ঢাকা, বুধবার, নভেম্বর ২২, ২০১৭, অগ্রহায়ণ ৮, ১৪২৪ ০৮:২২ পিএম
  
হোম এনার্জি বিডি এনার্জি ওয়ার্ল্ড গ্রীণ এনার্জি মতামত সাক্ষাৎকার পরিবেশ বিজনেস অন্যান্য আর্কাইভ
সর্বশেষ >
English Version
   
শীর্ষ খবর
অন্য শীর্ষ খবর
    সব খবর
সাক্ষাৎকার
    সব সাক্ষাৎকার
টেন্ডার নোটিশ চাকরি ও বিজ্ঞাপন
    এনার্জি বিডি
বিদ্যুৎ
প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী আজ বলেছেন, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পের বিষয়ে ইউনেস্কোর আপত্তি প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে ১২টি দেশ বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি এর আগেই এ বিষয়ে জাতিসংঘের অঙ্গ সংস্থাটিকে সাফল্যের সাথে বোঝাতে সক্ষম হয়েছে ঢাকা। রোববার রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘তুরস্ক ও ফিনল্যান্ডসহ ১২টি দেশ বাংলাদেশের পক্ষে কথা বলেছে, যা ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটিকে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র সম্পর্কিত অভিযোগ প্রত্যাহার করতে অনুপ্রাণিত করেছে।’ প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, তুরস্ক এ সপ্তাহের প্রথমদিকে পোল্যান্ডের ক্রাকোতে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটির ৪১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের এ বিষয়টি তুলে ধরে। সেখানে ওই দেশগুলো বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ উদ্যোগে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের স্বপক্ষে অবস্থান নেয়। বাংলাদেশ ওই অধিবেশনে পর্যবেক্ষক হিসেবে যোগ দেয়। ড. তৌফিক বলেন, ‘ইউনেস্কোর আপত্তি প্রত্যাহারের মাধ্যমে রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক বিতর্কের অবসান ঘটেছে।’ ইউনেস্কো কমিটি প্রকল্পের কাজ শুরু করার আগে সুন্দরবনসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ‘কৌশলগত পরিবেশ সমীক্ষা’ (এসইএ) পরিচালনার জন্য বাংলাদেশকে অনুরোধ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা এতে সম্মত হয়েছি।’ তিনি জানান, ইতিপূর্বে রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্পের ব্যাপারে ইউনেস্কোকে বিস্তারিতভাবে অবহিত করেছে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘের সর্বোচ্চ পরিবেশবিষয়ক সম্মাননা চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্য আর্থ-সহ আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈশ্বিক ভাবমূর্তি প্রকল্পটি চালিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে ইউনেস্কোর আস্থা অর্জনে বাংলাদেশকে সহায়তা করেছে।’ সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস, বন ও পরিবেশ সচিব ইশতিয়াক আহমদ, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ, পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ড. তৌফিক বলেন, ‘আমরা শুধুমাত্র বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে সুন্দরবনের মর্যাদা নিয়ে নয়, বরং সার্বিক সংরক্ষণ নিয়ে উদ্বিগ্ন। সুন্দরবন আমাদের প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে, তা ক্ষুণ্ন হয় এমন কিছু আমরা করবো না।’
বিস্তারিত   
কয়লা
দিনাজপুরের দীঘিপাড়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলনে সম্ভাব্যতা জরিপ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জার্মানী ও অস্ট্রেলিয়ার যৌথ একটি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি সই করেছে বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড। মঙ্গলবার ঢাকায় সোনারগাঁও হোটেলে জার্মানীর এমআইবিআরএজি কনসালটিং জিএমবিএইচ ও এফইউজিআরও কানসাল্ট জিএমবিএইচ এবং অস্ট্রেলিয়ার রঙ্গু পিনাকুক মিনারকো লিমিটেড এর সমন্বয়ে গঠিত কনসোর্টিয়ামের সাথে বড়পুকুরিয়া কোম্পানি ওই চুক্তি সই করে। এতে বড়পুকুরিয়ার পক্ষে কোম্পানি সচিব মো. আবুল কাসেম প্রাধানীয়া এবং এমআইবিআরএজি এর পক্ষে প্রজেক্ট ম্যানেজার আমীর খন্দকার, এফইউজিআরও এর পক্ষে প্রকল্প পরিচালক রফ বল্টস ও রঙ্গু পিনাকুক মিনারকো লিমিটেড এর পক্ষে সিমন আসকে ডুরান চুক্তিতে সই করেন। বড়পুকুরিয়া কোম্পানির ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী হাবিব উদ্দিন আহাম্মদ বলেন, চুক্তি অনুযায়ী ১ জুন ২০১৭ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত অর্থাৎ ২৭ মাস ধরে সমীক্ষা চলবে। এই সমীক্ষা  পরিচালনা করা হবে ২৪ বর্গ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে। সমীক্ষার আওতায় থাকছে-অনুসন্ধানমূলক খনন, থ্রিডি সিসমিক জরিপ, খনির নকশা, প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই, পুনর্বাসনের প্রয়োজনীয়তা নির্ণয় এবং একটি পুনর্বাসন পরিকল্পনা প্রণয়ন। এছাড়া ভূ-তাত্বিক এবং ভূ-জলীয় অবস্থা নিরূপণ, কয়লা উত্তোলন, প্রকৃত মজুদ, বাৎসরিক উৎপাদন হার এবং কয়লা খনির মেয়াদকাল নির্ণয় নিয়ে বিস্তারিত অর্থনৈতিক মূল্যায়ন এবং প্রকল্প বাণ্যিজিকভাবে লাভজনক কিনা তা নির্ধারণ করতে এই সমীক্ষা চালানো হচ্ছে। সম্প্রতি জ্বালানি বিভাগ ও পেট্রোবাংলা দীঘিপাড়া কয়লা খনির চার হাজার হেক্টর ভূমি বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানিকে হস্তান্তর করেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে সরকারের ২০ হাজার মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য কয়লা আমদানির পাশাপাশি দেশীয় খনি থেকে কয়লা উত্তোলনের পরিকল্পনা রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে দেশীয় কয়লা খনির উন্নয়নে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। অুনষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন,  জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কয়লা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। প্রাথমিক জ্বালানি হিসেবে কয়লা উন্নত বাংলাদেশ গড়তে অন্যতম নিয়ামক হিসেবে কাজ করবে। প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী এখানে ৮৬৫ মিলিয়ন মেট্রিকটন কয়লার মজুদ রয়েছে যা বাণ্যিজিকভাবে উত্তোলন করা সম্ভব হলে এলাকার মানুষের আর্থসামজিকও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে দেশীয় কয়লা ব্যবহার করে পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন আমরা করতে সচেষ্ট থাকবো। জ্বালানি নিরাপত্তা যত দ্রুত নিশ্চিত করা যাবে, দেশের উন্নয়ন তত দ্রুত করা সম্ভব হবে। সম্মিলিত উদ্যোগে সমন্বিতভাবে দেশের উন্নয়নে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. থমাস প্রিঞ্জ, অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রদূত মিজ জুলিয়া নিবলেট এবং পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ বক্তব্য দেন।
বিস্তারিত   
নিউক্লিয়ার
বাংলাদেশ এবং রাশিয়া রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের স্পেন্ট ফুয়েল (ব্যবহৃত জ্বালানি) ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত চুক্তির খসড়া অনুমোদন ও অনুস্বাক্ষর করেছে। গত ১৫ মার্চ ঢাকায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে ওই অনুস্বাক্ষর হয়। উভয়পক্ষ শিগগিরই আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের জন্য চূড়ান্ত দলিল তৈরি করতে সম্মত হয়েছে বলে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি সংস্থার রোসাটম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে। গত ১৪ ও ১৫ মার্চ রাশিয়ার এক প্রতিনিধিদলের ঢাকা সফরকালে এ অগ্রগতি অর্জিত হয়। প্রতিনিধিদলে ছিলেন রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি সংস্থা রোসাটম এর উপ-প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিকোলাই স্পাস্কি এবং পরিবেশ, শিল্প ও পারমাণবিক তদারকি (সুপারভিশন) সেবা সংক্রান্ত রাশিয়ার ফেডারেল সংস্থার (রসটেকনাদজর) উপ-প্রধান আলেক্সি ফেরাপনটভ। বাংলাদেশে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্দর ইগনাতভ ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। দ্বিপক্ষীয় আলোচনার কেন্দ্রীয় বিষয় ছিল রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের ব্যবহৃত জ্বালানি ব্যবস্থাপনা। বিস্তারিত আলোচনার পর উভয়পক্ষ একটি ঐক্যমতে পৌঁছতে সক্ষম হয়। অন্যান্য যে সব আলোচনা স্থান পায় তার মধ্যে রয়েছে প্রস্তুতি পর্বের বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন বিষয়ক সিডিউল এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের মূল পর্বের কাজের শুরু। উভয়পক্ষের মতে আগামী দিনগুলোতে সর্বাধিক প্রণিধানযোগ্য কাজ হলো নির্ধারিত সময় অনুযায়ী প্রকল্পের প্রথম পাওয়ার ইউনিটের  ‘ফার্স্ট কনক্রিট’সম্পাদন নিশ্চিত করা। দুই দেশের পারমাণবিক শক্তি নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (বিএইসি) এবং প্রকল্পের মূল ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এএসই গ্রুপ অব কোম্পানিজের মধ্যে সহযোগিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি বিশেষ ওয়ার্কিং গ্রুপ তৈরি করা হয়েছে। সফরের অংশ হিসেবে রাশিয়া প্রতিনিধিদল রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন এবং একটি ওয়ার্কিং মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ পারমাণবিক শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা) চেয়ারম্যান নঈম চৌধুরী এবং পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মনজুরুল হক এবং এএসই গ্রুপ অব কোম্পানিজের প্রতিনিধিরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।  রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত শিডিউল কার্যক্রমের অগ্রগতি সংক্রান্ত প্রাথমিক একটি প্রতিবেদন আগামী জুন-জুলাই, ২০১৭ মস্কোতে অনুষ্ঠিতব্য যৌথ সমন্বয় পরিষদের সভায় উপস্থাপন করা হবে।  
বিস্তারিত   
গ্যাস
বাংলাদেশ থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ তেল-গ্যাস কোম্পানি শেভরনকরপোরেশন। চীনের কনসোর্টিয়াম হিমালয় এনার্জি কোম্পানি লিমিটেডের হাতে ২ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়তে চায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম তেল-গ্যাস কোম্পানি শেভরন। শেভরনের এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশের তিনটি গ্যাস ক্ষেত্র বিবিয়ানা, মৌলভীবাজার ও জালালাবাদ থেকে গ্যাস উত্তোলনের দায়িত্ব চলে যাবে হিমালয় এনার্জির হাতে। সোমবার শেভরনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শেভরন করপোরেশন বাংলাদেশে তাদের সব সম্পদ বিক্রি করে দেওয়ার বিষয়ে হিমালয় এনার্জির সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। তবে কত টাকায় এই ব্যবসা হাতবদল হচ্ছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি শেভরন। এদিকে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই তিন গ্যাসক্ষেত্রের সম্পদমূল্য প্রায় দুই বিলিয়ন ডলার। শেভরনের সঙ্গে হিমালয়ের চুক্তি চূড়ান্ত হলে এটাই হবে বাংলাদেশে চীনের প্রথম বড় কোনো বিনিয়োগ।  গত দুই বছরে বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের দাম পড়ে যাওয়ায় লোকসান সামাল দিতে শেভরন বাংলাদেশে তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে বলে বেশ কিছুদিন ধরে খবর আসছিল সংবাদমাধ্যমে।  এর মধ্যে গত বছর অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এই কোম্পানি জানায়, ২০১৭ সালে প্রায় হাজার কোটি ডলারের সম্পদ তারা বিক্রি করে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে, যার মধ্যে বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপিন্সের বেশ কয়েকটি প্রকল্প থাকছে। রয়টার্স গত ফেব্রুয়ারিতে এক প্রতিবেদনে জানায়, চায়না ঝেনহুয়া অয়েল বাংলাদেশে শেভরনের গ্যাসক্ষেত্র কিনে নিতে প্রাথমিক চুক্তি করেছে। এই ঝেনহুয়া অয়েল এবং ইনভেস্টমেন্ট ফার্ম সিএনআইসি করপোরেশনের কনসোর্টিয়ামই হিমালয় এনার্জি কোম্পানি লিমিটেড। চায়না নিংবো ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন কোম্পানি লিমিডেট- সিএনআইসি একটি রাষ্ট্রয়াত্ত বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান, যার যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০১২ সালে, হংকংয়ে। মূলত বিদেশে চীনা বিনিয়োগের বিষয়টি দেখাই এ কোম্পোনির কাজ। ঝেনহুয়া অয়েলের একজন মুখপাত্রের করাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, শেভরনের সঙ্গে হিমালয় এনার্জির চুক্তি চূড়ান্ত করার আগে তাদের চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেতে হবে। এদিকে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স লিখেছে, শেভরনের সম্পদ কিনে নেওয়া বাংলাদেশের জন্য লাভজনক হবে কি না, তা এখনও যাচাই করে দেখছে ব্রিটিশ পরামর্শক প্রতিষ্ঠান উড ম্যাকেঞ্জি। “পরামর্শকের প্রতিবেদন হাতে আসার আগে আমরা তো তাড়াহুড়া করে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারি না। আমরা আশা করব, আমাদের অনুরোধ শেভরন রাখবে,” বলেন নসরুল হামিদ। শেভরন গত বছর তাদের সম্পদ বিক্রির প্রাথমিক ঘোষণা দেওয়ার পর বাংলাদেশ সরকার তা কিনে নেওয়ার আগ্রহ দেখায় এবং মার্চে  উড ম্যাকেঞ্জিকে পরামর্শক নিয়োগ করে।  বাংলাদেশের পেট্রোবাংলার সঙ্গে উৎপাদন ও বণ্টন চুক্তির আওতায় তিনটি ব্লকে বিবিয়ানা, মৌলভীবাজার ও জালালাবাদ ক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলন করে আসছে শেভরন।  শেভরন বাংলাদেশের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ওই তিন ক্ষেত্রে থেকে তারা প্রতিদিন গড়ে ৭২ কোটি ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করে আসছে, যা বাংলাদেশের প্রতিদিনের গ্যাস সরবরাহের প্রায় ৫৫ শতাংশ। এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত বিভিন্ন কোম্পানি এবং বিদেশি কোম্পানি তাল্লো ২৩টি ক্ষেত্রে থেকে বাকি ৪৫ শতাংশ গ্যাসের যোগান দেয়।  গ্যাস ছাড়াও তিনটি ক্ষেত্র থেকে উপজাত হিসেবে প্রতিদিন তিন হাজার ব্যারেল তরল হাইড্রোকার্বন তথা কনডেনসেট উৎপাদন করে আসছে শেভরন।  
বিস্তারিত   
পেট্রোলিয়াম
চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম ফের কমাতে যাচ্ছে সরকার। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য কম থাকায় দেশের অভ্যন্তরে পেট্রল ও অকটেনে ৫ শতাংশ এবং কেরোসিন ও ডিজেলে ৮ শতাংশ দাম কমানো হতে পারে। এর ফলে পেট্রলের দাম হবে ৮১ টাকা ৭০ পয়সা, অকটেনের দাম হবে ৮৪ টাকা ৫৫ পয়সা। আর কেরোসিন এবং ডিজেলের দাম হবে ৬০ টাকা। এ চার পণ্যের দাম কমানো হলেও আপাতত পরিবর্তন হচ্ছে না জেট-এ-১ এবং ফার্নেস অয়েলের দাম। চলতি সপ্তাহেই দাম কমানোর একটি প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হতে পারে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। পরে তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। প্রধানমন্ত্রী এতে অনুমোদন দিলে তা কার্যকরের উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানান তিনি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ প্রস্তাব অনুমোদন পেলে বিশেষ করে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম কমালে বা সমন্বয় করলে দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও গ্রামাঞ্চলের মানুষই বেশি উপকৃত হবে। ডিজেলের দাম কমলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ভর্তুকি কমবে। পাশাপাশি কৃষক ও বিদ্যুৎচালিত পাম্প ব্যবহারকারীরাও বিশেষ সুফল পাবে। জ্বালানি তেলের দাম কমানোর ব্যাপারে অর্থ মন্ত্রণালয় একটি সারসংক্ষেপ তৈরি করেছে। সারসংক্ষেপে পেট্রলের দাম ৪ টাকা ৩০ পয়সা, অকটেনের ৪ টাকা ৪৫ পয়সা কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। দেশের বাজারে বর্তমানে পেট্রলের খুচরা মূল্য ৮৬ টাকা। ৪ টাকা ৩০ পয়সা কমালে পেট্রলের দাম হবে ৮১ টাকা ৭০ পয়সা। অকটেন বিক্রি হচ্ছে ৮৯ টাকায়। ৪ টাকা ৪৫ পয়সা কমালে এটির মূল্য হবে ৮৪ টাকা ৫৫ পয়সা। একই ভাবে কেরোসিন ও ডিজেলে ৫ টাকা করে কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে দুইটি পণ্যই ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ৫ টাকা করে কমালে পণ্য দুইটির মূল্য হবে ৬০ টাকা করে। তবে এ চার জ্বালানি পণ্যের দাম কমানো হলেও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) প্রতিটিতেই লাভে থাকবে। পেট্রলে লাভ হবে ১১৬ কোটি টাকা, অকটেনে লাভ হবে ১২৫ কোটি টাকা, কেরোসিনে লাভ হবে ৩৩৫ কোটি টাকা, আর ডিজেলে লাভ হবে ১ হাজার ২৭৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ দাম কমানোর পরও জ্বালানি খাতের এ চার পণ্য থেকেই বিপিসি বছরে ১ হাজার ৮৫৪ কোটি ৭২ লাখ টাকা লাভ করবে। আগামী দিনে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য কেমন থাকবে, তা বিশ্লেষণ করে এ প্রস্তাবগুলো করা হয়েছে বলে সারসংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, সম্প্রতি প্রকাশিত ব্লুমবার্গ নিউজ অনুযায়ী, গেল তিন বছরে জ্বালানি তেলের মূল্য পতন হলেও বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০১৭ সালে এটি কিছুটা স্থিতিশীল থাকবে। এক্ষেত্রে জ্বালানি তেল বিশেষ করে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল বিক্রি হবে ব্যারেলপ্রতি ৫৮ মার্কিন ডলারে। আর গালফ রিসার্চ সেন্টারের তথ্য মতে, চলতি বছর তেলের ব্যারেলপ্রতি মূল্য ৬০ মার্কিন ডলারের মধ্যেই ওঠানামা করবে। এছাড়া বিশ্বব্যাংকের প্রক্ষেপণ অনুযায়ীও চলতি বছর ব্যারেলপ্রতি মূল্য দাঁড়াবে ৫৫ দশমিক ২ মার্কিন ডলার। এ হিসেবে বলা যায়, চলতি বছর ব্যারেলপ্রতি জ্বালানি তেলের মূল্য ৬০ মার্কিন ডলারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। ৬০ মার্কিন ডলার বিবেচনায় হিসাব করলে আট শতাংশ কমালে ডিজেলে লাভ থাকবে ৩ টাকা ২২ পয়সা। কেরোসিনের মূল্যও ৬০ টাকা ধরলে লাভ হবে ১০ টাকা ৫৬ পয়সা।
বিস্তারিত   
এলপিজি
বিস্তারিত   
    এনার্জি বিডি এর সব খবর
    গ্রীণ এনার্জি
নবায়নযোগ্য
রংপুর গঙ্গাচড়া ৩০ মেগাওয়াট (এসি) গ্রীড টাইড সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ কিনতে স্থানীয় বেসরকারি কোম্পানী ইন্ট্রাকো সোলার পাওয়ার লিমিটেড সাথে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি সই করেছে। একই সাথে বিদ্যুৎ বিভাগের সাথে উক্ত কোম্পানী প্রকল্প বাস্তবায়ন চুক্তিও সই করেছে। রোববার ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিতে সই করেন বিপিডিবি এর সচিব মিনা মাসুদ উজ্জামান এবং ইন্ট্রাকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রিয়াদ আলী। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে সরকারী প্রণোদনা অব্যাহত থাকবে। সরকার তুলনামূলক বেশি দাম দিয়েও গ্রীন ও ক্লিন এনার্জির উৎপাদন ও ব্যবহার বৃদ্ধির চেষ্টা করছে। ইডকলসহ দেশিয় লিজিং কোম্পানির সোলার পাওয়ার বা নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে অর্থায়নকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, যথাযথ অর্থায়ন বিদ্যুৎ খাতের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করবে। বিদ্যুৎ খাতে বেসরকারি বিনিয়োগকে সরকার সব সময় উৎসাহিত করে এবং করবে।   রংপুর শহর থেকে প্রায় ১৭ কিঃমিঃ দূরে ইন্ট্রাকো ওই পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণ করবে। চুক্তি সইয়ের দিন থেকে পরবর্তী ১৩ মাসের মধ্যে জাতীয় গ্রীডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে। ইতোমধ্যে জমি ক্রয়, প্রযুক্তি এবং পরিবেশ বিষয়ক পরামর্শক নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়েছে। এই সোলার পাওয়ার প্ল্যান্টে অর্থায়ন করবে ইডকলসহ দেশিয় লিজিং কোম্পানি। বিপিডিবি আগামী ২০ বছর পর্যন্ত ১৬ সেন্ট দরে প্রতি ইউনিট  বিদ্যুৎ ক্রয় করবে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ এর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মাঝে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস ও ইন্ট্রাকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রিয়াদ আলী।
বিস্তারিত   
দক্ষতা ও সংরক্ষণ
সূর্যের আলোর অন্তত চার ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ ২৬  শতাংশের মতো শক্তিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর করতে পারে এমন সৌর প্যানেল বানিয়েছে বিজ্ঞানীরা। এত বেশি সামর্থ্য আগে কোনো সৌর প্যানেল দেখাতে পারেনি। তাই জাপানের একদল গবেষকের এটা বড় সাফল্য। নেচার এনার্জি সাময়িকী জানায়, ওই গবেষকেরা সিলিকনের সৌর প্যানেল বানিয়েছেন। এটি অন্য যেকোনো প্যানেলের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর অর্থাৎ সূর্য থেকে সংগৃহীত ২৬ দশমিক ৩ শতাংশ শক্তিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর করতে পারে। এখন বড় পরিসরে সিলিকন সৌরকোষ তৈরির জন্য উপযুক্ত প্রক্রিয়া ব্যবহার করলে ২৬ শতাংশ পর্যন্ত কার্যকারিতা মিলেছে। অবশ্য এসব নতুন প্যানেল এখনো বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির উপযোগী হয়নি। গবেষণায় এটির কার্যকারিতা প্রমাণিত হলেও বাণিজ্যিকভাবে বাজারজাত করার আগে আরও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। গাছের পাতাকে প্রাকৃতিক সৌর প্যানেল বলা যায়। সেটার সালোকসংশ্লেষণ সক্রিয়তা ৩ থেকে ৬ শতাংশের মতো হয়ে থাকে। জাপানে ওই গবেষণায় যুক্ত বিজ্ঞানীরা বলছেন, নতুন প্যানেলটির সক্রিয়তা তাঁরা আরও বাড়ানোর উপায় খুঁজে পেয়েছেন। তাহলে এটি ২৯ দশমিক ১ শতাংশ পর্যন্ত সূর্যালোককে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে পরিণত করতে পারবে। ওসাকার কানেকা করপোরেশনের ওই গবেষক দলের বক্তব্য হচ্ছে- সিলিকন সৌর কোষের কার্যকারিতা বৃদ্ধির ব্যাপারটা আরও বেশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করবে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, যেমন আজীবন ব্যবহার্য এবং দৃষ্টি-সম্পর্কিত জিনিসপত্রেরও আধুনিকায়ন দরকার। এতে সেগুলো বারবার পরিবর্তনের প্রয়োজন ফুরাবে। সূত্র: ইন্ডিপেনডেন্ট      
বিস্তারিত   
প্রযুক্তি
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আগামীর অর্থনৈতিক উন্নতি এবং জলবায়ু নীতি গ্রহণ ও বাস্তবায়নে উচ্চ দক্ষতার এবং কম কার্বন ডাইঅক্সাইড নি:সরণ ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রযুক্তি (এইচইএলই) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এইচইএলই কয়লা প্রযুক্তি এই অঞ্চলের ৬০ কোটি মানুষের কাছে নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী মূল্যের বিদ্যুৎ পৌঁছে দেবে এবং অবিশ্বাস্যভাবে কার্বন নি:সরণও কমবে। আসিয়ান সেন্টার ফর এনার্জি এবং ওয়ার্ল্ড কোল অ্যাসোসিয়েশনের (ডব্লিউসিএ) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। আসিয়ান দেশগুলোর জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানি, টেকসই উন্নয়নের খরচ ও লাভের বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩৫ সাল নাগাদ আসিয়ান দেশগুলো তাদের কয়লাভিত্তিক উৎপাদন সক্ষমতাকে আধুনিকায়ন করবে। এর মাধ্যমে এ অঞ্চলে সামগ্রিকভাবে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন টন কার্বন নি:সরণ কমবে। এটি যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্বন দূষনের সমপরিমান। অক্সফোর্ড ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি স্টাডিজ’র এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, ২০২৫ সাল নাগাদ দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার কয়লা ব্যবহার সক্ষমতা ১৪৮ গিগাওয়াটে দাঁড়াবে। এটি ২০১৫ সালের চেয়ে ১৩৯ শতাংশ বেশী। ২০২৫ সালের মধ্যে গ্যাসের বদলে কয়লা এই অঞ্চলের এক নম্বর উৎস হিসেবে জ্বালানির স্থান দখল করবে। বিশ্বে অন্যতম দ্রুতবর্ধনশীল অর্থনীতির অঞ্চল আসিয়ান। প্রতিবছর ৬ শতাংশের বেশী অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পূর্বাভাস এ অঞ্চলের। গত ২০ বছরে কোটি মানুষের দারিদ্র্য দূর হয়েছে এবং বিদ্যুৎহীন জনসংখ্যার পরিমাণ অর্ধেকে দাঁড়িয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি ভবিষ্যদ্বানী, ২০৪০ সাল নাগাদ আসিয়ান অঞ্চলের জ্বালানি চাহিদা ৮০ শতাংশ বাড়বে। এক্ষেত্রে কম কার্বন নি:সরণের কয়লা বেশি পছন্দ। এ সময়ে বিদ্যুতের ৫০ শতাংশ উৎপাদিত হবে কয়লা থেকে। ২০২০ থেকে ২০৩৫ পর্যন্ত সব ধরণের কয়লাই আসিয়ান দেশগুলোর জন্য সবচেয়ে কম খরচের বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপায়। এমনকি আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লা উৎপাদনও সব ধরণের নবায়নযোগ্য এবং গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের চেয়ে সাশ্রয়ী। কার্বন নি:সরণ কমানো, অর্থনৈতিক প্রাধিকার বাস্তবায়ন, সাশ্রয়ী এবং নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনে এইচইএলই আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে। সূত্র: ওয়ার্ল্ড কোল ডটকম
বিস্তারিত   
    গ্রীণ এনার্জি এর সব খবর
    এনার্জি ওয়ার্ল্ড
আঞ্চলিক
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন রোসাটমের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এএসই গ্রুপ অব কোম্পানীজ এবং নিউক্লিয়ার পাওয়ার কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া ভারতের তামিলনাডুর কুদানকুলাম পারমাণবিক প্রকল্পের তৃতীয় ধাপ বাস্তবায়নে একটি ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি সই করেছে। সম্প্রতি রাশিয়ার সেন্ট-পিটারসবার্গে অনুষ্ঠিত ১৮তম ভারত-রাশিয়া বার্ষিক সামিট চলাকালে চুক্তিতে সই করেন এএসই গ্রুপ অব কোম্পানীজের প্রেসিডেন্ট ভ্যালেরি লিমারেঙ্কা এবং নিউক্লিয়ার পাওয়ার কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ও ব্যাবস্থাপনা পরিচালক সতীশ কুমার শর্মা। রোসাটমের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার জানানো হয়, কুদানকুলাম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প সাইটে আরো দুইটি (৫ এবং ৬ নম্বর) রাশিয়ার ডিজাইনকৃত বিদ্যুৎ ইউনিট স্থাপিত হবে। কুদানকুলাম সাইটে রাশিয়ার সহযোগিতায় প্রথম ধাপে ইতোমধ্যে ইউনিট-১ ও ২ এর নির্মাণ এবং কমিশনিং এর কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং ২য় ধাপে ইউনিট-৩ ও ৪ নির্মাণাধীন রয়েছে। চলতি মাসেই ইউনিট গুলোর  ফার্স্ট কংক্রিট স্থাপন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কুদানকুলাম প্রকল্পে সকল ইউনিট গুলো রুশ ভিভিইআর-১০০০ প্রযুক্তি নির্ভর। এ প্রযুক্তি রাশিয়া এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এর সকল রেগুলেটরি এবং টেকনিক্যাল চাহিদা মেটানো ছাড়াও ইউরোপীয়ান ইউটিলি রিকোইয়্যারমেন্টস (ইইউআর) এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। ইতোপূর্বে ২০০৮ সালের ৫ ডিসেম্বর ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে একটি আন্তঃসরকারি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির মূল বিষয় ছিল কুদানকুলাম পারমাণবিক বিদ্যূৎ প্রকল্পে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ইউনিট স্থাপনসহ ভারতের অন্যান্য স্থানে রাশিয়ার ডিজাইনকৃত পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইউনিট নির্মাণ।
বিস্তারিত   
অন্যান্য দেশ
আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত এই নয় মাস প্রতিদিন এক দশমিক আট মিলিয়ন ব্যারেল তেল উৎপাদন হ্রাস করবেজ্বালানি তেল রফতানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেক। এ পরিমাণ তেল উৎপাদন কমলে অপরিশোধিত তেলের দাম এক শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৫৪ দশমিক ৫০ ডলার হবে বলে আশা করছেন ওপেক নেতারা। অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ওপেকের বৈঠকে তেলের উৎপাদন কমানো সংক্রান্ত চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর এক সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে তেলের উৎপাদন হ্রাস করা হবে। এর আগে তেল উৎপাদন হ্রাসের মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানোর দাবি ওঠে সদস্য দেশগুলোর পক্ষ থেকে। ওই বৈঠকে ওপেকভুক্ত তেল রফতানিকারক দেশ ছাড়াও ওপেকবহির্ভূত তেল উৎপাদনকারী দেশ রাশিয়াও উপস্থিত ছিল। সবার সম্মতিতে ওই সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে বৈঠক সূত্রে জানানো হয়।২০১৪ সাল থেকে গত তিন বছর বিশ্ববাজারে তেলের দাম কম হওয়ায় রাজস্ব হ্রাস পায়। ফলে তেল রফতানিকারক দেশগুলো রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য এক ধরনের লড়াই করছিল।রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন অ-ওপেকভুক্ত ডজনখানেক তেল উৎপাদনকারী দেশ উৎপাদন কমানোর জন্য জানুয়ারিতে ওপেককে অনুরোধ জানিয়েছিলো। এজন্য সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে ওইসব দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন ওপেক নেতারা। সূত্র:  রয়টার্স।  
বিস্তারিত   
    এনার্জি ওয়ার্ল্ড এর সব খবর
    পরিবেশ
 
যদি দক্ষিণ-পূর্বএশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান এবং তাইওয়ানে ২০৩০ সাল পর্যন্ত নতুন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ না করা হয় তবে বছরে প্রায় ৫০ হাজার প্রাণ বেঁচে যাবে। সম্প্রতি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক ও গ্রিনপিস ইন্টারন্যাশনালের এক গবেষণায় এ তথ্য জানা গেছে। গত শুক্রবার এক বিবৃতিতে সারসংক্ষেপ আকারে তা তুলে ধরেছে গ্রিনপিস। বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমানে পরিকল্পনাধীন অথবা নির্মাণাধীন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো যদি কার্যক্রম শুরু করে, তবে প্রতিবছর কয়লা থেকে সৃষ্ট দূষণে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করবে। যেখানে বর্তমানে এ কারণে বার্ষিক মৃত্যুর সংখ্যা ২০ হাজার। আর মৃতদের সিংহভাগই হবেন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাসিন্দা। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাটমসফেরিক সায়েন্সেস মডেলিং গ্রুপের একদল গবেষক, হার্ভার্ড স্কুল অব পাবলিক হেলথ ও গ্রিনপিস এ অঞ্চলের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বর্তমানে নির্গত কার্বন মাত্রার বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে। সংগৃহীত তথ্য যাচাই-বাছাই করে পরিচালিত হয় গবেষণা কার্যক্রম। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও তাইওয়ানে কয়লা নির্গমনে সৃষ্ট দূষণের মাত্রা নির্ণয়ে একটি বায়ুমণ্ডলীয় মডেল ব্যবহৃত হয়েছে বলে জানায় গ্রিনপিস। বর্তমানে এই অঞ্চলের বিদ্যুৎ চাহিদার অধিকাংশই জীবাশ্ম জ্বালানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। ২০৩৫ সালে এ অঞ্চলের বিদ্যুৎ চাহিদা ২০১১ সালের তুলনায় ৮৩ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে, যা বৈশ্বিক গড় চাহিদার দ্বিগুণের বেশি। গ্রিনপিসের পূর্ব এশিয়া শাখার সিনিয়র গ্লোবাল কোল ক্যাম্পেইনার লরি মুল্লুভিরতা জানান, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় বিদ্যুত্ উৎপাদনকেন্দ্রে কার্বন নির্গমনের মান অত্যন্ত নিম্নমানের। এ কারণেই এ অঞ্চলে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রের সম্প্রসারণ পরিকল্পনা উদ্বেগের সৃষ্টি করছে। তিনি বলেন, এখনো জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি নীতি পরিবর্তনের মাধ্যমে কয়েক হাজার নাগরিকের জীবন রক্ষার সুযোগ রয়েছে এসব দেশের সরকারগুলোর হাতে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিদ্যুৎ চাহিদা বৃদ্ধির ফলে কয়লানির্ভরতার সহজাত ঝুঁকি বৃদ্ধির  বিষয়ে গবেষণায়ও আলোকপাত করা হয়েছে। এছাড়া পরিকল্পিত কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, কোরিয়া ও জাপানের কার্বন নির্গমনের মাত্রা তিন গুণ বৃদ্ধি পাবে। গ্রিনপিসের জানায়, যা যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামের মিলিত দূষণকেও ছাড়িয়ে যাবে। সূত্র: ব্লুমবার্গ।
বিস্তারিত   
    পরিবেশ এর সব খবর
    জরিপ
    গুরুত্বপূর্ণ নথি
Draft-Electricity-Act_2015.pdf
BERC-Feed-in-Tariff Draft.pdf
New-Electricity-Tariff_2015.pdf
New-Gas-Tariff_2015.pdf
   আরও নথি
মতামত
    সব মতামত
বিজনেস
আগামী ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জন্য উন্নয়ন ও অনুন্নয়নসহ মোট ২১ হাজার ১১৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। যা চলতি ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ৬ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা বেশি। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে আগামী অর্থবছরের মোট ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকার বাজেট পেশকালে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের জন্য ওই বরাদ্দের কথা জানান তিনি। সে হিসেবে প্রস্তাবিত মোট বাজেটের পাঁচ দশমিক ২৮ শতাংশ বরাদ্দ পাচ্ছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত। ‘উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশ: সময় এখন আমাদের’ শ্লোগান সম্বলিত বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, “২০২১ সালের মধ্যে সকল জনগণকে বিদ্যুৎসেবার আওতায় আনার পাশাপাশি ২০৩০ সাল নাগাদ ৪০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।”  অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাবিত বাজেটে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিপরীতে ২১ হাজার ১১৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগের জন্য ১৮ হাজার ৮৯৪ কোটি এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের জন্য বরাদ্দ ২ হাজার ২২৪ কোটি টাকা। গত বছর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়কে ১৫ হাজার ৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। সংশোধিত বাজেটে ১৪ হাজার ৫৬১ টাকা বরাদ্দ আছে। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে বিদ্যুৎ বিভাগের প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি সন্তোষজনক না হওয়ায় ২০১৬-১৭ সালে বরাদ্দ কমানো হয়েছিল। মুহিত বলেন, ইতোমধ্যে দেশের ৮০ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে। অবশিষ্ট ২০ শতাংশ আগামী ২০২১ সালের আগেই বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আসবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে আশা করছি। নির্মাণাধীন ১১ হাজার ২১৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৩৩টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অতিরিক্ত ১১ হাজার ১২৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৪২টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও বাজেট বক্তৃতায় জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। রামপাল, মাতারবাড়ি, পটুয়াখালীর পায়রায় এবং বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান মুহিত। উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি বিদ্যুতের নতুন সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন স্থাপনের উপরও জোর দেন তিনি। অর্থমন্ত্রী বলেন, “প্রায় ১০ হাজার কিলোমিটার নতুন সঞ্চালন লাইন এবং প্রায় এক লাখ ৫০ হাজার কিলোমিটার নতুন বিতরণ লাইন নির্মাণের পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।” সিস্টেম লস কমানো, লোড ম্যানেজমেন্ট এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ২০২১ সালের মধ্যে আরও ২ কোটি প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। মহেশখালীতে এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ কাজের অগ্রগতির কথা জানিয়ে ২০১৮ সালের শেষ নাগাদ সব শিল্প প্রতিষ্ঠানে গ্যাস সরবরাহের আশাও দেখিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। গ্যাসভিত্তিক পুরনো বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো সংরক্ষণ ও মেরামতের পাশাপাশি উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতার আওতায় নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনার কথাও বলেছেন মুহিত। চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর পারিকল্পনা জানিয়ে তিনি বলেন, “বাপেক্স এর সমাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে মোট ১০৮টি কূপ খননের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। পরিকল্পনা মোতাবেক কূপ খনন ও এসব কূপ হতে গ্যাস উৎপাদন শুরু হলে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব হবে।” এছাড়া মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও সিঙ্গাপুরের আর্থিক সহায়তায় মহেশখালীতে চারটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেন অর্থমন্ত্রী।
বিস্তারিত   
    বিজনেস এর সব খবর
অন্যান্য
    অন্যান্য সব খবর
    সম্পর্কীয় প্রতিষ্ঠানের লিংক
Ministry of Science and Technology
Ministry of Power, Energy and Mineral Resources (Energy Division)
Ministry of Power, Energy and Mineral Resources (Power Division)
Bangladesh Energy Regulatory Commission (BERC)
   আরও সম্পর্কীয় প্রতিষ্ঠান
    অন্য গুরুত্বপূর্ণ লিংক
International Renewable Energy Agency
International Energy Agency
Daily Gas Production Report
Daily Electricity Generation Report
   আরও লিংক
    FOLLOW US ON FACEBOOK
ফটো গ্যালারি
    সব ফটো
ভিডিও
    সব ভিডিও
    সাম্প্রতিক খবর   সর্বাধিক পঠিত
   সম্পাদক এর নির্বাচিত

Explore the energynewsbd.com
হোম
এনার্জি ওয়ার্ল্ড
মতামত
পরিবেশ
অন্যান্য
এনার্জি বিডি
গ্রীণ এনার্জি
সাক্ষাৎকার
বিজনেস
আর্কাইভ
About Us Contact Us Terms & Conditions Privacy Policy Advertisement Policy

   Editor & Publisher: Aminur Rahman
   Copyright @ 2015-2017 energynewsbd.com
   All Rights Reserved | Developed By: Jadukor IT