ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ১৯, ২০১৯, বৈশাখ ৫, ১৪২৬ ০৫:১৪ এএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
অন্যান্য দেশ
এলএনজির দাম আন্তর্জাতিক বাজারে কমছে
চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্যহীনতার জের ধরে ২০১৫ সাল থেকে দরপতনের পর থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক বাজার বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে। বৈশ্বিক জ্বালানি তেল খাতে এ ধাক্কার তিন বছরের মাথায় অনেকটা একই পরিস্থিতিতে পড়েছে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) বাজারও। ২০১৮ সালের শেষ দিকে এসে আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দরপতন শুরু হয়। শীত মৌসুমে চাহিদা তুলনামূলক বেশি থাকার পরও চলতি বছরেও জ্বালানি পণ্যটির দরপতনের লাগাম টানা সম্ভব হয়নি। এ ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ সপ্তাহে এলএনজির দাম তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে এসেছে। এ পরিস্থিতিতে এলএনজির বৈশ্বিক সরবরাহ কমিয়ে আনা সবচেয়ে জরুরি বলে মনে করছেন জ্বালানি বিশ্লেষকরা। একই সঙ্গে চলতি গ্রীষ্মে দেশে দেশে তাপমাত্রা অতিরিক্ত পরিমাণে বেড়ে গেলে এলএনজির চাহিদা বেড়ে দামও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ী ও বিশ্লেষকরা। বিশ্বব্যাপী এলএনজি বেচাকেনার অন্যতম প্রধান দুটি কেন্দ্র বা হাব এশিয়া ও ইউরোপ। এশিয়ার বাজারে টানা ১৩ সপ্তাহ ধরে জ্বালানি পণ্যটির দাম ক্রমাগত কমছে। এ ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ সপ্তাহে মে মাসে সরবরাহের চুক্তিতে প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (২৭ দশমিক শূন্য ৯৬ ঘনমিটার) এলএনজির গড় দাম দাঁড়িয়েছে ৪ ডলার ৬৫ সেন্টে, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ৮০ সেন্ট কম। এর মধ্য দিয়ে ২০১৬ সালের মে মাসের পর এশিয়ার বাজারে জ্বালানি পণ্যটির দাম সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে এসেছে। অন্যদিকে এ সময় উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের বাজারে মে মাসে সরবরাহের চুক্তিতে প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট এলএনজি বিক্রি হয়েছে ৪ ডলার ৯৮ সেন্টে। এলএনজির দরপতনের পেছনে দুটি কারণ চিহ্নিত করেছেন জ্বালানি বিশ্লেষকরা। প্রথমত, এবারের মৌসুমে এশিয়ার দেশগুলোয় শীত তুলনামূলক কম পড়েছিল। এ কারণে জাপান, চীন, দক্ষিণ কোরিয়াসহ শীর্ষ ভোক্তা দেশগুলোয় এলএনজির চাহিদা কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে বাড়েনি। চাহিদা তুলনামূলক কম থাকায় এসব দেশ এলএনজি আমদানিও বাড়ায়নি। ফলে জ্বালানি পণ্যটির দাম কমেছে। দ্বিতীয়ত, চাহিদা শ্লথ হয়ে এলেও বিশ্বব্যাপী এলএনজির সরবরাহ বাড়তির দিকে ছিল। বিশেষত কাতার, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া—এ তিন দেশের শীর্ষ এলএনজি রফতানিকারকের অবস্থান দখলের প্রতিযোগিতা জ্বালানি পণ্যটির সরবরাহ বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে গত বছর এলএনজি রফতানিকারকদের তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে মিসরের মতো দেশও। একদিকে চাহিদা কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে না বাড়া, অন্যদিকে সরবরাহে চাঙ্গাভাব—এলএলজির দাম কমিয়ে ৫ ডলারের নিচে নামিয়ে এনেছে। সূত্র: অয়েলপ্রাইসডটকম
চলতি বছর বিশ্বে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের চাহিদা বাড়তে পারে
জানুয়ারি ১৭, ২০১৯ বৃহস্পতিবার ০৭:১৮ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
চলতি বছর সারাবিশ্বে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের  চাহিদা প্রবৃদ্ধি  তুলনায় বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সম্প্রতি মার্কিন এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ইআইএ) এক প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। ইআইএর পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ২০১৯ সাল শেষে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক চাহিদা প্রবৃদ্ধি দাঁড়াতে পারে দৈনিক ১৫ লাখ ৪০ হাজার ব্যারেলে, যা প্রতিষ্ঠানটির আগের প্রাক্কলনের তুলনায় দৈনিক ২০ হাজার ব্যারেল বেশি। ২০২০ সাল নাগাদ অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক চাহিদা প্রবৃদ্ধি চলতি বছরের তুলনায় দৈনিক ১৪ লাখ ৩০ হাজার ব্যারেল বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ইআইএ। ২০২০ সাল নাগাদ বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের সম্মিলিত চাহিদা দাঁড়াতে পারে দৈনিক ১০ কোটি ৩০ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেলে। সূত্র: রয়টার্স
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
চীনা ফাস্ট-নিউট্রন রি-অ্যাক্টরের জ্বালানী সরবরাহ করবে রাশিয়া
জানুয়ারি ১০, ২০১৯ বৃহস্পতিবার ০৭:০৪ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
রুশ রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন রোসাটমের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান টেভেল ফুয়েল কোম্পানী এবং চীনা জাতীয় পারমাণবিক কর্পোরেশন (সিএনসিসি) বৃহস্পতিবার বেইজিং-এ একটি সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এর অধীনে চীনে নির্মানাধীন সিএফআর-৬০০ ফাস্ট-নিউট্রন রিয়্যাক্টরে প্রাথমিক জ্বালানী লোডিং সহ পরবর্তী ৭ বছর রিফুয়েলিং-এর জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানী সরবরাহ করবে টেভেল। টেভেল ফুয়েল কোম্পানীর মস্কোতে অবস্থিত মেশিন বিল্ডিং প্ল্যান্ট- ইলেকট্রোস্টালে এই সিএফআর-৬০০ ফুয়েল এসেম্বলি তৈরি করা হবে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। চীনের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত অনুরোধের প্রেক্ষিতে, টেভেল এ জাতীয় জ্বালানী উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। উল্লেখ্য, ফাস্ট-নিউট্রন রি-অ্যাক্টরের জ্বালানী উৎপাদনের ক্ষেত্রে রাশিয়ার ৪০ বছরেরও অধিক অভিজ্ঞতা রয়েছে। টেভেলের প্রেসিডেন্ট নাতালিয়া নিকিপেলোভা চুক্তির সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে জানান, “বানিজ্যিক ফাস্ট-নিউট্রন রি-অ্যাক্টরের জন্য ইউরেনিয়াম ভিত্তিক জ্বালানী উৎপাদনে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে রাশিয়ার। আমরা সম্প্রতি বিএন-৮০০ ফাস্ট-নিউট্রন রিয়্যাক্টরের জন্য ইউরেনিয়াম-প্লুটোনিয়াম মক্স জ্বালানীর ব্যাচ উৎপাদন শুরু করেছি।” রাশিয়া এবং চীনের মধ্যে সহযোগিতা চুক্তির পুরো প্যাকেজটির মধ্যস্থতা এবং সমন্বয়কারী প্রতিষ্ঠান রোসাটম ওভারসীজ-এর প্রেসিডেন্ট ইভগেনি পাকেরমানব বলেন, “যেহেতু এটি একটি ডেমনস্ট্রেশন ধরনের প্রকল্প, সেহেতু রুশ প্রকৌশলীরা চীনা নকশার ওপর ভিত্তি করে সত্যিকার অর্থেই একটি নতুন ধরনের জ্বালানী উদ্ভাবন করতে যাচ্ছে।” চীনের ফাস্ট-রিয়্যাক্টর নির্মাণ এবং পরিচালনার ক্ষেত্রে রাশিয়া এবং চীনের মধ্যে পারস্পরিক চুক্তির অংশ হিসেবেই সিএফআর-৬০০ জ্বালানী চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছে। মূল সহযোগীতা চুক্তির অধীনে অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে চীনের তিয়ানওয়ান এবং খুদাবাও পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে রুশ নকশার ভিভিইআর-১২০০ রি-অ্যাক্টর ভিত্তিক পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইউনিট নির্মিত হবে। রুশ ভিভিইআর-১২০০ রি-অ্যাক্টর গুলো ৩+ প্রজন্মেও বলে বিবেচিত। রোসাটমের টিভেল ফুয়েল কোম্পানীর অধীনে পারমাণবিক জ্বালানী তৈরি, ইউরেনিয়ামের রুপান্তর এবং সমৃদ্ধকরনসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। রাশিয়ার সকল পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র গুলোর জ্বালানী সরবরাহ আসে টিভেল থেকে। এ ছাড়াও বিশ্বের ১৪টি দেশের ৭২টি পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইউনিটের জ্বালানীও সরবরাহ করে থাকে প্রতিষ্ঠানটি। বিশ্বের প্রতি ৬টি পারমাণবিক বিদ্যুৎ রি-অ্যাক্টরের ১টি টেভেল কর্তৃক উৎপাদিত জ্বালানী ব্যাবহার করে থাকে। 
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
রুশ সহায়তায় নির্মিত চীনের তিয়ানওয়ান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চতুর্থ ইউনিটে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু
ডিসেম্বর ৩১, ২০১৮ সোমবার ১২:০১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
সফলভাবে প্রয়োজনীয় কমিশনিং প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর চীনের তিয়ানওয়ান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চতুর্থ ইউনিটটি সম্প্রতি  বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করেছে। তিয়ানওয়ান প্রকল্পের ৩ এবং ৪নং ইউনিটের জন্য কমিশনিং প্রোগ্রামে অন্তর্ভূক্ত সকল পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফল জেনারেল চুক্তিতে উল্লিখিত কারিগরি বৈশিষ্ট এবং নিরাপত্তা চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। উল্লেখ্য ইউনিট ৩ এবং ৪ এর জন্য চীনের জিয়াংসু নিউক্লিয়ার পাওয়ার কর্পোরেশন (জেএনপিসি) রুশ রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন- রোসাটমের প্রকৌশল শাখা এটমস্ত্রয়এক্সপোর্টের সঙ্গে জেনারেল কন্ট্রাক্ট স্বাক্ষর করেছিল। রোসাটম প্রকৌশল বিভাগের চীন বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট আলেক্সি বান্নিক জানান, “এর মাধ্যমে দুই বছর মেয়াদী ওয়ারেন্টি পিরিয়ডের গণনা শুরু হলো। উক্ত পিরিয়ড শেষে ইউনিটটি চীনকে হস্তান্তর করা হবে।” তিয়ানওয়ান পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পটি রুশ প্রতিষ্ঠান এটমস্ত্রয়এক্সপোর্টের সহায়তায় চীনের জিয়াংসু নিউক্লিয়ার পাওয়ার কর্পোরেশন (জেএনপিসি) নির্মাণ করছে। চলতি বছরে স্বাক্ষরিত আর একটি চুক্তির অধীনে রাশিয়া চীনে ৩+ প্রজন্মের ভিভিইআর- ১২০০ রিয়্যাক্টর ভিত্তিক ৪টি পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইউনিট নির্মাণ করবে, যার মধ্যে অন্তর্ভূক্ত রয়েছে তিয়ানওয়ান প্রকল্পের সপ্তম ও অষ্টম ইউনিট এবং নতুন জুডাপু সাইটে ২টি ইউনিট। এটমস্ত্রয়এক্সপোর্ট বাংলাদেশের রূপপুরে ২টি ৩+ প্রজন্মের ভিভিইআর- ১২০০ রিয়্যাক্টর ভিত্তিক বিদ্যুৎ ইউনিট নির্মাণে জেনারেল কন্ট্রাক্টর হিসেবে কাজ করছে। 
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
‘২০৩০ সালে এশিয়ায় এলএনজির চাহিদা বাড়বে ৪ গুণ’
ডিসেম্বর ২১, ২০১৮ শুক্রবার ১০:৪৭ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
২০৩০ সালের মধ্যে এশিয়ার দেশগুলোয় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) চাহিদা চার গুণ বাড়বে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান উড ম্যাকেঞ্জির এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন ও তাইওয়ানের মতো উত্তরপূর্ব এশিয়ার দেশগুলো এলএনজির সবচেয়ে বড় ক্রেতা। এসব দেশ বৈশ্বিক চাহিদার অর্ধেকের বেশি এলএনজি ব্যবহার করে। দীর্ঘদিন নীরব থাকার পর এসব এলএনজি ক্রেতা আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। চলতি বছর এসব দেশ ১ কোটি ৬০ লাখ টনের বেশি এলএনজি চুক্তির ঘোষণা দিয়েছে। উড ম্যাকেঞ্জির রিসার্চ ডিরেক্টর নিকোলাস ব্রাউনি বলেন, চীন কম কার্বন নির্গমনের পথে এগোচ্ছে। এ কারণে দেশটিতে গ্যাস ও এলএনজির চাহিদা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। আমরা আশা করছি, দীর্ঘমেয়াদে এ ধারা অক্ষুণ্ন থাকবে। পরামর্শক প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, বিশ্বের শীর্ষ সাত এলএনজি ক্রেতা প্রতিষ্ঠান ব্যয় হ্রাস ও সরবরাহ উৎস নিশ্চিত করতে এলএনজির সন্ধানে অভিযানে বের হওয়ার পথে রয়েছে। এ শীর্ষ সাত এলএনজি ক্রেতা প্রতিষ্ঠান হলো সিএনওওসি, পেট্রোচায়না, সিনোপেক, সিপিসি, জেইআরএ, কেওগ্যাস ও টোকিওগ্যাস। এসব প্রতিষ্ঠান বিশ্বের ৫০ শতাংশের বেশি এলএনজি ক্রয় করে। ২০৩০ সালের মধ্যে এ সাত ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের এলএনজির বার্ষিক চাহিদা ৮ কোটি টন উন্নীত হতে পারে। উড ম্যাকেঞ্জির মতে, ফাইনাল ইনভেস্টমেন্ট ডিসিশন (এফআইডি) বিবেচনায় ২০১৯ সাল এলএনজি খাতের জন্য রেকর্ড বছর হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে। তুলনামূলক কম প্রস্তুত ও প্রতিযোগিতামূলক প্রকল্পগুলোর ভাগ্য নির্ধারণ ২০২০ সাল বা আরো বিলম্বিত হতে পারে। তা সত্ত্বেও এফআইডির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময় আসছে। ২০১৯ সালে এফআইডি নেয়া হতে পারে এমন প্রকল্পের একটি হলো রাশিয়ার ২ হাজার ৭০০ কোটি ডলারের আর্কটিক এলএনজি-২ প্রজেক্ট। এছাড়া মোজাম্বিকে একটি ও যুক্তরাষ্ট্রে তিনটি প্রকল্পও এ তালিকায় আছে। অস্ট্রেলিয়া ও পাপুয়া নিউ গিনির সম্প্রসারণ এবং পুনর্ভর্তিকরণ প্রকল্পগুলোর ব্যাপারে আগামী বছর এফআইডি নেয়া হতে পারে। এ দুই দেশই এশিয়ার ক্রেতাদের জন্য নিকটবর্তী। উড ম্যাকেঞ্জি জানায়, এলএনজি বাজারে স্বল্পমেয়াদি ও স্পট পারচেজ বাড়ছে। এ কারণে এলএনজি সরবরাহকারীদের চুক্তির বৈচিত্র্য দরকার। ক্রেতারা শুধু দাম নয়, বরং চুক্তির নমনীয়তা, উেসর বৈচিত্র্য, মৌসুমি ধারা ও আপস্ট্রিমে অংশীদারিত্বও বিবেচনায় নিতে পারে। নিকোলাস ব্রাউনি বলেন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ানের মতো পরিণত বাজারে উদারীকরণ এবং দীর্ঘমেয়াদি চাহিদার অনিশ্চয়তার মানে হলো স্পট ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আরো বেশি সম্ভাবনা। এশিয়ার দেশগুলোয় চাহিদা বৃদ্ধি নিঃসন্দেহে মার্কিন এলএনজি খাতে বিনিয়োগকারীদের জন্য সুখবর। আগামী দশকে যুক্তরাষ্ট্রের এলএনজি রফতানি সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়তে পারে। বর্তমানে দেশটিতে বেশকিছু এলএনজি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন আছে। আরো কিছু প্রকল্প এফআইডি পর্যায়ে রয়েছে। সূত্র: অয়েলপ্রাইসডটকম।
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
‘হিটাচির সঙ্গে ১১ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করছে এবিবি’
ডিসেম্বর ২০, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ০৬:০০ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
জাপানের বহুজাতিক কনগ্লোমারেট হিটাচির কাছে পাওয়ার গ্রিড ব্যবসার ৮০ দশমিক ১ শতাংশ মালিকানা বিক্রি করতে যাচ্ছে সুইস বহুজাতিক করপোরেশন এবিবি। গত ১৭ ডিসেম্বর সুইস প্রকৌশল গ্রুপটি এ তথ্য জানিয়েছে। একই সঙ্গে চুক্তি থেকে শেয়ারহোল্ডাররা নগদ ৭৬০ কোটি ডলার থেকে ৭৮০ কোটি ডলার পাবে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। কোম্পানির পাওয়ার গ্রিড ব্যবসার মোট বাজারমূল্য ১১ বিলিয়ন বা ১ হাজার ১০০ কোটি ডলারে দাঁড়াবে বলে জুরিখভিত্তিক অটোমেশন কোম্পানিটি জানিয়েছে। ইউনিটটি বিক্রি করার পর নিজেদের অবশিষ্ট ব্যবসাগুলোর কাঠামো পুনর্গঠনের দিকে মনোযোগ দেবে এবিবি। ব্যবসা বিক্রির ফলে এবিবির আয় প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সংকুচিত হতে পারে। তবে বিলগ্নীকরণের ফলে এবিবির অন্যতম অ্যাক্টিভিস্ট শেয়ারহোল্ডার কেভিয়ান ক্যাপিটালের দীর্ঘদিনের একটি চাহিদা পূরণ হবে। উল্লেখ্য, এবিবির পাওয়ার গ্রিড ইউনিটটিতে ৩৬ হাজার কর্মী রয়েছেন। গত বছর ইউনিটটির বিক্রির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৪০ কোটি ডলার। এক বিবৃতিতে রোবট নির্মাতা কোম্পানিটি জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে এবিবির হাতে পাওয়ার গ্রিড ব্যবসার ১৯ দশমিক ৯ শতাংশ থাকবে, যা পরবর্তীতে বিক্রি করা হবে। উল্লেখ্য, চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে ব্যবসাটি থেকে ৭১০ কোটি ডলার আয় করেছে এবিবি এবং এর মুনাফার হার দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৮ শতাংশ। এর আগে গত সপ্তাহে এবিবি ও হিটাচি চুক্তি নিয়ে আলোচনা অগ্রসর হওয়ার কথা জানিয়েছিল। তবে সে সময় এ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করা হয়নি। অধিগ্রহণ সম্পন্ন হলে বিশ্বের ক্রমবর্ধমান পাওয়ার ট্রান্সমিশন ও বিতরণ খাতে হিটাচির অবস্থান আরো জোরালো হবে। একই সঙ্গে চুক্তিটি হিটাচির পারমাণবিক ব্যবসা থেকে সরে আসার পরিকল্পনার সহায়ক হবে। বেশকিছু সম্পদ বিক্রির মাধ্যমে বৈচিত্র্যময় কোম্পানিটিকে পুনর্গঠিত করছেন হিটাচির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তোশিয়াকি হিগাশিহারা। বিশ্বের শীর্ষ গ্রিড কোম্পানিতে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য রয়েছে জাপানের কনগ্লোমারেটটির। এবিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলরিখ স্পিসহফার এক বিবৃতিতে বলেন, আমাদের নতুন করে সাজানো চারটি ব্যবসার মাধ্যমে আমরা খুব ভালোভাবে ক্রেতাদের সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে পারব। একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো উদীয়মান প্রযুক্তির দিকে আরো দৃঢ়ভাবে মনোযোগ দিতে সক্ষম হব। সূত্র: ব্লুমবার্গ।
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
শিগগিরই রাশিয়ার গ্রীডে যুক্ত হবে বিশ্বের একমাত্র ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
ডিসেম্বর ১৫, ২০১৮ শনিবার ০৬:২৮ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বর্তমানে রাশিয়ার মুরমান্সকে অবস্থিত বিশ্বের একমাত্র ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র একাডেমিক লামানোসভের প্রথম ইউনিটের স্টার্ট-আপ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত সপ্তাহে ক্যাপাসিটির দশ শতাংশ উৎপাদনের মাধ্যমে ইউনিটটির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শরু হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করেছে রুশ রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন রোসাটম। গ্রীডে যুক্ত হবার পূর্বে অন্যান্য পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতোই একাডেমিক লামানোসভের নিরাপত্তা ও কার্যদক্ষতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে কতোগুলো ধারাবাহিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হচ্ছে। প্রাথমিক পর্যায়ে রি-অ্যাক্টরটির মোট উৎপাদন ক্ষমতার ১-১০% লেভেলে এ পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হলেও চুড়ান্ত পর্বে উৎপাদন ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি করে ১১০% তে উন্নীত করা হবে। প্রতিটি ধাপে রি-অ্যাক্টরটির