ঢাকা, বুধবার, জুন ২৬, ২০১৯, আষাঢ় ১২, ১৪২৬ ০৬:৫৮ এএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
বিদ্যুৎ
মদুনাঘাট ৪০০/২৩০ কেভি গ্রীড সাবস্টেশন নির্মাণে চুক্তি
চট্টগ্রামের মদুনাঘাটে ৪০০ কেভি ক্ষমতাসম্পন্ন দেশের প্রথম জিআইএস গ্রীড সাবস্টেশন নির্মাণ করছে পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিঃ (পিজিসিবি)। কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে নির্মাণাধীন কয়লাভিত্তিক ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ মদুনাঘাট হয়ে ঢাকার দিকে সঞ্চালনের লক্ষ্যে এ গ্রীড সাবস্টেশন নির্মাণ করা হচ্ছে। পুরো সাবস্টেশনটি জাপানী প্রযুক্তিতে তৈরি করা হবে। কাজটি সম্পন্ন করতে রোববার পিজিসিবির প্রধান কার্যালয়ে জাপানের হিটাচি করপোরেশন ও চীনের ইটার্ন এর সমন্বয়ে গঠিত যৌথ উদ্যোগ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সই করা হয় েবলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। দেশে বর্তমানে ৪০০ কেভি ক্ষমতাসম্পন্ন চারটি গ্রীড সাবস্টেশন চালু থাকলেও সেগুলো এয়ার ইনস্যুলেটেড সুইচগিয়ার (এআইএস) প্রযুক্তির। এই সাবস্টেশন নির্মাণ ও পরিচালনায় বেশি ভূমির প্রয়োজন হয়। অন্যদিকে সর্বাধুনিক গ্যাস ইনস্যুলেটেড সুইচগিয়ার (জিআইএস) প্রযুক্তির সাবস্টেশন নির্মাণে ভূমি কম লাগে; দক্ষতা (এফিসিয়েন্সি) তুলনামুলক বেশি। জিআইএস প্রযুক্তির সাবস্টেশন দেশে নতুন নয়। তবে সেগুলো ২৩০ কেভি অথবা ১৩২ কেভি ক্ষমতার জিআইএস সাবস্টেশন। মদুনাঘাটে জিআইএস প্রযুক্তিতে প্রথম ৪০০ কেভি ক্ষমতার গ্রীড সাবস্টেশন নির্মাণ করা হচ্ছে। স্বাক্ষরিত চুক্তি মোতাবেক আগামী ৩৪ মাসের (দুই বছর ১০ মাস) মধ্যে যৌথ উদ্যোগ প্রতিষ্ঠান টার্নকি পদ্ধতিতে মদুনাঘাট ৪০০/২৩০ কেভি ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রীড সাবস্টেশন নির্মাণ করে পিজিসিবির কাছে হস্তান্তর করবে। এ কাজে ব্যয় হবে প্রায় ৫৩১ কোটি টাকা। উন্নয়ন সহযোগি সংস্থা ‘জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)’ এবং পিজিসিবি এ কাজে অর্থায়ন করছে। অনুষ্ঠানে পিজিসিবির পক্ষে কোম্পানী সচিব মোঃ আশরাফ হোসেন এবং এবং ইটার্ন-হিটাচি যৌথ উদ্যোগ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে কান্ট্রি ডিরেক্টর ডি কে এম ফজলুল হক চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। গ্রীড সাবস্টেশনটিতে জাপানের হিটাচি করপোরেশনের ৫০০/৭৫০ এমভিএ ক্ষমতার তিনটি ট্রান্সফরমার বসানো হবে। এছাড়াও ৪০০ কেভি ক্ষমতার ছয়টি বে, দুইটি বাস কাপলার, দুইটি সেকশন এবং দুইটি বাস বিটি স্থাপন করা হচ্ছে। ২৩০ কেভি অংশেও একই সংখ্যক যন্ত্রাংশ থাকবে। পিজিসিবির গৃহীত ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম মেইন পাওয়ার গ্রীড স্ট্রেংথদেনিং প্রজেক্ট’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই সাবস্টেশন নির্মাণ করা হচ্ছে। চুক্তি স্বাক্ষরপর্বে পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম-আলবেরুনী, নির্বাহী পরিচালক মোঃ ইয়াকুব ইলাহী চৌধুরী, মোহাম্মদ সাফায়েত হোসেন ও খোন্দকার মোঃ আবদুল হাই, প্রকল্প পরিচালক বজলুল মুনীর এবং যৌথ উদ্যোগ প্রতিষ্ঠানের প্রজেক্ট ম্যানেজার ইমতিয়াজ আহমেদ সহ উভয়পক্ষে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সাশ্রয়ী মূল্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ অন্যতম চ্যালেঞ্জ
মার্চ ১০, ২০১৯ রবিবার ১০:১৪ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
সাশ্রয়ী মূল্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ অন্যতম চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। রোববার ঢাকায় একটি হোটেলে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি সেক্টর: ইমিডিয়েট ইস্যু অ্যান্ড চ্যালেঞ্জ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। তিনি বলেন,  সবাই কম মূল্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি চায় অথচ কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ নিয়ে সমালোচনা করে। নেপাল থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। যথাযথ ফুয়েল মিক্সের মাধ্যমে সাশ্রয়িভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে মানুষের ক্রয়সীমার মধ্যে মূল্যে রাখা হবে। তিনি আরো বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা সময়ের দাবী। বিদ্যুৎ খাতে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ২০৪০ সালের মধ্যে ৭১.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বহিবিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হচ্ছে। ২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশ গঠনে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে চ্যালেঞ্জগুলোর অন্যতম অর্থায়ন, পরিকল্পনা, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও যথাযথ প্রযুক্তির ব্যবহার। এ সকল চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগ অব্যাহত রাখা হয়েছে। সিপিডি’র সম্মানিত ফেলো প্রফেসর মোস্তাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডি’র পরিচালক (গবেষণা) ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। এ প্রবন্ধে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সাফল্য-ব্যর্থতা, সম্ভাবনা ও করণীয় উঠে আসে।  এ সময় সরকারি-বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মধ্যে সমতা,  বিদ্যুৎ খাত ও অন্যান্য খাতে এলএনজি ব্যবহারের ভারসাম্য, একক প্রতিষ্ঠানের উপর নির্ভরতা হ্রাস, প্রতিবেশি দেশ সমূহ হতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি আমদানির ভারসাম্য ইত্যাদি বিষয় আলোচনায় স্থান পায়। সিপিডি’র চেয়ারম্যান প্রফেসর রেহমান সোবহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির প্রো-ভিসি ড. এম তামিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বদরুল ইমাম, ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ডীন প্রফেসর ড. এম শামসুল আলম, অষ্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার জুলিয়া নিবলেট ও নরওয়ের রাষ্ট্রদূত সিডসেল ব্লেকেন বক্তব্য রাখেন।    
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
বড়পুকুরিয়া-কালিয়াকৈর ৪০০ কেভি লাইন স্থাপন প্রকল্প অনুমোদন
ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১৯ বৃহস্পতিবার ১২:৩১ পিএম - বাসস
ভারত, নেপাল ও ভূটান থেকে বিদ্যুৎ আমদানির লক্ষ্যে দেশের উত্তরাঞ্চলে উচ্চ ভোল্টেজের সঞ্চালন অবকাঠামো সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ৩ হাজার ৩২২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে বড়পুকুরিয়া-বগুড়া-কালিয়াকৈর ৪০০ কেভি লাইন স্থাপন প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলানগর এনইসি সম্মেলনকক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এই প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। একনেক বৈঠকশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান প্রকল্পের বিষয়ে সাংবাদিকদের বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন,একনেকে ১৩টি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে ১২ হাজার ৪৫৯ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৯ হাজার ৪৮১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা, বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ১৫৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে পাওয়া যাবে ২ হাজার ৮২৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। ১৩ প্রকল্পের মধ্যে ১০টি নতুন প্রকল্প এবং ৩টি সংশোধিত প্রকল্প রয়েছে বলে তিনি জানান। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সঞ্চালন লাইন স্থাপন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে ভারতের ঝাড়খন্ড প্রদেশে আদানী গ্রুপের প্রস্তাবিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ১৬’শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সহজে আমদানি করা যাবে। আমদানি করা এই বিদ্যুৎ পরবর্তীতে সিলেট,চট্টগ্রামহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলে সরবরাহ করা হবে। বিদ্যুৎ বিভাগের আওতায় পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি) চলতি সময় থেকে ২০২২ সালের জুন মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো আগামী ২০২২-২৩ সালের মধ্যে ভারতের ঝাড়খন্ডে আদানি গ্রুপের প্রস্তাবিত ১৬’শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে নিয়ে আসা। পাশাপাশি ভবিষ্যতে নেপাল ও ভূটান থেকে সহজে বিদ্যুৎ আমদানি করা। প্রকল্পের আওতায় বগুড়া-কালিয়াকৈর পর্যন্ত ১৪০ কিলোমিটার ৪০০ কেভি ডাবল সার্কিট সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে ৯ কিলোমিটার যমুনা রিভার ক্রসিং লাইন রয়েছে। কালিয়াকৈরে দু’টি ৪০০ কেভি উপকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এছাড়াও পার্বতীপুরে দু’টি ২৩০ কেভি উপকেন্দ্র নির্মিত হবে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
বিদ্যুৎ বিতরণ সম্প্রসারণে একনেকে দুটি প্রকল্পের অনুমোদন
জানুয়ারি ৩০, ২০১৯ বুধবার ০৩:৩৬ পিএম - বাসস
রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন সম্প্রসারণের লক্ষে একই ধরনের দুটি প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এই দুটি প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট খরচ ধরা হয়েছে ২ হাজার ২১৫ কোটি ১৭ লাখ টাকা। এর মাধ্যমে ৪ লাখ ১৫ হাজার নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হবে। মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এনইসি সম্মেলনকক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেক সভায় এই দুই প্রকল্পসহ মোট ৯টি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। একনেক সভাশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সংবাদ সম্মেলনে প্রকল্পের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। পরিকল্পনামন্ত্রী দেশব্যাপী বিদ্যুৎ সংযোগ সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) কার্যক্রমে ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ বিতরণ সম্প্রসারণের লক্ষে গৃহীত দুই প্রকল্প ২০২২ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন সম্পন্ন হলে প্রকল্প এলাকায় শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় চলে আসবে। আগামী ২০৩০ সাল নাগাদ দেশের প্রতিটি মানুষ নিরবিচ্ছন বিদ্যুৎপরিসেবা পাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। রংপুর বিভাগ বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন ও উপকেন্দ্র সম্প্রসারণ এবং পুনর্বাসন প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১ হাজার ১২৩ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। জানুয়ারি ২০১৯ থেকে জুন ২০২২ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে রংপুর উপকেন্দ্রের বিদ্যুৎ সঞ্চালন সক্ষমতা ২২০ মেগাওয়াট বৃদ্ধি পাবে এবং রংপুর বিভাগে ১ লাখ ৮০ হাজার নতুন সংযোগ দেয়া হবে। এছাড়া বিদ্যুৎ বিতরণের লক্ষে অনুমোদিত অপর প্রকল্প ‘রাজশাহী বিভাগ বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন ও উপকেন্দ্র সম্প্রসারণ এবং পুনর্বাসন’ জানুয়ারি ২০১৯ থেকে জুন ২০২২ মেয়াদে বাস্তবায়ন হবে। এতে খরচ হবে ১ হাজার ৯১ কোটি ৩২ লাখ টাকা। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে রাজশাহী উপকেন্দ্রের ৪৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সঞ্চালন সক্ষমতা বাড়বে। পাশাপাশি রংপুর বিভাগে ২ লাখ ৩৫ হাজার নতুন সংযোগ দেয়া হবে।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
নীলফামারীর সৈয়দপুরে ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে
জানুয়ারি ২৩, ২০১৯ বুধবার ১০:৫০ এএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
নীলফামারীর সৈয়দপুরে ১৫০ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষমতার ডিজেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে চীনের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ইপিসি ঠিকাদার নিয়োগ চুক্তি করেছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। মঙ্গলবার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে বিপিডিবির সচিব মীনা মাসুদুজ্জামান এবং চীনের ডংফ্যাং ইলেকট্রিক ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন এর ডেপুটি ম্যানেজার উয়ু ইয়ানজিয়াং ওই চুক্তিতে সই করেন। বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণে গত বছরের ২৯ অগাস্ট সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে ইপিসি ঠিকাদার নিয়োগ সংক্রান্ত প্রস্তাব পাস হয়েছিল। মোট ১৮ একর জমির ওপর স্থাপিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্র ২০২১ সালের জুনে উৎপাদনে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে সর্বনিম্ন দরদাতা চীনের ডংফ্যাং ইলেকট্রিক ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশনকে কাজ দেওয়া হয়। এ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১০০০.৯৯৫৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার ৩০২ কোটি এবং বিপিডিবি ২১৫ কোটি টাকা দেবে। বাকি ৪৮৩ কোটি টাকা আন্তর্জাতিকভাবে প্রকল্প ঋণ হিসেবে নেওয়া হবে। তেলভিত্তিক সিম্পল সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে ব্যবহার করা হবে জার্মানির সিমেন্স কোম্পানির গ্যাস টার্বাইন। ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারি থেকে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ডিজেল সরবরাহ করা হবে। এজন্য বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এবং ভারতের পেট্রোলিয়াম করপোরেশন যৌথভাবে ১৩০ কিলোমিটার ক্রসবর্ডার পাইপলাইন নির্মাণ করছে। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে আঞ্চলিক ভারসাম্য রক্ষার উদ্যোগ অব্যাহত রাখা হবে। সাশ্রয়ী মূল্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে সরকার অঞ্চল ভিত্তিক জ্বালানি হাব সৃষ্টি করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিদ্যুৎ সবার কাছে পৌঁছে দেয়ার পাশাপাশি মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।  নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্মাণ কাজ শেষ করার আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, উত্তরাঞ্চলের বিদ্যুৎ সরবরাহ ও স্থায়ীত্বের জন্য এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এ সময় তিনি  বিদ্যুৎ খাতের অগ্রগতির জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ  কায়কাউস, ও বিপিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ৫ মিনিটেই মিলছে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ
জানুয়ারি ১৮, ২০১৯ শুক্রবার ০৭:২৮ পিএম - বাসস
টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ীতে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম নিয়ে ভ্যান যোগে বাড়িতে বাড়িতে যাচ্ছেন বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। মাইকিং করে ফেরি করছেন নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ। গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী সাথে সাথেই দেয়া হচ্ছে পল্লী বিদ্যুতের মিটারসহ নতুন সংযোগ। যা এর আগে কেউ কখনও ভাবতেই পারেননি। আর প্রশংসানীয় এ কাজটি করছেন ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ধনবাড়ী সাব-জোনাল অফিস। ব্যতিক্রমধর্মী এ উদ্যোগের নাম দেয়া হয়েছে ‘আলোর ফেরিওয়ালা, পল্লী বিদ্যুৎ দুয়ার মিটারিং’। জানা যায়, বিদ্যুৎ বিভাগের ‘আলোর ফেরিওয়ালা’ ভ্যান গাড়িতে মিটার, বিদ্যুতের তার ও অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে দুই-তিনজন লাইনম্যান, একজন ওয়ারিং পরিদর্শক প্রতিদিন সকাল থেকে গ্রামে-গ্রামে ঘুরছেন আর মাইকিং করছেন। এ সময় কোন গ্রাহক বিদ্যুৎ নিতে চাইলে মাত্র ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যেই পেয়ে যাচ্ছেন নতুন সংযোগ। নেই কোন হয়রানি, দিতে হবে না বাড়তি কোন অর্থ। এ প্রকল্পের উদ্যোক্তা ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুত সমিতি-১ এর ধনবাড়ী সাব-জোনাল অফিসের এজিএম শাহিনুর রহমান জানান, গত ৭ জানুয়ারী থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রম উপজেলার সব বাড়ীতে বিদ্যুৎ সংযোগ না পৌঁছানো পর্যন্ত চলবে। শুরুর পর ‘আলোর ফেরিওয়ালা’ এ পর্যন্ত প্রায় ৫০টিরও বেশি নতুন সংযোগ দিয়েছে। এজিএম শাহিনুর রহমান আরো জানান, দেশে এখনো বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে গিয়ে গ্রাহকরা নানাভাবে হয়রানির শিকার হন। একটা সংযোগের জন্য ঘুরতে হয় দিনের পর দিন। খরচ করতে হয় বাড়তি অর্থ। যা মোটেও কাম্য নয়। কাজেই তিনি কৃষি মন্ত্রী ড. আব্দর রাজ্জাক স্যারের নির্দেশে গ্রাহক হয়রানি কমাতে বিকল্প এ উদ্যোগ নিয়েছেন। এটাকে তিনি ‘আলোর ফেরিওয়ালা, পল্লী বিদ্যুৎ দুয়ার মিটারিং’ কার্যক্রম নাম দিয়েছেন। বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ভ্যানে মিটার-তার থেকে শুরু করে সব ধরনের সরঞ্জাম নিয়ে লাইনম্যান ও ওয়ারিং পরিদর্শক গ্রামে-গ্রামে ঘুরছেন। গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী তাৎক্ষণিক আবেদন নিয়ে সাথে সাথে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে দিচ্ছেন। আর এজন্য গ্রাহকদের মিটার প্রতি দিতে হচ্ছে সদস্য ফি বাবদ ভ্যাটসহ ১১৫ টাকা, জামানত বাবদ ৪০০ টাকা এবং বাণিজ্যিক হলে ৮০০ টাকা। এছাড়া পল্লী বিদ্যুতের লোকজন গ্রামে-গ্রামে ঘুরে বেড়ানোর কারণে পুরোনো বিদ্যুৎ গ্রাহকদেরও কোন সমস্যা থাকলে সেটাও সমাধানের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। বাড়িতে বসে নতুন সংযোগ পাওয়া উপজেলার মুশুদ্দি গ্রামের মঞ্জুরুল ইসলাম, পাইস্কা গ্রামের আব্দুল হাকিম ও পৌর শহরের মিয়াপাড়া গ্রামের কামরুল ইসলামসহ অন্যান্য গ্রাহকরা জানান, পল্লী বিদ্যুতের এ কার্যক্রম তাদের অনেক সুবিধা এনে দিয়েছে। সংযোগ নেয়ার জন্য অফিসে গিয়ে ধরনা দিতে হচ্ছে না। টাকা জমা দেয়ার জন্য লাইনে দাঁড়াতে হয় না। দিনের পর দিন ঘুরতে হচ্ছে না। সাথে সাথে সংযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এটা কখনো ভাবতেও পারেননি তারা। পল্লী বিদ্যুতের এ কার্যক্রম দেখে মনে হচ্ছে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে জনগণ প্রকৃত সেবা পাচ্ছেন।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
মেঘনাঘাট-মদুনাঘাট ৪০০ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণে চুক্তি
জানুয়ারি ১০, ২০১৯ বৃহস্পতিবার ০৬:২১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ঢাকা-চট্টগ্রাম প্রধান বিদ্যুৎ গ্রীড শক্তিশালী করতে এ যাবতকালের বৃহত্তম সঞ্চালন লাইনের বাস্তবায়ন কাজ শুরু করেছে পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি)। মেঘনাঘাট হতে চট্টগ্রামের মদুনাঘাট পর্যন্ত ২১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ৪০০ কেভি ডবল সার্কিট সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হবে। এ কাজের জন্য বৃহস্পতিবার  পিজিসিবির প্রধান কার্যালয়ে এক  চুক্তি মাধ্যমে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান কেইসি-কে টার্নকি ঠিকাদার নিযুক্ত করা হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। লাইনটি চালু হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম বিদ্যুতের প্রধান সঞ্চালন লাইন ৪০০ কেভি ভোল্টেজে চলবে। এতে সিস্টেম লস কমানো ও কারিগরি জটিলতার আশংকা হ্রাস পাবে। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ সঞ্চালন করা সহজতর হবে। বর্তমানে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে ২৩০ কেভি এবং ১৩২ কেভি লাইনে বিদ্যুৎ সঞ্চালন করা হচ্ছে। মাতারবাড়িতে নির্মাণাধীন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিতব্য বিদ্যুৎ মদুনাঘাট হয়ে ঢাকার দিকে সঞ্চালনে এ লাইন ব্যবহৃত হবে। লাইনের দৈর্ঘ্য ও আর্থিক মূল্য বিবেচনায় মেঘনাঘাট-মদুনাঘাট ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইনটি এখন পর্যন্ত পিজিসিবি কর্তৃক একক দরপত্রে সম্পাদিত বৃহত্তম সঞ্চালন লাইনের কাজ। যার আর্থিক মূল্য  প্রায় ১,৭৩৪ কোটি টাকা । উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকা, বাংলাদেশে সরকার ও পিজিসিবি সম্মিলিতভাবে এ কাজে অর্থায়ন করছে। উম্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে সর্বনিম্ম দর দাখিল করে কাজটি পেয়েছে কেইসি। পিজিসিবির পক্ষে কোম্পানী সচিব মোঃ আশরাফ হোসেন এবং কেইসির পক্ষে কান্ট্রি হেড কুলদ্বীপ কুমার সিনহা চুক্তিপত্রে সই করেন। চুক্তিতে বলা হয়, আগামী ৩৪ মাসের মধ্যে লাইনের কাজ শেষ পিজিসিবির কাছে হস্তান্তর করবে কেইসি। পিজিসিবি গৃহীত ঢাকা-চট্টগ্রাম মেইন পাওয়ার গ্রীড স্ট্রেংথদেনিং প্রজেক্টের আওতায় সঞ্চালন লাইনটি নির্মাণ করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম-আলবেরুনী বলেন, কেইসি এ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি সঞ্চালন লাইনের কাজ করেছে। মেঘনাঘাট-মদুনাঘাট সঞ্চালন লাইনটিও যথাসময়ে কাজের উচ্চমান বজায় রেখে শেষ করতে হবে। কেইসির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পংকজকে ট্যান্ডন বলেন, অতীতের কাজের সুনাম বজায় রেখে এ সঞ্চালন লাইনের কাজ সম্পন্ন করতে কেইসি বদ্ধপরিকর। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে পিজিসিবির নির্বাহী পরিচালক মোঃ এমদাদুল ইসলাম, মোহাম্মদ সাফায়েত হোসেন ও খোন্দকার মোঃ আবদুল হাই, প্রকল্প পরিচালক ও প্রধান প্রকৌশলী মোঃ ইয়াকুব এলাহী চৌধুরী, কেইসির চীফ ম্যানেজার কিশোর তালেকার ও দীপক যাদবসহ উভয়পক্ষে উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
বিদ্যুতের দ্রুত প্রসার গ্রামকে শহরে পরিণত করতে সহায়তা করবে
জানুয়ারি ০৮, ২০১৯ মঙ্গলবার ০৬:৩৬ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিদ্যুতের দ্রুত প্রসার গ্রামকে শহরে পরিণত করতে সহায়তা করবেবলে জানিয়েছেন নবনিযুক্ত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। মঙ্গলবার বিদ্যুৎ ভবনে বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, ব্লু-ইকোনমি তথা সমুদ্র সম্পদ উন্নয়ন, প্রতিটি গ্রামে আধুনিক নগর সুবিধা সম্প্রসারণ, তরুণ-যুব সমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর ও কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। এসব উন্নয়নের মূলে থাকবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি। তিনি আরো বলেন, সিদ্ধান্তহীনতায় না ভুগে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিন। প্রকল্প বাস্তাবায়নে অতীতের ন্যায় ভবিষ্যতেও এক নম্বর হতে হবে। কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সাশ্রয়ী ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ ও সমন্বিতভাবে কাজ করুন, জনগণ উপকৃত হবে। সেবা নিয়ে জনগণের কাছে যান। সাশ্রয়ী ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহই আগামীদিনের চ্যালেঞ্জ। এছাড়া জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সচিবসহ জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ তাকে ফুলেল সংবর্ধনা দেন।    বিদ্যুৎ ভবনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, পিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ, পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইনসহ মন্ত্রণালয়াধীন দপ্তর-অধিদপ্তরের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
নিরবচ্ছিন্ন সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ হবে আগামীর চ্যালেঞ্জ
জানুয়ারি ০১, ২০১৯ মঙ্গলবার ০৯:০০ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
নিরবচ্ছিন্ন সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ আগামীর দিনের চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। মঙ্গলবার ঢাকায় সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সাথে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এ কথা বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, “ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দেয়ার কর্মসূচি প্রায় সাফল্যের সাথে সম্পন্ন হয়েছে। ৯৪ ভাগ এলাকা বিদ্যুৎ সরবরাহের নেটওয়ার্কে এসে পড়েছে। ২০১৯ সালের জুনের মধ্যে সবাই বিদ্যুৎ পাবে।” তিনি আরো বলেন, এ মন্ত্রণালয়ের ভালো-খারাপ সব সময়ে সাংবাদিকরা পাশে ছিল। আগামী দিনেও পাশে থাকবে বলে আশাকরি। সম্মিলিতভাবে কাজ করা গেলে সাফল্য আসবেই। প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিরবচ্ছিন্নভাবে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য এখাতে প্রচুর বিনিয়োগ প্রয়োজন । প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতির ব্যবহার বাড়াতে উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে। এই মুহুর্তে ৪০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা গেলে আশানুরূপ ফল পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি। এ সময় অন্যান্যের মাঝে পিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ ও পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।      
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘সংশোধিত ভারতীয় নীতির আওতায় নেপাল ও ভুটানের বিদ্যুৎ সরাসরি আমদানি করবে বাংলাদেশ’
ডিসেম্বর ২৫, ২০১৮ মঙ্গলবার ০৬:৫০ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ভারতের বিদ্যুৎ আমদানি অথবা রপ্তানী (ক্রস বর্ডার) নির্দেশিকা-২০১৮ সংশোধন হওয়ায় বাংলাদেশ ভারত হয়ে প্রতিবেশী দেশ থেকে সরাসরি বিদ্যুৎ আমদানি করতে পারবে। গত ১৮ ডিসেম্বর ভারত তাদের এ নীতিমালা সংশোধন করেছে বলে মঙ্গলবার বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, “২০১৬ সালের ৫ ডিসেম্বরে জারিকৃত ভারতের ক্রস বর্ডার ট্রেড অব ইলেক্ট্রিসিটি  নির্দেশিকার ৩.১ ধারায় বলা ছিল, ভারত ও প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে যে কোন ক্রস বর্ডার লেনদেন ভারতীয় সত্তা  অথবা সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট দেশের কোন সত্তা অথবা সংস্থার সাথে  দ্বি-পাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে অনুমোদিত হবে যা দেশগুলোর মধ্যে সামগ্রিক কাঠামোর অধীনে চুক্তি দ্বারা স্বাক্ষরিত । কিন্তু সম্প্রতি সংশোধন করে প্রকাশিত নির্দেশিকায় বলা হয়েছে দুটি আলাদা দেশ নিজেদের মধ্যেও বিদ্যুৎ কেনাবেচা করতে পারবে যেখানে  ভারত ত্রিপাক্ষিক চুক্তি দ্বারা তাতে অংশগ্রহণ বা অনুমোদন করবে।” “আঞ্চলিক সহযোগিতার কাঠামোর মধ্যে বিদ্যুৎ খাতে পারষ্পরিক সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গঠিত জয়েন্ট স্টিয়ারিং কমিটির সভায় নেপাল ও ভূটান (বা প্রতিবেশী দেশ) থেকে ভারত হয়ে বিদ্যুৎ আমদানির বিষয় বারবার আলোচনা করা হয়।” আলোচনার প্রেক্ষিতে প্রণীত ভারতের নতুন এ নির্দেশিকা পাশ্ববর্তী দেশ হতে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আমদানি পথ প্রশস্থ করবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। ইতোমধ্যে নেপালের সাথে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ আমদানি সংক্রান্ত সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। চলতি বছরের ৩ থেকে ৪ ডিসেম্বর প্রথম জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ ও জয়েন্ট স্টিয়ারিং কমিটির সভা কাঠমুন্ডুতে অনুষ্ঠিত হয়। সংশোধিত এ নীতিমালার আওতায় ভারত হয়ে নেপাল থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। তবে এ বিদ্যুৎ আমদানির জন্য ভারতকে সঞ্চালন চার্জ দিতে হবে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘সাত প্রতিষ্ঠানের সাথে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন ৩৮৫ কোটি টাকার চুক্তি করেছে’
ডিসেম্বর ২৩, ২০১৮ রবিবার ০৭:১৫ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
চলমান ও ভবিষ্যৎ বিদ্যুৎ প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য সাতটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে ৩৮৫ কোটি টাকার অর্থছাড় চুক্তি (সাবস্ক্রিপশন এগ্রিমেন্ট) সই করেছে রাষ্ট্রায়াত্ত আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানী লিমিটেড (এপিএসসিএল)। রোববার ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল এ আয়োজিত বিদ্যুৎ খাতে প্রথমবারের মতো বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে উত্তোলিত ওই অর্থছাড় অনুষ্ঠানে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর উধ্বর্তন কর্মকর্তারা এবং এপিএসসিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক এএমএম সাজ্জাদুর রহমান চুক্তিতে সই করেন। বন্ড হচ্ছে এক ধরণের ঋণপত্র। এই ঋণপত্র ছেড়ে ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠান ব্যক্তি অথবা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে। চুক্তি অনুযায়ী, আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানী লিমিটেডকে বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেড (বিআইএফএফএল) ১০০ কোটি, অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড ১০০ কোটি, রূপালী ব্যাংক লিমিটেড ৭৫ কোটি, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ৫০ কোটি, উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড ২০ কোটি, সাধারণ বীমা করপোরেশন ২০ কোটি, আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড ২০ কোটি টাকা দেবে। বাজার থেকে উত্তোলিত এ টাকায় আশুগঞ্জ কোম্পানী চলমান ও নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। এতে আরো বলা হয়, নন-কনভার্টেবল এবং সম্পূর্ণ রিমেডেবল কুপন বিয়ারিং এই বন্ড এর মেয়াদ হচ্ছে সাত বছর। যেখানে কুপন মার্জিন ৪ শতাংশ এবং রেঞ্জ অফ কুপন রেট ৮ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ১০ দশমিক ৫ শতাংশ। বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে যে বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হয় তা সরকারের পাশাপাশি ইসিএ, সাপ্লাইয়ার্স ক্রেডিট, বিডার ক্রেডিট, জিটুজি, জয়েন্ট ভেঞ্চার, আইপিসি ইত্যাদি বিকল্প অর্থায়নে করা হয়ে থাকে। রোববার বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে আরো একটি বিকল্প উৎস হতে অর্থায়ন শুরু হলো। এপিএসসিএল প্রাথমিক পর্যায়ে বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে ৬০০ কোটি টাকা সংগ্রহের প্রস্তাব গ্রহণ করে। যার মধ্যে ৫০০ কোটি টাকা প্রাইভেট প্লেসমেন্ট এবং ১০০ কোটি টাকা পাবলিক প্লেসমেন্ট এর মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি হলো কাজ করার পুঁজি । এটা নানাভাবে বৃদ্ধি করা যায়। এই বৃদ্ধির কাজটি বিদ্যুৎ করে। তিনি আরো বলেন, বন্ডের মাধ্যমে আমাদের ক্যাপিটাল মার্কেট আরও গতিশীল হবে। বিদ্যুৎ হলো মানুষের কর্ম ক্ষমতা। এজন্য বিদ্যুতের প্রসার বাড়াতে হবে। তাই বেসরকারি খাতের উদ্যোগক্তাদের এ ব্যাপারে উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে।  প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিয়ষক মুখ্য সসন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিদ্যুৎখাতের উন্নয়ন নিয়ে এখন গর্ব করা যায়। এই কোম্পানী বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ইসিএ (এক্সপোর্ট ক্রেডিট এজেন্সি) ব্যাকড ফাইনান্সিং এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এবার প্রথমবারের মতো বন্ড ইস্যু করলো। প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, বন্ডের মাধ্যমে ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউটের সাথে সম্পর্ক গভীর হবে এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে অর্থায়ন সহজতর হবে। তিনি আরো বলেন, আসন্ন গ্যাস বিতরণ নীতিমালায় গ্যাসের প্রাপ্যতা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের আশাব্যাঞ্জক করে তুলবে।  বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, বিদ্যুৎ খাতে বিকল্প উৎস হতে অর্থায়নের লক্ষ্যে বন্ড ইস্যু করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত দিনে দিনে বৃহৎ হচ্ছে। বিদেশেও শেয়ার অফলোড করা যেতে পারে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার নিরীখে কাজ করলে এ কাজ সহজ হবে। উন্নয়নের চলমান গতি অব্যাহত রাখতে হলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগঃ অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি মনোমুগ্ধকর পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদন, অর্থায়ন ও ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ এবং বছর ভিত্তিক কত বিনিয়োগ লাগবে তা উল্লেখ করা হয়। আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এম সাজ্জাদুর রহমান বলেন, বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানী সমূহকে সরকারের উপর নির্ভরশীলতা কমাতে এ উদ্যোগ। ২০২৫ সালের মধ্যে ২৮ হাজার ২৩১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে প্রায় ৪৭ বিলিয়ন ডলার অর্থের প্রয়োজন হবে। তিনি বলেন, এপিএসসিএল আশুগঞ্জ ৪০০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল (ইস্ট), কলাপাড়া ১,৩২০ মেগাওয়াটসহ পরিকল্পিত প্রকল্পে ৫ থেকে ৬ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন পড়বে। তাই অভ্যন্তরীণ পুঁজিবাজার থেকে এপিএসসিএল এর নিজস্ব অর্থায়নের অংশটুকু সংগ্রহের নিমিত্তে ৬০০ কোটি টাকার বন্ড ইস্যুর পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে ৫০০ কোটি টাকা প্রাইভেট প্লেসমেন্ট শেয়ার ও ১০০ কোটি টাকা পাবলিক প্লেসমেন্ট শেয়ার। উল্লেখ্য, গত ১২ এপ্রিল বাংলাদেশ সিকিউরিটি স্টক এক্সচেঞ্জ (বিএসইসি) প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ৫০০ কোটি টাকার বন্ড উত্তোলনের জন্য আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানী লিমিটেডকে অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে ৩৮৫ কোটি টাকা ছাড়ের চুক্তি হয়েছে রোববার। বাকি ১১৫ কোটি টাকা আগামী বছরের মার্চ মাসের মধ্যে উত্তোলন করা হবে। এছাড়া পাবলিক প্লেসমেন্টের ১০০ কোটি টাকার বন্ড ইস্যুর বিষয়টি বিএসইসিতে অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন। আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানী লিমিটেড এর চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘পরিবেশ দূষণ রোধে বরগুনার তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সর্বাধুনিক ব্যবস্থা নিশ্চিত’
ডিসেম্বর ১৫, ২০১৮ শনিবার ০৭:০৮ পিএম - বাসস
দেশের বিদ্যুৎ খাতকে পূর্ণতা দিতে বরগুনার তালতলী উপজেলায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে চীনের পাওয়ার চায়না রিসোর্স লিমিটেডের সঙ্গে যৌথভাবে দেশীয় সংস্থা আইসোটেক নির্মাণ করছে ৩০৭ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষম কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণের জন্য উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান আইসোটেক গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান আইসোটেক ইলেকট্রিফিকেশন কোম্পানির সঙ্গে ২০১৮ সালের ১২ এপ্রিল বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) চুক্তি স্বাক্ষর করে। সরকারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকারভিত্তিক এ প্রকল্প থেকে ২০২২ সাল নাগাদ খুব অল্প মূল্যে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে এখানকার উৎপাদিত বিদ্যুৎ। ২৫ বছর এ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে পাওয়ার চায়না রিসোর্স লিমিটেড বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান। কোম্পানিটি অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়াসহ বিশ্বের বেশ কিছু দেশে দক্ষতার সঙ্গে কয়লা দিয়ে ৩০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। চুক্তি অনুযায়ী আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে পরিবেশের ক্ষতি না করে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালিত হবে বলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সমূহ নিশ্চিত করেছে। বরগুনার তালতলী উপজেলার ছোট নিশানবাড়িয়া গ্রামে নির্মিত হচ্ছে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি। বর্তমানে এ প্রকল্পের ভূমি উন্নয়নের কাজ শেষ পর্যায়ে। নিশানবাড়ীয়া এলাকার বঙ্গোপসাগর ও পায়রা নদীর মোহনা থেকে বিশেষজ্ঞ পরামর্শে বিশেষ মানসম্মত বালু উত্তোলন করে প্রকল্পের জমি ভরাটের কাজ চলছে। আইসোটেক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মঈনুল আলম জানিয়েছেন, “বরগুনার জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড, দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ি কাছাকাছি সৈকতের ১ দশমিক ২ কিলোমিটার দূরবর্তী এলাকা থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। বালি উত্তোলনের ক্ষেত্রে পরিবেশের নিরাপত্তা জনিত বিধিনিষেধ ন্যূনতম এক কিলোমিটারের মধ্যে ধরা হয়ে থাকে। ফলে সৈকতের ক্ষতি হবার কোনো আশংকা বা সুযোগ নেই। বরগুনার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মশিউর রহমান জানান, বিদ্যুৎ কেন্দ্র এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের যে জমি আছে কিছু আইসোটেক ইলেট্রিফিকেশন কোম্পানি লিমিটেডকে লিজ দেয়া হয়েছে আর প্রকল্পের মধ্যে যে জমি পড়েছে তাও লিজ দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। প্রকল্প এলাকায় যারা অবৈধভাবে পাউবোর জমি দখল করে আছে তাদের জমি ছেড়ে দেয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। সরকারী বরাদ্দ ও অনুমোদন সাপেক্ষে পানি উন্নয়ন বোর্ড-পাউবোর যে জায়গায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হচ্ছে সেখানকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী পুনর্বাসন কর্মসূচী প্রকল্পের পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত রয়েছে বলে আইসোটেকের মিডিয়া অ্যাডভাইজার ফিরোজ চৌধুরী জানিয়েছেন। প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক প্রকৌশলী মো. শরীফ হোসাইন জানিয়েছেন, কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রধানত সালফার ডাই অক্সাইড, নাইট্রোজেনের অক্সাইড সমূহের বাতাসে নিস্মরণ নিয়ন্ত্রণ, অভ্যন্তরীন সড়কের ক্ষতিকারক ধুলিকণা বাতাসে ছড়ানো নিয়ন্ত্রণ, কয়লা ব্যবস্থাপনা এলাকা ও ছাইয়ের পুকুর এলাকা ইত্যাদির সঠিকমাত্রায় ব্যবস্থাপনা না হলে পরিবেশের ক্ষতি সাধন করে থাকে। তাই এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরীর সময়ে, সম্পন্ন হবার পরে, উৎপাদনের সময়ে যেন পরিবেশের কোন ক্ষতি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে মূল পরিকল্পনায় নানা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তিনি বিষয়টি সরলীকরণ করে জানিয়েছেন, কয়লা পরিবহনে কয়লার গুড়ো, বালুসহ সলিড ডাস্ট ব্যবস্থাপনার জন্য প্রকল্প এলাকার সকল রাস্তাঘাটা কংক্রিটের তৈরি হবে। ইলেকট্রো স্ট্যাটিক প্রিসিপিটেটর (ইএসপি) পদ্ধতিতে ডাস্ট সংগ্রহে সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও কর্মপদ্ধতি ব্যবহার করা হবে। চিমনি দিয়ে যে ধোঁয়া ও ময়লা নির্গত হবে তা হবে সহনীয় মাত্রায় ও সালফার মুক্ত। বিশ্বব্যাংক এর সুপারিশ মোতাবেক আইএফসি ইএইচএস মানদন্ডে ফ্লু গ্যাস ডিসালফারাইজেশন সিস্টেম নির্মাণ করা হবে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বয়লারগুলো এমন ভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে তাতে সর্বনিম্ম পর্যায়ে নাইট্রোজেন অক্সাইড সমূহ পুড়বে। চিমনিগুলো আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে সর্বোচ্চ উচ্চতার করা হবে এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরিত্যাক্ত পানিকে ট্রিটমেন্ট করে তা কেন্দ্রের বাইরে সরানো হবে। নদীও সাগরের নোনা পানিকে বিশুদ্ধ ও মিষ্টকরণ প্লান্ট স্থাপন করা হবে। দূষণ হ্রাসকরণ প্রক্রিয়াকে চলমান রাখার জন্য নিয়মিত মনিটরিং সেল সচল থাকবে। আইসোটেক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মঈনুল আলম আরও জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্রর জন্য ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোকে কেবল মাত্র ঘরই দেয়া হচ্ছে না। তাদের প্রশিক্ষিত করে কর্মসংস্থান দেয়া হবে। তাদের আবাসনে স্কুল, মসজিদ, হাসপাতাল, কমিউনিটি সেন্টার ইত্যাদিও নির্মাণ করা হবে। বৈদেশিক অর্থায়নে নির্মিত হওয়ায় এ প্রকল্পে নিয়ম-নীতির ব্যাত্যয় ঘটার কোন সুযোগ নেই। বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণকে স্বাগত জানিয়ে তালতলী সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ এমএ জব্বার জানিয়েছেন, তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে তালতলীসহ উপকূলীয় এলাকা উন্নয়নের শহরে পরিণত হবে। জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। বরগুনা জেলা প্রশাসক কবির মাহমুদ বলেছেন, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সাগরতীরবর্তী এলাকায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে। এটি উৎপাদনে গেলে দেশের বিদ্যুৎ সংকট দূর করতে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। বরগুনা-১ আসনের সাংসদ অ্যাড. ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ বর্তমান সরকারের উন্নয়নের একটি অংশ। আইসোটেকের ৩০৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র দক্ষিণাঞ্চলসহ দেশের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। এ অঞ্চলের আর্থসামাজিক অবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটবে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণে প্রশসানের পক্ষ থেকে সকল প্রকার সহযোগিতা করা হচ্ছে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘ভূ-গর্ভস্থ বিদ্যুৎ লাইন স্থাপনে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে চুক্তি সই’
ডিসেম্বর ০৬, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ১০:৪২ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ভূ-গর্ভস্থ লাইন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত ও সিস্টেম লস কমিয়ে আনবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। বৃহস্পতিবার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে বিদ্যুতের লাইন ভূ-গর্ভস্থে স্থাপন নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার এনার্জিট্রন ও ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড(ডিপিডিসি)এর মধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাই সংক্রান্ত চুক্তি সই অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভূ-গর্ভস্থ লাইন হলে ঝড়-বৃষ্টিতে বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যাহত হবে না। বিদ্যুতের লাইন মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কমে আসবে। এতে গ্রাহকের ভোগান্তি হ্রাস এবং শহরের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি পাবে। তিনি আরো বলেন, বিশ্বের বড় বড় আধুনিক শহরের ন্যায় ঢাকা শহরে ডিপিডিসির অধীন এলাকায় ওভারহেড বিতরণ ব্যবস্থাকে ভূ-গর্ভস্থে  স্থানান্তরের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তারই অংশ হিসাবে প্রাথমিক পর্যায়ে ভূ-গর্ভস্থ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার জন্য একটি আন্তর্জাতিকমান সম্পন্ন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকাশ দেওয়ান বলেন, ওভারহেড লাইন ভূ-গর্ভস্থে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া ২০১৬ সাল থেকে শুরু হলেও এ বছর এসে তা সফলতার মুখ দেখছে। ফিজিবিলিটি স্টাডি সম্পন্ন হওয়ার পর পর্যায়ক্রমে ওভারহেড বিতরণ ব্যবস্থাকে ভূ-গর্ভস্থে স্থানান্তরের জন্য প্রকল্প নেওয়া হবে। ডিপিডিসির এক কর্মকর্তা জানান, প্রতিযোগিতামূলক আগ্রহপত্র (ইওআই) এর মাধ্যমে মোট ১৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাঁচটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কারিগরিভাবে যোগ্য বিবেচিত হয়। পরবর্তীতে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চারটি প্রতিষ্ঠান রিকোয়েস্ট ফর প্রপোজাল দাখিল করে। এ চারটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রস্তাব মূল্যায়নের শর্তানুযায়ী কারিগরিও আর্থিক মূল্যায়নে সর্বোচ্চ স্কোরধারী প্রতিষ্ঠান বিবেচিত হওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার এনার্জিট্রন এর সাথে চুক্তি সই করা হয়েছে। এই কাজের অর্ন্তভূক্ত ১৩২ কেভি, ৩৩ কেভি, ১১ কেভি, ১১/০.৪ কেভি এবং ০.৪ কেভি ওভারহেড বিতরণ ব্যবস্থাকে ভূ-গর্ভস্থ নেটওয়ার্কে স্থানান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় সার্ভে, ফিজিবিলিটি স্টাডি, আন্ডারগ্রাউন্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম ডিজাইন, বিল অব ম্যাটিরিয়ালস, কস্ট ইস্টিমিটেড করবে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানটি। এ কাজের চুক্তি মূল্য প্রায় ২১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা এবং কাজটি সম্পন্ন করতে এক বছর সময় লাগবে। ডিপিডিসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হাসনাত চৌধুরী ও অস্ট্রেলিয়ার এনার্জিট্রন কোম্পানির প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার ওয়াহিদুল ইসলাম চুক্তিতে সই করেন। ডিপিডিসির পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শফিকউল্লাহ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ  কায়কাউস, পিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ, ডিপিডিসির ব্যবস্থপান পরিচালক বিকাশ দেওয়ান ও এনার্জিট্রন এর আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক রিচার্ড মারফি বক্তব্য দেন।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘গ্রিড বিদ্যুতের আওতায় আসলো সন্দ্বীপবাসী’
নভেম্বর ১৭, ২০১৮ শনিবার ০৫:১৬ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
সাগর তলদেশে সাব মেরিন কেবল স্থাপনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ যাচ্ছে চট্টগ্রামের একমাত্র দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপে। গত ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)সন্দ্বীপের এনাম নাহার ৩৩/১১ কেভি সাব স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে প্রথমবারের মতো যুক্ত করেছে দ্বীপবাসীকে। চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডু থেকে সন্দ্বীপ পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সাগর তলদেশে ওই সাব মেরিন কেবল স্থাপন করা হয়েছে বলে জানান পিডিবির জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক সাইফুল হাসান চৌধুরী। এতে সন্দ্বীপের চার লাখ অধিবাসী গ্রিড বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আসলো। একাধিকবার ভাঙ্গনের কবলে পড়ে আয়তনে ছোট হয়ে আসা এই দ্বীপ এতদিন বিদ্যুৎ গ্রিডের বাইরে ছিল। সাব মেরিন কেবল স্থাপনের ফলে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ সৃস্টি হওয়ায় এখানে শিল্প কারখানা স্থাপনসহ বানিজ্যিক কর্মকান্ডের ব্যাপক প্রসার ঘটবে।  এতদিন স্থানীয় পর্যায়ে তেলভিত্তিক জেনারেটরের মাধ্যমে উপজেলা সদরের কয়েকশ গ্রাহককে সীমিত আকারে বিদ্যুৎ দেওয়া হতো। শহরাঞ্চলে যে বিতরণ লাইন রয়েছে তার বিদ্যুৎ গ্রহণের ক্ষমতা ছিলো তিন মেগাওয়াটের মতো। জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার পর এখন ৫০ মেগাওয়াটের মতো বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যাবে। গত ২২ মাস ধরে প্রায় ১৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে বলে জানান পিডিবির পরিচালক।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
প্রধানমন্ত্রী সাতটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধন করবেন বৃহস্পতিবার
অক্টোবর ৩১, ২০১৮ বুধবার ১১:০৯ পিএম - বাসস
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার নবনির্মিত সাতটি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং ১০২টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুৎ নিশ্চিতকরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় তার সরকারি বাসভবন গণভবনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সম্পর্কিত দুইটি প্রকল্পেরও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।’ বুধবার বিদ্যুৎভবনে এক প্রেস কনফারেন্স এ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালের চেয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ৪ গুণ বেড়ে এখন ২০ হাজার ৪৩০ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নবনির্মিত ৭টি বিদ্যুৎকেন্দ্র ও ১০২ উপজেলায় বিদ্যুৎ বিতরণ কার্যক্রম শতভাগে উন্নীতকরণ কর্মসূচির উদ্বোধন এবং দুইটি বিদ্যুৎ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে ৯২ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছেন, যা ২০০৯ সালের পূর্বে মাত্র ৪৭ শতাংশ ছিল। আমরা একই সময়ে ২ কোটি ৩ লাখ গ্রাহকের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছি।’ সরকার ৫৩ লাখ সোলার হোম সিস্টেমের মাধ্যমে দুই কোটিরও বেশি মানুষকে বিদ্যুতের আওতায় নিয়ে আসছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে ১৩ হাজার ৬৫৪ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৫৫টি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণাধীন রয়েছে। এছাড়া ৭ হাজার ৪৬১ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন আরো ২৩টি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য টেন্ডার আহ্বানের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সরকার ২০ হাজার ১৫৬ মেগাওয়াট ক্ষমতাস্পন্ন ১৯টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনেরও পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার ১০২টি উপজেলাকে শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় নিয়ে আসছে।’ যেসব জেলা শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় আনা হবে সেগুলো হচ্ছে : নবাবগঞ্জ, দোহার, কাশিয়ানী, মুকসেদপুর, গোপালগঞ্জ সদর, মিঠামইন, তাড়াইল, ইটনা, হোসেনপুর, কিশোরগঞ্জ সদর, বাজিতপুর, শ্রীমঙ্গল, নাটোর সদর, নলডাঙ্গা, গুরুদাসপুর, পুঠিয়া, চারঘাট, বাঘা, তানোর, চিতলমারী, চৌগাছা, চুয়াডাঙ্গা, ঝিকরগাছা, কেশবপুর, জীবননগর, দামুরহুদা, পিরোজপুর সদর, হরিরামপুর, সাটুরিয়া, ঘিওর, আত্রাই, মহাদেবপুর, রাণীনগর, নিয়ামতপুর, ঝালকাঠি সদর, রাজাপুর, পাবনা সদর, বিশ্বনাথ, গোলাপগঞ্জ, জৈন্তাপুর, বালাগঞ্জ, ডুমুরিয়া, ফেনী সদর, কুষ্টিয়া সদর, কুমারখালী, ফুলবাড়ী, কাহারুল, রামগঞ্জ, রাঙ্গুনিয়া, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, আনোয়ারা, বিজয়নগর, কসবা, বাঞ্চারামপুর, চান্দিনা, ব্রাহ্মণপাড়া, লালমাই, তিতাস, মেঘনা, হোমনা, দাউদকান্দি, নাঙ্গলকোট, বুড়িচং, লাকসাম, চৌদ্দগ্রাম, চাটখিল, সোনাইমুড়ি, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, তারাগঞ্জ, রংপুর সদর, তালা, কক্সবাজার সদর, টেকনাফ,গাংনী,দৌলতখান, তজুমুদ্দিন, সিরাজগঞ্জ সদর, রায়গঞ্জ, তাড়াশ, চৌহালী, মাদারীপুর সদর, নীলফামারী সদর, কালীগঞ্জ, কালিয়াকৈর, শরীয়তপুর সদর, ডামুড্যা, চাঁদপুর সদর, শাহরাস্তি, হাজীগঞ্জ, হাইমচর, সোনারগাঁ, নন্দীগ্রাম, সোনাতলা, দুপচাঁচিয়া, বগুড়া সদর, কাহালু, আদমদীঘি, শাহজাহানপুর, চরভদ্রাসন, আলফাডাঙ্গা, মাগুরা সদর ও শ্রীপুর। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে প্রত্যেক গৃহে বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিতের লক্ষ্যে সরকার একটি পরিকল্পনা নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। নসরুল বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত করার লক্ষ্যে দেশকে স্বাধীন করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ ও পাওয়ার সেল এর মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন এতে উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র পুনর্বাসন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
অক্টোবর ২৭, ২০১৮ শনিবার ০৭:৩৫ পিএম - বাসস
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার কলাপাড়ায় পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র পুনর্বাসন প্রকল্প উদ্বোধন এবং বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। তিনি বিদ্যুৎকেন্দ্র চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বপ্নের ঠিকানা নামে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের জন্য নবনির্মিত ঘরগুলো পরিদর্শন করেন এবং পুনর্বাসিত পরিবারের কাছে ঘরের চাবি ও রেজিস্ট্রেশন পেপার হস্তান্তর করেন। তিনি পুনর্বাসন কেন্দ্রের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন এবং গাছের চারা রোপণ করেন। এর আগে তিনি পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এখানে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব আহমেদ কায়কাউস এবং প্রকল্প পরিচালক প্লান্টের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী সমবেত শ্রমিকদের সামনে এক বক্তব্য বলেন, এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকার বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসবে। শেখ হাসিনা প্রকল্প শেষ করার জন্য যারা দিনরাত কাজ করছেন সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান। দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার ১০ বছরে ২০,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে। মন্ত্রীবর্গ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ এবং উর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন। রাষ্টীয় মালিকানাধীন নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী লিমিটেড এবং চায়নার সিএমসি কোম্পানী যৌথভাবে অত্যাধুনিক এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে। কর্মকর্তারা জানান, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বর্তমান উৎপাদন সক্ষমতা ১,৪৯৭ মেগাওয়াট এবং ভবিষ্যতে উৎপাদন ৬,১৩০ মেগাওয়াটে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ২০২৫ সাল নাগাদ ১০,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপদনের পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের । একই অনুষ্ঠানে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ফলক উম্মোচনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী পটুয়াখালি জেলার ১৬টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করেন।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘স্বপ্নের ঠিকানা বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্য রোল মডেল’
অক্টোবর ২৬, ২০১৮ শুক্রবার ০৭:৩৭ এএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ধানখালী ইউনিয়নে পায়রা ১,৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে অধিগ্রহণকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের পুনর্বাসন প্রকল্প স্বপ্নের ঠিকানা শনিবার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিদ্যুৎ বিভাগের অন্যতম প্রতিষ্ঠান পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন জানান, কয়লাভিত্তিক এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য যাদের জমি ও বসতবাড়ি অধিগ্রহণ করা হয়েছিলো তাদের বসবাসের কথা মাথায় রেখে পুনর্বাসন কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়েছে। এই কেন্দ্রটির নাম দেয়া হয়েছে স্বপ্নের ঠিকানা। তিনি বলেন, পুনর্বাসন কেন্দ্র উদ্বোধনের জন্য যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকরা তাদের নতুন স্বপ্নের ঠিকানায় বসবাস করার সুযোগ পাবেন। তিনি আরো বলেন, বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকার পাশেই ক্ষতিগ্রস্ত ১৩০টি পরিবারকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এটি একটি স্বয়ং সম্পূর্ণ এবং অত্যাধুনিক প্রকল্প যেখানে স্কুল, মসজিদ, কমিউনিটি সেন্টার, খেলার মাঠসহ নানা ধরণের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশের অন্যান্য মেগা প্রকল্প তথা বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্য একটি রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হবে বলে মনে করেন মহাপরিচালক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বরাদ্দপ্রাপ্ত মালিকদের হাতে প্রধানমন্ত্রী চাবি হস্তান্তর করবেন বলে জানান মোহাম্মদ হোসাইন। বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী লিমিটেড এবং চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশন (সিএমসি) এর যৌথ উদ্যোগে গঠিত বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানী লিমিটেড কলাপাড়ায় এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করছে। আগামী বছরের মে মাসে কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে বলে আশা করছেন কর্মকর্তারা। নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী লিমিটেড এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ এম খোরশেদুল আলম বলেন, স্বপ্নের ঠিকানা উদ্বোধনের জন্য আমরা প্রস্তুত। যেখানে ১৩০টি পরিবারের জন্য থাকছে বাড়ি। এই প্রকল্পের জন্য ১৬ একর জমি বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রকল্পে ছয় শতাংশ জমিসহ ১০০০ বর্গফুট আয়তনের ৪৮টি সেমিপাকা বাড়ি এবং আট শতাংশ জমিসহ ১২০০ বর্গফুট আয়তনের সেমিপাকা ৮২টি বাড়ি রয়েছে। প্রতিটি বাড়িতে চারটি কক্ষ, দুটি বাথরুম, বিদ্যুৎ সংযোগসহ বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ব্যবস্থাও থাকছে। খোরশেদুল আলম আরো বলেন, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশপাশের জনগণকে আমরা আশ্বস্ত করতে চাই কয়লাভিত্তিক এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি আল্ট্রা-সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তিতে নির্মাণ হচ্ছে। তাই এ কেন্দ্রটি হবে নিরাপদ ও অত্যাধুনিক। দেশে প্রথম বৃহৎ আকারের কয়লাভিত্তিক এ কেন্দ্রটি আগামী বছরের মাঝামাঝি উৎপাদনে আসবে বলে জানান তিনি।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
    সাম্প্রতিক বিদ্যুৎ এর খবর
পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র পুনর্বাসন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
‘স্বপ্নের ঠিকানা বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্য রোল মডেল’
উত্তরায় ডেসকোর আরেকটি গ্রিড উপকেন্দ্র উদ্বোধন
‘বাংলাদেশ স্মার্ট ইলেকট্রিক্যাল কোম্পানী বছরে পাঁচ লাখ প্রি-পেমেন্ট মিটার উৎপাদন করবে’
‘প্রথম বৈদ্যুতিক প্রি-পেমেন্ট মিটার তৈরির কারখানা স্থাপনে রোববার চুক্তি সই’
বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণে প্রথম দেশীয় প্রতিষ্ঠান এনএন বিল্ডার্স ও কনফিডেন্স স্টীল
গ্রীড শক্তিশালী করতে সুপারভিশন কনসালটেন্ট নিয়োগ করেছে পিজিসিবি
আরপিসিএল-নরিনকো কলাপাড়ায় নির্মাণ করছে ১,৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র
চতুর্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলায় আরইবির সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জন
ঢাকা শহরে প্রথম ভূগর্ভস্থ সাব-স্টেশন নির্মাণ করছে ডিপিডিসি
আমিনবাজারে ৪০০/২৩০ কেভি গ্রীড সাবস্টেশন হচ্ছে
দেশেই প্রি-পেইড মিটার তৈরি করবে রুরাল পাওয়ার কোম্পানী
ডিপিডিসির ১০ম বর্ষপূর্তি উদযাপন
বিদ্যুৎ খাতে বাংলাদেশ-ভারত সহযোগিতা সংক্রান্ত যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির পঞ্চদশ সভা অনুষ্ঠিত
বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিটে আংশিক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু
ভারত থেকে আরো ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি শুরু
পায়রায় ৩৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে যৌথ উন্নয়ন চুক্তি সই
বিএনপি দেশের বিদ্যুৎ খাতকে যেভাবে পিছিয়ে দেয় তা নজিরবিহীন: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে ২৭৪ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে এআইআইবি
অপরিকল্পিত নগরায়ন ও শিল্পায়ন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রদানে অন্যতম প্রতিবন্ধক
সৈয়দপুরে ডিজেলভিত্তিক ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে
‘পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তাদেরকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের নির্দেশ’
নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে সমঝোতা স্মারক সই
দেশের প্রতি ঘরে ঘরে আলো জ্বলবে : প্রধানমন্ত্রী
শতভাগ এডিপি বাস্তবায়ন করায় স্বীকৃতি পেল বিদ্যুৎ বিভাগের তিন প্রতিষ্ঠান
রূপসা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে ৫০১.৫ মিলিয়ন ডলার দেবে এডিবি
‘বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করার চেষ্টা চলছে’
‘চেয়ারম্যান এর নির্দেশে ৪৩ পরিবারে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ’
পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডকে গ্রাহকদের হয়রানিমুক্ত বিদ্যুৎ দিতে আহ্বান
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy