ঢাকা, রবিবার, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৮, ফাল্গুন ৬, ১৪২৪ ০১:০৯ পিএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
বিদ্যুৎ
‘অর্থনৈতিক অঞ্চল মীরসরাইয়ে ১৫০ মেগাওয়াট ডুয়েল ফুয়েল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে’
বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল মীরসরাইয়ে ১৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ডুয়েল ফুয়েল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য বি-আর পাওয়ারজেন লিমিটেড এবং চায়নার সিনোহাইড্রো কর্পোরেশন লিমিটেড এর মধ্যে একটি চুক্তি স্ই হয়েছে। চুক্তিতে বি-আর পাওয়ারজেন লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আব্দুস সবুর এবং সিনোহাইড্রো কর্পোরেশন লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঝাও চিমিং স্ই করেন। সরকারের দুই প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) এবং রুরাল পাওয়ার কোম্পানি (আরপিসিএল) এর যৌথ মূলধনী কোম্পানি হচ্ছে বি-আর পাওয়ারজেন লিমিটেড। এর আগে কোম্পানিটি গাজীপুরের কড্ডায় একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করেছে। গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিদ্যুৎ ভবনে অনুষ্ঠিত ওই চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, বিপিডিবি’র চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ, বাংলাদেশ ইকোনোমিক জোন অথরিটি’র নির্বাহী সদস্য ও অতিরিক্ত সচিব এম এমদাদুল হক, বিআরইবি ও বি-আর পাওয়ারজেন চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অবঃ) মঈন উদ্দিন এবং সিনোহাইড্রো কর্পোরেশন লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঝাও চিমিং বক্তব্য দেন। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি আগামী ১৫ মাসের মধ্যে উৎপাদনে আসবে। চীনা কোম্পানি সিনো হাইড্রো ঠিকাদার হিসেবে কেন্দ্রটি নির্মাণ করবে। এজন্য তাদেরকে দিতে হবে ১০৭ মিলিয়ন ডলার। আগামী বছরের মে মাসে কেন্দ্রটি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে আসার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।  বি-আর পাওয়ারজেন লিমিটেডের  নিজস্ব অর্থায়নে এই কেন্দ্রটি স্থাপন করা হবে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চট্টগ্রাম জেলার বাংলাদেশ ইকোনোমিক জোন অথরিটি (বেজা) এলাকায় ১৬ একর জমির ওপর স্থাপন করা হচ্ছে। এ কেন্দ্রের জন্য ইঞ্জিন তৈরি করবে জার্মানির মান ডিজেল ও টারবো কোম্পানি। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি গ্যাস অথবা ফার্নেস অয়েলে চলবে।  
বিদ্যুৎ সেবা নিয়ে সন্তুষ্ট ৮৭ শতাংশ গ্রাহক
জানুয়ারি ২৩, ২০১৮ মঙ্গলবার ১১:১৯ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশে বর্তমান বিদ্যুৎ বিদ্যুৎ সেবা নিয়ে ৮৭ শতাংশ গ্রাহক কম-বেশি সন্তুষ্ট বলে এক জনমত জরিপে উঠে এসেছে। বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল (ইপিআরসি) এর সহযোগিতায় ১৯ হাজার ৬০০ মানুষের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে ওই জরিপ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। সোমবার বিদ্যুৎ ভবনের মুক্তি হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জরিপ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন বিবিএসের পরিচালক সিএস রায়। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী  নসরুল হামিদ, ইপিআরসি’র চেয়ারম্যান শাহিন আহমেদ চৌধুরী, পিডিবি’র চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ প্রমুখ। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে দেশের ৯০ শতাংশ মানুষের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। দেশের সাধারণ মানুষ বিদ্যুতের সুফল পাচ্ছে কিনা, তা চিন্তা করে বৈজ্ঞানিক পন্থা অবলম্বনের মাধ্যমে এটি করা হয়েছে। গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে এ জরিপটি একটি সময় সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল ব্যাপার। বিবিএস এর জরিপে বলা হয়, ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে (গ্রীষ্মকাল) ৯ হাজার ৯২৭ জন, ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে (শীতকাল) ৯ হাজার ৬৭৩ জনের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপ করা হয়। এ সময় তাদের ছয়টি প্রশ্ন করা হয়। জরিপের উত্তর দাতাদের মধ্যে ৬৭ দশমিক ৩ শতাংশ পুরুষ এবং ৩২ দশমিক ৭ শতাংশ নারী। জরিপে দেখা গেছে, ১১ শতাংশ মানুষের ঘরে এখনও বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দেশের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীর মধ্যে ৮৬ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ সন্তুষ্ট এবং ১৩ দশমিক ১ শতাংশ মানুষ সন্তুষ্ট নয়। ব্যবহারকারীদের মধ্যে ১১ দমমিক ২ শতংশ মানুষ খুব সন্তুষ্ট, সন্তুষ্ট মানুষের হার ৪৫ দশমিক ৮ শতাংশ, আর মোটামুটি সন্তুষ্ট মানুষের হার ২৯ দশমিক ৯ শতাংশ। এ হারের আবার গ্রীষ্ম এবং শীতকালে পার্থক্য রয়েছে। বিবিএস বলছে, গ্রীষ্মকালে ৯ দশমিক ২ শতাংশ খুবই সন্তুষ্ট, ৪৭ দশমিক ২ শতাংশ সন্তুষ্ট, ৩১ শতাংশ মোটামুটি সন্তুষ্ট এবং ১২ দশমিক ৭ শতাংশ অসন্তুষ্ট। আবার শীতে ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ খুবই সন্তুষ্ট, ৪৪ দশমিক ৭ শতাংশ সন্তুষ্ট, ২৮ দশমিক ৮ শতাংশ মোটামুটি সন্তুষ্ট এবং ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ অসন্তুষ্ট। প্রতিবেদনে বলা হয়, খুলনা বিভাগে সর্বোচ্চ ১৮ দশমিক ৩ শতাংশ জনগণ খুবই সন্তুষ্ট এবং ১৯ দশমিক ৩ শতাংশ মোটামুটি সন্তুষ্ট। চট্টগ্রাম বিভাগে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ খুবই সন্তুষ্ট এবং ৩৭ দশমিক ৪ শতাংশ মোটামুটি সন্তুষ্ট। ময়মনসিংহ বিভাগে ৫২ দশমিক ৭ শতাংশ সন্তুষ্ট, বরিশাল বিভাগে ৩৪ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ সন্তুষ্ট। মোটেও সন্তুষ্ট নয় জনসংখ্যার মধ্যে ঢাকা বিভাগে রয়েছে ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ এবং রাজশাহীতে ৯ দশমিক ৯ শতাংশ। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে ৮৪ দশমিক ৮ শতাংশ মানুষ। সাশ্রয়ের জন্য সুইচ অফ করেন সর্বোচ্চ ৮০ দশমিক ১ শতাংশ মানুষ এরা খুলনা বিভাগের বাসিন্দা। আর বিদ্যুৎ ব্যবহারের পর সুইচ অফ করেন না এমন মানুষের বেশির ভাগই বসবাস করেন সিলেটে। সিলেটের ৫৬ দশমিক ১ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ ব্যবহারের পর সুইচ অফ করতে ভুলে যান। ২০১৪ সালের পর আবারও ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতিতে মানুষের সন্তাষ-অসন্তোষ জানতেই এ গবেষণা করা হয়। এবার ফেব্রুয়ারি এবং অক্টোবরে বিবিএস গবেষণার জন্য তথ্য সংগ্রহ করেছে। অপেক্ষাকৃত তাপমাত্রা কম থাকায় এ দুই মাসের কোনোটিতেই দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা থাকে না। মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর এ সময়ে দেশে সর্বোচ্চ বিদ্যুতের চাহিদা থাকে। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে বলা হয়েছে, বছরের অক্টোবরের শুরুর দিকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, তখন গরম থাকে। বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস বলেন, ২০০৯ সালে সরকার যখন ক্ষমতা গ্রহণের সময় দেশে মোট বিদ্যুতের গ্রাহক ছিল ১ কোটি ৮ লাখ, বর্তমানে তা ২ কোটি ৭৭ লাখে এসে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক ২ কোটির ওপর। ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছিল সরকার। আমরা ২০২১ সালের মধ্যে উৎপাদন ক্ষমতা ২৬ হাজার মেগাওয়াট করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি এবং একই সঙ্গে বাস্তবায়নও করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর বিদ্যুতের স্থাপিত ক্ষমতা ছিল ৫৫০ মেগাওয়াট, তখন সর্বোচ্চ উৎপাদন ছিল ২২৪ মেগাওয়াট। ২০০৯ সালে সরকার যখন ক্ষমতা গ্রহণ করে তখন বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা ৪ হাজার ৯৪২ মেগাওয়াট। বর্তমানে সেটি ১৬ হাজার ৪৬ মেগাওয়াটে এসেছে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘পিজিসিবি ২০১৭ সালে ৩,৫৮৫ মেগাওয়াট বাড়তি বিদ্যুৎ সঞ্চালনের সক্ষমতা অর্জন করেছে’
জানুয়ারি ২৩, ২০১৮ মঙ্গলবার ১০:৪২ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি) ২০১৭ সালে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের জন্য সারাদেশে নতুন নির্মিত পাঁচটি গ্রীড সাবস্টেশন চালু এবং ২০টি গ্রীড উপকেন্দ্রে সম্প্রসারণের মাধ্যমে সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে। এ সময়ে নতুন নির্মিত ৩৮৬ সার্কিট কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন চালু করা হয়েছে। নতুন ও সম্প্রসারিত গ্রীড সাবস্টেশনগুলোর মাধ্যমে সঞ্চালন ক্ষমতা বেড়েছে ৩,৯৮৩ এমভিএ। এতে গত এক বছরে প্রায় ৩,৫৮৫ মেগাওয়াট বাড়তি বিদ্যুৎ সঞ্চালনের সক্ষমতা অর্জন করেছে পিজিসিবি। ২০১৭ সালের জানুয়ারি হতে ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি খাতে নতুন চালুকৃত সাতটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ও ত্রিপুরা হতে আরো ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি মিলিয়ে মোট ১,২৪৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হয়েছে। এতে দেখা যায়, পিজিসিবি ২০১৭ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির বিপরীতে সঞ্চালন ক্ষমতা প্রায় তিনগুণ বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। একই বছরে গাজীপুরের কালিয়াকৈর ও হবিগঞ্জের বিবিয়ানায় নতুন নির্মিত দুইটি ৪০০/২৩০ কেভি গ্রীড সাবস্টেশন চালু করা হয়েছে। ভেড়ামারায় ২৩০/১৩২ কেভি সাবস্টেশন, পাবনার রূপপুরে ১৩২/১১ কেভি সাবস্টেশন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমনুরায় ১৩২/৩৩ কেভি সাবস্টেশন চালু করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আরও ২০টি ১৩২/৩৩ কেভি সাবস্টেশনের ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। গত বছরে ঢাকার উপকণ্ঠে আমিনবাজার-কালিয়াকৈর-টঙ্গী, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা সাবস্টেশন হতে এইচভিডিসি স্টেশন, খুলনা হতে সাতক্ষীরা দ্বিতীয় সার্কিট, টাঙ্গাইল হতে আরপিসিএল (ময়মনসিংহ) এবং আমনুরা হতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকায় নতুন ৩৮৬ সার্কিট কিলোমিটার বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করে চালু করা হয়েছে। গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত পিজিসিবি’র সারাদেশে বিভিন্ন ভোল্টেজ লেভেলে সর্বমোট ১০,৬৩৫ সার্কিট কিলোমিটার হাইভোল্টেজ সঞ্চালন লাইন, ১১৩টি গ্রীড সাবস্টেশন এবং একটি এইচভিডিসি স্টেশন ছিল। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ফলে বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইনগুলো ৯৯.৯৭% এবং গ্রীড সাবস্টেশনগুলোর ৯৯.৯৮% প্রাপ্যতা  নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। বিদ্যুৎ সঞ্চালন লস পূর্ববর্তী বছরের ২.৮৬ শতাংশ হতে ২.৬৭ শতাংশে কমানো সম্ভব হয়েছে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘ডিপিডিসি’র বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার কার্ড মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রিচার্জ করা যাবে’
জানুয়ারি ০৫, ২০১৮ শুক্রবার ০৬:০৫ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিদ্যুতের আবাসিক গ্রাহকদের  প্রিপেইড মিটার কার্ড মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রিচার্জ করার সুযোগ তৈরি করে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় নতুন যুগের সূচনা করেছে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি)। গত ৩১ ডিসেম্বর ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে ডিপিডিসি’র বোর্ড রুমে গ্রামীনফোনের সঙ্গে এমন একটি চুক্তি সই করেছে ডিপিডিসি। এখন থেকে মোবাইলে ফ্লেক্সিলোডের মতো বিদ্যুৎ কিনতে পারবেন ঢাকার গ্রাহকরা। এর মাধ্যমে ডিজিটাল বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার আরেক ধাপ এগিয়ে গেল কোম্পানীটি। ডিপিডিসি’র  কোম্পানি সচিব জয়ন্ত কুমার সিকদার এবং গ্রামীণফোনের হেড অব ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস রাশেদা সুলতানা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস, ডিপিডিসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী বিকাশ দেওয়ান, গ্রামীণফোনের চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মাহমুদ হোসেন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ডিপিডিসি’র পরিচালক (অপারেশন) হারুন অর রশীদ, পরিচালক (প্রকৌশল) মো: রমিজ উদ্দিন সরকার, পরিচালক (প্রশাসন) আবু তাজ মো: জাকির হোসেন ও পরিচালক (অর্থ) মো: গোলাম মোস্তফা । বর্তমানে প্রি-পেইড কার্ড রিচার্জ করতে গিয়ে ব্যাংক ও ডিপিডিসি’র নির্ধারিত বুথে টাকা জমা দিতে লম্বা লাইনে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করতে হয় গ্রাহকদের। তাই ফ্লেক্সিলোডের মতো বিদ্যুৎ বেচাকেনার ব্যবস্থা করেছে ডিপিডিসি। এ চুক্তির ফলে আপাতত আজিমপুর ও লালবাগ এলাকায় গ্রামীনফোনের দুটি রিটেইলার থেকে এ সুবিধা পাবেন গ্রাহকরা। সরকারি ছুটির দিনসহ সকাল ৯ টা থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত পয়েন্ট অব সেল বা পস মেশিনের সাহায্যে গ্রাহকরা সহজেই কার্ডের মাধ্যমে টাকা রিচার্জ করতে পারবে। এই সুবিধা শুধু প্রি-পেইড বিদ্যুৎ গ্রাহকরা পাবেন। এছাড়াও গ্রামীণফোনের নির্বাচিত আউটলেট গ্রাহকদের ভেন্ডিং সেবা দেওয়ার জন্য ডিপিডিসি’র ডিস্ট্রিবিউশন পয়েন্ট হিসেবে কাজ করবে। প্রধান অতিথি হিসেবে  বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ও ডিপিডিসি’র পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ড. আহমেদ কায়কাউস বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য সাধারণ মানুষের হাতের কাছে প্রয়োজনীয় সেবা পৌঁছে দেওয়া। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশের সেই প্রয়াসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।এটি রাজধানীবাসীর জন্য ডিপিডিসি’র নতুন বছরের বিশেষ উপহার। অনুষ্ঠানে ডিপিডিসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী বিকাশ দেওয়ান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভিশন-২০২১ এর আওতায় ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণের অংশ হিসেবে ডিপিডিসি’র আওতাধীন সব এলাকার বিদ্যুৎ গ্রাহকের সেবার মান উন্নয়নে প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের কার্যক্রম চলছে। পাশাপাশি নতুন পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের ব্যবস্থা গ্রাহক সেবার নতুন দ্বার উন্মোচন হলো।    
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মধ্যে পায়রা ১,৩২০ মেগাওয়াটের কেন্দ্রটি সবার আগে উৎপাদনে আসবে’
ডিসেম্বর ২৬, ২০১৭ মঙ্গলবার ১০:৩৪ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশে নির্মিতব্য কয়লাভিত্তিক বৃহৎ বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর মধ্যে সবার আগে পায়রা ১,৩২০ মেগাওয়াটের কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালীতে নির্মাণাধীন দুই ইউনিটের কেন্দ্রটির প্রথমটি আগামী ২০১৯ সালের এপ্রিলে এবং অন্য ইউনিটটি একই বছরের অক্টোবরে চালু হবে। গত ২২ ডিসেম্বর সরেজমিনে বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী। পায়রা ১,৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাংলাদেশের নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি (এনডব্লিউপিজিসিএল) এবং চীনের সিএমসি (চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশন) উদ্যোগে এবং সমান অংশীদারিত্বে নির্মিত হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে এবং কেন্দ্রটি পরিচালনায় দুই প্রতিষ্ঠানের সমমালিকানায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ-চীন পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিসিপিসিএল)। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে প্রায় ১৮ হাজার   ২০০ কোটি টাকা (২২০ কোটি মার্কিন ডলার)। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ অর্থ ঋণ হিসেবে দিবে চীনের এক্সিম ব্যাংক। বাকি ২০ শতাংশের সমান জোগান দিবে এনডব্লিউপিজিসিএল এবং সিএমসি। কেন্দ্রটির নির্মাণ ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে চীনের দুই কোম্পানি এনইপিসি এবং সিইসিসি নিয়ে গঠিত কনসোর্টিয়াম। বিসিপিসিএল’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এ এম খোরশেদুল আলম বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ধানখালীতে পায়রা বন্দর সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ১ হাজার একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। ওই জমির চারপাশে দেয়াল নির্মাণ করে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ এলাকা (কেপিআই) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ওই অধিগ্রহণকৃত জায়গায় আরেকটি ১,৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র, ৩,৬০০ মেগাওয়াটের এলএনজিভিত্তিক, ১০০ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বায়ুভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে প্রকল্পের ৩৭ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্রথম ইউনিটের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের পর টারবাইন এবং জেনারেটর বসানো হবে। খোরশেদুল আলম বলেন, ২০১৯ সালের এপ্রিলে কেন্দ্রটির ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিট এবং অক্টোবরে দ্বিতীয় ইউনিটের নির্মাণ কাজ শেষ করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী কাজ এগিয়ে চলছে। আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তিতে উৎপাদিতব্য প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম আট সেন্ট বা সাড়ে ছয় টাকার মত দাঁড়াবে। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, কেন্দ্রটি থেকে পরিবেশ ঝুঁকি কমিয়ে অপেক্ষাকৃত পরিচ্ছন্ন কয়লা ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর দেওয়া হয়েছে। এটি পুরোদমে উৎপদনে আসলে প্রতিদিন সাড়ে ১২ হাজার টন কয়লা দরকার হবে। তিনি আরো বলেন, প্রাথমিকভাবে ইন্দোনেশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়া থেকে কয়লা আমদানি করা হবে। সরকারের যতগুলো বড় বিদ্যুৎ প্রকল্প রয়েছে সেগুলোর মধ্যে পায়রা কেন্দ্রটি সবার আগে উৎপাদনে আসবে বলে আশা করছি। সরকারের বৃহৎ বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে- রামপালে বিআইএফপিসিএলের ১৩২০ মেগাওয়াট, চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এসআলম গ্রুপের ১৩২০ মেগাওয়াট, কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে ১২০০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
সামিট গাজীপুর-২ পাওয়ার লিমিটেড থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনবে সরকার
ডিসেম্বর ১০, ২০১৭ রবিবার ১০:৪৩ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বেসরকারি খাত থেকে ২০১৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে আরো ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনতে চুক্তি সই করেছে সরকার। রোববার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে এই জন্য সামিট গাজীপুর-২ পাওয়ার লিমিটেডের সাথে সরকার ১৫ বছর মেয়াদী প্রকল্প চুক্তি সই করেছে। এই প্রকল্প চুক্তির মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি ও বাস্তবায়ন চুক্তি। বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিতে সই করেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সচিব মীনা মাসুদ উজ্জামান এবং সামিট গাজীপুর-২ পাওয়ার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. মোজাম্মেল হোসেন। আর বাস্তবায়ন চুক্তিতে সই করেন বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম-সচিব (উন্নয়ন) শেখ ফয়েজুল আমিন, পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ এর সচিব মো. আশরাফ হোসেন এবং সামিট গাজীপুর ২ পাওয়ার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. মোজাম্মেল হোসেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে  বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস উপস্থিত ছিলেন। অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিপিডিবি’র চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ, পিজিসিবি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর মাসুম আল-বেরুনী, সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান, ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ লতিফ খান, ভাইস চেয়ারম্যান মো. ফরিদ খান, সামিট কর্পোরেশন লিমিটেডের এএমডি ফয়সাল খান ও সামিট পাওয়ার লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর লেঃ জেনারেল (অবঃ) ইঞ্জিঃ আব্দুল ওয়াদুদ।  প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি চাহিদা পূরণে দেশীয় প্রতিষ্ঠান সমূহের আরো অবদান রাখার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। পাবলিক সেক্টরেরও সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার। বিগত কয়েক বছর গড়ে ৯০০-১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ গ্রিডে যোগ হলেও আগামী বছর তা বেড়ে দাঁড়াবে ৩,০০০ মেগাওয়াট এ।  তিনি বলেন,  নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেয়া এখন সময়ের ব্যাপার। ৩৬টি উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়ন করা হয়েছে, ৫৬টি অপেক্ষমান। এভাবেই ২০১৮ সালের ডিসেম্বর এর মধ্যে ৪৬০টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন করে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়া হবে। সামিট গাজীপুর ২ পাওয়ার লিমিটেড সামিট কর্পোরেশন এবং পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সামিট পাওয়ার লিমিটেডের একটি জয়েন্ট ভেঞ্চার প্রজেক্ট কোম্পানী। সামিট গাজীপুর ২ পাওয়ার লিমিটেড ঢাকা থেকে ৩০ কিমি দূরে গাজীপুরের কড্ডায় অবস্থিত। এই এইচএফও-জ্বালানী ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ইঞ্জিন ওয়ার্টসিলা, ফিনল্যান্ড কর্তৃক নির্মিত। এটি এ যাবৎ দেশের সর্ববৃহৎ রেসিপ্রোকেটিং ইঞ্জিন চালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র হবে যেটি জাতীয় গ্রীডে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে। একই এলাকায়, সামিটের আরেকটি ১৪৯ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণাধীন রয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, ২০১৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে। এর আগে ২০১৭ সালের ১০ আগস্ট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের অনুমতিপত্র (এলওআই) পায় সামিট গাজীপুর ২ পাওয়ার লিমিটেড। বিপিডিবি ১৫ বৎসর ধরে  প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ১০.৬০ সেন্টস দরে ক্রয় করবে।    
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ৫.৩% বাড়লো
নভেম্বর ২৩, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ১১:০৪ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
আবারও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ইউনিট প্রতি ভারিত গড়ে ৩৫ পয়সা বা ৫.৩% বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে নতুন এই মূল্য কার্যকর হবে। তবে এবার দাম বাড়ানো হয়েছে কেবল খুচরা পর্যায়ে, পাইকারি বিদ্যুতের দাম বাড়ছে না। বৃহস্পতিবার ঢাকায় কারওয়ানবাজারে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এর চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম এ ঘোষণা দেন। মনোয়ার ইসলাম বলেন, বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা/কোম্পানিগুলোর বিতরণ খরচ বৃদ্ধি বিবেচনায় খুচরা মূল্যহার বৃদ্ধি করা হয়েছে। তিনি বলেন, খুচরা পর্যায়ে গড়ে ৫ দশমিক ৩ শতাংশ দাম বাড়ানো হলেও বিদ্যুতের ন্যূনতম চার্জ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। তবে ন্যূনতম চার্জ না থাকলেও গ্রাহকদের ২৫ টাকা ডিমান্ড চার্জ থাকছে। নতুন হারে আবাসিকে মাসে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের খরচ বাড়বে ১৫ টাকা, ১৫০ ইউনিটে ৪৮ টাকা, ২৫০ ইউনিট পর্যন্ত ৯০ টাকা, ৪৫০ ইউনিট পর্যন্ত ১৯৬ টাকা এবং ১০০০ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারীদের খরচ বাড়বে ৬০৪ টাকা। একই সঙ্গে সেচ, বাণিজ্যিক, শিল্পসহ অন্যান্য শ্রেণীর গ্রাহকদের দামও বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিদ্যুতের দাম গড়ে ২ দশমিক ৯৩ শতাংশ বাড়িয়েছিল সরকার।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালে নতুন তিন ইন্ডিপেনডেন্ট ডিরেক্টর
নভেম্বর ২০, ২০১৭ সোমবার ১২:৩০ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল তাদের পরিচালনা পরিষদকে আরো শক্তিশালী ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তিন জন ইন্ডিপেনডেন্ট ডিরেক্টর নিয়োগ দিয়েছে। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির কৌশলগত নেতৃত্ব এবং কর্পোরেট গভর্নেন্স আরো শক্তিশালী হলো। নতুন তিনজন ডিরেক্টরসহ সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের মোট ডিরেক্টর সংখ্যা এখন দাঁড়ালো আটজন। এর মধ্যে রয়েছে তিনজন ইন্ডিপেনডেন্ট ডিরেক্টর রয়েছে বলে সামিট গ্রুপের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের পরিচালনা পরিষদে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- আবদুল্লাহ তারমুগী, লিম হুই হুয়া এবং ট্যাং কিন ফেই। সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল সিংগাপুরে নিবন্ধিত একটি আন্তর্জাতিক কোম্পানী। এর মধ্যে আবদুল্লাহ তারমুগী নমিনেটিং ও রিমুইনারেশন কমিটির চেয়ারম্যান এবং লিম হুই হুয়া অডিট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যদিকে ট্যাং কিন ফেই স্ট্র্যাটেজি এন্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। আবদুল্লাহ তারমুগী সিংগাপুর সরকারের প্রেসিডেন্টাল কাউন্সিল ফর মাইনরিটি রাইটস এর সদস্য। এর আগে তিনি সিংগাপুর পার্লামেন্টের স্পিকার এর দায়িত্ব পালন করেছেন। লিম হুই হুয়া সিংগাপুরের টেমবুসু পার্টনারস প্রাইভেট লিমিটেডের ডিরেক্টর। এর আগে তিনি সিংগাপুর পার্লামেন্টের নির্বাচিত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ট্যাং কিন ফেই বর্তমানে এসআইএ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানীর ডিরেক্টর এবং ডেপুটি চেয়ারম্যান। এর আগে তিনি সেম্বকর্প ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের গ্রুপপ্রেসিডেন্ট ও চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার এর দায়িত্ব পালন করেছেন। সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল এবং সামিট গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান বলেন, “সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের পরিচালনা পরিষদে যোগদানের জন্য বোর্ড এবং ব্যবস্থাপনা কমিটির পক্ষ থেকে আমি আবদুল্লাহ তারমুগী, লিম হুই  হুয়া এবং ট্যাং কিন ফেই-কে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। কর্পোরেট গভর্নেন্সে উচ্চমান বজায় রাখতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আশা করি তাদের যোগদানের মাধ্যমে আমাদের পরিচালনা পরিষদ এবং ব্যবস্থাপনা কমিটি অধিক দক্ষ এবং অভিজ্ঞতাসম্পন্ন হয়ে উঠবে। আমরা প্রত্যাশা করি তাদের কৌশলগত অন্তর্দৃষ্টি এবং বুদ্ধিবৃত্তিক দিক নির্দেশনায় সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত হওয়ার পাশাপাশি উদীয়মান এশিয়ায় প্রধান জ্বালানী সরবারহকারি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।”                সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল সামিট গ্রুপের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান যেটি মূলত বাংলাদেশে অবকাঠামো খাতে অন্যতম বৃহৎ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যুৎ, জ্বালানি, বন্দর, শিপিং, হসপিটালিটি ও ইনফরমেশন টেকনোলজি খাতে ৭,০০০ হাজারেও বেশী কর্মী কাজ করে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনতে ভারতীয় কোম্পানী আদানির সাথে চুক্তি করেছে বিপিডিবি
নভেম্বর ২০, ২০১৭ সোমবার ১১:৫০ এএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ভারতীয় প্রতিষ্ঠান আদানি পাওয়ারের কাছ থেকে বিদ্যুৎ কিনতে চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। সম্প্রতি ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে সই হওয়া ওই চুক্তির আওতায় ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনবে বাংলাদেশ। বিপিডিবি চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ জানান, এর আগে গত এপ্রিলে ভারতীয় এই প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে বিদ্যুৎ কেনার জন্য সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি অনুমোদন দেয়। পরে উভয় পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এই চুক্তি সই হয়। ২৫ বছর মেয়াদি চুক্তির আওতায় এ বিদ্যুৎ কিনতে বাংলাদেশের ব্যয় হবে ১ লাখ ৯০ হাজার ৯৭৫ কোটি টাকা। এতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ দশমিক ৬১ সেন্ট, যা বাংলাদেশী মুদ্রায় ৬ টাকা ৮৯ পয়সা। আদানি ভারতের ঝাড়খণ্ডে নির্মিতব্য ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াটের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে এ বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে। ঝাড়খণ্ডের গড্ডায় পৃথকভাবে ৮০০ মেগাওয়াটের দুই ইউনিটবিশিষ্ট ওই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে প্রতিষ্ঠানটি। আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তিতে এসব কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। ভারত সরকার প্রস্তাবিত বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে শর্তসাপেক্ষে বিদ্যুৎ সরবরাহে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় ঝাড়খণ্ড থেকে বাংলাদেশের সীমানা পর্যন্ত ৯০ কিলোমিটার ও বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বগুড়া পর্যন্ত ১৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ ৪০০ কেভি ডাবল সার্কিট সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হবে।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
যৌথ মালিকানায় মাতারবাড়িতে ৬০০ মেগাওয়াটের এলএনজি ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে
নভেম্বর ১২, ২০১৭ রবিবার ১২:৫৬ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড ও জাপানের মিৎসুই অ্যান্ড কোং লিমিটেড এর মধ্যে মাতারবাড়িতে ৫০০-৬০০ মেগাওয়াটের এলএনজি ভিত্তিক একটি কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। গত ৮ নভেম্বর ঢাকায় কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির সম্মেলন কক্ষে স্বাক্ষরিত ওই স্মারকে সই করেন কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড এর কোম্পানির সচিব মোঃ মিজানুর রহমান এবং জাপানের মিৎসুই অ্যান্ড কোং লিমিটেড (এশিয়া প্যাসেফিক) এর প্রকল্প অবকাঠামো বিভাগের মহাব্যবস্থাপক ইউজি উয়েদা। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানি হবে আমদানিকৃত এলএনজি।  ৫০% -৫০% অংশিদারিত্বে গঠিতব্য যৌথ কোম্পানির মাধ্যমে এ প্রকল্প বাস্তবান করা হবে এবং ডিসেম্বর২০২১ সাল নাগাদ উৎপাদনে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। চুক্তি শেষে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এর সাথে কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আবুল কাশেম এবং মিৎসুই অ্যান্ড কোং লিমিটেডের প্রতিনিধিরা এক সৌজন্য সাক্ষাত করেন এবং  প্রকল্প বাস্তবায়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে জানান। এ সময় অন্যান্যের মাঝে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস ও পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
৩৬০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করবে নর্থ ওয়েষ্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি
নভেম্বর ০৫, ২০১৭ রবিবার ০৯:৫৯ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করতে যাচ্ছে রাষ্ট্রায়াত্ব নর্থ ওয়েষ্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড। পটুয়াখালীর পায়রায় ৩৬০০ মেগাওয়াটের এলএনজি  ভিত্তিক   ওই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করতে জার্মানের সিমেন্স এজি কোম্পানীর সাথে নর্থ ওয়েষ্ট কোম্পানি রোববার একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে। ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে ওই স্মারকে সই করেন নর্থ ওয়েষ্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার এ এম  খোরশেদুল আলম ও  সিমেন্সের পক্ষে সাউথ এশিয়ার নির্বাহী পরিচালক সুমি মাথর। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ক্লীন এনার্জি প্রসারার্থে এলএনজি ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ধীরে ধীরে শক্ত অবস্থানে যাচ্ছে তা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ স্বল্পমূল্যে  সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে। ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার এ এম  খোরশেদুল আলম বলেন, বর্তমানে পায়রায় ১৩২০ মেগওয়াট ক্ষমতার একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ চলছে। এর পাশেই আরো ১০০ একর জমি নিয়ে নতুন ৩৬০০ মেয়াওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ২০২০ সালের জুনে ১২০০ মেগাওয়াট, একই বছরের ডিসেম্বরে আরো ১২০০ মেগাওয়াট  এবং পরের বছরের মধ্যেই বাকী ১২০০ মেগাওয়াট উৎপাদনে চলে আসবে। কেন্দ্রটিতে আমদানি করা গ্যাসের যোগান দিতে একটি এলএনজি টার্মিনালও করা হবে। বিদ্যুতের ভবিষ্যৎ চাহিদা বিবেচনায় রেখে বাড়ানো হচ্ছে উৎপাদন, উন্নত হচ্ছে বিতরণ ব্যবস্থা এবং সেবার মান।   প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, এই কেন্দ্র ইফিসিয়েন্সী ৬০% অর্থাৎ ৪০% যে তাপ বের হয়ে যাবে তা কীভাবে সংগ্রহ করে কাজে লাগানো যায় তার উপায় বের করা প্রয়োজন। বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. থমাস প্রিঞ্চ বলেন, বাংলাদেশ দ্রুত উন্নতি করছে। এখন আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োজন, স্বল্পমূল্যের প্রযুক্তি নয়। জার্মান সরকার বাংলাদেশের পাশে থেকে উন্নয়ন সহযোগী হতে চায়। বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে সিমেন্স বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রবাল ঘোষ, বিপিডিবি’র চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ বক্তব্য দেন।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
নেসকো প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৫ দশমিক ৩০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে
অক্টোবর ০৪, ২০১৭ বুধবার ০৯:৪৬ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
নবগঠিত নর্দান ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানির (নেসকো) প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৫ দশমিক ৩০ শতাংশ বাড়িয়ে ৬ টাকা ৭৩ পয়সা থেকে ৭ টাকা ৭৬ পয়সা পুননির্ধারণের প্রস্তাব করেছে। বুধবার রাজধানীর টিসিবি মিলনায়তনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশনের (বিইআরসি)আয়োজনে বিদ্যুতের মূল্যহার পরিবর্তনের উপর গণশুনানীকালে ওই প্রস্তাব করেন কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাকিউল ইসলাম। বিইআরসি চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলামের সভাপতিত্বে কমিশনের সদস্য মিজানুর রহমান, রহমান মুরশেদ, আব্দুল আজিজ খান ও মাহমুদ উল হক ভূইঁয়া শুনানি গ্রহণ করেন। তবে শুনানীকালে বিইআরসি’র কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি ইউনিট প্রতি ৮৯ পয়সা হারে দাম বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছে। শুনানিতে অংশ নিয়ে ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম বলেন, বিপিডিবি ভেঙে গঠিত এই কোম্পানিটি এখন পঙ্গু। এই পঙ্গু কোম্পানির যারা জন্ম দিয়েছেন তারা এর দায় নেবেন, ভোক্তারা নয়। তিনি বলেন, বিপিডিবিকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের যে দাম দেয়া হয় নেসকোসহ অন্য কোম্পানিগুলোকে তার বেশী দিতে রাজি নয় গ্রাহকরা। এদিকে, বিদ্যুতের দামের সঙ্গে ডিমান্ড ও সার্ভিস চার্জ বৃদ্ধির প্রস্তাবও দিয়েছে নেসকো। গত বছরের ১ অক্টোবর থেকে বিতরণ কার্যক্রম শুরু করে নেসকো। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬টি জেলায় জেলা শহর ও সংলগ্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বিতরণ করছে কোম্পানীটি। নতুন এই কোম্পানীটির মোট গ্রাহক সংখ্যা ১২ লাখ ৭৪ হাজার ৮৮৩ । এর মধ্যে আবাসিক গ্রাহক ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৯০৪, যা মোট গ্রহাকের ৮৪ শতাংশ। এই কোম্পানীর মোট বিদ্যুৎ চাহিদা ৭৪৫ মেগাওয়াট।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
প্রথমবারের মতো বিদ্যুতের দাম কমানোর প্রস্তাবের ওপর গণশুনানী হবে বৃহস্পতিবার
অক্টোবর ০৪, ২০১৭ বুধবার ০৮:৫২ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বৃহস্পতিবার ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) পাইকারি বিদ্যুতের দাম কমানোর প্রস্তাবের ওপর  গণশুনানী করতে যাচ্ছে। রাজধানী ঢাকার কারওয়ান বাজারে টিসিবি মিলনায়তনে সকাল ১০টায় শুনানী শুরু হবে। গত ২১ সেপ্টেম্বর ক্যাবের পক্ষ থেকে বিইআরসির কাছে দাম কমানোর ওই প্রস্তাব দেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২ অক্টোবর বিইআরসি এক বিজ্ঞপ্তিতে ওই গণশুনানী করার সিদ্ধান্তের কথা জানায়। শুনানীতে ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলমসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা অংশ নেবেন। অপরদিকে, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডসহ অন্যান্য বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানীর প্রতিনিধিরা তাদের মতামত তুলে ধরবেন বলে জানা গেছে। ব্যতিক্রমধর্মী এই শুনানীতে আরো অনেকে অংশ নেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছেন বলে বিইআরসি’র এক কর্মকর্তা জানান।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘বিআরইবি প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে’
সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৭ বুধবার ১০:১৩ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের কাছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি) প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে। বুধবার ঢাকায় কারওয়ানবাজারে টিসিবি মিলনায়তনে বিআরইবি’র আওতাধীন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলোর (পবিস) বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের উপর গণশুনানীকালে এ প্রস্তাব করেন বিআরইবির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মঈনউদ্দিন। ওই প্রস্তাবের বিপরীতে কমিশনের কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুতের গড় খুচরা দাম ৭ দশমিক ১৯ শতাংশ বা ৪৪ পয়সা বাড়িয়ে ৬ টাকা ৫৬ পয়সা পুননির্ধারণের সুপারিশ করেছে। বর্তমানে এ বিদ্যুতের দাম ৬ টাকা ১২ পয়সা। গণশুনানিতে সভাপতিত্ব করেন বিইআরসি’র চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য রহমান মুরশেদ, মাহমুদউল হক ভুইয়া, আব্দুল আজিজ খান ও মিজানুর রহমান। শুনানিতে অংশ নিয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ সংগঠন কনজ্যুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম বলেন, গ্রামে মান সম্মত বিদ্যুৎ পাওয়া যায় না। প্রতিদিন আট থেকে দশ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। মাসিক বিল, মিটার সংযোগ নিতে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে সাধারণ গ্রাহকদের।বারবার শুধু দাম বৃদ্ধি হবে আর গ্রাহকরা ঠিকমতো সেবা পাবে না এটা মেনে নেওয়া কষ্টকর।  দাম বৃদ্ধির যুক্তি তুলে ধরে বিআরইবি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মঈনউদ্দিন বলেন, অবকাঠামোগত ও জনবল খরচ,  অবচয় বৃদ্ধি, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেড়েছে। চেয়ারম্যান বলেন, ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে নিট খুচরা সরবরাহ ব্যয় ইউনিট প্রতি ছয় টাকা ৭০ পয়সা। বিদ্যমান খুচরা ট্যারিফ ইউনিট প্রতি ছয় টাকা ৫০ পয়সা। অর্থাৎ ইউনিট প্রতি ঘাটতি ৬৫ পয়সা। গত অর্থবছরে বিআরইবি’র ৮০০ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে।। ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মধ্যে মাত্র ১১টি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল। অস্বচ্ছল সমিতিগুলো তাদের ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে পারছে না। ঋণ ও সুদের কিস্তি বকেয়া পড়েছে ৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এদিকে বিআরইবি এর প্রস্তাবে আবাসিকে ন্যূনতম বিল ৬৫ থেকে ২০ টাকা বাড়িয়ে ৮৫ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে। সার্ভিস চার্জ ১০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ টাকা করার আবেদন করেছে। আবাসিকে সর্বনিম্ন এক দশমিক ৫৬ শতাংশ থেকে ১২ দশমিক ৪৩ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিট ব্যবহারকারী গ্রাহকদের জন্য সবচেয়ে বেশী মূল্যহার বৃদ্ধি করার কথা বলেছে। এই ধাপে বর্তমানে ইউনিট প্রতি দাম ৫ টাকা ৬৩ পয়সা। বিআরইবি প্রস্তাব করেছে ছয় টাকা ৩৩ পয়সা। অন্যান্য শ্রেণীর গ্রাহকদের ক্ষেত্রেও সার্ভিস চার্জ বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে। বিআরইবির সারাদেশে দুই কোটি এক লাখ গ্রাহক রয়েছে। এর মধ্যে ৭৫ শতাংশ গ্রাহকই আবাসিক। গত সোম ও মঙ্গলবার বিপিডিবির পাইকারি ও খুচরা মূল্যহার প্রস্তাবের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।  বৃহস্পতিবার ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) গণশুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য বৃদ্ধির পক্ষে বিইআরসি’র কারিগরী মূল্যায়ন কমিটি’
সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৭ সোমবার ১১:০৯ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কারিগরী মূল্যায়ন কমিটি বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) প্রস্তাবের পক্ষে মত দিয়েছে। তবে বিপিডিবি প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের পাইকারি দাম গড়ে ৭২ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব করলেও তা ৫৪ পয়সা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছে ওই কমিটি। অর্থাৎ এ মতামত গৃহীত হলে বিদ্যুতের গড় পাইকারি মূল্যহার ১১ দশমিক ৭৮ শতাংশ বেড়ে ৪ টাকা ৮৭ পয়সা থেকে ৫ টাকা ৪১ পয়সায় দাড়াবে। সোমবার ঢাকায় টিসিবি মিলনায়তনে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধিতে বিপিডিবি’র প্রস্তাবের ওপর গণশুনানিতে এ তথ্য উঠে আসে। দেশে বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা-কোম্পানিগুলো বিপিডিবি থেকে বিদ্যুৎ নিয়ে গ্রাহক পর্যায়ে সরবরাহ করে। তাই পাইকারি মূল্য বাড়লে খুচরা অর্থাৎ প্রান্তিক পর্যায়েও এ মূল্য বাড়বে। এদিকে বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা দাম বাড়াতে সরকারি সংস্থা ও কোম্পানিগুলোর প্রস্তাবের বিপরীতে দাম কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। শুনানিতে অংশ নিয়ে ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, বিপিডিবির পাইকারি দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব অযৌক্তিক। সংস্থাটির উন্নয়নে ও গ্রাহক স্বার্থ সংরক্ষণে পরামর্শ দেন তিনি। তিনি আরো বলেন, ফার্নেস তেলের ও ডিজেলের দাম কমালে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রয়োজন হবে না।কারণ তেল ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ এখন ৩০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। বিপিডিবির প্রস্তাবে বলা হয়, ফার্নেস তেল ও ডিজেলের ব্যবহার বৃদ্ধি, বেসরকারি খাত থেকে বিদ্যুৎ কেনা এবং জ্বালানি ব্যয়ের অংশ বৃদ্ধির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। মূল্যহারের ঘাটতি পূরণে সরকার থেকে ভর্তুকির পরিবর্তে দেয়া ঋণের সুদ পরিশোধ করতে হচ্ছে। তুলনামূলক কম মূল্যহারে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলোতে বেশী বিদ্যুৎ সরবরাহের আনুপাতিক হার বেড়ে যাওয়ায় গড় পাইকারি মূল্যহার কমে গেছে। সব মিলিয়ে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে পাইকারি মূল্যহার ঘাটতির পরিমাণ প্রতি ইউনিটে (কিলোওয়াট) ৭২ পয়সায় দাড়ায়। ঘাটতি দূর ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বার্থে দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে পিডিবি।  এদিকে, টিসিবি ভবনের বাইরে দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবের বিরোধীতা করে প্রতিবাদ মিছিল, সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচী পালন করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)সহ কয়েকটি বাম সংগঠন। গত ২০ ফেব্রুয়ারি বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবনা বিইআরসিতে দাখিল করে পিডিবি। গণশুনানিতে সভাপতিত্ব করেন বিইআরসির চেয়ারম্যান ও সাবেক বিদ্যুৎ সচিব মনোয়ার ইসলাম। শুনানিতে আরও উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য রহমান মুরশেদ, আব্দুল আজিজ খান, মিজানুর রহমান ও মাহমুদউল হক ভুইয়া। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের  বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার পরিবর্তনের আবেদনের ওপর  মঙ্গলবার শুনানি হবে। মূল্যহার পরিবর্তনে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের প্রস্তাবের ওপর  বুধবার এবং ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) প্রস্তাবের ওপর বৃহস্পতিবার শুনানি গ্রহণ করা হবে। এছাড়া আগামী ২, ৩ ও ৪ অক্টোবর যথাক্রমে ঢাকা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি  (ডেসকো), ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো) এবং নবগঠিত নর্থ ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (নওজোপাডিকো) প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে। বিইআরসি আইন অনুযায়ী, শুনানির পর ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে বিইআরসিকে দাম পুননির্ধারণ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে হবে। সব মিলিয়ে প্রথম দিনের শুনানিতেই বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়েছে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
বিদ্যুতের মূলহার পরিবর্তনের জন্য গণশুনানী শুরু হচ্ছে ২৫ সেপ্টেম্বর
সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৭ রবিবার ১১:৩৭ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা মূল্যহার পরিবর্তনের জন্য দুই দফায় ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) কাছে দেওয়া ছয়টি সংস্থা ও কোম্পানীর  প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি শুরু হবে। বিইআরসি ইতোমধ্যে প্রস্তাবগুলো যাচাই-বাছাই শেষ করেছে। শুনানী দুই দফায় অর্থাৎ প্রথম দফায় ২৫ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় দফায় ২ থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন বিইআরসি’র সচিব মুহঃ মাহবুবর রহমান। ঢাকার কাওরান বাজার টিসিবি মিলনায়তনের ২য় তলায় ২৫ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় বিপিডিবির প্রস্তাবের উপর পাইকারি (বাল্ক) মূল্য পরিবর্তনের গণশুনানি এবং ২৬ সেপ্টেম্বর খুচরা মূল্যহার পরিবর্তনের ওপর গণশুনানি হবে। এছাড়া বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) এর প্রস্তাবের ওপর  ২৭ সেপ্টেম্বর, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) ২৮ সেপ্টেম্বর, ঢাকা  ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটডের (ডেসকো) ২ অক্টোবর, ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ওজোপাডিকো) ৩ অক্টোবর এবং নর্থ ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (নওজোপাডিকো) ৪ অক্টোবর প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) বিতরণ কোম্পানিগুলোর কাছে পাইকারি বিক্রির ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৭২ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
ইউনাইটেডের ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা কমিটি
সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৭ বৃহস্পতিবার ১১:২০ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ময়মনসিংহে বেসরকারি খাতে ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন আইপিপি  বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। বুধবার সচিবালয়ে কমিটির সভায় বিদ্যুৎ বিভাগের এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সভাপতিত্ব  করেন। ১৫ বছর মেয়াদী এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি স্থাপন করবে বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড কোম্পানি। বৈঠক শেষে অনুমোদিত ক্রয় প্রস্তাবের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,  ফার্নেস ওয়েলভিত্তিক  বিদ্যুকেন্দ্রটি থেকে  ১৫ বছর মেয়াদে বিদ্যুৎ কিনবে সরকার। প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুতের দাম পড়বে ৮ দশমিক ৪১৬৬ টাকা। এ হিসেবে ১৫ বছর মেয়াদে বিদ্যুৎ ক্রয়ে সরকারের ব্যয় হবে ১৭ হাজার ৬৪০ কোটি টাকা। এছাড়া বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ডের ‘পল্লী বিদ্যুতায়ন সম্প্রসারণের মাধ্যমে ১৫ লাখ গ্রাহক সংযোগ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ২৩ হাজার ২১১ টি ডিস্ট্রিবিউশন ট্রান্সফরমার ক্রয়ের একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ জন্য ব্যয় হবে ১৭০ কোটি ২৪ লাখ টাকা। ক্রয় কমিটির বৈঠকের আগে অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের একটি প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দেয়। প্রস্তাবটি হচ্ছে চট্টগ্রাম ইউরিয়া সারকারখানা (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী সারকারখানার (কাফকো) অব্যবহৃত জমি ও জেটি ব্যবহার এবং বঙ্গোপসাগরে সাঙ্গু প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ক্ষুদ্র আকারে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি।        
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
    সাম্প্রতিক বিদ্যুৎ এর খবর
বিদ্যুতের মূলহার পরিবর্তনের জন্য গণশুনানী শুরু হচ্ছে ২৫ সেপ্টেম্বর
ইউনাইটেডের ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা কমিটি
ভোলায় ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে কারিগরি সহায়তা দেবে জিই
পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক সংখ্যা ১ কোটি ৯৮ লাখ ছাড়িয়েছে
ভারতীয় কোম্পানির ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কিনতে চুক্তি সই করেছে বিপিডিবি
‘বাংলাদেশের সাথে মায়ানমারের বিদ্যুতের আন্তঃগ্রীড সংযোগ হলে উভয় দেশ উপকৃত হবে’
‘ডিজেল ও ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বেসরকারি খাতে আরো ১০ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের অনুমোদন’
কঠোর শাস্তির বিধান রেখে মন্ত্রিসভায় বিদ্যুৎ আইন অনুমোদন
রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ অব্যাহত থাকবে: তৌফিক-ই-ইলাহী
‘গ্রাহকদেরকে দ্রুত, ঝামেলা মুক্ত ও ডিজিটাল সেবা প্রদানে কাজ করছে বিদ্যুৎ বিভাগ’
ভারত থেকে কেনা ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির মেয়াদ বাড়ছে
সৈয়দপুরে ১৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ডিজেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে
‘১% সিস্টেম লস কমানো গেলে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের বছরে ১৫০ কোটি সাশ্রয় হবে’
‘পটুয়াখালীতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করবে আশুগঞ্জ কোম্পানী’
রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যাপারে ইউনেস্কোর আপত্তি প্রত্যাহারে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে ১২টি দেশ : জ্বালানি উপদেষ্টা
রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বিষয়ে আপত্তি তুলে নিল ইউনেস্কো
‘গ্রামের ২৭ লাখ নতুন গ্রাহককে বিদ্যুতের আওতাভুক্ত করতে আরো দুটি প্রকল্প গ্রহণ’
পায়রা’র বিদ্যুৎ গ্রিডে দিতে পটুয়াখালী-গোপালগঞ্জ ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন নির্মাণ হচ্ছে
‘টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু’
‘২০১৮ সালের পর থেকে রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ হচ্ছে’
চট্টগ্রামের ৭ লাখ বিদ্যুৎ গ্রাহক প্রি-পেইড মিটারিং এর আওতায় আসছে
‘শনিবার থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে’
‘বিদ্যুতের লোডশেডিং চলছে’
‘রমজানে নিরবছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ রাখার সুপারিশ’
‘৬,৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা’
পিজিসিবি’র তত্ত্বাবধানে ডেসকো’র ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইন প্রতিস্থাপন হচ্ছে
‘দুর্নীতিবাজদের দৌরাত্ম্য বন্ধে ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে বিশেষ প্রচারণা শুরু’
বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন ‘ট্রিপ’ এর কারণ খুঁজতে তদন্ত কমিটি
বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইন ট্রিপ, দেশের অনেকাংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy

   Editor & Publisher: Aminur Rahman
   Copyright @ 2015-2018 energynewsbd.com
   All Rights Reserved | Developed By: Jadukor IT