কার্যক্রম নির্দিষ্ট কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে গভীরভাবে পর্যবেক্ষন ও পর্যালোচনা করবেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। ২০১৯ সালের মার্চে এ কার্যক্রম চলবে এবং একই বছরের দ্বিতীয়ার্ধে বিদ্যুৎকেন্দ্রটিকে রাশিয়ার সর্ব উত্তর-পূর্ব অঞ্চল চুকোতকার পেভেক বন্দরে নিয়ে যাওয়ার পর গ্রীডে যুক্ত করা হবে। রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচভ জানান, “নির্ধারিত শিডিউল মোতাবেক কাজ এগিয়ে চলছে এবং কোনও সন্দেহ নেই যে আগামী বছরে পরিকল্পনা অনুযায়ী একাডেমিক লামানোসভকে পেভেকে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। আমাদের এই নতুন প্রোডাক্টটি শুধুমাত্র রাশিয়ার গ্রীড-বহির্ভূত উত্তর মেরু অঞ্চলই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জন্য প্রয়োজনীয় ও উপযোগী বলে বিবেচিত হবে।” “ক্ষুদ্র পারমাণবিক রি-অ্যাক্টর ব্যবহারে আগ্রহী সম্ভাব্য পার্টনারদের জন্য আমরা একটি রেফারেন্স প্রযুক্তি উপস্থাপন করছি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, এ জাতীয় প্রোডাক্টের ক্রমবর্ধমান চাহিদা বিশ্বের পরমাণু প্রযুক্তির বাজারে রাশিয়ার শীর্ষ অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করবে।” ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র মূলত একটি চলনক্ষম স্বল্প ক্ষমতাসম্পন্ন রি-অ্যাক্টর সমৃদ্ধ স্থাপনা। যে সকল দূরবর্তী স্থান বিদ্যুৎ বিতরণ নেটওয়ার্কের বাইরে অবস্থিত বা যেখানে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ দুঃসাধ্য, সে সকল স্থানের জন্য এটি অত্যন্ত উপযোগী।এ জাতীয় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো শুধুমাত্র অবিরাম বিদ্যুৎ সরবরাহই নিশ্চিত করে না, একই সঙ্গে পানির লবনাক্ততা দূরীকরণেও সক্ষম।  একাডেমিক লামানোসভে প্রতিটি ৩৫ মেগা ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২টি পারমাণবিক বিদ্যুৎ রি-অ্যাক্টর রয়েছে। কেন্দ্রটির আয়ুষ্কাল ৪০ বছর, তবে তা ৫০ বছর পর্যন্ত বর্ধিত করা সম্ভব। রাশিয়া বর্তমানে দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে কাজ করছে। এগুলোতে যে ২টি রি-অ্যাক্টর থাকবে তার প্রতিটির উৎপাদন ক্ষমতা হবে ৫০ মেগাওয়াট, আকারও হবে অপেক্ষাকৃত ছোট। রাশিয়া বর্তমানে বাংলাদেশের রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বাস্তবায়নে কাজ করছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে প্রতিটি ১,২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুইটি বিদ্যুৎ ইউনিট থাকবে। প্রকল্পটিতে বিশ্বের সর্বাধুনিক এবং সর্বাধিক নিরাপদ ৩+ প্রজন্মের ভিভিইআর-১২০০ রি-অ্যাক্টর স্থাপন করা হবে।
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
২০১৯ সালে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম দাঁড়াবে ব্যারেলপ্রতি ৭৫ ডলার
নভেম্বর ২৬, ২০১৮ সোমবার ০৫:০১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের উত্তোলন ও সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যটির দাম ধারাবাহিকভাবে কমতে শুরু করেছে। সব মিলিয়ে জ্বালানি তেলের বাজারে বিদ্যমান মন্দাভাব দীর্ঘমেয়াদে বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এর জের ধরে একের পর এক বিশ্লেষণী প্রতিষ্ঠান চলতি ও আগামী বছরের জন্য অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের গড় দামের প্রাক্কলন কমিয়ে দিয়েছে। এ তালিকায় সর্বশেষ যুক্ত হয়েছে এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল প্লাটস। প্রতিষ্ঠানটি ২০১৯ সালে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের গড় দামের প্রাক্কলন ব্যারেলপ্রতি ৭৫ ডলার ৫০ সেন্টে নামিয়ে এনেছে। লন্ডনভিত্তিক এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল প্লাটসের সাম্প্রতিক জরিপভিত্তিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের শেষ দিকে এসে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বাজারে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ইরানের ওপর নতুন করে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়া, সৌদি আরব ও রাশিয়াসহ বেশির ভাগ দেশ জ্বালানি তেলের উত্তোলন নতুন করে বাড়িয়ে দেয়া, মার্কিন উত্তোলন খাতের চাঙ্গাভাব, চীন-মার্কিন বাণিজ্যযুদ্ধের জের ধরে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি তুলনামূলক শ্লথ হয়ে জ্বালানি তেলের চাহিদা বৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়াসহ বিভিন্ন কারণে জ্বালানি পণ্যটির বাজারে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা সহসাই কাটছে না। এ পরিস্থিতির প্রভাব পড়ছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বাজারে। চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে এক প্রতিবেদনে এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল প্লাটস জানায়, ২০১৯ সালে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের গড় দাম দাঁড়াতে পারে ব্যারেলপ্রতি ৭৮ ডলার ৫১ সেন্টে। সাম্প্রতিক জরিপভিত্তিক প্রতিবেদনে জ্বালানি পণ্যটির গড় দাম কমিয়ে ব্যারেলপ্রতি ৭৫ ডলার ৫০ সেন্ট প্রাক্কলন করা হয়েছে। সে হিসাবে, সর্বশেষ প্রাক্কলনে জ্বালানি তেলের গড় দাম ব্যারেলে ৩ ডলার ১ সেন্ট কমিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল প্লাটসের সাম্প্রতিক জরিপে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ১১ বিনিয়োগ ব্যাংক ও অয়েল ব্রোকারের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছে। এদিকে চলতি বছর প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুডের গড় দাম ৭৩ ডলার ৯১ সেন্টে স্থির হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল প্লাটস। প্রতিষ্ঠানটির আগের প্রতিবেদনে চলতি বছরের জন্য ব্রেন্ট ক্রুডের গড় দাম ৭৪ ডলার ৪০ সেন্ট প্রাক্কলন করা হয়েছিল। সূত্র: অয়েলপ্রাইসডটকম ও ব্লুমবার্গ।
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
‘প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানিতে শীর্ষ অবস্থানে চীন’
নভেম্বর ১২, ২০১৮ সোমবার ০৬:৩৭ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদার বড় একটি অংশ আমদানি করা প্রাকৃতিক গ্যাস দিয়ে পূরণ করে চীন। এজন্য চীনে প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি উত্তরোত্তর বাড়ছে।   আসন্ন শীতকে সামনে রেখে বাড়তি চাহিদার চাপ সামলাতে বছরের শেষদিকে এসে প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি আরো বাড়িয়েছে দেশটি। চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে (জানুয়ারি-অক্টোবর) প্রাকৃতিক গ্যাসের শীর্ষ আমদানিকারক জাপানের তুলনায় চীনে জ্বালানি পণ্যটির আমদানি বেশি হয়েছে। চীনের সরকারি সূত্রের বরাতে এসএন্ডপি গ্লোবালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের প্রথম ১০ মাসে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে চীনা রপ্তানিকারকরা সব মিলিয়ে ৭ কোটি ২০ লাখ ৬০ হাজার টন প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি করেছেন, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৩ দশমিক ১ শতাংশ বেশি। ২০১৭ সালে চীনে মোট ৬ কোটি ৮৫ লাখ ৭০ হাজার টন প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি হয়েছিল। সে হিসেবে ২০১৮ সালের জানুয়ারি-অক্টোবর সময়ে চীনে জ্বালানি পণ্যটির আমদানি গত বছরের সম্মিলিত পরিমাণকে ছাড়িয়ে গেছে। এ সময় চীনের বাজারে আমদানি করা প্রাকৃতিক গ্যাসের উল্লেখযোগ্য একটি পরিমাণ এসেছে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) হিসেবে। ২০১৭ সালে প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানিকারক দেশগুলোর বৈশ্বিক তালিকায় শীর্ষে ছিল জাপান। তালিকায় এরপরই ছিল চীনের অবস্থান। চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে জাপানে সব মিলিয়ে ৬ কোটি ৭৩ লাখ ৬০ হাজার টন প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি হয়েছে বলে জানিয়েছে এসএন্ডপি গ্লোবাল। সে হিসেবে, গত জানুয়ারি-অক্টোবর সময়ে জাপানের তুলনায় চীনে অতিরিক্ত ৪৭ লাখ টন প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে জ্বালানি পণ্যটির আমদানিকারকদের বৈশ্বিক তালিকায় জাপানকে টপকে শীর্ষে চলে গেছে চীন। এর আগে গত এপ্রিলে প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানিকারকদের বৈশ্বিক তালিকায় প্রথমবারের মতো জাপানকে টপকে যায় চীন। ওই সময় চীনে মোট ৬৮ লাখ ১৮ হাজার টন প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি হয়েছিল। জাপানি আমদানিকারকরা গত এপ্রিলে ৬০ লাখ ৭৯ হাজার টন প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি করেছিল। সেটি ছিল শুধু এপ্রিলের হিসাব। বছরের প্রথম ১০ মাসে অতিরিক্ত আমদানি ২০১৮ সাল শেষে চীনকে প্রাকৃতিক গ্যাসের শীর্ষ আমদানিকারকের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পূর্বাভাস
নভেম্বর ০১, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ১১:০৩ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিশ্ববাজারে জ্বালানির (তেল, গ্যাস ও কয়লা) দাম এক বছরের ব্যবধানে গড়ে ৩৩ ভাগ বেড়েছে। চলতি বছর অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৭২ ডলার। আগামী বছর এই দাম আরো বেড়ে ৭৪ ডলার পর্যন্ত হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।  বুধবার প্রকাশিত কমোডিটি মার্কেট আউটলুক শীর্ষক ত্রৈমাসিক পূর্বাভাস প্রতিবেদনে এমনটি উল্লেখ করা হয়েছে।  এতে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য নিয়ে উত্তেজনা পণ্য বাজারে ঝাঁকুনি তৈরি করেছে।  সার্বিক বিবেচনায় পণ্যমূল্য কমে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি।  এপ্রিলের প্রতিবেদনে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির যে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল সেটি আরও ১৩ শতাংশ বাড়িয়ে অক্টোবরে প্রতিবেদন হালনাগাদ করা হয়েছে। মূলত ভেনেজুয়েলার তেল উত্তোলন হ্রাস পাওয়া এবং ইরানে নতুন করে মার্কিন অবরোধের ফলে সাম্প্রতিক তেলের বাজার ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। অন্যদিকে এশিয়া ও ইউরোপে কয়লা ও গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুত্ উত্পাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্ববাজারে কয়লা ও গ্যাসের দামও বেড়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৭ সালের মতো এবছরও কৃষিপণ্যের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।  তবে আগামী বছর গড়ে ২ শতাংশ বাড়তে পারে।  সেই সঙ্গে সারেরও দর ২ শতাংশ বাড়তে পারে।  জ্বালানি তেলের দর বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পরিবহন খরচ, সার উত্পাদন খরচসহ আনুষঙ্গিক খরচ বৃদ্ধি পেলে কৃষি পণ্যের দরও বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।    
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
‘রুশ সহায়তায় নির্মিত আরো একটি চীনা পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইউনিট গ্রিডে যুক্ত হয়েছে’
অক্টোবর ২৮, ২০১৮ রবিবার ০৬:৪৬ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
চীনের তিয়ানওয়ান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চতুর্থ ইউনিট গত ২৭ অক্টোবর জাতীয় গ্রীডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছে। রুশ সহায়তায় নির্মিত ইউনিটে রাশিয়ার ডিজাইনকৃত ভিভিইআর- ১০০০ রি-অ্যাক্টর ব্যবহৃত হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। রুশ রাষ্ট্রীয় কর্পোরেশন রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচোভ তিয়ানওয়ান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটিকে চীন-রুশ সহযোগিতার ক্ষেত্রে বৃহত্তম বিদ্যুৎ প্রকল্প হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, “আমি আশা প্রকাশ করি যে তিয়ানওয়ান প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপ এবং জুডাপু সাইটে পরিকল্পিত নতুন আরেকটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণেও আমাদের সহযোগিতা ফলপ্রসূ হবে।” চীনা নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রাপ্তির পর চতুর্থ ইউনিটির ক্যাপাসিটি ২৫ শতাংশ পর্যন্ত উন্নীত করার পর টার্বাইন সক্রিয় করা হয়। একই সাথে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পরীক্ষাও চালানো হয়। তারপরই ইউনিটটি যুক্ত হয় জাতীয় গ্রীডে। ইউনিটটির সকল সিস্টেম স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে। রি-অ্যাক্টরের অপারেশন ২০০ মেগাওয়াট উৎপাদনে রেখে পরীক্ষা করার পর এর ক্যাপাসিটি ক্রমান্বয়ে ৫০ শতাংশ, ৭৫ শতাংশ এবং ১০০ শতাংশে উন্নীত করা হবে। পূর্ণ ক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদনকালে প্রাথমিক  সকল পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হবে এবং ইউনিটটি একটি নামমাত্র ক্যাপাসিটিতে ১০০ ঘণ্টা ধরে চালানো হবে। এর পরেই প্রাথমিক একসেপ্টন্স প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। এর মাধ্যমেই সূচনা হবে ইউনিটটির দুই বছর কার্যক্রমের গ্যারান্টি পিরিয়ড। রোসাটমের প্রকৌশল শাখা এটস্ত্রইএক্সপোর্টের প্রধান ভ্যালেরি লিমারেনকার মতে তিয়ানওয়ান বিদ্যুৎকেন্দ্রের চতুর্থ ইউনিটের স্টার্ট-আপ রুশ-চীনা বিশেষজ্ঞ দলের জন্য আরো একটি বিজয়। তিনি বলেন, “কয়েক দশক ধরে চলমান আমাদের পার্টনারশীপ ভবিষ্যতের কাজের সফলতায় অতিরিক্ত অনুপ্রেরণা জোগাবে। আমাদের সামনে আরো বড় চ্যালেঞ্জ আসছে কারণ চীনে ভিভিইআর-১২০০ রি-অ্যাক্টর ভিত্তিক কমপক্ষে আরো চারটি বিদ্যুৎ ইউনিট নির্মাণ করতে হবে।” রুশ প্রতিষ্ঠান এটস্ত্রইএক্সপোর্টের সহায়তায় তিয়ানওয়ান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ কাজ পরিচালনা করছে চীনের জিয়াংসু নিউক্লিয়ার পাওয়ার কর্পোরেশন। প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিটটি ২০০৭ সাল থেকে চীনের জাতীয় গ্রীডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে আসছে। তৃতীয় ইউনিটি গ্রীডে যুক্ত হয়েছে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে।   
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
রুশ সহায়তায় প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু করলো উজবেকিস্তান
অক্টোবর ২০, ২০১৮ শনিবার ০৭:২৭ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
মধ্য এশিয়ার দেশ উজবেকিস্তান তাদের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণের লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেছে। প্রকল্পটিতে রুশ নকশার দুইটি ৩+ প্রজন্মের ভিভিইআর- ১২০০ পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইউনিট থাকবে। প্রথম ইউনিটটি ২০২৮ সালের মধ্যেই চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উজবেকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী আলীশের সুলতানভ এবং রুশ রাষ্ট্রীয় কর্পোরেশন রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ গত ১৯ অক্টোবর উজবেকিস্তানের সম্ভাব্য একটি সাইটে বিদ্যুৎ প্রকল্পটি নির্মানের জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট সাভকাত মিরজিয়োইয়েভ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেন। উভয় প্রেসিডেন্ট একটি প্রতীকী বোতাম টিপে সাইটে মাটির স্যাম্পল সংগ্রহের জন্য ড্রিলিং কার্যক্রমের সূচনা করেন। ভূতাত্ত্বিক, পরিবেশগত, ভূকম্পন ও অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা (ফিজিবিলিটি) ফলাফলের ভিত্তিতে কয়েকটি সাইটকে বিদ্যুৎ প্রকল্পটির জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে। আলীশের সুলতানভ তার বক্তব্যে বলেন, “প্রেসিডেন্ট সাভকাত মিরজিয়োইয়েভ কর্তৃক দেশের পারমাণবিক সেক্টরের উন্নয়ন উজবেকিস্তানের এনার্জি সেক্টরে একটি নতুন যুগের সূচনা করেছে। এটি দেশের টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং মানুষের জীবন-যাত্রার মান বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।” আলেক্সি লিখাচেভ বলেন, “পারমাণবিক ক্ষেত্রে রাশিয়া এবং উজবেকিস্তানের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার ইতিহাস অর্ধ-শতাব্দীরও অধিক। আমরা অত্যন্ত গর্বিত যে, উজবেকিস্তান তাদের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য রুশ প্রযুক্তি নির্বাচন করেছে। রোসাটম উজবেকিস্তানে অত্যাধুনিক ৩+ প্রজন্মের দুইটি ভিভিইআর- ১২০০ পাওয়ার ইউনিট নির্মাণ করবে, যা সকল আন্তর্জাতিক চাহিদা পূরণে সক্ষম।” এ ছাড়াও উভয় দেশ উজবেকিস্তানের জনগনের মধ্যে পারমাণবিক শক্তি সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাব তৈরিতে পারস্পরিক সহযোগিতার লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। উজবেকিস্তানে পারমাণবিক শক্তির ইতিবাচক প্রচার, জনগনের মধ্যে পারমাণবিক শক্তি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি, গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ, বিভিন্ন সামাজিক ও শিক্ষামূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে উভয় দেশ যৌথভাবে কাজ করবে।
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
‘চীনে কয়লার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে’
অক্টোবর ০৩, ২০১৮ বুধবার ১০:৪৫ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
চীনে চলতি বছরের আগস্টে কয়লা আমদানি আগের বছরের তুলনায় সাড়ে ১৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও জ্বালানি পণ্যটির  দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বেইজিংভিত্তিক কুইনহুয়াংদাও ওশান শিপিং কোল ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেডের তথ্য অনুযায়ী, চীনের উত্তরাঞ্চলীয় বন্দরগুলোয় সর্বশেষ সপ্তাহে প্রতি টন রফতানিযোগ্য কয়লা বিক্রি হয় ৫৬৯ ইউয়ান (চীন মুদ্রা) বা ৮২ ডলার ৭১ সেন্টে। আগের সপ্তাহেও দেশটিতে একই দামে জ্বালানি পণ্যটি বিক্রি হয়েছিল। তবে আগের সপ্তাহের তুলনায় অপরিবর্তিত থাকলেও ২০১৭ সালের একই সময়ের তুলনায় সর্বশেষ সপ্তাহে চীনে জ্বালানি পণ্যটির দাম কমেছে ২ দশমিক ৯ শতাংশ। চীনের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের আগস্টে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে চীনা আমদানিকারকরা সব মিলিয়ে ২ কোটি ৮৬ লাখ ৮০ হাজার টন কয়লা আমদানি করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। সূত্র: সিনহুয়া।
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
এলএনজি আমদানিতে দ্বিতীয় অবস্থানে চীন
সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৮ মঙ্গলবার ০৬:২৪ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানিকারকদের শীর্ষ তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে চীন। দক্ষিণ কোরিয়াকে টপকে চলতি বছরের প্রথম আট মাসে এলএনজি আমদানিতে শীর্ষ অবস্থানে আসায় চীনের বাজারে চাঙ্গাভাব তৈরি হয়েছে। চীনের সরকারি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, চলতি বছরের প্রথম আট মাসে (জানুয়ারি-আগস্ট) চীনে জ্বালানি পণ্যটির আমদানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৮ শতাংশ বেড়েছে।   তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ২০১৮ সালের জানুয়ারি-আগস্ট সময়ে দেশটিতে সব মিলিয়ে ৩ কোটি ২৬ লাখ ৩০ হাজার টন এলএনজি আমদানি হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৭ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। এছাড়া মাসভিত্তিক হিসেবে, সর্বশেষ আগস্টে দেশটিতে জ্বালানি পণ্যটির আমদানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, গত আগস্টে চীনা আমদানিকারকরা আন্তর্জাতিক বাজার থেকে মোট ৪৭ লাখ ১০ হাজার টন এলএনজি আমদানি করেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বৈশ্বিক তথ্য বিশ্লেষণী প্রতিষ্ঠান আইএইচএস মারকিটের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৭ সালে চীনে সব মিলিয়ে ৩ কোটি ৮০ লাখ টন এলএনজি আমদানি হয়েছে। সে হিসাবে, চলতি বছরের প্রথম আট মাসেই দেশটিতে এলএনজি আমদানি আগের বছরের মোট পরিমাণের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। সূত্র:মার্কেট ওয়াচ ও সিনহুয়া।
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
চীনে কয়লা খনি বিস্ফোরণে ৪ জন নিহত
আগস্ট ০৭, ২০১৮ মঙ্গলবার ০১:০১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পার্বত্য প্রদেশ গুইঝুতে একটি কয়লা খনির বিস্ফোরণে চার শ্রমিক নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত নয় জন। সোমবার রাতে প্রদেশের পানঝু শহরের জিমুজিয়া কয়লা খনিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্টদের বরাত দিয়ে সংবাদটি প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া। বিস্ফোরণের কারণ সম্পর্কে তেমন কিছু জানা যায়নি। উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। পানান কোল ইনভেসমেন্ট করপোরেশন নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানচালিত খনিটিতে থেকে বছরে প্রায় তিন লাখ টন কয়লা উৎপাদন হয়। প্রতিষ্ঠানটি দুর্ঘটনার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। এর আগে, গত এপ্রিলে খনিটিতে নিরাপত্তা বিষয়টি নিয়ে পরিদর্শন হয়। এরপর কয়লা খনি কর্তৃপক্ষকে তাদের নিরাপত্তা বিষয়ে বেশকিছু সংশোধনীর জন্য বলা হয়। সূত্র: রয়টার্স
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
ক্ষুদ্র মডিউলার রি-অ্যাক্টর ক্ষেত্রে রুশ-জর্দান সহযোগিতা
জুন ০১, ২০১৮ শুক্রবার ০৫:১৫ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
রাশিয়া এবং জর্দান ক্ষুদ্র মডিউলার রি-অ্যাক্টর ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার পরিধি আরো বিস্তৃত ও জোরদার করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। জর্দানে পরিবর্তিত এনার্জি মার্কেটের প্রেক্ষাপটে দেশটিতে রুশ ডিজাইনকৃত ক্ষুদ্র মডিউলার রি-অ্যাক্টর স্থাপনের সম্ভাব্যতা নিরুপনের লক্ষ্যে জর্দান পরমাণু শক্তি কমিশন ইতোমধ্যে রোসাটম ওভারসিজের সঙ্গে একটি চুক্তি স্ই করেছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। জর্দান পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. খালেদ তৌকান এ প্রসঙ্গে বলেন, “রোসাটমের সঙ্গে আমরা বহু বছর ধরেই যৌথভাবে কাজ করে আসছি। আমরা এই পারস্পরিক সহযোগিতা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত করতে যাচ্ছি। বর্তমানে আমাদের জন্য ক্ষুদ্র মডিউলার রি-অ্যাক্টর ভিত্তিক পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ অধিকতর প্রয়োজনীয় ও প্রাসঙ্গিক। অতএব এটির ওপরই আমরা আমাদের লক্ষ্য কেন্দ্রীভূত করতে চাই।” ক্ষুদ্র মডিউলার রি-অ্যাক্টর এনার্জি ক্ষেত্রে রোসাটমের ব্যাপক অভিজ্ঞতা ও বিশেষজ্ঞ জ্ঞান বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। ২০১৯ সালে বিশ্বের প্রথম ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র একাডেমিক লামানোসভ উদ্বোধন করতে যাচ্ছে রোসাটম। এছাড়াও স্থলভাগে স্থাপনযোগ্য ক্ষুদ্র মডিউলার রি-অ্যাক্টর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র উন্নয়নেও কাজ করছে সংস্থাটি। রুশ ডিজাইনের ক্ষুদ্র মডিউলার রি-অ্যাক্টর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর অন্যতম সুবিধা হলো যে, এগুলোর সাহায্যে পানির লবনাক্ততা দূরীকরণ ও তাপ উৎপাদন করা সম্ভব। জর্দানের পারমাণবিক কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় জনশক্তি উন্নয়নে সহায়তা প্রদান করে আসছে রাশিয়া। বর্তমানে রাশিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে জর্দানের শতাধিক শিক্ষার্থী ব্যাচেলার, মাস্টার্সসহ বিভিন্ন পোস্ট গ্রাজুয়েট প্রোগ্রামে অধ্যয়ন করছে।
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
বিশ্বের প্রথম ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র জ্বালানী লোডিংয়ের জন্য প্রস্তুত
মে ২৩, ২০১৮ বুধবার ১১:৫৯ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
রাশিয়ায় তৈরী বিশ্বের প্রথম ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র-একাডেমিক লামানোসভ-এ জ্বালানী লোডিংয়ের জন্য সেন্ট পিটার্সবার্গ থেকে গত ১৯ মে মুরমানস্কে আনা হয়েছে। জ্বালানী লোড করার পর বিদ্যুৎ গ্রীডে সংযুক্ত করার জন্য ভাসমান এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি রাশিয়ার দূরপ্রাচ্যের চুকুতকা অঞ্চলের পিভেক শহরে নিয়ে যাওয়া হবে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। ভাসমান বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে প্রতিটি ৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি কেএলটি-৪০সি পারমাণবিক চুল্লি রয়েছে। ভাসমান কেন্দ্রটি লম্বায় ১৪৪ মিটার এবং প্রস্থে ৩০ মিটার। পিভেক অঞ্চলে বর্তমানে ৫০ হাজার লোককে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং পুরনো পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের স্থলাভিষিক্ত হবে এই ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। এর ফলে আর্কটিক অঞ্চলে হাজার হাজার টন কার্বন-ডাই-অক্সাইড নির্গমন রোধ করা সম্ভব হবে। মুরমানস্কে আগমন উপলক্ষ্যে এটমফ্লোটের (রুশ পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন-রোসাটমের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান) জেটিতে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচোভ, চুকুতকা অঞ্চলের গভর্নর রোমান কপিনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। আলেক্সি লিখাচোভ ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটিকে রুশ বিজ্ঞানীদের একটি অনন্য প্রকৌশল অর্জন হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন যে, ‘এটি মাঝারি ক্ষমতাসম্পন্ন মোবাইল বিদ্যুৎ ইউনিটের একটি রেফারেন্স, যার চাহিদা আগামী বছরগুলোতে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, বিভিন্ন দ্বীপ যেখানে নানাবিধ কারণে কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ অবকাঠামো নির্মাণ করা কঠিন, সেই সকল স্থানে এই জাতীয় বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রতি আগ্রহ রয়েছে।’ বিভিন্ন পরিবেশবাদী এবং গ্রীণ গ্রুপ এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। কেননা এর ফলে কয়লার ওপর আর্কটিক অঞ্চলের নির্ভরতা কমবে এবং বিপুল পরিমাণ কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও বিষাক্ত বস্তু নিঃসরণজনিত পরিবেশ দূষণ থেকে রক্ষা পাবে ওই অঞ্চলের অত্যন্ত ভঙ্গুর ইকোসিস্টেম। ব্রাইট নিউ ওয়ার্ল্ড অর্গানাইজেশনের নির্বাহী পরিচালক বেন হার্ড তার মন্তব্যে বলেন, ‘সারা বিশ্বে দুরবর্তী জনগোষ্ঠীর জন্য প্রয়োজন সাশ্রয়ী মূল্যে নির্ভরযোগ্য নন-কার্বন এনার্জি। ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এই চাহিদা পূরণ করতে পারবে।’ একাডেমিক লামানোসভ ২০১৯ সালে বিদ্যুৎ গ্রীডে যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটির আয়ুষ্কাল ৪০ বছর, তবে ৫০ বছর পর্যন্ত বৃদ্ধিযোগ্য। এই জাতীয় মাঝারি আকারের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো জ্বালানী লোড করার পর এক নাগাড়ে ৩-৫ বছর কাজ করতে সক্ষম। বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ডি-কমিশনিং এবং রিসাইকেল করার জন্য রাশিয়ার মূল ভূ-খন্ডে নিয়ে আসা হবে। বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ও স্পেন্ট ফুয়েল রাশিয়ার মূল ভূ-খন্ডে অবস্থিত বিশেষ সংরক্ষণাগারে রাখা হবে। রোসাটম ইতোমধ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাসমান বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে কাজ করছে। এই বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে দুটি আরআইটিএম-২০০এম রি-অ্যাক্টর থাকবে এবং প্রতিটি উৎপাদন ক্ষমতা হবে ৫০ মেগাওয়াট। এগুলোর আকৃতিও অপেক্ষাকৃত ছোট।  
ক্যাটাগরি: অন্যান্য দেশ
    সাম্প্রতিক অন্যান্য দেশ এর খবর
ক্ষুদ্র মডিউলার রি-অ্যাক্টর ক্ষেত্রে রুশ-জর্দান সহযোগিতা
বিশ্বের প্রথম ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র জ্বালানী লোডিংয়ের জন্য প্রস্তুত
‘দশম আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি ফোরাম এটমেক্সপো সমাপ্ত’
সাড়ে তিন বছর পর জ্বালানি তেলের দাম সর্বোচ্চ
‘রাশিয়ায় অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের উত্তোলন বেড়েছে’
যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলন বেড়েছে দৈনিক ৬ লাখ ব্যারেল
অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম আরো কমেছে
২০৪০ সাল থেকে যুক্তরাজ্যে পেট্রল ও ডিজেলচালিত গাড়ি বিক্রি হবে না
রাশিয়ার সর্বাধুনিক পারমাণবিক প্রযুক্তি পরিদর্শনে আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদল
তেল উৎপাদন কমাতে চুক্তির মেয়াদ নয় মাস বাড়ালো ওপেক
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিরূপণে অক্সিডেন্টাল এর শেয়ারহোল্ডারদের প্রস্তাব পাস
কয়লার ব্যবহার একদিন বন্ধ রেখেই বিদ্যুৎ উৎপাদন করলো যুক্তরাজ্য
অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বাজার ফের ঊর্ধ্বমুখি
‘পরিবেশ দূষণ রোধে বেইজিংয়ের সর্বশেষ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটিও বন্ধ হলো’
কয়লা প্রকল্পে অর্থায়ন বন্ধের ঘোষণা করলো জার্মান ব্যাংকিং জায়ান্ট ডয়েচে ব্যাংক
গত ৭ বছরের মধ্যে ২০১৬ সালে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে সবচেয়ে বেশি
আন্তর্জাতিক বাজারে ফের জ্বালানি তেলের দাম কমেছে
ইরানে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের উত্তোলন বেড়েছে প্রায় ১৯ শতাংশ
তেলক্ষেত্র উন্নয়নে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করেছে ইরান
ওপেক-বহির্ভূত ১১টি দেশ অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের উত্তোলন কমাবে
আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে
ক্যান্সার চিকিৎসায় রোসাটমের সাফল্য
রুশ গ্রিডে যুক্ত হলো বিশ্বের প্রথম ৩+ প্রজন্মের পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইউনিট
কেনিয়ার গ্রামে সৌর বিদ্যুতে চলছে টেলিভিশন
চীনের জ্বালানী খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় সৌদি আরব
চীনের কয়লা খনিতে বন্যায় ৫ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ২
ইরানে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানির প্রধান পদে রদবদল
ইরানের অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পুনরায় কিনছে শেল
পারমাণবিক শক্তির শন্তিপূর্ণ ব্যবহারে রাশিয়া-কেনিয়া সমঝোতা
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy