ঢাকা, সোমবার, আগস্ট ২০, ২০১৮, ভাদ্র ৫, ১৪২৫ ১০:৩৫ এএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
বিদ্যুৎ
‘পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তাদেরকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের নির্দেশ’
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা ও কর্মচারিদেরকে ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে মাঠ পর্যায়ে গ্রাহক বান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের(বিআরইবি) চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন। শনিবার ঢাকায় সদর দপ্তরে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের আওতাধীন ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তিন শতাধিক ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) এবং বিআরইবি এর মাঠ পর্যায়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও নির্বাহী প্রকৌশলীদের সম্মেলনে এ নির্দেশ প্রদান করেন তিনি। চেয়ারম্যান বলেন, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) শতভাগ বাস্তবায়ন করায় বিআরইবি বিদ্যুৎ বিভাগের মধ্যে সেরা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি লাভ করেছে। এ অর্জন আমাদের সকলকে ধরে রাখতে হবে। বিচ্ছিন্ন ঘটনার কারণে বিআরইবি বিগত দিনের অর্জিত সফলতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে দেওয়া যাবে না। মাঠ পর্যায়ের নির্বাহী প্রকৌশলী ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীগণকে ডিজিএমগণকে সহায়তার জন্য আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, সততার জন্য ইতোমধ্যে বিআরইবি অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে পুরস্কৃত করেছে। সরকার বিআরইবিকে বিপুল পরিমাণ অর্থ দেওয়ার কারণে মালামালের কোন ঘাটতি নেই। যেসব জায়গায় লাইন নির্মান করা হয়েছে সেখানে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার জন্য ডিজিএমগণকে নির্দেশনা প্রদান করেন। বেশ কয়েকটি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে সিস্টেম লস বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সিস্টেম লস সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনতে হবে। তিনি আরো বলেন, সিস্টেম আপগ্রেডেশনের জন্য সবাইকে নিষ্ঠা ও সততার সাথে একযোগে কাজ করতে হবে। শিল্প প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক পেন্ডিং আবেদনের বিপরীতে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে হবে।  চেয়ারম্যান বলেন, সামনে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা। এ কারণে গ্রাহককে দ্রুত সংযোগ এবং নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দিতে হবে। এ জন্য লাইনম্যান এবং ওয়্যারিং ইন্সপেক্টরদের সচেতন করে তুলতে হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট অভিযোগ কেন্দ্র সার্বক্ষণিক সচল রাখা এবং বিদ্যুৎ বিলের এসএমএস সংক্রান্ত সমস্যা দ্রুত নিষ্পত্তি করে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে নির্দেশ দেন তিনি।  সম্মেলনে বিইআরবি সদস্য (অর্থ) মোঃ জয়নাল আবেদীন, সদস্য (ডিএন্ডডি) মোঃ মোস্তফা কামাল, সদস্য (পিএন্ডডি) মুঃ আবদুস সালাম এবং সদস্য (সমিতি ব্যবস্থাপনা) মোঃ মাহবুবুল বাশারসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা  দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।    
নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে সমঝোতা স্মারক সই
আগস্ট ১০, ২০১৮ শুক্রবার ০৮:৩২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করার জন্য সমঝোতা স্মারক সই করেছে বাংলাদেশ। শুক্রবার নেপালের রাজধানী কাঠমুন্ডুতে বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা নিয়ে বাংলাদেশ-নেপাল ওই সমঝোতা স্মারক সই করেছে বলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এবং নেপালের জ্বালানি, পানি সম্পদ ও সেচ বিষয়ক মন্ত্রী বর্ষমন পণ অনন্ত সমঝোতা স্মারকে সই করেন। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ২০৪০ সাল নাগাদ বাংলাদেশ ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে নয় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হবে। অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সুদৃঢ় করে আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়েছে। এ সমঝোতার মূল লক্ষ্য বিনিয়োগ ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন প্রকল্পের উন্নয়নসহ বিদ্যুৎ খাতে উভয়পক্ষের সহযোগিতা বাড়ানো। অনুষ্ঠানে নেপাল থেকে বাংলাদেশে জলবিদ্যুৎ আমদানি, যৌথ বিনিয়োগে নেপালে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন ও বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আমদানি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিশেষ করে সোলার হোম সিস্টেম প্রসারে নেপালকে বাংলাদেশের সহযোগিতা, নেপালের আপার কারনালি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে ৫০০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ আমদানির বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়। ভারত থেকে ইতোমধ্যে ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হচ্ছে এবং আরো ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত। নেপালে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে আঞ্চলিক সহযোগিতার আওতায় বাংলাদেশ নেপাল থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি করতে চায়। এতে উভয় দেশ উপকৃত হবে। এক্ষেত্রে ভারতের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন ব্যবহার করে নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে করা হবে। প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ আরো বলেন, জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে বাংলাদেশ নেপালে বিনিয়োগ করতে ইচ্ছুক। এ বিনিয়োগে উভয় দেশ উপকৃত হবে। এ বছরের ৬ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সপ্তাহ-২০১৮ এ নেপালের জ্বালানি, পানি সম্পদ ও সেচ বিষয়ক মন্ত্রীসহ একটি প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই চুক্তি বিদ্যুৎ খাতের জন্য একটি প্লাটফর্ম বা কাঠামো তৈরি করবে যা বিদ্যুৎ বিনিময়, বিদ্যুৎ বাণিজ্য, গ্রীড সংযোগ, জলবিদ্যুৎ উন্নয়ন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে। সহযোগিতাটি উভয় দেশকে লাভবান করবে এবং বিদ্যুৎ খাত সম্পর্কে উভয় দেশের জনগণ ও বেসরকারি সংস্থাকে উৎসাহিত করবে। নেপালে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা এলপিজি ব্যবসায় আগ্রহী। এছাড়া বাংলাদেশের জয়েন্ট ভেঞ্চার প্রকল্প, সোলার হোম সিস্টেম, নেট মিটারিং, এলপিজি ও এলএনজি ব্যবসা সম্পর্কে অবহিত করেন প্রতিমন্ত্রী। নেপালের জ্বালানি, পানি সম্পদ ও সেচ বিষয়ক মন্ত্রী বর্ষমন পণ অনন্ত বলেন, বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে নেপাল বাংলাদেশকে মডেল হিসেবে নিয়েছে। বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা নেপালের প্রয়োজন। এ সময় অন্যান্যের মাঝে নেপালের জ্বালানি, পানি সম্পদ ও সেচ বিষয়ক সচিব অনুপ কুমার উপাধ্যায়, নেপালের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বিভাগের মহাপরিচালক নবিন রাজ সিং ও নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কুলমান ঘিসিং, বাংলাদেশের নেপালে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মাশফী বিনতে শামস, বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম-সচিব (উন্নয়ন) শেখ ফয়েজুল আমীন এবং বিপিডিবি’র প্রধান প্রকৌশলী (প্রাইভেট জেনারেশন) মোঃ মাহবুবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।    
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
দেশের প্রতি ঘরে ঘরে আলো জ্বলবে : প্রধানমন্ত্রী
আগস্ট ০৬, ২০১৮ সোমবার ১০:৫৬ এএম - বাসস
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নবনির্মিত আটটি বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করেছেন। এ সময়ে তিনি দেশের প্রত্যেক ঘরে আলো জ্বালাতে তার সরকারের লক্ষ্যের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। রোববার বিকেলে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নতুন আটটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ফলক উন্মোচনককালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য দেশের প্রত্যেক ঘরে ঘরে আলো জ্বালানো। এই লক্ষ্য পূরণে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’ এছাড়া শেখ হাসিনা দুইটি গ্রিড সাবস্টেশন এবং দেশের আরো ২১টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়নের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাধারণ জনগণের মুখে হাসি ফোটানোর মাধ্যমে সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ দেশ স্বাধীন করেছিলেন। তিনি বলেন, দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়তে এবং রোগে ভুগে কেউ যেন মারা না যায় ও অন্ধকারে না থাকে সে লক্ষ্যে সরকার পরিকল্পিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই প্রত্যেকে শিক্ষিত হোক। প্রত্যেক ঘরে আলো জ্বলুক। বিদ্যুৎ ব্যবহারে জনগণকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করে শেখ হাসিনা বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়। এ কথা আপনাদের মনে রাখতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ খাতে সরকার প্রচুর পরিমাণে ভর্তুকি দিচ্ছে। উৎপাদন ব্যয়ের চেয়েও আমরা বেশি পরিমাণে ভুর্তকি দিচ্ছি। আর এর মাধ্যমে আমরা জনগণের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে নিজহাতে সুইচ বন্ধ করতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমরা চাই না বিদ্যুতের অপচয় হোক। দেশের প্রত্যেক এলাকা শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় আসবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদন ৩২০০ থেকে ১৮ হাজার ৯শ’ মেগাওয়াটে উন্নীত করেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা ১২২টি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করেছি এবং ১৪ হাজার ১৩৪ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২৬টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ চলছে। এছাড়াও আমরা ভারত থেকে ছয়শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করেছি এবং এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির প্রক্রিয়া চলছে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, নেপাল ও ভুটান থেকে হাইড্রো ইলেক্ট্রিসিটি ক্রয়ের ব্যাপারে কথাবার্তা চলছে। তিনি বলেন, দেশে ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে সরকার পারমাণবিক বিদ্যুতের মত বহুমুখী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। জনগণ এ থেকে উপকৃত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নতুন যেসব বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করেন সেগুলো হলো : ঘোড়াশালের কোড্ডায় ঘোড়াশাল ৩৬৫ মেগাওয়াট সমন্বিত বিদ্যুৎকেন্দ্র, গাজীপুর ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র, দাউদকান্দি ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র, ফেঞ্চুগঞ্জ ২০০ মেগাওয়াট সমন্বিত বিদ্যুৎকেন্দ্র, নোয়াপাড়া ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র, মুন্সিগঞ্জের কমলাঘাটে মুন্সিগঞ্জ ৫৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সিদ্দিরগঞ্জে ৩৩৫ মেগাওয়াট সমন্বিত বিদ্যুৎকেন্দ্র (গ্যাস টারবাইন) ও সিদ্দিরগঞ্জ ২২৫ সমন্বিত বিদ্যুৎকেন্দ্র (দ্বিতীয় ইউনিট)। শতভাগ বিদ্যুৎ সংযোগের আওতায় এসেছে এমন ২১টি উপজেলা হচ্ছে : মৌলভীবাজার সদর, গাইবান্ধার সাখাটা, কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম, নরসিংদীর মনোহরদী, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ, জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল ও কালাই, নওগাঁর পোরশা, রাজশাহীর মোহনপুর ও দূর্গাপুর, পঞ্চগড়ের আটোয়ারী, নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ, ফেনীর ফুলগাজী, পরশুরাম, ছাগলনাইয়া ও সোনাগাজী, চট্টগ্রামের পটিয়া ও হাটাহাজারী, সিলেটের দক্ষিণ সুরমা এবং হবিগঞ্জ সদর উপজেলা। দুইটি গ্রিড সাবস্টেশন হলো নারায়ণগঞ্জের ভুলতায় ৪০০/২০০ কেভি গ্রিড সাবস্টেশন ও খাগড়াছড়ি ১৩২/৩৩ কেডি গ্রিড সাবস্টেশন। প্রধানমন্ত্রী পরে কিশোরগঞ্জ, কুমিল্লা, মৌলভীবাজার ও খাগড়াছড়ির উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহি এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন অর্জন ও পদক্ষেপ তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম এবং রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
শতভাগ এডিপি বাস্তবায়ন করায় স্বীকৃতি পেল বিদ্যুৎ বিভাগের তিন প্রতিষ্ঠান
জুলাই ৩১, ২০১৮ মঙ্গলবার ০৭:৪৮ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) শতভাগ বাস্তবায়ন করায় বিদ্যুৎ বিভাগের অধীনস্থ দুইটি সংস্থা ও একটি কোম্পানী সেরা বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। একই সাথে সেরা প্রকল্প পরিচালক হিসেবে তিনজন কর্মকর্তা স্বীকৃতি পেয়েছেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রথম হয়েছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি)। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও ঢাকা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো)। আর সেরা প্রকল্প পরিচালক হিসেবে প্রথম হয়েছেন পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড এর পল্লী বিদ্যুৎ বিতরণ সিস্টেম আপগ্রেডেশন (ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট ডিভিশন) প্রকল্পের মো. মোস্তফা কামাল। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় হয়েছেন যথাক্রমে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এর শাহজীবাজার ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের মো. আবুল কালাম আজাদ এবং ঘোড়াশাল ৩৬৫ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের মো. তোফাজ্জল হোসেন। ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনের বিজয় হলে গত ৩০ জুলাই এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ স্বীকৃতিলাভকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও প্রকল্প পরিচালকদের হাতে স্বীকৃতি স্মারক তুলে দেন। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এর চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ, বিআরইবি’র চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন ও ডেসকো’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল  মো. শাহিদ সারওয়ার স্বীকৃতি স্মারক গ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার খাত। সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার সমন্বিত উন্নয়নের লক্ষ্যে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ-মেয়াদি নানাবিধ উন্নয়ন কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করছে। সরকার কর্তৃক প্রণীত পাওয়ার সেক্টর মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী ২০২১ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ২৪ হাজার মেগাওয়াট। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন বাজেটের আকার ২০০৯ সালের তুলনায় ২০১৮ সালে নয় গুণের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সাথে বিগত নয় বছরে বিদ্যুৎ খাতের বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতাও দৃশ্যমানভাবে বৃদ্ধি হয়েছে। ২০০৯ সালের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ ২,৬৭৭ কোটি টাকার তুলনায় ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বরাদ্দ ২৬,২৯২ কোটি টাকায় উন্নীত হলেও অর্থবছর শেষ হওয়ার আগেই সংশোধিত এডিপি’র শতভাগ বাস্তবায়ন সম্পন্ন হয়েছে। চলতি বছরের জুন পর্যন্ত জাতীয় অগ্রগতির তুলনায় বিদ্যুৎ বিভাগের অগ্রগতি প্রায় ৭ শতাংশ বেশি ছিলো।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
রূপসা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে ৫০১.৫ মিলিয়ন ডলার দেবে এডিবি
জুলাই ২৯, ২০১৮ রবিবার ১১:৫৭ এএম - বাসস
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) রূপসা ৮০০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে বাংলাদেশকে ৫০১.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা দিচ্ছে। মোট ঋণ সহায়তার মধ্যে ম্যানিলা ভিত্তিক এই ঋণ সংস্থা দেবে অর্ডিনারি ক্যাপিটাল রির্সোস হিসাবে ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং বাকি অর্থ পাওয়া যাবে মঞ্জুরী সহায়তা হিসাবে। রাজধানীর শেরে-বাংলানগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে আগামী ২ আগস্ট সরকার ও এডিবি’র মধ্যে এ বিষয়ে একটি ঋণ ও মঞ্জুরী চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে বলে এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব কাজী শফিকুল আজম এবং এডিবি কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ নিজ নিজ পক্ষে ঋণ ও মঞ্জুরি চুক্তিতে সই করবেন। পাশাপাশি এডিবি কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ এবং রূপসা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মানকারী প্রতিষ্ঠান নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেডের সিইও ইঞ্জিনিয়ার এএম খোরশেদুল আলমের মধ্যে একটি প্রকল্প চুক্তি সই হবে। বাংলাদেশে ২০১৭ সালে পিক আওয়ারে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১০,৪০০ মেগাওয়াট। এ সময়ে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে ৯,৪৭৯ মেগাওয়াট। ২০২০ সালের মধ্যে বিদ্যুতের মোট চাহিদা ১৩,৩০০ মেগাওয়াট এবং ২০২৫ সালের মধ্যে ১৯,৯০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রূপসা বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে সর্বশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার হবে। তরল বর্জ্য পরিশোধন এবং রিসাইক্লিং করতে সর্বাধুনিক ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্রক্রিয়া ব্যবহার হবে বলে কর্মকর্তারা জানান।    
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করার চেষ্টা চলছে’
জুলাই ২৭, ২০১৮ শুক্রবার ১১:০০ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র বিকল্প উপায়ে চালু করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। শুক্রবার দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং কয়লা খনি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। খবর বাসসের। দেশে বিদ্যুতের যে চাহিদা রয়েছে তা পূরণ করার মতো উৎপাদন সক্ষমতা বর্তমান বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর রয়েছে বলেও জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, রংপুর অঞ্চলের আটটি জেলায় ১০০ থেকে ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি রয়েছে। তাই এক থেকে দেড় ঘণ্টা করে লোডশেডিং দেয়া হচ্ছে। আর সিরাজগঞ্জের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ বাড়িয়ে লোডশেডিং এর মাত্রা কমানো হয়েছে। এ সময় তার সাথে ছিলেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ ও বিপিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ। বড়পুকুরিয়া খনিতে কয়লার ঘাটতির অভাবে বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় উচ্চ পর্যায়ের ওই  চার কর্মকর্তা পরিদর্শনে আসেন। পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ বলেন, যারা এই ঘটনায় জড়িত তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কয়লার ঘাটতি দেখিয়ে যারা কষ্টের সম্মুখীন করেছেন তাদের বিষয়টি কোনোভাবেই হালকা করে দেখার উপায় নেই। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বলেন, খনিতে কয়লা ঘাটতির ব্যাপারে কর্মকর্তাদের বক্তব্য এবং বাস্তবে কয়লার বিষয়টি দেখার পাশাপাশি তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চাহিদা মোতাবেক কবে কয়লা সরবরাহ দেওয়া সম্ভব এবং কয়লা খনির উৎপাদন কবে শুরু করা যাবে  সেজন্য এই পরিদর্শন। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। দুদক বিষয়টি তদন্ত করছে। তদন্তে কয়লা ঘাটতি হলে তার দায়-দায়িত্ব কর্মকর্তাদের নিতে হবে এবং তাদেরকে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানান তিনি।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘চেয়ারম্যান এর নির্দেশে ৪৩ পরিবারে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ’
জুলাই ২৬, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ০৪:২৬ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
লালমনিরহাটের আদিতমারি উপজেলার প্রত্যন্ত মহিশাসুর গ্রামের ৪৩টি পরিবারে পাঁচদিনের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছে কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন এর বিশেষ নির্দেশনায় ওই সংযোগ দেওয়া হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় ওই ৪৩টি পরিবার অবর্ণনীয় অন্ধকারাচ্ছন্ন অবস্থায় দিনাতিপাত করছিলো। বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, অসহায় পরিবারগুলো চার-পাঁচ বছর আগে কর্তৃপক্ষের কাছে বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন করলেও তারা বিদ্যুৎ পায়নি। বিদ্যুৎ না পাওয়ায় এলাকাবাসীর মাঝে ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়। সম্প্রতি অনলাইন গণমাধ্যমসহ জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিষয়টি প্রকাশিত হলে বিদ্যুৎ বিভাগ ও বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান জেনারেল মঈন উদ্দিন এর নজরে আসে। এরপর চেয়ারম্যান সাত দিনের মধ্যে লাইন নির্মাণ করে ৪৩টি পরিবারে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে নির্দেশ দেন। সমিতি কর্তৃপক্ষ মাত্র পাঁচদিনের মধ্যে তিন কিলোমিটার লাইন নির্মাণ করে উক্ত ৪৩টি পরিবারে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডকে গ্রাহকদের হয়রানিমুক্ত বিদ্যুৎ দিতে আহ্বান
জুলাই ২১, ২০১৮ শনিবার ০৬:১৩ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
গ্রাহকদের হয়রানিমুক্ত বিদ্যুৎ দিতে আরো আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। শনিবার বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বাপবিবো ) এর সম্মেলন কক্ষে জেনারেল ম্যানেজার সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, উৎপাদন, বিতরণ ও সঞ্চালন সংস্থাগুলোর মাঝে সমন্বয় বাড়াতে নিজেদের উদ্যোগ নিতে হবে। উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন যেন চাহিদা মাফিক হয়। গ্রাহক তথা জনগণের সন্তুষ্টিই আমাদের মূল লক্ষ্য। তাদের কোন অবস্থায়ই হয়রানি করা যাবে না, হাসি মুখে কথা বলতে হবে। আগামী তিন মাসের মধ্যে বিদ্যমান সমস্যার সমাধান করতে হবে। সরকার প্রয়োজনীয় সকল সহযোগিতা দেবে বলে জানান তিনি। ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের জন্য দুই দিনব্যাপি ওই জেনারেল ম্যানেজার সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে শতভাগ উপজেলা বিদ্যুতায়নের টার্গেট এবং তার জন্য মাঠ পর্যায়ে সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়।  পাশাপাশি কারিগরী সীমাবদ্ধতা ও বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিরসন, ট্রান্সফরমার নষ্টের সম্ভাব্য কারণ ও প্রতিকার, বৈদ্যুতিক দূর্ঘটনা হ্রাসকল্পে করণীয় ও প্রতিকার, লাইন রক্ষণাবেক্ষণ, প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপন ও পরিচালন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয় বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।  এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ‘হয়রানিমুক্ত বিদ্যুতের অঙ্গীকার’। ১৯৭৮ থেকে ২০০৮ সাল নাগাদ ৩০ বছরে বাপবিবো এর গ্রাহক ছিল ৭৪ লাখ, যা বিগত নয় বছরে বেড়ে হয়েছে দুই কোটি ৪১ লাখ। ইতোমধ্যে ২৪০টি উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন হয়েছে, বাকীগুলো নির্ধারিত সময়েই হয়ে যাবে। সম্মেলনে ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার, জেনারেল ম্যানেজার, বিদ্যুতায়ন বোর্ডের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে বাপবিবোর্ডের সেরা কর্মকর্তা সদস্য (বিতরণ ও পরিচালন) মোঃ মোস্তফা কামাল, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা ময়মনসিংহ পল্লী সমিতি-২ এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার জহিরুল ইসলাম এবং বাপবিবোর্ডের সেরা কর্মচারী সামছুল হুদা চৌধুরী এর হাতে প্রতিমন্ত্রী শুদ্ধাচার সম্মাননাপত্র তুলে দেন। সম্মেলনে অন্যান্যের মাঝে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ডঃ আহমদ কায়কাউস, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন ও পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন বক্তব্য রাখেন। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন বাপবিবোর সদস্য (প্রশাসন) ও সরকারের অতিরিক্ত সচিব মোঃ ইয়াকুব আলী পাটওয়ারী,  পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মাসুম আল-বেরুনী, ওজোপাডিকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক  মোঃ শফিক উদ্দিন।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডে দুই দিনব্যাপি জেনারেল ম্যানেজার সম্মেলন’
জুলাই ১৯, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ০৭:১২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বাপবিবো) প্রতি বছরের মতো এবারও জেনারেল ম্যানেজার সম্মেলনের আয়োজন করেছে। দুই দিনব্যাপি ওই সম্মেলন শুক্রবার বাপবিবোর্ড সদর দপ্তরের ব্রিগেডিয়ার সবিহ্ উদ্দিন আহমেদ হলে অনুষ্ঠিত হবে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এবারের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ‘হয়রানিমুক্ত বিদ্যুতের অঙ্গীকার’। ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের জেনারেল ম্যানেজার সম্মেলন উপলক্ষে শনিবার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। এছাড়াও বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব, বিপিডিবির চেয়ারম্যান, পাওয়ার সেল এর  মহাপরিচালক, পিজিসিবি, ওজোপাডিকো এবং নেসকো এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন। বাপবিবোর্ডের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন সম্মেলনে যাবতীয় কার্যক্রমের উপর আর্থিক, কারিগরী ও ব্যবস্থাপনাগত বিষয়ে পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপন করবেন। দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার অথবা জেনারেল ম্যানেজার ও বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন। সম্মেলনে ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরের নতুন এপিএ টার্গেট এবং বিগত বছরের এপিএ অর্জন বিষয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হবে। অনুষ্ঠানে শতভাগ উপজেলা বিদ্যুতায়নের টার্গেট এবং মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হবে। ১৯৭৮ থেকে ২০০৮ সাল নাগাদ ৩০ বছরে বাপবিবোর্ডের গ্রাহক সংখ্যা ছিল ৭৪ লাখ। বর্তমান সরকারের নয় বছরে আরও ১ কোটি ৫৭ লাখ নতুন সংযোগ দেওয়া হয়েছে। এখন বাপবিবোর্ডের গ্রাহক সংখ্যা ২ কোটি ৩১ লক্ষ। আর বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন ৩ লক্ষ ৯৭ হাজার কিলোমিটার, বিদ্যুৎ সুবিধাভোগী গ্রাহক ৮৬ শতাংশ, ৮৩৭টি ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রের মোট ক্ষমতা ৯,৭৭৫ এমভিএ, সিষ্টেম লস শতাংশ। ইতোমধ্যে ২৪০টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট ২২০টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে বাপবিবোর্ড ৫৫ হাজার কিলোমিটার লাইন নির্মাণ ও ১,৮০০ এমভিএ ক্ষমতা সম্পন্ন  উপকেন্দ্র স্থাপন করে ৩৯ লাখ গ্রাহককে নতুন সংযোগ প্রদান করেছে। উক্ত অর্থ বছরে বাপবিবোর্ডের সিষ্টেম লস ১১শতাংশ। এছাড়া বিগত অর্থ বছরে বাপবিবো দেশের বিভিন্ন স্থানে ০৫টি সোলার চার্জিং স্টেশন স্থাপন করেছে। এদিকে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে বাপবিবোর্ড ৫০ হাজার কিলোমিটার বৈদ্যুতিক লাইন নির্মাণ ও ২,১৭৭ এমভিএ ক্ষমতাসম্পন্ন উপকেন্দ্র নির্মাণ করে ২৫ লাখ নতুন সংযোগ প্রদান করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘সামিট গ্রুপের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১,৯৪১ মেগাওয়াট’
জুলাই ১৫, ২০১৮ রবিবার ০৫:১৮ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
গাজীপুরের কড্ডায় সম্প্রতি ১৪৯ মেগাওয়াটের নতুন একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালুর পর সামিট গ্রুপের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়িয়েছে ১,৯৪১ মেগাওয়াট। সামিট গাজীপুর-১ পাওয়ার লিমিটেড ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল সরকার ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সাথে যথাক্রমে ১৫ বছর মেয়াদী ১৪৯ মেগাওয়াটের ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাস্তবায়ন চুক্তি এবং বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি সই করে বলে সামিট গ্রুপের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বেসরকারি খাতের বৃহৎ বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সামিট গ্রুপ গত ৯ মে সামিট গাজীপুর-২ পাওয়ার লিমিটেড নামে আরেকটি ৩০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করে। ঢাকা শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে কড্ডায় দুইটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রই পাশাপাশি অবস্থিত। সামিট গাজীপুর-১ পাওয়ার লিমিটেড ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ এ তালিকাভুক্ত সামিট পাওয়ার লিমিটেড (শেয়ার ৬৪ শতাংশ) এবং সামিট করপোরশেন লিমিটেড (৩৬ শতাংশ) এর মালিকাধীন একটি জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানী।    
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
বাংলাদেশে ৩৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করবে জিই
জুলাই ১২, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ০৪:১৫ পিএম - News Desk, energynewsbd.com
কক্সবাজারের মহেশখালীতে এলএনজি টু গ্যাসভিত্তিক ৩ হাজার ৬০০ মেগাওয়াটের তিন ইউনিটবিশিষ্ট একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল ইলেকট্রিক (জিই) সমঝোতা স্মারক সই করেছে। বুধবার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে স্বাক্ষরিত ওই সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী তিন বছরের মধ্যে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নির্মাণ কাজ শেষ হবে। কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সংশ্লিষ্ট এলএনজি আমদানি টার্মিনাল ও অবকাঠামো নির্মাণে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৪০ কোটি মার্কিন ডলার। এই প্রকল্পের ৫ হাজার ৬০০ একর ভূমি উন্নয়নে ১৬০ কোটি ডলার এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে ২৮০ কোটি ডলার ব্যয় হবে। যৌথ কোম্পানির অংশীদার হিসেবে মোট ব্যয়ে বিপিডিবি’র ইকুইটি হবে ৫১ শতাংশ। জিই জোগান দেবে ৩০ শতাংশ ইকুইটির। বাকি ১৯ শতাংশ ব্যয়ের জন্য পরবর্তী  সময়ে অংশীদার হিসেবে তৃতীয় কোনো পক্ষকে নেয়া হবে। সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী,  বিদ্যুৎকেন্দ্র ও এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের জন্য জিইর সঙ্গে বিপিডিবি একটি যৌথমূলধনী কোম্পানি গঠন করবে। যৌথ কোম্পানি গঠনের এ চুক্তিতে বিপিডিবি’র পক্ষে চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ ও জিইর পক্ষে প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল স্টোকস সই করেন। এর আগে গত বছর পটুয়াখালীর পায়রায় এলএনজিভিত্তিক আরেকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণে জার্মানির সিমেন্স কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করে নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী লিমিটেড।ওই কেন্দ্রটির উৎপাদন ক্ষমতাও ৩ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী ও বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা ব্লুম বার্নিকাট বক্তব্য দেন। তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, “বাংলাদেশ এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এত বেশি বিনিয়োগ হয়নি। এ বিনিয়োগের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে।” এলএনজি’র পাশাপাশি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিনিয়োগের জন্যও যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানান তিনি।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় আসছে ভোলা সদর উপজেলা
জুন ৩০, ২০১৮ শনিবার ০৪:১৬ পিএম - বাসস
ভোলা সদর উপজেলা আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় আনা হচ্ছে। ১৮১ কোটি টাকা ব্যয়ে শতভাগ বিদ্যুতায়নের কার্যক্রম ৯০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। এ উপজেলায় প্রত্যেক ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে ৫০ হাজার ৩৫৫ জন গ্রাহকের মাঝে ১ হাজার ২৪৫ কিলোমিটার বিদ্যুৎ লাইন স্থাপন করা হয়েছে। আর প্রয়োজন রয়েছে ৬৪ কিলোমিটার বিদ্যুৎ লাইনের। ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ’ স্লোগানকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে জেলার দৌলতখান উপজেলাকে শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় আনা হয়েছে। আর জুনের মধ্যে প্রত্যেক ঘরে বিদ্যুৎ পাবে তজুমুদ্দিন উপজেলা। এছাড়া চলতি বছরের মধ্যে জেলাকে শতভাগ বিদ্যুৎ সুবিধা দেওয়া হবে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজ্যার (জিএম) মোঃ কেফায়েতউল্লাহ্ বলেন, সমগ্র জেলাকে ২০১৮ সালের মধ্যে শতভাগ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনার লক্ষ্যে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রথম উপজেলা হিসেবে দৌলতখানকে গতবছর সম্পূর্ণ আলোকিত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, জুনের মধ্যে হবে তজুমুদ্দিন ও সেপ্টেম্বরের মধ্যে সদর উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুৎ সুবিধার মধ্যে আনা হবে। এতে করে মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পাবে, শিক্ষার মান বাড়বে, অভাব দূর হবে। সমিতির সহকারী জেনারেল ম্যানেজ্যার (এজিএম) মোঃ আব্দুল বাসেত বলেন, সদর উপজেলার প্রত্যেক ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে ১ হাজার ৩০৯ কিলোমিটার বিদ্যুৎ লাইন প্রয়োজন। আর এতে শতভাগ বিদ্যুতের সুফল ভোগ করবে মোট ৫৫ হাজার ৮৬ জন গ্রাহক। ইতোমধ্যে পল্লী বিদ্যুতের আবাসিক লাইন দেয়া হয়েছে ৪০ হাজার ২৯০ জন গ্রাহকের মাঝে। বাণিজ্যিক সংযোগ ৪ হাজার ৯৭৮, শিল্প ‍ও কলকারখানার জন্য ২৪৫ এবং স্কুল কলেজ, মসজিদ-মাদ্রাসা ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানের জন্য ৪ হাজার ৮৪২টিসহ মোট ৫০ হাজার ৩৫৫টি সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। ফলে পল্লী অঞ্চলে ব্যাপক বিদ্যুতায়নের প্রভাবে কমে যাচ্ছে শহর ও গ্রামের বৈষম্য।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
খুলনায় ৮০০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র হচ্ছে
জুন ৩০, ২০১৮ শনিবার ০৩:৪২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
খুলনায় নির্মাণ করা হচ্ছে ৮০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন রূপসা বিদ্যুৎকেন্দ্র। কম্বাইন্ড সাইকেল প্রযুক্তির এ কেন্দ্রটি নির্মাণে ব্যয় হবে ১১৪ কোটি ডলার। এ অর্থে রূপসা বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পাশাপাশি স্থাপন হবে প্রয়োজনীয় গ্যাস পাইপলাইন ও সঞ্চালন ব্যবস্থা। নির্মিতব্য বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ৫০ কোটি ডলার ঋণ দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। ফিলিপাইনভিত্তিক সংস্থাটির পরিচালকরা বাংলাদেশের জন্য এ ঋণ অনুমোদন করেছেন বলে গত ২৬ জুন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এ বিষয়ে এডিবির জ্বালানি বিশেষজ্ঞ আজিজ ইউসুপ বলেন, বাংলাদেশের বর্ধিষ্ণু অর্থনীতিতে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে। এ অবস্থায় রূপসা বিদ্যুৎকেন্দ্র দেশটিতে কার্যকর ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি সরবরাহ অনেকটা বাড়িয়ে দেবে। প্রায় তিন লাখ ভোক্তাকে বিদ্যুৎ জোগানোর পাশাপাশি কেন্দ্রটি ব্যবসা প্রসার ও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গতি আনবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নির্মিতব্য রূপসা বিদ্যুৎকেন্দ্রটি হবে কম্বাইন্ড সাইকেল প্রযুক্তির। এছাড়া তরল বর্জ্য পরিশোধনে সবচেয়ে অগ্রসর প্রযুক্তির শোধন প্রক্রিয়া (ট্রিটমেন্ট প্রসেস) ব্যবহার হওয়ায় কেন্দ্রটি কোনো বর্জ্য উৎপাদন করবে না। রূপসা বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহে স্থাপন হবে ১২ কিলোমিটার পাইপলাইন। এছাড়া প্রকল্পের অর্থে বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে ২৩০ কিলোভোল্টের একটি সুইচইয়ার্ড ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ২৯ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হবে। বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনা করবে নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড। এ কোম্পানির প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রকল্পের আওতায় বিজনেস প্রসেস আপগ্রেডের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জনবলকে কেন্দ্রটি নির্মাণ, পরিচালন, রক্ষণাবেক্ষণ, পর্যবেক্ষণ এবং পরিবেশ ও নিরাপত্তা সুরক্ষায় প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এডিবির পাশাপাশি রূপসা বিদ্যুৎকেন্দ্রে ৩০ কোটি ডলার অর্থায়ন করবে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক। আর বাংলাদেশ সরকার দেবে ৩৩ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। এছাড়া জাপান ফান্ড ফর পভার্টি রিডাকশন থেকে ১৫ লাখ ডলার অনুদান আসবে বিদ্যুৎকেন্দ্র সংলগ্ন এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে। ২০২২ সালের জুন নাগাদ প্রকল্পটি সম্পন্ন হবে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘৪০০ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণে পদ্মা নদী ক্রসিং এর কাজ শুরু হচ্ছে’
জুন ১৪, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ০৫:০২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
নির্মাণাধীন আমিনবাজার-মাওয়া-মংলা ৪০০ কেভি ডবল সার্কিট বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের পদ্মা নদী ক্রসিং স্থানের কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি) আগামী ৩০ মাসের মধ্যে কাজটি শেষ করবে। এজন্য ভারতীয় প্রতিষ্ঠান কেইসি ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডকে  টার্নকী ঠিকাদার নিয়োগ করেছে পিজিসিবি। গত ১২ জুন পিজিসিবি’র প্রধান কার্যালয়ে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চুক্তি সই হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। চুক্তিপত্রে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সঞ্চালন লাইনটির সাড়ে সাত কিলোমিটার দীর্ঘ রিভারক্রসিং অংশের কাজ শেষ করে পিজিসিবি’র কাছে হস্তান্তর করতে হবে। এ নির্মাণ কাজে ব্যয় হবে প্রায় ১২৩ কোটি টাকা। উন্নয়ন সহযোগী এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাংক, বাংলাদেশ সরকার এবং পিজিসিবি সম্মিলিতভাবে এ কাজে অর্থায়ন করছে। পিজিসিবি’র গৃহীত আমিনবাজার-মাওয়া-মংলা ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন প্রকল্প’র আওতায় কাজটি করা হচ্ছে। আমিনবাজার-মাওয়া-মংলা সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে রামপাল এবং পায়রায় নির্মাণাধীন বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোয় উৎপাদিতব্য বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে সঞ্চালন করা হবে। সঞ্চালন লাইনটির রিভারক্রসিংয়ের জন্য পদ্মা নদীতে সাতটি উঁচু টাওয়ার স্থাপন করতে হবে। সেতু নির্মাণ কর্তৃপক্ষ টাওয়ারসমূহ স্থাপনের জন্য নদীতে বেজলাইন তৈরি করে দিচ্ছে। অনুষ্ঠানে পিজিসিবি’র পক্ষে কোম্পানী সচিব মোঃ আশরাফ হোসেন এবং কেইসি’র পক্ষে কান্ট্রি হেড কুলদ্বীপ কুমার সিনহা চুক্তিপত্রে সই করেন। পিজিসিবি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম-আলবেরুনী দ্রুততার সঙ্গে কাজ শেষ করতে কেইসি কর্মকর্তাদের প্রতি তাগিদ দেন। পিজিসিবি’র নির্বাহী পরিচালক মোঃ শাফায়েত হোসেন ও মোঃ এমদাদুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক আব্দুল মোনায়েম চৌধুরী, কেইসি’র প্রজেক্ট ম্যানেজার অরুদ্র নাথ, সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার সুনীল কুমার সহ উভয়পক্ষের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
খুলনায় ৮শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রকল্প একনেক সভায় উপস্থাপনের অপেক্ষায়
মে ২১, ২০১৮ সোমবার ১২:০৯ পিএম - বাসস
দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস লিমিটেডের পরিত্যক্ত জমিতে সরকার ৮শ’ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের একটি বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ রোববার বলেন, ‘সরকার দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে অনেকগুলো প্রকল্প গ্রহণ করেছে। যার মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।’ সূত্র জানায়, কমিশন ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগের ‘কন্সট্রাকশন অব রূপসা ৮০০ মেগাওয়াট কমবাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্লান্ট’ শীর্ষক খসড়া প্রকল্পটি পর্যালোচনা করেছে এবং মঙ্গলবার অনুষ্ঠেয় একনেকের বৈঠকে তা উপস্থাপন করা হতে পারে। প্রতিমন্ত্রী জানান, বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড (এনডব্লিউপিজিসিএল) ৮ হাজার ৪৯৮.৬৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০২২ সালের মধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। মোট প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক (আইডিবি) এবং জাপান ফান্ড ফর পোভার্টি রিডাকশন (জেএফপিআর) প্রকল্প সহায়তা হিসেবে ৫ হাজার ৯৮৭.৮৭ কোটি টাকা প্রদান করবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ৫০ কোটি টাকা এবং অবশিষ্ট ২ হাজার ৪৬০.৭৭ কোটি টাকা সরকার বহন করবে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘সামিট গাজীপুরে ৩০০ মেগাওয়াটের আরও একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করেছে’
মে ০৯, ২০১৮ বুধবার ০৮:৩২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
গাজীপুরের কড্ডায় নবনির্মিত ফার্নেস অয়েল চালিত ৩০০ মেগাওয়াটের আরও একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করেছে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সামিট গাজীপুর-২ পাওয়ার লিমিটেড। বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, ৩০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এইচএফও(ফার্নেস অয়েল)জ্বালানি ভিত্তিক রেসিপ্রোকেটিং ইঞ্জিনের আরও একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র গত ৫ মে থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করে। বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (বিপিডিবি) এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ কর্তৃক নির্ধারিত ফাস্ট ট্র্যাক এই বিদ্যুৎ প্রকল্পটি মাত্র ৯ মাসের মধ্যে বাস্তবায়িত হলো। এই প্রকল্পটি ২০১৭ সালের ১০ আগস্ট লেটার অফ ইনটেন্ট (এলওআই) পায় এবং মাত্র ৯ মাসের মধ্যে বুধবার ‘১০০ ঘণ্টা রিলায়বিলিটি রান টেস্ট’ এবং ‘ডিপেন্ডেবল ক্যাপাসিটি টেস্ট’ সম্পন্ন করেছে। সামিট গাজীপুর-২ পাওয়ার লিমিটেড, সামিট কর্পোরেশন লিমিটেড এবং সামিট পাওয়ার লিমিটেডের একটি জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানী। কোম্পানীটি এলওআই পাওয়ার পর গত বছরের ১০ ডিসেম্বর যথাক্রমে বিপিডিবি এবং বিদ্যুৎ বিভাগের সাথে ১৫ বছর মেয়াদী বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি (পিপিএ) এবং বাস্তবায়ন চুক্তি (আইএ) সম্পন্ন করে। ঢাকা থেকে ৩০ কিমি দূরে গাজীপুর জেলার কড্ডায় অবস্থিত এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি টংগী এবং কালিয়াকৈর এর গ্রীড সাবস্টেশনে ২৩০ কেভিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘মহেশখালীতে ১,৩২০ মেগাওয়াটের আরেকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে’
মে ০৬, ২০১৮ রবিবার ১১:২৮ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
কক্সবাজারের মহেশখালীতে ১,৩২০ মেগাওয়াটের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও চায়না হুয়াদিয়ান হংকং কোম্পানি লিমিটেড (সিএইচডিএইচকে) জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানী গঠন করতে চুক্তি সই করেছে। রোববার রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে বিপিডিবি’র পক্ষে এর সচিব মিনা মাসুদ উজ্জামান এবং চীনের সিএইচডিএইচকে এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াং ঝিহাও চুক্তিতে সই করেন। চুক্তি অনুযায়ী, চীনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ১,৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করবে বিপিডিবি। এজন্য আগামী ৩০ কর্ম দিবসের মধ্যে উভয় পক্ষের ৫০ শতাংশ করে শেয়ারের ভিত্তিতে যৌথ কোম্পানি গঠন করা হবে। কোম্পানি গঠনের পর আগামী ৪৮ মাস থেকে ৫৪ মাসের মধ্যে মহেশখালীতে ২০০ একর জমির ওপর নির্মিত হবে ৬৬০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, দ্রুত আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে প্রয়োজন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ। বিদ্যুৎ উৎপাদনে যথাসময়ে লক্ষ্য পূরণ হলেও সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার আরো উন্নয়ন প্রয়োজন। ন্যাশনাল লোড ডিসপাচ সেন্টার আধুনিক করা হচ্ছে। গ্রাহক সেবার মান বাড়ানোর জন্য বিতরণ সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো হয়েছে বলে জানান তিনি। ভবিষ্যতে কক্সবাজারের মহেশখালীতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি বড় হাব গড়ে তোলা হবে বলে আশা করেন প্রতিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস, বিপিডিবি’র চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ ও চায়না হুয়াদিয়ান কোম্পানির প্রেসিডেন্ট ফাং ঝেং এবং চীনের রাষ্ট্রদূত ঝাং ঝু বক্তব্য রাখেন। 
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
    সাম্প্রতিক বিদ্যুৎ এর খবর
‘সামিট গাজীপুরে ৩০০ মেগাওয়াটের আরও একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করেছে’
‘মহেশখালীতে ১,৩২০ মেগাওয়াটের আরেকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে’
‘রমজানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে গ্রীডে ১,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হচ্ছে’
বাংলা ট্র্যাক গ্রুপ আরো ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছে
জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রীডে যুক্ত হলো আরো ১০০ মেগাওয়াট
ভারত থেকে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনবে সরকার
‘পায়রায় নতুন গ্রীড সাবস্টেশন নির্মাণ হচ্ছে’
ভেড়ামারায় ৪১০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্ট উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী
ভেড়ামারা ৪১০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন বৃহস্পতিবার
হবিগঞ্জের লাখাইয়ে ৫শ’ পরিবারে বিদ্যুৎ সংযোগ
মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহে ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন নির্মাণ হচ্ছে
লক্ষ্মীপুরে কল্যাণপুর গ্রামে বিদ্যুতের নতুন সংযোগ উদ্বোধন
রবি’র মাধ্যমেও ডিপিডিসি’র প্রি-পেইড মিটার কার্ড রিচার্জ করা যাবে
আশুগঞ্জে আরেকটি ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে চুক্তি সই
বিদ্যুতের স্থাপিত ক্ষমতা ক্যাপটিভসহ ১৬ হাজার ৪৬ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
‘অর্থনৈতিক অঞ্চল মীরসরাইয়ে ১৫০ মেগাওয়াট ডুয়েল ফুয়েল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে’
বিদ্যুৎ সেবা নিয়ে সন্তুষ্ট ৮৭ শতাংশ গ্রাহক
‘পিজিসিবি ২০১৭ সালে ৩,৫৮৫ মেগাওয়াট বাড়তি বিদ্যুৎ সঞ্চালনের সক্ষমতা অর্জন করেছে’
‘ডিপিডিসি’র বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার কার্ড মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রিচার্জ করা যাবে’
‘কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মধ্যে পায়রা ১,৩২০ মেগাওয়াটের কেন্দ্রটি সবার আগে উৎপাদনে আসবে’
সামিট গাজীপুর-২ পাওয়ার লিমিটেড থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনবে সরকার
খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ৫.৩% বাড়লো
সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালে নতুন তিন ইন্ডিপেনডেন্ট ডিরেক্টর
১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনতে ভারতীয় কোম্পানী আদানির সাথে চুক্তি করেছে বিপিডিবি
যৌথ মালিকানায় মাতারবাড়িতে ৬০০ মেগাওয়াটের এলএনজি ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে
৩৬০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করবে নর্থ ওয়েষ্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি
নেসকো প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৫ দশমিক ৩০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে
প্রথমবারের মতো বিদ্যুতের দাম কমানোর প্রস্তাবের ওপর গণশুনানী হবে বৃহস্পতিবার
‘বিআরইবি প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে’
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy