ঢাকা, সোমবার, আগস্ট ২০, ২০১৮, ভাদ্র ৫, ১৪২৫ ১০:৩৫ এএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
নবায়নযোগ্য
সিলেটের গোয়াইনঘাটে ৫ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে
বেসরকারী খাতে সিলেটের গোয়াইনঘাটে নির্মিতব্য পাঁচ মেগাওয়াটের একটি সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কিনতে জাপান ও বাংলাদেশভিত্তিক জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানীর সাথে চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। বৃহস্পতিবার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে বিপিডিবি সচিব মিনা মাসুদ উজ্জামান এবং জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানী ইকি সোজি কোম্পানি জাপান ও সান সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট লিমিটেড বাংলাদেশ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলাউদ্দিন মৃধা ওই বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিতে সই করেন। একই সাথে ওই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইমপ্লিমেন্টেশন এগ্রিমেন্টে (আইএ) বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষে যুগ্ম সচিব (উন্নয়ন) শেখ ফয়েজুল আমীন এবং জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানীর পক্ষে মো. আলাউদ্দিন মৃধা সই করেন। উক্ত জয়েন্ট ভেঞ্চারে ইকি সোজি কোম্পানি জাপান এর শেয়ার হলো ৯৫ দশমিক এক শতাংশ  এবং সান সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট লিমিটেড বাংলাদেশ শেয়ার চার দশমিক নয় শতাংশ। বিপিডিবি আগামী ২০ বছর পর্যন্ত নো ইলেকট্রিসিটি, নো পেমেন্ট ভিত্তিতে ১৩.৯০ সেন্ট দরে প্রতি ইউনিট  বিদ্যুৎ ক্রয় করবে। আগামী ১২ মাসের মধ্যে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। নির্মাণ শেষে কেন্দ্র থেকে চার কিলোমিটার দূরে সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর ৩৩/১১ কেভি সাব-স্টেশনে ৩৩ কেভি ভোল্টেজে বিদ্যুৎ সঞ্চালন করা হবে। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, বিপিডিবি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ, ইকি সোজি কোম্পানি জাপান এর প্রেসিডেন্ট ইয়াসুশি ফুজি উপস্থিত ছিলেন।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারকে উৎসাহিত করতে নেট মিটারিং নির্দেশিকা উদ্বোধন
জুলাই ২৮, ২০১৮ শনিবার ০৮:২৯ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারকে উৎসাহিত করতে নেট মিটারিং নির্দেশিকা ২০১৮ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে এ নির্দেশিকার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ডঃ তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ডঃ আহমদ কায়কাউস, বাংলাদেশ পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ইনিস্টিটিউট এর রেক্টর মোঃ মাহবুব-উল-আলম ও পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন। নেট মিটারিং এর আওতায় বিদ্যুৎ গ্রাহক নিজ স্থাপনায় স্থাপিত নবায়নযোগ্য জ্বালানি ভিত্তিক সিস্টেমে উৎপাদিত বিদ্যুৎ নিজে ব্যবহার করে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রীডে সরবরাহ করতে পারবেন। এভাবে সরবরাহকৃত বিদ্যুতের জন্য সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল পরবর্তী মাসের সাথে সমন্বয় করা হবে। ফলে গ্রাহকের বিদ্যুৎ খরচের সাশ্রয় হয়। ভারত, শ্রীলংকাসহ বিশ্বের পঞ্চাশটিরও অধিক দেশে নেট মিটারিং প্রদ্ধতি প্রচলন রয়েছে। নেট মিটারিং নির্দেশিকা ২০১৮ গ্রাহকবান্ধব করে তৈরি করা হয়েছে। এটি জনপ্রিয় করতে সংশ্লিষ্টদের কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।    
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
‘এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের চেয়ে দরকার এক মেগাওয়াট সাশ্রয়’
মে ২৮, ২০১৮ সোমবার ১০:০৬ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের চেয়ে এক মেগাওয়াট সাশ্রয় করতে পারলে ব্যয়বহুল বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ কমে আসবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা  ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। সোমবার ঢাকায় এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় দিন দিন বাড়ছে। ব্যয় সঙ্কোচন কিভাবে করা যায় সে চেষ্টা করতে হবে। ব্যয়বহুল পণ্যের অযথা অপচয় কখনই কাম্য নয়।” সরকারি সংস্থা টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) এর চতুর্থ বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আইইবি ভবনে অনুষ্ঠিত ওই সেমিনারে তৌফিক ইলাহী বলেন,“জনগণকে এ বিষয়ে সচেতন করতে বিশেষ ক্যাম্পেইনের উদ্যোগ নিতে পারে স্রেডা। বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি এর ব্যবহারে হতে হবে সচেতন। ” তিনি বলেন, ঘনবসতি এই দেশে যে কোনো ধরনের জমি খুবই মূল্যবান। তাই জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার যতটা সম্ভব নিশ্চিত করতে হবে। ভবিষ্যতে জমির প্রয়োজনীয়তা ও মূল্য আরও বাড়বে। অনেক জমি নিয়ে সোলার পার্ক করার মতো অবস্থা বাংলাদেশের নেই। সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে বাসাবাড়ি, অফিস ও বৃহৎ স্থাপনার ছাদকে কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন  প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। তিনি আরো বলেন,“জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক থেকে পৃথিবীতে স্বতন্ত্র অবস্থানে আছে বাংলাদেশ। একই রকম  ঘনত্বে যুক্তরাষ্ট্রে মানুষ বসবাস করতে দিলে সারা পৃথিবীর মানুষ বসবাসের পরও আরও জায়গা থাকবে।” সনাতনী দৃষ্টিভঙ্গি বদলে সৃজনশীল কাজে মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “সরকারের টার্গেট হলো সব এলাকায় বিদ্যুৎ  পৌঁছে দেওয়া। যেসব এলাকায় গ্রিডের বিদ্যুৎ যাবে না সেখানে সোলার বিদ্যুতের পরিকল্পনাও ঠিক নয়। গ্রিডের বিদ্যুত কিছু এলাকায় কেন যাবে না? গ্রিডের বিদ্যুতের পাশাপাশি বিকল্প হিসাবে কিভাবে সৌর বিদ্যুৎকে কাজে লাগানো যায় সেই চিন্তা করতে হবে।” তিনি বলেন, “স্বল্প খরচে গ্রাম ও শহরের রাস্তায় সামান্য বিদ্যুৎ ব্যবহার করে ব্যাটারি চালিত রিকশা চলাচল শুরু হলে অনেকে এটিকে নেতিবাচকভাবে দেখে। এরপর আমরা সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যাটারি চালিত রিকশার জন্য পৃথক চার্জিং স্টেশন স্থাপন করেছি।” দাতা সংস্থার দিকে না তাকিয়ে সরকারের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে নানা ধরনের পাইলটিং প্রকল্প নিতে স্রেডাকে পরামর্শ দেন তিনি। অনুষ্ঠানে স্রেডার বিগত দুই বছরের  অর্জন তুলে ধরে সংস্থার সদস্য (জ্বালানি দক্ষতা ও সংরক্ষণ) সিদ্দিক জোবায়ের বলেন, এই সময়ের মধ্যে এনার্জি এফিশিয়েন্সি অ্যান্ড কনজার্ভেশন বিধিমালা ও এনার্জি অডিট রেগুলেশন প্রণয়ন করা হয়েছে। নেট মিটারিং গাইডলাইনসহ বেশ কিছু নীতিমালা প্রণয়নে তারা সহযোগিতা করেছেন। আর পারিবেশ বান্ধব উপকরণ ব্যবহার করে শিল্প কারখানা গড়ে তুলতে ৭টি কোম্পানিকে ৪০০ কোটি টাকা অর্থায়নে অনাপত্তি দেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পের অর্ধেক কাজ এখন বাস্তবায়নাধীন। সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিপণনের জন্য প্যানেল ও অন্যান্য যন্ত্রাংশের সঠিক মান নিশ্চিত করার জন্য বিএসটিআই এর মাধ্যমে মান নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কুষ্টিয়া পৌরসভার সাথে একটি সমঝোতা স্মারক সই করা হয়েছে বলে জানান তিনি। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে জোবায়ের বলেন, “গ্রিডের সাথে সোলার ইরিগেশন পাম্পের সমন্বয়, গ্রীণ বিল্ডিং রেটিং সিস্টেম প্রণয়ন ও কাপ্তাই হ্রদে ভাসমান সৌর প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। ইতোমধ্যে সৌর শক্তি থেকে ৫১৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে। ২০২০ সালের মধ্যে তা ১৯৭১ মেগাওয়াটে উন্নীত করা হবে। তিনি আরো বলেন, “২০২১ সালের মধ্যে এনার্জি ইনটেনসিটি পার জিডিপি ১৫ শতাংশ কমে আসবে। কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন ২০১৩-১৪ অর্থবছরে পার জিডিপিতে এনার্জি ইনটেনসিটি ছিলো ৩ দশমিক ৭২ কেটিওই (কিলো-টনস অফ অয়েল ইকুভেলেন্ট) যা ২০১৬-১৭ অর্থবছরে কমে দাঁড়িয়েছে  ৩ দশমিক ৫৬ কেটিওই। স্রেডার অপর সদস্য সালিমা জাহান বলেন, “বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে এর মধ্যে জমির স্বল্পতা ও উচ্চ মূল্য, বিদ্যুৎ সঞ্চালনের জন্য লাইন নির্মাণ এবং সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সাথে সমন্বয়ের অভাব।” স্রেডার চেয়ারম্যান মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, স্রেডার কাছে মানুষের অনেক আশা। স্রেডা’র কাজের পরিধি বাড়াতে বিভাগীয় পর্যায়ের অফিস চালু করা হবে। এজন্য জনবল কাঠামোতে পরিবর্তন আনা হবে। বাংলাদেশে এক সময় জ্বালানির শতভাগ চাহিদা নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পূরণ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
নারায়নগঞ্জ সিটি করপোরেশনের বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সমঝোতা স্মারক সই
মার্চ ২২, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ০৭:০৩ এএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন  বোর্ড ও নারায়নগঞ্জ সিটি করপোরেশন একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে। বুধবার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে ওই সমঝোতা স্মারকে সই করেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সচিব মীনা মাসুদ উদ-জামান ও নারায়নগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এএফএম এহতেশামুল হক। সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, ৩ থেকে ৫ মেগাওয়াটের আইপিপি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এজন্য নারায়নগঞ্জ সিটি করপোরেশন দৈনিক ৩০০ থেকে ৫০০ টন বর্জ্য সরবরাহ করবে। কেন্দ্রটি নির্মাণে ১০ থেকে ১২ একর জমির প্রয়োজন হবে। স্মারক সইয়ের আগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, পরিচ্ছন্ন নগরীর জন্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অপরিহার্য। শহরের আকার দিনে দিনে বড় হচ্ছে, যত্রতত্র ময়লা ফেলার সুযোগ নেই। ডাম্পিং স্টেশন প্রয়োজন। বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এতে একদিকে যেমন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সঠিক হবে অন্যদিকে শক্তি উৎপাদন সম্ভব হবে। তিনি বলেন, পরিবেশ বান্ধব দুষণমুক্ত ও স্মার্ট সিটি বিনির্মাণে বর্জ্যের সুষ্ঠু ব্যবহার করতে হবে। ঢাকা শহরে প্রতিদিন প্রায় ৯০০০ টন বর্জ্য হয়। ৮০-১০০ টন বর্জ্য হতে ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। সে হিসেবে ৯০ মেগাওয়াট এর বেশি বিদ্যুৎ ঢাকা সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকা হতে উৎপাদন সম্ভব। এতে শহর পরিস্কার হওয়ার পাশাপাশি ময়লা ডাম্পিং এর সুনির্দিষ্ট স্থান হবে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে নারায়নগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা রহমান আইভি, বিদ্যুৎ বিভাগের  সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস,বিপিডিবি’র চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ বক্তব্য রাখেন।
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
‘গাজীপুরে ৭২৩ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌর প্যানেল স্থাপন করবে প্যারাগন’
ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৮ সোমবার ০৮:১৫ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
