ঢাকা, সোমবার, জুন ১৮, ২০১৮, আষাঢ় ৪, ১৪২৫ ১১:২৭ পিএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
বিদ্যুৎ
‘৪০০ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণে পদ্মা নদী ক্রসিং এর কাজ শুরু হচ্ছে’
নির্মাণাধীন আমিনবাজার-মাওয়া-মংলা ৪০০ কেভি ডবল সার্কিট বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের পদ্মা নদী ক্রসিং স্থানের কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি) আগামী ৩০ মাসের মধ্যে কাজটি শেষ করবে। এজন্য ভারতীয় প্রতিষ্ঠান কেইসি ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডকে  টার্নকী ঠিকাদার নিয়োগ করেছে পিজিসিবি। গত ১২ জুন পিজিসিবি’র প্রধান কার্যালয়ে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চুক্তি সই হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। চুক্তিপত্রে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সঞ্চালন লাইনটির সাড়ে সাত কিলোমিটার দীর্ঘ রিভারক্রসিং অংশের কাজ শেষ করে পিজিসিবি’র কাছে হস্তান্তর করতে হবে। এ নির্মাণ কাজে ব্যয় হবে প্রায় ১২৩ কোটি টাকা। উন্নয়ন সহযোগী এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাংক, বাংলাদেশ সরকার এবং পিজিসিবি সম্মিলিতভাবে এ কাজে অর্থায়ন করছে। পিজিসিবি’র গৃহীত আমিনবাজার-মাওয়া-মংলা ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন প্রকল্প’র আওতায় কাজটি করা হচ্ছে। আমিনবাজার-মাওয়া-মংলা সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে রামপাল এবং পায়রায় নির্মাণাধীন বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোয় উৎপাদিতব্য বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে সঞ্চালন করা হবে। সঞ্চালন লাইনটির রিভারক্রসিংয়ের জন্য পদ্মা নদীতে সাতটি উঁচু টাওয়ার স্থাপন করতে হবে। সেতু নির্মাণ কর্তৃপক্ষ টাওয়ারসমূহ স্থাপনের জন্য নদীতে বেজলাইন তৈরি করে দিচ্ছে। অনুষ্ঠানে পিজিসিবি’র পক্ষে কোম্পানী সচিব মোঃ আশরাফ হোসেন এবং কেইসি’র পক্ষে কান্ট্রি হেড কুলদ্বীপ কুমার সিনহা চুক্তিপত্রে সই করেন। পিজিসিবি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম-আলবেরুনী দ্রুততার সঙ্গে কাজ শেষ করতে কেইসি কর্মকর্তাদের প্রতি তাগিদ দেন। পিজিসিবি’র নির্বাহী পরিচালক মোঃ শাফায়েত হোসেন ও মোঃ এমদাদুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক আব্দুল মোনায়েম চৌধুরী, কেইসি’র প্রজেক্ট ম্যানেজার অরুদ্র নাথ, সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার সুনীল কুমার সহ উভয়পক্ষের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।  
খুলনায় ৮শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রকল্প একনেক সভায় উপস্থাপনের অপেক্ষায়
মে ২১, ২০১৮ সোমবার ১২:০৯ পিএম - বাসস
দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস লিমিটেডের পরিত্যক্ত জমিতে সরকার ৮শ’ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের একটি বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ রোববার বলেন, ‘সরকার দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে অনেকগুলো প্রকল্প গ্রহণ করেছে। যার মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।’ সূত্র জানায়, কমিশন ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগের ‘কন্সট্রাকশন অব রূপসা ৮০০ মেগাওয়াট কমবাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্লান্ট’ শীর্ষক খসড়া প্রকল্পটি পর্যালোচনা করেছে এবং মঙ্গলবার অনুষ্ঠেয় একনেকের বৈঠকে তা উপস্থাপন করা হতে পারে। প্রতিমন্ত্রী জানান, বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড (এনডব্লিউপিজিসিএল) ৮ হাজার ৪৯৮.৬৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০২২ সালের মধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। মোট প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক (আইডিবি) এবং জাপান ফান্ড ফর পোভার্টি রিডাকশন (জেএফপিআর) প্রকল্প সহায়তা হিসেবে ৫ হাজার ৯৮৭.৮৭ কোটি টাকা প্রদান করবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ৫০ কোটি টাকা এবং অবশিষ্ট ২ হাজার ৪৬০.৭৭ কোটি টাকা সরকার বহন করবে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘সামিট গাজীপুরে ৩০০ মেগাওয়াটের আরও একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করেছে’
মে ০৯, ২০১৮ বুধবার ০৮:৩২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
গাজীপুরের কড্ডায় নবনির্মিত ফার্নেস অয়েল চালিত ৩০০ মেগাওয়াটের আরও একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করেছে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সামিট গাজীপুর-২ পাওয়ার লিমিটেড। বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, ৩০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এইচএফও(ফার্নেস অয়েল)জ্বালানি ভিত্তিক রেসিপ্রোকেটিং ইঞ্জিনের আরও একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র গত ৫ মে থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করে। বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (বিপিডিবি) এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ কর্তৃক নির্ধারিত ফাস্ট ট্র্যাক এই বিদ্যুৎ প্রকল্পটি মাত্র ৯ মাসের মধ্যে বাস্তবায়িত হলো। এই প্রকল্পটি ২০১৭ সালের ১০ আগস্ট লেটার অফ ইনটেন্ট (এলওআই) পায় এবং মাত্র ৯ মাসের মধ্যে বুধবার ‘১০০ ঘণ্টা রিলায়বিলিটি রান টেস্ট’ এবং ‘ডিপেন্ডেবল ক্যাপাসিটি টেস্ট’ সম্পন্ন করেছে। সামিট গাজীপুর-২ পাওয়ার লিমিটেড, সামিট কর্পোরেশন লিমিটেড এবং সামিট পাওয়ার লিমিটেডের একটি জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানী। কোম্পানীটি এলওআই পাওয়ার পর গত বছরের ১০ ডিসেম্বর যথাক্রমে বিপিডিবি এবং বিদ্যুৎ বিভাগের সাথে ১৫ বছর মেয়াদী বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি (পিপিএ) এবং বাস্তবায়ন চুক্তি (আইএ) সম্পন্ন করে। ঢাকা থেকে ৩০ কিমি দূরে গাজীপুর জেলার কড্ডায় অবস্থিত এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি টংগী এবং কালিয়াকৈর এর গ্রীড সাবস্টেশনে ২৩০ কেভিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘মহেশখালীতে ১,৩২০ মেগাওয়াটের আরেকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে’
মে ০৬, ২০১৮ রবিবার ১১:২৮ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
কক্সবাজারের মহেশখালীতে ১,৩২০ মেগাওয়াটের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও চায়না হুয়াদিয়ান হংকং কোম্পানি লিমিটেড (সিএইচডিএইচকে) জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানী গঠন করতে চুক্তি সই করেছে। রোববার রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে বিপিডিবি’র পক্ষে এর সচিব মিনা মাসুদ উজ্জামান এবং চীনের সিএইচডিএইচকে এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াং ঝিহাও চুক্তিতে সই করেন। চুক্তি অনুযায়ী, চীনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ১,৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করবে বিপিডিবি। এজন্য আগামী ৩০ কর্ম দিবসের মধ্যে উভয় পক্ষের ৫০ শতাংশ করে শেয়ারের ভিত্তিতে যৌথ কোম্পানি গঠন করা হবে। কোম্পানি গঠনের পর আগামী ৪৮ মাস থেকে ৫৪ মাসের মধ্যে মহেশখালীতে ২০০ একর জমির ওপর নির্মিত হবে ৬৬০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, দ্রুত আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে প্রয়োজন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ। বিদ্যুৎ উৎপাদনে যথাসময়ে লক্ষ্য পূরণ হলেও সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার আরো উন্নয়ন প্রয়োজন। ন্যাশনাল লোড ডিসপাচ সেন্টার আধুনিক করা হচ্ছে। গ্রাহক সেবার মান বাড়ানোর জন্য বিতরণ সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো হয়েছে বলে জানান তিনি। ভবিষ্যতে কক্সবাজারের মহেশখালীতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি বড় হাব গড়ে তোলা হবে বলে আশা করেন প্রতিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস, বিপিডিবি’র চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ ও চায়না হুয়াদিয়ান কোম্পানির প্রেসিডেন্ট ফাং ঝেং এবং চীনের রাষ্ট্রদূত ঝাং ঝু বক্তব্য রাখেন। 
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘রমজানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে গ্রীডে ১,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হচ্ছে’
মে ০৩, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ০৮:৩৮ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
আসন্ন রমজানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে চলতি মাসেই জাতীয় গ্রীডে আরো ১,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সংযুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে বিদ্যুৎ ভবনে চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমে ও রমজান মাসে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ কথা বলেন তিনি। সভায় বিদ্যুৎ বিভাগ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, পেট্রোবাংলা, বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা ও দোকান মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন,“রমজানে বিদ্যুৎ সরবরাহ লোড-শেডিং মুক্ত রাখা রাখা হবে। এ মাসে  আলোকসজ্জ্বা যথাসম্ভব কম করে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে নিজে আন্তরিক হয়ে অন্যকে সচেতন করতে সহযোগিতা করুন।” তবে ঢাকা শহরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ থাকলেও পুরান ঢাকার কিছু এলাকায় সাব স্টেশন ও বিতরণ লাইন ওভারলোডের কারণে সাময়িক সমস্যা হতে পারে বলে মনে করেন তিনি। আগামী মাস থেকে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার অভিযান শুরু হবে বলে জানান তিনি। বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস বলেন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ তদারকি করতে কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম স্থাপন এবং বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হবে। বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোছাঃ মাকছুদা খাতুন বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন আগের তুলনায় যথেষ্ট বেড়েছে। তবুও বিদ্যুতের অপচয়রোধ ও সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মোঃ ফয়জুল্লাহ বলেন, বর্তমানে গ্যাসচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে প্রতিদিন ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।চলতি মাসের ২০ তারিখের পর সঞ্চলন লাইনে আমদানি করা এলএনজি যুক্ত হলে ১১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে সরবরাহ সম্ভব হবে। বিতরণকারী সংস্থা ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ শফিক উদ্দিন বলেন, “নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বিতরণ লাইন সংস্কার ও ভ্রাম্যমাণ ট্রান্সফরমার রাখা হবে যাতে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে সাথে সাথে লাইন চালু করা যায়।” অপর বিতরণকারী সংস্থা ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকাশ দেওয়ান বলেন,“ঢাকা মহানগরে বিদ্যুৎ সরবরাহে তেমন কোনো সমস্যা হবে না। তবে পুরান ঢাকায় হাসনাবাদ, লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর এলাকায় সাব-স্টেশনের অপ্রতুলতার কারণে কিছুটা সমস্যা হতে পারে।” বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, “সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। আমরা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ চাই। ক্রেতাদের সুবিধার্থে বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে দোকান বন্ধ রাখতে চাই না।” সভায় বেশ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে- রমজানে দোকান, মার্কেট ও বিপণী বিতানসমূহ খোলা রাখার বিষয়ে বিদ্যমান আইন অনুসরণ করা, পিক আওয়ারে রি-রোলিং মিল, ওয়েল্ডিং মেশিন, ওভেন, ইস্ত্রির দোকানসহ অধিক বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী সরঞ্জামাদির ব্যবহার বন্ধ রাখা। সুপার মার্কেট, প্রেট্রোল পাম্প ও সিএনজি গ্যাস ষ্টেশনে প্রয়োজনের অতিরিক্ত বাতির ব্যবহার বন্ধ, বিদ্যুতের অপচয় রোধে সিএফএল বাল্বের পরিবর্তে এলইডি বাল্ব প্রতিস্থাপন, বিকাল ৫ টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখা। আলোচনা সভায় বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম মনোয়ার হোসেন আখন্দ, বিপিডিবি’র চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন ও পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইনসহ মন্ত্রণালয়ের উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
বাংলা ট্র্যাক গ্রুপ আরো ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছে
মে ০২, ২০১৮ বুধবার ১২:৫৫ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে স্থাপিত একটি নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ করেছে বাংলা ট্র্যাক গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান বাংলা ট্র্যাক পাওয়ার ইউনিট-১ লিমিটেড।   গত ২৪ এপ্রিল থেকে এ বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয় বলে বাংলা ট্র্যাক গ্রুপের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এর আগে গত ১৬ এপ্রিল যশোরের নওয়াপাড়ায় স্থাপিত ১০০ মেগাওয়াটের আরেকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করে বাংলা ট্র্যাক পাওয়ার ইউনিট-২ লিমিটেড। এ নিয়ে বাংলা ট্র্যাক পাওয়ার তাদের ইউনিট-১ ও ইউনিট-২ থেকে মোট ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ গ্রিডে যোগ করল। বিদ্যুতের ঘাটতি পূরণে বাংলা ট্র্যাক গ্রুপের কার্যক্রমের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যন মোহাম্মাদ আমিনুল হক বলেন, ‘জাতীয় গ্রিডে আরো ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এ নিয়ে আমরা জাতীয় গ্রিডে মোট ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করছি।’
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রীডে যুক্ত হলো আরো ১০০ মেগাওয়াট
এপ্রিল ১৮, ২০১৮ বুধবার ০৯:৪৯ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলা ট্র্যাক গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান বাংলা ট্র্যাক পাওয়ার ইউনিট–২ লিমিটেড জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রীডে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছে। গত ১৬ এপ্রিল থেকে এ বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয় বলে কোম্পানীটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি যশোরের নওয়াপাড়ায় স্থাপিত। এছাড়া কুমিল্লার দাউদকান্দিতে  বাংলা ট্র্যাক পাওয়ার ইউনিট–১ লিমিটেড এর স্থাপিত ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে। সেটিও কয়েক দিনের মধ্যে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রীডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে সক্ষম হবে। বিদ্যুতের ঘাটতি পূরণে বাংলা ট্র্যাক গ্রুপের কার্যক্রমের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যন মোহাম্মাদ আমিনুল হক বলেন, “অনেক দিন যাবত দেশের বিদ্যুৎ ঘাটতি পূরণে কাজ করে আছে আমাদের কোম্পানি। আজ অত্যন্ত সফলতার সাথে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রীডে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।” বাংলা ট্র্যাক গ্রুপের সফলতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর তারিক একরামুল হক বলেন, “সফলতার সাথে বাংলা ট্র্যাক পাওয়ার ইউনিট –২ লিমিটেড এর বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির কমিশনিং শুরু করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। তবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য দেশের সবস্থানে বিদ্যুতের সুবিধা পৌঁছে দেওয়া। আর এ লক্ষ্য পূরণে বাংলা ট্র্যাক সবসময় কাজ করে যাবে।” বাংলা ট্র্যাক লিমিটেড বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম। দেশের টেলিযোগাযোগ খাত, বিদ্যুৎ খাত, রেস্টুরেন্ট ব্যবসা এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বাংলা ট্র্যাক লিমিটেড।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
ভারত থেকে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনবে সরকার
এপ্রিল ১২, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ১০:৫৯ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে ভারত থেকে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনবে সরকার। বুধবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির এক বৈঠকে এ-বিষয়ক প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। ভারতের ন্যাশনাল থারমাল পাওয়ার কোম্পানী (এনটিপিসি) এবং পাওয়ার ট্রেডিং কোম্পানী (পিটিসি) এই বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে। স্বল্প মেয়াদে চলতি বছরের জুন থেকে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতি কিলোওয়াট ৪ টাকা ৭১ পয়সা দরে এনটিপিসি’র কাছ থেকে ৩০০ মেগাওয়াট এবং ৪ টাকা ৮৬ পয়সা দরে পিটিসি’র কাছ থেকে ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেনা হবে। আর দীর্ঘ মেয়াদে ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০৩৩ সালের ৩১ মে পর্যন্ত এনটিপিসি’র কাছ থেকে ৬ টাকা ৪৮ পয়সা দরে ৩০০ মেগাওয়াট এবং পিটিসি’র কাছ থেকে ৬ টাকা ৫৪ পয়সা দরে ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেনা হবে। বাংলাদেশ ২০১৩ সাল থেকে ভারতের কাছ থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনছে। যার মেয়াদ শেষ হবে চলতি বছরের জুনে। এছাড়া ভারতের ত্রিপুরা থেকে আরো ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করছে বাংলাদেশ। এদিকে, ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকের আগে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ওমানের ওমান ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনালের কাছ থেকে জি টু জি ভিত্তিতে এলএনজি আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়।      
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘পায়রায় নতুন গ্রীড সাবস্টেশন নির্মাণ হচ্ছে’
এপ্রিল ১২, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ০৮:০৫ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি) পায়রা এলাকায় একটি ১৩২/১১ কেভি গ্রীড সাবস্টেশন নির্মাণ কাজ হাতে নিয়েছে। আগামী নয় মাসের মধ্যে এই সাবস্টেশন নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হবে। পটুয়াখালীর পায়রা এলাকায় বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সমুদ্র বন্দর নির্মাণসহ ব্যাপক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। সেখানে আরো বিদ্যুৎ স্থাপনা সরকারের পরিকল্পনাধীন রয়েছে। উক্ত এলাকায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করা, নির্মাণ শেষে বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করার ব্যাক-আপ পাওয়ার সরবরাহ করা এবং সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোর জন্য  স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার প্রয়োজন। এই বাস্তবতায় বুধবার নতুন সাবস্টেশন নির্মাণ ও পটুয়াখালী গ্রীড সাবস্টেশনে ১৩২ কেভি বে-সম্প্রসারণ কাজের জন্য পিজিসিবি এবং এনার্জিপ্যাক ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড এর সঙ্গে একটি দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে। পিজিসিবি’র পক্ষে কোম্পানী সচিব মোঃ আশরাফ হোসেন এবং এনার্জিপ্যাক’র পক্ষে ব্যবস্থাপক (প্রকল্প) এ টি এম জাকারিয়া চুক্তিপত্রে সই করেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী এনার্জিপ্যাক ইঞ্জিনিয়ারিং আগামী নয় মাসের মধ্যে টার্ন-কী পদ্ধতিতে নতুন সাবস্টেশন নির্মাণ ও বে-সম্প্রসারণ সম্পন্ন করে পিজিসিবি’র কাছে হস্তান্তর করবে। এ কাজে ব্যয় হবে প্রায় ৩১.৭২ কোটি টাকা। বর্তমানে পটুয়াখালী গ্রীড সাবস্টেশন হতে ৩৩ কেভি এবং ১১ কেভি লাইন দ্বারা স্থানীয় বিতরণ সংস্থার মাধ্যমে পায়রা এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ দেয়া হচ্ছে। এতে করে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দুরত্বে বিদ্যুৎ সরবরাহে লো-ভোল্টেজসহ আরও কিছু কারিগরি সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। নতুন গ্রীড সাবস্টেশন চালু হলে পায়রায় ১৩২ কেভি ভোল্টেজে বিদ্যুৎ যাবে। এতে সেখানে বিদ্যুতের স্থিতিশীল ও মানসম্পন্ন সরবরাহ নিশ্চিত হবে পাশাপাশি বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করা ও অন্যান্য উন্নয়ন কাজে গতি সঞ্চার হবে। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে পিজিসিবি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম-আল বেরুনী, নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ শফিকউল্লাহ, চৌধুরী আলমগীর হোসেন, মোঃ এমদাদুল ইসলাম ও মোঃ শাফায়েত হোসেন, প্রকল্প পরিচালক মোঃ এনামুল হক এবং এনার্জিপ্যাক’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল আলম সহ উভয়পক্ষের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
ভেড়ামারায় ৪১০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্ট উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী
এপ্রিল ১২, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ০৬:৫৯ পিএম - বাসস
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভেড়ামারায় ৪১০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্ল্যান্টের উদ্বোধন ও ১৫ টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়নের ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে মিতব্যয়ী হওয়ার জন্যে পুনরায় জনগণকে আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে বৃহস্পতিবার সকালে এক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পাওয়ার প্ল্যান্ট উদ্বোধন ও ১৫ টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়নের এ ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি একই আনুষ্ঠানিকতায় অনলাইন উদ্ভাবক প্রশিক্ষণ মঞ্চ ‘কুশলী’ এরও উদ্বোধন করেন। ভেড়ামারা কম্বাইন্ড সাইকেল ডুয়েল ফুয়েল পাওয়ার প্ল্যান্ট প্রকল্পটি ৩ হাজার ৭৮৪ দশমিক ৯৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত। এতে ৬৩৪ দশমিক ৭২ কোটি টাকা সরকারি বরাদ্দ ও বাকী অর্থ সহযোগীদের কাছ থেকে আসে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের প্রতিষ্ঠান  নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী লিমিটেড কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার বহির্চর অঞ্চলে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে। আর ১৫টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় আনা হয়েছে। সেগুলো হচ্ছে ঢাকার ধামরাই, কিশোরগঞ্জের নিকোলী, চট্টগ্রামের রাউজান, রংপুরের পীরগঞ্জ, কুষ্টিয়ার খোকশা, সাতক্ষীরার দেবহাটা, খুলনার রূপসা, ফুলতলা ও দীঘলীয়া, নাটোরের বাগাতিপাড়া, পাবনার বেড়া, সিলেটের বিয়ানিবাজার, দিনাজপুর সদর ও বিরামপুর। এসব উপজেলার সঙ্গে আরো ৫১ টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন সুবিধার ঘোষণা দেয়া হয়। ‘কুশলী’ একটি ওয়েব- ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি বা সফটওয়্যার ব্যবহারকারি পরিকল্পনা যা সুনির্দিষ্ট শিক্ষা প্রক্রিয়াকে নির্ণয় ও বাস্তবায়ন করে। এ প্রক্রিয়া আগামী তিন দশকব্যাপী বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের প্রযোজনীয়তা পুরণে সহযোগিতা করবে। বাংলাদেশের যে কোনো জায়গা থেকে যে কেউ এ প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারবে। জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী এ সময় উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন। বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস মূল প্রবন্ধে বাংলাদেশের বিদ্যুতায়নের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো.নজীবুর রহমান অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ, বিদ্যুৎ,জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এসময় উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিদ্যুৎ , জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম, জাতীয় সংসদের হুইপ আতিউর রহমান আতিক, ঢাকায় জাপানের রাষ্ট্রদূত, সংসদ সদস্যবৃন্দ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তরা অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রধানমন্ত্রী সরকারি কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন বিভাগের মন্ত্রী, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী, মুক্তিযোদ্ধা ও ভিডিও কনফারেন্সে অংগ্রহণ করে সুবিধাপ্রাপ্তদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
ভেড়ামারা ৪১০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন বৃহস্পতিবার
এপ্রিল ১১, ২০১৮ বুধবার ১০:০১ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা ৪১০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্ল্যান্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার সকালে গণভবন থেকে বিদ্যুৎ বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়িত এই প্রকল্পটি ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড এর এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি উদ্বোধনের পর উত্তর, দক্ষিণ এবং পশ্চিমাঞ্চলের অধিকাংশ জেলার বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ হবে। এ উপলক্ষে ভেড়ামারার বিভিন্ন স্থান ব্যানারসহ বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে। বর্তমান সরকারের আমলে ২০১৪ সালের জুলাই মাসে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণের কাজ শুরু হয়। এ কেন্দ্রটিতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ১টি গ্যাস ইউনিট এবং ১টি স্টিম টারবাইন ও ১টি এইচআরসিজি স্থাপন করা হয়েছে, যা দিয়ে উৎপাদন করা হবে ৪১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। তবে দ্বৈত জ্বালানি অর্থাৎ প্রাকৃতিক গ্যাস এবং ডিজেলচালিত এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ৪৫০ মেগাওয়াটেরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম।   বিদ্যুতের ঘাটতি মোকাবেলায় ভেড়ামারায় কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। দেশের বৃহত্তম এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির স্থান নির্বাচন করা হয় লালনশাহ সংযোগ সড়ক সেতুর পাশেই। আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে ঠিকাদার হিসেবে নিয়োগ পায় জাপানের মারুবেনি করপোরেশন নামের একটি কোম্পানি। এই প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় ৩ হাজার ৭৮৫শ কোটি টাকা। নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এ এম খোরশেদুল আলম বলেন, ভেড়ামারায় ৪১০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্ল্যান্টটি উদ্বোধনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালুর ফলে দেশের উত্তর, দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের অনেক জেলার বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ হবে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধন ঘোষণা করবেন বলে জানান তিনি।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
হবিগঞ্জের লাখাইয়ে ৫শ’ পরিবারে বিদ্যুৎ সংযোগ
এপ্রিল ০৫, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ১০:০৭ এএম - বাসস
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল কাটাইয়া-ফরিদপুরের সাড়ে ৫শ’ পরিবারে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে ১ কোটি ৫ লাখ ১১ হাজার ২০০ টাকা ব্যয়ে প্রায় সাড়ে ৭ কিলোমিটার লাইন নির্মাণের মাধ্যমে এ বিদ্যুৎ সংযোগের উদ্বোধন করেন হবিগঞ্জ সদর-লাখাই আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট মোঃ আবু জাহির। পরে গ্রামবাসী আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার হাওরাঞ্চলবাসীকে উন্নয়নের ধারায় সংযুক্ত করেছে। অন্যান্য সরকার কখনো গ্রামাঞ্চলের লোকজনের খোঁজ খবর নেয়নি। কিন্তু দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা গ্রাম ও শহরের দূরত্ব কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। এখন গ্রামে বসেই দেশ-বিদেশে অনেক কাজ মুহূর্তেই সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন লাখাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট মুশফিউল আলম আজাদ, হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মোঃ ছোলায়মান মিয়া, বুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ মুক্তার হোসেন বেনু, লাখাই পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পরিচালক এমএ মতিন মাস্টার ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ রেজা উদ্দিন আহমেদ দুলদুল।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহে ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন নির্মাণ হচ্ছে
মার্চ ২৮, ২০১৮ বুধবার ০৫:৫৭ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
নির্মিতব্য মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে ৪০০ কেভি ক্ষমতাসম্পন্ন নতুন সঞ্চালন লাইন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি)। ওই অর্থনৈতিক অঞ্চলে বৃহৎ কলকারখানা নির্মাণ হলে সেখানে বিদ্যুতের ব্যাপক চাহিদা তৈরি হবে। এজন্য নিকটবর্তী বিএসআরএম ২৩০/৩৩ কেভি গ্রীড সাবস্টেশন থেকে মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে নির্মাণাধীন গ্রীড সাবস্টেশন পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হচ্ছে। লাইনটি নির্মাণের জন্য বুধবার  পিজিসিবি প্রধান কার্যালয়ে ভারতীয় প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান কল্পতরু পাওয়ার ট্রান্সমিশন লিঃ  এর সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি সই করা হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী আগামী ১৫ মাসের মধ্যে টার্নকী পদ্ধতিতে সঞ্চালন লাইনটি নির্মাণ করে পিজিসিবি’র কাছে হস্তান্তর করবে কল্পতরু। এ কাজে ব্যয় হবে প্রায় ৮২.২১ কোটি টাকা। পিজিসিবি ও বাংলাদেশ সরকার এ কাজে অর্থায়ন করবে। পিজিসিবি’র পক্ষে কোম্পানী সচিব মোঃ আশরাফ হোসেন এবং কল্পতরু’র পক্ষে ব্যবস্থাপক (বিজনেস ডেভলপমেন্ট) অরিত্র বোস  চুক্তিতে সই করেন। অনুষ্ঠানে বলা হয়, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) কর্তৃক নির্মিতব্য মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিভিন্ন ধরণের দেশীয় ও রপ্তানীমুখী কলকারখানা নির্মাণ করা হচ্ছে। উন্নয়ন ও উৎপাদন বজায় রাখার স্বার্থে এসব কলকারখানায় নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা প্রয়োজন। শীঘ্রই ব্যাপক আকারে বিদ্যুতের চাহিদা তৈরি হবে। বেজা ইতোমধ্যে পিজিসিবি’র গ্রীড সাবস্টেশন নির্মাণের জন্য ৫০ একর স্থান বরাদ্দ করেছে। নতুন নির্মিতব্য ৪০০ কেভি ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। চুক্তি স্বাক্ষর পর্বে পিজিসিবি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম-আলবেরুনী, নির্বাহী পরিচালক চৌধুরী আলমগীর হোসেন, মোঃ এমদাদুল ইসলাম, মোহাম্মদ শফিকউল্লাহ, মোঃ শাফায়েত হোসেন এবং প্রকল্প পরিচালক মোঃ রুব্বাতুল ইসলামসহ উভয়পক্ষের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
লক্ষ্মীপুরে কল্যাণপুর গ্রামে বিদ্যুতের নতুন সংযোগ উদ্বোধন
মার্চ ২৫, ২০১৮ রবিবার ০৭:০৮ পিএম - বাসস
‘শেখ হাসিনার উদ্যোগ, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ’ এ স্লোগান নিয়ে লক্ষ্মীপুরের কল্যাণপুর গ্রামে উদ্বোধন করা হয়েছে বিদ্যুতের নতুন সংযোগ। রোববার দুপুরে সদর উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়নের কল্যাণপুর গ্রামের বিদ্যুৎ সংযোগের উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এ কে এম শাহজাহান কামাল। এ গ্রামের ১১৬ পরিবারের মাঝে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়েছে। প্রায় ৪২ লাখ ৭০ হাজার ৫শ’ টাকা ব্যয়ে ২ দশমিক ৮৪৭ কিলোমিটার লাইন নির্মাণ শেষে সংযোগ প্রদান করা হয়। মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয়। দেশের মানুষ বেকার থাকে না। ঘরে ঘরে শিক্ষিত বাড়ে। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে পুরো দেশ বিদ্যুতের আওতায় আনা হবে। সে কারণে আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দেয়ার আহ্বান জানান তিনি। এ উপলক্ষে কুশাখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এক সুধী সমাবেশের আয়োজন করে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকু, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মো: শাহজাহান কবীর, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভপতি বাবু বিজন বিহারী ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম চৌধুরী, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা এডভোকেট সামছুল হক সামছু। আরো উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের পাবলিক পসিকিউটর (পিপি) জসিম উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মতলব, আওয়ামী লীগ নেতা নুজরুল ইসলাম ভুলু প্রমুখ। স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর কুশাখালীর কল্যাণপুর গ্রামের ১১৬ পরিবার নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়ায় গ্রামের লোকজন আনন্দে মেতে ওঠেন।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
রবি’র মাধ্যমেও ডিপিডিসি’র প্রি-পেইড মিটার কার্ড রিচার্জ করা যাবে
মার্চ ২২, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ০৮:৩৫ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিদ্যুতের আবাসিক গ্রাহকদের আরো উন্নত সেবা দিতে রবি আজিয়াটা লিমিটেডের সাথে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড(ডিপিডিসি)প্রি-পেইড থার্ড পার্টি ভেন্ডিং কার্যক্রম সংক্রান্ত এক চুক্তি সই করেছে। চুক্তি অনুয়ায়ী, গ্রাহকরা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রি-পেইড মিটারের কার্ড রিচার্জ করতে পারবে। এর আগে এ ধরনের একটি চুক্তি গ্রামীণ ফোনের সাথেও করে ডিপিডিসি। গত ২০ মার্চ ওই চুক্তিতে সই করেন ডিপিডিসি’র কোম্পানি সচিব জয়ন্ত কুমার সিকদার এবং রবি আজিয়াটা লিমিটেড এর চীফ ডিজিটাল সার্ভিস অফিসার শিহাব আহমেদ। এ ব্যাপারে ডিপিডিসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী বিকাশ দেওয়ান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন-২০২১ এর আওতায় ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের অংশ হিসেবে ডিপিডিসি’র আওতাধীন সব এলাকার বিদ্যুৎ গ্রাহকের সেবার মান উন্নয়নে একই মানসম্পন্ন প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের কার্যক্রম চলছে। বর্তমানে গ্রাহকগণ প্রি-পেইড মিটারিং সিস্টেমে ব্যাংক ও ডিপিডিসি’র সংশ্লিষ্ট এনওসিএস অফিসের মাধ্যমে ভেন্ডিং কার্যক্রম সম্পাদন করছে। এতে গ্রাহকগণের অনেক ক্ষেত্রে ভেন্ডিং করতে কিছুটা সময়ের অপচয় হচ্ছে। এই চুক্তির ফলে গ্রাহকরা রবি ক্যাশের মাধ্যমে এলাকার নির্ধারিত ছোট ছোট রিটেইলার দোকানে সকাল ৯ টা থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত (বন্ধের দিনসহ) পস এর সাহায্যে গ্রাহকগণ সহজেই এবং সুবিধাজনক উপায়ে কার্ডের মাধ্যমে টাকা রিচার্জ করতে পারবে। ডিপিডিসি’র বিলিং সিস্টেমের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করবে রবি বিলপেমেন্ট প্লাটফর্ম ‘রবি ক্যাশ’। রবি ক্যাশের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করার সঙ্গে সঙ্গে তা ডিপিডিসি’র সিস্টেমে আপডেট হয়ে যাবে। রবি ওয়াক ইন সেন্টার (ডব্লিউআইসি), রবি ক্যাশ পয়েন্ট বা নিজস্ব মোবাইল ফোনের মাধ্যমে গ্রাহকরা বিল পরিশোধ করতে পারবে। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে প্রথমে গ্রাহকদের নিকটস্থ ওয়াক ইন সেন্টার (ডব্লিউআইসি) বা রবি ক্যাশ পয়েন্ট থেকে ইলেকট্রনিক ফ্লোট (রবি ক্যাশ) ক্যাশ ইন করতে হবে। বিল পরিশোধের সঙ্গে সঙ্গে গ্রাহককে একটি নিশ্চিতকরণ এসএমএস পাঠানো হবে। প্রাথমিকভাবে ঢাকার আজিমপুর ও লালবাগ এলাকায় এ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে যা পর্যায়ক্রমে ডিপিডিসি’র অন্যান্য এলাকার গ্রাহকগণ এ সুবিধা পাবে।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
আশুগঞ্জে আরেকটি ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে চুক্তি সই
মার্চ ২০, ২০১৮ মঙ্গলবার ১০:১৪ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
আশুগঞ্জ ৪০০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র (পূর্ব) নির্মাণে চীনের একটি কনসোর্টিয়ামের সাথে ইপিসি চুক্তি সই করেছে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেড (এপিএসসিএল)। মঙ্গলবার রাজধানীতে হোটেল সোনারগাঁও ওই চুক্তিতে সই করে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি (এপিএসসিএল) এবং চায়না ন্যাশনাল টেকনিক্যাল ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশন (সিএনটিআইসি) এবং চায়না ন্যাশনাল করপোরেশন ফর ওভারসিজ ইকোনমিক কো-অপারেশন কনসোর্টিয়াম। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী তিন বছরের মধ্যে গ্যাসচালিত কেন্দ্রটির নির্মাণ কাজ শেষ হবে। ২০২১ সালের এপ্রিলে এতে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হবে। দুই হাজার ৯৩১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ে (প্রাক্কলিত) নির্মিতব্য কেন্দ্রে সরকারি অর্থায়ন থাকছে ৪২০ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। এপিএসসিএল সরবরাহ করবে ১৫২ কোটি ৪০ লাখ টাকা। প্রকল্পের বাকি অর্থ ২ হাজার ৩৫৮ কোটি ২৮ লাখ টাকা ঋণ সহায়তা হিসেবে দিবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও আইডিবি।  প্রকল্পটির ইপিসি (ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রকিউরমেন্ট ও কনস্ট্রাকশন) চুক্তিমূল্য প্রায় ১ হাজার ৪৭৪ কোটি টাকা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, সোমবার দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ১০ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। এটি ২০০৯ সালে এ সরকার ক্ষমতায় আসার আগের উৎপাদিত বিদ্যুতের তিন গুণ। এ ধারা অব্যাহত রেখে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, বিদ্যুৎ খাতে আরো বিনিয়োগ দরকার। সামিট গ্রুপ সিঙ্গাপুরের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করেছে। অন্যদেরও এমন পদক্ষেপ গ্রহণ করা  দরকার। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন-উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মূখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস, পিডিবি’র চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ, এপিএসসিএল’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এম এম সাজ্জাদুর রহমান।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
বিদ্যুতের স্থাপিত ক্ষমতা ক্যাপটিভসহ ১৬ হাজার ৪৬ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১৮ বুধবার ১১:৪২ পিএম - বাসস
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বর্তমানে দেশের বিদ্যুতের স্থাপিত ক্ষমতা প্রায় তিন গুণের বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ক্যাপটিভসহ ১৬ হাজার ৪৬ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। বুধবার প্রধানমন্ত্রী তাঁর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য আলী আজমের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নের লক্ষ্যে তাৎক্ষণিক, স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করে নিবিড় তদারকির মাধ্যমে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আগামীতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ১৪ হাজার ৪১৭ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৫৪টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণাধীন রয়েছে। এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো ২০১৮ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে চালু হবে। এছাড়া আরো ২০ হাজার ৭৩২ মেগাওয়াট ক্ষমতার ১৯টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ পরিকল্পনাধীন রয়েছে। তিনি বলেন, ৪ হাজার ৫৬৮ মেগাওয়াট ক্ষমতার ২৫টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের দরপত্র প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো ২০১৮ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে চালু হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আঞ্চলিক সহযোগিতার ভিত্তিতে ভারতের ৩টি স্থান থেকে ২ হাজার ৩৩৬ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎ আমদানি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে, যা ২০১৮ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে শুরু হবে। ইতোমধ্যে ভারতের বহরমপুর এবং ত্রিপুরা থেকে মোট ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হচ্ছে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
    সাম্প্রতিক বিদ্যুৎ এর খবর
আশুগঞ্জে আরেকটি ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে চুক্তি সই
বিদ্যুতের স্থাপিত ক্ষমতা ক্যাপটিভসহ ১৬ হাজার ৪৬ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
‘অর্থনৈতিক অঞ্চল মীরসরাইয়ে ১৫০ মেগাওয়াট ডুয়েল ফুয়েল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে’
বিদ্যুৎ সেবা নিয়ে সন্তুষ্ট ৮৭ শতাংশ গ্রাহক
‘পিজিসিবি ২০১৭ সালে ৩,৫৮৫ মেগাওয়াট বাড়তি বিদ্যুৎ সঞ্চালনের সক্ষমতা অর্জন করেছে’
‘ডিপিডিসি’র বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার কার্ড মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রিচার্জ করা যাবে’
‘কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মধ্যে পায়রা ১,৩২০ মেগাওয়াটের কেন্দ্রটি সবার আগে উৎপাদনে আসবে’
সামিট গাজীপুর-২ পাওয়ার লিমিটেড থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনবে সরকার
খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ৫.৩% বাড়লো
সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালে নতুন তিন ইন্ডিপেনডেন্ট ডিরেক্টর
১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনতে ভারতীয় কোম্পানী আদানির সাথে চুক্তি করেছে বিপিডিবি
যৌথ মালিকানায় মাতারবাড়িতে ৬০০ মেগাওয়াটের এলএনজি ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে
৩৬০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করবে নর্থ ওয়েষ্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি
নেসকো প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৫ দশমিক ৩০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে
প্রথমবারের মতো বিদ্যুতের দাম কমানোর প্রস্তাবের ওপর গণশুনানী হবে বৃহস্পতিবার
‘বিআরইবি প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে’
‘বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য বৃদ্ধির পক্ষে বিইআরসি’র কারিগরী মূল্যায়ন কমিটি’
বিদ্যুতের মূলহার পরিবর্তনের জন্য গণশুনানী শুরু হচ্ছে ২৫ সেপ্টেম্বর
ইউনাইটেডের ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা কমিটি
ভোলায় ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে কারিগরি সহায়তা দেবে জিই
পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক সংখ্যা ১ কোটি ৯৮ লাখ ছাড়িয়েছে
ভারতীয় কোম্পানির ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কিনতে চুক্তি সই করেছে বিপিডিবি
‘বাংলাদেশের সাথে মায়ানমারের বিদ্যুতের আন্তঃগ্রীড সংযোগ হলে উভয় দেশ উপকৃত হবে’
‘ডিজেল ও ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বেসরকারি খাতে আরো ১০ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের অনুমোদন’
কঠোর শাস্তির বিধান রেখে মন্ত্রিসভায় বিদ্যুৎ আইন অনুমোদন
রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ অব্যাহত থাকবে: তৌফিক-ই-ইলাহী
‘গ্রাহকদেরকে দ্রুত, ঝামেলা মুক্ত ও ডিজিটাল সেবা প্রদানে কাজ করছে বিদ্যুৎ বিভাগ’
ভারত থেকে কেনা ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির মেয়াদ বাড়ছে
সৈয়দপুরে ১৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ডিজেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy

   Editor & Publisher: Aminur Rahman
   Copyright @ 2015-2018 energynewsbd.com
   All Rights Reserved | Developed By: Jadukor IT