ঢাকা, রবিবার, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৮, ফাল্গুন ৬, ১৪২৪ ০১:১১ পিএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
এনার্জি বিডি
‘অর্থনৈতিক অঞ্চল মীরসরাইয়ে ১৫০ মেগাওয়াট ডুয়েল ফুয়েল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে’
বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল মীরসরাইয়ে ১৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ডুয়েল ফুয়েল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য বি-আর পাওয়ারজেন লিমিটেড এবং চায়নার সিনোহাইড্রো কর্পোরেশন লিমিটেড এর মধ্যে একটি চুক্তি স্ই হয়েছে। চুক্তিতে বি-আর পাওয়ারজেন লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আব্দুস সবুর এবং সিনোহাইড্রো কর্পোরেশন লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঝাও চিমিং স্ই করেন। সরকারের দুই প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) এবং রুরাল পাওয়ার কোম্পানি (আরপিসিএল) এর যৌথ মূলধনী কোম্পানি হচ্ছে বি-আর পাওয়ারজেন লিমিটেড। এর আগে কোম্পানিটি গাজীপুরের কড্ডায় একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করেছে। গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিদ্যুৎ ভবনে অনুষ্ঠিত ওই চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, বিপিডিবি’র চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ, বাংলাদেশ ইকোনোমিক জোন অথরিটি’র নির্বাহী সদস্য ও অতিরিক্ত সচিব এম এমদাদুল হক, বিআরইবি ও বি-আর পাওয়ারজেন চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অবঃ) মঈন উদ্দিন এবং সিনোহাইড্রো কর্পোরেশন লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঝাও চিমিং বক্তব্য দেন। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি আগামী ১৫ মাসের মধ্যে উৎপাদনে আসবে। চীনা কোম্পানি সিনো হাইড্রো ঠিকাদার হিসেবে কেন্দ্রটি নির্মাণ করবে। এজন্য তাদেরকে দিতে হবে ১০৭ মিলিয়ন ডলার। আগামী বছরের মে মাসে কেন্দ্রটি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে আসার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।  বি-আর পাওয়ারজেন লিমিটেডের  নিজস্ব অর্থায়নে এই কেন্দ্রটি স্থাপন করা হবে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চট্টগ্রাম জেলার বাংলাদেশ ইকোনোমিক জোন অথরিটি (বেজা) এলাকায় ১৬ একর জমির ওপর স্থাপন করা হচ্ছে। এ কেন্দ্রের জন্য ইঞ্জিন তৈরি করবে জার্মানির মান ডিজেল ও টারবো কোম্পানি। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি গ্যাস অথবা ফার্নেস অয়েলে চলবে।  
বিজিএফসিএল ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে ৩৯২ কোটি টাকা করপূর্ব মুনাফা অর্জন করেছে
ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৮ শনিবার ০৪:৪৪ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস্ কোম্পানী লিমিটেড (বিজিএফসিএল) এর ৬২তম বার্ষিক সাধারণ সভা কোম্পানি বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের  সচিব নাজিমউদ্দিন চৌধুরী এর সভাপতিত্বে গত ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার বিরাসারস্থ কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ের বোর্ড রুমে অনুষ্ঠিত হয়। বিজিএফসিএল এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজিএফসিএল প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনকারী সর্ববৃহৎ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। এ কোম্পানি প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন এবং গ্যাসের সাথে উৎপাদিত কনডেনসেট প্রক্রিয়াজাত করে দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে বিশেষ অবদান রাখছে। সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৫  সালের ০৯ আগস্ট স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শেল অয়েল কোম্পানীর আবিস্কৃত ৫টি গ্যাস ফিল্ড যথাঃ তিতাস, হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ, রশিদপুর এবং কৈলাসটিলা নামমাত্র মূল্যে ক্রয় করে রাষ্ট্রীয় মালিকানাভুক্ত করার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭৫ সালের ১২ সেপ্টেম্বর শেল অয়েল কোম্পানীর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস্ কোম্পানী লিমিটেড করা হয়। উক্ত ৫টি ফিল্ডের মধ্যে তিতাস, হবিগঞ্জ ও বাখরাবাদ এবং আরো ৩টি গ্যাস ফিল্ড যথাঃ নরসিংদী, মেঘনা ও কামতা অর্থাৎ সর্বমোট ৬টি গ্যাস ফিল্ড বর্তমানে বিজিএফসিএল এর পরিচালনাধীন রয়েছে। বিজিএফসিএল দেশের মোট দৈনিক প্রায় ২৭৪০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের মধ্যে দৈনিক প্রায় ৮৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করছে, যা দেশের মোট উৎপাদনের ৩১% এবং রাষ্ট্রীয় গ্যাস উৎপাদন কোম্পানিসমূহের ৭৮%। বিজিএফসিএল এর ৬টি গ্যাস ফিল্ডের মধ্যে উৎপাদনরত ৫টি ফিল্ডের ৫২টি কূপের মধ্যে ৪২টি কূপ হতে গ্যাস উৎপাদন হচ্ছে। ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে দৈনিক গড়ে প্রায় ৮২৫.৫৪৩ মিলিয়ন ঘনফুট হারে মোট ৩.০৫ লক্ষ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন হয়। তাছাড়া, গ্যাসের উপজাত হিসেবে নিজস্ব কূপ থেকে ২৮৩ লাখ লিটার বা ১.৭৮ লাখ ব্যারেল কনডেনসেট উৎপাদিত হয়। এ সকল কনডেনসেট এবং এসজিএফএল, বাপেক্স ও তাল্লো গ্যাস ফিল্ডসমূহের উৎপাদিত কনডেনসেট কোম্পানির ফ্রাকশনেশন প্লান্টে প্রক্রিয়াকরণ করে প্রাপ্ত এমএস (পেট্রোল) ও এইচএসডি (ডিজেল) রাষ্ট্রীয় বিপণন কোম্পানির নিকট বিক্রয় করা হয়। এ পর্যন্ত কোম্পানির ৬টি গ্যাস ফিল্ডের উত্তোলনযোগ্য ১২,২৫২,০০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মধ্যে ৭,৭২৮,৩৯২.৮৯৫ মিলিয়ন ঘনফুট বা ৬৩.০৮% গ্যাস উত্তোলিত হয়েছে। ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে এ কোম্পানি সর্বমোট ৩,৭২৯.২৪ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করে এবং মোট ৩৯২.৭৮ কোটি টাকা করপূর্ব মুনাফা অর্জন করে। এ অর্থবছরে কোম্পানি সম্পূরক শুল্ক, অগ্রিম কর, লভ্যাংশ এবং আয়কর  বাবদ মোট ৩,২২৫.১৭ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ বছরও তৃতীয়বারের মত বিজিএফসিএল-কে ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরের জন্য জাতীয় পর্যায়ে সেবা খাতে সর্বোচ্চ মূল্য সংযোজন কর পরিশোধকারীর সম্মাননা প্রদান করেছে। আলোচ্য অর্থবছরে এ কোম্পানি কর্তৃক এডিবি, জিওবি ও জাইকার অর্থায়নে গৃহীত নতুন কূপ খনন, বিদ্যমান কূপ ওয়ার্কওভার/পুনঃসম্পাদন এবং কম্প্রেসর স্থাপন বিষয়ক বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তন্মধ্যে, বাখরাবাদ ফিল্ডে ১টি কূপ খনন এবং তিতাস ফিল্ডে ৪টি মূল্যায়ন ও উন্নয়ন কূপ খনন এবং ৬টি কূপের ওয়ার্কওভার করে দৈনিক অতিরিক্ত প্রায় ৯২ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে সমর্থ হয়েছে। তাছাড়া, বাখরাবাদ ফিল্ডে ৩টি কম্প্রেসর স্থাপন করে জাতীয় গ্রিডের চাপের সাথে সমন্বয় রেখে গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত রাখা হচ্ছে। বর্তমানে বিভিন্ন ফিল্ডের ৭ টি কূপের ওয়ার্কওভার এবং তিতাস লোকেশন-এ ও সি এবং নরসিংদী ফিল্ডে ওয়েলহেড কম্প্রেসর স্থাপনের লক্ষ্যে প্রকল্প কার্যক্রম চলমান আছে। কোম্পানি বোর্ডের চেয়ারম্যান বার্ষিক সাধারণ সভায় অভিমত ব্যক্ত করেন যে, উন্নত বাংলাদেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশের লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের দৃঢ় প্রত্যয়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমাদেরকেও কঠোর পরিশ্রম করতে হবে এবং সাহস ও দক্ষতার সাথে সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। বিজিএফসিএল-কে অর্থনৈতিক, কারিগরি ও প্রযুক্তিগতভাবে আত্মনির্ভরশীল ও আর্থিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তুলতে পারলে জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ কোম্পানি বিশেষ অবদান রাখতে সমর্থ হবে। তিনি কোম্পানির উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করায় বিজিএফসিএল এর কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। পাশাপাশি  শেয়ারহোল্ডার, কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, পেট্রোবাংলা, গ্যাস সঞ্চালন ও বিতরণ কোম্পানিসমূহ, বিদেশি সাহায্য সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার সহযোগিতা ও সমর্থন আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।    
ক্যাটাগরি: গ্যাস
বিদ্যুৎ সেবা নিয়ে সন্তুষ্ট ৮৭ শতাংশ গ্রাহক
জানুয়ারি ২৩, ২০১৮ মঙ্গলবার ১১:১৯ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশে বর্তমান বিদ্যুৎ বিদ্যুৎ সেবা নিয়ে ৮৭ শতাংশ গ্রাহক কম-বেশি সন্তুষ্ট বলে এক জনমত জরিপে উঠে এসেছে। বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল (ইপিআরসি) এর সহযোগিতায় ১৯ হাজার ৬০০ মানুষের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে ওই জরিপ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। সোমবার বিদ্যুৎ ভবনের মুক্তি হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জরিপ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন বিবিএসের পরিচালক সিএস রায়। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী  নসরুল হামিদ, ইপিআরসি’র চেয়ারম্যান শাহিন আহমেদ চৌধুরী, পিডিবি’র চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ প্রমুখ। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে দেশের ৯০ শতাংশ মানুষের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। দেশের সাধারণ মানুষ বিদ্যুতের সুফল পাচ্ছে কিনা, তা চিন্তা করে বৈজ্ঞানিক পন্থা অবলম্বনের মাধ্যমে এটি করা হয়েছে। গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে এ জরিপটি একটি সময় সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল ব্যাপার। বিবিএস এর জরিপে বলা হয়, ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে (গ্রীষ্মকাল) ৯ হাজার ৯২৭ জন, ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে (শীতকাল) ৯ হাজার ৬৭৩ জনের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপ করা হয়। এ সময় তাদের ছয়টি প্রশ্ন করা হয়। জরিপের উত্তর দাতাদের মধ্যে ৬৭ দশমিক ৩ শতাংশ পুরুষ এবং ৩২ দশমিক ৭ শতাংশ নারী। জরিপে দেখা গেছে, ১১ শতাংশ মানুষের ঘরে এখনও বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দেশের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীর মধ্যে ৮৬ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ সন্তুষ্ট এবং ১৩ দশমিক ১ শতাংশ মানুষ সন্তুষ্ট নয়। ব্যবহারকারীদের মধ্যে ১১ দমমিক ২ শতংশ মানুষ খুব সন্তুষ্ট, সন্তুষ্ট মানুষের হার ৪৫ দশমিক ৮ শতাংশ, আর মোটামুটি সন্তুষ্ট মানুষের হার ২৯ দশমিক ৯ শতাংশ। এ হারের আবার গ্রীষ্ম এবং শীতকালে পার্থক্য রয়েছে। বিবিএস বলছে, গ্রীষ্মকালে ৯ দশমিক ২ শতাংশ খুবই সন্তুষ্ট, ৪৭ দশমিক ২ শতাংশ সন্তুষ্ট, ৩১ শতাংশ মোটামুটি সন্তুষ্ট এবং ১২ দশমিক ৭ শতাংশ অসন্তুষ্ট। আবার শীতে ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ খুবই সন্তুষ্ট, ৪৪ দশমিক ৭ শতাংশ সন্তুষ্ট, ২৮ দশমিক ৮ শতাংশ মোটামুটি সন্তুষ্ট এবং ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ অসন্তুষ্ট। প্রতিবেদনে বলা হয়, খুলনা বিভাগে সর্বোচ্চ ১৮ দশমিক ৩ শতাংশ জনগণ খুবই সন্তুষ্ট এবং ১৯ দশমিক ৩ শতাংশ মোটামুটি সন্তুষ্ট। চট্টগ্রাম বিভাগে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ খুবই সন্তুষ্ট এবং ৩৭ দশমিক ৪ শতাংশ মোটামুটি সন্তুষ্ট। ময়মনসিংহ বিভাগে ৫২ দশমিক ৭ শতাংশ সন্তুষ্ট, বরিশাল বিভাগে ৩৪ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ সন্তুষ্ট। মোটেও সন্তুষ্ট নয় জনসংখ্যার মধ্যে ঢাকা বিভাগে রয়েছে ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ এবং রাজশাহীতে ৯ দশমিক ৯ শতাংশ। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে ৮৪ দশমিক ৮ শতাংশ মানুষ। সাশ্রয়ের জন্য সুইচ অফ করেন সর্বোচ্চ ৮০ দশমিক ১ শতাংশ মানুষ এরা খুলনা বিভাগের বাসিন্দা। আর বিদ্যুৎ ব্যবহারের পর সুইচ অফ করেন না এমন মানুষের বেশির ভাগই বসবাস করেন সিলেটে। সিলেটের ৫৬ দশমিক ১ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ ব্যবহারের পর সুইচ অফ করতে ভুলে যান। ২০১৪ সালের পর আবারও ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতিতে মানুষের সন্তাষ-অসন্তোষ জানতেই এ গবেষণা করা হয়। এবার ফেব্রুয়ারি এবং অক্টোবরে বিবিএস গবেষণার জন্য তথ্য সংগ্রহ করেছে। অপেক্ষাকৃত তাপমাত্রা কম থাকায় এ দুই মাসের কোনোটিতেই দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা থাকে না। মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর এ সময়ে দেশে সর্বোচ্চ বিদ্যুতের চাহিদা থাকে। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে বলা হয়েছে, বছরের অক্টোবরের শুরুর দিকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, তখন গরম থাকে। বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস বলেন, ২০০৯ সালে সরকার যখন ক্ষমতা গ্রহণের সময় দেশে মোট বিদ্যুতের গ্রাহক ছিল ১ কোটি ৮ লাখ, বর্তমানে তা ২ কোটি ৭৭ লাখে এসে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক ২ কোটির ওপর। ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছিল সরকার। আমরা ২০২১ সালের মধ্যে উৎপাদন ক্ষমতা ২৬ হাজার মেগাওয়াট করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি এবং একই সঙ্গে বাস্তবায়নও করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর বিদ্যুতের স্থাপিত ক্ষমতা ছিল ৫৫০ মেগাওয়াট, তখন সর্বোচ্চ উৎপাদন ছিল ২২৪ মেগাওয়াট। ২০০৯ সালে সরকার যখন ক্ষমতা গ্রহণ করে তখন বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা ৪ হাজার ৯৪২ মেগাওয়াট। বর্তমানে সেটি ১৬ হাজার ৪৬ মেগাওয়াটে এসেছে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘পিজিসিবি ২০১৭ সালে ৩,৫৮৫ মেগাওয়াট বাড়তি বিদ্যুৎ সঞ্চালনের সক্ষমতা অর্জন করেছে’
জানুয়ারি ২৩, ২০১৮ মঙ্গলবার ১০:৪২ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি) ২০১৭ সালে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের জন্য সারাদেশে নতুন নির্মিত পাঁচটি গ্রীড সাবস্টেশন চালু এবং ২০টি গ্রীড উপকেন্দ্রে সম্প্রসারণের মাধ্যমে সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে। এ সময়ে নতুন নির্মিত ৩৮৬ সার্কিট কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন চালু করা হয়েছে। নতুন ও সম্প্রসারিত গ্রীড সাবস্টেশনগুলোর মাধ্যমে সঞ্চালন ক্ষমতা বেড়েছে ৩,৯৮৩ এমভিএ। এতে গত এক বছরে প্রায় ৩,৫৮৫ মেগাওয়াট বাড়তি বিদ্যুৎ সঞ্চালনের সক্ষমতা অর্জন করেছে পিজিসিবি। ২০১৭ সালের জানুয়ারি হতে ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি খাতে নতুন চালুকৃত সাতটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ও ত্রিপুরা হতে আরো ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি মিলিয়ে মোট ১,২৪৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হয়েছে। এতে দেখা যায়, পিজিসিবি ২০১৭ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির বিপরীতে সঞ্চালন ক্ষমতা প্রায় তিনগুণ বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। একই বছরে গাজীপুরের কালিয়াকৈর ও হবিগঞ্জের বিবিয়ানায় নতুন নির্মিত দুইটি ৪০০/২৩০ কেভি গ্রীড সাবস্টেশন চালু করা হয়েছে। ভেড়ামারায় ২৩০/১৩২ কেভি সাবস্টেশন, পাবনার রূপপুরে ১৩২/১১ কেভি সাবস্টেশন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমনুরায় ১৩২/৩৩ কেভি সাবস্টেশন চালু করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আরও ২০টি ১৩২/৩৩ কেভি সাবস্টেশনের ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। গত বছরে ঢাকার উপকণ্ঠে আমিনবাজার-কালিয়াকৈর-টঙ্গী, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা সাবস্টেশন হতে এইচভিডিসি স্টেশন, খুলনা হতে সাতক্ষীরা দ্বিতীয় সার্কিট, টাঙ্গাইল হতে আরপিসিএল (ময়মনসিংহ) এবং আমনুরা হতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকায় নতুন ৩৮৬ সার্কিট কিলোমিটার বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করে চালু করা হয়েছে। গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত পিজিসিবি’র সারাদেশে বিভিন্ন ভোল্টেজ লেভেলে সর্বমোট ১০,৬৩৫ সার্কিট কিলোমিটার হাইভোল্টেজ সঞ্চালন লাইন, ১১৩টি গ্রীড সাবস্টেশন এবং একটি এইচভিডিসি স্টেশন ছিল। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ফলে বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইনগুলো ৯৯.৯৭% এবং গ্রীড সাবস্টেশনগুলোর ৯৯.৯৮% প্রাপ্যতা  নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। বিদ্যুৎ সঞ্চালন লস পূর্ববর্তী বছরের ২.৮৬ শতাংশ হতে ২.৬৭ শতাংশে কমানো সম্ভব হয়েছে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘ভোলার ভেদুরিয়ায় ৬০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মজুদ’
জানুয়ারি ১৬, ২০১৮ মঙ্গলবার ১১:০০ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলা  ভোলার ভেদুরিয়ায় একটি অনুসন্ধান কূপে প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে রাষ্ট্রায়াত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স)। সম্প্রতি কূপ খনন শেষ হওয়ার পর কয়েকটি পরীক্ষার মাধ্যমে ভোলা নর্থ-১ নামের ওই কূপে গ্যাস আছে বলে ধারণা করছেন বাপেক্স এর কর্মকর্তারা। নতুন এই কূপে প্রায় ৬০০ বিসিএফ (বিলিয়ন ঘনফুট) গ্যাসের মজুদ থাকতে পারে। নতুন এই গ্যাসক্ষেত্রের সম্ভাবনা নিয়ে সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকেও আলোচনা হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, নতুন ওই ক্ষেত্রে ৬০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে আশা করা হচ্ছে। এটি হবে দেশের ২৭তম গ্যাসক্ষেত্র। ভোলায় প্রথম গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায় শাহবাজপুর ক্ষেত্রে। সেখানে থাকা চারটি কূপের মধ্যে তিনটি থেকে প্রতিদিন প্রায় ৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস তোলা হচ্ছে।  
ক্যাটাগরি: গ্যাস
‘ডিপিডিসি’র বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার কার্ড মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রিচার্জ করা যাবে’
জানুয়ারি ০৫, ২০১৮ শুক্রবার ০৬:০৫ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিদ্যুতের আবাসিক গ্রাহকদের  প্রিপেইড মিটার কার্ড মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রিচার্জ করার সুযোগ তৈরি করে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় নতুন যুগের সূচনা করেছে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি)। গত ৩১ ডিসেম্বর ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে ডিপিডিসি’র বোর্ড রুমে গ্রামীনফোনের সঙ্গে এমন একটি চুক্তি সই করেছে ডিপিডিসি। এখন থেকে মোবাইলে ফ্লেক্সিলোডের মতো বিদ্যুৎ কিনতে পারবেন ঢাকার গ্রাহকরা। এর মাধ্যমে ডিজিটাল বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার আরেক ধাপ এগিয়ে গেল কোম্পানীটি। ডিপিডিসি’র  কোম্পানি সচিব জয়ন্ত কুমার সিকদার এবং গ্রামীণফোনের হেড অব ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস রাশেদা সুলতানা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস, ডিপিডিসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী বিকাশ দেওয়ান, গ্রামীণফোনের চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মাহমুদ হোসেন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ডিপিডিসি’র পরিচালক (অপারেশন) হারুন অর রশীদ, পরিচালক (প্রকৌশল) মো: রমিজ উদ্দিন সরকার, পরিচালক (প্রশাসন) আবু তাজ মো: জাকির হোসেন ও পরিচালক (অর্থ) মো: গোলাম মোস্তফা । বর্তমানে প্রি-পেইড কার্ড রিচার্জ করতে গিয়ে ব্যাংক ও ডিপিডিসি’র নির্ধারিত বুথে টাকা জমা দিতে লম্বা লাইনে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করতে হয় গ্রাহকদের। তাই ফ্লেক্সিলোডের মতো বিদ্যুৎ বেচাকেনার ব্যবস্থা করেছে ডিপিডিসি। এ চুক্তির ফলে আপাতত আজিমপুর ও লালবাগ এলাকায় গ্রামীনফোনের দুটি রিটেইলার থেকে এ সুবিধা পাবেন গ্রাহকরা। সরকারি ছুটির দিনসহ সকাল ৯ টা থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত পয়েন্ট অব সেল বা পস মেশিনের সাহায্যে গ্রাহকরা সহজেই কার্ডের মাধ্যমে টাকা রিচার্জ করতে পারবে। এই সুবিধা শুধু প্রি-পেইড বিদ্যুৎ গ্রাহকরা পাবেন। এছাড়াও গ্রামীণফোনের নির্বাচিত আউটলেট গ্রাহকদের ভেন্ডিং সেবা দেওয়ার জন্য ডিপিডিসি’র ডিস্ট্রিবিউশন পয়েন্ট হিসেবে কাজ করবে। প্রধান অতিথি হিসেবে  বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ও ডিপিডিসি’র পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ড. আহমেদ কায়কাউস বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য সাধারণ মানুষের হাতের কাছে প্রয়োজনীয় সেবা পৌঁছে দেওয়া। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশের সেই প্রয়াসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।এটি রাজধানীবাসীর জন্য ডিপিডিসি’র নতুন বছরের বিশেষ উপহার। অনুষ্ঠানে ডিপিডিসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী বিকাশ দেওয়ান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভিশন-২০২১ এর আওতায় ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণের অংশ হিসেবে ডিপিডিসি’র আওতাধীন সব এলাকার বিদ্যুৎ গ্রাহকের সেবার মান উন্নয়নে প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের কার্যক্রম চলছে। পাশাপাশি নতুন পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের ব্যবস্থা গ্রাহক সেবার নতুন দ্বার উন্মোচন হলো।    
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মধ্যে পায়রা ১,৩২০ মেগাওয়াটের কেন্দ্রটি সবার আগে উৎপাদনে আসবে’
ডিসেম্বর ২৬, ২০১৭ মঙ্গলবার ১০:৩৪ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশে নির্মিতব্য কয়লাভিত্তিক বৃহৎ বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর মধ্যে সবার আগে পায়রা ১,৩২০ মেগাওয়াটের কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালীতে নির্মাণাধীন দুই ইউনিটের কেন্দ্রটির প্রথমটি আগামী ২০১৯ সালের এপ্রিলে এবং অন্য ইউনিটটি একই বছরের অক্টোবরে চালু হবে। গত ২২ ডিসেম্বর সরেজমিনে বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী। পায়রা ১,৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাংলাদেশের নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি (এনডব্লিউপিজিসিএল) এবং চীনের সিএমসি (চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশন) উদ্যোগে এবং সমান অংশীদারিত্বে নির্মিত হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে এবং কেন্দ্রটি পরিচালনায় দুই প্রতিষ্ঠানের সমমালিকানায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ-চীন পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিসিপিসিএল)। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে প্রায় ১৮ হাজার   ২০০ কোটি টাকা (২২০ কোটি মার্কিন ডলার)। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ অর্থ ঋণ হিসেবে দিবে চীনের এক্সিম ব্যাংক। বাকি ২০ শতাংশের সমান জোগান দিবে এনডব্লিউপিজিসিএল এবং সিএমসি। কেন্দ্রটির নির্মাণ ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে চীনের দুই কোম্পানি এনইপিসি এবং সিইসিসি নিয়ে গঠিত কনসোর্টিয়াম। বিসিপিসিএল’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এ এম খোরশেদুল আলম বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ধানখালীতে পায়রা বন্দর সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ১ হাজার একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। ওই জমির চারপাশে দেয়াল নির্মাণ করে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ এলাকা (কেপিআই) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ওই অধিগ্রহণকৃত জায়গায় আরেকটি ১,৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র, ৩,৬০০ মেগাওয়াটের এলএনজিভিত্তিক, ১০০ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বায়ুভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে প্রকল্পের ৩৭ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্রথম ইউনিটের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের পর টারবাইন এবং জেনারেটর বসানো হবে। খোরশেদুল আলম বলেন, ২০১৯ সালের এপ্রিলে কেন্দ্রটির ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিট এবং অক্টোবরে দ্বিতীয় ইউনিটের নির্মাণ কাজ শেষ করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী কাজ এগিয়ে চলছে। আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তিতে উৎপাদিতব্য প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম আট সেন্ট বা সাড়ে ছয় টাকার মত দাঁড়াবে। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, কেন্দ্রটি থেকে পরিবেশ ঝুঁকি কমিয়ে অপেক্ষাকৃত পরিচ্ছন্ন কয়লা ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর দেওয়া হয়েছে। এটি পুরোদমে উৎপদনে আসলে প্রতিদিন সাড়ে ১২ হাজার টন কয়লা দরকার হবে। তিনি আরো বলেন, প্রাথমিকভাবে ইন্দোনেশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়া থেকে কয়লা আমদানি করা হবে। সরকারের যতগুলো বড় বিদ্যুৎ প্রকল্প রয়েছে সেগুলোর মধ্যে পায়রা কেন্দ্রটি সবার আগে উৎপাদনে আসবে বলে আশা করছি। সরকারের বৃহৎ বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে- রামপালে বিআইএফপিসিএলের ১৩২০ মেগাওয়াট, চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এসআলম গ্রুপের ১৩২০ মেগাওয়াট, কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে ১২০০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
