ঢাকা, সোমবার, ডিসেম্বর ১১, ২০১৭, অগ্রহায়ণ ২৭, ১৪২৪ ০৩:২২ পিএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
আঞ্চলিক
রাশিয়ার সহযোগিতায় ভারতে আরো দুইটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইউনিট তৈরি হচ্ছে
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন রোসাটমের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এএসই গ্রুপ অব কোম্পানীজ এবং নিউক্লিয়ার পাওয়ার কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া ভারতের তামিলনাডুর কুদানকুলাম পারমাণবিক প্রকল্পের তৃতীয় ধাপ বাস্তবায়নে একটি ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি সই করেছে। সম্প্রতি রাশিয়ার সেন্ট-পিটারসবার্গে অনুষ্ঠিত ১৮তম ভারত-রাশিয়া বার্ষিক সামিট চলাকালে চুক্তিতে সই করেন এএসই গ্রুপ অব কোম্পানীজের প্রেসিডেন্ট ভ্যালেরি লিমারেঙ্কা এবং নিউক্লিয়ার পাওয়ার কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ও ব্যাবস্থাপনা পরিচালক সতীশ কুমার শর্মা। রোসাটমের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার জানানো হয়, কুদানকুলাম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প সাইটে আরো দুইটি (৫ এবং ৬ নম্বর) রাশিয়ার ডিজাইনকৃত বিদ্যুৎ ইউনিট স্থাপিত হবে। কুদানকুলাম সাইটে রাশিয়ার সহযোগিতায় প্রথম ধাপে ইতোমধ্যে ইউনিট-১ ও ২ এর নির্মাণ এবং কমিশনিং এর কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং ২য় ধাপে ইউনিট-৩ ও ৪ নির্মাণাধীন রয়েছে। চলতি মাসেই ইউনিট গুলোর  ফার্স্ট কংক্রিট স্থাপন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কুদানকুলাম প্রকল্পে সকল ইউনিট গুলো রুশ ভিভিইআর-১০০০ প্রযুক্তি নির্ভর। এ প্রযুক্তি রাশিয়া এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এর সকল রেগুলেটরি এবং টেকনিক্যাল চাহিদা মেটানো ছাড়াও ইউরোপীয়ান ইউটিলি রিকোইয়্যারমেন্টস (ইইউআর) এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। ইতোপূর্বে ২০০৮ সালের ৫ ডিসেম্বর ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে একটি আন্তঃসরকারি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির মূল বিষয় ছিল কুদানকুলাম পারমাণবিক বিদ্যূৎ প্রকল্পে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ইউনিট স্থাপনসহ ভারতের অন্যান্য স্থানে রাশিয়ার ডিজাইনকৃত পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইউনিট নির্মাণ।
ভারতের ঝাড়খণ্ডের কয়লা খনিতে ধস, নিহত ১০
ডিসেম্বর ৩০, ২০১৬ শুক্রবার ১০:৪৮ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ঝাড়খণ্ডের একটি কয়লাখনিতে ধসের ঘটনায় অন্তত ১০ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন।  গত ২৯ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, রাজ্যের গোদা জেলার ইস্টার্ন কোল ফিল্ডস লিমিটেডের (ইসিএল) লালমাটিয়া কয়লা খনির প্রবেশপথ কাদামাটিতে ঢেকে যায়। এর ফলে খনিতে আটকা পড়েন বেশ কয়েকজন শ্রমিক ও ৪০টি ট্রাক। ঘন কুয়াশার কারণে রাতে উদ্ধার অভিযান শুরু করা সম্ভব হয়নি। শুক্রবার সকালে উদ্ধার অভিযান শুরু হলে, এখন পর্যন্ত ৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ সুপার হরিলাল চৌহান জানান, খনিতে প্রবেশপথের ঠিক উপরে, মাটির ঢিবিতে একটি ফাটল ছিল। সেটি ধসে পড়ে প্রবেশপথটি বন্ধ হয়ে গেছে। ভূমি থেকে ২০০ ফুট গভীরে খনি থেকে কয়লা উত্তোলনের কাজ চলছিল। পুলিশ কর্মকর্তা এস কে সিং জানান, এখন পর্যন্ত ২৩ জন শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন বলে খবর মিলেছে। তবে খনি কর্তৃপক্ষ এ সংখ্যা ১০ জন বলে জানিয়েছে। অভিযান এখনো চলছে। দেশটির ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্সের (এনডিআরএফ) উদ্ধারকারী দল অভিযানে অংশ নিয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি
ক্যাটাগরি: আঞ্চলিক
চীনের সহায়তায় দু্ই বছরে মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৬০% বাড়াতে চায় পাকিস্তান
ডিসেম্বর ২১, ২০১৬ বুধবার ০১:০৮ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
আগামী দুই বছরের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ৬০ শতাংশ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে পাকিস্তান। এর অংশ হিসেবে চলতি মাসে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হতে পারে। আগামী মাসে উদ্বোধন করা হবে বিস্তৃত গ্যাস সঞ্চালন নেটওয়ার্ক। শক্তি-সক্ষমতা বৃদ্ধির ১০টি প্রকল্পে পাকিস্তানকে ২ হাজার ১০০ কোটি ডলার অর্থ সহায়তা দিচ্ছে চীন। পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে অন্তত ১০টি বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ চলছে। এসব প্রকল্পে কর্মরত রয়েছেন ১০ হাজারের বেশি চীনা শ্রমিক। চীন সরকার এ প্রকল্পগুলোয় আংশিক অর্থ সহায়তা দিচ্ছে। পাকিস্তানের পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (জ্বালানি) সৈয়দ আখতার আলি বলেন, পাকিস্তানের ইতিহাসে কখনো এত বেশি বিদ্যুৎ কেন্দ্র পাইপলাইনে ছিল না। বর্তমানে পাকিস্তান দৈনিক ১৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। দীর্ঘমেয়াদে এ সক্ষমতা দ্বিগুণে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে দেশটি। বিদ্যুৎ সক্ষমতা উৎপাদনে চীনের ওপর বড় ধরনের নির্ভরতা রাখছে ইসলামাবাদ। কৌশলগত অর্থনৈতিক সহযোগিতা হিসেবে চীন সরকার পাকিস্তানের অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থায়ন করছে। চায়না-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর রূপায়ণের ধারাবাহিকতায় এ সহযোগিতা দীর্ঘমেয়াদে ইউরেশিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত করার লক্ষ্য রয়েছে চীনের। বাণিজ্যিকভাবেই পাকিস্তানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র বিনিয়োগ করছে চীন। তবে নির্বাচনের আগে দ্রুত বিদ্যুৎ চিত্রের উন্নতি দেখাতে পাকিস্তান সরকার নিজস্ব তহবিল থেকেও কয়েকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করছে। এরই অংশ হিসেবে নওয়াজ শরিফের প্রদেশ পাঞ্জাবে গ্যাসভিত্তিক তিনটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ চলছে। ২০১৮ সালের সূচনালগ্ন নাগাদ চীনা সহায়তাপুষ্ট নতুন কেন্দ্রগুলো থেকে অতিরিক্ত ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে চায় পাকিস্তান। এর মধ্যে কয়লা, গ্যাস ও জলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। চীন যেভাবে পাকিস্তানের বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে সহায়তা করছে, সে তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ অপ্রতুল। ওয়াশিংটনের দেয়া বেসামরিক সাহায্য কর্মসূচির আওতায় পাকিস্তান সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বিদ্যমান কয়েকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সক্ষমতা বাড়িয়েছে। তবে এতে উৎপাদনে যোগ হয়েছে সাকুল্যে ১ হাজার মেগাওয়াট। চীনা অর্থায়নের বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো পাকিস্তানে রাজনৈতিক ইস্যুতে রূপ নিতে পারে। এসব প্রকল্প ইসলামাবাদ থেকে উদার প্রতিদান পেয়ে থাকে। কম জনসংখ্যা অধ্যুষিত প্রদেশগুলোর প্রতিনিধিরা অভিযোগ করেছেন, পাঞ্জাব প্রদেশ এসব প্রকল্পের অন্যায্য ও অতিরিক্ত সুবিধা ভোগ করছে। ২০১৩ সালে পাকিস্তানে তীব্র বিদ্যুৎ সংকট ছিল। কোথায় কোথাও দিনে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হতো। এ অবস্থায় বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনে জিতেন নওয়াজ শরীফ। বিদ্যুৎ পরিস্থিতির এখন বেশ উন্নতি হয়েছে। বিদ্যুতে ভরসা করেই আরেক দফা নির্বাচনী বৈতরণী পাড়ি দিতে চান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। পাকিস্তানের জ্বালানিমন্ত্রী শহীদ খাকান আব্বাসী বলেন, নির্বাচনে বড় অনুঘটক হতে চলেছে বিদ্যুৎ। আমরা যদি বিদ্যুৎ দিতে ব্যর্থ হই, তাহলে বলা হবে কিছুই দিতে পারিনি। সূত্র: দ্যা ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
ক্যাটাগরি: আঞ্চলিক
পাকিস্তানে প্রবাহিত তিনটি নদীর জলবিদ্যুৎ প্রকল্প দ্রুত শেষ করতে চায় ভারত
সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১৬ বুধবার ০১:১৫ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
পাকিস্তানে প্রবাহিত তিনটি নদীতে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের কাজ ত্বরান্বিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত।   এক সপ্তাহ আগে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর ও জম্মুর উরি সেনা ঘাঁটিতে এক হামলায় ১৮ জন ভারতীয় সৈন্য নিহত হওয়ার ঘটনায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ দুটির মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী মনে করছে দিল্লি। এমন সময় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ ত্বরান্বিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় প্রতিবেশী রাষ্ট্রটির সঙ্গে এরই মধ্যে চড়তে থাকা উত্তেজনাকে আরো বাড়িয়ে দিতে পারে। সোমবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেশটির নদীসম্পদের অধিক ব্যবহার নিয়ে কথা বলার পর এ বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। চেনাব, ঝিলাম ও সিন্ধু নদীর পানির ব্যবহার বাড়ানো নিয়ে কথা বলেন মোদি ও কর্মকর্তারা। ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই সিন্ধুসহ অন্যান্য নদীর পানি বণ্টন নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে দেশ দুটির মধ্যে। নদীগুলোর জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ত্বরান্বিত করা বিষয়ে আলোচনা হলেও দুই দেশের মধ্যকার পানি চুক্তি ভঙ্গ করা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছে ভারত। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে চুক্তি অনুসারে সিন্ধু নদের পানির সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে চায় দেশটি। উল্লেখ্য, বিরোধিতা নিষ্পন্নে ১৯৬০ সালে সিন্ধু নদের পানি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। কিন্তু ভারতের উচ্চাভিলাষী সেচ পরিকল্পনা ও বাঁধ নির্মাণ পাকিস্তানকে ক্ষুব্ধ করেছে। কৃষি থেকে পানীয় জল সবকিছুর জন্যই হিমালয়ের বরফ গলা নদীগুলোর ওপর নির্ভরশীল দেশটি। ভারত বর্তমানে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে ৩,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করলেও তারা মনে করে সেখানে ১৮,০০০ মেগাওয়াটের মতো উৎপাদন সক্ষমতা রয়েছে। সূত্র: রয়টার্স
ক্যাটাগরি: আঞ্চলিক
ভারতের জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হল কুদানকুলাম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট
আগস্ট ৩১, ২০১৬ বুধবার ১১:১২ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
রুশ সহায়তায় নির্মিত ভারতের কুদানকুলাম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির দ্বিতীয় ইউনিট ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। গত ২৯ আগস্ট দেশটির সাউদার্ণ গ্রিডে এ বিদ্যুৎ সরবরাহ সফলভাবে শুরু হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। ভারতীয় পারমাণবিক শক্তি নিয়ন্ত্রণ বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত বাধ্যতামূলক পরীক্ষা উত্তীর্ণ সাপেক্ষে ধাপে ধাপে ইউনিটটির উৎপাদন বাড়ানো হবে এবং চলতি বছরের নভেম্বর নাগাদ ইউনিটটি থেকে পূর্ণ উৎপাদন ক্ষমতার ১,০০০ মেগা ওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। ইতোপূর্বে ২০১৩ সালে প্রথম ইউনিটটি গ্রিডে যুক্ত হবার পর জুলাই ২০১৪ থেকে পূর্ণোদ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে আসছে। দ্বিতীয় ইউনিটের ১,০০০ মেগা ওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে পাওয়া গেলে ভারতের মোট পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ৬,৭৮০ মেগা ওয়াটে দাঁড়াবে। কুদানকুলাম প্রকল্পের সাইট পরিচালক জানান যে তিনি ইউনিটটির চল্লী, টার্বাইনসহ বিভিন্ন অংশের কার্যক্রমে অত্যন্ত সন্তষ্ট। তার মতে সমস্ত কিছুই আশাতীত ভালভাবে চলছে। কুদানকুলাম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিটের সাফল্যের ফলশ্রুতিতে তৃতীয় ও চতুর্থ ইউনিটের নির্মাণ কাজ অধিকতর গতি লাভ করেছে। ইতোমধ্যে চলতি বছরের শুরুতে ইউনিট দুটির সাইট প্রস্তুতকরণের কাজ শুরু হয়েছে এবং ২০১৭ সালের এপ্রিলে মূল নির্মাণ কাজ শুরু হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। অতঃপর তৃতীয় ইউনিটটি উৎপাদনে যেতে আরও প্রায় ৬৯ মাস সময়ের প্রয়োজন পড়বে। ২০২২-২৩ নাগাদ দুটি ইউনিট থেকেই বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভারতের তামিলনাডুতে স্থাপিত কুদানকুলাম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, রুশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে নির্মিত প্রথম পারমাণবিক শক্তি স্থাপনা। দ্বিপাক্ষিক চুক্তির আওতায় রুশ সহায়তায় ভারতে মোট ১২ টি পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইউনিট নির্মিত হবে।
ক্যাটাগরি: আঞ্চলিক
পশ্চিমবঙ্গে সিলিন্ডার গ্যাসের বটলিং প্লান্টের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ছে
আগস্ট ১২, ২০১৬ শুক্রবার ০৭:১৪ পিএম - আনন্দবাজার পত্রিকা
পশ্চিমবঙ্গে মাসে রান্নার গ্যাসের চাহিদা বাড়ছে প্রায় ৩০%। তার উপর রাজ্যে দারিদ্রসীমার নীচে থাকা (বিপিএল) পরিবারের মহিলাদের জন্য কম খরচে রান্নার গ্যাসের সংযোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চালু হলে তা আরও বাড়বে। তাই অবস্থা মোকাবিলায় প্রায় ৫৪০ কোটি টাকা খরচ করে রাজ্যে সিলিন্ডারে রান্নার গ্যাস ভরার ক্ষমতা (বটলিং প্লান্টের উৎপাদন ক্ষমতা) বাড়াচ্ছে তেল সংস্থাগুলি। অন্য কয়েকটি রাজ্যের মতো রবিবার পশ্চিমবঙ্গেও ‘প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বল যোজনা’ (পিএমইউওয়াই) চালু হবে। বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়ান অয়েলের জিএম তথা তিনটি তেল সংস্থার স্টেট লেভেল কোঅর্ডিনেটর রঞ্জন কুমার মহাপাত্র তা জানানোর পাশাপাশি উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধির কথাও বলেন। এখন রাজ্যে ইন্ডিয়ান অয়েল, হিন্দু্স্তান পেট্রোলিয়াম ও ভারত পেট্রোলিয়ামের মোট ১০টি বটলিং-প্লান্টে সিলিন্ডারে গ্যাস ভরার ক্ষমতা বছরে ৯.৯০ লক্ষ টন। তিনি জানান, গত বছর এ রাজ্যে গ্যাসের নতুন গ্রাহক বেড়েছিল প্রায় ১৭ লক্ষ। গত মাসে বৃদ্ধির হার ছিল ৩০%। দারিদ্রসীমার নীচে থাকা পরিবার পিছু একজন মহিলাকে গ্যাসের নতুন সংযোগ দিলে সেই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশা তাঁদের। দ্রুত সিলিন্ডার সরবরাহের জন্য আগামী ২-৩ বছরে রাজ্যে অতিরিক্ত ৫ লক্ষ টন গ্যাস সিলিন্ডারে ভরার পরিকল্পনা করেছে তেল সংস্থাগুলি। রঞ্জনবাবু জানান, এ জন্য ভারত পেট্রোলিয়াম (৩০ হাজার টন) একটি ও হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম দু’টি বটলিং প্লান্ট (মোট ৩.৭০ লক্ষ টন) গড়ছে। ইন্ডিয়ান অয়েলের চালু প্লান্টেরও ক্ষমতা বাড়বে ৯০ হাজার টন। সব মিলিয়ে খরচ হবে ৫৪০ কোটি টাকা। রাজ্যে পিএমইউওয়াই প্রকল্পে ২০১৯ সালের মধ্যে বিপিএল তালিকাভুক্ত প্রায় ১.০৬ কোটি মহিলাকে নতুন রান্নার গ্যাসের সংযোগ দেবে কেন্দ্র। তার জন্য গোড়ায় বিভিন্ন খাতে যে ১,৬০০ টাকা দিতে হয়, তা মকুব করে দিচ্ছে কেন্দ্র। তাঁদের গ্যাসের ওভেন ও সিলিন্ডারের জন্য যে প্রায় ১,৫০০ টাকা প্রয়োজন, তা সংযোগ নেওয়ার সময় দিতে হবে না। কিন্তু পরে প্রাপ্ত ভর্তুকির টাকা থেকে কিস্তিতে তাঁদের কাছ থেকে সেই টাকা কেটে নেবে তেল সংস্থাগুলি। তবে এই সংযোগ পাওয়ার জন্য গ্রাহকদের আধার নম্বর থাকা বাধ্যতামূলক। রঞ্জনবাবুদের দাবি, এ ধরনের গ্রাহকদের অধিকাংশেরই আধার নম্বর থাকায় সমস্যা হবে না। কারণ তাঁরা প্রধানমন্ত্রী জনধন যোজনার আওতায় রয়েছেন। এই সংযোগ পাওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই তাঁরা ৬.৮৯ লক্ষ বিপিএল তালিকাভুক্ত মহিলাকে চিহ্নিত করেছেন। তাঁদের মধ্যে ৪.৬ লক্ষেরও বেশি এখনই এই সুযোগ পাওয়ার যোগ্য। বাকিদের যাবতীয় তথ্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।  
ক্যাটাগরি: আঞ্চলিক
ভারতে ফের কমলো জ্বালানি তেলের দাম
আগস্ট ০১, ২০১৬ সোমবার ০৯:৩৯ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ভারতে ফের কমলো পেট্রোল, ডিজেলের দাম। পেট্রোলের দাম লিটারে ১ দশমিক ৪২ রুপী এবং ডিজেলের দাম লিটারে ২ দশমিক ০১ রুপী কমেছে। রোববার মধ্য রাত থেকেই কার্যকর হয় নতুন দাম। কলকাতায় লিটার প্রতি পেট্রোলের দাম কমে হয় ৬৪ দশমিক ৫২ রুপী। ডিজেলের দাম হয় ৫৪.৪৬ টাকা। প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম দিল্লীতে হয় ৬১ দশমিক ১৪ রুপী, মুম্বাইয়ে ৬৫ দশমিক ৬৮ রুপী। ডিজেলের দাম দিল্লীতে কমে হয় ৫২ দশমিক ২৯ রুপী, মুম্বাইয়ে ৫৭ দশমিক ৫৫ রুপী এবং চেন্নাইতে ৫৩ দশমিক ৮২ রুপী। এক মাসের মধ্যে এই নিয়ে তিন বার দাম কমল পেট্রোল ও ডিজেলের। সূত্র: প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া
ক্যাটাগরি: আঞ্চলিক
ভারতে ছয়টি পরমাণু চুল্লি নির্মাণে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র
জুন ০৯, ২০১৬ বৃহস্পতিবার ১১:২৭ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ভারতে ছয়টি পরমাণু চুল্লি নির্মাণে আগ্রহ দেখিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দুদিনের  যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে এ বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। ২০০৮ সালে দুই দেশের মধ্যে বেসামরিক পরমাণু চুক্তির পর প্রথমবারের মতো এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলো।  প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে আলোচনায় দেশটিতে বিনিয়োগ আরো বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছে শীর্ষস্থানীয় মার্কিন কোম্পানিগুলো। যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত উভয়ই নিজেদের সম্পর্ক আরো পোক্ত করতে আগ্রহী। যার অংশ হিসেবেই দায়িত্ব গ্রহণের পর চারবার যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছেন মোদি। সর্বশেষ সফরে অর্থনীতি, রাজনীতি ও কূটনৈতিক বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে নিউক্লিয়ার পাওয়ার করপোরেশন অব ইন্ডিয়া ও ওয়াশিংটন ইলেকট্রিক কোম্পানির (তোশিবা করপোরেশনের মার্কিন শাখা) মধ্যে ছয়টি পরমাণু চুল্লি নির্মাণ উল্লেখযোগ্য। শিগগিরই পরমাণু চুল্লি নির্মাণের জন্য প্রকৌশল ও সাইট ডিজাইনের কার্যক্রম শুরু হবে। তবে চূড়ান্ত চুক্তিটি ২০১৭ সালের আগে সম্পন্ন হবে না বলে জানিয়েছেন হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তারা। এ চুক্তির সুবাদে ভারতে পরমাণু চুল্লি ও জ্বালানি বিক্রির বড় বাধা দূর হলো। হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বেসামরিক পরমাণু ইস্যু নিয়ে অংশীদারিত্বের এক দশক পার হওয়ার পর ভারতে ছয়টি পারমাণবিক চুল্লি নির্মাণের চুক্তিকে স্বাগত জানাচ্ছি। প্রকল্পটির অর্থায়নে ভারত ও মার্কিন এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংক একসঙ্গে কাজ করবে। উল্লেখ্য, গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নয়াদিল্লি সফরে মার্কিন কোম্পানিগুলোর ভারতে পরমাণু বিদ্যুত্ খাতে বিনিয়োগের প্রতিবন্ধকতা দূর করার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল। সূত্র: ইকোনমিক টাইমস এবং ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল  
ক্যাটাগরি: আঞ্চলিক
ভারতে ৪৬টি ছোট তেল-গ্যাস খনি নিলামের জন্য দরপত্র আহ্বান
মে ২৭, ২০১৬ শুক্রবার ০৭:১৩ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশের প্রায় চার ডজন ছোট তেল ও গ্যাস খনি নিলাম করতে চলেছে কেন্দ্র। ছয় বছরে এই প্রথম বার। এই মর্মে মঙ্গলবার (২৪ মে, ২০১৬) বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে দরপত্র চেয়েছে তারা। তেল মন্ত্রক জানিয়েছে, নিলাম হতে চলা ৪৬টি খনির মধ্যে ২৬টি স্থলভূমিতে অবস্থিত, ১৮টি স্থলের কাছে থাকা সমুদ্রপৃষ্ঠে আর বাকি দু’টি গভীর সমুদ্রে। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে নিলামের জন্য দরপত্র চেয়েছে তারা। একটি সংস্থা একাধিক খনির জন্য দরপত্র জমা দিতে পারবে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ডিরেক্টরেট জেনারেল অব হাইড্রোকার্বন্স (ডিজিএইচ) জানিয়েছে, ওই ক্ষেত্রগুলির আয় সরকারের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে হবে সংস্থাগুলি। সেখানে কাজ শুরু হওয়া মাত্র সেই নিয়ম চালু হবে বলেও জানিয়েছে ডিজিএইচ। প্রসঙ্গত, গত বছরই জ্বালানিতে আমদানি নির্ভরতা কমাতে তেল ও গ্যাস ক্ষেত্রে সংস্কারের পথে হাঁটার কথা জানিয়েছিল কেন্দ্র। যার আওতায় ছোট মাপের ৬৯টি তেল-গ্যাস খনি ছেড়ে দেওয়ার কথা জানায় ওএনজিসি ও অয়েল ইন্ডিয়া-র মতো রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা। তখনই সেগুলি নিলামের মাধ্যমে বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্র। খরচে না-পোষানোয় সেখান থেকে তেল বা গ্যাস উত্তোলন হচ্ছিল না। অথচ এই সব খনিতে অন্তত ৭০ হাজার কোটি টাকা মূল্যের প্রাকৃতিক সম্পদ আটকে রয়েছে বলে আনুমানিক হিসাব রয়েছে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের। তবে যেখানে বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের দাম ব্যারেল পিছু ৪৮ ডলারে ঘোরাফেরা করছে, সেখানে কেন সংস্থাগুলি নিলামে অংশ নিতে রাজি হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে বিভিন্ন মহলে। পাশাপাশি, বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম তেল ও গ্যাস ব্যবহারকারী হলেও, এখনও ভারতের চাহিদার প্রায় ৭৫ শতাংশই আমদানি করতে হয়। এই অবস্থা বদলের জন্য ২০২২ সালের মধ্যে তেলের আমদানি নির্ভরতা ৬৬ শতাংশে এবং ২০৩২ সালের মধ্যে তা ৫০ শতাংশে নামিয়ে আনতে উদ্যোগী হয়েছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। এই খনি নিলাম সেই পথে কতটা সাহায্য করতে পারবে, এখন সে দিকেই তাকিয়ে বিভিন্ন মহল। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা
ক্যাটাগরি: আঞ্চলিক
জ্বালানি বাঁচাতে উদ্যোগ কেন্দ্রের
এপ্রিল ১১, ২০১৬ সোমবার ১১:৩০ পিএম - আনন্দবাজার পত্রিকা
বিদ্যুৎ খরচ বাঁচাতে এলইডি টিউব, বাল্ব গৃহস্থের বাড়িতে বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা মারফত বিক্রি শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই। মাঝে জ্বালানি সাশ্রয়কারী সিলিং পাখা এবং এসি মেশিনও একই ভাবে বিক্রির করার কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। সরকারের নতুন ভাবনায় এবার কৃষি-পাম্প। বিদ্যুৎ খরচ বাঁচাতে পারবে, পাঁচ তারা মানের এমন পাম্প কৃষি ক্ষেত্রে বণ্টনের পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রক। মন্ত্রকের দাবি, এই ব্যবস্থায় কৃষকদের বিদ্যুৎ বিলের খরচ বাঁচবে। আর তাতে সারা দেশে বিদ্যুৎ বিলে ভর্তুকি বাবদ কমপক্ষে ২০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব বলে কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি। সম্প্রতি কেন্দ্রের উদ্যোগে অন্ধ্রপ্রদেশে এই ধরনের কৃষি-পাম্প চালু হয়েছে। ধাপে ধাপে শুরু হবে অন্য রাজ্যগুলিতেও। বেশ কিছু দিন হল কেন্দ্রীয় সরকার ‘জাতীয় শক্তি সাশ্রয়কারী কৃষি-পাম্প’প্রকল্পটি চালু করেছে। কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রকের অধীন ‘এনার্জি এফিশিয়েন্সি সার্ভিসেস’সংস্থার অধীনে সারা দেশে এই প্রকল্পটি কার্যকর করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, আধুনিক প্রযুক্তির পাম্পগুলিতে ‘স্মার্ট কন্ট্রোল প্যানেল’ ও সিম কার্ড লাগানো থাকবে। যে কোনও কৃষক তাঁর মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ঘরে বসেই ওই পাম্পটি চালু বা বন্ধ করতে পারবেন। কৃষি ক্ষেত্রে পাঁচ তারা মানের এই ধরনের পাম্প লাগিয়ে ২০১৯ সালের মধ্যে কমপক্ষে ৩০% বিদ্যুৎ খরচ বাঁচানো সম্ভব বলে কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রকের দাবি।
ক্যাটাগরি: আঞ্চলিক
চীন থেকে জ্বালানিও পাচ্ছে নেপাল
মার্চ ২৭, ২০১৬ রবিবার ০৯:৪৩ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
পণ্য রফতানিতে ভারতের অবরোধও উঠেছে। সেই সঙ্গে চীনের সঙ্গেও সম্পর্ক জোরদার হয়েছে নেপালের। ফলে এখন নেপালকে জ্বালানি দিতে একমত হয়েছে চীন। সম্প্রতি বেজিংয়ে নেপালী প্রধানমন্ত্রী কে পি অলির সফরে দুই দেশের মধ্য এ নিয়ে বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে। দুই দেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চীন থেকে নেপাল এখন পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করতে পারবে। গত বছরে ভারতের অঘোষিত অবরোধে ৫ মাস ভুগেছে নেপাল। এ চুক্তির ফলে এখন আর শুধু ভারতের ওপর নির্ভর করতে হবে না নেপালকে। কাঠমান্ডু জানিয়েছে, তারা চীন থেকে তাদের বার্ষিক চাহিদার ৩৩ শতাংশ পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করতে চায়। সূত্র: এএফপি
ক্যাটাগরি: আঞ্চলিক
জ্বালানি সংকট মেটাতে সৌরবিদ্যুতে ঝুঁকছে নেপাল
ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৬ সোমবার ০৮:১১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দীর্ঘ কয়েক মাসের জ্বালানি সংকটে টিকে থাকার লড়াইয়ে হিমশিম খাচ্ছে নেপালের অর্থনীতি। বিদ্যুতের অভাবে বাসাবাড়ি আলোহীন, গ্যাসের অভাবে জ্বলছে না চুলা। এমন পরিস্থিতিতে নেপালের একজন করপোরেট কর্মকর্তা পঙ্কজ শ্রেষ্ঠা কাঠমাণ্ডুতে নিজের বাড়ি আলো করেছেন সৌরবিদ্যুতে। ৫২ বছর বয়সী এ মানষুটি বলেন, ‘প্রথম কথা হচ্ছে রান্নার কোনো গ্যাস নেই, সেটা হয়তো আমি সারাতে পারি ইলেকট্রিক কুকার এনে। কিন্তু যদি কোনো বিদ্যুৎই না থাকে তাহলে রান্না করব কী দিয়ে?’ হিমালয়ের এ দেশটিতে এখন প্রতিদিন ১৫ ঘণ্টার বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকে না। এ ছাড়া বিদ্যুৎ উত্পাদনে ব্যবহৃত ডিজেলের দামও অনেক বেশি। ফলে বাধ্য হয়ে সৌরবিদ্যুতের দিকেই ঝুঁকছে দেশটির মানুষ। এতে বিনিয়োগও বাড়ছে এ খাতে। নেপালের রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত অলটারনেটিভ এনার্জি প্রমোশন সেন্টারের প্রধান রাম প্রসাদ দ্বিতাল বলেন, ‘প্রতিবছর সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারকারী বাড়ির সংখ্যা ১০ শতাংশ হারে বাড়ছে। এখন যেহেতু জ্বালানি সংকটের কারণে শহর এলাকায়ও সৌরবিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে, সে হিসাবে আগামী বছরগুলোতে সৌরবিদ্যুতায়ন গুণিতক হারে বাড়বে।’ দেশটিতে এত দিন গুটিকয়েক এনজিও সরকারি ভর্তুকির মাধ্যমে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে সৌর প্যানেল সরবরাহ করে আসছিল। এতে সাত লাখ ৫০ হাজার পরিবার তাদের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করছে সৌর প্যানেলের সাহায্যে। কিন্তু দেশটির শহরে এখন বিদ্যুৎ সংকট তীব্র হওয়ায় সম্প্রতি কাঠমাণ্ডুতে অনুষ্ঠিত নবায়নযোগ্য জ্বালানি মেলায় ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। তিন দিনের এ মেলায় সৌর প্যানেল বিক্রি এক কোটি ৮০ লাখ ডলার ছাড়িয়েছে। উদ্যোক্তারা জানান, সৌর প্যানেলের চাহিদা পূরণে হিমশিম খেতে হয়েছে কোম্পানিগুলোকে। সংশ্লিষ্টরা দেশটিতে বছরে প্রায় ১৪ কোটি ডলারের সৌর প্যানেল বিক্রি হবে বলে আশা করছে। শ্রেষ্ঠা জানান, তিনি তাঁর বাড়িতে চার হাজার ২০০ ওয়াটের সৌর প্যানেল স্থাপন করেছেন। এ জন্য তাঁকে গুনতে হয়েছে ছয় হাজার ৫০০ ডলার। নেপালে পানিবিদ্যুৎ সক্ষমতা রয়েছে মাত্র ৮০০ মেগাওয়াটের। বাজারসংশ্লিষ্টরা জানায়, আরো বেশ কিছু প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন থাকলেও এটি সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়সাধ্য। সেই তুলনায় সৌরবিদ্যুৎ অনেক দ্রুত পাওয়া যায়। সূত্র: এএফপি।
ক্যাটাগরি: আঞ্চলিক
বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ত্রিপুরার বিদ্যুৎ যাবে পশ্চিমবঙ্গে
ফেব্রুয়ারি ০২, ২০১৬ মঙ্গলবার ১০:৪৫ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ত্রিপুরারাজ্য থেকে পশ্চিমবঙ্গে যাবে বিদ্যুৎ। এ বিদ্যুৎ ভারতের জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। বিদ্যুৎ নিতে একটি বিকল্প লাইন স্থাপনে ইতিমধ্যে পরিকল্পনা শুরু করেছে ভারত। ত্রিপুরারাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী মানিক দে শনিবার গুয়াহাটিতে ১৬তম নর্থ-ইস্ট রিজিওন্যাল পাওয়ার কমিটির সভায় এসব কথা বলেন। ত্রিপুরার ‘দেশের কথা’ পত্রিকায় রোববার এ খবর প্রকাশিত হয়েছে। সভায় মানিক দে বলেন, বর্তমানে আসাম রাজ্যের ওপর দিয়ে বহু দূর ঘুরে ভারতের জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে বিদ্যুৎ সংযোগ আছে। বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারত দ্বিতীয় বিদ্যুৎ লাইন তৈরি করলে পূর্ব-উত্তর ভারত অর্থাৎ গোটা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক আরও অনেক বেশি শক্তিশালী হবে। বর্তমানে বনগিগাঁওয়ের দুর্গম পাহাড়ি ও বনাঞ্চল দিয়ে যাওয়া জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে এসব রাজ্যের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন যুক্ত রয়েছে। বাংলাদেশ হয়ে গেলে তা সমতলভূমি পাবে। এদিকে, বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন স্থাপনের জন্য কেন্দ্রের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছেন উত্তর-পূর্ব ভারতের বিদ্যুৎমন্ত্রীরা। এই সঞ্চালন লাইন ত্রিপুরার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গকে যুক্ত করবে। দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে গতকাল সোমবার এ কথা বলা হয়।
ক্যাটাগরি: আঞ্চলিক
ভারতে পেট্রল ও ডিজেলের দাম চতুর্থবারের মতো কমল
জানুয়ারি ১৭, ২০১৬ রবিবার ০১:১৩ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ছয় সপ্তাহের মধ্যে পেট্রল ও ডিজেলের দাম চতুর্থবারের মতো কমিয়েছে ভারত। প্রতি লিটার পেট্রল ও ডিজেলের দাম যথাক্রমে ৩২ পয়সা এবং ৮৫ পয়সা করে কমানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমে যাওয়াতেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশনের (আইওসি)। আইওসির তথ্যমতে, এখন থেকে দিল্লিতে প্রতি লিটার পেট্রলের দাম পড়বে ৫৯ দশমিক ৩ রুপি। আর এক লিটার ডিজেল ক্রয়ে খরচ হবে ৫৯ দশমিক ৩৫ রুপি। ডিসেম্বরের প্রথম দিন থেকে এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো ভারতে জ্বালানির দাম কমল। সূত্র: দ্য হিন্দু।
ক্যাটাগরি: আঞ্চলিক
বিকল্প বিদ্যুতেও কাঁটা লাল ফিতের ফাঁস
জানুয়ারি ১৩, ২০১৬ বুধবার ০১:৩৪ পিএম - আনন্দবাজার পত্রিকা
সময়ের দাবি মেনেই কয়লা বা তেলের বদলে সূর্যের আলো বা হাওয়ার মতো অপ্রচলিত উৎস থেকে বিদ্যুৎ তৈরি বাড়াতে হবে। কিন্তু তার জন্য নতুন প্রযুক্তির পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে সরকারি লাল ফিতের ফাঁস। শিল্পপতি রতন টাটা এই অভিযোগ এনে বলেছেন, ‘‘যে-সব সরকারি নিয়ন্ত্রণ রয়েছে, সেগুলি ১৯৩৮ বা ১৯৪৫ সালে তৈরি হয়েছে। সময় ও প্রযুক্তির বদলের সঙ্গে সে সবের বদল বা আধুনিকীকরণ হয়নি।” নরেন্দ্র মোদী সরকারের লক্ষ্য, ২০২২ সালের মধ্যে বিকল্প উৎস থেকে তৈরি শক্তির পরিমাণ ১.৭৫ লক্ষ মেগাওয়াটে নিয়ে যাওয়া। যার জন্য প্রয়োজন ২০ হাজার কোটি ডলার লগ্নি। এই পরিবেশবন্ধু শক্তি তৈরিতে নতুন ভাবনা তুলে আনতে টাটা ট্রাস্ট্স হাত মিলিয়েছে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া লস অ্যাঞ্জেলসের সঙ্গে। সোমবার দিল্লিতে তাদের সম্মেলনের ফাঁকে টাটা ট্রাস্ট্‌সের চেয়ারম্যান রতন টাটা বলেন, ‘‘পরিবেশের কথা ভেবেই আর্থিক বৃদ্ধি ও বিদ্যুৎ-জ্বালানি ক্ষেত্রে স্বনির্ভর হয়ে ওঠার মধ্যে ভারসাম্য পেতে হবে। পরিবেশবন্ধু প্রযুক্তির সমস্যা ও খরচের দিকটি মাথায় রেখে সরকারি নিয়ন্ত্রণ দরকার। কোনওটাই রাতারাতি হবে না। এ ক্ষেত্রে কাজের গতি ও সচেতনতা জরুরি। এমন একটা পরিবেশ দরকার, যাতে নতুন আবিষ্কার উৎসাহ পায়।” একই মত ইউনিভার্সিটি-র চ্যান্সেলর জিনি ব্লকেরও। রসিকতা করে রতন টাটার মন্তব্য, ‘‘ভ্যাটিকানও নিজের নিয়মনীতি বদলায়।” প্রশ্ন উঠেছে, যে-ভাবে অশোধিত তেলের দর পড়ছে, তাতে আর বিকল্প শক্তি তৈরিতে কতখানি উৎসাহ দেখা যাবে? টাটার জবাব, ‘‘এই ওঠা-নামা চলবে। কিন্তু ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থেই বিদ্যুৎ সাশ্রয়কারী এলইডি বাল্ব, জ্বালানি সাশ্রয়কারী গাড়ির কথা ভাবতে হবে।” এ ব্যাপারে রতন টাটার উদ্বেগের কারণ, এখনও বেসরকারি ক্ষেত্রের ক্ষমতাকে গুরুত্ব না-দেওয়া, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাকেই গুরুত্ব দিয়ে বেসরকারি ক্ষেত্রকে গৌণ ভাবা। যার কারণ, দীর্ঘদিন ধরে সোভিয়েত-মডেলের অনুসরণ। টাটা বলেন, ‘‘এখনও কিছু অংশে সেই ভাবনা রয়ে গিয়েছে। কিন্তু দেশে বিপুল বেসরকারি ক্ষেত্র রয়েছে। স্টার্ট-আপের মতো নতুন উদ্যোগ বাড়ছে।” সম্প্রতি বেশ কিছু স্টার্ট-আপে লগ্নি করেছেন রতন টাটা। তিনি সে প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘অবসরের পরে ভাবলাম, এমন কিছু উৎসাহজনক জায়গা দরকার, যেখানে তরুণদের সঙ্গে কাজের সুযোগ মিলবে। কিন্তু টাটা গোষ্ঠীর সঙ্গে ব্যবসায়িক সংঘাত হবে না। কোনও ছক মেনে লগ্নি করছি না। অনেকেই কৌতূহল দেখাচ্ছেন। নিজের টাকা নিজের ঝুঁকিতেই লগ্নি করছি।”
ক্যাটাগরি: আঞ্চলিক
ভারতে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে ১৫০ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি
ডিসেম্বর ২৬, ২০১৫ শনিবার ১১:৪১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে মার্কিন প্রতিষ্ঠান ওয়েস্টিংহাউজ ইলেকট্রিক কোম্পানির সঙ্গে ভারত ১৫০ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের একটি চুক্তি করতে যাচ্ছে। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী বছরের প্রথমার্ধে ভারতের গুজরাটে ছয়টি পারমাণবিক চুল্লি নির্মাণ করা হবে। ভারতের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা এ কথা জানান, মোট বিদ্যুতের ২৫ শতাংশ পারমাণবিক খাত থেকে উৎপাদনের পরিকল্পনা করছে ভারত। এ লক্ষ্যে দেশটি পারমাণবিক চুল্লির সংখ্যা ৬০টিতে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভারতের পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে দেশটি চীনের পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পারমাণবিক জ্বালানির বাজারে পরিণত হবে। ২০৩২ সালের মধ্যে ভারত পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ৫ হাজার ৭৮০ মেগাওয়াট থেকে ৬৩ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করতে চায়। জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো, গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক প্রভাব এড়াতে দেশটি এ মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ওয়েস্টিংহাউজ ইলেকট্রিক কোম্পানি তোশিবা করপোরেশনের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। তোশিবার এক মুখপাত্র বলেছেন, ভারতের কার্যাদেশ পাওয়ার ব্যাপারে ওয়েস্টিংহাউজ বেশ আশাবাদী। এদিকে ভারতের এক সরকারি কর্মকর্তা জানান, গুজরাটের মিঠি ভিরডিতে পারমাণবিক চুল্লি নির্মাণে এরই মধ্যে ওয়েস্টিংহাউজের সঙ্গে ভারতীয় অপারেটর এনপিসিআইএলের বেশ কয়েকবার আলোচনা হয়েছে। এনপিসিআইএল অবশ্য এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। তবে সরকারি সূত্রে জানা গেছে, উভয় পক্ষ একসঙ্গে ছয়টি চুল্লি নির্মাণের লক্ষ্যে আলোচনা করেছে। দুই পক্ষের সাম্প্রতিক আলোচনার খবরে বৃহস্পতিবার তোশিবা করপোরেশনের শেয়ারমূল্য এক লাফে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে। এদিকে ভারতের সঙ্গে কোম্পানিটির চুক্তি হলে বেশ চাপে পড়ে যাবে জেনারেল ইলেকট্রিক কোম্পানি (জিই)। ছয় বছর আগে জিই-হিটাচি নিউক্লিয়ার এনার্জিকে একটি চুল্লি নির্মাণে প্রস্তাব দিয়েছিল ভারত। তবে বিষয়টি নিয়ে জিই এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। পারমাণবিক বাণিজ্যের পথকে ঝামেলামুক্ত করতে ২০০৮ সালে ভারতের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে যুক্তরাষ্ট্র। তবে বেশ কয়েকটি কারণে এত দিন দেশ দুটির মধ্যে পারমাণবিক বাণিজ্য কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল। অবশ্য ২০১০ সালে নতুন একটি আইন প্রণয়নের পর ভারতে পারমাণবিক খাতে মার্কিন বিনিয়োগের বেশ ভালো সুযোগ তৈরি হয়েছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জি এজেন্সির কনভেনশন অন সাপ্লিমেন্টারি কমপেনসেশন ফর নিউক্লিয়ার ড্যামেজের (সিএসসি) অনুমোদনকে সর্বশেষ বাধা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভারতীয় কর্মকর্তারা আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এ অনুমোদন পাওয়ার আশা করছেন। এদিকে ওয়েস্টিংহাউজ আশা করছে, ভারত একটি কাঠামো তৈরির মাধ্যমে সিএসসির অনুমোদনের পথ সুগম করবে। ভারত এর আগেও পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা নিয়ে বিফল হয়েছে। এ খাতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, হঠাৎ করে বিপুল পরিমাণ পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনাটি উচ্চাভিলাষী। বর্তমানে দেশটিতে মাত্র ৩ শতাংশ বিদ্যুৎ পারমাণবিক খাত থেকে আসে। এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বর্তমানে রাশিয়া সফরে রয়েছেন। এ সফরে অন্ধ্র প্রদেশে আরো ছয়টি চুল্লি নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব দেয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উভয় দেশের কর্মকর্তারা বলেছেন, এ ছয়টির বাইরেও তামিলনাড়ুতে রাশিয়ার পারমাণবিক চুল্লি নির্মাণের কথা রয়েছে। সূত্র: রয়টার্স।
ক্যাটাগরি: আঞ্চলিক
জ্বালানি পণ্য লেনদেনে বাণিজ্য চুক্তিতে সম্মত চীন ও নেপাল
ডিসেম্বর ২৬, ২০১৫ শনিবার ১০:৫৭ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
গ্যাস, পেট্রোল ও ডিজেলসহ পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য লেনদেন বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদী একটি বাণিজ্য চুক্তিতে সম্মত হয়েছে চীন ও নেপাল। শুক্রবার বেইজিংয়ে  দেশ দুটির মধ্যে এ চুক্তি হয়েছে। পাশাপাশি পারস্পরিক বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে ট্রান্স-হিমালয়ান সংযোগ উন্নয়নে ঐকমত্যে পৌঁছায় চীন-নেপাল। একইদিনে বেইজিংয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বিষয়ক একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। নেপালের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী কমল থাপা ও চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর মধ্যে বৈঠক শেষে দুই দেশ  মোট আটটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। এর আগে নেপালের পক্ষ থেকে জ্বালানি তেল আমদানির প্রস্তাব দিলে, চীন যৌথভাবে মূল্য, পরিবহন ও সরবরাহ সম্ভাব্যতা পরীক্ষা করতে সম্মত হয়। নেপাল অয়েল কর্পোরেশন ও চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত্ব কোম্পানি পেট্রোচায়না অক্টোবরে একটি কাঠামোগত সমঝোতায়  উপনীত হয়। বর্তমান উদ্যোগ নেপালের জ্বালানি নির্ভরতা বহুমুখীকরণে আরেকটি পদক্ষেপ। নেপালের প্রধান জ্বালানি সরবরাহকারী ভারত মুখ ফিরিয়ে নেয়ায়, দেশটি সেপ্টেম্বর থেকে গুরুতর জ্বালানি সংকটে ভুগছে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং বলেছেন, তার দেশ নেপালকে কিভাবে প্রয়োজনীয় জ্বালানি সহায়তা দিতে পারে তা ভেবে দেখছে। তিনি আরো বলেন, চীন একটি শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ নেপাল দেখতে চায়। এজন্য দেশটির উন্নয়ন প্রচেষ্টায় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে চীন। নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জ্বালানি চুক্তি ছাড়াও দুইদেশ বিদ্যমান সীমান্ত পয়েন্টগুলোকে উন্নত ও সচল করার জন্য সম্মত হয়েছে। পাশাপাশি সংযোগ বাড়াতে অন্যান্য ট্রানজিট পয়েন্ট বিকশিত করবে চীন ও নেপাল। এছাড়া ২৫ এপ্রিলের ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী ‘আরানিকো মহাসড়ক’ পুনরায় চালু করার প্রতি অধিক গুরুত্ব দিচ্ছে চীন। এছাড়া নেপাল ভ্রমণের ক্ষেত্রে চীনা পর্যটকদের ভিসা ফি প্রত্যাহার করার কথা জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল থাপা। ভূমিকম্পের পর পর চীন সরকারের নেপাল ভ্রমণের ক্ষেত্রে আরোপিত নির্দেশনা তুলে নেয়ার সৌজন্য স্বরূপ এ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে দেশটি। সূত্র: হিমালয়ান টাইমস।
ক্যাটাগরি: আঞ্চলিক
    সাম্প্রতিক আঞ্চলিক এর খবর
ভারতে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে ১৫০ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি
জ্বালানি পণ্য লেনদেনে বাণিজ্য চুক্তিতে সম্মত চীন ও নেপাল
ভারতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের দেখভালের জন্য সূর্যমিত্র নিয়োগ
বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে পাকিস্তানকে ৮০ কোটি ডলার দিচ্ছে এডিবি
ভারতে ডিজেল এবং পেট্রোলের দাম বেড়েছে যথাক্রমে ৭৪ ও ২৮ পয়সা
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy

   Editor & Publisher: Aminur Rahman
   Copyright @ 2015-2017 energynewsbd.com
   All Rights Reserved | Developed By: Jadukor IT