ঢাকা, বুধবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৮, অগ্রহায়ণ ২৭, ১৪২৫ ০৩:৩৫ এএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
বিদ্যুৎ
‘ভূ-গর্ভস্থ বিদ্যুৎ লাইন স্থাপনে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে চুক্তি সই’
ভূ-গর্ভস্থ লাইন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত ও সিস্টেম লস কমিয়ে আনবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। বৃহস্পতিবার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে বিদ্যুতের লাইন ভূ-গর্ভস্থে স্থাপন নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার এনার্জিট্রন ও ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড(ডিপিডিসি)এর মধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাই সংক্রান্ত চুক্তি সই অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভূ-গর্ভস্থ লাইন হলে ঝড়-বৃষ্টিতে বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যাহত হবে না। বিদ্যুতের লাইন মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কমে আসবে। এতে গ্রাহকের ভোগান্তি হ্রাস এবং শহরের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি পাবে। তিনি আরো বলেন, বিশ্বের বড় বড় আধুনিক শহরের ন্যায় ঢাকা শহরে ডিপিডিসির অধীন এলাকায় ওভারহেড বিতরণ ব্যবস্থাকে ভূ-গর্ভস্থে  স্থানান্তরের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তারই অংশ হিসাবে প্রাথমিক পর্যায়ে ভূ-গর্ভস্থ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার জন্য একটি আন্তর্জাতিকমান সম্পন্ন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকাশ দেওয়ান বলেন, ওভারহেড লাইন ভূ-গর্ভস্থে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া ২০১৬ সাল থেকে শুরু হলেও এ বছর এসে তা সফলতার মুখ দেখছে। ফিজিবিলিটি স্টাডি সম্পন্ন হওয়ার পর পর্যায়ক্রমে ওভারহেড বিতরণ ব্যবস্থাকে ভূ-গর্ভস্থে স্থানান্তরের জন্য প্রকল্প নেওয়া হবে। ডিপিডিসির এক কর্মকর্তা জানান, প্রতিযোগিতামূলক আগ্রহপত্র (ইওআই) এর মাধ্যমে মোট ১৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাঁচটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কারিগরিভাবে যোগ্য বিবেচিত হয়। পরবর্তীতে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চারটি প্রতিষ্ঠান রিকোয়েস্ট ফর প্রপোজাল দাখিল করে। এ চারটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রস্তাব মূল্যায়নের শর্তানুযায়ী কারিগরিও আর্থিক মূল্যায়নে সর্বোচ্চ স্কোরধারী প্রতিষ্ঠান বিবেচিত হওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার এনার্জিট্রন এর সাথে চুক্তি সই করা হয়েছে। এই কাজের অর্ন্তভূক্ত ১৩২ কেভি, ৩৩ কেভি, ১১ কেভি, ১১/০.৪ কেভি এবং ০.৪ কেভি ওভারহেড বিতরণ ব্যবস্থাকে ভূ-গর্ভস্থ নেটওয়ার্কে স্থানান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় সার্ভে, ফিজিবিলিটি স্টাডি, আন্ডারগ্রাউন্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম ডিজাইন, বিল অব ম্যাটিরিয়ালস, কস্ট ইস্টিমিটেড করবে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানটি। এ কাজের চুক্তি মূল্য প্রায় ২১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা এবং কাজটি সম্পন্ন করতে এক বছর সময় লাগবে। ডিপিডিসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হাসনাত চৌধুরী ও অস্ট্রেলিয়ার এনার্জিট্রন কোম্পানির প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার ওয়াহিদুল ইসলাম চুক্তিতে সই করেন। ডিপিডিসির পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শফিকউল্লাহ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ  কায়কাউস, পিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ, ডিপিডিসির ব্যবস্থপান পরিচালক বিকাশ দেওয়ান ও এনার্জিট্রন এর আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক রিচার্ড মারফি বক্তব্য দেন।
‘গ্রিড বিদ্যুতের আওতায় আসলো সন্দ্বীপবাসী’
নভেম্বর ১৭, ২০১৮ শনিবার ০৫:১৬ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
সাগর তলদেশে সাব মেরিন কেবল স্থাপনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ যাচ্ছে চট্টগ্রামের একমাত্র দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপে। গত ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)সন্দ্বীপের এনাম নাহার ৩৩/১১ কেভি সাব স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে প্রথমবারের মতো যুক্ত করেছে দ্বীপবাসীকে। চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডু থেকে সন্দ্বীপ পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সাগর তলদেশে ওই সাব মেরিন কেবল স্থাপন করা হয়েছে বলে জানান পিডিবির জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক সাইফুল হাসান চৌধুরী। এতে সন্দ্বীপের চার লাখ অধিবাসী গ্রিড বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আসলো। একাধিকবার ভাঙ্গনের কবলে পড়ে আয়তনে ছোট হয়ে আসা এই দ্বীপ এতদিন বিদ্যুৎ গ্রিডের বাইরে ছিল। সাব মেরিন কেবল স্থাপনের ফলে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ সৃস্টি হওয়ায় এখানে শিল্প কারখানা স্থাপনসহ বানিজ্যিক কর্মকান্ডের ব্যাপক প্রসার ঘটবে।  এতদিন স্থানীয় পর্যায়ে তেলভিত্তিক জেনারেটরের মাধ্যমে উপজেলা সদরের কয়েকশ গ্রাহককে সীমিত আকারে বিদ্যুৎ দেওয়া হতো। শহরাঞ্চলে যে বিতরণ লাইন রয়েছে তার বিদ্যুৎ গ্রহণের ক্ষমতা ছিলো তিন মেগাওয়াটের মতো। জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার পর এখন ৫০ মেগাওয়াটের মতো বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যাবে। গত ২২ মাস ধরে প্রায় ১৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে বলে জানান পিডিবির পরিচালক।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
প্রধানমন্ত্রী সাতটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধন করবেন বৃহস্পতিবার
অক্টোবর ৩১, ২০১৮ বুধবার ১১:০৯ পিএম - বাসস
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার নবনির্মিত সাতটি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং ১০২টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুৎ নিশ্চিতকরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় তার সরকারি বাসভবন গণভবনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সম্পর্কিত দুইটি প্রকল্পেরও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।’ বুধবার বিদ্যুৎভবনে এক প্রেস কনফারেন্স এ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালের চেয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ৪ গুণ বেড়ে এখন ২০ হাজার ৪৩০ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নবনির্মিত ৭টি বিদ্যুৎকেন্দ্র ও ১০২ উপজেলায় বিদ্যুৎ বিতরণ কার্যক্রম শতভাগে উন্নীতকরণ কর্মসূচির উদ্বোধন এবং দুইটি বিদ্যুৎ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে ৯২ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছেন, যা ২০০৯ সালের পূর্বে মাত্র ৪৭ শতাংশ ছিল। আমরা একই সময়ে ২ কোটি ৩ লাখ গ্রাহকের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছি।’ সরকার ৫৩ লাখ সোলার হোম সিস্টেমের মাধ্যমে দুই কোটিরও বেশি মানুষকে বিদ্যুতের আওতায় নিয়ে আসছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে ১৩ হাজার ৬৫৪ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৫৫টি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণাধীন রয়েছে। এছাড়া ৭ হাজার ৪৬১ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন আরো ২৩টি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য টেন্ডার আহ্বানের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সরকার ২০ হাজার ১৫৬ মেগাওয়াট ক্ষমতাস্পন্ন ১৯টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনেরও পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার ১০২টি উপজেলাকে শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় নিয়ে আসছে।’ যেসব জেলা শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় আনা হবে সেগুলো হচ্ছে : নবাবগঞ্জ, দোহার, কাশিয়ানী, মুকসেদপুর, গোপালগঞ্জ সদর, মিঠামইন, তাড়াইল, ইটনা, হোসেনপুর, কিশোরগঞ্জ সদর, বাজিতপুর, শ্রীমঙ্গল, নাটোর সদর, নলডাঙ্গা, গুরুদাসপুর, পুঠিয়া, চারঘাট, বাঘা, তানোর, চিতলমারী, চৌগাছা, চুয়াডাঙ্গা, ঝিকরগাছা, কেশবপুর, জীবননগর, দামুরহুদা, পিরোজপুর সদর, হরিরামপুর, সাটুরিয়া, ঘিওর, আত্রাই, মহাদেবপুর, রাণীনগর, নিয়ামতপুর, ঝালকাঠি সদর, রাজাপুর, পাবনা সদর, বিশ্বনাথ, গোলাপগঞ্জ, জৈন্তাপুর, বালাগঞ্জ, ডুমুরিয়া, ফেনী সদর, কুষ্টিয়া সদর, কুমারখালী, ফুলবাড়ী, কাহারুল, রামগঞ্জ, রাঙ্গুনিয়া, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, আনোয়ারা, বিজয়নগর, কসবা, বাঞ্চারামপুর, চান্দিনা, ব্রাহ্মণপাড়া, লালমাই, তিতাস, মেঘনা, হোমনা, দাউদকান্দি, নাঙ্গলকোট, বুড়িচং, লাকসাম, চৌদ্দগ্রাম, চাটখিল, সোনাইমুড়ি, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, তারাগঞ্জ, রংপুর সদর, তালা, কক্সবাজার সদর, টেকনাফ,গাংনী,দৌলতখান, তজুমুদ্দিন, সিরাজগঞ্জ সদর, রায়গঞ্জ, তাড়াশ, চৌহালী, মাদারীপুর সদর, নীলফামারী সদর, কালীগঞ্জ, কালিয়াকৈর, শরীয়তপুর সদর, ডামুড্যা, চাঁদপুর সদর, শাহরাস্তি, হাজীগঞ্জ, হাইমচর, সোনারগাঁ, নন্দীগ্রাম, সোনাতলা, দুপচাঁচিয়া, বগুড়া সদর, কাহালু, আদমদীঘি, শাহজাহানপুর, চরভদ্রাসন, আলফাডাঙ্গা, মাগুরা সদর ও শ্রীপুর। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে প্রত্যেক গৃহে বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিতের লক্ষ্যে সরকার একটি পরিকল্পনা নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। নসরুল বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত করার লক্ষ্যে দেশকে স্বাধীন করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ ও পাওয়ার সেল এর মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন এতে উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র পুনর্বাসন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
অক্টোবর ২৭, ২০১৮ শনিবার ০৭:৩৫ পিএম - বাসস
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার কলাপাড়ায় পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র পুনর্বাসন প্রকল্প উদ্বোধন এবং বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। তিনি বিদ্যুৎকেন্দ্র চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বপ্নের ঠিকানা নামে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের জন্য নবনির্মিত ঘরগুলো পরিদর্শন করেন এবং পুনর্বাসিত পরিবারের কাছে ঘরের চাবি ও রেজিস্ট্রেশন পেপার হস্তান্তর করেন। তিনি পুনর্বাসন কেন্দ্রের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন এবং গাছের চারা রোপণ করেন। এর আগে তিনি পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এখানে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব আহমেদ কায়কাউস এবং প্রকল্প পরিচালক প্লান্টের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী সমবেত শ্রমিকদের সামনে এক বক্তব্য বলেন, এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকার বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসবে। শেখ হাসিনা প্রকল্প শেষ করার জন্য যারা দিনরাত কাজ করছেন সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান। দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার ১০ বছরে ২০,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে। মন্ত্রীবর্গ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ এবং উর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন। রাষ্টীয় মালিকানাধীন নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী লিমিটেড এবং চায়নার সিএমসি কোম্পানী যৌথভাবে অত্যাধুনিক এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে। কর্মকর্তারা জানান, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বর্তমান উৎপাদন সক্ষমতা ১,৪৯৭ মেগাওয়াট এবং ভবিষ্যতে উৎপাদন ৬,১৩০ মেগাওয়াটে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ২০২৫ সাল নাগাদ ১০,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপদনের পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের । একই অনুষ্ঠানে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ফলক উম্মোচনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী পটুয়াখালি জেলার ১৬টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করেন।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘স্বপ্নের ঠিকানা বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্য রোল মডেল’
অক্টোবর ২৬, ২০১৮ শুক্রবার ০৭:৩৭ এএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ধানখালী ইউনিয়নে পায়রা ১,৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে অধিগ্রহণকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের পুনর্বাসন প্রকল্প স্বপ্নের ঠিকানা শনিবার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিদ্যুৎ বিভাগের অন্যতম প্রতিষ্ঠান পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন জানান, কয়লাভিত্তিক এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য যাদের জমি ও বসতবাড়ি অধিগ্রহণ করা হয়েছিলো তাদের বসবাসের কথা মাথায় রেখে পুনর্বাসন কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়েছে। এই কেন্দ্রটির নাম দেয়া হয়েছে স্বপ্নের ঠিকানা। তিনি বলেন, পুনর্বাসন কেন্দ্র উদ্বোধনের জন্য যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকরা তাদের নতুন স্বপ্নের ঠিকানায় বসবাস করার সুযোগ পাবেন। তিনি আরো বলেন, বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকার পাশেই ক্ষতিগ্রস্ত ১৩০টি পরিবারকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এটি একটি স্বয়ং সম্পূর্ণ এবং অত্যাধুনিক প্রকল্প যেখানে স্কুল, মসজিদ, কমিউনিটি সেন্টার, খেলার মাঠসহ নানা ধরণের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশের অন্যান্য মেগা প্রকল্প তথা বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্য একটি রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হবে বলে মনে করেন মহাপরিচালক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বরাদ্দপ্রাপ্ত মালিকদের হাতে প্রধানমন্ত্রী চাবি হস্তান্তর করবেন বলে জানান মোহাম্মদ হোসাইন। বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী লিমিটেড এবং চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশন (সিএমসি) এর যৌথ উদ্যোগে গঠিত বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানী লিমিটেড কলাপাড়ায় এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করছে। আগামী বছরের মে মাসে কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে বলে আশা করছেন কর্মকর্তারা। নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী লিমিটেড এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ এম খোরশেদুল আলম বলেন, স্বপ্নের ঠিকানা উদ্বোধনের জন্য আমরা প্রস্তুত। যেখানে ১৩০টি পরিবারের জন্য থাকছে বাড়ি। এই প্রকল্পের জন্য ১৬ একর জমি বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রকল্পে ছয় শতাংশ জমিসহ ১০০০ বর্গফুট আয়তনের ৪৮টি সেমিপাকা বাড়ি এবং আট শতাংশ জমিসহ ১২০০ বর্গফুট আয়তনের সেমিপাকা ৮২টি বাড়ি রয়েছে। প্রতিটি বাড়িতে চারটি কক্ষ, দুটি বাথরুম, বিদ্যুৎ সংযোগসহ বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ব্যবস্থাও থাকছে। খোরশেদুল আলম আরো বলেন, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশপাশের জনগণকে আমরা আশ্বস্ত করতে চাই কয়লাভিত্তিক এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি আল্ট্রা-সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তিতে নির্মাণ হচ্ছে। তাই এ কেন্দ্রটি হবে নিরাপদ ও অত্যাধুনিক। দেশে প্রথম বৃহৎ আকারের কয়লাভিত্তিক এ কেন্দ্রটি আগামী বছরের মাঝামাঝি উৎপাদনে আসবে বলে জানান তিনি।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
উত্তরায় ডেসকোর আরেকটি গ্রিড উপকেন্দ্র উদ্বোধন
অক্টোবর ২৪, ২০১৮ বুধবার ০৮:২৮ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
গ্রাহক সন্তুষ্টি নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। বুধবার ঢাকায় ডেসকোর উদ্যোগে আয়োজিত ‘সেক্টর-১৮, উত্তরা ১৩২/৩৩/১১ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্র’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, প্রতিবছর প্রায় ২০% গ্রাহক বাড়ছে। সেবা নিয়ে তাদের কাছে যান। উন্নত সেবা প্রাতিষ্ঠানিক সমৃদ্ধিতেও সহযোগিতা করবে।    তিনি আরো বলেন, গ্রাহক হয়রানি ও সাশ্রয়ের জন্য প্রি-পেইড মিটার কার্যকর অবদান রাখতে পারে। এ কার্যক্রম কাঙ্খিতভাবে এগুচ্ছে না। বর্তমানে ডেসকোর গ্রাহক ৮ লাখ ৮৫ হাজার অথচ প্রি-পেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছে মাত্র ১ লাখ ৮৬ হাজার, তন্মধ্যে মাত্র ৭০,০০০ স্মার্ট প্রি-পেইড মিটার। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভূগর্ভস্থ তার স্থাপনে প্রাথমিকভাবে খরচ বাড়লেও বিদ্যুৎ অপচয় কম হয়। ঢাকা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানী  লিমিটেড (ডেসকো) মিরপুর, উত্তরা, গুলশান, টঙ্গী ও পূর্বাচল নতুন শহরসহ প্রায় ৪০০ বর্গ কিলোমিটার ভৌগলিক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। ২০৪১ সাল নাগাদ প্রায় ৩৫ লাখ ৪৮হাজার গ্রাহকদের সেবা প্রদান করতে পরিকল্পনা নিয়ে সংস্থাটি কাজ করছে। নির্মাণাধীন ৫টি ১৩২/৩৩/১১ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্র নির্মাণ কাজ শেষ হলে অত্র এলাকায় ৪ লাখ ৫০ হাজার জন গ্রাহকের নতুন সংযোগের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, গ্রাহক প্রান্তে আরো নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা যাবে এবং লো-ভোল্টেজ সমস্যার সমাধানসহ কারিগরী লস কম হবে।   ডেসকো পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মাহবুব-উল-আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস ও পিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ বক্তব্য রাখেন।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘বাংলাদেশ স্মার্ট ইলেকট্রিক্যাল কোম্পানী বছরে পাঁচ লাখ প্রি-পেমেন্ট মিটার উৎপাদন করবে’
অক্টোবর ২১, ২০১৮ রবিবার ০৯:১২ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিদ্যুতের গ্রাহকদের উন্নত সেবা দিতে দেশেই বছরে পাঁচ লাখ স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটার উৎপাদনের লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ স্মার্ট ইলেকট্রিক্যাল কোম্পানী লিমিটেড। রোববার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড ও চায়নার হেক্সিং ইলেকট্রিক্যাল কোম্পানী লিমিটেড একটি জয়েন্ট ভেঞ্চার চুক্তি সইয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্মার্ট ইলেকট্রিক্যাল কোম্পানী লিমিটেড গঠন করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রথম স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানী। ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে নতুন এই কোম্পানী মিটার উৎপাদন শুরু করবে। সরকার আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে দুই কোটির মতো প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে। ওয়েস্ট জোন কোম্পানীর সচিব আব্দুল মোতালেব এবং হেক্সিং ইলেকট্রিক্যাল কোম্পানীর চেয়ারম্যান ঝু লিয়াং ঝাং ওই চুক্তিতে সই করেন। চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন ওয়েস্ট জোন কোম্পানী ও হেক্সিং ইলেকট্রিক্যাল কোম্পানীর যৌথ উদ্যোগে গঠিত নতুন কোম্পানীর অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ২৮ দশমিক ছয় কোটি টাকা। নবগঠিত কোম্পানীতে ওয়েস্ট জোনের ৫১ শতাংশ এবং চীনের কোম্পানীর ৪৯ শতাংশ মালিকানা থাকবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, গুনগতমান সম্পন্ন সেবা দিতে বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থাগুলোর আরো আধুনিকায়ন হতে হবে। তিনি বলেন, ওয়েস্ট জোন কোম্পানী প্রি-পেমেন্ট মিটার তৈরিতে এগিয়ে এসেছে অন্য বিতরণ কোম্পানীরও এগিয়ে আসা উচিত। যেহেতু সরকারীভাবে কোম্পানী গঠন করা হয়েছে তাই শেয়ার বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করা কোন সমস্যা হবে না। তিনি আরো বলেন, বিদ্যুৎ খাতে গ্রাহক সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার প্রতিটি গ্রাহককে প্রি-পেমেন্ট মিটারের আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ফলে প্রচুর স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটারের চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশে নিজস্ব প্রি-পেমেন্ট মিটার উৎপাদনের ব্যবস্থা না থাকায় এখন পর্যন্ত  প্রি-পেমেন্ট  মিটার  আমদানি  করা  হচ্ছে। এই   চাহিদা  মেটাতে  বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে  খুলনায় প্রি-পেমেন্ট মিটার ম্যানুফ্যাকচারিং প্লান্ট নির্মাণ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানীর চেয়ারম্যান ও বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোসাঃ মাকসুদা খাতুন বলেন, বর্তমানে বাজারে যে দামে মিটার বিক্রি হচ্ছে তার চেয়ে কম দামে স্মার্ট প্রি-পেইড মিটার সরবরাহ করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, বাজারে এখন একটি সিঙ্গেল ফেজ প্রি-পেমেন্ট মিটারের দাম ৪৫০০ টাকার মতো সেখানে নতুন কোম্পানীর উৎপাদিত মিটারের দাম পড়বে ৩৭০০ টাকা। ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ শফিক উদ্দিন বলেন, বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধ পরিকর। সেই লক্ষ্যে বিদ্যুৎ খাতে গ্রাহক সেবার মান উন্নয়নের জন্য এটি একটি বিশেষ উদ্যোগ। তিনি আরো বলেন, নতুন গঠিত এই কোম্পানীর তৈরি মিটার দেশের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি প্রতিবেশি দেশসহ অন্যান্য দেশে রপ্তানী করা হবে। উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে প্রতিনিয়ত মিটারের মান উন্নয়ন এবং নিজ দেশে উৎপাদনের মাধ্যমে অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে গ্রাহককে সরবরাহ করা হবে। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ  কায়কাউস, হেক্সিং ইলেকট্রিক্যাল কোম্পানীর চেয়ারম্যান ঝু লিয়াং ঝাং এবং বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ বক্তব্য দেন।    
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘প্রথম বৈদ্যুতিক প্রি-পেমেন্ট মিটার তৈরির কারখানা স্থাপনে রোববার চুক্তি সই’
অক্টোবর ২০, ২০১৮ শনিবার ০৫:৩৯ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
দেশে প্রথম বৈদ্যুতিক প্রি-পেমেন্ট মিটার তৈরির কারখানা স্থাপনে যৌথ কোম্পানী গঠনের লক্ষ্যে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড এবং চায়নার হেক্সিং ইলেকট্রিক্যাল কোম্পানী লিমিটেডের মধ্যে রোববার একটি জয়েন্ট ভেঞ্চার চুক্তি সই হবে। যৌথ উদ্যোগে গঠিতব্য বাংলাদেশ স্মার্ট ইলেকট্রিক্যাল কোম্পানী লিমিটেড নামে এ কোম্পানীর মূলধন হবে ৫০ কোটি টাকা। ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ শফিক উদ্দিন জানান, ইতোমধ্যে বাংলাদেশ এবং চায়নার উভয় কোম্পানীর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। রোববার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে মুক্তি হলে যৌথ কোম্পানী গঠনে চুক্তি সই হবে। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী দেশের দক্ষিণ- পশ্চিমাঞ্চলের ২১ টি জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। শফিক উদ্দিন বলেন, বিদ্যুতের অপচয় ও চুরি কমাতে প্রি-পেইড মিটারের চাহিদা ব্যাপক হারে বাড়ছে। দ্রুত বর্ধনশীল এ বাজারের চাহিদা পূরণ করতে নতুন এই কোম্পানী গঠন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, যৌথ কোম্পানী গঠনের পর খুলনায় কারখানা স্থাপন করা হবে। কারখানাতে প্রি-পেমেন্ট মিটারের পাশাপাশি অন্যান্য ইলেকট্রিক্যাল পণ্যও উৎপাদন করা হবে। প্রাথমিকভাবে বছরে পাঁচ লাখ প্রি-পেমেন্ট মিটার তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। কোম্পানীতে ২৫০ জন লোকবলের কর্মসংস্থান হবে। আগামী ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে মিটার উৎপাদন শুরু হবে বলে জানান তিনি। সরকারের সারাদেশে আগামী পাঁচ বছরে দুই কোটির মতো প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণে প্রথম দেশীয় প্রতিষ্ঠান এনএন বিল্ডার্স ও কনফিডেন্স স্টীল
অক্টোবর ১২, ২০১৮ শুক্রবার ১০:৪১ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
প্রথমবারের মতো দেশীয় দুইটি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি) এর হাইভোল্টেজ বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করবে। ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে গাজীপুরের শ্রীপুর পর্যন্ত ৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ ১৩২ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করবে এনএন বিল্ডার্স লিমিটেড ও কনফিডেন্স স্টীল লিমিটেড এর সমন্বয়ে গঠিত যৌথ উদ্যোগ প্রতিষ্ঠান (জয়েন্ট ভেঞ্চার)। বৃহস্পতিবার  পিজিসিবি এবং উক্ত জয়েন্ট ভেঞ্চার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ বিষয়ে দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সঞ্চালন লাইনটি নির্মাণের লক্ষ্যে পিজিসিবি উম্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করলে দেশীয় ওই যৌথ প্রতিষ্ঠান কারিগরিভাবে যোগ্য হয় এবং সর্বনিম্ন দর দাখিল করে। ইতোপূর্বে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণে বিদেশী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরই নির্ভর করতে হতো। চুক্তি স্বাক্ষরপর্বে পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম-আলবেরুনী দেশীয় প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণের সুযোগ পাওয়ার বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমরা চাই আরও দেশীয় প্রতিষ্ঠান তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পিজিসিবির সঞ্চালন লাইন নির্মাণে এগিয়ে আসুক। পিজিসিবির পক্ষে কোম্পানী সচিব মোঃ আশরাফ হোসেন এবং যৌথ উদ্যোগ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এনএন বিল্ডার্সের পরিচালক আনারুল ইসলাম চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি অনুযায়ী আগামী ১৫ মাসের মধ্যে ৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ ভালুকা-শ্রীপুর ডবল সার্কিট সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করে পিজিসিবির কাছে হস্তান্তর করবে জয়েন্ট ভেঞ্চার প্রতিষ্ঠান। এ লাইন নির্মাণে উচ্চ ক্ষমতার এসিসিসি কন্ডাক্টর (তার) ব্যবহার করা হবে। এ কাজে ব্যয় হবে প্রায় ৫৮ কোটি টাকা। শ্রীপুরে সরকারি বিআর-পাওয়ারজেন লিমিটেড ১৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করছে। এই কেন্দ্রে উৎপাদিতব্য বিদ্যুৎ ভালুকা গ্রীডে আনতে নতুন সঞ্চালন লাইনটি নির্মাণ করা হচ্ছে। ডিপোজিট ওয়ার্ক হিসেবে পিজিসিবি এই লাইন নির্মাণের ব্যয় বিআর-পাওয়ারজেন লিমিটেড এর কাছ থেকে পাবে। পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম-আলবেরুনী, নির্বাহী পরিচালক (ওএন্ডএম) মোঃ এমদাদুল ইসলাম, নির্বাহী পরিচালক (এইচআরএম) মোঃ শাফায়েত হোসেন, প্রধান প্রকৌশলী (প্রকল্প মনিটরিং) অরুণ কুমার সাহা, প্রকল্প পরিচালক মোঃ রুব্বাতুল ইসলাম সহ উভয়পক্ষে উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
গ্রীড শক্তিশালী করতে সুপারভিশন কনসালটেন্ট নিয়োগ করেছে পিজিসিবি
অক্টোবর ১০, ২০১৮ বুধবার ০৫:২৭ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিদ্যুতের জাতীয় গ্রীড শক্তিশালী করতে গৃহীত পাওয়ার গ্রীড নেটওয়ার্ক স্ট্রেংথদেনিং প্রজেক্ট আন্ডার পিজিসিবি শীর্ষক প্রকল্পের জন্য সুপারভিশন কনসালটেন্ট নিয়োগ দিয়েছে পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি)। আগামী চার বছরের জন্য দেশীয় প্রতিষ্ঠান ইঞ্জিনিয়ার্স এ কনসালটেন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডকে (ইসিবিএল) এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নবনিযুক্ত কনসালটেন্ট প্রতিষ্ঠানটি প্রকল্পের ৪০০ কেভি ও ২৩০ কেভি গ্রীড লাইন ও উপকেন্দ্রসমূহ স্থাপন ও বাস্তবায়ন কাজে পিজিসিবিকে প্রয়োজনীয় কারিগরী পরামর্শ সেবা দেবে। বুধবার পিজিসিবির প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে ইসিবিএল এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়। পিজিসিবির পক্ষে কোম্পানী সচিব মোঃ আশরাফ হোসেন এবং ইসিবিএলর পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী কামাল উদ্দিন ইকরাম চুক্তিপত্রে সই করেন। এ কাজের চুক্তিমূল্য প্রায় ১৯ কোটি টাকা। চুক্তি স্বাক্ষরপর্বে পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম-আল বেরুনী, নির্বাহী প্রকৌশলী (ওএন্ডএম) মোঃ এমদাদুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক ও প্রধান প্রকৌশলী ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, মহাব্যবস্থাপক (পিএন্ডএ) আবুল খায়ের চৌধুরী, ইসিবিএল পরিচালক মোঃ রফিকুল ইসলাম সহ উভয়পক্ষে উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পাওয়ার গ্রীড নেটওয়ার্ক স্ট্রেংথদেনিং প্রজেক্ট আন্ডার পিজিসিবি শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ৪১টি নতুন গ্রীড উপকেন্দ্র নির্মাণ, ৫৮টি বিদ্যমান গ্রীড উপকেন্দ্রের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সম্প্রসারণ এবং ৭৬৫ কিলোমিটার নতুন সঞ্চালন লাইন নির্মাণ ও ২২৫ কিলোমিটার বিদ্যমান সঞ্চালন লাইনের সংস্কার করা হবে। আগামী ২০২১ সাল নাগাদ এ প্রকল্প শেষ হবে। এটি পিজিসিবি কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন সর্ববৃহৎ প্রকল্প; যার জন্য প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে। চীন, বাংলাদেশ সরকার ও পিজিসিবি সম্মিলিতভাবে এ প্রকল্পে অর্থায়ন করবে। প্রকল্পটির আওতায় নতুন নির্মিতব্য গ্রীড উপকেন্দ্রগুলোর মধ্যে একটি ৪০০/১৩২/৩৩ কেভি গ্রীড উপকেন্দ্র, ১২টি ২৩০/১৩২ কেভি গ্রীড উপকেন্দ্র এবং ২৮টি ১৩২/৩৩ কেভি গ্রীড উপকেন্দ্র রয়েছে। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন ৪০০ কেভি সক্ষমতার মোট ১০০ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন, ২৩০ কেভি সক্ষমতার মোট ৩৩০ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন এবং ১৩২ কেভি সক্ষমতার মোট ৩৩৪ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হবে।  প্রকল্পের কর্মপরিধির মধ্যে আরও রয়েছে ২৩০ কেভি সক্ষমতার মোট ২২৫ কিলোমিটার বিদ্যমান সঞ্চালন লাইনের সংস্কার এবং ৫৮টি বিদ্যমান গ্রীড উপকেন্দ্রের সক্ষমতা বৃদ্ধির কাজ।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
আরপিসিএল-নরিনকো কলাপাড়ায় নির্মাণ করছে ১,৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র
অক্টোবর ০৮, ২০১৮ সোমবার ০৫:১৪ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালীতে ১,৩২০ মেগাওয়াটের আরেকটি কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান রুরাল পাওয়ার কোম্পানী লিমিটেড (আরপিসিএল) এবং চীনের নরিনকো ইন্টারন্যাশনাল পাওয়ার লিমিটেড (এনইপিএল) এর উদ্যোগে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে। নতুন এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চলমান উন্নয়ন কর্মকান্ড নিয়ে গত ৫ অক্টোবর আরপিসিএল-এনইপিএল এর কর্মকর্তারা কলাপাড়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা করে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। সভায় আরপিসিএলএর নির্বাহী প্রকৌশলী মো ইকবাল করীম জানান, ধানখালী ইউনিয়নে লোন্দা, ধানখালী ও নিশানবাড়িয়া মৌজায় ৯১৫ একর ভূমি অধিগ্রহণ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন ১৮৪ একর জমি বুঝিয়ে দিয়েছে। আরও ১০০ একর জমি বুঝিয়ে দেয়ার প্রস্তুতি চলছে। এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ২৫ একর জমিতে আধুনিক গ্রাম তৈরি করা হবে। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য পাঁচ কক্ষের বাড়ি নির্মাণ করা হবে। ৩৫০ জন ক্ষতিগ্রস্তের প্রত্যেককে একটি করে বাড়ি দেয়া হবে। এর সঙ্গে থাকবে বারান্দা ও রান্না ঘর। প্রত্যেকটি বাড়ি নির্মাণে ৩৫ লাখ টাকা ব্যয় হবে। আগামী বছরের মার্চ-এপ্রিল মাসের মধ্যে বাড়িগুলো হস্তান্তর করা হবে। এছাড়া এ প্রকল্পে কমিউিনিটি সেন্টার, মসজিদ, স্কুল, দোকানপাট ও খেলার মাঠ থাকবে। চলাচলের জন্য ৩০ ফুট এবং ১২ ফুট প্রশস্ত সড়ক তৈরি করে দেয়া হবে। তিনি আরও জানান, প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ বিক্রির আয় থেকে তিন পয়সা করে রাখা হবে। প্রকল্প এলাকার উন্নয়নের জন্য এ অর্থ ব্যয় করা হবে। আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হবে। এই কয়লাভিত্তিক নির্মিতব্য তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রতিদিন ১২ হাজার মেট্রিক টন কয়লা পোড়ানো হবে। এর কোন ছাই বা এ্যাশ পরিবেশের নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না। কারণ ২৭৫ মিটার উঁচু চিমনি থাকবে। এছাড়া থাকবে এ্যাশপন্ড। যেখানে ৯৯ ভাগ ফ্লাইএ্যাশ বয়লার টিউবের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আর ছাই শোধন হওয়ার পর একটা নির্দিষ্ট জায়গায় রাখা হবে। এ ছাই সিমেন্ট কারখানার সিমেন্ট তৈরির জন্য ব্যবহার হবে। ছাই যাতে বাইরে যেতে না পারে, সে জন্য নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্টের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় পানি ঠান্ডা করা হবে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির জন্য ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে কয়লা আমদানি করা হবে। বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তি এ কেন্দ্রটিতে ব্যবহার করা হবে। আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তির বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি আগামী ২০২২ সালের ডিসেম্বরে উৎপাদনে আসবে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিড লাইনে সরবরাহ করা হবে।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
চতুর্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলায় আরইবির সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জন
অক্টোবর ০৭, ২০১৮ রবিবার ০৯:৫১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড এবারের চতুর্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলায় সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জন করেছে। গত ৪ থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশব্যাপি এ মেলা চলে। এবারের মেলার প্রতিপাদ্য ছিল ‘উন্নয়নের অভিযাত্রায়, অদম্য বাংলাদেশ’। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) আওতাধীন ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মোট ৪২১টি দৃষ্টি নন্দন স্টল স্থাপন করে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এর মধ্যে ১৭৩টি প্রথম পুরস্কার, ৯০টি দ্বিতীয় পুরস্কার, ৫১টি তৃতীয় পুরস্কারসহ মোট ৩১৪টি পুরস্কার লাভ করে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ রয়েছে। ঢাকায় কেন্দ্রীয়ভাবে বোর্ডের  চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন এর নেতৃত্বে বাপবিবোর্ডের সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন। দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রতিটি স্টলে বিদ্যুৎ প্রত্যাশী গ্রাহকদের আবেদন অনলাইনে গ্রহণ করা হয় এবং স্বল্প সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয়। তাৎক্ষণিক সংযোগ প্রদান সম্পর্কে জানতে চাইলে সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন আশাশুনি সাব-জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার মধু সুধন রায় বলেন, মেলার প্রথমদিনেই ২৪ জন গ্রাহককে সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। বাকি দুইদিনেও যেসব গ্রাহক আবেদন করেছে তাদেরকে পর্যায়ক্রমে সংযোগ দেওয়া হয়েছে। এবারের মেলায় গ্রাহকদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি। দেশব্যাপি অনুষ্ঠিত এ উন্নয়ন মেলায় ৪২১টি স্টলে ব্যাপক দর্শনার্থীর আগমন ঘটে এবং তারা পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন। দর্শনাথীদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিতকরণ এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে করণীয় বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়। এছাড়া তাৎক্ষনিক বিদ্যুৎ সেবা পেয়ে গ্রাহকগণ বাপবিবোর্ড এবং পবিসকে ধন্যবাদ জানান। পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রমকে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাপবিবোর্ডের চেয়ারম্যান  মঈন উদ্দিন এর নেতৃত্বে ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। যে কারণে বিগত ৩০ বছরে ৭৪ লাখ গ্রাহক থেকে বর্তমান সরকারের ১০ বছরে এ পর্যন্ত মোট ২ কোটি ৪০ লাখ গ্রাহককে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা সম্ভব হয়েছে।    
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
ঢাকা শহরে প্রথম ভূগর্ভস্থ সাব-স্টেশন নির্মাণ করছে ডিপিডিসি
অক্টোবর ০২, ২০১৮ মঙ্গলবার ০১:৩৫ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় জমির সর্বোত্তম ব্যবহারে ঢাকার কারওয়ানবাজারে ভূগর্ভস্থ সাব-স্টেশন নির্মাণ করা হচ্ছে। ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) বহুতল ভবনের নিচে ১৩২/৩৩ কেভি ও ৩৩/১১ কেভি সাব-স্টেশন বা উপ-কেন্দ্র স্থাপন করবে। ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী বিকাশ দেওয়ান এনার্জিনিউজবিডি ডটকমকে বলেন, ঢাকা শহরে বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন  উপকেন্দ্র নির্মাণ প্রয়োজন। তবে জমির দুষ্প্রাপ্যতার কারণে ভূগর্ভস্থ সাব-স্টেশন নির্মাণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ভূ-গর্ভস্থ উপ-কেন্দ্রটি নির্মাণ শেষে এর উপরে ১৩ তলা ভবন তৈরি করা হবে। গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দিতে বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সরবরাহ লাইনের সক্ষমতাও বাড়ানো হবে। চলতি সময় থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে বলে জানান বিকাশ দেওয়ান। প্রাথমিকভাবে প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারিত হয়েছে ৯৫০ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৬২৬ কোটি ১৮ লাখ টাকা ঋণ দেবে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। আর বাংলাদেশ সরকার দেবে ২৪৮ কোটি ১৫ লাখ টাকা এবং ডিপিডিসি নিজস্ব অর্থায়ন করবে ৭৬ কোটি টাকা। প্রকল্পের আওতায় কারওয়ানবাজার ছাড়াও গ্রিনরোড, ফার্মগেট, মনিপুরিপাড়া, হাতিরঝিল ও মগবাজার এলাকার বিদ্যুৎ বিতরণের কার্যক্রম চলবে। তিনটি ১৩২/৩৩ কেভি (১২০ এমভিএ) পাওয়ার ট্রান্সফরমার ও তিনটি ৩৩/১১ কেভি (৫০ এমভিএ) পাওয়ার ট্রান্সফরমার মাটির নিচে স্থাপন করা হবে। তিন সেট ১৩২ কেভি আউটার ব্রেকার, এক লট ১৩২ কেভি আন্ডারগ্রাউন্ড সোর্সলাইনও স্থাপিত হবে। গ্যাস ইন্স্যুলেটেড সুইচগিয়ার বা জিআইএস সমৃদ্ধ এই সাব-স্টেশনের বয়ষ্ককাল ধরা হয়েছে ৩০ বছর। তবে এ ধরণের সাব-স্টেশন সাধারণত ৫০ বছর ধরেও চালু থাকে। কারওয়ানবাজার প্রকল্প এলাকা থেকে কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ জুড়ে টানেলের মাধ্যমে ৩৩ কেভি ও ১১ কেভি আউটগোয়িং ফিডার কেবল লাইন স্থাপিত হবে। ১০ সেট ১৩২ কেভি জিআইএস (জিওগ্রাফিক্যাল ইনফরমেশন সিস্টেম), ১৬ সেট ৩৩ কেভি জিআইএস  এবং ২৯ সেট ১১ কেভি সুইচগেয়ার থাকবে মাটির নিচে। মাটির ওপরে নির্মিতব্য ১৩তলা ভবনের চারটি ফ্লোর প্রশাসনিক কাজে ব্যবহার করবে ডিপিডিসি। বাকি নয়টি তলা ভাড়া দেওয়া হবে। ঢাকা নগরীতে নেওয়া প্রথম এ ধরনের  প্রকল্পটি বাস্তবায়নে এর আগে জাইকার একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ফিজিবিলিটি স্টাডি করে। পর্যায়ক্রমে ঢাকা শহরের আরো কয়েকটি বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র আন্ডারগ্রাউন্ডে স্থানান্তরে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া রাজধানীর গুলশানে একই ধরনের বিদ্যুতের ভূগর্ভস্থ উপকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো)।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
আমিনবাজারে ৪০০/২৩০ কেভি গ্রীড সাবস্টেশন হচ্ছে
সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৮ রবিবার ০৫:৫৬ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
রাজধানীর উপকণ্ঠে আমিনবাজারে বিদ্যমান ২৩০/১৩২ কেভি গ্রীড সাবস্টেশনকে ৪০০/২৩০ কেভি গ্রীড সাবস্টেশনে উন্নীতকরণের কাজ শুরু করেছে পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি)। পটুয়াখালীর পায়রা এবং বাগেরহাটের রামপালে নির্মিতব্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ গোপালগঞ্জ হয়ে আমিনবাজার পর্যন্ত সঞ্চালন এবং মেঘনাঘাট হতে ৪০০ কেভি ভোল্টেজে বিদ্যুৎ সঞ্চালন করতে এই গ্রীড সাবস্টেশনের সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। কাজটি সম্পন্ন করতে রোববার  পিজিসিবির প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে কোরিয়ান প্রতিষ্ঠান হিয়োসাং করপোরেশনের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি করেছে পিজিসিবি। চুক্তি মোতাবেক আগামী দুই বছরের মধ্যে টার্নকি পদ্ধতিতে আমিনবাজারে বিদ্যমান ২৩০/১৩২ কেভি গ্রীড সাবস্টেশনটিকে ৪০০/২৩০ কেভি-তে উন্নীত করে পিজিসিবির কাছে হস্তান্তর করবে হিয়োসাং। এ কাজে ব্যয় হবে প্রায় ১৬৪ কোটি টাকা। উন্নয়ন সহযোগি এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), বাংলাদেশ সরকার এবং পিজিসিবি যৌথভাবে এ কাজে অর্থায়ন করছে। অনুষ্ঠানে পিজিসিবির পক্ষে কোম্পানী সচিব মোঃ আশরাফ হোসেন এবং হিয়োসাং করপোরেশন এর পক্ষে টিম ম্যানেজার ইওন সুং লি  চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। গ্রীড সাবস্টেশনটির নির্মাণের আওতাভুক্ত কাজের মধ্যে তিনটি ৫২০ এমভিএ ক্ষমতাসম্পন্ন ট্রান্সফরমার, চারটি ৪০০ কেভি বে, দুইটি ২৩০ কেভি বে এবং তিনটি ট্রান্সফরমার বে নির্মাণ করা হবে। সাবস্টেশনটি চালু হলে রামপাল ও পায়রা থেকে বিদ্যুৎ উচ্চভোল্টেজে আমিনবাজার এনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছানো সহজ হবে। এতে বিদ্যুতের জাতীয় গ্রীডের সক্ষমতাও অনেকাংশে বাড়বে। পিজিসিবির গৃহীত আমিনবাজার-মাওয়া-মংলা ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন প্রকল্পের আওতায় এই সাবস্টেশনের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে পিজিসিবির নির্বাহী পরিচালক (ওএন্ডএম) মোঃ এমদাদুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী (পিএন্ডডি) প্রণব কুমার রায়, প্রধান প্রকৌশলী (প্রকল্প মনিটরিং) অরুণ কুমার সাহা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (কন্ট্রাক্ট) আবদুর রশিদ খান, মহাব্যবস্থাপক (পিএন্ডএ) আবুল খায়ের চৌধুরী সহ উভয়পক্ষের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
দেশেই প্রি-পেইড মিটার তৈরি করবে রুরাল পাওয়ার কোম্পানী
সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৮ শনিবার ০৭:৪১ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকদের সরবরাহের জন্য দেশেই স্মার্ট প্রিপেমেন্ট মিটার অ্যাসেম্বেলিং প্লান্ট স্থাপন করবে রুরাল পাওয়ার কোম্পানী লিমিটেড (আরপিসিএল)। আরপিসিএল হচ্ছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের একটি কোম্পানী। আর এই বোর্ডের আওতায় সারা দেশে পরিচালিত হচ্ছে ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক সংখ্যা এখন দুই কোটিও বেশি। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকদের প্রি-পেইড মিটারের আওতায় আনতে দুই কোটির মতো মিটার প্রয়োজন হবে। এজন্য মিটার অ্যাসেম্বেলিং প্লান্ট বসানো হচ্ছে। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড এবং আরপিসিএল এর চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মঈনউদ্দিন বলেন, সারাদেশের গ্রাহকদের প্রি-পেইড মিটার সরবরাহের জন্য চীনের শেনজেন স্টার ইনুস্ট্রমেন্ট প্রতিষ্ঠানের সাথে আরপিসিএল যৌথভাবে একটি কোম্পানী গঠন করবে। এই কোম্পানীর আওতায় স্মার্ট প্রিপেমেন্ট মিটার অ্যাসেম্বেলিং প্লান্ট স্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকদের সরবরাহের পর বাড়তি থাকলে মিটার বিদ্যুৎ বিতরণের দায়িত্বে থাকা অন্যান্য কোম্পানীগুলোর কাছেও বিক্রি করা হবে। শেনজেন এবং আরপিসিএল এর মধ্যে জয়েন্ট ভেঞ্চার এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরের খসড়া চূড়ান্ত করার জন্য আগামী ১ অক্টোবর বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব আহমদ কায়কাউস এর সভাপতিত্বে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অ্যাসেম্বেলিং প্লান্ট বসানোর ব্যাপারে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান আরপিসিএল এর চেয়ারম্যান।        
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
ডিপিডিসির ১০ম বর্ষপূর্তি উদযাপন
সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ০৮:২৩ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড (ডিপিডিসি) দশম বর্ষপূর্তি উদযাপন করেছে। বুধবার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে ডিপিডিসির ১০ বছরের সাফল্য ও সামগ্রিক কর্মকান্ড তুলে ধরেন কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী বিকাশ দেওয়ান। ডিপিডিসির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ শফিকউল্লাহ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব কায়কাউস বলেন, ডিপিডিসির ১০ বছরের সাফল্যে আমি অত্যন্ত গর্বিত ও আনন্দিত। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিদ্যুৎ খাতে আমূল পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। তিনি আরো বলেন, ঢাকা শহরে বর্তমানে লোডশেডিং নেই বললেই চলে। দেশের উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা। এই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা প্রদানে ডিপিডিসি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, গ্রাহকদের আধুনিক সেবা দিতে আধুনিক মিটার ব্যবস্থা বা স্মার্ট গ্রিড ও অ্যাডভ্যান্স মিটারিং ইনফ্রাস্ট্রাকচার (এএমআই) বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে ডিপিডিসি। এতে করে স্বয়ংক্রিয় ও কেন্দ্রীয়ভাবে তথ্য জমা হবে। কত বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় তা পরিমাপ করা যাবে। ভোল্টেজ নিরীক্ষণ করা যাবে। সর্বোপরি বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে বলে জানান তিনি । অনুষ্ঠানে ডিপিডিসির সামগ্রিক কার্যক্রম নিয়ে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন ডিপিডিসির  প্রধান প্রকৌশলী (প্ল্যানিং ও ডিজাইন) এস এম শহীদুল ইসলাম।     
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
বিদ্যুৎ খাতে বাংলাদেশ-ভারত সহযোগিতা সংক্রান্ত যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির পঞ্চদশ সভা অনুষ্ঠিত
সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৮ মঙ্গলবার ০৬:৫৪ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা সংক্রান্ত বাংলাদেশ-ভারত যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির পঞ্চদশ সভা মঙ্গলবার সিলেটের স্থানীয় একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ডঃ আহমদ কায়কাউস এবং ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ভারতের বিদ্যুৎ সচিব  অজয় কুমার ভাল্লা। সভায় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যুৎ খাতে পারস্পারিক সহযোগিতা সংক্রান্ত বিরাজমান বিষয়সমূহ নিয়ে আলোচনা হয় বলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। সভায় ভেড়ামারা ও ত্রিপুরা ইন্টারকানেকশনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ আমদানির বর্তমান অবস্থা, ভেড়ামারা ইন্টারকানেকশনের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির আওতায় ২৫০ মেঃওঃ বিদ্যুৎ আমদানির অগ্রগতি, এইচভিডিসি  ২য় ব্লক নির্মাণের মাধ্যমে অতিরিক্ত ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি, সূর্যমনি-কুমিল্লা নর্থ লিংকের মাধ্যমে জি টু জি-এর আওতায় এনটিপিসি’র বিদ্যুৎ কেন্দ্রসমূহ থেকে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে আরো ৩৪০ মেঃওঃ বিদ্যুৎ আমদানি, প্রস্তাবিত কাটিহার-পার্বতীপুর-বড়পুকুরিয়া-বরানগর ৭৬৫ কেভি গ্রিড ইন্টারকানেকশন, বহরমপুর-ভেড়ামারা ৪০০ কেভি ২য় ট্রান্সমিশন লাইন ও সূর্যমনি-কুমিল্লা নর্থ লিংকের মাধ্যমে আরও বিদ্যুৎ আমদানির লক্ষ্যে কুমিল্লায় ব্যাক টু ব্যাক এইচভিডিসি সাব-স্টেশন নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা হয়। সভায় ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে সকল ধরনের সিডি, ট্যাক্স ও ভ্যাট থেকে অব্যাহতি প্রদান, রাজনৈতিক কারণে বা ভারতীয় আইন পরিবর্তন জনিত আর্থিক সংশ্লেষের উদ্ভব হলে তা থেকে অব্যাহতি প্রদানসহ ভবিষ্যতে বাংলাদেশ থেকে ভারতে বিদ্যুৎ রপ্তানির বিষয়ে ফলপ্রসু আলোচনা হয়। স্টিয়ারিং কমিটির সভায় অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে ভারতীয় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে অংশগ্রহণ, বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে ভারতে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাবনা ও বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠানের ভারতের বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে অংশগ্রহণের বিষয় পর্যালোচনা ছাড়াও জিএমআর কর্তৃক নেপালে উৎপাদিত জল বিদ্যুৎ ভারতের এনভিভিএন এর মাধ্যমে বাংলাদেশে আমদানি, ভুটানের হাইড্রো পাওয়ার প্রজেক্টে বাংলাদেশ, ভারত ও ভুটানের যৌথ বিনিয়োগ ও এই প্রজেক্ট থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আমদানিসহ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতার বিষয়সমূহ বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে। এছাড়া সভায় রামপালে বাস্তবায়নাধীন মৈত্রী সুপার থারমাল বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। সভায় রামপালে বাস্তবায়নাধীন ১৩২০ মেগাওয়াট মৈত্রী সুপার থারমাল প্রকল্পের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ ও বিদ্যুৎ খাতে বাংলাদেশ-ভারত সহযোগিতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। উল্লেখ্য, বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা সংক্রান্ত বাংলাদেশ-ভারত জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের ১৫ তম সভা গতকাল একই স্থানে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব শেখ ফয়েজুল আমিন এবং ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ভারতের বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ভারতী ।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
    সাম্প্রতিক বিদ্যুৎ এর খবর
ডিপিডিসির ১০ম বর্ষপূর্তি উদযাপন
বিদ্যুৎ খাতে বাংলাদেশ-ভারত সহযোগিতা সংক্রান্ত যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির পঞ্চদশ সভা অনুষ্ঠিত
বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিটে আংশিক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু
ভারত থেকে আরো ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি শুরু
পায়রায় ৩৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে যৌথ উন্নয়ন চুক্তি সই
বিএনপি দেশের বিদ্যুৎ খাতকে যেভাবে পিছিয়ে দেয় তা নজিরবিহীন: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে ২৭৪ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে এআইআইবি
অপরিকল্পিত নগরায়ন ও শিল্পায়ন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রদানে অন্যতম প্রতিবন্ধক
সৈয়দপুরে ডিজেলভিত্তিক ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে
‘পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তাদেরকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের নির্দেশ’
নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে সমঝোতা স্মারক সই
দেশের প্রতি ঘরে ঘরে আলো জ্বলবে : প্রধানমন্ত্রী
শতভাগ এডিপি বাস্তবায়ন করায় স্বীকৃতি পেল বিদ্যুৎ বিভাগের তিন প্রতিষ্ঠান
রূপসা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে ৫০১.৫ মিলিয়ন ডলার দেবে এডিবি
‘বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করার চেষ্টা চলছে’
‘চেয়ারম্যান এর নির্দেশে ৪৩ পরিবারে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ’
পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডকে গ্রাহকদের হয়রানিমুক্ত বিদ্যুৎ দিতে আহ্বান
‘পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডে দুই দিনব্যাপি জেনারেল ম্যানেজার সম্মেলন’
‘সামিট গ্রুপের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১,৯৪১ মেগাওয়াট’
বাংলাদেশে ৩৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করবে জিই
শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় আসছে ভোলা সদর উপজেলা
খুলনায় ৮০০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র হচ্ছে
‘৪০০ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণে পদ্মা নদী ক্রসিং এর কাজ শুরু হচ্ছে’
খুলনায় ৮শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রকল্প একনেক সভায় উপস্থাপনের অপেক্ষায়
‘সামিট গাজীপুরে ৩০০ মেগাওয়াটের আরও একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করেছে’
‘মহেশখালীতে ১,৩২০ মেগাওয়াটের আরেকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে’
‘রমজানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে গ্রীডে ১,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হচ্ছে’
বাংলা ট্র্যাক গ্রুপ আরো ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছে
জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রীডে যুক্ত হলো আরো ১০০ মেগাওয়াট
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy

   Editor & Publisher: Aminur Rahman
   Copyright @ 2015-2018 energynewsbd.com
   All Rights Reserved | Developed By: Jadukor IT