সামিট গাজীপুর-২ পাওয়ার লিমিটেড থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনবে সরকার
ডিসেম্বর ১০, ২০১৭ রবিবার ১০:৪৩ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বেসরকারি খাত থেকে ২০১৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে আরো ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনতে চুক্তি সই করেছে সরকার। রোববার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে এই জন্য সামিট গাজীপুর-২ পাওয়ার লিমিটেডের সাথে সরকার ১৫ বছর মেয়াদী প্রকল্প চুক্তি সই করেছে। এই প্রকল্প চুক্তির মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি ও বাস্তবায়ন চুক্তি। বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিতে সই করেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সচিব মীনা মাসুদ উজ্জামান এবং সামিট গাজীপুর-২ পাওয়ার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. মোজাম্মেল হোসেন। আর বাস্তবায়ন চুক্তিতে সই করেন বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম-সচিব (উন্নয়ন) শেখ ফয়েজুল আমিন, পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ এর সচিব মো. আশরাফ হোসেন এবং সামিট গাজীপুর ২ পাওয়ার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. মোজাম্মেল হোসেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে  বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস উপস্থিত ছিলেন। অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিপিডিবি’র চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ, পিজিসিবি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর মাসুম আল-বেরুনী, সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান, ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ লতিফ খান, ভাইস চেয়ারম্যান মো. ফরিদ খান, সামিট কর্পোরেশন লিমিটেডের এএমডি ফয়সাল খান ও সামিট পাওয়ার লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর লেঃ জেনারেল (অবঃ) ইঞ্জিঃ আব্দুল ওয়াদুদ।  প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি চাহিদা পূরণে দেশীয় প্রতিষ্ঠান সমূহের আরো অবদান রাখার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। পাবলিক সেক্টরেরও সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার। বিগত কয়েক বছর গড়ে ৯০০-১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ গ্রিডে যোগ হলেও আগামী বছর তা বেড়ে দাঁড়াবে ৩,০০০ মেগাওয়াট এ।  তিনি বলেন,  নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেয়া এখন সময়ের ব্যাপার। ৩৬টি উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়ন করা হয়েছে, ৫৬টি অপেক্ষমান। এভাবেই ২০১৮ সালের ডিসেম্বর এর মধ্যে ৪৬০টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন করে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়া হবে। সামিট গাজীপুর ২ পাওয়ার লিমিটেড সামিট কর্পোরেশন এবং পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সামিট পাওয়ার লিমিটেডের একটি জয়েন্ট ভেঞ্চার প্রজেক্ট কোম্পানী। সামিট গাজীপুর ২ পাওয়ার লিমিটেড ঢাকা থেকে ৩০ কিমি দূরে গাজীপুরের কড্ডায় অবস্থিত। এই এইচএফও-জ্বালানী ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ইঞ্জিন ওয়ার্টসিলা, ফিনল্যান্ড কর্তৃক নির্মিত। এটি এ যাবৎ দেশের সর্ববৃহৎ রেসিপ্রোকেটিং ইঞ্জিন চালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র হবে যেটি জাতীয় গ্রীডে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে। একই এলাকায়, সামিটের আরেকটি ১৪৯ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণাধীন রয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, ২০১৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে। এর আগে ২০১৭ সালের ১০ আগস্ট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের অনুমতিপত্র (এলওআই) পায় সামিট গাজীপুর ২ পাওয়ার লিমিটেড। বিপিডিবি ১৫ বৎসর ধরে  প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ১০.৬০ সেন্টস দরে ক্রয় করবে।    
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের মূল কাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
নভেম্বর ৩০, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ০২:১৪ পিএম - বাসস
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বহুল প্রতীক্ষিত দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রূপপুরের মূল নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছেন। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে নির্মাণস্থলে যে ভিতের ওপর পারমাণবিক চুল্লি তৈরী হবে তাতে কংক্রিট ঢালাই শুরু করে নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী, নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকী, সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মুহম্মদ শফিউল হক, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব মো. আনোয়ার হোসেন, প্রেস সচিব ইহসানুল করিম, বাংলাদেশে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার ইগনেটভ, রাশিয়ার স্টেট এটমিক এনার্জি কর্পোরেশন-রোসাটামের মহাপরিচালক এলেসি লিখাচেভ, রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. শৌকত আকবর এবং বাংলাদেশ ও রাশিয়ার প্রকল্পের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র ২০২৪ সালের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের যোগান দেবে। রোসাটামের মাধ্যমে রাশিয়ার আর্থিক, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ লক্ষ্যে ২০১৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ও জেএসসি অ্যাটমস্ট্রোক্সপোর্ট-এর মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ চুক্তিতে আণবিক শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান মো. মনিরুল আলম ও অ্যাটমস্ট্রোক্সপোর্ট-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির এন সাভুসকিন স্বাক্ষর করেন। রোসাটাম নিযুক্ত রাশিয়ার অ্যাটমস্ট্রোক্সপোর্ট-এর ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে এই প্রকল্প নির্মাণ করবে। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ রাশিয়ার সঙ্গে দেশের এই সর্ববৃহৎ প্রকল্পের বিনিয়োগ ব্যয় চূড়ান্ত করে। এর আগে ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে দুই দেশের মধ্যে প্রকল্পের ইঞ্জিনিয়ারিং ডিজাইন, সাইট ডেভেলপমেন্ট ও পার্সোনাল ট্রেনিংয়ের জন্য ৫শ মিলিয়ন ডলারের রাশিয়ার ঋণ চুক্তি এবং ২০১১ সালে রোসাটাম-এর সঙ্গে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি স্থাপনে রাশিয়া সব ধরনের সহায়তা দেবে এবং জ্বালানি সরবরাহ করবে ও ব্যবহৃত জ্বালানি ফেরত নেবে। ২৬২ একর জমির উপর নির্মাণাধীন এই প্রকল্পের দুই ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা হচ্ছে ২ হাজার ৪শ মেগাওয়াট। ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন।
ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম কংক্রিট ঢালাই উপলক্ষে ফ্ল্যাশমব
নভেম্বর ২৮, ২০১৭ মঙ্গলবার ০৯:৫২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের রি-অ্যাক্টর বিল্ডিংয়ের ফাউন্ডেশনে প্রথম কংক্রিট ঢালাই আগামী ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এর মাধ্যমে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মূল নির্মাণ কাজের সূচনা ঘটবে। এই ঐতিহাসিক ঘটনা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রূপপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের তিন শতাধিক শিক্ষার্থী একটি বর্ণাঢ্য ‘ফ্ল্যাশমব’প্রদর্শনীর আয়োজন করে। শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার সবুজ ও লাল রংয়ের টি-শার্ট ও টুপি পরে স্কুল মাঠে ‘আই লাভ রূপপুর’ শীর্ষক একটি ফিগার তৈরি করে। ফ্ল্যাশমবটি ড্রোন ক্যামেরার সাহায্যে ধারণ করা হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথম কংক্রিট ঢালাই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। প্রকল্পটির ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন-রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচোভ সহ অন্যান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার
এলপিজি আমদানি করতে জাহাজ কিনেছে বেক্সিমকো
নভেম্বর ২৬, ২০১৭ রবিবার ১১:৩৮ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এলপিজি আমদানির জন্য জাহাজ কিনেছে বেক্সিমকো পেট্রোলিয়াম লিমিটেড। জাহাজটির নাম বেক্সপেট্রো-১। ২৭০০ মেট্রিক টন এলপিজি ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন এ জাহাজে পণ্য আমদানির কারণে খরচ কমবে এবং আরো কার্যকর একটি সরবরাহ চ্যানেল তৈরি করা সম্ভব হবে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। ডিসেম্বর মাসের শুরুর দিকে বেক্সপেট্রো-১ এবং এর ক্যাপ্টেন আলেক্সান্ডার ফাজারদো প্রথম এলপিজি’র চালানটি নিয়ে বাংলাদেশে আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে। বেক্সিমকো পেট্রোলিয়াম ইতিমধ্যে ইনডেক্স পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি’র (একটি বেক্সিমকো কোম্পানি) সহযোগিতায় মংলায় ৩০০০ মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন সর্বাধুনিক প্রযুক্তির একটি এলপিজি প্ল্যান্ট স্থাপন করেছে। পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জে ৫০০০ মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন আরো একটি এলপিজি প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হচ্ছে।  
ক্যাটাগরি: এলপিজি
এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে ১০০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি সই করেছে সামিট
নভেম্বর ২৬, ২০১৭ রবিবার ১১:৩২ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
সম্প্রতি সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সামিট এলএনজি টার্মিনাল মেরিন ঠিকাদারি কনসর্টিয়াম প্রতিষ্ঠান জিওসান এসএএস এবং ম্যাকগ্রেগরের সাথে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের টার্নকি চুক্তি সই করেছে। ওই চুক্তির আওতায় প্রতিষ্ঠান দুটি কক্সবাজারের মহেশখালিতে  সামিট এলএনজি টার্মিনালের ভাসমান এলএনজি স্টোরেজ  এবং পুনরায় গ্যাসে রুপান্তরকরণ টার্মিনালের ডিজাইন, ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রকিউরমেন্ট, ফেব্রিকেশন, ইনস্টলেশন এবং স্থায়ী অবকাঠামোর টেস্টিং এর কাজ করবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। প্রকল্পটির বাস্তবায়নের সময়সীমা ধরা হয়েছে চুক্তির পর থেকে পরবর্তী ১৬ মাস। এই স্থায়ী অবকাঠামোতে থাকবে অ্যাংকরসহ এফএসআরইউ এর জন্য ডিসকানেক্টবল টারেট মুরিং প্লাগ, নোঙরে ভাসমান বন্ধনীসহ ফ্রেক্সিবল রাইজার, কনট্রোল অ্যান্ড হাইড্রলিক আমবিলিকাল, পিএলইএম, এফএসআরইউ এর স্টার্ন মুরিং সিস্টেম, অফশোর পাইপলাইন এবং তীরের প্রয়োজনীয় কাজ। সামিট এলএনজি টার্মিনাল এ বছরের আগস্ট মাসে এক্সিলারেট এনার্জির সাথে এফএসআরইউ টার্মিনাল নির্মাণে টাইম চার্টার পার্টি সই করেছিল।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সেক্টর লিডারস কর্মশালা শুরু
নভেম্বর ২৪, ২০১৭ শুক্রবার ০৯:৩১ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সমস্যা, সম্ভাবনা, প্রযুক্তির সাশ্রয়ী ব্যবহার ও অর্থায়ন নিয়ে দুই দিনব্যাপি সেক্টর লিডারস কর্মশালা শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে। ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে বিদ্যুৎ বিভাগের আয়োজনে এই কর্মশালা শেষ হবে শনিবার। কর্মশালায় চারটি কারিগরী সেশনে আটটি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হবে। এতে ২৫টি মন্ত্রণালয় থেকে ২০০ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করছেন। কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সমস্যা ও সম্ভাবনার পাশাপাশি অর্থায়ন নিয়ে কর্মশালা থেকে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ পাওয়া যেতে পারে। যা ভবিষ্যতের জন্য কাজে লাগবে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার রিসার্চ কাউন্সিলকে আরো তৎপর হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মূখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, অতিরিক্ত সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব নাজিমউদ্দিন চৌধুরী।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ৫.৩% বাড়লো
নভেম্বর ২৩, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ১১:০৪ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
আবারও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ইউনিট প্রতি ভারিত গড়ে ৩৫ পয়সা বা ৫.৩% বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে নতুন এই মূল্য কার্যকর হবে। তবে এবার দাম বাড়ানো হয়েছে কেবল খুচরা পর্যায়ে, পাইকারি বিদ্যুতের দাম বাড়ছে না। বৃহস্পতিবার ঢাকায় কারওয়ানবাজারে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এর চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম এ ঘোষণা দেন। মনোয়ার ইসলাম বলেন, বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা/কোম্পানিগুলোর বিতরণ খরচ বৃদ্ধি বিবেচনায় খুচরা মূল্যহার বৃদ্ধি করা হয়েছে। তিনি বলেন, খুচরা পর্যায়ে গড়ে ৫ দশমিক ৩ শতাংশ দাম বাড়ানো হলেও বিদ্যুতের ন্যূনতম চার্জ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। তবে ন্যূনতম চার্জ না থাকলেও গ্রাহকদের ২৫ টাকা ডিমান্ড চার্জ থাকছে। নতুন হারে আবাসিকে মাসে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের খরচ বাড়বে ১৫ টাকা, ১৫০ ইউনিটে ৪৮ টাকা, ২৫০ ইউনিট পর্যন্ত ৯০ টাকা, ৪৫০ ইউনিট পর্যন্ত ১৯৬ টাকা এবং ১০০০ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারীদের খরচ বাড়বে ৬০৪ টাকা। একই সঙ্গে সেচ, বাণিজ্যিক, শিল্পসহ অন্যান্য শ্রেণীর গ্রাহকদের দামও বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিদ্যুতের দাম গড়ে ২ দশমিক ৯৩ শতাংশ বাড়িয়েছিল সরকার।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালে নতুন তিন ইন্ডিপেনডেন্ট ডিরেক্টর
নভেম্বর ২০, ২০১৭ সোমবার ১২:৩০ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল তাদের পরিচালনা পরিষদকে আরো শক্তিশালী ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তিন জন ইন্ডিপেনডেন্ট ডিরেক্টর নিয়োগ দিয়েছে। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির কৌশলগত নেতৃত্ব এবং কর্পোরেট গভর্নেন্স আরো শক্তিশালী হলো। নতুন তিনজন ডিরেক্টরসহ সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের মোট ডিরেক্টর সংখ্যা এখন দাঁড়ালো আটজন। এর মধ্যে রয়েছে তিনজন ইন্ডিপেনডেন্ট ডিরেক্টর রয়েছে বলে সামিট গ্রুপের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের পরিচালনা পরিষদে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- আবদুল্লাহ তারমুগী, লিম হুই হুয়া এবং ট্যাং কিন ফেই। সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল সিংগাপুরে নিবন্ধিত একটি আন্তর্জাতিক কোম্পানী। এর মধ্যে আবদুল্লাহ তারমুগী নমিনেটিং ও রিমুইনারেশন কমিটির চেয়ারম্যান এবং লিম হুই হুয়া অডিট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যদিকে ট্যাং কিন ফেই স্ট্র্যাটেজি এন্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। আবদুল্লাহ তারমুগী সিংগাপুর সরকারের প্রেসিডেন্টাল কাউন্সিল ফর মাইনরিটি রাইটস এর সদস্য। এর আগে তিনি সিংগাপুর পার্লামেন্টের স্পিকার এর দায়িত্ব পালন করেছেন। লিম হুই হুয়া সিংগাপুরের টেমবুসু পার্টনারস প্রাইভেট লিমিটেডের ডিরেক্টর। এর আগে তিনি সিংগাপুর পার্লামেন্টের নির্বাচিত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ট্যাং কিন ফেই বর্তমানে এসআইএ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানীর ডিরেক্টর এবং ডেপুটি চেয়ারম্যান। এর আগে তিনি সেম্বকর্প ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের গ্রুপপ্রেসিডেন্ট ও চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার এর দায়িত্ব পালন করেছেন। সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল এবং সামিট গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান বলেন, “সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের পরিচালনা পরিষদে যোগদানের জন্য বোর্ড এবং ব্যবস্থাপনা কমিটির পক্ষ থেকে আমি আবদুল্লাহ তারমুগী, লিম হুই  হুয়া এবং ট্যাং কিন ফেই-কে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। কর্পোরেট গভর্নেন্সে উচ্চমান বজায় রাখতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আশা করি তাদের যোগদানের মাধ্যমে আমাদের পরিচালনা পরিষদ এবং ব্যবস্থাপনা কমিটি অধিক দক্ষ এবং অভিজ্ঞতাসম্পন্ন হয়ে উঠবে। আমরা প্রত্যাশা করি তাদের কৌশলগত অন্তর্দৃষ্টি এবং বুদ্ধিবৃত্তিক দিক নির্দেশনায় সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত হওয়ার পাশাপাশি উদীয়মান এশিয়ায় প্রধান জ্বালানী সরবারহকারি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।”                সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল সামিট গ্রুপের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান যেটি মূলত বাংলাদেশে অবকাঠামো খাতে অন্যতম বৃহৎ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যুৎ, জ্বালানি, বন্দর, শিপিং, হসপিটালিটি ও ইনফরমেশন টেকনোলজি খাতে ৭,০০০ হাজারেও বেশী কর্মী কাজ করে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনতে ভারতীয় কোম্পানী আদানির সাথে চুক্তি করেছে বিপিডিবি
নভেম্বর ২০, ২০১৭ সোমবার ১১:৫০ এএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ভারতীয় প্রতিষ্ঠান আদানি পাওয়ারের কাছ থেকে বিদ্যুৎ কিনতে চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। সম্প্রতি ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে সই হওয়া ওই চুক্তির আওতায় ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনবে বাংলাদেশ। বিপিডিবি চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ জানান, এর আগে গত এপ্রিলে ভারতীয় এই প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে বিদ্যুৎ কেনার জন্য সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি অনুমোদন দেয়। পরে উভয় পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এই চুক্তি সই হয়। ২৫ বছর মেয়াদি চুক্তির আওতায় এ বিদ্যুৎ কিনতে বাংলাদেশের ব্যয় হবে ১ লাখ ৯০ হাজার ৯৭৫ কোটি টাকা। এতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ দশমিক ৬১ সেন্ট, যা বাংলাদেশী মুদ্রায় ৬ টাকা ৮৯ পয়সা। আদানি ভারতের ঝাড়খণ্ডে নির্মিতব্য ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াটের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে এ বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে। ঝাড়খণ্ডের গড্ডায় পৃথকভাবে ৮০০ মেগাওয়াটের দুই ইউনিটবিশিষ্ট ওই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে প্রতিষ্ঠানটি। আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তিতে এসব কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। ভারত সরকার প্রস্তাবিত বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে শর্তসাপেক্ষে বিদ্যুৎ সরবরাহে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় ঝাড়খণ্ড থেকে বাংলাদেশের সীমানা পর্যন্ত ৯০ কিলোমিটার ও বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বগুড়া পর্যন্ত ১৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ ৪০০ কেভি ডাবল সার্কিট সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হবে।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
যৌথ মালিকানায় মাতারবাড়িতে ৬০০ মেগাওয়াটের এলএনজি ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে
নভেম্বর ১২, ২০১৭ রবিবার ১২:৫৬ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড ও জাপানের মিৎসুই অ্যান্ড কোং লিমিটেড এর মধ্যে মাতারবাড়িতে ৫০০-৬০০ মেগাওয়াটের এলএনজি ভিত্তিক একটি কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। গত ৮ নভেম্বর ঢাকায় কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির সম্মেলন কক্ষে স্বাক্ষরিত ওই স্মারকে সই করেন কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড এর কোম্পানির সচিব মোঃ মিজানুর রহমান এবং জাপানের মিৎসুই অ্যান্ড কোং লিমিটেড (এশিয়া প্যাসেফিক) এর প্রকল্প অবকাঠামো বিভাগের মহাব্যবস্থাপক ইউজি উয়েদা। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানি হবে আমদানিকৃত এলএনজি।  ৫০% -৫০% অংশিদারিত্বে গঠিতব্য যৌথ কোম্পানির মাধ্যমে এ প্রকল্প বাস্তবান করা হবে এবং ডিসেম্বর২০২১ সাল নাগাদ উৎপাদনে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। চুক্তি শেষে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এর সাথে কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আবুল কাশেম এবং মিৎসুই অ্যান্ড কোং লিমিটেডের প্রতিনিধিরা এক সৌজন্য সাক্ষাত করেন এবং  প্রকল্প বাস্তবায়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে জানান। এ সময় অন্যান্যের মাঝে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস ও পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
    সাম্প্রতিক এনার্জি বিডি এর খবর
১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনতে ভারতীয় কোম্পানী আদানির সাথে চুক্তি করেছে বিপিডিবি
যৌথ মালিকানায় মাতারবাড়িতে ৬০০ মেগাওয়াটের এলএনজি ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে
দক্ষিণ এশিয়ার সেরা উদীয়মান এলপিজি কোম্পানি হিসেবে লাফস গ্যাসের পুরস্কার গ্রহণ
৩৬০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করবে নর্থ ওয়েষ্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি
ডিজাইন ও কনস্ট্রাকশন লাইসেন্স পেল রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র
সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং প্রকল্পের কাঠামোগত চুক্তি সম্পন্ন
দুই বছর পূর্তি উদযাপন করলো লাফস গ্যাস বাংলাদেশ লিমিটেড
‘দীঘিপাড়ার কয়লা উত্তোলনে সম্ভাব্যতা জরিপ কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী’
বাপেক্স ৭০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে ভোলায়
নেসকো প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৫ দশমিক ৩০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে
প্রথমবারের মতো বিদ্যুতের দাম কমানোর প্রস্তাবের ওপর গণশুনানী হবে বৃহস্পতিবার
‘বিআরইবি প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে’
‘বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য বৃদ্ধির পক্ষে বিইআরসি’র কারিগরী মূল্যায়ন কমিটি’
বিদ্যুতের মূলহার পরিবর্তনের জন্য গণশুনানী শুরু হচ্ছে ২৫ সেপ্টেম্বর
ইউনাইটেডের ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা কমিটি
এলএনজি আমদানির জন্য সিঙ্গাপুরের গানভর প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে পেট্রোবাংলা
ভোলায় ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে কারিগরি সহায়তা দেবে জিই
ইন্দোনেশিয়া থেকে এলএনজি কিনবে বাংলাদেশ
পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক সংখ্যা ১ কোটি ৯৮ লাখ ছাড়িয়েছে
বাংলাদেশ এবং রাশিয়ার মধ্যে স্পেন্ট নিউক্লিয়ার ফুয়েল ফেরত নেওয়া সংক্রান্ত চুক্তি সই
ভারতীয় কোম্পানির ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কিনতে চুক্তি সই করেছে বিপিডিবি
রূপপুর প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনে রাশিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা
‘বাংলাদেশের সাথে মায়ানমারের বিদ্যুতের আন্তঃগ্রীড সংযোগ হলে উভয় দেশ উপকৃত হবে’
‘ডিজেল ও ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বেসরকারি খাতে আরো ১০ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের অনুমোদন’
‘সরকার গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি করে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে’
জ্বালানি খাতে সুষম উন্নয়ন করা হবে: নসরুল
কঠোর শাস্তির বিধান রেখে মন্ত্রিসভায় বিদ্যুৎ আইন অনুমোদন
রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ অব্যাহত থাকবে: তৌফিক-ই-ইলাহী
আবাসিকে দ্বিতীয় ধাপে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি অবৈধ: হাইকোর্ট রায়
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy

   Editor & Publisher: Aminur Rahman
   Copyright @ 2015-2018 energynewsbd.com
   All Rights Reserved | Developed By: Jadukor IT