ঢাকা, মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৭, ২০১৭, কার্তিক ২, ১৪২৪ ০৩:২০ পিএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
এনার্জি বিডি
নেসকো প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৫ দশমিক ৩০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে
নবগঠিত নর্দান ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানির (নেসকো) প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৫ দশমিক ৩০ শতাংশ বাড়িয়ে ৬ টাকা ৭৩ পয়সা থেকে ৭ টাকা ৭৬ পয়সা পুননির্ধারণের প্রস্তাব করেছে। বুধবার রাজধানীর টিসিবি মিলনায়তনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশনের (বিইআরসি)আয়োজনে বিদ্যুতের মূল্যহার পরিবর্তনের উপর গণশুনানীকালে ওই প্রস্তাব করেন কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাকিউল ইসলাম। বিইআরসি চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলামের সভাপতিত্বে কমিশনের সদস্য মিজানুর রহমান, রহমান মুরশেদ, আব্দুল আজিজ খান ও মাহমুদ উল হক ভূইঁয়া শুনানি গ্রহণ করেন। তবে শুনানীকালে বিইআরসি’র কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি ইউনিট প্রতি ৮৯ পয়সা হারে দাম বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছে। শুনানিতে অংশ নিয়ে ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম বলেন, বিপিডিবি ভেঙে গঠিত এই কোম্পানিটি এখন পঙ্গু। এই পঙ্গু কোম্পানির যারা জন্ম দিয়েছেন তারা এর দায় নেবেন, ভোক্তারা নয়। তিনি বলেন, বিপিডিবিকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের যে দাম দেয়া হয় নেসকোসহ অন্য কোম্পানিগুলোকে তার বেশী দিতে রাজি নয় গ্রাহকরা। এদিকে, বিদ্যুতের দামের সঙ্গে ডিমান্ড ও সার্ভিস চার্জ বৃদ্ধির প্রস্তাবও দিয়েছে নেসকো। গত বছরের ১ অক্টোবর থেকে বিতরণ কার্যক্রম শুরু করে নেসকো। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬টি জেলায় জেলা শহর ও সংলগ্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বিতরণ করছে কোম্পানীটি। নতুন এই কোম্পানীটির মোট গ্রাহক সংখ্যা ১২ লাখ ৭৪ হাজার ৮৮৩ । এর মধ্যে আবাসিক গ্রাহক ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৯০৪, যা মোট গ্রহাকের ৮৪ শতাংশ। এই কোম্পানীর মোট বিদ্যুৎ চাহিদা ৭৪৫ মেগাওয়াট।
প্রথমবারের মতো বিদ্যুতের দাম কমানোর প্রস্তাবের ওপর গণশুনানী হবে বৃহস্পতিবার
অক্টোবর ০৪, ২০১৭ বুধবার ০৮:৫২ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বৃহস্পতিবার ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) পাইকারি বিদ্যুতের দাম কমানোর প্রস্তাবের ওপর  গণশুনানী করতে যাচ্ছে। রাজধানী ঢাকার কারওয়ান বাজারে টিসিবি মিলনায়তনে সকাল ১০টায় শুনানী শুরু হবে। গত ২১ সেপ্টেম্বর ক্যাবের পক্ষ থেকে বিইআরসির কাছে দাম কমানোর ওই প্রস্তাব দেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২ অক্টোবর বিইআরসি এক বিজ্ঞপ্তিতে ওই গণশুনানী করার সিদ্ধান্তের কথা জানায়। শুনানীতে ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলমসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা অংশ নেবেন। অপরদিকে, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডসহ অন্যান্য বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানীর প্রতিনিধিরা তাদের মতামত তুলে ধরবেন বলে জানা গেছে। ব্যতিক্রমধর্মী এই শুনানীতে আরো অনেকে অংশ নেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছেন বলে বিইআরসি’র এক কর্মকর্তা জানান।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘বিআরইবি প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে’
সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৭ বুধবার ১০:১৩ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের কাছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি) প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে। বুধবার ঢাকায় কারওয়ানবাজারে টিসিবি মিলনায়তনে বিআরইবি’র আওতাধীন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলোর (পবিস) বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের উপর গণশুনানীকালে এ প্রস্তাব করেন বিআরইবির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মঈনউদ্দিন। ওই প্রস্তাবের বিপরীতে কমিশনের কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুতের গড় খুচরা দাম ৭ দশমিক ১৯ শতাংশ বা ৪৪ পয়সা বাড়িয়ে ৬ টাকা ৫৬ পয়সা পুননির্ধারণের সুপারিশ করেছে। বর্তমানে এ বিদ্যুতের দাম ৬ টাকা ১২ পয়সা। গণশুনানিতে সভাপতিত্ব করেন বিইআরসি’র চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য রহমান মুরশেদ, মাহমুদউল হক ভুইয়া, আব্দুল আজিজ খান ও মিজানুর রহমান। শুনানিতে অংশ নিয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ সংগঠন কনজ্যুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম বলেন, গ্রামে মান সম্মত বিদ্যুৎ পাওয়া যায় না। প্রতিদিন আট থেকে দশ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। মাসিক বিল, মিটার সংযোগ নিতে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে সাধারণ গ্রাহকদের।বারবার শুধু দাম বৃদ্ধি হবে আর গ্রাহকরা ঠিকমতো সেবা পাবে না এটা মেনে নেওয়া কষ্টকর।  দাম বৃদ্ধির যুক্তি তুলে ধরে বিআরইবি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মঈনউদ্দিন বলেন, অবকাঠামোগত ও জনবল খরচ,  অবচয় বৃদ্ধি, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেড়েছে। চেয়ারম্যান বলেন, ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে নিট খুচরা সরবরাহ ব্যয় ইউনিট প্রতি ছয় টাকা ৭০ পয়সা। বিদ্যমান খুচরা ট্যারিফ ইউনিট প্রতি ছয় টাকা ৫০ পয়সা। অর্থাৎ ইউনিট প্রতি ঘাটতি ৬৫ পয়সা। গত অর্থবছরে বিআরইবি’র ৮০০ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে।। ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মধ্যে মাত্র ১১টি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল। অস্বচ্ছল সমিতিগুলো তাদের ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে পারছে না। ঋণ ও সুদের কিস্তি বকেয়া পড়েছে ৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এদিকে বিআরইবি এর প্রস্তাবে আবাসিকে ন্যূনতম বিল ৬৫ থেকে ২০ টাকা বাড়িয়ে ৮৫ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে। সার্ভিস চার্জ ১০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ টাকা করার আবেদন করেছে। আবাসিকে সর্বনিম্ন এক দশমিক ৫৬ শতাংশ থেকে ১২ দশমিক ৪৩ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিট ব্যবহারকারী গ্রাহকদের জন্য সবচেয়ে বেশী মূল্যহার বৃদ্ধি করার কথা বলেছে। এই ধাপে বর্তমানে ইউনিট প্রতি দাম ৫ টাকা ৬৩ পয়সা। বিআরইবি প্রস্তাব করেছে ছয় টাকা ৩৩ পয়সা। অন্যান্য শ্রেণীর গ্রাহকদের ক্ষেত্রেও সার্ভিস চার্জ বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে। বিআরইবির সারাদেশে দুই কোটি এক লাখ গ্রাহক রয়েছে। এর মধ্যে ৭৫ শতাংশ গ্রাহকই আবাসিক। গত সোম ও মঙ্গলবার বিপিডিবির পাইকারি ও খুচরা মূল্যহার প্রস্তাবের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।  বৃহস্পতিবার ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) গণশুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য বৃদ্ধির পক্ষে বিইআরসি’র কারিগরী মূল্যায়ন কমিটি’
সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৭ সোমবার ১১:০৯ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কারিগরী মূল্যায়ন কমিটি বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) প্রস্তাবের পক্ষে মত দিয়েছে। তবে বিপিডিবি প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের পাইকারি দাম গড়ে ৭২ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব করলেও তা ৫৪ পয়সা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছে ওই কমিটি। অর্থাৎ এ মতামত গৃহীত হলে বিদ্যুতের গড় পাইকারি মূল্যহার ১১ দশমিক ৭৮ শতাংশ বেড়ে ৪ টাকা ৮৭ পয়সা থেকে ৫ টাকা ৪১ পয়সায় দাড়াবে। সোমবার ঢাকায় টিসিবি মিলনায়তনে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধিতে বিপিডিবি’র প্রস্তাবের ওপর গণশুনানিতে এ তথ্য উঠে আসে। দেশে বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা-কোম্পানিগুলো বিপিডিবি থেকে বিদ্যুৎ নিয়ে গ্রাহক পর্যায়ে সরবরাহ করে। তাই পাইকারি মূল্য বাড়লে খুচরা অর্থাৎ প্রান্তিক পর্যায়েও এ মূল্য বাড়বে। এদিকে বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা দাম বাড়াতে সরকারি সংস্থা ও কোম্পানিগুলোর প্রস্তাবের বিপরীতে দাম কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। শুনানিতে অংশ নিয়ে ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, বিপিডিবির পাইকারি দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব অযৌক্তিক। সংস্থাটির উন্নয়নে ও গ্রাহক স্বার্থ সংরক্ষণে পরামর্শ দেন তিনি। তিনি আরো বলেন, ফার্নেস তেলের ও ডিজেলের দাম কমালে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রয়োজন হবে না।কারণ তেল ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ এখন ৩০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। বিপিডিবির প্রস্তাবে বলা হয়, ফার্নেস তেল ও ডিজেলের ব্যবহার বৃদ্ধি, বেসরকারি খাত থেকে বিদ্যুৎ কেনা এবং জ্বালানি ব্যয়ের অংশ বৃদ্ধির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। মূল্যহারের ঘাটতি পূরণে সরকার থেকে ভর্তুকির পরিবর্তে দেয়া ঋণের সুদ পরিশোধ করতে হচ্ছে। তুলনামূলক কম মূল্যহারে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলোতে বেশী বিদ্যুৎ সরবরাহের আনুপাতিক হার বেড়ে যাওয়ায় গড় পাইকারি মূল্যহার কমে গেছে। সব মিলিয়ে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে পাইকারি মূল্যহার ঘাটতির পরিমাণ প্রতি ইউনিটে (কিলোওয়াট) ৭২ পয়সায় দাড়ায়। ঘাটতি দূর ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বার্থে দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে পিডিবি।  এদিকে, টিসিবি ভবনের বাইরে দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবের বিরোধীতা করে প্রতিবাদ মিছিল, সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচী পালন করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)সহ কয়েকটি বাম সংগঠন। গত ২০ ফেব্রুয়ারি বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবনা বিইআরসিতে দাখিল করে পিডিবি। গণশুনানিতে সভাপতিত্ব করেন বিইআরসির চেয়ারম্যান ও সাবেক বিদ্যুৎ সচিব মনোয়ার ইসলাম। শুনানিতে আরও উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য রহমান মুরশেদ, আব্দুল আজিজ খান, মিজানুর রহমান ও মাহমুদউল হক ভুইয়া। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের  বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার পরিবর্তনের আবেদনের ওপর  মঙ্গলবার শুনানি হবে। মূল্যহার পরিবর্তনে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের প্রস্তাবের ওপর  বুধবার এবং ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) প্রস্তাবের ওপর বৃহস্পতিবার শুনানি গ্রহণ করা হবে। এছাড়া আগামী ২, ৩ ও ৪ অক্টোবর যথাক্রমে ঢাকা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি  (ডেসকো), ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো) এবং নবগঠিত নর্থ ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (নওজোপাডিকো) প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে। বিইআরসি আইন অনুযায়ী, শুনানির পর ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে বিইআরসিকে দাম পুননির্ধারণ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে হবে। সব মিলিয়ে প্রথম দিনের শুনানিতেই বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়েছে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
বিদ্যুতের মূলহার পরিবর্তনের জন্য গণশুনানী শুরু হচ্ছে ২৫ সেপ্টেম্বর
সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৭ রবিবার ১১:৩৭ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা মূল্যহার পরিবর্তনের জন্য দুই দফায় ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) কাছে দেওয়া ছয়টি সংস্থা ও কোম্পানীর  প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি শুরু হবে। বিইআরসি ইতোমধ্যে প্রস্তাবগুলো যাচাই-বাছাই শেষ করেছে। শুনানী দুই দফায় অর্থাৎ প্রথম দফায় ২৫ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় দফায় ২ থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন বিইআরসি’র সচিব মুহঃ মাহবুবর রহমান। ঢাকার কাওরান বাজার টিসিবি মিলনায়তনের ২য় তলায় ২৫ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় বিপিডিবির প্রস্তাবের উপর পাইকারি (বাল্ক) মূল্য পরিবর্তনের গণশুনানি এবং ২৬ সেপ্টেম্বর খুচরা মূল্যহার পরিবর্তনের ওপর গণশুনানি হবে। এছাড়া বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) এর প্রস্তাবের ওপর  ২৭ সেপ্টেম্বর, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) ২৮ সেপ্টেম্বর, ঢাকা  ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটডের (ডেসকো) ২ অক্টোবর, ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ওজোপাডিকো) ৩ অক্টোবর এবং নর্থ ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (নওজোপাডিকো) ৪ অক্টোবর প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) বিতরণ কোম্পানিগুলোর কাছে পাইকারি বিক্রির ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৭২ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
ইউনাইটেডের ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা কমিটি
সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ১১:২০ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ময়মনসিংহে বেসরকারি খাতে ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন আইপিপি  বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। বুধবার সচিবালয়ে কমিটির সভায় বিদ্যুৎ বিভাগের এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সভাপতিত্ব  করেন। ১৫ বছর মেয়াদী এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি স্থাপন করবে বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড কোম্পানি। বৈঠক শেষে অনুমোদিত ক্রয় প্রস্তাবের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,  ফার্নেস ওয়েলভিত্তিক  বিদ্যুকেন্দ্রটি থেকে  ১৫ বছর মেয়াদে বিদ্যুৎ কিনবে সরকার। প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুতের দাম পড়বে ৮ দশমিক ৪১৬৬ টাকা। এ হিসেবে ১৫ বছর মেয়াদে বিদ্যুৎ ক্রয়ে সরকারের ব্যয় হবে ১৭ হাজার ৬৪০ কোটি টাকা। এছাড়া বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ডের ‘পল্লী বিদ্যুতায়ন সম্প্রসারণের মাধ্যমে ১৫ লাখ গ্রাহক সংযোগ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ২৩ হাজার ২১১ টি ডিস্ট্রিবিউশন ট্রান্সফরমার ক্রয়ের একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ জন্য ব্যয় হবে ১৭০ কোটি ২৪ লাখ টাকা। ক্রয় কমিটির বৈঠকের আগে অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের একটি প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দেয়। প্রস্তাবটি হচ্ছে চট্টগ্রাম ইউরিয়া সারকারখানা (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী সারকারখানার (কাফকো) অব্যবহৃত জমি ও জেটি ব্যবহার এবং বঙ্গোপসাগরে সাঙ্গু প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ক্ষুদ্র আকারে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি।        
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
এলএনজি আমদানির জন্য সিঙ্গাপুরের গানভর প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে পেট্রোবাংলা
সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৭ বুধবার ০৮:৩০ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির জন্য সিঙ্গাপুরের গানভর প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে নন বাইন্ডিং সমঝোতা স্মারক সই করেছে পেট্রোবাংলা। মঙ্গলবার ঢাকায়  পেট্রোসেন্টারে এটি স্বাক্ষরিত হয়। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৫টি বিদেশি কোম্পানি থেকে এলএনজি কেনার জন্য সমঝোতা স্মারক করল পেট্রোবাংলা। এর আগে কাতারের রাসগ্যাস, ওমানের ওমান ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল, ইন্দোনেশিয়ার পারটোমিনা এবং সুইজারল্যান্ডের অ্যাস্ট্রা অয়েলের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হয়। সমঝোতা স্মারকে সই করেন পেট্রোবাংলার সচিব সৈয়দ আশফাকুজ্জামান এবং গানভর সিঙ্গাপুরের হেড অব এলএনজি-বিডি এশিয়া লুক স্পিলেভেলড। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সচিব নাজিমউদ্দিন চৌধুরী ও পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রাথমিক জ্বালানি সরবরাহ করে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। শিল্প কারখানায় গ্যাসের সঙ্গে এলএনজি মিশ্রিত করে সরবরাহ করা হবে। তিনি বলেন, এতে মূল্য কিছুটা বেশি হলেও ব্যবসায়ীদের জন্য লাভজনক হবে। আগামী বছরের এপ্রিল হতেই এলএনজি পাওয়া যাবে। ওই সময় থেকে গ্যাসের সংকট হ্রাস পেতে থাকবে। তিনি আরো বলেন, এলএনজি ক্রয়ের জন্য এখন পর্যন্ত পাঁচটি দেশের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। তা ছাড়াও খোলা বাজার থেকে এলএনজি ক্রয়ের জন্য গত ১৭ আগস্ট ৪১টি প্রতিষ্ঠান আগ্রহ প্রকাশ করেছে। প্যানেল তৈরি করে মাস্টার্স সেলস প্রকিউরমেন্ট এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষর করা হবে। পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানান, সবমিলিয়ে দেশে প্রথম ধাপে আমদানিকৃত ৫০০ এমএমসিএফডি এলএনজি আগামী বছরের এপ্রিল থেকে চট্টগ্রাম অঞ্চলে ব্যবহৃত হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে আগামী বছরের অক্টোবর থেকে আরো ৫০০ এমএমসিএফডি এলএনজি আমদানি শুরুর পর তা দেশের মধ্যাঞ্চলে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। বর্তমানে দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ, উৎপাদন এবং বিদ্যমান চাহিদার মধ্যে সামঞ্জস্য না থাকায় সরকার এলএনজি আমদানির পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এজন্য কক্সবাজারের মহেশখালিতে দুইটি ৫০০ এমএমসিএফডি ক্ষমতাসম্পন্ন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউ স্থাপনের বিষয়ে যুক্তরাষ্টভিত্তিক এক্সিলারেট এনার্জি বাংলাদেশ লিমিটেড এবং বাংলাদেশের সামিট এলএনজি টার্মিনাল কোম্পানী লিমিটেড এর সাথে চুক্তি সম্পদিত হয়েছে। আশা করা যায় ২০১৮ সালের মধ্যে উক্ত এফএসআরইউ দুইটি থেকে জাতীয় গ্রীডে গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এই সময়ের মধ্যে দেশে গ্যাসের চাহিদা আরো বৃদ্ধি পাবে এবং সে চাহিদা মেটানোর জন্য সরকার এফএসআরইউ এর পাশাপাশি কক্সবাজার জেলার মহেশখালী ও কুতুবদিয়ায় ল্যান্ড বেইজড এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনসহ ভারত থেকে ক্রস-বর্ডার পাইপলাইনের মাধ্যমে রি-গ্যাসিফাইড এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। স্থাপিতব্য এলএনজি টার্মিনাল সমূহে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে এলএনজি সরবরাহের জন্য সরকার ও পেট্রোবাংলা দীর্ঘ মেয়াদী, স্বল্প মেয়াদী এবং স্পট ভিত্তিতে এলএনজি ক্রয়ের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায়  এলএনজি ক্রয়ে সহযোগিতার বিষয়ে গানভর প্রাইভেট লিমিটেড এর সাথে পেট্রোবাংলা সমঝোতা স্মারক সই করেছে।    
ক্যাটাগরি: গ্যাস
ভোলায় ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে কারিগরি সহায়তা দেবে জিই
সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৭ রবিবার ১০:১২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
যুক্তরাষ্ট্রের জিই পাওয়ারকে বাংলাদেশের ভোলায় ২২০ মেগাওয়াট ডুয়েল-ফুয়েল কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রযুক্তি উপকরণ সরবরাহ করতে নির্বাচিত করেছে শাপুরজি পাল্লোনজি (এসপি) গ্রুপ। এটি ভোলায় জিইর একই উৎপাদন ক্ষমতার দ্বিতীয় বিদ্যুৎকেন্দ্র। প্রথমটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ২০১৫ সালে। জিই দক্ষিণ এশিয়ায় পাওয়ার জেনারেশন গ্রাহকদের উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও অত্যাধুনিক উপকরণসমূহ সরবরাহ করা অব্যাহত রেখেছে এবং এটি ভারত, বাংলাদেশ এবং শ্রীলংকায় জিই-এর ইনস্টল্ড বেজকে শক্তিশালী করছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। শাপুরজি পাল্লোনজি গ্রুপের পাওয়ার বিজনেসের প্রধান মিতেশ সনি বলেন, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতে ভোলা পাওয়ার প্লান্ট শাপুরজি পাল্লোনজি গ্রুপের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। কনফিগারেশন সিলেকশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জিইর প্রযুক্তিগত এবং স্থানীয় বাজার দক্ষতা তাদের দলের জন্য ব্যাপক সুবিধা দিয়েছে। ভোলার এই প্রকল্প একটি ইনডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার (আইপিপি) হিসেবে এসপি গ্রুপ নির্মাণ করছে। এসপি গ্রুপ পিডিবির সঙ্গে ২২ বছরের চুক্তি করেছে। এই কেন্দ্র প্রাথমিক জ্বালানি হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে ডুয়েল-ফুয়েল প্রযুক্তিতে পরিচালিত হবে এবং ব্যাক-আপ ফুয়েল হিসেবে থাকবে ডিজেল। আশা করা হচ্ছে, কেন্দ্রটি ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে চালু হবে। প্রকল্পটি বাংলাদেশের দুই লাখ বাড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে সক্ষম হবে। জিই দক্ষিণ এশিয়ার গ্যাস পাওয়ার সিস্টেমের সিইও দীপেশ নন্দা বলেন, `দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো বিদ্যুৎ নিরাপত্তার অর্জনের জন্য এগিয়ে যাচ্ছে, ফলে এই খাতে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। জিইর প্রযুক্তি সুবিধা এবং দক্ষিণ এশিয়ায় জিইর উপস্থিতি আঞ্চলিক গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হচ্ছে।`
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
ইন্দোনেশিয়া থেকে এলএনজি কিনবে বাংলাদেশ
সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৭ শনিবার ১১:৫১ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশে উন্নয়ন কার্যক্রম উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে প্রতিনিয়ত জ্বালানি চাহিদা বাড়ছেবলে মনে করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনেই ২০২০ সালের মধ্যে প্রতিদিন এক হাজার ৭৪১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস দরকার হবে। ২০২৫ সালে দুই হাজার ৭০৫ মিলিয়ন ঘনফুট আর ২০২৮ সালে দরকার হবে দুই হাজার ৯০৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের। এ জন্য প্রাকৃতিক গ্যাসের অনুসন্ধান ও উত্তোলন বাড়ানোর পাশাপাশি তরলায়িত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির কাজ চলছে বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতা চুক্তিকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ার কোম্পানি পের্টামিনার কাছ থেকে বছরে এক লাখ টন এলএনজি কিনবে। আগামী বছরের মাঝামাঝি থেকে কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত দেশের প্রথম ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে এ গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে। নসরুল বলেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইন্দোনেশিয়া সফর করেন। এ সময় ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদোর সঙ্গে বৈঠককালে দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতার বিষয়ে কথা হয়। এ চুক্তির ফলে ভ্রাতৃপ্রতিম মুসলিম দেশ দুটি জ্বালানি উন্নয়নে কাজ করবে। এলএনজি আমদানি ও এর অবকাঠামো নির্মাণে ইন্দোনেশিয়া বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রায় দুই হাজার ৫০০ শিল্প-কারখানা গ্যাসের জন্য আবেদন করেছে। গ্যাস সংকটের কারণে তাদের সংযোগ দেওয়া যাচ্ছে না। এলএনজি আমদানি শুরু হলে আগামী বছরের মাঝামাঝি থেকে এসব কারখানায় গ্যাস সরবরাহ শুরু করা যাবে।’ প্রতিমন্ত্রী এ সময় আরো বলেন, বাংলাদেশে এখন অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বিনিয়োগের ভালো পরিবেশ বিরাজ করছে। চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ও ইন্দোনেশিয়ার পক্ষে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইগানাসিয়াস জুনান সই করেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল আজমল কবির, ইন্দোনেশিয়ার তেল গ্যাস কোম্পানি পের্টামিনার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসা মানিক, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মোহাম্মদ ফয়জুল্লাহ ও জ্বালানি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. জাকির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক সংখ্যা ১ কোটি ৯৮ লাখ ছাড়িয়েছে
সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ০৮:২১ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের অধীনস্ত ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাধ্যমে পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রমের আওতাধীন এলাকায় ১ কোটি ৯৮ লাখ ১৭ হাজার ৭৮৬ জন গ্রাহককে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের জনসংযোগ অফিসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, গত আগস্ট মাস পর্যন্ত এ সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। শুধু আগস্ট মাসে ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩৯১ জন গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয়। যা পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিসমূহের একটি বিশাল অর্জন এবং যুগান্তকারী পদক্ষেপ। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ভিশন-২০২১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০১৮ সালের মধ্যে দেশের বিদ্যুৎ সংযোগ প্রত্যাশী ৯০ শতাংশ পরিবারের মাঝে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের আলোকিত বাংলাদেশ গড়তে ‘শেখ হাসিনার উদ্যোগ-ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ’ এই স্লোগান ধারণ করে আলোর পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আর সেই লক্ষ্যে সোনার বাংলা গড়তে প্রতি মাসে নতুন লাইন নির্মাণ এবং বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম সারাদেশে ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হচ্ছে। বোর্ডের  চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন এর গতিশীল নেতৃত্ব, বলিষ্ঠ পদক্ষেপ, নিষ্ঠা, আন্তরিকতা, সততা এবং ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এই বিপুল সংখ্যক গ্রাহককে বিদ্যুৎ সুবিধা প্রদান করা সম্ভব হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
বাংলাদেশ এবং রাশিয়ার মধ্যে স্পেন্ট নিউক্লিয়ার ফুয়েল ফেরত নেওয়া সংক্রান্ত চুক্তি সই
আগস্ট ৩০, ২০১৭ বুধবার ১১:২২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশ ও রাশিয়া সরকারের মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্পেন্ট নিউক্লিয়ার ফুয়েল (ব্যবহৃত পারমাণবিক জ্বালানি) রাশিয়ায় ফেরত নিয়ে যাওয়া সংক্রান্ত একটি আন্তঃসরকার চুক্তি সই হয়েছে। বুধবার (৩০ আগস্ট) রাশিয়ার মস্কোতে স্বাক্ষরিত ওই চুক্তিতে সই করেন-বাংলাদেশের পক্ষে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান এবং রাশিয়ার পক্ষে স্টেট অ্যাটমিক এনার্জি কর্পোরেশন রোসাটম-এর মহাপরিচালক অ্যালেস্কেই লিখাশেভ। চুক্তি সইয়ের বিষয়টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তথ্য কর্মকর্তা মোঃ কামরুল ইসলাম ভূইয়া এনার্জিনিউজবিডি ডটকমকে জানিয়েছেন। এ সময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন, রাশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. সাইফুল হক, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক ড. শৌকত আকবর এবং রোসাটম এর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে গত ১৫ মার্চ ২০১৭ ঢাকায় চুক্তিটি অনুস্বাক্ষরিত হয় এবং গত ৫ জনু ২০১৭ বাংলাদেশের মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে অনুমোদিত হয়। এই চুক্তির আওতায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পারমাণবিক বর্জ্য বাংলাদেশ থেকে রাশিয়া তাদের দেশে ফেরত নিয়ে যাবে। রাশিয়া এই পারমাণবিক বর্জ্য ফেরত নেওয়ার পর পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ এবং পুনঃপ্রক্রিয়াজাত পদার্থের ব্যবস্থাপনাসহ বর্জ্য সংরক্ষণ করবে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের শুরু থেকেই বাংলাদেশ পারমাণবিক বর্জ্য রাশিয়ায় ফেরত পাঠানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে। এ বিষয়টি ২০১১ সালে স্বাক্ষরিত আন্তঃসরকার চুক্তিতেও উল্লেখ ছিল। এদিকে, রোসাটমের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের স্পেন্ট নিউক্লিয়ার ফুয়েল ট্রিটমেন্ট (পরিশোধন) সংক্রান্ত একটি আন্তঃসরকার চুক্তিও প্রস্তুত করা হয়েছে। নিয়মানুযায়ী উভয় দেশের সরকার চুক্তিটি অনুমোদন করেছে। আন্তঃসরকার চুক্তির ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যতে একটি বাণিজ্যিক চুক্তি প্রস্তুত ও সই করার পরিকল্পনা রয়েছে। রুশ প্রযুক্তিনির্ভর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ যৌথ উদ্যোগ প্রকল্প যার মাধ্যমে দেশটি পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারকারী বিশ্বের অপারাপর দেশগুলোর কাতারে শামিল হওয়ার সুযোগ লাভ করবে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রদান করে আসছে। পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে প্রতিটি ১,২০০ মেগাওয়াট করে দুটি ইউনিটে মোট ২,৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের কাজ চলছে। অ্যালেস্কেই লিখাশেভ তার বক্তব্যে জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে প্রতিটি ন্যূনতম ১,২০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ২টি ভিভিইআর রি-অ্যাক্টর স্থাপিত হবে। রাশিয়া কর্তৃক অফারকৃত ভিভিইআর-১২০০ একটি আধুনিক ৩+ প্রজন্মের প্রকল্প; যা ফুকুশিমা পরবর্তী সকল নিরাপত্তা মান এবং আন্তর্জাতিক বিধির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। তিনি আরো বলেন, এই চুক্তিটি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। নির্মাণ কাজ শুরুর পূর্বেই এটি আমাদের দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায়।
ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার
ভারতীয় কোম্পানির ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কিনতে চুক্তি সই করেছে বিপিডিবি
আগস্ট ২৮, ২০১৭ সোমবার ০৯:৪৫ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ভারতীয় একটি বেসরকারি কোম্পানির অর্থায়নে নির্মিতব্য ২২০ মেগাওয়াটের দ্বৈত জ্বালানির বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কিনতে চুক্তি সই করেছে। ভারতের শাপুরজি পালোনজি গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান নতুন বিদ্যুৎ (বাংলাদেশ) লিমিটেড ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার হিসেবে ভোলার বোরহানউদ্দিনে প্রায় ১৯ একর জমিতে ওই বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করবে। সোমবার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে বিপিডিবি এর সচিব মিনা মাসুদ উজ-জামান ও নতুন বিদ্যুৎ লিমিটেডের পরিচালক জে সিনহা মহাপাত্র বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিতে সই করেন। ২২ বছর মেয়াদি ওই চুক্তির আওতায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে। বিপিডিবি গ্যাসে উৎপাদিত বিদ্যুৎ কিনবে প্রতি ইউনিট ৩ দশমিক ৯৮৩০ সেন্টে আর ডিজেল থেকে উৎপাদিত প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ কিনবে ১৬ দশমিক ৯৬২১ সেন্টে। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, নিরাপদ ও উপযোগী পরিবেশের জন্য বিশ্বের বড় বড় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে বিনিয়োগের আগ্রহ দেখাচ্ছে। জার্মানী, সুইডেনসহ ইউরোপীয়ান দেশ সমূহও বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ করতে ইচ্ছুক। তিনি আরো বলেন, ভারতের শতভাগ বেসরকারি  বিনিয়োগে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি তৈরী হচ্ছে। বিদ্যুতের চাহিদা কাঙ্খিত হারের চেয়েও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এজন্য বছরে প্রায় ২,০০০ মেগাওয়াট অতিরিক্ত বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে। এ চাহিদা পূরণে বিদ্যুৎ খাতের সাথে সংশ্লিষ্টদের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত রাখা হবে।   দ্বৈত জ্বালানিনির্ভর ওই কেন্দ্রে  জ্বালানি হিসেবে গ্যাস ব্যবহার হলে ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে আর এইচএসডি বা ডিজেল জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করলে উৎপাদিত হবে ২১২ মেগাওয়াট। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে দেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস, পেট্রোবাংলার চেযারম্যান আবুল মনসুর মোহাম্মদ ফয়জুল্লাহ এবং শাপুরজি পালোনজি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুকুন্দন শ্রী নিবাসন।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
রূপপুর প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনে রাশিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা
আগস্ট ২১, ২০১৭ সোমবার ১১:০১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
রাশিয়া পরমাণু বিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যয়নরত ৩৪ জন শিক্ষার্থীর একটি প্রতিনিধিদল গত ২০ আগস্ট নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছে। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন আয়োজিত দিনব্যাপী কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের প্রকল্প এলাকার বিভিন্ন অংশে চলমান কর্মকাণ্ড ঘুরে দেখানো ও ব্যাখ্যা করা হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এতে বলা হয়, বাৎসরিক গ্রীষ্মের ছুটিতে এ সব শিক্ষার্থী বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। পরমাণু শক্তি কমিশন ও প্রকল্প কর্মকর্তারা তাদের দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বাস্তবায়ন সম্পর্কে বিশদভাবে অবহিত করেন। ভবিষ্যতের পরমাণু বিশেষজ্ঞদের নির্মাণাধীন প্রকল্প সম্পর্কে ব্যবহারিক জ্ঞান প্রদান করাই ছিল এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।  রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক ড. শৌকত আকবর জানান, দেশে একটি উন্নত ও টেকসই পারমাণবিক অবকাঠামো নির্মাণে প্রয়োজন দক্ষ জনশক্তি। বাংলাদেশ সরকার সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, রাশিয়ায় বর্তমানে পরমাণু বিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা তাদের যোগ্যতার বলে দেশের প্রথম পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে কাজ করার এবং অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগ পাবেন। প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন শেষে রাশিয়ার মেফির (মস্কো ইঞ্জিনিয়ারিং ফিজিক্স ইনস্টিটিউট) নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রথমবর্ষের ছাত্রী জাইমা হক তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, ‘দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে কাজ করার সুযোগ পেলে নিজেকে গর্বিত মনে করব। আমি আমার জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও মেধা দিয়ে দেশের পরমাণু শিল্পের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখতে চাই।’ একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর কোর্সে অধ্যয়নরত মাসুদুর রহমান বলেন, ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প আমাদের সবার জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। এর মাধ্যমে আমরা বিশ্বের নিউক্লিয়ার এলিট ক্লাবে প্রবেশ করতে যাচ্ছি। প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি অত্যন্ত সন্তোষজনক এবং আশা করছি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এ কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে। এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হতে পারলে দেশের স্বার্থে আমি নিজেকে পুরোপুরিভাবে বিলিয়ে দেব।’ পরমাণু শিল্পে মানবসম্পদ তৈরির অংশ হিসেবে এবং একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় বর্তমানে রাশিয়ার বিখ্যাত ন্যাশনাল রিসার্চ নিউক্লিয়ার ইউনিভার্সিটি- মেফি’তে বর্তমানে ৪৩ জন বাংলাদেশি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষা লাভ করছেন। চুক্তি মোতাবেক প্রতি বছর পরমাণু বিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যয়নের জন্য রুশ সরকার মেধাবী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন রসাটমের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান এএসই গ্রুপ অব কোম্পানিজ পাবনা জেলার রূপপুরে বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে। প্রকল্পে সর্বাধুনিক ৩+ প্রজন্মের দুটি বিদ্যুৎ ইউনিট থাকবে, যার প্রতিটির উৎপাদন ক্ষমতা হবে ১২,০০ মেগাওয়াট। খুব শিগগিরই মূল প্রকল্পের নির্মাণ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার
‘বাংলাদেশের সাথে মায়ানমারের বিদ্যুতের আন্তঃগ্রীড সংযোগ হলে উভয় দেশ উপকৃত হবে’
আগস্ট ১৬, ২০১৭ বুধবার ১২:১৩ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে এক দ্বি-পাক্ষিক সভা গত ১৪ আগস্ট মায়ানমারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের পক্ষে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বলে মন্ত্রনালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।  অন্যদিকে মিয়ানমারের পক্ষে সাত সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন মায়ানমারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইউ উইং খাইং।  আলোচনাকালে প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ  বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানো গেলে উভয় দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি আরো মজবুত হবে। সমুদ্র সীমানার শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য মায়ানমারকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও মায়ানমার দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সেতু-বন্ধন হতে পারে। বিদ্যুৎ শেয়ারিং প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো দৃঢ় করবে। প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে যে উন্নয়ন চলছে তা অব্যাহত রাখতে অনেক বিদ্যুৎ প্রয়োজন। মায়ানমার বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ও গ্যাস রপ্তানি করতে পারে। বাংলাদেশের সাথে মায়ানমারের বিদ্যুতের আন্তঃগ্রীড সংযোগ করা গেলে উভয় দেশ উপকৃত হবে। বাংলাদেশ চীন থেকে বিদ্যুৎ নিতে পারবে আর অন্যদিকে মায়ানমারের সাথে চীন ও অন্যান্য আসিয়ান দেশের সাথে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবসা বৃদ্ধি পাবে। যা প্রকারান্তে বিমসটেক ও বিসিআইএম এর মতো সংস্থাকে গতিশীল করবে।  বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী এ সময় মায়ানমারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ও উপমন্ত্রীকে বাংলাদেশে সফরের জানিয়ে বলেন, সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো সুনির্দিষ্ট করতে প্রতিনিধি দল পাঠানো যেতে পারে। মায়ানমারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইউ উইং খাইং একসাথে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণ করতে হবে ।  বিদ্যুৎ শেয়ারিং ও গভীর সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধানে কারিগরী সহযোগিতা প্রদানে আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, ভারতের সাথে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ শেয়ারিং এর অভিজ্ঞতা আমাদের কাজে লাগতে পারে। তিনি বিদ্যুৎ শেয়ারিং এর কার্যবলি  এগিয়ে নিতে জয়েন্ট  ওয়ার্কিং কমিটি গঠনের প্রস্তাব করেছেন। মায়ানমারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপমন্ত্রী ডঃ তুন লাইং এ সময় উপস্থিত ছিলেন।  বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন মায়ানমারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ শফিউর রহমান, পিডিবি’র সদস্য (কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স) মোস্তাফিজুর রহমান, পিজিসিবি’র নির্বাহী পরিচালক চৌধুরী আলমগীর হোসেন ও বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্মসচিব মোঃ আলাউদ্দিন।    
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘ডিজেল ও ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বেসরকারি খাতে আরো ১০ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের অনুমোদন’
আগস্ট ১০, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ০১:২২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে বেসরকারি খাতে নতুন করে ডিজেল ও ফার্নেস অয়েল ভিত্তিক আরো ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। বুধবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো স্থাপনে চুক্তি সম্পাদনের অনুমোদন, মেয়াদ ও ট্যারিফ মূল্য চূড়ান্ত করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, নতুন এই ইন্ডিপেডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসারের ডিজেল চালিত প্লান্টভেদে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ক্রয় করতে সরকারের খরচ হবে ১৯ টাকা ৬৬ পয়সা থেকে ১৯ টাকা ৯৯ পয়সা। আর ফার্নেস অয়েল চালিত প্লান্ট থেকে ইউনিট প্রতি খরচ হবে ৮ টাকা ২৫ পয়সা থেকে ৮ টাকা ৩৭ পয়সা। ১০টি কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রায় ১,৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯৬৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে ফার্নেস অয়েল ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে। বাকি ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে ডিজেল ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মধ্যে ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জে ৩০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করবে এপিআর এনার্জি লিমিটেড। এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মেয়াদ হবে ৫ বছর। এ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের কিলোওয়াট ঘণ্টা ট্যারিফ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯.৯৯ টাকা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জে ১৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানির সহযোগী প্রতিষ্ঠান মিডল্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড। এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মেয়াদ হবে ১৫ বছর। এ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের কিলোওয়াট ঘণ্টা ট্যারিফ নির্ধারণ করা হয়েছে ৮.২৫ টাকা। কেরানীগঞ্জে আরেকটি ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ডিজেলভিত্তিক আইপিপি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করবে এগ্রিকো ইন্টারন্যাশনাল প্রজেক্ট লিমিটেড। এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মেয়াদ হবে ৫ বছর। এ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের কিলোওয়াট ঘণ্টা ট্যারিফ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯.৬৬ টাকা। চট্টগ্রাম জেলার জুলদায় ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ফার্নেস অয়েলভিত্তিক আইপিপি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করবে  একর্ন ইনফ্রাস্ট্রাকচার সার্ভিসেস লিমিটেড। এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মেয়াদ হবে ১৫ বছর। এ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের কিলোওয়াট ঘণ্টা ট্যারিফ নির্ধারণ করা হয়েছে ৮.২৫ টাকা। যশোর জেলার নোয়াপাড়ায় ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ডিজেলভিত্তিক আইপিপি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করবে বাংলা ট্রাক লিমিটেড। এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মেয়াদ হবে ৫ বছর। এ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের কিলোওয়াট ঘণ্টা ট্যারিফ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯.৯৯ টাকা। কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দিতে ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ডিজেলভিত্তিক আরেকটি আইপিপি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করবে বাংলা ট্রাক লিমিটেড। এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মেয়াদ হবে ৫ বছর। এ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের কিলোওয়াট ঘণ্টা ট্যারিফ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯.৯৯ টাকা। গাজীপুর জেলার কড্ডায় ৩০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ফার্নেস অয়েল ভিত্তিক আইপিপি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান কনসোডিয়াম অব সামিট করপোরেশন লিমিটেড এবং সামিট পাওয়ার লিমিটেড। এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মেয়াদ হবে ১৫ বছর। এ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের কিলোওয়াট ঘণ্টা ট্যারিফ নির্ধারণ করা হয়েছে ৮.৩৩ টাকা। বগুড়া জেলায় ১১৩ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ফার্নেস অয়েল ভিত্তিক আইপিপি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান কনফিডেন্স পাওয়ার লিমিটেড। কেন্দ্রটির মেয়াদ হবে ১৫ বছর। এ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের কিলোওয়াট ঘণ্টা ট্যারিফ নির্ধারণ করা হয়েছে ৮.৩৩ টাকা। খুলনার লবণছড়ায় ১০৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ফার্নেস অয়েল ভিত্তিক আইপিপি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করবে ওরিয়ন পাওয়ার মেঘনাঘাট লিমিটেড। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মেয়াদ হবে ১৫ বছর। এ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের কিলোওয়াট ঘণ্টা ট্যারিফ নির্ধারণ করা হয়েছে ৮.৩৩ টাকা। আর চাঁদপুর জেলায় ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ফার্নেস অয়েল ভিত্তিক আইপিপি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করবে দেশ এনার্জি লিমিটেড। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মেয়াদ হবে ১৫ বছর। এ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের কিলোওয়াট ঘণ্টা ট্যারিফ নির্ধারণ করা হয়েছে ৮.৩৭ টাকা।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘সরকার গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি করে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে’
আগস্ট ১০, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ১২:২৬ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে সরকার তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির পাশাপাশি গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছেবলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। বুধবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে পেট্রো সেন্টারে আয়োজিত এক সেমিনারে একথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, ‘এলএনজি আমদানির পাশাপাশি সারা দেশে গ্যাস আহরণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’ জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস-২০১৭ উপলক্ষে বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এই সেমিনারের আয়োজন করে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব নাজিম উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ ও বিপিসি চেয়ারম্যান আবু হেনা রহমাতুল মুনিম বক্তব্য রাখেন। সেমিনারে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের ম্যানেজার কাজী মো. আনোয়ারুল আজিম ‘এলএনজি এজ প্রাইমারী এনার্জি: বাংলাদেশ প্রসপেক্টিভ’ এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের উপ-সচিব ড. মনিরুজ্জামান ‘অয়েল পাইপলাইন : টু এনশিওর আনইন্টারাপটেড অয়েল সাপ্লাই ফর এনার্জি সিকিউরিটি শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। উপদেষ্টা বলেন, সরকার সাগরের মধ্যেও গ্যাস আহরণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। স্বাধীনতার পর ১৯৭৫ সালের ৯ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ৫টি গ্যাসক্ষেত্র চিহ্নিত করাকে মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে নাজিমউদ্দিন চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। এর আগে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের নিহত অধিকাংশ সদস্যের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
জ্বালানি খাতে সুষম উন্নয়ন করা হবে: নসরুল
আগস্ট ০৭, ২০১৭ সোমবার ১১:৩১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
প্রাকৃতিক গ্যাস ক্রম হ্রাসমান হলেও বিকল্প জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিত করে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছেবলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। সোমবার সোনারগাঁও হোটেলে গ্যাস সেক্টর মাস্টার প্ল্যানের খসড়া উপস্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, পরিকল্পনা মাফিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার করে সুষম উন্নয়ন করা হবে। গভীর-অগভীর সমুদ্রে এবং স্থলভাগে গ্যাস অনুসন্ধানের কাজ জোরদার করা হয়েছে। তিনি বলেন, পাওয়ার সিস্টেম মাস্টার প্ল্যান করা হয়েছে। এতে চাহিদা, সরবরাহ এবং সম্ভাব্য প্রাপ্তির উৎস, অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, ক্লিন এনার্জি বা বৈশ্বিক অবস্থা নিয়ে বিস্তারিত বলা আছে। এটিকে ম্যাগনাকার্টা উল্লেখ করে তিনি বলেন, খাতভিত্তিক গ্যাসের চাহিদা নিরূপণ করে গ্যাস সরবরাহের উদ্যোগ নেয়া হবে। ইকিউএমএস কনসাল্টিং লিমিটেডের সহায়তায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ডেনমার্কের র‌্যাম্বর কোম্পানি, ডেনমার্কের ভূতত্ব জরিপ অধিদপ্তর এ মাস্টার প্ল্যান করছে। এখানে চাহিদা ও সরবরাহ বিশ্লেষণ, সাশ্রয়ী মূল্যে গ্যাস সরবরাহের উপায়, সঞ্চালন অবকাঠামো নির্মাণ পরিকল্পনা ও আইনগত রীতি-নীতি বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ডেনমার্কের রাষ্ট্র্রদূত মিকায়েল উইন্থার, পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ ও র‌্যাম্বল কোম্পানির পরিচালক সোরেন লভস্ট্যাড ক্রিসটেনসেন বক্তব্য রাখেন।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
    সাম্প্রতিক এনার্জি বিডি এর খবর
‘সরকার গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি করে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে’
জ্বালানি খাতে সুষম উন্নয়ন করা হবে: নসরুল
কঠোর শাস্তির বিধান রেখে মন্ত্রিসভায় বিদ্যুৎ আইন অনুমোদন
রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ অব্যাহত থাকবে: তৌফিক-ই-ইলাহী
আবাসিকে দ্বিতীয় ধাপে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি অবৈধ: হাইকোর্ট রায়
আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দৈনিক ৪ হাজার এমএমসিএফ গ্যাস আমদানি করবে সরকার
‘গ্রাহকদেরকে দ্রুত, ঝামেলা মুক্ত ও ডিজিটাল সেবা প্রদানে কাজ করছে বিদ্যুৎ বিভাগ’
ভারত থেকে কেনা ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির মেয়াদ বাড়ছে
সৈয়দপুরে ১৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ডিজেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে
‘১% সিস্টেম লস কমানো গেলে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের বছরে ১৫০ কোটি সাশ্রয় হবে’
‘পটুয়াখালীতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করবে আশুগঞ্জ কোম্পানী’
রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যাপারে ইউনেস্কোর আপত্তি প্রত্যাহারে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে ১২টি দেশ : জ্বালানি উপদেষ্টা
রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বিষয়ে আপত্তি তুলে নিল ইউনেস্কো
‘এনার্জিপ্যাক জি-গ্যাস এলপিজি শিগগিরই বাজারে আসছে’
এলএনজি আমদানির জন্য সুইজারল্যান্ডের এওটি এনার্জির সাথে পেট্রোবাংলার সমঝোতা স্মারক সই
পায়রা’র বিদ্যুৎ গ্রিডে দিতে পটুয়াখালী-গোপালগঞ্জ ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন নির্মাণ হচ্ছে
‘টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু’
‘২০১৮ সালের পর থেকে রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ হচ্ছে’
এসডিজি বাস্তবায়নে আইএইএ এর সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
‘দীঘিপাড়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলনে সম্ভাব্যতা জরিপের জন্য চুক্তি সই’
চট্টগ্রামের ৭ লাখ বিদ্যুৎ গ্রাহক প্রি-পেইড মিটারিং এর আওতায় আসছে
‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র একটি স্বপ্নের বাস্তবায়ন’ সংকলনগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন
‘শনিবার থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে’
‘বিদ্যুতের লোডশেডিং চলছে’
‘রমজানে নিরবছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ রাখার সুপারিশ’
‘৬,৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা’
পিজিসিবি’র তত্ত্বাবধানে ডেসকো’র ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইন প্রতিস্থাপন হচ্ছে
‘দুর্নীতিবাজদের দৌরাত্ম্য বন্ধে ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে বিশেষ প্রচারণা শুরু’
বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন ‘ট্রিপ’ এর কারণ খুঁজতে তদন্ত কমিটি
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy

   Editor & Publisher: Aminur Rahman
   Copyright @ 2015-2017 energynewsbd.com
   All Rights Reserved | Developed By: Jadukor IT