ঢাকা, সোমবার, আগস্ট ২০, ২০১৮, ভাদ্র ৫, ১৪২৫ ১০:৩৫ এএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
গ্যাস
‘সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে শিগগিরই বিডিং রাউন্ড ঘোষণা হচ্ছে’
বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য শিগগিরই নতুন প্রডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাক্ট বা পিএসসি করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। বৃহস্পতিবার পেট্রোবাংলার ড. হাবিবুর রহমান অডিটরিয়াম এ জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস-২০১৮ উপলক্ষে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। উপদেষ্টা বলেন, ইতোমধ্যে নতুন বিডিং রাউন্ড ঘোষণার জন্য খসড়া পিএসসি প্রণয়ন করা হয়েছে। এর আলোকেই অগভীর ও গভীর সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য চুক্তি করা হবে। তবে এবারের বিডিং রাউন্ডে স্থলভাগে তথা অনশোরে কোনো পিএসসি হবে না।   তিনি বলেন, মূল্যবান গ্যাসসহ অন্যান্য জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে অপচয় রোধ করে যথাযথ ব্যবহার ও উদ্ভাবনী ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে জ্বালানি সাশ্রয়ের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মো: রহমাতুল মুনিম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে আরো বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এর চেয়ারম্যান মো: আকরাম আল হোসেন, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মোঃ ফয়েজউল্লাহ। সেমিনারের শুরুতে ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের নিহত সদস্যদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সেমিনারে ‘অয়েল অ্যান্ড গ্যাস এক্সপ্লোরেশন অপরচুনিটিস ইন দি অফশোর এরিয়াস অব বাংলাদেশ আন্ডার প্রডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাক্ট (পিএসসি)’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পেট্রোবাংলার মহাব্যবস্থাপক (কন্ট্রাক্ট) শাহনেওয়াজ পারভেজ এবং ‘পেট্রোলিয়াম পাইপলাইন নেটওয়ার্ক ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পদ্মা অয়েল কোম্পানী লিমিটেড এর মহাব্যবস্থাপক (প্রকল্প) মো: আমিনুল হক। সেমিনারে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, পেট্রোবাংলা ও এর অধীনস্থ কোম্পানিসমূহের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  প্রসঙ্গত, স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পর জাতীয় অগ্রগতির লক্ষ্যে যে সকল দূরদর্শী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন তন্মধ্যে জাতীয় জ্বালানির নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিতকরণ ছিল অন্যতম। দেশের অর্থনীতির ভিতকে মজবুত করে সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ৯ আগস্ট তৎকালীন ব্রিটিশ তেল কোম্পানি শেল অয়েল এর নিকট থেকে তিতাস, হবিগঞ্জ, রশিদপুর, কৈলাশটিলা ও বাখরাবাদ-এ ৫টি গ্যাসক্ষেত্র নামমাত্র ৪.৫ মিলিয়ন পাউন্ড স্টার্লিং মূল্যে ক্রয় করে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। এ গ্যাস ক্ষেত্রসমূহকে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় নেয়ার পর থেকে অদ্যাবধি দেশের অর্থনৈতিক বিকাশে এবং জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অতুলনীয় ভূমিকা রেখে চলছে। জাতির পিতার উন্নয়ন ভাবনার পথ অনুরসরণ করে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার ২০১০ সাল থেকে এ দিবসটিকে ‘জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস’ হিসেবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এ দিবসটি উদযাপনের মাধ্যমে জ্বালানি নিরাপত্তায় বঙ্গবন্ধুর অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের পাশাপাশি দেশের উন্নয়নে জ্বালানি খাতের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সংক্রান্ত কার্যক্রমের প্রচারণা এবং জ্বালানির সাশ্রয়ী ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা সম্ভব হচ্ছে।    
হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র থেকে আরো ১৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু
আগস্ট ০৭, ২০১৮ মঙ্গলবার ১২:১৪ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশের জাতীয় গ্যাস গ্রিডে হবিগঞ্জের একটি কূপ থেকে দৈনিক ১৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানী লিমিটেডের(বিজিএফসিএল)এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, সোমবার থেকে দৈনিক ১৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস অতিরিক্ত উৎপাদন শুরু হয়েছে। বিজিএফসিএল এর আওতাধীন হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রের ১ নম্বর কূপ ওয়ার্কওভার করে দৈনিক এই গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়েছে। বর্তমানে হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রের সাতটি কূপ থেকে দৈনিক ২২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে। দেশে দৈনিক ৩৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা থাকলেও এর বিপরীতে ২৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সরবরাহ করা হয়।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
এলএনজি সরবরাহে ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে চায় ভারতের পেট্রোনেট
জুলাই ২৯, ২০১৮ রবিবার ১১:৩১ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি ও সরবরাহে টার্মিনাল নির্মাণে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চায় এ খাতে ভারতের বৃহত্তম প্রতিষ্ঠান পেট্রোনেট। এ জন্য ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। অনুমোদন পাওয়ার পর ৪২ মাসের মধ্যে স্থলভাগে এলএনজি সরবরাহের কাজ শেষ করতে চায় তারা। কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় ২৬ কিলোমিটার পাইপলাইনে বছরে ৭৫ কোটি টন আমদানি করা এলএনজি গ্রহণ এবং সরবরাহ লাইনে ছাড়ার পরিকল্পনায় গত বছর পেট্রোবাংলার সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ) হয় পেট্রোনেটের। এখন প্রকল্পের বিস্তারিত উল্লেখ করে অনুমোদনের জন্য বাংলাদেশ সরকারের কাছে আবেদন করা হয়েছে। পেট্রোনেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী প্রভাত সিং পিটিআইকে জানান, সরকার তাদের প্রস্তাব গ্রহণ করলে পেট্রোবাংলা এবং পেট্রোনেটের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি হবে। কুতুবদিয়ার এ স্থানটিকে এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের জন্য আদর্শ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। বিওও অর্থাৎ নির্মাণ, মালিকানা ও পরিচালনার ভিত্তিতে নির্মাণ করা হবে প্রকল্পটি। সূত্র: পিটিআই  
ক্যাটাগরি: গ্যাস
৪ জুলাই থেকে স্বল্প পরিসরে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সঞ্চালন শুরু হচ্ছে
জুন ২৫, ২০১৮ সোমবার ০৮:২২ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
আগামী ৪ জুলাই থেকে স্বল্প পরিসরে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সঞ্চালন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড (আরপিজিসিএল)এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: কামরুজ্জামান। সোমবার ঢাকার কারওয়ান বাজারে টিসিবি ভবনে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির পরবর্তীতে প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল্য নির্ধারণ বিষয়ক এক গণশুনানীতে এ কথা জানান তিনি। ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ(ক্যাব)এর অনুরোধে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশন (বিইআরসি)এ শুনানীর আয়োজন করে। বিইআরসি এর চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম, সদস্য(পেট্রোলিয়াম)রহমান মুরশেদ, সদস্য (প্রশাসন) মাহমুদুল হক ভূঁইয়া, সদস্য (গ্যাস) মোঃ আবদুল আজিজ খান এবং সদস্য (বিদ্যুৎ) মোঃ মিজানুর রহমান শুনানী গ্রহণ করেন। শুনানীতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলা ও আরপিজিসিএল এর প্রতিনিধি, ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকসহ গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এলএনজি আমদানি ও তদারকির দায়িত্বে থাকা আরপিজিসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, গ্যাস সঙ্কট নিরসণে আগামী ৪ জুলাই এলএনজি গ্রিডে সঞ্চালনের জন্য কমিশনিং করা হবে। প্রাথমিকভাবে দৈনিক ৩৫০ মিলিয়ন ঘনফুট রি-গ্যাসিফিকেশন এলএনজি জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে। পর্যায়ক্রমে তা দৈনিক ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হবে। তবে এই এলএনজি জাতীয় গ্রিডে যোগ করার পর আবাসিক ও বাণিজ্যিক গ্রাহক বাদে অন্যান্য শ্রেনীর গ্রাহকদের কাছ থেকে বাড়তি দাম নিতে চায় পেট্রোবাংলা এবং এর অধীনস্থ গ্যাস সরবরাহকারী কোম্পানীগুলো। এজন্য গত ১১ জুন থেকে ২১ জুন পর্যন্ত গ্যাস সঞ্চালন ও বিতরণ কোম্পানীগুলোর দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের উপর শুনানী গ্রহণ করে বিইআরসি। তবে এসব প্রস্তাবের বিরোধীতা করে আসছে ক্যাব। সোমবারের শুনানীতে এলএনজি আমদানি এবং রি-গ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রতি ঘনমিটার এলএনজি এর জন্য ৪০ পয়সা সার্ভিস চার্জের প্রস্তাব করে আরপিজিসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামরুজ্জামান। কিন্তু ক্যাবের প্রতিনিধি তা নাকচ করেন দেন। ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অ্ধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, এলএনজি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। গ্রিডের গ্যাস সরবরাহের জন্য পেট্রোবাংলাকে গ্রাহকরা সার্ভিস চার্জ দেয় সেই ক্ষেত্রে আরপিজিসিএলের জন্য দ্বিতীয়বার সার্ভিস চার্জ চাওয়া অযৌক্তিক। কারণ একই পণ্যের দুইবার সার্ভিস চার্জ দেওয়া যায় না। বিদেশ থেকে আমদানি করা ব্যয়বহুল এলএনজির প্রথম চালান জাতীয় গ্রিডে যোগ করলেও গ্যাসের দাম অপরিবর্তিত রাখা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, ক্যাবের হিসাবে এলএনজি মিশ্রিত গ্যাসের মূল্যহার ভোক্তাপর্যায়ে ৯ টাকা ০৯ পয়সা। বিদ্যমান মূল্যহার ৭ টাকা ৩৮ পয়সা। ফলে এক টাকা ৭১ পয়সা ঘাটতি বিবেচনায় মোট ৫ হাজার ৪৬৭ কোটি টাকা ঘাটতি দাঁড়াবে। এই ঘাটতি মূল্যহার বৃদ্ধি কিংবা সরকারি ভর্তুকি ছাড়াই এই খাতের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েই সমন্বয় করা যাবে বলে দাবি করেন ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা।  ক্যাবের হিসাবে তিতাসের প্রস্তাবিত সিস্টেম লস মূল্যহার সমন্বয় না করা হলে ২৫৬.০৭ কোটি টাকা, গ্যাস ডেভেলপমেন্ট ফান্ড (জিডিএফ) রদ করা হলে এক হাজার ৯৮ কোটি টাকা, গ্যাসের সম্পদমূল্য এসডি-ভ্যাট মুক্ত ধরা হলে ৪১৩ কোটি টাকা, জ্বালানি নিরাপত্তা তহবিল (ইএসএফ) এর অর্থ ভর্তুকি হিসাবে বিনিয়োগ করা হলে দুই হাজার ৭৫৭ কোটি টাকা, আইওসি গ্যাস এসডি মুক্ত ধরা হলে ৮১৬ কোটি টাকা, তিতাসের রিটার্ন হার ১৮ শতাংশের পরিবর্তে ১২ শতাংশ ধরা হলে ১৫ কোটি টাকা এবং সরকারের ডেভিডেন্ট থেকে ঘাটতি সমন্বয়ের জন্য ১১০ কেটি টাকা দেওয়া হলে মোট ৫ হাজার ৪৬৭ কোটি টাকা পাওয়া যাবে। এই টাকা দিয়ে ঘাটতি মোকাবেলা করা সম্ভব। আর বিশ্ববাজার থেকে প্রতি হাজার ঘনফুট এলএনজি ৮.৫ ডলার ধরে প্রতিদিন এক হাজার ঘনফুট গ্যাসের আমদানি প্রাক্কলন করেছে পেট্রোবাংলা। সেই হিসাবে প্রতি ঘনফুট গ্যাসের বিক্রয়পূর্ব মূল্য ৩২ টাকা ৩৬ পয়সা ঠিক করেছে। দেশীয় গ্যাসের সঙ্গে এলএনজি মিশ্রনের পর গ্যাসের দাম প্রস্তাব করেছে প্রতি ঘনমিটারে ১২ টাকা ৮৯ পয়সা। তবে ৫০০ এমএমসিএফডি এলএনজি মিশ্রন করলে মিশ্রিত গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটারে ৯ টাকা ৬৯ পয়সা দাঁড়াবে বলে পেট্রোবাংলার হিসাব। শুনানীতে অংশ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক বদরুল ইমাম বলেন, দেশীয় সম্পদ  তথা গ্যাস অনুসন্ধান অদৃশ্য কারণে ধীরগতিতে চলছে।এখন গ্যাস সঙ্কটকে পুঁজি করে উচ্চমূল্যের এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে। বিইআরসি আইন অনুযায়ী এ গণশুনানীর পরিপ্রেক্ষিতে সব পক্ষের বক্তব্য বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনা করে আগামী ৯০ কর্মদিবসের মধ্যে সিদ্ধান্ত দেবে। এলএনজি আমদানির জন্য কক্সবাজারের মহেশখালীতে এলএনজি রি-গ্যাসিফিকেশন অর্থাৎ এলএনজি থেকে গ্যাসে রূপান্তরের জন্য একটি টার্মিনাল নির্মাণ করা হয়েছে। ওই টার্মিনালের মাধ্যমে দৈনিক ৫০০ মিলিয়ন বা ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের কথা রয়েছে।  
ক্যাটাগরি: গ্যাস
‘আগামী ৮ দিনের মধ্যে এলএনজি জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে’
জুন ১১, ২০১৮ সোমবার ০৮:১৩ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
আগামী আট দিনের মধ্যে আমদানিকৃত এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে বলে জানিয়েছেন পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ। সোমবার ঢাকায় কারওয়ানবাজারে টিসিবি ভবনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশনের কাছে গ্যাসের সঞ্চালন ট্যারিফ বাড়ানোর বিষয়ে গনশুনানীর আগে বক্তব্যে একথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, এলএনজি আমদানি করে আমরা লাভ করতে চাই না। যা খরচ হবে সেই দাম পেলে আমরা সন্তুষ্ট থাকবো। এজন্য যৌক্তিকভাবে গ্যাসের দাম বাড়ানো যেতে পারে। তবে কি পরিমাণ এলএনজি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে তা উল্লেখ করেননি তিনি। এরপর পেট্রোবাংলার মহাব্যবস্থাপক নজরুল ইসলাম তার উপস্থাপনায় আমদানিকৃত এলএনজি জাতীয় গ্যাস গ্রিডে যোগ হলে কেমন প্রভাব পড়বে তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আমদানিকৃত এলএনজি এর মূল্য প্রতি হাজার ঘনফুট ৮ দশমিক ৫০ ডলার বিবেচনা করে দেশীয় উৎপাদিত গ্যাসের সাথে মিশ্রণ করা হলে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের বিক্রয়মূল্য দাঁড়াবে ১২ টাকা ৮৯ পয়সা। আর যদি আমদানিকৃত এলএনজি এর মূল্য প্রতি হাজার ঘনফুট ১০ দশমিক ৭৬ ডলার বিবেচনা করে দেশীয় উৎপাদিত গ্যাসের সাথে মিশ্রণ করা হলে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের বিক্রয়মূল্য দাঁড়াবে ১৫ টাকা। উভয়ক্ষেত্রে সাপ্লিমেনটারি ডিউটি অব্যাহতি বিবেচনা করে এলএনজি বিক্রয়মূল্যের হিসাব করা হয়েছে বলে জানান তিনি।  
ক্যাটাগরি: গ্যাস
‘এলএনজি সরবরাহে প্রতি ঘনমিটারে ১৮ পয়সা সঞ্চালন চার্জ বৃদ্ধি চায় জিটিসিএল’
জুন ১১, ২০১৮ সোমবার ০৫:২৫ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
আমদানিতব্য এলএনজি সরবরাহের কারণ দেখিয়ে গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড(জিটিসিএল)গ্যাস সঞ্চালন চার্জ ২০১৮-১৯ অর্থবছর থেকে প্রতি ঘনমিটারে ১৮ পয়সা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে। সোমবার ঢাকায় কারওয়ানবাজারে টিসিবি ভবনে গ্যাসের সঞ্চালন ট্যারিফ বাড়ানোর গনশুনানীকালে এক প্রস্তাবে জিটিসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আলী মো. আল-মামুন এ দাবি জানান। গত ১৮ মার্চ জিটিসিএল এর এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশন (বিইআরসি)ওই শুনানীর আয়োজন করে। ওই আবেদনে জিটিসিএল সঞ্চালন চার্জ প্রতি ঘনমিটার শূন্য দশমিক ২৬৫৪ টাকা থেকে ৬৮.৬৫ শতাংশ বাড়িয়ে শূন্য দশমিক ৪৪৭৬ টাকা করার প্রস্তাব করে। তবে বিইআরসি’র আবেদনপত্র মূল্যায়ন কমিটি ওই প্রস্তাবে সম্মতি না দিয়ে তারা প্রতি ঘনমিটার গ্যাস সঞ্চালনে শূন্য দশমিক ১০২৭ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে। বিইআরসির চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম, সদস্য(পেট্রোলিয়াম)রহমান মুরশেদ, সদস্য (প্রশাসন) মাহমুদুল হক ভূঁইয়া, সদস্য (গ্যাস) মোঃ আবদুল আজিজ খান এবং সদস্য (বিদ্যুৎ) মোঃ মিজানুর রহমান শুনানী গ্রহণ করেন। এছাড়া শুনানীতে অংশ নেন কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র (ক্যাব) জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক বদরুল ইমাম, বুয়েটের সাবেক অধ্যাপক নরুল ইসলাম, জিটিসিএল এর উপ-মহাব্যবস্থাপক শাফায়েতুর রহমানসহ অনেকে। দেশের একমাত্র গ্যাস সঞ্চালনকারী প্রতিষ্ঠান জিটিসিএল এর উপ-মহাব্যবস্থাপক শাফায়েতুর শুনানীতে বলেন, ক্রমহ্রাসমান দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন এবং দেশে গ্যাসের উত্তরোত্তর চাহিদা বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করে বিভিন্ন খাতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের লক্ষ্যে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। আমদানিতব্য এলএনজি এর মূল্য প্রতি হাজার ঘনফুট ৮ দশমিক ৫০ ডলার বিবেচনা করে দেশীয় উৎপাদিত গ্যাসের সাথে মিশ্রণ করা হলে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের বিক্রয়মূল্য দাঁড়াবে ১২ টাকা ৯৫ পয়সা। মিশ্রিত গ্যাসের মোট পরিমাণ হবে ৩,৬৯০ এমএমসিএফডি, যার মধ্যে ১০০০ এমএমসিএফডি এলএনজি। ১২ টাকা ৯৫ পয়সা মূল্যহার নির্ধারণের ক্ষেত্রে সঞ্চালন চার্জ শূন্য দশমিক ৪২২৫ টাকা বিবেচনা করা হয়েছে। এই সঞ্চালন চার্জ এবং অন্যান্য ব্যয়সহ ২০১৮-১৯ অর্থবছর থেকে শূন্য দশমিক ৪৪৭৬ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। জিটিসিএল এর ওই প্রস্তাবের বিরোধীতা করে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র (ক্যাব) জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, এলএনজি অবকাঠামো নির্মাণ এখনো শেষ হয়নি। এলএনজি কবে গ্রিডে যোগ হবে তাও ঠিক নেই। তাই এলএনজি’র সরবরাহের উপর ভিত্তি করে সঞ্চালন চার্জ নির্ধারণ করার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক বদরুল ইমাম বলেন, এলএনজি খুবই ব্যয়বহুল জ্বালানি। বাংলাদেশ এই জ্বালানির ব্যয় বহন করতে পারবে কি না তা ভেবে দেখা উচিত। অন্যদিকে, মঙ্গলবার থেকে বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিতরণ চার্জ এবং ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের উপর শুনানী হবে। ১২ জুন তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড, ১৯ জুন কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড, ২০ জুন পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড ও বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড এবং ২১ জুন সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড ও জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেডের বিতরণ চার্জ ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ওপর শুনানি হবে।  
ক্যাটাগরি: গ্যাস
‘স্থলভাগে ১০৮টি গ্যাস কূপ খনন করা হবে’
জুন ০৬, ২০১৮ বুধবার ০৩:৪৩ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্যাস অনুসন্ধানকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। এলএনজি সরবরাহ, স্থলভাগে নতুন গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য ১০৮টি কুপ খনন, প্রাকৃতিক গ্যাসের বিকল্প হিসেবে এলপিজি’র ব্যবহার সম্প্রসারণ ইত্যাদি কার্যক্রম দ্রুততার সাথে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকায় সোনারগাঁও হোটেলে শেভরন বাংলাদেশ আয়োজিত ‘স্টেক হোল্ডার ইভেন্ট’ এ বক্তব্য কালে এ কথা বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার যে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা নিয়েছে তা পরিকল্পনা মাফিক এগুচ্ছে। ইতোমধ্যে ৯০ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে। চর এলাকায় সোলার হোম সিষ্টেম ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সরকার বিশেষ ভতুর্কী দেয়ায় ৫২ লক্ষ সোলার হোম সিষ্টেম স্থাপিত হয়েছে। তিনি এ সময় শেভরনের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা আরো নিশ্চিত করতে সব অপারেটরদের সাথে নতুন নতুন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করতে হবে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোঃ রাহমাতুল মুনিম, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মোঃ ফয়জুল্লাহ, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মিজ মার্সিয়া বার্নিকাট  ও শেভরন বাংলাদেশের সদ্য বিদায়ী প্রেসিডেন্ট কেভিন লিয়ন  বক্তব্য রাখেন। এ সময় শেভরন বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রেসিডেন্ট নেইলি মেনজিসকে সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
‘গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবে ১১ জুন থেকে গণশুনানী শুরু’
মে ১১, ২০১৮ শুক্রবার ০৩:১৭ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির কারণেই আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের বছরে ফের বাড়ছে প্রধান জ্বালানি গ্যাসের দাম। গৃহস্থালি এবং বাণিজ্যিক ছাড়া সকল প্রকার গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছে সব বিতরণ কোম্পানি। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আগামী ১১ জুন থেকে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির জন্য গণশুনানির দিন নির্ধারণ করে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। গত ৯ মে জারি করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণশুনানির প্রথম দিন ১১ জুন গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড (জিটিসিএল) এর সঞ্চালন মাসুল বৃদ্ধির প্রস্তাবের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। শুনানি চলবে ২১ জুন পর্যন্ত। পর্যায়ক্রমে ১৩ জুন তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড, ১৪ জুন বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড, ১৮ জুন জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড, ১৯ জুন কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড, ২০ জুন পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড এবং ২১ জুন সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানী লিমিটেডের গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ওপর শুনানি হবে। এবার দাম বাড়বে গ্রিড সংযুক্ত বিদ্যুৎ, নিজস্ব উদ্যোগে স্থাপিত বিদ্যুৎ বা ক্যাপটিভ পাওয়ার, শিল্প, সার কারখানা, সিএনজি এবং চা বাগানের গ্যাসের । গ্যাসের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সঞ্চালন মাসুলও বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এজন্য জিটিসিএল এর মাসুল বৃদ্ধির প্রস্তাবটিও বিবেচনা করা হচ্ছে। এর আগে বিতরণ কোম্পানিগুলো প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম গ্রিড বিদ্যুৎ উৎপাদনে ২০৬ ভাগ বাড়িয়ে ৩ দশমিক ১৬ টাকা থেকে ১০ দশমিক ৪৮ টাকা। ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ উৎপাদনে ৬৬ ভাগ বাড়িয়ে ৯ দশমিক ৬২ টাকা থেকে ১৬ টাকা এবং সার উৎপাদনে ৩৭২ ভাগ বাড়িয়ে ২ দশমিক ৭১ টাকা থেকে ১২ দশমিক ৮০ টাকা বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। শিল্পে ৯৩ ভাগ বাড়িয়ে ৭ দশমিক ৭৬ টাকা থেকে ১৪ দশমিক ৯০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। আর সিএনজিতে ৪০ টাকার গ্যাসের দাম বাড়িয়ে ৪৮ টাকার প্রস্তাব করা হয়েছে। বৃদ্ধির হার ১২০ ভাগ। সরকার গ্যাসের দাম বৃদ্ধির যুক্তি হিসেবে এলএনজি আমদানির উচ্চব্যয় বহনের কথা বলছে। সরকারের পক্ষে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দেয়া সম্ভব নয় বলে জানানো হয়েছে। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে দেশে এলএনজি আমদানি সরবরাহ শুরু হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত বছর ফেব্রুয়ারিতে গ্যাসের দাম গড়ে ২২ দশমিক ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়। একই বছরের মার্চ ও জুলাই থেকে দুই ধাপে তা কার্যকর হয়। বর্তমানে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের গড় মূল্য সাত টাকা ৩৫ পয়সা। বর্তমানে আবাসিক সংযোগে এক চুলার জন্য মাসে ৭৫০ টাকা এবং দুই চুলার জন্য ৮০০ টাকা করে দিতে হচ্ছে গ্রাহককে।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
এলএনজি আমদানি করতে ওমান ট্রেডিং এর সঙ্গে চুক্তি সই
মে ০৬, ২০১৮ রবিবার ১১:৫১ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
জ্বালানি সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে এলএনজি ক্রয়ের লক্ষ্যে জি টু জি ভিত্তিতে ওমান থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ওমান ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল (ওটিআই) এর সাথে পেট্রোবাংলা দশ বছর মেয়াদী সেলস অ্যান্ড পারচেজ এগ্রিমেন্ট (এসপিএ) সই করেছে। রোববার পেট্রোবাংলার বোর্ড রুমে  পেট্রোবাংলার পক্ষে সচিব সৈয়দ আশফাকুজ্জামান এবং ওটিআই এর পক্ষে মাহির আল জাদজালি চুক্তিতে সই করেন । ইতোপূর্বে এলএনজি টার্মিনালসমূহে প্রতি বছর নূন্যতম ১.৮ হতে ২.৫ মিলিয়ন টন হারে এলএনজি সরবরাহের জন্য কাতারের রাশগ্যাস এর সাথে ১৫ বছর মেয়াদী চুক্তি করেছে পেট্রোবাংলা। পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মোঃ ফয়েজউল্লাহ এর সভাপত্বিতে উক্ত অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব নাজিমউদ্দিন চৌধুরী, ওটিআই এর প্রতিনিধিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দেশের প্রাথমিক জ্বালানি হিসাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার-কারখানা, শিল্প প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, গৃহস্থালী এবং যানবাহনে ব্যাপকহারে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হচ্ছে। বর্তমানে দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ, উৎপাদন এবং বিদ্যমান চাহিদার মধ্যে সামঞ্জস্য না থাকায় সরকার এলএনজি আমদানির পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এলএনজি আমদানির জন্য কক্সবাজারের মহেশখালিতে ৫০০ এমএমসিএফডি ক্ষমতাসম্পন্ন এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের জন্য এক্সিলারেট এনার্জি বাংলাদেশ লিমিটেড এর সাথে চুক্তি সই হয়েছে। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে এ টার্মিনালের মাধ্যমে এলএনজি আমদানি কার্যক্রম শুরু হবে। কক্সবাজারের মহেশখালিতে সামিট করপোরেশন এর ভাসমান টার্মিনাল এর মাধ্যমে এ বছরের অক্টোবরে এলএনজি আমদানি করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়াও কক্সবাজারের মহেশখালি, কুতুবদিয়া ও পায়রা বন্দরে একাধিক স্থলভিত্তিক এবং ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের জন্য নেগোসিয়েশন শুরু হয়েছে।  
ক্যাটাগরি: গ্যাস
এলএনজি’র ব্যবহারে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ প্রতিমন্ত্রীর
মে ০৩, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ১০:১৬ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি এর দাম দেশীয় প্রাকৃতিক গ্যাসের চেয়ে বেশি হবে বিধায় এই গ্যাস ব্যবহারে অধিক সর্তক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। বৃহস্পতিবার ঢাকা ক্লাবে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ বা এফইআরবি এর আয়োজনে ‘এলএনজি ইমপোর্ট: অপরচুনিটি অ্যান্ড চ্যালেঞ্জস’ শীর্ষক এক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, “কষ্ট অব অপরচুনিটি যেখানে বেশি সেখানেই এই দামী গ্যাস ব্যবহার করা হবে। বর্তমানে প্রতি ঘনমিটার গ্যাস উৎপাদন খরচ ৯ টাকা ২০ পয়সা হলেও সরকার গড়ে ৭ টাকা ৩৯ পয়সায় বিক্রয় করে। এলএনজি সরবরাহ শুরু হলে গ্যাসের মূল্য কিছুটা হয়তো বাড়বে যা বিইআরসি নির্ধারণ করবে।” এলএনজি’র পাশাপাশি এলপিজি ও জ্বালানি তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার উপর গুরুত্ব দেয়া হবে বলে জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ সরবরাহে বিদ্যুৎ বিভাগ দক্ষতার পরিচয় দিলেও গ্যাস সংকট সমাধানে জ্বালানি খাতে  পেশাদারিত্বের ঘাটতি আছে। রাষ্ট্রীয় সংস্থা বাপেক্সকে কার্যকর ও দক্ষ করতে মন্ত্রণালয় উদ্যোগ নিয়েও ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। গত ২৪ এপ্রিল দেশে প্রথমবারের মতো এলএনজিবাহী ভাসমান জাহাজ বাংলাদেশের মহেশখালী দ্বীপাঞ্চলে এসে পৌঁছেছে। চলতি মাসের শেষ দিকে এই গ্যাস জাতীয় সঞ্চালন লাইনে যুক্ত হলে আমদানি মূল্য সমন্বয় করতে দাম বাড়ানোর প্রয়োজন  হবে বলে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আগেই ইঙ্গিত দেওয়া হয়। বুয়েটের অধ্যাপক ম তামিম বলেন, এলএনজি আমদানি নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে বিশেষত গ্যাসচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও শিল্প-কারখানার জন্য। ভবিষ্যতে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ স্থাপন না করে এলএনজি দিয়ে তা চালানোর পরামর্শ দেন তিনি। তেলচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর কারণে বিদ্যুতের মূল্যে বেড়ে যাচ্ছে। বর্তমানে ৩০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলো থেকে যা ক্রমান্বয়ে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনা উচিত বলে মনে করেন তিনি। পেট্রোবাংলার সাবেক চেয়ারম্যান মোক্তাদির আলী বলেন,   জ্বালানি খাতের শৃঙ্খলা আনতে সঞ্চালন পাইপ লাইনগুলো নিয়ে এখনই সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। দেশীয় গ্যাস সম্পদকে কাজে লাগাতে বাপেক্সকে আরো শক্তিশালী করতে হবে। ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা প্রফেসর শামসুল আলম বলেন, জ্বালানি খাতে সীমাহীন চুরি ও দুর্নীতি চলছে। এই দুর্নীতি থামানো না গেলে এই খাত তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত হবে। এরকম দুর্নীতিগ্রস্ত খাতে নতুন করে অধিকমূল্যের এলএনজি যুক্ত হলে তা কী সুযোগ সৃষ্টি করবে, নাকি নতুন চ্যালেঞ্জ হবে সেই প্রশ্ন রাখেন তিনি। বাসাবাড়িতে ১৬ শতাংশ গ্যাস সরবরাহ দেখানো হচ্ছে। অথচ সেখানে ৫ শতাংশের বেশি গ্যাস ব্যবহার হয়না। একইভাবে  শিল্প-কারখানা ও সিএনজি স্টেশনে গ্যাস চুরি হচ্ছে। এই চুরিগুলো ঠেকানো গেলে যে অর্থ সাশ্রয় হবে তা দিয়ে দৈনিক ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি জাতীয় সঞ্চালন লাইনে যুক্ত করা সম্ভব। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ সালেক সুফি বলেন, জ্বালানি খাতের অদক্ষতার উদাহরণ হিসেবে এলএনজি আমদানির দীর্ঘসূত্রিতার কথা উল্লেখ করে বলেন, ২০১০ সালে সিদ্ধান্ত হয়েছিল এলএনজি আনার যা ২০১৩ সালে আসবে বলে ধরা হয়েছিল। তখনও যদি চুক্তি করা যেতো তাহলে অনেক কম দামে এলএনজি আনা যেতো। সুফি বলেন, ২০০৯ সালে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার সময় গ্যাসের উৎপাদন ছিল ১৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট, ঘাটতি ছিল ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এখন উৎপাদন ২৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট হলেও ঘাটতি থাকছে এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট। তাহলে এতো গ্যাস যাচ্ছে কোথায়? পেট্রোবাংলাসহ জ্বালানি খাতে দক্ষ ও কর্মনিষ্ঠ কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।    
ক্যাটাগরি: গ্যাস
‘শিল্পের পর এবার আবাসিকেও গ্যাস সংযোগ দেওয়া হচ্ছে’
এপ্রিল ২৮, ২০১৮ শনিবার ০৯:৫৭ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
শিল্পের পর এবার আবাসিকেও গ্যাসের সংযোগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। শনিবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী  বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত হলো আবাসিক খাতে এ মুহূর্তে সম্পূর্ণভাবে নতুন সংযোগ নয়। তবে যারা ইতিমধ্যে সংযোগের জন্য আবেদন করে ব্যাংকে টাকা জমা দিয়েছেন তাদেরকে দেয়া হবে। এছাড়া যেসব ভবনের কিছু ফ্ল্যাটে সংযোগ আছে এবং কিছু ফ্লাটে নেই সেগুলোর বাকিগুলোতে সংযোগ দেয়া হবে বলে জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, শিল্পে গ্যাস সংযোগে আর কোনো বাধা নেই। যেখানে শিল্প এলাকা সেখানেই গ্যাস সংযোগ দেয়া হবে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, আগামী মে মাসের শেষ দিকে জাতীয় গ্রীডে আমদানিকৃত এলএনজি গ্যাস যুক্ত হবে। এতে গ্যাসের বিদ্যমান সংকট কিছুটা কমবে। সারাদেশে বিদ্যুৎ সংযোগের সংখ্যাও বেড়েছে। শিল্পে গ্যাস সংযোগে এতদিন যে নিয়ন্ত্রণ ও বাধা ছিল তা উঠিয়ে নেয়া হয়েছে। এবার আবাসিক খাতে নিয়ন্ত্রিতভাবে নতুন সংযোগ দেয়া হবে। এছাড়া আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন সংযোগ বন্ধ করে দেয়ার আগে অনেক গ্রাহক ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে ডিমান্ড নোটও পেয়েছে। কয়েক বছর ধরে এ ধরনের গ্রাহকদেরকে বৈধ সংযোগ দেয়ার উপায় খোঁজা হচ্ছিল। পেট্রোবাংলার আওতাধীন ছয়টি সরকারি কোম্পানি গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাস বিতরণ করে। এর মধ্যে তিতাস গ্যাস সঞ্চালন ও বিতরন কোম্পানিই বিতরণ করে প্রায় ৬০ শতাংশ। তিতাস গ্যাস কোম্পানি ঢাকা ছাড়াও নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, নরসিংদী, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ জেলায় গ্যাস সরবরাহ করছে। দেশের ৩৮ লাখ আবাসিক গ্যাস গ্রাহকের মধ্যে প্রায় সাড়ে ২৭ লাখ ১৮ হাজার গ্রাহকই তিতাসের।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
‘এলএনজি আমদানির জন্য ২০ বছর মেয়াদী জ্বালানি নিরাপত্তা তহবিল গঠন’
এপ্রিল ২৫, ২০১৮ বুধবার ০৭:৫৬ এএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
প্রাকৃতিক গ্যাসের ঘাটতি মেটাতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস(এলএনজি)আমদানিসহ দেশের অভ্যন্তরে গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে অর্থ সংস্থানের জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা তহবিল গঠন করেছে সরকার। গত ১০ এপ্রিল জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এ তহবিল গঠন বিষয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা তহবিল নীতিমালা-২০১৮ নামে এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এ তহবিলের অর্থ দ্বারা গ্যাস অনুসন্ধান, উত্তোলন, পরিশোধন, সঞ্চালন, বিতরণ, এলএনজি আমদানি ও প্রাসঙ্গিক অন্যান্য প্রকল্প গ্রহণ করা যাবে। তবে প্রজ্ঞাপনটি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এলএনজি আমদানির জন্য এ তহবিলের বড় একটি অংশ ব্যয় হবে। আগামী মে মাস থেকে দৈনিক ৫০০ এমএমসিএফ এলএনজি আমদানি করে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহ করবে সরকার। এতে বলা হয়, এ তহবিলের মেয়াদ হবে নীতিমালা জারির তারিখ থেকে ২০ বছর। মেয়াদ শেষ হলে এ তহবিল পরিচালনার জন্য সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। আর এই তহবিল ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকবে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অধীনস্থ বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্টোবাংলা)। তহবিলের অর্থে বাস্তবায়িতব্য প্রকল্প নির্ধারণের জন্য পেট্টোবাংলার চেয়ারম্যানকে আহ্বায়ক করে আট সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে থাকবেন পেট্টোবাংলার এলএনজি সেলের মহাব্যবস্থাপক। জ্বালানি সরবরাহে নিরাপত্তা বিধানে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপ গ্রহণ এ তহবিল গঠনের উদ্দেশ্য বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। এ তহবিল থেকে বিনিয়োগকৃত অর্থে গৃহীত প্রকল্প লাভজনক বা বাণিজ্যিকভাবে সফল বিবেচিত হলে সমুদয় অর্থ পাঁচ বছর গ্রেস পিরিয়ডসহ প্রকল্প শুরুর ১৫ বছরের মধ্যে ষান্মাষিক ভিত্তিতে মোট ২০ কিস্তিতে ২ শতাংশ সুদে সার্ভিস চার্জসহ ফেরত প্রদান করতে হবে। তবে গ্রেস পিরিয়ডকালে সার্ভিস চার্জ প্রযোজ্য হবে না। আর কেবল গ্যাস অনুসন্ধানের নিমিত্ত গৃহীত প্রকল্পে উত্তোলনযোগ্য গ্যাস না পাওয়া গেলে অথবা প্রাপ্ত গ্যাস অর্থনৈতিক দিক বিবেচনায় লাভজনক না হলে অর্থ ফেরত দিতে হবে না। এছাড়া প্রকল্পের পরামর্শক কিংবা বিশেষজ্ঞ নিয়োগ অথবা সমীক্ষা পরিচালনার জন্যও অর্থ ফেরত দেওয়া লাগবে না। এক্ষেত্রে উল্লেখিত অর্থ অনুদান হিসেবে বিবেচিত হবে। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ২৭ আগস্ট ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাসের দাম বাড়ানোর এক আদেশে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশন এ তহবিল গঠনের নির্দেশ দেয়। এরপর জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে এ তহবিল গঠন করা হয়েছে। যা ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। কমিশনের আদেশ অনুযায়ী, দেশে উৎপাদিত গ্যাসের সম্পদ মূল্য ভারিত গড়ে প্রতি ঘনমিটার ১.০১ টাকা সমন্বয়ে ভোক্তা স্বার্থে জ্বালানি নিরাপত্তা তহবিলে জমা হবে। এই অর্থ বিভিন্ন প্রকল্পে ব্যয় করা হবে। ইতোমধ্যে এলএনজি আমদানি ও এর টার্মিনাল পরিচালনার জন্য এনার্জি রেগুলেটরী কমিশন নিরাপত্তা তহবিল থেকে ব্যয় করার জন্য প্রায় সাত হাজার কোটি টাকা এক বছরের জন্য বরাদ্দ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। জ্বালানি নিরাপত্তা তহবিলে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ছয় হাজার কোটি টাকা জমা হয়েছে।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
‘ভোলায় আরো কূপ খননের পরামর্শ’
মার্চ ০৩, ২০১৮ শনিবার ০৯:০৪ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
জ্বালানি সংকট মেটাতে ভোলায় নতুন আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র এলাকায় আরো কূপ খননের পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক বদরুল ইমাম। শনিবার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স অব বাংলাদেশ (এফইআরবি) আয়োজিত ‘ভোলা গ্যাসক্ষেত্র ও জ্বালানি নিরাপত্তা’ শীষর্ক এক সেমিনারে মূল প্রবন্ধে এ কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, “এর আগে দেশে আবিষ্কৃত প্রায় সব গ্যাসক্ষেত্রই ছিল সিলেট অঞ্চলের সুরমা বেসিনে। ভোলায় নতুন গ্যাস আবিষ্কার পর ধারণা করা হচ্ছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে মেঘনা বেসিনেও গ্যাসের মজুদ রয়েছে।” ভোলার দুই গ্যাসক্ষেত্র-শাহবাজপুর ও ভোলা উত্তর- এর কাছে চর জব্বার, চর জব্বার উত্তর ও মনপুরা এলাকায় অনুসন্ধান কার্যক্রম চালানোরও তাগিদ দেন এই ভূ-তত্ত্ববিদ। এছাড়া মহেশখালী ও সন্দ্বীপেও গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা বলে ধারণা করেন তিনি। অধ্যাপক বদরুল বলেন, বাংলাদেশ গ্যাসের উপর যেমন ভাসছে না আবার গ্যাসের প্রাপ্তি কিংবা মজুদও শেষ হয়ে যায়নি। দেশে এখনও বিপুল পরিমাণ গ্যাস আবিষ্কারের  সম্ভাবনা রয়েছে। এ জন্য পর্যাপ্ত অনুসন্ধান চালাতে হবে। কিন্তু সত্যিকারের আগ্রহ ও উদ্যোগের অভাবে তা অনাবিষ্কৃতই থেকে যাচ্ছে বলে মনে করেন তিনি। এছাড়া গ্যাসের প্রমাণিত মজুদ কমে আসার প্রবণতার মধ্যে ভোলায় নতুন গ্যাসক্ষেত্র নতুন আশা তৈরি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে গ্যাস অনুসন্ধানে বড় ধরণের এবং সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। শুধু আমদানি নয়, দেশজ উৎস থেকেও জ্বালানির সংস্থান করতে না পারলে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে না। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, ভোলায় আবিষ্কৃত নতুন গ্যাসক্ষেত্র এবং শাহবাজপুর ক্ষেত্রে মজুদবৃদ্ধিতে প্রায় দেড় ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) গ্যাস জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। এই গ্যাস দিয়ে ৬০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করে তা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যেতে পারে। ভোলার গ্যাস বরিশাল ও খুলনাসহ মূল ভূখণ্ডে আনার লক্ষ্যে পাইপলাইন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের গ্যাসক্ষেত্রগুলোয় আরো বেশি উন্নয়ন কূপ খনন করতে হবে। নতুনভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। এতে আরো বেশি গ্যাস পাওয়া যাবে। অতীতে দেখা গেছে, পুনঃমূল্যায়নে গ্যাসের উৎপাদন বেড়েছে। আর বিদ্যমান  সংকট মেটাতে অনুসন্ধান ও উত্তোলনের পাশাপাশি এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য দেন রাশিয়ার জ্বালানি বিষয়ক সংস্থা গ্যাজপ্রম এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সার্গে তুমানোভ, বাপেক্সের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমজাদ হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি এএসএম মাকসুদ কামাল প্রমুখ।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
বিজিএফসিএল ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে ৩৯২ কোটি টাকা করপূর্ব মুনাফা অর্জন করেছে
ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৮ শনিবার ০৪:৪৪ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস্ কোম্পানী লিমিটেড (বিজিএফসিএল) এর ৬২তম বার্ষিক সাধারণ সভা কোম্পানি বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের  সচিব নাজিমউদ্দিন চৌধুরী এর সভাপতিত্বে গত ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার বিরাসারস্থ কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ের বোর্ড রুমে অনুষ্ঠিত হয়। বিজিএফসিএল এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজিএফসিএল প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনকারী সর্ববৃহৎ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। এ কোম্পানি প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন এবং গ্যাসের সাথে উৎপাদিত কনডেনসেট প্রক্রিয়াজাত করে দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে বিশেষ অবদান রাখছে। সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৫  সালের ০৯ আগস্ট স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শেল অয়েল কোম্পানীর আবিস্কৃত ৫টি গ্যাস ফিল্ড যথাঃ তিতাস, হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ, রশিদপুর এবং কৈলাসটিলা নামমাত্র মূল্যে ক্রয় করে রাষ্ট্রীয় মালিকানাভুক্ত করার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭৫ সালের ১২ সেপ্টেম্বর শেল অয়েল কোম্পানীর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস্ কোম্পানী লিমিটেড করা হয়। উক্ত ৫টি ফিল্ডের মধ্যে তিতাস, হবিগঞ্জ ও বাখরাবাদ এবং আরো ৩টি গ্যাস ফিল্ড যথাঃ নরসিংদী, মেঘনা ও কামতা অর্থাৎ সর্বমোট ৬টি গ্যাস ফিল্ড বর্তমানে বিজিএফসিএল এর পরিচালনাধীন রয়েছে। বিজিএফসিএল দেশের মোট দৈনিক প্রায় ২৭৪০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের মধ্যে দৈনিক প্রায় ৮৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করছে, যা দেশের মোট উৎপাদনের ৩১% এবং রাষ্ট্রীয় গ্যাস উৎপাদন কোম্পানিসমূহের ৭৮%। বিজিএফসিএল এর ৬টি গ্যাস ফিল্ডের মধ্যে উৎপাদনরত ৫টি ফিল্ডের ৫২টি কূপের মধ্যে ৪২টি কূপ হতে গ্যাস উৎপাদন হচ্ছে। ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে দৈনিক গড়ে প্রায় ৮২৫.৫৪৩ মিলিয়ন ঘনফুট হারে মোট ৩.০৫ লক্ষ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন হয়। তাছাড়া, গ্যাসের উপজাত হিসেবে নিজস্ব কূপ থেকে ২৮৩ লাখ লিটার বা ১.৭৮ লাখ ব্যারেল কনডেনসেট উৎপাদিত হয়। এ সকল কনডেনসেট এবং এসজিএফএল, বাপেক্স ও তাল্লো গ্যাস ফিল্ডসমূহের উৎপাদিত কনডেনসেট কোম্পানির ফ্রাকশনেশন প্লান্টে প্রক্রিয়াকরণ করে প্রাপ্ত এমএস (পেট্রোল) ও এইচএসডি (ডিজেল) রাষ্ট্রীয় বিপণন কোম্পানির নিকট বিক্রয় করা হয়। এ পর্যন্ত কোম্পানির ৬টি গ্যাস ফিল্ডের উত্তোলনযোগ্য ১২,২৫২,০০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মধ্যে ৭,৭২৮,৩৯২.৮৯৫ মিলিয়ন ঘনফুট বা ৬৩.০৮% গ্যাস উত্তোলিত হয়েছে। ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে এ কোম্পানি সর্বমোট ৩,৭২৯.২৪ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করে এবং মোট ৩৯২.৭৮ কোটি টাকা করপূর্ব মুনাফা অর্জন করে। এ অর্থবছরে কোম্পানি সম্পূরক শুল্ক, অগ্রিম কর, লভ্যাংশ এবং আয়কর  বাবদ মোট ৩,২২৫.১৭ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ বছরও তৃতীয়বারের মত বিজিএফসিএল-কে ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরের জন্য জাতীয় পর্যায়ে সেবা খাতে সর্বোচ্চ মূল্য সংযোজন কর পরিশোধকারীর সম্মাননা প্রদান করেছে। আলোচ্য অর্থবছরে এ কোম্পানি কর্তৃক এডিবি, জিওবি ও জাইকার অর্থায়নে গৃহীত নতুন কূপ খনন, বিদ্যমান কূপ ওয়ার্কওভার/পুনঃসম্পাদন এবং কম্প্রেসর স্থাপন বিষয়ক বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তন্মধ্যে, বাখরাবাদ ফিল্ডে ১টি কূপ খনন এবং তিতাস ফিল্ডে ৪টি মূল্যায়ন ও উন্নয়ন কূপ খনন এবং ৬টি কূপের ওয়ার্কওভার করে দৈনিক অতিরিক্ত প্রায় ৯২ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে সমর্থ হয়েছে। তাছাড়া, বাখরাবাদ ফিল্ডে ৩টি কম্প্রেসর স্থাপন করে জাতীয় গ্রিডের চাপের সাথে সমন্বয় রেখে গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত রাখা হচ্ছে। বর্তমানে বিভিন্ন ফিল্ডের ৭ টি কূপের ওয়ার্কওভার এবং তিতাস লোকেশন-এ ও সি এবং নরসিংদী ফিল্ডে ওয়েলহেড কম্প্রেসর স্থাপনের লক্ষ্যে প্রকল্প কার্যক্রম চলমান আছে। কোম্পানি বোর্ডের চেয়ারম্যান বার্ষিক সাধারণ সভায় অভিমত ব্যক্ত করেন যে, উন্নত বাংলাদেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশের লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের দৃঢ় প্রত্যয়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমাদেরকেও কঠোর পরিশ্রম করতে হবে এবং সাহস ও দক্ষতার সাথে সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। বিজিএফসিএল-কে অর্থনৈতিক, কারিগরি ও প্রযুক্তিগতভাবে আত্মনির্ভরশীল ও আর্থিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তুলতে পারলে জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ কোম্পানি বিশেষ অবদান রাখতে সমর্থ হবে। তিনি কোম্পানির উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করায় বিজিএফসিএল এর কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। পাশাপাশি  শেয়ারহোল্ডার, কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, পেট্রোবাংলা, গ্যাস সঞ্চালন ও বিতরণ কোম্পানিসমূহ, বিদেশি সাহায্য সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার সহযোগিতা ও সমর্থন আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।    
ক্যাটাগরি: গ্যাস
‘ভোলার ভেদুরিয়ায় ৬০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মজুদ’
জানুয়ারি ১৬, ২০১৮ মঙ্গলবার ১১:০০ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলা  ভোলার ভেদুরিয়ায় একটি অনুসন্ধান কূপে প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে রাষ্ট্রায়াত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স)। সম্প্রতি কূপ খনন শেষ হওয়ার পর কয়েকটি পরীক্ষার মাধ্যমে ভোলা নর্থ-১ নামের ওই কূপে গ্যাস আছে বলে ধারণা করছেন বাপেক্স এর কর্মকর্তারা। নতুন এই কূপে প্রায় ৬০০ বিসিএফ (বিলিয়ন ঘনফুট) গ্যাসের মজুদ থাকতে পারে। নতুন এই গ্যাসক্ষেত্রের সম্ভাবনা নিয়ে সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকেও আলোচনা হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, নতুন ওই ক্ষেত্রে ৬০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে আশা করা হচ্ছে। এটি হবে দেশের ২৭তম গ্যাসক্ষেত্র। ভোলায় প্রথম গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায় শাহবাজপুর ক্ষেত্রে। সেখানে থাকা চারটি কূপের মধ্যে তিনটি থেকে প্রতিদিন প্রায় ৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস তোলা হচ্ছে।  
ক্যাটাগরি: গ্যাস
এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে ১০০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি সই করেছে সামিট
নভেম্বর ২৬, ২০১৭ রবিবার ১১:৩২ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
সম্প্রতি সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সামিট এলএনজি টার্মিনাল মেরিন ঠিকাদারি কনসর্টিয়াম প্রতিষ্ঠান জিওসান এসএএস এবং ম্যাকগ্রেগরের সাথে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের টার্নকি চুক্তি সই করেছে। ওই চুক্তির আওতায় প্রতিষ্ঠান দুটি কক্সবাজারের মহেশখালিতে  সামিট এলএনজি টার্মিনালের ভাসমান এলএনজি স্টোরেজ  এবং পুনরায় গ্যাসে রুপান্তরকরণ টার্মিনালের ডিজাইন, ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রকিউরমেন্ট, ফেব্রিকেশন, ইনস্টলেশন এবং স্থায়ী অবকাঠামোর টেস্টিং এর কাজ করবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। প্রকল্পটির বাস্তবায়নের সময়সীমা ধরা হয়েছে চুক্তির পর থেকে পরবর্তী ১৬ মাস। এই স্থায়ী অবকাঠামোতে থাকবে অ্যাংকরসহ এফএসআরইউ এর জন্য ডিসকানেক্টবল টারেট মুরিং প্লাগ, নোঙরে ভাসমান বন্ধনীসহ ফ্রেক্সিবল রাইজার, কনট্রোল অ্যান্ড হাইড্রলিক আমবিলিকাল, পিএলইএম, এফএসআরইউ এর স্টার্ন মুরিং সিস্টেম, অফশোর পাইপলাইন এবং তীরের প্রয়োজনীয় কাজ। সামিট এলএনজি টার্মিনাল এ বছরের আগস্ট মাসে এক্সিলারেট এনার্জির সাথে এফএসআরইউ টার্মিনাল নির্মাণে টাইম চার্টার পার্টি সই করেছিল।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
বাপেক্স ৭০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে ভোলায়
অক্টোবর ২৪, ২০১৭ মঙ্গলবার ১২:৪৩ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রডাকশন কোম্পানী (বাপেক্স) ভোলা জেলার শাহবাজপুরে বর্তমান গ্যাসক্ষেত্রের কাছে একটি নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করেছে যেখানে ৭০০ বিলিয়ন ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এই খবর সাংবাদিকদের জানিয়ে বলেন, প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী নতুন গ্যাসক্ষেত্রে প্রায় সাতশ বিলিয়ন কিউবিক ফুট গ্যাস রয়েছে। পূর্ববর্তী মজুদসহ মোট মজুদের পরিমাণ এক ট্রিলিয়ন কিউবিক ফুট পর্যন্ত হতে পারে। এটা আমাদের দেশের জন্য একটা সুসংবাদ।” মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সংবাদ জানানো হয় বলে বার্তা সংস্থা ইউএনবি’র খবরে বলা হয়েছে।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
    সাম্প্রতিক গ্যাস এর খবর
এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে ১০০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি সই করেছে সামিট
বাপেক্স ৭০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে ভোলায়
এলএনজি আমদানির জন্য সিঙ্গাপুরের গানভর প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে পেট্রোবাংলা
ইন্দোনেশিয়া থেকে এলএনজি কিনবে বাংলাদেশ
‘সরকার গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি করে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে’
জ্বালানি খাতে সুষম উন্নয়ন করা হবে: নসরুল
আবাসিকে দ্বিতীয় ধাপে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি অবৈধ: হাইকোর্ট রায়
আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দৈনিক ৪ হাজার এমএমসিএফ গ্যাস আমদানি করবে সরকার
এলএনজি আমদানির জন্য সুইজারল্যান্ডের এওটি এনার্জির সাথে পেট্রোবাংলার সমঝোতা স্মারক সই
চীনের কনসোর্টিয়ামের কাছে শেভরন করপোরেশন বাংলাদেশে তাদের সব সম্পদ বিক্রি করবে
ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে সরকারের সাথে চুক্তি করলো সামিট গ্রুপ
পেট্রোবাংলা সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রের অবকাঠামো বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করবে
বাংলাদেশের গ্যাস খাতে ৬ কোটি ডলার ঋণ দেবে এআইআইবি
‘দুই লাখ আবাসিক গ্রাহকের আঙ্গিনায় প্রি-পেইড গ্যাস মিটার স্থাপনে চুক্তি সই’
গভীর সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে চুক্তি সই
‘বাংলাদেশে এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনে আগ্রহ প্রকাশ করেছে জাপানের প্রতিষ্ঠান মারুবেনি’
‘আগামী দুই বছরের মধ্যে শিল্প কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের আশ্বাস’
‘গৃহস্থালিসহ সব ধরনের গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে বিইআরসি’
আজ বিকেল সাড়ে ৪টায় গ্যাসের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেবে বিইআরসি
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের বহরে যুক্ত হচ্ছে দুইটি এলএনজি ভেসেল
পাঁচটি সিএনজি স্টেশনের গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন
‘গভীর সমুদ্রের ১২ নম্বর ব্লকে পিএসসি সইয়ে মন্ত্রিসভার অনুমোদন’
‘জানুয়ারি মাসে প্রায় ৫০ হাজার অবৈধ চুলার গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন’
তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে মগনামা স্ট্রাকচারে কূপ খনন শুরু
মগনামা স্ট্রাকচারে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে সেলস অ্যান্ড পারচেজ এগ্রিমেন্ট সই
‘মগনামা স্ট্রাকচারে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে সেলস অ্যান্ড পারচেজ এগ্রিমেন্ট এর অনুমোদন’
গ্রাহকদের অভিযোগ শুনতে কল সেন্টার চালু করেছে তিতাস গ্যাস কোম্পানী
এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে পেট্রোবাংলার সাথে সামিট গ্রুপ অনুস্বাক্ষর করেছে
গ্যাস খাতের উন্নয়নে ১৬ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার ঋণ চুক্তি সই
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy