ঢাকা, শুক্রবার, অক্টোবর ১৯, ২০১৮, কার্তিক ৪, ১৪২৫ ০৬:২০ পিএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
বিদ্যুৎ
বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণে প্রথম দেশীয় প্রতিষ্ঠান এনএন বিল্ডার্স ও কনফিডেন্স স্টীল
প্রথমবারের মতো দেশীয় দুইটি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি) এর হাইভোল্টেজ বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করবে। ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে গাজীপুরের শ্রীপুর পর্যন্ত ৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ ১৩২ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করবে এনএন বিল্ডার্স লিমিটেড ও কনফিডেন্স স্টীল লিমিটেড এর সমন্বয়ে গঠিত যৌথ উদ্যোগ প্রতিষ্ঠান (জয়েন্ট ভেঞ্চার)। বৃহস্পতিবার  পিজিসিবি এবং উক্ত জয়েন্ট ভেঞ্চার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ বিষয়ে দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সঞ্চালন লাইনটি নির্মাণের লক্ষ্যে পিজিসিবি উম্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করলে দেশীয় ওই যৌথ প্রতিষ্ঠান কারিগরিভাবে যোগ্য হয় এবং সর্বনিম্ন দর দাখিল করে। ইতোপূর্বে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণে বিদেশী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরই নির্ভর করতে হতো। চুক্তি স্বাক্ষরপর্বে পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম-আলবেরুনী দেশীয় প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণের সুযোগ পাওয়ার বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমরা চাই আরও দেশীয় প্রতিষ্ঠান তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পিজিসিবির সঞ্চালন লাইন নির্মাণে এগিয়ে আসুক। পিজিসিবির পক্ষে কোম্পানী সচিব মোঃ আশরাফ হোসেন এবং যৌথ উদ্যোগ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এনএন বিল্ডার্সের পরিচালক আনারুল ইসলাম চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি অনুযায়ী আগামী ১৫ মাসের মধ্যে ৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ ভালুকা-শ্রীপুর ডবল সার্কিট সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করে পিজিসিবির কাছে হস্তান্তর করবে জয়েন্ট ভেঞ্চার প্রতিষ্ঠান। এ লাইন নির্মাণে উচ্চ ক্ষমতার এসিসিসি কন্ডাক্টর (তার) ব্যবহার করা হবে। এ কাজে ব্যয় হবে প্রায় ৫৮ কোটি টাকা। শ্রীপুরে সরকারি বিআর-পাওয়ারজেন লিমিটেড ১৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করছে। এই কেন্দ্রে উৎপাদিতব্য বিদ্যুৎ ভালুকা গ্রীডে আনতে নতুন সঞ্চালন লাইনটি নির্মাণ করা হচ্ছে। ডিপোজিট ওয়ার্ক হিসেবে পিজিসিবি এই লাইন নির্মাণের ব্যয় বিআর-পাওয়ারজেন লিমিটেড এর কাছ থেকে পাবে। পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম-আলবেরুনী, নির্বাহী পরিচালক (ওএন্ডএম) মোঃ এমদাদুল ইসলাম, নির্বাহী পরিচালক (এইচআরএম) মোঃ শাফায়েত হোসেন, প্রধান প্রকৌশলী (প্রকল্প মনিটরিং) অরুণ কুমার সাহা, প্রকল্প পরিচালক মোঃ রুব্বাতুল ইসলাম সহ উভয়পক্ষে উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
গ্রীড শক্তিশালী করতে সুপারভিশন কনসালটেন্ট নিয়োগ করেছে পিজিসিবি
অক্টোবর ১০, ২০১৮ বুধবার ০৫:২৭ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিদ্যুতের জাতীয় গ্রীড শক্তিশালী করতে গৃহীত পাওয়ার গ্রীড নেটওয়ার্ক স্ট্রেংথদেনিং প্রজেক্ট আন্ডার পিজিসিবি শীর্ষক প্রকল্পের জন্য সুপারভিশন কনসালটেন্ট নিয়োগ দিয়েছে পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি)। আগামী চার বছরের জন্য দেশীয় প্রতিষ্ঠান ইঞ্জিনিয়ার্স এ কনসালটেন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডকে (ইসিবিএল) এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নবনিযুক্ত কনসালটেন্ট প্রতিষ্ঠানটি প্রকল্পের ৪০০ কেভি ও ২৩০ কেভি গ্রীড লাইন ও উপকেন্দ্রসমূহ স্থাপন ও বাস্তবায়ন কাজে পিজিসিবিকে প্রয়োজনীয় কারিগরী পরামর্শ সেবা দেবে। বুধবার পিজিসিবির প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে ইসিবিএল এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়। পিজিসিবির পক্ষে কোম্পানী সচিব মোঃ আশরাফ হোসেন এবং ইসিবিএলর পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী কামাল উদ্দিন ইকরাম চুক্তিপত্রে সই করেন। এ কাজের চুক্তিমূল্য প্রায় ১৯ কোটি টাকা। চুক্তি স্বাক্ষরপর্বে পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম-আল বেরুনী, নির্বাহী প্রকৌশলী (ওএন্ডএম) মোঃ এমদাদুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক ও প্রধান প্রকৌশলী ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, মহাব্যবস্থাপক (পিএন্ডএ) আবুল খায়ের চৌধুরী, ইসিবিএল পরিচালক মোঃ রফিকুল ইসলাম সহ উভয়পক্ষে উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পাওয়ার গ্রীড নেটওয়ার্ক স্ট্রেংথদেনিং প্রজেক্ট আন্ডার পিজিসিবি শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ৪১টি নতুন গ্রীড উপকেন্দ্র নির্মাণ, ৫৮টি বিদ্যমান গ্রীড উপকেন্দ্রের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সম্প্রসারণ এবং ৭৬৫ কিলোমিটার নতুন সঞ্চালন লাইন নির্মাণ ও ২২৫ কিলোমিটার বিদ্যমান সঞ্চালন লাইনের সংস্কার করা হবে। আগামী ২০২১ সাল নাগাদ এ প্রকল্প শেষ হবে। এটি পিজিসিবি কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন সর্ববৃহৎ প্রকল্প; যার জন্য প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে। চীন, বাংলাদেশ সরকার ও পিজিসিবি সম্মিলিতভাবে এ প্রকল্পে অর্থায়ন করবে। প্রকল্পটির আওতায় নতুন নির্মিতব্য গ্রীড উপকেন্দ্রগুলোর মধ্যে একটি ৪০০/১৩২/৩৩ কেভি গ্রীড উপকেন্দ্র, ১২টি ২৩০/১৩২ কেভি গ্রীড উপকেন্দ্র এবং ২৮টি ১৩২/৩৩ কেভি গ্রীড উপকেন্দ্র রয়েছে। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন ৪০০ কেভি সক্ষমতার মোট ১০০ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন, ২৩০ কেভি সক্ষমতার মোট ৩৩০ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন এবং ১৩২ কেভি সক্ষমতার মোট ৩৩৪ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হবে।  প্রকল্পের কর্মপরিধির মধ্যে আরও রয়েছে ২৩০ কেভি সক্ষমতার মোট ২২৫ কিলোমিটার বিদ্যমান সঞ্চালন লাইনের সংস্কার এবং ৫৮টি বিদ্যমান গ্রীড উপকেন্দ্রের সক্ষমতা বৃদ্ধির কাজ।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
আরপিসিএল-নরিনকো কলাপাড়ায় নির্মাণ করছে ১,৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র
অক্টোবর ০৮, ২০১৮ সোমবার ০৫:১৪ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালীতে ১,৩২০ মেগাওয়াটের আরেকটি কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান রুরাল পাওয়ার কোম্পানী লিমিটেড (আরপিসিএল) এবং চীনের নরিনকো ইন্টারন্যাশনাল পাওয়ার লিমিটেড (এনইপিএল) এর উদ্যোগে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে। নতুন এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চলমান উন্নয়ন কর্মকান্ড নিয়ে গত ৫ অক্টোবর আরপিসিএল-এনইপিএল এর কর্মকর্তারা কলাপাড়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা করে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। সভায় আরপিসিএলএর নির্বাহী প্রকৌশলী মো ইকবাল করীম জানান, ধানখালী ইউনিয়নে লোন্দা, ধানখালী ও নিশানবাড়িয়া মৌজায় ৯১৫ একর ভূমি অধিগ্রহণ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন ১৮৪ একর জমি বুঝিয়ে দিয়েছে। আরও ১০০ একর জমি বুঝিয়ে দেয়ার প্রস্তুতি চলছে। এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ২৫ একর জমিতে আধুনিক গ্রাম তৈরি করা হবে। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য পাঁচ কক্ষের বাড়ি নির্মাণ করা হবে। ৩৫০ জন ক্ষতিগ্রস্তের প্রত্যেককে একটি করে বাড়ি দেয়া হবে। এর সঙ্গে থাকবে বারান্দা ও রান্না ঘর। প্রত্যেকটি বাড়ি নির্মাণে ৩৫ লাখ টাকা ব্যয় হবে। আগামী বছরের মার্চ-এপ্রিল মাসের মধ্যে বাড়িগুলো হস্তান্তর করা হবে। এছাড়া এ প্রকল্পে কমিউিনিটি সেন্টার, মসজিদ, স্কুল, দোকানপাট ও খেলার মাঠ থাকবে। চলাচলের জন্য ৩০ ফুট এবং ১২ ফুট প্রশস্ত সড়ক তৈরি করে দেয়া হবে। তিনি আরও জানান, প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ বিক্রির আয় থেকে তিন পয়সা করে রাখা হবে। প্রকল্প এলাকার উন্নয়নের জন্য এ অর্থ ব্যয় করা হবে। আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হবে। এই কয়লাভিত্তিক নির্মিতব্য তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রতিদিন ১২ হাজার মেট্রিক টন কয়লা পোড়ানো হবে। এর কোন ছাই বা এ্যাশ পরিবেশের নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না। কারণ ২৭৫ মিটার উঁচু চিমনি থাকবে। এছাড়া থাকবে এ্যাশপন্ড। যেখানে ৯৯ ভাগ ফ্লাইএ্যাশ বয়লার টিউবের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আর ছাই শোধন হওয়ার পর একটা নির্দিষ্ট জায়গায় রাখা হবে। এ ছাই সিমেন্ট কারখানার সিমেন্ট তৈরির জন্য ব্যবহার হবে। ছাই যাতে বাইরে যেতে না পারে, সে জন্য নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্টের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় পানি ঠান্ডা করা হবে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির জন্য ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে কয়লা আমদানি করা হবে। বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তি এ কেন্দ্রটিতে ব্যবহার করা হবে। আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তির বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি আগামী ২০২২ সালের ডিসেম্বরে উৎপাদনে আসবে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিড লাইনে সরবরাহ করা হবে।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
চতুর্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলায় আরইবির সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জন
অক্টোবর ০৭, ২০১৮ রবিবার ০৯:৫১ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড এবারের চতুর্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলায় সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জন করেছে। গত ৪ থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশব্যাপি এ মেলা চলে। এবারের মেলার প্রতিপাদ্য ছিল ‘উন্নয়নের অভিযাত্রায়, অদম্য বাংলাদেশ’। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) আওতাধীন ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মোট ৪২১টি দৃষ্টি নন্দন স্টল স্থাপন করে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এর মধ্যে ১৭৩টি প্রথম পুরস্কার, ৯০টি দ্বিতীয় পুরস্কার, ৫১টি তৃতীয় পুরস্কারসহ মোট ৩১৪টি পুরস্কার লাভ করে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ রয়েছে। ঢাকায় কেন্দ্রীয়ভাবে বোর্ডের  চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন এর নেতৃত্বে বাপবিবোর্ডের সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন। দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রতিটি স্টলে বিদ্যুৎ প্রত্যাশী গ্রাহকদের আবেদন অনলাইনে গ্রহণ করা হয় এবং স্বল্প সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয়। তাৎক্ষণিক সংযোগ প্রদান সম্পর্কে জানতে চাইলে সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন আশাশুনি সাব-জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার মধু সুধন রায় বলেন, মেলার প্রথমদিনেই ২৪ জন গ্রাহককে সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। বাকি দুইদিনেও যেসব গ্রাহক আবেদন করেছে তাদেরকে পর্যায়ক্রমে সংযোগ দেওয়া হয়েছে। এবারের মেলায় গ্রাহকদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি। দেশব্যাপি অনুষ্ঠিত এ উন্নয়ন মেলায় ৪২১টি স্টলে ব্যাপক দর্শনার্থীর আগমন ঘটে এবং তারা পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন। দর্শনাথীদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিতকরণ এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে করণীয় বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়। এছাড়া তাৎক্ষনিক বিদ্যুৎ সেবা পেয়ে গ্রাহকগণ বাপবিবোর্ড এবং পবিসকে ধন্যবাদ জানান। পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রমকে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাপবিবোর্ডের চেয়ারম্যান  মঈন উদ্দিন এর নেতৃত্বে ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। যে কারণে বিগত ৩০ বছরে ৭৪ লাখ গ্রাহক থেকে বর্তমান সরকারের ১০ বছরে এ পর্যন্ত মোট ২ কোটি ৪০ লাখ গ্রাহককে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা সম্ভব হয়েছে।    
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
ঢাকা শহরে প্রথম ভূগর্ভস্থ সাব-স্টেশন নির্মাণ করছে ডিপিডিসি
অক্টোবর ০২, ২০১৮ মঙ্গলবার ০১:৩৫ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় জমির সর্বোত্তম ব্যবহারে ঢাকার কারওয়ানবাজারে ভূগর্ভস্থ সাব-স্টেশন নির্মাণ করা হচ্ছে। ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) বহুতল ভবনের নিচে ১৩২/৩৩ কেভি ও ৩৩/১১ কেভি সাব-স্টেশন বা উপ-কেন্দ্র স্থাপন করবে। ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী বিকাশ দেওয়ান এনার্জিনিউজবিডি ডটকমকে বলেন, ঢাকা শহরে বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন  উপকেন্দ্র নির্মাণ প্রয়োজন। তবে জমির দুষ্প্রাপ্যতার কারণে ভূগর্ভস্থ সাব-স্টেশন নির্মাণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ভূ-গর্ভস্থ উপ-কেন্দ্রটি নির্মাণ শেষে এর উপরে ১৩ তলা ভবন তৈরি করা হবে। গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দিতে বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সরবরাহ লাইনের সক্ষমতাও বাড়ানো হবে। চলতি সময় থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে বলে জানান বিকাশ দেওয়ান। প্রাথমিকভাবে প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারিত হয়েছে ৯৫০ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৬২৬ কোটি ১৮ লাখ টাকা ঋণ দেবে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। আর বাংলাদেশ সরকার দেবে ২৪৮ কোটি ১৫ লাখ টাকা এবং ডিপিডিসি নিজস্ব অর্থায়ন করবে ৭৬ কোটি টাকা। প্রকল্পের আওতায় কারওয়ানবাজার ছাড়াও গ্রিনরোড, ফার্মগেট, মনিপুরিপাড়া, হাতিরঝিল ও মগবাজার এলাকার বিদ্যুৎ বিতরণের কার্যক্রম চলবে। তিনটি ১৩২/৩৩ কেভি (১২০ এমভিএ) পাওয়ার ট্রান্সফরমার ও তিনটি ৩৩/১১ কেভি (৫০ এমভিএ) পাওয়ার ট্রান্সফরমার মাটির নিচে স্থাপন করা হবে। তিন সেট ১৩২ কেভি আউটার ব্রেকার, এক লট ১৩২ কেভি আন্ডারগ্রাউন্ড সোর্সলাইনও স্থাপিত হবে। গ্যাস ইন্স্যুলেটেড সুইচগিয়ার বা জিআইএস সমৃদ্ধ এই সাব-স্টেশনের বয়ষ্ককাল ধরা হয়েছে ৩০ বছর। তবে এ ধরণের সাব-স্টেশন সাধারণত ৫০ বছর ধরেও চালু থাকে। কারওয়ানবাজার প্রকল্প এলাকা থেকে কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ জুড়ে টানেলের মাধ্যমে ৩৩ কেভি ও ১১ কেভি আউটগোয়িং ফিডার কেবল লাইন স্থাপিত হবে। ১০ সেট ১৩২ কেভি জিআইএস (জিওগ্রাফিক্যাল ইনফরমেশন সিস্টেম), ১৬ সেট ৩৩ কেভি জিআইএস  এবং ২৯ সেট ১১ কেভি সুইচগেয়ার থাকবে মাটির নিচে। মাটির ওপরে নির্মিতব্য ১৩তলা ভবনের চারটি ফ্লোর প্রশাসনিক কাজে ব্যবহার করবে ডিপিডিসি। বাকি নয়টি তলা ভাড়া দেওয়া হবে। ঢাকা নগরীতে নেওয়া প্রথম এ ধরনের  প্রকল্পটি বাস্তবায়নে এর আগে জাইকার একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ফিজিবিলিটি স্টাডি করে। পর্যায়ক্রমে ঢাকা শহরের আরো কয়েকটি বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র আন্ডারগ্রাউন্ডে স্থানান্তরে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া রাজধানীর গুলশানে একই ধরনের বিদ্যুতের ভূগর্ভস্থ উপকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো)।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
আমিনবাজারে ৪০০/২৩০ কেভি গ্রীড সাবস্টেশন হচ্ছে
সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৮ রবিবার ০৫:৫৬ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
রাজধানীর উপকণ্ঠে আমিনবাজারে বিদ্যমান ২৩০/১৩২ কেভি গ্রীড সাবস্টেশনকে ৪০০/২৩০ কেভি গ্রীড সাবস্টেশনে উন্নীতকরণের কাজ শুরু করেছে পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি)। পটুয়াখালীর পায়রা এবং বাগেরহাটের রামপালে নির্মিতব্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ গোপালগঞ্জ হয়ে আমিনবাজার পর্যন্ত সঞ্চালন এবং মেঘনাঘাট হতে ৪০০ কেভি ভোল্টেজে বিদ্যুৎ সঞ্চালন করতে এই গ্রীড সাবস্টেশনের সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। কাজটি সম্পন্ন করতে রোববার  পিজিসিবির প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে কোরিয়ান প্রতিষ্ঠান হিয়োসাং করপোরেশনের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি করেছে পিজিসিবি। চুক্তি মোতাবেক আগামী দুই বছরের মধ্যে টার্নকি পদ্ধতিতে আমিনবাজারে বিদ্যমান ২৩০/১৩২ কেভি গ্রীড সাবস্টেশনটিকে ৪০০/২৩০ কেভি-তে উন্নীত করে পিজিসিবির কাছে হস্তান্তর করবে হিয়োসাং। এ কাজে ব্যয় হবে প্রায় ১৬৪ কোটি টাকা। উন্নয়ন সহযোগি এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), বাংলাদেশ সরকার এবং পিজিসিবি যৌথভাবে এ কাজে অর্থায়ন করছে। অনুষ্ঠানে পিজিসিবির পক্ষে কোম্পানী সচিব মোঃ আশরাফ হোসেন এবং হিয়োসাং করপোরেশন এর পক্ষে টিম ম্যানেজার ইওন সুং লি  চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। গ্রীড সাবস্টেশনটির নির্মাণের আওতাভুক্ত কাজের মধ্যে তিনটি ৫২০ এমভিএ ক্ষমতাসম্পন্ন ট্রান্সফরমার, চারটি ৪০০ কেভি বে, দুইটি ২৩০ কেভি বে এবং তিনটি ট্রান্সফরমার বে নির্মাণ করা হবে। সাবস্টেশনটি চালু হলে রামপাল ও পায়রা থেকে বিদ্যুৎ উচ্চভোল্টেজে আমিনবাজার এনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছানো সহজ হবে। এতে বিদ্যুতের জাতীয় গ্রীডের সক্ষমতাও অনেকাংশে বাড়বে। পিজিসিবির গৃহীত আমিনবাজার-মাওয়া-মংলা ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন প্রকল্পের আওতায় এই সাবস্টেশনের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে পিজিসিবির নির্বাহী পরিচালক (ওএন্ডএম) মোঃ এমদাদুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী (পিএন্ডডি) প্রণব কুমার রায়, প্রধান প্রকৌশলী (প্রকল্প মনিটরিং) অরুণ কুমার সাহা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (কন্ট্রাক্ট) আবদুর রশিদ খান, মহাব্যবস্থাপক (পিএন্ডএ) আবুল খায়ের চৌধুরী সহ উভয়পক্ষের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
দেশেই প্রি-পেইড মিটার তৈরি করবে রুরাল পাওয়ার কোম্পানী
সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৮ শনিবার ০৭:৪১ পিএম - স্টাফ করেসপনডেন্ট, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকদের সরবরাহের জন্য দেশেই স্মার্ট প্রিপেমেন্ট মিটার অ্যাসেম্বেলিং প্লান্ট স্থাপন করবে রুরাল পাওয়ার কোম্পানী লিমিটেড (আরপিসিএল)। আরপিসিএল হচ্ছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের একটি কোম্পানী। আর এই বোর্ডের আওতায় সারা দেশে পরিচালিত হচ্ছে ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক সংখ্যা এখন দুই কোটিও বেশি। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকদের প্রি-পেইড মিটারের আওতায় আনতে দুই কোটির মতো মিটার প্রয়োজন হবে। এজন্য মিটার অ্যাসেম্বেলিং প্লান্ট বসানো হচ্ছে। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড এবং আরপিসিএল এর চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মঈনউদ্দিন বলেন, সারাদেশের গ্রাহকদের প্রি-পেইড মিটার সরবরাহের জন্য চীনের শেনজেন স্টার ইনুস্ট্রমেন্ট প্রতিষ্ঠানের সাথে আরপিসিএল যৌথভাবে একটি কোম্পানী গঠন করবে। এই কোম্পানীর আওতায় স্মার্ট প্রিপেমেন্ট মিটার অ্যাসেম্বেলিং প্লান্ট স্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকদের সরবরাহের পর বাড়তি থাকলে মিটার বিদ্যুৎ বিতরণের দায়িত্বে থাকা অন্যান্য কোম্পানীগুলোর কাছেও বিক্রি করা হবে। শেনজেন এবং আরপিসিএল এর মধ্যে জয়েন্ট ভেঞ্চার এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরের খসড়া চূড়ান্ত করার জন্য আগামী ১ অক্টোবর বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব আহমদ কায়কাউস এর সভাপতিত্বে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অ্যাসেম্বেলিং প্লান্ট বসানোর ব্যাপারে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান আরপিসিএল এর চেয়ারম্যান।        
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
ডিপিডিসির ১০ম বর্ষপূর্তি উদযাপন
সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ০৮:২৩ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড (ডিপিডিসি) দশম বর্ষপূর্তি উদযাপন করেছে। বুধবার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে ডিপিডিসির ১০ বছরের সাফল্য ও সামগ্রিক কর্মকান্ড তুলে ধরেন কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী বিকাশ দেওয়ান। ডিপিডিসির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ শফিকউল্লাহ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব কায়কাউস বলেন, ডিপিডিসির ১০ বছরের সাফল্যে আমি অত্যন্ত গর্বিত ও আনন্দিত। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিদ্যুৎ খাতে আমূল পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। তিনি আরো বলেন, ঢাকা শহরে বর্তমানে লোডশেডিং নেই বললেই চলে। দেশের উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা। এই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা প্রদানে ডিপিডিসি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, গ্রাহকদের আধুনিক সেবা দিতে আধুনিক মিটার ব্যবস্থা বা স্মার্ট গ্রিড ও অ্যাডভ্যান্স মিটারিং ইনফ্রাস্ট্রাকচার (এএমআই) বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে ডিপিডিসি। এতে করে স্বয়ংক্রিয় ও কেন্দ্রীয়ভাবে তথ্য জমা হবে। কত বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় তা পরিমাপ করা যাবে। ভোল্টেজ নিরীক্ষণ করা যাবে। সর্বোপরি বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে বলে জানান তিনি । অনুষ্ঠানে ডিপিডিসির সামগ্রিক কার্যক্রম নিয়ে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন ডিপিডিসির  প্রধান প্রকৌশলী (প্ল্যানিং ও ডিজাইন) এস এম শহীদুল ইসলাম।     
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
বিদ্যুৎ খাতে বাংলাদেশ-ভারত সহযোগিতা সংক্রান্ত যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির পঞ্চদশ সভা অনুষ্ঠিত
সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৮ মঙ্গলবার ০৬:৫৪ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা সংক্রান্ত বাংলাদেশ-ভারত যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির পঞ্চদশ সভা মঙ্গলবার সিলেটের স্থানীয় একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ডঃ আহমদ কায়কাউস এবং ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ভারতের বিদ্যুৎ সচিব  অজয় কুমার ভাল্লা। সভায় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যুৎ খাতে পারস্পারিক সহযোগিতা সংক্রান্ত বিরাজমান বিষয়সমূহ নিয়ে আলোচনা হয় বলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। সভায় ভেড়ামারা ও ত্রিপুরা ইন্টারকানেকশনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ আমদানির বর্তমান অবস্থা, ভেড়ামারা ইন্টারকানেকশনের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির আওতায় ২৫০ মেঃওঃ বিদ্যুৎ আমদানির অগ্রগতি, এইচভিডিসি  ২য় ব্লক নির্মাণের মাধ্যমে অতিরিক্ত ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি, সূর্যমনি-কুমিল্লা নর্থ লিংকের মাধ্যমে জি টু জি-এর আওতায় এনটিপিসি’র বিদ্যুৎ কেন্দ্রসমূহ থেকে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে আরো ৩৪০ মেঃওঃ বিদ্যুৎ আমদানি, প্রস্তাবিত কাটিহার-পার্বতীপুর-বড়পুকুরিয়া-বরানগর ৭৬৫ কেভি গ্রিড ইন্টারকানেকশন, বহরমপুর-ভেড়ামারা ৪০০ কেভি ২য় ট্রান্সমিশন লাইন ও সূর্যমনি-কুমিল্লা নর্থ লিংকের মাধ্যমে আরও বিদ্যুৎ আমদানির লক্ষ্যে কুমিল্লায় ব্যাক টু ব্যাক এইচভিডিসি সাব-স্টেশন নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা হয়। সভায় ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে সকল ধরনের সিডি, ট্যাক্স ও ভ্যাট থেকে অব্যাহতি প্রদান, রাজনৈতিক কারণে বা ভারতীয় আইন পরিবর্তন জনিত আর্থিক সংশ্লেষের উদ্ভব হলে তা থেকে অব্যাহতি প্রদানসহ ভবিষ্যতে বাংলাদেশ থেকে ভারতে বিদ্যুৎ রপ্তানির বিষয়ে ফলপ্রসু আলোচনা হয়। স্টিয়ারিং কমিটির সভায় অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে ভারতীয় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে অংশগ্রহণ, বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে ভারতে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাবনা ও বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠানের ভারতের বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে অংশগ্রহণের বিষয় পর্যালোচনা ছাড়াও জিএমআর কর্তৃক নেপালে উৎপাদিত জল বিদ্যুৎ ভারতের এনভিভিএন এর মাধ্যমে বাংলাদেশে আমদানি, ভুটানের হাইড্রো পাওয়ার প্রজেক্টে বাংলাদেশ, ভারত ও ভুটানের যৌথ বিনিয়োগ ও এই প্রজেক্ট থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আমদানিসহ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতার বিষয়সমূহ বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে। এছাড়া সভায় রামপালে বাস্তবায়নাধীন মৈত্রী সুপার থারমাল বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। সভায় রামপালে বাস্তবায়নাধীন ১৩২০ মেগাওয়াট মৈত্রী সুপার থারমাল প্রকল্পের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ ও বিদ্যুৎ খাতে বাংলাদেশ-ভারত সহযোগিতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। উল্লেখ্য, বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা সংক্রান্ত বাংলাদেশ-ভারত জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের ১৫ তম সভা গতকাল একই স্থানে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব শেখ ফয়েজুল আমিন এবং ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ভারতের বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ভারতী ।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিটে আংশিক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু
সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৮ শুক্রবার ১১:২৪ পিএম - ইউএনবি
কয়লার অভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ৫২ দিন পর বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিটে আংশিক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। চালু হওয়া ইউনিটটি থেকে ১৭০ থেকে ১৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল হাকিম সরকার জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা ২৮ মিনিটে তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ৩নং ইউনিটটি চালু করা হয়েছে। এই ইউনিটটির ক্ষমতা ২৭৫ মেগাওয়াট সম্পন্ন হলেও কয়লা স্বল্পতার কারণে আংশিক লোডে চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমানে ১৭০ থেকে ১৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে ওই ইউনিটটি থেকে। ‘এই ইউনিটটি পূর্ণাঙ্গরূপে চালু করতে দৈনিক ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন কয়লা প্রয়োজন’ জানিয়ে প্রকৌশলী আব্দুল হাকিম সরকার বলেন, কিন্তু বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন কয়লা সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমানে ১১ হাজার মেট্রিক টন কয়লা মজুদ রয়েছে। কয়লা প্রাপ্তি সাপেক্ষে তৃতীয় ইউনিটটি পূর্ণাঙ্গরূপে চালুর পাশাপাশি প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিটটি চালু করা হবে। উল্লেখ্য, দেশের একমাত্র কয়লাভিত্তিক ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটির তিনটি ইউনিট চালু রাখতে দৈনিক কয়লার প্রয়োজন ৫ হাজার ২০০ মেট্রিক টন। গত ২২ জুলাই বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে কয়লা লোপাটের ঘটনায় মজুদ প্রায় খালি হয়ে যায়। এরপর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটির উৎপাদন সম্পুন্ন বন্ধ হয়ে যায়। ঈদের সময় উত্তারাঞ্চলের বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে গত ২০ আগস্ট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ২ নং ইউনিটটি চালু করা হলেও চালুর ৯ দিন পর আবার সেটি বন্ধ হয়ে যায়।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
ভারত থেকে আরো ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি শুরু
সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৮ সোমবার ১১:৪৭ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে ভারত থেকে আরো ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি শুরু করেছে বাংলাদেশ। কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় স্থাপিত দ্বিতীয় এইচভিডিসি সাব-স্টেশন এর মাধ্যমে রোববার মধ্যরাতে এই বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ ভারত থেকে ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করছে। ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত ন্যাশনাল থারমাল পাওয়ার করপোরেশনের (এনটিপিসি) সহযোগী প্রতিষ্ঠান এনটিপিসি বিদ্যুৎ ভ্যাপার নিগম লিমিটেড (এনভিভিএন) রোববার মধ্যরাত থেকে এ বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সদস্য (উৎপাদন) সাঈদ আহমেদ। ভারতের রাস্ট্রীয় বার্তা সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া জানায়, ভারতীয় দামোদর ভ্যালি করপোরেশন (ডিভিসি) থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়ে ৬ সেপ্টেম্বর বিপিডিবি ও এনভিভিএনের মধ্যে ঢাকায় একটি চুক্তি সই হয়েছে। এ বিষয়ে ডিভিসির সঙ্গে এনভিভিএনের পৃথক একটি ব্যাক-টু-ব্যাক চুক্তি হয়েছে। এর আগে জুন ২০১৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত স্বল্পমেয়াদে ও জানুয়ারি ২০২০ থেকে মে ২০৩৩ পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদে ভারত থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ক্রয়ের আগ্রহ প্রকাশ করে দরপত্র আহ্বান করে বিপিডিবি। এই বিদ্যুৎ আমদানির জন্য এনভিভিএন ও পাওয়ার ট্রেডিং করপোরেশন (পিটিসি) ইন্ডিয়া লিমিটেডকে নির্বাচিত করে বিদ্যুৎ বিভাগ। এর মধ্যে দৈনিক ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে এনভিভিএন এবং বাকি ২০০ মেগাওয়াট পিটিসি। এনভিভিএন থেকে স্বল্পমেয়াদে প্রতি ইউনিট ৪ টাকা ৭১ পয়সা এবং পিটিসি থেকে প্রতি ইউনিট ৪ টাকা ৮৬ পয়সা দামে  বিদ্যুৎ আমদানি করা হবে। তবে, দীর্ঘমেয়াদে এনভিভিএন প্রতি ইউনিট ৬ টাকা ৪৮ পয়সা ও পিটিসি থেকে প্রতি ইউনিট ৬ টাকা ৫৪ পয়সা দামে বিদ্যুৎ আমদানি করা হবে। বিদ্যুৎ আমদানির জন্য কুষ্টিয়ার ভেড়ামাড়ায় দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন একটি এইচডিভিসি সাব-স্টেশন নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া নির্মাণ করা হয়েছে ৪০০ কেভি ক্ষমতার দ্বিতীয় একটি সঞ্চালন লাইন। ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য বহরমপুর (ভারত)-ভেড়ামারা (বাংলাদেশ) ৫০০ মেগাওয়াট হাইভোল্টেজ ডিরেক্ট কারেন্ট (এইচডিভিসি) লিংকের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে ২০১৩ সালের ৫ অক্টোবর ভারত থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি শুরু হয়। এরপর ২০১৬ সালে ত্রিপুরা থেকে আরো ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশের জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
পায়রায় ৩৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে যৌথ উন্নয়ন চুক্তি সই
সেপ্টেম্বর ০৮, ২০১৮ শনিবার ০৫:৩৭ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশের নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড (এনডব্লিওপিজিসিএল) ও জার্মানির সিমেন্স এজি পায়রায় এলএনজিভিত্তিক ৩৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে শুক্রবার ঢাকার একটি হোটেলে যৌথ উন্নয়ন চুক্তি সই করেছে। চুক্তিতে এনডব্লিওপিজিসিএল-এর কোম্পানি সচিব দীপক কুমার ঢালী ও সিমেন্সের প্রেসিডেন্ট (গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার) রিচার্ড ক্লেটন রেজিগ সই করেন। এ উন্নয়ন চুক্তির আওতায় পূর্ণাংগ সমীক্ষা, প্রকল্প প্রস্তাবনা চূড়ান্ত, বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি, ঠিকাদার নিয়োগ ও পরিচালনা এবং রক্ষাণাবেক্ষণ কার্য সম্পাদন করা হবে। তাছাড়াও ঋণ সংগ্রহের কাজ করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ডঃ আহমদ কায়কাউস বলেন, ২০,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জনের জন্য আলোক উৎসব হচ্ছে। ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়নে বিদ্যুৎ অভূতপূর্ব অবদান রাখবে। দ্রুততার সাথে মেগাপ্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে এনডব্লিওপিজিসিএল-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ এম খোরশেদুল আলম, পিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ, জার্মান দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন মাইকেল সুলথাইস ও সিমেন্স বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রবাল বোস বক্তব্য দেন।  
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
বিএনপি দেশের বিদ্যুৎ খাতকে যেভাবে পিছিয়ে দেয় তা নজিরবিহীন: প্রধানমন্ত্রী
সেপ্টেম্বর ০৬, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ১১:১৭ পিএম - বাসস
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত শাসনামলে দেশের বিদ্যুৎ খাতকে যেভাবে পিছিয়ে দেয়া হয়েছিল তা নজীরবিহীন, যা পৃথিবীর আর কোথাও দেখা যায়নি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে জনগণের ভোটে সরকার গঠন করে বিদ্যুৎ পেয়েছিলাম মাত্র ১৬শ মেগাওয়াট, চরিদিকে হাহাকার, এদেশের অধিকাংশ মানুষের ঘরে আলো ছিল না। সেই অবস্থা থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য সর্বপ্রথম আইন করে আমরা বেরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করি এবং বেসরকারি খাতকে উন্মুক্ত করে দেই।’ তিনি বলেন, ‘আমরা মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই ১৬শ’ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ৪ হাজার ৩শ’ মেগাওয়াটে নিয়ে যেতে সক্ষম হই। সেইসাথে জেনারেটরের ওপর থেকে সকল ট্যাক্স তুলে দেই এবং শিল্প কারখানার মালিকদের বলে দেই আপনারাও আপনাদের মত বিদুৎ উৎপাদন করুন এবং সেই বিদ্যুৎ আশপাশে বিক্রিও করতে পারবেন। আমরা গ্রিড লাইন আপনাদের ভাড়া দেব।’ ‘কিন্তু, ২০০৯ সালে যখন আমরা সরকারে আসি তখন দেখি বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ যা আমরা রেখে গিয়েছিলাম তার থেকে কমে ৩ হাজার ২শ মেগাওয়াট হয়ে গেছে।’ পৃথিবীর আর কোন দেশের জনগণের এ ধরনের তীক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে বলে তাঁর জানা নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৫ বছরে কোন দেশ এভাবে পিছিয়ে যায় সেটাও আমার জানা ছিল না।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার ঢাকায় বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সপ্তাহ-২০১৮’ উদযাপনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ ৬ দশমিক ২৫ টাকা/কিলোওয়াট এবং বিক্রয় মূল্য রাখা হয়েছে ৪ দশমিক ৮২ টাকা/কিলোওয়াট। কাজেই এখানে আমরা ভতুর্কি দিচ্ছি। অর্থাৎ বিদ্যুৎ উৎপাদনে যে খরচ তা আমরা গ্রাহকের কাছ থেকে নিচ্ছি না। তবে, ভবিষ্যতে এই ব্যবস্থা হয়তো রাখা সম্ভব হবে না। তিনি বলেন, মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন যত হতে থাকবে ভবিষ্যতে বিদ্যুতে যতটা খরচ হবে ততটাই তাদের প্রদান করতে হবে। তিনি বলেন, ‘সেক্ষেত্রে আমার একটা অনুরোধ থাকবে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সবাইকে সাশ্রয়ী হতে হবে। বিদ্যুতের অপচয় বন্ধের জন্য আমি অনুরোধ জানাই।’ প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত বিমসটেক সম্মেলনে বিদ্যুৎ খাত নিয়ে আলোচনা করেছেন উল্লেখ করে বলেন,‘আমরা একটা বিমসটেক সোলার গ্রিড লাইন করে দিচ্ছি। এই আন্তঃদেশীয় গ্রিডলাইনের মাধ্যমে কে কত বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে, তা থেকে বাংলাদেশ কিনবে, এটা আমরা স্পষ্ট করে ফেলেছি। আঞ্চলিক সহযোগিতার যুগান্তকারী পদক্ষেপটা আমরা ইতোমধ্যেই গ্রহণ করেছি। তাঁর সরকার বিগত সাড়ে নয় বছরে দেশের বিদ্যুৎ খাতের সম্প্রসারণে বেশ কিছু আঞ্চলিক চুক্তি স্বাক্ষর করে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ-ভারতের সহযোগিতা চুক্তির আওতায় স্থাপিত দু’দেশের বিদ্যুৎ সঞ্চালন কেন্দ্রের মাধ্যমে ভারত থেকে প্রথম গ্রিড আন্তঃসংযোগের মাধ্যমে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হচ্ছে। এ ক্ষমতা ১০০০ মেগাওয়াটে উন্নীতের কাজ চলছে। বাংলাদেশ-ভারত দ্বিতীয় গ্রিড আন্তঃসংযোগ উদ্বোধনের মাধ্যমে ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হচ্ছে। ভারত হতে আরও ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি নেপাল এবং ভূটান থেকে জল বিদ্যুৎ আমদানির প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত মাসেই তাঁর সরকার নেপালের সাথে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। বাংলাদেশ, ভূটান এবং ভারতের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের অপেক্ষায় রয়েছে। ‘অনির্বাণ আগামী’ প্রতিপাদ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সরকারের সাফল্যকে তুলে ধরার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে দিক নির্দেশনা প্রদানে এই জ্বালানি সপ্তাহ উদযাপিত হচ্ছে। জ্বালানি সপ্তাহের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের বিতর্ক প্রতিযোগিতা, জ্বালানি বিষয়ক সেরা প্রতিবেদনের জন্য সাংবাদিক ও দক্ষ কর্মকর্তা-কর্মচারিদের পুরস্কার প্রদান এবং গৃহস্থালী, শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী গ্রাহকদের সম্মাননা দেয়া হবে। নেপালের জ্বালানি, পানি সম্পদ এবং সেচ বিষয়ক মন্ত্রী বর্ষা মান পুন অনন্ত, প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. তাজুল ইসলাম বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এবং বিদ্যুৎ, জ্বলানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সভাপতিত্ব করেন। বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিভাগে সরকারের সাফল্য ও পরিকল্পনা নিয়ে অনুষ্ঠানে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোঃ রহমাতুল মুনিম অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে সরকারের বিদ্যুৎ খাতের সাফল্য নিয়ে একটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শিত হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করেছি। প্রতিমাসে ৩ থেকে ৫ লাখ গ্রাহক সংযোগের ফলে এখন মোট গ্রাহক সংখ্যা ৩ কোটিতে পৌঁছেছে। প্রধানমন্ত্রী এ সময় বিদ্যুৎ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, তাঁর সরকারের সময়ে মোট ২৪ হাজার ৩৫১ মেগাওয়াট ক্ষমতার ১৩৫টি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে। প্রায় ১২ হাজার ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে ও ১০১টি বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এছাড়াও বর্তমান সরকার দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার আওতায় ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট, ২০৩০ সালের মধ্যে ৪০ হাজার মেগাওয়াট এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মহাপরিকল্পনা করা হয়েছে। সরকার প্রধান বলেন, আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন নির্মাণেও ছিলাম সচেষ্ট। বিগত সাড়ে নয় বছরে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন ৮ হাজার কিলোমিটার হতে ১১ হাজার ১২২ সার্কিট কিলোমিটারে উন্নীত করেছি। বিতরণ লাইন ২ লাখ ৬০ হাজার কিলোমিটার হতে ৪ লাখ ৫৭ হাজারে উন্নীত করা হয়েছে। ২০০৯ সালে বিদ্যুৎ সুবিধাপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৭ শতাংশ যা বিগত সাড়ে ৯ বছরে ৯০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, বলেন তিনি। তাঁর সরকারের প্রচেষ্টার ফলে দেশে মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বর্তমানে ৪৬৪ কিলোওয়াট-ঘণ্টায় উন্নীত হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, বিদ্যুৎ বিতরণ সিস্টেম লস ১৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ থেকে বর্তমানে ১১ দশমিক ৪০ শতাংশে হ্রাস করা সম্ভব হয়েছে। বিগত সাড়ে নয় বছরে ১ লাখ ৩০ হাজার নতুন সেচ সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। ফলে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে। তিনি বলেন, তাঁর সরকার ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা প্রতিরোধে নবায়নযোগ্য জ্বালানি হতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সারাদেশে ৫৩ লাখ সোলার হোম সিস্টেম স্থাপন করার মাধ্যমে প্রায় ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। তাছাড়া প্রায় ৩০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রিডভিত্তিক ২টি সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে। বর্তমানে ব্যবহৃত বাণিজ্যিক জ্বালানির প্রায় তিন-চতুর্থাংশ প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে পূরণ করা হচ্ছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত নতুন ৪টি গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে। গ্যাসের গড় উৎপাদন দৈনিক ১ হাজার ৭৪৪ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে দৈনিক ২ হাজার ৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে। ৮৬২ কিলোমিটার নতুন গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইন নির্মাণ করা হয়েছে। ২০০৯-২০১৮ সময়ে ৩৩টি নতুন গ্যাস স্ট্রাকচার চিহ্নিতকরণ, ১৪টি অনুসন্ধান কূপ ও ৫৭টি উন্নয়ন কূপ খনন এবং ৪৪টি কূপের ওয়ার্কওভার কাজ তাঁর সরকার সম্পাদন করেছে, বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান গ্যাসের চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে ২০২১ সালের মধ্যে মোট ১০৮টি কূপ খনন করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। তিনি বলেন, দেশের একমাত্র উৎপাদনশীল কয়লা খনি বড়পুকুরিয়া থেকে বর্তমানে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি লংওয়াল টপ কোল কেভিং (এলটিসিসি) পদ্ধতিতে গড়ে দৈনিক প্রায় ৪ হাজার হতে ৪ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন উন্নতমানের বিটুমিনাস কয়লা উত্তোলন করা হচ্ছে। দেশে গ্যাসের মজুদের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে গৃহস্থালি জ্বালানির চাহিদা পূরণে এলপিজির উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়ে ৫৬টি প্রতিষ্ঠানকে এলপিজি প্ল্যান্ট স্থাপনের অনুমতি প্রদান করায় এলপিজি সিলিন্ডারের দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে বলেও প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন। বিদ্যুৎ খাতে প্রি-প্রেইড মিটার স্থাপন এবং অনলাইনভিত্তিক সেবা প্রদান করার মাধ্যমে বিদ্যুৎ খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, পায়রা বন্দর এবং মহেশখালিতে স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কাতার ও ওমান থেকে এলএনজি আমদানি এবং স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি ক্রয়ের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এ সময় তাঁর সরকারের ব্লু ইকোনমি প্রসারের পদক্ষেপ তুলে ধরে বলেন, জাতিসংঘের সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল এবং আন্তর্জাতিক সালিশী আদালতের রায়ের ফলে বাংলাদেশের ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গ কিলোমিটার সমুদ্র এলাকা অর্জিত হয়েছে। সমুদ্রের সকল সম্পদ আহরণের লক্ষ্যে ব্লু-ইকনোমি সেল গঠন, অফশোর মডেল পিএসসি-২০১৮ এবং অনশোর মডেল পিএসসি-২০১৮ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। ভাষণের শুরুতেই দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বিকাশে বঙ্গবন্ধুর অবদান তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৭৫ সালের ৯ আগস্ট বিদেশী তেল কোম্পানির নিকট হতে ৫টি গ্যাস ফিল্ড ক্রয়ের মাধ্যমে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। কিন্তু ঘৃণ্য কুচক্রীদের হাতে জাতির পিতা শাহাদাৎবরণ করায় তাঁর এই স্বপ্ন অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার হত্যার পর ছয় বছর প্রবাস জীবন কাটাতে বাধ্য হয়ে ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আসার পর থেকে তাঁর একটাই লক্ষ্য-কিভাবে বাংলার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা যায়। বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনা যায়। তাঁর সরকারের সময়ে জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় বাংলাদেশ জায়গা করে নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের ‘রোল মডেল’। আমরাই বিশ্বে প্রথম শত বছরের ‘ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’ শুরু করেছি। শেখ হাসিনা এ সময় তাঁর রাজনৈতিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন-‘২০২১ সালে মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশকে আমরা মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করব, ইনশাআল্লাহ।’
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে ২৭৪ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে এআইআইবি
সেপ্টেম্বর ০৪, ২০১৮ মঙ্গলবার ১০:২৯ এএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ বিতরণ পদ্ধতি আধুনিকীকায়ন এবং সম্প্রসারণ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছে এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি) পরিচালনা পর্ষদের একটি প্রতিনিধিদল। বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের আওতাধীন ৮০টি সমিতিতে নতুন ২৫ লাখ বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন প্রকল্পে এআইআইবি বিনিয়োগ করেছে। এর অংশ হিসেবে ঢাকার ধামরাইয়ের কুটিরচর গ্রামে সোমবার পরিদর্শনে যায় ওই প্রতিনিধিদল। এসময় তারা প্রকল্পের আওতায় থাকা সুবিধাভোগীদের সাথে সাক্ষাৎ করেন। এআইআইবি’র এই প্রকল্পটি বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে নতুন ২৫ লাখ বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপনে জাতীয় পরিকল্পনার একটি অংশ। এর আওতায় রয়েছে দুটি গ্রিড উপকেন্দ্র আধুনিকীকায়ন করা এবং ৮৫ কিলোমিটার ঝুলন্ত বৈদ্যুতিক লাইন মাটির নিচ দিয়ে নিয়ে যাওয়া। বর্তমানে এই প্রকল্পের আওতায় থাকা ২৫ লাখ বৈদ্যুতিক সংযোগ স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং সরাসরি সুবিধা পাচ্ছেন প্রায় এক কোটি ২৫ লাখ বাংলাদেশি। প্রকল্পটির বাকি কাজ ২০১৯ সালের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রকল্পটি এইআইআইবি’র পরিচালনা পর্ষদ বাংলাদেশে অনুমোদিত তিনটি প্রকল্পের একটি এবং তিনটি প্রকল্পে এইআইআইবি’র মোট অর্থায়নের পরিমাণ প্রায় ২৭৪ মিলিয়ন (২৭ কোটি ৪০ লাখ) মার্কিন ডলার। প্রকল্পগুলো বাংলাদেশের চলমান অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে এবং ২০২১ সালের মধ্যে সবার জন্য সাশ্রয়ীমূল্যে বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতিশ্রুতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। এছাড়াও ২০৩০ সালের মধ্যে বৈদ্যুতিক চাহিদা পূরণ এবং সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে বিদ্যুতের উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণের জন্য বাংলাদেশে এ খাতে ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন। এআইআইবি’র যোগাযোগ এবং উন্নয়ন বিভাগের প্রধান লরেল অস্টফিল্ড বলেন, “আমাদের পরিচালনা পর্ষদের প্রতিনিধিদল স্থানীয় বিনিয়োগের পরিবেশ এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখার ক্ষেত্রে করণীয় সম্পর্কে জানতে এসেছেন। আমরা বাংলাদেশ সরকার ও অন্যান্য অংশীদারদের সাথে কাজের ধারা অব্যাহত রাখতে চাই, যা কোটি কোটি মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সহায়তা করবে।” বাংলাদেশের বৈদ্যুতিক অবকাঠামোগত উন্নয়নে অবদান রাখছে এআইআইবি, যার অন্যতম উদাহরণ ভোলা আইপিপি প্রকল্প। এছাড়াও এআইআইবি বাংলাদেশের তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পে বিনিয়োগের কথা বিবেচনা করছে।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
অপরিকল্পিত নগরায়ন ও শিল্পায়ন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রদানে অন্যতম প্রতিবন্ধক
সেপ্টেম্বর ০১, ২০১৮ শনিবার ০৬:০৩ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
অপরিকল্পিত নগরায়ন ও শিল্পায়ন নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রদানে অন্যতম প্রতিবন্ধক বলে মনে করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। শনিবার ঢাকায় ইস্ট-ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের সম্মেলন কক্ষে ডেইলি সান পত্রিকার উদ্যোগে আয়োজিত ‘পাওয়ার রোডম্যাপ: টার্গেট ২০২১’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সারা দেশের জন্য ডিটেইল এরিয়া প্লান করে  নগরায়ন ও শিল্পায়ন করা প্রয়োজন। এতে বিদ্যুৎ সরবরাহ সহজতর হবে। জোন বা নির্ধারিত স্থান ব্যতিত শিল্প প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়ার জন্য বিতরণ সংস্থাগুলোকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ৯২ ভাগ এলাকা বিদ্যুত এর আওতায় এসেছে। বর্তমানে বার্ষিক ৪৬৪ কিলোওয়াট – ঘণ্টা বিদ্যুৎ জনপ্রতি ব্যবহার করলেও মধ্যম আয়ের দেশে যেতে হলে ১২০০ থেকে ১৫০০ কিলোওয়াট – ঘণ্টা বিদ্যুৎ জনপ্রতি ব্যবহার করতে হবে। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, পিক- অফপিক আওয়ারে বিদ্যুতের চাহিদার গ্যাপ হ্রাসে বিশেষজ্ঞদের সুচিন্তিত মতামত প্রয়োজন। দিনের আলো বা সূর্যের আলো কীভাবে আরো ব্যবহার করা যায় তার সম্বনিত পরিকল্পনা করতেও সহযোগিতা প্রয়োজন। বিতরণ ও সঞ্চালন ব্যবস্থার  উন্নয়নের মাধ্যমে অচিরেই নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রদান সম্ভব হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি। গোলটেবিল বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন। তিনি বিদ্যুৎ খাতের অর্জন, সম্ভাবনা , ভবিষ্যৎ  ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন। ডেইলি সান পত্রিকার সম্পাদক এনামুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ডঃ আহমদ কায়কাউস, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মঈনউদ্দিন , বুয়েটের অধ্যাপক ম তামিম, সামিট পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত লেফলেন্যান্ট জেনারেল আব্দুল ওয়াদুদ, বিজিএমইএ এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফারুক হাসান, বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক পীর হাবিবুর রহমান বক্তব্য দেন।
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
সৈয়দপুরে ডিজেলভিত্তিক ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে
আগস্ট ৩০, ২০১৮ বৃহস্পতিবার ০৩:৪২ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে ১৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এইচএসডি বা ডিজেলভিত্তিক সিম্পল সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। এক্সপোর্ট ক্রেডিট এজেন্সির মাধ্যমে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের দায়িত্ব পেয়েছে চায়নার ডংফেং ইলেকট্রিক করপোরেশন। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণ করতে সরকারের ব্যয় হবে ৫৬৮ কোটি ২৯ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। বিদ্যুৎ বিভাগের এ সংক্রান্ত প্রস্তাবটি অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান। মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে ১৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এইচএসডিভিত্তিক সিম্পল সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এক্সপোর্ট ক্রেডিট এজেন্সির মাধ্যমে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের দায়িত্ব পেয়েছে চায়নার ডংফেং ইলেকট্রিক করপোরেশন। 
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
‘পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তাদেরকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের নির্দেশ’
আগস্ট ১২, ২০১৮ রবিবার ০৩:৫০ পিএম - নিউজ ডেস্ক, এনার্জিনিউজবিডি ডটকম
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা ও কর্মচারিদেরকে ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে মাঠ পর্যায়ে গ্রাহক বান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের(বিআরইবি) চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন। শনিবার ঢাকায় সদর দপ্তরে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের আওতাধীন ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তিন শতাধিক ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) এবং বিআরইবি এর মাঠ পর্যায়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও নির্বাহী প্রকৌশলীদের সম্মেলনে এ নির্দেশ প্রদান করেন তিনি। চেয়ারম্যান বলেন, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) শতভাগ বাস্তবায়ন করায় বিআরইবি বিদ্যুৎ বিভাগের মধ্যে সেরা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি লাভ করেছে। এ অর্জন আমাদের সকলকে ধরে রাখতে হবে। বিচ্ছিন্ন ঘটনার কারণে বিআরইবি বিগত দিনের অর্জিত সফলতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে দেওয়া যাবে না। মাঠ পর্যায়ের নির্বাহী প্রকৌশলী ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীগণকে ডিজিএমগণকে সহায়তার জন্য আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, সততার জন্য ইতোমধ্যে বিআরইবি অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে পুরস্কৃত করেছে। সরকার বিআরইবিকে বিপুল পরিমাণ অর্থ দেওয়ার কারণে মালামালের কোন ঘাটতি নেই। যেসব জায়গায় লাইন নির্মান করা হয়েছে সেখানে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার জন্য ডিজিএমগণকে নির্দেশনা প্রদান করেন। বেশ কয়েকটি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে সিস্টেম লস বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সিস্টেম লস সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনতে হবে। তিনি আরো বলেন, সিস্টেম আপগ্রেডেশনের জন্য সবাইকে নিষ্ঠা ও সততার সাথে একযোগে কাজ করতে হবে। শিল্প প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক পেন্ডিং আবেদনের বিপরীতে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে হবে।  চেয়ারম্যান বলেন, সামনে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা। এ কারণে গ্রাহককে দ্রুত সংযোগ এবং নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দিতে হবে। এ জন্য লাইনম্যান এবং ওয়্যারিং ইন্সপেক্টরদের সচেতন করে তুলতে হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট অভিযোগ কেন্দ্র সার্বক্ষণিক সচল রাখা এবং বিদ্যুৎ বিলের এসএমএস সংক্রান্ত সমস্যা দ্রুত নিষ্পত্তি করে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে নির্দেশ দেন তিনি।  সম্মেলনে বিইআরবি সদস্য (অর্থ) মোঃ জয়নাল আবেদীন, সদস্য (ডিএন্ডডি) মোঃ মোস্তফা কামাল, সদস্য (পিএন্ডডি) মুঃ আবদুস সালাম এবং সদস্য (সমিতি ব্যবস্থাপনা) মোঃ মাহবুবুল বাশারসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা  দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।    
ক্যাটাগরি: বিদ্যুৎ
    সাম্প্রতিক বিদ্যুৎ এর খবর
সৈয়দপুরে ডিজেলভিত্তিক ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে
‘পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তাদেরকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের নির্দেশ’
নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে সমঝোতা স্মারক সই
দেশের প্রতি ঘরে ঘরে আলো জ্বলবে : প্রধানমন্ত্রী
শতভাগ এডিপি বাস্তবায়ন করায় স্বীকৃতি পেল বিদ্যুৎ বিভাগের তিন প্রতিষ্ঠান
রূপসা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে ৫০১.৫ মিলিয়ন ডলার দেবে এডিবি
‘বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করার চেষ্টা চলছে’
‘চেয়ারম্যান এর নির্দেশে ৪৩ পরিবারে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ’
পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডকে গ্রাহকদের হয়রানিমুক্ত বিদ্যুৎ দিতে আহ্বান
‘পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডে দুই দিনব্যাপি জেনারেল ম্যানেজার সম্মেলন’
‘সামিট গ্রুপের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১,৯৪১ মেগাওয়াট’
বাংলাদেশে ৩৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করবে জিই
শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় আসছে ভোলা সদর উপজেলা
খুলনায় ৮০০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র হচ্ছে
‘৪০০ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণে পদ্মা নদী ক্রসিং এর কাজ শুরু হচ্ছে’
খুলনায় ৮শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রকল্প একনেক সভায় উপস্থাপনের অপেক্ষায়
‘সামিট গাজীপুরে ৩০০ মেগাওয়াটের আরও একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করেছে’
‘মহেশখালীতে ১,৩২০ মেগাওয়াটের আরেকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে’
‘রমজানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে গ্রীডে ১,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হচ্ছে’
বাংলা ট্র্যাক গ্রুপ আরো ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছে
জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রীডে যুক্ত হলো আরো ১০০ মেগাওয়াট
ভারত থেকে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনবে সরকার
‘পায়রায় নতুন গ্রীড সাবস্টেশন নির্মাণ হচ্ছে’
ভেড়ামারায় ৪১০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্ট উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী
ভেড়ামারা ৪১০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন বৃহস্পতিবার
হবিগঞ্জের লাখাইয়ে ৫শ’ পরিবারে বিদ্যুৎ সংযোগ
মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহে ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন নির্মাণ হচ্ছে
লক্ষ্মীপুরে কল্যাণপুর গ্রামে বিদ্যুতের নতুন সংযোগ উদ্বোধন
রবি’র মাধ্যমেও ডিপিডিসি’র প্রি-পেইড মিটার কার্ড রিচার্জ করা যাবে
    FOLLOW US ON FACEBOOK


Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy