ঢাকা, সোমবার, ডিসেম্বর ১১, ২০১৭, অগ্রহায়ণ ২৭, ১৪২৪ ০৩:১৯ পিএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
পেট্রোলিয়াম
সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং প্রকল্পের কাঠামোগত চুক্তি সম্পন্ন
আমদানি করা অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ইস্টার্ন রিফাইনারিতে আনতে পাইপলাইন এবং সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং নির্মাণের জন্য ৫৫ কোটি ৪ লাখ মার্কিন ডলার ঋণ দেবে চীন সরকার। বাংলাদেশী মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৪ হাজার ৪৩২ কোটি টাকা। এ ব্যাপারে রোববার ঢাকায় এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে চীনের সাথে বাংলাদেশ একটি কাঠামোগত চুক্তি করেছে। চীন সরকারের পক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত মা মিং কিয়াং ও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব কাজী শফিকুল আযম চুক্তিতে সই করেন। ‘ইনস্টলেশন অব সিঙ্গেল মুরিং উইথ ডবল লাইন’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নে এ অর্থ ব্যয় করা হবে। আমদানি করা অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ইস্টার্ন রিফাইনারিতে আনতে পাইপলাইন নির্মাণ করা হবে প্রকল্পের আওতায়। এ সময় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, তরল জ্বালানির চাহিদা ও সরবরাহে ভারসাম্য আনতে প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়েছে। প্রকল্পের কাজ শেষ হলে আমদানি করা তরল জ্বালানি বড় জাহাজ থেকে নামাতে ছোট জাহাজ প্রয়োজন হবে না। এতে সিস্টেম লসের পরিমাণ কমে আসবে। কমবে তেল আমদানির ব্যয়ও। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৯৩৬ কোটি টাকা। এ প্রকল্পে চীন সরকারের নমনীয় ঋণ হিসেবে পাওয়া যাবে ৮ কোটি ২৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার। অবশিষ্ট ৪৬ কোটি ৭৮ লাখ ৪০ হাজার ডলার পাওয়া যাবে বায়ার্স ক্রেডিট হিসেবে। চুক্তি অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশের বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) দেশের বড় একটি প্রতিষ্ঠান। বছরে প্রায় ৫০০ কোটি ডলার টার্নওভার হলেও প্রতিষ্ঠানটির কাজ তেল আমদানি ও বিক্রয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ। এবারই প্রথমবারের মতো একটি অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং টার্মিনাল প্রকল্প বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্কে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে বলে মনে করেন নসরুল হামিদ। এ বিষয়ে চুক্তি হওয়ায় বাংলাদেশ সরকার আরও বড় আকারের প্রকল্প বাস্তবায়নে উৎসাহিত হবে বলেও তিনি মনে করেন। তিনি জানান, সরকার সারা দেশে গ্যাস সরবরাহের পাইপলাইন স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে। এছাড়া উপকুলে দুইটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব কাজে উপযুক্ত অংশীদার অনুসন্ধান করছে সরকার। এসব প্রকল্পে চীন সরকার ভালো অংশীদার হতে পারে বলে তিনি মনে করেন। ভোলায় নতুন সন্ধান পাওয়া গ্যাস সম্পর্কে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সরকারের অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশ সরকার এসব বিষয়ে চীনকে সহায়ক হিসেবে পাশে পেতে চায়। বিদ্যুৎ খাতের ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের দুই বড় প্রকল্পে চীন অর্থায়ন করবে বলেও তিনি জানান। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ফলে জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি আমদানিকৃত ক্রুড অয়েল এবং ফিনিশড প্রডাক্ট (এইচএসডি) সহজে, নিরাপদে, স্বল্প খরচে ও স্বল্প সময়ে খালাশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি লাইটারেজ অপারেশনের মাধ্যমে ক্রুড অয়েল ও ফিনিশড প্রডাক্ট আমদানিতে যে সিস্টেম লস হয়, তা কমানো যাবে এবং দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা হবে।
আবারও চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম কমানো হচ্ছে
ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০১৭ রবিবার ১২:১৯ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম ফের কমাতে যাচ্ছে সরকার। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য কম থাকায় দেশের অভ্যন্তরে পেট্রল ও অকটেনে ৫ শতাংশ এবং কেরোসিন ও ডিজেলে ৮ শতাংশ দাম কমানো হতে পারে। এর ফলে পেট্রলের দাম হবে ৮১ টাকা ৭০ পয়সা, অকটেনের দাম হবে ৮৪ টাকা ৫৫ পয়সা। আর কেরোসিন এবং ডিজেলের দাম হবে ৬০ টাকা। এ চার পণ্যের দাম কমানো হলেও আপাতত পরিবর্তন হচ্ছে না জেট-এ-১ এবং ফার্নেস অয়েলের দাম। চলতি সপ্তাহেই দাম কমানোর একটি প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হতে পারে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। পরে তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। প্রধানমন্ত্রী এতে অনুমোদন দিলে তা কার্যকরের উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানান তিনি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ প্রস্তাব অনুমোদন পেলে বিশেষ করে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম কমালে বা সমন্বয় করলে দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও গ্রামাঞ্চলের মানুষই বেশি উপকৃত হবে। ডিজেলের দাম কমলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ভর্তুকি কমবে। পাশাপাশি কৃষক ও বিদ্যুৎচালিত পাম্প ব্যবহারকারীরাও বিশেষ সুফল পাবে। জ্বালানি তেলের দাম কমানোর ব্যাপারে অর্থ মন্ত্রণালয় একটি সারসংক্ষেপ তৈরি করেছে। সারসংক্ষেপে পেট্রলের দাম ৪ টাকা ৩০ পয়সা, অকটেনের ৪ টাকা ৪৫ পয়সা কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। দেশের বাজারে বর্তমানে পেট্রলের খুচরা মূল্য ৮৬ টাকা। ৪ টাকা ৩০ পয়সা কমালে পেট্রলের দাম হবে ৮১ টাকা ৭০ পয়সা। অকটেন বিক্রি হচ্ছে ৮৯ টাকায়। ৪ টাকা ৪৫ পয়সা কমালে এটির মূল্য হবে ৮৪ টাকা ৫৫ পয়সা। একই ভাবে কেরোসিন ও ডিজেলে ৫ টাকা করে কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে দুইটি পণ্যই ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ৫ টাকা করে কমালে পণ্য দুইটির মূল্য হবে ৬০ টাকা করে। তবে এ চার জ্বালানি পণ্যের দাম কমানো হলেও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) প্রতিটিতেই লাভে থাকবে। পেট্রলে লাভ হবে ১১৬ কোটি টাকা, অকটেনে লাভ হবে ১২৫ কোটি টাকা, কেরোসিনে লাভ হবে ৩৩৫ কোটি টাকা, আর ডিজেলে লাভ হবে ১ হাজার ২৭৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ দাম কমানোর পরও জ্বালানি খাতের এ চার পণ্য থেকেই বিপিসি বছরে ১ হাজার ৮৫৪ কোটি ৭২ লাখ টাকা লাভ করবে। আগামী দিনে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য কেমন থাকবে, তা বিশ্লেষণ করে এ প্রস্তাবগুলো করা হয়েছে বলে সারসংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, সম্প্রতি প্রকাশিত ব্লুমবার্গ নিউজ অনুযায়ী, গেল তিন বছরে জ্বালানি তেলের মূল্য পতন হলেও বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০১৭ সালে এটি কিছুটা স্থিতিশীল থাকবে। এক্ষেত্রে জ্বালানি তেল বিশেষ করে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল বিক্রি হবে ব্যারেলপ্রতি ৫৮ মার্কিন ডলারে। আর গালফ রিসার্চ সেন্টারের তথ্য মতে, চলতি বছর তেলের ব্যারেলপ্রতি মূল্য ৬০ মার্কিন ডলারের মধ্যেই ওঠানামা করবে। এছাড়া বিশ্বব্যাংকের প্রক্ষেপণ অনুযায়ীও চলতি বছর ব্যারেলপ্রতি মূল্য দাঁড়াবে ৫৫ দশমিক ২ মার্কিন ডলার। এ হিসেবে বলা যায়, চলতি বছর ব্যারেলপ্রতি জ্বালানি তেলের মূল্য ৬০ মার্কিন ডলারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। ৬০ মার্কিন ডলার বিবেচনায় হিসাব করলে আট শতাংশ কমালে ডিজেলে লাভ থাকবে ৩ টাকা ২২ পয়সা। কেরোসিনের মূল্যও ৬০ টাকা ধরলে লাভ হবে ১০ টাকা ৫৬ পয়সা।
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
ইআরএল এর দ্বিতীয় ইউনিট নির্মাণের নকশা তৈরিতে চুক্তি সই
জানুয়ারি ১৮, ২০১৭ বুধবার ১০:৪৯ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধনে ইনস্টলেশন অব ইআরএল ইউনিট-২ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ও ফ্রান্সের প্রতিষ্ঠান টেকনিপ এর মধ্যে ফ্রন্ট ইন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিজাইন সার্ভিসেস চুক্তি সই হয়েছে। বুধবার রাজধানীতে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ওই চুক্তিতে সই করেন বিপিসি’র পক্ষে পরিচালক (অপারেশন) সৈয়দ মোঃ মোজাম্মেল হক এবং টেকনিপ এর পক্ষে টেকনিপ মালয়েশিয়ার পরিচালক আমরান বিন আহমেদ ও টেকনিপ ফ্রান্সের সেলস্ ম্যানেজার দিদিয়ার লিকোক্স। বিপিসির একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল)। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ  বলেন, অপরিশোধিত তেল দেশেই পরিশোধন করা হবে। দেশ পেট্রোল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ; অকটেনও উৎপাদন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের বর্তমান চাহিদা সাড়ে পাঁচ মিলিয়ন মেট্রিক টন। ইস্টার্ন রিফাইনারিতে বার্ষিক দেড় মিলিয়ন টন অপরিশোধিত তেল পরিশোধিত হয়। ইউনিট-২ চালু করা হলে এখান থেকে আরো তিন মিলিয়ন টন তেল পরিশোধিত করা যাবে। অর্থাৎ ইস্টার্ন রিফাইনারিতেই সাড়ে চার মিলিয়ন টন তেল পরিশোধিত করা হবে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা আরো নিশ্চিত হবে। ২০১৫ সালের ১১ নভেম্বর রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনের জন্য বিপিসি ও টেকনিপ এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। ইআরএল ইউনিট-২ স্থাপনে প্ল্যান্টের ফ্রন্ট ইন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিজাইন প্রণয়নের জন্য টেকনিপকে ৩০.৭৫ মিলিয়ন ইউরো দেবে বিপিসি। ইনস্টলেশন অব ইআরএল ইউনিট-২ প্রকল্পের  মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ৭৩৯ (প্রায় ২০৯২.৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) কোটি টাকা এবং বাস্তবায়নকাল জানুয়ারি ২০১৮ হতে ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত। প্রকল্পটি বিপিসি’র নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রস্তাবিত ইআরএল ইউনিট-২ প্রকল্পে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন অর্থাৎ ইউরো-৫ মানের পেট্রোলিয়াম পণ্য উৎপাদিত হবে। এ সময় অন্যান্যের মাঝে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, বিপিসির চেয়ারম্যান আবু হেনা মোঃ রহমাতুল মূনীম ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত সূফী আবার্ট বক্তব্য দেন।  
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
‘জ্বালানি তেলের দাম আপাতত কমছে না’
জানুয়ারি ১৮, ২০১৭ বুধবার ১০:০২ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিশ্ব বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় আপতত দেশে তেলের দাম কমানো হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। বুধবার রাজধানীতে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ও ফ্রান্সের প্রতিষ্ঠান টেকনিপ এর সাথে ‘ইনস্টলেশন অব ইআরএল ইউনিট-২’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রকৌশল নকশা প্রণয়ন কাজের চুক্তি সই অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। গত বছরের নভেম্বর ও ডিসেম্বরে দুই দফায় সবধরনের জ্বালানি তেলের দাম কমানোর আশ্বাস দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে গেছে। তাই সরকার দেশে তেলের দাম কমাবে না। ২০১৪ সালের জুন থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমতে থাকে। ওই সময় প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ১১৭ মার্কিন ডলারে বিক্রি হলেও গত বছরের ডিসেম্বর নাগাদ এই দাম কমে ২৮ মার্কিন ডলারে নেমে যায়। এমন পরিস্থিতিতে ভোক্তাদের দাবির মুখে গত বছরের ১৭ নভেম্বর এবং ২৮ ডিসেম্বর তেলের দাম কমানোর আশ্বাস দেন অর্থমন্ত্রী । অর্থমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, চলতি মাস থেকে দাম কমানোর কথা ছিল। কিন্তু আজই তা নাকচ করে দেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী।  
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
ইস্টার্ন রিফাইনারি এর দ্বিতীয় ইউনিট নির্মাণে নকশা তৈরির জন্য চুক্তি সই বুধবার
জানুয়ারি ১৮, ২০১৭ বুধবার ১০:১৪ এএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
জ্বালানি তেল পরিশোধেনে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনে এর নকশা তৈরির জন্য ফ্রান্সের টেকনিপ কোম্পানীর সাথে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে এক চুক্তি সই করবে। এর মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন দেশের একমাত্র জ্বালানি তেল পরিশোধন স্থাপনা ইআরএল এর দ্বিতীয় ইউনিটের নির্মাণ প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে বলে জানান বিপিসি’র পরিচালক (অপারেশন ও পরিকল্পনা) সৈয়দ মো. মোজাম্মেল হক। তিনি জানান, টেকনিপের তৈরি করা নকশা ডিজাইন অনুযায়ী  রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিটের অবকাঠামো এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি স্থাপিত হবে। দ্বিতীয় ইউনিটের নকশা তৈরিতে ৩২২ কোটি টাকা দিতে হবে ফ্রান্সের কোম্পানিটিকে। আগামী ১১ মাসের মধ্যে টেকনিপ এ ডিজাইন তৈরি করে দেবে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ইস্টার্ন রিফাইনারি’র দ্বিতীয় ইউনিট উৎপাদনে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে সব মিলিয়ে বিপিসির খরচ হবে ১৬ হাজার কোটি টাকা। বিপিসি’র অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ইআরএল এর বর্তমান বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ১৫ লাখ মেট্রিক টন। বিদেশ থেকে আমদানি করা অপরিশোধিত জ্বালানি বা ক্রুড ইস্টার্ন রিফাইনারিতে পরিশোধন করা হয়। বর্তমানে এটি ধারণ ক্ষমতার ৯৬ থেকে ৯৭ শতাংশ পর্যন্ত জ্বালানি পরিশোধন করতে পারে। দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা হবে ৩০ লাখ টন। এতে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন ক্ষমতা ৪৫ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হবে। দেশে বর্তমানে জ্বালানির চাহিদা রয়েছে ৫৫ লাখ মেট্রিক টন।      
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
২,২৮১ টন ডিজেল ভারত থেকে আমদানি করলো বাংলাদেশ
জানুয়ারি ১৪, ২০১৭ শনিবার ১০:২১ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশে সরবরাহের জন্য ভারতের নুমিলীগড় রিফাইনারি লিমিটেড থেকে ২,২৮১ মেট্রিক টন ডিজেল খালাস করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রেলওয়ের ৪২টি বগি নিয়ে ৫১৬ কিলোমিটার (ভারতের অংশে ২৫৩ কিমি ও বাংলাদেশ অংশে ২৬৩ কিমি) পথ অতিক্রম করে ভারতের শিলিগুড়ি থেকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের পার্বতীপুর ডিপোতে এ জ্বালানি তেল পৌঁছে দেওয়া হয়। সম্প্রতি নুমিলীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের সাথে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন এই তেল ক্রয়ে একটি চুক্তি করে। চুক্তি অনুযায়ী, বছরে ভারত থেকে বাংলাদেশে এক মিলিয়ন টন জ্বালানি তেল আমদানি করবে। এজন্য যৌথ উদ্যোগে ১৩১ কিলোমিটার পাইপলাইন নির্মাণ করারও কথা রয়েছে। সূত্র: দ্যা ইকোনোমিক টাইমস  
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
পেট্রোল, অকটেন, ডিজেল ও কেরোসিনের দাম ফের কমছে
ডিসেম্বর ০৩, ২০১৬ শনিবার ১১:৫১ এএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
আগামী সপ্তাহে ফের পেট্রোল, অকটেন, ডিজেল ও কেরোসিনের দাম কমাচ্ছে সরকার। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, এবার জ্বালানি তেলের দাম পণ্য ভেদে লিটার প্রতি পাঁচ থেকে দশ টাকা পর্যন্ত কমতে পারে। এ বছরের ৩১ মার্চ ফার্নেস অয়েলের দাম লিটার প্রতি ৬০ টাকা থেকে কমিয়ে ৪২ টাকায় নির্ধারণ করে সরকার। যা ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়। আর চলতি বছরের ২৫ এপ্রিল থেকে লিটার প্রতি অকটেন ও পেট্রোলের দাম ১০ টাকা এবং ডিজেল ও কেরোসিনের দাম ৩ টাকা করে কমানো হয়। বর্তমানে লিটার প্রতি অকটেন ৮৯ টাকা, পেট্রোল ৮৬ টাকা এবং ডিজেল ও কেরোসিন ৬৫ টাকা দরে গ্রাহক পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে। জ্বালানি তেলের দাম কমানোর বিষয়ে একটি প্রস্তাব জ্বালানি বিভাগ থেকে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়। যাতে সম্মতি পাওয়া গেছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।    
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
তেলের দাম কমানো হবে : মুহিত
নভেম্বর ১৭, ২০১৬ বৃহস্পতিবার ১১:২২ পিএম - বাসস
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য পতনের প্রেক্ষিতে সরকার পেট্রোলিয়াম পণ্যের দাম যুক্তিসঙ্গত করতে তেলের দাম কমানোর পরিকল্পনা করছে। বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যেই তেলের দাম কমিয়েছি। আমরা মনে করছি আবারো তেলের দাম কমালে তা দেশের অর্থনীতির জন্য মঙ্গলজনক হবে।’ মিশন প্রধান ব্রিয়ান ইটকেনের নেতৃত্বে বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আইএমএফ’র সিনিয়র অর্থনীতিবিদ জিরি জোনাস, অর্থনীতিক জয়েন্দু দে, আবাসিক প্রতিনিধি স্টিলা কায়েন্দ্র, নিরাপত্তা উপদেষ্টা ডেভিড কেহয়ে ও নির্বাহী পরিচালক সবীর গোকান। মুহিত বলেন, ‘শিগগিরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করার পর আমরা এ ব্যাপারে একটা ঘোষণা দেব।’ সরকার চলতি বছরের এপ্রিলে বিভিন্ন পেট্রোল পণ্যের দাম লিটার প্রতি তিন থেকে ১০ টাকা কমিয়েছে। প্রতি লিটার অকটেন ও পেট্রোলের দাম কমানো হয়েছে ১০ টাকা করে। তাছাড়া প্রতি লিটার ডিজেল ও কেরোসিনের দাম কমানো হয়েছে ৩ টাকা করে। মুহিত বলেন, ‘আমরা তেলের দাম আরো কমানোর জন্য একটা সমন্বয় সভায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখন আমরা এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি করছি।’ আইএমএফ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এটা মূলত একটা সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং এ দলটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রশংসা করেছে।  
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
সংসদে পেট্রোলিয়াম বিলের রিপোর্ট উপস্থাপন
এপ্রিল ২৫, ২০১৬ সোমবার ১০:৪৪ পিএম - বাসস
পেট্রোলিয়াম বিল ২০১৬ এর ওপর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির রিপোর্ট সোমবার সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি তাজুল ইসলাম রিপোর্টটি উপস্থাপন করেন। রিপোর্টে বিলটি সংশোধিত আকারে পাসের সুপারিশ করা হয়। পেট্রোলিয়াম এবং অন্যান্য প্রজ্জ্বলনীয় পদার্থ আমদানি, পরিবহন, মজুদ, উৎপাদন, শোধন, মিশ্রণ এবং প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে পুনঃব্যবহার উপযোগীকরণ ও বিতরণ সম্পর্কিত বিধানের প্রস্তাব করে গত ১০ ফেব্রুয়ারি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিলটি উত্থাপন করেন। বিলে পেট্রোলিয়াম আইন ১৯৩৪ রহিত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিলে বলা হয়, আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইন বা আইনের মর্যাদাসম্পন্ন অন্য কোনো আইনগত দলিলে ভিন্নতর যা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের বিধানাবলী প্রাধান্য পাবে। বিলে বলা হয়, ধারা ৩২ এর উপ-ধারা (২) এর অধীন প্রণীত বিধির বিধানাবলী অনুসরণ ব্যতিত, পেট্রোলিয়াম উৎপাদন, শোধন, মিশ্রণ বা প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে পুনঃব্যবহার করা যাবে না। বিলে লাইসেন্স ও তাতে বিধৃত শর্ত ব্যতিত পেট্রোলিয়াম আমদানি, পরিবহন, মজুদ ও বিতরণ করতে পারবে না বলে বিধানের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে ২ হাজার লিটার তার কম পরিমাণ পেট্রোলিয়াম মজুদ, পরিবহন করতে শর্তসাপেক্ষে লাইসেন্সের প্রয়োজন হবে না। এছাড়া স্থির ইঞ্জিনে ব্যবহারের ক্ষেত্রে লাইসেন্স দরকার হবে না। বিলে লাইসেন্স গ্রহণ, প্রদান, পেট্রোলিয়াম পরীক্ষণ, সরঞ্জামের সনদপত্র প্রদান, পরীক্ষণ কর্মকর্তা, পরীক্ষণের ধরন, পরীক্ষণের সনদ, পুনঃপরীক্ষণের অধিকারসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিধানের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিলে উল্লেখিত বিধান লংঘনজনিত অপরাধ, অপরাধের তদন্ত ও দন্ড বিধানের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া বিলে পেট্রোলিয়ামজনিত দুর্ঘটনা, এর প্রতিবেদন ও অপরাধের বিচারসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিধানের প্রস্তাব করা হয়েছে।
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
অবশেষে কমলো জ্বালানি তেলের দাম
এপ্রিল ২৪, ২০১৬ রবিবার ০৭:৩৮ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
জ্বালানি তেলের দাম লিটার প্রতি পেট্রোল-অকটেনে ১০ টাকা এবং ডিজেল-কেরোসিনে ৩ টাকা করে কমিয়েছে সরকার । রোববার  রাত ১২টার পর থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে বলে  বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী সোমবার থেকে যথাক্রমে ডিজেল ও কেরোসিন ৬৫ টাকা এবং পেট্রোল, অকটেন যথাক্রমে ৮৬ ও ৮৯ টাকায় পাওয়া যাবে। সর্বশেষ ২০১৩ সালের ৪ জানুয়ারি জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে লিটার প্রতি ডিজেল ও কেরোসিন ৬৮ টাকা, পেট্রোল ৯৬ টাকা এবং অকটেন ৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এর আগে গত ১ এপ্রিল ফার্নেস অয়েলের দাম ১৮ টাকা  কমিয়ে ৪২ টাকা করা হয়। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার ২০০৯ সালের জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর ওই মাসেই ডিজেল ও কেরোসিনের মূল্য লিটার প্রতি ২ টাকা এবং ফার্নেস অয়েলের মূল্য লিটার প্রতি ৪ টাকা করে কমিয়ে যথাক্রমে ৪৪ টাকা ও ২৬ টাকায় পুন:নির্ধারণ করে। পরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার ভুর্তকি কমানোর জন্য ২০১১ সালে ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের দাম  চার বার এবং ফার্নেস অয়েলের দাম ছয় বার বৃদ্ধি করে।
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
ইআরএল ইউনিট-২-এর জন্য পরামর্শক নিয়োগ চুক্তি সই
এপ্রিল ২১, ২০১৬ বৃহস্পতিবার ১০:৪৭ পিএম - বাসস
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) দ্বিতীয় ইউনিট বাস্তবায়নের জন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে মঙ্গলবার ভারতের শীর্ষস্থানীয় ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্ডিয়া লিমিটেডের (ইআইএল) সঙ্গে এক নিয়োগ চুক্তি সই হয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) দ্বিতীয় ইউনিট বাস্তবায়নের মাধ্যমে এবং এলপিজি প্লান্ট স্থাপনের করে দেশের অভ্যন্তরে জ্বালানির উৎপাদন এবং সরবরাহ বৃদ্ধি করার জন্য একটি সিরিজ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ভারতের পেট্রোলিয়াম ও ন্যাচারাল গ্যাস প্রতিমন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। গত ১৯ এপ্রিল চুক্তিতে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সই করেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের পরিচালক (অপারেশন) মোসলেম উদ্দিন ও ইআইএল’র পরিচালক (মার্কেটিং) উপেন্দ্র মহেশ্বরী। নসরুল বলেন, দেশে পরিশোধিত তেলের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বর্তমান সরকার ২০১৮ সালের মধ্যে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপন করতে পিএমসি (প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট কনসালটেন্ট) নিযুক্ত করেছে। প্রকল্প অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে জ্বালানি পণ্যের চাহিদা বছরে প্রায় ৬৪ লাখ টনে দাঁড়িয়েছে। এর বিপরীতে বর্তমানে অশোধিত তেল প্রক্রিয়াকরণের ক্ষমতা বছরে মাত্র ১৫ লাখ টন। সরকার দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ফলে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) দ্বিতীয় ইউনিট বাস্তবায়নের মাধ্যমে অশোধিত তেল প্রক্রিয়াকরণের গিয়ে ক্ষমতা দাঁড়াবে ৩০ লাখ টনে। ইআরএল ইউনিট-২ বাস্তবায়নের ফলে অশোধিত তেল প্রক্রিয়াকরণের ক্ষমতা প্রতি বছর ৪৫ লাখ টন বৃদ্ধি পাবে এবং এটি দেশের জ্বালানি পণ্যের চাহিদার সরবরাহে অনেকটা ভারসাম্য ফিরিয়ে আনবে। ২০১৮ সালের মধ্যে বছরে ৩০ লাখ টন অশোধিত তেল প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা সম্পন্ন ইআরএল ইউনিট-২ স্থাপনে ব্যয় হবে ৮ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা। ১৯৬৮ সালে চট্টগ্রাম বন্দরের কাছে পতেঙ্গায় ইআরএল স্থাপন করা হয়।
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট নির্মাণে পরামর্শক ভারতের ইআইএল
এপ্রিল ১৫, ২০১৬ শুক্রবার ১০:০৬ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) এর দ্বিতীয় ইউনিট নির্মাণে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্ডিয়া লিমিটেডকে (ইআইএল) পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। এ জন্য ১১০ কোটি ৬১ লাখ টাকা পাবে ইআইএল। দরপত্র ছাড়া বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) (সংশোধন) আইন ২০১৫ এর মাধ্যমে এ নিয়োগ দিচ্ছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। আগামী ১৯ এপ্রিল ইআইএল’র সাথে সমঝোতা স্মারক সই করবে বিপিসি। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পেট্রোলিয়াম ও ন্যাচারাল গ্যাস বিষয়ক মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। ইতিমধ্যে প্রথম ইআরএল’র নির্মাতা ফরাসি কোম্পানি টেকনিপ ইআরএল দ্বিতীয় ইউনিট নির্মাণ প্রকল্পে ইপিসি (প্রকৌশল, আহরণ ও নির্মাণ) ঠিকাদার হিসেবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ২০১৫ সালের নভেম্বরে টেকনিপ’র সাথে বিপিসি ও ইস্টার্ন রিফাইনারি কোম্পানি লিমিটেডের একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। তাদের সাথে দরকষাকষি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, এখন টেননিপ’র সাথে কারিগরি ও আর্থিক বিষয়ে বিভিন্ন শর্তগুলো নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা চলছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্রে জানা গেছে, চীনের উহুয়ান ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড প্রকল্পটিতে অর্থায়নসহ ইপিসি ঠিকাদার হিসেবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে প্রস্তাব দিয়েছে। এ জন্য তারা নিজেদের সরকারের সম্মতিও নিয়েছে।  জ্বালানি মন্ত্রণালয় এবং বিপিসিতে এই প্রস্তাবটি পাঠানো হয়েছে। তবে বিপিসির উর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, ইআরএল-২ নির্মাণে টেকনিপ’র সাথে ইপিসি চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তাই এ মূহুর্তে অন্য কোনো বিষয়কে আর বিবেচনা করা হচ্ছে না। এটি নির্মিত হলে দেশে তেল পরিশোধনের ক্ষমতা তিন গুণ বেড়ে বার্ষিক ৪৫ লাখ টনে দাঁড়াবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ১৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে প্রতি বছর দেড় হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করতে পারবে বাংলাদেশ। ইআরএল দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনের পর বিপিসি বছরে মাত্র ১০ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করবে। গত বছর প্রতিষ্ঠানটি ৫৩ লাখ ৯৩ হাজার টন পরিশোধিত ও ক্রুড তেল আমদানি করে। এতে খরচ হয় ২৬ হাজার ৯৪০ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
২১ থেকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম কমছে
এপ্রিল ১৩, ২০১৬ বুধবার ১১:৩৫ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
আগামী ২১ থেকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। প্রজ্ঞাপন জারির তিন দিন আগে জানিয়ে দেয়া হবে ঠিক কবে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। বুধবার বিকালে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এ তথ্য জানান।  তিনি বলেন, প্রথম দফায় ডিজেলের দাম ৪ থেকে ৫ টাকা এবং অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম ১০ থেকে ১৫ টাকা কমানো হবে। তাই কোনো পেট্রোলপাম্প এই সময়ের মধ্যে তেল বিক্রি না করার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে, বলেন নসরুল। গত ৪ এপ্রিল সরকার তেলের দাম কমানোর ঘোষনা দিলে ডিপো থেকে তেল নেয়া বন্ধ কিংবা কমিয়ে দেয় পেট্রোল পাম্পগুলো। ফলে ৬ এপ্রিল থেকেই কোন কোন পাম্পে তেল না পেয়ে ভোক্তাদের খালি হাতে ফিরতে হয়। আবার কিছু পাম্পে অল্প মজুদ থাকায় গ্রাহকরা চাহিদার কম তেল বেশী দামে কিনতে বাধ্য হন। প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী তেলের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছে কিংবা বিক্রিই বন্ধ করে দিয়েছে। এটি আমাদের নজরে এসেছে। যারা তেল বিক্রি বন্ধ রাখবে কিংবা বেশী দামে বিক্রি করবে তাদের লাইসেন্স বাতিল করে দেয়া হবে। নসরুল বলেন, প্রায় সাড়ে ৩শ’ ভেজাল তেল বিক্রিকারী পেট্রোল পাম্প চিহ্নিত করেছি। ভেজাল তেল বিক্রিতে জড়িত পাম্পগুলোর লাইসেন্স বাতিল করে দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
ভেজাল তেল বিক্রয়কারী পেট্রোলপাম্পের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হচ্ছে
এপ্রিল ০৬, ২০১৬ বুধবার ১০:৪৯ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশের উত্তরাঞ্চল, সিলেট ও চট্টগ্রামে ভেজাল জ্বালানি তেল বিক্রি বেড়ে গেছে। ভেজালের রমরমা এ ব্যবসায় একদিকে আয় কমছে সরকারের অন্যদিকে যানবাহনের ক্ষতি হচ্ছে। ইতিমধ্যে অনুমোদনহীন ১০৩টি পাম্প চিহ্নিত করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এর বাইরে ভেজাল জ্বালানি তেল বিক্রেতা হিসেবে নয়টি পেট্রোল পাম্পকে জরিমানা করা হয়েছে। এই অবস্থায় বৃস্পতিবার থেকে দেশে ভেজাল তেল সরবরাহকারী পেট্রোল পাম্পগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা শুরু হচ্ছে। বুধবার জ্বালানি বিভাগে পেট্রোল পাম্প ও জ্বালানি তেল বিক্রির বিষয়ে অনুষ্ঠিত এক আন্ত:মন্ত্রণালয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বৈঠকে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, জ্বালানি সচিব নাজিম উদ্দিন চৌধুরীসহ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক সূত্র জানায়, সম্প্রতি ভেজাল তেল বিক্রির অপরাধে ৯টি পেট্রোল পাম্পকে জরিমানা করা হয়েছে। পাম্পগুলো হচ্ছে, পদ্মা অয়েল কোম্পানির অধীনে ঢাকার যাত্রাবাড়িতে অবস্থিত সাহানা ফুয়েল, বগুড়ায় অবস্থিত জিবিকা ফুয়েল সেন্টার, ত্রিশা এন্টারপ্রাইজ, এম. আর. ট্রেডার্স, মেঘনা অয়েল কোম্পানির অধীনে সরদার ফিলিং স্টেশন, হক ফিলিং স্টেশন, যমুনা অয়েল কোম্পানির অধীন গাইবান্ধায় অবস্থিত বাধন ফিলিং স্টেশন, লক্ষ্মীপুরে মতিন ট্রেডার্স ও নওগাঁর নিউ খন্দকার স্টোর। এই পাম্পগুলোর লাইসেন্স বাতিল না করে শুধু জরিমানা করায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী ও সচিব। এছাড়া তেল বিক্রিতে জড়িত অনুমোদনহীন ১০৩টি প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করা হয়েছে। বৈঠকে জ্বালানি তেলের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করতে গঠিত কমিটি ১২টি সুপারিশ করেছে। সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে- মেরিন বা বার্জ ডিলার নিয়োগে বিপিসির নীতিমালা অনুসরণ করা, ডিলারদের বিপণন কোম্পানি থেকে তেল উত্তোলনের হিসাব রাখা, তেল তোলার আগে কত পরিমাণ তেল ট্যাংকে মজুদ ছিল তার হিসাব রাখা, বার্জের ফ্লো মিটার বিএসটিআই’র মাধ্যমে চেক করা। এছাড়া বৈঠকে কনডেনসেটের দাম পুন: নির্ধারন করাসহ বিভিন্ন কারিগরি বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বৈঠক শেষে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, কেউ যদি ভেজাল তেল বিক্রি করে তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) থেকে তা শুরু হবে। ১২শ’ পেট্রোল পাম্পের মধ্যে যেসব পাম্প ভেজাল তেল বিক্রি করছে, আমরা ধীরে ধীরে তাদের লাইসেন্স বাতিলের দিকে যাব। এখন আর জরিমানা না, সরাসরি লাইসেন্স বাতিলের দিকে যাব। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আগামী সাত দিনের মধ্যে অকটেন, কেরোসিন, পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। একই সঙ্গে গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করা হবে। গড়ে ৪ থেকে ১০ টাকা লিটার প্রতি কমানো হতে পারে।  তিন ধাপে এ দাম কমবে। প্রথম ধাপ এক সপ্তাহের মধ্যে। এরপর ছয় মাস পর আবার কমানো হবে। তিনি বলেন, এখন পেট্রোল আমদানি করা লাগে না। অকটেনও আর ভবিষ্যতে আনা হবে না। দেশের গ্যাস ক্ষেত্র থেকে উঠা কনডেনসেট থেকে পেট্রোল ও অকটেন উৎপাদন করা হবে। ফার্নেস তেলে দাম কমার কারণে বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ কমার কথা। তারপরও বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে কেন এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, উৎপাদন খরচ কমবে কিন্তু সঞ্চালন ও সরবরাহ খরচ বাড়ছে। এজন্য গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করা হবে।  
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
জ্বালানি তেলের দাম তিন ধাপে কমানোর সিদ্ধান্ত
এপ্রিল ০৪, ২০১৬ সোমবার ০৯:৫৮ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
জ্বালানি তেলের দাম তিন ধাপে কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রথম ধাপে অকটেন, ডিজেল, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম প্রতি লিটারে ৬ থেকে ১০ টাকা কমানো হতে পারে। আগামী সপ্তাহে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাকি দুই ধাপে তেলের দাম আরো কমানো হতে পারে। সব মিলিয়ে লিটারপ্রতি সর্বোচ্চ ১৫ থেকে ২০ টাকা কমানো হতে পারে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। মন্ত্রণালয়ের একজন উধ্বর্তন কর্মকর্তা জানান, অর্থ মন্ত্রনালয় তেলের দাম কমানোর পক্ষে মত দিয়েছে। গত রবিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় প্রধানমন্ত্রী এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তেলের মূল্য সমন্বয়ের প্রস্তাবগুলো হস্তান্তর করা হয়। তিনি বিপিসি, জ্বালানি বিভাগ ও অর্থ বিভাগের প্রস্তাব বিশ্লেষণ করে একবারে তেলের দাম না কমিয়ে একাধিক ধাপে মূল্য কমানোর নির্দেশনা দেন। তবে বিশ্ববাজারে তেলের দামের সমান্তরাল হারে মূল্য কমবে না বলে জানান ওই কর্মকর্তা। এ প্রসঙ্গে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ  বলেন, ইতিমধ্যে ফার্নেস তেলের দাম কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। অন্য জ্বালানি তেলগুলোর দাম তিন ধাপে কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এতে বাজার স্থিতিশীল থাকবে। তিনি জানান, প্রথম ধাপে মূল্য কমানোর ঘোষণা এক সপ্তাহের মধ্যেই দেয়া হতে পারে। এরপর সড়ক ও নৌপরিবহন মালিকসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে পরের ধাপগুলোতে দাম কমানোর পদক্ষেপ এবং কী পরিমাণ কমানো হবে তা নির্ধারণ করা হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির (প্রতি ব্যারেল ১২০ মার্কিন ডলার) কারণে সর্বশেষ ২০১৩ সালের ৪ জানুয়ারি বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়। তখন পেট্রোল-অকটেন লিটার প্রতি ৫ টাকা এবং ডিজেল কেরোসিনের দাম ৭ টাকা করে বাড়ানো হয়েছিল। এরপর ২০১৪ সালের জুন থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম প্রতি ব্যারেল (১৫৯ লিটার) ৩০ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে উঠানামা করলেও দেশে তেলের দাম কমানো হয়নি। বর্তমানে অকটেন ৯৯, পেট্রোল ৯৬, ডিজেল ও কেরোসিন ৬৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সর্বশেষ গত ৩১ মার্চ এক প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে ফার্নেস তেলের দাম ১৮ টাকা কমিয়ে ৬০ থেকে ৪২ টাকায় নির্ধারণ করা হয়। এখনও বিপিসি তেলভেদে প্রতি লিটারে ১৫ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত লাভ করছে। আন্তর্জাতিক বাজারদর অনুযায়ী মূল্য সমন্বয় করা হলে এখন প্রতি লিটার ফার্নেস তেলের দাম ৩০ টাকারও কম হওয়ার কথা। আর প্রতি লিটার অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেলের দাম যথাক্রমে ৫৫, ৫০ এবং ৩৮ টাকায় দাঁড়াবে। তবে বিশ্ববাজারের সাথে তেলের মূল্য সমান্তরালভাবে না কমিয়ে কিছুটা কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। জ্বালানি বিভাগ সূত্র জানায়, কম দামে তেল কিনে বেশী দামে বিক্রি করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ইতিমধ্যে অর্থ বিভাগের দায় ছাড়া সকল আর্থিক দেনা শোধ করেছে। গত অর্থ বছরে বিপিসি ৫ হাজার ২৬৮ কোটি টাকা লাভ করেছে। আর চলতি অর্থবছরে (২০১৫-১৬) ৭ হাজার কোটি টাকা লাভের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এরমধ্যেই অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে মুনাফা হয়েছে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা। সব মিলিয়ে বিপিসির হিসাবে ১৪ হাজার কোটি টাকা জমা রয়েছে। এদিকে দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা প্রায় ৫৫ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে ১২ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড তেল এবং ৪২ লাখ মেট্রিক টন পরিশোধিত তেল আমদানি করা হয়। ৩০ হাজার টন পেট্রোলিয়াম পণ্য দেশের বিভিন্ন গ্যাসক্ষেত্র ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়। এ তেল সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় পরিবহন খাতে, ৪৫ শতাংশ। এছাড়া বিদ্যুৎ খাতে ২৫ শতাংশ, কৃষি খাতে ১৯ শতাংশ, শিল্প খাতে ৪ শতাংশ এবং গৃহস্থালী ও অন্যান্য খাতে ৭ শতাংশ।
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
ইস্টার্ন রিফাইনারিতে অগ্নিনির্বাপণ মহড়া অনুষ্ঠিত
এপ্রিল ০২, ২০১৬ শনিবার ১১:৩৫ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন দেশের একমাত্র জ্বালানি তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারিতে দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে দ্রুত, কার্যকর, পরিকল্পিত ও সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণের লক্ষ্যে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বিভাগের সাথে রিফাইনারির নিজস্ব অগ্নিনির্বাপক দলের এক যৌথ ও সমন্বিত মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৮ মার্চ অনুষ্ঠিত মহড়ায় তেলের বৃহদাকার ট্যাংকে অগ্নিনির্বাপণ, বহুতল ভবনের অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধারকার্যক্রম এবং উন্মুক্ত নালায় অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রমে তিনটি অগ্নিনির্বাপক গাড়িসহ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বিভাগের ১৭ জন সদস্য এবং রিফাইনারির অত্যাধুনিক রেপিড ইন্টারভেনশন ভেহিক্যালসহ (আরআইভি) চারটি অগ্নিনির্বাপক গাড়িসহ ১৯ জন সদস্য প্রত্যক্ষভাবে মহড়ায় অংশগ্রহণ করেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী গাজী মো. আলী আফজালসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ মহড়াকালে উপস্থিত ছিলেন। উপ-মহাব্যবস্থাপক (ইন্সপেকশন অ্যান্ড সেফটি) প্রকৌশলী মো. রাশেদ কাউছার মহড়ার সার্বিক সমন্বয় করেন। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড দেশের একমাত্র জ্বালানি তেল শোধনাগার। পরিশোধন পদ্ধতি, তেলের প্রকৃতি ও মজুদের পরিমাণ বিবেচনায় এখানে অগ্নিদুর্ঘটনার ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি। এই ঝুঁকি মোকাবেলা বা প্রশমনের জন্য এখানে প্রশিক্ষিত ও সুসজ্জিত অগ্নিনির্বাপক দল সার্বক্ষণিকভাবে নিয়োজিত রয়েছে।  
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
ফার্নেস তেলের দাম লিটার প্রতি ১৮ টাকা কমলো
মার্চ ৩১, ২০১৬ বৃহস্পতিবার ১১:৫০ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
প্রতি লিটার ফার্নেস তেলের দাম ৬০ টাকা থেকে কমিয়ে ৪২ টাকা করে এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার জারি করা জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আহসানুল জব্বার স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাত ১২টা থেকে নতুন দর কার্যকর হবে। ফার্নেস তেল মূলত বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। তবে অন্যসব জ্বালানি তেলের দাম কমানোর দাবি থাকলেও সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি সরকার। কয়েকদিন আগে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছিলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে ফার্নেস তেলের দাম কমানো হবে। এই দাম কমার ফলে গ্রাহক পর্যায়ে কোনো প্রভাব পড়বে না। তবে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরিচালনার খরচ কমবে। বর্তমানে মোট বিদুৎ উৎপাদনের ২১.৫৬ শতাংশ বা ২,৫০৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ফার্নেস তেল থেকে উৎপাদন হয়। এছাড়া বিভিন্ন শিল্পকারখানায়ও ফার্নেস তেল ব্যবহার হয়। “বর্তমানে ফার্নেস তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ হচ্ছে ১৩ থেকে ১৪ টাকা। এখন প্রতি লিটার ফার্নেস তেলের দাম ১৮ টাকা কমে যাওয়ায় বছরে গড়ে ২০০ কোটি টাকার মতো খরচ কমবে। সেই সাথে উৎপাদন খরচ প্রতি ইউনিটে কমে দাঁড়াবে ১১ থেকে ১২ টাকায় ।” বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য (উৎপাদন) খালেদ মাহমুদ এনার্জিনিউজবিডি ডটকমকে এ কথা বলেন।
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
    সাম্প্রতিক পেট্রোলিয়াম এর খবর
ইস্টার্ন রিফাইনারিতে অগ্নিনির্বাপণ মহড়া অনুষ্ঠিত
ফার্নেস তেলের দাম লিটার প্রতি ১৮ টাকা কমলো
ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপ লাইন সহযোগিতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
বিপিসি’র নতুন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহমুদ রেজা খান
জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের প্রস্তাব
জ্বালানি তেল বিক্রয় থেকে ১১৭৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা সাশ্রয় হয়েছে: নসরুল
সংসদে পেট্রোলিয়াম বিল ২০১৬ উত্থাপন
২৬ হাজার কোটি টাকার ঋণ ভর্তুকি হিসেবে চায় বিপিসি
জ্বালানী তেলের দাম কমাতে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির পরামর্শ
জ্বালানি তেলের দাম কমার ধাক্কা বাংলাদেশের রেমিটেন্সের ওপর
মেঘনা পেট্রোলিয়ামের এজিএম ২০ ফেব্রুয়ারি
পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানিতে বিইআরসির লাইসেন্স পরীক্ষা বাধ্যতামূলক
‘দেশে এবার জ্বালানি তেলের দাম কমছে’
পানির চেয়েও সস্তা এখন জ্বালানি তেল
বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানি তেল আমদানি উম্মুক্ত হচ্ছে
‘চলতি সেচ মৌসুমে সাড়ে ১৭ লাখ টন ডিজেল প্রয়োজন’
বাংলাদেশ থেকে জ্বালানি তেল আমদানিতে আগ্রহী নেপাল
জ্বালানি তেলের বর্ধিত উত্তোলন কমাবে না ওপেক
জ্বালানি তেলের মূল্য কমার ধারা কয়েক বছর চলতে পারে
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy

   Editor & Publisher: Aminur Rahman
   Copyright @ 2015-2017 energynewsbd.com
   All Rights Reserved | Developed By: Jadukor IT