ঢাকা, মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৭, ২০১৭, কার্তিক ২, ১৪২৪ ০৩:২১ পিএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
এলপিজি
‘এনার্জিপ্যাক জি-গ্যাস এলপিজি শিগগিরই বাজারে আসছে’
এনার্জিপ্যাক এর নতুন পণ্য জি-গ্যাস এলপিজি খুব শিগগিরই বাজারে আসছে । এজন্য ঢাকায় জি-গ্যাস ঢাকা জোনের ডিস্ট্রিবিউটরশিপের চুক্তি সই হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানানো হয়। গত ২০ জুন ঢাকাস্থ এনার্জিপ্যাকের কর্পোরেট অফিসে ডিস্ট্রিবিউটরদের হাতে ডিস্ট্রিবিউশন শিপ সার্টিফিকেট তুলে দেন জি-গ্যাস এলপিজি এর মূল প্রতিষ্ঠান এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও হুমায়ুন রশীদ। জি-গ্যাস এলপিজির জেনারেল ম্যানেজার (সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং) আবু সাঈদ রাজা, হেড অব অপারেশনস নওয়ীদ রশীদ এবং সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
এলপিজি টার্মিনাল প্লান্ট নির্মাণে চুক্তি সই করলো ইউনিটেক্স গ্রুপ
মার্চ ২৩, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ০৯:০২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
এলপিজি টার্মিনাল প্লান্ট নির্মাণ ও বটলিং ফ্যাসিলিটিজের জন্য ফ্রান্সের একটি কোম্পানির সাথে চুক্তি সই করেছে ইউনিটেক্স এলপি গ্যাস লিমিটেড। বুধবার ঢাকায় ফ্রান্সের পারলাম ইন্টারন্যাশনাল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওলিভার টাহন এবং ইউনিটেক্স গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ইউনিটেক্স এলপি গ্যাস লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বেলাল আহমেদ ওই চুক্তিতে সই করে। এসময় অন্যদের মধ্যে ইউনিটেক্স গ্রুপের পরিচালক(অপারেশন)মো. যোবাইদুল ইসলাম চৌধুরী এবং পারলাম এর কান্ট্রি ডাইরেক্টর ফিলিপপি বিটেল উপস্থিত ছিলেন। চুক্তি অনুযায়ী, এলপিজি টার্মিনাল প্লান্ট নির্মাণের জন্য ডিজাইন, যন্ত্রপাতি সরবরাহ, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, তদারকি এবং কমিশনিং করবে ফ্রান্সের ওই কোম্পানি।
ক্যাটাগরি: এলপিজি
‘বাংলাদেশে প্রথম এলপিজিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করবে বেক্সিমকো’
মার্চ ১০, ২০১৭ শুক্রবার ০৯:৫৭ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশে প্রথম তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস  (এলপিজি) নির্ভর বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করতে যাচ্ছে বেসরকারি শিল্পগ্রুপ বেক্সিমকো। প্রাকৃতিক গ্যাস সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে এলপিজির ব্যবহার বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বেক্সিমকোর উদ্যোগের মধ্য দিয়ে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন উৎস জ্বালানি যুক্ত হবে। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বেক্সিমকোর নির্বাহী পরিচালক (করপোরেট অ্যাফেয়ার্স) রফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) এর চেয়ারম্যানের কাছে এ ব্যাপারে আগ্রহ জানিয়ে একটি চিঠি পাঠান। তিনি একটি বৈঠক আয়োজনের জন্য বিপিডিবিকে অনুরোধ করেন। তবে বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা কিংবা নির্মাণস্থান সম্পর্কে চিঠিতে কিছু বলা হয়নি। বিপিডিবি’র এক কর্মকর্তা জানান, বিদ্যুৎ উৎপাদনে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের উপর নির্ভরতা কমিয়ে উৎস জ্বালানিতে বৈচিত্র আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বেক্সিমকোর প্রস্তাবের কারণে এলপিজি  থেকে বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথ উন্মুক্ত হবে। দেশের এলপিজির ব্যবহার ধারবাহিকভাবে বাড়ছে। ২০১৫ সালে ২ লাখ টন এলপিজির ব্যবহার ২০১৬ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ৩ লাখ টনে। এখন এলপিজি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হলে এ জ্বালানির ব্যবহার বহুগুণ বেড়ে যাবে। জ্বালানি হিসেবে কেরোসিন ও কাঠের ব্যবহার কমতে শুরু করেছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে প্রতি বছর ৫ হাজার টন এলপিজি ব্যবহৃত হতে পারে বলে সরকারের প্রাথমিক প্রাক্কলন রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অপেক্ষাকৃত কম দাম ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি হিসেবে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) এবং কয়লার চেয়ে ভালো বিকল্প হতে পারে এলপিজি। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানি জেনারেল ইলেক্ট্রিক’র সহায়তায় বেক্সিমকো নতুন ধরণের  জ্বালানি এলপিজি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা করছে। উল্লেখ্য, গত বছরের অক্টোবরে দুইটি চীনা কোম্পানির সাথে ২ হাজার ১৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে চুক্তি সই করে বেক্সিমকো। এর মধ্যে ১ হাজার ৯৮০ মেগাওয়াট কয়লা এবং ২০০ মেগাওয়াট সৌরভিত্তিক।
ক্যাটাগরি: এলপিজি
‘বেসরকারি খাতের অপারেটরদের সাথে আলোচনা করে এলপিজি’র মূল্য নির্ধারণ হবে’
ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০১৭ রবিবার ০৭:২৭ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বেসরকারি খাতের এলপিজি অপারেটরদের সাথে আলোচনা করে এই গ্যাসের মূল্য নির্ধারণের বিষয়টি ঠিক করা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। রোববার রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি, বসুন্ধরায় ৪র্থ এশিয়া এলপিজি সামিট এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। আন্তর্জাতিক এলপিজি অ্যাসোসিয়েশন, অল ইভেন্ট গ্রুপ-সিঙ্গাপুর ও বাংলাদেশের গ্লোবাল ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেড দু্ই দিনব্যাপি এই সামিটের আয়োজন করে। ইতোমধ্যে এলপি গ্যাস অপারেশনাল লাইসেন্সিং নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন,  এই খাতের নিরাপত্তার বিষয়টি দেখার জন্য বিস্ফোরক অধিদপ্তরকেও আরো শক্তিশালী করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিকল্প জ্বালানি হিসাবে আগামীতে এলপিজি গৃহাস্থালিসহ যানবাহন ও শিল্প খাতে ব্যাপকভাবে ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে গৃহস্থালিতে জ্বালানি হিসাবে প্রাকৃতিক গ্যাস ১২% ব্যবহার হচ্ছে এবং মাত্র ৩০ লাখ গ্রাহক পাচ্ছে। বাকিটা অন্যান্য উৎস থেকে আসছে। এর মধ্যে এলপিজি অন্যতম। সাশ্রয়ী মূল্যের নির্ভরযোগ্য নিরাপদ জ্বালানি হতে পারে  এলপিজি। আগামী দুই বছরের মধ্যে ৭০ শতাংশ এলাকায় এলপিজি গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। সামিটে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আন্তর্জাতিক এলপিজি অ্যাসোসিয়েশন এর পরিচালক ডেভিট টেইলার। বৈশ্বিকভাবে এলপিজির ব্যবহার, উৎপাদন, পরিবহণ ও বাজার মূল্যায়নের নানা দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব হওয়ায় এলপিজি’র জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, ২০১৫ সালে সারাবিশ্বে এলপিজি’র চাহিদা ছিলো ২৮৫ মিলিয়ন টন। যার মধ্যে আবাসিক খাতে ৪৪.১ শতাংশ, পরিবহণ খাতে ৯.৩ শতাংশ, শিল্প ও কৃষি খাতে ১৩.১ শতাংশ এবং কেমিক্যাল ও রিফাইনারি খাতে ৩৩.৫ শতাংশ চাহিদা ছিলো। এই সামিটের আত্মপ্রকাশ হওয়া এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর সভাপতি সালমান এফ রহমান বলেন, বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারে সরকারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা করতে এলপিজি’র ব্যবহার বাড়ানো উচিত। তিনি বলেন, বাংলাদেশে এলপিজি’র ভবিষ্যৎ বাজার খবুই সম্ভাবনাময়। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব  নাজিমউদ্দিন চৌধুরী,  ওমেরা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড এর সহকারী মহাব্যবস্থাপক তানজীম চৌধুরী।  
ক্যাটাগরি: এলপিজি
‘বাংলাদেশে ৪র্থ এশিয়া এলপিজি সামিট-২০১৭ অনুষ্ঠিত হবে ২৬-২৭ ফেব্রুয়ারি’
ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৭ শুক্রবার ০১:৫২ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো চতুর্থ এশিয়া এলপিজি সামিট আগামী ২৬ ও ২৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় বসুন্ধরা কনভেনশন হল-৪ এ অনুষ্ঠিত হবে। এই সামিটের আয়োজন করছে আর্ন্তজাতিক এলপিজি অ্যাসোসিয়েশন, অল ইভেন্ট গ্রুপ-সিঙ্গাপুর ও বাংলাদেশের গ্লোবাল ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেড। দুই দিনব্যাপি এ আর্ন্তজাতিক সম্মেলন ও মেলায় অংশগ্রহনের লক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১৫০ এরও অধিক বিদেশি অতিথির আগমন ঘটবে বলে গত ২২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান অল ইভেন্ট গ্রুপ-সিঙ্গাপুর এর ম্যানেজার (ব্যবসা উন্নয়ন)  ট্যান কেলভিন। এছাড়া দেশি ও বিদেশি ৫০ এরও অধিক এলপিজি ব্যবসার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান তাদের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও সুবিধাদি প্রদর্শন করবে। সামিট সফল করার লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহন করবে এবং সামিটে সহযোগী হিসাবে বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সহযোগিতা করবে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এবং সমাপনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে থাকবেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোঃ তাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন  জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব নাজিমউদ্দিন চৌধুরী এবং পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মোঃ ফয়জুল্লাহ। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ এলপিজি অ্যাসোসিয়েশন এর আত্মপ্রকাশের ঘোষণা দেবেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারী ব্যবসা বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন গ্লোবাল ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেড, বাংলাদেশ এর বিক্রয় ও বিপণন বিভাগের প্রধান মুহঃ মাঝহারুল ইসলাম এবং ম্যানেজার (ব্যবসা উন্নয়ন)  মোঃ ইখতিয়ার রহমান।
ক্যাটাগরি: এলপিজি
‘এলপি গ্যাস অপারেশনাল লাইসেন্সিং নীতিমালা প্রণয়ন করেছে সরকার’
ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ১০:৩৬ এএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম(এলপি)গ্যাসের নিরাপদ, সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং পরিচালনার জন্য ‘এলপি গ্যাস অপারেশনাল লাইসেন্সিং নীতিমালা, ২০১৭’ প্রণয়ন করেছে সরকার। গত ২৯ জানুয়ারি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এক প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে এই নীতিমালার ঘোষণা দিয়েছে। এর আগে এ ধরণের কোনো নীতিমালা না থাকায় এলপি গ্যাস ব্যবহারে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠে। এই নীতিমালা হওয়ায় এখন সরকার সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনাক্রমে এলপি গ্যাসের আন্তর্জাতিক বাজার মূল্যের উপর ভিত্তি করে গ্যাসের খুচরা মূল্য নির্ধারণের পদ্ধতি প্রণয়ন করবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপি গ্যাস) বহুমুখী ব্যবহার সম্প্রসারণকল্পে এলপি গ্যাস আমদানি, উৎপাদন, মজুদ, পরিবহন, টার্মিনাল স্থাপন, স্বয়ংক্রিয় যানের জ্বালানি (অটোগ্যাস) হিসেবে এলপি গ্যাস বিতরণ স্টেশন (ডিসপেন্সিং/রিফুয়েলিং স্টেশন) স্থাপন, স্বয়ংক্রিয় যানের ইঞ্জিনকে এলপি গ্যাস দ্বারা চালানোর জন্য রূপান্তর কারখানা স্থাপন, বটলিং প্ল্যান্ট নির্মাণ এবং এলপি গ্যাস বিতরণ ও বিপণনের লক্ষ্যে মাস্টার ফ্রাঞ্চাইজি বা ফ্রাঞ্চাইজি বা এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটার বা ডিস্ট্রিবিউটার ও ডিলার নিয়োগের সাথে দেশের অর্থনীতি, ভোক্তা স্বার্থ ও অধিকার, পরিবহন ব্যবস্থা, সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ইত্যাদি বিষয় ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই এ গ্যাসের নিরাপদ, সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসা সম্প্রসারণ ও পরিচালনায় এলপি গ্যাস আমদানি, উৎপাদন, মজুদ, পরিবহন, টার্মিনাল স্থাপন, অটোগ্যাস জ্বালানি হিসেবে এলপি গ্যাস বিতরণ স্টেশন (ডিসপেন্সিং/রিফুয়েলিং স্টেশন) স্থাপন, স্বয়ংক্রিয় যানের ইঞ্জিনকে এলপি গ্যাস দ্বারা চালানোর জন্য রূপান্তর কারখানা স্থাপন, বটলিং প্ল্যান্ট নির্মাণসহ এলপি গ্যাস বিতরণ ও বিপণনের লক্ষ্যে মাস্টার ফ্রাঞ্চাইজি বা ফ্রাঞ্চাইজি বা এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটার বা ডিস্ট্রিবিউটার ও ডিলার নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, আর্থিক সক্ষমতা, এলপি গ্যাসের মান নিয়ন্ত্রণের জন্য স্পেসিফিকেশন নির্ধারণ, বিভিন্ন পর্যায়ের ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে সম্পর্ক, দায়িত্ব ও সম্পাদিত চুক্তি ইত্যাদি বিষয়সমূহ সুনির্দিষ্ট করা সমীচীন বিধায় এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হলো। তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপি গ্যাস) আমদানি, উৎপাদন, মজুদ, পরিবহন, টার্মিনাল স্থাপন, বটলিং প্ল্যান্ট স্থাপন এবং স্বয়ংক্রিয় যানের জ্বালানি (অটোগ্যাস) হিসেবে এলপি গ্যাস বিতরণ স্টেশন (ডিসপেন্সিং/রিফুয়েলিং স্টেশন) স্থাপন, স্বয়ংক্রিয় যানের ইঞ্জিনকে এলপি গ্যাস দ্বারা চালানোর জন্য রূপান্তর কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে এলপি গ্যাস বিতরণ ও বিপণনের কার্যক্রম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানকে ‘এলপি গ্যাস অপারেটর’ হিসেবে অভিহিত করা হবে। টার্মিনাল, প্ল্যান্ট এবং অন্যান্য স্থাপনাসমূহ নির্মাণ ও পরিচালনার ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড স্টেটিং ইন্সটিটিউট (বিএসটিআই), বিস্ফোরক পরিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, জেলা প্রশাসক, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা) এর অনুমতিসহ সরকারের বিধিবদ্ধ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগ বা দপ্তর বা অধিদপ্তর বা পরিদপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় অনুমোদন বা লাইসেন্স বা ছাড়পত্র বা অনাপত্তিপত্র এবং বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশন (বিইআরসি) এর লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে। এলপি গ্যাস অপারেটর কর্তৃক নিয়োগকৃত মাস্টার ফ্রাঞ্চাইজি বা ফ্রাঞ্চাইজি বা এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটার বা ডিস্ট্রিবিউটার ও ডিলার ব্যতীত অন্য কেউ গৃহস্থালি, অটোগ্যাস, বাণিজ্যিক ও শিল্প কাজে ব্যবহারের জন্য এলপি গ্যাস বিতরণ ও বিপণন করতে পারবে না। তবে শর্ত থাকে যে, মাস্টার ফ্রাঞ্চাইজি বা ফ্রাঞ্চাইজি বা একক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটার বা ডিস্ট্রিবিউটার ও ডিলারগণকে বিস্ফোরক পরিদপ্তর হতে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স গ্রহণপূর্বক এলপি গ্যাস অপারেটরদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে ফ্রাঞ্চাইজ বা ডিস্ট্রিবিউটার ও ডিলারশিপ গ্রহণপূর্বক এলপি গ্যাস বিতরণ ও বিপণন করতে হবে। সরকারের পূর্বানুমোদন এবং এলপি গ্যাস অপারেটরের লাইসেন্স ব্যতিত কোন প্রতিষ্ঠান এলপি গ্যাস অপারেটর হিসেবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবে না। যে সব প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক অনুমোদনের ভিত্তিতে এলপি গ্যাসের ব্যবসা পরিচালনা করছে এবং চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে, সে সকল প্রতিষ্ঠানকে এ নীতিমালা প্রকাশের তারিখ থেকে ছয় মাসের মধ্যে সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে এবং সরকার নির্ধারিত চুক্তির ফরম্যাট অনুযায়ী বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করে উক্ত ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে। বোতলজাত এলপি গ্যাস বা বাল্ক আকারে এলপি গ্যাস রপ্তানির জন্য জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ হতে অনাপত্তি এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় হতে অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে। এলপি গ্যাস অপারেটরের ব্যবসা পরিচালনা করার ক্ষেত্রে উক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে সর্বমোট ন্যূনতম পাঁচ হাজার  মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতার এলপি গ্যাস মজুদ ট্যাংক নির্মাণ করতে হবে এবং বাল্ক এলপি গ্যাস পরিবহনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক এলপি গ্যাস রোড ট্যাংকার অথবা নৌপথে চালিত এলপি গ্যাস পরিবহনযান থাকতে হবে। এক এলপি গ্যাস অপারেটর অপর এলপি গ্যাস অপারেটরের সিলিন্ডার রিফিল করতে পারবে না। যদি ব্যত্যয় ঘটে সে ক্ষেত্রে অপারেটর, তৎকর্তৃক নিয়োগকৃত মাস্টার ফ্রাঞ্চাইজি বা ফ্রাঞ্চাইজি বা এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটার বা ডিস্ট্রিবিউটার ও ডিলারগণের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে সরকার।  এ সংক্রান্ত অন্যান্য নীতিমালায় যাই থাকুক না কেন এ নীতিমালা প্রাধান্য পাবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।  
ক্যাটাগরি: এলপিজি
‘বসুন্ধরা এলপি গ্যাস সিলিন্ডার দিচ্ছে সুরক্ষার নিশ্চয়তা’
জানুয়ারি ২২, ২০১৭ রবিবার ১১:১১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বসুন্ধরা এলপি গ্যাস এর উপর মানুষের আস্থা, পণ্যের সহজলভ্যতা ও গুণগতমান ধরে রাখতে দেশের বিভিন্ন স্থানে মতবিনিময় সভার আয়োজন করছে বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লিমিটেড। এর অংশ হিসেবে রোববার শ্রীমঙ্গল ও নরসিংদীতে পরিবেশকদের সাথে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বলে কোম্পানীর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা এলপি গ্যাস এর হেড অব মার্কেটিং এম এম জসীম উদ্দীন, হেড অব অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স মাহাবুব আলম, হেড অব সেলস মীর টি আই ফারুক রিজভী, ডিজিএম অপারেশন অ্যান্ড প্ল্যানিং  জাকারিয়া জালাল, সেক্রেটারি টু ভাইস চেয়ারম্যান মো. শরীফুল ইসলাম।  অনুষ্ঠানের শুরুতে বসুন্ধরা এলপি গ্যাস পরিবেশকদের পক্ষ থেকে অতিথিদের ফুলের শুভেচ্ছা ও সন্মাননা দেওয়া হয়। উদ্বোধনী বক্তব্যে হেড অব সেলস মীর টি আই ফারুক রিজভী বলেন, ভোক্তার দোরগোড়ায় বসুন্ধরা এলপি গ্যাস সহজলভ্য করায় সবার সহযোগিতা রয়েছে ।আগামী দিনগুলোতে বসুন্ধরা এল পি গ্যাস এর উপর মানুষের আস্থা, পণ্যের সহজলভ্যতা ও গুণগতমান ধরে রাখাই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য। হেড অব মার্কেটিং এম এম জসীম উদ্দীন বলেন, বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতেই বেশ কিছু কোম্পানি নিম্নমানের ঝুকিপূর্ণ এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিদেশ থেকে আমদানি করে আনছে এবং আমদানিকৃত সিলিন্ডারগুলোর মেইনটেন্যান্স ঠিকমতো হচ্ছে না। ডিজিএম অপারেশন অ্যান্ড প্ল্যানিং জাকারিয়া জালাল বলেন, বসুন্ধরা এলপি গ্যাস নিরাপদ রাখতে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার পর বাজারজাত করা হয় যার ফলে নিশ্চিত হয় সিলিন্ডারের সর্বোত্তম সুরক্ষা। অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের বিভিন্ন পর্যায়ের পরিবেশকরা অংশ নিয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন।
ক্যাটাগরি: এলপিজি
‘দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসুন্ধরা এলপি গ্যাস পৌঁছে দিতে নানা উদ্যোগ’
জানুয়ারি ২১, ২০১৭ শনিবার ১১:৪১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় এলপিজি সিলিন্ডার পৌঁছে দিতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লিমিটেড। শনিবার সিলেটের একটি অভিজাত হোটেলে বসুন্ধরা এলপি গ্যাস এর বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে পরিবেশকদের সাথে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস-চেয়ারম্যান সাফিয়াত সোবহান। অনুষ্ঠানের শুরুতে সিলেটের বসুন্ধরা এলপি গ্যাস পরিবেশকদের পক্ষ থেকে প্রধান অতিথিকে ফুলের শুভেচ্ছা ও সন্মাননা দেওয়া হয়। সাফিয়াত বলেন, বসুন্ধরা এলপি গ্যাস নিরাপদ। কারণ তা ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার পর বাজারজাত করা হয়। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে না। যে কারণে পরিবেশক ও গ্রাহকবান্ধব গ্যাস হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে বসুন্ধরা এলপি গ্যাস। বসুন্ধরার সাফল্যে সবার সহযোগিতা রয়েছে উল্লেখ করে সাফিয়াত বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের সহজপ্রাপ্তি নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতা থাকা ভালো। এতে নিজের অবস্থান সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়। এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম প্লান্ট স্থাপন করছে বসুন্ধরা এলপি গ্যাস। এর ফলে এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে বাজারে সিলিন্ডারের কোনো সংকট থাকবে না। এ জন্য পরিবেশকদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের হেড অব ডিভিশন-মার্কেটিং এম এম জসিম উদ্দীন বলেন, দেশে বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের বার্ষিক উৎপাদন বাড়ছে। বর্তমানে বার্ষিক উৎপাদন ৪০ ভাগের বেশি। এ ছাড়া প্রতিমাসে সাড়ে ৩ লাখের বেশি এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বাজারজাত হচ্ছে। তিনি বলেন, বিপুল চাহিদার কথা মাথায় রেখে দেশীয়ভাবে সিলিন্ডার উৎপাদন করে সাশ্রয়ী মূল্যে যাতে গ্রাহকের হাতে তুলে দেওয়া যায়, সে লক্ষ্য নিয়ে ঢাকায় এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম এলপি গ্যাস সিলিন্ডার তৈরির কারখানা নির্মাণ করছে বসুন্ধরা গ্রুপ। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন হেড অব ডিভিশন-অ্যাকাউন্ট অ্যান্ড ফাইনান্স মাহবুব আলম, হেড অব ডিভিশন সেলস মীর টি আই ফারুক রিজভী, ডিজিএম অপারেশন অ্যান্ড প্লানিং জাকারিয়া জালাল, ভাইস চেয়ারম্যানের সচিব মো. শরীফুল ইসলাম।  অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের পরিবেশকরা তাদের মতামত তুলে ধরে বক্তব্য দেন।    
ক্যাটাগরি: এলপিজি
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে দুইটি এলপিজি স্টোরেজ ও বটলিং প্ল্যান্ট নির্মাণ করবে সরকার
নভেম্বর ২৩, ২০১৬ বুধবার ০৭:৪৬ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
গৃহস্থালীতে রান্নার জ্বালানি চাহিদা মেটাতে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে দুইটি এলপিজি স্টোরেজ ও বটলিং প্ল্যান্ট নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর আগে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) মংলা ও টাঙ্গাইলে দুইটি এলপিজি স্টোরেজ ও বটলিং প্ল্যান্ট নির্মাণের প্রকল্প নিলেও তা বাস্তবায়নের ব্যর্থ হয়ে এখন নতুন এই উদ্যোগ নিলো। সীতাকুণ্ড উপজেলার লতিফপুরে বিপিসি’র অধীনস্থ স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি লিমিটেড (এসএওসিএল) ও এলপি গ্যাস লিমিটেড নতুন প্রকল্প দুইটি বাস্তবায়ন করবে বলে জানিয়েছেন বিপিসি’র এক কর্মকর্তা। সম্প্রতি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ প্রকল্প দুইটি নির্মাণ এবং জমি অধিগ্রহণের জন্য অনুমোদন দিয়েছে। যার প্রতিটি প্ল্যান্টের বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ধরা হয়েছে এক লাখ টন। একইসাথে এলপিজি সিলিন্ডার তৈরির কারখানা নির্মাণেরও অনুমোদন পেয়েছে এসএওসিএল।  ইতোমধ্যে লতিফপুরে প্রায় ১০ একর খাস জমি অধিগ্রহণ করতে এসএওসিএলকে প্রশাসনিক অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এলপি গ্যাস লিমিটেডকেও একই পরিমাণ জমি অধিগ্রহণ করতে বলা হয়েছে। বিপিসি’র কর্মকর্তারা জানান, একটি এলপিজি মজুদাগার ও বোতলজাত করার প্ল্যান্ট এবং সিলিন্ডার তৈরির কারখানা নির্মাণে প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে। আর জমি অধিগ্রহণ শেষে ভূমি উন্নয়ন ও সম্পূর্ণ প্ল্যান্ট নির্মাণে প্রায় এক বছরের মতো সময় লাগতে পারে বলে মনে করেন তারা। বাসাবাড়িতে আবাসিক গ্যাস সংযোগ বন্ধ করে দেওয়ার পর থেকে রান্না কাজে এলপিজি’র চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারি ও বেসরকারি খাতে নতুন এলপিজি স্টোরেজ ও বটলিং প্ল্যান্ট নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।    
ক্যাটাগরি: এলপিজি
চট্টগ্রামে এলপিজি কারখানা স্থাপনে বেজার সঙ্গে ওমেরা পেট্রোলিয়াম এর চুক্তি সই
নভেম্বর ২২, ২০১৬ মঙ্গলবার ০৯:২০ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
চট্টগ্রামের মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে এলপিজি কারখানা স্থাপনের জন্য বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) সঙ্গে ওমেরা পেট্রোলিয়াম এক সমঝোতা স্মারক সই করেছে। সোমবার রাজধানীর কাওরান বাজারে বেজার কার্যালয়ে ওমেরার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ টিপু সুলতান এবং বেজার নির্বাহী  বোর্ডের সচিব মোহাম্মদ আইয়ুব  নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে সই করেন। অনুষ্ঠানে বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রামের মিরসরাইকে একটি পরিকল্পিত শিল্প শহর হিসেবে গড়ে তুলবে বেজা। সূত্র জানায়, চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত বেজার অর্থনৈতিক অঞ্চলে কারখানা স্থাপনে দুইশ’ একর জমি পাচ্ছে ওমেরা। সেখানে প্রায় ১৩শ’ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনার রয়েছে কোম্পানিটির।  
ক্যাটাগরি: এলপিজি
বাসায় এলপিজি সিলিন্ডার পৌঁছে দিতে হোম ডেলিভারি সার্ভিস চালু করেছে বসুন্ধরা
নভেম্বর ১৩, ২০১৬ রবিবার ০৮:৫৯ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
এলপিজি সিলিন্ডার গ্রাহকের আঙ্গিনায় পৌঁছে দিতে হোম ডেলিভারি সার্ভিস চালু করেছে বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লিমিটেড। রোববার ঢাকায় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ডিরেক্ট সেলস ‘অর্ডার পয়েন্ট’ নামে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস-চেয়ারম্যান সাফিয়াত হোসেন। সার্ভিস সম্পর্কে বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন ও প্লানিং) জাকরিয়া জালাল এনার্জিনিউজবিডি ডটকমকে বলেন, গ্রাহকের সন্তুষ্ট অর্জনের পাশাপাশি উন্নত সেবা দিতে হোম ডেলিভারি সার্ভিস চালু করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে বসুন্ধরা ও এর আশপাশের আবাসিক এলাকায় এই সার্ভিস চলবে, যা পর্যায়ক্রমে সারাদেশে চালু করা হবে। তিনি আরো বলেন, গ্রাহকরা অর্ডার পয়েন্টে সিলিন্ডার কিনতে অর্ডার দিলেই তা বাসাবাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা এল পি গ্যাস এর বিভাগীয় প্রধান (মার্কেটিং) এম এম জসীম উদ্দীন, বিভাগীয় প্রধান (এ এন্ড এফ) মাহাবুব আলম, বিভাগীয় প্রধান (সাপ্লাই চেইন)  আব্দুস শুকুর, বিভাগীয় প্রধান (বিক্রয়) মীর টি আই ফারুক রিজভি  এবং উপ-মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন ও প্লানিং) জাকরিয়া জালাল উপস্থিত ছিলেন।    
ক্যাটাগরি: এলপিজি
বিক্রির ফর্মুলা ঠিক না করেই অটো গ্যাস রি-ফুয়েলিং স্টেশনের নীতিমালা প্রণয়ন
অক্টোবর ১৫, ২০১৬ শনিবার ১০:০৩ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
যানবাহনের জ্বালানি হিসেবে সিএনজি এর পরিবর্তে তরলীকৃত পেট্টোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বা অটো গ্যাস ব্যবহারে বিক্রির ফর্মুলা ঠিক না করেই রি-ফুয়েলিং স্টেশন ও রূপান্তর ওয়ার্কশপ স্থাপন, পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ নীতিমালা-২০১৬ এর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। প্রাকৃতিক গ্যাসের স্বল্পতার কারণে অটো গ্যাস ব্যাপকভাবে ব্যবহারের জন্য এ নীতিমালা করা হয়েছে। যানবাহনে বিশেষ ব্যবস্থায় যে এলপিজি ব্যবহার হয় তা অটো গ্যাস নামে পরিচিত। সম্প্রতি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে জারি হওয়া ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকার নির্ধারিত মূল্যে এবং মান অনুসরণ করে অটো গ্যাস বিক্রয় করতে হবে রি-ফুয়েলিং স্টেশন মালিকদের। তবে এখনো এ অটো গ্যাসের মূল্য এবং মান কিভাবে নির্ধারণ হবে তা সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা জানেন না। সারাদেশে গৃহস্থালিতে ও বাণিজ্যিকভাবে বেসরকারিভাবে প্রায় ৫০ লাখ এলপিজি সিলিণ্ডার বিক্রয় হলেও তার মূল্য সরকার নির্ধারণ করে দেয় না। তবে সরকারিভাবে প্রায় সাড়ে চার লাখ সিলিণ্ডার বিক্রয়ে প্রতি সিলিণ্ডারের দাম ৭৫০ টাকা  নির্ধারণ করা থাকলেও এর চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হয়। ওই প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, যানবাহনে অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেলের পরিবর্তে অটো গ্যাস একটি পরিবেশবান্ধব বিকল্প জ্বালানি হিসেবে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা লাভ করছে। যানবাহনে অটো গ্যাস ব্যবহারের ব্যয় তরল জীবাশ্ম জ্বালানির তুলনায় কম। যানবাহনে প্রচলিত তরল জ্বালানির পরিবর্তে অটো গ্যাস ব্যবহারের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় সম্ভব। অটো গ্যাস বিপণন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও এই সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য একটি নীতিমালা থাকা আবশ্যক। এ উদ্দেশ্যে অটো গ্যাস রিফুয়েলিং স্টেশন নির্মাণ ও রূপান্তর ওয়ার্কশপ স্থাপন, পরিচালন এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। নীতিমালায় আরো বলা হয়, সরকারের অনুমোদন ব্যতিরেকে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অটো গ্যাস রিফুয়েলিং স্টেশন ও অটো গ্যাস রূপান্তর ওয়ার্কশপ স্থাপন, পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারবে না। ওই নীতিমালায় উল্লিখিত আইন, বিধি বা অন্য কোন শর্ত ভঙ্গের জন্য সরকার অটো গ্যাস রিফুয়েলিং স্টেশন ও রূপান্তর ওয়ার্কশপের অনুমোদন বাতিল করতে পারবে। বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে জয়েন্ট ভেঞ্চার এ কোন কোম্পানি/প্রতিষ্ঠান গঠন করা হলে বিনিয়োগ বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন গ্রহণ করতে হবে এবং এক্ষেত্রে সরকারের বিদ্যমান সংশ্লিষ্ট আইন, বিধি ও অন্যান্য নীতিমালা প্রযোজ্য হবে। অটো গ্যাস স্টেশন স্থাপনের জন্য সিটি কর্পোরেশন ও জেলা শহরের আওতাভুক্ত এলাকায় সড়কের একই পার্শ্বে দুটি অটো গ্যাস রিফুয়েলিং স্টেশনের ন্যূনতম দূরত্ব হবে দুই কিলোমিটার এবং সিটি কর্পোরেশন ও জেলা শহরের আওতা বহির্ভূত এলাকায় ন্যূনতম দূরত্ব হবে চার কিলোমিটার। আর সিটি কর্পোরেশন ও জেলা শহরের আওতাভুক্ত এলাকায় সড়কের বিপরীত পার্শ্বে দুটি অটো গ্যাস রিফুয়েলিং স্টেশনের ন্যূনতম দূরত্ব হবে এক কিলোমিটার এবং সিটি কর্পোরেশন ও জেলা শহরের আওতা বহির্ভূত এলাকায় ন্যূনতম দূরত্ব হবে দুই কিলোমিটার এবং তবে বিশেষ প্রয়োজনে সরকার ন্যূনতম দূরত্বসীমার এ শর্ত শিথিল করতে পারবে। বিস্ফোরক পরিদপ্তর কর্তৃক নকশা অনুমোদন ও লাইসেন্স গ্রহণ ব্যতিরেকে নতুন অটো-গ্যাস স্টেশনের নির্মাণ কাজ  অথবা পুরাতন অটো গ্যাস ফিলিং স্টেশনের প্রাঙ্গণ বা অন্যান্য স্থাপনা পরিবর্তন/পরিবর্ধন বা সংযোজন/বিয়োজন করা যাবে না। স্টেশনের অনুমোদনের জন্য বিস্ফোরক পরিদপ্তরের লাইসেন্সসহ স্টেশনের ড্রয়িং, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এর লাইসেন্স/অনুমতি, নিয়োগকৃত জনবলের যোগ্যতা প্রমাণের সনদ ও নিয়োগপত্রের অনুলিপি এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর অনাপত্তি থাকতে হবে। প্রাথমিক অনুমতি প্রাপ্তির বারো মাসের মধ্যে অটো গ্যাস রিফুয়েলিং স্টেশন স্থাপন প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্পন্ন করতে হবে। অন্যদিকে, কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অটো গ্যাস রূপান্তর ওয়ার্কশপ স্থাপন ও পরিচালনার অনুমোদন পাবে যদি অটো গ্যাস রূপান্তর ওয়ার্কশপের অবস্থান বাসস্ট্যান্ড বা বাস টার্মিনাল হতে ন্যূনতম একশত মিটার দূরে হয়।
ক্যাটাগরি: এলপিজি
বগুড়াতে ইন্ট্রাকো গ্রুপের প্রথম ডিজিটাল এলপিজি অটোগ্যাস ফিলিং স্টেশনের উদ্বোধন
অক্টোবর ১৩, ২০১৬ বৃহস্পতিবার ১২:২১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের অন্যতম প্রতিষ্ঠান ইন্ট্রাকো গ্রুপ বগুড়াতে প্রথম ডিজিটাল এলপিজি অটোগ্যাস ফিলিং স্টেশন স্থাপন করেছে। গত ৮ অক্টোবর ইন্ট্রাকো গ্রুপ এর চেয়ারম্যান এইচএম হাকিম আলী বগুড়ার  শাজাহানপুর উপজেলার শাজাপুর ইউনিয়নে এই অটোগ্যাস ফিলিং স্টেশনের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনকালে হাকিম আলী বলেন, প্রাকৃতিক গ্যাসের বিকল্প জ্বালানী হিসাবে এলপিজি ব্যবহারে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ নিয়েছে সরকার । এরই ধারাবাহিকতায় যানবাহনের জ্বালানি হিসেবে এলপিজি’র ব্যবহার বাড়াতে ইন্ট্রাকো এলপিজি লিমিটেড বগুড়াতে প্রথম ডিজিটাল এলপিজি অটোগ্যাস ফিলিং স্টেশন স্থাপন করেছে। আরো ২০০টি এলপিজি অটোগ্যাস ফিলিং স্টেশন দেশের বিভিন্ন জেলায় স্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম এমপি। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ইন্ট্রাকো এলপিজি লিমিটেড এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক  মোহাম্মাদ ইরাদ আলী, বগুড়ার জেলা প্রশাসক, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি। ‘অটোগ্যাস’ কী যানবাহনের জ্বালানি হিসেবে বিশেষ ব্যবস্থায় লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজি ব্যবহারের অপর নাম হচ্ছে অটোগ্যাস। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, গৃহস্থালি ও যানবাহনে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাসের (সিএনজি) ব্যবহার কমিয়ে আনতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে গাড়িতে এলপিজি ব্যবহার করা হবে। যানবাহনে পেট্রোল ও ডিজেলের পরিবর্তে অটোগ্যাস ব্যবহার অনেক বেশি পরিবেশবান্ধব এবং তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী। বিশ্বব্যাপী অটোগ্যাস পরিবেশবান্ধব জ্বালানি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। পেট্রোল ও ডিজেলচালিত যানবাহন থেকে নির্গত কার্বন মনোক্সাইড, কার্বন ডাই-অক্সাইড, সালফার ডাই-অক্সাইড ও নাইট্রোজেন অক্সাইড যে পরিমাণে পরিবেশ ও বায়ু দূষণ করে তার তুলনায় অটোগ্যাস ব্যবহারে অনেক কম দূষণ হয়। ইতোমধ্যে এলপিজি বটলিংকারী দেশের তিনটি বেসকারি বড় প্রতিষ্ঠানকে দেশব্যাপী প্রায় এক হাজার অটোগ্যাস ফিলিং স্টেশন স্থাপনের অনুমতি দিয়েছে সরকার। আরো কয়েকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা। বর্তমানে দেশে ১২টি অটোগ্যাস ফিলিং স্টেশন রয়েছে এবং ১৫০০ এর মতো যানবাহন অটোগ্যাসে চলাচল করছে।  
ক্যাটাগরি: এলপিজি
বিপিসির এলপিজি সিলিন্ডারের ৮০ ভাগ ঝুঁকিপূর্ণ
আগস্ট ২২, ২০১৬ সোমবার ১২:১০ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) এলপিজি সিলিন্ডারের ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ ব্যবহারের অনুপযোগী। ঝুঁকিপূর্ণ এসব সিলিন্ডার বাসাবাড়িতে ব্যবহারে যেকোনো সময় বিস্ফোরণ বা অগ্নিকাণ্ড ঘটতে পারে। বগুড়ায় বিপিসির এলপিজি সিলিন্ডারের উত্তরাঞ্চলীয় ডিপোতে বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্তে এসে বিস্ফোরক অধিদপ্তরের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের পরিদর্শক মো. আসাদুল ইসলাম এ আশঙ্কার কথা জানান। এর আগে গুদামে মজুত বেশ কিছু সিলিন্ডার পরীক্ষা করা হয়। পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানির মাধ্যমে বিপিসির বগুড়া আঞ্চলিক ডিপো থেকে উত্তরাঞ্চলের ১৪ জেলার ৫৫০ জন পরিবেশক ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজি গ্যাস সরবরাহ করেন। এসব গ্যাস সিলেটের রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস ফিল্ড থেকে বোতলজাত হয়ে সিলিন্ডারের মাধ্যমে ওই আঞ্চলিক ডিপোতে আসে। গত শনিবার সিলেট থেকে তিনটি ট্রাকে গ্যাসভর্তি ৮৭৮টি সিলিন্ডার বগুড়া ডিপোতে আসার পর সেগুলো নামানোর সময় পদ্মা অয়েলের গ্যাসভর্তি প্রায় ৩০০ সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয় ও তিনটি ট্রাক পুড়ে যায়। বিস্ফোরক অধিদপ্তরের পরিদর্শক আসাদুল ইসলাম বলেন, বগুড়ায় বিপিসির গুদামে মজুত থাকা পদ্মা অয়েলের বেশ কিছু সিলিন্ডারের মুখে পানি ভরে দেখা গেছে, ৮০ শতাংশ সিলিন্ডারের মুখ দিয়ে অনর্গল গ্যাসের বুদ্‌বুদ বের হচ্ছে। একইভাবে গ্যাস বের হচ্ছে মেঘনা পেট্রোলিয়ামের ৭৫ শতাংশ সিলিন্ডার থেকে। ডিপোতে গ্যাসভর্তি সিলিন্ডার না থাকায় যমুনা অয়েলের সিলিন্ডারের মান যাচাই করা সম্ভব হয়নি। যেহেতু বিপিসির একই ডিপো থেকে তিনটি কোম্পানির সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়, সেহেতু যমুনার সিলিন্ডারের চিত্রও ব্যতিক্রম হওয়ার কথা নয়। দুর্ঘটনা এড়াতে বিপিসির সরবরাহ করা ঝুঁকিপূর্ণ এসব সিলিন্ডার জরুরি ভিত্তিতে বাতিল ঘোষণা করা দরকার বলে জানান আসাদুল ইসলাম। তিনি বলেন, বগুড়া ডিপোতে প্রতি মাসে গড়ে সাড়ে আট থেকে নয় হাজার এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়। এসব সিলিন্ডারের সিংহভাগই ব্যবহার অনুপযোগী ও ঝুঁকিপূর্ণ। তিনটি কোম্পানিকে এ গ্যাস সরবরাহ করা হয় বিপিসির প্ল্যান্ট থেকে। তাই এসব সিলিন্ডার বাতিল করে নতুন সিলিন্ডার সরবরাহের দায়িত্বও বিপিসিরই। সিলিন্ডারগুলো বাতিল ঘোষণা করে নতুন সিলিন্ডার সরবরাহ করতে দু-এক দিনের মধ্যে বিস্ফোরক অধিদপ্তর থেকে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হবে বলে জানান এই পরিদর্শক। এদিকে শনিবারের দুর্ঘটনা তদন্তে বিস্ফোরক অধিদপ্তরের তদন্তকারী দল ছাড়াও গতকাল বিপিসি ও পদ্মা অয়েলের উচ্চপর্যায়ের আরও দুটি দল বগুড়া ডিপো পরিদর্শন করে। বিপিসির মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যান্ট) ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে বিকেলে আসা চার সদস্যের তদন্ত দলের অন্য তিনজন হলেন পদ্মা অয়েলের সহকারী মহাব্যবস্থাপক শেখ আল মামুন, যমুনা অয়েলের বগুড়ার সহকারী মহাব্যবস্থাপক (বিক্রয়) আনোয়ারুল ইসলাম ও মেঘনা পেট্রোলিয়ামের সহকারী মহাব্যবস্থাপক ওমর ফারুক নিয়াজী। অন্যদিকে সকালে পদ্মা অয়েলের ম্যানেজার (অপারেশন-পরিচালন) ইকবাল আহমেদের নেতৃত্বে আরেকটি তদন্ত দল ডিপো পরিদর্শন করে। বিকেলে বিপিসির তদন্ত দলের প্রধান প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিদের বক্তব্য শোনেন। এ সময় প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা জানান, ট্রাক থেকে সিলিন্ডার নামানোর সময় ঘর্ষণ লেগেই প্রথম আগুন ধরে। এরপর ট্রাকের ওপর থেকে একের পর এক সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। ডিপোতে গিয়ে দেখা গেছে, বিস্ফোরিত সিলিন্ডারের টুকরা ও পোড়া সিলিন্ডার ডিপো চত্বরে জড়ো করে রাখা হয়েছে। ডিপোর ফটকে পড়ে আছে পুড়ে দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া ট্রাকের ধ্বংসাবশেষ। বিস্ফোরণের ক্ষতচিহ্ন ডিপোর আশপাশের ভবনের দেয়ালেও লেগে আছে। এলপিজি সিলিন্ডার পরিবেশক সমিতি রাজশাহী বিভাগের সাধারণ সম্পাদক আহসানুল রশিদ তদন্ত দলকে বলেন, বিপিসির এসব সিলিন্ডার অন্তত ৪০ বছরের পুরোনো। এসব সিলিন্ডারে গ্যাস বহন ও বিপণন যেমন ঝুঁকিপূর্ণ, তেমনি ভোক্তাদের রান্নাঘরের জন্যও নিরাপদ নয়। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। পুরোনো সিলিন্ডারের কারণেই বিস্ফোরণ ঘটেছে কি না, জানতে চাইলে পদ্মা অয়েলের সহকারী মহাব্যবস্থাপক শেখ আল মামুন বলেন, তদন্ত চলছে। তার আগেই কোনো মন্তব্য করা যাবে না। সূত্র: প্রথম আলো
ক্যাটাগরি: এলপিজি
সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এলপিজি বটলিং প্লান্ট স্থাপনে নীতিমালা প্রণয়ন
জুন ০৪, ২০১৬ শনিবার ১১:০৪ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানি ও রপ্তানির সুযোগ রেখে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এলপিজি বটলিং প্লান্ট স্থাপনের জন্য নীতিমালা প্রণয়ন করেছে সরকার। এর আগে শুধু এলপিজি আমদানির সুযোগ ছিলো। এ নীতিমালা প্রণয়নের সাথে সাথে বেসরকারি পর্যায়ে আমদানিনির্ভর এলপিজি বটলিং প্লান্ট স্থাপনের অনুমোদন পদ্ধতি, ২০১১ বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের একজন কর্মকর্তা। সম্প্রতি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রণয়ন করা এ নীতিমালায় বলা হয়েছে, সরকারের অনুমোদন ব্যতিরেকে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এলপিজি আমদানি, রপ্তানি, এলপিজি বটলিং প্লান্ট স্থাপন, বোতলজাতকরণ, বিতরণ ও বিপণন করতে পারবে না। নীতিমালায় আরো বলা হয়, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ও জীবাশ্ম জ্বালানির সীমিত মজুদের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান ও ভবিষ্যতের জ্বালানি সমস্যা সমাধানে এলপিজি সর্বাধিক নির্ভরযোগ্য সম্ভবনাময় উৎস। এ বিবেচনায় গৃহস্থালি, অটোমোবাইল, ক্ষুদ্র শিল্পের জ্বালানি এবং কেমিক্যাল ও প্রসেস ইন্ডাস্ট্রির কাঁচামাল হিসেবে এলপি গ্যাসের ব্যবহার বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এলপিজি বটলিং প্লান্ট স্থাপনে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। এজন্য জ্বালানি নিরাপত্তানিশ্চিতকরণের পাশাপাশি অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করতে এলপিজি বটলিং প্লান্ট স্থাপনে নীতিমালা প্রণয়ণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি বা কোনো শর্ত ভঙ্গের জন্য সরকার প্রয়োজন মনে করলে প্রচলিত বিধি অনুসরণ করে এলপিজি প্লান্ট বা কোম্পানীর অনুমোদন বাতিল করতে পারবে। প্লান্ট স্থাপন ও পরিচালনার ক্ষেত্রে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানকে পরিবেশ অধিদপ্তর, বিস্ফোরক পরিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, জেলা প্রশাসন, স্থানীয় সরকার, বিনিযোগ বোর্ড (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) বিএসটিআই, বিইআরসিসহ সরকারের বিধিবদ্ধ মন্ত্রণালয় ও বিভাগ থেকে অনুমোদন এবং লাইসেন্স নিতে হবে। লাইসেন্স গ্রহণের পর এলপিজি বটলিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সরকারের অনুমতি গ্রহণপূর্বক বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের সাথে একটি চুক্তি করতে হবে। এলপিজি আমদানি ও রপ্তানির ক্ষেত্রে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অনাপত্তির পাশাপাশি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়েরও অনুমোদন লাগবে। সরকার প্রয়োজন মনে করলে কোনো অনুমোদিত এলপিজি কোম্পানীকে এলপিজি বাজারজাতকরণের জন্য সমগ্র বাংলাদেশ কিংবা কোনো বিশেষ অঞ্চল নির্ধারণ করে দিতে পারবে। কোনো এলপিজি বটলিং প্লান্ট বা কোম্পানী তাদের নিজস্ব সিলিন্ডার ছাড়া অন্য কোনো প্লান্ট বা কোম্পানীর সিলিন্ডারে গ্যাস বোতলজাত (ক্রস ফিলিং) করে বিতরণ ও বিপণন করতে পারবে না। তবে একাধিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সম্মতি থাকলে তারা লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমোদন সাপেক্ষে ক্রস ফিলিং করতে পারবে। এলপিজি প্লান্টের অনুমতির জন্য সংশ্লিষ্ট কোম্পানীর স্থাপিত প্লান্টে এলপিজি সিলিন্ডারের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ পরীক্ষনের জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি সম্বলিত পরীক্ষাগার থাকতে হবে। এছাড়া জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, বিপিসি, বিএসটিআই এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোনো কর্তৃপক্ষ এলপিজির গুণগতমান পরীক্ষা করতে পারবে। প্রস্তাবিত এলপিজি বটলিং প্লান্ট আবাসিক ও জনবহুল এলাকায় স্থাপন করা যাবে না বলে নীতিমালায় উল্লেখ আছে। এলপিজি বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান লাফ্স গ্যাস বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও পরিচালক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বলেন, “এ খাতের উন্নয়নের জন্য বিস্ফোরক পরিদপ্তর, বিইআরসিসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।” আমদানিকারকেদের জন্য স্যাটেলাইট এলপিজি ফিলিং প্লান্ট স্থাপনে পৃথক একটি নীতিমালা প্রণয়নেরও দাবি জানান তিনি।    
ক্যাটাগরি: এলপিজি
এলপিজি প্লান্ট স্থাপনে ব্যর্থ হয়ে এবার ভারতীয় কোম্পানীর সাথে চুক্তি
মে ১৮, ২০১৬ বুধবার ১১:২১ এএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাসাবাড়িতে রান্নার কাজে ব্যবহারে এলপি গ্যাস সহজলভ্য করতে তিনটি প্রকল্প নিয়ে তা বাস্তবায়নে একাধিকবার ব্যর্থ হয়ে এবার ভারতীয় কোম্পানীর সাথে লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) প্লান্ট স্থাপনের জন্য সমঝোতা স্মারক সই করেছে সরকার। গত ১৮ এপ্রিল চট্টগ্রামে দেশের সবচেয়ে বড় এলপিজি প্লান্ট স্থাপনে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন(বিপিসি)ও ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড(আইওসিএল)এ স্মারক সই করে। বিপিসি’র ব্যর্থতার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে এলপি গ্যাসের মূল্য অর্ধেকে নেমে এলেও দেশের মানুষ তার সুফল ভোগ করতে পারছে না। কারণ বেসরকারিভাবে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এলপি গ্যাস আমদানি করে তা বটলিং এর মাধ্যমে বাজারজাত করে তাদের নিজস্ব দামে সেখানে সরকারের কোনো মনিটরিং নেই। এলপি গ্যাসের আমদানি নির্ভর বটলিং উৎপাদন, মজুদ ও বিপণন বাড়াতে বার্ষিক এক লাখ টন ক্ষমতার ‘কনস্ট্রাকশন অব এলপিজি বটলিং প্ল্যান্ট ইনক্লুডিং ইম্পোর্ট ফ্যাসিলিটিজ, ষ্টোরেজ ট্যাংকস, পাইপলাইন্স, জেটি এ্যাট মংলা, বাগেরহাট’ শীর্ষক জুলাই ২০১১ থেকে  জুন ২০১৩ পর্যন্ত একটি প্রকল্প গ্রহণ করে বিপিসি। এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ২১০ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। কিন্তু বিপিসি প্রকল্পটি যথা সময়ে বাস্তবায়ন না করতে পেরে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে জুন ২০১৬ পুনরায় নির্ধারণ করে। দ্বিতীয় দফায় প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর পর প্লান্টটি বাস্তবায়নের জন্য ভারতীয় প্রতিষ্ঠান টাটাকে পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দিলেও তারা কাজ করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের সাথে চুক্তি বাতিল করে বিপিসি। এরপর এ প্রকল্পের আর কোনো অগ্রগতি নেই। অন্যদিকে, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) এর আওতায় বার্ষিক আরো এক লাখ টন ক্ষমতার ‘কনস্ট্রাকশন অব এলপিজি বটলিং প্ল্যান্ট ইনক্লুডিং ইম্পোর্ট ফ্যাসিলিটিজ, ষ্টোরেজ ট্যাংকস, পাইপলাইন্স, জেটি এ্যাট কুমিরা অর এ্যানি সুইটেবল প্লেইস ইন চিটাগাং’ শীর্ষক আরেকটি প্রকল্প নেয় জুলাই ২০১১ থেকে  জুন ২০১৩ পর্যন্ত। কিন্তু এ প্রকল্পও আলোর মুখ দেখেনি। বিপিসি এ প্রকল্পের মেয়াদও বাড়িয়ে জুন ১৬ পর্যন্ত করেছে। এ প্রকল্পের  সম্ভাব্য  প্রকল্প ব্যয় ধরা হয় ২৫০ কোটি টাকা। এছাড়া আমদানি নির্ভর সিলিন্ডারের উপর নির্ভরতা কমাতে বার্ষিক দুই লাখ ৪০ হাজার সিলিণ্ডার তৈরির ক্ষমতাসম্পন্ন ‘কনস্ট্রাকশন অব এলপিজি সিলিন্ডার ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্ট এ্যাট এলেংগা, টাংগাইল’ শীর্ষক অন্য একটি প্রকল্প নেয় জুলাই ২০১১ থেকে  জুন ২০১৩ পর্যন্ত। কিন্তু এ প্রকল্পেরও একই অবস্থা কোনো অগ্রগতি নেই। এ প্রকল্পেরও মেয়াদ বাড়িয়ে জুন ১৬ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়। এ প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয় ২৫ কোটি ৬০ টাকা। সারাদেশে ভোক্তাদের দোরগোড়ায় এলপি গ্যাসকে  সাশ্রয়ী মূল্যে পৌঁছানোর কাজে নিয়োজিত রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ব একটি কোম্পানী যার নাম এলপি গ্যাস লিমিটেড। এলপি গ্যাস লিমিটেড এর শতভাগ শেয়ারের মালিক বিপিসি। এই কোম্পানী তাদের চট্টগ্রাম ও কৈলাশটিলাস্থ দুইটি এলপিজি বটলিং প্ল্যান্টের মাধ্যমে যথাক্রমে অন্য রাষ্ট্রায়াত্ব প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) এবং রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস লিমিটেড (আরপিজিএল) এ উৎপাদিত এলপিজি বোতলজাতের মাধ্যমে বিক্রি করে। কিন্ত তার পরিমাণ চাহিদার তুলনায় খুবই কম। বছরে মাত্র ২০,০০০  টন এলপিজি বোতলজাত করে সরবরাহ করতে পারে এলপি গ্যাস লিমিটেড । এ কোম্পানীটি ১৯৮৩ সালের ৩ মার্চ গঠন হলেও বিগত কয়েক দশকে এর কার্যক্রমে তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি।    
ক্যাটাগরি: এলপিজি
আগামী তিন বছরের মধ্যে ৭০ % গৃহস্থালিতে এলপিজি ব্যবহার হবে
মে ০৪, ২০১৬ বুধবার ১১:৫০ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, সময়োচিত পরিকল্পনার বাস্তবায়ন জ্বালানি নিরাপত্তা বিধান করবে। দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারলেই সমাধান সহজ হবে। টেকসই উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে আমরা নানাবিধ উৎস হতে জ্বালানি সংগ্রহ ও বিকল্প জ্বালানির ব্যবহারকে উৎসাহিত করছি। বুধবার বিদ্যুৎ ভবনে এশিয়ান ডিভলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) এর সহায়তায় “জ্বালানি নিরাপত্তা” এর উপর এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশে এলপিজি’র (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) বিশাল বাজার হতে যাচ্ছে। আগামী ২-৩ বছরের মধ্যে ৭০ ভাগ বাসা-বাড়ীতে যাতে এলপিজি ব্যবহার করে তার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতেও সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের উন্নত মানের কয়লার আরো সাশ্রয়ী ও বহুমূখি ব্যবহারে এশিয়ান ডিভলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) সহযোগিতা কামনা করছি। এশিয়ান ডিভলপমেন্ট ব্যাংক(এডিবি) এর সহায়তায় পিডব্লিওসি ইন্ডিয়া, “জ্বালানি নিরাপত্তা” এর উপর একটি প্রবব্ধ উপস্থাপন করেন। প্রবন্ধে জ্বালানি নিরাপত্তার বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়। যেখানে বাংলাদেশের জ্বালানির বিভিন্ন খাতসমূহ ও তার বিশ্লেষণ, এলএনজি, এলপিজি, কয়লা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিদ্যুৎ আমদানি , জ্বালানি সংরক্ষণ ইত্যাদি প্রাসঙ্গিক বিষয়সমূহ  তুলে ধরা হয়েছে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে বিদ্যুৎ সচিব মনোয়ার ইসলাম, এশিয়ান ডিভলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) এর দক্ষিণ এশিয়া সম্পর্কিত জ্বালানি বিভাগের পরিচালক এন্থনি যোড, পিডিবি’র চেয়ারম্যান শামসুল হাসান মিয়া ও অতিরিক্ত সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস বক্তব্য রাখেন।
ক্যাটাগরি: এলপিজি
    সাম্প্রতিক এলপিজি এর খবর
এলপিজি প্লান্ট স্থাপনে ব্যর্থ হয়ে এবার ভারতীয় কোম্পানীর সাথে চুক্তি
আগামী তিন বছরের মধ্যে ৭০ % গৃহস্থালিতে এলপিজি ব্যবহার হবে
এলপিজি প্লান্ট স্থাপনে বাংলাদেশ-ভারত সমঝোতা স্মারক সই
বাংলাদেশে এলপিজি প্লান্ট স্থাপন করবে ভারতীয় কোম্পানি
গুলশানে লাফ্স গ্যাস বাংলাদেশের নতুন কর্পোরেট অফিস উদ্বোধন
বাংলাদেশে এলপিজি রপ্তানিসহ বাণিজ্য বৃদ্ধির প্রস্তাব ইরানের
বাসাবাড়িতে এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহারের পরামর্শ
বগুড়াসহ উত্তরাঞ্চলের ১৪ জেলায় এলপি গ্যাস সংকট
তরল গ্যাস উৎপাদনে ১২০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে লিন্ডে বাংলাদেশ
এলপিজি সিলিন্ডার রিফিলে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে বসুন্ধরা
চট্টগ্রামে এলপিজি প্লান্ট স্থাপন করতে চায় ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy

   Editor & Publisher: Aminur Rahman
   Copyright @ 2015-2017 energynewsbd.com
   All Rights Reserved | Developed By: Jadukor IT