ঢাকা, শুক্রবার, অক্টোবর ১৯, ২০১৮, কার্তিক ৪, ১৪২৫ ০৬:১৯ পিএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
নিউক্লিয়ার
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প ঘুরে দেখলেন চার রুশ ব্লগার
বাংলাদেশ সফরে এসে বৃহস্পতিবার পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন চার রুশ ব্লগার। বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনাকে রাশিয়ার জনগণের সামনে তুলে ধরা এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নতুন মাত্র যোগ করার লক্ষ্যে এই সফরের আয়োজন করেছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন- রোসাটমের প্রকৌশল শাখা এএসই গ্রুপ অব কোম্পানিজ বা এটমস্ত্রয়এক্সপোর্ট যারা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করছে। আট দিনব্যাপী বাংলাদেশ সফরের অংশ হিসেবে প্রকল্প এলাকায় ব্লগারদের স্বাগত জানান সেখানে কর্মরত বাংলাদেশী এবং রুশ কর্মকর্তারা। তাদেরকে ইউনিট-১ এবং ইউনিট-২ এর অধীনে নির্মাণাধীন বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখানো হয় এবং প্রকল্পের ভবিষ্যৎ কর্মকান্ড সম্পর্কে অবহিত করা হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এএসই গ্রুপ অব কোম্পানিজের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট- ইন্টারন্যাশনাল প্রজেক্টস আলেক্সান্দার খাজিন বলেন, “রুশ ব্লগারদের সফরের আয়োজন বাংলাদেশ ও তার বন্ধুপ্রতীম জনগণের প্রতি আমাদের অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন। রূপপুর প্রকল্পের মাধ্যমে  বাংলাদেশের চলমান আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমরা আনন্দিত।” “২০৪১ সালে একটি উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য অর্জনের পথপরিক্রমায় বাংলাদেশে সবুজ ও নির্মল এনার্জির চাহিদা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে এই চাহিদা মেটাতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” সফরকালে ব্লগাররা বাংলাদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন স্থাপনা পরিদর্শন করার পাশাপাশি এদেশের জনগণ, জীবনযাত্রা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান লাভ করবেন। অর্জিত অভিজ্ঞতা তারা তাদের ব্লগের অনুসারীদের সঙ্গে শেয়ার করবেন। ইতোমধ্যে ব্লগাররা ঢাকা, টাঙ্গাইল, মহাস্থানগড়, পাবনা সফর করেছেন এবং বর্তমানে খুলনায় অবস্থান করছেন। বাগেরহাট, সুন্দরবন, চট্টগ্রাম এবং বান্দরবানসহ অন্যান্য স্থানও ঘুরে দেখার পরিকল্পনাও রয়েছে তাদের। রুশ ব্লগাররা হলেন আলেগ ক্রিকেট, দিমিত্রি লাজিকিন, ইরিনা গোল্ডম্যান এবং নিকিতা  তেতেরেভ । ইনস্টাগ্রামে তাদের মোট অনুসারির সংখ্যা ১৬ লাখেরও বেশি। শুধুমাত্র আলেগ ক্রিকেটের অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ১০ লাখ। কোন কোন সংবাদ মাধ্যমের মতে তিনি বর্তমানে রাশিয়ার সর্বাধিক জনপ্রিয় ব্লগার। আলেগ তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “রূপপুর সাইটে বিশাল কর্মযজ্ঞ চলছে, কাজের পরিবেশটাও দারুন। আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে এটা দেখে যে কিভাবে রুশ এবং বাংলাদেশীরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণে কাজ করে যাচ্ছেন।” “অন্যান্য প্রকল্পের মতোই পাবনা জেলার অনিন্দ্য সুন্দর প্রকৃতির কোন ক্ষতি না করেই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এতদ্বঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” এমনই আশাবাদ ব্যক্ত করেন আলেগ। জনপ্রিয় ফ্যাশন ম্যাগাজিন কসমোপলিটনের সাবেক সম্পাদক ইরিনা গোল্ডম্যান তার ইনস্টাগ্রাম ব্লগ এবং পোষা কুকুরের (সাইবেরিয়ান হাস্কি জাতের) জন্য সবার কাছে অতি পরিচিত। বাংলাদেশ সফরেও তার সঙ্গী হয়েছে কুকুরটি। বাংলাদেশ সফরে নিজস্ব অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করতে গিয়ে ইরিনা বলেন, “আমি সফরটি দারুনভাবেই উপভোগ করছি। রুশ পর্যটকদের জন্য অনেক কিছুই রয়েছে এখানে, বিশেষ করে অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য, অনন্য সংস্কৃতি ও বর্নিল জীবনযাত্রা।” তিনি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পটিকে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার একটি উজ্জল নিদর্শন হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন “এমন একটি স্থাপনা ভিজিট করার সুযোগ পেয়ে আমি সত্যিই আনন্দিত।” বাংলাদেশের প্রথম রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে প্রতিটি ১,২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন দুটি বিদ্যুৎ ইউনিট স্থাপন করা হবে। সর্বাধুনিক ৩+ প্রজন্মের রুশ ভিভিইআর রি-অ্যাক্টর কাজ করবে প্রতিটি ইউনিটে। এই রি-অ্যাক্টরগুলো আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি এজেন্সি (আইএইএ) নির্ধারিত সকল নিরাপত্তা চাহিদা পূরণে সক্ষম। আইএইএ এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা) এর কঠোর তত্ত্বাবধানে জেনারেল কন্ট্রাক্টর হিসেবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে রুশ প্রতিষ্ঠান এটমস্ত্রয়এক্সপোর্ট (এএসই)।    
রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্পের সুরক্ষায় রাশিয়ার সাথে প্রোটোকল সই
সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৮ বুধবার ০৯:০২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের মূল এবং সহযোগী স্থাপনাগুলোর ফিজিক্যাল সুরক্ষা ব্যবস্থার নকশা তৈরি ও বাস্তবায়নে রাশিয়ার বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানগুলোকে যুক্ত করতে পারবে বাংলাদেশ। গত ১৭ সেপ্টেম্বর ভিয়েনায় এ সংক্রান্ত একটি প্রোটোকল সই হয়। বাংলাদেশে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণে বাংলাদেশ ও রুশ সরকারের মধ্যে ২০১১ সালের ২ নভেম্বর স্বাক্ষরিত অংশীদারিত্ব চুক্তিটিতে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হচ্ছে এই প্রোটোকলটির মাধ্যমে। বাংলাদেশ সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান এবং রাশিয়ার রোসাটম রাস্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশনের মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচোভ ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি এজেন্সির (আইএইএ) ৬২তম সাধারণ সম্মেলন চলাকালীন প্রোটোকলটিতে সই করেন বলে রোসাটমের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। আইএইএ এর চাহিদা ও গাইডলাইন অনুসরণ করে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণ সাইটের প্রয়োজনীয় ফিজিক্যাল সুরক্ষা ব্যবস্থার নকশা প্রনয়ন ও বাস্তবায়নের কথাও উল্লেখ রয়েছে প্রোটোকলটিতে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে প্রতিটি ১,২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুইটি ইউনিট থাকবে। আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বায়েরা) কঠোর মনিটরিং প্রক্রিয়ায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে রোসাটমের প্রকৌশল শাখা এটমস্ট্রয়এক্সপোর্ট (এএসই)।
ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানী মেলায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে দর্শনার্থীদের ব্যাপক আগ্রহ
সেপ্টেম্বর ০৮, ২০১৮ শনিবার ০৬:৪১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র সম্পর্কে জানতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানী মেলায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এর প্যাভিলিয়নে দর্শনার্থীদের আগমন ছিলো লক্ষণীয়। আধুনিক পারমাণবিক শক্তি প্রযুক্তি, নিরাপদ ও পরিবেশ বান্ধব পারমাণবিক শক্তির বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ঢাকায় আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় আয়োজিত প্রদর্শনীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ওপর একটি আকর্ষনীয় প্যাভিলিয়ন স্থাপন করে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানী সপ্তাহ ২০১৮ উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী প্রদর্শনীটির শেষ দিন ছিল শনিবার। গত তিনদিনে দুই হাজারেরও বেশি দর্শনার্থী রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্যাভিলিয়নটি পরিদর্শন করে। ঈশ্বরদীর রূপপুরে নির্মীয়মান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে যে শীতলীকরণ টাওয়ার স্থাপিত হবে তারই আদলে নির্মাণ করা হয় প্যাভিলিয়নটি। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এবং রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় কর্পোরেশন-রোসাটম দর্শনার্থীদের জন্য বিভিন্ন শিক্ষা ও বিনোদনমূলক কর্মসূচীর আয়োজন করে। এর মধ্যে ছিলো পরমাণু শক্তি বিষয়ে প্রমান্যচিত্র প্রদর্শন, ভিডিও গেমস, কুইজ প্রতিযোগিতা ইত্যাদি। এছাড়াও দর্শনার্থীদের মধ্যে পরমাণু শক্তি বিষয়ে বিভিন্ন বাংলা লিফলেট ও পুস্তিকা বিতরনের পাশাপাশি তাদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও উত্তর দেন রোসাটম ও বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের কর্মকর্তারা। রাশিয়ার প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহায়তায় পাবনা জেলার রূপপুরে নির্মিত হচ্ছে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। দুই ইউনিট বিশিষ্ট বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে স্থাপিত হচ্ছে সর্বাধুনিক ৩+ প্রজন্মের ভিভিইআর ১২০০ রি-অ্যাক্টর, যা আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি এজেন্সী (আইএইএ) কর্তৃক নির্ধারিত সকল নিরাপত্তা চাহিদা পূরণে সম্পূর্ণরূপে সক্ষম। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রতিটি ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা হবে ১,২০০ মেগাওয়াট।
ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার
রাশিয়ায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের স্টাফদের প্রশিক্ষণ শুরু
আগস্ট ২০, ২০১৮ সোমবার ১১:৩৮ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের স্টাফদের জন্য রাশিয়ায় সাড়ে চার মাসব্যাপী ‘গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণ কাজ ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কোর্স শুরু হয়েছে। রাশিয়ার অবনিন্সক শহরের রোসাটম টেকনিক্যাল একাডেমিতে গত সপ্তাহে শুরু হওয়া ওই প্রশিক্ষণ কোর্সের  আয়োজন করেছে রোসাটম রাস্ট্রীয় কর্পোরেশনের ‘ইলেক্ট্রিক্যাল পাওয়ার’ বিভাগ রোসাটম সার্ভিস। চলতি বছরে আরো তিনটি গ্রুপকে প্রশিক্ষণ প্রদান করবে রোসাটম সার্ভিস, যার ফলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্টাফদের সংখ্যা বছরের শেষ নাগাদ ১৪০০ অতিক্রম করবে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। রোসাটম সার্ভিসের মহাপরিচালক ইভগেনি সালকোভ বলেন, “যে কোন শিল্পের জন্য মুল সম্পদ হচ্ছে  দক্ষ জনশক্তি। আমাদের প্রতিষ্ঠানের অন্যতম লক্ষ্য পারমাণবিক শক্তি ক্ষেত্রে জনশক্তির প্রশিক্ষণ এবং উন্নয়ন। এ ব্যাপারে আমাদের রয়েছে বিশাল এবং অনন্য অভিজ্ঞতা। সম্পূর্ণ বিশেষায়িত এবং এডভান্সড প্রশিক্ষণ সেবা প্রদানের পাশাপাশি আমরা রসাটমের বিভিন্ন স্থাপনায় ইন্টার্নশীপের সুযোগও দিয়ে থাকি।” তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বাংলাদেশী বিশেষজ্ঞরা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দক্ষ, নির্ভরযোগ্য ও নিরাপদ পরিচালনা নিশ্চিত করতে সক্ষম হবেন। বর্তমান কোর্সটিতে তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক উভয় প্রোগ্রামই অন্তর্ভূক্ত রয়েছে। তত্ত্বীয় অংশটি সম্পন্ন করার পর অংশগ্রহণকারীরা প্রশাসনিক এবং নির্মাণ সামগ্রী, বিশেষ করে বিভিন্ন যন্ত্রপাতির একসেপ্টেন্স এবং স্থাপন বিষয়ে প্রয়োজনীয় জ্ঞান লাভ করবেন। রাশিয়ার অন্যতম একটি পারমাণবিক স্থাপনা- নভোভারোনেঝ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে তাদেরকে অন-সাইট ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। রাশিয়া এবং বাংলাদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির অধীনে রোসাটম সার্ভিস রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের স্টাফদের জন্য এ জাতীয় প্রশিক্ষণ কোর্সের আয়োজন করছে। রোসাটম টেকনিক্যাল একাডেমিতে বাংলাদেশ ছাড়াও ইরানের বুহশের, হাঙ্গেরির পাক্স, ফিনল্যান্ডের হানহিকিভি-১ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের স্টাফরাও প্রশিক্ষণ লাভ করেছেন। ভিভিইআর নকশার রিঅ্যাক্টর ভিত্তিক পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের রক্ষণাবেক্ষণ এবং মেরামতের জন্য পূর্ণ সেবা ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করে থাকে রোসাটম সার্ভিস। এ জাতীয় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের লাইফ টাইম বৃদ্ধি, সিডিউল অনুযায়ী রক্ষণাবেক্ষণ এবং যন্ত্রপাতির আপগ্রেড ইত্যাদি কাজের জেনারেল কন্ট্রাক্টর হিসেবে চীন, ইরান, বুলগেরিয়া এবং আর্মেনিয়ায় শীর্ষস্থান অধিকার করে রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি। বাংলাদেশের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে রাশিয়ার রোসাটম রাস্ট্রীয় কর্পোরেশন। প্রকল্পের প্রতিটি ধাপের নির্মাণ কাজ অত্যন্ত কঠোরভাবে মনিটর করছে আন্তর্জাতিক আনবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা)।
ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কোর ক্যাচার স্থাপনের কাজ শুরু
আগস্ট ১৮, ২০১৮ শনিবার ০৫:০১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে শনিবার কোর ক্যাচার (যেখানে ইউরেনিয়াম রড বসানো হয়) স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। রিঅ্যাক্টর তথা পারমাণবিক বিদ্যুৎ চুল্লির তলদেশে স্থাপিত এই ডিভাইসটি আধুনিক পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিষ্ক্রিয় নিরাপত্তা ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে জানিয়েছেন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের পরিচালক পরমাণু বিজ্ঞানী ড. মোঃ শৌকত আকবর। দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ স্থাপনায় কোচ ক্যাচার স্থাপন উপলক্ষ্যে প্রকল্প এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যান ড. নঈম চৌধুরী, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক, প্রকল্প পরিচালক ড. মোঃ শৌকত আকবর এবং রূপপুর প্রকল্পের রাশিয়ার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এটমস্ট্রয়এক্সপোর্ট এর সিনিয়র-ভাইস প্রেসিডেন্ট (ওভারসীজ প্রজেক্টস)আলেস্কান্দার খাজিনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  শৌকত আকবর বলেন, সর্বোচ্চ নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করেই রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এই সর্বাধুনিক কোর ক্যাচার বা মেল্ট ট্র্যাপ ব্যবহৃত হচ্ছে। আলেস্কান্দার খাজিন বলেন, “রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তায় এটি একটি অনন্য ব্যবস্থা এবং প্রায় ২০০ টন ওজনের এমন একটি বড় আকারের ডিভাইস আমরা প্রথমবারের মতো প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের রিঅ্যাক্টর ভবনে স্থাপন করছি।” তিনি আরো বলেন, প্রথম ইউনিট এর নির্মাণ কাজ নির্ধারিত সিডিউল অনুযায়ী এগিয়ে চলছে। বর্তমানে প্রকল্পটিতে প্রায় চার হাজার লোক কর্মরত রয়েছে এবং প্রতিদিন পাঁচ হাজার টনের অধিক সিমেন্ট নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। কোর ক্যাচার সর্বপ্রথম স্থাপিত হয় রুশ নকশায় নির্মিত চীনের তিয়ানওয়ান পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে। কোর ক্যাচার আধুনিক পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের নিষ্ক্রিয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার একটি অংশ। রূপপুরে স্থাপিত হবে আধুনিক থ্রি প্লাস প্রজন্মের পারমাণবিক রিঅ্যাক্টর ভিভিইআর-১২০০। রিঅ্যাক্টরটিতে রয়েছে সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার অনন্য সমন্বয়, যার ফলে এটি যেকোন অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বিপর্যয় থেকে সর্বোচ্চ সুরক্ষিত। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রতিটি ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টর স্থাপন করা হবে। ২০১৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির অধীনে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন-রোসাটম এর প্রকৌশল শাখা এটমস্ট্রয়এক্সপোর্ট প্রকল্পের জেনারেল কন্ট্রাক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। রূপপুর প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপ কঠোরভাবে মনিটরিং করছে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা)। ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর প্রথম কংক্রিট ঢালাইয়ের মাধ্যমে রূপপুর প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের মূল পর্বের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। চলতি বছরের ১৪ জুলাই দ্বিতীয় ইউনিটের প্রথম কংক্রিট ঢালাই অনুষ্ঠিত হয়।  
ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার
রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তায় বসানো হচ্ছে সর্বাধুনিক কোর ক্যাচার
আগস্ট ১৭, ২০১৮ শুক্রবার ১২:২৯ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যৎ কেন্দ্রের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে রাশিয়ার নব উদ্ভাবিত ও উন্নত কোর ক্যাচার (যেখানে ইউরেনিয়াম রড বসানো হয়) শনিবার বসানো হচ্ছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটের রিঅ্যাক্টরের ভেতর কোর ক্যাচার স্থাপনের সব প্রস্তুতিমূলক কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক পরমাণু বিজ্ঞানী ড. শৌকত আকবর। এ উপলক্ষ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, মন্ত্রণালয়ের  সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ পরমাণু  শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যান ড. নঈম চৌধুরী, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক প্রকল্প এলাকায় উপস্থিত থেকে কোর ক্যাচার বসানোর কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করবেন। তবে কোর ক্যাচার বসানোর পুরো কাজ শেষ হতে আনুমানিক দেড় মাস লাগতে পারে বলে জানান প্রকল্প পরিচালক। শৌকত আকবর বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনার ক্ষেত্রে তিন বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত যেকোনো পরিস্থিতিতে রিঅ্যাক্টরের কাঠামো কনফাইন্ড বা আবরণে ঢাকা থাকতে হবে; দ্বিতীয়ত ফিউশন রিঅ্যাকশন কন্ট্রোল তথা পারমাণবিক তেজস্ক্রিয়তা যাতে বাইরে ছড়িয়ে না পড়ে এবং তৃতীয়ত উন্নতমানের কুলিং সিস্টেম। এই তিনটি বিষয়ে কখনো ব্যর্থ হওয়া যাবে না। “ইতোমধ্যে রিঅ্যাক্টর বিল্ডিং এর কাজ শুরু হয়েছে। ওই রিঅ্যাক্টরের মধ্যে রাশিয়ার তৈরি কোর ক্যাচার বসানো হবে যা সম্ভাব্য সর্বোচ্চ মাত্রার ভূমিকম্প সহনশীল এবং বন্যা, ঘূর্ণিঝড় কিংবা জলোচ্ছ্বাসেও এটি সুরক্ষিত থাকবে। এমনকি এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উপর বিমান ধ্বংস হলে বা কেউ অপচেষ্টা চালিয়েও এর ক্ষতি সাধন করতে পারবে না।” বলেন তিনি। রিঅ্যাক্টর তথা পারমাণবিক বিদ্যুৎ চুল্লির সর্বোচ্চ নিরাপত্তার লক্ষ্যে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন-রোসাটম এর একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীরাই সর্বপ্রথম উন্নত ধরনের এই কোর ক্যাচার উদ্ভাবন করেছে। প্রকল্প পরিচালক আরো বলেন, এটি পারমাণবিক চুল্লির ভেতরে স্থাপিত একটি বিশেষ ধরনের কন্টেইনারের মতো। যে কোন জরুরি অবস্থায় চুল্লির তরল ও কঠিন অংশগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে এর ভেতরে এসে জমা হয় এবং সুরক্ষিত থাকে। ফলে চুল্লির কন্টেইনমেন্ট কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে না এবং তেজস্ক্রিয়তাও বাইরে ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ নেই।   সর্বোচ্চ নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করেই রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এই সর্বাধুনিক কোর ক্যাচার ব্যবহৃত হচ্ছে বলে জানান তিনি।  যদি কখনো বিদ্যুৎ কেন্দ্র মারাত্মক দুর্ঘটনায় পড়ে নিউক্লিয়ার মেল্টডাউন হয়ে পারমাণবিক চুল্লির মূল অংশ বা রিঅ্যাক্টর এর কোর গলে যায় সেই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে কোর ক্যাচার যুক্ত করা হচ্ছে। কারণ কোর গলে গেলে কোর ক্যাচার তা আটকে ফেলবে। ফলে বাইরে রেডিয়েশন বা তেজস্ক্রিয়তা লিকেজ হবে না বলে মনে করেন তিনি। ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে দুই ইউনিটের ২,৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন। পরে ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর বহুল প্রতীক্ষিত দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের পারমাণবিক চুল্লি বসানোর কাজ তথা ফাস্ট কংক্রিট পোরিং এর উদ্বোধন করা হয়। আর চলতি বছরের ১৪ জুলাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের ফাস্ট কংক্রিট পোরিং এর উদ্বোধন হয়েছে। রাশিয়ার রোসাটম এর  আর্থিক, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।      
ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার
পারমাণবিক বিদ্যুৎ নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করবে
আগস্ট ১৬, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ০৭:৩০ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে পারমাণবিক বিদ্যুৎ গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। বৃহস্পতিবার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল (ইপিআরসি) এর উদ্যোগে ‘পারমাণবিক শক্তি ও উদ্ভাবনী রিঅ্যাক্টরের উন্নয়ন’ শীর্ষক এক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের নিরবচ্ছিন্ন  বিদ্যুৎ প্রয়োজন। পারমানবিক বিদ্যুৎ কতটা আর্থিকভাবে সাশ্রয়ী, সঞ্চালন গ্রীডের কম্পাংকের সাথে কিভাবে  সিঙ্ক্রনাইজ করা যাবে তা নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ কাজ করছে। শান্তিপূর্ণভাবে পারমাণবিক বিদ্যুৎ ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের অগ্রগতি ত্বরান্বিত হবে বলে মনে করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, ছোট মডুলার রিঅ্যাক্টর ব্যবহার করে ছোট ছোট বিদ্যুৎ কেন্দ্র করা যায় কি না তা নিয়ে গবেষণা করা যেতে পারে। এ ব্যাপারে খতিয়ে দেখার জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করেন তিনি। এ সংক্রান্ত কোন গবেষণার প্রয়োজন হলে তা বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল সহায়তা করতে পারে বলে জানান তিনি। বিদ্যুৎ ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, সব ধরণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই রূপপুর পারমানবিক  বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে। সব পারমাণবিক বর্জ্য রাশিয়া নিয়ে যাবে। বাংলাদেশ পরমানু শক্তি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আলী জুলকারনাইন ও বুয়েটের সাবেক অধ্যাপক ড. এমএ রশিদ সরকার যৌথভাবে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। নিউক্লিয়ার শক্তির প্রয়োজনীয়তা, নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রিঅ্যাক্টর ও এর বিভিন্ন জেনারেশন, পারমাণবিক নিরাপত্তা, রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও এর নিরাপত্তা, ছোট মডুলার রিঅ্যাক্টরের উন্নয়ন এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জি এজেন্সি (আইএইএ) এর নির্দেশনা সেমিনারে উপস্থাপন করেন তারা। সেমিনারে আরো বক্তব্য দেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোঃ রহমাতুল মুনিম, বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরী, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ ও পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন।
ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার
সম্পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী
জুলাই ১৫, ২০১৮ রবিবার ০৪:২৭ পিএম - বাসস
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সম্পূর্ণ নিরাপত্তা পদ্ধতি অবলম্বন করে এমনভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে যাতে এখানে প্রাকৃতিক বা মনুষ্য সৃষ্ট কোন দুর্ঘটনা ঘটতে না পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জনগণের জন্যে কোন ঝুঁকি যাতে সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অলম্বন করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাশিয়া এই প্লান্টের বর্জ্য নিতে রাজী হয়েছে এবং এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তিও স্বাক্ষর হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা নিরাপত্তার দিকটায় বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছি। যে কোন দুর্যোগে আমাদের এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে দিকটি বিবেচনায় নিয়েই এই প্ল্যান্টের ডিজাইন করা হয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার পাবনার রূপপুরে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ‘রিঅ্যাক্টর বিল্ডিং (উৎপাদন কেন্দ্র)’ নির্মাণ কাজের দ্বিতীয় পর্যায়ের ঢালাইয়ের কাজ উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটি নির্মাণে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার গাইডলাইন এবং আন্তর্জাতিক মান অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হচ্ছে। রাশিয়ার সর্বশেষ জেনারেশন থ্রি প্লাস প্রযুক্তির রিঅ্যাক্টর দিয়ে তৈরি হচ্ছে এই কেন্দ্র। পারমাণবিক নিরাপত্তা ও বিকিরণ নিয়ন্ত্রণের সর্বাধুনিক ব্যবস্থা আছে এ রিঅ্যাক্টরে।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণের যাত্রায় এই পারমাণবিক কিদ্যুৎ কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। প্রধানমন্ত্রী এ সময় বিদ্যুৎকে একটি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের অন্যতম চাবিকাঠি উল্লেখ করে বলেন, পর্যাপ্ত এবং ধারাবাহিক বিদ্যুৎ সরবরাহ দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করারও পূর্বশর্ত। সরকার দেশের প্রত্যেকটি মানুষের ঘরে ঘরে বিদ্যুতের আলো পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ানোর মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন- ২০২৩-২৪ সাল নাগাদ এ কেন্দ্রের দু’টি ইউনিট থেকে মোট ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে । রাশিয়ান ফেডারেশনের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইউরি ইভানোভিচ বরিসভ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। রোসাটম-এর প্রথম মহাপরিচালক ল্যাক্সিন আলেকজান্দার, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি কমিশন (আইএই)-র পরিচালক দহি হ্যান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। মন্ত্রী পরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাবৃন্দ, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সদস্যবৃন্দ এবং এনার্জি রেগুলেটরী কতৃর্পক্ষের সদস্যবৃন্দ, ভারত থেকে আগত জ্যেষ্ঠ পরমাণু বিষয়ক কর্মকর্তাবৃন্দ, তিন বাহিনী প্রধানগণ এবং পদস্থ সামরিক এবং বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী এ প্রকল্পে সহযোগিতার জন্য এ সময় রুশ সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর প্রথম ইউনিটের প্রথম কংক্রিট ঢালাইয়ের পর বিগত সাত মাসে প্রথম ইউনিটের নির্মাণ কাজ অনেক দূর এগিয়েছে। আজকে কংক্রিট ঢালাইয়ের মাধ্যমে শুরু হলো দ্বিতীয় ইউনিটের নির্মাণ কাজ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমরা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে সমর্থ হব এবং বাংলাদেশ পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর ৩৩তম সদস্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। তিনি বলেন, এ ভূখন্ডে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের স্বপ্ন শুরু হয়েছিল ১৯৬১ সালে তৎকালীন পূর্ব বাংলায়। কিন্তু তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের বিমাতাসুলভ আচরণে তা আর আলোর মুখ দেখেনি। পরে পশ্চিম পাকিস্তানে সেটি সরিয়ে নেয়া হলে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেন। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকদের হাতে বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার পর অনেক কর্মসূচির মত এই প্রকল্পের কাজও বন্ধ হয়ে যায়। সরকার প্রধান বলেন, ১৯৯৬ সালে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নেয়ার পর আমরা জ্বালানি নীতিতে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করি এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা ‘আইএইএ’ এর সহযোগতিা চাই। তাদের সহায়তায় আমরা একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনাও গ্রহণ করি। বিভিন্ন জটিল আইন-কানুন তৈরি করতে আমাদের ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। এরপর ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় এসেই আমাদের নেয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাতিল করে দেয়। এর মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পটিও ছিল। রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প ছিল জাতির পিতার স্বপ্নের প্রকল্প উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৯ সালে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে আমরা আবার প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করি। বন্ধুরাষ্ট্র রাশিয়া এটি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনেও রাশিয়া এবং সে দেশের জনগণ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আমি কৃতজ্ঞচিত্তে তাঁদের অবদানের কথা স্মরণ করছি। প্রধানমন্ত্রী দেশে এক সময় দেশে ভয়াবহ লোড শেডিং থাকার কথা স্মরণ করে বলেন, ২০০৯ সালে সরকার গঠনের সময় আমরা বিদ্যুৎ পেয়েছিলাম মাত্র ৩২০০ মেগাওয়াট। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় তখন ভয়াবহ লোড-শেডিং হতো। তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর পরই আমরা বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর জন্য স্বল্প, মধ্যম এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করি। তার ফলেই আজ বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ১৮ হাজার ৩৫৩ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। সুবিধার আওতায় এসেছেন ৯০ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ। টেকসই বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য তাঁর সরকার জ্বালানি নীতিতে জীবাষ্ম জ্বালানির পাশাপাশি বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারের উপর জোর দিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তেল, গ্যাস বা কয়লার পাশাপাশি পারমাণবিক, সৌর এবং বায়ু-চালিত বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপর গুরুত্বারোপ করেছি। দেশের আর্থ-সমাজিক উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী এ সময় মহাকাশে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট সফলভাবে উৎক্ষেপণের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল তৈরির জন্য তাঁর সরকার কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বলেও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে জনবল নিয়োগ দেয়া হয়েছে এবং তাদের ভারত ও রাশান ফেডারেশনে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। শুধু পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নয়, স্যাটেলাইট পরিচালনার জন্যও আমরা নিজস্ব জনবল তৈরি করছি।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং ২০২১ আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালিত হবে। আমরা এই দুই শুভক্ষণকে সামনে রেখে দেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতিকে আরও বেগবান করতে চাই।’ শেখ হাসিনা এসময় তাঁর রাজনৈতিক অঙ্গীকারের পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, আমাদের লক্ষ্য ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত, প্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞানভিত্তিক মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করা।
ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য রেলপথ নির্মাণে চুক্তি সই
জুলাই ১০, ২০১৮ মঙ্গলবার ০৮:৩১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
পাবনার ঈশ্বরদী থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পর্যন্ত নতুন রেলপথ নির্মাণে ভারত ও বাংলাদেশের জয়েন্ট ভেঞ্চারভিত্তিক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ভারতের জিপিটি এবং বাংলাদেশের এসইএল ও সিসিসিএল অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে (জয়েন্ট ভেঞ্চার) ২৯৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকায় ঈশ্বরদী বাইপাস টেক অফ পয়েন্ট থেকে রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পর্যন্ত ২৬ দশমিক ৫২ কিলোমিটার ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণ করবে। চুক্তির আওতায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সিগনালিংসহ রেললাইন সংস্কার, স্টেশন বিল্ডিং ,বক্স কালভার্ট , লেভেল ক্রসিং গেট এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজ করা হবে। মঙ্গলবার রেলভবনে এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে রেলওয়ের পশ্চিম অঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মোঃ মজিবুর রহমান এবং নির্মাণকারী কোম্পানির পক্ষে সুভাষ চন্দ্র হাওলাদার ওই চুক্তিতে সই  করেন। ভারতীয় প্রতিষ্ঠান জিপিটি এবং বাংলাদেশের দুইটি প্রতিষ্ঠান এসইএল এবং সিসিসিএল যৌথভাবে কাজটি করবে। ২২ কিলোমিটার মেইন লাইন ও ৪.৫০ কিলোমিটার লুপ লাইন নির্মিত হবে। এতে ১ টি স্টেশন বিল্ডিং, ১টি প্লাটফর্ম এবং ১৩ টি লেভেল ক্রসিং গেট নির্মাণ করা হবে। চুক্তি অনুযায়ী ১৮ মাসের মধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শেষ করবে।। বাংলাদেশি টাকায় চুক্তি মূল্য ২৯৭ কোটি ৫৫ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। এতে ঈশ্বরদী বাইপাস থেকে ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মিত হবে। অনুষ্ঠানে রেলপথ মন্ত্রী মোঃ মুজিবুল হক বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের এটি একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভারি যন্ত্রপাতি ও আনুষঙ্গিক মালামাল রেলওয়ের মাধ্যমে পরিবহণ করা হবে। এজন্য পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে রেল সংযোগ স্থাপন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর ফলে খুব সহজেই চট্রগ্রাম ও খুলনা বন্দর হতে মালামাল রূপপুর পরিমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরিবহণ করা সম্ভব হবে। রেলমন্ত্রী এ সময় রেলওয়েতে চলমান বেশ কিছু প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে বলেন, বর্তমান সরকার রেলখাতকে অধিক গুরুত্ব দিয়েছে। অনেক বড় বড় প্রকল্পের কাজ চলছে। এর মধ্যে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প , ঢাকা-চট্রগ্রাম হাইস্পিড ট্রেন নির্মাণ প্রকল্প। অনুষ্ঠানে সিসিসিএল কোম্পানির পরিচালক এবং সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোফাজ্জেল হোসেন, মহাপরিচালক মোঃ আমজাদ হোসেন, নির্মাণকারী  প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২য় ইউনিট নির্মাণের লাইসেন্স হস্তান্তর
জুলাই ১০, ২০১৮ মঙ্গলবার ০৫:৩৩ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ পরমাণু  শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের ২য় ইউনিটের জন্য বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনকে (বাপশক) ডিজাইন ও কনস্ট্রাকশন লাইসেন্স প্রদান করেছে। গত ৮ জুলাই ঢাকায় হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বায়েরার চেয়ারম্যান ড. নঈম চৌধুরী বাপশকের চেয়ারম্যান মাহবুবুল হকের কাছে এ লাইসেন্স হস্তান্তর করেন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান। এ লাইসেন্সের ফলে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২য় ইউনিটের  মূল নির্মাণ কাজ শুরু করা যাবে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) গাইডলাইন অনুযায়ী মূল নির্মাণ কাজ শুরুর আগে এ লাইসেন্স গ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেন, এ লাইসেন্সের মাধ্যমেই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২য় ইউনিটের  মূল কাজ শুরু হবে। এর ফলে বাংলাদেশ  পারমাণবিক বিশ্বের কাতারে আরও একধাপ এগিয়ে গেল। মন্ত্রী আরও বলেন, এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ হচ্ছে। এটি আমাদের জাতীয় আত্মবিশ্বাসও বৃদ্ধি করবে যে বাঙালিও পারে পরমাণু থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে। আর এটি সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগ্রহ,উদ্যোগ,সাহস এবং দূরদর্শী সিদ্ধান্তের ফলে। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা) এ অনুমতি প্রদানে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সকল সেফটি মানদন্ড ও গাইডলাইন এবং বাংলাদেশের বিদ্যমান আইন ও বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করেছে।  রাশান ফেডারেশন,ভারত,আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থাসহ আন্তর্জাতিক, স্থানীয় ও নিজস্ব জনবলের মাধ্যমে সকল রেগুলেটরি ডকুমেন্টের কারিগরি মূল্যায়ন ও পর্যালোচনা করে বিশেষজ্ঞ মতামত গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও ২০১৭ সালের ২ নভেম্বর রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইউনিট-১ এর ডিজাইন অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লাইসেন্স প্রদান করার পর বিগত আট মাস ধরে সকল বিশেষজ্ঞদের  প্রাপ্ত মতামত পর্যালোচনা করে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ নির্মাণাধীন রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইউনিট-২ এর জন্য  এই লাইসেন্স প্রদান করেছে। এ লাইসেন্স প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয়  স্থায়ী কমিটির সভাপতি ডা. আ ফ ম রুহুল হক, প্রধানমন্ত্রীর  মুখ্য সচিব মোঃ নজিবুর রহমান এবং মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি বিষয়ক) মোঃ আবুল কালাম আজাদ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের  সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন।  বাংলাদেশ পরমাণু  শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বায়েরা) চেয়ারম্যান ড. নঈম চৌধুরীর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক, রাশিয়ার রেগুলেটরি সংস্থা রোস্টেকনজরের ডেপুটি চেয়ারম্যান আ্যলেক্সি ফেরাপনটভ এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যৎ কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক ড. শৌকত আকবর। এতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বায়েরার পরিচালক ড. সত্যজিৎ ঘোষ।  
ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার
‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের উদ্বোধন ১৪ জুলাই’
জুন ৩০, ২০১৮ শনিবার ১২:৩২ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
আগামী ১৪ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের ফাস্ট কংক্রিট পোরিং (এফসিপি) এর উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন। তিনি এনার্জিনিউজবিডি ডটকমকে বলেন, “দুই হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির দ্বিতীয় ইউনিটের রিঅ্যাক্টর বিল্ডিং ফাউন্ডেশনের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে নির্মাণ কাজ চূড়ান্ত রূপ পাবে।” এর আগে গত বছরের ৩০ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী বহুল প্রতীক্ষিত দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের পারমাণবিক চুল্লি বসানোর কাজ তথা ফাস্ট কংক্রিট পোরিং এর উদ্বোধন করেন। প্রথম ইউনিট নির্মাণের জন্য বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (বাপশক) নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ পরমাণু  শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা) এর কাছ থেকে ডিজাইন ও কনস্ট্রাকশন লাইসেন্স গ্রহণ করে। নিয়ম অনুযায়ী, নির্মাণাধীন কেন্দ্রটির যে ভিতের ওপর পারমাণবিক চুল্লি তৈরী হবে তাতে কংক্রিট ঢালাই শুরু আগে দ্বিতীয় ইউনিটের জন্যও পরমাণু শক্তি কমিশনকে ডিজাইন ও কনস্ট্রাকশন লাইসেন্স নিতে হবে। এ ব্যাপারে বায়েরার চেয়ারম্যান ড. নঈম চৌধুরী এনার্জিনিউজবিডি ডটকমকে শনিবার বলেন,“মধ্য জুলাইয়ের আগে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাপশকের চেয়ারম্যান এর কাছে এ লাইসেন্স হস্তান্তর করা হবে।” তিনি আরো বলেন, এ লাইসেন্স পাওয়ার পর দ্বিতীয় ইউনিটের নির্মাণ কাজ শুরু হবে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার ( আইএইএ) গাইডলাইন অনুযায়ী মূল নির্মাণকাজ শুরুর আগে এ লাইসেন্স গ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যৎ কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক ও বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ড. শৌকত আকবর বলেন, “দ্বিতীয় ইউনিটের ডিজাইন ও কনস্ট্রাকশন লাইসেন্স পাওয়ার জন্য যত শর্ত আছে তা ইতোমধ্যে পূরণ করা হয়েছে। আশাকরি, এ লাইসেন্স পাওয়ার মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় ইউনিটের নির্মাণ কাজ শিগগিরই শুরু করতে পারবো।” এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র ২০২৪ সালের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে ২,৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের যোগান দেবে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন-রোসাটমের মাধ্যমে আর্থিক, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ লক্ষ্যে ২০১৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ও রাশিয়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এটমস্ট্রয়এক্সপোর্ট এর মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়। রোসাটম নিযুক্ত এটমস্ট্রয়এক্সপোর্ট ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে এই প্রকল্প নির্মাণ করবে। চুক্তি অনুযায়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি স্থাপনে রাশিয়া সব ধরনের সহায়তা দেবে এবং জ্বালানি সরবরাহ করবে ও ব্যবহৃত জ্বালানি ফেরত নেবে। ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন।
ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তা বিষয়ক ওয়ার্কশপের উদ্বোধন
এপ্রিল ২৪, ২০১৮ মঙ্গলবার ০৬:২৮ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানদন্ড অনুযায়ী নিরাপত্তা ও সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান। মঙ্গলবার ঢাকার আগারগাঁওস্থ বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ(বায়েরা) এর মিলনায়তনে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রিলিমিনারি সেফটি অ্যানালাইসিস শীর্ষক ওয়ার্কশপের উদ্বোধনী বক্তৃতায় মন্ত্রী এ কথা বলেন। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) নির্দেশনা ও পরামর্শে এবং রাশান ফেডারেশনের সার্বিক সহযোগিতায় এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে সবসময়ই নিরাপত্তা ইস্যুকে প্রথমেই বিবেচনায় আনা হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি ভারতের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগানোর জন্য চুক্তি করা হয়েছে। মন্ত্রী আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদেশের মানুষের কল্যাণ ও নিরাপত্তাকে সবার আগে বিবেচনায় নেন। সেজন্য রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে নিরাপত্তার সব দিক বিবেচনায় নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। বায়েরা ও আইএইএ যৌথভাবে তিন দিনব্যাপি এ ওয়ার্কশপের আয়োজন করেছে। বায়েরার সদস্য ডাঃ সাহানা আফরোজ এর সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার সিনিয়র নিউক্লিয়ার সেফটি অফিসার আবদুল্লাহ আমরি এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক ড. শৌকত আকবর।
ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার
ই-লাইসেন্সিং সেবা চালু করেছে পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
মার্চ ৩০, ২০১৮ শুক্রবার ০৯:৩৯ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশব্যাপী বিভিন্ন বিকিরণ স্থাপনার লাইসেন্স প্রদানের জন্য অনলাইনভিত্তিক ই-লাইসেন্সিং সেবা চালু করেছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বাপশনিক)। গত ২৯ মার্চ ঢাকার আগারগাঁওস্থ পরমাণু কর্তৃপক্ষের সেমিনার কক্ষে এ সেবার উদ্বোধন করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ সরকার দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তর করেছে। এটি আজ বাংলাদেশের বাস্তবতা। আর ইতোমধ্যে এর সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ সারাদেশে তেজস্ক্রিয় বা বিকিরণ উৎস ও বিকিরণ উৎপাদনকারী যন্ত্রপাতির ব্যবহার, পরিবহণ, আমদানি-রপ্তানি, তেজস্ক্রিয় বর্জ্য-ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য কাজের ক্ষেত্রে বিভিন্ন শ্রেণির লাইসেন্স প্রদান করে থাকে। পাশাপাশি এসবের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মী-কর্মকর্তা ও অন্যান্য ব্যক্তিবর্গকে তেজস্ক্রিয়তার ক্ষতিকর দিক ও সুরক্ষার উপায় সম্পর্কে  সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ সেবা প্রদান করে। এখন থেকে এ দুটি সেবা অনলাইনে পাওয়া যাবে। অনলাইনে লাইসেন্সের জন্য ells.baera.gov.bd  ও প্রশিক্ষণের জন্য elearning.baera.gov.bd ওয়েবসাইটে আবেদন করা যাবে। লাইসেন্সিং এবং প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়া অনলাইন সিস্টেমে রূপান্তরের ফলে জনগণ সহজেই এ দুটি সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নঈম চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ কর্মশালায় আরো বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোঃ খলিলুর রহমান এবং বায়েরা’র সদস্য অধ্যাপক ডা. সাহানা আফরোজ।    
ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের মূল কাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
নভেম্বর ৩০, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ০২:১৪ পিএম - বাসস
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বহুল প্রতীক্ষিত দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রূপপুরের মূল নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছেন। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে নির্মাণস্থলে যে ভিতের ওপর পারমাণবিক চুল্লি তৈরী হবে তাতে কংক্রিট ঢালাই শুরু করে নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী, নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকী, সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মুহম্মদ শফিউল হক, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব মো. আনোয়ার হোসেন, প্রেস সচিব ইহসানুল করিম, বাংলাদেশে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার ইগনেটভ, রাশিয়ার স্টেট এটমিক এনার্জি কর্পোরেশন-রোসাটামের মহাপরিচালক এলেসি লিখাচেভ, রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. শৌকত আকবর এবং বাংলাদেশ ও রাশিয়ার প্রকল্পের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র ২০২৪ সালের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের যোগান দেবে। রোসাটামের মাধ্যমে রাশিয়ার আর্থিক, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ লক্ষ্যে ২০১৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ও জেএসসি অ্যাটমস্ট্রোক্সপোর্ট-এর মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ চুক্তিতে আণবিক শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান মো. মনিরুল আলম ও অ্যাটমস্ট্রোক্সপোর্ট-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির এন সাভুসকিন স্বাক্ষর করেন। রোসাটাম নিযুক্ত রাশিয়ার অ্যাটমস্ট্রোক্সপোর্ট-এর ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে এই প্রকল্প নির্মাণ করবে। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ রাশিয়ার সঙ্গে দেশের এই সর্ববৃহৎ প্রকল্পের বিনিয়োগ ব্যয় চূড়ান্ত করে। এর আগে ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে দুই দেশের মধ্যে প্রকল্পের ইঞ্জিনিয়ারিং ডিজাইন, সাইট ডেভেলপমেন্ট ও পার্সোনাল ট্রেনিংয়ের জন্য ৫শ মিলিয়ন ডলারের রাশিয়ার ঋণ চুক্তি এবং ২০১১ সালে রোসাটাম-এর সঙ্গে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি স্থাপনে রাশিয়া সব ধরনের সহায়তা দেবে এবং জ্বালানি সরবরাহ করবে ও ব্যবহৃত জ্বালানি ফেরত নেবে। ২৬২ একর জমির উপর নির্মাণাধীন এই প্রকল্পের দুই ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা হচ্ছে ২ হাজার ৪শ মেগাওয়াট। ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন।
ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম কংক্রিট ঢালাই উপলক্ষে ফ্ল্যাশমব
নভেম্বর ২৮, ২০১৭ মঙ্গলবার ০৯:৫২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের রি-অ্যাক্টর বিল্ডিংয়ের ফাউন্ডেশনে প্রথম কংক্রিট ঢালাই আগামী ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এর মাধ্যমে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মূল নির্মাণ কাজের সূচনা ঘটবে। এই ঐতিহাসিক ঘটনা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রূপপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের তিন শতাধিক শিক্ষার্থী একটি বর্ণাঢ্য ‘ফ্ল্যাশমব’প্রদর্শনীর আয়োজন করে। শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার সবুজ ও লাল রংয়ের টি-শার্ট ও টুপি পরে স্কুল মাঠে ‘আই লাভ রূপপুর’ শীর্ষক একটি ফিগার তৈরি করে। ফ্ল্যাশমবটি ড্রোন ক্যামেরার সাহায্যে ধারণ করা হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথম কংক্রিট ঢালাই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। প্রকল্পটির ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন-রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচোভ সহ অন্যান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার
ডিজাইন ও কনস্ট্রাকশন লাইসেন্স পেল রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র
নভেম্বর ০৪, ২০১৭ শনিবার ১০:৫৭ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ পরমাণু  শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ইউনিট-১ নির্মাণের জন্য বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনকে (বাপশক) ডিজাইন ও কনস্ট্রাকশন লাইসেন্স প্রদান করেছে। শনিবার ঢাকায় হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বায়েরার চেয়ারম্যান ড. নঈম চৌধুরী বাপশকের চেয়ারম্যান ড. দিলীপ কুমার সাহার কাছে এ লাইসেন্স হস্তান্তর করেন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান। এ লাইসেন্সের ফলে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মূল নির্মাণ কাজ শুরু করা যাবে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার ( আইএইএ) গাইডলাইন অনুযায়ী মূল নির্মাণকাজ শুরুর আগে এ লাইসেন্স গ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আগামী ৩০ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাবনার ঈশ্বরদীতে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার দুই ইউনিটের রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মূল পর্বের অর্থাৎ পারমাণবিক চুল্লি বসানোর কাজের (ফাস্ট কংক্রিট পোরিং ডেট বা এফসিডি) উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেন, এ লাইসেন্সের মাধ্যমেই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মূল কাজ শুরু হবে। বাংলাদেশ আজ থেকেই পরমাণু থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের দেশসমূহের ক্লাবে প্রবেশ করলো। মন্ত্রী আরো বলেন, এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ হচ্ছে। এটি আমাদের জাতীয় আত্মবিশ্বাসও বৃদ্ধি করবে যে বাঙালিও পারে পরমাণু থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে।আর এটি সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগ্রহ,উদ্যোগ,সাহস এবং দূরদর্শী সিদ্ধান্তের ফলে। বাংলাদেশ পরমাণু  শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা) এ অনুমতি প্রদানে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সকল সেফটি মানদন্ড ও গাইডলাইন এবং বাংলাদেশের বিদ্যমান আইন ও বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করেছে। এছাড়াও রাশিয়ান ফেডারেশন, ভারত, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থাসহ আন্তর্জাতিক, স্থানীয় ও নিজস্ব জনবলের মাধ্যমে সকল রেগুলেটরি ডকুমেন্টের কারিগরি মূল্যায়ন ও পর্যালোচনা করে বিশেষজ্ঞ মতামতও গ্রহণ করা হয়েছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যৎ কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক ড. শৌকত আকবর বলেন, এই লাইসেন্স প্রাপ্তির মাধ্যমে বাংলাদেশকে নিউক্লিয়ার ক্লাবের সদস্য হওয়ার জন্য এটি একটি বড় সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। স্বপ্নের এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। লাইসেন্স প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য  দেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয়  স্থায়ী কমিটির সভাপতি ডা. আ ফ ম রুহুল হক এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি বিষয়ক) মো. আবুল কালাম আজাদ। বাংলাদেশ পরমাণু  শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বায়েরা) চেয়ারম্যান ড. নঈম চৌধুরীর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের  সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. দিলীপ কুমার সাহা, রাশিয়ার রেগুলেটরি সংস্থা রোস্টেকনজরের ডেপুটি চেয়ারম্যান আ্যলেক্সি ফেরাপনটভ, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যৎ কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক ড. শৌকত আকবর এবং বায়েরার পরিচালক ড. সত্যজিৎ ঘোষ।          
ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার
বাংলাদেশ এবং রাশিয়ার মধ্যে স্পেন্ট নিউক্লিয়ার ফুয়েল ফেরত নেওয়া সংক্রান্ত চুক্তি সই
আগস্ট ৩০, ২০১৭ বুধবার ১১:২২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশ ও রাশিয়া সরকারের মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্পেন্ট নিউক্লিয়ার ফুয়েল (ব্যবহৃত পারমাণবিক জ্বালানি) রাশিয়ায় ফেরত নিয়ে যাওয়া সংক্রান্ত একটি আন্তঃসরকার চুক্তি সই হয়েছে। বুধবার (৩০ আগস্ট) রাশিয়ার মস্কোতে স্বাক্ষরিত ওই চুক্তিতে সই করেন-বাংলাদেশের পক্ষে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান এবং রাশিয়ার পক্ষে স্টেট অ্যাটমিক এনার্জি কর্পোরেশন রোসাটম-এর মহাপরিচালক অ্যালেস্কেই লিখাশেভ। চুক্তি সইয়ের বিষয়টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তথ্য কর্মকর্তা মোঃ কামরুল ইসলাম ভূইয়া এনার্জিনিউজবিডি ডটকমকে জানিয়েছেন। এ সময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন, রাশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. সাইফুল হক, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক ড. শৌকত আকবর এবং রোসাটম এর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে গত ১৫ মার্চ ২০১৭ ঢাকায় চুক্তিটি অনুস্বাক্ষরিত হয় এবং গত ৫ জনু ২০১৭ বাংলাদেশের মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে অনুমোদিত হয়। এই চুক্তির আওতায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পারমাণবিক বর্জ্য বাংলাদেশ থেকে রাশিয়া তাদের দেশে ফেরত নিয়ে যাবে। রাশিয়া এই পারমাণবিক বর্জ্য ফেরত নেওয়ার পর পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ এবং পুনঃপ্রক্রিয়াজাত পদার্থের ব্যবস্থাপনাসহ বর্জ্য সংরক্ষণ করবে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের শুরু থেকেই বাংলাদেশ পারমাণবিক বর্জ্য রাশিয়ায় ফেরত পাঠানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে। এ বিষয়টি ২০১১ সালে স্বাক্ষরিত আন্তঃসরকার চুক্তিতেও উল্লেখ ছিল। এদিকে, রোসাটমের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের স্পেন্ট নিউক্লিয়ার ফুয়েল ট্রিটমেন্ট (পরিশোধন) সংক্রান্ত একটি আন্তঃসরকার চুক্তিও প্রস্তুত করা হয়েছে। নিয়মানুযায়ী উভয় দেশের সরকার চুক্তিটি অনুমোদন করেছে। আন্তঃসরকার চুক্তির ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যতে একটি বাণিজ্যিক চুক্তি প্রস্তুত ও সই করার পরিকল্পনা রয়েছে। রুশ প্রযুক্তিনির্ভর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ যৌথ উদ্যোগ প্রকল্প যার মাধ্যমে দেশটি পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারকারী বিশ্বের অপারাপর দেশগুলোর কাতারে শামিল হওয়ার সুযোগ লাভ করবে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রদান করে আসছে। পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে প্রতিটি ১,২০০ মেগাওয়াট করে দুটি ইউনিটে মোট ২,৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের কাজ চলছে। অ্যালেস্কেই লিখাশেভ তার বক্তব্যে জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে প্রতিটি ন্যূনতম ১,২০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ২টি ভিভিইআর রি-অ্যাক্টর স্থাপিত হবে। রাশিয়া কর্তৃক অফারকৃত ভিভিইআর-১২০০ একটি আধুনিক ৩+ প্রজন্মের প্রকল্প; যা ফুকুশিমা পরবর্তী সকল নিরাপত্তা মান এবং আন্তর্জাতিক বিধির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। তিনি আরো বলেন, এই চুক্তিটি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। নির্মাণ কাজ শুরুর পূর্বেই এটি আমাদের দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায়।
ক্যাটাগরি: নিউক্লিয়ার
    সাম্প্রতিক নিউক্লিয়ার এর খবর
ডিজাইন ও কনস্ট্রাকশন লাইসেন্স পেল রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র
বাংলাদেশ এবং রাশিয়ার মধ্যে স্পেন্ট নিউক্লিয়ার ফুয়েল ফেরত নেওয়া সংক্রান্ত চুক্তি সই
রূপপুর প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনে রাশিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা
এসডিজি বাস্তবায়নে আইএইএ এর সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র একটি স্বপ্নের বাস্তবায়ন’ সংকলনগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন
পারমাণবিক অবকাঠামো উন্নয়নে আইএইএ’র সাথে চুক্তি করলো রোসাটম
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের স্থানীয় সাপ্লাইয়ারদের জন্য কর্মশালা আগামী ১৭ এপ্রিল
পরমাণু শক্তির গবেষণা বিষয়ক ৩৯তম জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলন শুরু
নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং এ উচ্চশিক্ষার জন্য রুশ বৃত্তি পাচ্ছেন আরও ২০ জন বাংলাদেশী
‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্পেন্ট ফুয়েল ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত খসড়া চুক্তি অনুমোদন ’
রাশিয়ায় বিশ্বের প্রথম ৩+ প্রজন্মের পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইউনিট বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করেছে
‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে কারিগরি সেবা দেবে ভারত’
‘পারমাণবিক বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পাঠদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে’
‘রূপপুরের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দিতে দাতাদের কাছে ঋণ প্রস্তাব’
বিদেশি শিক্ষার্থীদের ইংরেজিতে পরমাণু বিজ্ঞান বিষয়ে লেখাপড়ার সুযোগ দেবে রোসাটম
নতুন দুই সদস্য পেল পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
একনেকে এক লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প অনুমোদন
ভারতের মুম্বাইয়ে রোসাটমের আঞ্চলিক কার্যালয় উদ্বোধন
ঝুঁকিপূর্ণ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের চুক্তি বাতিলের দাবি
রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য রাশিয়াকে সুদে-আসলে দিতে হবে ২০ বিলিয়ন ডলার
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার ঋণ চুক্তি সই
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ঋণ চুক্তি ২৬ জুলাই
রাশিয়ায় আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক উৎসব নিউকিডস এ অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশি কিশোর-কিশোরীরা
রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ করতে বাড়তি এক বছর সময় লাগবে
বায়েরা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের সাইট লাইসেন্স দিয়েছে মঙ্গলবার
পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্পের সাইট লাইসেন্স দেবে
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে ১৩২ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন হচ্ছে
রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে নতুন ঠিকাদারি কোম্পানি ইন্টার রাও
ভারত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে সহযোগিতা করতে চায়
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy