্রায় ব্যবস্থাপনা না হলে পরিবেশের ক্ষতি সাধন করে থাকে। তাই এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরীর সময়ে, সম্পন্ন হবার পরে, উৎপাদনের সময়ে যেন পরিবেশের কোন ক্ষতি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে মূল পরিকল্পনায় নানা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তিনি বিষয়টি সরলীকরণ করে জানিয়েছেন, কয়লা পরিবহনে কয়লার গুড়ো, বালুসহ সলিড ডাস্ট ব্যবস্থাপনার জন্য প্রকল্প এলাকার সকল রাস্তাঘাটা কংক্রিটের তৈরি হবে। ইলেকট্রো স্ট্যাটিক প্রিসিপিটেটর (ইএসপি) পদ্ধতিতে ডাস্ট সংগ্রহে সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও কর্মপদ্ধতি ব্যবহার করা হবে। চিমনি দিয়ে যে ধোঁয়া ও ময়লা নির্গত হবে তা হবে সহনীয় মাত্রায় ও সালফার মুক্ত। বিশ্বব্যাংক এর সুপারিশ মোতাবেক আইএফসি ইএইচএস মানদন্ডে ফ্লু গ্যাস ডিসালফারাইজেশন সিস্টেম নির্মাণ করা হবে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বয়লারগুলো এমন ভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে তাতে সর্বনিম্ম পর্যায়ে নাইট্রোজেন অক্সাইড সমূহ পুড়বে। চিমনিগুলো আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে সর্বোচ্চ উচ্চতার করা হবে এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরিত্যাক্ত পানিকে ট্রিটমেন্ট করে তা কেন্দ্রের বাইরে সরানো হবে। নদীও সাগরের নোনা পানিকে বিশুদ্ধ ও মিষ্টকরণ প্লান্ট স্থাপন করা হবে। দূষণ হ্রাসকরণ প্রক্রিয়াকে চলমান রাখার জন্য নিয়মিত মনিটরিং সেল সচল থাকবে। আইসোটেক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মঈনুল আলম আরও জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্রর জন্য ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোকে কেবল মাত্র ঘরই দেয়া হচ্ছে না। তাদের প্রশিক্ষিত করে কর্মসংস্থান দেয়া হবে। তাদের আবাসনে স্কুল, মসজিদ, হাসপাতাল, কমিউনিটি সেন্টার ইত্যাদিও নির্মাণ করা হবে। বৈদেশিক অর্থায়নে নির্মিত হওয়ায় এ প্রকল্পে নিয়ম-নীতির ব্যাত্যয় ঘটার কোন সুযোগ নেই। বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণকে স্বাগত জানিয়ে তালতলী সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ এমএ জব্বার জানিয়েছেন, তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে তালতলীসহ উপকূলীয় এলাকা উন্নয়নের শহরে পরিণত হবে। জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। বরগুনা জেলা প্রশাসক কবির মাহমুদ বলেছেন, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সাগরতীরবর্তী এলাকায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে। এটি উৎপাদনে গেলে দেশের বিদ্যুৎ সংকট দূর করতে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। বরগুনা-১ আসনের সাংসদ অ্যাড. ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ বর্তমান সরকারের উন্নয়নের একটি অংশ। আইসোটেকের ৩০৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র দক্ষিণাঞ্চলসহ দেশের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। এ অঞ্চলের আর্থসামাজিক অবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটবে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণে প্রশসানের পক্ষ থেকে সকল প্রকার সহযোগিতা করা হচ্ছে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
    সাম্প্রতিক এনার্জি বিডি এর খবর
‘সাত প্রতিষ্ঠানের সাথে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন ৩৮৫ কোটি টাকার চুক্তি করেছে’
‘পরিবেশ দূষণ রোধে বরগুনার তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সর্বাধুনিক ব্যবস্থা নিশ্চিত’
গত ১০ বছরে এলপিজির ব্যবহার বেড়েছে ২১ গুণ
‘ভূ-গর্ভস্থ বিদ্যুৎ লাইন স্থাপনে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে চুক্তি সই’
বাখরাবাদ গ্যাস কোম্পানীর ২১৭ কোটি টাকা মুনাফা
‘গ্রিড বিদ্যুতের আওতায় আসলো সন্দ্বীপবাসী’
বুয়েটে পারমাণবিক শক্তি প্রযুক্তি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
সাউথ এশিয়া এলপিজি সামিট শুরু ৩ মার্চ
‘গ্যাস সংকট কাটতে আরো এক সপ্তাহ লাগবে’
প্রধানমন্ত্রী সাতটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধন করবেন বৃহস্পতিবার
পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র পুনর্বাসন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
‘স্বপ্নের ঠিকানা বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্য রোল মডেল’
উত্তরায় ডেসকোর আরেকটি গ্রিড উপকেন্দ্র উদ্বোধন
‘বাংলাদেশ স্মার্ট ইলেকট্রিক্যাল কোম্পানী বছরে পাঁচ লাখ প্রি-পেমেন্ট মিটার উৎপাদন করবে’
‘প্রথম বৈদ্যুতিক প্রি-পেমেন্ট মিটার তৈরির কারখানা স্থাপনে রোববার চুক্তি সই’
‘গ্যাসের দাম বাড়ছে না, ভর্তুকি দেবে সরকার’
বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণে প্রথম দেশীয় প্রতিষ্ঠান এনএন বিল্ডার্স ও কনফিডেন্স স্টীল
গ্রীড শক্তিশালী করতে সুপারভিশন কনসালটেন্ট নিয়োগ করেছে পিজিসিবি
আরপিসিএল-নরিনকো কলাপাড়ায় নির্মাণ করছে ১,৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র
চতুর্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলায় আরইবির সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জন
এলএনজি আমদানিতে সব ধরণের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার
ঢাকা শহরে প্রথম ভূগর্ভস্থ সাব-স্টেশন নির্মাণ করছে ডিপিডিসি
ঢাকায় আরো একটি এলপিজি অটোগ্যাস ফিলিং স্টেশন চালু
আমিনবাজারে ৪০০/২৩০ কেভি গ্রীড সাবস্টেশন হচ্ছে
দেশেই প্রি-পেইড মিটার তৈরি করবে রুরাল পাওয়ার কোম্পানী
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প ঘুরে দেখলেন চার রুশ ব্লগার
ডিপিডিসির ১০ম বর্ষপূর্তি উদযাপন
বিদ্যুৎ খাতে বাংলাদেশ-ভারত সহযোগিতা সংক্রান্ত যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির পঞ্চদশ সভা অনুষ্ঠিত
চলতি সপ্তাহে গ্যাসের দাম বাড়ানোর ঘোষণা আসছে
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy