ঢাকা, বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৬, ২০১৮, বৈশাখ ১৩, ১৪২৫ ০৭:২৩ এএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
শীর্ষ খবর
অন্য শীর্ষ খবর
    সব খবর
সাক্ষাৎকার
    সব সাক্ষাৎকার
টেন্ডার নোটিশ চাকরি ও বিজ্ঞাপন
    এনার্জি বিডি
বিদ্যুৎ
নির্মিতব্য মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে ৪০০ কেভি ক্ষমতাসম্পন্ন নতুন সঞ্চালন লাইন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি)। ওই অর্থনৈতিক অঞ্চলে বৃহৎ কলকারখানা নির্মাণ হলে সেখানে বিদ্যুতের ব্যাপক চাহিদা তৈরি হবে। এজন্য নিকটবর্তী বিএসআরএম ২৩০/৩৩ কেভি গ্রীড সাবস্টেশন থেকে মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে নির্মাণাধীন গ্রীড সাবস্টেশন পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হচ্ছে। লাইনটি নির্মাণের জন্য বুধবার  পিজিসিবি প্রধান কার্যালয়ে ভারতীয় প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান কল্পতরু পাওয়ার ট্রান্সমিশন লিঃ  এর সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি সই করা হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী আগামী ১৫ মাসের মধ্যে টার্নকী পদ্ধতিতে সঞ্চালন লাইনটি নির্মাণ করে পিজিসিবি’র কাছে হস্তান্তর করবে কল্পতরু। এ কাজে ব্যয় হবে প্রায় ৮২.২১ কোটি টাকা। পিজিসিবি ও বাংলাদেশ সরকার এ কাজে অর্থায়ন করবে। পিজিসিবি’র পক্ষে কোম্পানী সচিব মোঃ আশরাফ হোসেন এবং কল্পতরু’র পক্ষে ব্যবস্থাপক (বিজনেস ডেভলপমেন্ট) অরিত্র বোস  চুক্তিতে সই করেন। অনুষ্ঠানে বলা হয়, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) কর্তৃক নির্মিতব্য মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিভিন্ন ধরণের দেশীয় ও রপ্তানীমুখী কলকারখানা নির্মাণ করা হচ্ছে। উন্নয়ন ও উৎপাদন বজায় রাখার স্বার্থে এসব কলকারখানায় নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা প্রয়োজন। শীঘ্রই ব্যাপক আকারে বিদ্যুতের চাহিদা তৈরি হবে। বেজা ইতোমধ্যে পিজিসিবি’র গ্রীড সাবস্টেশন নির্মাণের জন্য ৫০ একর স্থান বরাদ্দ করেছে। নতুন নির্মিতব্য ৪০০ কেভি ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। চুক্তি স্বাক্ষর পর্বে পিজিসিবি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম-আলবেরুনী, নির্বাহী পরিচালক চৌধুরী আলমগীর হোসেন, মোঃ এমদাদুল ইসলাম, মোহাম্মদ শফিকউল্লাহ, মোঃ শাফায়েত হোসেন এবং প্রকল্প পরিচালক মোঃ রুব্বাতুল ইসলামসহ উভয়পক্ষের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  
বিস্তারিত   
কয়লা
দিনাজপুরের দীঘিপাড়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলনে সম্ভাব্যতা জরিপ পরিচালনার অগ্রগতি কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী  নসরুল হামিদ। শুক্রবার প্রতিমন্ত্রী সরেজমিনে প্রকল্প এলাকায় গিয়ে জরিপ পরিচালনার বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন বলে এনার্জিনিউজবিডি ডটকমকে জানান বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী হাবিব উদ্দিন আহম্মদ। হাবিব উদ্দিন বলেন, বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড এর নিজস্ব অর্থায়নে ‘ফিজিবিলিটি স্টাডি ফর ডেভেলপমেন্ট অব দীঘিপাড়া কোল ফিল্ড’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হচ্ছে। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বছরে তিন মিলিয়ন টন  কয়লা উত্তোলন করা যাবে। তিনি আরো বলেন, পরিদর্শনকালে প্রকল্পের বর্তমান কাজের অগ্রগতি প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়।  প্রকল্পের ভৌত কার্যবলী পরিদর্শনকালে কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী। দীঘিপাড়ার ছয় বর্গ কিলোমিটার এলাকায় জুড়ে একটি খনি নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য জরিপ কাজ চলছে। এই খনিটি নির্মাণ হলে বছরে তিন মিলিয়ন টন কয়লা উৎপাদন সম্ভব হবে যার মাধ্যমে ১২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। প্রতিমন্ত্রীকে দীঘিপাড়া থেকে যমুনা নদী পর্যন্ত রেল যোগাযোগের অবস্থা সম্পর্কেও অবহিত করা হয়। প্রকল্পের সার্বিক  কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে এখানে শুধু জরিপ কাজ চালানো হচ্ছে। জরিপের ফলাফল, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং এলাকাবাসীর চাহিদার ভিত্তিতে এখানে ভবিষ্যতে খনি নির্মাণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য মোঃ শিবলী সাদিক, পিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ, বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানী লিমিটেড ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী হাবিব উদ্দিন আহাম্মদ, কোম্পানি সচিব মো. আবুল কাসেম প্রাধানীয়া ও প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী খান মোঃ জাফর সাদিক উপস্থিত ছিলেন। গত ৩০ মে ২০১৭ সম্ভাব্যতা জরিপ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জার্মানী ও অস্ট্রেলিয়ার যৌথ একটি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি সই করে বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড। চুক্তি অনুযায়ী ১ জুন ২০১৭ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত অর্থাৎ ২৭ মাস ধরে সমীক্ষা চলবে।
বিস্তারিত   
নিউক্লিয়ার
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বহুল প্রতীক্ষিত দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রূপপুরের মূল নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছেন। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে নির্মাণস্থলে যে ভিতের ওপর পারমাণবিক চুল্লি তৈরী হবে তাতে কংক্রিট ঢালাই শুরু করে নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী, নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকী, সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মুহম্মদ শফিউল হক, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব মো. আনোয়ার হোসেন, প্রেস সচিব ইহসানুল করিম, বাংলাদেশে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার ইগনেটভ, রাশিয়ার স্টেট এটমিক এনার্জি কর্পোরেশন-রোসাটামের মহাপরিচালক এলেসি লিখাচেভ, রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. শৌকত আকবর এবং বাংলাদেশ ও রাশিয়ার প্রকল্পের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র ২০২৪ সালের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের যোগান দেবে। রোসাটামের মাধ্যমে রাশিয়ার আর্থিক, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ লক্ষ্যে ২০১৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ও জেএসসি অ্যাটমস্ট্রোক্সপোর্ট-এর মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ চুক্তিতে আণবিক শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান মো. মনিরুল আলম ও অ্যাটমস্ট্রোক্সপোর্ট-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির এন সাভুসকিন স্বাক্ষর করেন। রোসাটাম নিযুক্ত রাশিয়ার অ্যাটমস্ট্রোক্সপোর্ট-এর ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে এই প্রকল্প নির্মাণ করবে। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ রাশিয়ার সঙ্গে দেশের এই সর্ববৃহৎ প্রকল্পের বিনিয়োগ ব্যয় চূড়ান্ত করে। এর আগে ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে দুই দেশের মধ্যে প্রকল্পের ইঞ্জিনিয়ারিং ডিজাইন, সাইট ডেভেলপমেন্ট ও পার্সোনাল ট্রেনিংয়ের জন্য ৫শ মিলিয়ন ডলারের রাশিয়ার ঋণ চুক্তি এবং ২০১১ সালে রোসাটাম-এর সঙ্গে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি স্থাপনে রাশিয়া সব ধরনের সহায়তা দেবে এবং জ্বালানি সরবরাহ করবে ও ব্যবহৃত জ্বালানি ফেরত নেবে। ২৬২ একর জমির উপর নির্মাণাধীন এই প্রকল্পের দুই ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা হচ্ছে ২ হাজার ৪শ মেগাওয়াট। ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন।
বিস্তারিত   
গ্যাস
জ্বালানি সংকট মেটাতে ভোলায় নতুন আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র এলাকায় আরো কূপ খননের পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক বদরুল ইমাম। শনিবার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স অব বাংলাদেশ (এফইআরবি) আয়োজিত ‘ভোলা গ্যাসক্ষেত্র ও জ্বালানি নিরাপত্তা’ শীষর্ক এক সেমিনারে মূল প্রবন্ধে এ কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, “এর আগে দেশে আবিষ্কৃত প্রায় সব গ্যাসক্ষেত্রই ছিল সিলেট অঞ্চলের সুরমা বেসিনে। ভোলায় নতুন গ্যাস আবিষ্কার পর ধারণা করা হচ্ছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে মেঘনা বেসিনেও গ্যাসের মজুদ রয়েছে।” ভোলার দুই গ্যাসক্ষেত্র-শাহবাজপুর ও ভোলা উত্তর- এর কাছে চর জব্বার, চর জব্বার উত্তর ও মনপুরা এলাকায় অনুসন্ধান কার্যক্রম চালানোরও তাগিদ দেন এই ভূ-তত্ত্ববিদ। এছাড়া মহেশখালী ও সন্দ্বীপেও গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা বলে ধারণা করেন তিনি। অধ্যাপক বদরুল বলেন, বাংলাদেশ গ্যাসের উপর যেমন ভাসছে না আবার গ্যাসের প্রাপ্তি কিংবা মজুদও শেষ হয়ে যায়নি। দেশে এখনও বিপুল পরিমাণ গ্যাস আবিষ্কারের  সম্ভাবনা রয়েছে। এ জন্য পর্যাপ্ত অনুসন্ধান চালাতে হবে। কিন্তু সত্যিকারের আগ্রহ ও উদ্যোগের অভাবে তা অনাবিষ্কৃতই থেকে যাচ্ছে বলে মনে করেন তিনি। এছাড়া গ্যাসের প্রমাণিত মজুদ কমে আসার প্রবণতার মধ্যে ভোলায় নতুন গ্যাসক্ষেত্র নতুন আশা তৈরি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে গ্যাস অনুসন্ধানে বড় ধরণের এবং সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। শুধু আমদানি নয়, দেশজ উৎস থেকেও জ্বালানির সংস্থান করতে না পারলে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে না। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, ভোলায় আবিষ্কৃত নতুন গ্যাসক্ষেত্র এবং শাহবাজপুর ক্ষেত্রে মজুদবৃদ্ধিতে প্রায় দেড় ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) গ্যাস জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। এই গ্যাস দিয়ে ৬০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করে তা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যেতে পারে। ভোলার গ্যাস বরিশাল ও খুলনাসহ মূল ভূখণ্ডে আনার লক্ষ্যে পাইপলাইন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের গ্যাসক্ষেত্রগুলোয় আরো বেশি উন্নয়ন কূপ খনন করতে হবে। নতুনভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। এতে আরো বেশি গ্যাস পাওয়া যাবে। অতীতে দেখা গেছে, পুনঃমূল্যায়নে গ্যাসের উৎপাদন বেড়েছে। আর বিদ্যমান  সংকট মেটাতে অনুসন্ধান ও উত্তোলনের পাশাপাশি এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য দেন রাশিয়ার জ্বালানি বিষয়ক সংস্থা গ্যাজপ্রম এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সার্গে তুমানোভ, বাপেক্সের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমজাদ হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি এএসএম মাকসুদ কামাল প্রমুখ।
বিস্তারিত   
পেট্রোলিয়াম
চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম ফের কমাতে যাচ্ছে সরকার। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য কম থাকায় দেশের অভ্যন্তরে পেট্রল ও অকটেনে ৫ শতাংশ এবং কেরোসিন ও ডিজেলে ৮ শতাংশ দাম কমানো হতে পারে। এর ফলে পেট্রলের দাম হবে ৮১ টাকা ৭০ পয়সা, অকটেনের দাম হবে ৮৪ টাকা ৫৫ পয়সা। আর কেরোসিন এবং ডিজেলের দাম হবে ৬০ টাকা। এ চার পণ্যের দাম কমানো হলেও আপাতত পরিবর্তন হচ্ছে না জেট-এ-১ এবং ফার্নেস অয়েলের দাম। চলতি সপ্তাহেই দাম কমানোর একটি প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হতে পারে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। পরে তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। প্রধানমন্ত্রী এতে অনুমোদন দিলে তা কার্যকরের উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানান তিনি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ প্রস্তাব অনুমোদন পেলে বিশেষ করে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম কমালে বা সমন্বয় করলে দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও গ্রামাঞ্চলের মানুষই বেশি উপকৃত হবে। ডিজেলের দাম কমলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ভর্তুকি কমবে। পাশাপাশি কৃষক ও বিদ্যুৎচালিত পাম্প ব্যবহারকারীরাও বিশেষ সুফল পাবে। জ্বালানি তেলের দাম কমানোর ব্যাপারে অর্থ মন্ত্রণালয় একটি সারসংক্ষেপ তৈরি করেছে। সারসংক্ষেপে পেট্রলের দাম ৪ টাকা ৩০ পয়সা, অকটেনের ৪ টাকা ৪৫ পয়সা কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। দেশের বাজারে বর্তমানে পেট্রলের খুচরা মূল্য ৮৬ টাকা। ৪ টাকা ৩০ পয়সা কমালে পেট্রলের দাম হবে ৮১ টাকা ৭০ পয়সা। অকটেন বিক্রি হচ্ছে ৮৯ টাকায়। ৪ টাকা ৪৫ পয়সা কমালে এটির মূল্য হবে ৮৪ টাকা ৫৫ পয়সা। একই ভাবে কেরোসিন ও ডিজেলে ৫ টাকা করে কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে দুইটি পণ্যই ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ৫ টাকা করে কমালে পণ্য দুইটির মূল্য হবে ৬০ টাকা করে। তবে এ চার জ্বালানি পণ্যের দাম কমানো হলেও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) প্রতিটিতেই লাভে থাকবে। পেট্রলে লাভ হবে ১১৬ কোটি টাকা, অকটেনে লাভ হবে ১২৫ কোটি টাকা, কেরোসিনে লাভ হবে ৩৩৫ কোটি টাকা, আর ডিজেলে লাভ হবে ১ হাজার ২৭৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ দাম কমানোর পরও জ্বালানি খাতের এ চার পণ্য থেকেই বিপিসি বছরে ১ হাজার ৮৫৪ কোটি ৭২ লাখ টাকা লাভ করবে। আগামী দিনে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য কেমন থাকবে, তা বিশ্লেষণ করে এ প্রস্তাবগুলো করা হয়েছে বলে সারসংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, সম্প্রতি প্রকাশিত ব্লুমবার্গ নিউজ অনুযায়ী, গেল তিন বছরে জ্বালানি তেলের মূল্য পতন হলেও বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০১৭ সালে এটি কিছুটা স্থিতিশীল থাকবে। এক্ষেত্রে জ্বালানি তেল বিশেষ করে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল বিক্রি হবে ব্যারেলপ্রতি ৫৮ মার্কিন ডলারে। আর গালফ রিসার্চ সেন্টারের তথ্য মতে, চলতি বছর তেলের ব্যারেলপ্রতি মূল্য ৬০ মার্কিন ডলারের মধ্যেই ওঠানামা করবে। এছাড়া বিশ্বব্যাংকের প্রক্ষেপণ অনুযায়ীও চলতি বছর ব্যারেলপ্রতি মূল্য দাঁড়াবে ৫৫ দশমিক ২ মার্কিন ডলার। এ হিসেবে বলা যায়, চলতি বছর ব্যারেলপ্রতি জ্বালানি তেলের মূল্য ৬০ মার্কিন ডলারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। ৬০ মার্কিন ডলার বিবেচনায় হিসাব করলে আট শতাংশ কমালে ডিজেলে লাভ থাকবে ৩ টাকা ২২ পয়সা। কেরোসিনের মূল্যও ৬০ টাকা ধরলে লাভ হবে ১০ টাকা ৫৬ পয়সা।
বিস্তারিত   
এলপিজি
বিস্তারিত   
    এনার্জি বিডি এর সব খবর
    গ্রীণ এনার্জি
নবায়নযোগ্য
বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন  বোর্ড ও নারায়নগঞ্জ সিটি করপোরেশন একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে। বুধবার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে ওই সমঝোতা স্মারকে সই করেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সচিব মীনা মাসুদ উদ-জামান ও নারায়নগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এএফএম এহতেশামুল হক। সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, ৩ থেকে ৫ মেগাওয়াটের আইপিপি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এজন্য নারায়নগঞ্জ সিটি করপোরেশন দৈনিক ৩০০ থেকে ৫০০ টন বর্জ্য সরবরাহ করবে। কেন্দ্রটি নির্মাণে ১০ থেকে ১২ একর জমির প্রয়োজন হবে। স্মারক সইয়ের আগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, পরিচ্ছন্ন নগরীর জন্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অপরিহার্য। শহরের আকার দিনে দিনে বড় হচ্ছে, যত্রতত্র ময়লা ফেলার সুযোগ নেই। ডাম্পিং স্টেশন প্রয়োজন। বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এতে একদিকে যেমন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সঠিক হবে অন্যদিকে শক্তি উৎপাদন সম্ভব হবে। তিনি বলেন, পরিবেশ বান্ধব দুষণমুক্ত ও স্মার্ট সিটি বিনির্মাণে বর্জ্যের সুষ্ঠু ব্যবহার করতে হবে। ঢাকা শহরে প্রতিদিন প্রায় ৯০০০ টন বর্জ্য হয়। ৮০-১০০ টন বর্জ্য হতে ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। সে হিসেবে ৯০ মেগাওয়াট এর বেশি বিদ্যুৎ ঢাকা সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকা হতে উৎপাদন সম্ভব। এতে শহর পরিস্কার হওয়ার পাশাপাশি ময়লা ডাম্পিং এর সুনির্দিষ্ট স্থান হবে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে নারায়নগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা রহমান আইভি, বিদ্যুৎ বিভাগের  সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস,বিপিডিবি’র চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ বক্তব্য রাখেন।
বিস্তারিত   
দক্ষতা ও সংরক্ষণ
সূর্যের আলোর অন্তত চার ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ ২৬  শতাংশের মতো শক্তিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর করতে পারে এমন সৌর প্যানেল বানিয়েছে বিজ্ঞানীরা। এত বেশি সামর্থ্য আগে কোনো সৌর প্যানেল দেখাতে পারেনি। তাই জাপানের একদল গবেষকের এটা বড় সাফল্য। নেচার এনার্জি সাময়িকী জানায়, ওই গবেষকেরা সিলিকনের সৌর প্যানেল বানিয়েছেন। এটি অন্য যেকোনো প্যানেলের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর অর্থাৎ সূর্য থেকে সংগৃহীত ২৬ দশমিক ৩ শতাংশ শক্তিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর করতে পারে। এখন বড় পরিসরে সিলিকন সৌরকোষ তৈরির জন্য উপযুক্ত প্রক্রিয়া ব্যবহার করলে ২৬ শতাংশ পর্যন্ত কার্যকারিতা মিলেছে। অবশ্য এসব নতুন প্যানেল এখনো বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির উপযোগী হয়নি। গবেষণায় এটির কার্যকারিতা প্রমাণিত হলেও বাণিজ্যিকভাবে বাজারজাত করার আগে আরও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। গাছের পাতাকে প্রাকৃতিক সৌর প্যানেল বলা যায়। সেটার সালোকসংশ্লেষণ সক্রিয়তা ৩ থেকে ৬ শতাংশের মতো হয়ে থাকে। জাপানে ওই গবেষণায় যুক্ত বিজ্ঞানীরা বলছেন, নতুন প্যানেলটির সক্রিয়তা তাঁরা আরও বাড়ানোর উপায় খুঁজে পেয়েছেন। তাহলে এটি ২৯ দশমিক ১ শতাংশ পর্যন্ত সূর্যালোককে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে পরিণত করতে পারবে। ওসাকার কানেকা করপোরেশনের ওই গবেষক দলের বক্তব্য হচ্ছে- সিলিকন সৌর কোষের কার্যকারিতা বৃদ্ধির ব্যাপারটা আরও বেশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করবে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, যেমন আজীবন ব্যবহার্য এবং দৃষ্টি-সম্পর্কিত জিনিসপত্রেরও আধুনিকায়ন দরকার। এতে সেগুলো বারবার পরিবর্তনের প্রয়োজন ফুরাবে। সূত্র: ইন্ডিপেনডেন্ট      
বিস্তারিত   
প্রযুক্তি
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আগামীর অর্থনৈতিক উন্নতি এবং জলবায়ু নীতি গ্রহণ ও বাস্তবায়নে উচ্চ দক্ষতার এবং কম কার্বন ডাইঅক্সাইড নি:সরণ ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রযুক্তি (এইচইএলই) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এইচইএলই কয়লা প্রযুক্তি এই অঞ্চলের ৬০ কোটি মানুষের কাছে নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী মূল্যের বিদ্যুৎ পৌঁছে দেবে এবং অবিশ্বাস্যভাবে কার্বন নি:সরণও কমবে। আসিয়ান সেন্টার ফর এনার্জি এবং ওয়ার্ল্ড কোল অ্যাসোসিয়েশনের (ডব্লিউসিএ) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। আসিয়ান দেশগুলোর জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানি, টেকসই উন্নয়নের খরচ ও লাভের বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩৫ সাল নাগাদ আসিয়ান দেশগুলো তাদের কয়লাভিত্তিক উৎপাদন সক্ষমতাকে আধুনিকায়ন করবে। এর মাধ্যমে এ অঞ্চলে সামগ্রিকভাবে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন টন কার্বন নি:সরণ কমবে। এটি যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্বন দূষনের সমপরিমান। অক্সফোর্ড ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি স্টাডিজ’র এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, ২০২৫ সাল নাগাদ দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার কয়লা ব্যবহার সক্ষমতা ১৪৮ গিগাওয়াটে দাঁড়াবে। এটি ২০১৫ সালের চেয়ে ১৩৯ শতাংশ বেশী। ২০২৫ সালের মধ্যে গ্যাসের বদলে কয়লা এই অঞ্চলের এক নম্বর উৎস হিসেবে জ্বালানির স্থান দখল করবে। বিশ্বে অন্যতম দ্রুতবর্ধনশীল অর্থনীতির অঞ্চল আসিয়ান। প্রতিবছর ৬ শতাংশের বেশী অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পূর্বাভাস এ অঞ্চলের। গত ২০ বছরে কোটি মানুষের দারিদ্র্য দূর হয়েছে এবং বিদ্যুৎহীন জনসংখ্যার পরিমাণ অর্ধেকে দাঁড়িয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি ভবিষ্যদ্বানী, ২০৪০ সাল নাগাদ আসিয়ান অঞ্চলের জ্বালানি চাহিদা ৮০ শতাংশ বাড়বে। এক্ষেত্রে কম কার্বন নি:সরণের কয়লা বেশি পছন্দ। এ সময়ে বিদ্যুতের ৫০ শতাংশ উৎপাদিত হবে কয়লা থেকে। ২০২০ থেকে ২০৩৫ পর্যন্ত সব ধরণের কয়লাই আসিয়ান দেশগুলোর জন্য সবচেয়ে কম খরচের বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপায়। এমনকি আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লা উৎপাদনও সব ধরণের নবায়নযোগ্য এবং গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের চেয়ে সাশ্রয়ী। কার্বন নি:সরণ কমানো, অর্থনৈতিক প্রাধিকার বাস্তবায়ন, সাশ্রয়ী এবং নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনে এইচইএলই আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে। সূত্র: ওয়ার্ল্ড কোল ডটকম
বিস্তারিত   
    গ্রীণ এনার্জি এর সব খবর
    এনার্জি ওয়ার্ল্ড
আঞ্চলিক
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন রোসাটমের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এএসই গ্রুপ অব কোম্পানীজ এবং নিউক্লিয়ার পাওয়ার কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া ভারতের তামিলনাডুর কুদানকুলাম পারমাণবিক প্রকল্পের তৃতীয় ধাপ বাস্তবায়নে একটি ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি সই করেছে। সম্প্রতি রাশিয়ার সেন্ট-পিটারসবার্গে অনুষ্ঠিত ১৮তম ভারত-রাশিয়া বার্ষিক সামিট চলাকালে চুক্তিতে সই করেন এএসই গ্রুপ অব কোম্পানীজের প্রেসিডেন্ট ভ্যালেরি লিমারেঙ্কা এবং নিউক্লিয়ার পাওয়ার কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ও ব্যাবস্থাপনা পরিচালক সতীশ কুমার শর্মা। রোসাটমের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার জানানো হয়, কুদানকুলাম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প সাইটে আরো দুইটি (৫ এবং ৬ নম্বর) রাশিয়ার ডিজাইনকৃত বিদ্যুৎ ইউনিট স্থাপিত হবে। কুদানকুলাম সাইটে রাশিয়ার সহযোগিতায় প্রথম ধাপে ইতোমধ্যে ইউনিট-১ ও ২ এর নির্মাণ এবং কমিশনিং এর কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং ২য় ধাপে ইউনিট-৩ ও ৪ নির্মাণাধীন রয়েছে। চলতি মাসেই ইউনিট গুলোর  ফার্স্ট কংক্রিট স্থাপন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কুদানকুলাম প্রকল্পে সকল ইউনিট গুলো রুশ ভিভিইআর-১০০০ প্রযুক্তি নির্ভর। এ প্রযুক্তি রাশিয়া এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এর সকল রেগুলেটরি এবং টেকনিক্যাল চাহিদা মেটানো ছাড়াও ইউরোপীয়ান ইউটিলি রিকোইয়্যারমেন্টস (ইইউআর) এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। ইতোপূর্বে ২০০৮ সালের ৫ ডিসেম্বর ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে একটি আন্তঃসরকারি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির মূল বিষয় ছিল কুদানকুলাম পারমাণবিক বিদ্যূৎ প্রকল্পে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ইউনিট স্থাপনসহ ভারতের অন্যান্য স্থানে রাশিয়ার ডিজাইনকৃত পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইউনিট নির্মাণ।
বিস্তারিত   
অন্যান্য দেশ
যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলন দৈনিক গড়ে ছয় লাখ ব্যারেল বেড়েছে। এ খাতে ২০১৭ সালজুড়ে প্রবৃদ্ধি ছিলো যা চলতি বছরের শুরুতেও অব্যাহত আছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশটিতে জ্বালানি পণ্যটির দৈনিক গড় উত্তোলন আগের মাসের তুলনায় ছয় লাখ ব্যারেল বেড়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ইআইএ) প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে ১৯৭০ সালে দেশটিতে জ্বালানি তেলের দৈনিক গড় উত্তোলন রেকর্ড ছুঁয়েছিল। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় কূপগুলো থেকে প্রতিদিন গড়ে ৯৬ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলন হয়েছিল। সে হিসাবে, পাথুরে ভূমি থেকে উত্তোলন করা শেল খাতের ওপর ভর করে ২০১৭ সালে দেশটিতে জ্বালানি পণ্যটির উত্তোলন ১৯৭০ সালের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছে ইআইএ। সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দৈনিক গড় উত্তোলনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৯ লাখ ৬৪ হাজার ব্যারেলে। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে দেশটিতে প্রতিদিন গড়ে ৯৯ লাখ ৫৮ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলন হয়েছিল। সে হিসাবে, এক মাসের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় কূপগুলো থেকে জ্বালানি পণ্যটির দৈনিক গড় উত্তোলন বেড়েছে ছয় লাখ ব্যারেল। গত বছরের নভেম্বরে দেশটিতে প্রতিদিন গড়ে ৯৩ লাখ ১৮ হাজার ব্যারেল জ্বালানি তেল উত্তোলন হয়েছিল। অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলনকারী দেশগুলোর তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান বিশ্বে তৃতীয়। গত জানুয়ারিতে প্রকাশিত ইআইএর শর্ট-টার্ম এনার্জি আউটলুকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে দেশটিতে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলনের দৈনিক গড় পরিমাণ ১ কোটি ব্যারেলের সামান্য নিচে ছিল। চলতি বছর এর পরিমাণ বেড়ে ১ কোটি ২ লাখ ২৭ হাজার ব্যারেলে দাঁড়াতে পারে। প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের গড় উত্তোলন ১ কোটি ৮ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল ছাড়িয়ে যেতে পারে। সূত্র:  রয়টার্স।  
বিস্তারিত   
    এনার্জি ওয়ার্ল্ড এর সব খবর
    পরিবেশ
 
যদি দক্ষিণ-পূর্বএশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান এবং তাইওয়ানে ২০৩০ সাল পর্যন্ত নতুন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ না করা হয় তবে বছরে প্রায় ৫০ হাজার প্রাণ বেঁচে যাবে। সম্প্রতি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক ও গ্রিনপিস ইন্টারন্যাশনালের এক গবেষণায় এ তথ্য জানা গেছে। গত শুক্রবার এক বিবৃতিতে সারসংক্ষেপ আকারে তা তুলে ধরেছে গ্রিনপিস। বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমানে পরিকল্পনাধীন অথবা নির্মাণাধীন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো যদি কার্যক্রম শুরু করে, তবে প্রতিবছর কয়লা থেকে সৃষ্ট দূষণে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করবে। যেখানে বর্তমানে এ কারণে বার্ষিক মৃত্যুর সংখ্যা ২০ হাজার। আর মৃতদের সিংহভাগই হবেন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাসিন্দা। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাটমসফেরিক সায়েন্সেস মডেলিং গ্রুপের একদল গবেষক, হার্ভার্ড স্কুল অব পাবলিক হেলথ ও গ্রিনপিস এ অঞ্চলের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বর্তমানে নির্গত কার্বন মাত্রার বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে। সংগৃহীত তথ্য যাচাই-বাছাই করে পরিচালিত হয় গবেষণা কার্যক্রম। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও তাইওয়ানে কয়লা নির্গমনে সৃষ্ট দূষণের মাত্রা নির্ণয়ে একটি বায়ুমণ্ডলীয় মডেল ব্যবহৃত হয়েছে বলে জানায় গ্রিনপিস। বর্তমানে এই অঞ্চলের বিদ্যুৎ চাহিদার অধিকাংশই জীবাশ্ম জ্বালানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। ২০৩৫ সালে এ অঞ্চলের বিদ্যুৎ চাহিদা ২০১১ সালের তুলনায় ৮৩ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে, যা বৈশ্বিক গড় চাহিদার দ্বিগুণের বেশি। গ্রিনপিসের পূর্ব এশিয়া শাখার সিনিয়র গ্লোবাল কোল ক্যাম্পেইনার লরি মুল্লুভিরতা জানান, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় বিদ্যুত্ উৎপাদনকেন্দ্রে কার্বন নির্গমনের মান অত্যন্ত নিম্নমানের। এ কারণেই এ অঞ্চলে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রের সম্প্রসারণ পরিকল্পনা উদ্বেগের সৃষ্টি করছে। তিনি বলেন, এখনো জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি নীতি পরিবর্তনের মাধ্যমে কয়েক হাজার নাগরিকের জীবন রক্ষার সুযোগ রয়েছে এসব দেশের সরকারগুলোর হাতে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিদ্যুৎ চাহিদা বৃদ্ধির ফলে কয়লানির্ভরতার সহজাত ঝুঁকি বৃদ্ধির  বিষয়ে গবেষণায়ও আলোকপাত করা হয়েছে। এছাড়া পরিকল্পিত কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, কোরিয়া ও জাপানের কার্বন নির্গমনের মাত্রা তিন গুণ বৃদ্ধি পাবে। গ্রিনপিসের জানায়, যা যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামের মিলিত দূষণকেও ছাড়িয়ে যাবে। সূত্র: ব্লুমবার্গ।
বিস্তারিত   
    পরিবেশ এর সব খবর
    জরিপ
    গুরুত্বপূর্ণ নথি
Electricity Act-2018.pdf
   আরও নথি
মতামত
    সব মতামত
বিজনেস
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ  প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এর সাথে জাপানের রাষ্ট্রদূত হিরোয়াসু ইঝোমি  রোববার সচিবালয়ে তাঁর অফিস কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় তারা পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ে আলোচনা করেন এবং পাশাপাশি  বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আরো বিনিয়োগের আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়। প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে জাইকা’র অর্থায়নে ৫টি প্রকল্প এবং বিদ্যুৎ বিভাগে ১১টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন। এসব প্রকল্প নির্ধারিত সময়েই সম্পন্ন করার জন্য তাঁর সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি এ খাতের উন্নয়নে আরো বিনিয়োগের অনুরোধ করেন । রাষ্ট্রদূত বলেন, বন্ধুত্বপূর্ণ  দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে দৃশ্যমান কাজ গুলো এগিয়ে নিতে হবে। জাপানীজ কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশীপে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করছে। আগামী বছর থেকেই বাস্তবিক প্রয়োগ দেখা যাবে। এ সময় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত, নতুন বিনিয়োগ, কাফকো, ইত্যাদি বিষয় আলোচনা করা হয়।  আলোচনাকালে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব নাজিমউদ্দিন চৌধুরী ও জাপানী দূতাবাসের কাউন্সিলর ইয়াসুহারু শিনতু উপস্থিত ছিলেন।   
বিস্তারিত   
    বিজনেস এর সব খবর
অন্যান্য
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান আবু হেনা মোঃ রহমাতুল মুনিমকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ নিয়োগ দেওয়া হয়। বর্তমানে চুক্তিতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব পদে নাজিমউদ্দিন চৌধুরী নিয়োজিত আছেন। তাঁর চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে চলতি বছরের ৯ মে। সে হিসেবে নতুন সচিব রহমাতুল মুনিম আগামী ১০ মে যোগ দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিসিএস (প্রশাসন) ৮৪ ব্যাচের কর্মকর্তা মুনিম বিপিসিতে যোগদানের পর অনেক উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে জ্বালানি তেলের চুরি বন্ধে নিয়মিত অভিযান, জ্বালানি তেলের ফিলিং স্টেশন নীতিমালা আধুনিকায়ন, কনডেনসেট সরবরাহ ও ব্যবহারে জটিলতা দূরীকরণ, লুব অয়েল নীতিমালার খসড়া প্রণয়ন, বাংলাদেশ সেনা ও নৌ বাহিনীর তত্ত্বাবধানে জ্বালানি তেল পরিবহনের জন্য পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্প। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগ থেকে ১৯৮১ সালে অনার্স এবং ১৯৮২ সালে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। আর ১৯৮৬ সালের ২১ জানুয়ারি সহকারী সচিব পদে তৎকালীন সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন। ১৯৬১ সালের ৬ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জে জম্মগ্রহণ করেন তিনি।
বিস্তারিত   
    অন্যান্য সব খবর
    সম্পর্কীয় প্রতিষ্ঠানের লিংক
Ministry of Science and Technology
Ministry of Power, Energy and Mineral Resources (Energy Division)
Ministry of Power, Energy and Mineral Resources (Power Division)
Bangladesh Energy Regulatory Commission (BERC)
   আরও সম্পর্কীয় প্রতিষ্ঠান
    অন্য গুরুত্বপূর্ণ লিংক
International Renewable Energy Agency
International Energy Agency
Daily Gas Production Report
Daily Electricity Generation Report
   আরও লিংক
    FOLLOW US ON FACEBOOK
ফটো গ্যালারি
    সব ফটো
ভিডিও
    সব ভিডিও
    সাম্প্রতিক খবর   সর্বাধিক পঠিত
   সম্পাদক এর নির্বাচিত

Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy

   Editor & Publisher: Aminur Rahman
   Copyright @ 2015-2018 energynewsbd.com
   All Rights Reserved | Developed By: Jadukor IT