ঢাকা, সোমবার, জুন ১৮, ২০১৮, আষাঢ় ৪, ১৪২৫ ১১:২৪ পিএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
এনার্জি বিডি
‘৪০০ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণে পদ্মা নদী ক্রসিং এর কাজ শুরু হচ্ছে’
নির্মাণাধীন আমিনবাজার-মাওয়া-মংলা ৪০০ কেভি ডবল সার্কিট বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের পদ্মা নদী ক্রসিং স্থানের কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি) আগামী ৩০ মাসের মধ্যে কাজটি শেষ করবে। এজন্য ভারতীয় প্রতিষ্ঠান কেইসি ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডকে  টার্নকী ঠিকাদার নিয়োগ করেছে পিজিসিবি। গত ১২ জুন পিজিসিবি’র প্রধান কার্যালয়ে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চুক্তি সই হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। চুক্তিপত্রে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সঞ্চালন লাইনটির সাড়ে সাত কিলোমিটার দীর্ঘ রিভারক্রসিং অংশের কাজ শেষ করে পিজিসিবি’র কাছে হস্তান্তর করতে হবে। এ নির্মাণ কাজে ব্যয় হবে প্রায় ১২৩ কোটি টাকা। উন্নয়ন সহযোগী এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাংক, বাংলাদেশ সরকার এবং পিজিসিবি সম্মিলিতভাবে এ কাজে অর্থায়ন করছে। পিজিসিবি’র গৃহীত আমিনবাজার-মাওয়া-মংলা ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন প্রকল্প’র আওতায় কাজটি করা হচ্ছে। আমিনবাজার-মাওয়া-মংলা সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে রামপাল এবং পায়রায় নির্মাণাধীন বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোয় উৎপাদিতব্য বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে সঞ্চালন করা হবে। সঞ্চালন লাইনটির রিভারক্রসিংয়ের জন্য পদ্মা নদীতে সাতটি উঁচু টাওয়ার স্থাপন করতে হবে। সেতু নির্মাণ কর্তৃপক্ষ টাওয়ারসমূহ স্থাপনের জন্য নদীতে বেজলাইন তৈরি করে দিচ্ছে। অনুষ্ঠানে পিজিসিবি’র পক্ষে কোম্পানী সচিব মোঃ আশরাফ হোসেন এবং কেইসি’র পক্ষে কান্ট্রি হেড কুলদ্বীপ কুমার সিনহা চুক্তিপত্রে সই করেন। পিজিসিবি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম-আলবেরুনী দ্রুততার সঙ্গে কাজ শেষ করতে কেইসি কর্মকর্তাদের প্রতি তাগিদ দেন। পিজিসিবি’র নির্বাহী পরিচালক মোঃ শাফায়েত হোসেন ও মোঃ এমদাদুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক আব্দুল মোনায়েম চৌধুরী, কেইসি’র প্রজেক্ট ম্যানেজার অরুদ্র নাথ, সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার সুনীল কুমার সহ উভয়পক্ষের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।  
‘আগামী ৮ দিনের মধ্যে এলএনজি জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে’
জুন ১১, ২০১৮ সোমবার ০৮:১৩ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
আগামী আট দিনের মধ্যে আমদানিকৃত এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে বলে জানিয়েছেন পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ। সোমবার ঢাকায় কারওয়ানবাজারে টিসিবি ভবনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশনের কাছে গ্যাসের সঞ্চালন ট্যারিফ বাড়ানোর বিষয়ে গনশুনানীর আগে বক্তব্যে একথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, এলএনজি আমদানি করে আমরা লাভ করতে চাই না। যা খরচ হবে সেই দাম পেলে আমরা সন্তুষ্ট থাকবো। এজন্য যৌক্তিকভাবে গ্যাসের দাম বাড়ানো যেতে পারে। তবে কি পরিমাণ এলএনজি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে তা উল্লেখ করেননি তিনি। এরপর পেট্রোবাংলার মহাব্যবস্থাপক নজরুল ইসলাম তার উপস্থাপনায় আমদানিকৃত এলএনজি জাতীয় গ্যাস গ্রিডে যোগ হলে কেমন প্রভাব পড়বে তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আমদানিকৃত এলএনজি এর মূল্য প্রতি হাজার ঘনফুট ৮ দশমিক ৫০ ডলার বিবেচনা করে দেশীয় উৎপাদিত গ্যাসের সাথে মিশ্রণ করা হলে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের বিক্রয়মূল্য দাঁড়াবে ১২ টাকা ৮৯ পয়সা। আর যদি আমদানিকৃত এলএনজি এর মূল্য প্রতি হাজার ঘনফুট ১০ দশমিক ৭৬ ডলার বিবেচনা করে দেশীয় উৎপাদিত গ্যাসের সাথে মিশ্রণ করা হলে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের বিক্রয়মূল্য দাঁড়াবে ১৫ টাকা। উভয়ক্ষেত্রে সাপ্লিমেনটারি ডিউটি অব্যাহতি বিবেচনা করে এলএনজি বিক্রয়মূল্যের হিসাব করা হয়েছে বলে জানান তিনি।  
ক্যাটাগরি: গ্যাস
‘এলএনজি সরবরাহে প্রতি ঘনমিটারে ১৮ পয়সা সঞ্চালন চার্জ বৃদ্ধি চায় জিটিসিএল’
জুন ১১, ২০১৮ সোমবার ০৫:২৫ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
আমদানিতব্য এলএনজি সরবরাহের কারণ দেখিয়ে গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড(জিটিসিএল)গ্যাস সঞ্চালন চার্জ ২০১৮-১৯ অর্থবছর থেকে প্রতি ঘনমিটারে ১৮ পয়সা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে। সোমবার ঢাকায় কারওয়ানবাজারে টিসিবি ভবনে গ্যাসের সঞ্চালন ট্যারিফ বাড়ানোর গনশুনানীকালে এক প্রস্তাবে জিটিসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আলী মো. আল-মামুন এ দাবি জানান। গত ১৮ মার্চ জিটিসিএল এর এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশন (বিইআরসি)ওই শুনানীর আয়োজন করে। ওই আবেদনে জিটিসিএল সঞ্চালন চার্জ প্রতি ঘনমিটার শূন্য দশমিক ২৬৫৪ টাকা থেকে ৬৮.৬৫ শতাংশ বাড়িয়ে শূন্য দশমিক ৪৪৭৬ টাকা করার প্রস্তাব করে। তবে বিইআরসি’র আবেদনপত্র মূল্যায়ন কমিটি ওই প্রস্তাবে সম্মতি না দিয়ে তারা প্রতি ঘনমিটার গ্যাস সঞ্চালনে শূন্য দশমিক ১০২৭ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে। বিইআরসির চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম, সদস্য(পেট্রোলিয়াম)রহমান মুরশেদ, সদস্য (প্রশাসন) মাহমুদুল হক ভূঁইয়া, সদস্য (গ্যাস) মোঃ আবদুল আজিজ খান এবং সদস্য (বিদ্যুৎ) মোঃ মিজানুর রহমান শুনানী গ্রহণ করেন। এছাড়া শুনানীতে অংশ নেন কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র (ক্যাব) জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক বদরুল ইমাম, বুয়েটের সাবেক অধ্যাপক নরুল ইসলাম, জিটিসিএল এর উপ-মহাব্যবস্থাপক শাফায়েতুর রহমানসহ অনেকে। দেশের একমাত্র গ্যাস সঞ্চালনকারী প্রতিষ্ঠান জিটিসিএল এর উপ-মহাব্যবস্থাপক শাফায়েতুর শুনানীতে বলেন, ক্রমহ্রাসমান দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন এবং দেশে গ্যাসের উত্তরোত্তর চাহিদা বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করে বিভিন্ন খাতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের লক্ষ্যে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। আমদানিতব্য এলএনজি এর মূল্য প্রতি হাজার ঘনফুট ৮ দশমিক ৫০ ডলার বিবেচনা করে দেশীয় উৎপাদিত গ্যাসের সাথে মিশ্রণ করা হলে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের বিক্রয়মূল্য দাঁড়াবে ১২ টাকা ৯৫ পয়সা। মিশ্রিত গ্যাসের মোট পরিমাণ হবে ৩,৬৯০ এমএমসিএফডি, যার মধ্যে ১০০০ এমএমসিএফডি এলএনজি। ১২ টাকা ৯৫ পয়সা মূল্যহার নির্ধারণের ক্ষেত্রে সঞ্চালন চার্জ শূন্য দশমিক ৪২২৫ টাকা বিবেচনা করা হয়েছে। এই সঞ্চালন চার্জ এবং অন্যান্য ব্যয়সহ ২০১৮-১৯ অর্থবছর থেকে শূন্য দশমিক ৪৪৭৬ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। জিটিসিএল এর ওই প্রস্তাবের বিরোধীতা করে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র (ক্যাব) জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, এলএনজি অবকাঠামো নির্মাণ এখনো শেষ হয়নি। এলএনজি কবে গ্রিডে যোগ হবে তাও ঠিক নেই। তাই এলএনজি’র সরবরাহের উপর ভিত্তি করে সঞ্চালন চার্জ নির্ধারণ করার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক বদরুল ইমাম বলেন, এলএনজি খুবই ব্যয়বহুল জ্বালানি। বাংলাদেশ এই জ্বালানির ব্যয় বহন করতে পারবে কি না তা ভেবে দেখা উচিত। অন্যদিকে, মঙ্গলবার থেকে বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিতরণ চার্জ এবং ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের উপর শুনানী হবে। ১২ জুন তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড, ১৯ জুন কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড, ২০ জুন পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড ও বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড এবং ২১ জুন সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড ও জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেডের বিতরণ চার্জ ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ওপর শুনানি হবে।  
ক্যাটাগরি: গ্যাস
‘স্থলভাগে ১০৮টি গ্যাস কূপ খনন করা হবে’
জুন ০৬, ২০১৮ বুধবার ০৩:৪৩ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্যাস অনুসন্ধানকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। এলএনজি সরবরাহ, স্থলভাগে নতুন গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য ১০৮টি কুপ খনন, প্রাকৃতিক গ্যাসের বিকল্প হিসেবে এলপিজি’র ব্যবহার সম্প্রসারণ ইত্যাদি কার্যক্রম দ্রুততার সাথে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকায় সোনারগাঁও হোটেলে শেভরন বাংলাদেশ আয়োজিত ‘স্টেক হোল্ডার ইভেন্ট’ এ বক্তব্য কালে এ কথা বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার যে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা নিয়েছে তা পরিকল্পনা মাফিক এগুচ্ছে। ইতোমধ্যে ৯০ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে। চর এলাকায় সোলার হোম সিষ্টেম ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সরকার বিশেষ ভতুর্কী দেয়ায় ৫২ লক্ষ সোলার হোম সিষ্টেম স্থাপিত হয়েছে। তিনি এ সময় শেভরনের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা আরো নিশ্চিত করতে সব অপারেটরদের সাথে নতুন নতুন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করতে হবে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোঃ রাহমাতুল মুনিম, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মোঃ ফয়জুল্লাহ, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মিজ মার্সিয়া বার্নিকাট  ও শেভরন বাংলাদেশের সদ্য বিদায়ী প্রেসিডেন্ট কেভিন লিয়ন  বক্তব্য রাখেন। এ সময় শেভরন বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রেসিডেন্ট নেইলি মেনজিসকে সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
খুলনায় ৮শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রকল্প একনেক সভায় উপস্থাপনের অপেক্ষায়
মে ২১, ২০১৮ সোমবার ১২:০৯ পিএম - বাসস
দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস লিমিটেডের পরিত্যক্ত জমিতে সরকার ৮শ’ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের একটি বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ রোববার বলেন, ‘সরকার দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে অনেকগুলো প্রকল্প গ্রহণ করেছে। যার মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।’ সূত্র জানায়, কমিশন ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগের ‘কন্সট্রাকশন অব রূপসা ৮০০ মেগাওয়াট কমবাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্লান্ট’ শীর্ষক খসড়া প্রকল্পটি পর্যালোচনা করেছে এবং মঙ্গলবার অনুষ্ঠেয় একনেকের বৈঠকে তা উপস্থাপন করা হতে পারে। প্রতিমন্ত্রী জানান, বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড (এনডব্লিউপিজিসিএল) ৮ হাজার ৪৯৮.৬৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০২২ সালের মধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। মোট প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক (আইডিবি) এবং জাপান ফান্ড ফর পোভার্টি রিডাকশন (জেএফপিআর) প্রকল্প সহায়তা হিসেবে ৫ হাজার ৯৮৭.৮৭ কোটি টাকা প্রদান করবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ৫০ কোটি টাকা এবং অবশিষ্ট ২ হাজার ৪৬০.৭৭ কোটি টাকা সরকার বহন করবে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘এলপিজি ব্যবহারকারীরা বীমার আওতায় আসছে’
মে ১২, ২০১৮ শনিবার ১০:৪৩ এএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশে এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) ব্যবহারকারীদের বীমার আওতায় আনার পরিকল্পনা করেছে সরকার। এ গ্যাসের ব্যবহার কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় বিপণন বিশৃঙ্খলায়  দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, শিগগিরই এ সংক্রান্ত রূপরেখা তৈরি করা হবে। সম্প্রতি জ্বালানি বিভাগে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এলপিজির ব্যবহার এবং এর ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ওই সভায় এলপিজি ব্যবহারকারীদের বীমার আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়। ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, গত কয়েক বছরে এলপিজির ব্যবহার পাঁচ থেকে ছয় গুণ বেড়েছে। আগামীতে আবাসিক খাতে প্রায় শতভাগ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হবে এলপিজি। কিন্তু বিপণন ব্যবস্থায় নিরাপত্তা বিষয়ে এখনও টেকসই আচরণ নিশ্চিত করা যায়নি। তাই এ খাতের গ্রাহকদের বীমা সেবার আওতায় আনা জরুরি। এ বিষয়ে এলপিজি বিপণনকারীদের সঙ্গে মন্ত্রণালয় পৃথক বৈঠক করবে। কোম্পানিগুলোকেই তাদের ভোক্তাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিতে হবে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা। বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের উপসচিব (অপারেশন-২) আকরামুজ্জামান উপস্থাপিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রত্যেকটি কোম্পানি তাদের ভোক্তাদের নিবন্ধন করে একটি ডাটাবেজ তৈরি করবে। এরপর নিবন্ধনকৃত ভোক্তাদের সংশ্লিষ্ট কোম্পানি বীমা সুবিধার আওতায় আনতে পারে। যেন গ্রাহক কোনও দুর্ঘটনার শিকার হলে তিনি ক্ষতিপূরণ পান। এছাড়া এলপিজি ব্যবহারকারীদের সতর্ক হওয়াও জরুরি। সিলিন্ডারের গায়ে খোদাই করে লেখা মেয়াদ দেখে কেনার পাশাপাশি নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। দুর্ঘটনার কারণ ও প্রতিকারের উপায় সম্পর্কে বলা হয়, ব্যবহারকারীদের সচেতন করে তুলতে হবে। এলপিজি বোতল নির্দিষ্ট সময় পরপর পরীক্ষা করার পরামর্শ ছাড়াও আধুনিক সেফটি রেগুলেটর ব্যবহার করতে হবে। পাশপাশি তিন বছর পরপর রেগুলেটর ও প্রতিবছর একবার হোস পাইপ পরিবর্তন করতে হবে। এ ব্যাপারে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, মানুষ রান্নার কাজে বিপুল পরিমাণ এলপিজি ব্যবহার করছে। ব্যবহার বাড়লেও নিরাপত্তার সঠিক সূচক সবাই অনুসরণ করা হচ্ছে না। বিপণন পর্যায়ে যেমন কিছু ত্রুটি রয়েছে তেমনি গ্রাহক পর্যায়েও সচেতনতার অভাব রয়েছে। এলপিজি’র টেকসই ও নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
ক্যাটাগরি: এলপিজি
‘গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবে ১১ জুন থেকে গণশুনানী শুরু’
মে ১১, ২০১৮ শুক্রবার ০৩:১৭ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির কারণেই আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের বছরে ফের বাড়ছে প্রধান জ্বালানি গ্যাসের দাম। গৃহস্থালি এবং বাণিজ্যিক ছাড়া সকল প্রকার গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছে সব বিতরণ কোম্পানি। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আগামী ১১ জুন থেকে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির জন্য গণশুনানির দিন নির্ধারণ করে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। গত ৯ মে জারি করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণশুনানির প্রথম দিন ১১ জুন গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড (জিটিসিএল) এর সঞ্চালন মাসুল বৃদ্ধির প্রস্তাবের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। শুনানি চলবে ২১ জুন পর্যন্ত। পর্যায়ক্রমে ১৩ জুন তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড, ১৪ জুন বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড, ১৮ জুন জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড, ১৯ জুন কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড, ২০ জুন পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড এবং ২১ জুন সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানী লিমিটেডের গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ওপর শুনানি হবে। এবার দাম বাড়বে গ্রিড সংযুক্ত বিদ্যুৎ, নিজস্ব উদ্যোগে স্থাপিত বিদ্যুৎ বা ক্যাপটিভ পাওয়ার, শিল্প, সার কারখানা, সিএনজি এবং চা বাগানের গ্যাসের । গ্যাসের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সঞ্চালন মাসুলও বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এজন্য জিটিসিএল এর মাসুল বৃদ্ধির প্রস্তাবটিও বিবেচনা করা হচ্ছে। এর আগে বিতরণ কোম্পানিগুলো প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম গ্রিড বিদ্যুৎ উৎপাদনে ২০৬ ভাগ বাড়িয়ে ৩ দশমিক ১৬ টাকা থেকে ১০ দশমিক ৪৮ টাকা। ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ উৎপাদনে ৬৬ ভাগ বাড়িয়ে ৯ দশমিক ৬২ টাকা থেকে ১৬ টাকা এবং সার উৎপাদনে ৩৭২ ভাগ বাড়িয়ে ২ দশমিক ৭১ টাকা থেকে ১২ দশমিক ৮০ টাকা বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। শিল্পে ৯৩ ভাগ বাড়িয়ে ৭ দশমিক ৭৬ টাকা থেকে ১৪ দশমিক ৯০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। আর সিএনজিতে ৪০ টাকার গ্যাসের দাম বাড়িয়ে ৪৮ টাকার প্রস্তাব করা হয়েছে। বৃদ্ধির হার ১২০ ভাগ। সরকার গ্যাসের দাম বৃদ্ধির যুক্তি হিসেবে এলএনজি আমদানির উচ্চব্যয় বহনের কথা বলছে। সরকারের পক্ষে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দেয়া সম্ভব নয় বলে জানানো হয়েছে। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে দেশে এলএনজি আমদানি সরবরাহ শুরু হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত বছর ফেব্রুয়ারিতে গ্যাসের দাম গড়ে ২২ দশমিক ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়। একই বছরের মার্চ ও জুলাই থেকে দুই ধাপে তা কার্যকর হয়। বর্তমানে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের গড় মূল্য সাত টাকা ৩৫ পয়সা। বর্তমানে আবাসিক সংযোগে এক চুলার জন্য মাসে ৭৫০ টাকা এবং দুই চুলার জন্য ৮০০ টাকা করে দিতে হচ্ছে গ্রাহককে।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
‘সামিট গাজীপুরে ৩০০ মেগাওয়াটের আরও একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করেছে’
মে ০৯, ২০১৮ বুধবার ০৮:৩২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
গাজীপুরের কড্ডায় নবনির্মিত ফার্নেস অয়েল চালিত ৩০০ মেগাওয়াটের আরও একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করেছে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সামিট গাজীপুর-২ পাওয়ার লিমিটেড। বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, ৩০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এইচএফও(ফার্নেস অয়েল)জ্বালানি ভিত্তিক রেসিপ্রোকেটিং ইঞ্জিনের আরও একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র গত ৫ মে থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করে। বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (বিপিডিবি) এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ কর্তৃক নির্ধারিত ফাস্ট ট্র্যাক এই বিদ্যুৎ প্রকল্পটি মাত্র ৯ মাসের মধ্যে বাস্তবায়িত হলো। এই প্রকল্পটি ২০১৭ সালের ১০ আগস্ট লেটার অফ ইনটেন্ট (এলওআই) পায় এবং মাত্র ৯ মাসের মধ্যে বুধবার ‘১০০ ঘণ্টা রিলায়বিলিটি রান টেস্ট’ এবং ‘ডিপেন্ডেবল ক্যাপাসিটি টেস্ট’ সম্পন্ন করেছে। সামিট গাজীপুর-২ পাওয়ার লিমিটেড, সামিট কর্পোরেশন লিমিটেড এবং সামিট পাওয়ার লিমিটেডের একটি জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানী। কোম্পানীটি এলওআই পাওয়ার পর গত বছরের ১০ ডিসেম্বর যথাক্রমে বিপিডিবি এবং বিদ্যুৎ বিভাগের সাথে ১৫ বছর মেয়াদী বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি (পিপিএ) এবং বাস্তবায়ন চুক্তি (আইএ) সম্পন্ন করে। ঢাকা থেকে ৩০ কিমি দূরে গাজীপুর জেলার কড্ডায় অবস্থিত এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি টংগী এবং কালিয়াকৈর এর গ্রীড সাবস্টেশনে ২৩০ কেভিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
এলএনজি আমদানি করতে ওমান ট্রেডিং এর সঙ্গে চুক্তি সই
মে ০৬, ২০১৮ রবিবার ১১:৫১ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
জ্বালানি সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে এলএনজি ক্রয়ের লক্ষ্যে জি টু জি ভিত্তিতে ওমান থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ওমান ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল (ওটিআই) এর সাথে পেট্রোবাংলা দশ বছর মেয়াদী সেলস অ্যান্ড পারচেজ এগ্রিমেন্ট (এসপিএ) সই করেছে। রোববার পেট্রোবাংলার বোর্ড রুমে  পেট্রোবাংলার পক্ষে সচিব সৈয়দ আশফাকুজ্জামান এবং ওটিআই এর পক্ষে মাহির আল জাদজালি চুক্তিতে সই করেন । ইতোপূর্বে এলএনজি টার্মিনালসমূহে প্রতি বছর নূন্যতম ১.৮ হতে ২.৫ মিলিয়ন টন হারে এলএনজি সরবরাহের জন্য কাতারের রাশগ্যাস এর সাথে ১৫ বছর মেয়াদী চুক্তি করেছে পেট্রোবাংলা। পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মোঃ ফয়েজউল্লাহ এর সভাপত্বিতে উক্ত অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব নাজিমউদ্দিন চৌধুরী, ওটিআই এর প্রতিনিধিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দেশের প্রাথমিক জ্বালানি হিসাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার-কারখানা, শিল্প প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, গৃহস্থালী এবং যানবাহনে ব্যাপকহারে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হচ্ছে। বর্তমানে দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ, উৎপাদন এবং বিদ্যমান চাহিদার মধ্যে সামঞ্জস্য না থাকায় সরকার এলএনজি আমদানির পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এলএনজি আমদানির জন্য কক্সবাজারের মহেশখালিতে ৫০০ এমএমসিএফডি ক্ষমতাসম্পন্ন এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের জন্য এক্সিলারেট এনার্জি বাংলাদেশ লিমিটেড এর সাথে চুক্তি সই হয়েছে। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে এ টার্মিনালের মাধ্যমে এলএনজি আমদানি কার্যক্রম শুরু হবে। কক্সবাজারের মহেশখালিতে সামিট করপোরেশন এর ভাসমান টার্মিনাল এর মাধ্যমে এ বছরের অক্টোবরে এলএনজি আমদানি করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়াও কক্সবাজারের মহেশখালি, কুতুবদিয়া ও পায়রা বন্দরে একাধিক স্থলভিত্তিক এবং ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের জন্য নেগোসিয়েশন শুরু হয়েছে।  
ক্যাটাগরি: গ্যাস
‘মহেশখালীতে ১,৩২০ মেগাওয়াটের আরেকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে’
মে ০৬, ২০১৮ রবিবার ১১:২৮ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
কক্সবাজারের মহেশখালীতে ১,৩২০ মেগাওয়াটের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও চায়না হুয়াদিয়ান হংকং কোম্পানি লিমিটেড (সিএইচডিএইচকে) জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানী গঠন করতে চুক্তি সই করেছে। রোববার রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে বিপিডিবি’র পক্ষে এর সচিব মিনা মাসুদ উজ্জামান এবং চীনের সিএইচডিএইচকে এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াং ঝিহাও চুক্তিতে সই করেন। চুক্তি অনুযায়ী, চীনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ১,৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করবে বিপিডিবি। এজন্য আগামী ৩০ কর্ম দিবসের মধ্যে উভয় পক্ষের ৫০ শতাংশ করে শেয়ারের ভিত্তিতে যৌথ কোম্পানি গঠন করা হবে। কোম্পানি গঠনের পর আগামী ৪৮ মাস থেকে ৫৪ মাসের মধ্যে মহেশখালীতে ২০০ একর জমির ওপর নির্মিত হবে ৬৬০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, দ্রুত আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে প্রয়োজন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ। বিদ্যুৎ উৎপাদনে যথাসময়ে লক্ষ্য পূরণ হলেও সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার আরো উন্নয়ন প্রয়োজন। ন্যাশনাল লোড ডিসপাচ সেন্টার আধুনিক করা হচ্ছে। গ্রাহক সেবার মান বাড়ানোর জন্য বিতরণ সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো হয়েছে বলে জানান তিনি। ভবিষ্যতে কক্সবাজারের মহেশখালীতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি বড় হাব গড়ে তোলা হবে বলে আশা করেন প্রতিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস, বিপিডিবি’র চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ ও চায়না হুয়াদিয়ান কোম্পানির প্রেসিডেন্ট ফাং ঝেং এবং চীনের রাষ্ট্রদূত ঝাং ঝু বক্তব্য রাখেন। 
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
এলএনজি’র ব্যবহারে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ প্রতিমন্ত্রীর
মে ০৩, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ১০:১৬ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি এর দাম দেশীয় প্রাকৃতিক গ্যাসের চেয়ে বেশি হবে বিধায় এই গ্যাস ব্যবহারে অধিক সর্তক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। বৃহস্পতিবার ঢাকা ক্লাবে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ বা এফইআরবি এর আয়োজনে ‘এলএনজি ইমপোর্ট: অপরচুনিটি অ্যান্ড চ্যালেঞ্জস’ শীর্ষক এক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, “কষ্ট অব অপরচুনিটি যেখানে বেশি সেখানেই এই দামী গ্যাস ব্যবহার করা হবে। বর্তমানে প্রতি ঘনমিটার গ্যাস উৎপাদন খরচ ৯ টাকা ২০ পয়সা হলেও সরকার গড়ে ৭ টাকা ৩৯ পয়সায় বিক্রয় করে। এলএনজি সরবরাহ শুরু হলে গ্যাসের মূল্য কিছুটা হয়তো বাড়বে যা বিইআরসি নির্ধারণ করবে।” এলএনজি’র পাশাপাশি এলপিজি ও জ্বালানি তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার উপর গুরুত্ব দেয়া হবে বলে জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ সরবরাহে বিদ্যুৎ বিভাগ দক্ষতার পরিচয় দিলেও গ্যাস সংকট সমাধানে জ্বালানি খাতে  পেশাদারিত্বের ঘাটতি আছে। রাষ্ট্রীয় সংস্থা বাপেক্সকে কার্যকর ও দক্ষ করতে মন্ত্রণালয় উদ্যোগ নিয়েও ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। গত ২৪ এপ্রিল দেশে প্রথমবারের মতো এলএনজিবাহী ভাসমান জাহাজ বাংলাদেশের মহেশখালী দ্বীপাঞ্চলে এসে পৌঁছেছে। চলতি মাসের শেষ দিকে এই গ্যাস জাতীয় সঞ্চালন লাইনে যুক্ত হলে আমদানি মূল্য সমন্বয় করতে দাম বাড়ানোর প্রয়োজন  হবে বলে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আগেই ইঙ্গিত দেওয়া হয়। বুয়েটের অধ্যাপক ম তামিম বলেন, এলএনজি আমদানি নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে বিশেষত গ্যাসচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও শিল্প-কারখানার জন্য। ভবিষ্যতে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ স্থাপন না করে এলএনজি দিয়ে তা চালানোর পরামর্শ দেন তিনি। তেলচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর কারণে বিদ্যুতের মূল্যে বেড়ে যাচ্ছে। বর্তমানে ৩০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলো থেকে যা ক্রমান্বয়ে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনা উচিত বলে মনে করেন তিনি। পেট্রোবাংলার সাবেক চেয়ারম্যান মোক্তাদির আলী বলেন,   জ্বালানি খাতের শৃঙ্খলা আনতে সঞ্চালন পাইপ লাইনগুলো নিয়ে এখনই সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। দেশীয় গ্যাস সম্পদকে কাজে লাগাতে বাপেক্সকে আরো শক্তিশালী করতে হবে। ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা প্রফেসর শামসুল আলম বলেন, জ্বালানি খাতে সীমাহীন চুরি ও দুর্নীতি চলছে। এই দুর্নীতি থামানো না গেলে এই খাত তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত হবে। এরকম দুর্নীতিগ্রস্ত খাতে নতুন করে অধিকমূল্যের এলএনজি যুক্ত হলে তা কী সুযোগ সৃষ্টি করবে, নাকি নতুন চ্যালেঞ্জ হবে সেই প্রশ্ন রাখেন তিনি। বাসাবাড়িতে ১৬ শতাংশ গ্যাস সরবরাহ দেখানো হচ্ছে। অথচ সেখানে ৫ শতাংশের বেশি গ্যাস ব্যবহার হয়না। একইভাবে  শিল্প-কারখানা ও সিএনজি স্টেশনে গ্যাস চুরি হচ্ছে। এই চুরিগুলো ঠেকানো গেলে যে অর্থ সাশ্রয় হবে তা দিয়ে দৈনিক ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি জাতীয় সঞ্চালন লাইনে যুক্ত করা সম্ভব। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ সালেক সুফি বলেন, জ্বালানি খাতের অদক্ষতার উদাহরণ হিসেবে এলএনজি আমদানির দীর্ঘসূত্রিতার কথা উল্লেখ করে বলেন, ২০১০ সালে সিদ্ধান্ত হয়েছিল এলএনজি আনার যা ২০১৩ সালে আসবে বলে ধরা হয়েছিল। তখনও যদি চুক্তি করা যেতো তাহলে অনেক কম দামে এলএনজি আনা যেতো। সুফি বলেন, ২০০৯ সালে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার সময় গ্যাসের উৎপাদন ছিল ১৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট, ঘাটতি ছিল ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এখন উৎপাদন ২৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট হলেও ঘাটতি থাকছে এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট। তাহলে এতো গ্যাস যাচ্ছে কোথায়? পেট্রোবাংলাসহ জ্বালানি খাতে দক্ষ ও কর্মনিষ্ঠ কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।    
ক্যাটাগরি: গ্যাস
‘রমজানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে গ্রীডে ১,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হচ্ছে’
মে ০৩, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ০৮:৩৮ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
আসন্ন রমজানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে চলতি মাসেই জাতীয় গ্রীডে আরো ১,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সংযুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে বিদ্যুৎ ভবনে চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমে ও রমজান মাসে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ কথা বলেন তিনি। সভায় বিদ্যুৎ বিভাগ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, পেট্রোবাংলা, বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা ও দোকান মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন,“রমজানে বিদ্যুৎ সরবরাহ লোড-শেডিং মুক্ত রাখা রাখা হবে। এ মাসে  আলোকসজ্জ্বা যথাসম্ভব কম করে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে নিজে আন্তরিক হয়ে অন্যকে সচেতন করতে সহযোগিতা করুন।” তবে ঢাকা শহরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ থাকলেও পুরান ঢাকার কিছু এলাকায় সাব স্টেশন ও বিতরণ লাইন ওভারলোডের কারণে সাময়িক সমস্যা হতে পারে বলে মনে করেন তিনি। আগামী মাস থেকে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার অভিযান শুরু হবে বলে জানান তিনি। বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস বলেন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ তদারকি করতে কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম স্থাপন এবং বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হবে। বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোছাঃ মাকছুদা খাতুন বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন আগের তুলনায় যথেষ্ট বেড়েছে। তবুও বিদ্যুতের অপচয়রোধ ও সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মোঃ ফয়জুল্লাহ বলেন, বর্তমানে গ্যাসচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে প্রতিদিন ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।চলতি মাসের ২০ তারিখের পর সঞ্চলন লাইনে আমদানি করা এলএনজি যুক্ত হলে ১১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে সরবরাহ সম্ভব হবে। বিতরণকারী সংস্থা ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ শফিক উদ্দিন বলেন, “নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বিতরণ লাইন সংস্কার ও ভ্রাম্যমাণ ট্রান্সফরমার রাখা হবে যাতে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে সাথে সাথে লাইন চালু করা যায়।” অপর বিতরণকারী সংস্থা ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকাশ দেওয়ান বলেন,“ঢাকা মহানগরে বিদ্যুৎ সরবরাহে তেমন কোনো সমস্যা হবে না। তবে পুরান ঢাকায় হাসনাবাদ, লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর এলাকায় সাব-স্টেশনের অপ্রতুলতার কারণে কিছুটা সমস্যা হতে পারে।” বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, “সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। আমরা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ চাই। ক্রেতাদের সুবিধার্থে বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে দোকান বন্ধ রাখতে চাই না।” সভায় বেশ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে- রমজানে দোকান, মার্কেট ও বিপণী বিতানসমূহ খোলা রাখার বিষয়ে বিদ্যমান আইন অনুসরণ করা, পিক আওয়ারে রি-রোলিং মিল, ওয়েল্ডিং মেশিন, ওভেন, ইস্ত্রির দোকানসহ অধিক বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী সরঞ্জামাদির ব্যবহার বন্ধ রাখা। সুপার মার্কেট, প্রেট্রোল পাম্প ও সিএনজি গ্যাস ষ্টেশনে প্রয়োজনের অতিরিক্ত বাতির ব্যবহার বন্ধ, বিদ্যুতের অপচয় রোধে সিএফএল বাল্বের পরিবর্তে এলইডি বাল্ব প্রতিস্থাপন, বিকাল ৫ টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখা। আলোচনা সভায় বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম মনোয়ার হোসেন আখন্দ, বিপিডিবি’র চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন ও পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইনসহ মন্ত্রণালয়ের উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
বাংলা ট্র্যাক গ্রুপ আরো ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছে
মে ০২, ২০১৮ বুধবার ১২:৫৫ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে স্থাপিত একটি নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ করেছে বাংলা ট্র্যাক গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান বাংলা ট্র্যাক পাওয়ার ইউনিট-১ লিমিটেড।   গত ২৪ এপ্রিল থেকে এ বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয় বলে বাংলা ট্র্যাক গ্রুপের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এর আগে গত ১৬ এপ্রিল যশোরের নওয়াপাড়ায় স্থাপিত ১০০ মেগাওয়াটের আরেকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করে বাংলা ট্র্যাক পাওয়ার ইউনিট-২ লিমিটেড। এ নিয়ে বাংলা ট্র্যাক পাওয়ার তাদের ইউনিট-১ ও ইউনিট-২ থেকে মোট ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ গ্রিডে যোগ করল। বিদ্যুতের ঘাটতি পূরণে বাংলা ট্র্যাক গ্রুপের কার্যক্রমের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যন মোহাম্মাদ আমিনুল হক বলেন, ‘জাতীয় গ্রিডে আরো ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এ নিয়ে আমরা জাতীয় গ্রিডে মোট ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করছি।’
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘শিল্পের পর এবার আবাসিকেও গ্যাস সংযোগ দেওয়া হচ্ছে’
এপ্রিল ২৮, ২০১৮ শনিবার ০৯:৫৭ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
শিল্পের পর এবার আবাসিকেও গ্যাসের সংযোগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। শনিবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী  বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত হলো আবাসিক খাতে এ মুহূর্তে সম্পূর্ণভাবে নতুন সংযোগ নয়। তবে যারা ইতিমধ্যে সংযোগের জন্য আবেদন করে ব্যাংকে টাকা জমা দিয়েছেন তাদেরকে দেয়া হবে। এছাড়া যেসব ভবনের কিছু ফ্ল্যাটে সংযোগ আছে এবং কিছু ফ্লাটে নেই সেগুলোর বাকিগুলোতে সংযোগ দেয়া হবে বলে জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, শিল্পে গ্যাস সংযোগে আর কোনো বাধা নেই। যেখানে শিল্প এলাকা সেখানেই গ্যাস সংযোগ দেয়া হবে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, আগামী মে মাসের শেষ দিকে জাতীয় গ্রীডে আমদানিকৃত এলএনজি গ্যাস যুক্ত হবে। এতে গ্যাসের বিদ্যমান সংকট কিছুটা কমবে। সারাদেশে বিদ্যুৎ সংযোগের সংখ্যাও বেড়েছে। শিল্পে গ্যাস সংযোগে এতদিন যে নিয়ন্ত্রণ ও বাধা ছিল তা উঠিয়ে নেয়া হয়েছে। এবার আবাসিক খাতে নিয়ন্ত্রিতভাবে নতুন সংযোগ দেয়া হবে। এছাড়া আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন সংযোগ বন্ধ করে দেয়ার আগে অনেক গ্রাহক ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে ডিমান্ড নোটও পেয়েছে। কয়েক বছর ধরে এ ধরনের গ্রাহকদেরকে বৈধ সংযোগ দেয়ার উপায় খোঁজা হচ্ছিল। পেট্রোবাংলার আওতাধীন ছয়টি সরকারি কোম্পানি গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাস বিতরণ করে। এর মধ্যে তিতাস গ্যাস সঞ্চালন ও বিতরন কোম্পানিই বিতরণ করে প্রায় ৬০ শতাংশ। তিতাস গ্যাস কোম্পানি ঢাকা ছাড়াও নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, নরসিংদী, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ জেলায় গ্যাস সরবরাহ করছে। দেশের ৩৮ লাখ আবাসিক গ্যাস গ্রাহকের মধ্যে প্রায় সাড়ে ২৭ লাখ ১৮ হাজার গ্রাহকই তিতাসের।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
‘বাজারে এসেছে পেট্রোম্যাক্স এলপিজি’
এপ্রিল ২৮, ২০১৮ শনিবার ০৯:৩৩ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বছরে প্রায় ৯০ লাখ সিলিন্ডার বোতলজাত করার সক্ষমতা নিয়ে গৃহস্থালি ও শিল্প জ্বালানির প্রয়োজন মেটাতে বাজারে এসেছে পেট্রোম্যাক্স এলপিজি। শনিবার ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে পেট্রোম্যাক্স এলপিজি এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন  বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, পেট্রোম্যাক্স এলপিজি লিমিটেডের বিনিয়োগে মংলা বন্দর এলাকায় প্রায় ৫ হাজার ৫০০ মেট্রিক টনের বেশি মজুদ ক্ষমতাসম্পন্ন ও বার্ষিক প্রায় ৯০ লাখ সিলিন্ডার বোতলজাতকরণ ক্ষমতাসম্পন্ন এলপিজি প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়েছে। আর ঢাকা ও আশপাশের গ্রাহকদের জন্য নারায়নগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জে একটি স্যাটেলাইট এলপিজি প্ল্যান্ট স্থাপন করা হচ্ছে। যার মজুদ ক্ষমতা প্রায় ১ হাজার মেট্রিক টন। এছাড়া সিলিন্ডার এর আমদানি নির্ভরতা কমানো ও এলপি গ্যাস এর নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে পেট্রোম্যাক্স সিলিন্ডারস লিমিটেড এর বিনিয়োগে টাঙ্গাইল এ স্থাপন করা হয়েছে  সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন সিলিন্ডার উৎপাদনের অবকাঠামো যা বছরে সাড়ে ৫ লাখের বেশি সিলিন্ডার তৈরি করতে সক্ষম। দেশব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন যোগান নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে ২৫০ জন পরিবেশক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অভ্যন্তরীণ পরিবহন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি এলপিজি বার্জ ও ৬ টি রোড ট্যাংকার সংযুক্ত করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পেট্রোম্যাক্স ১২ ও ৩৫ কেজি ওজনের সিলিন্ডারে এলপি গ্যাস বাজারজাত করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পেট্রোম্যাক্স এলপিজি এর চেয়ারম্যান রেজাকুল হায়দার বলেন, “দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে। এটি বর্তমানে জ্বালানি খাতের প্রধান চ্যালেঞ্জ। এজন্য গৃহস্থালি, গণপরিবহন ও শিল্প-কারখানায় ব্যবহারের জন্য এলপি গ্যাস একটি সুন্দর সমাধান।” প্রতিমন্ত্রী বলেন, এলপিজি শুধু বাজারজাত করলেই হবে না। গ্রাহকের নিরাপত্তা ও  দামের বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। জনগণকে প্রতারিত বা নিরাপত্তার ঝুঁকিতে ফেলা যাবে না। এর মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি শিগগিরই ঠিক করা হবে। তিনি আরো বলেন, এলএনজি’র (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) প্রথম চালান বাংলাদেশে এসেছে। বর্তমান গ্যাস ঘাটতি দূর করতে এলএনজি সহায়ক হবে। আগামী ২৬ মে এলএনজি জাতীয় গ্যাস পাইপলাইনে সরবরাহ করা যাবে। আর বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে তিন হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চলতি বছরে গ্রিডে যুক্ত হবে। পদ্মা সেতুকে কেন্দ্র করে  সরকার এখন দক্ষিণাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ দিতে সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। দেশে ক্রমবর্ধমান গ্যাসের চাহিদা পূরণ করতে ৫৫টি এলপিজি (তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস) কোম্পানিকে  প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে সরকার। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য মাহফুজুর রাহমান মিতা ও ডা. মো. হাবিবে মিল্লাত, পেট্রোম্যাক্স এলপিজি’র চেয়ারম্যান রেজাকুল হায়দার, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফিরোজ আলম এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরোজ আহমেদ।
ক্যাটাগরি: এলপিজি
শিগগিরই গ্রাহক পর্যায়ে এলপিজি’র মূল্য নির্ধারণ করা হবে
এপ্রিল ২৮, ২০১৮ শনিবার ০৭:৩২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
গ্রাহক পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) এর মূল্য শিগগিরই সংশ্লিষ্ট সবার সাথে আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। শনিবার ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে পেট্রোম্যাক্স এলপিজি এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এলপিজি এর মূল্য সহনীয় পর্যায় রাখার উদ্যোগ অব্যাহত রাখা হয়েছে। সামাজিক দায়বদ্ধতা ধারণ করে জনবান্ধব ব্যবসা করা উচিত । সংশ্লিষ্টদের সাথে নিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে এলপিজি এর গ্রাহক পর্যায় মূল্য নির্ধারণ করা হবে। তিনি বলেন, এলপিজি সংরক্ষণ করে লাইনের মাধ্যমে এপার্টমেন্টগুলোতে বা কমিউনিটি ভিত্তিতে বাড়িতে বাড়িতে দেয়া যেতে পারে। প্রাকৃতিক গ্যাসের অপরচুনিটি কস্ট যেহেতু শিল্প কারখানায় বেশি সেহেতু শিল্পেই প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি মিশ্রিত প্রাকৃতিক গ্যাস দেয়া হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, এলপিজি বটলিং ও বাজারজাত করার জন্য এ পর্যন্ত ৫৫ টি কোম্পানিকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তাদের মোট বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ২৩ লাখ ৬০ হাজার মেট্টিক টন। অন্যদিকে দেশে এলপিজির বার্ষিক চাহিদা ৩০ লাখ মেট্রিক টন । প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, এলপিজি ব্যবহার ও বটলিং নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে সরকারের পাশাপাশি এলপিজি কোম্পানি গুলোকেও অবদান রাখতে হবে। নিরাপত্তার বিষয়টি অগ্রাধিকার দেয়া উচিত। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে সংসদ সদস্য ডাঃ মোঃ হাবিবে মিল্লাত, সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান, ইয়ুথ গ্রুপের চেয়ারম্যান রেজাকুল হায়দার ও ইয়ুথ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফিরোজ আলম বক্তব্য রাখেন।
ক্যাটাগরি: এলপিজি
‘এলএনজি আমদানির জন্য ২০ বছর মেয়াদী জ্বালানি নিরাপত্তা তহবিল গঠন’
এপ্রিল ২৫, ২০১৮ বুধবার ০৭:৫৬ এএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
প্রাকৃতিক গ্যাসের ঘাটতি মেটাতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস(এলএনজি)আমদানিসহ দেশের অভ্যন্তরে গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে অর্থ সংস্থানের জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা তহবিল গঠন করেছে সরকার। গত ১০ এপ্রিল জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এ তহবিল গঠন বিষয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা তহবিল নীতিমালা-২০১৮ নামে এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এ তহবিলের অর্থ দ্বারা গ্যাস অনুসন্ধান, উত্তোলন, পরিশোধন, সঞ্চালন, বিতরণ, এলএনজি আমদানি ও প্রাসঙ্গিক অন্যান্য প্রকল্প গ্রহণ করা যাবে। তবে প্রজ্ঞাপনটি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এলএনজি আমদানির জন্য এ তহবিলের বড় একটি অংশ ব্যয় হবে। আগামী মে মাস থেকে দৈনিক ৫০০ এমএমসিএফ এলএনজি আমদানি করে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহ করবে সরকার। এতে বলা হয়, এ তহবিলের মেয়াদ হবে নীতিমালা জারির তারিখ থেকে ২০ বছর। মেয়াদ শেষ হলে এ তহবিল পরিচালনার জন্য সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। আর এই তহবিল ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকবে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অধীনস্থ বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্টোবাংলা)। তহবিলের অর্থে বাস্তবায়িতব্য প্রকল্প নির্ধারণের জন্য পেট্টোবাংলার চেয়ারম্যানকে আহ্বায়ক করে আট সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে থাকবেন পেট্টোবাংলার এলএনজি সেলের মহাব্যবস্থাপক। জ্বালানি সরবরাহে নিরাপত্তা বিধানে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপ গ্রহণ এ তহবিল গঠনের উদ্দেশ্য বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। এ তহবিল থেকে বিনিয়োগকৃত অর্থে গৃহীত প্রকল্প লাভজনক বা বাণিজ্যিকভাবে সফল বিবেচিত হলে সমুদয় অর্থ পাঁচ বছর গ্রেস পিরিয়ডসহ প্রকল্প শুরুর ১৫ বছরের মধ্যে ষান্মাষিক ভিত্তিতে মোট ২০ কিস্তিতে ২ শতাংশ সুদে সার্ভিস চার্জসহ ফেরত প্রদান করতে হবে। তবে গ্রেস পিরিয়ডকালে সার্ভিস চার্জ প্রযোজ্য হবে না। আর কেবল গ্যাস অনুসন্ধানের নিমিত্ত গৃহীত প্রকল্পে উত্তোলনযোগ্য গ্যাস না পাওয়া গেলে অথবা প্রাপ্ত গ্যাস অর্থনৈতিক দিক বিবেচনায় লাভজনক না হলে অর্থ ফেরত দিতে হবে না। এছাড়া প্রকল্পের পরামর্শক কিংবা বিশেষজ্ঞ নিয়োগ অথবা সমীক্ষা পরিচালনার জন্যও অর্থ ফেরত দেওয়া লাগবে না। এক্ষেত্রে উল্লেখিত অর্থ অনুদান হিসেবে বিবেচিত হবে। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ২৭ আগস্ট ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাসের দাম বাড়ানোর এক আদেশে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশন এ তহবিল গঠনের নির্দেশ দেয়। এরপর জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে এ তহবিল গঠন করা হয়েছে। যা ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। কমিশনের আদেশ অনুযায়ী, দেশে উৎপাদিত গ্যাসের সম্পদ মূল্য ভারিত গড়ে প্রতি ঘনমিটার ১.০১ টাকা সমন্বয়ে ভোক্তা স্বার্থে জ্বালানি নিরাপত্তা তহবিলে জমা হবে। এই অর্থ বিভিন্ন প্রকল্পে ব্যয় করা হবে। ইতোমধ্যে এলএনজি আমদানি ও এর টার্মিনাল পরিচালনার জন্য এনার্জি রেগুলেটরী কমিশন নিরাপত্তা তহবিল থেকে ব্যয় করার জন্য প্রায় সাত হাজার কোটি টাকা এক বছরের জন্য বরাদ্দ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। জ্বালানি নিরাপত্তা তহবিলে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ছয় হাজার কোটি টাকা জমা হয়েছে।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
    সাম্প্রতিক এনার্জি বিডি এর খবর
শিগগিরই গ্রাহক পর্যায়ে এলপিজি’র মূল্য নির্ধারণ করা হবে
‘এলএনজি আমদানির জন্য ২০ বছর মেয়াদী জ্বালানি নিরাপত্তা তহবিল গঠন’
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তা বিষয়ক ওয়ার্কশপের উদ্বোধন
জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রীডে যুক্ত হলো আরো ১০০ মেগাওয়াট
ভারত থেকে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনবে সরকার
‘পায়রায় নতুন গ্রীড সাবস্টেশন নির্মাণ হচ্ছে’
ভেড়ামারায় ৪১০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্ট উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী
ভেড়ামারা ৪১০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন বৃহস্পতিবার
ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনে ফ্রান্সের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ
হবিগঞ্জের লাখাইয়ে ৫শ’ পরিবারে বিদ্যুৎ সংযোগ
ই-লাইসেন্সিং সেবা চালু করেছে পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহে ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন নির্মাণ হচ্ছে
লক্ষ্মীপুরে কল্যাণপুর গ্রামে বিদ্যুতের নতুন সংযোগ উদ্বোধন
রবি’র মাধ্যমেও ডিপিডিসি’র প্রি-পেইড মিটার কার্ড রিচার্জ করা যাবে
আশুগঞ্জে আরেকটি ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে চুক্তি সই
‘ভোলায় আরো কূপ খননের পরামর্শ’
বিদ্যুতের স্থাপিত ক্ষমতা ক্যাপটিভসহ ১৬ হাজার ৪৬ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
‘অর্থনৈতিক অঞ্চল মীরসরাইয়ে ১৫০ মেগাওয়াট ডুয়েল ফুয়েল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে’
বিজিএফসিএল ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে ৩৯২ কোটি টাকা করপূর্ব মুনাফা অর্জন করেছে
বিদ্যুৎ সেবা নিয়ে সন্তুষ্ট ৮৭ শতাংশ গ্রাহক
‘পিজিসিবি ২০১৭ সালে ৩,৫৮৫ মেগাওয়াট বাড়তি বিদ্যুৎ সঞ্চালনের সক্ষমতা অর্জন করেছে’
‘ভোলার ভেদুরিয়ায় ৬০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মজুদ’
‘ডিপিডিসি’র বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার কার্ড মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রিচার্জ করা যাবে’
‘কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মধ্যে পায়রা ১,৩২০ মেগাওয়াটের কেন্দ্রটি সবার আগে উৎপাদনে আসবে’
সামিট গাজীপুর-২ পাওয়ার লিমিটেড থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনবে সরকার
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের মূল কাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম কংক্রিট ঢালাই উপলক্ষে ফ্ল্যাশমব
এলপিজি আমদানি করতে জাহাজ কিনেছে বেক্সিমকো
এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে ১০০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি সই করেছে সামিট
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy

   Editor & Publisher: Aminur Rahman
   Copyright @ 2015-2018 energynewsbd.com
   All Rights Reserved | Developed By: Jadukor IT