গাজীপুরে ভবনের ছাদে ৭২৩ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌর প্যানেল স্থাপনের জন্য একটি প্রকল্প নিয়েছে প্যারাগন পোলট্রি লিমিটেড। ঢাকায় সোনারগাঁও হোটেলে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সৌর শক্তি প্যানেল স্থাপনের ওই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, প্যারাগন এর এই সোলার রুপটপ করতে মোট ৫৮ মিলিয়ন টাকা খরচ হবে। যার ৮০ ভাগ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (ইডকল) ছয় শতাংশ সুদে প্রদান করছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চালাতে হবে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয় এবং দক্ষ ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ছে। নেট মিটারিং পদ্ধতি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে। এটি কার্যকর হলে সোলার রুপটপ বা সৌর বিদ্যুৎ আরো জনপ্রিয় হবে। তিনি বলেন, প্যারাগনের মতো অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠানকে ছাদ ব্যবহার করে সোলার রুপটপ থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যেতে পারে। গ্রীণ বিল্ডিং তৈরিতে উৎসাহিত করতে প্রণোদনার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস, ইডকল এর নির্বাহী প্রধান মাহমুদ মালিক, প্যারাগন পোলট্রি লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান ও জার্মানীর উন্নয়ন সংস্থা কেএফডাব্লিও এর আঞ্চলিক পরিচালক রেজিনা মারিয়া শ্চনেইডার বক্তব্য দেন।  
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
১৮তম নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্মেলন ও গ্রিন এক্সপো শুরু হচ্ছে ১৩ ফেব্রুয়ারি
ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৮ শনিবার ০৭:২৬ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শক্তি ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশ সৌরশক্তি সমিতির যৌথ উদ্যোগে আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে ১৮তম নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্মেলন ও গ্রিন এক্সপো-২০১৮ শীর্ষক তিন দিনব্যাপি জাতীয় সেমিনার ও নবায়নযোগ্য শক্তি প্রযুক্তির সরঞ্জমাদির প্রদর্শনী। বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিতব্য ওই সেমিনার ও প্রদর্শনী চলবে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত । সেমিনারের প্রধান বিবেচ্য বিষয় টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থাপনা । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শক্তি ইনস্টিটিউটে রোববার অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. সাইফুল হক এ তথ্য জানান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন  প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী এবং সভাপতিত্ব করবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের  উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আখতারুজ্জামান। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিন ১৪ ফেব্রুয়ারি  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান এবং তৃতীয় দিন ১৫ ফেব্রুয়ারি  সকালের অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর প্রাইভেট সেক্টর ডেভেলপমেন্ট অ্যাফেয়ারস্ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও বিকালে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ । এই সম্মেলন ও মেলার ব্যবস্থাপনা সহযোগী হিসেবে থাকছে মিডিয়া মিক্স কমিউনিকেশনস, প্লাটিনাম স্পন্সর হিসেবে বেক্সিমকো গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান তিস্তা সোলার লিমিটেড ও সিলভার স্পন্সর হিসেবে আছে সামিট পাওয়ার লিমিটেড।
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ক প্রযুক্তি মেলা চলছে
নভেম্বর ২০, ২০১৭ সোমবার ১১:২২ এএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করে উদ্ভাবিত বিভিন্ন প্রযুক্তি এবং প্রকল্প প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ঢাকায় শুরু হয়েছে তিন দিনের নবায়নযোগ্য শক্তি প্রযুক্তি মেলা ও কর্মশালা। রোববার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে শুরু হওয়া এ মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। মেলা শেষ হবে মঙ্গলবার। প্রতিদিন সকাল ৯:৩০ থেকে রাত ৮:৩০ পর্যন্ত সবার জন্য উম্মুক্ত এই মেলা। মূল আয়োজক ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কম্পানি লিমিটেড (ইডকল)। সহযোগিতায় জার্মান ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন কেএফডাব্লিউ এবং সহ-আয়োজক হিসেবে রয়েছে অল্টারনেটিভ এনার্জি প্রমোশন সেন্টার (এইপিসি), নেপাল। তিন দিনের কর্মশালায় এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নবায়নযোগ্য শক্তি প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক, অর্থায়নকারী, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করবে। বিভিন্ন দেশের নবায়নযোগ্য শক্তি খাতে কর্মরত ব্যক্তিদের নিয়ে এ প্ল্যাটফর্ম করা হয়েছে। যার উদ্দেশ্য হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তি প্রযুক্তির প্রসার, এর বাজার সৃষ্টি, অর্থায়ন, নীতি-নির্ধারণ ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে অংশগ্রহণমূলক আলোচনা করা। এর মাধ্যমে জ্ঞান ও চিন্তাভাবনার আদান-প্রদান এবং নবায়নযোগ্য শক্তি কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করা। ১৫টি দেশের প্রায় ৫০ জন বিদেশি এবং ৮০ জন স্থানীয় অংশগ্রহণকারী এ কর্মশালায় যোগ দেবেন। তিন দিনের এ কর্মশালার বিভিন্ন কার্যক্রমে নবায়নযোগ্য শক্তিসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে। যেখানে নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করে উদ্ভাবিত বিভিন্ন প্রযুক্তি এবং প্রকল্প দেশি-বিদেশি প্রায় ৩৫টি স্টলের মাধ্যমে মানুষের সামনে প্রদর্শন করা হয়।
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
২০০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ কিনতে তিস্তা সোলার লিমিটেডের সাথে বিপিডিবি’র চুক্তি সই
অক্টোবর ২৬, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ১০:২৮ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বেক্সিমকো পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড এবং চীনের টিবিইএ জিনজিয়াং সানওয়েসিস কোম্পানী লিমিটেড এর যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান তিস্তা সোলার লিমিটেডের সাথে বিদ্যুৎ ক্রয়ের চুক্তি করছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। বৃহস্পতিবার রাজধানীর আব্দুল গণি রোডের বিদ্যুৎ ভবনে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এছাড়া বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি) এর সাথে একটি বাস্তবায়ন চুক্তি করেছে তিস্তা সোলার। তিস্তা সোলারের পক্ষে উভয় চুক্তিতে সই করেন কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম রফিকুল ইসলাম। অন্যদিকে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন বিপিডিবি’র সচিব মিনা মাসুদ উজ্জামান, সরকারের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব শেখ ফায়েজুল আমিন এবং পিজিসিবি’র পক্ষে সই করেন কোম্পানি সচিব মোঃ আশরাফ হোসেন। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান এ এস এফ রহমান এবং ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ২০০ মেগাওয়াটের একটি সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণ করতে যাচ্ছে তিস্তা সোলার। চুক্তি অনুসারে আগামী ২০ বছর এই প্ল্যান্ট থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ প্রতি কিলোওয়াট ১৫ সেন্ট দরে ক্রয় করবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। জৈব জ্বালানী থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বর্তমান সময়ে একটি চিন্তার বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। একারনে নবায়নযোগ্য জ্বালানী শক্তি ভবিষ্যতের সমাধান। এটা মাথায় রেখেই বাংলাদেশ সরকার ২০২১ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের শতকরা ১০ ভাগ নবায়নযোগ্য জ্বালানী থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য ঠিক করেছে, যার বেশিরভাগ আসবে সৌরশক্তি থেকে। এই চুক্তি স্বাক্ষর সম্পর্কে তিস্তা সোলারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম রফিকুল ইসলাম বলেন, “এটা দেশের সবচেয়ে বড় সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট এবং সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানী শক্তি হতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের যে লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে তা পূরণে এই প্ল্যান্টটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।”
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
বর্জ্য থেকে ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন আগামী ৩০ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে
অক্টোবর ১৫, ২০১৭ রবিবার ০৭:২৭ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বর্জ্য থেকে ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তা আগামী ৩০ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। গত ১৩ অক্টোবর ঢাকার কেরাণীগঞ্জে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর উদ্যোগে আয়োজিত ঝিলমিল -১, ৩৩/১১ কেভি ২০ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ প্রকল্পের সাফল্যের আলোকে কেরাণীগঞ্জের মতো অন্যান্য উপজেলায়ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নেয়া হবে। তিনি বলেন, উন্নতর নাগরিক সুবিধা সমৃদ্ধ শহরতলী গড়ে তোলা হবে। সম্বনিত উন্নয়নের জন্য কেরানীগঞ্জের উপর মাস্টার প্ল্যান করা হচ্ছে। ঢাকার আশেপাশের অন্যান্য উপজেলা বা বিভাগীয় শহরগুলোর সম্বনিত উন্নয়ের মাস্টার প্ল্যান দ্রুত করে বাস্তবায়ন  করতে পারলে ঢাকা বা মূল শহরের শহরের উপর চাপ আর থাকবে না। তিনি আরো বলেন, প্রিপেইড মিটার বিদ্যুৎ ও অর্থ উভয়ই সাশ্রয় করবে। বিল ও সংযোগে অনলাইন সিস্টেম আমাদের নাগরিক জীবন সহজতর করেছে। এগুলোর প্রসার আমাদের শ্রমঘন্টা সাশ্রয় করবে। এ সময় তিনি  পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর বহুতল বিশিষ্ট অফিস ও আবাসিক ভবন, ঝিলমিল -২, ৩৩/১১ কেভি ২০ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র, কোনাখোলা ৩৩/১১ কেভি ২০ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র, চরগলগলিয়া ৩৩/১১ কেভি ২০ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র, ওয়াসপুর ৩৩/১১ কেভি ২০ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র-এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। প্রতিটি উপকেন্দ্র স্থাপন বাবদ ব্যয় হবে ১১.৫০ কোটি টাকা। ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন ও কেরাণীগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ বক্তব্য দেন।
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
৩০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ কিনতে বিপিডিবি ও ইন্ট্রাকো’র চুক্তি সই
আগস্ট ২৭, ২০১৭ রবিবার ১১:১৩ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
রংপুর গঙ্গাচড়া ৩০ মেগাওয়াট (এসি) গ্রীড টাইড সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ কিনতে স্থানীয় বেসরকারি কোম্পানী ইন্ট্রাকো সোলার পাওয়ার লিমিটেড সাথে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি সই করেছে। একই সাথে বিদ্যুৎ বিভাগের সাথে উক্ত কোম্পানী প্রকল্প বাস্তবায়ন চুক্তিও সই করেছে। রোববার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিতে সই করেন বিপিডিবি এর সচিব মিনা মাসুদ উজ্জামান এবং ইন্ট্রাকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রিয়াদ আলী। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে সরকারী প্রণোদনা অব্যাহত থাকবে। সরকার তুলনামূলক বেশি দাম দিয়েও গ্রীন ও ক্লিন এনার্জির উৎপাদন ও ব্যবহার বৃদ্ধির চেষ্টা করছে। ইডকলসহ দেশিয় লিজিং কোম্পানির সোলার পাওয়ার বা নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে অর্থায়নকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, যথাযথ অর্থায়ন বিদ্যুৎ খাতের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করবে। বিদ্যুৎ খাতে বেসরকারি বিনিয়োগকে সরকার সব সময় উৎসাহিত করে এবং করবে।   রংপুর শহর থেকে প্রায় ১৭ কিঃমিঃ দূরে ইন্ট্রাকো ওই পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণ করবে। চুক্তি সইয়ের দিন থেকে পরবর্তী ১৩ মাসের মধ্যে জাতীয় গ্রীডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে। ইতোমধ্যে জমি ক্রয়, প্রযুক্তি এবং পরিবেশ বিষয়ক পরামর্শক নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়েছে। এই সোলার পাওয়ার প্ল্যান্টে অর্থায়ন করবে ইডকলসহ দেশিয় লিজিং কোম্পানি। বিপিডিবি আগামী ২০ বছর পর্যন্ত ১৬ সেন্ট দরে প্রতি ইউনিট  বিদ্যুৎ ক্রয় করবে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ এর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মাঝে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস ও ইন্ট্রাকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রিয়াদ আলী।
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
বিশ্বে প্রথম পূর্ণাঙ্গ ভাসমান বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি হচ্ছে স্কটল্যান্ডে
জুলাই ২৬, ২০১৭ বুধবার ১০:৫৫ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
স্কটল্যান্ডের উত্তর-পূর্ব উপকূলে বিশ্বের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ভাসমান বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্রটি একটি আকার পেতে শুরু করেছে। পরিবেশবান্ধব এ বৈপ্লবিক প্রযুক্তিটি প্রচলিত বটম-স্ট্যান্ডিং টারবাইনের তুলনায় গভীর সমুদ্রের বাতাসকে কাজে লাগিয়ে বায়ু বিদ্যুৎ উৎপাদনে সহায়তা করবে। হাইউইন্ড নামে পরিচিত বায়ুকেন্দ্রটি পরীক্ষামূলকভাবে ২০ হাজার বাড়ির বিদ্যুৎ জোগান দেবে। কেন্দ্রটির নির্মাতা স্টেটঅয়েল জানিয়েছে, এ কেন্দ্রের টারবাইন থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বর্তমান কেন্দ্রগুলোর সমান বা ছাড়িয়ে যাবে। এ প্রযুক্তির বিস্তার থেকে লাভবান হওয়ার আশা করছে স্টেটঅয়েল। বিশেষ করে জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূলে, যেখানে গভীর সমুদ্র রয়েছে। হাইউইন্ড প্রকল্পের পরিচালক লেইফ ডেল্প বলেন, খোলা সমুদ্রে কেন্দ্রের কার্যক্ষমতা নিশ্চিত করতে প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়েছে। এটি ভাসমান বায়ু বিদ্যুতে আমূল পরিবর্তন আনছে। আমরা নিশ্চিত এর ফলে ব্যয় কমে আসবে। এ মুহূর্তে এ ধরনের টারবাইন নির্মাণের ব্যয় অনেক বেশি হলেও ভবিষ্যতে এর দাম নাটকীয়ভাবে কমে আসবে বলে আশা করছে স্টেটঅয়েল। যেভাবে প্রচলিত সামুদ্রিক টারবাইনের নির্মাণ ব্যয় কমে এসেছে। এখন পর্যন্ত নির্মাণস্থলে একটি বিশালাকার টারবাইন নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। আরো চারটি নরওয়ের সামুদ্রিক খাঁড়িতে প্রস্তুতির অপেক্ষায় রয়েছে। চলতি মাসের শেষ নাগাদ সব টারবাইন পিটারহেডের ২৫ কিলোমিটার দূরে বয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। যেখানে বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে দৈত্যাকার টারবাইনগুলো মাছধরা নৌকার মতো ভাসতে থাকবে। ব্লেডসহ বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্রের টাওয়ার ১৭৫ মিটার (৫৭৫ ফুট) প্রসারিত, যা বিগবেনকেও হার মানায়। প্রতিটি টাওয়ারের ওজন সাড়ে ১১ হাজার টন। টারবাইনগুলো সমুদ্রের ১ কিলোমিটার গভীর পর্যন্ত কাজ করতে সক্ষম। বটম-স্ট্যান্ডিং সামুদ্রিক বায়ুকেন্দ্রগুলো থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের দাম ২০১২ সালের পর ৩২ শতাংশ কমেছে, যা ধারণার চেয়েও দ্রুত। বিদ্যুতের দাম এখন সরকারের প্রত্যাশিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে চার বছর এগিয়ে রয়েছে। ফলে আরেকটি বড় দরপতনের আশা করা হচ্ছে। এর ফলে নতুন পারমাণবিক বিদ্যুতের তুলনায় সামুদ্রিক বায়ু বিদ্যুতের দাম অনেক নিচে নেমে যাবে। সূত্র: বিবিসি নিউজ
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
‘কাপ্তাইতে ৭.৪ মেগাওয়াটের সোলার পাওয়ার প্লান্ট নির্মাণ হচ্ছে’
জুলাই ০৯, ২০১৭ রবিবার ১০:৩৭ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, ক্লিন এনার্জির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগকে উৎসাহিত করা হবে। তিনি বলেন, কয়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় কার্বন বা সালফার বা নাইট্রোজেন বা নাইট্রোজেনের যৌগ নিয়ন্ত্রিতভাবে নিঃসরণের বিষয়ে সরকার সজাগ। উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আরো সতর্ক থাকতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আমদানিকৃত বিদ্যুৎও ক্লিন এনার্জি হিসেবে পরিগণিত হয়। প্রতিমন্ত্রী রোববার বিদ্যুৎ ভবনে কাপ্তাইতে ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট সোলার পাওয়ার প্লান্ট নির্মাণের লক্ষ্যে ইপিসি চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, সোলার পার্ক করা হচ্ছে, সেখান থেকে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। এ সময় তিনি সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাকে নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎপাদন, ব্যবহার ও প্রসারে কাজ করার আহ্বান জানান। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সচিব মীনা মাসুদ উজ জামান এবং জেডটিই করপোরেশনের বাস্তবায়ন পরিচালক লি উই এ চুক্তি সই করেন। গ্রিডে সংযোজিতব্য এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইপিসি কন্ট্রাক্টের মোট প্রায় ৯ দশমিক ৩৪ মিলিয়ন ডলার এবং প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের উৎপাদন মূল্য ৫.৪৮ টাকা। এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক এর আর্থিক সহায়তায় এ প্রকল্পটি করা হচ্ছে এবং জুলাই ২০১৮ সালের মধ্যে এটি বাস্তবায়িত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, বিপিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ ও জেডটিই করপোরেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ঝাং ইয়ানমেং বক্তব্য রাখেন।
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করবে বাংলাদেশ
জুলাই ০৭, ২০১৭ শুক্রবার ০৬:৩০ পিএম - দি কাঠমান্ডু পোস্ট
ভারতের জিএমআর আপার কর্নালি হাইড্রোপাওয়ারের সাথে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি (পিপিএ) করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ৯০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার নেপালের আপার কর্নালি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ বলেছে, ভারতের ওপর দিয়ে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি করার ব্যাপারে চুক্তির বিষয়টি চূড়ান্ত করতে এ দেশের সরকারের একটি প্রতিনিধিদল শিগগিরই নেপালের পশ্চিমাঞ্চলে প্রকল্প এলাকা সফর করে আলোচনা শুরু করবে। জিএমআর এনার্জির মূখ্য কার্যনির্বাহী কর্মকর্তা হরবিন্দর মানোচা বলেন, ‘আমরা নেপাল থেকে ভারত হয়ে ৩০০ থেকে ৫০০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ রপ্তানির পরিকল্পনা করছি।      
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
‘দরপত্র ছাড়া সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব আর নেওয়া হবে না’
মে ১৫, ২০১৭ সোমবার ০৯:৫৪ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে বেসরকারি খাতের ইন্ডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রোডিউসারদের (আইপিপি) কাছ থেকে বিনা দরপত্রে আর নতুন কোনো প্রস্তাব না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য অনেক বেসরকারি উদ্যোক্তাদের অনুমতি দেয়ার পরও সন্তোষজনক অগ্রগতি না হওয়ায় গত ১৩ এপ্রিল অযাচিত(বিনা দরপত্রে) প্রকল্প প্রস্তাব প্রক্রিয়াকরণ বিষয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওই সভায় সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, এখন পর্যন্ত সোলার বিদ্যুৎ সংক্রান্ত আইপিপি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়। অথচ প্রতিনিয়ত অযাচিত প্রস্তাব দাখিল করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ খাতের নীতি নির্ধারণী সংস্থা পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন বলেন, আগামী ২০২০ সালের মধ্যে দেশে উৎপাদিত বিদ্যুতের ১০ শতাংশ অর্থাৎ দুই হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মূলত সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকেই এই বিদ্যুতের বড় অংশ উৎপাদিত হবে। এই বিদ্যুৎ উৎপাদনে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করা ও প্রণোদনা দেয়ার সিদ্ধান্তও গ্রহণ করা হয়। এরই অংশ হিসেবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন ২০১০ এর আওতায় বিদ্যুৎ বিভাগ নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক অযাচিত প্রকল্প প্রস্তাব গ্রহণ করে। সাধারণত আগ্রহী উদ্যোক্তরা সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগে আবেদন করার পর বিদ্যুৎ সচিবের নেতৃত্বে গঠিত প্রকল্প প্রস্তাব প্রক্রিয়াকরণ কমিটি নতুন প্রকল্প গ্রহণ করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যুৎ বিভাগের  এক কর্মকর্তা জানান, এখন পর্যন্ত ৬৯টি প্রকল্প প্রস্তাব বিদ্যুৎ বিভাগে জমা পড়েছে। এর মধ্যে গত এপ্রিল পর্যন্ত ১৮টি প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর নীতিগত সম্মতি লাভ করে। এই ১৮টি প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এক হাজার ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে। এগুলোর মধ্যে চারটি প্রকল্পের স্পন্সরের সাথে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এর বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি (পিপিএ) স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মোট ক্ষমতা ৩০২ মেগাওয়াট। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো প্রকল্পেই আশানুরুপ অগ্রগতি নেই। একটি সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রও বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করতে পারেনি। অথচ চুক্তি সইয়ের পর সাধারণত ১০০ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎ সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে এক বছরের মতো সময় প্রয়োজন হয়। আর মোট ৫২৮ মেগাওয়াট ক্ষমতার নয়টি প্রকল্পের স্পন্সরের অনুকূলে বিভিন্ন সময় ইচ্ছাপত্র (লেটার অব ইনটেন্ট) ইস্যু করা হলেও তারা সাড়া দিচ্ছে না। অবশিষ্ট পাঁচটি প্রকল্প প্রস্তাব প্রক্রিয়াকরণ কমিটির বিবেচনাধীন রয়েছে। এছাড়া স্থাপিতব্য দুই হাজার ১৪৭ মেগাওয়াট ক্ষমতার ১৭টি কেন্দ্রের প্রস্তাব বিশেষ আইনে বিবেচনার জন্য ভূমি পরিদর্শন কমিটির বিবেচনাধীন রয়েছে। বাকি ৩৪টি প্রস্তাব আর বিবেচনায় নেওয়া হবে না বলে জানা গেছে। সভায় আরো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়,স্পন্সরকে আবশ্যিকভাবে ইচ্ছাপত্র (এলওআই) ইস্যুর পর দুই মাসের মধ্যে বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি সই করতে হবে। ছয় মাসের মধ্যে আর্থিক সংস্থান সম্পন্ন করতে হবে। তা না হলে এলওআই বাতিল করা হবে। এছাড়া যেসব প্রকল্প বিশেষ বিধানের আওতায় অগ্রসর হয়ে ইতোমধ্যে কারিগরি কমিটি ও ভূমি পরিদর্শন কমিটিতে  বিবেচনাধীন রয়েছে সেসব প্রকল্প প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন করা হবে। সরকার প্রয়োজনে বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীর কাছ থেকে দরপত্র আহ্বান করে স্পন্সর নিয়োগ করবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে।  
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
‘নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে গ্রিন ব্যাংকিং কার্যক্রম আরো বাড়ানো প্রয়োজন’
এপ্রিল ১৬, ২০১৭ রবিবার ০৫:০২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(স্রেডা) বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার, উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা এবং জ্বালানির দক্ষতা অর্জনে কাজ করছে। রোববার সিলেটে ‘টেকসই জ্বালানি প্রসারে গ্রিন ব্যাংকিং এর ভুমিকা’ শীর্ষক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এ কথা বলেন। জার্মান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (জিআইজেড), টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) যৌথভাবে ওই কর্মশালার আয়োজন করে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি বিস্তার করার জন্য পরিবেশবান্ধব অর্থায়ন বা গ্রিন ব্যাংকিং কার্যক্রম আরো বাড়ানো প্রয়োজন। বাংলাদেশ ব্যাংকের এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেয়া দরকার। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে প্রয়োজন নিয়মিত অর্থযোগান। নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যয়বহুল বিধায় প্রাথমিকভাবে স্বল্প সুদে বা বিনা সুদে অর্থায়ন প্রয়োজন। পরিবেশ বান্ধব জ্বালানি ব্যবহার বাড়াতে পারলে এসডিজি অর্জন সহজতর হবে বলে মনে করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব অর্থায়ন সহায়ক অবকাঠামো তৈরি শুধু টেকসই জ্বালানি উন্নয়নের জন্যই নয়, বরং সামগ্রিকভাবে পরিবেশ উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব ও টেকসই অর্থনীতির  দিকে দেশের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাংক এবং আর্থিক সংস্থার প্রতিনিধিদের  প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। সিলেটে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে টেকসই জ্বালানি উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের সচেতনতা তৈরি ও তথ্য প্রদান এবং পরিবেশবান্ধব অর্থায়নের ক্ষেত্রে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির উপর জোর দেয়া হয়েছে। সরকারের গৃহীত গ্রিন ব্যাংকিং নীতিমালা ও বিভিন্ন কার্যক্রমের সাফল্য নিশ্চিত করা এবং দেশে পরিবেশবান্ধব অর্থায়নের উপযোগী অবকাঠামো তৈরির জন্য এ ধরনের প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে অংশগ্রহণকারীরা মতামত প্রদান করেন। বিআইবিএম এর মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে স্রেডার চেয়ারম্যান মোঃ হেলাল উদ্দিন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্ণর এস কে সুর চৌধুরী, সিলেটের জেলা প্রশাসক মোঃ রাহাত আনোয়ার এবং বাংলাদেশে জার্মান দুতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন মাইকেল শুলখেই বক্তব্য দেন।  
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
‘তরুণ শিক্ষার্থীদের নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত করতে হবে’
মার্চ ১৫, ২০১৭ বুধবার ১১:০৬ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
সবুজ প্রযুক্তি ব্যবহারে তরুণ প্রজন্মকে উৎসাহিত করতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নবায়নযোগ্য শক্তি বিষয়ক এক সম্মেলনের উদ্বোধনীপর্বের প্রধান অতিথি তৌফিক বলেন, সাধারণ শক্তির উৎস সীমিত হওয়ায় আমাদের বিকল্প শক্তির উৎস তথা নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারে নজর দিতে হবে। অভিভাবক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণ ও তরুণ শিক্ষার্থীদের নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত করে আরো সবুজতর বাংলাদেশ গঠনে অবদান রাখতে পারেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শক্তি ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশ সৌরশক্তি সমিতি (বিএসইএস) যৌথভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে চার দিনব্যাপি জাতীয় নবায়নযোগ্য শক্তি ও সবুজ প্রদর্শনী-২০১৭ এর আয়োজন করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী পর্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-স্রেডা’র চেয়ারম্যান মো. হেলাল উদ্দিন, বাংলাদেশের প্রকৌশলীদের সংগঠন আইইবির সভাপতি কবির আহমেদ ভুঁইয়া, গ্রিনটেক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের সভাপতি মুহাম্মদ আব্দুল মজিদ, জার্মানির এনার্জি রিভলিউশনের প্রতিষ্ঠাতা ম্যাথিয়াস গেলবার। বিশ্ববিদ্যালয়ের শক্তি ইনস্টটিউটের পরিচালক অধাপক সাইফুল হক বলেন, এ বছরের সম্মেলনে বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদী নবায়নযোগ্য শক্তি পরিকল্পনা উন্নয়ন বিষয়ক আলোচনা প্রাধান্য পাবে। বিএসইএস সভাপতি মুহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারে বিশ্বের সর্বশেষ প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন উপস্থাপনের পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে তরুণ শিক্ষার্থীদেরকে সবুজ আন্দোলনে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্মেলনের প্রথম দিনে বিকেলে দুটি ভিন্ন অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন বানিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এবং ঢাকা মহানগরের (দক্ষিন) মেয়র সাঈদ খোকন। জ্বালানি ক্ষেত্রে সরকারের অর্জন নিয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ সরকার গত আট বছরে অনেক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করেছে। যা বাংলাদেশের বিভাগীয় শহরগুলোর ৬৮ শতাংশ মানুষকে গ্রীড বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এনেছে। প্রধানমন্ত্রী ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সবাইকে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা দিতে চান। বিকেলে অন্য অধিবেশনের প্রধান অতিথি মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, সরকারের একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে যে একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরী করা হবে যেটির জ্বালানির একমাত্র উৎসই থাকবে শহরের আবর্জনা। সরকারি হিসাব মতে, গার্মেন্টস এবং শহরাঞ্চল থেকে প্রায় দুইশ মেট্রিক টন বর্জ্য উৎপন্ন হচ্ছে। বর্তমান সরকার কেরানীগঞ্জে একটি সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করার জন্য একটি পাইলট প্রকল্প হাতে নিয়েছে। বর্তমানে এটির সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। 
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
বায়োগ্যাসের আলোয় আলোকিত রংপুরের পুটিমারীর ৭৫ পরিবার
ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ০১:৪৪ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
রংপুরের সদর উপজেলার চন্দনপাট ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে নির্মিত পরিবেশবান্ধব বায়োগ্যাস প্লান্টে উৎপাদিত বায়োগ্যাস দ্বারা উৎপাদিত বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হয়েছে পুটিমারী গ্রামের ৭৫টি পরিবার। প্রত্যন্ত ওই এলাকায় এখন পর্যন্ত বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি।রাত হলেই ঘোর অন্ধকারে কুপির মিটিমিটি আলোয় চলতো গৃহস্থালীর কাজ। ছেলেমেয়েরা কুপির স্বল্প আলোতে কোনমতে পড়ালেখার কাজ চালাতো। একে তো স্বল্প আয়ের মানুষের বসবাস সেখানে আবার কেরোসিনের দাম বৃদ্ধিতে ছেলেমেয়েদের জন্য কুপির আলো বরাদ্দ থাকতো কম। ফলে পড়ালেখায় অনুৎসাহিত হয়ে পড়তো ছেলেমেয়েরা। ছেলেমেয়েদের পড়ালেখায় উৎসাহ এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সরকারের নেয়া উদ্যোগে শুরু হয় স্থানীয়ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজ। গত ২২ ফেব্রুয়ারি চন্দনপাট ইউনিয়নের পুটিমারী শ্যামপুর রেলবস্তিতে নির্মিত স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ গভর্ন্যান্স প্রজেক্ট (ইউপিজিপি) এবং দ্বিতীয় লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট (এলজিএসপি-২) এর যৌথ অর্থায়নে চার লাখ টাকা ব্যয়ে ওই বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট উদ্বোধন করা হয়। রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কাজী হাসান আহমেদ এর উদ্বোধন করেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার রংপুরের উপ-পরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীন, রংপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান নাছিমা জামান ববি, সদরের নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, ৩ নং চন্দনপাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান, স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল মালেক হিটলার, ইউপি সচিব মোকছেদুর রহমান প্রমুখ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার কাজী হাসান আহমেদ বলেন, চন্দনপাট ইউনিয়নের প্রত্যন্ত একটি এলাকা শ্যামপুর রেলবস্তি। এখানকার হতদরিদ্র মানুষদের বৈদ্যুতিক সংযোগ স্থাপনের কোন সামর্থ্য নেই। সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে ইউপিজিপি প্রজেক্টের আওতায় বস্তির ৭৫টি পরিবারে বায়োগ্যাস প্ল্যান্টের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ হলে তাদের জীবনযাত্রার মান অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে। তিনি পর্যায়ক্রমে প্রত্যন্ত এলাকার প্রতিটি বাড়িতে আলো পৌঁছে দেয়ার আশ্বাস প্রদান করেন এবং উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের আহ্বান জানান। শ্যামপুর রেলবস্তির হতদরিদ্র জনগোষ্ঠির কর্মসংস্থান ও বিদ্যুৎবিহীন এলাকা হওয়ায় শিক্ষার মান বৃদ্ধি কল্পে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও পরিবেশ দূষনরোধে হতদরিদ্র পরিবারকে একটি করে গরু প্রদান পূর্বক কমিউনিটি ভিত্তিক বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট প্রকল্প এর আওতায় বস্তি এলাকার ৭৫টি পরিবার এ সুবিধা ভোগ করছেন। প্রজেক্টের আওতায় ইউপিজিপি’র দেওয়া ২ লাখ ৬৪ হাজার এবং (এলজিএসপি-২) এর ২ লাখ ৩৪ হাজার টাকা ব্যয়ে এবং বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট প্রকল্প থেকে দেয়া গরু এবং সুবিধাভোগিদের গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগির গোবর-বিষ্ঠাসহ অন্যান্য পচনশীল বর্জ পদার্থ দিয়ে বায়োগ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে। একইসাথে উৎপাদিত হচ্ছে বায়োস্লারি। যা জৈব সার হিসেবে জমিতে ব্যবহারের জন্য সুবিধাভোগীদের মাঝেই বন্টন করা হচ্ছে। সূত্র: বাসস
ক্যাটাগরি: নবায়নযোগ্য
    সাম্প্রতিক নবায়নযোগ্য এর খবর
‘তরুণ শিক্ষার্থীদের নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত করতে হবে’
বায়োগ্যাসের আলোয় আলোকিত রংপুরের পুটিমারীর ৭৫ পরিবার
‘শেটল্যান্ড ইউরোপে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে পরাক্রমশালী’
কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় ১ মেগাওয়াট বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধন
‘নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক ১৬টি বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি’
২০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কিনতে সাউদার্ণ সোলার সাথে বিপিডিবি’র চুক্তি সই
‘কয়লার চেয়ে সৌর ও বায়ু বিদ্যুতের দাম সস্তা হচ্ছে’
১৮৬টি সৌর সেচ পাম্প স্থাপনে গাজী রিনিউবেল এনার্জিকে ঋণ দিচ্ছে ইডকল
চীনের ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে ঋণ দিয়েছে ব্রিকস ব্যাংক
দেশের আরো চারটি স্থানে ইজিবাইক সোলার চার্জিং স্টেশন স্থাপন হচ্ছে
‘ঢাকা শহরের বর্জ্য থেকে দৈনিক ৭৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব’
নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা কয়লাকে ছাড়িয়েছে
নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ কমাতে আরো গবেষণা প্রয়োজন
জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি ও সংরক্ষণ নিয়ে স্রেডার সাথে ইইএসএল এর সমঝোতা সই
জ্বালানি সাশ্রয়ে দক্ষ যন্ত্রাংশ ব্যবহারে নিরীক্ষা বাধ্যতামূলক হচ্ছে
নবায়নযোগ্য জ্বালানি দিয়ে পুরো দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করলো পর্তুগাল
সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনে জার্মানির সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ
বাংলাদেশে বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে আগ্রহী সিঙ্গাপুর
বিশ্বের প্রথম সৌরশক্তি চালিত পার্লামেন্ট চালু পাকিস্তানে
৩২ মেগাওয়াটের সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র হচ্ছে সুনামগঞ্জে
বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি উৎপাদনে আগ্রহী সুইডেন
মরক্কোতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন
নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে মাস্টার প্ল্যান হচ্ছে
নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ক তিন দিনব্যাপি প্রদর্শনী শুরু ২৭ জানুয়ারি
সৌরবিদ্যুৎ থেকে ইজিবাইকের ব্যাটারী চার্জিং ষ্টেশনের যাত্রা শুরু
দেশে প্রথম ইজিবাইকের সোলার চার্জিং স্টেশন উদ্বোধন হবে শুক্রবার
আন্তর্জাতিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি সংস্থার ৬ষ্ঠ সম্মেলন বাংলাদেশের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত
বিশ্বে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ছে
নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে ভর্তুকি দেবে সরকার
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy