ঢাকা, সোমবার, জুন ১৮, ২০১৮, আষাঢ় ৪, ১৪২৫ ১১:৩৩ পিএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
শীর্ষ খবর
অন্য শীর্ষ খবর
    সব খবর
সাক্ষাৎকার
    সব সাক্ষাৎকার
টেন্ডার নোটিশ চাকরি ও বিজ্ঞাপন
    এনার্জি বিডি
বিদ্যুৎ
বাংলা ট্র্যাক গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান বাংলা ট্র্যাক পাওয়ার ইউনিট–২ লিমিটেড জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রীডে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছে। গত ১৬ এপ্রিল থেকে এ বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয় বলে কোম্পানীটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি যশোরের নওয়াপাড়ায় স্থাপিত। এছাড়া কুমিল্লার দাউদকান্দিতে  বাংলা ট্র্যাক পাওয়ার ইউনিট–১ লিমিটেড এর স্থাপিত ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে। সেটিও কয়েক দিনের মধ্যে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রীডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে সক্ষম হবে। বিদ্যুতের ঘাটতি পূরণে বাংলা ট্র্যাক গ্রুপের কার্যক্রমের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যন মোহাম্মাদ আমিনুল হক বলেন, “অনেক দিন যাবত দেশের বিদ্যুৎ ঘাটতি পূরণে কাজ করে আছে আমাদের কোম্পানি। আজ অত্যন্ত সফলতার সাথে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রীডে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।” বাংলা ট্র্যাক গ্রুপের সফলতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর তারিক একরামুল হক বলেন, “সফলতার সাথে বাংলা ট্র্যাক পাওয়ার ইউনিট –২ লিমিটেড এর বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির কমিশনিং শুরু করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। তবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য দেশের সবস্থানে বিদ্যুতের সুবিধা পৌঁছে দেওয়া। আর এ লক্ষ্য পূরণে বাংলা ট্র্যাক সবসময় কাজ করে যাবে।” বাংলা ট্র্যাক লিমিটেড বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম। দেশের টেলিযোগাযোগ খাত, বিদ্যুৎ খাত, রেস্টুরেন্ট ব্যবসা এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বাংলা ট্র্যাক লিমিটেড।
বিস্তারিত   
কয়লা
দিনাজপুরের দীঘিপাড়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলনে সম্ভাব্যতা জরিপ পরিচালনার অগ্রগতি কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী  নসরুল হামিদ। শুক্রবার প্রতিমন্ত্রী সরেজমিনে প্রকল্প এলাকায় গিয়ে জরিপ পরিচালনার বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন বলে এনার্জিনিউজবিডি ডটকমকে জানান বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী হাবিব উদ্দিন আহম্মদ। হাবিব উদ্দিন বলেন, বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড এর নিজস্ব অর্থায়নে ‘ফিজিবিলিটি স্টাডি ফর ডেভেলপমেন্ট অব দীঘিপাড়া কোল ফিল্ড’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হচ্ছে। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বছরে তিন মিলিয়ন টন  কয়লা উত্তোলন করা যাবে। তিনি আরো বলেন, পরিদর্শনকালে প্রকল্পের বর্তমান কাজের অগ্রগতি প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়।  প্রকল্পের ভৌত কার্যবলী পরিদর্শনকালে কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী। দীঘিপাড়ার ছয় বর্গ কিলোমিটার এলাকায় জুড়ে একটি খনি নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য জরিপ কাজ চলছে। এই খনিটি নির্মাণ হলে বছরে তিন মিলিয়ন টন কয়লা উৎপাদন সম্ভব হবে যার মাধ্যমে ১২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। প্রতিমন্ত্রীকে দীঘিপাড়া থেকে যমুনা নদী পর্যন্ত রেল যোগাযোগের অবস্থা সম্পর্কেও অবহিত করা হয়। প্রকল্পের সার্বিক  কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে এখানে শুধু জরিপ কাজ চালানো হচ্ছে। জরিপের ফলাফল, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং এলাকাবাসীর চাহিদার ভিত্তিতে এখানে ভবিষ্যতে খনি নির্মাণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য মোঃ শিবলী সাদিক, পিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ, বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানী লিমিটেড ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী হাবিব উদ্দিন আহাম্মদ, কোম্পানি সচিব মো. আবুল কাসেম প্রাধানীয়া ও প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী খান মোঃ জাফর সাদিক উপস্থিত ছিলেন। গত ৩০ মে ২০১৭ সম্ভাব্যতা জরিপ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জার্মানী ও অস্ট্রেলিয়ার যৌথ একটি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি সই করে বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড। চুক্তি অনুযায়ী ১ জুন ২০১৭ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত অর্থাৎ ২৭ মাস ধরে সমীক্ষা চলবে।
বিস্তারিত   
নিউক্লিয়ার
দেশব্যাপী বিভিন্ন বিকিরণ স্থাপনার লাইসেন্স প্রদানের জন্য অনলাইনভিত্তিক ই-লাইসেন্সিং সেবা চালু করেছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বাপশনিক)। গত ২৯ মার্চ ঢাকার আগারগাঁওস্থ পরমাণু কর্তৃপক্ষের সেমিনার কক্ষে এ সেবার উদ্বোধন করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ সরকার দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তর করেছে। এটি আজ বাংলাদেশের বাস্তবতা। আর ইতোমধ্যে এর সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ সারাদেশে তেজস্ক্রিয় বা বিকিরণ উৎস ও বিকিরণ উৎপাদনকারী যন্ত্রপাতির ব্যবহার, পরিবহণ, আমদানি-রপ্তানি, তেজস্ক্রিয় বর্জ্য-ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য কাজের ক্ষেত্রে বিভিন্ন শ্রেণির লাইসেন্স প্রদান করে থাকে। পাশাপাশি এসবের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মী-কর্মকর্তা ও অন্যান্য ব্যক্তিবর্গকে তেজস্ক্রিয়তার ক্ষতিকর দিক ও সুরক্ষার উপায় সম্পর্কে  সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ সেবা প্রদান করে। এখন থেকে এ দুটি সেবা অনলাইনে পাওয়া যাবে। অনলাইনে লাইসেন্সের জন্য ells.baera.gov.bd  ও প্রশিক্ষণের জন্য elearning.baera.gov.bd ওয়েবসাইটে আবেদন করা যাবে। লাইসেন্সিং এবং প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়া অনলাইন সিস্টেমে রূপান্তরের ফলে জনগণ সহজেই এ দুটি সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নঈম চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ কর্মশালায় আরো বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোঃ খলিলুর রহমান এবং বায়েরা’র সদস্য অধ্যাপক ডা. সাহানা আফরোজ।    
বিস্তারিত   
গ্যাস
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির কারণেই আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের বছরে ফের বাড়ছে প্রধান জ্বালানি গ্যাসের দাম। গৃহস্থালি এবং বাণিজ্যিক ছাড়া সকল প্রকার গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছে সব বিতরণ কোম্পানি। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আগামী ১১ জুন থেকে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির জন্য গণশুনানির দিন নির্ধারণ করে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। গত ৯ মে জারি করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণশুনানির প্রথম দিন ১১ জুন গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড (জিটিসিএল) এর সঞ্চালন মাসুল বৃদ্ধির প্রস্তাবের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। শুনানি চলবে ২১ জুন পর্যন্ত। পর্যায়ক্রমে ১৩ জুন তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড, ১৪ জুন বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড, ১৮ জুন জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড, ১৯ জুন কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড, ২০ জুন পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড এবং ২১ জুন সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানী লিমিটেডের গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ওপর শুনানি হবে। এবার দাম বাড়বে গ্রিড সংযুক্ত বিদ্যুৎ, নিজস্ব উদ্যোগে স্থাপিত বিদ্যুৎ বা ক্যাপটিভ পাওয়ার, শিল্প, সার কারখানা, সিএনজি এবং চা বাগানের গ্যাসের । গ্যাসের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সঞ্চালন মাসুলও বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এজন্য জিটিসিএল এর মাসুল বৃদ্ধির প্রস্তাবটিও বিবেচনা করা হচ্ছে। এর আগে বিতরণ কোম্পানিগুলো প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম গ্রিড বিদ্যুৎ উৎপাদনে ২০৬ ভাগ বাড়িয়ে ৩ দশমিক ১৬ টাকা থেকে ১০ দশমিক ৪৮ টাকা। ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ উৎপাদনে ৬৬ ভাগ বাড়িয়ে ৯ দশমিক ৬২ টাকা থেকে ১৬ টাকা এবং সার উৎপাদনে ৩৭২ ভাগ বাড়িয়ে ২ দশমিক ৭১ টাকা থেকে ১২ দশমিক ৮০ টাকা বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। শিল্পে ৯৩ ভাগ বাড়িয়ে ৭ দশমিক ৭৬ টাকা থেকে ১৪ দশমিক ৯০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। আর সিএনজিতে ৪০ টাকার গ্যাসের দাম বাড়িয়ে ৪৮ টাকার প্রস্তাব করা হয়েছে। বৃদ্ধির হার ১২০ ভাগ। সরকার গ্যাসের দাম বৃদ্ধির যুক্তি হিসেবে এলএনজি আমদানির উচ্চব্যয় বহনের কথা বলছে। সরকারের পক্ষে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দেয়া সম্ভব নয় বলে জানানো হয়েছে। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে দেশে এলএনজি আমদানি সরবরাহ শুরু হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত বছর ফেব্রুয়ারিতে গ্যাসের দাম গড়ে ২২ দশমিক ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়। একই বছরের মার্চ ও জুলাই থেকে দুই ধাপে তা কার্যকর হয়। বর্তমানে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের গড় মূল্য সাত টাকা ৩৫ পয়সা। বর্তমানে আবাসিক সংযোগে এক চুলার জন্য মাসে ৭৫০ টাকা এবং দুই চুলার জন্য ৮০০ টাকা করে দিতে হচ্ছে গ্রাহককে।
বিস্তারিত   
পেট্রোলিয়াম
ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনে ফ্রান্সের সহযোগিতা চেয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। গত ৮ এপ্রিল সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রীর অফিস কক্ষে তার সাথে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মারি আনিক বুর্দিন  সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ সহযোগিতা চান। এ সময় তারা পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ে আলোচনা করেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের পারস্পারিক সহযোগিতার উপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, আমাদের সম্পর্ক সুদৃঢ় করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। এ সময় ফ্রান্সের কোম্পানি টেকনিপ এর মাধ্যমে ইষ্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয়  ইউনিট স্থাপন, লাফার্জ সিমেন্ট, ক্লীন এনার্জি, আধুনিক প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়, এলএনজি  ইত্যাদি বিষয়ে নিয়ে আলোচনা হয়। ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফ্রান্স বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী দেশ। উন্নত কারিগরি সহযোগিতা, প্রশিক্ষণ ইত্যাদি বিষয়ে ফ্রান্স আরো আবদান রাখতে পারে। তিনি আরো বলেন, আলোচনার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করলে উভয় দেশ উপকৃত হবে।
বিস্তারিত   
এলপিজি
দেশে এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) ব্যবহারকারীদের বীমার আওতায় আনার পরিকল্পনা করেছে সরকার। এ গ্যাসের ব্যবহার কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় বিপণন বিশৃঙ্খলায়  দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, শিগগিরই এ সংক্রান্ত রূপরেখা তৈরি করা হবে। সম্প্রতি জ্বালানি বিভাগে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এলপিজির ব্যবহার এবং এর ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ওই সভায় এলপিজি ব্যবহারকারীদের বীমার আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়। ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, গত কয়েক বছরে এলপিজির ব্যবহার পাঁচ থেকে ছয় গুণ বেড়েছে। আগামীতে আবাসিক খাতে প্রায় শতভাগ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হবে এলপিজি। কিন্তু বিপণন ব্যবস্থায় নিরাপত্তা বিষয়ে এখনও টেকসই আচরণ নিশ্চিত করা যায়নি। তাই এ খাতের গ্রাহকদের বীমা সেবার আওতায় আনা জরুরি। এ বিষয়ে এলপিজি বিপণনকারীদের সঙ্গে মন্ত্রণালয় পৃথক বৈঠক করবে। কোম্পানিগুলোকেই তাদের ভোক্তাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিতে হবে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা। বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের উপসচিব (অপারেশন-২) আকরামুজ্জামান উপস্থাপিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রত্যেকটি কোম্পানি তাদের ভোক্তাদের নিবন্ধন করে একটি ডাটাবেজ তৈরি করবে। এরপর নিবন্ধনকৃত ভোক্তাদের সংশ্লিষ্ট কোম্পানি বীমা সুবিধার আওতায় আনতে পারে। যেন গ্রাহক কোনও দুর্ঘটনার শিকার হলে তিনি ক্ষতিপূরণ পান। এছাড়া এলপিজি ব্যবহারকারীদের সতর্ক হওয়াও জরুরি। সিলিন্ডারের গায়ে খোদাই করে লেখা মেয়াদ দেখে কেনার পাশাপাশি নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। দুর্ঘটনার কারণ ও প্রতিকারের উপায় সম্পর্কে বলা হয়, ব্যবহারকারীদের সচেতন করে তুলতে হবে। এলপিজি বোতল নির্দিষ্ট সময় পরপর পরীক্ষা করার পরামর্শ ছাড়াও আধুনিক সেফটি রেগুলেটর ব্যবহার করতে হবে। পাশপাশি তিন বছর পরপর রেগুলেটর ও প্রতিবছর একবার হোস পাইপ পরিবর্তন করতে হবে। এ ব্যাপারে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, মানুষ রান্নার কাজে বিপুল পরিমাণ এলপিজি ব্যবহার করছে। ব্যবহার বাড়লেও নিরাপত্তার সঠিক সূচক সবাই অনুসরণ করা হচ্ছে না। বিপণন পর্যায়ে যেমন কিছু ত্রুটি রয়েছে তেমনি গ্রাহক পর্যায়েও সচেতনতার অভাব রয়েছে। এলপিজি’র টেকসই ও নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
বিস্তারিত   
    এনার্জি বিডি এর সব খবর
    গ্রীণ এনার্জি
নবায়নযোগ্য
এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের চেয়ে এক মেগাওয়াট সাশ্রয় করতে পারলে ব্যয়বহুল বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ কমে আসবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা  ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। সোমবার ঢাকায় এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় দিন দিন বাড়ছে। ব্যয় সঙ্কোচন কিভাবে করা যায় সে চেষ্টা করতে হবে। ব্যয়বহুল পণ্যের অযথা অপচয় কখনই কাম্য নয়।” সরকারি সংস্থা টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) এর চতুর্থ বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আইইবি ভবনে অনুষ্ঠিত ওই সেমিনারে তৌফিক ইলাহী বলেন,“জনগণকে এ বিষয়ে সচেতন করতে বিশেষ ক্যাম্পেইনের উদ্যোগ নিতে পারে স্রেডা। বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি এর ব্যবহারে হতে হবে সচেতন। ” তিনি বলেন, ঘনবসতি এই দেশে যে কোনো ধরনের জমি খুবই মূল্যবান। তাই জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার যতটা সম্ভব নিশ্চিত করতে হবে। ভবিষ্যতে জমির প্রয়োজনীয়তা ও মূল্য আরও বাড়বে। অনেক জমি নিয়ে সোলার পার্ক করার মতো অবস্থা বাংলাদেশের নেই। সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে বাসাবাড়ি, অফিস ও বৃহৎ স্থাপনার ছাদকে কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন  প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। তিনি আরো বলেন,“জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক থেকে পৃথিবীতে স্বতন্ত্র অবস্থানে আছে বাংলাদেশ। একই রকম  ঘনত্বে যুক্তরাষ্ট্রে মানুষ বসবাস করতে দিলে সারা পৃথিবীর মানুষ বসবাসের পরও আরও জায়গা থাকবে।” সনাতনী দৃষ্টিভঙ্গি বদলে সৃজনশীল কাজে মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “সরকারের টার্গেট হলো সব এলাকায় বিদ্যুৎ  পৌঁছে দেওয়া। যেসব এলাকায় গ্রিডের বিদ্যুৎ যাবে না সেখানে সোলার বিদ্যুতের পরিকল্পনাও ঠিক নয়। গ্রিডের বিদ্যুত কিছু এলাকায় কেন যাবে না? গ্রিডের বিদ্যুতের পাশাপাশি বিকল্প হিসাবে কিভাবে সৌর বিদ্যুৎকে কাজে লাগানো যায় সেই চিন্তা করতে হবে।” তিনি বলেন, “স্বল্প খরচে গ্রাম ও শহরের রাস্তায় সামান্য বিদ্যুৎ ব্যবহার করে ব্যাটারি চালিত রিকশা চলাচল শুরু হলে অনেকে এটিকে নেতিবাচকভাবে দেখে। এরপর আমরা সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যাটারি চালিত রিকশার জন্য পৃথক চার্জিং স্টেশন স্থাপন করেছি।” দাতা সংস্থার দিকে না তাকিয়ে সরকারের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে নানা ধরনের পাইলটিং প্রকল্প নিতে স্রেডাকে পরামর্শ দেন তিনি। অনুষ্ঠানে স্রেডার বিগত দুই বছরের  অর্জন তুলে ধরে সংস্থার সদস্য (জ্বালানি দক্ষতা ও সংরক্ষণ) সিদ্দিক জোবায়ের বলেন, এই সময়ের মধ্যে এনার্জি এফিশিয়েন্সি অ্যান্ড কনজার্ভেশন বিধিমালা ও এনার্জি অডিট রেগুলেশন প্রণয়ন করা হয়েছে। নেট মিটারিং গাইডলাইনসহ বেশ কিছু নীতিমালা প্রণয়নে তারা সহযোগিতা করেছেন। আর পারিবেশ বান্ধব উপকরণ ব্যবহার করে শিল্প কারখানা গড়ে তুলতে ৭টি কোম্পানিকে ৪০০ কোটি টাকা অর্থায়নে অনাপত্তি দেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পের অর্ধেক কাজ এখন বাস্তবায়নাধীন। সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিপণনের জন্য প্যানেল ও অন্যান্য যন্ত্রাংশের সঠিক মান নিশ্চিত করার জন্য বিএসটিআই এর মাধ্যমে মান নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কুষ্টিয়া পৌরসভার সাথে একটি সমঝোতা স্মারক সই করা হয়েছে বলে জানান তিনি। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে জোবায়ের বলেন, “গ্রিডের সাথে সোলার ইরিগেশন পাম্পের সমন্বয়, গ্রীণ বিল্ডিং রেটিং সিস্টেম প্রণয়ন ও কাপ্তাই হ্রদে ভাসমান সৌর প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। ইতোমধ্যে সৌর শক্তি থেকে ৫১৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে। ২০২০ সালের মধ্যে তা ১৯৭১ মেগাওয়াটে উন্নীত করা হবে। তিনি আরো বলেন, “২০২১ সালের মধ্যে এনার্জি ইনটেনসিটি পার জিডিপি ১৫ শতাংশ কমে আসবে। কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন ২০১৩-১৪ অর্থবছরে পার জিডিপিতে এনার্জি ইনটেনসিটি ছিলো ৩ দশমিক ৭২ কেটিওই (কিলো-টনস অফ অয়েল ইকুভেলেন্ট) যা ২০১৬-১৭ অর্থবছরে কমে দাঁড়িয়েছে  ৩ দশমিক ৫৬ কেটিওই। স্রেডার অপর সদস্য সালিমা জাহান বলেন, “বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে এর মধ্যে জমির স্বল্পতা ও উচ্চ মূল্য, বিদ্যুৎ সঞ্চালনের জন্য লাইন নির্মাণ এবং সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সাথে সমন্বয়ের অভাব।” স্রেডার চেয়ারম্যান মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, স্রেডার কাছে মানুষের অনেক আশা। স্রেডা’র কাজের পরিধি বাড়াতে বিভাগীয় পর্যায়ের অফিস চালু করা হবে। এজন্য জনবল কাঠামোতে পরিবর্তন আনা হবে। বাংলাদেশে এক সময় জ্বালানির শতভাগ চাহিদা নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পূরণ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
বিস্তারিত   
দক্ষতা ও সংরক্ষণ
সূর্যের আলোর অন্তত চার ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ ২৬  শতাংশের মতো শক্তিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর করতে পারে এমন সৌর প্যানেল বানিয়েছে বিজ্ঞানীরা। এত বেশি সামর্থ্য আগে কোনো সৌর প্যানেল দেখাতে পারেনি। তাই জাপানের একদল গবেষকের এটা বড় সাফল্য। নেচার এনার্জি সাময়িকী জানায়, ওই গবেষকেরা সিলিকনের সৌর প্যানেল বানিয়েছেন। এটি অন্য যেকোনো প্যানেলের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর অর্থাৎ সূর্য থেকে সংগৃহীত ২৬ দশমিক ৩ শতাংশ শক্তিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর করতে পারে। এখন বড় পরিসরে সিলিকন সৌরকোষ তৈরির জন্য উপযুক্ত প্রক্রিয়া ব্যবহার করলে ২৬ শতাংশ পর্যন্ত কার্যকারিতা মিলেছে। অবশ্য এসব নতুন প্যানেল এখনো বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির উপযোগী হয়নি। গবেষণায় এটির কার্যকারিতা প্রমাণিত হলেও বাণিজ্যিকভাবে বাজারজাত করার আগে আরও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। গাছের পাতাকে প্রাকৃতিক সৌর প্যানেল বলা যায়। সেটার সালোকসংশ্লেষণ সক্রিয়তা ৩ থেকে ৬ শতাংশের মতো হয়ে থাকে। জাপানে ওই গবেষণায় যুক্ত বিজ্ঞানীরা বলছেন, নতুন প্যানেলটির সক্রিয়তা তাঁরা আরও বাড়ানোর উপায় খুঁজে পেয়েছেন। তাহলে এটি ২৯ দশমিক ১ শতাংশ পর্যন্ত সূর্যালোককে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে পরিণত করতে পারবে। ওসাকার কানেকা করপোরেশনের ওই গবেষক দলের বক্তব্য হচ্ছে- সিলিকন সৌর কোষের কার্যকারিতা বৃদ্ধির ব্যাপারটা আরও বেশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করবে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, যেমন আজীবন ব্যবহার্য এবং দৃষ্টি-সম্পর্কিত জিনিসপত্রেরও আধুনিকায়ন দরকার। এতে সেগুলো বারবার পরিবর্তনের প্রয়োজন ফুরাবে। সূত্র: ইন্ডিপেনডেন্ট      
বিস্তারিত   
প্রযুক্তি
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আগামীর অর্থনৈতিক উন্নতি এবং জলবায়ু নীতি গ্রহণ ও বাস্তবায়নে উচ্চ দক্ষতার এবং কম কার্বন ডাইঅক্সাইড নি:সরণ ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রযুক্তি (এইচইএলই) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এইচইএলই কয়লা প্রযুক্তি এই অঞ্চলের ৬০ কোটি মানুষের কাছে নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী মূল্যের বিদ্যুৎ পৌঁছে দেবে এবং অবিশ্বাস্যভাবে কার্বন নি:সরণও কমবে। আসিয়ান সেন্টার ফর এনার্জি এবং ওয়ার্ল্ড কোল অ্যাসোসিয়েশনের (ডব্লিউসিএ) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। আসিয়ান দেশগুলোর জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানি, টেকসই উন্নয়নের খরচ ও লাভের বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩৫ সাল নাগাদ আসিয়ান দেশগুলো তাদের কয়লাভিত্তিক উৎপাদন সক্ষমতাকে আধুনিকায়ন করবে। এর মাধ্যমে এ অঞ্চলে সামগ্রিকভাবে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন টন কার্বন নি:সরণ কমবে। এটি যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্বন দূষনের সমপরিমান। অক্সফোর্ড ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি স্টাডিজ’র এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, ২০২৫ সাল নাগাদ দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার কয়লা ব্যবহার সক্ষমতা ১৪৮ গিগাওয়াটে দাঁড়াবে। এটি ২০১৫ সালের চেয়ে ১৩৯ শতাংশ বেশী। ২০২৫ সালের মধ্যে গ্যাসের বদলে কয়লা এই অঞ্চলের এক নম্বর উৎস হিসেবে জ্বালানির স্থান দখল করবে। বিশ্বে অন্যতম দ্রুতবর্ধনশীল অর্থনীতির অঞ্চল আসিয়ান। প্রতিবছর ৬ শতাংশের বেশী অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পূর্বাভাস এ অঞ্চলের। গত ২০ বছরে কোটি মানুষের দারিদ্র্য দূর হয়েছে এবং বিদ্যুৎহীন জনসংখ্যার পরিমাণ অর্ধেকে দাঁড়িয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি ভবিষ্যদ্বানী, ২০৪০ সাল নাগাদ আসিয়ান অঞ্চলের জ্বালানি চাহিদা ৮০ শতাংশ বাড়বে। এক্ষেত্রে কম কার্বন নি:সরণের কয়লা বেশি পছন্দ। এ সময়ে বিদ্যুতের ৫০ শতাংশ উৎপাদিত হবে কয়লা থেকে। ২০২০ থেকে ২০৩৫ পর্যন্ত সব ধরণের কয়লাই আসিয়ান দেশগুলোর জন্য সবচেয়ে কম খরচের বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপায়। এমনকি আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লা উৎপাদনও সব ধরণের নবায়নযোগ্য এবং গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের চেয়ে সাশ্রয়ী। কার্বন নি:সরণ কমানো, অর্থনৈতিক প্রাধিকার বাস্তবায়ন, সাশ্রয়ী এবং নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনে এইচইএলই আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে। সূত্র: ওয়ার্ল্ড কোল ডটকম
বিস্তারিত   
    গ্রীণ এনার্জি এর সব খবর
    এনার্জি ওয়ার্ল্ড
আঞ্চলিক
বিশ্ব বাজার থেকে কম মূল্যে জ্বালানি তেল কিনতে এশিয়ার চারটি দেশ নিয়ে একটি ক্রেতা জোট গঠন করতে আগ্রহী ভারত সরকার। এই জোট গঠিত হলে বিশ্ব বাজার থেকে দরকষাকষি করে কম দামে তেল কিনতে পারবে চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভারত। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। গত বৃহস্পতিবার ভারতের কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, এশিয়ার এই চার বৃহৎ তেল ক্রেতা দেশ যদি ক্রেতা জোট গঠন করতে পারে, তবে কম দামে তেল কিনতে পারবে। মন্ত্রী বলেন, তেল উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারক দেশগুলো যদি ওপেক (অর্গানাইজেশন অব দ্য পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজ) গঠন করতে পারে তবে কেন ক্রেতা জোট হবে না। বিশ্বে এখন চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পর ভারত তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক দেশ। এরপর রয়েছে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। উল্লেখ্য, ওপেকভুক্ত দেশগুলো এশিয়ার দেশগুলোকে তেল বিক্রি করে এশিয়ান প্রিমিয়াম হিসেবে অতিরিক্ত অর্থ নেয়। ফলে এশিয়ান প্রিমিয়াম খাতে বছরে অতিরিক্ত ৫০০ থেকে ১০০০ কোটি ডলার খরচ করতে হয়। এই চার দেশ বিশ্বের মোট তেল বিক্রির এক-তৃতীয়াংশ কিনে থাকে। এর আগে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএর সরকারের আমলে তেলমন্ত্রী বীরাপ্পা মইলিও একই ধরনের উদ্যোগ নিলেও তা সফল হয়নি। সম্প্রতি নয়াদিল্লীতে ১৬তম ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি ফোরামের মন্ত্রী পর্যায়ের যে বৈঠক হয়, সেই বৈঠকের ফাঁকে ভারতের তেল মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং চীনা প্রতিনিধিরা পশ্চিম এশিয়ার অপরিশোধিত তেল উৎপাদনকারীদের কাছ থেকে তেল কেনার ব্যাপারে দুই দেশের ক্রয়ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে দর কষাকষির আলোচনাও করেন।
বিস্তারিত   
অন্যান্য দেশ
যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলন দৈনিক গড়ে ছয় লাখ ব্যারেল বেড়েছে। এ খাতে ২০১৭ সালজুড়ে প্রবৃদ্ধি ছিলো যা চলতি বছরের শুরুতেও অব্যাহত আছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশটিতে জ্বালানি পণ্যটির দৈনিক গড় উত্তোলন আগের মাসের তুলনায় ছয় লাখ ব্যারেল বেড়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ইআইএ) প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে ১৯৭০ সালে দেশটিতে জ্বালানি তেলের দৈনিক গড় উত্তোলন রেকর্ড ছুঁয়েছিল। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় কূপগুলো থেকে প্রতিদিন গড়ে ৯৬ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলন হয়েছিল। সে হিসাবে, পাথুরে ভূমি থেকে উত্তোলন করা শেল খাতের ওপর ভর করে ২০১৭ সালে দেশটিতে জ্বালানি পণ্যটির উত্তোলন ১৯৭০ সালের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছে ইআইএ। সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দৈনিক গড় উত্তোলনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৯ লাখ ৬৪ হাজার ব্যারেলে। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে দেশটিতে প্রতিদিন গড়ে ৯৯ লাখ ৫৮ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলন হয়েছিল। সে হিসাবে, এক মাসের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় কূপগুলো থেকে জ্বালানি পণ্যটির দৈনিক গড় উত্তোলন বেড়েছে ছয় লাখ ব্যারেল। গত বছরের নভেম্বরে দেশটিতে প্রতিদিন গড়ে ৯৩ লাখ ১৮ হাজার ব্যারেল জ্বালানি তেল উত্তোলন হয়েছিল। অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলনকারী দেশগুলোর তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান বিশ্বে তৃতীয়। গত জানুয়ারিতে প্রকাশিত ইআইএর শর্ট-টার্ম এনার্জি আউটলুকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে দেশটিতে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলনের দৈনিক গড় পরিমাণ ১ কোটি ব্যারেলের সামান্য নিচে ছিল। চলতি বছর এর পরিমাণ বেড়ে ১ কোটি ২ লাখ ২৭ হাজার ব্যারেলে দাঁড়াতে পারে। প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের গড় উত্তোলন ১ কোটি ৮ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল ছাড়িয়ে যেতে পারে। সূত্র:  রয়টার্স।  
বিস্তারিত   
    এনার্জি ওয়ার্ল্ড এর সব খবর
    পরিবেশ
 
যদি দক্ষিণ-পূর্বএশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান এবং তাইওয়ানে ২০৩০ সাল পর্যন্ত নতুন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ না করা হয় তবে বছরে প্রায় ৫০ হাজার প্রাণ বেঁচে যাবে। সম্প্রতি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক ও গ্রিনপিস ইন্টারন্যাশনালের এক গবেষণায় এ তথ্য জানা গেছে। গত শুক্রবার এক বিবৃতিতে সারসংক্ষেপ আকারে তা তুলে ধরেছে গ্রিনপিস। বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমানে পরিকল্পনাধীন অথবা নির্মাণাধীন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো যদি কার্যক্রম শুরু করে, তবে প্রতিবছর কয়লা থেকে সৃষ্ট দূষণে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করবে। যেখানে বর্তমানে এ কারণে বার্ষিক মৃত্যুর সংখ্যা ২০ হাজার। আর মৃতদের সিংহভাগই হবেন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাসিন্দা। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাটমসফেরিক সায়েন্সেস মডেলিং গ্রুপের একদল গবেষক, হার্ভার্ড স্কুল অব পাবলিক হেলথ ও গ্রিনপিস এ অঞ্চলের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বর্তমানে নির্গত কার্বন মাত্রার বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে। সংগৃহীত তথ্য যাচাই-বাছাই করে পরিচালিত হয় গবেষণা কার্যক্রম। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও তাইওয়ানে কয়লা নির্গমনে সৃষ্ট দূষণের মাত্রা নির্ণয়ে একটি বায়ুমণ্ডলীয় মডেল ব্যবহৃত হয়েছে বলে জানায় গ্রিনপিস। বর্তমানে এই অঞ্চলের বিদ্যুৎ চাহিদার অধিকাংশই জীবাশ্ম জ্বালানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। ২০৩৫ সালে এ অঞ্চলের বিদ্যুৎ চাহিদা ২০১১ সালের তুলনায় ৮৩ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে, যা বৈশ্বিক গড় চাহিদার দ্বিগুণের বেশি। গ্রিনপিসের পূর্ব এশিয়া শাখার সিনিয়র গ্লোবাল কোল ক্যাম্পেইনার লরি মুল্লুভিরতা জানান, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় বিদ্যুত্ উৎপাদনকেন্দ্রে কার্বন নির্গমনের মান অত্যন্ত নিম্নমানের। এ কারণেই এ অঞ্চলে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রের সম্প্রসারণ পরিকল্পনা উদ্বেগের সৃষ্টি করছে। তিনি বলেন, এখনো জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি নীতি পরিবর্তনের মাধ্যমে কয়েক হাজার নাগরিকের জীবন রক্ষার সুযোগ রয়েছে এসব দেশের সরকারগুলোর হাতে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিদ্যুৎ চাহিদা বৃদ্ধির ফলে কয়লানির্ভরতার সহজাত ঝুঁকি বৃদ্ধির  বিষয়ে গবেষণায়ও আলোকপাত করা হয়েছে। এছাড়া পরিকল্পিত কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, কোরিয়া ও জাপানের কার্বন নির্গমনের মাত্রা তিন গুণ বৃদ্ধি পাবে। গ্রিনপিসের জানায়, যা যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামের মিলিত দূষণকেও ছাড়িয়ে যাবে। সূত্র: ব্লুমবার্গ।
বিস্তারিত   
    পরিবেশ এর সব খবর
    জরিপ
    গুরুত্বপূর্ণ নথি
Electricity Act-2018.pdf
   আরও নথি
মতামত
    সব মতামত
বিজনেস
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ  প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এর সাথে জাপানের রাষ্ট্রদূত হিরোয়াসু ইঝোমি  রোববার সচিবালয়ে তাঁর অফিস কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় তারা পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ে আলোচনা করেন এবং পাশাপাশি  বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আরো বিনিয়োগের আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়। প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে জাইকা’র অর্থায়নে ৫টি প্রকল্প এবং বিদ্যুৎ বিভাগে ১১টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন। এসব প্রকল্প নির্ধারিত সময়েই সম্পন্ন করার জন্য তাঁর সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি এ খাতের উন্নয়নে আরো বিনিয়োগের অনুরোধ করেন । রাষ্ট্রদূত বলেন, বন্ধুত্বপূর্ণ  দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে দৃশ্যমান কাজ গুলো এগিয়ে নিতে হবে। জাপানীজ কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশীপে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করছে। আগামী বছর থেকেই বাস্তবিক প্রয়োগ দেখা যাবে। এ সময় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত, নতুন বিনিয়োগ, কাফকো, ইত্যাদি বিষয় আলোচনা করা হয়।  আলোচনাকালে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব নাজিমউদ্দিন চৌধুরী ও জাপানী দূতাবাসের কাউন্সিলর ইয়াসুহারু শিনতু উপস্থিত ছিলেন।   
বিস্তারিত   
    বিজনেস এর সব খবর
অন্যান্য
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান আবু হেনা মোঃ রহমাতুল মুনিমকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ নিয়োগ দেওয়া হয়। বর্তমানে চুক্তিতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব পদে নাজিমউদ্দিন চৌধুরী নিয়োজিত আছেন। তাঁর চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে চলতি বছরের ৯ মে। সে হিসেবে নতুন সচিব রহমাতুল মুনিম আগামী ১০ মে যোগ দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিসিএস (প্রশাসন) ৮৪ ব্যাচের কর্মকর্তা মুনিম বিপিসিতে যোগদানের পর অনেক উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে জ্বালানি তেলের চুরি বন্ধে নিয়মিত অভিযান, জ্বালানি তেলের ফিলিং স্টেশন নীতিমালা আধুনিকায়ন, কনডেনসেট সরবরাহ ও ব্যবহারে জটিলতা দূরীকরণ, লুব অয়েল নীতিমালার খসড়া প্রণয়ন, বাংলাদেশ সেনা ও নৌ বাহিনীর তত্ত্বাবধানে জ্বালানি তেল পরিবহনের জন্য পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্প। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগ থেকে ১৯৮১ সালে অনার্স এবং ১৯৮২ সালে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। আর ১৯৮৬ সালের ২১ জানুয়ারি সহকারী সচিব পদে তৎকালীন সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন। ১৯৬১ সালের ৬ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জে জম্মগ্রহণ করেন তিনি।
বিস্তারিত   
    অন্যান্য সব খবর
    সম্পর্কীয় প্রতিষ্ঠানের লিংক
Ministry of Science and Technology
Ministry of Power, Energy and Mineral Resources (Energy Division)
Ministry of Power, Energy and Mineral Resources (Power Division)
Bangladesh Energy Regulatory Commission (BERC)
   আরও সম্পর্কীয় প্রতিষ্ঠান
    অন্য গুরুত্বপূর্ণ লিংক
International Renewable Energy Agency
International Energy Agency
Daily Gas Production Report
Daily Electricity Generation Report
   আরও লিংক
    FOLLOW US ON FACEBOOK
ফটো গ্যালারি
    সব ফটো
ভিডিও
    সব ভিডিও
    সাম্প্রতিক খবর   সর্বাধিক পঠিত
   সম্পাদক এর নির্বাচিত

Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy

   Editor & Publisher: Aminur Rahman
   Copyright @ 2015-2018 energynewsbd.com
   All Rights Reserved | Developed By: Jadukor IT