ঢাকা, সোমবার, ডিসেম্বর ১১, ২০১৭, অগ্রহায়ণ ২৭, ১৪২৪ ০৩:২০ পিএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
গ্যাস
এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে ১০০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি সই করেছে সামিট
সম্প্রতি সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সামিট এলএনজি টার্মিনাল মেরিন ঠিকাদারি কনসর্টিয়াম প্রতিষ্ঠান জিওসান এসএএস এবং ম্যাকগ্রেগরের সাথে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের টার্নকি চুক্তি সই করেছে। ওই চুক্তির আওতায় প্রতিষ্ঠান দুটি কক্সবাজারের মহেশখালিতে  সামিট এলএনজি টার্মিনালের ভাসমান এলএনজি স্টোরেজ  এবং পুনরায় গ্যাসে রুপান্তরকরণ টার্মিনালের ডিজাইন, ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রকিউরমেন্ট, ফেব্রিকেশন, ইনস্টলেশন এবং স্থায়ী অবকাঠামোর টেস্টিং এর কাজ করবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। প্রকল্পটির বাস্তবায়নের সময়সীমা ধরা হয়েছে চুক্তির পর থেকে পরবর্তী ১৬ মাস। এই স্থায়ী অবকাঠামোতে থাকবে অ্যাংকরসহ এফএসআরইউ এর জন্য ডিসকানেক্টবল টারেট মুরিং প্লাগ, নোঙরে ভাসমান বন্ধনীসহ ফ্রেক্সিবল রাইজার, কনট্রোল অ্যান্ড হাইড্রলিক আমবিলিকাল, পিএলইএম, এফএসআরইউ এর স্টার্ন মুরিং সিস্টেম, অফশোর পাইপলাইন এবং তীরের প্রয়োজনীয় কাজ। সামিট এলএনজি টার্মিনাল এ বছরের আগস্ট মাসে এক্সিলারেট এনার্জির সাথে এফএসআরইউ টার্মিনাল নির্মাণে টাইম চার্টার পার্টি সই করেছিল।
বাপেক্স ৭০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে ভোলায়
অক্টোবর ২৪, ২০১৭ মঙ্গলবার ১২:৪৩ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রডাকশন কোম্পানী (বাপেক্স) ভোলা জেলার শাহবাজপুরে বর্তমান গ্যাসক্ষেত্রের কাছে একটি নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করেছে যেখানে ৭০০ বিলিয়ন ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এই খবর সাংবাদিকদের জানিয়ে বলেন, প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী নতুন গ্যাসক্ষেত্রে প্রায় সাতশ বিলিয়ন কিউবিক ফুট গ্যাস রয়েছে। পূর্ববর্তী মজুদসহ মোট মজুদের পরিমাণ এক ট্রিলিয়ন কিউবিক ফুট পর্যন্ত হতে পারে। এটা আমাদের দেশের জন্য একটা সুসংবাদ।” মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সংবাদ জানানো হয় বলে বার্তা সংস্থা ইউএনবি’র খবরে বলা হয়েছে।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
এলএনজি আমদানির জন্য সিঙ্গাপুরের গানভর প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে পেট্রোবাংলা
সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৭ বুধবার ০৮:৩০ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির জন্য সিঙ্গাপুরের গানভর প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে নন বাইন্ডিং সমঝোতা স্মারক সই করেছে পেট্রোবাংলা। মঙ্গলবার ঢাকায়  পেট্রোসেন্টারে এটি স্বাক্ষরিত হয়। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৫টি বিদেশি কোম্পানি থেকে এলএনজি কেনার জন্য সমঝোতা স্মারক করল পেট্রোবাংলা। এর আগে কাতারের রাসগ্যাস, ওমানের ওমান ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল, ইন্দোনেশিয়ার পারটোমিনা এবং সুইজারল্যান্ডের অ্যাস্ট্রা অয়েলের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হয়। সমঝোতা স্মারকে সই করেন পেট্রোবাংলার সচিব সৈয়দ আশফাকুজ্জামান এবং গানভর সিঙ্গাপুরের হেড অব এলএনজি-বিডি এশিয়া লুক স্পিলেভেলড। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সচিব নাজিমউদ্দিন চৌধুরী ও পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রাথমিক জ্বালানি সরবরাহ করে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। শিল্প কারখানায় গ্যাসের সঙ্গে এলএনজি মিশ্রিত করে সরবরাহ করা হবে। তিনি বলেন, এতে মূল্য কিছুটা বেশি হলেও ব্যবসায়ীদের জন্য লাভজনক হবে। আগামী বছরের এপ্রিল হতেই এলএনজি পাওয়া যাবে। ওই সময় থেকে গ্যাসের সংকট হ্রাস পেতে থাকবে। তিনি আরো বলেন, এলএনজি ক্রয়ের জন্য এখন পর্যন্ত পাঁচটি দেশের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। তা ছাড়াও খোলা বাজার থেকে এলএনজি ক্রয়ের জন্য গত ১৭ আগস্ট ৪১টি প্রতিষ্ঠান আগ্রহ প্রকাশ করেছে। প্যানেল তৈরি করে মাস্টার্স সেলস প্রকিউরমেন্ট এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষর করা হবে। পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানান, সবমিলিয়ে দেশে প্রথম ধাপে আমদানিকৃত ৫০০ এমএমসিএফডি এলএনজি আগামী বছরের এপ্রিল থেকে চট্টগ্রাম অঞ্চলে ব্যবহৃত হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে আগামী বছরের অক্টোবর থেকে আরো ৫০০ এমএমসিএফডি এলএনজি আমদানি শুরুর পর তা দেশের মধ্যাঞ্চলে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। বর্তমানে দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ, উৎপাদন এবং বিদ্যমান চাহিদার মধ্যে সামঞ্জস্য না থাকায় সরকার এলএনজি আমদানির পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এজন্য কক্সবাজারের মহেশখালিতে দুইটি ৫০০ এমএমসিএফডি ক্ষমতাসম্পন্ন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউ স্থাপনের বিষয়ে যুক্তরাষ্টভিত্তিক এক্সিলারেট এনার্জি বাংলাদেশ লিমিটেড এবং বাংলাদেশের সামিট এলএনজি টার্মিনাল কোম্পানী লিমিটেড এর সাথে চুক্তি সম্পদিত হয়েছে। আশা করা যায় ২০১৮ সালের মধ্যে উক্ত এফএসআরইউ দুইটি থেকে জাতীয় গ্রীডে গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এই সময়ের মধ্যে দেশে গ্যাসের চাহিদা আরো বৃদ্ধি পাবে এবং সে চাহিদা মেটানোর জন্য সরকার এফএসআরইউ এর পাশাপাশি কক্সবাজার জেলার মহেশখালী ও কুতুবদিয়ায় ল্যান্ড বেইজড এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনসহ ভারত থেকে ক্রস-বর্ডার পাইপলাইনের মাধ্যমে রি-গ্যাসিফাইড এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। স্থাপিতব্য এলএনজি টার্মিনাল সমূহে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে এলএনজি সরবরাহের জন্য সরকার ও পেট্রোবাংলা দীর্ঘ মেয়াদী, স্বল্প মেয়াদী এবং স্পট ভিত্তিতে এলএনজি ক্রয়ের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায়  এলএনজি ক্রয়ে সহযোগিতার বিষয়ে গানভর প্রাইভেট লিমিটেড এর সাথে পেট্রোবাংলা সমঝোতা স্মারক সই করেছে।    
ক্যাটাগরি: গ্যাস
ইন্দোনেশিয়া থেকে এলএনজি কিনবে বাংলাদেশ
সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৭ শনিবার ১১:৫১ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশে উন্নয়ন কার্যক্রম উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে প্রতিনিয়ত জ্বালানি চাহিদা বাড়ছেবলে মনে করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনেই ২০২০ সালের মধ্যে প্রতিদিন এক হাজার ৭৪১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস দরকার হবে। ২০২৫ সালে দুই হাজার ৭০৫ মিলিয়ন ঘনফুট আর ২০২৮ সালে দরকার হবে দুই হাজার ৯০৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের। এ জন্য প্রাকৃতিক গ্যাসের অনুসন্ধান ও উত্তোলন বাড়ানোর পাশাপাশি তরলায়িত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির কাজ চলছে বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতা চুক্তিকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ার কোম্পানি পের্টামিনার কাছ থেকে বছরে এক লাখ টন এলএনজি কিনবে। আগামী বছরের মাঝামাঝি থেকে কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত দেশের প্রথম ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে এ গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে। নসরুল বলেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইন্দোনেশিয়া সফর করেন। এ সময় ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদোর সঙ্গে বৈঠককালে দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতার বিষয়ে কথা হয়। এ চুক্তির ফলে ভ্রাতৃপ্রতিম মুসলিম দেশ দুটি জ্বালানি উন্নয়নে কাজ করবে। এলএনজি আমদানি ও এর অবকাঠামো নির্মাণে ইন্দোনেশিয়া বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রায় দুই হাজার ৫০০ শিল্প-কারখানা গ্যাসের জন্য আবেদন করেছে। গ্যাস সংকটের কারণে তাদের সংযোগ দেওয়া যাচ্ছে না। এলএনজি আমদানি শুরু হলে আগামী বছরের মাঝামাঝি থেকে এসব কারখানায় গ্যাস সরবরাহ শুরু করা যাবে।’ প্রতিমন্ত্রী এ সময় আরো বলেন, বাংলাদেশে এখন অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বিনিয়োগের ভালো পরিবেশ বিরাজ করছে। চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ও ইন্দোনেশিয়ার পক্ষে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইগানাসিয়াস জুনান সই করেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল আজমল কবির, ইন্দোনেশিয়ার তেল গ্যাস কোম্পানি পের্টামিনার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসা মানিক, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মোহাম্মদ ফয়জুল্লাহ ও জ্বালানি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. জাকির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
‘সরকার গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি করে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে’
আগস্ট ১০, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ১২:২৬ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে সরকার তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির পাশাপাশি গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছেবলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। বুধবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে পেট্রো সেন্টারে আয়োজিত এক সেমিনারে একথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, ‘এলএনজি আমদানির পাশাপাশি সারা দেশে গ্যাস আহরণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’ জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস-২০১৭ উপলক্ষে বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এই সেমিনারের আয়োজন করে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব নাজিম উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ ও বিপিসি চেয়ারম্যান আবু হেনা রহমাতুল মুনিম বক্তব্য রাখেন। সেমিনারে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের ম্যানেজার কাজী মো. আনোয়ারুল আজিম ‘এলএনজি এজ প্রাইমারী এনার্জি: বাংলাদেশ প্রসপেক্টিভ’ এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের উপ-সচিব ড. মনিরুজ্জামান ‘অয়েল পাইপলাইন : টু এনশিওর আনইন্টারাপটেড অয়েল সাপ্লাই ফর এনার্জি সিকিউরিটি শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। উপদেষ্টা বলেন, সরকার সাগরের মধ্যেও গ্যাস আহরণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। স্বাধীনতার পর ১৯৭৫ সালের ৯ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ৫টি গ্যাসক্ষেত্র চিহ্নিত করাকে মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে নাজিমউদ্দিন চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। এর আগে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের নিহত অধিকাংশ সদস্যের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
জ্বালানি খাতে সুষম উন্নয়ন করা হবে: নসরুল
আগস্ট ০৭, ২০১৭ সোমবার ১১:৩১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
প্রাকৃতিক গ্যাস ক্রম হ্রাসমান হলেও বিকল্প জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিত করে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছেবলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। সোমবার সোনারগাঁও হোটেলে গ্যাস সেক্টর মাস্টার প্ল্যানের খসড়া উপস্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, পরিকল্পনা মাফিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার করে সুষম উন্নয়ন করা হবে। গভীর-অগভীর সমুদ্রে এবং স্থলভাগে গ্যাস অনুসন্ধানের কাজ জোরদার করা হয়েছে। তিনি বলেন, পাওয়ার সিস্টেম মাস্টার প্ল্যান করা হয়েছে। এতে চাহিদা, সরবরাহ এবং সম্ভাব্য প্রাপ্তির উৎস, অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, ক্লিন এনার্জি বা বৈশ্বিক অবস্থা নিয়ে বিস্তারিত বলা আছে। এটিকে ম্যাগনাকার্টা উল্লেখ করে তিনি বলেন, খাতভিত্তিক গ্যাসের চাহিদা নিরূপণ করে গ্যাস সরবরাহের উদ্যোগ নেয়া হবে। ইকিউএমএস কনসাল্টিং লিমিটেডের সহায়তায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ডেনমার্কের র‌্যাম্বর কোম্পানি, ডেনমার্কের ভূতত্ব জরিপ অধিদপ্তর এ মাস্টার প্ল্যান করছে। এখানে চাহিদা ও সরবরাহ বিশ্লেষণ, সাশ্রয়ী মূল্যে গ্যাস সরবরাহের উপায়, সঞ্চালন অবকাঠামো নির্মাণ পরিকল্পনা ও আইনগত রীতি-নীতি বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ডেনমার্কের রাষ্ট্র্রদূত মিকায়েল উইন্থার, পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ ও র‌্যাম্বল কোম্পানির পরিচালক সোরেন লভস্ট্যাড ক্রিসটেনসেন বক্তব্য রাখেন।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
আবাসিকে দ্বিতীয় ধাপে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি অবৈধ: হাইকোর্ট রায়
জুলাই ৩০, ২০১৭ রবিবার ০৯:২২ পিএম - বাসস
গত জুন থেকে দ্বিতীয় ধাপে আবাসিক গ্রাহকদের গ্যাসের যে দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে তা অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি জিনাত আরা ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ বিষয়টি নিয়ে জারি করা রুলের নিস্পত্তি করে রোববার এ রায় দেয়। রিটকারীপক্ষের আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, তবে গত জুন থেকে বাড়তি হারে যে বিল গ্রাহকরা দিয়েছেন, তা তারা ফেরত পাবেন না । সরকারের নেয়া বাড়তি দামের বিষয়টি মার্জনা করা হয়েছে। ১ অগাস্ট থেকে কর্তৃপক্ষ আর ওই বাড়তি হারে বিল আদায় করতে পারবে না। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে বিইআরসি ভবনে সংবাদ সম্মেলন করে দুই দফায় গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দেয় বিইআরসি। ঘোষণা অনুসারে, ১ মার্চ থেকে প্রতি চুলা গ্যাসের জন্য ৭৫০ টাকা। এটি ১ জুন থেকে ফের বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয় ৯০০ টাকায়। আর ১ মার্চ থেকে দুই চুলা গ্যাসের জন্য মূল্য ধরা হয় ৮০০ টাকা, যা জুনে গিয়ে বেড়ে হয় ৯৫০ টাকা। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এক রিটের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ১ জুন থেকে দ্বিতীয় ধাপে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত ৬ মাসের জন্য স্থগিত করে আদেশ দেয়। একইসঙ্গে আদালত গ্যাসের মূল বৃদ্ধি করে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের প্রকাশ করা বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না-তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করে। চার সপ্তাহের মধ্যে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান, সচিবসহ তিনজনকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। ফলে ১ জুন থেকে ৯০০ টাকা ও ৯৫০ টাকা মূল্য নির্ধারণ করে গ্যাসের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত স্থগিত হয়ে যায়। তবে প্রথম দফায় বাড়িয়ে গত ১ মার্চ থেকে একচুলা ৭৫০ টাকা ও ডাবল চুলা ৮০০ টাকা মূল্য নির্ধারণের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়। পরে হাইকোর্টের আদেশ আপিলে স্থগিত হওয়ায় দ্বিতীয় দফায়ও দাম বৃদ্ধি কার্যকর হয়। রুলের চুড়ান্ত শুনানি শেষে দ্বিতীয় দফায় গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয় আজ হাইকোর্ট। গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বিষয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করেন কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) পক্ষে মোবাশ্বের হোসেন। রিট আবেদনে গ্যাসের দাম বাড়ানো সংক্রান্ত বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) জারি করা বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতা স্থগিত চাওয়া হয়। রিটে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ অ্যানার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন-২০০৩’ অনুসারে বছরে একবারের বেশি গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সুযোগ নেই। অথচ এ দফায় একবারেই দুই ধাপে মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তাছাড়া গণশুনানির মাধ্যমে ৯০ দিন পর গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির কথা। ফলে এবারের মূল্যবৃদ্ধিতে আইনের সেসব বিধানের ব্যত্যয় ঘটেছে।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দৈনিক ৪ হাজার এমএমসিএফ গ্যাস আমদানি করবে সরকার
জুলাই ৩০, ২০১৭ রবিবার ১০:২৬ এএম - বাসস
সরকার দেশে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের কথা মাথায় রেখে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে প্রতিদিন জাতীয় গ্রীডে ৪ হাজার মিলিয়ন কিউবিক ফিট (এমএমসিএফডি) গ্যাস আমদানি করতে যাচ্ছে। শনিবার ঢাকায় এক সেমিনারে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ২০১৮ সালের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ ৫০ শতাংশ বৃদ্ধির লক্ষ্যে আগামী বছরের প্রথম দিকে ৫শ’ এমএমসিএফডি আমদানির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) ‘এনার্জি সিকিউরিটি ২০৩০: চ্যালেঞ্জ অ্যান্ড অপরচ্যুনিটিস’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করে। ডিসিসিআই সভাপতি আবুল কাশেম খান এতে সভাপতিত্ব করেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম তাজুল ইসলাম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বুয়েটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তামিম। উপদেষ্টা বলেন, আগামী বছরের মধ্যে সিস্টেম লস সিঙ্গেল ডিজিটে হ্রাস করতে নির্ভরযোগ্য সঞ্চালন ও বিতরণ নেটওয়ার্কসহ এই উদ্যোগ জরুরি প্রয়োজন। তিনি জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বর্জ্য স্টিম/হিট-এর উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, মাতারবাড়িতে ১,২০০ মেগাওয়াটের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনে ২.৫ বিলিয়ন ডলারের একক বৃহত্তম বিনিয়োগ চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে। জ্বালানি চাহিদা পূরণে সরকার আগামী বছর কাতার থেকে লিকুইড ন্যাচারাল গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করতে যাচ্ছে। ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, এখন থেকে আগামী ১৭ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ এক ট্রিলিয়ন ডলার জিডিপি, ২শ’বিলিয়ন রফতানি আয় এবং মাথাপিছু আয় ৬ হাজার ডলারসহ বিশ্বের ৩০তম বৃহত্তর অর্থনীতিতে পরিণত হবে।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
এলএনজি আমদানির জন্য সুইজারল্যান্ডের এওটি এনার্জির সাথে পেট্রোবাংলার সমঝোতা স্মারক সই
জুন ১৪, ২০১৭ বুধবার ১১:০০ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করতে সুইজারল্যান্ডের এওটি এনার্জির সাথে রাষ্ট্রায়াত্ত প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলা একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে। মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে এলএনজি আমদানি নিয়ে বিদেশি কোনো প্রতিষ্ঠানের সাথে এটি দ্বিতীয় সমঝোতা স্মারক। এর আগে কাতারের রাশ গ্যাসের সাথেও পেট্রোবাংলা একই ধরনের সমঝোতা স্মারক সই করে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পেট্রোবাংলার একজন কর্মকর্তা জানান, সমঝোতা অনুযায়ী এলএনজি আমদানির পরিমাণ ও দাম নিয়ে এওটি এনার্জি এর সাথে নেগোশিয়েশন করা হবে। এরপর চূড়ান্ত চুক্তি হবে। এলএনজি আমদানি ও এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের জন্য পেট্রোবাংলা এ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই করেছে।  
ক্যাটাগরি: গ্যাস
চীনের কনসোর্টিয়ামের কাছে শেভরন করপোরেশন বাংলাদেশে তাদের সব সম্পদ বিক্রি করবে
এপ্রিল ২৫, ২০১৭ মঙ্গলবার ০১:২৭ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশ থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ তেল-গ্যাস কোম্পানি শেভরনকরপোরেশন। চীনের কনসোর্টিয়াম হিমালয় এনার্জি কোম্পানি লিমিটেডের হাতে ২ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়তে চায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম তেল-গ্যাস কোম্পানি শেভরন। শেভরনের এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশের তিনটি গ্যাস ক্ষেত্র বিবিয়ানা, মৌলভীবাজার ও জালালাবাদ থেকে গ্যাস উত্তোলনের দায়িত্ব চলে যাবে হিমালয় এনার্জির হাতে। সোমবার শেভরনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শেভরন করপোরেশন বাংলাদেশে তাদের সব সম্পদ বিক্রি করে দেওয়ার বিষয়ে হিমালয় এনার্জির সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। তবে কত টাকায় এই ব্যবসা হাতবদল হচ্ছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি শেভরন। এদিকে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই তিন গ্যাসক্ষেত্রের সম্পদমূল্য প্রায় দুই বিলিয়ন ডলার। শেভরনের সঙ্গে হিমালয়ের চুক্তি চূড়ান্ত হলে এটাই হবে বাংলাদেশে চীনের প্রথম বড় কোনো বিনিয়োগ।  গত দুই বছরে বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের দাম পড়ে যাওয়ায় লোকসান সামাল দিতে শেভরন বাংলাদেশে তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে বলে বেশ কিছুদিন ধরে খবর আসছিল সংবাদমাধ্যমে।  এর মধ্যে গত বছর অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এই কোম্পানি জানায়, ২০১৭ সালে প্রায় হাজার কোটি ডলারের সম্পদ তারা বিক্রি করে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে, যার মধ্যে বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপিন্সের বেশ কয়েকটি প্রকল্প থাকছে। রয়টার্স গত ফেব্রুয়ারিতে এক প্রতিবেদনে জানায়, চায়না ঝেনহুয়া অয়েল বাংলাদেশে শেভরনের গ্যাসক্ষেত্র কিনে নিতে প্রাথমিক চুক্তি করেছে। এই ঝেনহুয়া অয়েল এবং ইনভেস্টমেন্ট ফার্ম সিএনআইসি করপোরেশনের কনসোর্টিয়ামই হিমালয় এনার্জি কোম্পানি লিমিটেড। চায়না নিংবো ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন কোম্পানি লিমিডেট- সিএনআইসি একটি রাষ্ট্রয়াত্ত বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান, যার যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০১২ সালে, হংকংয়ে। মূলত বিদেশে চীনা বিনিয়োগের বিষয়টি দেখাই এ কোম্পোনির কাজ। ঝেনহুয়া অয়েলের একজন মুখপাত্রের করাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, শেভরনের সঙ্গে হিমালয় এনার্জির চুক্তি চূড়ান্ত করার আগে তাদের চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেতে হবে। এদিকে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স লিখেছে, শেভরনের সম্পদ কিনে নেওয়া বাংলাদেশের জন্য লাভজনক হবে কি না, তা এখনও যাচাই করে দেখছে ব্রিটিশ পরামর্শক প্রতিষ্ঠান উড ম্যাকেঞ্জি। “পরামর্শকের প্রতিবেদন হাতে আসার আগে আমরা তো তাড়াহুড়া করে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারি না। আমরা আশা করব, আমাদের অনুরোধ শেভরন রাখবে,” বলেন নসরুল হামিদ। শেভরন গত বছর তাদের সম্পদ বিক্রির প্রাথমিক ঘোষণা দেওয়ার পর বাংলাদেশ সরকার তা কিনে নেওয়ার আগ্রহ দেখায় এবং মার্চে  উড ম্যাকেঞ্জিকে পরামর্শক নিয়োগ করে।  বাংলাদেশের পেট্রোবাংলার সঙ্গে উৎপাদন ও বণ্টন চুক্তির আওতায় তিনটি ব্লকে বিবিয়ানা, মৌলভীবাজার ও জালালাবাদ ক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলন করে আসছে শেভরন।  শেভরন বাংলাদেশের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ওই তিন ক্ষেত্রে থেকে তারা প্রতিদিন গড়ে ৭২ কোটি ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করে আসছে, যা বাংলাদেশের প্রতিদিনের গ্যাস সরবরাহের প্রায় ৫৫ শতাংশ। এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত বিভিন্ন কোম্পানি এবং বিদেশি কোম্পানি তাল্লো ২৩টি ক্ষেত্রে থেকে বাকি ৪৫ শতাংশ গ্যাসের যোগান দেয়।  গ্যাস ছাড়াও তিনটি ক্ষেত্র থেকে উপজাত হিসেবে প্রতিদিন তিন হাজার ব্যারেল তরল হাইড্রোকার্বন তথা কনডেনসেট উৎপাদন করে আসছে শেভরন।  
ক্যাটাগরি: গ্যাস
ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে সরকারের সাথে চুক্তি করলো সামিট গ্রুপ
এপ্রিল ২১, ২০১৭ শুক্রবার ০৯:২৩ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল নির্মাণ এবং এর ব্যবহারে সামিট গ্রুপের সাথে পৃথকভাবে দুটি চুক্তিতে সই করেছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং পেট্রোবাংলা । বৃহস্পতিবার ঢাকায় পেট্রোসেন্টারে দেশীয় কোম্পানী সামিট গ্রুপ,  জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং পেট্রোবাংলা’র মধ্যে ওই চুক্তি সই হয় বলে সামিট গ্রুপের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। সামিট গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান সামিট এলএনজি টার্মিনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এএনএম তারিকুর রশীদ, প্রকল্পের ইক্যুয়িটি অংশীদার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান জেনারেল ইলেকট্রিক-জিই এর পরিচালক (গ্লোবাল গ্যাস টু পাওয়ার ইনফ্রাস্ট্রাকচার) পিটার ম্যাক এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের উপ-সচিব জনেন্দ্র নাথ সরকার ও পেট্রোবাংলার সচিব সৈয়দ আশফাকুজ্জামান চুক্তিতে সই করেন। চুক্তি অনুযায়ী, দেশে গ্যাসের বর্ধিত চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে দেড় বছরের মধ্যে কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভাসমান এ টার্মিনাল নির্মাণের কথা রয়েছে। চুক্তির আওতায় সামিট- সমুদ্রের তলদেশে নয় কিলোমিটার গ্যাস পাইপলাইনসহ   দেশের দ্বিতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল এর নির্মাণ, স্বত্ত্ব, পরিচালনা ও হস্তান্তর করবে। সামিট এলএনজি টার্মিনাল নামের ৫০ কোটি ডলারের এ প্রকল্পের জন্য এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান জেনারেল ইলেকট্রিকের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে একটি সাবসিডিয়ারি কোম্পানি গঠন করেছে সামিট গ্রুপ। প্রকল্পে আমদানিকৃত এলএনজি ভাসমান সংরক্ষণাগারে সংরক্ষণ ও পুনরায় গ্যাসে রূপান্তর করে তা গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের (জিটিসিএল) কাছে সরবরাহ করবে সামিট। নির্মাণ শেষে আমদানিকৃত এলএনজি থেকে প্রতিদিন ৫০ কোটি ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করা হবে। পেট্রোবাংলা প্রতি মিলিয়ন বিটিইউ গ্যাসের বিনিময়ে ৪৫ সেন্ট (যা বাংলাদেশী মুদ্রায় ৩৭ টাকার মতো) সামিটকে পরিশোধ করবে। চুক্তি অনুসারে ১৫ বছর পর পেট্রোবাংলার কাছে টার্মিনালটি হস্তান্তর করবে সামিট। প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৫০ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল ইলেকট্রিক ও সামিট এলএনজি টার্মিনাল কোম্পানি লিমিটেড যৌথভাবে এতে মূলধন বিনিয়োগ করবে। এর মধ্যে জেনারেল ইলেকট্রিকের কাছে ২০ ও সামিটের কাছে ৮০ শতাংশ মালিকানা থাকবে। এর আগে মহেশখালীতে দেশের প্রথম ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের বিষয়ে ২০১৬ সালের ১৮ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে চুক্তি করে পেট্রোবাংলা। ২০১৮ সালের শুরুতে এ টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্যাস সঞ্চালন লাইনে দৈনিক ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাস যোগ হওয়ার কথা রয়েছে।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
পেট্রোবাংলা সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রের অবকাঠামো বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করবে
মার্চ ৩০, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ০৯:৩৭ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
অগভীর সমুদ্রে পরিত্যক্ত সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রের অবকাঠামো নতুন করে ব্যবহারের পরিকল্পনা করেছে সরকার। এলএনজি ও এলপিজি আমদানির জন্য অবকাঠামোটির বহুমুখী ব্যবহারে এ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এজন্য দেশী-বিদেশী কোম্পানির কাছে সম্প্রতি আগ্রহপত্র চেয়েছে বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস ও খনিজ করপোরেশন  (পেট্রোবাংলা)। পেট্রোবাংলার পরিচালক (পিএসসি) মাহবুব সারওয়ার বলেন, সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রের অবকাঠামো বাণিজ্যিকভাবে বহুমুখী ব্যবহারের জন্য ইতোমধ্যে এক্সপ্রেশন অব ইন্টারেস্ট বা আগ্রহপত্র আহ্বান করা হয়েছে। আগামী ৩ এপ্রিল আগ্রহপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন নির্ধারণ করা হয়। তবে আগ্রহী কোম্পানীগুলোর কাছ থেকে তেমন সাড়া না পাওয়া সময় এক মাস বাড়ানো হয়েছে অর্থাৎ ৩ মে পর্যন্ত এখন আগ্রহপত্র জমা দেওয়া যাবে। নির্বাচিত কোম্পানি গ্যাসক্ষেত্রটির পরিত্যক্ত উৎপাদন ও প্রসেসিং অবকাঠামো ব্যবহার করবে। সমুদ্রেবক্ষে গ্যাস উৎপাদনের অবকাঠামো সুবিধার পাশাপাশি স্থলভাগে চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটের সিলিমপুরে প্রসেস প্লান্ট রয়েছে। সমুদ্র এবং স্থলভাগের স্থাপনাকে সংযুক্ত করেছে ২০ ইঞ্চি প্রশস্ত ৪৯ কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপলাইন। দেশের সমুদ্রবক্ষে একমাত্র উৎপাদনশীল গ্যাসক্ষেত্র সাঙ্গু বন্ধ হয়েছে ২০১৩ সালের অক্টোবরে। গ্যাসক্ষেত্রটির মজুদ ফুরিয়ে যাওয়ার পর পরিত্যক্ত ঘোষনা করা হলেও এর অবকাঠামো রয়ে গেছে। এই অবকাঠামো রক্ষনাবেক্ষনে বছরে সরকারের খরচ প্রায় দুই কোটি টাকা। প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ কমে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) এবং এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) আমদানিতে জোর দিয়েছে সরকার। বঙ্গোপসাগর কিংবা সমুদ্র উপকূলে নোঙ্গরকৃত জাহাজ থেকে এই আমদানিকৃত গ্যাস খালাস এবং তা প্রক্রিয়াজাত ও ব্যবহারের জন্য নতুন অবকাঠামো নির্মাণ করা দরকার। এরই অংশ হিসেবে পরিত্যক্ত সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রের জন্য নির্মিত অবকাঠামো ও সংশ্লিষ্ট পাইপলাইন, প্লান্টসহ নানা সুবিধা ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। দেশের ১৬ নম্বর ব্লকের সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রটি উৎপাদন অংশীদারি চুক্তির (পিএসসি) মাধ্যমে পরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হয় ব্রিটিশ কোম্পানি কেয়ার্ন এনার্জি পিএলসিকে। ১৯৯৬ সালে তারা সেখানে গ্যাস আবিষ্কার করে। ১৯৯৮ সালের ১২ জুন এই ক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলন ও সরবরাহ শুরু হয়। কমপ্রেসর বসানোর পর গ্যাসক্ষেত্রটির মজুদ দ্রুত ফুরিয়ে যায়। ২০১০ সালে কেয়ার্ন গ্যাসক্ষেত্রের পরিচালনভার সান্তোসের কাছে হস্তান্তর করে চলে যায়। সর্বশেষ ২০১৩ সালে দেশের সমুদ্রবক্ষে উৎপাদনশীল একমাত্র গ্যাসক্ষেত্রটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
বাংলাদেশের গ্যাস খাতে ৬ কোটি ডলার ঋণ দেবে এআইআইবি
মার্চ ২৯, ২০১৭ বুধবার ১০:১৬ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বেইজিং ভিত্তিক এশিয়ান ইনফ্রাস্টাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি) বাংলাদেশকে ছয় কোটি ডলার  ঋণ দেবে। দেশের গ্যাস সরবরাহ ঘাটতি দূর করতে এ ঋণ দেওয়া হবে বলে গত মঙ্গলবার এআইআইবি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে। এতে বলা হয়,  গ্যাসের ঘাটতি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং এতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে তাই বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাসের অবকাঠামো তৈরি ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এ তহবিল ব্যবহার করা হবে। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাস অবকাঠামো তৈরির এ প্রকল্পে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকও (এডিবি) ১৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার দিয়েছে। প্রাকৃতিক গ্যাসের উৎপাদন বৃদ্ধি ও সরবরাহ অবকাঠামো তৈরিতে গত নভেম্বরে এ অর্থ অনুমোদন দেওয়া হয়। গত  মঙ্গলবার এআইআইবি আরো জানায়, ইতিমধ্যে ইন্দোনেশিয়ার বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্পে ১২৫ মিলিয়ন ডলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং আঞ্চলিক অবকাঠামো উন্নয়নে ১০০ মিলিয়ন ডলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গত জুন মাসে প্রথম চারটি ঋণ প্রকল্পের অনুমোদন দেয় এআইআইবি, যা হবে অর্ধ বিলিয়ন ডলারের মতো। এসব প্রকল্প বিশ্বব্যাংক, এডিবিসহ অন্যান্য ব্যাংকের সঙ্গে যৌথ অর্থায়ন করছে এআইআইবি। সূত্র: রয়টার্স
ক্যাটাগরি: গ্যাস
‘দুই লাখ আবাসিক গ্রাহকের আঙ্গিনায় প্রি-পেইড গ্যাস মিটার স্থাপনে চুক্তি সই’
মার্চ ১৭, ২০১৭ শুক্রবার ০৫:৩২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ঢাকায় দুই লাখ আবাসিক গ্রাহকের আঙ্গিনায় প্রি-পেইড গ্যাস মিটার সরবরাহ ও স্থাপনের জন্য তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড এর সাথে জাপানী প্রতিষ্ঠান টয়োকেইকি কোম্পানী লিমিটেড এক চুক্তি সই করেছে। গত ১৬ মার্চ ওই চুক্তিতে সই করেন-তিতাস গ্যাসের পক্ষে কোম্পানির সচিব মোস্তাক আহমেদ ও টয়োকেইকি কোম্পানির পক্ষে কোম্পানির পরিচালক কিয়োটাকা মিয়াহারা। বাংলাদেশ সরকার ও জাইকার অর্থায়নে ‘প্রি-পেইড গ্যাস মিটার স্থাপন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় দুই লাখ আবাসিক গ্রাহক এই সুবিধা পাবে বলে তিতাস গ্যাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। আগামী মে মাস থেকে গুলশান, বনানী, বারিধারা, বসুন্ধরা, বাড্ডা, খিলক্ষেত, ক্যান্টনমেন্ট, মিরপুর, উত্তরা এলাকায় উক্ত কার্যক্রম শুরু হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
গভীর সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে চুক্তি সই
মার্চ ১৪, ২০১৭ মঙ্গলবার ১০:২৬ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে বাংলাদেশ সরকার, পেট্রোবাংলা ও দক্ষিণ কোরিয়ার পোসকো দাইউ করপোরেশনের মধ্যে গভীর সমুদ্রের ব্লক ডিএস-১২ এর উৎপাদন অংশীদারিত্ব চুক্তি (পিএসসি) মঙ্গলবার সই হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের উপ-সচিব বেগম খাদিজা নাজনীন, পেট্রোবাংলার পক্ষে পেট্রোবাংলার সচিব সৈয়দ আশফাকুজ্জামান এবং পোসকো দাইউ করপোরেশনের পক্ষে এর সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট সি বো ঝো। ঢাকায় পেট্রোসেন্টারের ড. হাবিবুর রহমান অডিটরিয়ামে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোঃ তাজুল ইসলাম এমপি, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মোঃ নাজিমউদ্দিন চৌধুরী, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মোঃ ফয়েজউল্লা, দক্ষিন কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত এএইচএন সেঅং ডো, পেসকো দাইউ করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াং সাং কিম, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং পেট্রোবাংলার পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
‘বাংলাদেশে এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনে আগ্রহ প্রকাশ করেছে জাপানের প্রতিষ্ঠান মারুবেনি’
মার্চ ০৯, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ০৯:৫১ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশে এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে জাপানের প্রতিষ্ঠান মারুবেনি প্রাইভেট লিমিটেড। বুধবার বাংলাদেশে সফররত জাপানের উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান মারুবেনি’র এক প্রতিনিধিদল শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর সাথে ঢাকায় শিল্প মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠকে এ আগ্রহ প্রকাশ করে বলে এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়েছে। মারুবেনি ও বিসিআইসি যৌথভাবে চট্টগ্রামে এ টার্মিনাল নির্মাণ করবে। মালয়েশিয়া থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি করে এটি পরিচালনা করা হবে।  বৈঠকে বাংলাদেশের শিল্পখাতে মারুবেনির বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশে মিশ্র সার, পেপার বোর্ড, বিদ্যুৎ ও এলএনজি শিল্পখাতে বিনিয়োগের ব্যাপারে মারুবেনির কর্মকর্তারা আগ্রহ প্রকাশ করেন।  বাংলাদেশের শিল্পখাতে মারুবেনির বিনিয়োগ আগ্রহের প্রশংসা করে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন  বলেন, বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার সর্বোৎকৃষ্ট স্থান। বাংলাদেশ সরকার বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য নগদ সহায়তা, কর অবকাশসহ বিভিন্ন প্রণোদনা দিচ্ছে। এলএনজি টার্মিনাল ছাড়াও পেপার বোর্ড, বিদ্যুৎ ও মিশ্র সারখাতে যৌথ বিনিয়োগের জন্য একটি সমন্বিত প্রস্তাব প্রদান করতে মারুবেনির কর্মকর্তাদের পরামর্শ দেন তিনি। বিনিয়োগের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা পেলে সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে বলে প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী। শিল্পমন্ত্রী কর্ণফুলী সার কারখানাকে (কাফকো) বাংলাদেশে জাপানে বিনিয়োগের একটি সফল উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। এর দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে বাংলাদেশের অন্যান্য শিল্পখাতে যৌথ বিনিয়োগে এগিয়ে আসতে মারুবেনির কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বেগম পরাগ, মারুবেনি প্রাইভেট লিমিটেডের আশিয়ান ও দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার ব্যবস্থাপনা বিষয়ক নির্বাহি কর্মকর্তা সজি কাওয়াহামা, মারুবেনির আঞ্চলিক মহাব্যবস্থাপক তরু কাবিয়া, উপ মহাব্যবস্থাপক কুনিও নিগিশি, ঢাকা অফিসের মহাব্যবস্থাপক হাদিহিরু কন্নু সহ বিসিআইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।   
ক্যাটাগরি: গ্যাস
‘আগামী দুই বছরের মধ্যে শিল্প কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের আশ্বাস’
মার্চ ০৫, ২০১৭ রবিবার ০৯:৩৯ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
আগামী দুই বছরের মধ্যে বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও শিল্প কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের আশ্বাস দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। রোববার ঢাকায় একটি পাঁচ তারকা হোটেলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি দক্ষতা দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন তিনি। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ হাইড্রোকার্বন ইউনিট এবং বেসরকারি সংস্থা ইনস্টিটিউট ফর পলিসি, অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড গভার্নেন্স (আইপিএজি) যৌথভাবে এই আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাকৃতিক গ্যাস অফুরন্ত নয়।  ভবিষ্যতে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এলএনজি আমদানি করা হবে। আমদানিকৃত ওই গ্যাসের দাম অনেক বেশী। তাই এলএনজি আমদানির পর এটি মিশ্রণ করলে গ্যাসের দামও বেশি হবে। প্রাকৃতিক গ্যাস ও এলএনজির দামের মধ্যে সমন্বয় করতে চলতি মাস থেকে গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। নসরুল  বলেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং শিল্প-কারখানার যারা বড় গ্রাহক তাদেরকে  এ ব্যাপারে এখন থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে। আপনাদের নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ করা হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমলেও অভ্যন্তরীণ বাজারে তা না কমানোর বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তেলের দাম কমানোর পর জনগণ  এর সুফল পাচ্ছে কি না, সেটা দেখতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজার একটু স্থিতিশীল হলে তেলের দাম কমবে জানিয়ে তিনি বলেন, এখন বিশ্ব বাজারে তেলের দাম উঠা-নামা করছে। এটা স্বাভাবিক হলে দাম কমানোর জন্য আমরা হয়তো একটা পদক্ষেপ নেবো। তিনি আরো বলেন, জ্বালানির সাশ্রয়ি ব্যবহার বাড়াতে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করতে হবে। সাশ্রয়ি জ্বালানির স্বপক্ষে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো গেলে দ্রুত সাফল্য পাওয়া যাবে। আইপিএজি’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ মুনির খসরুর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য দেন  জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব নাজিমউদ্দিন চৌধুরী। এসময় উপস্থিত ছিলেন পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মোঃ ফয়েজউল্লাহ, টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য সিদ্দিক যোবায়ের, বুয়েটের অধ্যাপক মোহাম্মদ আরিফ হাসান মামুন।
ক্যাটাগরি: গ্যাস
    সাম্প্রতিক গ্যাস এর খবর
‘বাংলাদেশে এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনে আগ্রহ প্রকাশ করেছে জাপানের প্রতিষ্ঠান মারুবেনি’
‘আগামী দুই বছরের মধ্যে শিল্প কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের আশ্বাস’
‘গৃহস্থালিসহ সব ধরনের গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে বিইআরসি’
আজ বিকেল সাড়ে ৪টায় গ্যাসের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেবে বিইআরসি
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের বহরে যুক্ত হচ্ছে দুইটি এলএনজি ভেসেল
পাঁচটি সিএনজি স্টেশনের গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন
‘গভীর সমুদ্রের ১২ নম্বর ব্লকে পিএসসি সইয়ে মন্ত্রিসভার অনুমোদন’
‘জানুয়ারি মাসে প্রায় ৫০ হাজার অবৈধ চুলার গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন’
তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে মগনামা স্ট্রাকচারে কূপ খনন শুরু
মগনামা স্ট্রাকচারে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে সেলস অ্যান্ড পারচেজ এগ্রিমেন্ট সই
‘মগনামা স্ট্রাকচারে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে সেলস অ্যান্ড পারচেজ এগ্রিমেন্ট এর অনুমোদন’
গ্রাহকদের অভিযোগ শুনতে কল সেন্টার চালু করেছে তিতাস গ্যাস কোম্পানী
এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে পেট্রোবাংলার সাথে সামিট গ্রুপ অনুস্বাক্ষর করেছে
গ্যাস খাতের উন্নয়নে ১৬ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার ঋণ চুক্তি সই
স্থলভাগে প্রথম এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনে নন-বাইন্ডিং সমঝোতা স্মারক সই
আগারগাঁও-মিরপুর এলাকায় সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে বুধবার
রাজধানীতে গ্যাস সঙ্কটে দুর্ভোগে আবাসিক গ্রাহকরা
২০১৫-১৬ অর্থবছরে তিতাস গ্যাস কোম্পানির করপূর্ব মুনাফা ৯৭০.০২ কোটি টাকা
গ্যাস সেক্টরের উন্নয়নে এডিবি ১৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দেবে
গ্যাস খাতের উন্নয়নে ২৫ বছর মেয়াদী মহাপরিকল্পনা তৈরি হচ্ছে
গভীর সমুদ্রের ১২নং ব্লকে গ্যাস অনুসন্ধান করবে কোরিয়ান কোম্পানি
‘অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহারের কারণে ১৬৩ কিলোমিটার পাইপলাইন অপসারণ’
বাংলাদেশের গ্যাস খাতের উন্নয়নে ২২ কোটি ৭০ লাখ ডলার দেবে এডিবি-এআইআইবি
জিটিসিএল এর সাথে পেট্রোবাংলার অধীন কোম্পানিগুলোর মধ্যে ঋণচুক্তি সই
গ্যাসের চাপ ও সংকটের সমাধান চায় গাজীপুরের শিল্পোদ্যোক্তারা
টাঙ্গাইলে বিকল্প পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে
চার দিনের জন্য বন্ধ থাকবে জালালাবাদ গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদন
সিরাজগঞ্জ, পাবনা, বগুড়া ও রাজশাহীতে আগামী ১৫ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে
জালালাবাদ গ্যাস কোম্পানীর দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবও নাকচ
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy

   Editor & Publisher: Aminur Rahman
   Copyright @ 2015-2017 energynewsbd.com
   All Rights Reserved | Developed By: Jadukor IT