ঢাকা, বুধবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৮, অগ্রহায়ণ ২৭, ১৪২৫ ০৩:৩৪ এএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
পেট্রোলিয়াম
বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করলেন দুই প্রধানমন্ত্রী
ডিজেল আমদানির জন্য ভারতের শিলিগুড়ি থেকে বাংলাদেশের  পার্বতীপুর পর্যন্ত ১৩০ কিলোমিটার বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার বিকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকায় গণভবন থেকে এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দিল্লী থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন বলে সংবাদ সংস্থা বাসস জানায়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ পাইপলাইন নির্মাণ উভয় দেশের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার ইতিহাসে আরেকটি মাইলফলক। তিনি বলেন, এটি হবে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রথম পাইপলাইন যা দিয়ে ভারতের শিলিগুড়িতে অবস্থিত নুমালীগড় তেল শোধনাগার হতে বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর ডিপোতে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হবে। শেখ হাসিনা বলেন, প্রাথমিকভাবে বছরে আড়াই লাখ মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহ করা হবে এবং তা পর্যায়ক্রমে ৪ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হবে। এই পাইপলাইনের ১২৫ কিলোমিটার পড়েছে বাংলাদেশে, আর ভারতের অংশে পড়েছে বাকি ৫ কিলোমিটার। ২২ ইঞ্চি ব্যাসের এই পাইপলাইন দিয়ে বছরে ১০ লাখ মেট্রিক টন তেল সরবরাহ করা যাবে। ৫২০ কোটি টাকার এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ভারতের গ্রান্ড এইড প্রোগ্রামের আওতায় পাওয়া যাবে ৩০৩ কোটি রুপি। আর বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ১৫০ কোটি টাকার যোগান দেবে। ২০১৬ সালের মার্চ মাসে ভারত থেকে রেল ওয়াগনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি শুরু করেছিল বাংলাদেশ। পাইপ লাইন হয়ে গেলে তেল আমদানিতে পরিবহন খরচ ও সময় দুটোই বাঁচবে। বিপিসি কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে বিদেশ থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিতে প্রতি ব্যারেলে পরিবহন খরচ হয় ৩ ডলারের মত। সেই তেল চট্টগ্রামে শোধন করে সড়কপথে পাঠানো হয় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। চট্টগ্রাম থেকে সড়ক পথে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় তেল পরিবহনে খরচ হয় ব্যারেলপ্রতি ৪ থেকে ৫ ডলার। ফলে পরিবহন ব্যয় দাঁড়ায় সব মিলিয়ে ৭ থেকে ৮ ডলার।  আর ভারত থেকে পাইপলাইনে পরিশোধিত তেল এনে দেশের উত্তরাঞ্চলে সরবরাহ করতে পরিবহন ব্যয় হবে সাড়ে ৫ ডলারের মত।  ২০১৫ সালে দুই দেশের মধ্যে এই পাইপলাইন নির্মাণের আলোচনা শুরুর পর একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। গত বছরের অগাস্টে দুই দেশের সরকার প্রকল্পটি অনুমোদন করলে নির্মাণ কাজ শুরুর প্রস্তুতি শুরু হয়। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী সুষমা স্বরাজ, বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক, ভারতের পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাস বিষয়ক মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, ঢাকায় ভারতের হাই কমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন।
ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ পাইপলাইন এর নির্মাণ কাজ উদ্বোধন মঙ্গলবার
সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৮ সোমবার ১০:৪১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ভারতের নুমিলীগড় রিফাইনারি লিমিটেড থেকে ডিজেল আমদানি করার জন্য ১৩০ কিলোমিটার ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ পাইপ লাইন এর নির্মাণ কাজ  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যৌথভাবে মঙ্গলবার উদ্বোধন করবেন। ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী এ প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন সরকারের ভারপ্রাপ্ত সচিব পদমর্যাদায় কর্মরত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন(বিপিসি)এর চেয়ারম্যান মোঃ আকরাম-আল-হোসেন। তিনি বলেন, বর্তমানে আমদানিকৃত তেল চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ হতে খালাস করে চট্টগ্রাম ডিপোতে সঞ্চয় করে রাখা হয়। পরে কোস্টাল ট্যাংকে করে খুলনার দৌলতপুর ডিপোতে আনা হয়। সেখানে আনলোড করে আবার রেলের ওয়াগনে আপলোড করে নিয়ে যাওয়া হয় পার্বর্তীপুরে। এ প্রক্রিয়ায়, পরিবহন জনিত সমস্যা, অতিরিক্ত সময় এবং অর্থের অবচয় হয়। পাইন লাইনের মাধ্যমে তেল আনলে এই তিনটারই সাশ্রয় হবে বলে জানান তিনি। জ্বালানি নিরাপত্তা আরো জোরদার করতে এ পাইপলাইন কার্যকরী অবদান রাখবে বলে মনে করেন বিপিসি চেয়ারম্যান। পাইপ লাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি সংক্রান্ত ক্রয়-বিক্রয় চুক্তি গত ২২ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে স্বাক্ষরের পরে গত ৯ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়। এ পাইপ লাইনের মাধ্যমে প্রথমে দুই দশমিক পাঁচ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি করা হবে প্রথম তিন বছর ধরে । পর্যায়ক্রমে এ সরবরাহের পরিমাণ বেড়ে শেষ পাঁচ বছর চার লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করা হবে। বাংলাদেশের চাহিদা অনুযায়ী ভবিষ্যতে প্রয়োজনে জ্বালানি তেলের আমদানি এই পাইপ লাইনের মাধ্যমে আরও বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে। নুমালীগড় রিফাইনারী উক্ত পাইপ লাইনের মাধ্যমে ১৫ বছরের জন্য ডিজেল সরবরাহ করবে। উভয় পক্ষের সম্মতিক্রমে এ সময় বর্ধিত করা যাবে।   ভারতের শিলিগুড়ি হতে বাংলাদেশের পার্বতীপুর পর্যন্ত প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পাইপ লাইন নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে ডিজেল ক্রয়-বিক্রয় চুক্তি কার্যকর হবে। উল্লেখ্য  যে, গত ১৯ মার্চ ২০১৬ তারিখে রেল ওয়াগনের মাধ্যমে ২,২৬৮ মেট্রিকটন ডিজেল পার্বতীপুর ডিপোতে ভারতের নুমালীগড়  রিফাইনারি থেকে অনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা হয়। রেল ওয়াগনের মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে ২০১৮ সালের জুলাই পর্যন্ত প্রায় ৫৪,৭০০ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি করা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, চলতি বছরের আগষ্ট-ডিসেম্বর পর্যন্ত আরো প্রায় ৫০,০০০ মেট্রিক টন ডিজেল ভারত থেকে রেল ওয়াগনের মাধ্যমে আমদানি করা হবে।
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
চার বছরে বিপিসি ২৬ হাজার কোটি টাকা লাভ করেছে
জুলাই ০২, ২০১৮ সোমবার ০৬:২০ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
আন্তর্জাতিক বাজার মূল্যের চেয়ে দেশে বেশি দামে জ্বালানি তেল বিক্রি করে গত চার বছরে প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকা লাভ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৮ এবং রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট সংক্ষিপ্তসার বিশ্লেষণে জানা যায়, ২০১৪-১৫ থেকে চলতি অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় চার বছরে বিপিসি মুনাফা করেছে ২৫ হাজার ৮১৬ কোটি টাকা। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম নিম্নমুখী হয় ২০১৫ সালের শুরুর দিকে। ওই সময় থেকে বিপিসি মুনাফা অর্জন শুরু করে। পরের দুই বছরও আন্তর্জাতিক বাজারের তেলের দাম ছিল নিম্নমুখী। এ সময় দেশে তেলের দাম না কমিয়ে টানা মুনাফা করে বিপিসি। গত বছর আন্তর্জাতিক বাজার দরে ঊর্ধ্বগতি দেখা দেয়। গত নভেম্বর-ডিসেম্বরের দিকে আন্তর্জাতিক দর দেশীয় দরকে ছাড়িয়ে যায়। এতে ডিজেল, কেরোসিন ও ফার্নেস তেল বিক্রিতে লোকসান গুনছে বিপিসি। এজন্য সম্প্রতি দাম বাড়াতে জ্বালানি বিভাগে প্রস্তাবও দিয়েছে বিপিসি। তবে পেট্রল, অকটেন ও জেট ফুয়েলে মুনাফা করছে বলে বিপিসির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। এদিকে চার বছরে প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকা মুনাফা করলেও সরকারের তহবিলে মাত্র দুই হাজার ৯৫০ কোটি টাকা জমা দিয়েছে বিপিসি। প্রথম বছর মুনাফার কোনো অংশ সরকারের তহবিলে জমা দেয়নি সংস্থাটি। তবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে দফায় দফায় চিঠি বিনিময়ের পর ২০১৫-১৬ অর্থবছর এক হাজার কোটি টাকা জমা দেয় সরকারি তহবিলে। যদিও পাঁচ হাজার কোটি টাকা চাওয়া হয়েছিল। আর গত অর্থবছর আড়াই হাজার কোটি জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হলেও মাত্র এক হাজার ২০০ কোটি টাকা দেয় বিপিসি। আর মুনাফা কমে যাওয়ার যুক্তিতে চলতি অর্থবছর ৭৫০ কোটি টাকা লভ্যাংশ দিয়েছে সংস্থাটি। তবে সরকারের ঋণ পরিশোধ করেনি সংস্থাটি।
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনে ফ্রান্সের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ
এপ্রিল ১০, ২০১৮ মঙ্গলবার ১০:১৫ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনে ফ্রান্সের সহযোগিতা চেয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। গত ৮ এপ্রিল সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রীর অফিস কক্ষে তার সাথে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মারি আনিক বুর্দিন  সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ সহযোগিতা চান। এ সময় তারা পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ে আলোচনা করেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের পারস্পারিক সহযোগিতার উপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, আমাদের সম্পর্ক সুদৃঢ় করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। এ সময় ফ্রান্সের কোম্পানি টেকনিপ এর মাধ্যমে ইষ্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয়  ইউনিট স্থাপন, লাফার্জ সিমেন্ট, ক্লীন এনার্জি, আধুনিক প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়, এলএনজি  ইত্যাদি বিষয়ে নিয়ে আলোচনা হয়। ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফ্রান্স বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী দেশ। উন্নত কারিগরি সহযোগিতা, প্রশিক্ষণ ইত্যাদি বিষয়ে ফ্রান্স আরো আবদান রাখতে পারে। তিনি আরো বলেন, আলোচনার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করলে উভয় দেশ উপকৃত হবে।
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং প্রকল্পের কাঠামোগত চুক্তি সম্পন্ন
অক্টোবর ৩০, ২০১৭ সোমবার ০১:৩৬ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
আমদানি করা অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ইস্টার্ন রিফাইনারিতে আনতে পাইপলাইন এবং সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং নির্মাণের জন্য ৫৫ কোটি ৪ লাখ মার্কিন ডলার ঋণ দেবে চীন সরকার। বাংলাদেশী মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৪ হাজার ৪৩২ কোটি টাকা। এ ব্যাপারে রোববার ঢাকায় এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে চীনের সাথে বাংলাদেশ একটি কাঠামোগত চুক্তি করেছে। চীন সরকারের পক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত মা মিং কিয়াং ও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব কাজী শফিকুল আযম চুক্তিতে সই করেন। ‘ইনস্টলেশন অব সিঙ্গেল মুরিং উইথ ডবল লাইন’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নে এ অর্থ ব্যয় করা হবে। আমদানি করা অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ইস্টার্ন রিফাইনারিতে আনতে পাইপলাইন নির্মাণ করা হবে প্রকল্পের আওতায়। এ সময় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, তরল জ্বালানির চাহিদা ও সরবরাহে ভারসাম্য আনতে প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়েছে। প্রকল্পের কাজ শেষ হলে আমদানি করা তরল জ্বালানি বড় জাহাজ থেকে নামাতে ছোট জাহাজ প্রয়োজন হবে না। এতে সিস্টেম লসের পরিমাণ কমে আসবে। কমবে তেল আমদানির ব্যয়ও। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৯৩৬ কোটি টাকা। এ প্রকল্পে চীন সরকারের নমনীয় ঋণ হিসেবে পাওয়া যাবে ৮ কোটি ২৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার। অবশিষ্ট ৪৬ কোটি ৭৮ লাখ ৪০ হাজার ডলার পাওয়া যাবে বায়ার্স ক্রেডিট হিসেবে। চুক্তি অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশের বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) দেশের বড় একটি প্রতিষ্ঠান। বছরে প্রায় ৫০০ কোটি ডলার টার্নওভার হলেও প্রতিষ্ঠানটির কাজ তেল আমদানি ও বিক্রয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ। এবারই প্রথমবারের মতো একটি অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং টার্মিনাল প্রকল্প বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্কে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে বলে মনে করেন নসরুল হামিদ। এ বিষয়ে চুক্তি হওয়ায় বাংলাদেশ সরকার আরও বড় আকারের প্রকল্প বাস্তবায়নে উৎসাহিত হবে বলেও তিনি মনে করেন। তিনি জানান, সরকার সারা দেশে গ্যাস সরবরাহের পাইপলাইন স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে। এছাড়া উপকুলে দুইটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব কাজে উপযুক্ত অংশীদার অনুসন্ধান করছে সরকার। এসব প্রকল্পে চীন সরকার ভালো অংশীদার হতে পারে বলে তিনি মনে করেন। ভোলায় নতুন সন্ধান পাওয়া গ্যাস সম্পর্কে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সরকারের অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশ সরকার এসব বিষয়ে চীনকে সহায়ক হিসেবে পাশে পেতে চায়। বিদ্যুৎ খাতের ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের দুই বড় প্রকল্পে চীন অর্থায়ন করবে বলেও তিনি জানান। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ফলে জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি আমদানিকৃত ক্রুড অয়েল এবং ফিনিশড প্রডাক্ট (এইচএসডি) সহজে, নিরাপদে, স্বল্প খরচে ও স্বল্প সময়ে খালাশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি লাইটারেজ অপারেশনের মাধ্যমে ক্রুড অয়েল ও ফিনিশড প্রডাক্ট আমদানিতে যে সিস্টেম লস হয়, তা কমানো যাবে এবং দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা হবে।
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
আবারও চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম কমানো হচ্ছে
ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০১৭ রবিবার ১২:১৯ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম ফের কমাতে যাচ্ছে সরকার। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য কম থাকায় দেশের অভ্যন্তরে পেট্রল ও অকটেনে ৫ শতাংশ এবং কেরোসিন ও ডিজেলে ৮ শতাংশ দাম কমানো হতে পারে। এর ফলে পেট্রলের দাম হবে ৮১ টাকা ৭০ পয়সা, অকটেনের দাম হবে ৮৪ টাকা ৫৫ পয়সা। আর কেরোসিন এবং ডিজেলের দাম হবে ৬০ টাকা। এ চার পণ্যের দাম কমানো হলেও আপাতত পরিবর্তন হচ্ছে না জেট-এ-১ এবং ফার্নেস অয়েলের দাম। চলতি সপ্তাহেই দাম কমানোর একটি প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হতে পারে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। পরে তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। প্রধানমন্ত্রী এতে অনুমোদন দিলে তা কার্যকরের উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানান তিনি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ প্রস্তাব অনুমোদন পেলে বিশেষ করে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম কমালে বা সমন্বয় করলে দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও গ্রামাঞ্চলের মানুষই বেশি উপকৃত হবে। ডিজেলের দাম কমলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ভর্তুকি কমবে। পাশাপাশি কৃষক ও বিদ্যুৎচালিত পাম্প ব্যবহারকারীরাও বিশেষ সুফল পাবে। জ্বালানি তেলের দাম কমানোর ব্যাপারে অর্থ মন্ত্রণালয় একটি সারসংক্ষেপ তৈরি করেছে। সারসংক্ষেপে পেট্রলের দাম ৪ টাকা ৩০ পয়সা, অকটেনের ৪ টাকা ৪৫ পয়সা কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। দেশের বাজারে বর্তমানে পেট্রলের খুচরা মূল্য ৮৬ টাকা। ৪ টাকা ৩০ পয়সা কমালে পেট্রলের দাম হবে ৮১ টাকা ৭০ পয়সা। অকটেন বিক্রি হচ্ছে ৮৯ টাকায়। ৪ টাকা ৪৫ পয়সা কমালে এটির মূল্য হবে ৮৪ টাকা ৫৫ পয়সা। একই ভাবে কেরোসিন ও ডিজেলে ৫ টাকা করে কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে দুইটি পণ্যই ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ৫ টাকা করে কমালে পণ্য দুইটির মূল্য হবে ৬০ টাকা করে। তবে এ চার জ্বালানি পণ্যের দাম কমানো হলেও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) প্রতিটিতেই লাভে থাকবে। পেট্রলে লাভ হবে ১১৬ কোটি টাকা, অকটেনে লাভ হবে ১২৫ কোটি টাকা, কেরোসিনে লাভ হবে ৩৩৫ কোটি টাকা, আর ডিজেলে লাভ হবে ১ হাজার ২৭৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ দাম কমানোর পরও জ্বালানি খাতের এ চার পণ্য থেকেই বিপিসি বছরে ১ হাজার ৮৫৪ কোটি ৭২ লাখ টাকা লাভ করবে। আগামী দিনে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য কেমন থাকবে, তা বিশ্লেষণ করে এ প্রস্তাবগুলো করা হয়েছে বলে সারসংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, সম্প্রতি প্রকাশিত ব্লুমবার্গ নিউজ অনুযায়ী, গেল তিন বছরে জ্বালানি তেলের মূল্য পতন হলেও বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০১৭ সালে এটি কিছুটা স্থিতিশীল থাকবে। এক্ষেত্রে জ্বালানি তেল বিশেষ করে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল বিক্রি হবে ব্যারেলপ্রতি ৫৮ মার্কিন ডলারে। আর গালফ রিসার্চ সেন্টারের তথ্য মতে, চলতি বছর তেলের ব্যারেলপ্রতি মূল্য ৬০ মার্কিন ডলারের মধ্যেই ওঠানামা করবে। এছাড়া বিশ্বব্যাংকের প্রক্ষেপণ অনুযায়ীও চলতি বছর ব্যারেলপ্রতি মূল্য দাঁড়াবে ৫৫ দশমিক ২ মার্কিন ডলার। এ হিসেবে বলা যায়, চলতি বছর ব্যারেলপ্রতি জ্বালানি তেলের মূল্য ৬০ মার্কিন ডলারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। ৬০ মার্কিন ডলার বিবেচনায় হিসাব করলে আট শতাংশ কমালে ডিজেলে লাভ থাকবে ৩ টাকা ২২ পয়সা। কেরোসিনের মূল্যও ৬০ টাকা ধরলে লাভ হবে ১০ টাকা ৫৬ পয়সা।
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
ইআরএল এর দ্বিতীয় ইউনিট নির্মাণের নকশা তৈরিতে চুক্তি সই
জানুয়ারি ১৮, ২০১৭ বুধবার ১০:৪৯ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধনে ইনস্টলেশন অব ইআরএল ইউনিট-২ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ও ফ্রান্সের প্রতিষ্ঠান টেকনিপ এর মধ্যে ফ্রন্ট ইন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিজাইন সার্ভিসেস চুক্তি সই হয়েছে। বুধবার রাজধানীতে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ওই চুক্তিতে সই করেন বিপিসি’র পক্ষে পরিচালক (অপারেশন) সৈয়দ মোঃ মোজাম্মেল হক এবং টেকনিপ এর পক্ষে টেকনিপ মালয়েশিয়ার পরিচালক আমরান বিন আহমেদ ও টেকনিপ ফ্রান্সের সেলস্ ম্যানেজার দিদিয়ার লিকোক্স। বিপিসির একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল)। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ  বলেন, অপরিশোধিত তেল দেশেই পরিশোধন করা হবে। দেশ পেট্রোল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ; অকটেনও উৎপাদন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের বর্তমান চাহিদা সাড়ে পাঁচ মিলিয়ন মেট্রিক টন। ইস্টার্ন রিফাইনারিতে বার্ষিক দেড় মিলিয়ন টন অপরিশোধিত তেল পরিশোধিত হয়। ইউনিট-২ চালু করা হলে এখান থেকে আরো তিন মিলিয়ন টন তেল পরিশোধিত করা যাবে। অর্থাৎ ইস্টার্ন রিফাইনারিতেই সাড়ে চার মিলিয়ন টন তেল পরিশোধিত করা হবে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা আরো নিশ্চিত হবে। ২০১৫ সালের ১১ নভেম্বর রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনের জন্য বিপিসি ও টেকনিপ এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। ইআরএল ইউনিট-২ স্থাপনে প্ল্যান্টের ফ্রন্ট ইন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিজাইন প্রণয়নের জন্য টেকনিপকে ৩০.৭৫ মিলিয়ন ইউরো দেবে বিপিসি। ইনস্টলেশন অব ইআরএল ইউনিট-২ প্রকল্পের  মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ৭৩৯ (প্রায় ২০৯২.৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) কোটি টাকা এবং বাস্তবায়নকাল জানুয়ারি ২০১৮ হতে ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত। প্রকল্পটি বিপিসি’র নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রস্তাবিত ইআরএল ইউনিট-২ প্রকল্পে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন অর্থাৎ ইউরো-৫ মানের পেট্রোলিয়াম পণ্য উৎপাদিত হবে। এ সময় অন্যান্যের মাঝে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, বিপিসির চেয়ারম্যান আবু হেনা মোঃ রহমাতুল মূনীম ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত সূফী আবার্ট বক্তব্য দেন।  
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
‘জ্বালানি তেলের দাম আপাতত কমছে না’
জানুয়ারি ১৮, ২০১৭ বুধবার ১০:০২ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিশ্ব বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় আপতত দেশে তেলের দাম কমানো হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। বুধবার রাজধানীতে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ও ফ্রান্সের প্রতিষ্ঠান টেকনিপ এর সাথে ‘ইনস্টলেশন অব ইআরএল ইউনিট-২’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রকৌশল নকশা প্রণয়ন কাজের চুক্তি সই অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। গত বছরের নভেম্বর ও ডিসেম্বরে দুই দফায় সবধরনের জ্বালানি তেলের দাম কমানোর আশ্বাস দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে গেছে। তাই সরকার দেশে তেলের দাম কমাবে না। ২০১৪ সালের জুন থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমতে থাকে। ওই সময় প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ১১৭ মার্কিন ডলারে বিক্রি হলেও গত বছরের ডিসেম্বর নাগাদ এই দাম কমে ২৮ মার্কিন ডলারে নেমে যায়। এমন পরিস্থিতিতে ভোক্তাদের দাবির মুখে গত বছরের ১৭ নভেম্বর এবং ২৮ ডিসেম্বর তেলের দাম কমানোর আশ্বাস দেন অর্থমন্ত্রী । অর্থমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, চলতি মাস থেকে দাম কমানোর কথা ছিল। কিন্তু আজই তা নাকচ করে দেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী।  
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
ইস্টার্ন রিফাইনারি এর দ্বিতীয় ইউনিট নির্মাণে নকশা তৈরির জন্য চুক্তি সই বুধবার
জানুয়ারি ১৮, ২০১৭ বুধবার ১০:১৪ এএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
জ্বালানি তেল পরিশোধেনে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনে এর নকশা তৈরির জন্য ফ্রান্সের টেকনিপ কোম্পানীর সাথে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে এক চুক্তি সই করবে। এর মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন দেশের একমাত্র জ্বালানি তেল পরিশোধন স্থাপনা ইআরএল এর দ্বিতীয় ইউনিটের নির্মাণ প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে বলে জানান বিপিসি’র পরিচালক (অপারেশন ও পরিকল্পনা) সৈয়দ মো. মোজাম্মেল হক। তিনি জানান, টেকনিপের তৈরি করা নকশা ডিজাইন অনুযায়ী  রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিটের অবকাঠামো এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি স্থাপিত হবে। দ্বিতীয় ইউনিটের নকশা তৈরিতে ৩২২ কোটি টাকা দিতে হবে ফ্রান্সের কোম্পানিটিকে। আগামী ১১ মাসের মধ্যে টেকনিপ এ ডিজাইন তৈরি করে দেবে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ইস্টার্ন রিফাইনারি’র দ্বিতীয় ইউনিট উৎপাদনে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে সব মিলিয়ে বিপিসির খরচ হবে ১৬ হাজার কোটি টাকা। বিপিসি’র অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ইআরএল এর বর্তমান বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ১৫ লাখ মেট্রিক টন। বিদেশ থেকে আমদানি করা অপরিশোধিত জ্বালানি বা ক্রুড ইস্টার্ন রিফাইনারিতে পরিশোধন করা হয়। বর্তমানে এটি ধারণ ক্ষমতার ৯৬ থেকে ৯৭ শতাংশ পর্যন্ত জ্বালানি পরিশোধন করতে পারে। দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা হবে ৩০ লাখ টন। এতে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন ক্ষমতা ৪৫ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হবে। দেশে বর্তমানে জ্বালানির চাহিদা রয়েছে ৫৫ লাখ মেট্রিক টন।      
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
২,২৮১ টন ডিজেল ভারত থেকে আমদানি করলো বাংলাদেশ
জানুয়ারি ১৪, ২০১৭ শনিবার ১০:২১ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশে সরবরাহের জন্য ভারতের নুমিলীগড় রিফাইনারি লিমিটেড থেকে ২,২৮১ মেট্রিক টন ডিজেল খালাস করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রেলওয়ের ৪২টি বগি নিয়ে ৫১৬ কিলোমিটার (ভারতের অংশে ২৫৩ কিমি ও বাংলাদেশ অংশে ২৬৩ কিমি) পথ অতিক্রম করে ভারতের শিলিগুড়ি থেকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের পার্বতীপুর ডিপোতে এ জ্বালানি তেল পৌঁছে দেওয়া হয়। সম্প্রতি নুমিলীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের সাথে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন এই তেল ক্রয়ে একটি চুক্তি করে। চুক্তি অনুযায়ী, বছরে ভারত থেকে বাংলাদেশে এক মিলিয়ন টন জ্বালানি তেল আমদানি করবে। এজন্য যৌথ উদ্যোগে ১৩১ কিলোমিটার পাইপলাইন নির্মাণ করারও কথা রয়েছে। সূত্র: দ্যা ইকোনোমিক টাইমস  
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
পেট্রোল, অকটেন, ডিজেল ও কেরোসিনের দাম ফের কমছে
ডিসেম্বর ০৩, ২০১৬ শনিবার ১১:৫১ এএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
আগামী সপ্তাহে ফের পেট্রোল, অকটেন, ডিজেল ও কেরোসিনের দাম কমাচ্ছে সরকার। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, এবার জ্বালানি তেলের দাম পণ্য ভেদে লিটার প্রতি পাঁচ থেকে দশ টাকা পর্যন্ত কমতে পারে। এ বছরের ৩১ মার্চ ফার্নেস অয়েলের দাম লিটার প্রতি ৬০ টাকা থেকে কমিয়ে ৪২ টাকায় নির্ধারণ করে সরকার। যা ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়। আর চলতি বছরের ২৫ এপ্রিল থেকে লিটার প্রতি অকটেন ও পেট্রোলের দাম ১০ টাকা এবং ডিজেল ও কেরোসিনের দাম ৩ টাকা করে কমানো হয়। বর্তমানে লিটার প্রতি অকটেন ৮৯ টাকা, পেট্রোল ৮৬ টাকা এবং ডিজেল ও কেরোসিন ৬৫ টাকা দরে গ্রাহক পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে। জ্বালানি তেলের দাম কমানোর বিষয়ে একটি প্রস্তাব জ্বালানি বিভাগ থেকে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়। যাতে সম্মতি পাওয়া গেছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।    
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
তেলের দাম কমানো হবে : মুহিত
নভেম্বর ১৭, ২০১৬ বৃহস্পতিবার ১১:২২ পিএম - বাসস
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য পতনের প্রেক্ষিতে সরকার পেট্রোলিয়াম পণ্যের দাম যুক্তিসঙ্গত করতে তেলের দাম কমানোর পরিকল্পনা করছে। বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যেই তেলের দাম কমিয়েছি। আমরা মনে করছি আবারো তেলের দাম কমালে তা দেশের অর্থনীতির জন্য মঙ্গলজনক হবে।’ মিশন প্রধান ব্রিয়ান ইটকেনের নেতৃত্বে বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আইএমএফ’র সিনিয়র অর্থনীতিবিদ জিরি জোনাস, অর্থনীতিক জয়েন্দু দে, আবাসিক প্রতিনিধি স্টিলা কায়েন্দ্র, নিরাপত্তা উপদেষ্টা ডেভিড কেহয়ে ও নির্বাহী পরিচালক সবীর গোকান। মুহিত বলেন, ‘শিগগিরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করার পর আমরা এ ব্যাপারে একটা ঘোষণা দেব।’ সরকার চলতি বছরের এপ্রিলে বিভিন্ন পেট্রোল পণ্যের দাম লিটার প্রতি তিন থেকে ১০ টাকা কমিয়েছে। প্রতি লিটার অকটেন ও পেট্রোলের দাম কমানো হয়েছে ১০ টাকা করে। তাছাড়া প্রতি লিটার ডিজেল ও কেরোসিনের দাম কমানো হয়েছে ৩ টাকা করে। মুহিত বলেন, ‘আমরা তেলের দাম আরো কমানোর জন্য একটা সমন্বয় সভায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখন আমরা এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি করছি।’ আইএমএফ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এটা মূলত একটা সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং এ দলটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রশংসা করেছে।  
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
সংসদে পেট্রোলিয়াম বিলের রিপোর্ট উপস্থাপন
এপ্রিল ২৫, ২০১৬ সোমবার ১০:৪৪ পিএম - বাসস
পেট্রোলিয়াম বিল ২০১৬ এর ওপর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির রিপোর্ট সোমবার সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি তাজুল ইসলাম রিপোর্টটি উপস্থাপন করেন। রিপোর্টে বিলটি সংশোধিত আকারে পাসের সুপারিশ করা হয়। পেট্রোলিয়াম এবং অন্যান্য প্রজ্জ্বলনীয় পদার্থ আমদানি, পরিবহন, মজুদ, উৎপাদন, শোধন, মিশ্রণ এবং প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে পুনঃব্যবহার উপযোগীকরণ ও বিতরণ সম্পর্কিত বিধানের প্রস্তাব করে গত ১০ ফেব্রুয়ারি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিলটি উত্থাপন করেন। বিলে পেট্রোলিয়াম আইন ১৯৩৪ রহিত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিলে বলা হয়, আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইন বা আইনের মর্যাদাসম্পন্ন অন্য কোনো আইনগত দলিলে ভিন্নতর যা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের বিধানাবলী প্রাধান্য পাবে। বিলে বলা হয়, ধারা ৩২ এর উপ-ধারা (২) এর অধীন প্রণীত বিধির বিধানাবলী অনুসরণ ব্যতিত, পেট্রোলিয়াম উৎপাদন, শোধন, মিশ্রণ বা প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে পুনঃব্যবহার করা যাবে না। বিলে লাইসেন্স ও তাতে বিধৃত শর্ত ব্যতিত পেট্রোলিয়াম আমদানি, পরিবহন, মজুদ ও বিতরণ করতে পারবে না বলে বিধানের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে ২ হাজার লিটার তার কম পরিমাণ পেট্রোলিয়াম মজুদ, পরিবহন করতে শর্তসাপেক্ষে লাইসেন্সের প্রয়োজন হবে না। এছাড়া স্থির ইঞ্জিনে ব্যবহারের ক্ষেত্রে লাইসেন্স দরকার হবে না। বিলে লাইসেন্স গ্রহণ, প্রদান, পেট্রোলিয়াম পরীক্ষণ, সরঞ্জামের সনদপত্র প্রদান, পরীক্ষণ কর্মকর্তা, পরীক্ষণের ধরন, পরীক্ষণের সনদ, পুনঃপরীক্ষণের অধিকারসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিধানের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিলে উল্লেখিত বিধান লংঘনজনিত অপরাধ, অপরাধের তদন্ত ও দন্ড বিধানের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া বিলে পেট্রোলিয়ামজনিত দুর্ঘটনা, এর প্রতিবেদন ও অপরাধের বিচারসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিধানের প্রস্তাব করা হয়েছে।
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
অবশেষে কমলো জ্বালানি তেলের দাম
এপ্রিল ২৪, ২০১৬ রবিবার ০৭:৩৮ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
জ্বালানি তেলের দাম লিটার প্রতি পেট্রোল-অকটেনে ১০ টাকা এবং ডিজেল-কেরোসিনে ৩ টাকা করে কমিয়েছে সরকার । রোববার  রাত ১২টার পর থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে বলে  বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী সোমবার থেকে যথাক্রমে ডিজেল ও কেরোসিন ৬৫ টাকা এবং পেট্রোল, অকটেন যথাক্রমে ৮৬ ও ৮৯ টাকায় পাওয়া যাবে। সর্বশেষ ২০১৩ সালের ৪ জানুয়ারি জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে লিটার প্রতি ডিজেল ও কেরোসিন ৬৮ টাকা, পেট্রোল ৯৬ টাকা এবং অকটেন ৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এর আগে গত ১ এপ্রিল ফার্নেস অয়েলের দাম ১৮ টাকা  কমিয়ে ৪২ টাকা করা হয়। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার ২০০৯ সালের জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর ওই মাসেই ডিজেল ও কেরোসিনের মূল্য লিটার প্রতি ২ টাকা এবং ফার্নেস অয়েলের মূল্য লিটার প্রতি ৪ টাকা করে কমিয়ে যথাক্রমে ৪৪ টাকা ও ২৬ টাকায় পুন:নির্ধারণ করে। পরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার ভুর্তকি কমানোর জন্য ২০১১ সালে ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের দাম  চার বার এবং ফার্নেস অয়েলের দাম ছয় বার বৃদ্ধি করে।
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
ইআরএল ইউনিট-২-এর জন্য পরামর্শক নিয়োগ চুক্তি সই
এপ্রিল ২১, ২০১৬ বৃহস্পতিবার ১০:৪৭ পিএম - বাসস
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) দ্বিতীয় ইউনিট বাস্তবায়নের জন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে মঙ্গলবার ভারতের শীর্ষস্থানীয় ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্ডিয়া লিমিটেডের (ইআইএল) সঙ্গে এক নিয়োগ চুক্তি সই হয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) দ্বিতীয় ইউনিট বাস্তবায়নের মাধ্যমে এবং এলপিজি প্লান্ট স্থাপনের করে দেশের অভ্যন্তরে জ্বালানির উৎপাদন এবং সরবরাহ বৃদ্ধি করার জন্য একটি সিরিজ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ভারতের পেট্রোলিয়াম ও ন্যাচারাল গ্যাস প্রতিমন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। গত ১৯ এপ্রিল চুক্তিতে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সই করেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের পরিচালক (অপারেশন) মোসলেম উদ্দিন ও ইআইএল’র পরিচালক (মার্কেটিং) উপেন্দ্র মহেশ্বরী। নসরুল বলেন, দেশে পরিশোধিত তেলের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বর্তমান সরকার ২০১৮ সালের মধ্যে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপন করতে পিএমসি (প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট কনসালটেন্ট) নিযুক্ত করেছে। প্রকল্প অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে জ্বালানি পণ্যের চাহিদা বছরে প্রায় ৬৪ লাখ টনে দাঁড়িয়েছে। এর বিপরীতে বর্তমানে অশোধিত তেল প্রক্রিয়াকরণের ক্ষমতা বছরে মাত্র ১৫ লাখ টন। সরকার দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ফলে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) দ্বিতীয় ইউনিট বাস্তবায়নের মাধ্যমে অশোধিত তেল প্রক্রিয়াকরণের গিয়ে ক্ষমতা দাঁড়াবে ৩০ লাখ টনে। ইআরএল ইউনিট-২ বাস্তবায়নের ফলে অশোধিত তেল প্রক্রিয়াকরণের ক্ষমতা প্রতি বছর ৪৫ লাখ টন বৃদ্ধি পাবে এবং এটি দেশের জ্বালানি পণ্যের চাহিদার সরবরাহে অনেকটা ভারসাম্য ফিরিয়ে আনবে। ২০১৮ সালের মধ্যে বছরে ৩০ লাখ টন অশোধিত তেল প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা সম্পন্ন ইআরএল ইউনিট-২ স্থাপনে ব্যয় হবে ৮ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা। ১৯৬৮ সালে চট্টগ্রাম বন্দরের কাছে পতেঙ্গায় ইআরএল স্থাপন করা হয়।
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট নির্মাণে পরামর্শক ভারতের ইআইএল
এপ্রিল ১৫, ২০১৬ শুক্রবার ১০:০৬ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) এর দ্বিতীয় ইউনিট নির্মাণে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্ডিয়া লিমিটেডকে (ইআইএল) পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। এ জন্য ১১০ কোটি ৬১ লাখ টাকা পাবে ইআইএল। দরপত্র ছাড়া বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) (সংশোধন) আইন ২০১৫ এর মাধ্যমে এ নিয়োগ দিচ্ছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। আগামী ১৯ এপ্রিল ইআইএল’র সাথে সমঝোতা স্মারক সই করবে বিপিসি। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পেট্রোলিয়াম ও ন্যাচারাল গ্যাস বিষয়ক মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। ইতিমধ্যে প্রথম ইআরএল’র নির্মাতা ফরাসি কোম্পানি টেকনিপ ইআরএল দ্বিতীয় ইউনিট নির্মাণ প্রকল্পে ইপিসি (প্রকৌশল, আহরণ ও নির্মাণ) ঠিকাদার হিসেবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ২০১৫ সালের নভেম্বরে টেকনিপ’র সাথে বিপিসি ও ইস্টার্ন রিফাইনারি কোম্পানি লিমিটেডের একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। তাদের সাথে দরকষাকষি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, এখন টেননিপ’র সাথে কারিগরি ও আর্থিক বিষয়ে বিভিন্ন শর্তগুলো নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা চলছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্রে জানা গেছে, চীনের উহুয়ান ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড প্রকল্পটিতে অর্থায়নসহ ইপিসি ঠিকাদার হিসেবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে প্রস্তাব দিয়েছে। এ জন্য তারা নিজেদের সরকারের সম্মতিও নিয়েছে।  জ্বালানি মন্ত্রণালয় এবং বিপিসিতে এই প্রস্তাবটি পাঠানো হয়েছে। তবে বিপিসির উর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, ইআরএল-২ নির্মাণে টেকনিপ’র সাথে ইপিসি চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তাই এ মূহুর্তে অন্য কোনো বিষয়কে আর বিবেচনা করা হচ্ছে না। এটি নির্মিত হলে দেশে তেল পরিশোধনের ক্ষমতা তিন গুণ বেড়ে বার্ষিক ৪৫ লাখ টনে দাঁড়াবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ১৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে প্রতি বছর দেড় হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করতে পারবে বাংলাদেশ। ইআরএল দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনের পর বিপিসি বছরে মাত্র ১০ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করবে। গত বছর প্রতিষ্ঠানটি ৫৩ লাখ ৯৩ হাজার টন পরিশোধিত ও ক্রুড তেল আমদানি করে। এতে খরচ হয় ২৬ হাজার ৯৪০ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
২১ থেকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম কমছে
এপ্রিল ১৩, ২০১৬ বুধবার ১১:৩৫ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
আগামী ২১ থেকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। প্রজ্ঞাপন জারির তিন দিন আগে জানিয়ে দেয়া হবে ঠিক কবে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। বুধবার বিকালে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এ তথ্য জানান।  তিনি বলেন, প্রথম দফায় ডিজেলের দাম ৪ থেকে ৫ টাকা এবং অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম ১০ থেকে ১৫ টাকা কমানো হবে। তাই কোনো পেট্রোলপাম্প এই সময়ের মধ্যে তেল বিক্রি না করার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে, বলেন নসরুল। গত ৪ এপ্রিল সরকার তেলের দাম কমানোর ঘোষনা দিলে ডিপো থেকে তেল নেয়া বন্ধ কিংবা কমিয়ে দেয় পেট্রোল পাম্পগুলো। ফলে ৬ এপ্রিল থেকেই কোন কোন পাম্পে তেল না পেয়ে ভোক্তাদের খালি হাতে ফিরতে হয়। আবার কিছু পাম্পে অল্প মজুদ থাকায় গ্রাহকরা চাহিদার কম তেল বেশী দামে কিনতে বাধ্য হন। প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী তেলের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছে কিংবা বিক্রিই বন্ধ করে দিয়েছে। এটি আমাদের নজরে এসেছে। যারা তেল বিক্রি বন্ধ রাখবে কিংবা বেশী দামে বিক্রি করবে তাদের লাইসেন্স বাতিল করে দেয়া হবে। নসরুল বলেন, প্রায় সাড়ে ৩শ’ ভেজাল তেল বিক্রিকারী পেট্রোল পাম্প চিহ্নিত করেছি। ভেজাল তেল বিক্রিতে জড়িত পাম্পগুলোর লাইসেন্স বাতিল করে দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
ক্যাটাগরি: পেট্রোলিয়াম
    সাম্প্রতিক পেট্রোলিয়াম এর খবর
ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট নির্মাণে পরামর্শক ভারতের ইআইএল
২১ থেকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম কমছে
ভেজাল তেল বিক্রয়কারী পেট্রোলপাম্পের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হচ্ছে
জ্বালানি তেলের দাম তিন ধাপে কমানোর সিদ্ধান্ত
ইস্টার্ন রিফাইনারিতে অগ্নিনির্বাপণ মহড়া অনুষ্ঠিত
ফার্নেস তেলের দাম লিটার প্রতি ১৮ টাকা কমলো
ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপ লাইন সহযোগিতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
বিপিসি’র নতুন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহমুদ রেজা খান
জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের প্রস্তাব
জ্বালানি তেল বিক্রয় থেকে ১১৭৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা সাশ্রয় হয়েছে: নসরুল
সংসদে পেট্রোলিয়াম বিল ২০১৬ উত্থাপন
২৬ হাজার কোটি টাকার ঋণ ভর্তুকি হিসেবে চায় বিপিসি
জ্বালানী তেলের দাম কমাতে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির পরামর্শ
জ্বালানি তেলের দাম কমার ধাক্কা বাংলাদেশের রেমিটেন্সের ওপর
মেঘনা পেট্রোলিয়ামের এজিএম ২০ ফেব্রুয়ারি
পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানিতে বিইআরসির লাইসেন্স পরীক্ষা বাধ্যতামূলক
‘দেশে এবার জ্বালানি তেলের দাম কমছে’
পানির চেয়েও সস্তা এখন জ্বালানি তেল
বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানি তেল আমদানি উম্মুক্ত হচ্ছে
‘চলতি সেচ মৌসুমে সাড়ে ১৭ লাখ টন ডিজেল প্রয়োজন’
বাংলাদেশ থেকে জ্বালানি তেল আমদানিতে আগ্রহী নেপাল
জ্বালানি তেলের বর্ধিত উত্তোলন কমাবে না ওপেক
জ্বালানি তেলের মূল্য কমার ধারা কয়েক বছর চলতে পারে
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy

   Editor & Publisher: Aminur Rahman
   Copyright @ 2015-2018 energynewsbd.com
   All Rights Reserved | Developed By: Jadukor IT